Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকলের ভালোর জন্য, সকলের সুখের জন্য এআই। এমনই মনে করে আধুনিক ভারত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Impact Summit India)-র প্রভাব নিয়ে পাঁচ দিনের সম্মেলন শুরুতে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সকাল সাড়ে ৯টায় এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলন শুরু হওয়ার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে তিনি ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’-এর বার্তা দিয়েছেন। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন গুগ্‌লের সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান-সহ কমবেশি ৪০টি সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। যোগ দেবেন ২০টি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগামী বৃহস্পতিবার এই সম্মেলনে বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলন চলাকালীন বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান এবং উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এই সম্মেলন চলবে ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি।

    সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়

    সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এআই নিয়ে আলোচনায় গোটা বিশ্ব সমবেত হয়েছে। আজ থেকে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারত ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর আয়োজন করছে। আমি রাষ্ট্রপ্রধান, শিল্পকর্তা, উদ্যোগপতি, নীতিনির্ধারক, গবেষকদের এই সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই সম্মেলনের বিষয়বস্তু হল সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়। অর্থাৎ, সকলের ভাল। সকলের সুখ। এটি আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষকেন্দ্রিক উন্নতিতে ব্যবহার করার বিষয়ে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতাকে তুলে ধরে।” এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেসেরও এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ মানুষ নাম নথিভুক্ত করেছেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই কৃষক এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষ।

    পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয়

    এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক এআই শীর্ষ সম্মেলন। পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলন নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্পক্ষেত্র এবং জনসম্পৃক্ততা— এই চারটি প্রধান স্তম্ভকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নেবেন। আলোচনার মূল বিষয় হবে— গভর্ন্যান্স, ইনোভেশন এবং সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্টে এআইয়ের ভূমিকা। সম্মেলনের ভিত্তি রাখা হয়েছে তিনটি ‘সূত্র’-এর উপর—পিপল, প্ল্যানেট এবং প্রোগ্রেস। এই তিন নীতিই এআই নিয়ে ভারতের সহযোগিতা ও দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা নির্ধারণ করে।

    কারা কারা যোগ দেবেন সামিটে

    ৭০ হাজার বর্গমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো’-তে ৩০টি দেশের ৩০০-র বেশি প্রদর্শক অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১০টি থিম্যাটিক প্যাভিলিয়নে গবেষণা ও পাইলট প্রকল্প থেকে বড় পরিসরে বাস্তব প্রয়োগে এআইয়ের অগ্রগতি তুলে ধরা হবে। এই সম্মেলন ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। উন্নয়নমুখী এআই ব্যবহারে ভারতের যে জোর, তা এই মঞ্চে আরও স্পষ্ট হবে। লক্ষ্য হল, বৈশ্বিক আলোচনাকে বাস্তব ও মানুষকেন্দ্রিক ফলাফলে রূপ দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    • ১. ভুটান – শেরিং তোবগে, প্রধানমন্ত্রী
    • ২. বলিভিয়া – এডমন্ড লারা মনতানো, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ৩. ব্রাজিল – লুইজ় ইনাসিও লুলা দা সিলভা, প্রেসিডেন্ট
    • ৪. ক্রোয়েশিয়া – আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, প্রধানমন্ত্রী
    • ৫. এস্তোনিয়া – আলার কারিস, প্রেসিডেন্ট
    • ৬. ফিনল্যান্ড – পেট্টেরি অরপো, প্রধানমন্ত্রী
    • ৭. ফ্রান্স – ইমানুয়েল মাক্রঁ, প্রেসিডেন্ট
    • ৮. গ্রিস – কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস, প্রধানমন্ত্রী
    • ৯. গায়ানা – ড. ভররাত জগদেও, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১০. কাজাখস্তান – ওলঝাস বেকতেনভ, প্রধানমন্ত্রী
    • ১১. লিচেনস্টাইন – হেরেডিটারি প্রিন্স অ্যালোয়িস, হেরেডিটারি প্রিন্স অব দ্য প্রিন্সিপ্যালিটি অব লিশটেনস্টাইন
    • ১২. মরিশাস – ড. নাভিনচন্দ্র রামগুলাম, প্রধানমন্ত্রী
    • ১৩. সার্বিয়া – আলেকজ়ান্দার ভুচিচ, প্রেসিডেন্ট
    • ১৪. স্লোভাকিয়া – পিটার পেলেগ্রিনি, প্রেসিডেন্ট
    • ১৫. স্পেন – পেদ্রো সানচেজ় পেরেজ়-কাস্তেহন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৬. শ্রীলঙ্কা – অনুরা কুমারা দিসানায়াকা, প্রেসিডেন্ট
    • ১৭. সেশেলস – সেবাস্তিয়ান পিল্লে, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১৮. সুইৎজ়ারল্যান্ড – গি পারমেলিন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৯. নেদারল্যান্ডস – ডিক স্কুফ, প্রধানমন্ত্রী
    • ২০. সংযুক্ত আরব আমিরশাহি – শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ক্রাউন প্রিন্স অব আবুধাবি

    এ ছাড়া ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও আলোচনায় যোগ দেবেন।

    আর কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সহ রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    মহাসচিবের সঙ্গে থাকবেন—

    • ভলকার টুর্ক — জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার
    • অমনদীপ সিং গিল — আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ও ডিজিটাল ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ দূত
    • ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর
    • গিলবার্ট এফ. হাউংবো — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-র ডিরেক্টর-জেনারেল
    • ডরিন বগদান-মার্টিন — আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংঘ (ITU)-র সেক্রেটারি-জেনারেল
    • কমল কিশোর— দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি

    এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ইউএনডিপি, ইউএন উইমেন, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, এফএও, ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন,ইউএন ইন্টাররিজিওনাল ক্রাইম অ্যান্ড জাস্টিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তারাও অংশ নিচ্ছেন

