Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, খাগড়াবাড়িতে রথ ভাঙচুর! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, খাগড়াবাড়িতে রথ ভাঙচুর! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের (Cooch Behar) খাগড়াবাড়ি এলাকা। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা বা রথযাত্রাকে (BJP Ratha Yatra) কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, বুধবার রাতে তাদের রথ লক্ষ্য করে ভাঙচুর চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

    স্পর্শকাতর এলাকা (Cooch Behar)!

    বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় তৃণমূল নেতা সায়নদীপ গোস্বামী ও তাঁর অনুগামীরা বুধবার রাতে অতর্কিতে রথের (BJP Ratha Yatra) ওপর হামলা চালায়। উল্লেখ্য, খাগড়াবাড়ির (Cooch Behar) যে অংশে এই উত্তেজনা ছড়িয়েছে, সেখানেই কিছুদিন আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। এলাকাটি অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর, তাই বিরোধীদের কাজকর্মকে বারবার টার্গেট করে গণতান্ত্রিক অধিকারকে নস্যাৎ করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই খাগড়াবাড়ি এলাকায় পরিবেশ থমথমে। রাস্তার দু’ধারে লাঠি ও বাঁশ হাতে দু’পক্ষের প্রচুর কর্মী-সমর্থক জড়ো হয়েছে। যে কোনও সময় বড়সড় সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “তৃণমূল ধারাবাহিকভাবে কোচবিহার (Cooch Behar) এই অঞ্চলে সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা করছে। অনুপ্রবেশকারীদের মদত নিয়ে তারা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে।” অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, “কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ রয়েছে, তারই প্রতিফলন হতে পারে এই ঘটনা।” তবে প্রশাসনিক ভাবে এলাকার আইন শৃঙ্খলা যে বিঘ্নিত হয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ভোটের মুখে কোচবিহারের এই অশান্তি প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। পুলিশ বর্তমানে কড়া নজরদারিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদের শীতলকুচি (Cooch Behar) থেকে এই রথযাত্রার সূচনা করার কথা ছিল। সেই উদ্দেশ্যে রথটি কোচবিহারের জেলা কার্যালয় থেকে পুণ্ডিবাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় মহিষবাথান এলাকায় আক্রমণের মুখে পড়ে। স্থানীয়দের অবশ্য অভিযোগ, একটি বোলেরো গাড়িতে আসা ৭-৮ জন দুষ্কৃতী হঠাৎ রথটি থামিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। বিজেপির দাবি, স্থানীয় তৃণমূল যুব নেতা সায়নদীপ গোস্বামীর নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয়েছে। অবিলম্বে এই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি চান।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায়ের নেতৃত্বে কর্মীরা পুণ্ডিবাড়ি মোড়ে (Cooch Behar) পথ অবরোধ করে। সুকুমারবাবু বলেন, “তৃণমূল কাপুরুষের মতো অন্ধকারে হামলা চালিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে সামনে এসে লড়াই করুক।” ঘটনার পর নিরাপত্তার খাতিরে ক্ষতিগ্রস্ত রথটি পুনরায় জেলা কার্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি মেনেই রথ শীতলকুচি যাবে।

    তৃণমূলের পাল্টা দাবি

    হামলার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তাঁর দাবি, “স্রেফ প্রচারের আলোয় থাকার জন্যই বিজেপি নিজেরা গাড়ি ভাঙচুর করে তৃণমূলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ থাকতে পারে, যার দায় তৃণমূলের নয়।”

    দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা

    ঘটনার খবর পেয়ে পুণ্ডিবাড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। বিশেষ করে তৃণমূলের পক্ষ থেকেও পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়ায় দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসন পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। গত ১ মার্চ থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন কোচবিহার (Cooch Behar) থেকে পরিবর্তন যাত্রার (BJP Ratha Yatra) সূচনা করেছেন। রাজ্যে একসঙ্গে ৯টি জায়গা থেকে এই রথ বের হয়েছে। কোচবিহারে এই রকম ভাবে রথযাত্রার উপর হামলার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে।

  • India’s NOTAM: ভীত পাকিস্তান! দক্ষিণ সীমান্তে বিমানবাহিনীর মহড়া, নোটাম জারি করল ভারত

    India’s NOTAM: ভীত পাকিস্তান! দক্ষিণ সীমান্তে বিমানবাহিনীর মহড়া, নোটাম জারি করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঞ্চলিক উত্তেজনার আবহে পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন দক্ষিণ সেক্টরে বিমানবাহিনীর মহড়ার জন্য নোটাম (Notice to Airmen) জারি করেছে ভারত। আজ ৫ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত নির্দিষ্ট আকাশসীমা সংরক্ষিত থাকবে বলে সরকারি বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, এটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর নির্ধারিত মহড়ার অংশ এবং অসামরিক বিমান চলাচলকে নিরাপদ রাখতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই নোটাম (India’s NOTAM) জারি করা হয়েছে। সামরিক মহড়ার আগে নির্দিষ্ট আকাশসীমা সংরক্ষণের এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত রীতি।

    অতিরিক্ত নজরদারি

    নিরাপত্তা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের এই পদক্ষেপকে ঘিরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ সীমান্ত, অর্থাৎ রাজস্থান–সিন্ধ সংলগ্ন অঞ্চলে মহড়া ঘিরে ইসলামাবাদ অতিরিক্ত নজরদারি শুরু করেছে বলে খবর। পাকিস্তান বর্তমানে আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তে বাড়তি নজরদারি চালাচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার জেরে আরব সাগরেও নৌ-সতর্কতা বজায় রাখতে হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের নতুন নোটাম জারির পর পাকিস্তান অতিরিক্ত বিমান ও স্থলসেনা মোতায়েন করেছে বলে নিরাপত্তা মহলের দাবি। এক শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিকের কথায়, একাধিক ফ্রন্টে চাপ সামলাতে গিয়ে পাকিস্তানের সামরিক ক্ষমতা “চাপের মুখে” রয়েছে। এই আবহে ভারতীয় বায়ুসেনার মহড়া পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। তবে এটি, নিয়মিত অনুশীলনের অঙ্গ বলে জানিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

