Tag: Madhyom

Madhyom

  • West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজাতে কোমর বেঁধে নামল ভারতীয় জনতা পার্টি। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) জন্য আরও ১৩ জন প্রার্থীর নামের চতুর্থ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি পুরোনো আসনেও প্রার্থী বদল করেছে গেরুয়া শিবির (BJP Bengal)। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি।

    কারা পেলেন টিকিট (West Bengal Elections 2026)?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির (CEC) অনুমোদিত এই তালিকায় বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

    • সিতাই (SC): আশুতোষ বর্মা
    • নাটাবাড়ি: গিরিজা শঙ্কর রায়
    • বাগদা (SC): সোমা ঠাকুর
    • সোনারপুর উত্তর: দেবাশিস ধর
    • চৌরঙ্গী: সন্তোষ পাঠক
    • হাওড়া দক্ষিণ: শ্যামল হাটি
    • পাঁচলা: রঞ্জন কুমার পাল
    • মগরাহাট পূর্ব: উত্তম কুমার বণিক
    • ফলতা: দেবাংশু পাণ্ডা
    • চণ্ডীপুর: পীযূষ কান্তি দাস
    • গড়বেতা: প্রদীপ লোধা
    • মেমারি: মানব গুহ
    • বারাবনি: অরিজিৎ রায়

    বাগদায় ননদ-বৌদির লড়াই

    নাম ঘোষণা হতেই জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে বাগদা কেন্দ্র নিয়ে। কারণ এই কেন্দ্রে এবার ননদ বনাম বৌদির লড়াই। বাগদা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুরকে। সোমা ঠাকুর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী ছাড়াও মতুয়া মহাসঙ্ঘের মাতৃ সেনার প্রধান। মতুয়া মহাসঙ্ঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান মঞ্চে এই বছরে তাঁকে নিয়মিত দেখা গিয়েছে৷ এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মধুপর্ণা শান্তনু ঠাকুরের জেঠুর মেয়ে। সোমা এবং মধুপর্ণা দু’জনেই মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য, সম্পর্কে তাঁরা ননদ-বৌদি। এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, ‘‌ঘরের সম্পর্ক ঘরের জায়গায়, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই করতে আসলে সেখানে লড়াই তো হবেই। বাগদায় তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে।’‌ অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর বলেন, ‘‌পরিবার পরিবারের মতো। ভোট অন্য বিষয়। ভারতীয় জনতা পার্টি আমাকে প্রার্থী করেছে এবং বাগদার মাটি বিজেপির মাটি। আমরা জয়লাভ করব।’‌

    ময়নাগুড়িতে প্রার্থী বদল

    চতুর্থ তালিকা (West Bengal Elections 2026) প্রকাশের পাশাপাশি দল তাদের আগের একটি সিদ্ধান্তে বদল এনেছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি (SC) আসনে কৌশিক রায়ের পরিবর্তে এবার প্রার্থী (BJP Bengal) করা হয়েছে ডালিম রায়-কে। স্থানীয় সমীকরণ এবং সাংগঠনিক রণকৌশলের কথা মাথায় রেখেই এই রদবদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    এক নজরে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

    বিজেপি এখনও পর্যন্ত মোট ২৮৭টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে ফেলেছে। এর আগে প্রথম তালিকায় ১৪৪ জন, দ্বিতীয় তালিকায় ১১১ জন এবং তৃতীয় তালিকায় ১৯ জনের নাম জানানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, তৃতীয় তালিকায় আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথকে পানিহাটি আসন থেকে প্রার্থী (BJP Bengal) করে বড় চমক দিয়েছিল বিজেপি। এবারের তালিকা বিশেষ চমক সন্তোষ পাঠক, প্রাক্তন পুলিশ অফিসার দেবাশিস ধর, সোমা ঠাকুর এবং সন্তোষ পাঠক।

    ভোটের নির্ঘণ্ট

    পশ্চিমবঙ্গে মোট দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে— ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রথম দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি টক্কর দিতে বিজেপি যেভাবে ধাপে ধাপে এবং বিচার-বিবেচনা করে প্রার্থী তালিকা (West Bengal Elections 2026) সাজাচ্ছে, তাতে এই ১৩ জনের নাম ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি। ৬টি নাম নিয়ে এখনও চর্চা চলছে বিজেপির অন্দরে।

  • Maoist-Free India: “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না, মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে” নকশাল-মুক্ত ভারত, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Maoist-Free India: “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না, মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে” নকশাল-মুক্ত ভারত, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্তাচলে লাল সূর্য! লাল ‘সন্ত্রাস’কে দেশ থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ সেই দিন। তার আগে, সোমবার লোকসভায় শাহ জোর গলায় জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্ধারণ করে দেওয়া সময়সীমা মেনে ভারত থেকে বামপন্থী চরমপন্থা (LWE)-কে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হয়েছে। ভারত এখন ‘মাওবাদী মুক্ত’। একই সঙ্গে তিনি জানান, মাওবাদীদের শেষ ঘাঁটি ছত্তিশগড়ের বস্তার ‘উন্নয়নের পথে’ হাঁটছে। বস্তারের উদাহরণ টেনে শাহ জানান, লাল সন্ত্রাস সরে গিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতে মাওবাদ এখন বিলুপ্তির পথে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্পন্ন হলে দেশবাসীকে জানানো হবে। তবে আমি বলতে পারি যে আমরা নকশাল-মুক্ত হয়ে গিয়েছি।”

    ধ্বংস হয়েছে মাওবাদীদের রেড করিডর

    “নকশাল-মুক্ত ভারত” নিয়ে একটি আলোচনা চলাকালীন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বামপন্থী চরমপন্থীদের (LWE) নির্মূল করার জন্য উল্লেখযোগ্য একটি অভিযানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে “৭০৬ জন মাওবাদীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, ২,২১৮ জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৪,৮৩৯ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে”। তিনি জানান, দেশের মোট ১২ রাজ‍্য থেকে নির্মূল মাওবাদীরা। শাহ বলেন, “তেলঙ্গানা, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড মাও মুক্ত। ধ্বংস করা হয়েছে মাওবাদীদের রেড করিডর।”

