Tag: Madhyom

Madhyom

  • Kali Puja 2023: স্বপ্নে দেবীর দর্শন পেয়েছিলেন অন্নদা ঠাকুর, প্রতিষ্ঠা করেন আদ্যাপীঠের, জানুন ইতিহাস

    Kali Puja 2023: স্বপ্নে দেবীর দর্শন পেয়েছিলেন অন্নদা ঠাকুর, প্রতিষ্ঠা করেন আদ্যাপীঠের, জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের কিছু দূরেই অবস্থান আদ্যাপীঠের (Kali Puja 2023)। এখানে দেবী কালী আদ্যাশক্তি মহামায়া রূপে বিরাজ করেন বলে ভক্তদের বিশ্বাস। কথিত আছে, এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য শ্রী অন্নদা ঠাকুর (Kali Puja 2023)। আদ্যাপীঠ মঠের অবস্থান প্রায় ২৭ বিঘা জায়গা জুড়ে। এই পীঠের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে অজস্র অলৌকিক কাহিনীও। দেবী আদ্যার মূর্তি ছাড়াও দেখতে পাওয়া যায় এখানে রাধাকৃষ্ণ এবং শ্রীরামকৃষ্ণদেবের মূর্তিও। গবেষকরা বলেন, মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা অন্নদা ঠাকুরের বাড়ি ছিল অধুনা বাংলাদেশের চট্টগ্রামে। তাঁর পৈতৃক নাম অন্নদাচরণ ভট্টাচার্য। বাংলার ১৩২১ সালে অন্নদা ঠাকুর চট্টগ্রাম থেকে কলকাতায় কবিরাজি পড়তে আসেন। এই সময়ে কলকাতার বর্তমান আমহার্স্ট স্ট্রিটে এক বন্ধুর বাড়িতে থাকতেন অন্নদাচরণ। সেখান থেকেই কবিরাজি পাস করেছিলেন বৃত্তি সমেত। তাঁর বন্ধুর বাবার সাহায্যে কবিরাজির চেম্বারও তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়।

    স্বপ্নাদেশে কী নির্দেশ পান অন্নদাশঙ্কর

    কথিত আছে, এই সময়ে অন্নদা ঠাকুরকে স্বপ্নাদেশ দেন আদ্যা মা। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবও সেই স্বপ্নাদেশে এসেছিলেন। ওই স্বপ্নাদেশে, শ্রী রামকৃষ্ণ তাঁকে (অন্নদাচরণকে) ইডেন গার্ডেন্সে গিয়ে ঝিলের পাশে নারকেল এবং পাকুর গাছের কাছ থেকে কালি মূর্তি (Kali Puja 2023) নিয়ে আসতে বলেন। ঝিলের পাশ থেকে অন্নদাচরণ ১৮ ইঞ্চি আদ্যা মায়ের কোষ্ঠী পাথরের মূর্তি পান। ঘটনাক্রমে, সেদিন ছিল রামনবমী তিথি। রাতেই দেবী তাঁকে দেখা দিয়ে বলেন, ‘‘অন্নদা কাল বিজয়া দশমী, তুমি আমায় গঙ্গায় বিসর্জন দিও।’’ দেবীর এই কথা শুনে অন্নদা একপ্রকার আঁতকে ওঠে। সে ভাবতে থাকে পুজোপাঠ করিনি তাই হয়তো দেবী রাগ করে চলে যাচ্ছেন। তখন দেবী বলেন, ‘‘সহজ সরল প্রাণের ভাষায় যে ভক্ত নিজের ভোগ্য বস্তু আমাকে নিবেদন করেন সেটাই আমার পুজো। যদি কোনও ভক্ত আমার সামনে আদ্যাস্তোত্র পাঠ করে, তাহলে আমি বিশেষ আনন্দিত হই।’’ এরপরেই দেবী আদ্যাস্তোত্র পাঠ করেন, অন্নদা ঠাকুর তা লিখে রাখেন। স্বপ্নের মধ্যেই বিজয়া দশমীতে আদ্যা দেবীকে (Kali Puja 2023) বিসর্জন দেন অন্নদা। তবে স্বপ্নাদেশে পাওয়া সেই মাতৃমূর্তি ছবি নিজের মনে রেখে দিয়েছিলেন অন্নদা ঠাকুর। পরে তা থেকেই তৈরি হয় বর্তমান মূর্তিটি। বাংলার ১৩২৫ সালে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তাঁকে স্বপ্নেই সন্ন্যাসী দীক্ষা দেন বলে জানা যায়।