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তাদের তালিকা এরকম—

    • জেনসেন হুয়াং — প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এনভিডিয়া
    • জুলি সুইট — চেয়ার ও সিইও, অ্যাকসেঞ্চার
    • স্যাম অল্টম্যান — সিইও, ওপেনএআই
    • সুন্দর পিচাই — সিইও, গুগল ও আলফাবেট
    • শান্তনু নারায়েন — চেয়ার ও সিইও, অ্যাডোবে
    • শ্রীধর ভেম্বু — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সায়েন্টিস্ট, জোহো
    • ইয়ান লেকুন — প্রধান এআই বিজ্ঞানী, মেটা
    • বিল গেটস — চেয়ার, গেটস ফাউন্ডেশন ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা, মাইক্রোসফট
    • ব্র্যাড স্মিথ — প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ার, মাইক্রোসফট
    • ক্রিস্টিয়ানো আমন — প্রেসিডেন্ট ও সিইও, কোয়ালকম
    • দারিও আমোদেই — সিইও, অ্যানথ্রোপিক
    • ডেমিস হাসাবিস — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, গুগল ডিপমাইন্ড
    • আর্থি সুব্রহ্মণ্যম — সিওও ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, টিসিএস
    • আলেকজান্ডার ওয়াং — চিফ এআই অফিসার, মেটা
    • অপর্ণা বাওয়া — সিওও, জুম
  • Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। ভোটের প্রস্তুতি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে আগামী মার্চ মাসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তবে তার আগেই ফের রাজ্য সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসবেন এবং নদিয়ার মায়াপুরে ইসকনের মন্দিরে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

    বুধবার মায়াপুরে অমিত শাহ

    জানা যাচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সূত্র অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর হেলিকপ্টারে সরাসরি মায়াপুর যাবেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি প্রথমে ইসকনের শঙ্খভবনে যাবেন। সেখান থেকে তিনি রাধামাধব এবং পঞ্চতত্ত্বের বিগ্রহ দর্শন করবেন। পরে পদ্মভবনে সাধু-সন্তদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। এরপর ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১৫২তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের অগণিত ভক্ত ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। জানা যাচ্ছে, মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিতেও অংশ নিতে পারেন তিনি। মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিও করতে পারেন অমিত শাহ। অনুষ্ঠান শেষ করে বিকেলেই তিনি পুনরায় হেলিকপ্টারে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

    নিরাপত্তার কড়াকড়ি মায়াপুরে

    এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মায়াপুর সফর ঘিরে শুরু হয়েছে নদিয়া জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মায়াপুরে সাজসাজ রব। মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা এলাকা পরিদর্শন শুরু করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মায়াপুরের অস্থায়ী হেলিপ্যাড থেকে শুরু করে মন্দির চত্বর, শঙ্খ ভবন— সর্বত্র নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। দফায় দফায় নিরাপত্তা মহড়া এবং এলাকা পরিদর্শন চলছে। এর আগে, অমিত শাহের মায়াপুর আসার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে সেই সফর বাতিল হয়েছিল।

  • India Vs Pakistan: “হর হর মহাদেব”, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একতরফা জয় দেশবাসীকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের

    India Vs Pakistan: “হর হর মহাদেব”, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একতরফা জয় দেশবাসীকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ফের একবার প্রমাণ করল পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে এখন আর লড়াই হয় না। ম্যাচ হয় এক তরফাই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে ম্যাচটা নিয়ে সবচেয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল, সেই ম্যাচে একেবারে এক তরফা খেলে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল ভারত। কলম্বোর ম্যাচে ৬১ রানে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে সুপার এইটে উঠে গেল মেন ই ব্লু। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে সব ম্যাচেই জয় পেল ভারত। এই জয়কে দেশবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন ভারত অধিনায়ক। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর সূর্য স্মরণ করলেন মহাদেবকে।

    ‘হর হর মহাদেব’ পোস্ট

    কলম্বোতে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ৬১ রানের বিশাল জয়ের পর, ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব তার নিজস্ব ভঙ্গিতে জয় উদযাপন করেছেন। ম্যাচ জয়ের পর এক্স (পূর্বে টুইটার) -এ গিয়ে, অধিনায়ক ম্যাচের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন এবং তিন শব্দের সংক্ষিপ্ত ক্যাপশন দিয়েছেন, “হর হর মহাদেব।” পোস্টটির সময় বিশেষভাবে অনুরণিত হয়েছে, কারণ এটি হিন্দু উৎসব মহা শিবরাত্রির সঙ্গে মিলে যায়, যা তাৎক্ষণিকভাবে ভক্তদের মধ্যে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এই জয়ের মাধ্যমে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে অধিনায়ক হিসেবে টানা চতুর্থ টি-টোয়েন্টি জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন সূর্য। দলের বাকি সদস্যদের মধ্যেও এই উদযাপন ছড়িয়ে পড়ে, তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ইনস্টাগ্রামে নিজের শ্রদ্ধাঞ্জলি শেয়ার করেন। বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী চক্রবর্তী মহা শিবরাত্রি উপলক্ষে ঐতিহাসিক জয়টি ভারতের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তার পোস্টটি অধিনায়কের অনুভূতির প্রতিধ্বনি।

    এই জয় ভারতের জন্য

    ম্যাচ বয়কট নিয়ে আইসিসি-র সঙ্গে লম্বা টানাপোড়েনের পর ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান। আশা করা হয়েছিল, বাইশ গজে ভারতকে অন্তত খানকটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে পাক দল। কিন্তু বাস্তবে হল তার উল্টো। উসমানের স্পিন হোক বা শাহিনের পেস- ভারতীয় ব্যাটারদের আঘাতে সবই ভোঁতা হল শেষমেশ। আর ম্যাচ (India Vs Pakistan) কীভাবে জিততে হয়, তা বুমরা, হার্দিক, বরুণদের থেকে ভালো আর কেই বা জানে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিসংখ্যান ৭-১ থেকে ৮-১ করে অধিনায়ক সূর্যকুমার (Suryakumar Yadav) বললেন, “এই জয় ভারতের জন্য।” পাকিস্তানকে আরও একবার হারিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমরা যেভাবে খেলতে চেয়েছিলাম, সেভাবেই খেলেছি। এই পিচে প্রথমে ব্যাটিং করাই সুবিধার ছিল। ক্রিজে দাঁড়িয়ে ঈশান যেভাবে স্কোরবোর্ডের দায়িত্ব নিয়েছে, সেটা অসাধারণ। ঈশান ব্যতিক্রমী ইনিংস খেলে গেল। ওর মাথায় হয়তো অন্য কোনও ভাবনা ছিল।” তবে শুধু ব্যাটার নয়, বোলারদের দলগত পারফরম্যান্সেও খুশি সূর্য। এদিকে পাকবধের এই সন্ধ্যার ‘নায়ক’ যে ঈশান কিষান (Ishan Kishan), তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। তাঁর ৪০ বলে ঝোড়ো ৭৭ রানের ইনিংস থেকেই ভারতীয় দলের জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই হেইভোল্টেজ এই ম্যাচে মেগা-পারফরম্যান্স করে আরও আত্মবিশ্বাস বাড়বে ভারতীয় দলের এই বাঁ হাতি ওপেনারের। ম্যাচ শেষে একথা তিনি নিজেও জানিয়েছেন। ঈশান বলেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই বিশেষ। এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।”