    কংগ্রেসকে নিশানা

    লোকসভায় দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বিরোধী দলের কাছে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, স্বাধীনতার পর ৭৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৬০ বছর কংগ্রেস দেশ শাসন করার পরও কেন বস্তারের জনগণকে উন্নয়নমূলক সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল? তিনি আরও বলেন, “২০১৪ সালের পর, যখন প্রধানমন্ত্রী মোদি ক্ষমতায় আসেন, তখন প্রত্যেক গরীব মানুষ একটি করে বাড়ি, গ্যাস সংযোগ, পানীয় জল, বিমা এবং খাদ্যশস্য পেয়েছে। বস্তারের জনগণকে কেন বঞ্চিত করা হয়েছিল? এর কারণ কী তবে লাল সন্ত্রাস?”  ছত্তিশগঢ়ে মাওবাদীদের ইন্ধন জুগিয়েছে কংগ্রেস’, সংসদে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসকে তোপ দাগেন শাহ।

    বামপন্থী মতাদর্শের জন্যই নকশালবাদের বিস্তার

    বক্তৃতায় তিনি ইন্দিরা গান্ধীর শাসনকালের কথা উল্লেখ করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রাথমিক সতর্কতাগুলিকে কার্যকর ভাবে মোকাবিলা করা হয়নি। সেই কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনটি বিস্তার লাভ করেছে।’’ শাহের অভিযোগ, নকশালবাদের মূল মন্ত্র কখনওই উন্নয়ন ছিল না। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে জেতার জন্য সময় ইন্দিরা গান্ধী সেই মতাদর্শকে সমর্থন করেছিলেন। বামপন্থী মতাদর্শের জন্যই নকশালবাদের বিস্তার হয়। শাহ বলেন, ‘‘নকশালবাদের সূচনা হয় পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়ি থেকে।’’ নিরাপত্তাবাহিনীর উপর হামলা চালিয়ে মাওবাদীরা তাঁদের অস্ত্রভান্ডার পূর্ণ করতেন, লোকসভায় বলেন শাহ। তাঁর কথায়, ‘‘মাওবাদীদের ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রায় ৯২ শতাংশই পুলিশের থেকে লুট করা।’’ শাহ আক্রমণ শানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও। তাঁর দাবি, মাওবাদী নেতা হিডমার সমর্থনে ওঠা স্লোগানের মঞ্চে ছিলেন রাহুল। তাঁর ভারত জোড় যাত্রায় যোগ দিয়েছিল কয়েকটি মাওবাদী সংগঠনও।

    গুলির জবাব গুলিতেই

    অমিত শাহ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, যারা সাংবিধানিক ব্যবস্থা মানবে না, অস্ত্র হাতে তুলবে, তাদের প্রতি সরকারের কোনও সহনশীলতা নেই। তিনি বলেন, “যে বন্দুক হাতে তুলে নেবে, তাকে তার মূল্য চোকাতে হবে।” পাশাপাশি মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করে জীবনের মূলধারায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। শাহের হুঙ্কার, ‘‘যাঁরা অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে’’— এই নীতিতে বিশ্বাসী মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবার বুঝিয়ে দেন, সহিংসতার জায়গা নেই। শাহের কথায়, ‘‘যাঁরা অস্ত্র তুলে নেবেন, তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না।’’

    কোন পথে মাও-দমন

    দেশকে মাওবাদী-মুক্ত করার পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, তা লোকসভায় বর্ণনা করেন শাহ। তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২০ অগস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে স্থির হয়, কী ভাবে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান চালানো হবে। পাঁচ বছর পর ২০২৪ সালের ২৪ অগস্ট মাওবাদী নির্মূল করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তার পরে গত দু’বছর ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের যৌথ অভিযানে একে একে দেশের প্রায় ১২ রাজ্যে অভিযান চলে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের মধ্যে প্রায় সকলেই হয় আত্মসমর্পণ করেছেন, নয়তো নিহত হয়েছেন।

    নিরীহ আদিবাসীদের হাতিয়ার করে মাওবাদ

    নিরীহ আদিবাসী সম্প্রদায়কে যারা অসৎ কাজে ব্যবহার করছে, তাদের তীব্র সমালোচনা করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “তারা সবসময় দাবি করে যে, তারা আদিবাসীদের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তাদের হিংসাত্মক মতাদর্শ ছড়াচ্ছে। গণতন্ত্র বা উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনও আস্থা বা ভাবনা নেই।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না। মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘এতগুলো বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় আইনের শাসন ছিল না। তারা সংসদীয় রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। সেই কারণে কোটি কোটি মানুষ দারিদ্রের মধ্য বাস করেছে। হাজার হাজার তরুণ, তরুণী প্রাণ হারিয়েছেন।’’

    প্রতিটি গ্রামে স্কুল-রেশন

    শাহ আরও জানান, “আজ ছত্তিশগড়ের বস্তারে নকশালবাদ প্রায় শেষ। মানুষের সাহায্যে ও পাশে থাকতে প্রতিটি গ্রামে স্কুল করা হয়েছে। রেশন দোকান খোলা হচ্ছে, নিয়মিত ৫ কেজি খাদ্যশস্য বিতরণ করা হচ্ছে। আধার কার্ড তৈরি করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং মানুষের কাছে মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে।” শুধু বস্তার নয়, দেশের প্রায় সব মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা ‘সন্ত্রাসমুক্ত’ হয়ে ‘বিকাশের’ পথে হাঁটছে, মত শাহের।

     

