Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bodyguard Satellites: মহাকাশে নিরাপত্তা বাড়াতে ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট আনছে ভারত! মহাশূন্যেও যুদ্ধের প্রস্তুতি?

    Bodyguard Satellites: মহাকাশে নিরাপত্তা বাড়াতে ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট আনছে ভারত! মহাশূন্যেও যুদ্ধের প্রস্তুতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইটগুলির কক্ষপথে ধেয়ে আসা সম্ভাব্য হুমকি থেকে রক্ষা করতে নতুন ধরনের ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট (Bodyguard Satellites) তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। এই প্রকল্পে বেসরকারি স্টার্টআপ সংস্থাগুলিকে যুক্ত করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, চলতি বছরের প্রথমার্ধেই প্রথম পরীক্ষামূলক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের (India Satellite Technology) লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এরপর ২০২৬ সালের শেষ অথবা ২০২৭ সালের শুরুর মধ্যে আরও কয়েকটি উৎক্ষেপণ করা হতে পারে। পরবর্তীতে সরকার নিজেই এই ধরনের প্রতিরক্ষামূলক স্যাটেলাইট তৈরির দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

    কেন এই উদ্যোগের প্রয়োজন হল?

    ২০২৪ সালের একটি ঘটনাকে ঘিরেই এই পরিকল্পনার সূত্রপাত। সেই সময় একটি অজ্ঞাত প্রতিবেশী দেশের মহাকাশযান ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইটের (India Satellite Technology) মাত্র এক কিলোমিটার দূরত্বে চলে আসে। ওই স্যাটেলাইটটি সামরিক কাজে—বিশেষ করে ভূমি পর্যবেক্ষণ ও নজরদারিতে—ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি, ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক স্বল্পমেয়াদি সামরিক উত্তেজনার সময়ও স্যাটেলাইটের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উভয় দেশই লক্ষ্য শনাক্তকরণ ও ট্র্যাকিংয়ে মহাকাশ প্রযুক্তির উপর নির্ভর করেছিল। এমনকি, চিনের তরফে পাকিস্তানকে স্যাটেলাইট সহায়তা দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে, যা ইসলামাবাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের মহাপরিচালক ও প্রাক্তন সামরিক আধিকারিক লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল ভাট বলেন, “স্যাটেলাইটে হস্তক্ষেপ বা বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। মহাকাশ ক্ষেত্রে শক্তিশালী হতে গেলে প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি।”

    কীভাবে কাজ করবে এই স্যাটেলাইট?

    জানা গিয়েছে, এই ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট (Bodyguard Satellites) মূলত দুই ধরনের হবে—

    • প্রথম ধরনের স্যাটেলাইটে থাকবে একটি রোবোটিক বাহু, যা হুমকিস্বরূপ অন্য মহাকাশযানকে ধরে সরিয়ে দিতে পারবে।
    • দ্বিতীয় ধরনের স্যাটেলাইট ছোট আক্রমণকারী স্যাটেলাইটকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে নির্দিষ্ট এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।

    মহাকাশ নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের মহাকাশ সম্পদের নিরাপত্তা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে চিনের সক্রিয় স্যাটেলাইট সংখ্যা ১১০০-র বেশি, যেখানে ভারতের সংখ্যা মাত্র ১০০-র কিছু বেশি। চিন ইতিমধ্যেই এই ধরনের প্রতিরক্ষামূলক প্রযুক্তি (Bodyguard Satellites) নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

    এই প্রকল্পটি সরকারের বৃহত্তর মহাকাশ নিরাপত্তা কৌশলের অংশ। ভারত ইতিমধ্যেই ৫০টিরও বেশি উন্নত নজরদারি স্যাটেলাইট (Bodyguard Satellites) উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা রাত ও সব ধরনের আবহাওয়ায় কাজ করতে সক্ষম হবে। ভবিষ্যতে দেশের সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি বজায় রাখতে প্রায় ১৫০টি নতুন স্যাটেলাইট (India Satellite Technology) স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি, দেশে ও বিদেশে নতুন গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি করে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও বিদেশি মহাকাশযানের উপর নজরদারি জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

  • Bengal Elections 2026: এবার ভবানীপুর সহ কলকাতার ৩১ থানার ওসি, জেলায় ১৪২ থানায় আইসি বদল কমিশনের

