Tag: madhyom news

madhyom news

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে নয়া ৫ রেল লাইনের অনুমোদন মোদি সরকারের, কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে?

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে নয়া ৫ রেল লাইনের অনুমোদন মোদি সরকারের, কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন ৫ রেললাইনের অনুমোদন কেন্দ্রের। এই প্রকল্পগুলি দীর্ঘ দিন ধরে জন সাধারণের দাবি দাওয়ার মধ্যে ছিল। মানুষের প্রয়োজনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকার মান্যতা দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিজেই এই ঘোষণার কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার মতো একাধিক জায়গায় নতুন করে রেল লাইন পাতা হবে। এখানে বহু দিন ধরে রেল (Indian Railway) যোগাযোগ অপর্যাপ্ত ছিল। নতুন লাইনে যোগাযোগ এবং যাতায়েত অনেক মসৃণ হবে।”

    কোন ৫টি রুটে ব্যবসা-বাণিজ্য-যোগাযোগ বাড়বে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যে নতুন করে রেলে লাইনের অনুমোদনে কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিনন্দন ব্যক্ত করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর একটি পোস্ট করা বার্তায় জানা গিয়েছে মোট পাঁচটি নতুন রেললাইন প্রকল্পের গ্রীন সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, কাঁথি থেকে এগরা পর্যন্ত নতুন রেললাইন, নন্দকুমার থেকে বলাইপণ্ডা পর্যন্ত রেল লাইন সংযোগ এবং নন্দীগ্রাম থেকে কেন্দামারি নয়াচর পর্যন্ত নতু্ন লাইন। একইসঙ্গে হুগলি জেলায় বোয়াইচণ্ডী থেকে আরামবাগ এবং বোয়াইচণ্ডী থেকে খানা পর্যন্ত দুটি পৃথক রেললাইন (Indian Railway) প্রকল্প অনুমোদনের কথাও জানানো হয়েছে। আবার বাঁকুড়া কলাবতী থেকে পুরুলিয়া হয়ে হুড়া পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, “কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব রাজ্যের একাধিক জায়গায় রেলপথ বিস্তারের অনুমোদন করেছেন। রাজ্যের একাধিক জায়গায় এই সুবিধার কারণে ব্যবসা, বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।”

    মোদির নেতৃত্বে বাংলার সার্বিক উন্নয়ন

    নিজের পোস্টে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই সিদ্ধান্তে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বহুদিনের প্রত্যশা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্রুত এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।”

    তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে যে সব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রেলের (Indian Railway) যোগাযোগ ছিল না সেখানে এখন যোগাযোগ বাড়বে। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ভাবে এই সিদ্ধান্ত একান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • India-EU: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে কোন কোন পণ্য হবে সস্তা? জেনে নিন

    India-EU: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে কোন কোন পণ্য হবে সস্তা? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (India-EU) মধ্যে মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি এক ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে ভারতীয় ভোক্তারা এখন থেকে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর ব্যাপক মূল্য হ্রাসের আশা করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক মুক্ত বাণিজ্যে (Free Trade Agreement) ভারতের জন্য তাতে অনেকটাই সুবিধাজনক হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    ৯৬ শতাংশের বেশি আইটেমে শুল্ক হ্রাস (India-EU)

    সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চুক্তির ফলে ভারতে (India-EU) রফতানি করা ইউরোপীয় পণ্যের ৯৬ শতাংশের বেশি সামগ্রীর ওপর থেকে শুল্ক হ্রাস (Free Trade Agreement) করা হবে। এর ফলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে শুরু করে নিত্যদিনের মুদি পণ্য—সবকিছুর দামেই বড় পরিবর্তন আসার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আসুন জেনে নিই কোন কোন পণ্যে মিলবে ছাড়।

    বিলাসবহুল গাড়ি

    সবচেয়ে আকর্ষণীয় পরিবর্তন আসছে অটোমোবাইল খাতে। বার্ষিক ২.৫০ লক্ষ গাড়ির কোটার জন্য আমদানিকৃত ইউরোপীয় (India-EU) গাড়ির ওপর শুল্ক ১১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। তবে তা অবশ্যই পর্যায়ক্রমে কয়েক বছরের মধ্যে। মার্সিডিজ-এএমজি, বিএমডব্লিউ, অডি, পোর্শে, ল্যাম্বরগিনি এবং রোলস-রয়েসের মতো ব্র্যান্ডগুলো ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য অনেক বেশি সাশ্রয়ী (Free Trade Agreement) হয়ে উঠবে।

    সুরাজাতীয় পানীয়

    ইউরোপীয় (India-EU) ওয়াইনের ওপর শুল্ক ১৫০ শতাংশ থেকে কমে ২০-৩০ শতাংশে নামবে। এছাড়া স্পিরিটের ক্ষেত্রে শুল্ক হবে ৪০ শতাংশ এবং বিয়ারের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ।

