Tag: Madhyom

Madhyom

  • Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন (Assembly Elections 2026) করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। ভোটের আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফ থেকে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল। রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, ভোটের তিন দিন আগেই এই কর্মীদের ‘রিজার্ভ লাইনে’ পাঠিয়ে দিতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যাতে তাঁদের কোনওভাবেই ব্যবহার করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন সরানো হচ্ছে সিভিকদের

    কমিশনের (Election Commission) আশঙ্কা, এই কর্মীরা যদি ভোটের দিন ইউনিফর্ম পরে কর্তব্যরত থাকেন, তবে তাঁরা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন বা পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠতে পারে। তাই শুধু রিজার্ভ লাইনে পাঠানোই নয়, স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের দিনগুলোতে (Assembly Elections 2026)যদি বিশেষ প্রয়োজনে তাঁদের মোতায়েন করতেই হয়, তবে কোনওভাবেই পুলিশের পোশাক বা ইউনিফর্ম পরা যাবে না। তাঁদের সাধারণ পোশাকে থাকতে হবে। ভোটের কয়েকদিন আগে এই নির্দেশিকা জারি করে কমিশন বার্তা দিল, কোনও অবস্থাতেই যাতে ভোটারদের ওপর কোনো প্রকার প্রভাব বিস্তার না করা হয়।

    পুলিশ আধিকারিকদের বার্তা

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে খবর, বিভানসভা ভোটপর্ব (Assembly Elections 2026) শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও)-দের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, ভোট-সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন। কর্তব্যে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে বলে বার্তা দিয়ে কমিশনের (Election Commission) হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙার ঘটনায় জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা এসডিপিও-কে বরখাস্ত করা হতে পারে। ভোটের সময় বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়ে কমিশন বার্তা দিয়েছে, গুরুতর অশান্তির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে! অর্থাৎ ভোটে অশান্তির ঘটনা ঘটলে তার মূল দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে।

  • Rajnath Singh in Germany: জার্মানি সফরে রাজনাথ, ১ লক্ষ কোটি টাকার সাবমেরিন চুক্তি কি এবার পাকা?

    Rajnath Singh in Germany: জার্মানি সফরে রাজনাথ, ১ লক্ষ কোটি টাকার সাবমেরিন চুক্তি কি এবার পাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও জার্মানি-র মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে মঙ্গলবার থেকে তিন দিনের সরকারি সফরে জার্মানি যাচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সি (Rajnath Singh)। এই সফরে তিনি জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস (Boris Pistorius)-সহ সে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হতে পারে ভারত–জার্মানি সাবমেরিন চুক্তি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে আরও গতি দেবে এবং দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যৌথ উন্নয়ন ও উৎপাদনের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

    ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’ প্রকল্প কী

    ভারত–জার্মানি সাবমেরিন চুক্তি ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’ (P-75I)-এর অধীনে ভারতে ছয়টি অত্যাধুনিক প্রচলিত সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৭০ হাজার কোটি থেকে ৯৯ হাজার কোটি টাকা (প্রায় ৮–১২ বিলিয়ন ডলার)। এই সাবমেরিনগুলি জার্মান প্রতিরক্ষা সংস্থা থাইসিনক্রাপ মেরিন সিস্টেমের (Thyssenkrupp Marine Systems) সহযোগিতায় নির্মিত হওয়ার কথা। এর ফলে ভারতের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তি আরও বাড়বে। এর আগে জার্মানি থেকে শিশুমার শ্রেণির ৪টি ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ কিনেছিল ভারতীয় নৌসেনা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এ বারও জার্মানির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ তৈরি হবে মুম্বইয়ের ‘মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড’-এ (Mazagon Dock Shipbuilders Limited) তৈরি হবে ডুবোজাহাজগুলি।

