Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • PM Modi: দেশ ফিরেই দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: দেশ ফিরেই দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখে-মুখে উদ্বেগের ছাপ! দুদিনের ভুটান সফর শেষ করে বুধবার দেশে ফিরেই লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণে (Delhi Blast) আহতদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এ দিন দুপুরে তিনি দিল্লির লোক নায়ক হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি একে একে আহতদের সঙ্গে দেখা করছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলছেন। কারও পাশে থেকে সমবেদনা জানিয়েছেন। কারও মাথায় হাত দিয়ে দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কারও সঙ্গে বন্ধুর মতো কথা বলে আতঙ্ক কাটানোর চেষ্টা করেছেন। চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ষড়যন্ত্রের শিকড় খুঁজে বের করা হবে

    আজ, বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে যে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেই বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে এই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন যে এই বিস্ফোরণের পিছনে যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপ করা হবে। বিস্ফোরণের ঘটনায় মোদি মঙ্গলবারই ভুটানের এক অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে দোষীদের সাবধান করে দেন। বলেন, যে বিস্ফোরণ হয়েছে, তার ষড়যন্ত্রের শিকড় খুঁজে বের করা হবে। এর নেপথ্যে চক্রান্তকারী যারা রয়েছে তাদের কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

    ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সরকার

    প্রধানমন্ত্রী আহতদের সঙ্গে কথা বলে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে সরকার। এই ঘটনার গভীরে গিয়ে তদন্ত করবে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দিল্লির ঘটনায় আমরা সবাই ব্যথিত। পীড়িতদের কথা আমি বুঝতে পারছি। স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি, সমস্ত দোষীদের কাঠগড়ায় এনে দাঁড় করানো হবে।” আগেই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট নির্দেশ দেন— এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে খুঁজে বের করতে হবে। দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে। দোষীরা কেউই ছাড় পাবে না। এজেন্সিগুলি কঠোরতম পদক্ষেপ করবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh)জানান, এই ঘটনার নেপথ্যে যারা আছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কঠোরতম শাস্তিই তাদের প্রাপ্য।

  • SIR: বিএলএ নিয়োগে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন, নির্দেশ এসেছে লিখিত আকারে

    SIR: বিএলএ নিয়োগে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন, নির্দেশ এসেছে লিখিত আকারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এ (SIR) বিএলএ নিয়োগে রাজ্যে বড়সড় পরিবর্তন আনল নির্বাচন কমিশন। আগের নিয়মে নির্দিষ্ট পোলিং স্টেশনের উপর বিএলও নিয়োগ করা হত। এইবার থেকে সেই নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে। নিয়োগে যুক্ত বুথ লেভেলের এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের খসড়া ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখতে হবে এবং মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম চিহ্নিত করতে হবে। এই নতুন নিয়ম এবার লিখিত ভাবে এসে গেছে সংশ্লিষ্ট দফতরে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    তালিকা তৈরিতে আরও বেশী কার্যকর (SIR)

    কমিশনের নির্দেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচন কমিশন বুথ লেভেল এজেন্ট (BLA) নিয়োগে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সময়োপযোগী এই সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই। পুরোনো নির্দেশিকাতে বর্ণিত ছিল যে শুধুমাত্র উক্ত বুথের ভোটারই ওই বুথের বিএলএ হতে পারবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নতুন নির্দেশিকাতে উল্লেখ করেছেন যদি কোনও বুথে বিএলএ নিয়োগ করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় তবে ওই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্য যে কোনও বুথের ভোটার অন্য কোনও বুথেও বিএলএ হতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের বিএলএ নিয়োগের এই পরিধি বৃদ্ধিতে সকল রাজনৈতিক দল উপকৃত হবেন। এতে অনুপ্রবেশকারী ও মৃত ভোটারদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা হবে। নতুন এই নির্দেশিকা শক্তিশালী ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরিতে আরও বেশি কার্যকর হবে বলে আশা করা যায়। বাস্তব পরিস্থিতিকে বিচার করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপের জন্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    বিএলওদের কাজে নজর রাখতে পরাবেন বিএলএরা