    করমর্দন হল না

    কলম্বোয় করমর্দন করলেন না ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পাক অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলালেন না সূর্য। রবিবার টসের সময় বিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে গেলেন তিনি। গত বছর এশিয়া কাপের তিনটি ম্যাচে যে জিনিস দেখা গিয়েছিল, সেটাই দেখা গেল বিশ্বকাপের ম্যাচেও। গত বছর পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষিতে এশিয়া কাপে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তান। তিন বারের সাক্ষাতে এক বারও দুই অধিনায়ক হাত মেলাননি। একই জিনিস দেখা গেল বিশ্বকাপের ম্যাচেও। বোঝাই গিয়েছে, ভারতের অবস্থানে কোনও বদল হয়নি।

    পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারেনি

    ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে সুনীল গাওস্কর পরিষ্কার বলে দেন, ‘‘এই ম্যাচে পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারেনি। প্রথম ওভারে অভিষেক শর্মার উইকেট পাওয়া ছাড়া আর কখনওই ওরা ম্যাচে ছিল না।’’ যোগ করেন, ‘‘পরের দিকে একটা-দু’টো বল ওরা ভাল করেছিল, উইকেট পেয়েছিল। কিন্তু কখনও ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিতে পারেনি।’’ টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। ভারত ২০ ওভারে তোলে ১৭৫-৭। অভিষেক শর্মা খাতা খোলার আগে ফিরলেও অন‌্য ওপেনার ঈশান কিষান দশটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায‌্যে করেন ৪০ বলে ৭৭ রান। শেষ দিকে সূর্যকুমার যাদব (৩২) ও শিবম দুবে (২৭) ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। জবাবে প্রথম থেকেই নিয়মিত ব‌্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৭৮-৬ স্কোর হয়ে যাওয়ার পরে ম‌্যাচের ভাগ‌্য কার্যত নির্ধারণ হয়ে যায়। দু’টি করে উইকেট পান হার্দিক, বুমরা, অক্ষর ও বরুণ।

    জয়ের রেকর্ড ভারতের

    রবিবার কলম্বোতে টি২০ বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফরম্যান্স করে দুরন্ত জয়ে পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় ম্যাচ জিতল ভারত। এই জয়ে ভারত গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে যোগ্যতা অর্জন করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের মোট জয় দাঁড়াল আটটি, যা এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সর্বাধিক জয়ের বিশ্বরেকর্ড। আগে কোনও দলই এই প্রতিযোগিতায় একটি নির্দিষ্ট দলের বিরুদ্ধে ছয়টির বেশি ম্যাচ জিততে পারেনি। সামগ্রিক টি২০ আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে ভারত ১৭ ম্যাচের মধ্যে ১৪টিতে জিতেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

  • Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী। বাংলাদেশে ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-কে এক বিশাল বিজয় এনে দিয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং জামায়াতে ইসলামকে (Islamist Terrorists) পরাজিত করেছে। তবে শিরোনামে যা এসেছে, তা হল তিনজন সন্ত্রাসী এখন রাজনীতিবিদে পরিণত হয়েছেন। এদের সকলকেই পূর্বে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডের আসামী। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এখন তাঁরা সংসদ সদস্য বা এমপি হিসেবে সংসদে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

    ইউনূসই মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন (Bangladesh)

    ২০২৪ সালে কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ (Bangladesh) থেকে বিতারিত করার পর কট্টর মৌলবাদীদের সমর্থনে অন্তর্বর্তী সরকারে বসেন মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আদালতের রায়ের পর তিন ইসলামি সন্ত্রাসীকে (Islamist Terrorists) কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়। যদিও রাজনৈতিক অস্থিরতার পূর্বে এই তিন সন্ত্রাসী কারাগারে ছিলেন এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর্যায়ে ছিলেন। দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তাঁরা ভারতবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন।

    মৃত্যুদণ্ড থেকে সাংসদ লুৎফুজ্জামান বাবর

    সন্ত্রাসীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর। ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে ১,৬০,০০০ এরও বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকার বিএনপি-জামায়াত জোটের সরকার ছিল। উল্লেখ্য বাবর এর আগে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনও করেছিলেন। ২০১৪ সালে, বাবরকে ২০০৪ সালের ঢাকা (Bangladesh) গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালে, চট্টগ্রাম অস্ত্র (Islamist Terrorists) চোরাচালান মামলায় জড়িত থাকার জন্য তাঁকে আরেকটি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যেখানে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের জন্য ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করা হয়েছিল। তবে, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর, হাইকোর্ট ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

    আবদুস সালাম পিন্টু ও ভারত বিরোধী সন্ত্রাসী

    বিএনপির (Bangladesh) আরেক নেতা আবদুস সালাম পিন্টুও রাজনৈতিকভাবে মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। তিনি টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে প্রায় ২০০,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাবরের মতো, পিন্টুকেও ২০০৪ সালের ঢাকা গ্রেনেড হামলায় ভূমিকার জন্য ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পিন্টুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামী (হুজি) কে সমর্থন করার অভিযোগও আনা হয়েছিল। ভারতে ২০০৬ সালের বারাণসী আদালতে বোমা হামলা (Islamist Terrorists) , ২০০৭ সালের আজমির শরীফ দরগায় হামলা এবং ২০১১ সালের দিল্লিতে বোমা হামলার মতো বড় বড় বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল এই পাক জঙ্গি সংগঠন। বাবরের মতো, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর আদালত তাকেও ২৪শে ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মুক্তি দেয়।

