Tag: Madhyom

Madhyom

  • Kerala Lok Sabha Election: বাম দুর্গেও ফুটল পদ্ম, কেরল পদ্মময় হতে কত দেরি?

    Kerala Lok Sabha Election: বাম দুর্গেও ফুটল পদ্ম, কেরল পদ্মময় হতে কত দেরি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বার কেন্দ্রে সরকার গড়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ (Kerala Lok Sabha Election)। অষ্টাদশ লোকসভায় নির্বাচন হয়েছিল ৫৪৩টি আসনে। তার মধ্যে এনডিএর ঝুলিতে পড়েছে ২৯৩টি আসন। এর মধ্যে আবার বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি কেন্দ্রের রাশ। অথচ এনডিএকে মাত দিতে কীই না করেছেন বিরোধীরা!

    মোদির রেকর্ড (Kerala Lok Sabha Election)

    পদ্ম বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল জোট বেঁধেছে। জোটের নাম ‘ইন্ডি’। তার পরেও বল্গাহীনভাবে এগিয়েছে এনডিএর জয়যাত্রা। তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির নরেন্দ্র মোদি (Kerala Lok Sabha Election)। যে রেকর্ড ছিল কেবলমাত্র দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর। আজ পদ্ম পার্টি যে রেকর্ড গড়েছে, তা ছুঁতে পারেননি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীও। কংগ্রেস তাঁকে সব চেয়ে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী বলে মনে করত। মোদির এই সাফল্যকে অবশ্য ছোট করে দেখছে কংগ্রেস এবং কমিউনিস্ট পার্টিগুলি।

    বামদুর্গেও পদ্ম

    ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের নির্বাচনের পর এবার এই ২০২৪ সালের নির্বাচনে আরও একটি রেকর্ড গড়েছে গেরুয়া পার্টি। সেটি হল বামদুর্গ বলে খ্যাত কেরলেও এবার ফুটেছে পদ্ম। আরব সাগরের তীরের এই রাজ্যে লোকসভা আসন রয়েছে ২০টি। এই আসনগুলির মধ্যে একটিতে এবার পদ্ম ফুটিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সুরেশ গোপী। কেরলে দীর্ঘকাল যাবৎ বিজেপি- বিরোধী প্রচার চালিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস এবং কমিউনিস্ট। তার পরেও সুরেশ পেয়েছেন চার লাখের কিছু বেশি ভোট। তিনি জয়ী হয়েছেন ৭৪ হাজার ভোটে। ত্রিশূর কেন্দ্রে জিতেছেন তিনি। তিনি পেয়েছেন ৩৭.৮ শতাংশ ভোট। ৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন বাম প্রার্থী। কংগ্রেস পেয়েছে ৩০.১ শতাংশ ভোট। ২০০৪ সালে কেরলে জিতেছিলেন এনডিএ পার্টি। তখন কেরল কংগ্রেস ছিল এনডিএতে। তার পর এতদিন পরে রাজ্যে ফের ফুটল পদ্ম।

    আর পড়ুন: ‘কথা’ রাখলেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ফিরলেন চন্দ্রবাবু

    বামদুর্গ কেরলে ক্রমেই বাড়ছে বিজেপির ভোট। ত্রিশূরে যে কেবল বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, তাই নয়, থিরুভানন্তপুরমে দ্বিতীয় হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থী। এই কেন্দ্রে কংগ্রেসের শশী থারুরের বিরুদ্ধে লড়ে মাত্র ১৬ হাজার ৭৭ ভোটে হেরেছেন বিজেপির রাজীব চন্দ্রশেখর। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কেরলে বিজেপি পেয়েছিল ১৫.৫৬ শতাংশ ভোট। পাঁচ বছর পরে এবার সেই ভোটের হার বেড়ে হয়েছে ১৯.২৪ শতাংশ। ভোট কমেছে কংগ্রেস এবং কমিউনিস্টের। লোকসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, কেরলের ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম হয়েছে বিজেপি। রাজ্যের আটটি কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গেরুয়া পার্টি।

    আরব সাগরের তীরের এই রাজ্য পদ্মময় হতে কী খুব বেশি দেরি আছে (Kerala Lok Sabha Election)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ভুয়ো সুপারিশ পত্রের মাধ্যমে নিয়োগ! এসএসসি দুর্নীতিতে যুক্ত শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীরাও

    SSC Scam: ভুয়ো সুপারিশ পত্রের মাধ্যমে নিয়োগ! এসএসসি দুর্নীতিতে যুক্ত শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নিয়োগের (Recruitment Case) ক্ষেত্রে এক দফতর থেকে অন্য দফতরে কী ভাবে ইমেল চালাচালির মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করা হত, তা জানতে পেরেছে ইডি। আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি,  ভুয়ো সুপারিশ পত্রের মাধ্যমে এসএসসিতে (SSC Scam) প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ১৮৩ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে সিবিআই জানিয়েছে শুধু মন্ত্রী, বা সরকারি আধিকারিক নয় রাজ্য় জুড়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত রয়েছেন বহু শিক্ষকও। অযোগ্য় চাকরিপ্রার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এরকম বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের নাম পেয়েছে সিবিআই।

    আদালতে ইডির দাবি

    আদালতে ইডি দাবি করেছে, এসএসসিতে (SSC Scam) প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ১৮৩ জন অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য তৈরি করা হয়েছিল ভুয়ো সুপারিশপত্র। এর পর সেই সুপারিশপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল মধ্য শিক্ষা পর্ষদ (ডব্লিউবিবিএসই)-এর কাছে। সেই দফতরের কয়েক জন কর্মীর মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের ভুয়ো নিয়োগপত্র প্রকাশিত হত। ইডির দাবি, এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন প্রধান শান্তিপ্রসাদ সিন্‌হার নির্দেশে এই ভুয়ো সুপারিশপত্র তৈরির কাজটি করেছিলেন দফতরের অস্থায়ী কর্মী সমরজিৎ আচার্য। ইডির দাবি, এই সুপারিশগুলো এসেছিল মূলত ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নকুমার রায়ের থেকে। তাঁর হয়ে আবার কাজ করতেন প্রদীপ সিং ওরফে ছোটু।

    কীভাবে করা হত সুপারিশ

    ইডি দাবি করেছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এজেন্টদের সঙ্গে যোগ ছিল প্রসন্নের। ওই এজেন্টদের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের বিষয়ে তথ্য জোগাড় করতেন প্রসন্ন। তার পর বেআইনি ভাবে তাঁদের চাকরির সুপারিশ করতেন শান্তিপ্রসাদের কাছে। সমরজিৎকে অযোগ্য প্রার্থীদের নাম সুপারিশ করে যে ইমেল করেছিলেন ছোটু, তা হাতে এসেছে ইডির। ইডি জানিয়েছে, একটি মেল ২০২০ সালের ১৬ জুন সমরজিৎকে করেছিলেন প্রদীপ। মেলের সঙ্গে ‘একাদশ-দ্বাদশ অ্যালটেড স্কুল-২১’ নামাঙ্কিত একটি ‘অ্যাটাচমেন্ট’ পাঠানো হয়েছে। তাতে ২১ জন প্রার্থীর নাম পাঠানো হয়েছিল। ইডির আরও দাবি, সমরজিৎ এই সুপারিশপত্রের প্রিন্ট করিয়ে পাঠিয়ে দিতেন পর্ষদের দফতরে। সেখানে রাজেশ লায়েক নামে এক কর্মী নিয়োগপত্র (Recruitment Case)  প্রিন্ট করাতেন। সেই কাজটা করতেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে। নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য নিয়োগপত্র প্রিন্ট করাতেন রাজেশ।

    আর পড়ুন: হিন্দুজা পরিবারের চারজনকে কারাবাসের সাজা সুইৎজারল্যান্ডের আদালতের

    যুক্ত শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীরা

    অন্যদিক, ২০১৬ সালের এসএসসি-র প্যানেলে (SSC Scam) অযোগ্য চাকরিপ্রাপকদের চিহ্নিত করার কাজ চালাচ্ছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সি সূত্রে খবর, অযোগ্য় চাকরিপ্রার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ৩৭ জনের নাম পাওয়া গেছে। এর মধ্য়ে রয়েছে বিভিন্ন সকুলে কর্মরত ১১ জন শিক্ষক ও ২ জন অশিক্ষক কর্মীর নাম। অযোগ্য়দের বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ায় কি ভূমিকা ছিল শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের? সরাসরি টাকার লেনদেনেও যুক্ত ছিলেন তাঁরা? জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। সিবিআই সূত্রের খবর, সোমবার থেকে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী সহ ৩৭ জনকে তলব করা হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Uttar Dinajpur: চোপাড়ায় চা বাগান দখল করতে শ্রমিকদের লক্ষ্য করে গুলি তৃণমূল নেতার! আহত ২