    ভারতের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান

    উল্লেখ্য, ভারত–পাকিস্তান সীমান্তের দক্ষিণ অংশ অতীতে বহুবার সামরিক মহড়া করেছে, বিশেষত উত্তেজনার সময়। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত বার্তা দেওয়ার অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিয়মিত নোটাম জারির প্রবণতা বেড়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত। ‘অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক দিক থেকে পাকিস্তান এখন অনেকটা ব্যাকফুটে। এটাই পাকিস্তানে হামলা চালানোর আদর্শ সময়। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের দক্ষিণে ভারত নোটাম জারি করেছে মানে প্রস্তুতি নিচ্ছে’। এই ভয়ে আকাশসীমা বন্ধ করেছে পাকিস্তান। করাচি-লাহোর রুটে নোটাম জারি করেছে ইসলামাবাদ।

  • T20 World Cup 2026: একটানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে দু’কদম দূরে ভারত, বৃহস্পতির সন্ধ্যায় বৃষ্টি হলে কী হবে?

    T20 World Cup 2026: একটানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে দু’কদম দূরে ভারত, বৃহস্পতির সন্ধ্যায় বৃষ্টি হলে কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলকে যদি একটানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) জিততে হয়, তবে আরও ২ টি চ্যালেঞ্জ পার করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম চ্যালেঞ্জ আসবে ৫ই মার্চ, যখন সেমিফাইনালে তাদের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ভারত ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচ মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হবে। এই নিয়ে পর পর তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি দু’দল। এখনও পর্যন্ত দু’দল এক বার করে জিতেছে। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সূর্যকুমার যাদবদের বিরুদ্ধে নামার আগে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক জানিয়ে দিলেন, তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধেই খেলতে চেয়েছিলেন।

    ভারতের সমর্থন বেশি

    ম্যাচের আগে এক সাক্ষাৎকারে ইংরেজ অধিনায়ক ব্রুক বলেন, “আমরা তৈরি। শুনছি দলের অনেকেই বলছে, ওরা ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছিল। সেমিফাইনালে ভারতকেই চাইছিলাম আমরা। দারুণ একটা ম্যাচ হবে। দু’দলের উপরেই প্রচণ্ড চাপ থাকবে।” ব্রুক জানেন, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খুব একটা সমর্থন তিনি পাবেন না। তার জন্য তৈরিও রয়েছেন তাঁরা। তাঁর কথায়, “ভারত অবশ্যই অনেক বেশি সমর্থন পাবে। বিদেশের মাঠেই ওরা এত সমর্থন পায়, তো দেশের মাটিতে তো পাবেই। আমরা জানি, আমাদের হয়ে চিৎকার করার জন্য খুব বেশি লোক থাকবে না। তার মধ্যেই আমাদের ভাল খেলতে হবে। তার জন্য আমরা তৈরি।”

    ব্যাটারদের ব্যর্থতা

    টিম ইন্ডিয়ার সবথেকে বড় দুর্বলতা হল ওপেনিং পার্টনারশিপ। এই টুর্নামেন্টে প্রথম দিকে অভিষেক এবং ঈশানের বাঁ-হাতি কম্বিনেশনে ভারতীয় ওপেনিং জুটি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু, বিপক্ষ দলের অফ-স্পিনাররা এই জুটি হেলায় ভেঙে দিয়েছেন। এরপর এন্ট্রি নেন সঞ্জু স্য়ামসন। তাও পাওয়ারপ্লে চলাকালীন টিম ইন্ডিয়া নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে শুরু করে। গোটা টুর্নামেন্টে ভারতের ওপেনিং জুটি এখনও পর্যন্ত শুরুটা ভাল করতে পারেনি। টিম ইন্ডিয়ার দ্বিতীয় দুর্বলতা হল পাওয়ার প্লে চলাকালীন উইকেটের পতন। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে কখনও একটি, কখনও আবার তিনটে উইকেটও হারিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। যদি সেমিফাইনাল ম্য়াচে এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যায়, তাহলে ইংল্যান্ড চাপ তৈরি করে ভারতকে অবশ্যই ব্যাকফুটে ঠেলে দেবে। এই পরিস্থিতিতে পাওয়ার প্লে’তে একটা ভাল সূচনা টিম ইন্ডিয়াকে বড় রানের দিকে এগিয়ে দেবে।

    খারাপ ফিল্ডিং

    এছাড়া খারাপ ফিল্ডিং নিয়ে তো ইতিমধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দল যথেষ্ট খারাপ ফিল্ডিং করছে। যদি সেমিফাইনাল ম্য়াচে টিম ইন্ডিয়া অতিরিক্ত রান দিয়ে ফেলে, তাহলে চরম বিপাকে পড়তে হবে। এখনও পর্যন্ত ভারতীয় ফিল্ডাররা এবারের বিশ্বকাপে মোট ১৩ ক্যাচ ফসকেছে। বাকি দলগুলোর তুলনায় এটাই সর্বাধিক। সূর্য অ্যান্ড কোম্পানির ক্যাচিং দক্ষতা মাত্র ৭১.৭ শতাংশ। সুপার এইট পর্বে যা একেবারেই খারাপ। অভিষেক শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটিং ফর্মও টিম ইন্ডিয়ার অন্যতম বড় দুর্বলতা। এখনও পর্যন্ত ৬ ম্য়াচে অভিষেক এবং সূর্যের ব্যাট থেকে মাত্র একটি করে হাফসেঞ্চুরি বেরিয়ে এসেছে। দুজনেই দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ার কারণে টিম ইন্ডিয়ার মিডল অর্ডারে দ্বিগুণ চাপ তৈরি হচ্ছে। গত ম্য়াচে অভিষেক শর্মা মাত্র ১৫ রান করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। প্রথম তিনটে ম্য়াচে তো তিনি রানের খাতাই খুলতে পারেননি।

