Tag: Madhyom

Madhyom

  • Saptahik Rashifal: কী বলছে আগামী ৭ দিনের ভাগ্যরেখা? সাপ্তাহিক রাশিফল ৭ মে থেকে ১৩ মে   

    Saptahik Rashifal: কী বলছে আগামী ৭ দিনের ভাগ্যরেখা? সাপ্তাহিক রাশিফল ৭ মে থেকে ১৩ মে   

    মেষ রাশি

    আপনার চন্দ্র রাশিতে, বৃহস্পতি নবম ভাবের অধিপতি হিসাবে প্রথম ভাবে উপস্থিত এবং আপনার স্বাস্থ্য জীবনের জন্য এই সপ্তাহটি অনুকূল দেখাচ্ছে। যেহেতু এই সময় আপনার কোনো বড় অসুখ এড়ানোর সম্ভাবনা বেশি, তাই ভালো স্বাস্থ্য উপভোগ করুন এবং নিয়মিত ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খান। আর্থিক সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে, এই সপ্তাহটি স্বাভাবিকের চেয়ে ভাল হবে। কারণ আপনার রাশির জাতক জাতিকারা তাদের জীবন সঙ্গীর পরিবার বা পৈতৃক সম্পত্তি থেকে কিছু আকস্মিক সুবিধা পেতে পারে যাতে এই সময় অনেক সুযোগের সঠিক ব্যবহার করা যায়। শনি আপনার চন্দ্র রাশিতে একাদশ ভাবে বিরাজ করছে এবং এই সপ্তাহে আপনি আপনার কর্মস্থল থেকে তাড়াতাড়ি বাড়িতে আসার চেষ্টা করবেন, এতে আপনি সাফল্যও পাবেন। এই সময়ে, একটি পুরানো পারিবারিক অ্যালবাম বা একটি পুরানো ছবি, আপনার এবং পরিবারের পুরানো স্মৃতিগুলিকে সতেজ করবে এবং সেই প্রেক্ষাপটে আপনি পুরানো স্মৃতি মনে রাখবেন। এই সপ্তাহে, আপনার কর্মজীবনে, আপনি প্রত্যাশিত ফলাফল পাবেন। তবে এর জন্য আপনাকে আপনার সৃজনশীল সম্ভাবনা বাড়াতে হবে। বুধ আপনার চন্দ্র রাশিতে প্রথম ভাবে উপস্থিত এবং আপনি যদি বাড়ি থেকে দূরে একটি ভাল এবং বড় কলেজে ভর্তি হওয়ার কথা ভাবছিলেন, তবে এই সময়ে সম্ভাবনা কিছুটা বেশি অনুকূল দেখাচ্ছে। তাই এর জন্য অনেক শিক্ষার্থীকে তাদের শিক্ষকদের সহযোগিতা নিতে হবে। যদিও, এই সময় কোন কারণে শর্ট-কাট নেওয়া এড়িয়ে চলুন, অন্যথায় আপনাকে সারাজীবন অনুতপ্ত হতে হতে পারে।

    বৃষভ রাশি

    এই রাশির বয়স্ক ব্যক্তিরা, যাঁরা জয়েন্টের ব্যথা বা কোমর ব্যথার সমস্যায় ভুগছিলেন, তারা এই সপ্তাহে সঠিক খাবার খাওয়ার ফলে আরও ভাল স্বাস্থ্য পেতে সক্ষম হবেন। এমন অবস্থায় ভালো খাবার গ্রহণের সময় নিয়মিত যোগ,ব্যায়াম করুন। আপনি যদি এখন পর্যন্ত কোনও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হন তবে এই সপ্তাহে এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার পরিবর্তে আপনাকে এমন কিছু করতে হবে যা আপনার আয় বাড়াবে। এর জন্য, আপনি আপনার বন্ধু, নিকটজন বা বড়দের সাথে পরামর্শ করেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সম্ভবত এই সপ্তাহে বাড়ির কোনও সদস্যের পরামর্শ আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে সহায়তা করবে, যা আপনার মনকে খুশি করবে। এর সাথে, আপনাকে বাড়ির সদস্যদের জন্য অবাধে ব্যয় করতে এবং তাদের জন্য উপহার নিতে দেখা যাবে। এই সপ্তাহে কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক কিছু ঘটতে পারে, যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে অফিসে আপনি যাকে আপনার শত্রু ভেবেছিলেন তিনি আসলে আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী। সুতরাং তাদের সাথে আপনার সমস্ত খারাপ অভিজ্ঞতা ভুলে নতুন এবং ইতিবাচক শুরু করার জন্য একটি ভাল সিদ্ধান্ত নেওয়া আপনার উপর নির্ভর করে। এই সপ্তাহে, শিক্ষার দিক থেকে, আপনি বিদেশ ভ্রমণেও যেতে পারেন। সংক্ষেপে, এই সপ্তাহটি আপনাকে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করছে, তাই কঠোর পরিশ্রম করুন এবং এগিয়ে যান, নিজেকে এবং আপনার পরিবারকে গর্বিত করুন।

    মিথুন রাশি

    আপনার চন্দ্র রাশিতে, বৃহস্পতি এবং রাহু একাদশ ভাবে অবস্থান করছে এবং আপনি যদি আপনার স্বাস্থ্য জীবনের দিকে তাকান তবে এই সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। এই সময়ে আপনি শক্তিতে পূর্ণ থাকবেন এবং দক্ষতার সাথে আপনার প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য সম্ভাব্য সবরকম প্রচেষ্টা করবেন। এই পরিস্থিতিতে, আপনাকে অকেজো জিনিসগুলিতে মনোযোগ দেওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। একটি বড় দলে আর্থিক অংশগ্রহণ এই সপ্তাহে আপনার জন্য আকর্ষণীয় প্রমাণিত হবে। যদিও, এটি আপনার ব্যয়কে অনেকাংশে বাড়িয়ে দিতে পারে, যার ফলস্বরূপ আপনাকে পরবর্তীতে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে আপনার বাড়ি পাওয়ার চেষ্টা করে থাকেন তবে এই সপ্তাহে আপনার পরিবারে এটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এই সময়ে আপনার চিন্তা এবং আলোচনা বাড়ির বড়দের দ্বারা প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পাবে। এতে আপনার মনোবল যেমন বাড়বে, তেমনি পারিবারিক পরিবেশে সামঞ্জস্যতা দেখে আপনি বাইরে থেকে খাবার বা মিষ্টি অর্ডার করতে পারেন। শনি আপনার চন্দ্র রাশিতে নবম ভাবে বিরাজ করছে এবং এই সপ্তাহে আপনার কর্মজীবনে উন্নতির জন্য আপনার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, অন্যথায় আপনি সময়মতো কোনো কাজ শেষ করতে পারবেন না। এটি আপনার কর্মজীবনের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে এবং একই সাথে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা বোধ করতে পারেন। আপনার চন্দ্র রাশির একাদশ ভাবে বুধ বিরাজ করছে এবং এই সপ্তাহে যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা নতুন কিছু শিখতে থাকবে, তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা আরও ভাল হবে। এটি ছাড়াও, বাকি শিক্ষার্থী তাদের যোগ্যতা হ্রাস সহ অনেক ক্ষতিকারক পরিণতির মুখোমুখি হতে পারে।

    কর্কট রাশি

    শনি আপনার চন্দ্র রাশিতে অষ্টম ভাবে অবস্থান করছে এবং এই কারণে আপনার বাইরের মশলাদার এবং ভাজা খাবার খাওয়ার অভ্যাস এই সপ্তাহে আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে। তাই আপনার খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করুন এবং নিজেকে ফিট রাখতে ভালো খাবার গ্রহণ করুন। এর পাশাপাশি, আপনাকে নিয়মিত ব্যায়াম এবং যোগ করতে হবে, এই সময়ে আপনার এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে। এই সপ্তাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত, আপনাকে আপনার সমস্ত বন্ধুবান্ধব এবং ঘনিষ্ঠদের থেকে দূরে থাকতে হবে, যারা বারবার আপনার কাছ থেকে ঋণ চায় এবং তারপরে তা ফেরত দেওয়ার সময় হট্টগোল করে। কারণ ঋণে টাকা দেওয়া এই সময়ে আপনার জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হবে। এই সপ্তাহে আপনার বন্ধু বা কাছের লোকেরা আপনার কথা বা পরামর্শকে খুব বেশি গুরুত্ব দেবে না। যার কারণে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে কিছু করতে গিয়ে অবহেলিত বোধ করবেন। এর কারণে মানসিক চাপে পড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এই সপ্তাহে গ্রহের অবস্থানগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই সময় আপনার ভাইবোন, বন্ধু, আত্মীয় এবং সহকর্মীদের সাথে আপনার সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু বিবাদ দেখা দিতে পারে। যার প্রভাব আপনার মনে নেতিবাচকতা নিয়ে আসবে এবং আপনি আপনার কর্মজীবনে এগিয়ে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনাই চিন্তা করতে ব্যর্থ হবেন। বুধ আপনার চন্দ্র রাশিতে দশম ঘরে বিরাজ করছে এবং এই রাশির সকল শিক্ষার্থী যারা বিদেশ যাওয়ার কথা ভাবছেন, তারা এই সপ্তাহের মাঝামাঝি কিছু সুখবর পেতে পারেন। যদিও, এর জন্য আপনাকে আপনার লক্ষ্যের দিকে নিজেকে ফোকাস করতে হবে।