    আদ্যাপীঠের ভোগ

    আদ্যাপীঠে রাধা কৃষ্ণের জন্য সাড়ে ৩২ সের চালের রান্না হয়। দেবী আদ্যার জন্য সাড়ে ১২ সের চাল রান্না হয়। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের রান্না হয় সাড়ে ১২ সের চালে। সেই ভোগ পঞ্চ ব্যঞ্জন এ নিবেদন করা হয়। এর সঙ্গে থাকে পরমান্ন ভোগ। অন্নদা ঠাকুরের নির্দেশ অনুযায়ী, বড় মন্দিরে ভোগ যায় না। মন্দিরের পাশে ভোগালয় তা সাজিয়ে রাখা হয়। সেখানেই নিবেদন করা হয় ভোগ। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, শুধুমাত্র পরমান্ন ভোগই যাবে দেবীর কাছে। আজও সেই রীতি বজায় রয়েছে আদ্যাপীঠে (Kali Puja 2023)। রাতে পরমান্ন ভোগ দেওয়া হয় ঘি এবং উৎকৃষ্ট চাল সহযোগে। বাংলার ১৩৩৫ সালে অন্নদা ঠাকুর পুরীতে প্রয়াত হন বলে জানা যায়। তাঁর ভক্তরা আজও পালন করে চলেছেন অন্নদা ঠাকুরের দেওয়া শিক্ষা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে স্কুলে এসে বিপাকে, জেলাজুড়ে সক্রিয় প্রতারণা চক্র

    South 24 Parganas: ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে স্কুলে এসে বিপাকে, জেলাজুড়ে সক্রিয় প্রতারণা চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দিতে এসে বেকায়দায় পড়ল যুবক। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পালিয়ে বাঁচলো অভিযুক্ত যুবক। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমা ব্লকের মহেশপুর এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    উৎপল দাস নামে এক যুবক মহেশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির নিয়োগপত্র নিয়ে গত ১ নভেম্বর কাজে যোগ দেওয়ার জন্য আসে। নিয়োগপত্র দেখে প্রধান শিক্ষকের সন্দেহ হওয়ায় ২ নভেম্বর ফের আসতে বলেন। বৃহস্পতিবার স্কুলে ওই যুবক এলে তাকে এসআই অফিসে নিয়ে যান। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মহেশপুর স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক শিবাশিস কর বলেন, ‘নিয়োগপত্র খতিয়ে দেখা যায়, সমস্তটাই ভুয়ো। কারণ, যে নিয়োগপত্র নিয়ে ওই যুবক এসেছিল, তাতে একদিকে যেমন বিদ্যালয় পরিদর্শকের সই নকল রয়েছে, তেমনি লেখার মধ্যেও একাধিক পার্থক্য রয়েছে।’ এরপরই ওই যুবক সুযোগ বুঝে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ওই যুবকের বাড়ি পাথরপ্রতিমা ব্লকের হেরোম্ব গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতর দক্ষিণ কাশিনগর এলাকায়। উল্লেখ্য, প্রাইমারি বোর্ডের চেয়ারম্যানের সই নকল করে মোটা টাকার বিনিময়ে জাল নিয়োগপত্র ধরিয়ে দিচ্ছে বেকার ছেলেদের হাতে একদল অসাধু চক্র। আর সেই নিয়োগপত্র নিয়ে আশায় বুক বেঁধে বেকার চাকরি প্রার্থীরা স্কুলে যাওয়ার পর বুঝতে পারছে, তারা কোনও চক্রে ফেঁসেছে। ইতিমধ্যে বাসন্তী, সোনারপুরে এই ঘটনা ঘটার পর এবার ঘটল পাথরপ্রতিমার মহেশপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত যুবকের বাবা মহিপতি দাস বলেন, আমরা এই বিষয়ে কিছু জানি না। ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Parganas) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান অজিত নায়েক বলেন, এই প্রতারণা চক্রে কেউ পা দেবেন না, পা দিয়ে কেউ ঠকবেন না। ২০০৯ এর প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীদের ১৮৩৪ জনের মধ্যে ১৫০৬ জনের নিয়োগ হয়ে গিয়েছে। জেলার কোন কোন জায়গায় এই প্রতারণা চক্র কাজ করছে অবিলম্বে এসআইদের নির্দেশ দিয়েছি কঠোর হাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার আহ্বায়ক অরুণাভ দাস বলেন, এই প্রতারণা চক্র কীভাবে দিনের পর দিন চলছে? মোটা টাকার  বিনিময়ে এইভাবে ভুয়ো নিয়োগপত্র দিচ্ছে। এর মাথায় কে রয়েছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: বাস্তবেই ছিলেন ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানী! জানুন তাঁদের কালীপুজোর কথা