    উল্লেখ্য রাজ্যে এসআইআর (SIR) করার ক্ষেত্রে বিএলও-দের পাশাপাশি বিএলএ-দের ভূমিকা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ভোট কেন্দ্র অনুসারে নিযুক্ত বিএলএরা থাকবেন বিএলওদের সঙ্গে। তাঁরা এবার থেকে নজর রাখতে পরাবেন বিএলওদের কাজে। কমিশন ৮ দিনের সময় দিয়েছিল। এই সময়ে মোট ৬ কোটি ৫৬ লক্ষের বেশি ভোটারের কাছে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দিয়েছে বিএলওরা। মোট ভোটারের ৮৫.৭১ শতাংশ ফর্ম বিলি হয়েছে। তবে এখনও ১৫ শতাংশ ভোটার এনুমারেশন ফর্ম পাননি। তবে ১১ নভেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক ভোটারের কাছে ওই ফর্ম পৌঁছে দেওয়া হবে। এরপর নেওয়া হবে ফর্ম গ্রহণ, আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। রাজ্যে এই মুহূর্তে ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫২৯।

  • Delhi Blast: দু’বছর ধরে বিস্ফোরক সংগ্রহ! দেশের নানা জায়গায় হামলার পরিকল্পনার কথা স্বীকার শাহিনের?

    Delhi Blast: দু’বছর ধরে বিস্ফোরক সংগ্রহ! দেশের নানা জায়গায় হামলার পরিকল্পনার কথা স্বীকার শাহিনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) নেপথ্যে ফরিদাবাদ ‘ডক্টর-মডিউল’! এমনই আভাস মিলেছে ফরিদাবাদের বিস্ফোরক এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া মহিলা চিকিৎসক শাহিন শহিদকে জেরা করে। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা শাহিন। তবে কর্মসূত্রে থাকত ফরিদাবাদে। আল-ফালাহ্‌ মেডিক্যাল কলেজে অধ্যাপক-চিকিৎসক ছিল। ওই হাসপাতালে তার সহকর্মীদের দাবি, তাঁরা কেউই বুঝতে পারেননি, শাহিন এ ধরনের কোনও চক্রের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু খুবই অনিয়মিত জীবনযাপন করত শাহিন, যা ইচ্ছে তাই করত, এমনটাই মত সহকর্মীদের।

    কোনও শৃঙ্খলা ছিল না শাহিনের

    ফরিদাবাদে সোমবার ২৯০০ কেজির বেশি বিস্ফোরক উদ্ধার কাণ্ডে নাম উঠে আসে চিকিৎসক শাহিন শাহিদের (Shaheen Sahid)। ঘটনা ঘিরে একাধিক চিকিৎসক ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। জানা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা শাহিন, মূলত পাকিস্তানের জইশ-এ-মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর মহিলা উইং-র সদস্য। যে উইং চালায় খোদ জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার। এই কুখ্যাত জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য শাহিন আপাতত বন্দি। তার বিরুদ্ধে জঙ্গিদের ফান্ড যোগানের অভিযোগও রয়েছে। তার এক চিকিৎসক সহকর্মীর দাবি, কোনও শৃঙ্খলা ছিল না শাহিনের। প্রায়ই কাউকে কিছু না-জানিয়ে হাসপাতাল থেকে চলে যেত। তাঁর বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগও করা হয়েছিল। তবে শাহিন কোনও ‘সন্ত্রাসমূলক’ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, সন্দেহ করেননি কেউই।

    শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল উমরের

    সোমবার দিল্লির অদূরে হরিয়ানার ফরিদাবাদে ৩৬০ কেজি আরডিএক্স তৈরির মশলা (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানায়, উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। তদন্তকারীদের একাংশের দাবি, ভারতে কোনও বড়সড় নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল! দিল্লি বিস্ফোরণ, তারই অঙ্গ। তদন্তের স্বার্থে লালকেল্লা এবং তার আশপাশের অনেক জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। তার মধ্যে একটি ফুটেজ ঘিরেই রহস্য দানা বাঁধছে। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, লালকেল্লার সামনে যে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, সেই গাড়ি চালাতে দেখা যায় এক জনকে। বিভিন্ন সূত্রে দাবি, ওই চালকই উমর। বিস্ফোরণের কিছু ক্ষণ আগেও তাকেই গাড়ি চালাতে দেখা যায়। এই উমরও পেশায় একজন চিকিৎসক। তার সঙ্গে নাকি যোগাযোগ ছিল ধৃত আদিল মাজিদ রাথর, মুজাম্মিল আহমেদের! জেরায় শাহিন এমনই জানিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সূত্রের। শুধু তাদের সঙ্গে নয়, শাহিনের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল উমরের। খোঁজ নিয়ে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন যে, মুজাম্মিলের সূত্র ধরেই আল-ফালাহ্‌ কলেজে কাজে যোগ দেয় শাহিন। বিবাহবিচ্ছিন্না শাহিনের সঙ্গে নাকি মুজাম্মিলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