    Bengal Elections 2026: এবার ভবানীপুর সহ কলকাতার ৩১ থানার ওসি, জেলায় ১৪২ থানায় আইসি বদল কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের পুলিশের একাধিক পদে বড়সড় রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। রবিবার জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ১৭৩টি থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) ও ইনস্পেক্টর-ইন-চার্জ (আইসি) বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতা পুলিশের আওতাধীন ৩১টি থানাও রয়েছে। কমিশনের দাবি, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। এই বদলির তালিকায় রয়েছে কলকাতার ভবানীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। পাশাপাশি কোচবিহার, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা—এই সব জেলার একাধিক থানার ওসি ও আইসি-দেরও সরানো হয়েছে।

    ভবানীপুর থানার নতুন ওসি

    কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)-এ কর্মরত সৌমিত্র বসু ভবানীপুর থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। নির্বাচনের আগে এই ধরনের রদবদল যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ফলে এই কেন্দ্রের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের। সেই প্রেক্ষিতে ভোটের আগে এই থানার আইসি বদলি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

    কলকাতায় বহু থানার ওসি বদল

    এছাড়াও কলকাতার আলিপুর, ইকবালপুর, হরিদেবপুর, এন্টালি, জোড়াসাঁকো, গড়িয়াহাট, নিউ মার্কেট, বউবাজার, টালিগঞ্জ, অ্যামহার্স্ট স্ট্রিট, তারাতলা ও বেহালা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ থানায় নতুন ওসি নিয়োগ করা হয়েছে। এদিকে, আরজি কর-কাণ্ডের সময় টালা থানর ওসি ছিলেন অভিজিৎ মণ্ডল। তাঁকে উত্তর কলকাতার মানিকতলা থানার ওসি করেছিল কমিশন। তবে, নোটিস জারির পরে কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, অনিচ্ছাকৃত ভাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া অভিজিৎ মানিকতলা থানায় যোগদান করছেন না। তিনি পর্ণশ্রী থানাতেই আগের দায়িত্বে বহাল থাকবেন। মানিকতলা থানার ওসি করা হচ্ছে নিরূপম নাথকে।

    জেলাতেও বিপুল সংখ্যক আইসি বদলি

    জেলা স্তরেও একাধিক বদলি হয়েছে। দেবদুলাল মণ্ডল হালদিয়ার আইসি, কাজল দত্ত কোলাঘাটের দায়িত্বে, সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় এগরার আইসি এবং চন্দ্রকান্ত শাসমল পটাশপুরের ওসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। শুধু পুলিশ নয়, প্রশাসনিক স্তরেও বদল এনেছে কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরে নন্দীগ্রাম–১ ও নন্দীগ্রাম–২ সহ মোট ১৪ জন বিডিওকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নন্দীগ্রাম থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভব্রত নাথকে। এর আগে তিনি চন্দননগর থানায় কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি, খেজুরি, চণ্ডীপুর, হলদিয়া, কোলাঘাট, তমলুক, এগরা ও পটাশপুর-সহ একাধিক থানার ওসি পদেও রবিবার বদল আনা হয়েছে। অন্যদিকে, শীতলকুচি থানার ওসি করা হয়েছে অভিষেক লামাকে, যিনি আগে কোচবিহারের কোতোয়ালি থানায় এসআই পদে ছিলেন। এছাড়াও দিনহাটা, মাথাভাঙা, গোকসাডাঙা, রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ, করণদিঘি, চোপড়া ও ইসলামপুর-সহ একাধিক থানার ওসি বদল করেছে নির্বাচন কমিশন। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পিন্টু মুখোপাধ্যায়কে দার্জিলিঙের ডিআইবি পদে পাঠানো হয়েছে।

    কী বলছে কমিশন?

