Tag: madhyom news

madhyom news

  • Smithsonians National Museum: ভারতের চুরি যাওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি ফেরত দেবে স্মিথসোনিয়ানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম

    Smithsonians National Museum: ভারতের চুরি যাওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি ফেরত দেবে স্মিথসোনিয়ানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্মিথসোনিয়ানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ এশিয়ান আর্ট (Smithsonians National Museum) ভারত থেকে চুরি হওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি (Three Historic Bronze Sculptures) ফেরত দেবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি-তে অবস্থিত স্মিথসোনিয়ানের ‘ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ এশিয়ান আর্ট’ (NMAA) ঘোষণা করেছে, “তামিলনাড়ুর বিভিন্ন মন্দির থেকে অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি ভারত সরকারকে ফেরত দেওয়া হবে। দীর্ঘ গবেষণার পর নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে, এই মূর্তিগুলো কয়েক দশক আগে বেআইনিভাবে পাচার করা হয়েছিল।”

    মূর্তি তিনটির বিবরণ (Smithsonians National Museum)

    চুরি যাওয়া তিনটি মূর্তির মধ্যে ছিল-

    ১. শিব নটরাজ

    চোল আমলের (প্রায় ৯৯০ খ্রিস্টাব্দ) এই মূর্তিটি তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলার শ্রী ভব ঔষধেশ্বর মন্দির থেকে চুরি হয়েছিল। ২০০২ সালে নিউ ইয়র্কের ডরিস উইনার গ্যালারি থেকে মিউজিয়ামটি (Smithsonians National Museum) এটি কেনে, যদিও পরে জানা যায় গ্যালারিটি ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করেছিল।

    ২. সোমাস্কন্দ

    ১২তম শতাব্দীর চোল আমলের এই ব্রোঞ্জ মূর্তিটি মান্নারগুড়ির আলাত্তুর গ্রামের বিশ্বনাথ মন্দির থেকে নেওয়া হয়েছিল।

    ৩. সন্ত সুন্দরার ও পারাভাই

    ১৬তম শতাব্দীর বিজয়নগর সাম্রাজ্যের এই মূর্তিটি কাল্লাকুরিচি জেলার বীরসোলাপুরম গ্রামের শিব মন্দির থেকে পাচার হয়েছিল।

    গবেষণা ও প্রমাণ

    ২০২৩ সালে ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউট অফ পন্ডিচেরির আলোকচিত্র সংগ্রহশালা থেকে প্রাপ্ত ছবির সাথে মিলিয়ে গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৯ সালের মধ্যে এই মূর্তিগুলো (Three Historic Bronze Sculptures) তামিলনাড়ুর মন্দিরগুলোতেই ছিল।

    আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) এই প্রমাণগুলো খতিয়ে দেখে নিশ্চিত করেছে যে, মূর্তিগুলো ভারতের প্রাচীন সম্পদ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করে বিদেশে নেওয়া হয়েছিল।

    ভারত সরকার এবং মিউজিয়ামের মধ্যে একটি বিশেষ সমঝোতা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, ‘শিব নটরাজ’ মূর্তিটি দীর্ঘমেয়াদী ঋণের ভিত্তিতে আপাতত ওই মিউজিয়ামেই থাকবে। এর মাধ্যমে মিউজিয়ামটি দর্শকদের কাছে মূর্তির আদি ইতিহাস এবং এটি কীভাবে চুরি ও ফেরত আসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো—তার সম্পূর্ণ স্বচ্ছ চিত্র তুলে ধরবে।

    সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্য সংরক্ষণে আমরা দায়বদ্ধ

    মিউজিয়ামের (Smithsonians National Museum) পরিচালক চেজ এফ. রবিনসন বলেন, “সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে আমরা দায়বদ্ধ এবং আমাদের সংগ্রহের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীর্ঘ গবেষণার পর এই মূর্তিগুলো ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত মিউজিয়াম পদ্ধতির প্রতি আমাদের নিষ্ঠারই প্রমাণ।”

    এই পদক্ষেপটি ভারতের চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ (Three Historic Bronze Sculptures) পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে একটি বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চোল আমলের ব্রোঞ্জ মূর্তিগুলো দক্ষিণ ভারতের ধাতুশিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং এগুলো মন্দিরের ধর্মীয় শোভাযাত্রায় ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ এবং ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে মূর্তিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের হাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।