    দেশে একাধিক বিস্ফোরণের পরিকল্পনা

    শাহিন, উমর, আদিল এবং মুজাম্মিল— চার জনই পেশায় চিকিৎসক। তাদের যোগসূত্র গড়ে ওঠে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্‌ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালকে কেন্দ্র করে! গোয়েন্দা সূত্রে খবর, শাহিন জেরায় জানিয়েছে, হাসপাতালের কাজ শেষে প্রায়ই উমরের সঙ্গে দেখা হত তার। যখনই দেখা হত উমর নাকি ‘দেশে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানোর’ কথা বলত। গত দু’বছর ধরে নাকি বিস্ফোরণ বা বিস্ফোরণের মালমশলা সংগ্রহের কাজ চলছিল। শাহিনের দাবি, আদিল এবং মুজাম্মিলের সঙ্গে মিলে উমর অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট জাতীয় বিস্ফোরক বোঝাই করছিল। সেই বিস্ফোরক দিল্লির বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। উল্লেখ্য লালকেল্লার কাছে গাড়িতে বিস্ফোরণের পরেই কমলা রঙের আগুন দেখা গিয়েছে। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, সাধারণত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট থেকে বিস্ফোরণ ঘটলে এই ধরনের আগুন দেখা যায়।

    শাহিনের সঙ্গে অনেকে দেখা করতে আসত

    যে আল-ফালাহ্‌ বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহিন কর্মরত ছিল, সেখানের এক সহকর্মী তার সম্পর্কে মুখ খুলেছেন। মুখ খুলেছেন শাহিনের বাবাও। হরিয়ানার ওই বিশ্ববিদ্যালয় দিল্লি থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দিল্লিতে সোমবারের বিস্ফোরণের পর মঙ্গলের সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে জোরদার তল্লাশি চলেছে। একাধিক জনের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ। আটকও হয়েছে একাধিক। এদিকে, শাহিন সম্পর্কে বলতে গিয়ে তার আর এক সহকর্মী আরও বড় তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলছেন, ‘ওর (শাহিন) সঙ্গে অনেকেই দেখা করতে আসত কলেজে। ও কখনও কখনও অদ্ভূত ব্যবহার করত। ওর বিরুদ্ধে ম্যানেজমেন্টে অভিযোগও দায়ের হয়।’ প্রশ্ন যায়, শাহিনকে নিয়ে কি কখনও সন্দেহ হয়েছে সন্ত্রাস যোগ ঘিরে? শাহিনের সহকর্মী বলছেন,’ওই দিক দিয়ে কখনওই সন্দেহ হয়নি।’

    শাহিনের বাড়িতে তল্লাশি

    এদিকে, উত্তরপ্রদেশের লখনউতে শাহিনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখানে শাহিনের বাবা বলেন, ‘আমার তিন ছেলেমেয়েদের মধ্যে শাহিন দ্বিতীয় সন্তান। শাহিন এলাহাবাদ থেকে এমবিবিএস ও এমডি করেছে।’ তিনি জানান, দেড় বছর আগে শাহিনকে দেখেছেন তিনি। আর মেয়ে শাহিনের সঙ্গে কথা হয়েছে এক মাস আগে। তিনি জানান বড় ছেলে তাঁর সঙ্গেই থাকেন। আর ছোট ছেলে দূরে থাকেন। ছোট ছেলের সঙ্গে প্রতি সপ্তাহে কথা হয়। এদিকে, শাহিনের সঙ্গে নাম জুড়েছে বিস্ফোরক উদ্ধার মামলায় ধৃত চিকিৎসক মুজাম্মিলের। মুজাম্মিল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায়, শাহিনের বাবা জানান, তিনি এই নাম কখনওই শাহিনের থেকে শোনেননি।

  • Winter Update: সিউরিতে ১৪, কলকাতায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রুত রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত!