    Uttar Dinajpur: চোপাড়ায় চা বাগান দখল করতে শ্রমিকদের লক্ষ্য করে গুলি তৃণমূল নেতার! আহত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চা বাগান দখলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ। পুলিশের সামনে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুজন স্থানীয় ব্যক্তি। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার চোপড়ার নীচাখালি গ্রামের ডানকান-এর আনারকলি চা বাগানে। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যায় চোপড়া থানার পুলিশ। এরপর আহতদের চোপড়া দলুয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়েছে। তৃণমূল নেতার দৌরাত্ম্যে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৭০ বিঘার এই আনারকলি চা বাগান (Uttar Dinajpur) লাভজনক না হওয়ায় বেশ কয়েকবছর আগে বাগান ছেড়ে চলে যায় ‘ডানকান’ সংস্থা। চা বাগান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন বাগানের শ্রমিকরা। শ্রমিকরা তাই বাগানের একাংশে চাষ করে কোনক্রমে সংসার চালাচ্ছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে এই বাগান নিজেদের কব্জায় আনতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন চোপড়া ব্লকের ভবানীপুর এলাকার তৃণমূল নেতা হাসিবুল ইসলাম সহ তাঁর সঙ্গীরা। হাসিবুল ইসলাম স্থানীয় দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। বাগানের শ্রমিকদের উচ্ছেদ করতে চাইলে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ বাঁধে। বিবাদ মেটাতে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানের বাড়িতে সালিশী সভা বসলেও তাতে কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। এরপর শনিবার সকালে হাসিবুল ইসলামের সহযোগিরা বাগান দখল করতে এলে, বাগান দখলে থাকা শ্রমিকরা তাঁদের বাধা দেন। শুরু হয় দুই পক্ষের সংঘর্ষ। এরপর চলে গুলি।

    আরও পড়ুনঃ শিয়ালদায় আরও তিনটি প্ল্যাটফর্ম থেকে চলবে ১২ কামরার ট্রেন, উঠতে পারবেন হাজারেরও বেশি যাত্রী

    আহত শ্রমিকদের বক্তব্য

    আহত শ্রমিক হামিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বললেন, “পুলিশের উপস্থিতিতেই হাসিবুলের লোকজন আমাদের উপর গুলি চালিয়েছেন। স্থানীয় (Uttar Dinajpur) পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।” আক্রান্ত আনোয়ারা আরও বলেন, “তৃণমূল নেতা হাসিবুল, শাহিন, সামসুল সকলে মিলে আমাদের উপর পাথর, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করেন। বাগানের মালিক কোম্পানি অনেকদিন আগে চলে গিয়েছে, আমরা কোনও ক্রমে কাজ করে খাচ্ছিলাম। কিন্তু এটাই তৃণমূলের গুন্ডাদের সহ্য হচ্ছিল না। ওঁরা এসে গুলিও করেছেন।” ঠিক এরপর থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে সরব হন স্থানীয় চা শ্রমিকেরা। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrababu Naidu: ‘কথা’ রাখলেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ফিরলেন চন্দ্রবাবু

    Chandrababu Naidu: ‘কথা’ রাখলেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ফিরলেন চন্দ্রবাবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবারকে অপমান করার অভিযোগে বিধানসভা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। সেদিনই বলেছিলেন, যেদিন মুখ্যমন্ত্রী হবেন, সেদিন ফিরবেন এই ভবনে। ‘কথা’ রাখলেন তিনি। বিধানসভায় ফিরলেন শুক্রবার, ৩১ মাস পরে এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়েই। আড়াই বছরেরও বেশি সময় বিধানসভার বাইরে থাকার পর এদিন সভায় পা রেখেই খানিক আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন চন্দ্রবাবু। বিধানসভায় তাঁকে স্বাগত জানান তেলগু দেশম পার্টির বিধায়ক এবং জোটসঙ্গীরা।