    বোলিং ডিপার্টমেন্টেও দুর্বলতা

    ভারতীয় বোলিং ডিপার্টমেন্টেও দুর্বলতা নজরে এসেছে। এই দলটা জসপ্রীত বুমরাহের উপরে সিংহভাগ নির্ভরশীল। লিগ পর্বে টিম ইন্ডিয়ার মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী যথেষ্ট ভাল পারফরম্য়ান্স করেছিলেন। কিন্তু, সুপার এইট পর্বে তাঁর পরিসংখ্যান খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর্শদীপ শুরুর দিকে তাঁর সুইং ডেলিভারিতে ব্যাটারদের পরাস্ত করলেও, ডেথ ওভারে যথেষ্ট রান দিয়ে ফেলেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল এবং শিবম দুবের বোলিংয়ে কোনও নির্ভরতা দেখতে পাওয়া যায়নি।

    ভারতের চিন্তায় কারা

    ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক এই মুহূর্তে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন। সুপার এইট পর্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়েছেন। চলতি টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচে, গড় স্ট্রাইক রেট ১৬১ এবং ২২৮ রান করেছেন তিনি। কার্যত, একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন ব্রুক। ওপেনার ফিল সল্ট পাওয়ারপ্লে-তে বোলারদের ওপর চড়াও হতে ওস্তাদ। এই টুর্নামেন্টে ৭ ম্যাচে মাত্র ১২৫ রান করলেও, তিনি ভয়ঙ্কর ব্যাটার। সল্ট ভালো শুরু করলে ইংল্যান্ডের বড় স্কোর করা সহজ হয়ে যাবে। ওয়াংখেড়ের ছোট মাঠে তাঁকে দ্রুত থামানো জরুরি। লেগ স্পিনার আদিল রশিদ ভারতীয় ব্যাটারদের দুর্বলতা ভালোই জানেন। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর রেকর্ড দুর্দান্ত। ইকোনমি রেট ৭.৫০। ১৮টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে, তিনি ১৪ জন ভারতীয় ব্যাটারকে আউট করেছেন। রশিদের স্পিন ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তরুণ অলরাউন্ডার উইল জ্যাকস এই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের অন্যতম বড় শক্তি। ব্যাট ও বল হাতে তিনি কামাল করছেন। সাত ম্যাচে, ১৭৬ স্ট্রাইক রেট রেখে ১৯১ রান করার পাশাপাশি ৭টি উইকেটও নিয়েছেন। তাঁর অফ স্পিন ওয়াংখেড়েতে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।

    ভারত-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে

    ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ বৃষ্টিতে বাতিল হলে, রিজার্ভ ডে রেখেছে আইসিসি। সেক্ষেত্রে ম্যাচ শুরু করতে দেরি হলে, বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত ৯০ মিনিট থাকবে এবং শুক্রবারে এজন্য বরাদ্দ থাকছে ১২০ মিনিট। এটা নিশ্চিত করা হবে যে অন্তত ৫ ওভার যেন ম্যাচটি খেলা হয়। তবে, ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়ে যায়, তাহলে সুপার ৮ পয়েন্ট টেবিলের ভিত্তিতে ফল নির্ধারণ করা হবে। সেক্ষেত্রে, ফাইনালে পৌঁছে যাবে ইংল্য়ান্ড। কারণ, সুপার ৮-এ গ্রুপ পর্বে ভারতের থেকে ভাল অবস্থায় শেষ করেছেন ইংরেজরা। নিজেদের গ্রুপে ৩ ম্যাচেই জিতে শীর্ষ বাছাই হিসাবে শেষ করেছেন তাঁরা। অন্যদিকে, ২টি ম্যাচ জিতে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থেকেছে ভারত।

    পরিসংখ্যানে এগিয়ে ভারত

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারত ও ইংল্যান্ড মোট ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে তিনবার টিম ইন্ডিয়া এবং দুবার ইংল্যান্ড জিতেছে। এই পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ২ বার ভারত ও ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে। ২০২২ সালের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড টিম ইন্ডিয়াকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল। তার দু’বছর পর, ২০২৪ সালের সেমিফাইনালে ভারত ৬৮ রানে জয়লাভ করে প্রতিশোধ নেয়।

  • Suvendu Adhikari: মমতার ভবানীপুরকে ছিনিয়ে নিতে তৈরি বিজেপির রণনীতি, জয় নিয়ে কতটা আশাবাদী শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মমতার ভবানীপুরকে ছিনিয়ে নিতে তৈরি বিজেপির রণনীতি, জয় নিয়ে কতটা আশাবাদী শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার পাখির চোখ ভবানীপুর (Bhawanipur Assembly)। মমতার গড়ে থাবা বাসতে একাধিক কৌশল ঠিক করেছে বিজেপি। রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে মমতাকে নিজের কেন্দ্রে ব্যস্ত এবং চাপে রেখে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি। নির্বাচনী প্রচার এবং ব্যস্ততা থেকে ভবানীপুর কেন্দ্রিক আকর্ষণের ভরকেন্দ্র করতে বিজেপি বিরাট কৌশল স্থির করেছে। বিরাট পরিকল্পনার সেনা নায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    হিন্দুত্বেই আস্থা বিজেপির (Suvendu Adhikari)

