Tag: Madhyom

Madhyom

  • ISI: আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার মঙ্গত

    ISI: আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার মঙ্গত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) হয়ে চরবৃত্তির (Spy) অভিযোগে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার বছর বত্রিশের মঙ্গত সিং। তদন্তের পর ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের আওতায় তাকে গ্রেফতার করে রাজস্থান পুলিশের সিআইডি। মঙ্গত আলওয়ারের গোবিন্দগড়ের বাসিন্দা। আলওয়ারের সেনানিবাস এলাকার ওপর নজরদারির সময় প্রথম মঙ্গতের কার্যকলাপ সন্দেহজনক বলে মনে করেন আধিকারিকরা। তাঁরা লক্ষ্য করেন, সে দীর্ঘদিন ধরে কিছু সন্দেহজনক কাজে লিপ্ত। এর পরেই কর্তৃপক্ষ তার ওপর নজরদারি করতে শুরু করেন। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, মঙ্গত নিয়মিতভাবে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত।

    ঈশা শর্মার ফাঁদে মঙ্গত (ISI)

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঈশা শর্মা নামে এক মহিলার পরিচয়ে কাজ করত পাক গুপ্তচর সংস্থার এক কর্মী। তারই ফাঁদে পড়েছিল মঙ্গত। বিপুল টাকার টোপও দেওয়া হয় তাকে। রাজস্থান পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, মঙ্গত আলওয়ার সেনা ক্যান্টনমেন্ট ও তার আশপাশের এলাকার ছবি এবং সামরিক তথ্য নিয়মিত তুলে দিত পাক গুপ্তচর সংস্থার হাতে। অপারেশন সিঁদুরের সময় থেকেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রগুলির পাশে নজরদারি শুরু করেছিল সেনা ও পুলিশ।

    মঙ্গতের ওপর নজরদারি

    সেই সময়ই মঙ্গতের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। নজরদারি শুরু করে পুলিশ। মঙ্গতের বিরুদ্ধে বেশ কিছু তথ্য হাতে পাওয়ার পরেই অভিযানে নামে রাজস্থান পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স) রাজেশ মিল বলেন, “গ্রেফতার হওয়ার আগে পর্যন্তও পাক হ্যান্ডলারদের ছবি ও তথ্য পাঠিয়েছে মঙ্গত (Spy)। পাকিস্তানের দুটো নম্বরে নিয়মিত ফোন করত। সামরিক তথ্য পাচার করে প্রচুর টাকাও পেয়েছে। তার লেনদেনের উৎস খুঁজে দেখা হচ্ছে।” জানা গিয়েছে, জয়পুরের সেন্ট্রাল ইন্টারোগেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে মঙ্গতকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্রও মিলেছে (ISI)।

    প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে পাক চর সন্দেহে অন্তত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাদের। এদের মধ্যে যেমন ছিলেন ইঞ্জিনিয়র, তেমনই ছিলেন নেটপ্রভাবী, সিআরপিএফ জওয়ান-সহ নানা পেশার মানুষ (ISI)।

  • Amit Shah: “জন্মহার নয়, অনুপ্রবেশই জনবিন্যাসে বদল ঘটাচ্ছে”, দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা শাহের

    Amit Shah: “জন্মহার নয়, অনুপ্রবেশই জনবিন্যাসে বদল ঘটাচ্ছে”, দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা পরিবর্তন নিয়ে বিস্ফোরক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দিল্লিতে জনসংখ্যা ও জনবিন্যাস বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ শুধু জন্মহার নয়, বরং পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশই তার মূল কারণ। ভারতে হিন্দু জনসংখ্যা (Hindu Population) উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অন্যদিকে, লক্ষণীয় বৃদ্ধি ঘটেছে মুসলিমদের (Muslim Population)। শাহের দাবি, এই অনুপ্রবেশ দেশের সংস্কৃতি, ভাষা ও স্বাধীনতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জন্মহার নয়। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ (Inflitartors from Pakistan, Bnagladesh) থেকে অনুপ্রবেশের ফলে মুসলিম জনসংখ্যা ভারতে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তাঁর কথায়, অনুপ্রবেশ, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং গণতন্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যতদিন না দেশের প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে যুব সমাজ এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করবে এবং এর থেকে উদ্ভূত সমস্যাগুলি সম্পর্কে সচেতন হবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা আমাদের দেশ, সংস্কৃতি, ভাষা এবং স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারব না।

    উল্লেখযোগ্য ও উদ্বেগজনক পরিবর্তন

    অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ১৯৫১, ১৯৭১, ১৯৯১ ও ২০১১ সালে ভারতে জন গণনায় ধর্ম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ১৯৫১ সালে যখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন তাঁর দল বিজেপি ছিল না। তাঁর কথায়, যদি দেশভাগ না হতো, তাহলে হয়তো ধর্মের ভিত্তিতে জনগণনার দরকার হতো না। কিন্তু যেহেতু দেশভাগ ধর্মের ভিত্তিতে হয়েছিল, সে কারণে তৎকালীন শাসকদলের নেতারা ১৯৫১ সালের জনগণনায় ধর্মের উল্লেখকে যথোপযুক্ত মনে করেছিলেন। তিনি জানান, ১৯৫১ সালে দেশে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল ৮৪ শতাংশ, মুসলিমদের ৯.৮ শতাংশ। ২০১১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৭৯ শতাংশে, আর মুসলিমদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪.২ শতাংশে। এই পরিসংখ্যানকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে চিহ্নিত করে শাহ বলেন, এটা অনুপ্রবেশের কারণে হয়েছে। এই পরিবর্তনকে ‘উল্লেখযোগ্য ও উদ্বেগজনক’ বলে ব্যাখ্যা করে শাহ বলেন, “এটা জন্মহারের ফল নয়, এটা অনুপ্রবেশের ফল।”