    সিংহ রাশি

    বৃহস্পতি আপনার চন্দ্র রাশিতে নবম ভাবে অবস্থান করছে এবং আপনার স্বাস্থ্য জীবনের জন্য এই সপ্তাহটি অনুকূল দেখাচ্ছে। যেহেতু এই সময় আপনার কোনো বড় অসুখ এড়ানোর সম্ভাবনা বেশি, তাই ভালো স্বাস্থ্য উপভোগ করুন এবং নিয়মিত ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খান। আর্থিক বিষয়ে, এই সপ্তাহটি আপনার রাশির জাতক/জাতিকাদের জন্য খুব ভাল হতে পারে। কারণ এই সময়ে অনেক গ্রহের দৃষ্টি আপনার আয় বাড়াতে এবং আপনার সঞ্চিত সম্পদে যোগ করার অনেক সুযোগ প্রদানে কাজ করবে। এই সপ্তাহে, আপনার মন দাতব্য কাজে বেশি ব্যস্ত থাকবে, যার কারণে আপনি আপনার পরিবারের সাথে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা অভ্যন্তরীণ শান্তি অনুভব করবেন এবং আপনার মনে ইতিবাচক চিন্তার উদয় হবে। এই সপ্তাহে, আপনার কাজ ছাড়াও, আপনার আরাম পূরণের দিকে আপনার মন আরও বেশি মনোযোগী হবে। এই পরিস্থিতিতে, আপনার মনকে শুধুমাত্র লক্ষ্যের দিকে মনোনিবেশ করুন এবং আবেগপূর্ণ বিষয়গুলি এড়িয়ে চলুন। অন্যথায়, আপনার জন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। বুধ আপনার চন্দ্র রাশিতে নবম ভাবে অবস্থান করছে এবং এই সময়টি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে, কারণ আপনি আপনার কঠোর পরিশ্রমের ভিত্তিতে ভাল নম্বর পেতে সক্ষম হবেন। একই সাথে, এই সাফল্য আপনার উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। এতে সমাজে আপনার ও আপনার পরিবারের সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

    কন্যা রাশি

    এই সপ্তাহে আপনার মানসিক অবস্থা অনেক ভালো থাকবে, কারণ এই সময় আপনি নিজেকে সব ধরনের চাপ থেকে দূরে রাখতে সক্ষম হবেন। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় আপনি ছোটখাটো রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, তবে তা ছাড়া এই সময় আপনার বড় কোনো রোগ হবে না। আপনার চন্দ্র রাশিতে, বৃহস্পতি এবং রাহু একসাথে অষ্টম ভাবে উপস্থিত রয়েছে এবং আপনি যদি আগে কোনও অর্থ বিনিয়োগ করে থাকেন তবে এটি এই সপ্তাহে আপনার সমস্যার প্রধান কারণ হতে পারে। কারণ এতে আপনার আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। অতএব, তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়াই আপনার জন্য ভালো হবে, খুব সাবধানে নিন। এই সপ্তাহে আপনার খারাপ আচরণের কারণে, কোনও ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা পরিবারের সদস্য আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে পারিবারিক জীবনে। এসময়, আপনি যদি এটি না চান, তবে আপনার আচরণে নমনীয়তা আনুন এবং অন্যের সাথে কোনও ধরণের বিবাদে জড়াবেন না। এই সময়টি আপনার স্ব-মূল্যায়ন এবং আপনার অতীতের ভুল এবং অভিজ্ঞতা থেকে বোঝার এবং শেখার দিকে নির্দেশ করছে। কিন্তু আপনার ক্যারিয়ারে অন্যদের থেকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতা আপনাকে তা করতে বাধা দেবে, যার কারণে আপনাকে আবার আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে দেখা যাবে। আপনার চন্দ্র রাশিতে, বুধ অষ্টম ভাবে অবস্থান করছে এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে এই রাশির জাতক জাতিকাদের পুরো সপ্তাহে কাঙ্খিত ফলাফল পেতে তাদের গুরুজন এবং শিক্ষকদের সাহায্য নিতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে, বুঝতে হবে যে আপনি যদি প্রতিটি বিষয় একা বোঝার চেষ্টা করেন তবে আপনাকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি শক্তি এবং সময় ব্যয় করতে হবে। তাই পড়াশোনার সময় বড়দের সাহায্য নেওয়াই আপনার জন্য ভালো হবে।

    তুলা রাশি

    আপনার চন্দ্র রাশি অনুসারে, বৃহস্পতি সপ্তম ভাবে অবস্থান করছে এবং চাঁদের দিকে দৃষ্টিপাত করছে। এই সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্য, কর্ম এবং সামাজিক জীবনে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আপনাকে অন্যদের সাথে খোলামেলাভাবে যোগাযোগ করতে সাহায্য করবে। যার ফলে আপনার সাহস এবং আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে, তেমনি আপনি নিজেকে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিতে সম্পূর্ণ সক্ষম দেখতে পাবেন। আপনি যদি বিবাহিত হন, তাহলে এই পুরো সপ্তাহে আপনার সন্তানের লেখাপড়ার জন্য আপনাকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। যার কারণে আপনার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকবে, তাই এই বিষয়টি একা সমাধান না করে, আপনার সঙ্গীর সাথে এই সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলুন। আপনি প্রায়শই আপনার সামর্থ্যের চেয়ে বেশি অন্যদের প্রতিশ্রুতি দেন, যার কারণে আপনি না চাইলেও নিজেকে সমস্যায় ফেলেন। তবে এই সপ্তাহে আপনাকে তা এড়িয়ে চলতে হবে। অন্যথায় আপনি আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে পারেন। যেসব ব্যবসায়ী অংশীদারিত্বে ব্যবসা করছেন তারা এই সপ্তাহে খুব ভালো লাভ পেতে পারেন। কারণ এই সময়, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক নেটওয়ার্কিং আপনাকে আপনার ব্যবসাকে প্রসারিত করতে এবং ছড়িয়ে দিতে অনেক সাহায্য করতে পারে। বুধ আপনার চন্দ্র রাশিতে সপ্তম ভাবে অবস্থান করছে এবং অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের সতেজ রাখতে এই সপ্তাহে তাদের বন্ধুবান্ধব বা নিকটজনদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারে।

    বৃশ্চিক রাশি

    সামাজিক মিথস্ক্রিয়া ছাড়াও, আপনাকে এই সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ জন্য প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি করে এবং বাইরের খাবার ত্যাগ করে নিজেকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করতে পারেন। বৃহস্পতি আপনার চন্দ্র রাশিতে ষষ্ঠ ভাবে উপস্থিত এবং এই সপ্তাহে আপনার বন্ধুবান্ধব এবং নিকটাত্মীয়রা আপনাকে সমস্ত ধরণের আর্থিক অসুবিধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে, আপনাকে প্রতিটি পদক্ষেপে সহায়তা করবে। যার সাহায্যে আপনি কেবল আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে সক্ষম হবেন না, আপনার যে কোনও ঋণ পরিশোধেও আপনাকে সাহায্য করবে। এই সপ্তাহে, পরিবারের কোনও সদস্যকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করা এবং আপনার কোনও গোপনীয়তা সম্পর্কে তাদের সচেতন করা আপনার মানসিক চাপকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। সেজন্য সবাইকে যতটুকু বলা যায় ততটুকুই বলুন। অন্যথায় আপনার নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে। অফিসে বা অফিসে, যার সাথে আপনি প্রায়শই তর্ক বা কম করেন, এই সপ্তাহে তার সাথে ভাল কথাবার্তা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। কারণ এই সময় আপনারা দুজনেই একসঙ্গে একটি নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের দায়িত্ব পেতে পারেন। ফলস্বরূপ, এই সময়ে আপনাদের উভয়কেই একে অপরের অভিযোগ ভুলে একই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করতে দেখা যাবে। একটি মজবুত ঘরের জন্য যেমন মজবুত ভিত্তি তৈরি করা জরুরি, তেমনি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য ভালো শিক্ষা লাভ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই কারণে, এই সপ্তাহে আপনাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে হাঁটতে দেখা যাবে। 