  • UGC: ইউজিসি-র ‘ইকুইটি’ নিয়মে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ, “ক্যাম্পাসে ভারতের ঐক্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত”

    UGC: ইউজিসি-র ‘ইকুইটি’ নিয়মে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ, “ক্যাম্পাসে ভারতের ঐক্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট (Suprim Court) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) ২০২৬ সালের নতুন ‘ইকুইটি’ (সাম্য) সংক্রান্ত সার্কুলেশনের কার্যকারিতার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন পরিবেশ থাকা উচিত, যা ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতাকে তুলে ধরে। তাই বৈষম্য নয় সাম্যের বিষয়ে কোনও আপোষ থাকা উচিত নয়।

    পুরানো নিয়ম বহাল (UGC)

    ইউজিসির (UGC) নতুন ২০২৬ সালের নিয়মাবলি স্থগিত করে আদালত জানিয়েছে, আপাতত ২০১২ সালের ইউজিসির নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হবে। যাতে কোনো অভিযোগকারী প্রতিকারহীন না থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

    বিভাজনমূলক আশঙ্কার ওপর গুরুত্ব

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছেন, নতুন সার্কুলেশনের ভাষা অস্পষ্ট এবং অপব্যবহার হতে পারে। আদালত সতর্ক করে বলেছে, “এই নিয়মগুলো সমাজকে বিভক্ত করতে পারে এবং দেশের ওপর এর বিপজ্জনক প্রভাব পড়তে পারে।”

    জাতপাতহীন সমাজের লক্ষ্য

    আদালত (Suprim Court) প্রশ্ন তুলেছে, “স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর যেখানে আমরা একটি ‘জাতপাতহীন সমাজ’ (casteless society) গড়ার পথে এগিয়েছি, সেখানে এই ধরনের নিয়ম আমাদের পেছনের দিকে (regressive) নিয়ে যাচ্ছে কি না।” বিচারপতির কথায়, “আমেরিকার মতো বর্ণবিদ্বেষী আলাদা আলাদা স্কুল বা হোস্টেলের ব্যবস্থা ভারতে কাম্য নয়। হোস্টেলে সব সম্প্রদায়ের ছাত্ররা (UGC) একসাথে থাকে এবং সেখান থেকেই জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়।”

    ইউজিসির অস্পষ্ট সংজ্ঞা

    নতুন সার্কুলেশন ৩(সি) ধারা নিয়ে আদালত আপত্তি তুলেছে, যেখানে ‘জাতিগত বৈষম্য’-এর সংজ্ঞাটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণি যেমন এসসি, এসটি, ওবিসি (SC, ST, OBC) মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, এই সংজ্ঞাটি বৈষম্যমূলক, কারণ এতে সাধারণ শ্রেণির (General Category) ছাত্রছাত্রীদের (UGC) সুরক্ষার কোনো উল্লেখ নেই।

    বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন

    সুপ্রিম কোর্ট (Suprim Court) সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে, প্রবীণ আইনজ্ঞ এবং পণ্ডিতদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হোক। এই কমিটি খতিয়ে দেখবে যে সামাজিক মূল্যবোধের ওপর এই নিয়মের প্রভাব কী হতে পারে।

    র‍্যাগিং-এর ইস্যু

    আদালত লক্ষ্য করেছে, যেখানে র‍্যাগিং ক্যাম্পাসের সবচেয়ে বড় সমস্যা, সেখানে এই নতুন সার্কুলেশনে র‍্যাগিং-এর বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া উত্তর-দক্ষিণ বা উত্তর-পূর্ব ভারতের ছাত্রছাত্রীদের (UGC) সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নিয়েও যে বৈষম্য হয়, তার সমাধানের অভাব এখানে রয়েছে।

    প্রেক্ষাপট

    গত ১৩ জানুয়ারি ইউজিসি এই নতুন নিয়মগুলো ঘোষণা করেছিল, যেখানে প্রতিটি কলেজে ‘ইকুইটি কমিটি’ (UGC) এবং ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন খোলার কথা বলা হয়েছিল। এর পরেই সাধারণ শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদের সৃষ্টি হয় এবং সুপ্রিম কোর্টে (Suprim Court) একাধিক পিটিশন জমা পড়ে। পরবর্তী শুনানি আগামী ১৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ততদিন পর্যন্ত এই বিতর্কিত নিয়মের ওপর স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে এক বছরে ৫২২টি সাম্প্রদায়িক হামলা, ৬১ জন অমুসলিম নিহত! মানবাধিকার চরম বিপন্ন