    খাদ্যদ্রব্য

    চকলেট, বিস্কুট, পাস্তা, পাউরুটি এবং অলিভ অয়েলের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর শুল্ক প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।

    স্বাস্থ্যসেবা

    চশমা (অপটিক্যাল), মেডিকেল এবং সার্জিক্যাল সরঞ্জামের ওপর বর্তমান ২৭.৫ শতাংশ শুল্ক প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হবে। এছাড়া ওষুধ ও মেডিকেল ডিভাইসের ওপর থেকে ১১ শতাংশ শুল্কও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরিয়ে দেওয়া হবে।

    শিল্প খাত

    রাসায়নিক (বর্তমানে ২২% পর্যন্ত শুল্ক), যন্ত্রপাতি (৪৪% পর্যন্ত শুল্ক) এবং প্লাস্টিকের ওপর থেকেও শুল্ক প্রত্যাহার (Free Trade Agreement) করা হবে।

    চুক্তির প্রভাব ও বাস্তবায়ন

    এই চুক্তিটি (Free Trade Agreement) বিশ্বের ২৫ শতাংশ জিডিপি এবং প্রায় ২০০ কোটি মানুষের ওপর প্রভাব ফেলবে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে ইউরোপীয় (India-EU) রফতানি কারকরা বার্ষিক প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন ডলার শুল্ক সাশ্রয় করবেন, যার সরাসরি সুফল পাবেন ভারতের সাধারণ মানুষ। আইনি যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পর চলতি বছরের মধ্যেই এটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Ramakrishna 568: “প্রার্থনা কম পড়ে যাচ্ছে; আজকাল ‘আমি’টা খুঁজে পাচ্ছি না, দেখছি তিনিই এই খোলটার ভিতরে রয়েছেন”

    Ramakrishna 568: “প্রার্থনা কম পড়ে যাচ্ছে; আজকাল ‘আমি’টা খুঁজে পাচ্ছি না, দেখছি তিনিই এই খোলটার ভিতরে রয়েছেন”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

    অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণের রোগ কেন?

    ডাক্তার ব্যবস্থা করার পর শ্রীরামকৃষ্ণ আবার কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভক্তদের প্রতি—আচ্ছা, লোকে বলে ইনি যদি এত—(এত সাধু) তবে রোগ হয় কেন?

    তারক—ভগবানদাস বাবাজী অনেকদিন রোগে শয্যাগত হয়েছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—মধু ডাক্তার, ষাট বছর বয়সে রাঁড়ের জন্য তার বাসায় ভাত নিয়ে যাবে; এদিকে নিজের কোন রোগ নাই।

    গোস্বামী—আজ্ঞা, আপনার যে অসুখ সে পরের জন্য; যারা আপনার কাছে আসে তাদের অপরাধ আপনার নিতে হয়, সেই সকল অপরাধ, পাপ লওয়াতে আপনার অসুখ হয়!

    একজন ভক্ত—আপনি যদি মাকে বলেন মা, এই রোগটা সারিয়ে দাও, তা হলে শীঘ্র সেরে যায়।

    সেব্য-সেবকভাব কম—‘আমি’ খুঁজে পাচ্ছি না

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—রোগ সারাবার কথা বলতে (Kathamrita) পারি না; আবার ইদানীং সেব্য-সেবক ভাব কম পড়ে যাচ্ছে। এক-একবার বলি, ‘মা, তরবারির খাপটা একটু মেরামত করে দাও’; কিন্তু ওরূপ প্রার্থনা কম পড়ে যাচ্ছে; আজকাল ‘আমি’টা খুঁজে পাচ্ছি না। দেখছি তিনিই এই খোলটার ভিতরে রয়েছেন।

    কীর্তনের জন্য গোস্বামীকে আনা হইয়াছে। একজন ভক্ত জিজ্ঞাসা করিলেন, ‘কীর্তন কি হবে?’ শ্রীরামকৃষ্ণ অসুস্থ, কীর্তন হইলে মত্ততা আসিবে; এই ভয় সকলে করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন, “হোক একটু। আমার নাকি ভাব হয়, তাই ভয় হয়। ভাব হলে গলার ওইখানটা গিয়ে লাগে (Kathamrita)।”

    কীর্তন শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাব সম্বরণ করিতে পারিলেন না; দাঁড়াইয়া পড়িলেন ও ভক্ত সঙ্গে নৃত্য করিতে লাগিলেন।

    ডাক্তার রাখাল সমস্ত দেখিলেন; তাঁহার ভাড়াটিয়া গাড়ি দাঁড়িয়া আছে। তিনি ও মাস্টার গাত্রোত্থান করিলেন, কলিকাতায় ফিরিয়া যাইবেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে উভয়ে প্রণাম করিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সস্নেহে মাস্টারের প্রতি—তুমি কি খেয়েছ?