    রাজ্য সরকারগুলোকেও দায়িত্ব নিতে হবে

    শাহ স্পষ্ট ভাবে বলেন, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ২৪.৬ শতাংশ হারে বেড়েছে, যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ৪.৫ শতাংশ হারে। তাঁর দাবি, এই পার্থক্যের মূলে রয়েছে অবৈধ অনুপ্রবেশ, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) দাবি, অসমে ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২৯.৬ শতাংশ, যা অনুপ্রবেশ ছাড়া অসম্ভব। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে এই হার ৪০ শতাংশেরও বেশি, কোথাও কোথাও ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমার পেছনেও অনুপ্রবেশকেই তিনি দায়ী করেন। শাহ বলেন, “এই সমস্যার সমাধান শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়, রাজ্য সরকারগুলোকেও দায়িত্ব নিতে হবে। কিছু রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশে সহায়তা করছে।”

    অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করতেই হবে

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রসঙ্গে শাহ বলেন, এটি কোনও রাজনৈতিক নয়, জাতীয় ইস্যু। “যদি প্রশাসন অনুপ্রবেশকারীকে চিনতেই না পারে, তবে অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে কীভাবে?” তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে। এই প্রসঙ্গে শাহ সতর্ক করে বলেন, “যদি অনুপ্রবেশকারীরা ভোটার তালিকায় ঢুকে যায়, তারা দেশের নীতি নির্ধারণে অংশ নেবে যা গণতন্ত্রের জন্য হানিকর।” তিনি বলেন, ভারত একটি ভূ-সাংস্কৃতিক জাতি। ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ ছিল এক ঐতিহাসিক ভুল। তিনি বলেন, সরকার অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করবে, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেবে এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য কাজ করবে। কারণ অনুপ্রবেশকারীরা সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে আইনশৃঙ্খলা এবং শহরে দরিদ্র শ্রমিকদের অধিকার হরণ করছে।

  • Donald Trump: বাতিল জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক, চিনা পণ্যের ওপর আরও ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

    Donald Trump: বাতিল জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক, চিনা পণ্যের ওপর আরও ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা (China) পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। বর্তমানে চিনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্কের পরিমাণ ৩০ শতাংশ। ট্রাম্প প্রশাসনের নয়া সিদ্ধান্তের জেরে ১ নভেম্বর থেকে চিনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৩০ শতাংশ। প্রশ্ন হল, চিনের বিরুদ্ধে হঠাৎই বা কেন এমন পদক্ষেপ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? কেন চিনা পণ্যের ওপর চাপালেন এত চড়া শুল্ক?

    ট্রাম্পের যুক্তি (Donald Trump)

    এই সব প্রশ্নের উত্তর ট্রাম্প নিজেই দিয়েছেন তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে। তিনি লিখেছেন, “গত ছ’মাস চিনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। বাণিজ্যে ওদের এমন একটা পদক্ষেপ সেই কারণেই আরও বিস্ময়কর লাগছে। আমার অবশ্য বার বার মনে হয়েছে, ওরা মিথ্যা বলছে। সেই সন্দেহই সত্যি হল। মনে তো হচ্ছে, অনেক দিন ধরে ওরা এই পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু চিনকে সারা বিশ্বের বাজারে এভাবে অচলাবস্থা তৈরি করতে দেওয়া যাবে না।” পাল্টা হুমকির সুরে ট্রাম্প লিখেছেন, “ওরা একটা একচেটিয়া অবস্থান নিতে চাইছে। কিন্তু আমেরিকার অবস্থানও একচেটিয়া এবং চিনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। এখনও পর্যন্ত আমি তা ব্যবহার করার প্রয়োজন মনে করিনি। এবার করতে হবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “তারা ক্রমশ বৈরী হয়ে উঠছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিঠি পাঠাচ্ছে। তাতে বলা হয়েছে, যে তারা দুর্লভ খনিজ ও উৎপাদনের প্রায় প্রতিটি উপাদানের ওপর রফতানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চায়, এবং প্রায় যা কিছু তাদের মাথায় আসে।” ট্রাম্প এই পদক্ষেপকে ‘অশুভ ও বৈরী পদক্ষেপ’ আখ্যা দিয়েছেন, যা বিশ্ববাজারকে বাধাগ্রস্ত করে পুরো বিশ্বকে ‘বন্দি’ করে রাখার জন্য নীল নকশা ছকা হয়েছে।