    মমতা এবং তৃণমূলকে হারাতে বিজেপি ৬ মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কলকাতা শহরের মধ্যে এখনো কোনও আসনে জয়ী হতে না পারলেও সভাসমিতি, মিটিং, মিছিল করে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে রাজ্য বিজেপি। তবে সংগঠন নিয়ে বিজেপি এখন দারুণ আশাবাদী। দোলের সময়ে সমস্ত শাসক-বিরোধী দলের নেতারা নিজের নিজের কেন্দ্রে দোল যাত্রা, বসন্ত উৎসব এবং হোলি উদযাপন নিয়ে ব্যস্ত। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য নন্দীগ্রাম থেকে সোজাসুজি দোল উৎসব পালনে ভবানীপুরে (Bhawanipur Assembly) অংশ গ্রহণ করেন। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, সেকুলার আর ধর্ম নিরপেক্ষাদের জায়গা নেই। হিন্দুত্বকে রক্ষা করতে হবে।

    লোকসভা ভোটের অঙ্কে শতাংশের বিচারে পিছিয়ে তৃণমূল

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে ২০০০ ভোটের ব্যবধানে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পরবর্তীতে দলের মুখ আর নেতৃত্ব বাঁচাতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে আসন ছেড়ে পদত্যাগ করতে বলেন। এরপর নিজে ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে তৃতীয় বারের জন্য আসনে বসেন মমতা বন্দ্যোপধ্যায়। তবে গত পুরসভা নির্বাচন এবং লোকসভা ভোটের অঙ্কে শতাংশের বিচারে বিজেপি এখানে বেশ এগিয়ে। ফলে মমতার পায়ের মাটি যে নরম হয়ে গিয়েছে তা সঠিক ভাবে আঁচ করতে পেড়েছে বিজেপি। এই সম্ভাবনাকে তির করে শুভেন্দু দল অনুমতি দিলে এই কেন্দ্র থেকে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। বিজেপি তলে তলে এই আসনে মমতাকে হারাতে বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছে।

    এসএইআরে ৪৭ হাজার নাম বাদ!

    বিজেপির কৌশলে রয়েছে দুটি দিক। প্রথমত মমতার নিজের কেন্দ্র সুরক্ষিত নয়। এখানেই মমতার হারের সম্ভাবনা অনেক বেশি। অপর দিকে রয়েছে মমতাকে ভবানীপুরের চাপে ব্যস্ত রাখা এবং প্রচারের সময়কে কমিয়ে দেওয়া। ফলে দল এবং দলনেত্রীর মনবল কমিয়ে দিয়ে বিজেপির জয়কে রাজ্যে সুনিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা। অপরদিকে রাজ্যে এসআইআর-এর কারণে তালিকায় অনেক নাম বাদ পড়েছে। জানা গিয়েছে ভবানীপুরে (Bhawanipur Assembly) ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও আরও ১৪ হাজার নাম বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১৫৯২০১। বিজেপি এই ভোটের সমীকরণকে কাজে লাগাবে বলে জানা গিয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এই কেন্দ্রের তৃণমূলের বিরুদ্ধে সকল সম্ভাবনাকে সামনে রেখে জনমনে মমতার প্রতি বিদ্বেষকে ভোটের অঙ্কে প্রতিফলন ঘটানো। মানসিকভাবে দলের ভাবমূর্তি দুর্বল করে দিলে বিজেপির পক্ষে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই আরও সহজ হবে।

    বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় ১৭৬ ভোটে এগিয়ে ছিলেন

    আগমী বিধানসভায় বিজেপি ভবানীপুর বিধানসভা (Bhawanipur Assembly) কেন্দ্রের দখল চায় বিজেপি। তাই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবার এই কেন্দ্রে ওয়ার রুম গঠন করেছেন। স্থানীয় দলীয় সূত্রে খবর এই অফিস থেকে গোটা বিধানসভাকে পরিচালনা করা হবে। কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের ৮/১ বি চক্রবেড়িয়া রোডে একটি বাড়ির নিচ তালায় হয়েছে এই ‘ওয়ার রুম’। কলকাতা পুরসভার মোট আটটি ওয়ার্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে ভবানীপুর বিধানসভা। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে লাগাতার ওই বিধানসভা কেন্দ্রের ছ’টি ওয়ার্ডে ভাল ভোট পেয়েছে বিজেপি। এমনকি, বেশ কিছু ক্ষেত্রে শাসকদল তৃণমূলকে পিছনে ফেলে বিজেপি বড় ব্যবধানে এগিয়ে ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডগুলিতে। এমনকি ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় তৃণমূল সংসদ সুব্রত বক্সীকে ১৭৬ ভোটে পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন। সেই পরিসংখ্যানে ভর করেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচুর নাম বাতিল

    পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেখা গিয়েছে এই বিধানসভার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। আর এই ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে বারবার তৃণমূল জয়ী হয়। কিন্তু এবার ভোটার লিস্টে নিবিড় সংশোধনে অনেক নাম বাদ গিয়েছে। ফলে বাকি ওয়ার্ড গুলিতে ঠিক করে স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোট হলে বিজেপির ফলাফল নিশ্চিত ভালো হবে। ধীরে ধীরে হিন্দু ভোট আরও এক জায়গায় জড়ো হচ্ছে। ফলে লাগাতার তৃণমূলের তোষণ, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন মানুষের চোখ কান খুলে দিচ্ছে। ফলে তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপি জয়কে নিশ্চিত দেখছে।