  • Dhurandhar-2: “আয়ের অর্ধেক চাই”, ‘ধুরন্ধর-২’-র সাফল্যে অদ্ভুত দাবি পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দাদের

    Dhurandhar-2: “আয়ের অর্ধেক চাই”, ‘ধুরন্ধর-২’-র সাফল্যে অদ্ভুত দাবি পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধুরন্ধর ব্লকবাস্টার। আর ধুরন্ধর ২- (Dhurandhar: The Revenge) আরও বড় হিট। বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে আদিত্য ধরের এই ছবি। ইতিমধ্যেই ১৩০০ কোটির গণ্ডি পার করে গিয়েছে ধুরন্ধর-২ এর বক্সঅফিস কালেকশন। মার্কিন মুলুকেও ধুরন্ধর-২ সবথেকে হিট ভারতীয় সিনেমা। আর ভারতীয় সিনেমার এই সাফল্য দেখে, এবার আজব দাবি পাকিস্তানের বাসিন্দাদের। বিশ্বজুড়ে ধুরন্ধর ২ যে ব্যবসা করছে, সেই লাভের টাকা থেকে ভাগ চাই পাকিস্তানবাসীর। পাকিস্তানের লিয়ারির উপরে তৈরি ধুরন্ধর ও ধুরন্ধর ২-র গল্প। তাই সাফল্যের ভাগ দিতে হবে লিয়ারিবাসীকেও। ওমনই দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।

    ভারত টাকা দিলেই উন্নতি সম্ভব

    রণবীর সিংয়ের সিনেমা ব্লকবাস্টার হিট হতেই লিয়ারির বাসিন্দারা সিনেমার লাভের টাকায় ভাগ চেয়ে বসলেন। তাদের দাবি, লিয়ারির রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ধুরন্ধর: দ্য় রিভেঞ্জ সিনেমার আয়ের ভাগ দেওয়া হোক তাদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় লিয়ারির স্থানীয় বাসিন্দাদের বলতে শোনা যাচ্ছে যে সিনেমায় যেহেতু লিয়ারির নাম ও ব্যাকড্রপ ব্যবহার করা হয়েছে, তাই লিয়ারির বাসিন্দাদের লাভবান হওয়া উচিত। এক বাসিন্দা বলেই বসেন যে ভারত যদি টাকা দেয়, তাহলেই একমাত্র রাস্তাঘাটের উন্নতি সম্ভব। আবার অনেকে বলেন যে লিয়ারির জনগণের উন্নয়নের জন্য অন্তত কয়েকশো কোটি টাকা পাঠানো উচিত। যেহেতু পাকিস্তানে সত্যি লিয়ারি নামক জায়গাটি রয়েছে এবং সেখানকার গল্পের উপরে ভর করেই আদিত্য ধরের তৈরি এই দুই সিনেমা বিপুল আয় করেছে, তাই ধুরন্ধর-২ সাফল্যে তাদেরও ভাগ রয়েছে।

    অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন!

    সম্প্রতি, সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দারা ‘ধুরন্ধর ২’-এর সাফল্যে মুখ খুলেছেন। তাঁদের মতে, ‘‘যদি ১০০০ কোটি টাকা আয় করেন , তাহলে অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন। যদি আপনাদের আয়ের অর্ধেকও দেন, তাহলে এখানকার রাস্তাগুলো তৈরি হয়ে যাবে। বাচ্চারা এগুলোর উপর দিয়ে হাঁটলে পায়ে ফোস্কা পড়ে যায়।’’ ঘটনার সূত্রপাত ছবির চিত্রনাট্য ও চিত্রায়ণ নিয়ে। লিয়ারি এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছবিটিতে তাঁদের এলাকা এবং সেখানকার সংস্কৃতিকে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, ‘ধুরন্ধর ২’ ছবিতে লিয়ারিকে অপরাধের মূল কেন্দ্র এবং সন্ত্রাসবাদের আখড়া হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চরম অপমানজনক প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি বাণিজ্যিক ছবি নিজের মুনাফার জন্য একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে না।

  • Agasthya-1 Rocket: ২৪ ঘণ্টার নোটিসেই উৎক্ষেপণ সম্ভব! বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘অগস্ত্য-১’

    Agasthya-1 Rocket: ২৪ ঘণ্টার নোটিসেই উৎক্ষেপণ সম্ভব! বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘অগস্ত্য-১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। ভারতের মহকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রাক্তন কয়েকজন বিজ্ঞানী মিলে এমন একটি অত্যাধুনিক রকেট তৈরি করেছেন, যাকে কিনা মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিসে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত করা হতে পারে। অর্থাৎ, গবেষণাগার থেকে উৎক্ষেপণের সময় মাত্র ২৪ ঘণ্টা! এই প্রকল্পটি ভারতের দ্রুত বিকাশমান বেসরকারি মহাকাশ ক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে।

    বদলে দিতে পারে উৎক্ষেপণের ধারনা

    ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, আর সেই দৌড়ে নতুন নাম হিসেবে উঠে আসছে গুজরাটের সংস্থা ভারত স্পেস ভেহিকল (Bharath Space Vehicle)। সুরাট-ভিত্তিক এই স্টার্টআপটি তৈরি করছে ‘অগস্ত্য-১’ (Agasthya-1 Rocket) নামের একটি নতুন রকেট, যা ভবিষ্যতে দেশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ধরন ও ধারনাই বদলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার টিমের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ৭০ বছরেরও বেশি। ফলে এটিকে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি রকেট প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কী এই ‘অগস্ত্য-১’?

