Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • PM Narendra Modi: ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি ফলোয়ার অর্জনকারী প্রথম বিশ্বনেতা হলেন নরেন্দ্র মোদি, ৪.৩ কোটিতে দ্বিতীয় ট্রাম্প

    PM Narendra Modi: ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি ফলোয়ার অর্জনকারী প্রথম বিশ্বনেতা হলেন নরেন্দ্র মোদি, ৪.৩ কোটিতে দ্বিতীয় ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) সামাজিক মাধ্যমে একটি বড় ডিজিটাল মাইলফলক অতিক্রম করেছেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি ফলোয়ার অর্জনকারী প্রথম বিশ্বনেতা এবং রাজনীতিবিদ হয়েছেন। বিশ্বব্যাপী সামাজিক মাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে তাঁর অতুলনীয় উপস্থিতির প্রমাণ। মোদি ভক্তদের মধ্যে বিরাট উন্মাদনা।

    এক দশক ধরে তাঁর অ্যাকাউন্টটি ক্রমশ বৃদ্ধি (PM Narendra Modi)

    নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) ২০১৪ সালে ইনস্টাগ্রামে যোগদান করেন এবং গত এক দশক ধরে তাঁর অ্যাকাউন্টটি ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করা এবং জড়িত রাজনৈতিক প্রোফাইলগুলির মধ্যে তিনি এখন অনন্য। তবে এই প্ল্যাটফর্মটি সরকারি কর্মকাণ্ড, আন্তর্জাতিক সফর, জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ, সাংস্কৃতিক মুহূর্ত এবং ব্যক্তিগত প্রতিফলনের ঝলক ভাগ করে নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। দেশবিদেশের বিস্তৃত এবং বৈচিত্র্যময় দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করেছে এই প্রফাইল।

    কোন বিশ্বনেতার ফলোয়ার কত?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) এখন ইনস্টাগ্রামে বিশ্বনেতাদের মধ্যে এক নম্বরে পৌঁছে গিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নেতাদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ফলোয়ার সংখ্যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিগুণেরও বেশি। ট্রাম্প ৪.৩২ কোটি সংখ্যার ফলোয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। অন্যান্য বিশ্বনেতাদের মধ্যে রয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো, তাঁর ফলোয়ার ১.৫ কোটি, ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, তাঁর ফলোইয়ার ১.৪৪ কোটি, তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান, তাঁর ফলোয়ার ১ কোটি ১৬ লক্ষ এবং আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি জাভিয়ের মাইলি, তাঁর ৬৪ লক্ষ।

    ডিজিটাল যুগে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রভাব যথেষ্ট

    ডিজিটাল মাধ্যমে মোদির (PM Narendra Modi) প্রভাব যথেষ্ট বেশি। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ইনস্টাগ্রাম ভারত এবং বিদেশে তরুণ দর্শকদের মধ্যে জোরালোভাবে কম্পনের সৃষ্টি করে। ডিজিটাল যুগে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রভাব যথেষ্ট পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটায়। ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেও এই ব্যবধান সমানভাবে লক্ষণীয়। ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্যান্য সকল ভারতীয় রাজনৈতিক নেতার চেয়ে অনেক এগিয়ে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রায় ১.৬১ কোটি ফলোয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, যেখানে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী প্রায় ১.২৬ কোটি ফলোয়ারে রয়েছেন। এই পার্থক্য দেশীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রধানমন্ত্রীর প্রভাবশালী অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

  • The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad), হিন্দু ধর্মের মেয়েদের প্রমের জালে ফাঁসিয়ে জোর করে ধর্মান্তর করার প্রবণতা কতটা মারাত্মক সেই কথা আরও একাবার উঠে এসেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ সিনেমায় (The Kerala Story-2)। তবে সিনেমাতে বাস্তবে ঘটা মেয়েদের দুর্বিষহ জীবনের কথাকে ঘিরেই কাহিনিকে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি, দিল্লিতে একটি সাংবাদিক সম্মলেন করে নির্যাতিতাদের কথা তুলে ধরেন চিত্র পরিচালক। মুসলিম যুবকরা প্রেমের জালে জড়িয়ে প্রথমে বিবাহ এবং এরপর জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণের মতো ঘটনা নির্যাতিতাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এখানে মহিলারা তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এবং সমাজকে বিশেষ করে হিন্দু মেয়েদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