    ধনু রাশি

    বৃহস্পতি আপনার চন্দ্র রাশিতে পঞ্চম ভাবে অবস্থান করছে এবং এই সময়টি স্বাস্থ্যের দিক থেকে বিশেষভাবে ভাল হবে এবং আপনি আপনার সুস্বাস্থ্যের ভিত্তিতে আপনার পরিবারের সদস্যদের ভাল যত্ন নেবেন। যার কারণে পরিবারে আপনার সম্মান বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। সামগ্রিকভাবে, স্বাস্থ্যের দিক থেকে এই সপ্তাহটি আপনার জন্য ভাল হবে। যে ব্যবসায়ীরা অতীতে লাভের জন্য চুক্তি করেছিলেন, তারা এই সপ্তাহে একটি বড় শুভ লক্ষণ পেতে পারেন। কারণ এটি সম্ভব যে আপনার এই চুক্তিটি সফল হবে, যার কারণে আপনি শীঘ্রই অর্থ বা লাভ পাওয়ার অনেক সম্ভাবনা দেখতে পাবেন। এই সপ্তাহে আপনি নিজের উপর রাগ করবেন, কারণ আপনি অনুভব করবেন যে আপনার পরিবারের হস্তক্ষেপের কারণে আপনি নিজের শর্তে আপনার জীবনযাপন করতে পারবেন না। এসময় বাড়ির সদস্যদের কাছেও এই বিষয়ে আপনার স্বভাব কিছুটা বিপর্যস্ত মনে হবে। এই সপ্তাহে, আপনার সঙ্গীর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা আপনার পক্ষে খুব কঠিন হতে চলেছে। এসময়, আপনি যদি ব্যবসার প্রসার ঘটাতে চান, তাহলে আপনাকে আপনার অহংকার কে একপাশে রেখে আপনার সঙ্গীর সাথে সমস্ত মতভেদ দূর করতে হবে। এই সপ্তাহে, শিক্ষার কারণে বাড়ি থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের পুরো সপ্তাহটি বাসন-কাপড় ধোয়ার মতো গৃহস্থালির কাজে কাটাতে হবে। যার কারণে তাদের কিছুটা সমস্যা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার সপ্তাহকে আরও ভালভাবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা আপনার পক্ষে উপযুক্ত হবে।

    মকর রাশি

    আপনি এবং আপনার চারপাশের লোকেরা এটি খুব ভালভাবে বোঝেন যে, আপনি এতটাই আত্মবিশ্বাসী এবং দ্রুত যে আপনাকে কারও উত্সাহের প্রয়োজন নেই। তাই আপনার এই দক্ষতার সঠিক ব্যবহার করুন, এটিকে পূর্ণরূপে ব্যবহার করুন এবং নিজেকে আরও বেশি করে সবুজ শাক-সবজি খেতে উৎসাহিত করুন। এই সপ্তাহে, আপনার মধ্যে সৃজনশীল ধারণা বৃদ্ধি পাবে, যার কারণে আপনি প্রচুর অর্থ উপার্জনের নতুন সুযোগ খুঁজে পেয়ে ভাল মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। যদিও, ইতিমধ্যে, প্রতিটি এবং প্রতিটি নথিতে স্বাক্ষর করার আগে, আপনাকে সাবধানে এবং স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে সেগুলি পড়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এই সপ্তাহে একটি সম্ভাবনা রয়েছে যে পরিবারের কোনও সদস্যের অসুস্থতার কারণে পূর্ব দিকে পরিবারের সাথে ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনাটি কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করা হতে পারে। এর কারণে আপনি এবং বাড়ির বাচ্চারা কিছুটা অসুখী হবেন। শনি আপনার চন্দ্র রাশিতে দ্বিতীয় ভাবে অবস্থান করছে এবং ব্যবসার দিক থেকে এই সপ্তাহটি আপনার রাশির জাতক/জাতিকাদের জন্য খুব ভাল প্রমাণিত হতে পারে। কারণ তারকারা এবার পুরোপুরি আপনার পক্ষে। যার কারণে আপনি আপনার পেশা এবং কর্মজীবনে ভাগ্য এবং ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পাবেন। এই সপ্তাহে আপনার প্রেম জীবন আপনার পড়াশোনার প্রতি আপনার মনকে বিভ্রান্ত করার প্রধান কারণ হবে। এমন পরিস্থিতিতে, প্রেম এবং শিক্ষার জীবনের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বোঝার চেষ্টা করুন যে আপনার পুরো জীবন প্রেমের জন্য রয়েছে এবং আপনাকে এই সপ্তাহের সময় আপনার শিক্ষায় দিতে হবে।

    কুম্ভ রাশি

    আপনি যদি আমিষ খান, তাহলে এই সপ্তাহে আপনি দুর্বলতার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হবেন। তবে বাইরে থেকে খাবার অর্ডার না করে ঘরে রান্না করা খাবার খাওয়া এবং খাবার হজমের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩০ মিনিট হাঁটা ভালো হবে। এই সপ্তাহে, আপনার বাড়িতে হঠাৎ, অঘোষিত অতিথির আগমন আপনার আর্থিক পরিস্থিতিকে বড় ক্ষতি করতে পারে। কারণ অতিথিদের খুশি করার প্রক্রিয়ায়, আপনি তাদের আতিথেয়তায় আপনার অর্থের চেয়ে বেশি ব্যয় করতে পারেন। আপনার চারপাশের মানুষদের, বিশেষ করে পরিবারের সদস্যদের আচরণের কারণে আপনি এই সপ্তাহে কিছুটা বিরক্ত বোধ করবেন। এতে আপনার মানসিক চাপও বাড়বে, সেই সঙ্গে তাদের সঙ্গে আপনার বিবাদও হতে পারে। এই সপ্তাহে আপনার আরও ভাল কাজ এবং দক্ষতা দেখে, আপনার অধীনে কর্মরত কর্মীরা আপনার প্রতি খুব মুগ্ধ হবেন। যার জন্য আপনি তাদের প্রশংসা পেতে সক্ষম হবেন এবং তাদের সাথে একসাথে আপনাকে আপনার ব্যবসা বাড়ানোর চিন্তা করতে দেখা যাবে। এর মাধ্যমে আপনি বাজারে আপনার নাম ও খ্যাতি অর্জনের অনেক সুযোগও পাবেন। এই সপ্তাহে আপনি যতই কঠোর পরিশ্রম করুন না কেন, সেই অনুযায়ী ভালো ও সফল ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পারেন। তাই প্রথম থেকেই কঠোর পরিশ্রম করার জন্য প্রস্তুত থাকুন এবং আপনার প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করার সাথে সাথে আপনার মনকে আপনার শিক্ষার দিকে নিবদ্ধ রাখুন।

    মীন রাশি

    আপনার পরিবারে, আপনার জীবনসাথীর অসুস্থতা আপনার মানসিক চাপ এবং উদ্বেগের প্রধান কারণ হবে। এই কারণে, কোনও কাজে আপনার মন কম থাকবে এবং আপনি কর্মক্ষেত্র থেকে তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য তৈরী হতে দেখা দিতে পারেন। বৃহস্পতি আপনার দ্বিতীয় ভাবে চন্দ্র রাশিতে বিরাজ করছে এবং আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনি যদি আপনার সৃজনশীল প্রতিভাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করেন তবে এটি খুব উপকারী প্রমাণিত হবে এবং একই সাহায্যে আপনি আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে সক্ষম হবেন। যার কারণে আগামী সময়ে আপনি ভালো সুবিধা পাবেন। যেকোনো কারণে গভীর রাত পর্যন্ত আপনার বাড়ির বাইরে থাকা বা আপনার বিলাসিতা করার জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা এই সপ্তাহে আপনার পিতামাতাকে রাগান্বিত করতে পারে। তাই প্রথম থেকেই এটি মাথায় রেখে, এমন কিছু করবেন না যাতে আপনি তাদের দ্বারা তিরস্কার হন। কারণ এতে শুধু আপনার ছবি নষ্ট হবে না, পারিবারিক পরিবেশেও একটা অশান্তির পরিবেশ দেখা যাবে। শনি আপনার চন্দ্র রাশিতে দ্বাদশ ভাবে অবস্থান করছে এবং এই সপ্তাহে আপনি মানসিক শক্তি বৃদ্ধি দেখতে পাবেন, যার কারণে আপনি অফিস থেকে বাড়ি ফিরেও পেশাদার কাজ করতে পছন্দ করবেন। যদিও, এটি করে আপনি আপনার পরিবারকে বিরক্ত করতে পারেন। যারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এই সপ্তাহটি স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি প্রতিকূল প্রমাণিত হবে। কারণ কিছু ক্রিয়াকলাপের কারণে আপনার মন বিক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ফলস্বরূপ আপনি এই সময়ে আপনার সমস্ত প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হতে পারেন। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে, আপনাকে পড়াশোনা এবং অন্যান্য কাজের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।   

