Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Chandra Grahan 2026: রাতের আকাশে ‘ব্লাড মুন’! দোলে বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, দেখতে পাবেন কলকাতাবাসীও

    Chandra Grahan 2026: রাতের আকাশে ‘ব্লাড মুন’! দোলে বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, দেখতে পাবেন কলকাতাবাসীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল উৎসবে ২০২৬ সালে রয়েছে চন্দ্রগ্রহণের কালো ছায়া। আর এই গ্রহণ এবার ভারত থেকে দেখা যাবে। শুধু তাই নয়। কলকাতার আকাশ থেকেও এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ২০২৬ সালের এই চন্দ্রগ্রহণই হবে বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। গ্রহণ শুরু হবে দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে এবং শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে। মোট ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ধরে চলেছে গ্রহণ । পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৪ মিনিটে, যখন চাঁদ সম্পূর্ণভাবে পৃথিবীর ছায়ায় প্রবেশ করবে। আগামী ৩ মার্চ আকাশে দেখা যাবে এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য।

    কখন কোথায় দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ

    ৩ মার্চ সন্ধ্যায় কলকাতার আকাশ থেকেও দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। কলকাতায় সন্ধ্যা ৬ টায় আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। নয়া দিল্লিতে সন্ধ্যা ৬.২৬ মিনিটে, লখনউতে সন্ধ্যা ৬.১৮ মিনিটে,ভুবনেশ্বরে সন্ধ্যা ৬ টা ০৫ মিনিটে, পাটনায় সন্ধ্যা ৬. ১২ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। জয়পুরে দেখা যাবে সন্ধ্যা ৬ টা ২৮ মিনিটে, ভোপালে সন্ধ্যা ৬ টা ২৪ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। মুম্বইতে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে, আমেদাবাদে ৬.৩৫ মিনিটে, পুনেতে ৬.৩২ মিনিটে এই গ্রহণ দেখা যাবে। বলা হচ্ছে, উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি থেকে খুব ভালোভাবে দেখা যাবে এই গ্রহণ। গুয়াহাটিতে বিকেল ৫ টা ৪৫ মিনিট, ডিব্রুগড়ে বিকেল ৫ টা ৪০ মিনিট, ইটানগরে বিকেল ৫ টা ৩৫ মিনিট, শিলংয়ে ৫ টা ৪০ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ।

    ‘ব্লাড মুন’-এর বিরল দৃশ্য

    গ্রহণের সময় উজ্জ্বল সাদা চাঁদ খানিকটা লাল বর্ণ ধারণ করে। অনেকেই একে ‘ব্লাড মুন’ বলে থাকেন। তাও দেখা যাবে আকাশে।

    গ্রহণ শুরু – দুপুর ২:১৬টোয়
    পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু – বিকেল ৪:৩৪ টেয়
    পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ – বিকেল ৫:০৪ টায়
    পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শেষ – বিকেল ৫:৩৩ টায়
    গ্রহণ শেষ – সন্ধ্যা ৬:৪৮ টায়

    সূতক-কালে কী করবেন

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ভারতে সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান হবে। পরিষ্কার আকাশ থাকলে খালি চোখেই গ্রহণ দেখা যাবে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, চন্দ্রগ্রহণের সূতককাল গ্রহণ শুরুর প্রায় ৯ ঘণ্টা আগে শুরু হয়। সেই হিসেবে সূতক শুরু হবে ৩ মার্চ সকাল ৬টা ২০ মিনিটে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে সূতকের সমাপ্তি ঘটবে। যেহেতু এই গ্রহণ ভারতে দেখা যাবে, তাই সূতকের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হবে। সূতক ও গ্রহণের সময় কিছু নিয়ম মানার কথা বলা হয়েছে। এই সময় খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়, যদিও শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থরা এই নিয়মের বাইরে থাকবেন। সূঁচ, কাঁচি বা ধারালো জিনিস ব্যবহার, নতুন বা শুভ কাজ শুরু, মন্দিরে প্রবেশ ও মূর্তি স্পর্শ নিষিদ্ধ বলে ধরা হয়। পাশাপাশি ঘুমানো, ভ্রমণ ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, গ্রহণের সময় ভগবানের নাম জপ করা, যেমন ‘ওম নমঃ শিবায়’ বা ‘মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র’ পাঠ করা শুভ বলে মনে করা হয়। খাবারে আগে থেকেই তুলসী পাতা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। রামায়ণ, গীতা বা হনুমান চালিসা পাঠ করাও এই সময় পুণ্যদায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়। গ্রহণের আগে ও পরে স্নান করার রীতি রয়েছে। গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই স্নান করে ঘর ও মন্দিরে গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ করা হয়।পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অন্ন, বস্ত্র বা অর্থ দান করাও শুভ বলে মনে করা হয়।

