Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sreerupa Mitra: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টোটো চালিয়ে প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা

    Sreerupa Mitra: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টোটো চালিয়ে প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারে (Vote Campaign) বেরিয়ে এবার টোটো ও অটো চালিয়ে জনসংযোগ করলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী (Sreerupa Mitra)। আজ বুধবার সকালে মালদা ইংরেজ বাজার শহরের রথবাড়ি বাজারে ভোট প্রচার করতে যান তিনি। বাজারে গিয়ে সবজি কেনেন। এরপর রথবাড়ি অটো স্ট্যান্ডে অটো ও টোটো চালিয়ে জনসংযোগ করেন এই মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী।

    অভিনব উপায়ে জনসংযোগ (Sreerupa Mitra)

    একই সাথে এদিন নির্বাচনী জনসংযোগ করতে গিয়ে অটো চালকদের সাথে কথা বললেন শ্রীরূপা (Sreerupa Mitra)। এছাড়াও পথ চলতি সাধারণ মানুষের সাথেও কথা বলেন তিনি। উল্লেখ্য এবারের লোকসভা নির্বাচনে মালদা দক্ষিণ থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন ইংরেজবাজারের বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। লোকসভা ভোটের (loksabha vote) আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগে জোরকদমে প্রচারে নেমেছেন প্রায় প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। আর এবার সেই তালে তাল মেলাতেই অভিনব উপায়ে জনসংযোগ সারলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী।

    আগেও সবজি বিক্রি করেছেন ভোট প্রচার

    যদিও আজই প্রথম নয়, এর আগে প্রচারে বেরিয়ে বাজারে সবজি বিক্রি করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। শুধু সবজি বিক্রি নয় মাটির হাঁড়ি-কলসির দোকানেও বসতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এরপরে চায়ের দোকানেও দেখা মিলেছে তাঁর। নিজে হাতে চা বানিয়ে কর্মী-সমর্থকদের খাইয়েছিলেন (Sreerupa Mitra) তাঁকে দেখতে সেখানে ভিড় জমিয়েছিলেন অনেকেই।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

    নিখোঁজ পোস্টার

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভোটের আগে মালদা দক্ষিণের এই বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নিখোঁজ পোস্টার পড়েছিল। তাঁর বিধানসভা এলাকার পোস্ট অফিস মোড়, মালদা মেডিক্যাল কলেজ চত্বর, কানির মোড়-সহ বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়েছিল ইংরেজবাজারের বিধায়ক এবং মালদা দক্ষিণের বিজেপির প্রার্থী (BJP candidate) শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর (Sreerupa Mitra) নামে। আর তা নিয়ে একে অপরকে বিঁধেছে তৃণমূল-বিজেপি। পোস্টারকাণ্ডে বিজেপির সন্দেহে তৃণমূল কংগ্রেস। পাল্টা বিজেপির একাংশের কাজ বলে কটাক্ষ তৃণমূলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Birbhum: ব্যতিক্রমী ঘটনা! সবাইকে তাক লাগিয়ে দ্বিজা হল সিউড়ির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী

    Birbhum: ব্যতিক্রমী ঘটনা! সবাইকে তাক লাগিয়ে দ্বিজা হল সিউড়ির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফকির লালন বলেছিলেন, “বামুন চিনি পৈতে প্রমাণ, বামনি চিনি কী প্রকারে?”। সত্যিই, পৈতে তো শুধু ব্রাহ্মণ ছেলেদেরই হয়, মেয়েদের তো হয় না। ফকির লালনশাহের এই প্রশ্নের উত্তর ছিল না যুগ যুগ ধরে। কিন্তু আজ ২০২৪ সালে ঠিক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটল বীরভূমের (Birbhum) সিউড়িতে। শোনা যায় বৈদিক যুগে মেয়েরাও ‘দ্বিজা’ হতেন, অর্থাৎ মেয়েদেরও পৈতে হত। আর সেই হারিয়ে যাওয়া বৈদিক যুগের রীতি অনুযায়ী আবার প্রথমবার সবাইকে তাক লাগিয়ে দ্বিজা হল সিউড়ির পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী কৈরভী। কৈরভী এখনও জানে না, ধর্ম, নিয়ম, রীতি, বৈদিক যুগ কী জিনিস। তবে তার মা-বাবার এরকম একটা অতুলনীয় সিদ্ধান্ত গোটা ভারতবর্ষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