       

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sharad Pawar: দলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন শরদ পাওয়ার

    Sharad Pawar: দলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন শরদ পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে শরদ পাওয়ারকে (Sharad Pawar) নিয়ে। ইতিমধ্যে পাওয়ার ঘোষণা করেন যে এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিতে চলেছেন। এদিকে জল্পনা শুরু হয় ভাইপো অজিত পাওয়ারকে নিয়েও যে তিনি নাকি বেশ কয়েকজন বিধায়ক নিয়ে যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে। অন্যদিকে একাধিক ইস্যুতে মেদিকে সমর্থন করে বিবৃতি দিতে থাকেন পাওয়ার। এতে জল্পনা আরও বাড়ে যে তিনি এনডিএ-তে যোগ দিতে চলেছেন। পাওয়ারের (Sharad Pawar) ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই চর্চা শুরু হয়েছিল তাঁর পরবর্তী উত্তরসূরি নিয়ে। খবর রটে, মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে এবং ভাইপো অজিত পাওয়ারের মধ্যে দলের কর্তৃত্ব ভাগ করে দিতে চাইছেন মারাঠা স্ট্রংম্যান। তবে এই জল্পনার মাঝে উঠে আসে নতুন একটি নামও। সম্পর্কে শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নাতি রোহিত পাওয়ার। বিধায়ক এবং মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রোহিত এনসিপি সুপ্রিমোর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই তিনিও হতে পারেন এনসিপির পরবর্তী সভাপতি এমন খবরও ভাসতে থাকে। তবে পাওয়ার আজ নিজেই জল ঢাললেন সে সম্ভাবনায়।

    আরও পড়ুন: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

    ইস্তফা প্রত্যাহার পাওয়ারের (Sharad Pawar)

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পাওয়ার ঘোষণা করেন যে তিনি এনসিপির সভাপতিই থাকছেন। তিনি বলেন, “আমি কারোর অনুভূতিকে অসম্মান করতে পারি না। আপনাদের দাবি ছিল যেন আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করি। আপনাদের ভালবাসা, দাবির প্রতি সম্মান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে বর্ষীয়ান এনসিপি নেতাদের প্রস্তাবকে সম্মান জানিয়ে আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করছি। এনসিপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি পদেই থাকছি।” প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসে এনসিপি প্রতিষ্ঠা করেন শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। তারপর থেকেই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে আসীন রয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্র স্মরণে কলকাতায় আসছেন অমিত শাহ! বৈঠক বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গেও

    Amit Shah: ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্র স্মরণে কলকাতায় আসছেন অমিত শাহ! বৈঠক বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি কলকাতায় পা রাখবেন ৯ মে। রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। গত মাসেই বীরভূমে ব্যাপক সফল হয় শাহী জনসভা। তাপপ্রবাহের জেরে তখন বীরভূমের পারদ ৪৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছিল, সেই হাঁসফাঁস গরমকে উপেক্ষা করেও ভিড়ে ঠাসা ছিল তাঁর জনসভা। তবে বিজেপি সূত্রে খবর, অমিত শাহের মঙ্গলবারের সফরে কোনও জনসভা কর্মসূচি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন মোদি-শাহ। এর আগেও একাধিকবার ভিনরাজ্যে বিভিন্ন জনসভায় এবং সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ বাংলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। পূর্বভারতের মানচিত্রের গৈরিকিকরণের বৃত্ত বাংলা জয় করেই সম্পন্ন করতে চায় বিজেপি এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    দিনভর কী কী কর্মসূচি থাকবে শাহের (Amit Shah) ?

    জানা গেছে, ৯ মে সকালেই কলকাতার মাটি ছোঁবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) বিশেষ বিমান। তারপর তিনি সোজা চলে যাবেন জোড়াসাঁকোতে কবিগুরুর জন্মভিটেতে। সেখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাবেন। ওইদিন বিএসএফের সঙ্গেও একটি বৈঠক করবেন কলকাতায়। ইতিমধ্যে ২০২৪ সালের ভোটে বঙ্গ বিজেপিকে ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন তিনি। রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসার কথাও রয়েছে শাহের। এরপর খোলা হাওয়া নামের একটি সংস্থার পক্ষ থেকে আয়োজিত একটি রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সায়েন্স সিটির ওই রবীন্দ্র স্মরণ অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করার কথা জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের। হাজির থাকবেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Harmonium: অল ইন্ডিয়া রেডিওতে একসময় হারমোনিয়াম নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কেন তা জানেন?

    Harmonium: অল ইন্ডিয়া রেডিওতে একসময় হারমোনিয়াম নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কেন তা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বাদ্যযন্ত্রগুলির মধ্যে সেতার, তবলা, বীণা, সরোদ অন্যতম। হয়তো মাথায় আসতে পারে, আরও একটি প্রধান বাদ্যযন্ত্রও তো আছে, যেটি তালিকা থেকে বাদ গেল। যেটি ছাড়া ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতও অসম্পূর্ণ। হ্যাঁ, হারমোনিয়ামের (Harmonium) কথাই বলছি। কিন্তু শুনলে হয়তো একটু অবাক হবেন, হারমোনিয়াম পাশ্চাত্যের একটি বাদ্যযন্ত্র। যার উৎপত্তি বিদেশের মাটিতে। কিন্তু ভারতীয় সঙ্গীতে এটি যেন মিশে গেছে রক্তের মতো।

    হারমোনিয়ামের ইতিহাস

    হারমোনিয়াম (Harmonium) একটি বিদেশি বাদ্যযন্ত্র, যা ক্যাবিনেট অর্গ্যান’ নামেও পরিচিত। ইউরোপের প্যারিসে ১৮৪২ সালে আলেকজান্ডার ডেবিয়ান এটি আবিষ্কার করেন। সেই হারমোনিয়ামটি ছিল আকৃতিতে অনেক বড় এবং পায়ে পাম্প করতে হত। ১৮৫০ সালের পর ভারতে হাতে পাম্প করা হারমোনিয়ামের উৎপত্তি হয়। 

    ভারতে কবে প্রথম ও কীভাবে হারমোনিয়াম আসে?

    বিভিন্ন তথ্যসূত্র ও ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ভারতবর্ষে প্রথম হারমোনিয়াম (Harmonium) ব্যবহৃত হয় কলকাতাতেই। উনিশ শতকের ষাটের দশকে দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর সখের থিয়েটার, যা জোড়াসাঁকোতে স্থাপিত, সেখানে প্রথম হারমোনিয়াম বাজান। শোনা যায়, এখান থেকেই উৎসাহ ও কৌতূহল বাড়তে থাকে হারমোনিয়ামের। এরপর থেকেই হারমোনিয়াম শিক্ষা জোরকদমে শুরু হয় ভারতবর্ষে। এমনকী সেই সময় যাঁরা হারমোনিয়াম শিখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন, তাঁদের জন্য প্রকাশিত হতে থাকে হারমোনিয়াম শিক্ষা সম্পর্কিত নানান বই। সেই সময় এধরনের দুটি বইয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেগুলি যথাক্রমে সৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর রচিত হারমোনিয়াম সূত্র, যা ১৮৭৪ সালে এবং কৃষ্ণধন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারমোনিয়াম শিক্ষা, যা ১৮৯৯ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইগুলিতে সম্পূর্ণ বিবরণ দেওয়া আছে হারমোনিয়াম বাদন সম্পর্কে। 

    ভারতীয় সঙ্গীতে দশটি শ্রুতি এবং ১২টি স্বর মিলে মোট ২২ টি শ্রুতি আছে। আদিকাল থেকেই ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত বিশারদরা এই শ্রুতিগুলি ব্যবহার করে এসেছেন। কিন্তু পশ্চিমের সঙ্গীতের যে কোনও ধ্বনি সীমাতে ভারতীয় ২২ এর বদলে ১২ রকমের স্বর আছে। যার জন্য এক বিশাল তফাৎ-এর সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভারতীয় সঙ্গীতে হারমোনিয়াম ব্যবহার করলে অনেক অসঙ্গতির সৃষ্টি হতে পারে। এই কারণে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ১৯৪০ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত হারমোনিয়াম নিষিদ্ধ ছিল। 