  • Holi 2026: বসন্তের রঙিন উৎসবে অসাবধান হলেই বিপদ! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    Holi 2026: বসন্তের রঙিন উৎসবে অসাবধান হলেই বিপদ! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আজ দোল। কাল হোলি। দুদিন রঙের উৎসব। কচিকাঁচা থেকে বয়স্ক, সকলেই মেতে উঠবেন দোলের উৎসবে। বসন্তের উৎসবে রং লাগানো, আড্ডা, খাওয়া-দাওয়ার মাঝে তাল কাটতে পারে অসাবধানতা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দোল উৎসব উদযাপনের সময় কয়েকটি দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। তবেই সুস্থ ভাবে উৎসব উদযাপন সম্ভব। না হলেই বাড়বে বিপদ। বিশেষত শিশুদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কোন বিপদের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক মহল?

    দোল উৎসবে অসাবধানতা থেকে সবচেয়ে বেশি বিপদ হয় চামড়ার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রত্যেক বছর দোলের পরে অনেকেই চামড়ায় নানান রকমের লাল দাগ, চুলকানির মতো সমস্যা নিয়ে ভোগেন। অনেকের নানান রকমের অ্যালার্জি হয়‌। তাই রং ব্যবহারের সময় সচেতনতা জরুরি। রং খেলার সময় সবচেয়ে বেশি চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। বিশেষত শিশুরা রং খেলায় অংশ নিলে, কোনো ভাবেই যাতে তাদের চোখে রং না ঢোকে সে দিকে নজর দিতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চোখে বিশেষত কর্ণিয়ায় রং লাগলে, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত তৈরি করতে পারে। কনজাংটিভাইটিসের মতো চোখের সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। রঙের উৎসবে অসাবধানতার জেরে অনেকেই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শুকনো রং নাকে-মুখে ঢুকে অনেক সময়েই হাঁপানির সমস্যা তৈরি করে। রং মেশানো জল কানে ঢুকলে, কানের ভিতরে সংক্রমণ তৈরি হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    সুস্থ ভাবে উৎসব উদযাপনের কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উদযাপনের সময় সতর্ক ও সচেতন থাকলেই সমস্ত হয়রানি আটকানো সহজ। তাঁরা জানাচ্ছেন—

    • ● রং কেনার সময় ভেষজ রং কেনা উচিত। ফুলের পাঁপড়ি দিয়ে তৈরি রং অ্যালার্জি এবং অন্যান্য চামড়ার অসুখের ঝুঁকি কমায়‌
    • ● শিশুদের রং খেলার সময় নজরদারি জরুরি। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে শিশুরা দোল উৎসব পালন করলে বড় দূর্ঘটনা এড়ানো সহজ হয়।
    • ● এখন দোল উপলক্ষে শিশুদের জন্য নানান মজাদার সানগ্লাস বাজারে দেদার পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলো পরে রঙিন উৎসব পালন করলে চোখে রং যাওয়ার ঝুঁকি কমবে।
    • ● রঙ উৎসব পালনের আগে ত্বকে ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাতে রঙ সহজেই মুছে ফেলা যায়। চামড়ার বড় ক্ষতি হয় না।
    • ● যাদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে, বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের, রঙ খেলার সময় বাড়তি যত্ন জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।
  • Daily Horoscope 03 March 2026: অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 March 2026: অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণা বোধ করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ থেকে সংযত থাকুন। শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

     

    কর্কট

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজের ব্যাপারে ভালো যোগাযোগ হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে হতে পারে।

    ২) বাইরের লোকের জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

     

     