    যুদ্ধাপরাধের আসামি এটিএম আজহারুল ইসলাম

    তৃতীয় নেতা হলেন জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আজহারুল ইসলাম। আজহারুল ইসলাম রংপুর-২ (Bangladesh) থেকে প্রায় ১৩৯,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি এর আগে ১৯৯৮, ২০০১ এবং ২০০৬ সালেও সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত দলের মহাসচিব ছিলেন। ২০১২ সালে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর অপরাধের জন্য তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ১,২৫৬ জনকে হত্যা (Islamist Terrorists) এবং ১৩ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৪ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বিদ্রোহের পর, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট গত বছরের ২৭ মে তাকে খালাস দেয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি একটি বিরাট পরিবর্তন। অভিযুক্ত, মৃত্যুদণ্ডদের আসামীরা এখন সংসদে শপথ নিতে চলেছেন।

  • PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশছাড়া করার পর জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে জয়লাভ করেছেন (Bangladesh) বিএনপির তারেক রহমান। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৩টি দেশকে আমন্ত্রণ (Bangladesh)

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Bangladesh) এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ছাড়াও, আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ঢাকা সফর করবেন কিনা তা ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

    কে কত আসন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বদানকারী রহমান প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন। মোট ৩০০ সদস্যের সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক বেশি। জামায়াতে ইসলামি ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং বিরোধী দলে থাকবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয় নি। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৯%। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে শাসন সংস্কারের উপর একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভোটাররা এটিকে অনুমোদন করেছেন।

    মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

    ফলাফল ঘোষণার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেছেন, “তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই। দুই প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নতি আরও প্রয়োজন। ভারত উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।”

    অপর দিকে বিএনপি প্রকাশ্যে মোদির বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। এক্স-হ্যান্ডলে একটি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির তরফে বলা হয়, “উভয় দেশের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ উন্মুখ। উভয় পক্ষ থেকেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

  • Maha shivratri 2026: সৃষ্টি ও জ্ঞানের প্রতীক শিব, জেনে নিন শিব রাত্রির ঐতিহাসিক মাহাত্ম্য

    Maha shivratri 2026: সৃষ্টি ও জ্ঞানের প্রতীক শিব, জেনে নিন শিব রাত্রির ঐতিহাসিক মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহা শিবরাত্রিতে (Maha shivratri 2026) ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে ভক্তরা নিজেদের পুজো আরাধনাকে উৎসর্গ করে থাকেন। স্বয়ং শিব পবিত্র ত্রিমূর্তির প্রতীক। শিবরাত্রির উৎসব শিব ও শক্তির মিলনকে নির্দেশ করে, যা ভারসাম্য, সৃষ্টি এবং জ্ঞানালোকের মূর্ত রূপ। এই দিন কোটি কোটি শিব (Lord Shiv) ভক্ত নিজের মনের বাসনা পূরণ করতে ভগবান শিবকে স্মরণ করে থাকেন। লোকবিশ্বাস, শিবরাত্রিতে শিবের উপাসনা করলে যে কোনও অসাধ্য সাধন হয়। মনস্কামনা পূর্ণ হয়। দেশজুড়ে দ্বাদশ শিবলিঙ্গ সহ শৈব বিগ্রহগুলিতে শিবের উপাসনা করা হয়।

    শিবরাত্রির মহাত্ম্য (Maha shivratri 2026)

    মহাশিবরাত্রি (Maha shivratri 2026) হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র উৎসব। ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে পালিত হয়, যিনি মহাজাগতিক শক্তি, মন্দের বিনাশ এবং জীবনের নবায়নের প্রতীক। উৎসবের আক্ষরিক অর্থ হলো শিব চতুর্দশীতে শিবের স্মরণে রাত্রি জাগরণ। বিশ্বজুড়ে ভক্তদের কাছে গভীর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে এই উৎসব। প্রতি বছর কোটি কোটি ভক্ত রাত জেগে শিবের (Lord Shiv) মন্ত্র জপ এবং আচার অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন। বিশ্বাস করা হয়, এই পবিত্র রাতে একাগ্র চিত্তে উপাসনা করলে পূর্বের সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি মেলে এবং দিব্য চেতনার সঙ্গে মিলন ঘটে।

    এই বছর, মহা শিবরাত্রি পালিত হচ্ছে রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী এই উৎসব পরদিন ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। চতুর্দশী তিথি

    • শুরু: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকেল ০৫:০৪ মিনিটে।
    • শেষ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকেল ০৫:৩৪ মিনিটে।

    পূজা ও ব্রতের মূল সময়সূচি

    • নিশীথ কাল পূজার সময়: রাত ১২:০৯ থেকে রাত ০১:০১ পর্যন্ত (১৬ ফেব্রুয়ারি)।
    • শিবরাত্রির পারণ (উপবাস ভাঙার সময়): সকাল ০৬:৫৯ থেকে দুপুর ০৩:২৪ পর্যন্ত (১৬ ফেব্রুয়ারি)।

    ভগবান শিব অনন্ত আলোকস্তম্ভ

    মহা শিবরাত্রি (Maha shivratri 2026) শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক উপাসনার রাত নয়; এটি একটি মহাজাগতিক ঘটনা যা সৃষ্টি ও ভারসাম্যের দুই মূল শক্তি—শিব ও শক্তির মিলনকে প্রতীকায়িত করে। ভক্তরা বিশ্বাস করেন, এই রাতেই ভগবান শিব (Lord Shiv) অনন্ত আলোকস্তম্ভ অর্থাৎ ‘জ্যোতির্লিঙ্গ’ রূপে প্রকট হয়েছিলেন, যা সমগ্র সৃষ্টিতে তাঁর অসীম উপস্থিতি এবং শক্তির পরিচয় দেয়।

    চার প্রহরের তাৎপর্য ও সময়সূচি

    মহা শিবরাত্রির রাতকে চারটি ‘প্রহর’-এ ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি প্রহর আধ্যাত্মিক জাগরণের ভিন্ন ভিন্ন ধাপকে নির্দেশ করে:

    • প্রথম প্রহর: চেতনার জাগরণ। (সময়: সন্ধ্যা ০৬:১১ – রাত ০৯:২৩)
    • দ্বিতীয় প্রহর: ঐশ্বরিক ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ। (সময়: রাত ০৯:২৩ – রাত ১২:৩৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি)
    • তৃতীয় প্রহর: মন ও আত্মার শুদ্ধিকরণ। (সময়: রাত ১২:৩৫ – ভোর ০৩:৪৭, ১৬ ফেব্রুয়ারি)
    • চতুর্থ প্রহর: দিব্য শক্তির সঙ্গে পরম মিলন বা মোক্ষ লাভ। (সময়: ভোর ০৩:৪৭ – সকাল ০৬:৫৯, ১৬ ফেব্রুয়ারি)

    আত্মা পরিশুদ্ধ হয়

    শাস্ত্রমতে, এই চার প্রহরে ভক্তি ও সচেতনতার সঙ্গে পুজো করলে অসীম আধ্যাত্মিক পুণ্য এবং শান্তি লাভ করা যায়। সারা রাত জেগে বেলপাতা, দুধ, জল ও ধুতুরা ফুল দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করার সময় নিরবিচ্ছিন্নভাবে “ওঁ নমঃ শিবায়” (Lord Shiv) মন্ত্র জপ করলে ভক্তের আত্মা পরিশুদ্ধ হয় এবং ভগবান শিবের (Maha shivratri 2026) আশীর্বাদ লাভ হয়।

  • T20 World Cup 2026: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ মহারণ! ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা, এগিয়ে কারা?

    T20 World Cup 2026: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ মহারণ! ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা, এগিয়ে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) আজ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় খেলা। ভারত এবং পাকিস্তান দুই দলই দুটি করে ম্যাচ জিতে একে অপরের মুখোমুখি হবে। সেখানে এই ম্যাচ জিতে দুই দলই পরের রাউন্ডে জায়গা করতে চাইবে। তবে ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় ভারত পাকিস্তানের থেকে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। ফলে সেখান থেকে সূর্যকুমার যাদবরা যে ফের একবার সেই ধারা ধরে রাখতে চাইবেন সেটা বলাই বাহুল্য।

    ভারত-পাকিস্তান ‘হেড টু হেড’

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের স্পষ্ট আধিপত্য দেখা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত, এই মেগা টুর্নামেন্টে দুই দল মোট ৮বার মুখোমুখি হয়েছে। এই ৮টি ম্যাচের মধ্যে ভারত ৭টিতে জিতেছে। অপরদিকে পাকিস্তান মাত্র একবার জিতেছে। গত ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ১০ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে দেয়। সেটি ছাড়া বাকি সব ম্যাচেই ভারত জিতেছে। সামগ্রিকভাবে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও, ১৬টি ম্যাচের মধ্যে ভারত ১৩টিতে জিতেছে এবং পাকিস্তান মাত্র ৩টি ম্যাচ জিততে সক্ষম হয়েছে।

    কলম্বোয় পারফরম্যান্স

    কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে দীর্ঘদিন ধরেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে আসছে টিম ইন্ডিয়া। ২০০৯ সালের পর থেকে এই মাঠে ১৫টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে ভারত, যার মধ্যে জিতেছে ১১টি এবং হেরেছে মাত্র ৪টি। শ্রীলঙ্কার মাটিতে ভারতের ধারাবাহিক সাফল্যের অন্যতম বড় প্রমাণ এই পরিসংখ্যান। ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এই মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জয় পায় তারা। শুধুমাত্র হারতে হয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আয়োজক শ্রীলঙ্কা ছাড়া কেবল অস্ট্রেলিয়াই প্রেমদাসায় ভারতকে হারাতে পেরেছে। কলম্বোর এই ঐতিহাসিক ভেন্যুতে ভারতের আধিপত্য কার্যত স্পষ্ট। এই মাঠে সাধারণত রান তাড়া করা দলগুলির সুবিধা বেশি। তবে, চলতি টুর্নামেন্টে পাকিস্তান সবকটি ম্যাচই শ্রীলঙ্কায় খেলছে। তাই পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পেরেছে পাক বাহিনী।

    বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতে পারে ম্যাচ

    হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের আগে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আবহাওয়া। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচের দিন প্রায় চার ঘণ্টা বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাত এবং ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। ফলে গোটা বিশ্ব যে লড়াই দেখার অপেক্ষায়, তা বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হয়েছে এক বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত। এর জরে উত্তাল হবে সমুদ্র। বইতে পারে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়া। আন্দামান এবং শ্রীলঙ্কা উপকূলের বিস্তীর্ণ অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস। ফলে ভারত -পাক ম্যাচের আগে খেলা হওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা। তবে কিছু আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, খেলা শুরুর ঠিক আগের কয়েক ঘণ্টায় প্রবল বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে টস হতে দেরি হতে পারে অথবা ওভার কমিয়ে ছোটো ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ৮টার পর আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হওয়ার ইঙ্গিত থাকলেও,সারা রাত জুড়ে মাঝে মাঝে বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। প্রেমদাসা স্টেডিয়ামের একটি বড় সুবিধা হলো এর উন্নত জলনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অভিজ্ঞ মাঠকর্মী, যারা কলম্বোর এই ভারী বৃষ্টি সামলাতে অভ্যস্ত। বিশ্বের অনেক স্টেডিয়ামে শুধু পিচ ঢেকে রাখা হলেও, প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে পুরো খেলার মাঠ ঢেকে ফেলার মতো পর্যাপ্ত কভার বা ত্রিপল রয়েছে। এর ফলে বৃষ্টির জল সরাসরি আউটফিল্ডে পড়ে মাঠকে ভেজাতে বা কর্দমাক্ত করতে পারে না।

    হ্যান্ডশেক বিতর্ক

    ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যেখানে সূর্যকুমার যাদব অ্যান্ড কোং পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানের জার্সি পরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার জানায়৷ সেই জঙ্গি হামলায় ২০ জনেরও বেশি বেসামরিক লোক, যাদের বেশিরভাগই পর্যটক, নিহত হয়েছিল। সেই টুর্নামেন্টে ভারত তিনবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল, এবং তিনবারের- তিনবারই জিতেছিল৷ কিন্তু ভারতীয় খেলোয়াড়রা প্রতিবারই ম্যাচ চলাকালীন যে হ্যান্ডশেকের ট্র্যাডিশানাল পদ্ধতি তার থেকে বিরত ছিল৷ সেই ঘটনার পর চার মাস পেরিয়েছে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল আবার কলম্বোতে মুখোমুখি হতে চলেছে, এবং ম্যাচটি শেষ হওয়ার পর কী ঘটে তা দেখার বিষয়। আপাতত, সূর্যকুমার তার তাস লুকিয়ে রেখেছেন। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে করমর্দনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে, ভারতীয় অধিনায়ক কেবল মিডিয়াকে “অপেক্ষা করুন এবং দেখুন” – এই উত্তরই দিয়েছেন৷