    বিজেপি যেমন ভাবনীপুরকে (Bhawanipur Assembly) পাখির চোখ করেছে ঠিক একই ভাবে মমতাও নিজের জমি ছাড়তে নারাজ। তৃণমূলের তরফে ব্যাপক আকারে বৈঠকের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে উল্লেখ যোগ্য ভাবে মমতার ভোট কমেছে। এই কমে যাওয়া ভোটের আগামী দিনে হারের মুখ দেখাতে পারে এমন একটা সম্ভাবনার কথা ভেবে মমতাও বসন্ত উৎসবের একটি সভা থেকে বলেন, “আমি ১০০ শতাংশ জয়ী হবো।” এই জয় কি কর্মীদের মন রাখার জন্য বলেছেন? বিজেপির দাবি অবশ্য এমনটাই। তবে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হয় তাই এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

  • Daily Horoscope 05 March 2026: শত্রু থেকে সাবধান থাকবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) শত্রু থেকে সাবধান।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

     

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

     

     

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে ঘৃণা জন্মাতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

     

     

    কন্যা

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে এবং তার ফলে ভাল সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারবেন না।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা হতে পারে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে পারেন।

    ২) কোনও ব্যক্তির জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

     

     

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মানহানি হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের পাশে পাবেন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Iran-Israel Conflict: মার্কিন যুদ্ধবিমানের হাতেই ধ্বংস মার্কিন যুদ্ধবিমান! আমেরিকার ৩টে ‘এফ ১৫’-কে মেরে নামাল কুয়েতি ‘এফ ১৮’

    Iran-Israel Conflict: মার্কিন যুদ্ধবিমানের হাতেই ধ্বংস মার্কিন যুদ্ধবিমান! আমেরিকার ৩টে ‘এফ ১৫’-কে মেরে নামাল কুয়েতি ‘এফ ১৮’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে কুয়েতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান (Iran-Israel Conflict) ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, কুয়েত বায়ুসেনার একটি মার্কিন-নির্মিত এফ/এ-১৮ হর্নেট যুদ্ধবিমান ভুলবশত তিনটি মার্কিন বায়ুসেনার এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (WSJ)। ঘটনাটি সংঘাতের তৃতীয় দিনে ঘটে, যখন ইরান কুয়েতসহ উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে—যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে—ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কুয়েতি এফ/এ-১৮ হর্নেটের পাইলট ভুল করে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়েন, যা তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই বিমানে আঘাত হানে। তবে স্বস্তির খবর হলো, তিনটি বিমানের সব পাইলট ও ক্রু সদস্য নিরাপদে ইজেক্ট করতে সক্ষম হন।

    পরিচয় শনাক্তকরণ নিয়ে প্রশ্ন

    প্রথমদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, সক্রিয় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলবশত হামলায় বিমানগুলো ভূপাতিত হয়। তবে পরে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন স্পষ্ট করেন, ঘটনাটি “শত্রুপক্ষের সরাসরি হামলার” ফল নয়। বিমান বিশেষজ্ঞদের মতে, মিত্রদেশগুলোর পাইলটরা সাধারণত ‘আইডেন্টিফিকেশন ফ্রেন্ড অর ফো’ (IFF) কোড ব্যবহার করে নিজেদের শনাক্ত করেন, যাতে এ ধরনের ভুল এড়ানো যায়। এক মার্কিন বিমানচালক বলেন, “আকাশ প্রতিরক্ষা মিশনে গেলে প্রথম কাজই হলো ট্রান্সপন্ডারের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করা। একটি এফ-১৫ই-কে ইরানি বিমানের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা বেশ কঠিন।” কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র দেশ। তবুও এমন ঘটনার ফলে সামরিক সমন্বয় ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    পৃথক তদন্ত শুরু

    মার্কিন-ইজরায়েল হামলার (US-Israel Strikes) প্রতিশোধে আরবদুনিয়ার দিকে হাত বাড়িয়েছে ইরান (Iran)। ছোড়া হচ্ছে মিসাইল, পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠছে এলাকা। এরমধ্যেই কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুল সিদ্ধান্তে ‘সহযোগী’ দেশ আমেরিকার যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়ে দেওয়া হল। কুয়েত সরকারও ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়ে আলাদা তদন্ত শুরু করেছে। এর আগে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দাবি করেছিল, কুয়েতে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন বিমান তাদের হামলায় ভূপাতিত হয়েছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ভুল শনাক্তকরণের ফল, বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত পরিস্থিতিতে এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধক্ষেত্রের চরম উত্তেজনা ও একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে এমন বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।

  • Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসএইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এবার ভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতি দেখতে জ্ঞানেশ কুমারের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ রাজ্যে আসছে। এই অবস্থায় নির্বাচনকে অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন (Election Commission) আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের (Polling Booth) ভেতরে এবং বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরার (CCTV) নজরদারি এখন থেকে বাধ্যতামূলক।

    নিশ্ছিদ্র নজরদারি (Election Commission)

    শুধুমাত্র বুথের প্রবেশপথ নয়, বুথের অভ্যন্তরেও ক্যামেরা বসাতে হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়ম ঘটছে কি না, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা। সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। সেই সঙ্গে বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অভজারভাররা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রস্তুতিতে স্পষ্ট এবার কোমর বেঁধেই নামতে চলেছে কমিশন (Election Commission)। তাই বাহিনী বৈঠকে কড়া বার্তার কথা বলা হয়েছে।

    ওয়েবকাস্টিং (Webcasting)