    Bangladesh: বাংলাদেশে এক বছরে ৫২২টি সাম্প্রদায়িক হামলা, ৬১ জন অমুসলিম নিহত! মানবাধিকার চরম বিপন্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ২৯ জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তথ্য দিয়ে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশে ৫২২টিরও বেশি (Communal attacks) সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। সেই সঙ্গে ৬১টি খুনের ঘটনায় দেশের অভ্যন্তরে অমুসলিম সমাজের মধ্যে ব্যাপক ভয়ের বাতাবরণের ঘটনা ঘটেছে।

    ২৮টি ধর্ষণ, গণধর্ষণ এবং নারী নির্যাতন (Bangladesh)

    ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত (Bangladesh) একটি প্রতিবেদন অনুসারে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ৫২২টি ঘটনা (Communal attacks) ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬১টি খুন, ২৮টি ধর্ষণ, গণধর্ষণ এবং নারী নির্যাতনের ঘটনা। ৯৫টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় স্থানে হামলা, দেব-দেবীর মূর্তি অবমাননা এবং ভাঙচুর। ২১টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে জমি দখল। ১০২টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা। আর ৪৭টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে মৃত্যুর হুমকি এবং নির্যাতন।

    ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত

    বাংলাদেশ (Bangladesh) মানবাধিকার কমিশন ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে সংখ্যালঘুদের হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে গণপিটুনির ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে স্পষ্ট মত প্রকাশ করা হয়েছে। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বিক্ষোভ চলাকালীন ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। পরে এই সংখ্যা বেড়ে ১,৫০০-তে পৌঁছে গিয়েছিল।

    হিন্দু মেকানিককে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা 

    পরিষদের পক্ষে প্রতিবেদনে ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬ সালের ঘটনাটি আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নরসিংদী জেলায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের একটি দল কমপক্ষে ১২ জন বাংলাদেশি সাংবাদিককে আক্রমণ করে আহত করেছে। সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগদানের পর বাসে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাও ঘটনাটির সত্যতা প্রকাশ্যে এনেছে। প্রতিবেদনে নরসিংদীতে একজন হিন্দু মেকানিককে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    সংখ্যালঘু সমিতির দাবি

    সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংখ্যালঘু সমিতি বাংলাদেশের (Bangladesh) ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কিছু দাবিও জানিয়েছে। এরকম একটি দাবি হলো নির্বাচন কমিশনকে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে সংখ্যালঘু ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে তাদের ভোট দিতে পারেন এবং সমতার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    নির্বাচনী প্রচারে ধর্ম বা সম্প্রদায়ের কোনও উল্লেখ নিষিদ্ধ করা উচিত। যেসব নেতা, প্রার্থী এবং দল তা করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনকে যেকোনো মূল্যে সংখ্যালঘুদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করতে হব।

  • Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইকোনমিক সার্ভে (অর্থনৈতিক সমীক্ষা) ২০২৫–২৬ (Economic Survey 2025-26) অনুযায়ী, ভারতের ইথানল (Ethanol) মিশ্রণ কর্মসূচি দেশকে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে সাহায্য করেছে। আবার সেইসঙ্গে প্রায় ২৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেলের আমদানি কমিয়েছে।

    অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস (Economic Survey 2025-26)

    সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইথানল-মিশ্রিত জ্বালানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। এই কর্মসূচির ফলে বহুমুখী সুবিধা পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে — অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রার বহির্গমন কমানো এবং ইথানল (Ethanol) উৎপাদনের কাঁচামাল সরবরাহকারী কৃষকদের আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি (Economic Survey 2025-26)।

    কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য

    ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত যে সাফল্যগুলি অর্জিত হয়েছে, তা পরিবহন জ্বালানিতে ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রাকেই প্রতিফলিত করে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে যে, মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা ই-২০ (E20)-এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কর্মসূচি এখন প্রথাগত চিনি-ভিত্তিক কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য, বিশেষ করে ভুট্টা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এই বৈচিত্র্যকরণের ফলে ইথানল (Ethanol) মিশ্রণের গতি ত্বরান্বিত হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের বিকল্প ব্যবহারের মাত্রা আরও বেড়েছে।

    ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে

    সমীক্ষায় আরও লক্ষ্য করা গিয়েছে, সরকার নির্ধারিত ইথানলের মূল্য এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) পক্ষ থেকে নিশ্চিতভাবে পণ্য ক্রয়ের প্রতিশ্রুতি উৎপাদন বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা পালন করেছে। ২০২২ থেকে ২০২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে ভুট্টা-ভিত্তিক ইথানলের নির্ধারিত দাম বার্ষিক ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে (CAGR) বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কৃষক ও উৎপাদকদের উৎসাহিত করেছে।

    তবে একই সঙ্গে, সমীক্ষায় (Economic Survey 2025-26) সতর্ক করা হয়েছে, ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। ইথানলের কাঁচামালের চাহিদার কারণে চাষাবাদের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে, যা ফসলের বৈচিত্র্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কর্মসূচিটি যত পরিপক্ক হচ্ছে, জ্বালানি নিরাপত্তার লক্ষ্যের সঙ্গে কৃষি খাতের স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

  • Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং প্রিমিয়াম দূরপাল্লার রেল পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভারতীয় রেল (Indian Railways) এখন ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি দেশের প্রথম স্লিপার ভেরিয়েন্ট চালুর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন হয়ে হাওড়া ও কামাখ্যার মধ্যে চলাচলকারী ১৬ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি যাত্রীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। এই সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই রেল কর্তৃপক্ষ এখন অধিক যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ট্রেন তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে।

    ব্যাপক যাত্রী ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি (Vande Bharat Sleeper)

    চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অধীনে এই নতুন ২৪ কোচের ট্রেনসেটটি বর্তমানে ডিজাইনের পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানের ৮২৩টি বার্থের পরিবর্তে নতুন এই ট্রেনে ১,২২৪টি বার্থ থাকবে (৪০১টি বেশি)। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এর প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক সংস্করণ তৈরির লক্ষ্য রাখা হয়েছে। মোট ৫০টি রেক তৈরি করা হবে। এতে ১৭টি এসি ৩-টায়ার, ৫টি এসি ২-টায়ার, ১টি এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ এসি প্যান্ট্রিকার (Indian Railways) থাকবে।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা

    যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের (Vande Bharat Sleeper) জন্য এই ভেরিয়েন্টে থাকছে—

    • আর্গোনমিক বার্থ, রিডিং লাইট, মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জিং পয়েন্ট।
    • ওয়াই-ফাই, প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম এবং ইনফোটেইনমেন্ট।
    • ভ্যাকুয়াম-অ্যাসিস্টেড টয়লেট এবং আধুনিক ইন্টিরিয়র।
    • দিব্যাঙ্গজনদের জন্য সুবিধা: বিশেষ টয়লেট (Indian Railways) এবং র‍্যাম্পের ব্যবস্থা।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ট্রেন সংঘর্ষ এড়ানোর অত্যাধুনিক কবচ (Kavach) প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করণ। সিসিটিভি ও আন্তর্জাতিক মানের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। ঘণ্টায় ১৬০ কিমি সর্বোচ্চ গতিবেগ এবং শব্দ নিরোধক ব্যবস্থা।

    পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি

    পরিবেশের কথা মাথায় রেখে এতে ‘রিজেনারেটিভ ব্রেকিং’, এলইডি লাইটিং এবং ভ্যাকুয়াম বায়ো-টয়লেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ট্রেনের (Indian Rail) রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ‘রিমোট কন্ডিশন মনিটরিং’ সিস্টেমও যুক্ত করা হবে।

    ২৪ কোচের এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) ভারতীয় রেলের (Indian Railways) আধুনিকীকরণ এবং দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রীদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা প্রদানের এক বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, বিএইচইএল (BHEL) ইতিমধ্যেই এই ট্রেনের প্রপালশন সরঞ্জামের সরবরাহ শুরু করেছে।

  • Ramakrishna 569: “গৌর নিতাই সাঙ্গোপাঙ্গ লইয়া নবদ্বীপে সংকীর্তন করছেন”

    Ramakrishna 569: “গৌর নিতাই সাঙ্গোপাঙ্গ লইয়া নবদ্বীপে সংকীর্তন করছেন”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

                                                              অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণের রোগ কেন?

