Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বের হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ভোটার যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন কি পিছিয়ে যাবে? তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা এখন শিরোনামে। চূড়ান্ত তালিকার পর সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কীভাবে বের হবে, তাতে নাম না থাকলে কি করবে, তা নিয়েও কমিশন (West Bengal Assembly Election) মত প্রকাশ করেছে। তবে এসআইআর কাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই কি বিধানসভার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে তা নিয়েও কমিশন (Election Commission) কী জানাচ্ছে আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    ২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্রের বেঞ্চ মঙ্গলবার বলেছে, “২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের শেষ দিন। যদি ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ কিংবা ‘আনম্যাপড ক্যাটেগরি’ যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হয়, সেক্ষেত্রে এই ভোটার তালিকা ধাপে ধাপে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে।” শুক্রবার ভোটার তালিকা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ না হলে ঠিক কত নাম বাদ হতে চলেছে তা-ও সম্পূর্ণরূপে ওইদিন বোঝা যাবে না। ২৮ তারিখের পরেও ধাপে ধাপে তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন (Election Commission)। ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ হওয়া সেই তালিকাগুলিতে বাদ ভোটারের পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে।

    মনোনয়ন পর্যন্ত লিস্ট বের হবে

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার আগেই ভোট ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকার বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশের আগেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে অসুবিধা নেই। শুক্রবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও এখনই ভোটারদের নাম বাদের হিসাবে মিলবে না। মনোনয়ন পর্যন্ত যে কটি লিস্ট বের হবে তা নিয়েই বিধানসভার নির্বাচন হবে। কমিশন (Election Commission) আরও জানিয়েছে, নতুন করে বুথের বিন্যাস হবে না। ৮০ হাজার ৬৮১ বুথে ভোট হবে। যদি আগে বলা হয়েছিল একটি বুথে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ভোটার থাকবে না। বুথ বিন্যাসের পর রাজ্যে ১৩ হাজার ৮১৬ বুথ বেড়ে ছিল। ফলে বুথের সংখ্যা ৯৪ হাজার ৪৯৭টি। তবে এসআইআর-এর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে বুথের বিন্যাস সম্ভব নয়। তবে বহু তলের জন্য ৬০ থেকে ৭০টি অতিরিক্ত বুথ যুক্ত হতে পারবে।

    মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা

    খসড়া তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের সময় ভোটার তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছিল। শুনানি পর্বে বাদ গিয়েছে প্রায় আরও প্রায় ৮ লক্ষ নাম। ১ মার্চ থেকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দুই দফায় ১০ তারিখের মধ্যে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (Election Commission)। তবে সূত্রের খবর, মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই সম্ভবত বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেবে কমিশন। দোল ও হোলি মিটলেই নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২১ সালে ৮ দফা বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।

  • Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আবারও জঙ্গি হামলা চালানো হবে! যে ঘটনা মনে করাবে ২৬/১১-এর ভয়ঙ্কর স্মৃতি। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র (Lashkar-e-Taiba) ডেপুটি চিফ সইফুল্লাহ কাসুরির একটি বিতর্কিত ভিডিও বার্তা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভিডিওতে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ২৬/১১-র ধাঁচে (Lashkar-e-Taiba Attack) সামুদ্রিক পথে বড়সড় জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে। ২০০৮ সালের সেই হামলায় জঙ্গিরা আরব সাগর পেরিয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে একাধিক স্থানে নৃশংস আক্রমণ চালিয়েছিল। ফলে এবারও সমুদ্রপথ ব্যবহার করে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

    ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”