    সাধারণ পৈতের নিয়ম মেনেই হল সবকিছু, দেখতে ভিড় (Birbhum)

    এই ধরনের একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখতে ভিড় করে আশপাশের অনেক মানুষ। সবাই এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। কৈরভীর মা-বাবা কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। তাঁরা চিকিৎসক দম্পত্তি। কিন্তু এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। ছেলেদের পৈতে হয়, সে তো সবাই জানে। কিন্তু প্রথমবার মেয়ের পৈতের ব্যাপারটি নিয়ে অনেক বিস্ময়সূচক প্রশ্নের জবাব দিতে হয় কৈরভীর মা কৌশানী চট্টোপাধ্যায়কে (Birbhum)। আর সব প্রশ্ন, বিস্ময়কে কাটিয়ে সমাজে মেয়েদের ভূমিকা, অধিকার বুঝিয়ে দিতেই তাঁদের ইচ্ছা পূরণ করে ফেলেন। এই সিদ্ধান্ত যে শুধুমাত্র ইচ্ছার ওপর ভর করেই সম্পন্ন হয়েছে তা নয়, বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ, ইতিহাস ঘেঁটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসক দম্পতি। বৈদিক যুগে প্রচলিত ছিল মেয়েদের দ্বিজা প্রথা। আর সেই বৈদিক যুগের পর বর্তমানে পুনরাবৃত্তি হল সেই প্রথার।

    বৈদিক যুগে কি সত্যিই মেয়েদের উপনয়ন হত? কী বলছে শাস্ত্র?

    বৈদিক যুগে নারীদের পবিত্র ব্রহ্মসূত্র দ্বারা দীক্ষিত করা হত, অর্থাৎ তাঁদের উপনয়ন হত।  তাঁরা গায়ত্রী মন্ত্র জপ করতেন, এমনকি পবিত্র অগ্নিযজ্ঞ আরাধনা করতেন, যা একজন পুরুষের সমান। সেই যুগের নারীকে দুই ভাগে ভাগ করা হত। এক সদ্যবধূ ও ব্রহ্মবাদিনী। এক পবিত্র উৎসবের দ্বারা ব্রহ্মসূত্রে উপনীত করে যাদের বিবাহ হত, সেই নারীকে সদ্যবধূ বলা হত। অপরদিকে ব্রহ্মবাদিনীরা বিবাহ করতেন না, তাঁরা সেই যুগের পুরুষদের মতোই ব্রহ্মচর্য পালন করতেন। মহাভারতে পান্ডব মাতা কুন্তীও ব্রহ্মসূত্রে ভূষিতা ছিলেন অর্থাৎ তাঁর পৈতে ছিল (Birbhum)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Patanjali Case: আয়ুষ না অ্যালোপ্যাথি, পছন্দ হওয়া উচিত ব্যক্তিগত, পতঞ্জলি মামলায় জানাল কেন্দ্র

    Patanjali Case: আয়ুষ না অ্যালোপ্যাথি, পছন্দ হওয়া উচিত ব্যক্তিগত, পতঞ্জলি মামলায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ না অ্যালোপ্যাথি কোন পদ্ধতিতে কেউ চিকিৎসা করাবেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ। এবং কোনও একটি পদ্ধতিকে নিরুৎসাহ করাও উচিত নয়। পতঞ্জলি মামলায় (Patanjali Case) বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। যোগগুরু রামদেবের পতঞ্জলি আর্য়ুবেদ সংস্থার বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা বিজ্ঞাপনী মামলা চলছে দেশের শীর্ষ আদালতে। এই মামলায় আগের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য ছিল, “সরকার চোখ বন্ধ করে বসে রয়েছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। সরকারকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।” এর পরেই এদিন আদালতে ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়টি জানাল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রের হলফনামা (Patanjali Case)

    সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, কোনও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্যের। তবে কেন্দ্রীয় সরকার আইন অনুযায়ী সময়মতো ব্যবস্থা নিয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রকের তরফে সংশ্লিষ্ট সংস্থাটিকে বলা হয়েছিল, পরীক্ষা না করা পর্যন্ত এই জাতীয় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যাবে না। বিষয়টি (Patanjali Case) জানানো হয়েছিল রাজ্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষকেও। বলা হয়েছিল, ‘করোনিল’ ট্যাবলেট কোভিড ১৯ সহায়ক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। করোনা নিরাময়ের জন্য মিথ্যা দাবিগুলির বিরুদ্ধে সক্রিয় পদক্ষেপও করেছে কেন্দ্র।

    ‘করোনিল কিট’

    ২০২০ সালের ২৩ জুন বাজারে ‘করোনিল কিট’ নিয়ে আসে রামদেবের সংস্থা। কিটে ছিল ‘করোনিল’ ও ‘শ্বাসারি’ বটি নামে দু’প্রকার ট্যাবলেট এবং ‘অণু তৈল’ নামের এক শিশি তেল। কিটের দাম ছিল ৫৪৫ টাকা। সংস্থার দাবি, সব মিলিয়ে ২৩ লক্ষ ৫৪ হাজার করোনিল কিট বিক্রি করেছে পতঞ্জলি। এই করোনিল নিয়েই বিজ্ঞাপন দিয়েছিল রামদেবের সংস্থা। তার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। তাদের অভিযোগ ছিল, পতঞ্জলির বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা ও চিকিৎসককে অসম্মান করা হয়েছে। বিজ্ঞাপণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগও ওঠে।

    আরও পড়ুুন: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

    এতেই চাপে পড়ে যান যোগগুরু। সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। হলফনামা দিয়ে তাঁকে নিঃশর্ত ক্ষমাও চাইতে হয়েছে শীর্ষ আদালতে। ক্ষমা চাইতে হয়েছে পতঞ্জলির এমডি আচার্য বালকৃষ্ণকেও। এই জাতীয় ভুলের পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও আদালতে জানিয়েছিলেন রামদেব ও তাঁর সহযোগী বালকৃষ্ণ (Patanjali Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: দেওয়াল লিখন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ, বোমাবাজি, ঝলসে গেল এক নাবালকের পা

    Murshidabad: দেওয়াল লিখন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ, বোমাবাজি, ঝলসে গেল এক নাবালকের পা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে দলেরই একাধিক বিধায়ক, কর্মীরা মেনে নিতে পারেননি। ভরতপুরের বিধায়ক তো প্রকাশ্যে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এই আবহের মধ্যে এবার ইউসুফ পাঠানের নামে দেওয়াল লিখনকে ঘিরে তুমুল গন্ডগোল বাঁধল। বিধায়ক বনাম দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের মধ্যে গন্ডগোল প্রকাশ্যে চলে এল। চলল বেপরোয়া বোমাবাজি। আহত এক নাবালক-সহ মোট ৬ জন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগরের আন্দুলবেড়িয়ায়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার আধিপত্য নিয়ে দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের গোষ্ঠীর সঙ্গে রেজিনগরের বিধায়ক তথা বহরমপুর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের অনুগামীদের বিবাদ অনেক পুরানো। মাঝে মধ্যেই তাঁদের মধ্যে ঝামেলা হত। কিন্তু, নির্বাচনের প্রাক্কালে বিষয়টি আরও বেশি করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অভিযোগ, বুধবার দুপুরে আন্দুলবেড়িয়া এলাকায় দেওয়াল লিখতে গিয়েছিলেন এলাকার তৃণমূল নেতা রবিউল আলম গোষ্ঠীর অনুগামীরা। সে সময়ে আবার ওই এলাকায় ছিলেন ব্লক সভাপতি, পঞ্চায়েত সভাপতির অনুগামীরা। দেওয়াল লিখনের সময়েই রবিউল আলমের গোষ্ঠীর লোকেদের ওপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। বাড়ির সামনেই ছিল বছর দশেকের এক নাবালক। বোমার স্প্লিন্টার ছিটকে এসে ঝলসে যায় তার পা। বোমাবাজির মধ্যে পড়ে আহত হন আরও পাঁচ জন। ক’দিন আগেই মুর্শিদাবাদে বোমা ফেটে এক ব্যক্তির হাত উড়ে গিয়েছে। এলাকায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার মধ্যেই এই ধরনের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুন: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহ-র