    মাস্টারের প্রতি আত্মজ্ঞানের উপদেশ—‘দেহটা খোলমাত্র’

    বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর পূর্ণিমার দিন রাত্রে শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁহার ঘরের ছোট খাটটির উপর বসিয়া আছেন। গলার অসুখের জন্য কাতর হইয়াছেন। মাস্টার প্রভৃতি ভক্তেরা মেঝেতে বসিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মাস্টারের প্রতি)—এক-একবার ভাবি দেহটা খোল মাত্র; সেই অখণ্ড (সচ্চিদানন্দ) বই আর কিছু নাই।

    “ভাবাবেশ হলে গলার অসুখটা একপাশে পড়ে থাকে। এখন ওই ভাবটা একটু একটু হচ্ছে, আর হাসি পাচ্ছে।”

    দ্বিজর ভগিনী ও ছোট দিদিমা ঠাকুরের অসুখ শুনিয়া দেখিতে আসিয়াছেন; তাঁহারা প্রণাম করিয়া ঘরের একপাশে বসিলেন। দ্বিজর দিদিমাকে দেখিয়া ঠাকুর বলিতেছেন, “ইনি কে?— যিনি দ্বিজকে মানুষ করেছেন? আচ্ছা দ্বিজ এমন এমন (একতারা) কিনেছে (Kathamrita) কেন?”

    মাস্টার—আজ্ঞা, তাতে দুইতার আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—একে ওর বাবা বিরুদ্ধ; সব্বাই কি বলবে? ওর পক্ষে গোপনে (ঈশ্বরকে) ডাকাই ভাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরে দেয়ালে টাঙ্গানো গৌর নিতাইয়ের ছবি একখানা বেশি ছিল; গৌর নিতাই সাঙ্গোপাঙ্গ লইয়া নবদ্বীপে সংকীর্তন করছেন এই ছবি।

    রামলাল (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—তাহলে, ছবিখানা এঁকেই (মাস্টারকে) দিলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আচ্ছা; তা বেশ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও হরিশের সেবা

    ঠাকুর কয়েকদিন প্রতাপের ঔষধ খাইতেছেন। গভীর রাত্রে উঠিয়া পড়িয়াছেন, প্রাণ আই-ঢাই করিতেছে। হরিশ সেবা করেন, ওই ঘরেই ছিলেন; রাখালও আছেন; শ্রীযুক্ত রামলাল বাহিরে বারান্দায় শুইয়া আছেন। ঠাকুর পরে বলিলেন (Kathamrita), “প্রাণ আই-ঢাই করাতে হরিশকে জড়াতে ইচ্ছা হল; মধ্যম নারায়ণ তেল দেওয়াতে ভাল হলাম, তখন আবার নাচতে লাগলাম।”

  • Suvendu Adhikari: “দেহাংশ ফলের প্যাকেটে পাচার হয়ে যাচ্ছে”, আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “দেহাংশ ফলের প্যাকেটে পাচার হয়ে যাচ্ছে”, আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ কারখানায় আগুন লেগে আনন্দপুরে (Anandapur Fire) এখনও পর্যন্ত ২৪ টি পোড়া দেহ উদ্ধার হয়েছে। দুটো বস্তায় ভরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কাটাপুকুর মর্গে। এখনও নিখোঁজ অন্তত পক্ষে ২৭ জন। ২৭ জন পরিবারের তরফে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। ১৬টি দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫ জনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে নাজিরাবাদে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দাগেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এখান থেকে দেহাংশ ফলের প্যাকেটে পাচার হয়ে যাচ্ছে।”

    ৩৫-৪০টি মৃত দেহ উদ্ধারের কথা (Suvendu Adhikari)!

    রাজ্য সরকারের দমকল বাহিনীর চূড়ান্ত অবহেলা এবং ব্যর্থতার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমাদের ধারণা ৩৫-৪০ জনের মতো মানুষের মৃত দেহ উদ্ধার হওয়ার কথা। ঘটনার চার দিন হয়ে গেল, মুখ্যমন্ত্রী কোথায়? শুধু ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে চিন্তিত। অধিকাংশ মেদিনীপুরের লোক, আমরা যতটা পেরেছি, পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ক্রেডিট নিতে চাই না, দুর্ভাগ্য একটাই, এটা মুখ্যমন্ত্রীর ভোট ব্যাঙ্ক নয় বলে রাজ ধর্ম পালন করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে অবস্থিত (Anandapur Fire)। ওনার তো আসা উচিত ছিল।” উল্লেখ্য সিঙ্গুরের সভা থেকে মৃতদের ১০ লক্ষ করে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তবে শুভেন্দু তোপ দেগে কটাক্ষ করেছেন যে রাজ্যে দমকল বিভাগ এবং অগ্নিনির্বাপণ বিভাগ অকেজো, এই টাকা সত্যই প্রহসনের চেয়ে কম কিছু নয়।

    জতুগৃহ কলকাতা!

    রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে শুভেন্দু আরও বলেন, “এই যে জতুগৃহ কলকাতা বা বৃহত্তর কলকাতায় তৈরি হয়েছে এর জন্য স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস ও স্থানীয় থানাগুলি দায়ী। এই যে গোডাউনটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে। তার মধ্যে ৬০ হাজার টাকা স্থানীয় বিধায়কের হাতে দিতে হয়। না আছে লাইসেন্স, না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। এরপরও কেন সরকার চুপচাপ? কেন ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবেন না? চাকরি দেবেন না? জলাভূমিতে (Anandapur Fire) কেন নির্মাণ হবে?”

    প্রশাসনের মত ডিএনএ পরীক্ষা করাও বেশ কঠিন

    প্রশাসনিক সূত্রে আবার জানা গিয়েছে, পুড়ে যাওয়া দেহের অংশ বিশেষ ব্যাগে ভরে কাটাপুকুর মর্গে (Anandapur Fire) পাঠানো হয়েছে। যাদের দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁদের দেহ আপাতত শনাক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে যা উদ্ধার হয়েছে তা সবটাই কয়লার মতো ছাই। এই উপানদানগুলির ডিএনএ পরীক্ষা করাও বেশ কঠিন। রক্তের নমুনা দেখে দেহ শনাক্ত করণের কাজ চলছে। গত রবিবার রাত ১ টার কিছু পর আনন্দপুরে জোড়া গুদামে আগুন লেগে গিয়েছিল। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দেড় দিনের বেশি সময় ধরে আগুন জ্বলে ঘটনাস্থলে। গুদামগুলিতে আগুনের তাপ এখনও দগদগে।

  • Israel: নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে ফেব্রুয়ারি মাসে ইজরায়েলে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, কী কী বিষয়ে আলোচনা?

    Israel: নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে ফেব্রুয়ারি মাসে ইজরায়েলে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, কী কী বিষয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ইজরায়েলের (Israel) মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত সম্পর্কের এক নতুন মাইলফলক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আগামী ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল সফর করতে চলেছেন। তাঁর তৃতীয় মেয়াদে এটিই হবে প্রথম ইসরায়েল সফর এবং ২০১৭ সালের ঐতিহাসিক সফরের প্রায় নয় বছর পর তিনি দেশটিতে যাচ্ছেন।

    ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলি (Israel) রাষ্ট্রদূত রুবেন আজার নিশ্চিত করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আনুষ্ঠানিকভাবে মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং এই সফর সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি এখন চলছে।” দুই দেশের সম্পর্কের মাত্রাকে আরও উন্নত এবং সুরক্ষিত করতে বিশেষ ভাবে উভয়দেশ দায়িত্বশীল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সফরের মূল লক্ষ্য ও ক্ষেত্রসমূহ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা। বিশেষ করে নিচের ক্ষেত্রগুলোতে গুরুত্ব দেওয়া হবে:

    • প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা: সামরিক সরঞ্জাম এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা।
    • প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা: উন্নত প্রযুক্তির আদান-প্রদান।
    • কৃষি ও বাণিজ্য: কৃষিক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) চূড়ান্ত করা।

    ভূ-রাজনৈতিক তাৎপর্য

    পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি দুই নেতার মধ্যে টেলিফোন কথোপকথনে উভয় দেশই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বা শূন্য-সহনশীলতার নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। উভয় দেশ নিজেদের মত নিয়ে এক এবং অবিচল।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল গত কয়েক মাসে ইজরায়েল (Israel) সফর করেছেন। অন্যদিকে, ইজরায়েলের পর্যটন, অর্থনীতি, কৃষি ও অর্থমন্ত্রীরাও গত বছর ভারত সফর করেছেন। এই উচ্চপর্যায়ের সফরগুলোই মূলত মোদির আসন্ন সফরের ভিত্তি তৈরি করেছে।