    দেখা যাচ্ছে, একই জেলায় যাঁরা দীর্ঘদিব ধরে রয়েছেন, মূলত সেইসব পুলিস আধিকারিকদেরও সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। আবার সাইবার সেল, ট্রাফিক বা পুলিসে বিশেষ শাখার কর্মরত অফিসারদের থানায় দায়িত্বে আনা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, এই রদবদলের মূল উদ্দেশ্য হল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং ভোটের সময় স্থানীয় প্রভাব কমানো। এর আগে কমিশন ১৮টি জেলায় ৮৩ জন বিডিও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারকেও বদলি করেছিল। এদিকে, নির্বাচন ঘিরে এই ধরনের প্রশাসনিক বদলি নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে টানাপোড়েনও বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, এই বদলিগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নতুন করে পুলিশে এই রদবদল হওয়ায় বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।

  • Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কমছে দৃষ্টিশক্তি! আট থেকে আশি, চোখের সমস্যায় কাবু! স্কুলের চৌকাঠে ঢোকার আগেই অনেক শিশুর চোখে চশমা! অনেকের দূরের জিনিস ঝাপসা দেখেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জীবন যাপনের অভ্যাসের জেরেই চোখের সমস্যা বাড়ছে। কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার নেপথ্যে এক সাধারণ অভ্যাস রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক কলেজ অফ অপ্টোমেট্রি-র গবেষকেরা এক পরীক্ষা চালিয়েছেন। তার সাম্প্রতিক রিপোর্ট বিশ্ব জুড়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাবে। বিশেষত, দূরের জিনিস স্পষ্ট ভাবে দেখার ক্ষমতা কমবে। শিশুদের মধ্যেও এই সমস্যা প্রবল ভাবে বাড়বে। দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সমস্যা আর বয়সের সীমারেখায় আটকে থাকবে না। এই সমস্যার জেরে কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যা চোখের দীর্ঘমেয়াদি জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    কোন অভ্যাসের জেরে এই সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হোক কিংবা অবসর যাপনের সঙ্গী হলো ল্যাপটপ, মোবাইলের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট। ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকার জেরে চোখের ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, এর থেকেও বেশি বিপদ বাড়াচ্ছে এক সাধারণ অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অন্ধকার ঘরে কিংবা আবছা আলোয় ল্যাপটপ‌ কিংবা মোবাইল দেখেন। অনেকেই কাজে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য ঘর অন্ধকার করে দেন। রাতে বিনোদনের জন্য মোবাইলে সময় কাটানোর সময় অন্ধকার ঘর বেশিরভাগ কম বয়সি ছেলেমেয়েদের পছন্দ। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ধকারে কোনও জিনিস দেখার সময় চোখের পেশিতে মারাত্মক চাপ পড়ে। অতিরিক্ত চাপ দিয়ে চোখের পেশি সংকুচিত হয়। সেই সংকোচনের ফলেই প্রতিফলিত হয়ে, আমরা যে কোনও বস্তু দেখতে পাই। দিনের পর দিন দীর্ঘ সময় চোখের পেশিতে বাড়তি চাপ পড়লে কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দৃষ্টিশক্তি কমে। এর ফলে, চোখ ঝাপসা হয়। দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতাও কমে যায়।

    বিপদ এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চোখের শক্তি অক্ষুন্ন রাখতে কয়েকটি অভ্যাস বদল জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাতে ঘর অন্ধকার করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস বদল জরুরি। ল্যাপটপে কাজ করা হোক কিংবা মোবাইলে সিনেমা দেখা, ঘরে আলো জ্বালানো জরুরি। তাহলে চোখের পেশির উপরে বাড়তি চাপ পড়বে না। স্ক্রিন টাইম নিয়ে সচেতনতা জরুরি। দিনের কতটা সময় একটানা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকব, সে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। আধ ঘণ্টার বেশি একনাগাড়ে স্ক্রিনের দিকে থাকা চলবে না। চোখে বারবার জল দিতে হবে। কয়েক ঘণ্টা ল্যাপটপে বা মোবাইলের স্ক্রিনে সময় কাটালে, অন্তত আট ঘণ্টা বা চল্লিশ মিনিট বাগানে বা গাছে ঘেরা এলাকায় থাকতে হবে। তাছাড়া লেবু ও বেরি জাতীয় ফল নিয়মিত খেতে হবে, এতে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। তাহলে চোখের স্নায়ু ও পেশির প্রয়োজনীয় বিশ্রাম হবে। চোখের ক্ষমতা বজায় থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির (West Asia Crisis) জেরে জ্বালানি সঙ্কটে পড়া শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়াল ভারত। বিপদের সময় এই দ্রুত সহায়তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে (Sri Lanka)। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক মহলেও ভারতের এই পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে। ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুরা কুমারা বলেছেন, “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু চেনা যায়।”