    বাড়বে সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তি

    প্রজেক্ট-৭৫আই হল ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) একটি বড় উদ্যোগ, যার লক্ষ্য দেশের সাবমেরিন শক্তিকে আধুনিকীকরণ করা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ছয়টি অত্যাধুনিক ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন নির্মাণ করা হবে। এই সাবমেরিনগুলির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রোপালশন (AIP) প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ফলে সাবমেরিনগুলো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত জলের নিচে ভেসে থাকতে পারবে, যেখানে সাধারণ ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনকে ১-২ দিন অন্তর উপরে উঠতে হয়। এছাড়া, এই সাবমেরিনগুলোতে আধুনিক টর্পেডো এবং ব্রহ্মস (BrahMos)-এর মতো অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইল বসানো হবে, যা শত্রু জাহাজ এবং স্থলভাগে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম।

    চিনের সঙ্গে পাল্লা

    এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরে চিনের বাড়তে থাকা প্রভাব মোকাবিলায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। একইসঙ্গে, জার্মানির কাছ থেকে এআইপি প্রযুক্তি পাওয়ার ফলে ভবিষ্যতে ভারত নিজস্ব উন্নত সাবমেরিন তৈরির ক্ষেত্রেও বড় সাফল্য পাবে। প্রসঙ্গত, প্রায় দেড় দশক আগে ফরাসি সংস্থা ডিসিএনএস-এর সঙ্গে নকশা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চুক্তির ভিত্তিতে ৬টি কলভরী শ্রেণিক স্করপিন ডুবোজাহাজ বানানো শুরু করেছিল ভারত। সেই প্রকল্পের নাম ছিল ‘প্রজেক্ট ৭৫’। ওই গোত্রের প্রথম স্টেলথ ডুবোজাহাজ আইএনএস কলভরীকে ২০১৫ সালের অক্টোবরে নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ২০২০-র নভেম্বরে এই গোত্রের শেষ ডুবোজাহাজটি হাতে পেয়েছিল নৌসেনা। এবার সামগ্রিকভাবে, প্রজেক্ট-৭৫আই ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

    এই সফরে কী কী নিয়ে আলোচনা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধি, সামরিক স্তরে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার এবং সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ড্রোন প্রযুক্তির মতো নতুন ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়াও, দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতার একটি রোডম্যাপ এবং রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানে যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘ সাত বছর পর কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী জার্মানি সফর যাচ্ছেন। এর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) জার্মানি সফর করেছিলেন। অন্যদিকে, বরিস ২০২৩ সালের জুনে ভারতে এসে রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে ভারত-জার্মান প্রতিরক্ষা চুক্তি সংক্রান্ত বিস্তৃত আলোচনা করেন।

    সমুদ্র-পথে প্রস্তুত ভারত

    সম্প্রতি রাজনাথ জানান, বর্তমানে অস্থির বিশ্বে জলপথেও প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়িয়ে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে চায় দিল্লি।  পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে রাজনাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি ‘ভারত মেরিটাইম ইন্স্যুরেন্স পুল’ গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। ১২,৯৮০ কোটি টাকার সার্বভৌম গ্যারান্টি সহ এই প্রকল্প ভারতীয় সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য ধারাবাহিক ও সাশ্রয়ী বিমা সুবিধা নিশ্চিত করবে। অস্থির সামুদ্রিক করিডর দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও ভারতীয় বাণিজ্য যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি জানান। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত ও অস্থির। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি শান্ত হলেও বা পুনরায় উত্তেজনা বাড়লেও— উভয় অবস্থার জন্যই ভারতকে প্রস্তুত থাকতে হবে”।

  • Liver Health: অভ্যাসেই ঝুঁকি বাড়ছে লিভারের! কোন চার অভ্যাসে রাশ টানলেই লিভার সুস্থ থাকবে?

    Liver Health: অভ্যাসেই ঝুঁকি বাড়ছে লিভারের! কোন চার অভ্যাসে রাশ টানলেই লিভার সুস্থ থাকবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে চিন্তা বাড়াচ্ছে লিভারের অসুখ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক দশকে এ দেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে লিভারের রোগের দাপট বেড়েছে। লিভারের রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হারও উদ্বেগজনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে শিশুদের লিভারের সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের কয়েকটি অভ্যাস লিভারের সমস্যা তৈরি করছে। লিভারের অসুখ দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠছে।