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    বিধায়ক রবিউল আলম বলেন, এটা দুজনের পারিবারিক বিষয়, দেওয়াল লিখন না। তৃণমূলের মধ্যে কোনও কোন্দল নেই। মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিধায়ক বিরোধী গোষ্ঠী তথা দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

    Loksabha Election 2024: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে তৃণমূলকে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি (Loksabha Election 2024)। দশম দফার প্রার্থিতালিকায় ঘোষণা করা হল বাংলার এই লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম। আসানসোলে পদ্ম প্রতীকে লড়বেন প্রবীণ বিজেপি নেতা সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী চিত্র তারকা শত্রুঘ্ন সিনহা। আর আলুওয়ালিয়া ‘ভূমিপুত্র’।

    আসানসোলের ‘ভূমিপুত্র’ (sabha Election 2024)

    পদ্ম-প্রার্থীর জন্ম আসানসোলে। পড়াশোনা সেন্ট জোসেফ স্কুলে। বাবার চাকরির সূত্রে অসমে চলে গেলেও, আসানসোলের সঙ্গে বন্ধন ছিন্ন হয়নি তাঁর। কলেজের পাট চুকিয়ে আলুওয়ালিয়া আইন পড়তে শুরু করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিয়ে করেন অবিভক্ত বর্ধমানের মেয়েকে। সেই অর্থে তিনি বাংলার জামাই। পদ্ম চিহ্নে এই প্রথম নয়, আগেও লড়েছেন পাঞ্জাবি আলুওয়ালিয়া (Loksabha Election 2024)। দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে জিতে পা রাখেন সংসদে। পরে জয়ী হন বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্র থেকেও। এবার লড়ছেন আসানসোল কেন্দ্র থেকে। এই কেন্দ্রে শত্রুঘ্নকে মাত দিতে বিজেপি প্রথমে প্রার্থী করেছিল ভোজপুরি শিল্পী পবন সিংকে। পরে কিস্তি মাত দিতে তাঁকে সরিয়ে ঘোষণা করা হয় আলুওয়ালিয়ার নাম।

    রাজনীতির আঙিনায় মৌ-লোভীর দল!

    ২০১৪ সালে আসানসোল কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করে সঙ্গীত শিল্পী বাবুল সুপ্রিয়কে। পদ্মের টিকিটে হইহই করে জিতে যান রাজনীতির আঙিনায় সদ্য পা রাখা বাবুল। মোদি ম্যাজিকে ভর করে উনিশের লোকসভা নির্বাচনেও জয়ী হন বাবুল। পরে মন্ত্রিত্ব খোয়া যাওয়ায় পদ্ম-মালঞ্চ ছেড়ে মধুর খোঁজে বাবুল গিয়ে বসেন ঘাসফুলে। বাবুল সাংসদ পদে ইস্তফা দিতেই অবাঙালি অধ্যুষিত এই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে শত্রুঘ্নকে প্রার্থী করে তৃণমূল। তাঁর নিজস্ব ক্যারিশ্মার জেরেই আসানসোলের কালো হিরের খনিতে ফোটে ঘাসফুল। সেই শত্রুঘ্নকেই ফের প্রার্থী করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    আরও পড়ুুন: “ভূপতিনগরের অভিযুক্তদের সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বাংলার জামাই। নাম ঘোষণা হয়েছে শুনে তিনি বলেন, “প্রার্থিতালিকা দেখেই জানলাম। বৃহস্পতিবারই আসানসোলে যাচ্ছি।” পক্ষকালের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আলুওয়ালিয়াকে। আজ পর্যন্ত হারেননি নির্বাচনে। এবারও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, আলুওয়ালিয়া জিতলে বিজেপি মোক্ষম জবাব দিতে পারবে এক ‘গুণীজন’কে। মধুর লোভে যিনি পা রেখেছেন রাজনীতির আঙিনায়। পদ্মকানন ছেড়ে যিনি আশ্রয় নিয়েছেন ‘দুর্নীতি’র পাঁকে বেড়ে লকলকিয়ে বেড়ে ওঠা ঘাসফুলের জঙ্গলে (Loksabha Election 2024)।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar Case: রক্ষাকবচ এনআইএ আধিকারিকদের, ভূপতিনগরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