    Winter Update: সিউরিতে ১৪, কলকাতায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রুত রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতর যা ইঙ্গিত দিয়েছিল, সেই মতো এবার শীত (Winter Update) পড়তে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে গোটা রাজ্যে এবার জাঁকিয়ে শীত পড়বে। উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া এবার বইতে শুরু করেছে। কলকাতার তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কলকাতার পারদ নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪১ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে।

    হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে (Winter Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা আপাতত শুষ্ক থাকবে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিন তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। কম বেশি সব জায়গাতে স্বাভাবিকের তলনায় দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে তাপমাত্রা। ধীরে ধীরে পশ্চিমী হাওয়ার দাপট বাড়বে। আর তাই শীতের তিব্রতাও বাড়বে। সকালে হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে তবে ঘন কুয়াশার আপাতত কোনও সতর্কতা নেই। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঠান্ডার বিচারে বীরভূমের সিউরিতে তাপমাত্রা (Winter Update) ছিল সব থেকে কম। সেখানে তাপমাত্রা নেমে যায় ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।

    কেমন উত্তরের আবহাওয়া?

    তবে উত্তরবঙ্গেও আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী ৪ থেকে ৫ দিন তাপমাত্রার বিশেষ কোনও পরিবর্তন থাকছে না। মোটামুটি সব জেলাতেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কম থাকবে। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকাগুলির মধ্যে দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা (Winter Update) সবথেকে কম ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল।

    অপরে উত্তর ও মধ্যে ভারতে চরম শৈত্য (Weather Update) প্রবাহ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে মধ্যপ্রদেশে গতকাল পর্যন্ত ছিল চরম শীত। রাজধানী দিল্লিতেই প্রবল শীত পড়েছে। হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, রাজস্থানে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত শৈত্য প্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আগামিকাল থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে শৈত্য প্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে। তামিলনাড়ু, পন্ডিচেরি এবং করাইকালে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোনও কোনও এলাকায় আবার বজ্র বৃষ্টিসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Military Grade Explosives: দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ২ ধরনের ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক! অনুমান তদন্তকারীদের, এগুলি কতটা বিপজ্জনক?

    Military Grade Explosives: দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ২ ধরনের ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক! অনুমান তদন্তকারীদের, এগুলি কতটা বিপজ্জনক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় গাড়ি-বিস্ফোরণে (Delhi Red Fort Blast) কী ধরনের রাসয়নিক বা বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। ফরেনসিক রিপোর্ট না আসায় সঠিকভাবে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ‘মিলিটারি-গ্রেড’ (Military Grade Explosives) বা সামরিক মানের শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। যে বিস্ফোরক সেনা জওয়ানদের ব্যবহারের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি হয়, তাই দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ২ ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার?

    একইসঙ্গে তদন্তকারীরা এও জানাচ্ছেন, সম্ভবত ২ ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়েছে বিস্ফোরণে (Delhi Red Fort Blast)। তদন্তকারীদের সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে নুমনা পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে একটি অ্যামেনিয়াম নাইট্রেটের মতো কোনও রায়াসনিক হতে পারে। তবে দ্বিতীয় বিস্ফোরকের (Military Grade Explosives) প্রকৃতি সম্পর্কে কোনও সুস্পষ্ট তথ্য মেলেনি। ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে সুস্পষ্ট হবে।

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে ৪২টি নমুনা সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে রয়েছে আই-২০ গাড়ির টায়ার, চেসিস, সিজিসি সিলিন্ডার, বনেটের অংশ এবং বিভিন্ন অবশেষ। ল্যাবরেটরিতে এই নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সম্ভবত পেন্টেরিথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট বা সংক্ষেপে পিইটিএন (PETN), সেমটেক্স (SEMTEX) বা আরডিএক্স (RDX)-এর মতো শক্তিশালী বিস্ফোরক ছিল ওই গাড়িতে।

    পিইটিএন, সেমটেক্স, আরডিএক্স

    পিইটিএন অত্যন্ত শক্তিশালী রাসায়নিক (Military Grade Explosives)। অল্প পরিমাণের সাহায্যেই বড় বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, এর বর্ণহীন স্ফটিক আকৃতির জন্য একে সনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। পিইটিএন শক বা তাপের অধীনে বিস্ফোরণ ঘটায়। ফলে, অতিরিক্ত ধাতব টুকরোর প্রয়োজন হয় না। বিস্ফোরক থেকে প্রাপ্ত বিস্ফোরণ শক্তি একটি যানবাহন ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। এর উচ্চ ক্ষমতা এবং কম সনাক্তযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কারণে, সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রে এটি বহুল ব্যবহৃত।

    সেমটেক্স ও আরডিএক্স-ও সামরিক মানের শক্তিশালী বিস্ফোরক (Military Grade Explosives), যা সন্ত্রাসী হামলায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত। এগুলির কোনও ক্ষেত্রেই বিস্ফোরণে পেলেট কিংবা শার্পনেল প্রয়োজন হয় না। তদন্তে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং ডিটোনেটরের সম্ভাব্য ব্যবহারেরও ইঙ্গিত মিলেছে। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মিশ্রিত জ্বালানি (ANFO) তেল এবং ডিটোনেটর ব্যবহারের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। এটি আইইডি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।

    ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক ঠিক কী?