    চন্দ্রবাবুর ‘প্রতিজ্ঞা’

    ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে আলোচনা চলছিল অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায়। এই সময় তৎকালীন শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের বিধায়কদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছিলেন চন্দ্রবাবু। সেই সময় আচমকাই জগন্মোহন রেড্ডির দলের বিধায়করা চন্দ্রবাবুর স্ত্রীকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ (Chandrababu Naidu)। প্রতিবাদে বিধানসভা ছেড়ে চলে যান। সজল চক্ষে বলে যান, “এর পর আমি আর কোনও অধিবেশনে যোগ দেব না। আবার যখন মুখ্যমন্ত্রী হব, তখন বিধানসভায় পা রাখব।” তৎকালীন বিধানসভাকে ‘কৌরবদের সভা’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।

    প্রতিজ্ঞা পূরণ হওয়ায় বিধানসভায়

    উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্সিতে বসেছিলেন জগন্মোহন। চব্বিশের ভোটে পাশা উলটেছে দক্ষিণের এই রাজ্যে। বিজেপি এবং জনসেনা পার্টির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এই নির্বাচনে লড়েছিল টিডিপি। তাতেই উলটে যায় পাশার দান। ১৭৫ আসনের অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ১৩৫ আসনে জয়ী হয় টিডিপি। ২১টি আসনে জেতে জন সেনা পার্টি। রাজ্যের আটটি বিধানসভা কেন্দ্রে ফোটে পদ্ম। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন টিডিপি সুপ্রিমো। এই নিয়ে চতুর্থবার। শুক্রবার পা রাখেন বিধানসভায়।

    আর পড়ুন: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    প্রসঙ্গত, ১২ জুন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন চন্দ্রবাবু। সেদিন কৃষ্ণা জেলার গান্নাভারম বিমানবন্দরের কাছে কেসারাপল্লি আইটি পার্কে বিশাল মঞ্চে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আগামিদিনে অমরাবতীকেই রাজ্যের রাজধানী করা হবে বলেও ঘোষণা করেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের নয়া মুখ্যমন্ত্রী (Chandrababu Naidu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Madras High Court: দুই পার্টনারের একজন বিবাহিত হলে, সেই লিভ-ইন বৈধ নয়, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    Madras High Court: দুই পার্টনারের একজন বিবাহিত হলে, সেই লিভ-ইন বৈধ নয়, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দিতে গিয়ে সম্প্রতি মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court) জানিয়েছে, একজন বিবাহিত পুরুষ অপর মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে থাকলে তাকে কখনও লিভ-ইন বলা যাবে না এবং ওই মহিলাকে উপপত্নী হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের আরও পর্যবেক্ষণ, এই ধরনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কগুলির বৈশিষ্ট্য, বিবাহের যে বৈশিষ্ট্য তার সঙ্গে মেলে না। তা একমাত্র মেলে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে। এই ধরনের সম্পর্ক হল পুরুষ ও তার উপপত্নীর সম্পর্ক। সম্প্রতি এই রায় দিয়েছেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি আরএমটি টীকা রমন।

    মামলাটি হল ২০১৬ সালের

    জানা গিয়েছে মামলাটি হল ২০১৬ সালের। মামলার একপক্ষ হলেন জয়চন্দ্রন। জয়চন্দ্রনের বিবাহ হয় স্টেলা নামের একজন মহিলার সঙ্গে। দম্পতির ৫টি সন্তানও রয়েছে। পরবর্তীকালে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জয়াচন্দ্রন প্রবেশ করেন। জনৈকা মার্গারেট আরুলমোঝির সঙ্গে জয়চন্দ্রন লিভ-ইন শুরু করেন। মার্গারেট ছিলেন ছিলেন মামলাকারী (Madras High Court) ইসুরান্থিনামের কন্যা। লিভ-ইন সম্পর্কে থাকাকালীন ২০১০ সালে জয়চন্দ্রন তাঁর সম্পত্তির বড় অংশ প্রদান করেন মার্গারেটকে। একটি ডিড তৈরি করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে মার্গারেটই হল তার পত্নী। পরবর্তীকালে দেখা যায় মার্গারেটের মৃত্যু হয় ২০১৩ সালে। মৃত্যুর পরে তাঁর পিতা ইসুরান্থিনাম একটি মামলা দায়ের করেন এবং সেখানে ঘোষণা করেন যে সম্পত্তির উপর তাঁর কন্যারই অধিকার। ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী ওই সম্পত্তি তাঁর কন্যা পেয়েছেন বলে দাবি করেন মার্গারেটের বাবা।