    Bhupatinagar Case: রক্ষাকবচ এনআইএ আধিকারিকদের, ভূপতিনগরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগর কাণ্ডে (Bhupatinagar Case) এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এনআইএ আধিকারিকদের রক্ষাকবচ দিল আদালত। কোনও এনআইএ অফিসারকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কোনও এনআইএ অফিসারকে এই মামলায় যদি জেরা করতে হয়, তাহলে তা করতে হবে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে। থানায় তলব করা যাবে না। ভিডিয়ো জেরার জন্যেও ৭২ ঘণ্টা আগে পুলিশকে নোটিশ পাঠাতে হবে।

    আদালতের প্রশ্ন

    গত ৬ এপ্রিল সন্দেশখালির পুনরাবৃত্তি দেখা গিয়েছিল ভূপতিনগরে (Bhupatinagar Case)। যেখানে তল্লাশিতে গিয়ে এনআইএ আধিকারিকদের নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে অফিসারদের বিরুদ্ধেই কেন অভিযোগ? তাও আবার গুরুতর ধারায়? হাইকোর্টে এমন প্রশ্নের মুখেই পড়তে হল পুলিশকে। বুধবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর পর্যবেক্ষণ, স্থানীয় থানার পুলিশকে জানিয়ে গত শনিবার এনআইএ  আধিকারিকরা বৈধ তল্লাশিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ভোরবেলায় পুলিশ ফোর্স জোগাড় করতে পারেনি। সেটা পুলিশের ব্যর্থতা। এনআইএ-র তরফের আইনজীবী এদিন আদালতে দাবি করেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী ওই এলাকায় কাজ করতে যায় এনআইএ। এই সময় এনআইএ-র তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছে তৃণমূলের একটি পরিবার। ওই পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এফআইআরও রুজু করেছে। পুলিশ এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ৩২৫ ধারা যুক্ত করেছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    ৩২৫ ধারা কেন

    কেন এনআইএ অফিসারদের বিরুদ্ধে ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত পুলিশকে বলেন, “কোনও প্রমাণ ছাড়া অফিসারের বিরুদ্ধে গুরুতর আহত করার ধারা কেন যুক্ত করলেন? কেস ডায়েরিতে আঁচড় বা গুরুতর আঘাতের কোনও উল্লেখ নেই। তাও কীভাবে ৩২৫ ধারা? কে তদন্ত করছিলেন? প্রাথমিক তদন্তের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন?” মেডিক্যাল রিপোর্ট না দেখে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত না  করেই পুলিশ এই ধারা  যোগ করেছে। তাই পুলিশের এই এফআইআর বিধি সম্মত নয়। মামলার পরবর্তী শুনানি  ২৯ এপ্রিল। ওই দিন পুলিশকে কেস ডায়েরি সহ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tuberculosis: ফুসফুসেই নয়, হাড়েও হানা দিচ্ছে যক্ষ্মার জীবাণু! কীভাবে চিনবেন এই রোগ?