    কী এই ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক (Military Grade Explosives), যা সেনা ব্যবহার করে থাকে? কতটা শক্তিশালী? ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক সাধারণত, সেনাবাহিনীর কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়। সেনার মানদণ্ড ও প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন হয়। জওয়ানরা তা যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষা মিশনে ব্যবহার করেন। এই ধরনের বিস্ফোরক পদার্থের শক্তি অনেক বেশি। কার্যকারিতা রীতিমতো ভয়াবহ। নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার উদ্দেশেই ‘সামরিক মানের’ বিস্ফোরক প্রস্তুত করা হয়। সাধারণত সেনাবাহিনী এবং নির্দিষ্ট কিছু সরকারি সংস্থাই এগুলো ব্যবহার করতে পারে।

    এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে এই রাসায়নিক এল জঙ্গিদের হাতে? এটাই ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের।

  • Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিস্ফোরণের পরের দিনই বায়ু দূষণ চরম আকার নিয়েছে দিল্লিতে (Delhi pollution)। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রাজধানীতে বায়ুদূষণ ভয়ঙ্কর মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার দিল্লিতে গড় একিউআই ছিল ৩৬২। একদিনের বায়ু দূষণে দিল্লির আকাশ-বাতাস বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। শান্ত বাতাস, স্থিতিশীল আবহাওয়া এবং দূষণের কারণে বাতাসের মান আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দিল্লি সরকার তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ (Grap-3) আরোপ করেছে।

    অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ (Delhi pollution)

    নতুন পর্যায়ে দিল্লিতে (Delhi pollution) জারি হয়েছে দূষণ সংক্রান্ত তৃতীয় ধাপ। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চলে অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যে পাথর ভাঙা এবং খনন কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই ভাবে সরকার জানিয়েছে বিএস-৩ পেট্রোল এবং বিএস-৫ ডিজেল গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না। তবে যেসব নাগরিক প্রতিবন্ধী তাঁদের জন্য অবশ্য এই নিয়ম কার্যকর হবে না। স্কুলের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে বেশকিছু পরিবর্তন। পঞ্চম শ্রেণি থেকে সমস্ত স্কুলকে হাইব্রিড শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে বলা হয়েছে। তবে অভিভাবকরা চাইলে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

    তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ কখন জারি হয়

    যদিও শীতকালে দিল্লি (Delhi pollution) এবং এনসিআরে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শীতকালে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তবে বায়ু দূষণের আসল কারণ হল গাড়ির ধোঁয়া এবং দিল্লি সহ হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে খড় পড়ানোর জন্য। একইভাবে আতসবাজির ধোঁয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়াটাও ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    গ্রেডেড রেস্পন্স অ্যাকশন (Grap-3) প্ল্যান মূলত দিল্লি এনসিআর চারটি পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়। প্রথম ধাপ পুরএকিউআই ২০১-৩০০, দ্বিতীয় ধাপ ভেরি পুর একিউআই ৩০১-৪০০, তৃতীয় ধাপ সিভিয়ার একিউআই ৪০১-৪৫০ এবং চতুর্থ ধাপ সিভিয়ার প্লাস একিউআই ৪৫০–এর উপরে। যদি বায়ুর দূষণকে কোনও ভাবেই নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তাহলে তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে আগামীদিনে জনজীবনের উপর চরম প্রভাব পড়তে পারে।

  • Bihar Exit Polls: বিহারে ফের ফিরবে এনডিএ সরকার! বিজেপি পেতে পারে ৭২-৭৫টি আসন, বাকিরা কোথায়?