    ‘অগস্ত্য-১’ (Agasthya-1 Rocket) একটি ২৮ মিটার লম্বা, দুই ধাপের (টু-স্টেজ) রকেট। এটি মূলত ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। সূর্য-সমলয় কক্ষপথে (Sun-synchronous orbit) প্রায় ৫০০ কেজি পর্যন্ত এবং ৪০০ কিমি উচ্চতার নিম্ন-পৃথিবী কক্ষপথে (LEO) প্রায় ৮০০ কেজি পর্যন্ত স্যাটেলাইট বহন করতে সক্ষম এই রকেট। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল—মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত করা যায়। প্রতিরক্ষা, জরুরি পরিস্থিতি বা দ্রুত স্যাটেলাইট মোতায়েনের ক্ষেত্রে এটি বড় সুবিধা দিতে পারে।

    তরল জ্বালানির বিশেষ সুবিধা

    ভারতের বেশিরভাগ ছোট রকেট, যেমন এসএসএলভি, কঠিন জ্বালানি (solid fuel) ব্যবহার করে। কিন্তু ‘অগস্ত্য-১’-এ ব্যবহার করা হচ্ছে তরল অক্সিজেন (LOX) এবং কেরোসিন (RP-1)।

    এর ফলে বড় সুবিধা হল—

    • উৎক্ষেপণের আগে ইঞ্জিন পরীক্ষা করা যায়
    • ‘Test What You Fly’ পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব
    • দ্বিতীয় ধাপের ইঞ্জিন প্রায় ৪০ সেকেন্ড পর্যন্ত পরীক্ষা করা যায়
    • স্টেজ আলাদা হওয়া বা ফেয়ারিং বিচ্ছিন্ন করার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াও আগে যাচাই করা যায়

    ফলে মিশনের সময় ব্যর্থতার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে।

    অভিজ্ঞ নেতৃত্বে প্রকল্প

    এই প্রকল্পের পেছনে রয়েছেন মহাকাশ গবেষণার অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা। রয়েছেন এন বেদচালাম — যিনি ইসরোর লিকুইড প্রোপালশন সিস্টেমস সেন্টারের প্রাক্তন ডিরেক্টর এবং পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত। ভারতের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। রয়েছেন এসভি শর্মা — যিনি এসএলভি-৩, এএসএলভি, পিএসএলভি এবং জিএসএলভি প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং এপিজে আুদুল কালামের সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    গুজরাতে নতুন স্পেস হাবের সম্ভাবনা

    বিএসভি গুজরাটের কোদিনার এলাকায় একটি নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি ভারতের প্রথম পশ্চিম উপকূলীয় স্পেসপোর্ট হতে পারে। এছাড়াও সংস্থাটি ইনস্পেস-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে, যার ফলে ইসরোর অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে—যা একটি নতুন সংস্থার জন্য বড় সহায়তা।

    ভারতের মহাকাশ ভবিষ্যতে কী প্রভাব?

    ভারতীয় মহাকাশ নীতি ২০২৩ চালু হওয়ার পর থেকেই বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য মহাকাশ খাতের দরজা খুলে গেছে। ফলে একাধিক স্টার্টআপ এখন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিষেবায় প্রবেশ করছে। ‘অগস্ত্য-১’-এর (Agasthya-1 Rocket) মাধ্যমে বিএসভি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী উৎক্ষেপণ পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। যদি এই প্রকল্প সফল হয়, তাহলে বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা ছোট স্যাটেলাইট বাজারে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত হতে পারে।

  • Mahavir Jayanti 2026: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    Mahavir Jayanti 2026: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2026)। জৈন ধর্মের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উৎসবগুলির মধ্যে একটি হল মহাবীর জয়ন্তী। এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জৈন ধর্মের ধর্ম গুরু মহাবীর (Lord Mahavir)। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই দিনটি পালন করা হয়। তিনি জৈন ধর্মের প্রধান গুরু ছিলেন, তিনিই এই ধর্মের প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে মহাবীর জয়ন্তী পালিত হয়। এই বিশেষ দিনটি জৈন সম্প্রদায়ের মানুষরা আড়ম্বরের সঙ্গে পালন করে থাকেন।

    মহাবীরের জীবন: ঐতিহাসিকতা বনাম আধ্যাত্মিকতা

    ঐতিহাসিক সূত্র ও জৈন গ্রন্থ অনুযায়ী, ভগবান মহাবীর (Lord Mahavir) ৫৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বিহার-এর কুন্দলপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পারিবারিক পরিচয় ছিল রাজকীয়—পিতা সিদ্ধার্থ ও মাতা ত্রিশলা। তাঁর শৈশবের নাম ছিল “বর্ধমান”, যার অর্থ বৃদ্ধি বা সমৃদ্ধি। বলা হয়, তাঁর জন্মের পর রাজ্যে সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়—এই কারণেই এই নামকরণ। ৩০ বছর বয়সে তিনি রাজকীয় জীবন, সম্পদ, ক্ষমতা—সবকিছু ত্যাগ করেন। এই সিদ্ধান্ত কেবল ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান নয়, বরং তৎকালীন সামাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে এক মৌন প্রতিবাদ। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন— সত্যিকারের স্বাধীনতা কি বাহ্যিক ক্ষমতায়, না আত্মার মুক্তিতে? ১২ বছর কঠোর তপস্যা, উপবাস, নীরবতা ও ধ্যানের মাধ্যমে তিনি ইন্দ্রিয়জয় করেন। এরপর তিনি অর্জন করেন “কেবল জ্ঞান” (Omniscience)—যা জৈন দর্শনে সর্বোচ্চ জ্ঞান। সাধকদের মধ্যে মহাবীর (Lord Mahavir) যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁকে শান্তি, সম্প্রীতি, পবিত্রতা, ধর্ম প্রচারকের একজন বলে মনে করা হতো। নির্ভীক, সহনশীল এবং অহিংস হওয়ার কারণে তাঁকে মহাবীর নাম দেওয়া হয়েছিল। ৭২ বছর বয়সে পাওয়াপুরী-তে তিনি মোক্ষলাভ করেন—অর্থাৎ জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি। মহাবীর ছিলেন জৈন ধর্মের সব থেকে বড় গুরু এবং ২৪তম সর্বশেষ তীর্থঙ্কর।