    ভিডিও বার্তায় কাসুরি দাবি করেছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তান “আকাশে আধিপত্য” দেখিয়েছে এবং ২০২৬ সালে তারা “সমুদ্রে আধিপত্য” প্রতিষ্ঠা করবে। তার কথায়, স্থল, জল ও আকাশ— কোনও ক্ষেত্রেই ভারতের জন্য নিরাপদ স্থান থাকবে না। কাসুরি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেয় এবং সাম্প্রতিক ভারতীয় সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওে সংঘটিত জঙ্গি হামলার নেপথ্য কারিগর হিসেবেও কাসুরির নাম উঠে এসেছে। ওই ঘটনার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়, যেখানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। ভিডিওতে কাসুরি মুরিদকে ও বহাওয়ালপুরে ভারতের জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাসুরি। এই দুই স্থানকে দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবার কার্যকলাপের কেন্দ্র বলে মনে করা হয়। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”-এর অভিযোগ তোলে এবং কাশ্মীরে চাপ বাড়ালে অন্যত্র অশান্তি ছড়ানোর হুমকিও দেয় লস্করের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এমনকী,  ভারতীয় ধর্মীয় স্থানগুলিও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন— যা নিয়ে নিরাপত্তা মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    পশ্চিম উপকূলে কড়া নজরদারি

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, ওবেরয় ট্রাইডেন্টের মতো আটটি জায়গায় হামলা চালায় আজমল কসাব ও তার দলবল। ২০২ সালের ২১ নভেম্বর কসাবের ফাঁসি হয়। এই হামলার অন্যতম চক্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি আমেরিকায় ৩৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে। এই হামলায় নিহত হন ১৬৪ জন মানুষ। আহত হন তিনশো’রও বেশি। জানা গিয়েছিল, করাচি থেকে সমুদ্র পার করে মুম্বই এসে হামলা চালায় ১০ পাক জঙ্গি। হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba Attack) যোগ ছিল। ভারত বরাবরই অভিযোগ করে এসেছে যে পাকিস্তানের কিছু গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেয়। যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। কাসুরির বক্তব্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। সম্ভাব্য সামুদ্রিক হুমকির প্রেক্ষিতে ভারতের পশ্চিম উপকূলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা অতীতের অনুপ্রবেশ রুটগুলিতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। যদিও গোয়েন্দাদের মতে, এই হুমকির কিছু অংশ প্রচারমূলকও হতে পারে, তবু কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

  • Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে মঙ্গলবার একযোগে বোমাতঙ্কের (Bomb Scare in Courts) ইমেল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় বিচারপ্রক্রিয়া। আতঙ্কে আদালত চত্বর থেকে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের সরাতে গিয়ে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্য ছড়ায় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টে। আদালত সূত্রে খবর, প্রধান বিচারকের ইমেলে বোমা রাখার দাবি করা হয়। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড নিয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। পুরো ভবন খালি করে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

    এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক

    শুধু কলকাতা নয়। আসানসোল, বহরমপুর, চুঁচুড়া, দুর্গাপুরে জেলা আদালতেও বোমাতঙ্ক ছড়ায়। সূত্রের খবর মেল ও ফোনে বোমা থাকার হুঁশিয়ারি এসেছে৷ কোনও একটা জায়গাতে নয়, একাধিক জেলা আদালতে প্রায় একই প্যাটার্নে বোম থাকার হুশিয়ারি দিয়েছে কেউ বা কারা! কিন্তু কেন? কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে হঠাৎ টার্গেট করা হচ্ছে? কেনই বা রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে বোম থাকার খবর কেউ বা কারা ছড়িয়ে দিচ্ছে? সম্প্রতি এসআইআর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে হবে এসআইআর প্রক্রিয়া। এসআইআর-এ সমস্ত রকমের অসঙ্গতি দেখার জন্য জুডিসিয়াল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত৷ জেলা স্তরের জাজদের জুডিসিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগের কথা বলে আদালত। আবার এই জুডিসিয়াল অফিসারদের পরামর্শ দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। এসআইআর-এর কাজে গতি এনে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ‍্যে তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণ তালিকা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে বাকিটা পরে অতিরিক্ত তালিকা হিসেবে প্রকাশ করা যাবে বলেও জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই সোমবার কাজে নেমে পড়েছেন অনেক জাজ। তারপরই জেলায় জেলায় আদালতে এই বোমাতঙ্ক কি নেহাত কাকতালীয় নাকি কোনও ষড়যন্ত্র? উঠছে সেই প্রশ্নও।

    বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    এদিকে, বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জানিয়েছন। নবান্নে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কলকাতা, কৃষ্ণনগর, বহরমপুর-সহ একাধিক আদালতে বোমা রাখার হুমকি ইমেল এসেছে। সাধারণ মানুষ ও বিচারকরা সমস্যায় পড়েছেন ঠিকই, তবে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডে জানান, প্রশাসন সব পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার বলেন, ব্যাঙ্কশাল ও সিটি সিভিল কোর্টে হুমকি ইমেল এসেছিল। দু’টিই ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে কে বা কারা আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একরত্তি ছানা! বাবা-মায়ের সঙ্গ পায়নি। অন্যদের সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারে না। সময় মতো খাবার পেলেও, সে ভালো নেই। পুষ্টিকর খাবার শরীরের চাহিদা মেটালেও, মনের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। সুস্থ রাখতে তাকে দেওয়া হল একখানা পুতুল! আর তাতেই বাজিমাত! সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে উঠল সেই পুতুল! ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে একরত্তি! মিশতে শেখে। মানিয়ে নিতেও শেখে! জাপানের চিড়িয়াখানার সেই একরত্তি ম্যাকাকের (এক প্রজাতির বাঁদর) একাকিত্ব আর সেরে ওঠার ঘটনায় উত্তাল বিশ্ব। তবে তার এই একাকিত্বের সমস্যা কেবল পশুজগতের সমস্যা নয়। মানব শিশুর জীবনেও একাকিত্বের সমস্যা (Loneliness in Children) প্রবল ভাবে বাড়ছে‌।‌ সামাজিক আচরণে (Social Isolation) যার প্রভাব গভীর ভাবে পড়ছে! এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণ (Child Mental Health) সংযত ও স্বাভাবিক রাখার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে এই একাকিত্ব!

    শিশুর আচরণে কেন সমস্যা হয়ে উঠছে একাকিত্ব?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ পরিবার ছোটো। বাবা-মা দুজনেই কাজে ব্যস্ত থাকেন। দিনের অধিকাংশ সময় তাদের অফিসেই কাটে। পরিবারের একরত্তির সঙ্গে নির্ভেজাল সময় কাটানোর সুযোগ খুব কম। অধিকাংশ শহুরে পরিবারে শিশু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ কাছে পায় না। যার ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব শিশুকে আত্মবিশ্বাসহীন করে তোলে। পরিবারের যথেষ্ট সময় না পেলে শিশু হীনমন্যতায় ভোগে। এর ফলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়‌। তাই সে সমাজের অন্যান্যদের সঙ্গেও মিশতে পারে না।

    পরিবারই পৃথিবী, একাকিত্ব শিশুমনে তৈরি করে মানসিক অবসাদ

    একাকিত্ব একধরনের মানসিক অবসাদ তৈরি করে। শিশুর কাছে প্রাথমিক পর্বে, তার পরিবার তার পৃথিবী। পরিবারের কাছে পর্যাপ্ত যত্ন ও সময় না পেলে, তার মধ্যে অবসাদ তৈরি হবে। যার ফলে সে কোনও কাজ সময় মতো করতে চাইবে না। তার মধ্যে অনীহা তৈরি হবে। স্কুল যাওয়া ও পড়াশোনার প্রতিও অনাগ্রহ বাড়বে। এমনকি বন্ধু তৈরি করার ইচ্ছেও থাকবে না। যা একাকিত্বের সমস্যাকে আরও জটিল করবে। শিশুর একাকিত্ব একদিকে তার সামাজিক যোগাযোগ তৈরির ক্ষমতা নষ্ট করে (Social Isolation)। আবার শিশুকে জেদি করে তোলে। এমন মানসিক পরিস্থিতি তৈরি হয়, যাতে সে কোনোভাবেই অন্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছে হারিয়ে ফেলে। এর ফলে নিজের মতো থাকে। যেকোনও কাজ বললেই একধরনের অনীহা তৈরি হয়‌। জেদ তৈরি হয়।