    Tuberculosis: ফুসফুসেই নয়, হাড়েও হানা দিচ্ছে যক্ষ্মার জীবাণু! কীভাবে চিনবেন এই রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    লাগাতার কাশি, জ্বর, দুর্বলতা। আর তার সঙ্গে হঠাৎ মুখ থেকে রক্ত পড়ার মতো উপসর্গের বিষয়ে অনেকেই জানেন। ফুসফুসে যক্ষ্মা (টিবি) হলে এমনই লক্ষণ দেখা দেয়। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, টিবি শুধু ফুসফুসে নয়। হাড়েও হানা‌ দিচ্ছে এই জীবাণু। কিন্তু এই টিবির (Tuberculosis) উপসর্গ অনেকটাই আলাদা। অনেক সময়েই সচেতনতার অভাবে এই রোগ প্রাথমিক পর্বে চিহ্নিত হচ্ছে না। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোগ দেরিতে নির্ণয় হওয়ায় চিকিৎসা শুরু করতেও অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। তার জেরে বিপদ বাড়ছে। তবে প্রথম থেকেই সতর্ক হলে এই রোগ মোকাবিলা সম্ভব। এমনকি খাবারে বিশেষ নজরদারি রোগ প্রতিরোধ করতেও সক্ষম হয়। তাই হাড়ের যক্ষ্মা নিয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

    কীভাবে এই রোগ‌ চিহ্নিত করা সম্ভব? (Tuberculosis)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাইক্রোব্যাকটেরিয়াল টিউবারকুলেসিস জীবাণুর জন্য হাড়ে যক্ষ্মা রোগ হয়। মূলত অপুষ্টি, সঠিক পুষ্টির অভাবের জেরেই হাড়ে এই রোগ বাসা বাঁধে।মেরুদণ্ডেই মূলত এই রোগ সংক্রমণ দেখা‌ যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা, লাগাতার যন্ত্রণা এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। হাত ও পায়ের হাড়ের বিভিন্ন অংশ ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। আবার কখনও কখনও আক্রান্ত হাড়ের নির্দিষ্ট অংশে অসাড়তা অনুভব করেন।‌ তবে এর পাশপাশি শরীরের ওজন মারাত্মক কমে যাওয়া হাড়ের টিবির অন্যতম লক্ষণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাছাড়া রাতের দিকে অত্যাধিক ঘাম হওয়া এবং হালকা জ্বর আসার উপসর্গ দেখা দেয়।

    হাড়ের যক্ষ্মা রুখতে কী ডায়েট মেনে চলা জরুরি? (Tuberculosis) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঠিকমতো খাবার না খাওয়ার জেরেই হাড়ের যক্ষ্মার মতো রোগ দেখা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই খাবার না‌ থাকা মূল কারণ হয় না। আক্রান্তেরা জানেন না, কী ধরনের খাবার খেলে এই রোগ রুখতে পারবেন। তাই তাদের ভোগান্তি হয়। কিন্তু প্রথম থেকেই ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খেলে হাড়ের যক্ষ্মার মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে মোকাবিলা সম্ভব হয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সপ্তাহে অন্তত দিন দুয়েক খিচুড়ি খাওয়া উচিত। খিচুড়িতে চাল ও বিভিন্ন রকমের ডালের পাশপাশি থাকে নানান রকম সবজি। এমন একটা খাবার হয় সহজপাচ্য। আবার শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট সবকিছুর চাহিদা পূরণ করে। তাই খিচুড়ি খেলে অপুষ্টির ঝুঁকি কমে। নিয়মিত টক দই খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছেন, টক দই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার। এটি হজম শক্তি বাড়ায়। আবার ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। তাই হাড় মজবুত হয়। টিবির মতো রোগ রুখতে নিয়মিত টক দই খাওয়া জরুরি (Tuberculosis)। 

    পালং শাক, রসুন, কমলালেবু, পেয়ারা, সবুজ আপেল

    পালং শাক নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন‌ এবং আয়রন। এতে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। দেহে‌ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে। ফলে, শরীর সুস্থ থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দিনে অন্তত একটি তরকারিতে রসুন দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল শক্তি। এর জেরে যে কোনও ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে‌ রসুন‌ সাহায্য করে। নিয়মিত রসুন খেলে টিবির ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। 
    কমলালেবু, পেয়ারা, সবুজ আপেলের মতো ফল নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা অনেক বেশি। তাই হাড়ের যক্ষ্মার মতো রোগ (Tuberculosis) রুখতে এই ফল বিশেষ সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “ভূপতিনগরের অভিযুক্তদের সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    Amit Shah: “ভূপতিনগরের অভিযুক্তদের সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইএ-র ওপর হামলা নিয়ে রাজ্য সফরে এসে মমতাকে কড়া আক্রমণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ভূপতিনগরে বোমা বিস্ফোরণ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন। বুধবার বালুরঘাটে বিজয় সংকল্প সভায় হাজির হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ বারের ভোটে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর এই প্রথম বার বাংলায় সভা করতে এলেন শাহ। সভায় ভিড়ের প্রশংসা করেন তিনি। সুকান্তকে বলেছেন, “আপনার ভোটের ফল তো এখানেই হয়ে গেল!”