    কী লিখলেন ট্রাম্প

    ট্রাম্প লিখেছেন, “কেউ কখনও এ ধরনের কিছু দেখেনি। মূলত, এটি বাজারকে অবরুদ্ধ করবে এবং প্রায় সব দেশের জন্য জীবনকে কঠিন করে তুলবে, বিশেষ করে চিনের জন্য।” তিনি যোগ করেন, “আমরা অন্যান্য দেশের কাছ থেকেও সাড়া পেয়েছি যারা এই আকস্মিক বিরাট বাণিজ্যিক বৈরিতা নিয়ে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ।” গত অগাস্টেই ট্রাম্প (Donald Trump) বলেছিলেন, তিনি ৯০ দিনের আগে বেজিংয়ের (China) ওপরে শুল্ক চাপাবেন না। জানিয়েছিলেন, আগামী ১০ নভেম্বর রাত ১২টা বেজে ১ মিনিট পর্যন্ত স্থগিত রাখা হবে নয়া শুল্কহার লাগু করার সিদ্ধান্ত। অর্থাৎ এই পর্বে আগে যে হারে শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল, তা-ই বলবৎ থাকবে। কিন্তু সেই সময়কালের আগেই সিদ্ধান্ত বদল করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চিনা পণ্যের ওপর চাপিয়ে দিলেন ১০০ শতাংশ শুল্ক।

    চিনা বাণিজ্যমন্ত্রকের নয়া রফতানি নিয়ন্ত্রণ

    প্রসঙ্গত, চিনা বাণিজ্যমন্ত্রক ৯ অক্টোবর নতুনভাবে রফতানি নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের কথা ঘোষণা করেছে। এতে আরও পাঁচটি নতুন বিরল মাটি (Rare Earth) উপাদানকে রফতানি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে এবং সেমিকন্ডাক্টর ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহৃত চালানের ওপর অতিরিক্ত নজরদারি আরোপ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। একইসঙ্গে পরিশোধন (refining) প্রযুক্তিকেও এই নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হয়েছে এবং চিনা কাঁচামাল ব্যবহারকারী বিদেশি উৎপাদকদের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে বিদেশি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলি, বিশেষত আমেরিকার প্রতিষ্ঠানগুলি, নিয়মিতভাবে এসব উপকরণ পাওয়া থেকে কার্যত বঞ্চিত হবে (Donald Trump)।

    ‘অ্যানাউন্সমেন্ট ১৮’

    এটি আসলে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ঘোষিত ‘অ্যানাউন্সমেন্ট ১৮’-এর আওতায় আরোপিত সীমাবদ্ধতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সেই সময় ১৭টি বিরল মাটি উপাদানের মধ্যে ৭টি এবং সংশ্লিষ্ট চুম্বকের রফতানি সীমিত করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপ ছিল মার্কিন শুল্কের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিশোধ, যা বৈশ্বিক সরবরাহে সংকট সৃষ্টি করে এবং অনেক মার্কিন প্রস্তুতকারককে উৎপাদন লাইন বন্ধ করতে বাধ্য করে (China)। চিনের শি জিনপিং সরকার এই রফতানি সীমাবদ্ধতাকে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। তবে একে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার আগে কৌশলগত চাপের হাতিয়ার হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে বেজিং বিরল মাটি উপাদানের ক্ষেত্রে তাদের প্রায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ অর্থাৎ বিশ্ব সরবরাহের প্রায় ৭০ শতাংশ আরও মজবুত করেছে। এই ধাতুগুলি বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি, যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে কম্পিউটার চিপ পর্যন্ত নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে অপরিহার্য (Donald Trump)।

    ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠক বাতিল

    এদিকে, চলতি মাসের শেষে দক্ষিণ কোরিয়ায় সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল ট্রাম্প-জিনপিংয়ের। সেই বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয়েছে (China)। কারণ হিসেবে ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আমি প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলিনি, কথা বলার প্রয়োজনও নেই। দু’সপ্তাহের মধ্যে জিনপিংয়ের সঙ্গে আমার দেখা করার কথা ছিল। আর তার প্রয়োজন মনে করছি না। শুধু আমার কাছে নয়, সব রাষ্ট্রনেতার কাছেই এটা খুবই বিস্ময়কর (Donald Trump)।”

  • Amit Shah: ‘‘এদেশের মাটিতে আমার অধিকারের সমান অধিকার পাক-বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুদেরও’’, সিএএ নিয়ে অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘‘এদেশের মাটিতে আমার অধিকারের সমান অধিকার পাক-বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুদেরও’’, সিএএ নিয়ে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং নির্যাতিতদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য‌ করা হয়েছে। দিল্লিতে জনসংখ্যা ও জনবিন্যাস সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিতাড়িত হিন্দুরা নিজেদের নামে বাড়ি কিনতে পারেননি। তারা সরকারি চাকরি পাননি, রেশন কার্ড পাননি, এমনকি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাও হয়নি। তাদের অধিকার দেওয়ার জন্যই সিএএ।”

    কাদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের সিদ্ধান্ত সংসদ নয়, কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েছিল। সেই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য এই মানুষগুলোর চার প্রজন্ম নিপীড়নের শিকার হয়েছে। এখন তারা কি সস্তায় রেশন, বছরে ৫ লাখ টাকার স্বাস্থ্যবিমার চিকিৎসা, ভোটাধিকার এবং সম্পত্তি কেনার অধিকার পাবে না?” এ প্রসঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির তুলনা টেনে শাহ জানান, পাকিস্তানে ১৯৫১ সালে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ১৩ শতাংশ, বর্তমানে তা কমে মাত্র ১.৭৩ শতাংশে। বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা ২২ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে ৭.৯ শতাংশে। আফগানিস্তানে হিন্দু-শিখ মিলিয়ে একসময় ছিল ২.২ লক্ষ, এখন মাত্র ১৫০ জন। শাহের বক্তব্য, এই হ্রাস ধর্মান্তরের কারণে নয়, বরং নির্যাতনের ফলে তারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি জানান, “যারা ধর্মরক্ষার জন্য ভারতে এসেছে, তারা উদ্বাস্তু। কিন্তু যারা অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক স্বার্থে অবৈধভাবে ঢুকেছে, তারা অনুপ্রবেশকারী।” অমিত শাহের দাবি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) আনার মাধ্যমে এই অবহেলিত মানুষদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শাহ বলেন, “ভারতের মাটিতে কারা প্রকৃত শরণার্থী আর কারা অনুপ্রবেশকারী, সেই সীমারেখা স্পষ্টভাবে টানা জরুরি। যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে এই দেশে আশ্রয় খুঁজেছেন, তাঁদের নৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার। যতটা অধিকার আমার এই দেশের মাটিতে, ঠিক ততটাই অধিকার পাকিস্তান ও বাংলাদেশের হিন্দুদেরও এই মাটিতে।”