    লিভ-ইন-সম্পর্ককে কখনও বিবাহের মতো সম্পর্কে আনা যায় না

    যদিও এখানে মাদ্রাজ হাইকোর্ট স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, জয়চন্দ্রনের সঙ্গে স্টেলার বিবাহ একমাত্র বৈধ এবং মার্গারেটের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও বৈধ নয়। তাকে লিভ-ইনও বলা যায় না। এদিন মামলার রায় প্রদানের সময় মাদ্রাজ হাইকোর্ট উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী একটি মামলার (Madras High Court) রায়েরও। যেখানে বলা হয়েছিল যে সমস্ত লিভ-ইন সম্পর্ককে কখনও বিবাহের মতো সম্পর্কে আনা যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: “টাকা নেবেন, মদ-মাংস খাবেন, দলে থাকার দরকার নেই”, কড়া বার্তা উদয়নের

    Udayan Guha: “টাকা নেবেন, মদ-মাংস খাবেন, দলে থাকার দরকার নেই”, কড়া বার্তা উদয়নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে একমাত্র কোচবিহারেই জয় হাসিল করেছে তৃণমূল। কিন্তু, এই লোকসভার একাধিক বিধানসভার কিছু কিছু জায়গায় তৃণমূল খারাপ ফল করেছে। কোন কোন অঞ্চলে ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে দলের নেতাদের কড়া বার্তা দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। যা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    টাকা নেবেন মদ মাংস খাবেন, দলে থাকার দরকার নেই (Udayan Guha)

    দিনহাটার নৃপেন্দ্র নারায়ণ স্মৃতি সদনে তৃণমূলের সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদয়ন (Udayan Guha) বলেন, “আমরা কোচবিহার শহরে ভোটে হেরেছি। দিনহাটা শহরে ভোটে হেরেছি। দিনহাটা শহরে হারের পিছনে তৃণমূলের কমিটি যেমন দায়ী, তেমনই দিনহাটার নাগরিক হিসাবে আমিও ততটাই দায়ী। কিন্তু, সব থেকে বেশি দায়ী দিনহাটা পুরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর। তাঁরা নিজেদের গায়ে যেন কালি-না লাগে, তাঁদের মানুষ যেন কিছু না বলতে পারেন, তাঁরা ভোটটা এমন করে করেছেন যেন কারও ওপর কোনও জোর দেখাচ্ছি না। কাউকে কোনও হুমকি দিচ্ছি না। একদম সাধুর মতো ভোট করিয়েছেন। তার ফলস্বরূপ আমরা ২,০০০ ভোটে হেরেছি। না-হলে আমরা হারতাম না। এবার যাঁরা সাধুর বেশ ধারণ করেছিলেন, আগামী পুরসভা নির্বাচনে তাঁরা গায়ের জোর না দেখিয়ে কী ভাবে ভোটে জেতেন সেটাই দেখার।”আরও কড়া ভাষায় উদয়ন বলেন, “কোথাও যদি কারও দোকান বন্ধ করে দিয়ে কাউকে হুমকি দিয়ে টাকা তোলা হচ্ছে, মাংস খাওয়া হচ্ছে, মদ খাওয়া হচ্ছে তাহলে তার দল করার প্রয়োজন নেই। টাকা নেবেন আপনারা, মদ খাবেন আপনারা, মাংস খাবেন আপনারা আর দুর্নাম পেতে হবে দলকে। সেটা আমরা মেনে নেব না।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির জেলা (Cooch Behar) সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, “সন্ত্রাস ছাড়া তৃণমূল  জিততে পারবে না, তারা ভাল মতো জানে। এবার দলের মন্ত্রীর কথাতেই আরও তা স্পষ্ট হয়ে গেল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) আবারও চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির৷ রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু বর্তমানে জেলে। এই আবহে এবার আদালতে রেশন-মামলায় ১০ হাজার কোটির দুর্নীতির কথা জানাল ইডি। এর মধ্যে ১ হাজার কোটির মালিকানাও জেনে গিয়েছে তাঁরা। তবে রেশন দুর্নীতির বাকি ৯ হাজার কোটি টাকার উৎস কী এবার সেদিকেই নজর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।   