    সন্তানের একাকিত্ব কাটিয়ে আচরণ ‘স্বাভাবিক’ রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের একাকিত্ব কাটাতে এবং সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক রাখতে দিনের অন্তত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ করতেই হবে। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের সঙ্গে প্রতি দিন অন্তত ২০ মিনিট গল্প করতে হবে। সন্তানের বয়স অনুযায়ী সেই গল্প হবে। পাঁচ থেকে সাত বছরের শিশুর সঙ্গে বসে গল্পের বই পড়া, সারা দিন তার কেমন কাটলো সেই সম্পর্কে গল্প করা জরুরি। আবার বয়ঃসন্ধিকালে থাকা সন্তানের সঙ্গেও তার কেমন সময় কাটছে সে নিয়ে গল্প করা, বা তার পছন্দের গান শোনা, তার পছন্দের যে কোনও বিষয় নিয়ে গল্প করা জরুরি। এতে সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। একাকিত্ব গ্রাস করে না। তার মনের অবস্থা (Child Mental Health) সম্পর্কেও অভিভাবক বুঝতে পারে।

    অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে পড়ছে বাড়তি চাপ

    আধুনিক ব্যস্ত জীবনে সন্তানকে অনেকটা সময় দেওয়া কঠিন। কিন্তু তার বিকল্প কখনই স্ক্রিন টাইম নয়। এমনটাই মত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, ছোটো থেকেই অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। খিটখিটে মেজাজ হচ্ছে। তাই স্ক্রিন টাইম নয়। বরং খেলাধুলা সঙ্গে যাতে সন্তান যুক্ত হয় সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের বয়স পাঁচ বছর হলেই যেকোনও ধরনের খেলার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি। এতে শারীরিক বিকাশের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়। একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে না। মেলামেশার অভ্যাস তৈরি হয়। বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। জেদ, একঘেয়েমি দূর হয়।

    সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি

    শিশুর গ্রুপ অ্যাক্টিভিটি জরুরি বলেই মত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, একসঙ্গে অনেকে মিলে নাচ, গান বা নাটক করা। কিংবা যে কোনও ধরনের খেলাধুলা করলে শিশুর সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক ও সংযত হয়। নানান জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ, সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য (Child Mental Health) ভালো রাখতে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি। শিশুর সুস্থ মানসিক গঠনের জন্য তাকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তার কথা শুনতে হবে। তাহলেই অনেক সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, এবারের ভোট আমরা নিজেদের কায়দায় লড়ব।” বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বিজেপির জয় নিশ্চিত করতে বিজেপি জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ১ মার্চ থেকে জোরদার প্রচার করতে ময়দানে নামবে বিজেপি। এই ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বিশেষ ইঙ্গিত দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)।

    নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বে (West Bengal Elections 2026)

    রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “কেউ যদি বিজেপিকে ভোট না দিতে চান, তা তাঁদের সিদ্ধান্ত। তাতেও রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসা আটকানো যাবে না। এসআইআর তালিকা প্রকাশ,  কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন বা কত দফায় ভোট, এই সব নিয়ে আমাদের চিন্তা নেই। বিজেপি নিজেদের কৌশলেই শান্তিপূর্ণভাবে মানুষের কাছে পৌঁছবে এবং ভোটের হার বাড়ানোর চেষ্টা করবে। সবটাই এবার নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বো।”

    বিজেপি এক দিকে যেমন জেলায় জেলায় আরও শক্তিশালী সংগঠন করতে পেরেছে, তেমনি তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতি, মানুষের মনে তৃণমূলের সম্পর্কে ব্যাপক বিদ্বেষ তৈরি করেছে। এই ভাবনাকে মাথায় রেখে বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর কদমে ময়দানে নামতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আটকানো যাবে না বিজেপিকে

    সংখালঘু ভোট প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “সংখ্যালঘুরা যদি ভোট দিতে না চান, তাহলে সেটা তাঁদের নিজেদের সিদ্ধান্ত। তবে তার উপর নির্ভর করে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসাকে আটকানো যাবে না।” নির্বাচন কমিশন (ECI) ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছে, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে তাদের নিষ্ক্রিয় রাখা হবে না। অতীতে বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছিল, তা এ বার আর যাতে না হয়, সেদিকেই নজর দেওয়া হবে।

    দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, বেকারত্বের মতো ইস্যুর কারণে তৃণমূল সরকার ব্যাপক চাপের মধ্যে। অপর দিকে বিজেপি এই বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক জনমত গড়তে ময়দানে নেমেছে।  বিজেপি নিজেদের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।

  • Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরাসরি কাজে পাঠাতে হবে। কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force) বসিয়ে রাখা যাবে না। রাজ্যকে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর  ভূমিকা নিয়ে নানা ভাবে প্রশ্ন ওঠে। অনেকবার আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রাখার কথাও বলা হয়। তাই নির্বাচন  কমিশন এবার সাফ নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের প্রশাসনকে।

    নির্বাচন কমিশনের হাতে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ (Election Commission)

    রাজ্যে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের প্রেক্ষিতে শাসক বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) হাতে যদি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাহলে কাজ হবে। আর বাহিনী (Central Force) রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকলে, কোনও দিনই কাজ করতে পারবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, বাহিনী এনে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। যদিও শাসক দল লোকসভার ভোট হোক আর বিধানসভার ভোট সবেতেই বরাবর আপত্তি করে থাকে। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির হয়ে কাজ করে নির্বাচন কমিশন। কখনও কখনও ভোট কর্মীরাও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করাতে নারাজ। বাহিনীকে কীভাবে কমিশন কাজে লাগাবে তাই নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠছে।

    কোথায় কত বাহিনী

    মার্চেই প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। দুই দফায় বাহিনী আসবে রাজ্যে। ১ মার্চ রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। ১০ মার্চ বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। ৪৮০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে থাকছে সিআরপিএফ ২৩০ কোম্পানি, বিএসএফ ১২০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৩৭ কোম্পানি, আইটিবিপি ৪৭ কোম্পানি ও এসএসবি ৪৬ কোম্পানি।

    স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে

    সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ও রাজ্য পুলিশ প্রশাসন।  বৈঠকেই নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তুলেছে ভোটের কাজে বাহিনী এসে কি বসে থাকবে? তাই  কমিশনের নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরাসরি জায়গায় পাঠিয়ে কাজে লাগাতে হবে। এখন কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস থাকবে। সেই সঙ্গে কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্য প্রশাসন সবটাতেই পর্যবেক্ষণ করবে। বৈঠকের পর রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। নির্বাচন ভালোভাবেই হবে।

    বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “প্রথম কথা হল কমিশনের যদি আজও চোখ না ফোটে, তাহলে কোনওদিনই চোখ ফুটবে না। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টেরই নির্দেশ মানছে না, তাহলে কমিশনের কথা কেন শুনবে? একটা বিষয় খুব স্পষ্ট, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনার দায়িত্ব যদি রাজ্য সরকারের কোনও মন্ত্রকের হাতে থাকে, তাহলে সেই বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে। কোনও কাজ হবে না। বাহিনীকে (Central Force) নির্বাচন কমিশনের হাতে রেখে কাজ করাতে হবে।” অপর দিকে বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য যত মিলিটারি, আধাসামরিক বাহিনী (Central Force) নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সৈন্য নামিয়ে মানুষকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি।

  • T20 World Cup 2026: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের, আরও কি কঠিন হল ভারতের সেমিফাইনালের রাস্তা?

    T20 World Cup 2026: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের, আরও কি কঠিন হল ভারতের সেমিফাইনালের রাস্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় জয়ের পর ভারত কীভাবে সেমিফাইনালে (T20 World Cup 2026) উঠতে পারে? এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে ক্রিকেট প্রেমীদের মনে। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সুপার এইট-এর ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ফলাফলের পর ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে প্রথম ম্যাচে ৭৬ রানে হারার পর ভারত এখন গ্রুপ ২-এর পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আর পয়েন্টের বিচারে অনেকেই মুশকিল মনে করেছেন। আসুন এক নজরে দেখে নেই কোন কোন অবস্থানে ভারত রয়েছে–

    বাকি দুই ম্যাচে জয় (T20 World Cup 2026)

    ভারতকে (Indian Cricket Team) তাদের বাকি দুটি ম্যাচ অর্থাৎ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবোয়ের সঙ্গে জিততে হবে। এতে ভারতের সংগ্রহ হবে ৪ পয়েন্ট (T20 World Cup 2026) । যদি দক্ষিণ আফ্রিকাও তাদের সব ম্যাচ জেতে, তবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা উভয় দলই সেমিফাইনালে যাবে।