    প্রতিবার ভোটে বুথের ভিতরে বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি দেখা যায়। বুথের ভিতরে ভোটারদের বিশেষ দলের হয়ে ভোট দেওয়াকে বাধ্যতা মূলক করা হয়। এই ঘটনা যাতে এই বার না ঘটে তাই কমিশনের তরফে করা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুথে কেউ অভাব্য আচরণ করলে এবার থেকে সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবেদনশীল বুথগুলোতে সরাসরি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকবে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা দূর থেকেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে পারবেন। সিসিটিভি ফুটেজগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে যে কোনও অভিযোগের তদন্তে সেগুলোকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ক্যামেরা এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে কারচুপির সুযোগ না থাকে, তবে একইসঙ্গে ভোটারের গোপনীয়তা অর্থাৎ তিনি কাকে ভোট দিচ্ছেন যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    বিগত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভোট লুঠ বা বুথ দখলের যে অভিযোগগুলো উঠেছিল, তা মোকাবিলা করতেই কমিশনের এই কড়া অবস্থান। এই ব্যবস্থার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও বেশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, ঝাড়গ্রাম-ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দু’শো জন জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন আগামী ৬ মার্চ। যে সব জায়গায় বিবেচনাধীন কেস রয়েছে সেখানে জুডিশিয়াল অফিসার থাকবেন। একই ভাবে যে যে জায়গায় বুথ তৈরি করা হয়েছে সেখানকার প্রস্তুতি এখনও পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। বুথগুলিতে জল ও বিদ্যুৎ-এর সঙ্কট রয়েছে। ফলত, সবটা খতিয়ে দেখতে হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

  • Iran-Israel Conflict: “সক্রিয় সরকার, মিসাইলের শব্দের মধ্যেই সতর্কবার্তা পাচ্ছিলাম” মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফিরে জানালেন ভারতীয়রা

    Iran-Israel Conflict: “সক্রিয় সরকার, মিসাইলের শব্দের মধ্যেই সতর্কবার্তা পাচ্ছিলাম” মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফিরে জানালেন ভারতীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সশস্ত্র সংঘাতের জেরে উদ্বেগের মধ্যে থাকা বহু ভারতীয় নাগরিক ধীরে ধীরে দেশে ফিরছেন। ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আল খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei) নিহত হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটেছে। এর জেরে গোটা অঞ্চলের আকাশপথে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। দুবাই, যেখানে বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর একটি অবস্থিত, সেই শহরও ইরানের পাল্টা হামলার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকাশসীমা আংশিক বন্ধ থাকায় বহু ফ্লাইট (Iran-Israel Conflict) বাতিল হয়েছে এবং হাজার হাজার যাত্রী আটকে পড়েন।

    দুবাই থেকে ফিরছেন ভারতীয়রা

    সংঘাতের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আটকে পড়েছিলেন বহু ভারতীয়। সোমবার (২ মার্চ) থেকে তাঁদের অনেকেই বিশেষ ও বিকল্প বিমানে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। দুবাই থেকে ইন্দোরে ফিরে আসা ব্যবসায়ী প্রভীন কক্কর জানান, “ওখানে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আছে। সরকার ভালো কাজ করছে।” একদল বিজেপি নেতাও দুবাই থেকে দেশে ফেরেন। তাঁদের মধ্যে বিশাল প্যাটেল বলেন, “মিসাইল প্রতিহত করার শব্দ শোনা যেত, তখন কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হতো। তবে আমিরাত সরকার সতর্ক ছিল। সেখানে থাকা সব ভারতীয়রই দেখভাল করা হয়েছে।” সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া ভিডিও বার্তায় বিজেপি নেতা সঞ্জয় শুক্লাও একই কথা বলেন। তাঁর কথায়, “প্রথম দু’দিন পরিস্থিতি বেশ খারাপ মনে হচ্ছিল। দুবাইতেও হামলার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ ও মার্কিন বাহিনী তা প্রতিহত করে। আমরা নিয়মিত সতর্কবার্তা পাচ্ছিলাম।”

    দিল্লিতে নামতেই স্বস্তি

    দুবাই থেকে দিল্লিতে ফেরা সুনীল গুপ্ত জানান, “আমি খুবই চিন্তায় ছিলাম। এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে কখনও হইনি। চারদিকে যা ঘটছিল, তা দেখে খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম। শুধু বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলাম।” অন্যদিকে, ওমানের মাস্কাট থেকে ফেরা সুহেল আহমেদ জানান, বিমানবন্দরে দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তিনি বলেন, “দীর্ঘ লাইন, বিভ্রান্তি—পরিবার নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েছিলেন। অনেকের টাকাও ফুরিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় দ্রুত ছাড়পত্র ও ভালো ব্যবস্থাপনা দরকার।”

    মিসাইল দেখামাত্রই ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে দুবাইয়ের বিমানবন্দর আংশিক চালু হয়েছে। যদিও যাত্রীদের জানানো হয়েছে বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে তবেই বিমানবন্দরে যেতে। মঙ্গলবার ওমান থেকে ফিরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পর্যটকরা। তাঁর বলছেন দেশের মটিয়ে পা দিয়ে তাঁর যারপরনাই নিশ্চিন্ত বোধ করছেন। ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে ভারতে ফের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছে সংবাদ সংস্থা আইএএনএস। ফিরে আসা যাত্রীদের মধ্যে অনিশা আগরওয়াল নামের একজন বলেন, “ওখানে মিসাইল দেখামাত্রই ব্যবস্থা নিচ্ছিল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। আমরা সে সব দেখে ভয়ে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদিও দুবাইয়ের সরকার কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে যথা সম্ভব ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে মিসাইল ও সেই মিসাইল ধংসের কারণে কান ফাটানো আওয়াজ আমরা পেয়েছি। যে কারণে আমাদের সঙ্গে থাক বাচ্চাদের বেশ সমস্যা হচ্ছিল।”