  • Nitin Nabin: “পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”, মমতা সরকারকে আক্রমণ নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: “পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”, মমতা সরকারকে আক্রমণ নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে নতুন সর্ব ভারতীয় সভাপতি  বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক অনুপ্রেরণা দেবেন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। বঙ্গের মাটিতে পা রেখেই তিনি বঙ্গভূমিকে প্রণাম জানান। রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর, মহানায়ক উত্তম কুমার সহ বিশিষ্টজন এবং বঙ্গের সংস্কৃতির প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানান। বুধবার দুর্গাপুরের (Durgapur) মাটি থেকেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের রাজনৈতিক স্বৈরাচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে চরম নিশানা করেন তিনি। নিতিন বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতিতে জড়িয়ে কিছু নেতা জেলে আছেন, কিছু নেতা বেলে আছেন। যারা বেলে আছেন তাঁদেরও জেলে যেতে হবে। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না, সে যেই হোক।”

    সনাতনীদের বাঁচতে হবে (Nitin Nabin)

    হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকে হয়। সেটা এই বাংলা থেকে পুরো দেশে পৌঁছয়। কিন্তু মায়ের পুজোও বন্ধ করার চেষ্টা করে এই সরকার। আমি বলতে পারি, আজান পড়ার সময় কোনও সমস্যা হয় না তবে দুর্গার আরাধনার সময় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। এটা কোনও হিন্দু বরদাস্ত করবে না। আমরা পরম্পরা রক্ষায় যে কোনও বলিদান দেব। এখানে ভৌগলিক অবস্থান বদলের চেষ্টা চলছে। তামিলনাড়ুতে দীপমে পুজো করার জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে আজানের জন্য। সেখানকার সরকার ইন্ডি জোটে রয়েছে। এরা এই পুজো রোধ করার জন্য কোর্ট পর্যন্ত চলে গিয়েছে। আদালত বলল পুজো হবে, তখন বিচারপতিকে সরাতে ইমপিচমেন্টের জন্য কংগ্রেসের আর তৃণমূলের নেতারা একজোট হয়ে গেল। সনাতনীদের বাঁচাতে হবে। বাংলার পাশাপাশি আমরা ভারতের সংস্কৃতিকে বাঁচানোর লড়াই লড়ছি।”

    ডিএম, এসডিও- সরকারি আমলাদের হুঁশিয়ারি

    নিতিন নবীন বলেন, “ডিএম-এসডিওদের বলছি, এটা চারদিনের সরকার। এদের কথায় নাচবেন না। কাঠের পুতুল হবেন না। আপনারা প্রশাসনের লোক, জনতার পাশে দাঁড়ান। বিজেপি কর্মীদের বলছি, আমাদের সাধারণ মানুষের ঘরে-ঘরে পৌঁছে জানাতে হবে তৃণমূলের দুর্নীতির কথা। আর দিদিকে বলছি, এখন থেকে বাংলার রাজনীতিতে যে অরাজকতা তৈরি করেছেন, বাংলার জনতা আপনার উল্টো গোনা শুরু করেছে। এখন ওই দিন দূরে নেই বাংলার বিকাশে বিজেপি পাশে থাকবে।”

    কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের স্থান নেই

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এসআইআর নিয়েও খেলা করছে। এখন দিল্লি গিয়ে কাঁদবে। এসপি, ডিএমদের কাঠের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন আর এখানকার মানুষদের খেলাচ্ছেন আর বলছেন নির্বাচন কমিশন করছেন? কমিশন তো অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে। যাঁদের জন্ম বাংলায়, যাঁরা এই বাংলার মাটিতে রয়েছেন তাঁদেরই বাংলার অধিকার মিলবে। বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও অনুপ্রবেশকারীকে থাকার অধিকার দেওয়া হবে না।”

    পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজের অবসান

    জঙ্গলরাজের প্রসঙ্গ টেনে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এখানকার তৃণমূলের বিধায়ক-মন্ত্রীরা তোলাবাজি করেন। পূর্বের সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় আপনি বাংলার মানুষদের আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন সমস্ত দুর্নীতি আপনি রোধ করবেন। কিন্তু এখন তার থেকে বড় কারখানা আপনি খুলেছেন, যেখানে তোলাবাজি আর দুর্নীতি ক্রমাগত তৃণমূলের বিধায়ক আর মন্ত্রীরাই করে চলেছেন। স্পষ্টভাবে বলছি, আমরা অনেক রাজ্যেই এমন জঙ্গলরাজ ধ্বংস করে দিয়েছি। উত্তরপ্রদেশ-বিহারেও আগের সরকারকে উৎখাত করেছি। এবার বাংলার সময়। জনগণ তৈরি হোন, বিজেপির কর্মকর্তারাও তৈরি হন এই সরকারকে উপড়ে ফেলার সময় এসে গিয়েছে।কোনও বিজেপি কর্মী চিন্তা করবেন না, এক একজন বিজেপির কর্মকর্তার পিছনে পুরো বিজেপি পরিবার রয়েছে। আপনারা সংঘর্ষ করুন খালি।”