    Kali Puja 2023: বাস্তবেই ছিলেন ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানী! জানুন তাঁদের কালীপুজোর কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনন্দমঠের পর এটাই ছিল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় কোনও উপন্যাস, যেখানে ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র সংগ্রাম এবং চরমপন্থী জাতীয়তাবাদ স্থান পেয়েছিল। বুঝতেই পারছেন, এখানে ‘দেবী চৌধুরানী’ উপন্যাসের কথাই বলা হচ্ছে। ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে লিখিত এই উপন্যাসের চরিত্র হরবল্লভের পুত্রবধূ মানে ব্রজেশ্বরের স্ত্রী প্রফুল্ল-র শ্বশুরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়া এবং জঙ্গলের মধ্যে ডাকাত দলের সর্দার ভবানী পাঠকের সুনিপুণ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ‘দেবী চৌধুরানী’ হয়ে ওঠার গল্প প্রত্যেক বাঙালির কাছেই এভারগ্রিন। কখনও পুরনো হয় না (Kali Puja 2023)‌।

    কাল্পনিক নয়, বাস্তবিক চরিত্র

    শার্লক হোমসের লন্ডনের ঠিকানায় (২২১বি বেকার স্ট্রিট) এক সময় প্রচুর চিঠি পাঠাতেন পাঠকরা। তাঁরা ভাবতেন আর্থার কোনান ডায়েল সৃষ্ট এই চরিত্র কাল্পনিক নয় বরং বাস্তবিক। শার্লক হোমস তো কাল্পনিক ছিল। কিন্তু জানেন কি, ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরানী সত্যি-সত্যিই ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন এবং তাঁরা মা কালীর আরাধনা করতেন! তাঁদের প্রচলিত কালীপুজো (Devi Chaudhurani Kali Puja) আজও ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে। শুধু তাই নয়, জলপাইগুড়িতে রয়েছে একটি মন্দির যেখানে ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানীর মূর্তিও রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের দেবী চৌধুরানী মন্দির

    জলপাইগুড়ি জেলার শিকারপুর চা বাগান ঘেরা ছোট্ট গ্রামে রয়েছে ঐতিহাসিক দেবী চৌধুরানী মন্দির। পাশাপাশি দুটি মন্দির রয়েছে এখানে। তার মধ্যে একটি মা কালীর মন্দির (Devi Chaudhurani Kali Puja)। কালী মন্দিরের পাশের মন্দিরে একটি পুরুষ ও নারী মূর্তি রয়েছে। পাশাপাশি বাঘ, শিয়াল ও আরও কিছু বিগ্রহ আছে। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন এটি শিব-পার্বতীর মন্দির। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, বিগ্রহটি ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরানীর। মূলত, দেবী চৌধুরানীর মন্দিরের খ্যাতিতেই বিভিন্ন প্রান্তের গবেষকরা এখানে আসেন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের পর্যটকদের কাছে এটি বাড়তি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। 

    তবে এখানকার কালী মন্দিরও জাগ্রত ও প্রসিদ্ধ বলেই স্থানীয় ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে। এই মন্দিরে রীতিমতো নিয়ম ও নিষ্ঠার সঙ্গে বছরে দুবার কালীপুজো হয়। একবার আষাঢ় মাসে, আরেকবার কার্তিক মাসে। বরং এখানকার কালীপুজোর আলাদা রোমাঞ্চ রয়েছে ভক্তদের কাছে। ঝোপ-জঙ্গলে ভরা, অরণ্যের মাঝে এই কালী মন্দিরের অবস্থান। শহরের কোলাহল থেকে নির্জন বনে দেবীর উপাসনা ভক্তদের মধ্যে ‘দেবী চৌধুরানী’ উপন্যাসকে জীবন্ত করে তোলে‌। শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সারারাত জেগে এই পুজো দেখতে যান।

    মালদায় কালী মাতা ঠাকুরানি মন্দির

    অন্যদিকে, মালদার রতুয়া ২ নম্বর ব্লকের গোবরজনা গ্রামের কালী মাতা ঠাকুরানি মন্দির (Devi Chaudhurani Kali Puja)। প্রচলিত বিশ্বাস মতে, ঘন অরণ্যে ঘেরা ছিল গোবরজনা গ্রাম। পাশেই বয়ে চলেছে কালিন্দী নদী। জনশ্রুতি যে, একবার ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরানী বজরা নিয়ে যাচ্ছিলেন কালিন্দী নদী বেয়ে। তাঁদের গন্তব্য ছিল উত্তরবঙ্গ। কিন্তু তাঁদের বজরা মাঝ পথেই থেমে গিয়েছিল নদীর এক বালিয়াড়িতে। দেবী চৌধুরানী স্বপ্নাদেশ পেলেন মা কালীর। তিনি সেখানে তাঁদের পুজো নিতে চান। ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরানী সেখানেই মায়ের মূর্তি তৈরি করে পুজো সম্পন্ন করলেন। এই পুজোয় আজও লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়‌। 