    রণাঙ্গনের মাঝে আটকে

    পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে এয়ার ইন্ডিয়া আংশিকভাবে বিমান পরিষেবা চালু করে। তাতে একটি বিমানে দুবাই থেকে দেশে ফিরতে পেরেছেন অন্তত ১৫০ জন। এর মধ্যে রয়েছেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, বলিউড নায়িকা ইশা গুপ্তা। দুবাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামা পীযুষ পল্লভ, নীতা শর্মা, সঞ্জীবরা জানাচ্ছেন, “ফোনে ক্রমাগত অ্যালার্ট আসছিল। মাঝেমধ্যে সাইরেনের শব্দে বুঝতে পারছিলাম, মিসাইল ছোড়া হয়েছে, কোথাও ধ্বংসলীলা চলছে। শুধু ভাবছিলাম, কখন এই অবস্থা থেকে বেরব। আপনার পকেটে যথেষ্ট অর্থ না থাকলে এই পরিস্থিতি সামলানো কঠিন।” সেলিব্রেটি থেকে সাধারণ পর্যটক রণাঙ্গনের মাঝে আটকে ছিলেন সবাই। স্বদেশে ফিরেও আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না তাদের। যেমন অভিজ্ঞতা হল, সেই রেশ কাটাতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে।

    ফ্লাইট পরিস্থিতি

    কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পর্যন্ত ভারতীয় এয়ারলাইন্সের ১,২২১টি এবং বিদেশি সংস্থার ৩৮৮টি বিমান বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বিকল্প রুট ব্যবহার করে ধাপে ধাপে দীর্ঘ ও অতিদীর্ঘ দূরত্বের বিমান পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। মঙ্গলবার ২৪টি ভারতীয় বিমান পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় এমিরেটস ও ইতিহাদের ৯টি ফ্লাইট উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে পরিচালিত হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) অতিরিক্ত ৫৮টি ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি ইন্ডিগো এবং ২৩টি এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস পরিচালনা করবে।

    সক্রিয় কেন্দ্রের মোদি সরকার

    আরব দুনিয়ায় বাড়তে থাকা উত্তেজনা (Iran-Israel Tension) ও সংঘাতের মধ্যে গালফ অঞ্চলে (Gulf region) আটকে পড়া ভারতীয়দের (stranded Indian nationals) দেশে ফেরাতে সবরকম ব্যবস্থা করছে কেন্দ্র। পরিবর্তিত আকাশপথ পরিস্থিতি নজরে রেখে ভারত সরকার গালফে থাকা ভারতীয় দূতাবাসগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যও তাদের বাসিন্দাদের সাহায্যে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ হলেও, ধীরে ধীরে স্বাভাবিকতার দিকে এগোচ্ছে বিমান পরিষেবা এবং দেশে ফিরছেন উদ্বিগ্ন ভারতীয় নাগরিকরা।

    ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Prahlad Joshi) বলেন, গালফ অঞ্চলে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যাতে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরানো যায়। তাঁর কথায়, “যেখানে যেখানে ভারতীয়রা বিপদে পড়েছে, কেন্দ্র সবসময়ই তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছে। ইউক্রেন (Ukraine) থেকেও আমরা নিজের নাগরিকদের ফিরিয়ে এনেছিলাম। ভারতীয়দের সুরক্ষা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।”

  • Iran’s New Supreme Leader: আয়াতোল্লার উত্তরাধিকারী ছেলে মোজতবা, বংশানুক্রমিক শাসন কি মানবে ইরান?

    Iran’s New Supreme Leader: আয়াতোল্লার উত্তরাধিকারী ছেলে মোজতবা, বংশানুক্রমিক শাসন কি মানবে ইরান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ শাসক মোজতবা আলি খামেনেই (Mojtaba Khamenei)। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলায় নিহত, আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ছেলে মোজতবা। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর হাতেই ইরানের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনেই হলেন প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের (Ali Khamenei) মেজো ছেলে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিলেন। ইরাক-ইরান যুদ্ধেও অংশ নেন তিনি। অর্থাৎ সামনে থেকে দেশের হয়ে লড়াই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি, আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের দফতরের কাজকর্মও দেখভাল করতেন।

    সর্বোচ্চ নেতা পদটি কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

    ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোতে সর্বোচ্চ নেতা পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রাষ্ট্রের সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। এছাড়া প্রভাবশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (Islamic Revolutionary Guard Corps) উপরও তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র এই বাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর অ্যাসেম্বলির আলেমদের উপর ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করে মোজতবাকে নির্বাচিত করতে ভূমিকা রেখেছে। যদিও এ বিষয়ে ইরানের সরকারি মহল থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মোজতবা খামেনেইকে একজন মধ্যম পর্যায়ের ধর্মীয় আলেম হিসেবে বর্ণনা করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, তিনি এতদিন আড়াল থেকে প্রভাব বিস্তার করলেও এবার সরাসরি রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত হলেন।

    বংশানুক্রমিক শাসনের বিরোধী, তাহলে কেন?

    ইরান নিজেকে বরাবরই বংশানুক্রমিক শাসনের বিরোধী বলে দাবি করে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটে পিতা থেকে পুত্রের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর দেশটির আদর্শিক অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে। ইতিহাস বলছে, রাজতন্ত্রের বিরোধিতায় ইরানে বিপ্লব ঘটে এবং সেখান থেকে প্রথমে রুহোল্লা খোমেনেই এবং পরবর্তীতেল তাঁর সহযোগী আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের হাতে শাসনভার ওঠে। কিন্তু মোজতবাকে সর্বোচ্চ শাসক ঘোষণার অর্থ বংশানুক্রমিক শাসন কায়েমে সিলমোহর দেওয়া, যা রাজতন্ত্রেরই নামান্তর মাত্র বলে মত আয়াতোল্লা খামেনেই বিরোধীদের। তাই মোজতবাকে সর্বোচ্চ শাসক নিয়োগ করার সিদ্ধান্তে ইরানের সাধারণ মানুষের কাছে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