    মহিলাদের সুরক্ষা দেননি

    রাজ্যের মহিলা সুরক্ষা এবং শিল্পের সম্ভাবনার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি (Nitin Nabin) বলেন, “আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি, দুর্গাপুরে শিল্পাঞ্চলে আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে যুবরা চাকরির জন্য আসতেন। মমতার সরকার আসার সময় যুবদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ইন্ডাস্ট্রি হবে, কিন্তু হয়নি। আর এখন চাকরির খোঁজে অন্য রাজ্যে যাচ্ছে এই শহরের যুবরা। যে সিঙ্গুরে আন্দোলন করেছিলেন, এখন সেখানকার লোক দুঃখে আছেন। কারণ সেখানে কিছুই উন্নয়ন করেননি। মহিলাদের সুরক্ষা দেননি, যুবকরা পালিয়ে যাচ্ছে, এর দোষী কে?

    আমরা দেখেছি এই দুর্গাপুরে (Durgapur) কীভাবে ধর্ষণ হয়েছে। আর তারপর এখানকার সরকার অপরাধীদের বাঁচিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষণ নিয়ে কী ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে তা সব দেখেছি। আমি ওই মানসিকতার বিরোধিতা করি। আমি তীব্র নিন্দা করছি মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের, উনি বলেছিলেন সন্ধেবেলা বেরনোর প্রয়োজনীতা কী মহিলাদের। বাংলার মহিলারা আধুনিকা। তাঁরাই বাংলার সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাঁদেরই ঘরে থাকতে বলছেন?”

    বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা

    বাংলাদেশকে কোন শক্তি পরিচালিত করছে এই ভাবনার কথা উস্কে দিয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলাকে ফের বাংলাদেশ বানাতে চাইছে। অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকানোর সরকার এখানে রয়েছে। ওরা চাইছে বাংলাকে বাংলাদেশে নিয়ে যায়। আমরা যে কোনও বলিদান দিতে প্রস্তুত, তবে কোনও ভাবেই বাংলাকে বাংলাদেশ বানাতে দেব না। তাই এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রস্তুত করুন। মমতা সরকারকে স্পষ্ট বলছি, তৃণমূলের গুণ্ডারা যেভাবে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, এটা হতে পারে না। আমাদের কার্যকর্তারা প্রস্তুত রয়েছে মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য।”

  • Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আবার হিন্দুদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে। ইস্কন মন্দিরে (ISKCON Temple) লুটপাট করে ১৪টি বিগ্রহ চুরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মন্দির থেকে নগদ টাকা, সোনা ও দানবাক্স চুরি করে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন চলছে। আগামী ১২ ফেব্রিয়ারি জাতীয় নির্বাচন এই দেশের। তাঁর আগে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে দেশে ব্যাপক ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে ইসলামি কট্টরপন্থীরা। এমনটাই মত প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা।

    চুরি যাওয়া সম্পত্তির পরিমাণ (Bangladesh) 

    ঢাকার (Bangladesh) মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে চুরি যাওয়া ১৪টি প্রতিমার মধ্যে ছয়টি পিতলের তৈরি এবং আটটি পাথরের মূর্তি। প্রতিমা ছাড়াও, চোরেরা একটি রূপার জুতো, একটি বাঁশি, পিতলের বাসনপত্র, একটি হারমোনিয়াম, একটি বালতি, একটি পিতলের আসন, পিতলের গ্লাস এবং দুটি দান বাক্সে রাখা নগদ টাকা চুরি করেছে। পুরোহিত আরও জানান, চুরির সময় প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ, সোনার অলঙ্কার, একটি জলের মোটর মেশিন এবং দুটি দান বাক্সও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    আমাদের অপরাধ কী?

    মন্দিরের পুরোহিত লিপি রানী গোপ এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং মন্দিরকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের অপরাধ কী? কেন আমাদের বারবার এমন নির্যাতনের শিকার করা হচ্ছে? আমরা নিরাপদ বোধ করছি না। যদি আমরা নিরাপদ বোধ করতাম, তাহলে আমাদের মন্দিরে চুরি-ডাকাতি কেন হত?”

    মন্দিরের সাথে যুক্ত আরেক বাসিন্দা, শিল্পা রানী মালাকার, তার যন্ত্রণার কথা বর্ণনা করে বলেন, “আমার ঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল আমি মাধবপুরে (Bangladesh) ছিলাম। ফিরে এসে দেখি আমার ঘরের তালা ভাঙা। প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ এবং সোনার অলঙ্কার লুট হয়ে গেছে। আমার স্বামী বা সন্তান নেই। আমি প্রভুর সেবা করি।”

    আবার মন্দিরের প্রধান সুখদা বলরাম দাসও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “গত রাতে আমার মন্দিরের মূর্তি চুরি হয়েছে। এছাড়াও, নগদ টাকা, সোনার অলঙ্কার এবং একটি বিশুদ্ধ জলের মোটর চুরি করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।”