    নির্যাতিতাদের জবানবন্দি (The Kerala Story-2)

    একটি বিশেষ সাক্ষাৎকরে কয়েকজন মহিলা তাঁদের নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া কথার উল্লেখ করে বলেন, “লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) শিকার হয়েছি আমরা। রীতিমতো মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমাদের ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছিল।” ভুক্তভোগীদের মতে, এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং এর (The Kerala Story-2) পেছনে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র কাজ করে। বড় ধরনের একটি সাংগঠনিক শক্তি এই গোটা সিস্টেমকে পরিচালনা করছে।

    প্রতারণার কৌশল

    নির্যাতিতারা বলেন, “অভিযুক্তরা প্রথমে খুব দয়ালু এবং যত্নশীল হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করে। ধীরে ধীরে তারা মেয়েদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ম পরিবর্তন ধর্মান্তকরণ এবং অনেক ক্ষেত্রে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরিবার এবং আত্মীয়দের দ্বারা শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে। প্রতি পদে পদে অত্যাচারের মাত্রা এতোটাই করে যে সাধারণ ভাবে বেঁচে থাকাকার মনোবল কেড়ে নেওয়া হয়।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর প্রেক্ষাপট

    প্রথম ছবির সাফল্যের পর, দ্বিতীয় সিরিজে (The Kerala Story-2) আরও অনেক বাস্তব ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমা নির্মাতাদের দাবি, এই ছবিটি কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজকে একটি বিশেষ বিপদ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ছবির মাধ্যমে দেখানো হয়েছে কীভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে কিছু গোষ্ঠী এই ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়ায় মদত দিচ্ছে। আর এই কাজে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়েদের (Love Jihad) বেশি করে টার্গেট করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তা ও আবেদন

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা বর্তমান প্রজন্মের হিন্দু কন্যাদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী যা যা করা উচিত তা হল-

    • ● অচেনা বা স্বল্প পরিচিত ব্যক্তিদের ওপর অন্ধবিশ্বাস না করা।
    • ● কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে তার পারিবারিক ও সামাজিক পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করা।
    • ● ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন থাকা।
    • ● কোনও প্রকার অস্বাভাবিক চাপ বা ধর্মান্তকরণের ইঙ্গিত পেলে তৎক্ষণাৎ পরিবার বা প্রশাসনকে জানানো।

    সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথা

    নিজেদের সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় পরিস্থিতির শিকার মেয়েরা (Love Jihad) বলেন, এই ধরনের ঘটনাগুলো কেবল কেরলে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই সামাজিক সচেতনতা এবং আইনি কঠোরতা বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। সমাজে সকলের মধ্যে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষানীতি অবলম্বন করা উচিত। এটি একটি সম্মিলিত সংগঠিত অপরাধ। সরকার এবং সামাজিক স্তরে কাজ করা দরকার। আমাদের জীবনের এই যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল যাতে আর কোনও মেয়েকে এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2) সেই সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথাগুলোই বড় পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

    প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিপুল ও ছবির পরিচালক কামাখ্যা নারায়ণ সিং। সেখানে ৩৩ জন মহিলা উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাঁচির জাতীয় স্তরের শুটার তারা সহদেও বলেন, “রঞ্জিত কোহিল পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁকে বিয়ে করেন রাকিবুল হাসান। পরে কোনও মতে তাঁর বাড়ি থেকে পালিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হন। রাকিবুল ও তাঁর মায়ের জেল হয়।” আবার বিপুলের দাবি, মাঝেমধ্যে শুনি, ভারতে লাভ জিহাদ (Love Jihad) বা জোর করে ধর্মান্তরকরণ হচ্ছে না। তাই আমরা ভুক্তভোগীদের হাজির করেছি।”

    মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই সিনেমায় (The Kerala Story-2) কেরলের নাম জুড়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। পরিচালক–অভিনেতা অনুরাগ কাশ্যপ ছবিটিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ চিহ্নিত করেছেন। অপর দিকে বামপন্থী সংগঠন সিনেমার বিরোধীতা করে প্রকাশ্যে গো মাংস ভক্ষণ উৎসব করেছে।