    নেট রান রেটের হিসাব

    ভারত যদি বাকি দুই ম্যাচ জেতে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের একটি ম্যাচে হেরে যায়, তবে তিনটি দলেরই ৪ পয়েন্ট করে হতে পারে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের (NRR) ভিত্তিতে সেরা দুটি দল সেমিফাইনালে (Indian Cricket Team) পৌঁছাবে।

    দক্ষিণ আফ্রিকার হার

    ভারত যদি দুটি ম্যাচই জেতে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের বাকি ম্যাচগুলো হেরে যায়, তবে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরবর্তী রাউন্ডে (T20 World Cup 2026) চলে যাবে।

    একটি ম্যাচ হারলে বিদায়

    ভারত যদি বাকি দুটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জেতে, তবে অন্য দলের ফলাফল যাই হোক না কেন, টিম ইন্ডিয়া (Indian Cricket Team) সেমিফাইনালের (T20 World Cup 2026) দৌড় থেকে ছিটকে যাবে।

    ভারতের বাকি ম্যাচের সূচি

    • ২৬ ফেব্রুয়ারি: ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে (চেন্নাই)
    • ১ মার্চ: ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (কলকাতা)

    সুপার ৮ গ্রুপ ২-এর বর্তমান অবস্থার কথা বিবেচনা করলে দেখা যায় বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ১টি করে ম্যাচ জিতে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে আছে। ভারতের (Indian Cricket Team) রান রেট বর্তমানে -৩.৮০০।

  • Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (SIR) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বিশেষ দিনক্ষণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নথি যাচাই এবং সমাধানের জন্য ভিন রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি যে ভিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ।

    ২৫০ জন জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা জজ  নিযুক্ত (Supreme Court)

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেয়েছি। একজন অফিসার যদি ৫০টি অভিযোগ খতিয়ে দেখেন, তাহলে মোট যত অফিসার নিয়োগ হচ্ছে, সেই অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে ৮০ দিন সময় লাগবে। একই ভাবে সিভিল জজ যাদের তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের ব্যবহার করা উচিত।” তবে কাদের ব্যবহার করা হবে তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ৮০ লক্ষ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। ২৫০ জন জেলা জজ এবং অ্যাডিশনাল জেলা জজ পদমর্যাদা বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা (SIR) প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি আর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে নিয়মিত।

    চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সুবিধার জন্য এসআইআর-এর (SIR) নিয়ম-নীতি সম্পর্কে স্বচ্ছতার সঙ্গে অবগত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট অফ ডেট’ অনুযায়ী তথ্যের নথি গৃহীত হবে। দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং ডকুমেন্টসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে এআরও এবং এইআরও। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেছেন, “কোন ভোটাররা নাম তালিকা ভুক্ত করতে এগিয়ে এলেন, তা আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। আমাদের চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।” প্রধান বিচারপতির এই নির্দেশের পর যদিও রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভিন রাজ্যের বিচারকরা বাংলা ভাষা বুঝবেন না।” তখন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষ ভাষা বোঝেন। একসময় পুরো এলাকায় বাংলার ছিল।

  • Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ (PRAHAAR) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। এই নীতির মূল লক্ষ্য— সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় “জিরো টলারেন্স” (Zero Tolerance) অবস্থান বজায় রেখে ডিজিটাল যুগে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক প্রতিরোধ, সমন্বিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। নীতিটি এমন সময়ে প্রকাশ পেল, যখন একদিন আগেই ভারতীয় সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে কিশতওয়ার জেলায় তিন জঙ্গি খতম হয়। নিহতদের মধ্যে একজন কুখ্যাত লস্কর কমান্ডার সইফুল্লা বলে শনাক্ত হয়েছে।

    প্রহার (PRAHAAR) কী?