    গত কয়েক মাস ধরে চলছে সংখ্যালঘু নির্যাতন (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী মন্দিরে (ISKCON Temple) প্রবেশ করে তছনছ চালায়। তারা কেবল লুটপাট করেনি, বরং মন্দির সংলগ্ন এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। যদিও ইউনূস প্রশাসন তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

    আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনার ধর্মীয় সংগঠন ইস্কন (ISKCON Temple) কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী (Bangladesh) সরকারের কাছে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। তবে যেহেতু বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী আবহ চলছে তাই দেশে কট্টরপন্থীরা হিন্দু সমাজকে টার্গেট করছে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল সামাজের মানুষ।

  • Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডকে (Anandapur Fire) ম্যান মেড তত্ত্ব দিয়ে তৃণমূল সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটলেও রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেন না। সেখানে দেখা গেল বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। এই প্রশ্নই শাসক দলের বিরুদ্ধে জনরোষ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকার কীভাবে এই রকম একটি অগ্নিকাণ্ড বিষয়ে চুপচাপ বসে থাকতে পারে? অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড (Anandapur Fire) কোনও দুর্ঘটনা নয়। এই সরকারের গাফিলতির ফল। এটি কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দীর্ঘদিনের গাফিলতি, অযোগ্যতা এবং শাসন ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার সরাসরি পরিণতি। প্রশাসনিক নজরদারির অভাবের ফলেই নিয়ম-কানুন উপেক্ষিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত এমন ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পূর্ব কলকাতার জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে। রাজ্যে কারখানা বলে কিছু নেই। বেআইনি নির্মাণ রুখতে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ এই সরকার। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নিরীহ শ্রমিকেদের পরিবারগুলোর প্রতি আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আন্তরিক সমবেদনা জানাই। সব মিলিয়ে ৮ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে আগামী সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অনেক মৃত দেহকে সঠিক ভাবে শনাক্ত করা যায়নি।”

    জরুরি বেরনোর পথ ছিল না

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে মৃত ও নিখোঁজ অধিকাংশ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন অত্যন্ত তরুণ এবং তাঁদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বড় অংশ তো বড় অংশই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলার বাসিন্দা। আনন্দপুরের (Anandapur Fire) নাজিরাবাদ এলাকায় এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটেছে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি অঞ্চলে, যেখানে বেআইনিভাবে জমির চরিত্র বদলে দেওয়া হয়েছে। একেরপর অবৈধ শিল্প ইউনিট গড়ে উঠেছে। সরকারি বিধিনিষেধকে অমান্য করে অবৈধ নির্মাণের জন্যই এই বিরাট অগ্নিকাণ্ড। দাহ্য পদার্থে ভর্তি তালাবদ্ধ গুদামের ভেতরে মানুষ আটকে পড়েছিলেন। সেখানে কোনও জরুরি বেরনোর পথ ছিল না, সংকীর্ণ গলির কারণে উদ্ধারকাজে ব্যাহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কোনও সরঞ্জামও ছিল না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে-এটা কীভাবে সম্ভব হল? কলকাতার একেবারে কাছেই এত বিপজ্জজনক গুদামে শ্রমিকদের রাত কাটাতে বাধ্য করা হল? কেউ কীভাবে কিছু জানতে পারলেন না কেন? রাজ্যের দমকল দফতর, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কোথায় ছিল? একাধিক নানা প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।”

    ৩০ ঘণ্টার পর কেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দমকলমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, “৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। যাঁর বাড়ি ওই এলাকা থেকে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে। অথচ তিনি নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন তোলেন, কেন মানুষ গুদামের ভেতরে ছিল। লজ্জাজনক! প্রশ্ন তোলার বদলে তাঁর প্রশাসনের উচিত ছিল এর উত্তর দেওয়া। এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা, দুর্নীতি ও অপশাসনের ওপরই বর্তায়। এএমআরআই হাসপাতাল থেকে বড়বাজার, আর এবার আনন্দপুর (Anandapur Fire)—একটির পর একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে, অথচ কোনও শিক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, কোনও দায়ও স্বীকার করা হচ্ছে না। এটাই পশ্চিমবঙ্গের ‘নো গভর্নমেন্ট’-এর প্রমাণ।”

    আগুন লাগিয়ে জমি দখল!