    ইডির দাবি (ED) 

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বাকি এই ৯ হাজার কোটির দুর্নীতি (Ration Scam) করেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে থাকা আরও একাধিক রাইস ও আটা মিল এবং এই সমস্ত রাইস মিল ও আটা মিলগুলির মালিকদের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তবে এই সকল প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের নাম পরিচয় এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আনেননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই সকল প্রভাবশালী আটা এবং রাইস মিলের মালিকদের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি৷ মূলত তদন্তকারী আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করবেন যে, ওই সকল রাইস মিল এবং আটা মিলের মালিকরা তাঁদের টাকা কোথায় পাঠাতেন? কার কার কাছে যেত সেই টাকা৷  

    আরও পড়ুন: ১৫ মিনিটের বেশি দেরি হলেই অর্ধদিবস ছুটি কাটা! সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নিয়ম কেন্দ্রের

    শুক্রবার বিশেষ ইডি আদালতে রেশন মামলায় (Ration Scam) ধৃত বাকিবুর রহমান, তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যদের জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। সেখানেই ১০ হাজার কোটির দুর্নীতির কথা ফাঁস করে ইডি (ED)। প্রসঙ্গত, এর আগে এই বাকিবুরকে জেরার সময়ই উঠে এসেছিল বালুর নাম। এরপর তাঁর গ্রেফতারি হয়। তবে এবার ইডির এই তদন্তে আবারও নতুন কোনও মোড়ের দেখা মিলবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohammed Shami: শুরু করলেন অনুশীলন, চলতি বছরেই কি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে ফিরবেন শামি?

    Mohammed Shami: শুরু করলেন অনুশীলন, চলতি বছরেই কি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে ফিরবেন শামি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোড়ালিতে চোট নিয়েই গত বছর একদিনের বিশ্বকাপে খেলেছিলেন মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। দেখা গিয়েছিল তাঁর স্বপ্নের স্পেল। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েও তার পর থেকেই মাঠের বাইরে শামি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে গোড়ালিতে অস্ত্রোপচার হয় তাঁর। কিন্তু এখনও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি। আরও কয়েক মাস সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বেঙ্গালুরুর জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে (National Cricket Academy) বল করতে শুরু করে দিয়েছেন লড়াকু শামি।

    কেমন আছেন শামি

    এনসিএ-তে (National Cricket Academy) চিকিৎসক নীতীন প্যাটেল এবং স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ রজনীকান্তের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। তাঁর ছোটবেলার কোচ বদরুদ্দিন বলেন, “শামি বোলিং শুরু করেছে। লম্বা রান আপ নিয়ে বল করছে না। বল ছাড়ার সময় পুরো কোমর ভাঙছে না। কিন্তু বল করছে এটাই বড় ব্যাপার।” শামির এক পরিচিত বলেন, “খুব তাড়াতাড়ি ভারতীয় জার্সিতে দেখা যাবে শামিকে। সমাজমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে ও কী ভাবে উন্নতি করছে। খুব পরিশ্রম করছে ও। তবে স্বাভাবিক ভাবে বোলিং শুরু করলে স্পষ্ট ভাবে বলা সম্ভব শামি কবে মাঠে ফিরবে।”  

    আরও পড়ুন: রানে ফিরতে মরিয়া কোহলি, বাংলাদেশকে হারিয়ে আজই শেষ চার নিশ্চিত করতে চায় ভারত

    কবে ফিরবেন শামি

    ঋষভ পন্থ, যশপ্রীত বুমরা, লোকেশ রাহুল এবং শ্রেয়স আয়ারকে বড় চোটের পর সুস্থ করে তুলেছিল জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি (National Cricket Academy)। তাঁদেরও রিহ্যাব করতে হয়েছিল। গত ছ’মাস ক্রিকেট না খেলা শামিকেও (Mohammed Shami) রিহ্যাবের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে শেষ বার খেলতে দেখা গিয়েছিল মহম্মদ শামিকে। আশা করা হচ্ছে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে শামিকে খেলতে দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজে তাঁকে ফেরানোর চেয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজকে। ভারত ৫ নভেম্বর টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় সফর করবে। সেই দলে শামিকে পেতে চাইছে টিম ইন্ডিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ভারতের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Neet Paper Leak: নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস! গ্রেফতার ১৮, মূল মাথা হিসেবে উঠে আসছে বিহারের সঞ্জীব মুখিয়ার নাম