    মহাবীর জয়ন্তী পালনের নিয়ম-আচার ও সামাজিক গুরুত্ব

    মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2026) দিন, জৈন ধর্মের লোকেরা প্রভাতফেরি, শোভাযাত্রা বের করেন। তার পরে মহাবীরের মূর্তি সোনা ও রুপোর কলসে অভিষেক করা হয়। এই সময়, জৈন সম্প্রদায়ের গুরু ভগবান মহাবীরের (Lord Mahavir) শিক্ষার কথা বলা হয় এবং সেগুলিকে অনুসরণ করতে শেখানো হয়। পাশাপাশি, সামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত হন জৈন ধর্মের মানুষজন। সেখানে দরিদ্রদের সাহায্য করা, পশু-পাখির প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং রক্তদান ও সামাজিক সেবার মাধ্যমে মহাবীর জয়ন্তী পালন করা হয়। অর্থাৎ, এই উৎসব শুধু আচার নয়—সমাজসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

    সত্য ও অহিংসার প্রচারক ছিলেন মহাবীর

    সর্বোপরি মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2026) উৎসব জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে উৎসর্গ করা হয়। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় অহিংসা ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার প্রচার করেছিলেন এবং মানুষকে সকল জীবের প্রতি সম্মান করতে শিখিয়েছিলেন। তাঁর দেওয়া সমস্ত শিক্ষা ও মূল্যবোধ জৈন ধর্ম নামক ধর্মের প্রচারে ব্যবহার কোরা হয়েছিল। তিনি সত্য ও অহিংসার মতো বিশেষ শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বকে সঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর অনেক বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে সঠিকভাবে পরিচালিত করেছিলেন। জীবনের আধ্যাত্মিক মার্গের পথ তিনি দেখিয়ে ছিলেন।

    আধুনিক প্রেক্ষাপটে মহাবীরের শিক্ষার (Mahavir Teachings) তাৎপর্য

    • বর্তমান বিশ্বে—যেখানে সহিংসতা, ভোগবাদ ও পরিবেশ সংকট বাড়ছে, ভগবান মহাবীর-এর শিক্ষা নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
    • পরিবেশ ও ধারাবাহিক উন্নয়ন— অপরিগ্রহ ও অহিংসা পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের ভিত্তি।
    • সামাজিক সম্প্রীতি— বহুত্ববাদ বিভিন্ন মত ও সংস্কৃতির মধ্যে সহাবস্থান শেখায়।
    • মানসিক স্বাস্থ্য— সংযম ও ধ্যান মানসিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনে।

    মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2026) কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়—এটি মানবতার এক সার্বজনীন বার্তা। ভগবান মহাবীর আমাদের শিখিয়েছেন— সত্য, অহিংসা ও সংযমই প্রকৃত মুক্তির পথ। তাঁর দর্শন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং ভবিষ্যতের একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও টেকসই বিশ্বের জন্য দিকনির্দেশক।

  • Daily Horoscope 31 March 2026: মনের কোনও ইচ্ছে পূরণ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 March 2026: মনের কোনও ইচ্ছে পূরণ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—আজকের দিনটি কী বার্তা দিচ্ছে?

    মেষ
    ১) নতুন কিছু শেখার সুযোগ আসতে পারে।
    ২) কাজে ধীরে চললে ভালো ফল পাবেন।
    ৩) কারও কথায় প্রভাবিত না হয়ে নিজে ভাবুন।

    বৃষ
    ১) সঞ্চয়ের দিকে মনোযোগ বাড়বে।
    ২) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালে মন ভালো থাকবে।
    ৩) অযথা দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।

    মিথুন
    ১) নতুন আইডিয়া কাজে লাগাতে পারবেন।
    ২) যোগাযোগের মাধ্যমে লাভ হতে পারে।
    ৩) নিজের সময় নিজের জন্য রাখুন।

    কর্কট
    ১) মনের কোনও ইচ্ছে পূরণ হতে পারে।
    ২) কাছের মানুষের কাছ থেকে সমর্থন পাবেন।
    ৩) আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

    সিংহ
    ১) নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
    ২) নতুন দায়িত্ব নিতে হতে পারে।
    ৩) অহংকার এড়িয়ে চলুন।

    কন্যা
    ১) কাজের ক্ষেত্রে গতি বাড়বে।
    ২) ছোটখাটো সাফল্য আনন্দ দেবে।
    ৩) অতিরিক্ত চিন্তা না করাই ভালো।

    তুলা
    ১) নতুন পরিকল্পনা শুরু করার জন্য ভালো সময়।
    ২) সম্পর্কের ক্ষেত্রে মধুরতা বাড়বে।
    ৩) নিজের মতামত স্পষ্টভাবে জানান।

    বৃশ্চিক
    ১) গোপন কোনও বিষয় প্রকাশ পেতে পারে।
    ২) কাজে মনোযোগ দিলে সাফল্য মিলবে।
    ৩) রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।

    ধনু
    ১) দূরের কোনও খবর আনন্দ দিতে পারে।
    ২) নতুন জায়গায় যাওয়ার চিন্তা আসবে।
    ৩) খরচের হিসাব রাখুন।

    মকর
    ১) কঠোর পরিশ্রমের ফল পেতে শুরু করবেন।
    ২) বড়দের পরামর্শ কাজে লাগবে।
    ৩) নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিন।

    কুম্ভ
    ১) সৃজনশীল চিন্তা আপনাকে আলাদা করবে।
    ২) বন্ধুমহলে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ৩) সময় অপচয় না করাই ভালো।