    মেগা সানডেতে ধুন্ধুমার

    মেগা সানডেতে ধুন্ধুমার। কলম্বোতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান (IND vs PAK)। আর প্রেমদাসায় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ২২ গজের মহারণ শুরু হওয়ার প্রহর গুনছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। টি২০ বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান মহারণকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। রবিবার কলম্বোতে ম্যাচের আগে বিজ্ঞাপনের দর হু হু করে বেড়েছে। ১০ সেকেন্ডের টিভি বিজ্ঞাপনের স্লটের দাম পৌঁছেছে ৩০–৪০ লাখ টাকায়, যেখানে অন্য বড় বিশ্বকাপ ম্যাচে একই স্লটের রেট থাকে ২০–২৫ লাখ। সম্প্রচারকারী জিওস্টার এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রায় ২,০০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন রাজস্ব আয়ের আশা করছে। উল্লেখ্য বিষয় হল প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে কিন্তু ভারত বনাম পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দ্বৈরথ এই প্রথম নয়। এর আগে এই মাঠে দুই দল বিশ ওভারের ফর্ম্যাটে একবার মুখোমুখি হয়েছিল, তাও আবার বিশ্বকাপেই। ১৪ বছর আগে ২০১২ সালে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর সেই ম্যাচে ভারত হেসেখেলে জয় পেয়েছিল। এবারও সেই ধারা বজায় রাখতে চাইবে ভারত।

  • India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (India AI Deepfake Rules) ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিকে আরও কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এআই দ্বারা তৈরি বা পরিবর্তিত সব ধরনের কনটেন্টে স্পষ্টভাবে লেবেল দিতে হবে এবং সেই কনটেন্টে এমবেডেড পরিচয়-চিহ্ন রাখতে হবে। কোনও কনটেন্ট সরকার চিহ্নিত করলে বা আদালতের নির্দেশ এলে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তিন ঘণ্টার মধ্যে সেই ডিপফেক বা এআই-তৈরি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন

    মোদি সরকার ২০২১ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন করেছে। সেই সংশোধন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে আইনটি। নয়া আইন অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-র মাধ্যমে তৈরি ‘কনটেন্টে’ অবশ্যই তার উল্লেখ রাখতে হবে।কোনও কনটেন্টকে আদালত বা পুলিশ বা সরকার ডিপফেক বা বেআইনি চিহ্নিত করে সরাতে বললে তা তিন ঘণ্টার মধ্যে প্লাটফর্ম থেকে সরিয়ে দিতে হবে সমাজমাধ্যম সংস্থাগুলিকে (Social Media Regulation)। আগে এর জন্য ৩৬ ঘণ্টা সময় পেত মেটা, ইউটিউব, এক্সের মতো সংস্থাগুলি। এখন সেই সময় কমে যাওয়ায় চাপের মুখে পড়তে পারে সংস্থাগুলি। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এই সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি সাত দিনের মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে এর জন্য ১৫ দিন সময় পেত সংস্থাগুলি। জরুরি বিষয়ের ক্ষেত্রে অভিযোগের নিষ্পত্তি ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হত। কিছু ক্ষেত্রে কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে দু’ঘণ্টার মধ্যে।

    কেন এই পদক্ষেপ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (India AI Deepfake Rules) খারাপ প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করতে আগেই উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সে জন্য নতুন আইন না এনে বর্তমান আইন সংশোধনের পথে হেঁটেছে তারা। মনে করা হচ্ছে, সংশোধিত এই আইনের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি কনটেন্ট, ডিপফেক ভিডিয়ো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রতারণা, শিশু নিগ্রহ, হেনস্থা, ভুয়ো তথ্য দিয়ে বা অপরাধে প্ররোচনা দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কোনও কনটেন্ট তৈরি করা হলে তা বর্তমান আইনের অধীনে বেআইনি অনলাইন কনটেন্ট হিসাবে গণ্য করা হবে। আইন মেনে না চললে ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে আইন মেনে পদক্ষেপ করা হবে।

    কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক

    সিনথেটিক কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারী ও প্রশাসন সহজে বিকৃত বা কৃত্রিম কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেন। একবার এআই লেবেল বা সংশ্লিষ্ট মেটাডেটা যুক্ত হলে তা মুছে ফেলা, বদলানো বা আড়াল করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বেআইনি, যৌন শোষণমূলক বা বিভ্রান্তিকর এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত ও রোধ করতে প্ল্যাটফর্মগুলিকে “যৌক্তিক ও উপযুক্ত” প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় টুল ব্যবহারের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় আইন—যেমন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, পকসো আইন, ২০১২ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮—সহ প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রতি তিন মাস অন্তত একবার ব্যবহারকারীদের সহজ ভাষায় জানাতে হবে যে এআই-এর অপব্যবহার করলে কী পরিণতি হতে পারে। প্ল্যাটফর্মের নিয়মাবলি, গোপনীয়তা নীতি বা ব্যবহারকারী চুক্তির মাধ্যমে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

    ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্ব রয়েছে

    কোনও প্ল্যাটফর্ম যদি এআই-নির্ভর ভুয়ো বা বিকৃত তথ্য তৈরি, প্রকাশ বা শেয়ার করার ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়, তবে দ্রুত ও উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে বলেও নির্দেশিকায় জোর দেওয়া হয়েছে। ডিপফেকের ভাইরাল প্রকৃতির কথা মাথায় রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে কেন্দ্র। খসড়া নিয়মে ব্যবহারকারীদের ওপরও দায়িত্ব চাপানো হয়েছে। কেউ এআই-তৈরি বা এআই-পরিবর্তিত কনটেন্ট পোস্ট করলে তা প্রকাশ্যে জানাতে হবে। প্ল্যাটফর্মগুলিকে সেই ঘোষণা যাচাই করার প্রযুক্তিও চালু করতে হবে, যাতে অপব্যবহার রোখা যায়। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করার ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে নতুন নির্দেশিকা সেই স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপকে আইনি বাধ্যবাধকতায় পরিণত করেছে এবং কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো, প্রতারণা, হয়রানি ও সম্মতি ছাড়া অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির ঘটনা বেড়ে চলায় সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন নিয়মে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির জবাবদিহি আরও বাড়বে বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।