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে অপপ্রচার

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে শাহ (Amit Shah) বলেন, সিএএ নিয়ে অন্যায়ভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে এবং অযথা প্রতিবাদ হয়েছে। তাঁর কথায়, “এই আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং নির্যাতিতদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য।” তাঁর দাবি, ১৯৫১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যে ঐতিহাসিক ভুলগুলো হয়েছে, মোদি সরকার তা সংশোধন করেছে। শাহ আরও বলেন, “যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছে তারা উদ্বাস্তু। কিন্তু অবৈধভাবে ঢোকা মানে অনুপ্রবেশ। উদ্বাস্তুদের আমরা নাগরিকত্ব দিচ্ছি, অনুপ্রবেশকারীদের নয়। কারণ, যদি সবাইকে ঢুকতে দেওয়া হয়, তবে ভারত একদিন ধর্মশালা হয়ে যাবে।”

  • India UK Defence Deal: ৩,৮৮৪ কোটি টাকায় ব্রিটেন থেকে হালকা মাল্টিরোল মিসাইল কিনছে ভারত, কী এর বৈশিষ্ট্য?

    India UK Defence Deal: ৩,৮৮৪ কোটি টাকায় ব্রিটেন থেকে হালকা মাল্টিরোল মিসাইল কিনছে ভারত, কী এর বৈশিষ্ট্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত ও নিশ্ছিদ্র করার লক্ষ্যে এবার ব্রিটেনের থেকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে চলেছে ভারত। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের সদ্যসমান্ত ভারত সফরের মধ্যেই এই প্রতিরক্ষা চুক্তির (India UK Defence Deal) বিষয়ে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ, বলে জানা গিয়েছে।

    ৩,৮৮৪ কোটি টাকার ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে হওয়া বৈঠকে দুই দেশ ৪৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৩,৮৮৪ কোটি টাকা) মূল্যের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (India UK Defence Deal) সম্মত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ব্রিটেন ভারতীয় সেনাবাহিনীকে লাইটওয়েট মাল্টিরোল মিসাইল (এলএমএম) বা ‘মার্টলেট’ সরবরাহ করবে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী সংস্থা থ্যালেস এই মিসাইলগুলি তৈরি করবে। ফলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স) আরও মজবুত হবে বলে নয়াদিল্লির তরফে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।

    ভারতে আসছে পৌরাণিক পাখি…

    এলএমএম বা মার্টলেট হল হালকা ওজনের একধরনের মাল্টিরোল মিসাইল (Lightweight Multirole Missile) বা বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র। এই হালকা মিসাইলটি আকাশ থেকে ভূমি (এয়ার-টু-সারফেস), আকাশ থেকে আকাশ (এয়ার-টু-এয়ার), ভূমি থেকে আকাশ (সারফেস-টু-এয়ার) ও ভূমি থেকে ভূমিতে (সারফেস-টু-সারফেস) থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ‘মার্টলেট’ নামটি মূলত একটি পৌরাণিক পাখির নাম। ইংরেজদের যুদ্ধের সাজে এই পাখির একটি কাল্পনিক ছবি থাকে, যার পা নেই। অর্থাৎ এই পাখি কখনও বিশ্রাম নেয় না। ভারতীয় সেনাবাহিনী এই এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম এবং লঞ্চার পাবে (India UK Defence Deal)। এলএমএম দ্রুত, নির্ভুল এবং বহুমুখী, ড্রোন, হেলিকপ্টার এবং ছোট বিমান ধ্বংস করতে সক্ষম। এই মিসাইল সাঁজোয়া যান, হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধজাহাজ থেকে ছোড়া যেতে পারে। ৬ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে ‘মার্টলেট’। লেজার বিম গাইডেন্স-ভিত্তিক এলএমএম নানা কনফিগারেশনে পাওয়া যায়। মাত্র ১৩ কিলোগ্রাম ওজনের এই মিসাইলটির গতি ম্যাক ১.৫ (শব্দের গতির দেড় গুণ) এবং এটি ২০১৯ সাল থেকে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে মোতায়েন রয়েছে।