    ভারতে কতখানি লিভারের রোগের দাপট বেড়েছে? কী বলছে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে লিভারের অসুখ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ১৯৯০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এদেশে লিভারের রোগের হার বেড়েছে ২৫ শতাংশ। বর্তমানে এ দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। প্রতি ৩ জনে ১ জন ভারতীয় লিভারের অসুখে ভুগছেন। ভারতীয়দের মধ্যে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (NAFL) রোগ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এ দেশের প্রায় ৩৫ শতাংশ শিশু ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে লিভারের অসুখের দাপট বেশি। লিভারের অসুখে মৃত্যুর হারও এ দেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ভারতে যেসমস্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়, তার প্রথম সারিতেই রয়েছে লিভারের অসুখ। প্রতি বছর কয়েক লাখ ভারতীয় লিভারের অসুখে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

    কোন চার অভ্যাস লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের জীবন যাপনের চার অভ্যাস লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে‌। প্রথম থেকেই এই অভ্যাসে রাশ টানলে বড় বিপদ এড়ানো সহজ‌ হয়।

    অতিরিক্ত ওজনে নিয়ন্ত্রণ!

    অতিরিক্ত ওজন ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফ্যাট এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার জেরেই এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বাড়ছে। ভারতীয় শিশুদের লিভারের সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ওজন বিশেষত পেটে জমা চর্বি লিভারের রোগের অন্যতম কারণ। তাই খাবার নিয়ে সচেতনতা জরুরি। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার নয়। ওজন যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেদিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি।

    অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস লিভারের বিপদ বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বড়দের পাশাপাশি ভারতীয় শিশুরাও অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়। নানান রকমের মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি অনেকের নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকে। চিনি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খাওয়ার জেরে লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। অতিরিক্ত মিষ্টি শরীরের জন্য বিপজ্জনক। এই অভ্যাস ভারতীয়দের লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    ডায়াবেটিসের দাপট লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারত ডায়াবেটিস রোগের রাজধানীতে পরিণত হয়েছে। মহামারির মতো ডায়াবেটিস ছড়িয়ে পড়েছে। বাদ নেই শিশুরাও।‌ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং জিনগত কারণে এদেশে ডায়াবেটিসের দাপট আরও বাড়ছে। আর এই রোগ একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। লিভারের অসুখের নেপথ্যেও থাকে ডায়াবেটিস। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে লিভারের ক্ষমতা কমতে থাকে। এ দেশে শিশুদের মধ্যেও টাইট টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। তাই শিশুরাও লিভারের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন।

    মদ্যপানে না!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মদ্যপানের প্রবণতা বাড়ছে। যা সুস্থ জীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষত লিভারের অসুখের ঝুঁকি কমাতে মদ্যপান সম্পূর্ণ বর্জন জরুরি। বন্ধুদের জন্মদিন হোক কিংবা নতুন বছরের উদযাপন, যেকোনও উৎসবেই সঙ্গী হয় মদ্যপান। কিন্তু এই অভ্যাস বিপজ্জনক। লিভারের ক্যান্সার থেকে সিরোসিস, একাধিক রোগের কারণ মদ্যপানের অভ্যাস। তাই এই অভ্যাসে রাশ জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সুস্থ দীর্ঘমেয়াদি জীবন যাপনের জন্য লিভারের সুস্থ থাকা জরুরি। লিভারের কার্যক্ষমতা ঠিক না থাকলে সুস্থ জীবন সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত শারীরিক কসরত করা জরুরি। পাশপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করাও প্রয়োজন। শিশুদের খাবারে বিশেষ নজরদারিও জরুরি।

     

  • Daily Horoscope 21 April 2026: কাজের চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 April 2026: কাজের চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. নতুন কাজে আগ্রহ বাড়বে
    ২. কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা
    ৩. পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে

    বৃষ (Taurus)
    ১. অর্থ লাভের সুযোগ আসতে পারে
    ২. পুরনো সমস্যার সমাধান হবে
    ৩. স্বাস্থ্য ভালো থাকবে

    মিথুন (Gemini)
    ১. নতুন পরিচিতি লাভ হতে পারে
    ২. কাজের চাপ বাড়তে পারে
    ৩. ভ্রমণের যোগ আছে

    কর্কট (Cancer)
    ১. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে
    ২. পরিবারে সুখ-শান্তি থাকবে
    ৩. আর্থিক দিক স্থিতিশীল থাকবে