    হারমোনিয়াম এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাদ্যযন্ত্র

    শোনা যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও হারমোনিয়াম (Harmonium) পছন্দ করতেন না অতটা। ১৯ জানুয়ারি ১৯৪০ তে কবি আকাশবাণী কলকাতার সেই সময়কার স্টেশন ডিরেক্টরকে একটি খোলা চিঠি দেন এবং সেখানে লেখেন, “আমি সর্বদা আমাদের সঙ্গীতজ্ঞদের উদ্দেশে তাদের হারমোনিয়ামের প্রচলিত ব্যবহারের বরাবর বিরুদ্ধে ছিলাম এবং এটি আমাদের আশ্রম থেকেও সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার বন্ধ করা হইয়াছে। আপনি যদি অল ইন্ডিয়া রেডিওর স্টুডিওতে এটির ব্যবহার বন্ধ করেন তবে আপনি ভারতীয় সংগীতের জন্য একটি খুব সুন্দরতম কাজ করিলেন বলে বিবেচিত হবে।” সেই সময় ব্রিটিশ শাসনের যুগে ব্রিটিশ সঙ্গীতজ্ঞরাও মনে করতেন ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের সঙ্গে হারমোনিয়াম কখনও তাল মেলাতে পারে না। পরে স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নেহরু, কবির এই সিদ্ধান্ত মেনে চলারই আদেশ বহাল রাখেন। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দিলীপকুমার রায়, শচীন দেববর্মণের মতো আরও সঙ্গীতজ্ঞ আকাশবাণীতে গান করা বন্ধ করে দেন। বর্তমানে এত বিতর্কের পরেও হারমোনিয়াম এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাদ্যযন্ত্র হিসাবেই ব্যবহৃত হয়। এর জনপ্রিয়তা ভবিষ্যতেও কমবে না, এটুকু নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Smoking: বাঙালি কিশোরীদের মধ্যে বাড়ছে ধূমপানের প্রবণতা? সিগারেটের সুখটান কোন বিপদ বাড়াচ্ছে?

    Smoking: বাঙালি কিশোরীদের মধ্যে বাড়ছে ধূমপানের প্রবণতা? সিগারেটের সুখটান কোন বিপদ বাড়াচ্ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়ঃসন্ধির চৌকাঠ পেরিয়েই বাড়ছে সুখটানের (Smoking) হাতছানি! নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে স্কুল পড়ুয়ারা। কলকাতা বা আশপাশের শহর এলাকা নয়। গোটা রাজ্যেই কমবয়সি মেয়েদের মধ্যে সিগারেট খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। আর তার জেরেই নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সমীক্ষার রিপোর্ট দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    কী বলছে সর্বভারতীয় সমীক্ষা?

    গত পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের ধূমপানের (Smoking) প্রবণতা বেড়েছে। এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিশেষত ১৮ বছরের কমবয়সি মেয়েদের মধ্যে এই প্রবণতা আরও বাড়ছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, এরাজ্যে ১০.৮ শতাংশ মহিলা তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। শহরের তুলনায় গ্রামের মহিলাদের মধ্যে তামাকের নেশায় আসক্তির সংখ্যা বেশি। গ্রামের ১২.২ শতাংশ মহিলা তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। ৮ শতাংশ শহুরে মহিলা তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে অভ্যস্ত। ছেলেদের মধ্যে ধূমপান বা অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারের প্রবণতা আগেও ছিল। তবে, গত কয়েক বছরে কিছুটা কমেছে। যদিও কমার পরেও এখনও সচেতনতা একেবারেই তলানিতে। তবে, কমবয়সি মেয়েদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা বেশি হওয়ায় তা বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে। কারণ, দেখা যাচ্ছে, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও তামাক সেবনের প্রবণতা কমছে না। এমনকী গর্ভাবস্থায় তামাক সেবন করছেন অনেকেই। ওই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ধূমপানে অভ্যস্ত মোট মহিলার মধ্যে ৫ শতাংশ গর্ভাবস্থায় তামাক সেবন করেন। ফলে, নিজের শরীরের পাশপাশি সন্তানের স্বাস্থ্যেও মারাত্মক কুপ্রভাব পড়ছে! 

    কম বয়স থেকে ধূমপান কোন কোন বিপদ বাড়াতে পারে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মেয়েদের মধ্যে ধূমপানের (Smoking) প্রবণতা বাড়ছে। আর তার জেরেই মহিলাদের মধ্যে মুখ ও গলার ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ছে। আগে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছেলেদের গলা ও মুখের ক্যানসার হত। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, মহিলারা যে তিনটি ক্যানসারে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন, তার মধ্যে একটি মুখ ও গলার ক্যানসার। হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ছে ধূমপানের জন্য। ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ধূমপান। লাগাতার তামাক সেবনের জেরে ডিম্বানুর গুণগতমান কমছে। ফলে, গর্ভধারণে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। 

    ধূমপান ত্যাগ করলে কী কী লাভ হবে? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, ধূমপান ত্যাগ করার পরের দিন থেকেই স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ধূমপান (Smoking) না করলে প্রথম ১২ ঘণ্টার মধ্যেই রক্তে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ কমে। ফলে, দেহে রক্ত সঞ্চালন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়। ধূমপান ছাড়ার দু’সপ্তাহের মধ্যেই কমতে থাকে হৃদরোগের ঝুঁকি। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে। যার জেরে কাশির সমস্যা কমে। ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকলে, ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগের এক বছরের মধ্যে পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সুস্থ, দীর্ঘ জীবন কাটাতে তামাক সেবনের অভ্যাস কমানো জরুরি। কম বয়স থেকে তামাকজাত জিনিসে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়। অনেক সময়ই সুস্থ স্বাভাবিক জীবন কাটানো কঠিন হয়ে যায়। তাই এ নিয়ে সরকারের তরফেও সক্রিয় ভূমিকা জরুরি। যাতে স্কুলপড়ুয়ারা কোনওভাবেই তামাকজাত দ্রব্য না পায়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: সরকারি প্রকল্পের ৬ লক্ষ টাকার কাজ বন্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    TMC: সরকারি প্রকল্পের ৬ লক্ষ টাকার কাজ বন্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক নেতাদের (TMC) আবদার মেটাতে না পারায় সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ গোঘাটে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে গোঘাট-২ ব্লকের মান্দারণ পঞ্চায়েতের সরকারি মার্কেট কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ। অভিযোগের তীর স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে।

    কাজ বন্ধ কেন!

    এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের জন্য তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা টাকা দাবি করেছেন। কিন্তু টাকা না পাওয়ার জন্যই বর্তমানে কাজ বন্ধ। যাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, সেই তৃণমূলের যুবনেতা তথা অঞ্চল সভাপতি আশাদুল খান (TMC) বলেন, কাজটা ঠিকঠাক হচ্ছে না বলে গ্রামবাসীরা অভিযোগ করছিলেন। আমরা কাজটা ঠিকভাবে করতে বলেছি। কোথায় গোলমাল তাহলে? তাঁর জবাব, ইট-বালি ভাল নয় বলেই তো শুনলাম। তাহলে ত্রুটি থাকলে কেন লিখিত অভিযোগ করছেন না? উত্তর মেলেনি। তিনি একটাই কথা বললেন, বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। ঠিকাদার সংস্থার পক্ষে অমিত পান জানান, ওই মার্কেটে আরও তিনটি ঘর বাড়ানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, মালপত্র যে নিম্নমানের, তেমন কোনও অভিযোগ নেই। কিন্তু কেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখা হল, সেটাও বোঝা যাচ্ছে না। কাজে এলেই আশাদুল খান ও তাঁর সঙ্গীরা বাধা দিচ্ছেন রোজ। তবে নির্মাণ কাজ বন্ধের পিছনে যে শাসকদলের একটা প্রভাব রয়েছে, তা এলাকার মানুষ মনে করছেন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধান সানোয়ারা বেগম বলেন, কাজে বাধার কোনও অভিযোগ পাইনি। কাজের বিস্তারিত পরিকল্পনার সঙ্গে সরঞ্জাম সরবরাহের কোনও বিশেষ গরমিল নেই। যাঁরা বাধা দিচ্ছেন তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি। গোঘাট-২ ব্লকের যুব সভাপতি অভিজিৎ বিশ্বাস দলের নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, বিষয়টা শুনেছি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, অন্যায়ভাবে নির্মাণ যেমন আটকানো যাবে না, তেমনই ওই কাজে দুর্নীতি থাকলে সেটাও ব্লক প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মাঝে সরকারি প্রকল্পের কাজ কবে আবার শুরু হবে, তার অপেক্ষায় সাধারণ গ্রামবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: দরিদ্র চাষিকে রাজনৈতিক মত প্রকাশের মূল্য দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে!