    থ্যালেস তৈরি করবে এই মিসাইল

    ব্রিটিশ সরকার এই চুক্তিকে নিজেদের প্রতিরক্ষা শিল্প এবং ভারতের সঙ্গে গভীরর কৌশলগত সম্পর্কের জন্য একটি ঐতিহাসিক মোড় হিসেবে বর্ণনা করেছে। ব্রিটিশ সরকার বলেছে যে, এই চুক্তিটি (India UK Defence Deal) প্রায় ৭০০ ব্রিটিশ কর্মীর চাকরি নিশ্চিত করবে। এই একই মিসাইল ব্যবহার করছে ইউক্রেন। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, যেখানে ইউক্রেনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে অবস্থিত থ্যালেস সেই কারখানাতেই এই মিসাইল (Lightweight Multirole Missile) তৈরি হবে। সেখানেই ভারতীয় সেনার জন্য এয়ার ডিফেন্স মিসাইল এবং লঞ্চার তৈরি করা হবে। অন্যদিকে, নয়াদিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, সেই মিসাইল চুক্তির হাত ধরে ভারত এবং ব্রিটেনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের ক্ষেত্রে দীর্ঘকালীন সমন্বয়ের পথ আরও প্রশস্ত হল। আত্মনির্ভর ভারতের যে ভিত্তি আছে, সেটার পথও প্রশস্ত হয়েছে।

    সমুদ্রেও ভারত-ব্রিটেন সমঝোতা

    এছাড়াও, সামুদ্রিক খাতে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বড় চুক্তি (India UK Defence Deal) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইন্দো-প্যাসিফিক ওশেন ইনিশিয়েটিভ (IPOI) এর অধীনে একটি রিজিওনাল মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (RMSCE) প্রতিষ্ঠা। এটি প্রশিক্ষণ, তথ্য ও জ্ঞান ভাগাভাগি এবং প্রযুক্তির উন্নয়নের উপর জোর দেবে। যৌথ বিবৃতিতে, দুই দেশ জানিয়েছে যে এই কেন্দ্রটি জলদস্যু, অবৈধ মাছ ধরা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করবে। এছাড়া, মেরিটাইম ইলেকট্রিক প্রপালশন সিস্টেম তৈরির বিষয়ে দু’দেশ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছে। সেই বিষয়টিকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়ার জন্য সই-সাবুদও হয়েছে।

  • Election Commission: অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ১ বছরের জেল ও জরিমানা! মুখ্যসচিবের ভূমিকায় কেন বিরক্ত নির্বাচন কমিশন?

    Election Commission: অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ১ বছরের জেল ও জরিমানা! মুখ্যসচিবের ভূমিকায় কেন বিরক্ত নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল-এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামনেই ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। যে কোনও দিন শুরু হয়ে যাবে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন। এসআইআর (SIR) নিয়ে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। জেলায় জেলায় চলছে প্রস্তুতি বৈঠক। এই আবহে রাজ্য়ের মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। একপ্রকার তাঁকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মাননীয়া। মমতার মন্তব্যের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থও। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন অসন্তুষ্ট বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যসচিবের ভূমিকা ক্ষুব্ধ কমিশন

    লোকপাল আইন অনুযায়ী, হলফনামা ছাড়া কোন সরকারি আধিকারিককে অভিযোগ দেওয়া যায় না। মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক বছরের জেল হতে পারে। বৃহস্পতিবার এসআইআর নিয়ে একরাশ বিরক্ত প্রকাশ করে কমিশনের তুলোধনা করেন মমতা। তিনি বলেন, “এখানে যিনি রাজ্য থেকে গিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। সেগুলি সময় হলে বলব।” আর তারপরই বলেন, “আশা করি তিনি বেড়ে খেলবেন না। তিনি বড্ড বেশি অফিসারদের থ্রেট করছেন। এদিকে তিনি নিজেই দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ।” বাস্তবে, কোনও সিইও পদমর্যাদার অফিসারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ্যে এ ভাবে দুর্নীতির অভিযোগ করা যায় না। লোকপাল আইন অনুযায়ী, কোনও সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করতে হলে লিখিত স্বীকারোক্তি দিতে হয়। এমনকি, সেই অভিযোগ সঠিক না হলে অভিযোগকারীর জেল এবং জরিমানাও হতে পারে। কমিশনের এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, লোকপাল আইনের ওই অংশটি মুখ্যসচিবের জানা উচিত। তাই কমিশনের বক্তব্য, সেই সময়ে তাঁর ওই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।

    কমিশনকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা

    এ প্রসঙ্গে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সাফ কথা মমতা যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন, তা নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দেওয়ার নামান্তর। শুভেন্দু বলেন, “মনোজ আগারওয়ালের বিরদ্ধে কী তথ্য আছে তা পশ্চিমবঙ্গের জনগণ জানতে চায়। আমরা প্রধান বিরোধী দল জানতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী না বললে দীপাবলির পরে সিইও দফতরে ধর্না দেব।”  এ বিষয়ে তিনি সিইও দফতরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান শুভেন্দু। কমিশনের এক আধিকারিকের কথায়, কোনও অভিযোগ থাকলে মুখ্য়মন্ত্রী, মুখ্যসচিবকে দিয়ে দরকারে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করাতে পারেন, কিন্তু প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য করা অপরাধ।

    মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কমিশন সূত্রে খবর,  মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের সময় তাঁর সঙ্গে থেকে একইভাবে দোষী রাজ্যের মুখ্যসচিবও। এই নিয়ে সিইও দফতরে শুভেন্দু যে চিঠি দিয়েছেন, তাতে ওই বৈঠকে মুখ্যসচিবের উপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। সেই চিঠি নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়েছে সিইও-র দফতর। তাদের বক্তব্য, কমিশনে কেউ কোনও অভিযোগ জানালে সিইও দফতর নিয়ম মেনেই তা দিল্লিতে পাঠিয়ে দেয়। বিরোধী দলনেতার ক্ষেত্রেও সেই পদ্ধতি মানা হয়েছে। এখন জাতীয় নির্বাচন কমিশন এনিয়ে ফের মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে বলে অুনমান রাজনৈতিক মহলে।

  • Weight Gain Problem: উৎসবের পরে বেড়েছে ওজন! দীপাবলির আগে কোন দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে?