    সিংহ (Leo)
    ১. কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ
    ২. আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে

    কন্যা (Virgo)
    ১. পড়াশোনা বা কাজে মনোযোগ বাড়বে
    ২. অর্থ ব্যয়ের দিকে নজর দিন
    ৩. স্বাস্থ্যের যত্ন নিন

    তুলা (Libra)
    ১. সম্পর্কের উন্নতি হবে
    ২. নতুন সুযোগ আসতে পারে
    ৩. মন ভালো থাকবে

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. হঠাৎ অর্থ লাভের সম্ভাবনা
    ২. কাজের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ আসতে পারে
    ৩. ধৈর্য ধরে চলুন

    ধনু (Sagittarius)
    ১. ভ্রমণের সুযোগ আসবে
    ২. নতুন কাজের পরিকল্পনা করবেন
    ৩. বন্ধুর সাহায্য পাবেন

    মকর (Capricorn)
    ১. কর্মক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে
    ২. অর্থ সঞ্চয়ে মন দিন
    ৩. পরিবারের দায়িত্ব বাড়বে

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. নতুন চিন্তা ও আইডিয়া আসবে
    ২. বন্ধুদের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে
    ৩. কাজে সাফল্য পাবেন

    মীন (Pisces)
    ১. মানসিক দুশ্চিন্তা কমবে
    ২. আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা
    ৩. ভালো খবর পেতে পারেন

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রেক্ষাপটে ‘বহিরাগত’ ভোটার ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন উত্তপ্ত। তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কর্মসংস্থান বা অন্য কারণে বাইরে থাকা রাজ্যের বাসিন্দাদের ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়া অনভিপ্রেত।”

    বাংলার সন্তানরা বহিরাগত নন (West Bengal Elections 2026)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বাংলার যে সমস্ত ভূমিপুত্র কাজের তাগিদে ভিন রাজ্যে থাকেন এবং ভোটের সময় নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যারা বাড়ি ফেরেন, তারা কোনোভাবেই বহিরাগত নন। ভোটে (West Bengal Elections 2026) তাঁদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে।”

    ভয় প্রদর্শনের অভিযোগ

    শাসকদল সাধারণ ভোটারদের মনে বিভ্রান্তি এবং ভয় তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে শমীক পালটা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এটি ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার একটি অপকৌশল মাত্র। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শিল্প, কলকারখানা এবং বিনিয়োগ আনতে ব্যর্থ। রাজ্যে বেকারত্ব চরম সীমায়। লক্ষ লক্ষ মানুষকে পরিযায়ী করেছে তৃণমূল সরকার।”

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা

    রাজ্যসভাপতি শমীক এদিন স্মরণ করিয়ে দেন যে, ভারতের যেকোনো প্রান্তে বসবাসকারী নাগরিকের নিজ রাজ্যে ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করার পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। একে কেন্দ্র করে বিভাজনের রাজনীতি করা উচিত নয়। নির্বাচনী আবহে এই বহিরাগত ইস্যুটি সবসময়ই অত্যন্ত স্পর্শকাতর। শমীক ভট্টাচার্যের এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রবাসী বাঙালিদের সমর্থনকে নিশ্চিত করতে চাইছে, যারা ভোটের সময় রাজ্যে ফেরেন। অন্যদিকে, এই বাদানুবাদ রাজ্যের রাজনৈতিক তরজা আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বিল্ডার তথা ব্যবসায়ী জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। নির্মাণ সংস্থা ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত সমাজবিরোধী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সম্পর্কের শিকড় অনেক গভীরে। দুজনের এই ‘অশুভ আঁতাত’ এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের আতস কাচের নীচে।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর বিদেশি পিস্তল-রহস্য