    বেআইনি কাজে এআই কনটেন্টও সমানভাবে দায়ী

    নতুন সংশোধনে স্পষ্ট করা হয়েছে, এআই-তৈরি কনটেন্ট যদি বেআইনি কাজে ব্যবহার হয়, তবে তা অন্য বেআইনি কনটেন্টের মতোই বিবেচিত হবে। শিশুপর্নোগ্রাফি, অশ্লীলতা, ভুয়ো পরিচয়, জাল নথি, অস্ত্র বা বিস্ফোরক-সংক্রান্ত বেআইনি কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহার (India AI Deepfake Rules) রুখতে প্ল্যাটফর্মকে সক্রিয় থাকতে হবে। একই সঙ্গে সরকার জানিয়ে দিয়েছে, নিয়ম মেনে কনটেন্ট সরানো বা সীমিত করলে আইটি আইনের ৭৯ ধারার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মগুলি পাবে। অর্থাৎ, নিয়ম মেনে কাজ করলে দায়মুক্তির সুরক্ষা থাকবে।

     

     

     

     

  • CBSE: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রযুক্তি, ঘোষণা সিবিএসই-র

    CBSE: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রযুক্তি, ঘোষণা সিবিএসই-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়ন দ্রুততর করা এবং স্বচ্ছতা উন্নত করার লক্ষ্যে একটি বড় পরিবর্তনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE) ২০২৬ সালের বোর্ড পরীক্ষা থেকে দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য অন-স্ক্রিন মার্কিং (OSM) চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপটি ডিজিটাল প্রক্রিয়া এবং পরীক্ষা-সম্পর্কিত কাজে আরও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। এটি কেন্দ্রীয় বোর্ডের বড় প্রচেষ্টা হবে। তবে, সিবিএসই জানিয়েছে, ২০২৬ সালের দশম শ্রেণির পরীক্ষার (12 Board Exams) উত্তরপত্রের মূল্যায়ন আগের মতো পুরনো পন্থা বা ম্যানুয়ালি করা হবে।

    কেন এমন পদক্ষেপ?

    সিবিএসই (CBSE) প্রতি বছর ভারত এবং ২৬টি দেশে দশম-দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড (12 Board Exams) পরীক্ষা পরিচালনা করে, যার ফলে প্রায় ৪৬ লক্ষ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে। এই মূল্যায়নকে একটি বৃহৎ এবং সময়সাপেক্ষ অনুশীলন বলে অনেকে মনে করে থাকেন। আর তাই সিবিএসই (12 Board Exams) বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    সিবিএসই কী বলল

    সিবিএসই-র (CBSE) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডঃ সান্যম ভরদ্বাজ বলেন, “মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য বোর্ড নিরন্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অন-স্ক্রিন মার্কিং চালু করছে। ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখ বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এই উদ্যোগটি মূল্যায়ন (12 Board Exams) প্রক্রিয়াকে সহজতর করা হবে। ধীরে ধীরে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার উপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে।”

    কেন সিবিএসই অন-স্ক্রিন মার্কিংয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

    সিবিএসই (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্রের ডিজিটাল মূল্যায়নে পরিবর্তনের পিছনে একাধিক কারণ তালিকাভুক্ত করেছে। এই কারণগুলি হল নিম্নরূপ-

    • ১> সমস্ত স্কুলগুলির শিক্ষকদের বৃহত্তর অংশগ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত মূল্যায়ন করা।
    • ২> মোট নম্বর গণনায় ত্রুটি দূর করা, কারণ নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা করা হয়।
    • ৩> স্বয়ংক্রিয় সমন্বয়, ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ এবং ভুলের সুযোগ হ্রাস করা।
    • ৪> ফলাফল দেরিতে প্রকাশকে কমাতে, ফলাফল-পরবর্তী নম্বর যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে না।
    • ৫>  যাচাই-সম্পর্কিত কাজের জন্য লোকজন কম নিয়োগ করতে হবে।
    • ৬> পরিবহণের সময় এবং খরচ সাশ্রয় হবে, কারণ বাস্তব উত্তরপত্র স্থানান্তরের প্রয়োজন হবে না।
    • ৭> শিক্ষকরা তাদের নিজস্ব স্কুলে থাকতে পারবেন এবং মূল্যায়নের সময় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
    • ৮> মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় অবদান রাখার জন্য সমস্ত অনুমোদিত স্কুলের সুযোগ থাকবে।
    • ৯> কেবল ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বব্যাপী সিবিএসই-অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষকদের অংশগ্রহণ থাকবে।
    • ১০> পরিবেশ-বান্ধব মূল্যায়ন, টেকসই ডিজিটাল প্র্যাকটিসে যাওয়ার ভাবনাকে সিবিএসই সমর্থন করবে।

    স্কুলগুলিকে কী প্রস্তুতি নিতে হবে?

    অন-স্ক্রিন মার্কিং-এর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য, সিবিএসই (CBSE) স্কুলগুলিকে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির নিশ্চয়তাকে আগে সম্পন্ন করতে হবে। স্কুলগুলিতে অবশ্যই পরিকাঠামোর ভাবনা থাকবে। তার জন্য যা যা করতে হবে তা তা হল-

    • ১> অ্যাফিলিয়েশন বাই-ল অনুসারে, একটি পাবলিক স্ট্যাটিক আইপি সহ একটি কম্পিউটার ল্যাব প্রয়োজন।
    • ২> উইন্ডোজ ৮ বা তার বেশি অপারেটিং সিস্টেমের পিসি বা ল্যাপটপ, কমপক্ষে ৪ জিবি র‍্যাম এবং সি ড্রাইভে ১ জিবি খালি জায়গা লাগবে।
    • ৩> ক্রোম, এজ, ফায়ারফক্স, অথবা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মতো আপডেট করা ইন্টারনেট ব্রাউজার অত্যন্ত আবশ্যক।
    • ৪> অ্যাডোবি রিডার ইনস্টল করতে হবে।
    • ৫> সর্বনিম্ন ২ এমবিপিএস গতিতে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ রাখতে হবে।
    • ৬> নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখতে হবে।

    সিবিএসই কীভাবে এই পরিবর্তনকে সমর্থন করবে?