    যদিও, ধুমধাম করে সম্পন্ন হওয়া গোবরজনার এই কালীপুজো দেবী চৌধুরানীই যে চালু করেছিলেন, তা অনেকেই আবার মানতে চান না‌। ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানীর কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রিক ছিল না‌। রাঢ়বঙ্গে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে এই দুই গুরু-শিষ্যার নাম। গবেষকরা মনে করেন, দেবী চৌধুরানী যে বজরা নিয়ে ডাকাতি করতে যেতেন, সেই বজরা নিয়ে ভেসে এসে দামোদরের পারে গভীর জঙ্গলে আস্তানা গড়ে তুলেছিলেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে এই জায়গা থেকেই নিজের কাজ চালিয়ে যেতেন ঐতিহাসিক দুই চরিত্র ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানি।

    দুর্গাপুরে ভবানী মাতার মন্দির

    বর্তমান দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে রয়েছে ভবানী মাতার মন্দির। এই মন্দিরটি ভবানী পাঠকের মন্দির বলে জনশ্রুতি রয়েছে। একটা সময় এই মন্দিরে এসে আত্মগোপন করেছেন বহু বিপ্লবী। এমনকী, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর এখানে এসে রাত্রিযাপনের কথাও প্রচলিত রয়েছে। দুর্গাপুরের এই এলাকায় জঙ্গল ঘেরা পরিবেশের এই মন্দিরে অনেক ভক্ত আসেন ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানীর মন্দির দর্শন করতে। তারাপীঠের মায়ের রীতি মেনে শ্যামাকালী পুজোর আগের নিশিরাতে ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানী আরাধিত এই মা কালীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এই পুজোর বিশেষ রীতি হল ‘বন্দেমাতরম’ ধ্বনি উচ্চারণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: মধ্যরাতে নাবালিকাকে অপহরণ তৃণমূল নেতার ছেলের, লজ্জায় আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা

    Birbhum: মধ্যরাতে নাবালিকাকে অপহরণ তৃণমূল নেতার ছেলের, লজ্জায় আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী নাবালিকাকে বাড়ির জানালা ভেঙে মধ্যরাতে তুলে নিয়ে গেল তৃণমূলের এক নেতার ছেলে। ঘটনার লজ্জায় বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা আদিবাসী নাবালিকার। বর্তমানে বোলপুর (Birbhum) সুপার স্পেশালিটি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নাবালিকা। এই ঘটনায় শাসক দলের নেতা কাঠগড়ায়। এই নিয়ে জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঘটনা কোথায় ঘটল (Birbhum)?

    নিজের বাড়িতে ঘুমাচ্ছিল আদিবাসী নাবালিকা। রাতের অন্ধকারে জানলা ভেঙে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় স্থানীয় তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েতের মেম্বারের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের পাড়ুই থানা এলাকার দামোদরপুর গ্রামে। জানা গিয়েছে, ওই আদিবাসী নাবালিকার বয়স ১৭। এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে সে। গত মঙ্গলবার রাতে বাড়িতেই দুই বোনের সাথে ঘুমাচ্ছিল নাবালিকা। সেই সময় স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের মেম্বার নবকুমার নাথ-এর ছেলে ছোট্টু নাথ বাড়ির জানালা ভেঙে জোর করে তুলে নিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ।

    আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা

    নাবালিকা অপহরণের বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়ে যায়। পরে অবশ্য তৃণমূল নেতার ছেলের কাছ থেকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয় মেয়েটিকে। বাড়িতে ফিরিয়ে আনার পরই বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে ওই আদিবাসী নাবালিকা। এই মুহূর্তে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেয়েটি।

    নাবালিকার পরিবারের বক্তব্য

    নাবালিকা বাবা-মার দাবি, “তৃণমূল নেতার ছেলের সঙ্গে আগে তাঁদের মেয়ের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি মেয়ে, সেই সম্পর্ককে অস্বীকার করে বেরনোর চেষ্টা করে। আর তার ফলেই বিভিন্নভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করত তৃণমূল নেতার ছেলে। একপ্রকার চাপে নাবালিকার টিউশন থেকে স্কুল, সবটাই কার্যত বন্ধ হতে বসেছিল। এরপরেই এই ঘটনাটি ঘটায় অভিযুক্ত ছেলেটি।” পরিবার আরও জানায়, “তাঁদের আর্থিক অবস্থা খারাপ, তাঁরা কোনও রকম আইনি সমস্যায় জড়াতে চাইছেন না। তাঁরা শুধু চাইছেন মেয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসুক।” হাসপাতাল সূত্রে খবর, নাবালিকার শারীরিক অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: সূর্যাস্তের পর প্রতিমা তৈরি করে ভোরের আলো ফোটার আগেই বিসর্জন!