    কন্যা

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) সংযমী হতে হবে। ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    মকর

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

     

     

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার শিলিগুড়িতে গোর্খা সম্প্রদায়ের (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে। বিজেপির তরফে দেওয়া হয়েছে আশ্বাস।

    গোর্খাল্যান্ড ও বিকল্প দাবি (Nitin Nabin)

    বঙ্গ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ উপলক্ষে বর্তমানে রাজ্যে অবস্থান করছেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই সফরের মধ্যেই পাহাড়ের গোর্খা নেতাদের (Gorkha Community) সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকে উপস্থিত গোর্খা প্রতিনিধিরা পুনরায় পৃথক ‘গোর্খাল্যান্ড’ রাজ্যের দাবি উত্থাপন করেন। তাঁরা স্পষ্ট জানান, যদি পৃথক রাজ্য গঠন সম্ভব না হয়, তবে উত্তরবঙ্গকে একটি ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ (Union Territory) হিসেবে ঘোষণা করা হোক। উত্তরবঙ্গের মানুষ দীর্ঘ দিন বাম এবং তৃণমূলের শাসনে উন্নয়নের ধারা থেকে উপেক্ষিত রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন চান। তবে বাংলার পরিবর্তন এলে পাহাড় সমস্যার গঠন মূলক সমাধান যে হবেই এই নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    জিটিএ-র ব্যর্থতা

    গোর্খা নেতাদের অভিযোগ, ২০০৭ সালের আন্দোলনের পর গঠিত হওয়া গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (GTA) পাহাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। র্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “গোর্খারা বৈঠকে থাকলে গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গ আসবেই।” তৃণমূলের শাসনে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাহাড়ের নেতারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের আশ্বাস সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান

    গোর্খা (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের অভাব-অভিযোগ শোনার পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “বিজেপি বরাবরই পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্যার সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।” অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “পাহাড়ের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে এবং রাজ্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভারসাম্য বজায় রেখেই বিজেপি সমাধানের পথ খুঁজবে।”

  • Israel Strikes on Iran: ইরানে ইজরায়েলি হামলার জেরে ভারতে হিংসার আশঙ্কা! সব রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    Israel Strikes on Iran: ইরানে ইজরায়েলি হামলার জেরে ভারতে হিংসার আশঙ্কা! সব রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সাম্প্রতিক ইরান হামলা এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেইনির মৃত্যুর প্রেক্ষিতে ভারতের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (এমএইচএ)। সম্ভাব্য সহিংসতা ও ছিটেফোঁটা বিক্ষোভের আশঙ্কায় রাজ্যগুলিকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ‘আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়াতে হবে।’

    শিয়া সংগঠনগুলির উদ্যোগে বিক্ষোভ

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইজরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেইনি নিহত হওয়ার প্রতিবাদে দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায়। শিয়া সংগঠনগুলির উদ্যোগে উত্তরপ্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, কর্নাটক এবং দিল্লি-সহ বিভিন্ন স্থানে এই প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যগুলির মুখ্যসচিব ও ডিজির কাছে কাছে পাঠানো এক বার্তায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, ইরানপন্থী ও বিরোধী উভয় গোষ্ঠীর সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও জমায়েতের ওপর নজর রাখতে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজর

    বিশেষ করে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলির সামনে প্রতিবাদ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। এছাড়া ‘উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া হতে পারে’ এমন ইরানপন্থী কট্টরপন্থী ধর্মীয় বক্তাদের চিহ্নিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ইরানপন্থী ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের অ্যাকাউন্টগুলির ওপর নজরদারি বাড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানপন্থী ছাত্র সংগঠন ও সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনগুলির কার্যকলাপের দিকেও নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সম্ভাব্য হুমকির আশঙ্কা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতে, শিয়া মিলিশিয়া গোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন যেমন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং আল-কায়েদা ভারতে মার্কিন ও ইজরায়েলি দূতাবাস-কনস্যুলেট, তাদের কর্মী, প্রতিনিধি দল, ব্যবসায়ী, পর্যটনকেন্দ্র, পশ্চিমের দেশগুলির নাগরিকদের যাতায়াতের স্থান, সিনাগগ, চাবাড হাউস ও ইহুদি সম্প্রদায়ের মানুষদের জমায়েতের স্থানগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। একইভাবে ইরানের দূতাবাস, কনস্যুলেট ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলিও নিশানায় থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্যগুলিকে সম্ভাব্য হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করার পাশাপাশি দূতাবাস, কনস্যুলেট ও বিদেশি পর্যটকদের ভিড় থাকে এমন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে বলা হয়েছে। সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো এবং বিস্ফোরক বা আইইডি-র উপস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

  • Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনলে ভাইপো শাসক হবে”, মাথুরাপুরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের এক নতুন অধ্যায় শুরু করল ভারতীয় জনতা পার্টি।

    কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) রায়দিঘিতে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। তিনি তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে রাজ্যে সুশাসন ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ এখন পরিবর্তন চাইছে। এই জনসঙ্কল্পকে আরও শক্তিশালী ও মুখর করে তুলতে বাংলার বিজেপি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ (Parivartan Yatra) শুরু করেছে। আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধনী কর্মসূচিতে কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকব। এই যাত্রার মাধ্যমে বিজেপির কর্মীরা রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ‘অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা’র অঙ্গীকার পৌঁছে দেবেন।”

    যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে

    এরপর মথুরাপুরে ভাষণ দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “বিজেপি সরকার হলে যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে। আমরা ক্ষমতায় এলেই সপ্তম পে কমিশন করব। হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে চক্রান্ত করে বাবরি মসজিদ করানো হচ্ছে। হুমায়ুন ও মমতা একই মুদ্রার দুই পিঠ। হুমায়ুন কবীরকে পরিকল্পনা করেই বাইরে বার করে বাবরি মসজিদ তৈরি করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে আমরা আসিনি। পরিবর্তন (Parivartan Yatra) জনতাই করবে। আমরা অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিদায় করবই।”

    এজেন্ডা কি মাদ্রাসার উন্নতি?

    তৃণমূলের শাসনে ভাইপোর দৌরাত্ম্য নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভাইপোর শাসন থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিন। বঙ্গে ৫ দিক থেকে ছুটবে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra)। বিজেপিকে ৩৮ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন, ৭৭ আসন দিয়েছিলেন, কংগ্রেস-বামেদের শূন্যে পৌঁছেছিলেন। বিধানসভায় বাংলার বাজেট হয়েছে। সায়েন্স ও টেকনোলজির জন্য ৮০ কোটি টাকা দিয়েছেন। মাদ্রাসাগুলোর জন্য ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। এজেন্ডা কী? রাজ্যে বিজ্ঞান প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্য়মে কর্মসংস্থান এজেন্ডা নাকি মাদ্রাসার উন্নতি?”

    সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্ব

    পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “এই যাত্রা রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যাবে এবং মানুষের কাছে পরিবর্তনের (Parivartan Yatra) বার্তা পৌঁছে দেবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে তুলে ধরা।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোট শুরুর আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রক্রিয়ার সমান্তরালে বিজেপির এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ (Parivartan Yatra) বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো স্পর্শকাতর জেলায় অমিত শাহের (Amit Shah) এই সভা থেকে দুষ্কৃতীদের বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপি সূত্রে খবর, এই পরিবর্তন যাত্রা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। এই যাত্রার প্রতিটি ধাপে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের হেভিওয়েট নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ রায়দিঘিতে গিয়েছেন অমিত শাহ। ইসলামপুরে থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাওড়ার আমতায় সভা করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

  • Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission) ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি আধাসামরিক আগামী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১ মার্চের মধ্যে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী ঢুকেছে। নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এসে পৌঁছাবে। জেলায় জেলায় চালানো হবে কঠোর নজরদারি (Election Security)।দ্বিতীয় দফায় আসা ২৪০ কোম্পানি আগামী ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

     

    জেলা ভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা (Election Commission)

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। নির্বাচনে (Election Commission) তাঁদের দ্বারা ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানোর কাজ করানো হবে। সব দায়িত্বের মূলে হল এলাকাকে ভয়মুক্ত করা। প্রত্যেক কোম্পানির ৯টি সেকশনের (Election Security) মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে আর বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে থাকবে।