    উল্লেখ্য আনন্দপুরের (Anandapur Fire) মতো রাজ্যে প্রত্যেকবার শীতের মরশুমে ঝুপড়ি, ছোট ছোট গুদাম, কারখানা এবং বস্তি এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বড়বাজার, বাগরি মার্কেট, গড়িয়াহাট, সখের বাজার, খিদিরপুর, মঙ্গলাহাট সহ একাধিক এলাকায় বড় বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই ভাবে বেআইনি নির্মাণের ফলে অধিক ঘন বসতি, বিদ্যুৎ চুরি, শর্ট সার্কিটের ঘটনায় বার বার আগুন লাগানোর ঘটনা পুরসংস্থা, দমকল বাহিনী, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার ঠিক ভাবে করা হয় না বলে বিরোধীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ তুলেছে। একবার আগুন লাগিয়ে এলাকা দখলের গভীর ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত থাকেন তৃণমূলের নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা এবং কাজের সঙ্গে মিল নেই বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

  • Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন (Online Content) প্ল্যাটফর্মগুলিতে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং বিশেষ করে নাবালকদের অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে সুরক্ষিত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে মোদি সরকার। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রচার হওয়া আপত্তিকর বিষয়বস্তু অবিলম্বে রোধ করা। সামাজিক মাধ্যমে নানা কন্টেন্টকে ভিউজ বাড়িয়ে অধিক প্রচার পেতে এবং টাকা রোজগার করতে অশ্লীলতা এখন একটি বড় শিল্পের মাপকাঠিতে পরিণত হয়েছে। ফলে শিশু-কিশোরদের (Protect Minors) মনে পড়ছে খারাপ প্রভাব। তাই এই ধরনের ডিজিটাল কন্টেন্টকে আটকাতে সরকার ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে।

    নাবালকদের সুরক্ষা(Online Content)

    গত মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশ অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সলিসিটর জেনারেলকে সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে বাকস্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে ১৯(২) অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিকভাবে অনুমোদিত “যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ” নিশ্চিত করা হয়েছিল।

    ইন্টারনেটে ক্রমবর্ধমান অশ্লীলতা এবং হিংসাত্মক কন্টেন্ট (Online Content) থেকে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সরকার এমন একটি ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা করছে যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের (Protect Minors) জন্য ক্ষতিকর কন্টেন্ট ব্লক বা ফিল্টার করা সহজ হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এবং আইটি মন্ত্রক যৌথভাবে অনলাইন কন্টেন্ট স্ট্রিমিং (OTT) প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলির জন্য আরও কঠোর নির্দেশিকা বা নিয়মাবলী তৈরির কাজ করছে।

    অশ্লীলতার সংজ্ঞা ও কড়াকড়ি

    বর্তমান আইনি কাঠামোর মধ্যে অশ্লীলতার (Online Content) সংজ্ঞা আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সেগুলির প্রচার রুখতে প্রযুক্তিগত সমাধান খোঁজার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আর তাই সরকার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কঠোর ‘এজ গেট’ বা বয়স যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চালু করার কথা ভাবছে, যাতে কোনো শিশু তাদের বয়সের অনুপযুক্ত কন্টেন্ট দেখতে না পারে।

    অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা

    ব্যবহারকারী বা অভিভাবকরা যাতে আপত্তিকর কন্টেন্টের (Online Content) বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগ জানাতে পারেন এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার জন্য একটি শক্তিশালী ‘গ্রিভেন্স রিড্রেসাল’ বা অভিযোগ প্রতিকার কাঠামো (Protect Minors) গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে যেভাবে সেন্সরশিপ ছাড়াই বিভিন্ন আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের বিচার ব্যবস্থাও। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্র এই নতুন নিয়মাবলীর মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাইছে।

  • Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২রা সেপ্টেম্বর
    শ্রীযুক্ত ডাক্তার ভগবান রুদ্র ও ঠাকুর রামকৃষ্ণ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি— আবার এমনি অবস্থা, যদি কেউ বললে, ‘কমে গেছে’ তো অমনি অনেকটা কমে যায়। সেদিন ব্রাহ্মণী বললে, ‘আট-আনা কমে গেছে’ — অমনি নাচতে লাগলুম!

    ঠাকুর ডাক্তারের স্বভাব দেখিয়া সন্তুষ্ট হইয়াছেন। তিনি ডাক্তারকে বলিতেছেন, ‘তোমার স্বভাবটি বেশ। জ্ঞানের দুটি লক্ষণ—শান্ত ভাব, আর অভিমান থাকবে না।”

    মণি—এঁর (ডাক্তারের) স্ত্রী-বিয়োগ হয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—আমি বলি, তিন টান হলে ভগবানকে পাওয়া যায়। মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান।

    “যা হোক, আমার বাবু এটা ভাল করো (Kathamrita)!”

    ডাক্তার এইবার অসুখের স্থানটি দেখিবেন। গোল বারান্দায় একখানি কেদারাতে ঠাকুর বসিলেন। ঠাকুর প্রথমে ডাক্তার সরকারের কথা বলিতেছেন, “শ্যালা, যেন গরুর জিব টিপলে!”