  • Sukma: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো সুকমার গোগুন্ডা গ্রাম

    Sukma: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো সুকমার গোগুন্ডা গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের মাওবাদী-অধ্যুষিত সুকমা জেলায় (Sukma) এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাধীনতার দীর্ঘ সাত দশক পর অবশেষে বিদ্যুতের (Electricity) আলোয় আলোকিত হলো দুর্গম গোগুন্ডা গ্রাম। জেলা প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় এই অসম্ভব কাজ সম্ভব হয়েছে।

    ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা (Sukma)

    গোগুন্ডা গ্রামটি (Sukma) সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৫০ মিটার উচ্চতায় একটি পাহাড়ের ওপর অবস্থিত। ভৌগোলিক দুর্গমতা এবং মাওবাদী দাপটের কারণে দশকের পর দশক ধরে এই গ্রামটি উন্নয়নের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। এর আগে বিদ্যুৎ সংযোগের (Electricity) জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাহাড়ের ওপরে নিয়ে যাওয়া ছিল অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। সুকমার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার এই সাফল্যকে স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের জয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “গোগুন্ডা গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছানো কেবল একটি পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি ওই অঞ্চলের মানুষের মনে সরকারের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ।”

    নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা

    এই গ্রামটিতে (Sukma) বিদ্যুৎ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ অবদান রয়েছে। সিআরপিএফ (CRPF)-এর ৭৪তম ব্যাটালিয়নের একটি ক্যাম্প এবং একটি ‘ফরওয়ার্ড অপারেটিং বেস’ (FOB) স্থাপন করার পরই ওই অঞ্চলে সরকারি উন্নয়নের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়। জওয়ানদের কড়া পাহারায় বিদ্যুৎ (Electricity) দফতরের কর্মীরা পাহাড়ি পথে বিদ্যুতের খুঁটি ও বসানোর কাজ সম্পন্ন করেন।

    উন্নয়নের নতুন দিগন্ত

    শুধুমাত্র বিদ্যুৎ (Electricity) নয়, গ্রামটিতে এখন আধুনিক সভ্যতার অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ এখনও পর্যন্ত যা যা কাজ চলছে তা হল-

    • ● গ্রামটিতে পাকা রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছে।
    • ● একটি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে।
    • ● গ্রামবাসীদের জন্য রেশন দোকান (PDS) এবং মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    গ্রামবাসীদের প্রতিক্রিয়া

    গ্রামের (Sukma) বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে শিশুরা—সবাই ঘরে আলোর বাল্ব জ্বলতে দেখে উচ্ছ্বসিত। গ্রামবাসীরা বলেন, “এতদিন আমরা অন্ধকারের মধ্যে বসবাস করতাম এবং রান্নাবান্না বা যাতায়াতের জন্য কেরোসিন তেলের বাতির ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন বিদ্যুৎ (Electricity) আসায় আমাদের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হবে এবং শিশুদের পড়াশোনায় অনেক সুবিধা হবে।”

  • T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (2026 ICC Men’s T20 World Cup) বৃহস্পতিবার সুপার এইটে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচ (India vs Zimbabwe) খেলতে নামছে ভারত। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার ৮-এর প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিরাট ব্যবধানে হারের ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথ বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৭৬ রানের এই পরাজয় তাদের নেট রান রেটে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছে। এখন, টিম ইন্ডিয়াকে তাদের দুটি ম্যাচই জিততে হবে, এবং তাও বড় ব্যবধানে।

    সেমিফাইনালের সম্ভাবনা

    দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের সঙ্গে সঙ্গে, টিম ইন্ডিয়ার নেট রান রেটেরও উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে, যার ফলে সেমিফাইনালে (T20 World Cup 2026) পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমে গিয়েছে। তবে, ভারতের জন্য প্রত্যাবর্তন সম্ভব। এর জন্য, তাদের বাকি দুটি ম্যাচে সেমিফাইনালের হিসেব-নিকেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। টিম ইন্ডিয়া যদি বাকি সুপার ৮ ম্যাচগুলিতে বড় জয় অর্জন করে, তাহলে সেমিফাইনালের দৌড়ে থাকার সুযোগ তাদের রয়েছে। ভারত যদি প্রথমে ব্যাট করে এবং ১৯০ রানের বেশি করে, তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে অলআউট করতে হবে এবং ৬০ রানের বেশি রানে জিততে হবে। তবে, ৮০ বা তার বেশি রানের জয়ই সেরা বলে বিবেচিত হবে। ভারত যদি লক্ষ্য তাড়া করে, অর্থাৎ পরে ব্যাট করে তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং ১০ থেকে ১২ ওভারে লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

    দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং

    বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগেই ভারতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং। তবে তিনি এই ম্যাচে খেলবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট হয়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক (Sitanshu Kotak) জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধেতেই ফের দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু। তিনি বৃহস্পতিবার চিপকে (Chepauk) থাকবেন। টিম ম্যানেজমেন্ট যদি মনে করে, তাহলে তিনি খেলবেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে ভারতীয় দল ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন রিঙ্কু। তাঁর বাবা খানচাঁদ সিং (Khanchand Singh) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি গ্রেটার নয়ডার (Greater Noida) এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে টিম ম্যানেজমেন্ট রিঙ্কুকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়। বাড়ির পরিস্থিতি সামলে চেন্নাইয়ে ফিরছেন রিঙ্কু।

    চিপকে চাপে ভারত

    সোমবার মুম্বইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারিয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে এমনিতেই চাপে ছিল ভারত। তার উপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই বিশাল জয়ের ফলে ভারতের নেট রান রেটের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে গিয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে হলে বাকি ম্যাচগুলো বড় ব্যবধানে জিততেই হবে। ভারতের পরবর্তী ম্যাচ বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। একই দিনে অন্য ম্যাচে আমেদাবাদে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ম্যাচের ফলাফলের উপর অনেকটাই নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য। তবে অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের গুছিয়ে নিতে চাইবেন গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেক্ষেত্রে সবকিছু ভুলে রানে ফিরতে হবে অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষাণদের। ভারতের ব্যাটিং তেজই চিপকে ফের সূর্যোদয় ঘটাতে পারে টিম ইন্ডিয়ার।

  • Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের (Cervical Cancer) বিরুদ্ধে টিকাকরণ (HPV Vaccination) শুরু হচ্ছে দেশে। জরায়ুমুখের ক্যান্সারে মৃত্যুহার কমাতে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্য সারাদেশে বিনামূল্যে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাকরণ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। ‘স্বাস্থ্য নরী’ (Swastha Nari) মিশনের আওতায় এই উদ্যোগ দেশের মহিলাদের মধ্যে অন্যতম প্রতিরোধযোগ্য ক্যান্সারের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই টাকাকরণ কর্মসূচিতে দু’টি পৃথক ডোজের পরিবর্তে একটি মাত্র ডোজই দেওয়া হবে, যেমনটি অনুমোদন রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

    কাদের দেওয়া হবে এইচপিভি টিকা

    ১৪ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে সব মেয়েদের এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) দেওয়া হবে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ৮৫ শতাংশই মূলত এইচপিভি সংক্রমণ থেকে ঘটে। মহিলাদের শরীরের সর্বাধিক যে ধরনের ক্যান্সার বাসা বাঁধে, তাতে একেবারে দ্বিতীয় স্থানে সার্ভিক্যাল ক্যান্সার (Cervical Cancer)। প্রতিবছর সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১.২৫ লক্ষ মহিলা, যার মধ্য়ে মারা যান ৭৫ হাজার। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) বাধ্যতামূলক টিকাকরণ কর্মসূচি নয়, বরং ইচ্ছের উপর নির্ভর করবে গোটা বিষয়টি। এইচপিভি ১৬, এইচপিভি ১৮-র বিরুদ্ধেই এই টিকাকরণ, যাতে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সার্বিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়। পাশাপাশি, এইচপিভি ৬ এবং এইচপিভি ১১-র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা লক্ষ্য।