    ভূপতিনগর নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শাহের

    এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “ভূপতিনগরে যারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন, তাদের জেলের ভিতরে থাকা উচিত নয়। আদালতের নির্দেশ পেয়ে এনআইএ এই ঘটনার তদন্তভার পেয়েছে। আধিকারিকরা তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। মমতা দিদি এই হামলাকারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ভূপতিনগরের দুষ্কৃতীদের আড়াল করছেন। লজ্জা হওয়া উচিত। ভূপতিনগরের ঘটনায় জড়িতদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে।” এরপর তিনি বলেন, “একসময় বাংলায় রবীন্দ্র সংগীত বাজত। মানুষ গান শুনতেন। এখন বোমার আওয়াজ শুনতে পান। বাংলায় কোনও কারখানা আসেনি। সবকিছুতেই কাটমানি। দেশের অন্য রাজ্য যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে।”

    আরও পড়ুন: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহ-র

    সন্দেশখালি ইস্যুতে মমতাকে তোপ শাহ-র

    সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে এক হাত নেন শাহ। সন্দেশখালির মতো লজ্জাজনক ঘটনা নিয়েও আপনি রাজনীতি করছেন! মমতাকে প্রশ্ন শাহের। এদিন ভূপতিনগরের পর সন্দেশখালি ইস্যুতে ফের মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “সন্দেশখালিতে তৃণমূলের গুন্ডারা মা, বোনেদের সঙ্গে কী আচরণ করেছে তা দেশের মানুষ দেখেছেন। মমতা দিদি তাদের বিরুদ্ধে কিছু করেনি। আদালতের নির্দেশে দুর্নীতির তদন্তে ইডি যখন গেল, তখন তাদের ওপর হামলা হল। পরে, অভিযুক্তরা পালিয়ে বেড়াল। মমতার সরকার তাদের বাঁচাল। আদালত হস্তক্ষেপ করার পর অভিযুক্তরা ধরা পড়ল।” এরপর তিনি বলেন, “কেন সন্দেশখালির দোষীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন মমতা দিদি? তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার অর্থ গুন্ডাদের সমর্থন করা। সন্দেশখালির মতো ঘটনা আবারও ঘটবে। আর বিজেপিকে সমর্থন করার অর্থ সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।” এরপর কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এত রাগে বোতাম টিপবেন বালুরঘাটে, যেন কলকাতায় মমতা দিদির গায়ে কারেন্ট লাগে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। জনস্বার্থ ও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা, দুটো ক্ষেত্রেই সিবিআই-কে সিট গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নজরদারিতে হবে তদন্ত। আদালত জানিয়েছে, নতুন ইমেল আইডি চালু করে সন্দেশখালির ঘটনা সংক্রান্ত অভিযোগ জমা নিতে হবে সিবিআইকে। আজ, বুধবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্ত শুরু করতে বলা হয়েছে।

    আদালতের নির্দেশ

    সন্দেশখালি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মোট পাঁচটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। একত্রে সেই মামলাগুলি শুনছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের তরফে জানানো হয়, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তাই এই মামসার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের উপর অত্যাচার, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তফসিলি জনজাতির জমি কেড়ে নেওয়া-সহ বিভিন্ন অভিযোগ বিবেচনা করে তাই আদালত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সিবিআই সন্দেশখালির মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করবে। জমি দখল, ধর্ষণ, চাষের জমিতে ভেড়িতে পরিবর্তন করা-সহ সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। 