    Kali Puja 2023: সূর্যাস্তের পর প্রতিমা তৈরি করে ভোরের আলো ফোটার আগেই বিসর্জন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের মুখ দেখেন না দেবী। তাই সূর্যাস্তের পর প্রতিমা তৈরি করে, রাতে শ্যামা মায়ের পুজো করে, ভোরের আলো ফোটার আগেই বিসর্জন হয়। প্রায় পাঁচশো বছর ধরে এমনই রীতি মেনে দীপাবলির রাতে কালীপূজো হয়ে আসছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগর কালীবাড়ির মন্দিরে। শুধু তাই নয়, দেবীর আদেশে এই মন্দিরে নেই কোনও ছাদ বা আচ্ছাদন। চারদিক দেওয়াল দিয়ে ঘিরে মন্দির থাকলেও খোলা আকাশের নিচেই পরম জাগ্রত দেবীনগর কালীবাড়ির দেবী পূজিতা হন বেদিতেই (Kali Puja 2023)।

    ভিনরাজ্য থেকে দর্শনার্থীদের সমাগম (Kali Puja 2023)

    শুধু উত্তর দিনাজপুর নয়, রাজ্যের অন্যান্য জেলা সহ কলকাতা, এমনকি ভিনরাজ্য থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগম হয় দীপাবলির রাতে, ঐতিহ্যবাহী দেবীনগর কালীবাড়ির শ্যামাপুজোয়। কথিত আছে, রায়গঞ্জ শহরের দক্ষিণ প্রান্তে দেবীনগরে রাজপথের ধারে এই কালীমন্দিরে এক সময় গাছের তলায় ডাকাতদল পুজো করত। দিনাজপুরের জমিদার তাঁর লোকজন নিয়ে এসে এখানে পুজো করে ফিরে যেতেন। একবার এই পথ দিয়ে ভূপালপুর রাজবাড়ি যাওয়ার পথে এই স্থানে আটকে পড়েন তৎকালীন দিনাজপুরের জমিদার। সেই সময় তিনি দেবীর আদেশ পান এই স্থানে মন্দির তৈরি করে পুজো করার। দেবীর এই আদেশও ছিল মন্দির হবে ছাদ খোলা। মা রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে এখানে পূজিতা হবেন (Kali Puja 2023)। দিনাজপুরের রাজা স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন দীপাবলির অমাবস্যায় সূর্য অস্ত যাওয়ার পরে মায়ের মূর্তি তৈরি করা শুরু হবে। আর সূর্য উদয় হওয়ার আগেই মায়ের বিসর্জন দিয়ে দিতে হবে। বাকি সারাটা বছর মা পূজিতা হবেন বেদিতেই। মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে দিনাজপুরের জমিদার রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগরে রাজপথের ধারে তৈরি করে দেন ছাদ খোলা মায়ের মন্দির। সেই থেকে আজও এই ছাদ খোলা মন্দিরে বেদিতে মা কালীর আরাধনা হয়। দীপাবলির রাতে এক রাতেই মায়ের মূর্তি তৈরি করে পুজো করে ভোরের আলো ফোটার আগে বিসর্জন দিয়ে দেওয়া হয় কালী প্রতিমার। একটিবারের জন্যও এই রীতির অন্যথা হয়নি রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগর কালীবাড়ির পুজোয়।

    জাগ্রত দেবী বলে এর খ্যাতি (Kali Puja 2023)

    জাগ্রত দেবী বলে এর খ্যাতি ছড়িয়েছে গোটা দেশজুড়ে। অসম থেকে ঝাড়খণ্ড, ওডিশা, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় দীপাবলির কালীপুজোর রাতে। স্থানীয় পুরোহিত সাধন মুখার্জী বলেন, “আনুমানিক ৫০০ বছরের পুরনো এই পুজো। তৎকালীন দিনাজপুরের জমিদার স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেছিলেন। সেই থেকে পুজো হয়ে আসছে। দেবী সূর্যের মুখ দেখেন না। তাই সন্ধ্যায় চক্ষুদান হয় এবং ভোর হওয়ার আগেই বিসর্জন হয়। এখানে বৈষ্ণব মতে পুজো (Kali Puja 2023) হয়। অন্নভোগ হয় না। দেবী জাগ্রত হওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তদের সমাগম হয় এখানে। ” 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বিগ্রহ হাতে ৫০০ মিটার পথ হেঁটে মন্দিরে ঢুকবেন মোদি

    Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বিগ্রহ হাতে ৫০০ মিটার পথ হেঁটে মন্দিরে ঢুকবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমূর্তির (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। সেদিন সমস্ত প্রোটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রায় ৫০০ মিটারেরও বেশি পথ খালি পায়ে হাঁটতে দেখা যাবে। রামলালার বিগ্রহকে প্রধানমন্ত্রী নিজে হাতে নবনির্মিত রামমন্দিরে প্রবেশ করাবেন। ট্রাস্টের তরফ থেকে এই ঘোষণায় খুশির মহল তৈরি হয়েছে রামভক্তদের মধ্যে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে মূল অনুষ্ঠানটি ২২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা যাবে উত্তরপ্রদেশের গেরুয়া বসনধারী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবতকেও।

    সারা দেশ থেকে আমন্ত্রিত ৮ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তি

    জানা গিয়েছে, সারা দেশের বিখ্যাত মঠ ও মন্দিরের পুরোহিতরাও সামিল হবেন রামমূর্তির (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। সারা দেশ থেকে ৮ হাজার বিশিষ্ট জনকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে রাম মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন। যাঁদের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার জন বিভিন্ন মঠ এবং মন্দিরের প্রধান। এছাড়াও ধর্মীয় সংগঠনের সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষই অংশগ্রহণ করবেন রামলালার মূর্তি প্রতিষ্ঠার দিন। এমনটাই জানিয়েছে ট্রাস্ট। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইনজীবীরা থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও সেদিন হাজির থাকতে দেখা যাবে। রামমন্দির (Ram Mandir) আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত করসেবকদের পরিবারও সেদিন উপস্থিত থাকবে বলে জানিয়েছে ট্রাস্ট। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ইতিমধ্যে ৮ হাজার জন আমন্ত্রিত অতিথির বসার ব্যবস্থার করতে শুরু করেছে।

    সরযূ নদীর জলে স্নান করানো হবে রামলালাকে 

    ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তিনজন ভাস্কর তিনটি আলাদা আলাদা রামলালার মূর্তি তৈরির কাজে লেগে রয়েছেন। এই তিনটি মূর্তির মধ্যে থেকে একটিকে বাছা হবে, যেটি রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপন করা হবে। জানা গিয়েছে, রামমূর্তিগুলি তৈরি হচ্ছে রাজস্থান থেকে আনা মার্বেল এবং কর্ণাটকের কালো গ্রানাইট-এর দ্বারা। বাকি দুটি মূর্তির মধ্যে একটি স্থাপন করা হবে প্রথম তলায়। রামমূর্তিকে (Ram Mandir) স্নান করানো হবে সরযূ নদীর জল দিয়ে। এর পাশাপাশি অন্যান্য পবিত্র নদীর জলও থাকবে সেখানে। এজন্য পবিত্র মকর সংক্রান্তির দিন থেকেই শুরু হবে অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: উত্তরকন্যায় প্রতারণাচক্রের হদিশ! চাকরির টোপ দিয়ে টাকা হাতিয়ে গ্রেফতার এক কর্মী

    Siliguri: উত্তরকন্যায় প্রতারণাচক্রের হদিশ! চাকরির টোপ দিয়ে টাকা হাতিয়ে গ্রেফতার এক কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) রয়েছে উত্তরবঙ্গের শাখা সচিবালয় উত্তরকন্যা। আর সেখানেই প্রতারণা চক্রের হদিশ মিলল। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল সেখানকারই এক নিরাপত্তাকর্মীকে। এই ঘটনায় জড়িত আরও এক নিরাপত্তাকর্মী পলাতক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিলিগুড়ি জুড়ে। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা হল মইনুর রহমান ও বিষ্ণুপদ গুপ্ত। দু’জনেই শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরকন্যা সংলগ্ন ফুলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। দু’জনেই উত্তরকন্যায় বেসরকারি সংস্থার অধীন নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করে। অভিযোগ, উত্তরকন্যায় কাজ করার সুযোগ নিয়ে শিক্ষত বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল অভিযুক্তরা। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে উত্তরকন্যা ফাঁড়ির পুলিশ। বুধবার উত্তরকন্যা থেকে গ্রেফতার করা হয় বিষ্ণুপদকে। কয়েক বছর ধরে ওই দু’জন নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করছে উত্তরকন্যায়। জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির তিনজন যুবতীর কাছ থেকে মইনুল রহমান কিছু টাকা নেয় শিলিগুড়ি শহরে কোনও একটি নার্সিংহোমে চাকরির দেওয়ার নাম করে। টাকা নিতেই যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় মইনুল। পরে, ফোন করে তিনজনকে অন্য এক নিরাপত্তারক্ষী বিষ্ণুপদ গুপ্তর সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করার কথা বলে মইনুল। তিন যুবতী সেখানে পৌঁছনোর পর বিষ্ণুপদ তাঁদের কাছে ফের টাকার দাবি করে ও বাড়ি চলে যেতে বলে। এতে যুবতীদের সন্দেহ হয়, তাঁরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে বিষয়টি উত্তরকন্যার আধিকারিকদের জানালে তাঁরা এনজেপি থানার পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ বিষ্ণুপদকে গ্রেফতার করে। তবে, মূল অভিযুক্ত মইনুল পলাতক। তার খোঁজ করেছে পুলিশ।