    ‘প্রহার’ (হিন্দিতে যার অর্থ আঘাত) নামে এই নীতিতে একটি বহুস্তরীয় কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য সন্ত্রাসবাদী, তাদের অর্থ জোগানদাতা ও সমর্থকদের অর্থ, অস্ত্র এবং নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা। মন্ত্রক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কৌশল কয়েকটি মূল আদর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধ, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার সমন্বয় ইত্যাদি।

    সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ‘প্রহার’ (PRAHAAR)-এর পূর্ণ অর্থ হল:

    • P – প্রিভেনশন (Prevention) বা প্রতিরোধ: ভারতীয় নাগরিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আগাম সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো
    • R – রেসপন্স (Response) বা প্রতিক্রিয়া: হুমকির মাত্রা অনুযায়ী দ্রুত ও উপযুক্ত জবাব
    • A – অ্যাগ্রিগেশন (Aggregation) বা সমন্বয়: সমগ্র সরকারের সমন্বিত অংশগ্রহণে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা একত্রিত করা
    • H – হিউম্যান রাইটস (Human Rights) বা মানবাধিকার ও আইনের শাসন: আইনসম্মত ও মানবাধিকারভিত্তিক প্রক্রিয়ায় সন্ত্রাস মোকাবিলা
    • A – অ্যাটেনুয়েশন (Attenuation) বা কারণ দুর্বল করা: উগ্রপন্থা ও মৌলবাদের উৎসগুলো কমিয়ে আনা
    • A – অ্যালাইনমেন্ট (Alignment) বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও নেতৃত্ব
    • R – রিকভারি (Recovery) বা পুনরুদ্ধার: সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণে স্থিতিস্থাপকতা ও পুনর্গঠন

    এই কাঠামো স্পষ্ট করে যে, নীতিটি শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান নয়, বরং প্রশাসনিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক স্তরেও সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলছে।

    সীমান্ত পারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর উল্লেখ

    নীতিনথিতে বলা হয়েছে, ভারতের আশপাশের অঞ্চলে “ছিটেফোঁটা অস্থিরতার ইতিহাস” রয়েছে এবং কয়েকটি দেশ কখনও কখনও “রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহার করেছে।” এতে সীমান্তপারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে জিহাদি সংগঠন ও তাদের সহযোগী নেটওয়ার্ক ভারতের নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। “ভারত সবসময় সন্ত্রাসবাদের শিকারদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে বিশ্বের কোথাও হিংসার কোনও যুক্তি থাকতে পারে না,” নথিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুনরুল্লেখ করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে মন্ত্রক জোর দিয়ে জানিয়েছে, “ভারত সন্ত্রাসবাদকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম, জাতিসত্তা, জাতীয়তা বা সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত করে না।” এটি নীতিগতভাবে ভারতের অবস্থানকে ধর্মনিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।

    প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ: ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অর্থনীতি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নীতিনথিতে উল্লেখ করেছে যে, আধুনিক সন্ত্রাসবাদ এখন কেবল অস্ত্রনির্ভর নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। আল কায়েদা (Al-Qaeda) ও ইসলামিক স্টেট (ISIS)-এর মতো সংগঠন বিদেশ থেকে পরিচালিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতের ভেতরে হামলার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    নথিতে বলা হয়েছে—

    • ● ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার
    • ● সামাজিক মাধ্যম ও ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার ও নিয়োগ
    • ● এনক্রিপশন, ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো ওয়ালেটের মাধ্যমে গোপন আর্থিক লেনদেন
    • ● এই প্রবণতা মোকাবিলায় সাইবার নজরদারি ও আর্থিক গোয়েন্দা ব্যবস্থার গুরুত্ব বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

    কেন ‘প্রহার’ গুরুত্বপূর্ণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘প্রহার’ নীতির গুরুত্ব তিনটি ক্ষেত্রে—

    • ● সমন্বিত পদ্ধতি: শুধুমাত্র সামরিক বা পুলিশি ব্যবস্থা নয়, গোটা সরকার ও সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণের উপর জোর
    • ● ডিজিটাল হুমকি মোকাবিলা: এনক্রিপশন, ক্রিপ্টো ও সোশ্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে নতুন নিরাপত্তা কৌশল
    • ● আন্তর্জাতিক বার্তা: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট ও কূটনৈতিকভাবে জোরালো করা

    একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ

    ‘প্রহার’ নীতি ভারতের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গিকে একটি কাঠামোবদ্ধ রূপ দিয়েছে। সীমান্তপারের হুমকি, প্রযুক্তিনির্ভর জঙ্গি কার্যকলাপ এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক—এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নীতিটির বাস্তব প্রয়োগ ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় কতটা কার্যকর হয়, সেটাই আগামী দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কৌশলের সফলতা নির্ধারণ করবে।

LinkedIn
Share