    Post Poll Violence: দরিদ্র চাষিকে রাজনৈতিক মত প্রকাশের মূল্য দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে!

    ঠিক দু-বছর আগের কথা। ২০২১ সালের ২ মে। কোভিড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজ্যে। কিন্তু তাতে কী। শাসক তৃণমূল তখন ফের ‘মধুভাণ্ড’ ফিরে পাওয়ার নেশায় বুঁদ। ভোটের ফলে যখন পরিষ্কার হয়ে গেল, তৃতীয়বারের জন্য মসনদের দখলদারি তাদের হাতেই থাকছে, তখনই যেন বেরিয়ে পড়ল নখ-দন্ত। বিরোধীদের অভিজ্ঞতা অন্তত তেমনটাই। তাদের অভিযোগ, বিজয়োল্লাসের নামে শুরু হয়ে গেল প্রতিপক্ষকে ‘টাইট’ দেওয়ার কাজ। তাদের স্মৃতিতে ভাসছে, চটুল গান, অশ্রাব্য গালিগালাজ, অভব্য অঙ্গভঙ্গি, রাস্তার দোকানে ভাঙচুর এবং বিরোধী দলের কর্মীদের প্রতি হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড-কিছুই বাদ যায়নি। ভয়ঙ্কর সেইসব ঘটনা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের সপ্তম পর্ব।

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের পছন্দের রাজনৈতিক দলকে ভোট দিয়েছিলেন। অভিযোগ, ফলাফল ঘোষণার পর স্থানীয় শাসকদলের মদতপুষ্ট মস্তানদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হন (Post Poll Violence)। কিন্তু পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা এবং অবহেলায় বাঁচানো যায়নি ধর্ম মণ্ডলকে। নদিয়ার চাপড়া, হৃদয়পুর সীমান্তের বাসিন্দা। মূলত চাষাবাদ করতেন। বিজেপির সক্রিয় সদস্য এবং কর্মী ছিলেন। ছয় বছর ধরে পার্টি করতেন বলে জানা যায়। বিজেপি করার জন্য সরকারি সুযোগসুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল এই পরিবার। দোষ একটাই, কেন বিজেপি করবে?

    হত্যার প্রেক্ষাপট

    পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি করার জন্য তৃণমূলের গুন্ডারা বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বাবদ আদায় করে নিয়ে যায় ফলাফল বের হওয়ার আগেই। ধর্ম মণ্ডলকে অনেকদিন ধরেই হুমকি দেওয়া হচ্ছিল, বিজেপি ছেড়ে যেন তৃণমূলে যোগদান করে। ঝগড়া হলেই তৃণমূলের দুই মাতব্বর হুমকি দিত, ভোট মিটলেই দেখে নেব (Post Poll Violence)। সারাদিন মাঠে কাজকর্ম করার পর সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে গেলে তৃণমূলের গুন্ডারা রীতিমতো হুমকি দিত। 

    পুলিশ ছিল কাছেই, তবুও খুন!

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর বাড়ি থেকে দোকানের কাছে পাকা রাস্তায় যেতেন না ধর্ম মণ্ডল। কারণ, একটা আতঙ্ক কাজ করত, উনি বিজেপি করতেন বলে। ঈদের দিন ছিল ১৪ মে। চাষের জমিতে ধর্মবাবু গরুর জন্য ঘাস তুলতে যান। ঠিক দুপুর সাড়ে ১২ টায় বাড়ির লিচুবাগানে তৃণমূল সমর্থক প্রায় ২০ জন মিলে ধর্ম মণ্ডলের ভাই সঞ্জিতকে আক্রমণ করে। ধর্ম মণ্ডলের ভাইকে মস্তানরা বাঁশ দিয়ে মেরে হাত ভেঙে দেয়। পরিস্থিতি বুঝে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান স্থানীয় এক ব্যক্তি। ঠিক সেই সময় ধর্ম মণ্ডল বাঁচাতে যান ভাইকে। আর তখনই ধর্ম মণ্ডলকেও রড দিয়ে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। আটকাতে গেলে ধর্মবাবুর স্ত্রীকে লাথি মেরে দূরে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়। ধর্ম মণ্ডলের স্ত্রী পা ধরে মাফ চান। কিন্তু নির্মম কসাইদের মনে কোনও দয়ার ছাপ ছিল না। উজ্জ্বল নামে একজন একটা বড় দা দিয়ে ধর্ম মণ্ডলকে কোপ দেয় (Post Poll Violence)। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত কালু মস্তান বলে, একেবারে শেষ করে দে! উল্লেখ্য, ঘটনাস্থলের সামান্য দূরেই পুলিশ এসে উপস্থিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ছিল নীরব দর্শক। পরে আহত ধর্মবাবুকে গাড়িতে করে প্রথমে বাঙ্গালঝী, তারপর শক্তিনগর এবং পরবর্তীতে কলকাতায় নীলরতন সরকার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। কিন্তু রক্তক্ষরণ এতই হয়েছিল যে শেষরক্ষা হয়নি।

    তদন্তে সিবিআই, ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

    আতঙ্কিত পরিবার ঘটনার প্রায় দু দিন পর চাপড়া থানায় অভিযোগ জানানোর চেষ্টা করে। কিন্তু লাভ হয়নি। ধর্ম মণ্ডলের স্ত্রী-ছেলের কোনও অভিযোগ জমা নেয়নি পুলিশ। ঘটনার সমস্ত ভিডিও মোবাইল থেকে পুলিশ জোর করে নিয়ে নেয়। সমস্ত ঘটনাটি পুলিশের উপস্থিতিতে ঘটে বলে পরিবারের দাবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে মামলা দায়ের করা হয় এবং তদন্ত সিবিআই করবে, আদেশ দেয় হাইকোর্ট। খুনে প্রধান অভিযুক্ত হল লাল্টু ঘোষ (তৃণমূলের যুব সভাপতি) কালু শেখ, কিংকর মণ্ডল, বিজয় শেখ, পিন্টু ঘোষ, আবুল শেখ, আলমগীর শেখ, ভগীরথ দাস, গণেশ মণ্ডল এবং আরও অনেকে। অভিযুক্তদের মোট ১৮ জন ধরা পড়ে এবং চারজন পলাতক ছিল। সিবিআই প্রথমদিন তদন্ত করতে গেলে তাদের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা, গাড়িতেও ভাঙচুর (Post Poll Violence) করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ছেলে-বৌমাকে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ন্যায় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। 

     

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

    পর্ব ২: ৩-৪ মাসে খুন ৬২ জন, দুষ্কৃতীরা ছাড়েনি অন্তঃসত্ত্বাকেও!

    পর্ব ৩: ৪০ হাজার ঘরবাড়িতে লুটপাট, এক লক্ষ পরিবার ঘরছাড়া, হামলা চলেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়েও!

    পর্ব ৪: ছেলে বিজেপি করে, এই ‘অপরাধে’ই কি নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল মাকে!

    পর্ব ৫: পলাশকে খাটের নিচ থেকে খুঁচিয়ে বের করে নৃশংসভাবে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা!

    পর্ব ৬: এমএ পাশ অরূপকে অকালে চলে যেতে হয়েছিল শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে?

    পর্ব ৮: কমিশনের কোর্টে বল ঠেলে ভোট-পরবর্তী হিংসার দায় এড়িয়েছিলেন তিন-তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: এমএ পাশ অরূপকে অকালে চলে যেতে হয়েছিল শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে?

    Post Poll Violence: এমএ পাশ অরূপকে অকালে চলে যেতে হয়েছিল শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে?