     

    কোথায় কত বাহিনী

    ১০ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি। জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Election Commission) মোতায়েন করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯, মালদায় ১৮, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৫, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১০ কোম্পানি মোতায়েন (Election Security) করা হচ্ছে।

    বাহিনী কোন কোন কাজ করবে?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই বাহিনী (Election Commission) মূলত নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পন্ন করবে।

    • ১>এরিয়া ডমিনেশন: নিয়মিত টহলদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
    • ২>আস্থা বৃদ্ধি (Election Security): সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ তৈরি করা।
    • ৩>নজরদারি: বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য জিপিএস (GPS) এবং বডি ক্যাম ব্যবহার করা হবে।

    সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ মার্চের মধ্যে আসা এই বাহিনীর একটি বড় অংশ এই জেলার ডায়মন্ড হারবার, বারুইপুর এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • SSC Recruitment Case: প্রাথমিকের পর এবার এসএসসি! দোলের পরেই পার্থ-অর্পিতাকে ফের তলব ইডির

    SSC Recruitment Case: প্রাথমিকের পর এবার এসএসসি! দোলের পরেই পার্থ-অর্পিতাকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি (SSC Recruitment Case) কেলেঙ্কারিতে ফের ইডির নোটিশ ‘অপা’-কে! দোলের পরেই তলব করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং বান্ধবী অর্পিতাকে। সূত্রের খবর, দোল মিটে গেলেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিতে হবে। উল্লেখ্য এই তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে আদালতে বিশেষ চার্জশিটে নাম থাকার কথাও জানা গিয়েছে।

    আর্থিক অনিয়ম, সম্পত্তি ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য (SSC Recruitment Case)

    এর আগে, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় দুর্নীতির (SSC Recruitment Case) অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা প্রথমে গ্রেফতার করেছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। একই মামলায় বান্ধবী অর্পিতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। অনেক দিন জেলে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক লেনদেন পার্থ এবং অর্পিতার নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্রেই তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক অনিয়ম, সম্পত্তি ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতেই এই তলব। দোলের পর চলতি মাসের ১৬ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে দু’জনকে তলব করা হয়েছে। দু’জনকেই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে, এমনটাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন।

    দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (SSC Recruitment Case) গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কমিটির চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘ সময়ের তল্লাশির পর অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয় সোনাও। ৩০ ঘণ্টা ধরে একাধিক মেশিন লাগিয়ে টাকা গোনার পালা চলে। এরপরন দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সিবিআই-এর এসএসসি এবং প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও পার্থকে হেফাজতে নেয়। তবে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এর আগে ইডি কখনও পার্থ কিংবা অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। গত নেভেম্বরে ৩ বছর ৩ মাস পরে জামিন পেয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অপরে অর্পিতা গ্রেফতার হওয়ার ২ বছর ৩ মাস পর মুক্ত হন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতের চার্জশিটে স্পষ্ট জানিয়েছে নাকতলার বাড়িতেই টাকা নিয়ে অযোগ্যদের লিস্ট করেছিলেন পার্থ। এরপর রাজ্যের মন্ত্রীসভা এবং কমিশনকে দিয়েছিলেন। দুর্নীতিকাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল সরকারের বড় মাথা।

  • Modi on Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে শান্তির আহ্বান! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠক, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা মোদির

    Modi on Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে শান্তির আহ্বান! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠক, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে সদা সতর্ক ভারত (Modi on Iran Israel War)। রবিবার রাতেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিয়োরিটি)-র বৈঠক আয়োজন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসার বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, বলে খবর। অন্যদিকে, পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রবিবার রাতে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন ৷ অসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার উপর তিনি বিশেষ জোর দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত এই হানাহানি বন্ধ করার কথাও বলেন ৷ প্রধানমন্ত্রী মোদি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৷ এই অঞ্চলে উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