    প্রতারিতদের কী বক্তব্য?

    প্রতারিতরা বলেন, ‘আমাদের বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি দেবে বলে একজন টাকা নেয়। তারপর উত্তরকন্যায় আরেকজনের কাছে পাঠায়। সেও টাকা দাবি করে। কিন্তু কোথায় ইন্টারভিউ হবে, তা জানায়নি। এতেই আমাদের সন্দেহ হয়। তখন আমরা পুলিশকে জানাই।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) কালো টাকা সাদা করতে ভুয়ো কৃষক সংগঠনও গড়ে তুলেছিলেন বাকিবুর রহমান। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ইডির হাতে। ইডি আধিকারিকদের দাবি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনই পশ্চিমবঙ্গে ‘ফার্মারস ফোরাম’ নামে একটি কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা হয়। ওই সংগঠনের অন্যতম কর্ণধার ছিলেন রাইস মিল মালিক বাকিবুর রহমান। অন্যদিকে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও সন্দেহ তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। শুধু চাল নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) আটা নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করছে ইডি। এই সংক্রান্ত  তিনটি মামলাও দায়ের হয় নদিয়ার কোতোয়ালি, নবদ্বীপ এবং কৃষ্ণনগর থানায় ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ সালে।

    রেশনে আটা নিয়ে দুর্নীতি

    সেই মামলা খতিয়ে দেখতে গিয়ে ইডি জানতে পারে, খোলাবাজারে সরকারি স্ট্যাম্প দেওয়া আটা বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। ইডি সূত্রে খবর, আটা ভাঙানো হতো বাকিবুরের মিলে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে রাজ্য পুলিশের তদন্তে একবারও উঠে আসেনি বাকিবুরের নাম (Ration Scam)! ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, বাকিবুরের নদিয়াজুড়ে একাধিক চাল কল রয়েছে। তদন্তের সময় পুলিশ কেন তার রাইস মিলগুলিতে হানা দিল না? প্রভাবশালী মন্ত্রীর হাত বাকিবুরের মাথায় ছিল বলেই কি পুলিশি তদন্ত থেকে বেঁচে ছিলেন রাকিবুর? অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ভুয়ো কৃষক সংগঠনের নামে  ভুয়ো শস্যদানা কেনাবেচায় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের নামের তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকার মাধ্যমেই সরকারি ভাবে দেখানো হতো শস্য কেনাবেচা হয়েছে অর্থাৎ সংগঠনও ভুয়ো, শস্য কেনাবেচার প্রক্রিয়াটাও ছিল ভুয়ো। কিন্তু খাতায়-কলমে তাতে বাস্তবে হয়েছে বলে দেখানো হতো।

    বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা

    চলতি মাসের ১৩ তারিখে ঠিক দুর্গাপুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। অন্যদিকে, দুর্গাপুজোর পরেই ২৬ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ঘটনাক্রমে, বাকিবুর রহমানের ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। তবে বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতেই রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। এমন অবস্থায় বাকিবুর রহমান ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে আরও অনেক তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এখানেই শেষ নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Ration Scam) জাল যে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, তা মানছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Election Day: ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে

    Pakistan Election Day: ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের ভোটের দিনক্ষণ (Pakistan Election Day) স্থির করা হল। জানা গিয়েছে, আগামী বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে। বৃহস্পতিবার সে দেশের নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে অবহিত করেছে। প্রসঙ্গত, কবে হতে পারে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চর্চা চলছিল। চলতি বছরের ৯ অগাস্ট জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন সে দেশের রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি। তার প্রায় ২ মাস পরে পাকিস্তানের ভোটের দামামা বেজে গেল। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতা কার হাতে থাকবে, সেদিকে নজর রয়েছে অনেকেরই। সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Pakistan Election Day) বর্তমানে জেলে রয়েছেন, অন্যদিকে স্বেচ্ছা নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন নওয়াজ শরিফ।