    Neet Paper Leak: নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস! গ্রেফতার ১৮, মূল মাথা হিসেবে উঠে আসছে বিহারের সঞ্জীব মুখিয়ার নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের (Neet Paper Leak) ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব থেকে চমকপ্রদ তথ্য হল, বিহার থেকে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে যার মধ্যে একজন রয়েছে ছাত্র, তার কাকা এবং দুজন দালাল। পুলিশের কাছে জবানবন্দিতে অভিযুক্তরা জানিয়েছে, তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিল এবং চার প্রার্থীকে সেই প্রশ্নপত্র এবং তার উত্তর মুখস্ত করিয়েছিল।  নিট পরীক্ষার জন্য প্রতি প্রার্থীপিছু রেট ছিল ৪০ লাখ টাকা। কিন্তু কে ছিল এই গোটা প্রক্রিয়ার মাস্টারমাইন্ড? বিহার পুলিশের ইকোনমিক অফেন্স শাখা ইতিমধ্যেই নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্ত শুরু করেছে। সেখানে উঠে এসেছে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে সঞ্জীব মুখিয়ার নাম।

    মাস্টার মাইন্ড বিহারের কলেজ কর্মী সঞ্জীব মুখিয়া

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে সঞ্জীব মুখিয়া (Neet Paper Leak) হল বিহারের নালন্দা জেলার বাসিন্দা। তার প্রকৃত নাম আসলে সঞ্জীব সিং এবং তার স্ত্রী মমতাদেবী হল স্থানীয় একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বা মুখিয়া। তাই সঞ্জীব সিংকে, সঞ্জীব মুখিয়া নামে সম্বোধন করা হয়। তার স্ত্রী বর্তমানে লোক জনশক্তি পার্টির নেত্রী। ২০২০ সালে ওই দল থেকে তিনি বিধানসভা বিধানসভা নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বলে জানা যায়। তবে হেরে যান। পুলিশ সূত্রের দাবি, সঞ্জীবই প্রথমে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে এবং তা তুলে দেয় জনৈক রকি নামে আরেকজনের হাতে। রকি বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

    সঞ্জীব এর আগেও একাধিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় জড়িত

    এটাও তদন্তে জানা গিয়েছে, সঞ্জীব এর আগেও একাধিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় জড়িত। প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় সে জেলও খেটেছে। জানা গিয়েছে সঞ্জীবের ছেলে বর্তমানে পেশায় একজন ডাক্তার। এর আগে বিহারের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তাকেও গ্রেফতার করা হয় এবং বর্তমানে সে জেলেই রয়েছে। একসঙ্গে এই পিতা-পুত্র জুটি নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতিতে যুক্ত ছিল বলে দাবি পুলিশের। পেশার দিক থেকে সঞ্জীব নালন্দা কলেজের একজন টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট।

    প্রতি প্রার্থীর কাছ থেকে ৩০ থেকে ৫০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল

    তদন্তকারী আধিকারিকরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রতি প্রার্থীর কাছ থেকে ৩০ থেকে ৫০ লাখ টাকা (Neet Paper Leak) নেওয়া হয়েছিল। লজে তাদেরকে থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। এ নিয়ে এক নিট পরীক্ষার্থীর স্বীকারোক্তি, ৫ মে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার একদিন আগেই সে প্রশ্নপত্র পেয়েছিল। তার আরও দাবি তার মত আরও ২৫ জন প্রার্থীকে এই প্রশ্নপত্রগুলি দেওয়া হয়েছিল।

    হাজারিবাগের একটি সেন্টার থেকে নিটের প্রশ্নপত্র প্রথম ফাঁস হয়েছিল?