    ভারতীয়দের নিরাপদে উদ্ধার নিয়ে আলোচনা

    ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলায় উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য রবিবার রাতেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিএস) একটি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ মন্ত্রিসভা কমিটি সমস্ত বিভাগকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়ার কথা বলেছে ৷ দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে সংলাপ ও কূটনীতিতে ফিরে আসার উপরও জোর দিয়েছে ভারত ৷ দু’দিনের সফরে গুজরাট, রাজস্থান, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু সফর সেরে রবিবার রাতে দিল্লি ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। রাত সাড়ে ৯টায় দিল্লিতে ফিরেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে যোগ দেন মোদি। সূত্রের দাবি, রবিবার রাতের বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন দিল্লি

    ইরান এবং ওমানের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ জলভাগ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। বিশ্বের মোট রফতানিযোগ্য এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ ধরেই রফতানি করা হয়। আর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। তা ছাড়া, ভারত অভ্যন্তরীণ জ্বালানি-চাহিদা পূরণে ৮০ শতাংশ তেল অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করে থাকে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে তেল কেনে ভারত। এই পরিস্থিতিতে পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প উপায় নিয়েও রবিবার রাতের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বিবৃতি

    সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য সিসিএস বৈঠক হয়েছে ৷ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অঞ্চলে বৃহৎ ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিটি ৷” বৈঠকে এই অঞ্চলে যাতায়াতকারী সাধারণ ভারতীয় পর্যটক, শিক্ষার্থীদের অসুবিধা, সেইসঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের উপর কী কী প্রভাব পড়বে তা নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সিসিএস সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে এই ঘটনাবলীর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত শত্রুতা বন্ধ করে সংলাপ ও কূটনীতিতে ফিরে আসার গুরুত্বের উপরও জোর দিয়েছে কমিটি ৷” সিসিএস সভায় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব পিকে মিশ্র এবং শক্তিকান্ত দাস, প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিভি সোমনাথন এবং বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি উপস্থিত ছিলেন।

    দুবাই হামলার তীব্র নিন্দা

    এছাড়াও ইরানের দুবাই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi on West Asia Crisis)৷ রবিবার রাতে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন৷ জানান যে, এই কঠিন সময়ে সংহতির সঙ্গে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পাশে থাকবে। নরেন্দ্র মোদি দুবাইয়ে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষা প্রদানের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ৷ তিনি বলেছেন যে, নয়াদিল্লি উত্তেজনা হ্রাস, আঞ্চলিক শান্তি, সুরক্ষা এবং স্থিতিশীলতা সমর্থন করে। এক্স পোস্টে মোদি লেখেন, “সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট, আমার ভাই শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই হামলায় প্রাণহানির জন্য সমবেদনা জানাই। এই কঠিন সময়ে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে থাকবে৷ সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। আমরা উত্তেজনা কমানো, আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা সমর্থন করি।”

    বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা

    ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। পালটা হামলা চালাচ্ছে তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার রাতেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা পরিষদের (ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিয়োরিটি) জরুরি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে ইরান-ইজরায়েল-সহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানো, যুদ্ধে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এরপরই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদি। সোশাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে ভারত যথেষ্ট উদ্বেগ তাও তাঁকে জানানো হয়েছে ৷ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার হিসেবে দেখার কথা বলা হয়েছে ৷”

    ভারতীয় নাগরিকদের আশ্বাস বিদেশমন্ত্রকের

    সূত্রের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় বসবাসরত এবং বর্তমানে বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে। সামরিক উত্তেজনার জেরে পশ্চিম এশিয়ার আকাশপথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুবাই, দোহা-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শতাধিক ভারতীয় যাত্রী আটকে পড়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে বহু মানুষ ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বর্তমানে ইরানে প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় নাগরিক বাস, পড়াশোনা ও কাজ করেন এবং ইজরায়েলে রয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার ভারতীয়। উপসাগরীয় ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে মোট প্রায় ৯০ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করেন। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলি সেখানকার ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং জরুরি সহায়তার জন্য হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়া-সহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ভারত সফলভাবে তার নাগরিকদের উদ্ধার করেছে বলেও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা হয়েছে। কোচবিহারে সূচনা করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অপর দিকে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সূচনা করেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই যাত্রার সূচনা পর্বে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে (Parivartan Yatra)

    পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra) কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে ৫০০০ কিমি পথ অতক্রম করবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “মমতার সরকার দুর্নীতি, হপ্তা তোলা আর অনুপ্রবেশকারীদের উপর ভর করে চলছে। বাংলার মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন মানুষের বাড়িতে শুধু প্রতিশ্রুতি আর অহংকারই পৌঁছেছে। এ বার পৌঁছবে বিশ্বাস ও পরিবর্তনের বার্তা। দিদি, আপনার মমতা অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি, বাংলার মানুষের প্রতি নয়। এই আচরণ আর চলবে না। এ বার বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার গড়ে উন্নয়নের রথ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই মাটির ঐতিহ্য দুর্নীতির সঙ্গে যায় না। বাংলাকে আবার উন্নয়নের পথে ফেরাতে হবে। যেখানে আইটি হাব হওয়ার কথা ছিল, সেখানে দাদাগিরি চলছে।”

    মমতাকে আক্রমণ নবীনের

    মমতার সরকারকে নিশানা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, এসএসসি কেলেঙ্কারি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি— এমন কোনও ক্ষেত্র নেই যেখানে তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তোলেনি। আপনার আধ ডজন মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন, তাঁরা কি তীর্থ করতে গিয়েছিলেন?” দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বিজেপি সভাপতির দাবি, “দেশের যত দুর্নীতিবাজ নেতা, তাঁদের সমর্থন পান আপনি !” নিতিন আরও বলেন, “মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তুলে ক্ষমতায় এসেছেন, কিন্তু মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে পারেননি । উল্টে বলছেন, রাতে একা বেরোবেন না!” এর জবাবে মহিলাদের আরও বেশি করে সঙ্ঘবদ্ধভাবে প্রতিবাদ সংগঠিত করার আহ্বানও জানান তিনি ৷ হোলির উদাহরণ টেনে রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন। “৪ মার্চ হোলি খেলব, আর বিধানসভা নির্বাচনের দিন বাংলায় হোলি খেলবেন বিজেপি কর্মীরা।”

    বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০২৬–এর বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন আনতেই হবে। বিজেপির বর্তমান ভোটের সঙ্গে আর মাত্র ৫ শতাংশ ভোট যোগ হলেই সরকার গড়া সম্ভব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তা, আবাসন থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি থেকে মুক্ত করে বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে।” অপর দিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “দিল্লি থেকে একটি ইঞ্জিন টান দেবে, আর রাজ্য থেকে আরেকটি ইঞ্জিন ঠেলা দেবে—তাহলেই বাংলার উন্নয়ন দ্রুত হবে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকা রাজ্যে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি।”

    মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে যাত্রা শুরু

    রবিবারের সভায় বাংলার মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করা হয়। ১৯৯১ সালে গড়বেতায় যে সব বিজেপি কর্মীদের হত্যা কড়া হয়েছিল তাঁদের ছবি টাঙিয়ে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই বিজেপির এই যাত্রার (Parivartan Yatra) কথা জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। অপর দিকে বিজেপির এদিনের সভায় যোগদান করলেন কুড়মী সংগঠনের সভাপতি রাজেশ মাহাতো। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজে বিজেপির পতাকা তুলে দেন। রাজেশ বলেন, “আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং দাবিপত্র জমা দিয়েছি। আশা করি দাবি পূরণ হবে।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই লক্ষ্য

    বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাধিক শীর্ষ নেতা অংশ নেবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকরি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবিশ প্রমুখ। রাজ্য বিজেপির  দাবি, এই যাত্রার মাধ্যমে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। রাজ্যের ন’টি আলাদা জায়গা থেকে ন’টি পৃথক র‍্যালি বেরোচ্ছে। তবে ৩ ও ৪ মার্চ ‘দোল যাত্রা’ এবং হোলির কারণে কোনও কর্মসূচি রাখা হয়নি। ৫ মার্চ থেকে আবার যাত্রা শুরু হবে এবং ধাপে ধাপে রাজ্যের সব ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রকে কভার করা হবে। বিজেপির এক রাজ্য কমিটির সদস্য জানিয়েছেন, “১৫ মার্চ ব্রিগেডের জনসভা দিয়েই পরিবর্তন যাত্রার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে, যদিও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে শেষ মুহূর্তে সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।”

LinkedIn
Share