    ঠিক দু-বছর আগের কথা। ২০২১ সালের ২ মে। কোভিড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজ্যে। কিন্তু তাতে কী। শাসক তৃণমূল তখন ফের ‘মধুভাণ্ড’ ফিরে পাওয়ার নেশায় বুঁদ। ভোটের ফলে যখন পরিষ্কার হয়ে গেল, তৃতীয়বারের জন্য মসনদের দখলদারি তাদের হাতেই থাকছে, তখনই যেন বেরিয়ে পড়ল নখ-দন্ত। বিরোধীদের অভিজ্ঞতা অন্তত তেমনটাই। তাদের অভিযোগ, বিজয়োল্লাসের নামে শুরু হয়ে গেল প্রতিপক্ষকে ‘টাইট’ দেওয়ার কাজ। তাদের স্মৃতিতে ভাসছে, চটুল গান, অশ্রাব্য গালিগালাজ, অভব্য অঙ্গভঙ্গি, রাস্তার দোকানে ভাঙচুর এবং বিরোধী দলের কর্মীদের প্রতি হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড-কিছুই বাদ যায়নি। ভয়ঙ্কর সেইসব ঘটনা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ষষ্ঠ পর্ব।

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর ‘খেলা হবে, কঠিন খেলা হবে’-এই স্লোগান দিয়ে বেপরোয়া হত্যাকাণ্ড (Post Poll Violence) চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। সন্তান হারানো মায়ের আর্তনাদ, স্বামী হারানো স্ত্রীর কান্না, পিতা হারানো সন্তানের বেদনা আপামর বঙ্গবাসীর কাছে ছিল জাতীয় বিভীষিকা, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। না হলে শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট হয়েছিলেন বলে এমএ পাশ অরূপকে অকালে চলে যেতে হয়!

    কে এই অরূপ রুইদাস?

    অরূপ রুইদাস ছিলেন বাঁকুড়ার ইন্দাসের তফশিলি সমাজের মানুষ। বাবা গণেশ রুইদাস এবং মা কাঞ্চন রুইদাস দুজনই বৃদ্ধ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংস্কৃতে এমএ পাশ করেন অরূপ। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ না থাকায় কলকাতায় একটি বইয়ের দোকানে কাজ করতেন। পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন অরূপ। প্রধানমন্ত্রীর মিটিং-এ গিয়ে বিজেপির পতাকা লাগিয়েছিলেন। ভোটের দিন বুথে বিজেপির এজেন্ট হিসাবেও বসেছিলেন অরূপ। আর তারই খেসারত দিতে হল তাঁকে। শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট হওয়ার জন্যই তাঁকে খুন (Post Poll Violence) হতে হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের।

    কীভাবে হল নির্মম হত্যা!

    পরিবারের সদস্যদের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, ২ মে ফলাফল ঘোষণার পরদিন, অর্থাৎ ৩ মে সকাল ১১ টা নাগাদ বাড়িতে এসে ৫-৬ জন প্রথমে দেখে নেবো বলে হুমকি দিয়ে যায়। তারপর ৪ মে ঠিক দুপরবেলা ‘খেলা হবে খেলা হবে/ ঠিক ঠিক খেলা হবে’ ডিজে গান আর অশ্রাব্য গালিগালাজ শুরু হয়। দুপুরের খাবার খাওয়া হয়নি তখনও, এমন সময় প্রায় ১০০ জন তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডা বাড়িতে হামলা করে। বাড়িতে বাবা-মাকে বেধড়ক মারধর করে। তারপরই অরূপের গায়ের জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং গলায় একটা লাল গামছা বেঁধে টানতে টানতে নিয়ে যায় খামারের দিকে। এরপর আর অরূপকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরের দিন ৫ মে সকালে বর্ধমানের বল্লভপুর এবং দিগল গ্রামের মাঝের এক বটগাছে ঝুলন্ত দেহ (Post Poll Violence) খুঁজে পাওয়া যায়। পুলিশ এসে দেহ শনাক্ত করে। বৃদ্ধ নিরুপায় বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    একইসঙ্গে চলেছিল লুটপাট 

    সেই হামলা ছিল ভয়াবহ। পরিবারের বিবরণ অনুযায়ী, মাটির ঘরের সিমেন্টের সব চাল ভেঙে ফেলা হয়। বাড়িতে পায়খানা, রান্নাঘরের গেট ভেঙে দেয় দুষ্কৃতীরা। লোহার করাত দিয়ে বাঁশ-বেত কেটে নিয়ে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। বাড়ির চাল, ডাল, শাক-সবজি, গচ্ছিত টাকা, গয়না সব লুট করে নিয়ে চলে যায় তারা। হত্যার (Post Poll Violence) পর অরূপের কাকা প্রায় ৬ মাস ঘরছাড়া ছিলেন।

    পুলিশ উল্টে বাড়ির লোকের বিরুদ্ধেই মামলা করল

    পরিবারের অভিযোগ, খুনের (Post Poll Violence) বিষয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে কোনও অভিযোগ জমা নেয়নি। উল্টে পুলিশ বাড়ির লোকের বিরুদ্ধে কেস দায়ের করে বলে অভিযোগ মায়ের। পুলিশ পরিবারের বিরুদ্ধে ৩২৫, ৩২৩, ৩২৪, ৩০৭, ৫০৬ ধারায় মামলা করেছিল। পুলিশের প্রতি পরিবারের কোনও আস্থাই নেই বলে পরিবারের লোকজন সেই সময় মন্তব্য করেছিলেন।

    সিবিআই তদন্ত চলছে

    নির্যাতনের সময় এবং পরে পরিবারের সঙ্গে পুলিশ অত্যন্ত অমানবিক আচরণ করে বলে অভিযোগ। পরিবার বাধ্য হয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়ে মামলা দায়ের করে। চাপে পড়ে পুলিশ বাড়িতে একজন রক্ষী নিযুক্ত করে। মায়ের দাবি, প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে ছিল শেখ সইফুদ্দিন, শেখ হামিদ, শেখ নাসের, শেখ কালু, ফকির আহম্মদ শেখ, শেখ বাবু। এই খুনের পিছনে প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে অধিকাংশ শাসক দলের ঘনিষ্ঠ। হাইকোর্টের নির্দেশে পরবর্তীতে সিবিআই খুনের (Post Poll Violence) তদন্ত করছে। অভিযুক্তদের মধ্যে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে। কিন্তু পরিবারের দাবি, হত্যাকারীদের ফাঁসিকাঠে ঝোলাতে হবে।

     

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

    পর্ব ২: ৩-৪ মাসে খুন ৬২ জন, দুষ্কৃতীরা ছাড়েনি অন্তঃসত্ত্বাকেও!

    পর্ব ৩ : ৪০ হাজার ঘরবাড়িতে লুটপাট, এক লক্ষ পরিবার ঘরছাড়া, হামলা চলেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়েও!

    পর্ব ৪: ছেলে বিজেপি করে, এই ‘অপরাধে’ই কি নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল মাকে! 

    পর্ব ৫: পলাশকে খাটের নিচ থেকে খুঁচিয়ে বের করে নৃশংসভাবে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা!

    পর্ব ৭: দরিদ্র চাষিকে রাজনৈতিক মত প্রকাশের মূল্য দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে!

    পর্ব ৮: কমিশনের কোর্টে বল ঠেলে ভোট-পরবর্তী হিংসার দায় এড়িয়েছিলেন তিন-তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ১১ দিন ধরে টানা কর্মবিরতিতে বারাকপুর কোর্টের আইনজীবীরা, কেন জানেন?

    Barrackpore: ১১ দিন ধরে টানা কর্মবিরতিতে বারাকপুর কোর্টের আইনজীবীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমা আদালতের কর্মবিরতি ১১ দিনে পড়ল। আদালতের আইনজীবীদের কর্মবিরতির ফলে বিচার প্রার্থী এবং তাঁদের পরিবারের লোকদের যে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গেট বন্ধ রেখে আইনজীবীরা আন্দোলন করছেন। এর আগে একাধিকবার মিছিলও করেছেন তাঁরা। যে দাবিদাওয়ার ভিত্তিতে আইনজীবীরা কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন তার কোনও সদুত্তর কর্তৃপক্ষের থেকে এখনও না পাওয়ায় কর্মবিরতি জারি রেখেছে।

    কেন আন্দোলনে আইনজীবীরা?

    সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশন কোর্ট বারাসত আদালত থেকে বারাকপুর (Barrackpore) কোর্টে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া পকসো আদালতে স্পেশাল বিচারক, এনডিপিএস-এর জন্য পৃথক কোর্ট, ক্যান্টিন, বিচার প্রার্থীর বাড়ির লোকদের জন্য শৌচালয়, পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ, আদালত চত্বরে সিসি ক্যামেরা লাগানো সহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আইনজীবীরা এর আগেও একাধিকবার সরব হয়েছিলেন। কিন্তু, কোনও কাজ না হওয়ায় তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন। আইনজীবীদের সঙ্গে টাইপিস্ট, ল ক্লার্করাও আন্দোলনের সামিল হয়েছেন।

    হাইকোর্টের বিচারপতির সঙ্গে আইনজীবীদের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হল?