    ভোটের দাবিতে একাধিক মামলা পাকিস্তানে

    পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (Pakistan Election Day) সূত্রে জানা গিয়েছে, সে দেশে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা জমা হচ্ছিল ভোট সংক্রান্ত। জাতীয় সংসদ ও আঞ্চলিক বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ভোট করানোর আবেদনও জানানো হচ্ছিল। পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদ সংস্থা ডন পত্রিকায় যে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে তাতে লেখা হচ্ছে, সে দেশের প্রধান বিচারপতি কাজি ফয়েজ ইসা, বিচারপতি আমিন উদ্দিন খান, বিচারপতি আতহার মীনাল্লাহ ভোট সংক্রান্ত এই মামলাগুলি শোনেন।

    ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই সংসদীয় এলাকা পুনর্বিন্যাসের কাজ শেষ হয়ে যাবে

    প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের ৬ নভেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানে নির্বাচন প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে সে দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে অনুরোধও জানিয়েছিল ইমরান খানের দল (Pakistan Election Day)। তবে সে দেশের আইন মন্ত্রক ইমরানের দলের এই আবেদনের বিরোধিতা করে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে চলছে সংসদীয় এলাকা বিন্যাসের কাজ। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছেন, ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই সংসদীয় এলাকা পুনর্বিন্যাসের কাজ শেষ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে মমতা সরকারের প্রচারের শেষ নেই। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় রাজ্য যে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে, তা দেখাতে রীতিমতো নির্দেশিকাও বের করা হয়। রাজ্যের হুঁশিয়ারি, সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী রেফার করা যাবে না! এনিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। রাজ্য সরকারকে স্বাস্থ্যসাথী ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে লেখেন, ‘ভোটের আগে বলেছিলেন স্বাস্থ্যসাথী হল বিশ্ব মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা (Swasthya Sathi)। বেসরকারি হাসপাতালে কার্ড গ্রহণ করতেই হবে, না হলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল। ভোট শেষ, দেখলেন ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’। অমনি নির্দেশিকা বদল, এবার বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Swasthya Sathi) নিলে সেই হাসপাতাল ও নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে!’

    শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, এই রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল এমন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রীরও চিকিৎসা হয় না! সাধারণ মানুষের ভাগ্যে তো এই দুর্গতি সামান্য। প্রসঙ্গত, বেসরকারি হাসপাতালে রোগী রেফার করা যাবে না বা করলেও কোন পরিস্থিতিতে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক রেফার করলেন তার কারণ দর্শাতে হবে। এই নির্দেশিকা সামনে আসার পরেই স্বাস্থ্য মহলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য সাথী নিয়ে নয়া নির্দেশিকা

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ব্যবহার করে বেসরকারি হাসপাতালে হাড়ের অস্ত্রোপচার করা যাবে না। তবে সমস্ত সরকারি হাসপাতালে সেই সুযোগ মিলবে। অর্থাৎ স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালে হাড়ের অস্ত্রোপচার করা যাবে। শুধুমাত্র বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সরকারি হাসপাতালে হাড়ের অস্ত্রোপচারের পরিকাঠামো না থাকলে তবেই বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করা যাবে।

    রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তোপ খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীরই!

    এদিকে, বুধবারই রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে তোপ দেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ তুলেছেন ভুল চিকিৎসারও। প্রসঙ্গত রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীও বটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন  মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসার তত্ত্বকে টেনে এনে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানাতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে।

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    প্রসঙ্গত নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করেন মমতা। সেই মন্তব্যের একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘‘এসএসকেএম হাসপাতালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। রাজ্যের সবথেকে উচ্চমানের সরকারি হাসপাতালকে চোর ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল বানানোর অপচেষ্টার কারণে চিকিৎসার এই অবস্থা হয়েছে।’’ শুভেন্দুর আরও সংযোজন, ‘‘এই অপদার্থ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আমলে এখানকার ডাক্তারবাবুরা চিকিৎসা কম করছেন। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের শিকার হয়ে ভুয়ো কাগজপত্র তৈরিতে বেশি মনোনিবেশ করতে বাধ্য হচ্ছেন।’ যদিও তৃণমূলের তরফে এখনও এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শাসকদল আগামী দিনে এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয় কি না, সেটাই এখন দেখার (Swasthya Sathi)।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share