    সম্প্রতি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রাম্ত মামলায় তল্লাশি অভিযানের সময় সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস খুঁজতে গিয়ে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির হদিস পায় ইডি (ED)। ১ এপ্রিল বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ একটি ৭ এমএম বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে, যার গায়ে ‘মেড ইন ইউএসএ’ লেখা ছিল। তদন্তে জানা যায়, ১৫ জানুয়ারি ওই অস্ত্রটি সোনা পাপ্পুর স্ত্রী সোমা পোদ্দারের নামে কেনা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি কেনা হয়েছিল জয়ের সংস্থা থেকে। তদন্তে উঠে আসে, বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সংস্থার মাধ্যমেই অস্ত্রটি কেনা হয়েছিল। অশ্বিনী দত্ত রোডে জয়ের অফিস থেকেই এই কেনাবেচা হয় বলে অভিযোগ। যদিও সোমা পোদ্দার দাবি করেছেন, তিনি এই কেনাকাটা বা তাঁর নামে কোনও ব্যবসা সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রী-র নামে সংস্থা, অথচ তিনিই জানেন না!

    পাশাপাশি, সোনা পাপ্পু ও জয়ের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্যও সামনে এসেছে। ইডির তদন্তে আরও জানা যায়, জয়ের সংস্থার সঙ্গে সোনা পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা একাধিক সংস্থার সঙ্গে বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে। ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামের সংস্থায় ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে জয়ের। এছাড়া ‘এসপি কনস্ট্রাকশন’ নামে আর একটি সংস্থা সোনা পাপ্পুর নামে রয়েছে। এসব সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য মিলেছে। পাশাপাশি, ‘হেভেন ভ্যালি’ নামে সোমা পোদ্দারের সংস্থার সঙ্গেও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে ইডি—যদিও তিনি সবকিছুই অস্বীকার করেছেন।

    ৪ মাসে ৫০০ কোটি নগদ জমা, মোট লেনদেন ১১০০ কোটি!

    তদন্তে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, জয়ের বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি ইডির। ‘ক্যালকাটা গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটি’-র অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ কোটি টাকা জয়ের ভুয়ো কোম্পানিতে স্থানান্তরের তথ্যও সামনে এসেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মাত্র চার মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা হয়েছে জয়ের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অন্তত ২৫টি ভুয়ো সংস্থার খোঁজ মিলেছে। বর্তমানে ইডি জয়ের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছে। সংস্থার আইনজীবীর কথায়, “তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ মিলেছে এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গেও অভিযুক্তের যোগ রয়েছে।”

    রবিবার দীর্ঘ জেরার পর বিকেল ৫টা নাগাদ জয় কামদারকে গ্রেফতার করে ইডি। কিন্তু গ্রেফতারির পরপরই তিনি অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে প্রথমে সল্টলেকের সেবা হাসপাতাল ও পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের কাছ থেকে ‘ফিট সার্টিফিকেট’ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে জয়কে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

  • Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীর কাছে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে, পারস্য উপসাগরে থাকা ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলির জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপ থেকে দূরে থাকতে এবং শুধুমাত্র নৌবাহিনীর অনুমতি পেলে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)অতিক্রম করতে বলা হয়েছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায়। গত ১৮ এপ্রিল ইরানি গার্ডরা দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি চালায়। এর পর ভারতীয় সেনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করেছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা সমস্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    নৌবাহিনীর নির্দেশ পেলে তবে যাত্রা

    ইরান ও আমেরিাকর মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ১১টি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে। শেষ ট্যাঙ্কার ‘দেশ গরিমা’ ১৮ এপ্রিল পার হয়। একই দিনে ‘জগ অর্ণব’ ও ‘সানমার হেরাল্ড’ নামের দুটি জাহাজ ইরানি গার্ডদের গুলির মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। হরমুজ পার হওয়ার পর ‘দেশ গরিমা’ এখন আরব সাগর-এ ভারতীয় নৌবাহিনীর সুরক্ষায় রয়েছে এবং ২২ এপ্রিল মুম্বই পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে পারস্য উপসাগরে ১৪টি ভারতীয় জাহাজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতীয় সেনা তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এগোতে বারণ করেছে। পাশাপাশি, পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর ৭টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যারা হরমুজ পার হওয়ার পর ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    লারক দ্বীপ-এর গুরুত্ব