    অন্যদিকে, শুক্রবারে ঝাড়খণ্ডের দেওঘর থেকে সিকন্দর সমেত আরও চারজনকে গ্রেফতার করে বিহার পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি হাজারিবাগের একটি সেন্টার থেকে নিটের প্রশ্নপত্র প্রথম ফাঁস হয়েছিল এবং সিকন্দর এই কেলেঙ্কারির অন্যতম মাথা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে সিকন্দর ছাড়াও রয়েছেন নিট পরীক্ষার্থী (Neet Paper Leak) অনুরাগ যাদব, নীতীশ কুমার এবং অমিত আনন্দ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত পরীক্ষার্থীরা স্বীকার করেছেন যে পরীক্ষার আগের দিন তাঁরা প্রশ্নপত্র পেয়েছিলেন এবং সেই প্রশ্নের উত্তরও মুখস্থ করানো হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sealdah Station: শিয়ালদায় আরও তিনটি প্ল্যাটফর্ম থেকে চলল ১২ কামরার ট্রেন, উঠতে পারবেন হাজারেরও বেশি যাত্রী

    Sealdah Station: শিয়ালদায় আরও তিনটি প্ল্যাটফর্ম থেকে চলল ১২ কামরার ট্রেন, উঠতে পারবেন হাজারেরও বেশি যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়ালদা স্টেশনের (Sealdah Station) ১, ২ এবং ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ১২ কামরার লোকাল ট্রেন ছাড়া শুরু হয়েছে। আজ শনিবার থেকেই তিনটি প্ল্যাটফর্ম সচল হয়ে গিয়েছে। মাত্র আর কয়েক দিনের মধ্যে ৩ এবং ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। বাকি দুটি প্ল্যাটফর্ম থেকেও ১২ কোচের লোকাল চালাচল শুরু হবে। যাত্রীদের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

    রেলের ঘোষণা (Sealdah Station)

    পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, রেল সবসময় পরিষেবা উন্নত করার প্রচেষ্টা করে থাকে। শিয়ালদা (Sealdah Station) অত্যন্ত ব্যস্ত রেল স্টেশন তাই নবতম সংযোজন স্টেশনের জন্য অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং কেবিনের প্রতিস্থাপন। ১ থেকে ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ হয়েছে। এই শিয়ালদার তিনটি শাখার মধ্যে দক্ষিণ শাখার সমস্ত ইএমইইউ ট্রেনকে ১২ কামরার করা হয়েছে। কিন্তু উত্তর এবং মেইন শাখায় এখনও বেশির ভাগ ট্রেন ছিল ৯ কামরার। ট্রেনে ভিড় এবং জনসংখ্যার চাপ সামালতে ব্যাপক হিমশিম খেতে হতো। তাই এবার থেকে ১২ কামরার ট্রেন চালানো হবে উত্তর এবং মেইনে। ১২ কামরার ট্রেন চালালে প্রায় এক হাজার জনের অতিরিক্ত যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে। ট্রেনের আসন সংখ্যা ২৫ শতাংশ বেশি হবে। ফলে দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

    জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    পূর্বরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, “পূর্ব রেল নির্ভরযোগ্য এবং যাত্রী-কেন্দ্রিক পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিয়ালদা (Sealdah Station) ১, ২ এবং ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ১২ কামরার ট্রেন চালু হওয়ার ফলে যাত্রীরা আরও সুবিধাজনক এবং নিরাপদ ভাবে যাত্রা করতে পারবেন।’’

    আরও পড়ুনঃ মরসুমের প্রথম ইলিশ ঢুকল ডায়মন্ড হারবারে, কত টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে জানেন?

    দুর্ভোগে পড়তে হতো

    শিয়ালদা (Sealdah Station) দক্ষিণ শাখার তুলনায় উত্তর এবং মেনের প্ল্যাটফর্ম দীর্ঘ না হওয়ায় ৯ কামরার ট্রেন চালানো হত। কিন্তু অফিস টাইমে ব্যাপক ভিড়ের কারণে যাত্রীদের যাতায়তে ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হতো। এই নিয়ে একাধিকবার যাত্রীরা ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। এবার থেকে ১২ কোচের ট্রেন চলায় সুবিধা হবে। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে বারাসত, ব্যারাকপুর, শান্তিপুর, নৈহাটি, শ্যামনগর, বনগাঁ, ডানকুনি, সোদপুর, খড়দহ-সহ বিভিন্ন স্থানের যাত্রীদের বিধাননগর, দমদম স্টেশন থেকে উঠতে সুবিধা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share