    কবে থেকে শুরু হবে টিকাকরণ কর্মসূচি

    দিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ২.৬ কোটি ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এর মধ্যে ১ কোটি ডোজের জোগান দেবে টিকা-সহযোগী গাভী (Gavi)। আমেরিকার বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা মার্ক-এর তৈরি ‘গার্ডাসিল’ টিকা ব্যবহার করা হবে ভারতে। সরকারি সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট বয়সের মেয়েদের সিঙ্গল ডোজ দেওয়া গেলেই সুরক্ষা মিলবে বলে প্রমাণ মিলেছে।

    খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের দাম

    সরকারি সূত্রের খবর, এই কর্মসূচিতে ‘গার্ডাসিল’ (Gardasil) নামের কোয়াড্রিভ্যালেন্ট এইচপিভি টিকা ব্যবহার করা হবে। বর্তমানে খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজের দাম প্রায় ৩,৯২৭ টাকা। ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য দু’টি এবং তার বেশি বয়সিদের জন্য তিনটি ডোজ প্রয়োজন হয়। তবে সরকারি এই বিশেষ অভিযানের অধীনে কিশোরীদের বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে।

    এক ডোজেই মিলবে সুরক্ষা

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গাইডলাইন মেনে এবং ভারতীয় বিজ্ঞানীদের গবেষণার ভিত্তিতে সরকার জানিয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সি কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিনের একটি ডোজই দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী সুরক্ষা দিতে সক্ষম। ‘ইউনিভার্সাল ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম’-এর বাইরে এটি একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন হিসেবে চালানো হবে।

    কেন ১৪ বছর বয়সকেই বেছে নেওয়া হলো?

    চিকিৎসকদের মতে, শরীরে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার আগেই যদি এই টিকা নেওয়া যায়, তবে তার কার্যকারিতা সর্বাধিক হয়। তাই ১৪ বছর বয়সকে এই টিকাকরণের জন্য আদর্শ সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার মহিলা নতুন করে জরায়ুমুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ৪২ হাজার জনের মৃত্যু হয়। এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালু হলে মৃত্যুহার অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মান

    ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটি এইচপিভি ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১৬০টি দেশে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যে ৯০টিরও বেশি দেশ এক ডোজের সময়সূচি অনুসরণ করছে। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি ডোজ প্রয়োগের মাধ্যমে টিকাটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যাকসিনে অন্তর্ভুক্ত এইচপিভি টাইপের বিরুদ্ধে ৯৩ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়। ভারত এই তালিকায় নাম লেখানোয় জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এক নতুন দিগন্ত খুলল।

    কোথায় কোথায় মিলবে টিকা

    প্রকল্পের সূচনা ঘটলে মেয়েদের যাতে টিকাকরণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তার জন্য় অভিভাবক ও মা-বাবাদের আর্জি জানিয়েছেন আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, যত শীঘ্র টিকা নেওয়া যাবে, তত বেশি প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির, জেলা হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজে এইচপিভি টিকা নেওয়া যাবে। প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল অফিসারদের উপস্থিতিতেই টিকাকরণ চলবে। টিকাকরণের পরও পর্যবেক্ষণে থাকবেন সকলে, যাতে পরবর্তী পরিস্থিতির উপর নজর রাখা যায়। টিকার বিজ্ঞানসম্মত মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেই মতো নিজেদের সুপারিশের কথা জানায় ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিনাইজেশন।

    কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ

    জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী ‘হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস’ (এইচপিভি)। এর ২০০ রকম প্রজাতি রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ক্যানসারের জন্য দায়ী। বিশেষ করে এইচপিভি ১৬ ও এইচপিভি ১৮ জরায়ুমুখের ক্যানসারের কারণ। এইচপিভি ভাইরাস ঠেকাতে প্রতিষেধক দেওয়াই সবচেয়ে আগে জরুরি। তবে এইচপিভি টিকা কতটা কার্যকরী, তা আদৌ ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারবে কি না, এ বিষয়টি নিয়ে সংশয় ছিলই। সম্প্রতি ব্রিটেনের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেল্‌থ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ’ (এনআইএইচআর) জানিয়েছে, জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যকরী হচ্ছে। শুধু সময়মতো টিকাটি নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ‘স্বাস্থ্য নারী’ (Swastha Nari) উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে কয়েক লক্ষ কিশোরীকে এই মারণ ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