    জ্বালানি আমদানিতে বাধা ও ভারতের পদক্ষেপ (West Asia Crisis)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) সংক্রান্ত সমস্যার কারণে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছিল। গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে টেলিফোন কথোপকথনে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে এই সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ (Neighbourhood First) নীতির প্রতিফলন ঘটিয়ে ভারত সরকার দ্রুত সাড়া দেয়।

    সহায়তার পরিমাণ

    রবিবার কলম্বো (Sri Lanka) পৌঁছনো এই বিশেষ জাহাজে মোট ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি রয়েছে। এর মধ্যে ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল রয়েছে। ‘লঙ্কা আইওসি’ (Lanka IOC)-র মাধ্যমে ভারত এই জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিমাণ জ্বালানি (West Asia Crisis)  দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ যানবাহনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।

    প্রেসিডেন্টের বার্তা

    সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে লিখেছেন, “কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে শ্রীলঙ্কার জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নঘটা নিয়ে কথা বলেছিলাম। ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। গতকাল ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি কলম্বো পৌঁছেছে। সমন্বয়ের জন্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকেও আমার ধন্যবাদ।”

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা

    ভারত ও শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় শুধুমাত্র জ্বালানি নয়, বরং লোহিত সাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, ভারত তার ‘সাগর’ (SAGAR) ভিশন এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে দায়বদ্ধ। এর আগে গত সপ্তাহে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী বিজিথা হেরাথের সঙ্গে এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছিলেন।

  • Dhurandhar-2: বক্স অফিসে দুরন্ত ব্যাটিং ‘ধুরন্ধর ২’-এর, ১২০০ কোটির গণ্ডি পার রণবীর সিংয়ের ছবি

    Dhurandhar-2: বক্স অফিসে দুরন্ত ব্যাটিং ‘ধুরন্ধর ২’-এর, ১২০০ কোটির গণ্ডি পার রণবীর সিংয়ের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্স অফিসে দাপট অব্যাহত রেখে ইতিহাস গড়ল রণবীর সিং (Ranveer Singh) অভিনীত ও আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar-2)। মুক্তির দ্বিতীয় শনিবার অর্থাৎ ১০ম দিনে ছবিটির ব্যবসার গ্রাফ এক ধাক্কায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় (Global Gross) ১২০০ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গেল।

    দ্বিতীয় শনিবারের রেকর্ড ব্যবসা (Dhurandhar-2)

    বক্স অফিস ট্র্যাকার (Dhurandhar-2) ‘স্যাকনিল্ক’ (Sacnilk)-এর প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০ম দিনে ভারতে ছবিটির নেট কালেকশন হয়েছে প্রায় ৬২.৮৫ কোটি টাকা। শুক্রবারের তুলনায় ৪১.৫৫ কোটি এই আয় অবিশ্বাস্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে ভারতে ছবিটির মোট নেট কালেকশন দাঁড়িয়েছে ৭৭৮.৭৭ কোটি টাকায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আজ রবিবারের মধ্যেই এটি ৮০০ কোটির গণ্ডি অনায়াসেই পার করে ফেলবে।

    ১২০০ কোটির গ্লোবাল গ্রস

    আন্তর্জাতিক বাজারেও ‘ধুরন্ধর ২’-এর (Dhurandhar-2) জয়জয়কার চলছে। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ছবিটির গ্রস কালেকশন এখন ১২২৬.৪৪ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে ছবিটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে দ্রুততম ১০০০ কোটি এবং ১২০০ কোটি ক্লাবে প্রবেশ করা অন্যতম সফল ছবি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করল। এটি ইতিমধ্যেই শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ ও ‘পাঠান’-এর মতো মেগা ব্লকবাস্টারগুলির লাইফটাইম রেকর্ডকে চ্যালেঞ্জ করছে।

    ভাষাগত পরিসংখ্যান

    • হিন্দি: ১০ম দিনে হিন্দি ভার্সন থেকে এসেছে ৫৮ কোটি টাকা।
    • তেলগু: অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে।
    • তামিল ও অন্যান্য: তামিলনাড়ু ও কেরালা থেকেও সন্তোষজনক সাড়া মিলেছে।