    ভগবান (Ramakrishna)—তিনি বোধ হয় ইচ্ছা করে ওরূপ করেন নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না, তা নয় খুব ভাল করে দেখবে বলে টিপেছিল।

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

    অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে নিজের ঘরে বসিয়া আছেন। রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ; ৫ই আশ্বিন; শুক্লা একাদশী। নবগোপাল, হিন্দু স্কুলের শিক্ষক হরলাল, রাখাল, লাটু প্রভৃতি; কীর্তনীয়া গোস্বামী; অনেকেই উপস্থিত।

    বহুবাজারের রাখাল ডাক্তারকে সঙ্গে করিয়া মাস্টার আসিয়া উপস্থিত; ডাক্তারকে ঠাকুরের অসুখ দেখাইবেন।

    ডাক্তারটি ঠাকুরের গলায় কি অসুখ হইয়াছে দেখিতেছেন (Kathamrita)। তিনি দোহারা লোক; আঙুলগুলি মোটা মোটা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি—যারা এমন এমন করে (অর্থাৎ কুস্তি করে) তাদের মতো তোমার আঙুল। মহেন্দ্র সরকার দেখেছিল কিন্তু জিভ এমন জোরে চেপেছিল যে ভারী যন্ত্রণা হয়েছিল; যেমন গরুর জিভ চেপে ধরেছে।

    রাখাল ডাক্তার—আজ্ঞা, আমি দেখছি আপনার কিছু লাগবে না।

  • Bactrian Camels: প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ছিল, সেনার দুই ‘নীরব যোদ্ধা’ গালওয়ান ও নুব্রা, জানেন কারা এরা?

    Bactrian Camels: প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ছিল, সেনার দুই ‘নীরব যোদ্ধা’ গালওয়ান ও নুব্রা, জানেন কারা এরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day Parade) দিল্লির কর্তব্য পথে প্রথমবার কুচকাওয়াজে অংশ গ্রহণ করেছে লাদাখের বিখ্যাত দুই কুঁজবিশিষ্ট ‘ব্যাক্ট্রিয়ান উট’। এবারের প্যারোডে ‘গালওয়ান’ ও ‘নুব্রা’ নামের এই উট (Bactrian Camels) দুটির উপস্থিতি কেবল প্রদর্শনীর জন্য ছিল না, বরং এটি ভারতের সুউচ্চ হিমালয় প্রবর্তের দুর্গম অঞ্চলের প্রতিরক্ষায় এক নতুন কৌশলগত অধ্যায়ের ইঙ্গিত করেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কীভাবে নিরাপত্তার কাজে সীমান্ত রক্ষীরা অটুট থাকেন সেই চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে।

    প্রাকৃতিক অভিযোজন (Republic Day Parade)

    ব্যাক্ট্রিয়ান উট (Bactrian Camels) লাদাখের অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশে বসবাসের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই সক্ষম। যেখানে আধুনিক যুদ্ধের ড্রোন বা শক্তিশালী যানবাহনগুলো তীব্র ঠান্ডা এবং অক্সিজেনের অভাবে বিকল হয়ে পড়ে, সেখানে এই উটগুলো কার্যকর থাকে। এদের শরীরে থাকা বিশেষ লোহিত রক্তকণিকা (RBC) অল্প অক্সিজেনেও এদের টিকে থাকতে সাহায্য করে। ফলে টহলদারির জন্য এই পশু ভীষণভাবে উপযুক্ত। কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade) এবার এক জোড়া উটকে প্রদর্শন করানো হয়।

    বিস্ময়কর সহনশীলতা

    এই উটগুলোর (Bactrian Camels) পিঠের দুটি কুঁজ রয়েছে। উটের পিঠে থাকা কুঁজ মূলত চর্বির ভান্ডার। এই জমানো চর্বি থেকে শক্তি নিয়ে ব্যাক্ট্রিয়ান উটরা শীতকালে খাবার ছাড়াই টানা ২-৩ সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে। এমনকি, বরফ খেয়েই এরা নিজেদের জলের অভাব পূরণ করে। মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় এরা অনায়াসে কাজ করতে পারে।

    ভারবহন ক্ষমতা

    ডিআরডিও-ডিআইএইচএআর (DRDO-DIHAR) দ্বারা পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই উটগুলো (Bactrian Camels) ১৫০ থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে। পূর্ব লাদাখের মতো দুর্গম এলএসি (LAC) এলাকায় গোলাবারুদ, খাবার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এরা খচ্চর বা ঘোড়ার চেয়েও বেশি দক্ষ।

    ঐতিহাসিক যোগসূত্র

    ঐতিহাসিকভাবে এই উটগুলো প্রাচীন ‘সিল্ক রুট’-এর মেরুদণ্ড ছিল। চিন, মঙ্গোলিয়া ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। যদিও ভারতে মাত্র ৩৬৫টি এই প্রাজতির উট (Bactrian Camels) রয়েছে। বর্তমানে ভারত সরকার ও সেনাবাহিনী লাদাখের এই বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিকে সংরক্ষণের পাশাপাশি সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার করছে।