    Weight Gain Problem: উৎসবের পরে বেড়েছে ওজন! দীপাবলির আগে কোন দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উৎসবের রেশ এখনো কাটেনি! বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো শেষ হলেও, উৎসবের মরসুম কিন্তু হাজির! আর মাত্র কয়েক দিন! আর তারপরেই দীপাবলির উৎসবে মেতে উঠবেন আমজনতা! দীপাবলি আর ভাইফোঁটা! বছরের এই দুই উৎসবে বাঙালি বাড়িতে বাড়তি আয়োজন! শহর হোক বা গ্রাম, কালীপুজো আর ভাইফোঁটা উপলক্ষে বাঙালির রান্নাঘরে বাড়তি আয়োজন চলে! গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা চলছে থাকে।‌ তাই দুর্গোৎসব আর দীপাবলির মাঝের দু’সপ্তাহে শরীরে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দুর্গাপুজোর সময় অনেকেই নিয়মিত অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া করেছেন‌।‌ রাত জেগে প্যান্ডেলে প্রতিমা দর্শন করেছেন। বন্ধুদের সঙ্গে দেদার আড্ডা আর খানাপিনা ও চলেছে! আর তার জেরে অনেকেই কাবু হচ্ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হজমের গোলমালে জেরবার অনেকেই। আবার কেউ কেউ বাড়তি ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। দীপাবলির উৎসবে মেতে ওঠার আগে, তাই কয়েক দিন শরীরের বাড়তি যত্ন জরুরি।

    কোন দিকে বাড়তি খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    নিয়মিত সকালে আধ-ঘণ্টা হাঁটা!

    উৎসবের মরশুমে শরীর সুস্থ রাখতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সময়ে নিয়মিত সকালে আধ ঘণ্টা হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, সকালে হাঁটলে শরীরের একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ‌ হয়। ওজন ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদরোগ, কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমে। সকালে হাঁটলে মানসিক চাপ কমে। ফলে শরীরের একাধিক হরমোন ঠিকমতো কাজ করে। এর জেরে মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক থাকে। পাশপাশি, সকালে হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। তাই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ও এড়ানো যায়। তাই পুজোর পেট পুজোর জেরে‌, যারা বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তিত, তাদের নিয়মিত সকালে অন্তত আধ ঘণ্টা হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, দু’সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটলে তার প্রভাব শরীরে পড়বে।

    রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উৎসবের মরসুমে অনেকেই রাত জেগে থাকেন। রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। একদিকে অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খাওয়া, আরেকদিকে অপর্যাপ্ত ঘুম! এই দুই কারণেই হজমের সমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়াও একাধিক শারীরিক সমস্যা হতে থাকে। দীপাবলির উৎসবের আনন্দ করার জন্য‌ এই কয়েকদিন তাই রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম জরুরি। শরীর সুস্থ রাখতে মস্তিষ্ক, স্নায়ু এবং পেশির বিশ্রাম জরুরি। তাই প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি। দুর্গাপুজোর সময়ে অনেকেই রাত জেগে ঠাকুর দর্শন করেন। তাই উৎসবের পরে শরীরে বাড়তি ক্লান্তিবোধ তৈরি হয়। এই সময় তাই মস্তিষ্কের বিশ্রামের প্রয়োজন। অতিরিক্ত রাত জেগে থাকার অভ্যাস বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    কম তেলে রান্না খাবার প্রয়োজন!

    বাঙালির ভুরিভোজ মানেই মাছ, মাংসের হরেক পদ। আর তার সঙ্গে চলে ভাজাভুজি! আর তার জেরেই ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার মতো বিপদ‌ তৈরি হয়। তাই সুস্থ থাকতে আপাতত ভুরিভোজে রাশ টানার পরামর্শ‌ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিন খেলেও অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খাওয়া চলবে না। বরং স্যুপ কিংবা স্টু জাতীয় পদ বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আর তেলে ভাজা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তেল ও মশলা ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি হজমের গোলমাল তৈরি করে।

    সব্জি আর ফলেই ভরসা রাখার পরামর্শ!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে, হজমের গোলমাল এড়াতে এবং অন্যান্য রোগের দাপট কমাতে সব্জি এবং ফলের উপরেই ভরসা রাখা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, উৎসবের মরসুমে সুস্থ থাকতে নিয়মিত সব্জি এবং ফল খাওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, এই সময়ে অধিকাংশ বাঙালি অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খান। কিন্তু সেই অনুপাতে ফল আর সব্জি খাওয়া হয় না। আর তার জেরেই সমস্যা বাড়ে‌। নিয়মিত লেবু, পেয়ারা, কলা, নাশপাতি জাতীয় ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন এগুলো অন্ত্রের জন্য ভালো। আবার এগুলো শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থের জোগান দেয়। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। তার পাশপাশি গাজর, পালং শাক, পটল, ঝিঙে লাউয়ের মতো সব্জি শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিনের জোগান দেবে।‌ তাই শরীর সুস্থ থাকবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 11 October 2025: সকালবেলাতেই কিছু দান করার জন্য ইচ্ছা হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 October 2025: সকালবেলাতেই কিছু দান করার জন্য ইচ্ছা হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ইচ্ছাপূরণ হওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) অভিনেতারা খুব ভালো সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    বৃষ