    Bihar Exit Polls: বিহারে ফের ফিরবে এনডিএ সরকার! বিজেপি পেতে পারে ৭২-৭৫টি আসন, বাকিরা কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) ক্ষমতা ধরে রাখবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে নয়টি এক্সিট পোল। ২০২০ সালের তুলনায় এবারে বিজেপি আরও বড় ম্যান্ডেট পেতে চলেছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। এক্সিট পোলগুলির গড় হিসেব অনুযায়ী, এনডিএ ২৪৩ আসনের মধ্যে ১৪৭টির বেশি আসনে জয় পেতে পারে — যা স্পষ্টভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার (১২২) সীমা অতিক্রম করছে। বিভিন্ন সংস্থার মতে, মহাগঠবন্ধন তিন অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারবে না, তাদের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা প্রায় ৯০-এর কাছাকাছি।

    পিপলস ইনসাইট-এর এক্সিট পোল

    বিহার নির্বাচনের জন্য পিপলস ইনসাইট-এর এক্সিট পোল বলছে, এনডিএ ১৩৩-১৪৮টি আসন পাবে। বিজেপি ৬৮-৭২টি আসন, জেডিইউ ৫৫-৬০টি আসন, এলজেপি (আর) ৯-১২টি আসন, এইচএএম ১-২টি আসন এবং আরএলএম ০-২টি আসন পাবে। এই এক্সিট পোল ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে, মহাজোট ৮৭-১০২টি আসন পাবে, আরজেডি পাবে ৬৫-৭২, কংগ্রেস ৯-১৩, বামপন্থীরা ১১-১৪ এবং অন্যান্যরা ২-৩ আসন পাবে।

    ম্যাট্রিক্স আইএএনএস-এর এক্সিট পোল

    বিহার নির্বাচনের জন্য ম্যাট্রিক্স আইএএনএস-এর এক্সিট পোল বলছে, এনডিএ ১৪৭-১৬৭টি আসন পাবে। দলীয়ভাবে, বিজেপি ৬৫-৭৩টি আসন, জেডিইউ ৬৭-৭৫টি আসন, এলজেপি (আর) ৭-৯টি আসন, এইচএএম ৪-৫টি আসন এবং আরএলএম ১-২টি আসন পাবে। এই এক্সিট পোল ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে মহাজোট ৭০-৯০টি আসন পাবে, আরজেডি পাবে ৫৩-৫৮টি, কংগ্রেস পাবে ১০-১২টি, বামপন্থীরা পাবে ৯-১৪টি এবং বিজেপি পাবে ১-১৪টি।

    চাণক্য স্ট্র্যাটেজিজের এক্সিট পোল

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর, চাণক্য স্ট্র্যাটেজিজের এক্সিট পোল আরজেডির জন্য উল্লেখযোগ্য সুখবর এনেছে। চাণক্যের মতে, আরজেডি ৭৫ থেকে ৮০টি আসন জিতবে এবং বৃহত্তম দল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিজেপি ৭০ থেকে ৭৫টি আসন পাবে, যেখানে জেডিইউ ৫২ থেকে ৫৭টি আসন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাছাড়া, এনডিএ-র মধ্যে চিরাগ পাসোয়ান ১৪ থেকে ১৯টি আসন জিতবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জিতন রাম মাঝির দল ০-২টি আসন জিততে পারে। উপেন্দ্র কুশওয়াহা ২-৩টি আসন জিতবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মহাজোটে কংগ্রেস ১৭-২৩টি আসন পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বামপন্থীরা ১০-১৬টি আসন জিততে পারে। মুকেশ সাহনির দল ৭-৯টি আসন জিততে পারে। অন্যরা ৩-৫টি আসন জিততে পারে।

    অন্যান্য এক্সিট পোল কী বলছে?

    বিহার নির্বাচনের জন্য জেভিসি এক্সিট পোলে, এনডিএ ১৩৫-১৫০ আসন, মহাজোট ৮৮-১০৩ আসন এবং অন্যান্যরা ৩-৬ আসন পাবে বলে পূর্বাভাস। দৈনিক ভাস্কর-এর এক্সটি পোল অনুযায়ী, এনডিএ ১৪৫ থেকে ১৬০টি আসন পাবে। নিউজ ২৪-এর বুথ ফেরত সমীক্ষায় এনডিএ পাবে ১৩৩ থেকে ১৫৯টি আসন। অন্যদিকে, মহাগঠবন্ধনের (INDIA Bloc) জন্য পূর্বাভাস তুলনামূলকভাবে হতাশাজনক — দৈনিক ভাস্কর দিয়েছে ৭৩–৯১ আসন। নির্বাচনের নতুন মুখ প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি (JSP) ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানাচ্ছে সব এক্সিট পোল। কোনও সংস্থাই প্রশান্ত কিশোরের দলকে দুই অঙ্কের আসনসংখ্যার কাছাকাছি দেখায়নি।