    স্কুল এবং শিক্ষকদের নতুন ব্যবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য, সিবিএসই বেশ কয়েকটি সহায়তা ব্যবস্থার রূপরেখা দিয়েছে। তার মধ্যে হল-

    • ১> ওএএসআইএস (OASIS) আইডি সহ সকল শিক্ষককে লগ ইন করতে এবং ওএসএম (OSM) প্ল্যাটফর্মের সাথে পরিচিত হতে অনুমতি নিতে হবে।
    • ২> শিক্ষকদের ডিজিটাল মূল্যায়ন প্র্যাকটিস সহায়তা করার জন্য একাধিক ড্রাই রান পরিচালনা করতে হবে।
    • ৩> সিস্টেমটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করতে হবে।
    • ৪> সমস্যা সমাধানের জন্য একটি নিবেদিতপ্রাণ কল সেন্টার স্থাপন করতে হবে।
    • ৫> শিক্ষকদের ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য নির্দেশনামূলক ভিডিও প্রকাশ করতে হবে।

    আলাদাভাবে বিস্তারিত নির্দেশাবলী জারি করবে

    সিবিএসই (CBSE) পরীক্ষা ব্যবস্থার জন্য আলাদাভাবে বিস্তারিত নির্দেশাবলী জারি করবে। যাতে সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সময়মত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা যায়। বোর্ড স্কুলগুলিকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এবং ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার আগে অন-স্ক্রিন মার্কিং-এ রূপান্তরকে মসৃণ এবং কার্যকর করার জন্য তাদের সহযোগিতা চেয়েছে। এই বছর, সিবিএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে এবং ১০ এপ্রিল শেষ হবে। বোর্ড বছরে দুবার দশম শ্রেণী পরীক্ষা (12 Board Exams) পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দ্বিতীয় পরীক্ষা ১৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। উভয় পরীক্ষাই একই সিলেবাস অনুসরণ করবে।

  • Seasonal Change Health Risks: বিদায় নেবে শীত! আগাম গরম কোন সমস্যা নিয়ে আসছে?

    Seasonal Change Health Risks: বিদায় নেবে শীত! আগাম গরম কোন সমস্যা নিয়ে আসছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিদায় নিচ্ছে শীত! আর মাত্র কয়েক দিন! তারপরেই সোয়েটার আর লেপ কম্বলের পর্ব শেষ হতে চলেছে। গরম এবার আগাম পা বাড়িয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। কিন্তু বসন্তেই গরম হাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এই আবহাওয়া একাধিক রোগের দাপট বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এমনটাই মত চিকিৎসকদের।

    কেন রোগের দাপট বাড়তে পারে?

    শীতে তাপমাত্রার পারদ কম থাকে। চলতি মরশুমে তাপমাত্রার পারদ অনেকখানি কমে গিয়েছিল। কিন্তু গরমের দাপটে আবহাওয়ার অনেকটাই পরিবর্তন হয়। শীত শেষের এই মরশুমে বাতাসে নানান ভাইরাসের দাপট বাড়ে। তাই সংক্রামক রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাছাড়া বছরের এই সময় শুষ্ক। বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। তাই নানান ধরনের অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন শরীর সহজে মেনে নিতে পারে না। পেশি ও মস্তিষ্কের স্নায়ুর পরিবর্তিত পরিবেশ মানিয়ে নিতে সময় লাগে। তার ফলে শরীর বেঁকে বসে। হজমের সমস্যা থেকে পেশির খিঁচুনির মতো নানান ভোগান্তি তৈরি হয়। তাই এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের জন্য বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাছাড়া আগামী সপ্তাহ থেকে দেশজুড়ে বোর্ড পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এই অবস্থায় তাদের শরীরের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    সুস্থ থাকার কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    আগাম গরমে বাড়তে পারে ভাইরাসঘটিত জ্বর ও কাশি।‌ তাই সংক্রমণ ঠেকাতে কয়েকটি বিশেষ পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীত কমে গেলেও সন্ধ্যার পরে কিংবা ভোরে হালকা ঠান্ডা থাকে। তাই এই সময়ে বাইরে বেরোলে অবশ্যই কান, গলা ঢাকা দেওয়া পোশাক পরা জরুরি। তাহলে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ঝুঁকি কমানো যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই এই আবহাওয়ায় কাশি ও গলা ব্যথার সমস্যায় ভুগছেন। আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন থেকে অনেক সময় জ্বর হয়। ভোগান্তি বাড়ে।

    বয়স্কদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ

    বছরের এই সময়ে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়। ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই শিশু ও বয়স্কদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। তাছাড়া ট্রেন-বাস-অটোর মতো গণপরিবহণ ব্যবহারের সময় সকলকেই মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভাইরাস ঘটিত অসুখের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে অনেকেই কাশি-সর্দি-জ্বরে ভুগছেন। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে।

    সংক্রমণ ঠেকাতে হাত ধোয়া জরুরি

    বাইরে থেকে ফিরে অবশ্যই হাত ধোয়া জরুরি। তাতে নানান সংক্রমণ ঠেকানো সহজ হয় বলেই মত চিকিৎসকদের একাংশের।
    খাবার খাওয়া নিয়েও বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। বিশেষত পরীক্ষার্থীদের জন্য খাদ্যাভ্যাস খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। এই আবহাওয়ায় পেটের অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। ঋতু পরিবর্তনের সময় হজমের গোলমাল হয়। তাপমাত্রার হঠাৎ বদলের জেরে শরীরের একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। তাই হজমের গোলমাল, পেটের অসুখ, বমির মতো ভোগান্তি কমাতে হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারি, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার হজমের সমস্যা তৈরির পাশাপাশি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। কিন্তু পরীক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত‌্যন্ত জরুরি। তাই বিশেষ করে রাতের দিকে তাদের হালকা খাবার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে পেশির খিঁচুনি‌ এড়াতে, রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই আবহাওয়ায় নিয়মিত শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত শারীরিক কসরত করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। নানান সমস্যা এড়ানো যায়‌।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share