    ছবির বিষয়বস্তু ও সাফল্য

    আদিত্য ধরের এই স্পাই-থ্রিলারটিতে রণবীর সিংকে এক দুর্ধর্ষ ভারতীয় এজেন্টের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে। করাচির অপরাধ জগতের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবিটির টানটান চিত্রনাট্য ও রণবীরের অনবদ্য অভিনয় দর্শকদের হলমুখী করছে। রণবীর সিং (Ranveer Singh) ছাড়াও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন, অর্জুন রামপাল এবং সারা অর্জুন।

    ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ধুরন্ধর’-এর (Dhurandhar-2) সিক্যুয়েল হিসেবে এই ছবিটি প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গিয়েছে। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, যেভাবে ছবিটির ব্যবসা এগোচ্ছে, তাতে খুব শীঘ্রই এটি ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী ছবির তালিকায় শীর্ষস্থানে জায়গা করে নিতে পারে।

  • US Troops: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে আমেরিকা, মোতায়েন করা হল ৩,৫০০-রও বেশি সেনা

    US Troops: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে আমেরিকা, মোতায়েন করা হল ৩,৫০০-রও বেশি সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US Troops)। ইরানের সঙ্গে সংঘাত (Iran War) তীব্রতর হওয়ায় ৩,৫০০-রও বেশি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২,৫০০ মেরিন-সহ ইউএসএস ট্রিপোলি এখন তার কর্মক্ষেত্রে অবস্থান করছে। এদিকে, পেন্টাগন ইরানে সম্ভাব্য কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে মার্কিন কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সে দেশের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থলবাহিনী পাঠানোর অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    ‘বিগ ডেক’ (US Troops)

    ইউএসএস ট্রিপোলি একটি আধুনিক ‘বিগ ডেক’ উভচর জাহাজ, যা এফ-৩৫ স্টেলথ ফাইটার জেট এবং ওস্প্রে বিমান পরিচালনা করতে সক্ষম। এটি আগে জাপানে মোতায়েন ছিল। সপ্তাহ দুয়েক আগে নয়া নির্দেশ পেয়ে এখানে আসে। অতিরিক্ত শক্তিবৃদ্ধি হিসেবে ইউএসএস বক্সার-সহ সান ডিয়েগো থেকে অন্যান্য নৌ ইউনিটও পাঠানো হচ্ছে। সেন্ট্রাল কমান্ডের মতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে ১১,০০০-রও বেশি টার্গেটে হামলা চালানো হয়েছে, যা বর্তমান সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা নির্দেশ করে।

    মার্কিন বিদেশমন্ত্রীর বার্তা

    মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “আমেরিকা স্থলবাহিনী মোতায়েন ছাড়াই লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছে। তবে পরিস্থিতি বদলালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে প্রস্তুত থাকতে হবে।” উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়, যখন ইরান সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন মার্কিন সেনা জখম হন। একই সময়ে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি

    পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে, যারা ইজরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দায় স্বীকার করেছে। তাদের এই সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে বাব এল-মান্দেব প্রণালী, যা সুয়েজ খালের দিকে যাওয়া বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ (US Troops)। সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক নৌপথ ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় বিকল্প পথ খুঁজছে বিভিন্ন দেশ (Iran War)। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, হুথিদের আরও হামলা সামুদ্রিক নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে। যার জেরে বাড়তে পারে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম।

    সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির দাবি

    জানা গিয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও স্থবির। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ফের খুলে দেওয়া। তবে তেহরান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। পাল্টা ক্ষতিপূরণ ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছে তারা (US Troops)। বস্তুত, সংঘাত কমার কোনও লক্ষণ না থাকায় এবং নতুন একটি পক্ষ যুক্ত হওয়ায়, ক্রমেই (Iran War) বাড়ছে বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিরতার ঝুঁকি।

     

  • Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা পদ্মভূষণ শিল্পপতি বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া প্রয়াত (Vijaypat Singhania)। শনিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ে ৮৭ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ভারতের শিল্প মহলে শোকের ছায়া।

    পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব

    বিজয়পত সিংহানিয়ার (Vijaypat Singhania) প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত শিল্পপতির ছেলে তথা রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) বর্তমান চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন তিনি। লিখেছেন, “গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, পদ্মভূষণ বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি ছিলেন এক দূরদর্শী নেতা, পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। তাঁর উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন।”