    বিহারকে বদলে দিয়েছেন নীতীশ

    বিহারে এক্সটি পোল প্রসঙ্গে কাটিহারের বিজেপি প্রার্থী তারকিশোর প্রসাদ বলেন, “এই এক্সিট পোলগুলি অবাক করার মতো নয় কারণ আমরা বিশ্বাস করি যে ২০০৫ সাল থেকে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার যেভাবে বিহারকে বদলে দিয়েছেন তাতে মানুষ মুগ্ধ। অনেক বৃত্তি দেওয়া হয়েছে এবং নারীশক্তির প্রতি বিশ্বাস জাগানো হয়েছে। বিহারের ভোটারদের উপর আমাদের আস্থা আছে। আমাদের কাজের উপর আমাদের আস্থা আছে। মা-বোনেরা ভোট দিতে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এনডিএ অবশ্যই জিতবে।”

    বিহারের রাজনীতিতে এক যুগ

    এই নির্বাচনকে বিহারের রাজনীতিতে এক যুগের অবসান বলে মনে করা হচ্ছে। প্রায় ১৯ বছর রাজত্বের পর মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের এটি শেষ নির্বাচন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব ইতিমধ্যেই দলীয় দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন ছেলে তেজস্বী যাদবের হাতে, যিনি বিরোধী জোটের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী। পুরো নির্বাচনী প্রচারে দেখা গিয়েছে ত্রিমুখী লড়াই — এনডিএ, মহাগঠবন্ধন ও প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টির মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যজুড়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে আরজেডির “জঙ্গল রাজ” ইস্যু উত্থাপন করেছেন।

    ভোটারদের একাধিক প্রতিশ্রুতি

    ভোটারদের মন জিততে উভয় পক্ষই একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এনডিএ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে — মহিলাদের জন্য ব্যবসা শুরুতে ₹১০,০০০ সহায়তা, বিনামূল্যে ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ-সহ অনেক কিছু। অন্যদিকে, মহাগঠবন্ধন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে — প্রতিটি পরিবারে এক সরকারি চাকরি, আর্থিকভাবে দুর্বল মহিলাদের ₹৩০,০০০ এককালীন অনুদান। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ভোটার তালিকা সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিজেপির বিরুদ্ধে “ভোট চুরি”র অভিযোগ এনেছেন। এর জবাবে এনডিএ অভিযোগ করেছে, বিরোধী জোট রাজ্য অনুপ্রবেশকারীদের উৎসাহ দিচ্ছে। তবে, আপাতত এক্সিট পোল অনুযায়ী বিহারে আবারও এনডিএ সরকারের প্রত্যাবর্তন প্রায় নিশ্চিত —যদিও চূড়ান্ত রায় জানা যাবে গণনার দিনই।

  • Heart Disease: শীতের শুরুতেই বাড়ছে হৃদরোগের প্রকোপ! কাদের ঝুঁকি বেশি?

    Heart Disease: শীতের শুরুতেই বাড়ছে হৃদরোগের প্রকোপ! কাদের ঝুঁকি বেশি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দরজায় কড়া নাড়ছে শীত (Winter Season)! ভোরের ঠান্ডা হাওয়া জানান দিচ্ছে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। দুপুরে রোদের তীব্রতায় ঠান্ডার আমেজ আর থাকছে না। তাই বাড়ছে অস্বস্তিও। এমন পরিস্থিতিতে বিপদ বাড়ছে। হৃদরোগের ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। প্রৌঢ়দের পাশাপাশি কম বয়সিদের মধ্যেও হৃদরোগের (Heart Disease) প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। বিশেষত শীতের আগে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তাই যথেষ্ট উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা না নিলে বড় বিপদ এড়ানো যাবে না।

    কেন শীতের (Winter Season) শুরুতে হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে হৃদরোগের (Heart Disease) প্রকোপ বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে হৃদরোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও এই রোগের দাপট বাড়ছে। তাই বছরভর সাবধানতা জরুরি। তবে শীতের সময়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। বিশেষত তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য বদল ঘটে। তাপমাত্রা বারবার ওঠানামার জেরে রক্তচাপের উপরেও প্রভাব পড়ে। দিনের একটা সময়ে হঠাৎ গরম, আবার কিছুটা সময়ে বেশ ঠান্ডা, এমন তাপমাত্রার বদলের জেরে রক্তচাপ হঠাৎ করেই ওঠানামা করে, এর জন্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

    কাদের বিপদ বেশি?