    মীন
    ১) মন শান্ত রাখলে কাজ সহজ হবে।
    ২) কোনও নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।
    ৩) তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা ভঙ্গের অভিযোগে তিন সিআরপিএফ জওয়ানকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, রাজ্যে শাসকদল তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই জওয়ানেরা ক্যারম খেলছিলেন। ভোটমুখী বাংলায় (West Bengal Assembly Election 2026) কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে যখন টানাপড়েন চলছে, ঠিক তখনই বীরভূমের এই ছবি ঘিরে দানা বাঁধল নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এমনই দৃশ্য ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। উল্লেখ্য, এর আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নিমতিতাতেও এক তৃণমূল নেতার (TMC Iftar) ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সাতজন বিএসএফ জওয়ান। তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন।

    ভাইরাল ভিডিওয় কী ছবি

    সূত্রের খবর, শনিবার বীরভূমের এক এলাকায় টহল দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। কিন্তু ডিউটি চলাকালীন আচমকাই তিন জওয়ান ঢুকে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানীয় কার্যালয়ে। সেখানে বসে থাকা কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি শুরু হয় জোরদার ক্যারাম খেলা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে সেই খেলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একেবারে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে ঢুকে স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে ক্যারাম খেলছেন দুজন জাওয়ান। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পরিহিত একজন পাশেই একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। কোনও দিকে মন না দিয়ে ক্যারামে ফোকাস করেছেন সকলেই। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকাকালীন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানেরা কীভাবে শাসকদলের কার্যালয়ে ঢুকে আড্ডা জমালেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    বিজেপির তরফে কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়। কমিশন সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্ত ও ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ের পর ওই তিন জওয়ানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ছাব্বিশের নির্বাচনে আর কোনও ডিউটিতে থাকতে পারবেন না এই তিন জওয়ান। এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন ‘উদাসীন’ ও ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণে ক্ষুব্ধ কমিশনের কর্তারা।এর আগেও বিএসএফ-এর কয়েকজন জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই ঘটনা থেকে যে কোনও শিক্ষাই নেওয়া হয়নি, বীরভূমের ঘটনা তারই প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে কোনওভাবেই কালিমালিপ্ত না হয়, সে বিষয়ে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।

  • Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফের বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল নিরাপত্তাবাহিনী। দিল্লি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ দিল্লির সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি-কমান্ডার শাব্বির আহমেদ লোনকে। অভিযোগ, বাংলাদেশে (Bangladesh) বসেই ভারতে হামলা চালানোর ছক কষেছিলেন শাব্বির (Shabbir Ahmad Lone)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে দিল্লি পুলিশে বিশেষ শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শাব্বির ওরফে রাজা ওরফে কাশ্মীরি আসলে শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশে ভারত-বিরোধী জঙ্গি ক্রিয়াকলাপ পরিচালনাই ছিল তার উদ্দেশ্য।

    বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের। অভিযোগ, বাংলাদেশে বসে সেখানকার তরুণদের লস্করের জঙ্গি হিসেবে নিয়োগ করত লোন। ভারতে যে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বেআইনি ভাবে বসবাস করত, তাঁদেরও সন্ত্রাসের কাজে লাগানো হত। দিন কয়েক আগে লস্করের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ, গোয়েন্দা। ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিল। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় দেশ-বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সেই গোষ্ঠীর সূত্র ধরেই লোনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ

    গোয়েন্দাদের সূত্র বলছে, দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ রয়েছে লোনের। মুজফ্‌ফরাবাদে জঙ্গি শিবিরে তার প্রশিক্ষণ হয়েছিল বলেও খবর। ‘দওড়া-এ-আম’ (প্রাথমিক) এবং ‘দওড়া-এ-খাস’ (উচ্চ পর্যায়ের)— দু’ধরনের প্রশিক্ষণই তার হয়েছিল। ২০০৭ সালে অস্ত্র-সহ লোনকে প্রথম বার গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার কাছে ছিল একে-৪৭-এর মতো অস্ত্রও। আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, লস্করের কমান্ডার জাকি-উর-রহমান লাকভি, জামাত-উদ-দাওয়া এবং ২৬ নভেম্বরের মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগ ছিল তার। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহাড় জেলে ছিল লোন। তার পরে জামিনে ছাড়া পায়।

    তিহাড় থেকে বাংলাদেশে

    গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, তিহাড় থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে চলে যায় শাব্বির। সেখানে লশকরের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সদস্যদের নিয়ে ভারতে হামলার ছক কষতে থাকে। পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে থাকে সে। সম্প্রতি লস্করের এক নয়া মডিউলের হদিশ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। দিল্লি থেকে দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা এই সন্ত্রাসী মডিউলটি দিল্লি ও কলকাতার বহু জায়গায় ভারত বিরোধী পোস্টারও সাঁটায়। যেখানে কাশ্মীরের বুরহান ওয়ানি থেকে পাকিস্তানের উল্লেখ ছিল। এহেন জঙ্গির গ্রেফতারি নিঃসন্দেহে দিল্লি পুলিশের বিরাট সাফল্য। অনুমান করা হচ্ছে দিল্লি ও তার আশপাশ এলাকায় লোনের একাধিক সঙ্গী এখনও সক্রিয় তাদের সন্ধানে শুরু হয়েছে তল্লাশি। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশ দিল্লিতে বড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল লোন। যদিও তার আগেই গোয়েন্দা বিভাগের তৎপরতায় গ্রেফতার হল ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি।

    পুলিশের জালে শাব্বির

    তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, শুধু জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নয় লস্করের নয়া এই মডিউলে সদস্য বাড়ানোরও দায়িত্ব ছিল লোনের উপর। ভারতে অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশিদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করত সে। এখন তাকে জেরা করছে পুলিশ। ভারতে কোথায় কোথায় তাদের হামলার ছক ছিল, সঙ্গে কারা ছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে খবর। এখন লোনকে জেরা (interrogation) করে গোটা চক্রের খোঁজ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি— নিয়োগের পথ (recruitment channels), অর্থের উৎস (funding routes) ও সম্ভাব্য টার্গেট (targets) সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তার আরও কতজন সহযোগী লুকিয়ে আছে তা জানতে তদন্তকারী সংস্থাগুলো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজা বাংলাদেশে বসে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতে, লস্করের এই ভারত বিরোধী চক্রান্ত চলছিল। রাজার মূল কাজ ছিল ভারতে হামলার জন্য বাংলাদেশিদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগ করা। পাকিস্তানের নাম এই আক্রমণে যাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে সেজন্যই এই ব্যবস্থা। এই বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই ভারতে বসবাস করত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা সময়মতো ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

    পহেলগাঁও-হামলার অনুরূপ হামলা!

    উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিলের ২২ তারিখ পহেলগাঁও-তে জঙ্গি আক্রমণ হয়। সাধারণ পর্যটকদের উপরে গুলি করা হয়। সেই আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন এবং গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন ২০ জন। তদন্তে জানা যায়, পরোক্ষভাবে হলেও এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল লস্কর-ই-তইবা। তার সঙ্গে শাব্বিরের যোগ রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলতি বছর এপ্রিলে ফের এই ধরনের হামলার ছক কষছে কি না জঙ্গিরা, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। চেষ্টা চলছে গোটা লস্করের খবর জানার। ভারতে আর কোথায় কোথায় এই জঙ্গি সংগঠন ঘাঁটি তৈরি করেছে, কী ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশে জঙ্গি আক্রমণ কবে কোথায় হতে পারে ইত্যাদি জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

  • Supplementary list: বাদ ১৮ লক্ষ, দু’লক্ষ নাম-সহ চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের, মোট কত নাম কাটা গেল?

    Supplementary list: বাদ ১৮ লক্ষ, দু’লক্ষ নাম-সহ চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের, মোট কত নাম কাটা গেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৮ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত পর্যন্ত ৪২ লক্ষ ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তি হয়েছে। আর ২০ লক্ষের মতো ভোটারের নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনের আগে সেগুলি নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। এবার থেকে প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করা হবে, বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেইমতো রবিবার কমিশন চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary list) প্রকাশ করে। এদিন ২ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    ১৮ লক্ষের নাম বাদ

    গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছিল। এরপর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেইসময় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লক্ষের মতো নাম বাদ যায়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ৬০ লক্ষের নাম বিবেচনাধীন তালিকা রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে জুডিশিয়াল অফিসাররা বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য খতিয়ে দেখছে। গত ২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary list) প্রকাশ হয়। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় ১৮ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। অর্থাৎ খসড়া তালিকা থেকে ধরলে এখনও পর্যন্ত ৮১ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। এখনও ১৮ লক্ষের বেশি নামের নিষ্পত্তি হওয়া বাকি। শেষপর্যন্ত কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

    ট্রাইবুনালে আবেদন

    কমিশন জানিয়েছে, যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, কলকাতাতেই ট্রাইবুনালের অফিস হচ্ছে। জেলা থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনের জন্য কলকাতা আসার প্রয়োজন নেই। অনলাইনে আবেদন জানানোর জন্য, https://voters.eci.gov.in/ ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। অফলাইনে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে ফর্ম ফিলাম করে আবেদন জানাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। কিন্তু ট্রাইবুনাল কবে কাজ শুরু করবে, স্পষ্ট করেনি হাইকোর্ট। এসআইআর শুরু হওয়ার আগে রাজ্যে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯।

  • Rahul Arunoday Death: চোরাবালিতে আটকে অস্তাচলে অরুণোদয়! শ্যুটিংয়ের অনুমতি ছিল না, দাবি ওড়িশা পুলিশের

    Rahul Arunoday Death: চোরাবালিতে আটকে অস্তাচলে অরুণোদয়! শ্যুটিংয়ের অনুমতি ছিল না, দাবি ওড়িশা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থেমে গেল “সহজ কথা”। শ্যুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunoday Death)। রবিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটে। রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের অভিনেতা। জানা গিয়েছে, শ্যুটিঙের পর তালসারির সমুদ্রে নামেন তিনি। জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। সূত্রের খবর, আজ সোমবার কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হবে। তারপর দুপুরেই বাড়িতে নিয়ে আসা হবে অভিনেতার মরদেহ।

    কী ঘটেছিল রাহুলের সঙ্গে

    সূত্রের খবর, ওড়িশা পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, আজকের গোটা ঘটনা তারা জানতে পেরেছে দিঘা থানার থেকে। এর পাশাপাশি, ওড়িশার বালাসোর জেলার পুলিশ সুপারের দাবি, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে শ্যুটিং করার, জলে নেমে শ্যুটিং করার কোনও অনুমতি পুলিশের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি। পুলিশ সূত্রে এও জানা গিয়েছে, আজ যে জায়গায় শ্যুটিং হয়েছে সেটি তালসারি বিচ। এটা তালসারি মেরিন থানার আওতাধীন। সাধারণত যেখানে এই থানা রয়েছে বা যেখানে পর্যটকরা থাকেন, তার থেকে বেশ কিছুটা দূরে, আজ দুপুরবেলায় নিরবিলি ফাঁকা জায়গায় তালসারি বিচে সমুদ্রে নেমে শ্যুটিং চলছিল। স্থানীয়দের দাবি, সমুদ্রের অনেকটা ভিতরে শ্যুটিং চলছিল। সেই সময় জোয়ারের প্রভাব ছিল। চোরাবালির খাঁজ ছিল। সেখানে পড়ে রাহুল তলিয়ে যান। উপস্থিত ক্রু মেম্বাররাই কোনওমতে রাহুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তাররা অভিনেতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, সমুদ্রের বেশ কিছুটা ভিতরে একটি নাচের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল। অনুমান, সেই সময় চোরাবালিতে পড়ে ডুবে তলিয়ে যান অভিনেতা।