    লারক দ্বীপ প্রণালীর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে অবস্থিত এবং এটি ইরানের তেল পরিকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে এই অঞ্চলে কড়া নজরদারি চালানো হয়—রাডার ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। লারক দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে অবস্থিত এবং প্রণালীর প্রায় ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত অংশ জুড়ে বিস্তৃত। ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার আগে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবহণ এই পথ দিয়েই হতো। এলাকায় একাধিক ইরানি ঘাঁটি রয়েছে, যেখান থেকে দ্রুতগতির ছোট নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালানো সম্ভব। বর্তমানে তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে হরমুজ ও লারক দ্বীপের মাঝের রুট ব্যবহার করা হলেও, ওমান উপকূলের কাছাকাছি দক্ষিণ দিকের পুরনো পথটি মাইন থাকার আশঙ্কায় এড়িয়ে চলা হচ্ছে। ভারতীয় জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে নৌবাহিনীর অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজের হরমুজ প্রণালী পার হওয়া এখন অনিশ্চিত।

  • West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটে বীরভূমের নানুরে এক জনসভায় দাঁড়িয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল মানে হল ‘টোটাল মিসরুল অ্যান্ড করাপশন, সম্পূর্ণ অপশাসন ও দুর্নীতি ‘মা-মাটি-মানুষ’ আজ তৃণমূলের হাতে চরমভাবে বঞ্চিত।”

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি (West Bengal Elections 2026)

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) অভিযোগ করেন যে, রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা জনকল্যাণের চেয়ে ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থপূরণেই বেশি ব্যস্ত। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান বলেন, “জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে কেন্দ্র নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না। জোড়া ঘাসফুল হবে ছারখার। দুর্নীতি থাকবে না আর। ফুটবে এবার পদ্মফুল, এক নতুন বাংলা (West Bengal Elections 2026) গড়বে ফুল। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই এইসব গুন্ডাদের সিধে করে দেওয়া হবে। একবার বাংলায় আমাদের সরকার হতে দিন, গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে!”

    শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নানুরের সংবেদনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তিনি দলীয় কর্মীদের নির্ভয়ে কাজ করার সাহস জোগান রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারী ইস্যু থেকে শুরু করে তোষণনীতি এবং নিয়োগ দুর্নীতি চরম সীমায়। অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিয়ে তৃণমূল শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের ক্ষতি করছে। এই সরকারের অপশাসনের কারণেই বাংলার মেধাবী যুবকদের আজ কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম অরাজকতা

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “বাংলা একসময় দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথপ্রদর্শক ছিল, কিন্তু বর্তমানে এখানে অরাজকতা বিরাজ করছে।” তিনি রাজ্যের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য বিজেপিকে জয়ী করার আহ্বান জানান। নানুর অঞ্চলটি বীরভূমের রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখান থেকে রাজনাথ সিংয়ের এই ‘কড়া বার্তা’ রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে আক্রমণই করেননি, বরং ভোটারদের সামনে একটি বিকল্প শাসনব্যবস্থার রূপরেখাও তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনী প্রচার এখন ব্যাপক ভাবে জমজমাট।

  • Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) অবাধ ও স্বচ্ছ করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবারের নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য ‘আন্ডারটেকিং’ বা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা অতীতে সচরাচর দেখা যায়নি। এই নির্দেশিকা কমিশনের পক্ষ থেকে জারি করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত, অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

    অঙ্গীকারনামা গ্রহণ (Election Commission India) 

    কমিশন জানিয়েছে, ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আগে ২০ মিনিট থেকে আধঘণ্টার একটি ট্রেনিং হবে। ট্রেনিংয়ের পর প্রিসাইডিং অফিসারদের অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। সব কাগজপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না, যা প্রশিক্ষণ দরকার ছিল তা পেয়েছেন কিনা, সেটাই মুচলেকায় লিখে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্দেশিকায় আরও জানিয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারদের ডিউটি সংক্রান্ত নির্দেশ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। তারপর ব্রিফিং শেষে অফিসারদের একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করতে হবে। ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) শুরুর আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের এই মর্মে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে, তারা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে দায়িত্ব পালন করবেন।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বুথের ভেতর কোনও প্রকার অনিয়ম বা ছাপ্পা ভোটের ঘটনা ঘটলে, তার দায়ভার সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর বর্তাবে। এই অঙ্গীকারনামাটি মূলত আইনি রক্ষাকবচ এবং সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। এই মর্মে স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্বাচন করতে হবে। এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) লক্ষ্য হলো ভোট প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র ত্রুটি বা পক্ষপাতের অবকাশ না রাখা। কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক কড়াকড়ি। মূলত ভোটের ময়দানে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং ভোটকর্মীদের (West Bengal Elections 2026) দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই কমিশন এই প্রথা চালু করছে। এর ফলে মাঠপর্যায়ের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর নৈতিক ও আইনি চাপ উভয়ই বৃদ্ধি পাবে, যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের সহায়ক হতে পারে।