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই শীতের (Winter Season) শুরুতে তাঁদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কোলেস্টেরল এবং ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্যও বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। কারণ, এই সমস্যা থাকলে অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হয়। তাই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

    কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে এই আবহাওয়ায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষত হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। সহজপাচ্য খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। কম তেল মশলা দিয়ে নিয়মিত সবুজ সব্জি, মাছ, মাংস কিংবা ডিম খাওয়া প্রয়োজন। যাতে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং প্রোটিন পায়। আবার যাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা না বাড়ে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না। যাতে শরীরে অতিরিক্ত ওজন না বাড়ে। তাতে কোলেস্টেরলের মাত্রাও‌ বাড়ে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। প্রাণীজ প্রোটিনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে সবুজ সব্জি, ফাইবার সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে। শরীরে প্রোটিনের পাশপাশি ভিটমিন, খনিজ পদার্থের জোগান হলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। শরীর সুস্থ থাকবে।

    খাবারের পাশপাশি নিয়মিত শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটা জরুরি।‌ তাতে শরীরে ক্যালোরি ক্ষয় হয়। নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। আবার প্রত্যেক দিন সকালে যোগাভ্যাস করলে স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শরীরের অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। শীতে ঘাম কম হয়। তাই অনেক সময়েই ক্যালোরি ক্ষয় কম হয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে‌। এই সময়ে নিয়মিত ব্যায়াম করলে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমবে। হৃদরোগের আশঙ্কাও কমবে।

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্তদের নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা দরকার। যাতে তাদের রক্তচাপ অনিয়মিত হচ্ছে কিনা, সেটা নজরে রাখা যায়। তাছাড়া, ডায়াবেটিস কিংবা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে হাতে-পায়ের পেশিতে খিঁচুনি, মাথার পিছনে যন্ত্রণা কিংবা বুকে চিনচিনে ব্যথা, বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। প্রথমেই চিকিৎসা শুরু হলে হৃদরোগের (Heart Disease) বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 12 November 2025: ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 12 November 2025: ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় চাপ বাড়লেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) দূরে ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

  • Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত অনন্ত ১২। অপর দিকে খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনার কনভয়েও হামলার ঘটনায় জখম ১৬। জানা গিয়েছে, পাকসেনা এবং ফ্রন্টিয়ার কোর পার্সোনালের সেই কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। ফেরার পথেই ঘটে এই হামলার ঘটনা। একদিনে জোড়া হামলার ঘটনায় তোলপাড় পাকিস্তানে (Pakistan)।

    গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ (Pakistan)!

    ইসলামাবাদে (Pakistan) জেলা আদালতের সামনে বোম বিস্ফোরণের ঘটনাকে তুলে ধরে স্থানীয় পত্রিকা ‘ডন’ জানিয়েছে, আদালতের সামনে বিস্ফোরণে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, অনেক দূর পর্যন্ত বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এই বোমা বিস্ফোরণ নিয়ে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, “আমরা বিস্ফোরণের খবর পেয়েছি। তবে কি থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। আমাদের ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তাঁদের কাছ থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করার পর সমস্ত বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে। জেলা আদালতের গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।”

    তালিবানদের দিকে ইঙ্গিত!

    আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনা কনভয়ে সোমবার রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তান (Pakistan) সেনা এবং ফ্রন্টিইয়ার কোর পার্সোনেলের কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। আর তখন সেই সময়েই হয় বিস্ফোরণ। উল্লেখ্য গতকাল সোমবার খাইবার পাখতুনখোয়ার অন্য একদিকে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। দক্ষিণ-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়ার আফগান সীমান্ত গ্রামে এক কলেজের গেটে হামলায় ছয়জন আহত হয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের দাবি ওই হামলার পিছনে রয়েছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান জঙ্গিরা।

    পাকিস্তানের অতিসক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে অন্যতম প্রধান হল টিটিপি বা তেহরিক-ই-তালিবান। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের মসনদে বসে তালিবান সরকার। পাকিস্তান সরকারের দাবি তালিবানরা এই সংগঠনকে পরোক্ষ মদত দেয়। পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বেশিরভাগ বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে টিটিপি। তবে তালিবানের তরফে বারবার পাক সরকারের অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে।

LinkedIn
Share