    রেভলিউশনারি বাহিনীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মোজতবা

    ইরানের সর্বোচ্চ শাসক পদে আসীন হওয়া অর্থ দেশের সর্বেসর্বা হয়ে ওঠা। প্রশাসনিক প্রধান হওয়ার পাশাপাশি, সশস্ত্র বাহিনী এবং রেভলিউশনারি বাহিনীর প্রধান হওয়াও। আধা সামরিক বাহিনী হিসেবে ইরানে রেভলিউশনারি বাহিনীর উত্থান। কিন্তু আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের হাতে খোলনলচেই বদলে যায় তাদের। পশ্চিমি শক্তি, পশ্চিমি সংস্কৃতির বিরোধিতায় রেভলিউশনারি বাহিনীর ক্ষমতাবৃদ্ধি করেন তিনি। ইরানের রাজনীতি এবং অর্থনীতিতেও তাদের বিরাট প্রভাব। এই রেভলিউশনারি বাহিনীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মোজতবাও। ১৯৬৯ সালে মাশাদে জন্ম মোজতবার। ২০১৯ সালে মোজতবার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপায় আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ। অভিযোগ ওঠে, সরকারি পদে না থেকেও, নির্বাচিত না হয়েও, বাবার জায়গায় নিজের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি।

  • Throat Infection: বসন্তে বাড়ছে গলার সংক্রমণ! ঘরোয়া উপাদানেই লুকিয়ে রয়েছে ‘দাওয়াই’?

    Throat Infection: বসন্তে বাড়ছে গলার সংক্রমণ! ঘরোয়া উপাদানেই লুকিয়ে রয়েছে ‘দাওয়াই’?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বসন্তের রঙে সেজে উঠেছে পরিবেশ! পলাশ ফুল আর রঙিন মরশুমে তবে ভোগান্তি কমেনি। বরং বসন্তে হঠাৎ করেই বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। তাই বাতাসে ভাইরাসের দাপট বেড়েছে। তাই সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়েছে। স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, সব বয়সেই কাশি আর গলার ব্যথায় কাবু। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কাশি, গলা ব্যথা, গলায় অস্বস্তি ভাবের নেপথ্যে থাকছে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমন। ভাইরাসের জেরেই আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্টে সংক্রমণ ঘটছে। অর্থাৎ, শ্বাসনালীর ওপরের অংশে সংক্রমণ ঘটছে। আর তার ফলেই গলা ব্যথা, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। আর এই গলা ব্যথার জেরে অনেকেই জ্বরে ভুগছেন।

    কেন বসন্তে গলার সংক্রমণ বাড়ে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার হঠাৎ বদলের জেরেই এই ধরনের সংক্রমণ ঘটে। বাতাসে ভাইরাসের দাপট বাড়ে। তবে এর পাশপাশি বছরের এই সময়ে আবহাওয়া খুবই শুষ্ক হয়ে যায়। তাই বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। যার জেরে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকিও দেখা যায়। শ্বাসনালীর সংক্রামণের পাশপাশি ফুসফুসের সংক্রমণের ফলেও কাশি, গলা ব্যথার মতো ভোগান্তি দেখা দিতে পারে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটেছে। হঠাৎ গরম ভাব। আর অনেক স্কুল পড়ুয়াই এই সময়ে আইসক্রিম বা ঠান্ডা নরম পানীয়, ঠান্ডা সরবত খাওয়া শুরু করেছে। যা শ্বাসনালীর সংক্রামণের অন্যতম কারণ। হঠাৎ, এই তাপমাত্রার দাপট শরীরের মানিয়ে নিতে সময় লাগছে। তার মধ্যে হঠাৎ করেই আইসক্রিম বা ঠাণ্ডা সরবত জাতীয় পানীয় বেশি পরিমাণে খেলে, বিপদ বাড়ে। আবার চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় অনেকেই সাময়িক আরাম পেতে এসি চালাচ্ছেন। যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। শীত শেষের এই সময়ে শরীরকে পরিবর্তিত আবহাওয়া মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময় দিতে হয়। হঠাৎ করেই কৃত্রিম অতিরিক্ত ঠান্ডা আর বাইরের গরম, শরীর সহ্য করতে পারে না। তখন নানান রোগে আক্রান্ত হয়।

    কোন ঘরোয়া উপাদান গলার ‘দাওয়াই’ হতে পারে?

    • ● মধু: বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধু গলার জন্য বিশেষ উপকারি। এই আবহাওয়ায় নিয়মিত এক চামচ মধু সরাসরি খেলে বা এক চামচ মধু লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে। শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের জন্য এই উপকরণ সাহায্য করবে। কারণ মধুতে থাকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। তাই মধু গলার সংক্রমণে রেহাই দেয়।
    • ● আদা: বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত উপকরণ হলো আদা। একাধিক রান্নায় এই আদা ব্যবহার করা হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বসন্তে গলার ভোগান্তি কমাতে, কাশির দাপট কমাতে আদা বিশেষ সাহায্য করবে। আদা কুচি করে খেলে খুসখুসে কাশির ভোগান্তি কমে। আবার শিশুরা আদা দিয়ে ফোটানো গরম জল খেতে পারে। বয়স্কেরা আদা দিয়ে তৈরি চা দিনে একাধিক বার খেলে গলায় আরাম পাবেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আদা প্রদাহ দান করে। তাই যেকোনো সংক্রমণে আদা বিশেষ উপকারি।
    • তুলসী: ভাইরাস ঘটিত রোগের দাপট কমাতে তুলসী পাতা বিশেষ সাহায্য করে। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই থেকে চারটে তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের দাপট কমে।
    • ● হলুদ: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে এই আবহাওয়ায় শরীর সুস্থ রাখতে রান্নায় হলুদ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, হলুদ অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই হলুদ মেশানো রান্না খেলে শরীরে বাড়তি উপকার হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share