    নতুন পোর্টাল তৈরি

    আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে,  সিবিআই-কে পোর্টাল তৈরি করতে হবে। সিবিআইয়ের চালু করা ইমেল আইডির মাধ্যমে মামলার সব পক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিবিআইয়ের কাছে সব অভিযোগ জমা দিতে হবে। অভিযোগকারীদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এই ব্যবস্থা। সন্দেশখালি এলাকায় ওই ইমেল আইডির প্রচার করতে হবে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে। বুধবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “সব কিছু দেখে আমাদের কোন সন্দেহ নেই যে এক্ষেত্রে স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। রাজ্য সব সহযোগিতা করবে তদন্তকারী সংস্থাকে।”

    আরও পড়ুন: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    স্পর্শকাতর এলাকায় সিসিটিভি

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) স্পর্শকাতর এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসাতে বলেছে আদালত। উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, স্থানীয় প্রশাসনকে একসঙ্গে মিলে স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করতে হবে। রাস্তায় বসাতে হবে এলইডি আলো। সিসিটিভি এবং এলইডি আলোর খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যকে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং খরচ দিতে হবে। আগামী ২ মে হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহের

    Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাইকে বিভ্রান্ত করছেন। বলছেন সিএএ-তে আবেদন জানালেই নাগরিকত্ব হারাবেন আপনি। তিনি সকলকে ভুল বোঝাচ্ছেন।” বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বংশিহারিতে সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে জনসভায় যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এই মন্তব্য করেন। তিনি তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করেন।

    সিএএ নিয়ে মমতাকে তোপ (Amit Shah)

    এদিন সিএএ ইস্যুতে মমতাকে তুলোধনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । তিনি বলেন, “আমি বলছি, বাংলার শরণার্থীরা নির্ভয়ে আবেদন করুন। বাংলার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে কেন্দ্র। মমতা সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বরং, আবেদন করলে শরনার্থীরা এদেশের নাগরিক হয়ে যাবেন। এই দেশের নাগরিকের যা অধিকার, সেই অধিকার আপনিও পেয়ে যাবেন। আর সেটা নিয়ে মমতা রাজনীতি করছে। আর এসব চলবে না। আসলে অনুপ্রবেশকারীরাই মমতার ভোটব্যাঙ্ক। তুষ্টিকরণ করা এই তৃণমূল দল কিচ্ছু করতে পারবে না। কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প আটকে রেখেছেন মমতা। উন্নয়ন করতে পারে একমাত্র বিজেপি।” এরপর তিনি বলেন, “হাতজোড় করে বাংলার জনতাকে বলতে চাই, মমতা দিদি বাংলার লোকেদের বোকা বানাচ্ছেন। আমি বলতে চাই, ভয় না পেয়ে যত শরণার্থী এসেছেন, তাঁরা যেন নাগরিকত্বের আবেদন করেন। কারও নাম বাদ যাবে না।”

    আরও পড়ুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    ৩০ আসন পেলেই বন্ধ হবে অনুপ্রবেশ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, বিজেপি অসমে অনুপ্রবেশ খতম করেছে। বাংলায় লোকসভা ভোটে ৩০ আসন পেলে এখানে সীমান্ত টপকে কোনও ‘পরিন্দা’ও ঢুকতে পারবে না। ২০১৪-য় দু’টি আসন দিয়েছিলেন, ২০১৯-এ দিলেন ১৮টি আসন। ২০২৪ সালে ১৮ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করতে হবে। যাতে বিজেপির ৩৭০ আসন নিশ্চিত হয়। কী ভাবে ভোট দেবেন, বলে দিলেন তিনি। তিনি বলেন, “স্নান করে, শিবের পুজো করে ১৯ তারিখে পদ্ম প্রতীকে বোতাম টিপতে হবে। মমতা দিদিকে জবাব দিতে হবে। বাংলায় ৩০ আসন পার করবে বিজেপি। সোনার বাংলা দুর্নীতিতে ভরে গেছে। বাংলায় কাটমানি সংস্কৃতি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। বাংলায় কাটমানি করতে দেওয়া হবে না, গরু পাচার করতে দেওয়া হবে না। বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে হবে। বাংলা থেকে তৃণমূলের অপশাসন ঘটান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share