    ১) বাড়িতে অশান্তির জন্য পাড়ার লোকের কাছে হাসির পাত্র হবেন।

    ২) চাকরির স্থানে সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে চিন্তার খবর আসতে পারে।

    ২) বাইরে থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কর্কট

    ১) কোনও কারণে উদ্বেগ বাড়তে পারে।

    ২) সংসারের দায়িত্ব দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পিতার সঙ্গে মতান্তর হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) অতিরিক্ত উদারতার জন্য কাজের ক্ষতি হতে পারে।

    ২) হঠাৎ করে কোনও চাকরির যোগ আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে খুব বেশি।

    তুলা

    ১) শত্রুর কারণে সকালে মাথাগরম হতে পারে।

    ২) সাবধান থাকতে হবে, শরীরে অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না কারও সঙ্গে।

    বৃশ্চিক

    ১) সকালবেলাতেই কিছু দান করার জন্য ইচ্ছা হতে পারে।

    ২) অভিভাবকদের পরামর্শ আপনার জন্য কার্যকর হবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথাবার্তা বলুন।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য কাজের প্রতি অনীহা দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার যে কোনও কাজ সফল হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) সকালে অহেতুক কোনও অশান্তিতে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

    ২) প্রতিবেশীদের হিংসার কারণে কাজে বাধা আসতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে চাপ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে মনোমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) কিছু কেনাকাটার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।

    ২) শত্রুর সঙ্গে আপস করতে হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের কাছে সুনাম অর্জন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Suvendu Adhikari: মমতাকে ডেডলাইন বেঁধে দিলেন শুভেন্দু, কোন বিষয়ে জানেন?

    Suvendu Adhikari: মমতাকে ডেডলাইন বেঁধে দিলেন শুভেন্দু, কোন বিষয়ে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ডেডলাইন বেঁধে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘সোমবারের মধ্যে মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে তোলা দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারলে ধরে নেব আপনি এসআইআর নিয়ে ভয় পেয়েছেন।’

    কমিশনকে তুলোধনা মমতার (Suvendu Adhikari) 

    বৃহস্পতিবার এসআইআর নিয়ে একরাশ উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করেন মমতা। তিনি বলেন, “এসআইআরের নামে আদতে এনআরসি করার চক্রান্ত চলছে।” তোপ দাগেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও। পাশাপাশি নিশানা করেন নির্বাচন কমিশনকেও। তিনি বলেন, “এখানে যিনি (মনোজ আগরওয়াল) রাজ্য থেকে গিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। সেগুলি সময় হলে বলব। আশা করি, তিনি বেড়ে খেলবেন না। তিনি বড্ড বেশি অফিসারদের থ্রেট করছেন। এদিকে, তিনি নিজেই দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ।”

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন, তা নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দেওয়ার নামান্তর।’ তিনি বলেন, “আমি একে রাজনৈতিক ভাষা বলব না, বলব গুন্ডাদের ভাষা।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে যে ভাষা মমতা প্রয়োগ করেছেন, তা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেই কারণেই এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ।” প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। পরে অভিযোগ দায়ের করা হয় নির্বাচন কমিশনে।

    কী বললেন শুভেন্দু

    সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, “মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে কী তথ্য আছে, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ তা জানতে চান, আমরা প্রধান বিরোধী দলও জানতে চাই। আমরা জানতে চাই কোন কোন আধিকারিককে কীভাবে তিনি ধমকেছেন, সেই আধিকারিকদের নাম প্রকাশ করুন। প্রয়োজনে ওই আধিকারিককে দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করুন (Mamata Banerjee)। আমরা তাঁর নাম, পদ জানতে চাই। তিনি বিএলও, নাকি বিডিও নাকি ম্যাজিস্ট্রেট নাকি এসডিও নাকি এডিএম, আমরা তা জানতে চাই।”

    মুখ্যমন্ত্রীর দিকে কার্যত

    এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর দিকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনি যদি সোমবারের মধ্যে এই সব অভিযোগ তথ্য-প্রমাণ দিয়ে সামনে না আনেন, তাহলে ধরে নেব আপনি এসআইআর নিয়ে ভয় পেয়েছেন। ক্ষমতা হারানোর ভয় পেয়েছেন। সোমবারের মধ্যে মনোজ আগরওয়ালের দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারলে, আপনার আইএএস, আইপিএস অফিসারদের, সিএমও-র স্টাফদের সিরিজ অফ দুর্নীতির কথা আমরা বলব।” তিনি আরও বলেন, “মনোজ আগরওয়াল কী করছেন, মুখ্যমন্ত্রী না বললে দীপাবলির পরে সিইও দফতরে ধর্না দেব। কেন কমিশনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়নি। দু’জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কেন কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি?”