  • Daily Horoscope 26 February 2026: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 February 2026: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

      মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক বিধানসভার জন্য অবজারভার নিয়োগ করা হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তির দিন থেকেই বেশ কিছু কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (Central Observers) এই রাজ্যে আসবেন। প্রত্যকে বিধানসভায় চূড়ান্ত নজরদারিতে অন্ততপক্ষে একজন করে পর্যবেক্ষক থাকতে চলেছে। বিধানসভা ভোটে মনোনয়ন প্রক্রিয়াও চলবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের নজরদারিতেই। বাংলা-সহ ৫ রাজ্যেই ফর্মুলা নির্বাচন কমিশনের। দেশে মোট ১ হাজার ৪৪৪ জন অফিসারকে ট্রেনিং দিচ্ছে কমিশন (Election Commission)।

    ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক পর্যবেক্ষক

    পুরনো অভিজ্ঞার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) দেখেছে, মনোনয়ন পর্ব থেকে বাংলার একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ, অশান্তি, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। শাসকদলের বিরুদ্ধে জোর করে মনোনয়নপত্র প্রত্যহার করা শুরু থেকে রাজনৈতিক হিংসারও অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিরোধীদের ব্যাপক ভাবে টার্গেট করেছিল দুষ্কৃতীরা। মনোনয়ন জমা, ভোট গ্রহণ এবং ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত  হিংসা-সন্ত্রাসের বাতাবরণ পর্যন্ত ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি যেদিন জারি করা হবে, সেদিন থেকেই প্রায় ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক আলাদা আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা (Central Observers)  থাকবেন। নির্বাচনকে হিংসা মুক্ত করাই নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতেও পর্যবেক্ষক

    কামিশনের (Election Commission) সাফ কথা, সিদ্ধান্ত যে কেবল পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে, তেমনটা নয়। মোট ১৪৪৪ জন আইপিএস, আইএএস,  আইআরএস অফিসারদের গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতে নিয়োগ করা হবে। এই আধিকারিকদের মধ্যে আইপিএস অফিসারদের পুলিশ অবজারভার হিসাবে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আইএএস পর্যমর্যাদার আধিকারিকদের (Central Observers) জেনারেল অফিসার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। কমিশন আরও জানিয়েছে, রেভিনিউ অর্থাৎ আর্থিক ক্ষেত্রে নজরদারির জন্য আইআরএস অফিসারদের ব্যবহার করা হবে। মনোনয়ন পর্ব থেকে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যন্ত গোটা প্রক্রিয়ায় নজরদারি রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।

  • India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সফরে শুক্রবার ভারতে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (India Canada Relation)। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কানাডায় ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ পাটনায়েক জানিয়েছেন, এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কার্নির এই সফরে তাঁর সঙ্গে থাকছেন চারজন মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দুই প্রদেশের প্রিমিয়ার (মুখ্যমন্ত্রী সমতুল্য)। কার্নির সঙ্গে থাকছে কানাডার উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল। এই উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি থেকে স্পষ্ট, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করাই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

    অত্যন্ত সময়োপযোগী সফর

    কানাডার বিদেশমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত সফরে যোগ দেবেন। তিনি বলেন, “বাণিজ্য বহুমুখীকরণ এবং কানাডিয়ানদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, অর্থনীতির সব ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করাই আমাদের লক্ষ্য।” মঙ্গলবার অর্থ ও রাজস্বমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেনও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ভারত সফর নিশ্চিত করে বলেন, “একটি স্থিতিশীল কানাডিয়ান অর্থনীতির জন্য বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও জানান, এই সফরের পর তিনি অস্ট্রেলিয়াতেও যাবেন। অটোয়ায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শ্যাম্পেন ভারত সফরকে “অত্যন্ত সময়োপযোগী” বলে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক কানাডার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে।

    অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে জোর

    কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মনিন্দর সিধুও এই সফরে যোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কানাডিয়ান ব্যবসার জন্য নতুন বাজার উন্মুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের রফতানি ৩০০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বাড়ানোর যে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য, তা পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” সফরকালে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইন্টিও সফরে থাকবেন। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা করছে। ম্যাকগুইন্টি ভারতের পর অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সফরেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়ে আলোচনা