    বর্ণময় কর্মজীবন

    ১৯৩৮ সালের ৪ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজয়পত সিংহানিয়া (Vijaypat Singhania)। ১৯৮০ সালে রেমন্ড গ্রুপের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই রেমন্ড একটি সাধারণ টেক্সটাইল মিল থেকে বিশ্বের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। পুরুষের পোশাকে ‘দ্য কমপ্লিট ম্যান’ ট্যাগলাইনটি তাঁর সময়কালেই রেমন্ডকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়। শুধু সুতির কাপড় নয়, ইস্পাত এবং সিমেন্ট শিল্পেও তিনি বাড়িয়েছিলেন ব্যবসার পরিধি।

    অ্যাডভেঞ্চার ও অনন্য কৃতিত্ব

    ব্যবসার বাইরে বিজয়পত সিংহানিয়া (Raymond Group) ছিলেন একজন দক্ষ বৈমানিক এবং রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষ। ২০০৫ সালে ৬৭ বছর বয়সে তিনি একটি হট এয়ার বেলুনে চড়ে প্রায় ৬৯,০০০ ফুট উচ্চতায় উঠে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। ১৯৮৮ সালে লন্ডন থেকে দিল্লি পর্যন্ত মাইক্রোলাইট বিমানে এককভাবে উড়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘পদ্মভূষণে’ ভূষিত করে। মুম্বইয়ের শেরিফ (২০০৬-২০০৭) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

    শেষ বিদায়

    পারিবারিক সূত্রে খবর, আজ রবিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে মুম্বইয়ের এলডি রুপারেল মার্গের ‘হবেলি’-তে তাঁর (Vijaypat Singhania) মরদেহ অন্তিম দর্শনের জন্য রাখা হবে। এরপর বিকেল ৩টের সময় চন্দনবাড়ি শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা। স্ত্রী আশাদেবী এবং তিন সন্তান— গৌতম, মধুপতি ও শেফালিকে রেখে গিয়েছেন তিনি।

  • Holy Jihad Battle: ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের

    Holy Jihad Battle: ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ‘পবিত্র জেহাদ যুদ্ধে’র (Holy Jihad Battle) অংশ হিসেবে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান চালাল ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এই হুথিরাই (Yemens Houthis) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরান যুদ্ধে এখনও অবধি সর্বশেষ অংশগ্রহণকারী।

    হুথির বিবৃতি জারি (Holy Jihad Battle)

    এক বিবৃতিতে হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, “আমাদের বাহিনী পবিত্র জেহাদ যুদ্ধের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোনের মাধ্যমে দক্ষিণের দখল করা প্যালেস্তাইনে জায়োনিস্ট শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে টার্গেট করা হয়েছে। এই অভিযান ইরানে আমাদের মুজাহিদিন ভাইদের এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অভিযানের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং আল্লাহর রহমতে এটি সফলভাবে তার লক্ষ্য পূরণ করেছে।” প্রসঙ্গত, এই বিবৃতিটি জারি করা হয় ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে আঞ্চলিক সংঘাতে যোগ দেওয়ার মাত্র একদিন পর। ওই বিবৃতিতে তারা জানায়, তারা প্রথম সামরিক হামলায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করে ইজরায়েলের সামরিক টার্গেটে আঘাত হেনেছে। এই আক্রমণ ইরান ও লেবাননের মিত্র বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছে।

    আরও ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ!

    হুথিদের এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার জেরে আরও প্রসারিত হল ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘাতের পরিধি। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বহুমুখী যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে। হুথিরা ঘোষণা করেছে, তারা তাদের ভাষায় “আগ্রাসন” বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাবে। এ থেকে স্পষ্ট, এটি এককালীন কোনও পদক্ষেপ নয়, বরং এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা বাড়তে পারে (Holy Jihad Battle)। এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে। হাজার হাজার মেরিন ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছতে শুরু করেছে এবং আরও সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সৈন্যরাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যদিও মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “ওয়াশিংটন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অভিযান শেষ করতে চায় এবং স্থলযুদ্ধ ছাড়াই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হতে পারে, তবুও এই সামরিক প্রস্তুতি সর্বোচ্চ কৌশলগত নমনীয়তা নিশ্চিত করতে করা হয়েছে।” বস্তুত, এই ঘটনাটি সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তাকেই তুলে ধরে (Yemens Houthis)।