    নির্বাচনী পদে নিয়োগ নিয়ে নয়া বিতর্ক

    এদিকে, বাংলায় (Suvendu Adhikari) নির্বাচনী পদে নিয়োগ নিয়ে নয়া বিতর্ক। রাজ্যের একাধিক জেলায় নির্বাচনী রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও পদে নিয়ম ভেঙে নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, “রাজ্যের বহু জেলাশাসক জুনিয়র অফিসারদের ইআরও পদে নিয়োগ করেছেন, যা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Mamata Banerjee)।” শুভেন্দু বলেন, “এভাবে সিনিয়র ডাব্লুবিসিএস (এক্সিকিউটিভ) আধিকারিকদের এড়িয়ে জুনিয়রদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, যা ইলেকশন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশের পরিপন্থী।”

    কমিশনের নির্ধারিত মানদণ্ড

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, সব মিলিয়ে মোট ২২৬টি নিয়োগ হয়েছে কমিশনের নির্ধারিত মানদণ্ড উপেক্ষা করে। তিনি বলেন, “এই ধরনের অনিয়ম আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সততা ও স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছে।” শুভেন্দু জানান, নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এসডিও, এসডিএম বা আরডিও পদমর্যাদার আধিকারিকরাই ইআরও হিসেবে নিযুক্ত হতে পারেন। সেই নিয়ম লঙ্ঘন করেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর ট্যুইট-বার্তা

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, “আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করছি, পশ্চিমবঙ্গে এই নির্দেশ কঠোরভাবে কার্যকর করা হোক। যেন দ্রুত সংশোধন ও পুনর্নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা যায়।” শুভেন্দু জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে উদাহরণ হিসেবে তিনি কয়েকজন ইআরও-র নাম এবং বিবরণ পাঠিয়েছেন, যাঁরা যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করেন না (Mamata Banerjee)।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়ার প্রায় সাড়ে চারশো বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওদের নিয়ে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পরিষ্কার জানিয়ে দেন, একজন বৈধ ভোটারের নাম যেমন তালিকা থেকে বাদ যাবে না, তেমনই কোনও অবৈধ ভোটারের নামও ভোটার তালিকায় রাখা যাবে না। এক্ষেত্রে (Mamata Banerjee) কোনও ভুল হলে তার দায় বর্তাবে বিএলওদের ওপরই (Suvendu Adhikari)।

  • India vs West Indies: দ্বিশতরানের পথে যশস্বী, ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে চালকের আসনে ভারত

    India vs West Indies: দ্বিশতরানের পথে যশস্বী, ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে চালকের আসনে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেদাবাদের পর দিল্লিতেও দাপট দেখালেন ভারতের ব্যাটাররা। ফের একবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের (India vs West Indies) বিরুদ্ধে একটা গোটা দিন আধিপত্য ধরে রাখল ভারতীয় দল। মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে প্রথম দিনে ৩১৮ রান তুলে ফেলল টিম ইন্ডিয়া। দিনের শেষে যশস্বী ১৭৩ ও শুভমন গিল ২০ রানে ক্রিজে অপরাজিত রয়েছেন। তবে অল্পের জন্য এদিন শতরান হাতছাড়া হল সাই সুদর্শনের।

    টস জিতলেন শুভমন

    ভারতের (India vs West Indies) টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার পর সপ্তম টেস্টে প্রথম টস জিতলেন শুভমন। ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শুভমন টসে জেতায় মাঠেই তাঁরে শুভেচ্ছা জানান কোচ গৌতম গম্ভীর থেকে শুরু করে সতীর্থেরা। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা সাবধানে করেন যশস্বী ও লোকেশ রাহুল। নতুন বল ধরে খেলেন তাঁরা। প্রথম ঘণ্টা শেষ হওয়ার পর আক্রমণ শুরু করল ভারত। হাত খোলেন রাহুল। স্পিনারকে এগিয়ে এসে ছক্কাও মারেন। দ্বিতীয় বার সেই শট মারতে গিয়ে জোমেল ওয়ারিকানের বলে স্টাম্প আউট হন রাহুল।

    যশস্বীর জমকালো ইনিংস

    টেস্টে (India vs West Indies) প্রথম শতরানের পথে এগোচ্ছিলেন সাই সুদর্শন। কিন্তু ৮৭ রানের মাথায় জোমেল ওয়ারিকানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন ভারতীয় ব্যাটার। ২৫১ রানে ভারতের দ্বিতীয় উইকেট পড়ল। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর রান তোলার গতি বাড়ায় ভারত। বল কিছুটা পুরনো হয়ে যাওয়ায় বিশেষ কিছু হচ্ছিল না। ১৪৮ বলে নিজের শতরান পূর্ণ করেন যশস্বী। টেস্টে এটি তাঁর সপ্তম শতরান। টেস্টে তাঁর সাতটি শতরানের মধ্যে পাঁচটিই ১৫০-র বেশি। দ্বিতীয় দিন দ্বিশতরানেরও সুযোগ রয়েছে ভারতীয় ওপেনারের। ইতিমধ্যে তিনি ৩ হাজার রান পূরণ করে ফেলেছেন যশস্বী। এখনও পর্যন্ত তিনি একটাই মাত্র ওয়ানডে ম্য়াচ খেলেছেন। ভারতের কাছে এই সিরিজটা যে একেবারেই ‘ছেলেখেলা’ তা বলা যেতে পারে। প্রথম ম্য়াচে তো টিম ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই জয়লাভ করেছে। এবার দ্বিতীয় ম্য়াচের কথা যদি বলতে হয়, তাহলে তিন দিনের মধ্যে এই ম্য়াচও শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করতে চাইবে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে টিম ইন্ডিয়ার ঝুলিতে পয়েন্ট আসবে।

LinkedIn
Share