    নিরব যোদ্ধা

    ড্রোন এবং রোবোটিক্সের যুগেও লাদাখের এই ‘মুন্দ্রি’ উটগুলো (স্থানীয় নাম) তাদের নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করেছে। গালওয়ান উপত্যকা এবং নুব্রা উপত্যকার নামাঙ্কিত এই উট (Bactrian Camels) দুটি ভারতের সীমান্ত রক্ষায় ‘সাইলেন্ট ওয়ারিয়র’ বা নীরব যোদ্ধা হিসেবে নিজেদের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

  • Mohan Bhagwat: “জাতীয় ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিন্দু সমাজের ঐক্যই মূল চাবিকাঠি,” বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “জাতীয় ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিন্দু সমাজের ঐক্যই মূল চাবিকাঠি,” বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতকে এগিয়ে যেতে হবে এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি অনুকূল হলেও চ্যালেঞ্জও কম নয়। ভারতের অগ্রগতিতে কিছু দেশ অস্বস্তি বোধ করছে, কারণ তারা ভয় পাচ্ছে যে এতে তাদের নিজেদের ‘দোকান’ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তারা ভারতের উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।” মুজাফফরপুরে ‘সামাজিক সদ্ভাব গোষ্ঠী’-তে ভাষণ দেওয়ার সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) এই কথাগুলি বলেন। তাই তাঁর কথায়, “ভয় জয় করতে স্বনির্ভরতা অপরিহার্য এবং স্বনির্ভরতার মাধ্যমেই চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।”

    সামাজিক সম্প্রীতি (Mohan Bhagwat)

    সংঘের (RSS) সর সংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) জোর দিয়ে বলেন, “বিশ্বে সামাজিক সম্প্রীতি অত্যন্ত প্রয়োজন। সম্প্রীতি না থাকলে মানুষ একে অপরের সঙ্গে লড়াই করে নিজেদের ধ্বংস করে ফেলবে। কোনও বিদেশি শক্তি কেবল গায়ের জোরে ভারতকে পরাধীন করতে পারেনি। তারা সফল হয়েছিল আমাদের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের সুযোগ নিয়ে। যখন সমাজে সম্প্রীতি বজায় থাকে, তখন মানুষ একে অপরের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয় এবং অনেক সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়ে যায়।”

    সমাজের জাগরণ

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) সমাজ জাগরণ প্রসঙ্গে বলেন, “সমাজ এখন জাগ্রত হচ্ছে এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লক বা মহকুমা স্তরের নেতাদের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। সমাজ নিজেই এখন উদ্যোগ নিতে পারে।”

    সিস্টেম বনাম সমাজ

    সিস্টেম সম্পর্কে বলতে গিয়ে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “সমস্যা কেবল ব্যবস্থার (System) মাধ্যমে সমাধান করা যায় না। সমস্যার হাত থেকে মুক্তি তখনই আসবে যখন সমাজ একসঙ্গে বসে আলোচনা করবে। সংঘ সমাজকে জাগিয়ে তোলার কাজ করছে। ব্লক স্তরে যারা সামাজিক ও জাতিগত সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের উচিত সমাজের বস্তুগত ও নৈতিক উন্নতির কথা ভাবা।

    সেবা ও ঐক্য

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “কেবল বিত্তবানরাই যে সমাজের সেবা করেন তা নয়। যাঁদের মধ্যে সম্প্রীতির ভাব গড়ে ওঠে, তাঁরাই প্রকৃত অর্থে আর্ত ও বঞ্চিতদের সেবা করতে পারেন। গ্রাম ও ব্লক স্তরে সংঘ বৈঠকের আয়োজন করবে যাতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ এক হয়ে বসে আলোচনা করতে পারে। যখন সবাই একসঙ্গে বসে সমস্যা নিয়ে ভাববে, তখন কোনও বিদেশি শক্তি হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করতে পারবে না।

    জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও হিন্দু রাষ্ট্র

    জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “হিন্দু সমাজকে তিনটি সন্তান নিতে কেউ বাধা দেয়নি, যদিও সরকার ২.১ প্রতিস্থাপন হারের (replacement rate) সুপারিশ করে। ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ (RSS) ঘোষণা করার প্রয়োজন নেই, কারণ এটি ইতিমধ্যেই একটি হিন্দু রাষ্ট্র।

    বিভাজন দূরীকরণ

    সামাজিক বিভাজন নিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “ব্রিটিশরা বিভাজন বাড়িয়ে রাজত্ব করেছিল। এখন সেই বিভাজনগুলো দূর করে হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের চেয়ে হিন্দু সমাজের ঐক্য (RSS) অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সমৃদ্ধির জন্য এই ঐক্য অপরিহার্য।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক ও জাতিগত সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কোভিড-১৯ অতিমারির সময় বিভিন্ন সেবাধর্মী সংস্থা কাজ করেছে। দরিদ্র কন্যাদের বিবাহ দেওয়া, শিশুদের শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান বিষয়ে একাধিক সংগঠন কাজ করেছে। তাই বিভাজন দূরকরে সকলের পাশে দাঁড়িয়ে সকলের সঙ্গে ভাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে হবে।

LinkedIn
Share