    বারাকপুর (Barrackpore) আদালতের অবস্থা দেখতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তথা জোনাল জাজ অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় যান। তিনি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আইনজীবীদের দাবি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জোনাল জাজ জানিয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে বার অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সভা ডেকে সকলকে অবহিত করেন।

    কী বললেন বারাকপুর (Barrackpore) বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি?

    বারাকপুর (Barrackpore) বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত রায় বলেন, আমরা যে দাবির ভিত্তিতে কর্মবিরতি শুরু করেছি তা লিখিত আকারে ইতিমধ্যে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে জানিয়েছি। এদিনের বৈঠকে আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, এখনও কোনও আশ্বাস পাইনি। তাই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে আমরা এখনই পিছু হটছি না। আমরা শনিবার পর্যন্ত কর্মবিরতি চালাব। ওইদিন আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: পলাশকে খাটের নিচ থেকে খুঁচিয়ে বের করে নৃশংসভাবে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা!

    Post Poll Violence: পলাশকে খাটের নিচ থেকে খুঁচিয়ে বের করে নৃশংসভাবে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা!

    ঠিক দু-বছর আগের কথা। ২০২১ সালের ২ মে। কোভিড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজ্যে। কিন্তু তাতে কী। শাসক তৃণমূল তখন ফের ‘মধুভাণ্ড’ ফিরে পাওয়ার নেশায় বুঁদ। ভোটের ফলে যখন পরিষ্কার হয়ে গেল, তৃতীয়বারের জন্য মসনদের দখলদারি তাদের হাতেই থাকছে, তখনই যেন বেরিয়ে পড়ল নখ-দন্ত। বিরোধীদের অভিজ্ঞতা অন্তত তেমনটাই। তাদের অভিযোগ, বিজয়োল্লাসের নামে শুরু হয়ে গেল প্রতিপক্ষকে ‘টাইট’ দেওয়ার কাজ। তাদের স্মৃতিতে ভাসছে, চটুল গান, অশ্রাব্য গালিগালাজ, অভব্য অঙ্গভঙ্গি, রাস্তার দোকানে ভাঙচুর এবং বিরোধী দলের কর্মীদের প্রতি হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড-কিছুই বাদ যায়নি। ভয়ঙ্কর সেইসব ঘটনা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের পঞ্চম পর্ব।

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্র, সাংবিধানিক অধিকার, মানবাধিকারের চূড়ান্ত কালা অধ্যায় ছিল ভোট-পরবর্তী মাসগুলি। এমনটাই মনে করেন বিরোধীরা। তা না হলে কৃষ্ণনগরের অত্যন্ত সাধারণ এবং সামান্য দিনমজুর পলাশ মণ্ডলকে কেবলমাত্র বিজেপিকে সমর্থন করা এবং নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য দুষ্কৃতীদের হাতে নৃশংসভাবে খুন (Post Poll Violence) হতে হয়!

    কে এই পলাশ মণ্ডল? কীভাবে খুন করা হয়েছিল তাঁকে?

    পলাশ মণ্ডলের জন্ম ১৯৭৬ সালের ২ জুন এবং মৃত্যু হয় ২০২১ সালের ১৪ জুন। বাড়ি কৃষ্ণনগরের মনীন্দ্রপল্লি, বারইহুদায়। বিজেপির একজন সাধারণ কর্মী ছিলেন। ঘটনার একদিন আগে রাত এগারোটা নাগাদ আচমকা হামলা করে খুনের হুমকি দিয়ে গিয়েছিল তৃণমূলের গুন্ডারা, এমনটাই পরিবারের অভিযোগ। ঘটনার দিন ভোর সাড়ে পাঁচটায় গুন্ডারা বাড়িতে ঢুকে দরজায় প্রথমে আঘাত করে। তারপর খুলতে না পেরে উপরের টিন কেটে রড, দা, কাঁচি, চাকু, তলোয়ার ইত্যাদি নিয়ে হামলা (Post Poll Violence) চালায়। দলে তারা ছিল প্রায় ২০০ জন। বাড়িতে টিভি, বাসনপত্র, শাড়ি, গয়না আসবাবপত্র লুট করে গুন্ডারা। সেই সঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়ির দেওয়ালে কোপ দেয়। ভয়ে পলাশ নিজের জীবন বাঁচাতে ঘরের খাটের নীচে আশ্রয় নেন। কিন্তু হিংস্র গুন্ডারা ঘরে ঢুকে রড দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারতে মারতে খাটের নিচ থেকে বের করে তাকে। এরপর ঘর থেকে বের করে বাঁশ দিয়ে আঘাত করে এবং পরে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে রাস্তায় ফেলে কানের কাছে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে ডাক্তার। উল্লেখ্য, সবটাই পলাশবাবুর দুই মেয়ে এবং স্ত্রীর সামনে ঘটে। স্ত্রী শেফালি মণ্ডল কৃষ্ণনগর থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন।
    এত নির্মমভাবে হত্যা (Post Poll Violence) করা হয় যে আশপাশের মানুষ বাঁচানোর সাহস করেনি। পরিবারের অভিযোগ ছিল, পলাশবাবুর দোষ একটাই ছিল, উনি বিজেপির পতাকা-পোস্টার লাগাতেন এবং বিজেপির মিটিং-মিছিলে যেতেন। বাড়ির দেওয়ালে তারপরেও ছিল রক্তের দাগ। দরজায় ছিল দা দিয়ে বড় বড় কোপের দাগ। পলাশবাবু গেঞ্জির রিপ কাটার কাজ করতেন। ঘটনার দিন খুন করে আততায়ীরা রিপকাটার মেশিনটিও তুলে নিয়ে চলে যায়।

    পরিবার ঘরছাড়া, দিন কেটেছে অসহায় অবস্থায়

    পরিবারে উপার্জনের একটা বড় দায়িত্ব ছিল পলাশের উপর। পলাশবাবুর মেয়ে পম্পা মণ্ডল তখন দশম ক্লাসের ছাত্রী। শক্তিনগর গার্লস স্কুলে পড়াশুনা করত। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী কলকাতায় গিয়ে মানুষের বাড়িতে কাজ করে কোনওরকমে সংসার চালাতেন। পলাশবাবুর মায়ের কথা সূত্রে জানা গিয়েছিল, তাঁরা পূর্ববঙ্গের ফরিদপুরের বাসিন্দা ছিলেন। দেশ ছেড়ে এসে ছেলেকে এইভাবে মরতে হবে, কেউ ভাবতে পারেননি। শুধু খুন (Post Poll Violence) করেই আততায়ীরা ক্ষান্ত হয়নি। এলাকায় বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হলে অপরাধীদের আত্মীয়রা প্রভাতী দেবনাথ, মাম্পী দেবনাথ, মান্তু দেবনাথ রোজ হুমকি দিয়ে যেত বলে অভিযোগ। গালিগালাজ এবং লোক লাগিয়ে মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করবে বলেও হুমকি চলেছিল প্রতিনিয়ত।

    সিবিআই তদন্ত চলছে, বিচার সময়ের অপেক্ষা

    বর্তমানে ওই হত্যার (Post Poll Violence) তদন্ত সিবিআই করছে। প্রধান অভিযুক্ত হল আজাহার শেখ, কুষাই দাস, পাপ্পু মুখার্জি, বলরাম দাস, অপু দেব, বাবু সোনা মুখার্জি, আনন্দ সরকার, হারান চাকি, হুদা চাকি, অখিল ভৌমিক, সুরেষ পারসি, তাপস দেবনাথ। অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে। তৎকালীন তৃণমূলের কাউন্সিলর নিত্য প্রামাণিকের পরোক্ষ ইন্ধন আছে বলে পরিবারের অভিযোগ। তদন্ত এখনও চলছে। হত্যার বিচার এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

    পর্ব ২: ৩–৪ মাসে খুন ৬২ জন, দুষ্কৃতীরা ছাড়েনি অন্তঃসত্ত্বাকেও!

    পর্ব ৩: ৪০ হাজার ঘরবাড়িতে লুটপাট, এক লক্ষ পরিবার ঘরছাড়া, হামলা চলেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়েও!

    পর্ব ৪: ছেলে বিজেপি করে, এই ‘অপরাধে’ই কি নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল মাকে!

    পর্ব ৬: এমএ পাশ অরূপকে অকালে চলে যেতে হয়েছিল শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে?

    পর্ব ৭: দরিদ্র চাষিকে রাজনৈতিক মত প্রকাশের মূল্য দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে!

    পর্ব ৮: কমিশনের কোর্টে বল ঠেলে ভোট-পরবর্তী হিংসার দায় এড়িয়েছিলেন তিন-তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share