    ভারত-ইজরায়েল সম্পর্কের ইতিহাস

    ২০১৭ সালের সফর: প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ছিলেন প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ইজরায়েল সফর করেছিলেন।

    প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব: বর্তমানে ভারত ইজরায়েলি (Israel) সামরিক সরঞ্জামের বৃহত্তম ক্রেতা। এছাড়াও যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে উভয় দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।

    সাম্প্রতিক চুক্তি: সম্প্রতি উভয় দেশ দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশ কিছু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

    এই সফর শুধুমাত্র দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাই নয়, বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ভারত ও ইজরায়েলের গভীর বন্ধুত্বের প্রতিফলন ঘটাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Bangladesh: জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এবার বাংলাদেশে মুসলমান প্রতিবেশীর হাতে খুন প্রবীণ হিন্দু

    Bangladesh: জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এবার বাংলাদেশে মুসলমান প্রতিবেশীর হাতে খুন প্রবীণ হিন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি, সোমবার বাংলাদেশের (Bangladesh) উত্তরাঞ্চলে জমি সংক্রান্ত বিবাদ নিয়ে হিংসাত্মক রূপ নেয়। কুড়িগ্রাম জেলায় মুসলিমদের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন বৃদ্ধ হিন্দু ব্যক্তির (Hindu Man Madhu Shil) খুন হয়েছেন। মূল অভিযোগ হিন্দুর জমিকে স্থানীয় মুসলমান কর্তৃক জবর দখলের মতো একটি বিবাদ। এই হত্যাকাণ্ড আবারও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর নিরাপত্তা এবং প্রশাসন কর্তৃক সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সংগঠিত অপরাধকে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    নিজের জায়গায় অধিকার নেই হিন্দুদের (Bangladesh)!

    নিহত ব্যক্তির নাম মধু চন্দ্র শীল, যার বয়স ৬২ বছর (Hindu Man Madhu Shil)। তিনি বাংলাদেশের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের জয়দেব মালসাবাড়ি গ্রামে থাকতেন। সংবাদ মাধ্যম আনুসারে জানা গিয়েছে, যৌথ জমির সীমানা নিয়ে তাঁর মুসলিম প্রতিবেশী আবেদ আলির সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরে বিরোধ চলছিল। গাছ লাগাতে গিয়ে বিবাদ হিংসাত্মক রূপ নেয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মধু শীল তাঁর বাড়ির সামনে চারা রোপণ করতে গেলে প্রতিবেশী মুসলমানরা উত্তেজনা ছড়ায়। আবেদ আলির ছেলে আশরাফ আলি গাছ লাগানোতে আপত্তি জানান এবং শীলকে কাজ বন্ধ করতে বলেন।

    শীলের ছেলের স্ত্রী সৃষ্টি রানী বলেন, “আবেদ আলি যখন নতুন রোপিত চারাগুলো উপড়ে ফেলেন, তখন পরিস্থিতি দ্রুত আরও খারাপ হয়ে যায়। এর পরপরই তর্ক শুরু হয়। আশরাফ আলি, তাঁর স্ত্রী লাকি বেগম এবং আরও কয়েকজন তর্কের সময় আমার শ্বশুরকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং একটি নলকূপের কাছে একটি সিমেন্টের কাঠামোর উপর পড়ে যান। স্থানীয়রা তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর মৃতদেহ গ্রামে ফিরিয়ে আনা হয়, যা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়কে শোকমগ্ন হয়ে পড়েন।”

    পুলিশি পদক্ষেপ এবং গ্রেফতার

    পুলিশ (Bangladesh) কর্মকর্তারা একই দিনে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রাজারহাট থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠায়। প্রাথমিক তদন্তে আশরাফ আলিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা এটিকে একটি গুরুতর ফৌজদারি মামলা হিসেবে বিবেচনা করছি। আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া নেব।” আবার মধু শীলের ছেলে পলাশ শীল বলেছেন, “বাবার মৃত্যুতে আমাদের পরিবার শোকাহত। আমার বাবা একজন সরল, নির্দোষ মানুষ (Hindu Man Madhu Shil) ছিলেন। আমরা ন্যায়বিচার চাই যাতে অন্য কারও সাথে এমন কিছু না ঘটে।”

    সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলি উদ্বেগ

    এই মৃত্যুর ঘটনা সংখ্যালঘু অধিকার গোষ্ঠীগুলিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যারা দাবি করে যে এই ধরণের ঘটনাগুলি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধ সাধারণ, নিরাপত্তাহীনতার প্রকাশ।

    বাংলাদেশ (Bangladesh) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মণীন্দ্র কুমার নাথ বলেছেন, “এই মৃত্যুকে (Hindu Man Madhu Shil) একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা উচিত নয়। এই মৃত্যু আবারও প্রমাণ করে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কতটা অনিরাপদ। প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধটি সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রশাসনকে এটাও খতিয়ে দেখতে হবে কেন আগে কোনও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

  • Birbhum: “গত ১০০ বছরে যা হয়নি এবার তা হবে”, সিউড়ি-নালা রেলপথ সম্প্রসারণ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    Birbhum: “গত ১০০ বছরে যা হয়নি এবার তা হবে”, সিউড়ি-নালা রেলপথ সম্প্রসারণ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ২০২৬ সালের বিধানসভা। ইতিমধ্যে বীরভূমে (Birbhum) নতুন রেলপথ বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরম শোরগোল পড়েছে। সিউড়িতে গত ১০০ বছরে নতুন রেললাইন তৈরি হয়নি বলে আক্ষেপ করেন এলাকাবাসী। অবশেষে, বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের অনুরোধে সিউড়ি থেকে ঝাড়খণ্ডের নলা পর্যন্ত ৭৩ কিমি রেল লাইনের সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছে রেল মন্ত্রক (Ministry of Railways)। যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। সেই রেল লাইন (নিয়েই শুরু হয়েছে শাসক-বিরোধী তরজা। তৃণমূল অবশ্য বিজেপির যুক্তি মানতে নারাজ।

    আমার কাঠবিড়ালীর ভূমিকা থাকল (Birbhum)

    বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রেল মন্ত্রক অনুমোদন দিয়েছে আমার প্রস্তাবে। আমার মতো ক্ষুদ্র এক বিজেপি নেতার কথায় রেল মন্ত্রক অনুমোদন দিয়েছেন। এটাতে আমি ভীষণ খুশি। মাননীয় রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মহাশয়কে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন। আমার মতো এক সাধারণ কার্যকর্তার নিজের এলাকার উন্নয়নের জন্য প্রয়াসকে এভাবে সমর্থন করার জন্য। গত কাল রেলবোর্ড সিউড়ি-বক্রেশ্বর-রাজনগর-নলা নতুন রেল লাইনের ফাইনাল লোকেশন সার্ভে বা সমীক্ষার কাজ এবং ডিটেল প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরির কাজে সম্মতি দিয়েছে। সেই অনুমোদনপত্র শেয়ার করলাম। আজ রাজনগরের মানুষের কাছে বড় আনন্দের দিন। গত ১০০ বছরে যা হয়নি এবার তা হবে। নরেন্দ্র মোদী সরকারই করবে। আপনাদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। রাজনগরে রেল চলবে তা এক ঐতিহাসিক ক্ষণ, তাতে আমার কাঠবিড়ালীর ভূমিকা থাকল সেটা ভেবে আমারও আজ আনন্দের দিন।”

    মোট ১৭৮ কিমি দৈর্ঘ্যের তিনটি নতুন রেল লাইন

    রেল মন্ত্রক (Ministry of Railways) রাজ্যের রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে আরও এক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাজ্যে মোট ১৭৮ কিমি দৈর্ঘ্যের তিনটি নতুন রেল লাইন প্রকল্পের জন্য চূড়ান্ত লোকেশন সার্ভের অনুমোদন দিয়েছে রেলমন্ত্রক। যে তিনটি রুটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তা হল সিউরি—নালা ভায়া রাজনগর ও বক্রেশ্বর (Birbhum) ৭৩ কিমি। বক্রেশ্বরধাম একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থ কেন্দ্র, এতদিন শুধু সড়ক যোগাযোগ ছিল, এবার থেকে রেলপথের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে। আরামবাগ-খানাকুল ২৭ কিমি এবং রসুলপুল-জঙ্গলপাড়া ৭৮ কিমি। এই তিন রেলপথে বীরভূম, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চলে রেল যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে।

LinkedIn
Share