  • West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রাক্কালে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক জনসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়ে তিনি এক বিশেষ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে এই শাসনকালকে বিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, গত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস জনকল্যাণমূলক কাজের পরিবর্তে জনসম্পদ আত্মসাৎ এবং ‘লুটপাট’-এ এক প্রকার পিএইচডি অর্জন করেছে। তাই পরিবর্তন চাই বাংলায়।”

    একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ

    রাজ্যের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) প্রচারে এসে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিক্ষক নিয়োগ, মিড-ডে মিল, একশো দিনের কাজ (MGNREGA) এবং ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ত্রাণ তহবিলের মতো একাধিক সংবেদনশীল বিষয়ে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তৃণমূলের মূল আদর্শ মা-মাটি-মানুষ আজ তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত। তিনি দাবি করেন, এই সরকার বর্তমানে কেবল অনুপ্রবেশকারী এবং ভোটব্যাংক রক্ষার স্বার্থে কাজ করছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “তৃণমূলের এই নির্মম শাসনে স্কুল শিক্ষক নিয়োগে লুট হয়েছে। শিশুদের মিড-ডে মিলের টাকায় লুট। মনরেগার কাজে লুট। গরিবদের বাড়ির জন্য আসা টাকায় লুট। গ্রামের রাস্তা তৈরিতে লুট। সাইক্লোন ত্রাণের টাকায় লুট। ১৫ বছরে ওরা লুটপাটে পিএইচডি করে ফেলেছে।”

    রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত

    মেদিনীপুরের এই বিশাল সমাবেশ থেকে তিনি রাজ্যের যুবসমাজ ও মহিলাদের আশ্বস্ত করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির সাথে যুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না এবং জনগণের লুণ্ঠিত অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনকালকে ‘মহা জঙ্গলরাজ’ বলে অভিহিত করেছেন মোদি। তিনি বলেন, “দাঙ্গা, রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত এবং মহিলাদের উপর অত্যাচার চরম সীমায়। মা, মাটি, মানুষ—তৃণমূল কাউকেই ছাড়েনি। আমি এবার দেখছি, বাংলার নির্বাচন বিজেপি লড়ছে না, বিজেপির প্রার্থী বা কর্মীরা লড়ছে না… এই নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) লড়ছে আমার বাংলার মানুষ… আর সেই কারণেই আজ তৃণমূলের গুন্ডারা ভয়ে কাঁপছে।”

    লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের এই নির্বাচনী জনসভা (West Bengal Elections 2026) থেকে স্বচ্ছ প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন। মোদি (PM Modi) বলেন, “আমি আশ্বস্ত করতে চাই বিজেপি সবকা সাথ, সবকা বিকাশ-এর পথেই চলবে, কিন্তু আগ্রাসনকারী ও লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি বাংলার যুবকদের আশ্বস্ত করতে চাই যে বিজেপি সরকার রোজগার মেলার মাধ্যমে ভাতা এবং নিয়োগপত্র দেবে। তবে, যারা হাজার হাজার যুবকের সঙ্গে অবিচার করেছে, তাদের ছাড়া হবে না। আমি সমস্ত তৃণমূলের গুন্ডা, সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিগ্রস্তদের শেষ সুযোগ দিচ্ছি। ২৯ এপ্রিলের আগে নিকটতম থানায় আত্মসমর্পণ করুন। ৪ মে-র পর কাউকে ছাড়া হবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া এবং তৃণমূলের সিন্ডিকেট, মন দিয়ে শুনুন, এটা আর বরদাস্ত করা হবে না।”

LinkedIn
Share