    এছাড়াও কার্নির সঙ্গে ভারত সফরে আসবেন আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার স্কট মো এবং নিউ ব্রান্সউইকের প্রিমিয়ার সুসান হল্ট। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ম্যাট জেনারু-ও ভারতে আসছেন। তিনি এপ্রিল ২০২৪ সালের ফেডারেল নির্বাচনে কনজারভেটিভ হিসেবে নির্বাচিত হলেও সম্প্রতি লিবারেল দলে যোগ দেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সফরের পর এই প্রথম কোনও কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে আসছেন। অটোয়ায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পাটনায়েক বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়েই এই সফরে আলোচনা হবে। আমরা একটি সমন্বিত প্যাকেজের দিকে তাকিয়ে আছি।” পাটনায়েকের কথায়, মার্ক কার্নির ভারত সফরে (Mark Carney India Tour) ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একগুচ্ছ চুক্তি সই হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি।

  • Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা এবং ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়। হিন্দু রাষ্ট্র হল ধর্মের নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ধারণা।” এমন কথাই বলেছেন আরএসএসের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। মঙ্গলবার সংঘ পরিবারের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে কেরলের তিরুবন্তপুরমের  রাজীব গান্ধী সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজিতে আয়োজিত ‘ব্লুমিং ভারত: ইয়ং ইন্টেলেকচুয়াল মিট’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এই কথা বলেন।

    প্রাচীন রাষ্ট্র ভারতবর্ষ (Dattatreya Hosabale)

    সংঘের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতবর্ষ আমাদের একটি প্রাচীন রাষ্ট্র। কেউ কেউ যুক্তি দেন যে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পরই এটি একটি জাতিতে পরিণত হয়েছিল। রাষ্ট্রের ধারণাটি পশ্চিমাদের জাতির ধারণার মতো ছিল না। কর্নাটকে জন্মগ্রহণকারীদের কাছে কেরল একটি প্রতিবেশী রাজ্য ছিল। তবুও, দুর্ভাগ্যজনক যে কেরলের দর্শকদের সামনে রাষ্ট্রের ধারণাটি একটি বিদেশি ভাষায় উপস্থাপন করতে হয়েছিল। কোনও বিদেশি ভাষাই একটি জাতির ধারণা, তার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দর্শনের সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।”

    সংস্কৃত হল জাতির ভিত্তি

    সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “সংস্কৃতি হল জাতির ভিত্তি। সরকারের খসড়া বিদ্যুৎ নীতি, সাবারি সোনার খসড়া, ভিঝিনজাম বন্দর চুক্তি এবং আরও অনেক কিছু হিন্দু নামটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়ও এটি একটি হিন্দু জাতি ছিল। এর আত্মা আধ্যাত্মিক। যদিও প্রকাশভঙ্গিতে পার্থক্য থাকতে পারে, সংস্কৃতি এক। সঙ্গীত কন্নড় হোক বা হিন্দুস্তানি হোক বা অন্য কোনও রূপ, ভিত্তি হল সাতটি স্বর। রাধা, কৃষ্ণ, শিব এবং পার্বতী ছাড়া কোন নৃত্যধারা বিদ্যমান? ভারতের ঐক্যকে বোঝাতে, সমাজতান্ত্রিক নেতা রাম মনোহর লোহিয়াকে স্মরণ করতে পারি। যিনি উত্তর ও দক্ষিণকে সংযুক্ত করেছিলেন। কৃষ্ণ, যিনি পূর্ব ও পশ্চিমকে সংযুক্ত করেছিলেন। এবং শিব, যিনি সমগ্র জাতিকে প্রভাবিত করেছিলেন।”

    ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ দেশের সংস্কৃতির প্রতীক

    দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “চিনা আক্রমণের সময়, ডিএমকে নেতা আন্নাদুরাই রাজ্যসভায় চিনের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রেখেছিলেন যে হিমালয় হল শিবের আবাসস্থল। মাদুরাইতে এক বক্তৃতায়, পণ্ডিত নেহরু বলেছিলেন যে, তিনি তীর্থযাত্রার মাধ্যমে ভারতকে ঐক্যবদ্ধকারী পূর্বপুরুষদের প্রণাম করেন। ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ এবং শঙ্করাচার্য কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত চারটি মঠ ভারতের সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। বন্দে মাতরম রচনাকারী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভারতকে সরস্বতী, লক্ষ্মী এবং দুর্গা হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন, যা জ্ঞান, সম্পদ এবং শক্তির প্রতীক। এর কোনওটিই ধর্মীয় নয়। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মহম্মদ করিম চাগলা এই কারণে নিজেকে একজন সাংস্কৃতিক হিন্দু বলে ঘোষণা করেছিলেন। ইন্দোনেশিয়া তার ধর্ম পরিবর্তন করেছে কিন্তু তার পূর্বপুরুষদের নয়। তারা রামায়ণকে লালন করে এবং হিন্দুধর্ম হল নীতি ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের একটি ব্যবস্থা।

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাকের (NAAC) ডিরেক্টর গণেশান কান্নানবীরেন, কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মোহনন কুন্নুম্মল, এপিজে আবদুল কালাম টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির ভিসি সিজা থমাস এবং আরএসএস দক্ষিণ কেরালার আঞ্চলিক সংঘচালক এমএস রমেশান।

  • Snowfall in Sikkim: তুষারপাতের জেরে বিপর্যস্ত সিকিম! নাথুলার পথে আটকে কয়েক হাজার পর্যটক, উদ্ধারকাজ চলছে

    Snowfall in Sikkim: তুষারপাতের জেরে বিপর্যস্ত সিকিম! নাথুলার পথে আটকে কয়েক হাজার পর্যটক, উদ্ধারকাজ চলছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা তুষারপাতে বিপর্যস্ত সিকিম (Snowfall in Sikkim)। মঙ্গলবার ছাঙ্গু লেকের কাছে শেরথাং এলাকায় প্রবল তুষারপাতের জেরে আটকা পড়েন দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার পর্যটক। পর্যটন দফতর সূত্রের খবর, ১৫ মাইল এলাকা থেকে ছাঙ্গুর মাঝে বরফের স্তূপে আটকে পড়ে ৫৪১টি গাড়ি। রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ লাইন। অনেকে আবার গাড়িতেও আটকে রয়েছেন। তবে ধীরে ধীরে তাঁদের উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে পূর্ব সিকিম থেকে ২৭০০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। তুষারপাতের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে বিপাকে পড়া পর্যটকেরা এখন উদ্ধারের অপেক্ষা করছেন।

    ২,৭৩৬ জন পর্যটক উদ্ধার

    জানা গিয়েছে, সিকিমের হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে সব মিলিয়ে প্রায় ২,৭৩৬ জন পর্যটক কার্যত বন্দি হয়ে পড়েছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি ময়দানে নামে সিকিম প্রশাসন। পর্যটন দফতর, পুলিশ ও বিআরও-এর জওয়ানরা স্থানীয় চালক ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার তোয়াক্কা না করেই পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার কাজ চলে। এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি বা বড় বিপত্তি ঘটেনি। এই সাফল্যের জন্য সিকিম পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় চালক সংগঠন- সকলকেই ধন্যবাদ জানিয়েছে পর্যটন দফতর। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, শেরথাং-এ প্রবল তুষারপাত হচ্ছে। ওই এলাকার রাস্তাগুলিতেও কয়েক ইঞ্চি বরফের পুরু আস্তরণ পড়েছে। ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    তুষারপাত নিয়ে সতর্কতা

    রাজ্য পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটক এবং পর্যটন সংস্থাগুলিকে আবহাওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য অনুসরণ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তুষারপাতপ্রবণ এলাকায় ভ্রমণের সময় গাড়িতে বাধ্যতামূলক ভাবে ‘স্নো চেন’ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এমন পরিস্থিতি এড়াতে পর্যটক ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলির জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিল মরশুমের প্রথম তুষারপাত। সাদা চাদরে ঢেকে গেল উত্তরবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু। ভোর হওয়ার পর থেকেই হালকা তুষারপাত শুরু হয়, যা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গোটা পাহাড়ি অঞ্চলকে এক মনোরম শীতের আবহে মুড়ে দেয়।

LinkedIn
Share