    হঠাতই জল বাড়ে

    স্থানীয় সূত্রে এও শোনা যাচ্ছে, রাহুল (Rahul Arunoday Banerjee) যখন সমুদ্রে নেমেছিলেন, তখন শান্তই ছিল সমুদ্র। তবে ৪টে নাগাদ আচমকাই জল বেড়ে যায়। অনুমান হয়তো জোয়ারের প্রভাবে এমন ঘটনা ঘটেছিল। এমনিতেও তালসারির সমুদ্র সম্পর্কে এ কথা প্রচলিত যে আচমকা সেখানে জল বেড়ে যায়। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ টলিপাড়া। সিনেমা এবং সাহিত্য জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। ৪৩ বছর বয়সে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০০০ সালে ‘চাকা’ ছবিতে অভিনয় দিয়ে কেরিয়ার শুরু। রাহুলকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল ‘চির দিনই তুমি যে আমার’। ২০০৮ সালে ‘আবার আসব ফিরে’ ও ‘জ্যাকপট’ ছবিতে অভিনয়। ‘জুলফিকার’, ‘বিদায় ব্যোমকেশ’, ‘ব্যোমকেশ গোত্র’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন রাহুল। ২০০৮ সাল। কৃষ্ণ ও পল্লবীর প্রেম দেখে একটা গোটা প্রজন্ম নতুন করে বাংলা ছবির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। পর্দার জুটির প্রেম বাস্তবেও পরিণতি পায়। ২০১০ সালে বিয়ে হয় রাহুল-প্রিয়াঙ্কার। তার পরে পুত্রসন্তানের জন্ম। দাম্পত্যে দূরত্বও আসে একসময়। কিন্তু, তখনও দর্শকের কাছে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা জুটি অটুট। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাঙা সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে থাকে।

    মৃত্যুর কারণে একাধিক অসংগতি

    বিভিন্ন ব্যক্তিরা যা যা বলছেন, তাতে একাধিক অসংগতি রয়েছে। শ্যুটিং সেটে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ বলছেন যে, শ্যুটিং চলাকালীনই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। তবে সেই সময়ে শট চলছিল না। শট চেঞ্জ হচ্ছিল। সেই সময়টা সমুদ্রের জলেই দাঁড়িয়েছিলেন রাহুল আর তাঁর সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা। তাঁরা ২ জনেই সমুদ্রের দিকে এগোচ্ছিলেন। হঠাৎই টাল সামলাতে না পেরে জলের মধ্যে পড়ে যান ২ জনেই। শ্যুটিং ক্রু-রা সঙ্গে সঙ্গে জলে ঝাঁপ দিয়ে পড়েন। শ্বেতাকে ধরা গেলেও, সেই সময়ের মধ্যে অনেকটা জল খেয়ে ফেলেন রাহুল। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকেই বলছেন, যে সময়ে রাহুলকে জল থেকে উদ্ধার করা হয় ও গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, সেই সময় ও তাঁর জ্ঞান ছিল। কথাও বলেছেন।

    অভিনেতা, লেখক, সঞ্চালক

    টলিউডের পর্দায় এক আলাদা স্বকীয়তা নিয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunoday Banerjee)। নায়ক হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও খুব দ্রুতই প্রমাণ করেছিলেন, শুধু রোম্যান্টিক হিরো নন, চরিত্রের গভীরে ঢুকে অভিনয় করতে পারাই ছিল তাঁর প্রকৃত ইউএসপি। মঞ্চ থেকে অভিনয়ে হাতেখড়ি রাহুলের। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন লেখকও। বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখালেখি প্রকাশিত হয়েছে। বহুমুখী সত্তাই যেন তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছিল। অভিনয় ছাড়াও সম্প্রতি ‘সহজ কথা’ নামক একটি পডকাস্ট শো সঞ্চালনা করতেন রাহুল। সেটিও তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। রাহুলের অকাল প্রয়াণ যেন অসময়ে থেমে যাওয়া এক সম্ভাবনাময় যাত্রা। তবুও তাঁর কাজ, তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি, আর চরিত্রের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা—সব মিলিয়ে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন দর্শকের স্মৃতিতে।

    শোকস্তব্ধ টলিউড

    রাহুলের প্রথম ছবি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় প্রথম ছবিতেই নায়ক তিনি। পরিচালক হিসেবেও রাজের সেই ছবিতেই হাতেখড়ি। রাজের কথায়, “এখনও মনে হচ্ছে খবরটা ভুল। আমাদের প্রথম ছবি একসঙ্গে। ১৮ বছর হয়ে গিয়েছে সেই ছবির। ও মঞ্চেও ভালো কাজ করেছে। ভালো লেখালিখি করত। খুব গুণী ছেল। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য বড় ক্ষতি। ওর পরিবারেরও বড় ক্ষতি।” ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। রাহুল প্রয়াণে আজ চোখে জল তাঁর। বলেন, “ওর সঙ্গে চিরদিনই তুমি যে আমারের সেটে আলাপ। বন্ধু বলব না, ভাই ছিল, বড্ড ভালো ছাত্র ছিল। শেষ একসঙ্গে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস করলাম। কী করে বুঝব এমন হবে? আমরা একসঙ্গে বসে আড্ডা দেওয়ার খাওয়া-দাওয়া করার প্ল্যান করেছিলাম ক’দিন ধরে। ওর সঙ্গে তো আত্মার সম্পর্ক ছিল।”

    বিনোদন জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি

    অভিনেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সমাজমাধ্যমে লেখেন, “টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মাত্র ৪৩ বছর বয়সে তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু বাংলা বিনোদন জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অসাধারণ অভিনয়, প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব এবং স্পষ্ট মতামত আমাদের মনে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা— সর্বত্র তিনি নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং অনুরাগীদের প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা।”  অভিনেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

LinkedIn
Share