    যুদ্ধের ক্ষত

    একই সময়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সামরিক ঘটনার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়িয়েছেন, যার মধ্যে (Holy Jihad Battle) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলোচনাও রয়েছে। ইসলামাবাদ তুরস্ক ও সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে। এর লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো। তবে দ্রুত কোনও সমাধানের লক্ষণ এখনও দেখা যায়নি। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলার মাধ্যমে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিপুল (Yemens Houthis) সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা (Holy Jihad Battle)।

     

  • PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দেশ। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে উদ্বোধন হল ‘নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (Noida International Airport) বা জেওয়ার বিমানবন্দরের। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়, বরং গোটা ভারতের বিমান চলাচল ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চলেছে।

    এশিয়ার বৃহত্তম বিমানবন্দর (PM Modi)

    জেওয়ারে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) সম্পন্ন হওয়ার পর এটি ভারতের তো বটেই, এমনকি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর হতে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এই বিমানবন্দরটি উত্তর ভারতের ‘লজিস্টিক গেটওয়ে’ হিসেবে কাজ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “জেওয়ার বিমানবন্দর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি উত্তর ভারতের উন্নয়নের নতুন ইঞ্জিন হয়ে উঠবে।”

    উত্তরপ্রদেশের রূপান্তর ও যোগী মডেল

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ যে ‘উত্তম প্রদেশ’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, এই প্রকল্প তারই এক বড় প্রমাণ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) আগামী দিনে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের শিল্পায়নে জোয়ার আনবে।” তিনি একে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ‘গতি শক্তি’ প্রকল্পের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ভারতের বিমান চলাচলের ভবিষ্যৎ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জেওয়ার বিমানবন্দর (Noida International Airport) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এটি দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের মানুষের জন্য দ্বিতীয় একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া আর যে সব সুবিধা মিলবে, সেগুলি হল, কানেক্টিভিটি: জেওয়ার বিমানবন্দর সরাসরি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে এবং দিল্লি-বারাণসী হাই স্পিড রেলের (বুলেট ট্রেন) সঙ্গে যুক্ত হবে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব: বিমানবন্দরের (Noida International Airport) আশপাশে ফিল্ম সিটি, মেডিকেল ডিভাইস পার্ক এবং ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ চলছে, যা এই অঞ্চলকে একটি বিশ্বমানের অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।

    নেট জিরো এমিসন: এই বিমানবন্দরটি পরিবেশবান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি ভারতের প্রথম ‘নেট জিরো’ কার্বন নির্গমনকারী বিমানবন্দর হওয়ার পথে।

    বিরোধীদের তোপ ও উন্নয়নের জবাব

    উত্তরপ্রদেশে বিগতদিনের কংরেস-সপা-বসপা সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, জেওয়ার প্রকল্পের পরিকল্পনা বহু দশক আগে হলেও ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগীর ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলেই এই স্বপ্ন সত্যি হল।

  • RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর শতবর্ষ পূর্তি এবং দলাই লামার ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে ধর্মশালায় আয়োজিত ‘ধর্ম সম্মেলন’-এ অংশ নিলেন আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। রবিবারের এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিব্বতি আধ্যাত্মিক গুরু সপ্তম লিং রিনপোচে।

    সম্মেলনের মূল বক্তব্য (Dattatreya Hosabale)

    ধর্মশালা সফরের প্রথম দিনেই দত্তাত্রেয় হোসাবলে দলাই লামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি তিব্বতি পার্লামেন্ট পরিদর্শন করেন এবং সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। কোতওয়ালি বাজারের কমিউনিটি হলে ‘দেবভূমি মৈত্রী সংঘ’ আয়োজিত ধর্ম সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গৌতম বুদ্ধ শিখিয়েছিলেন এষ ধর্মঃ সনাতনঃ (Eshah Dharmah Sanatanah)। এর অর্থ হল, সনাতন ধর্মের শেকড় প্রকৃতির গভীরে প্রোথিত এবং মানবসেবাই প্রকৃত ধর্ম। করুণা, তপস্যা এবং আত্মত্যাগই হল ধর্মের পথ।”

    হোসবলে জানান, ইতিহাসজুড়ে মহান ব্যক্তিরা ধর্ম রক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি গুরু তেগ বাহাদুরের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং জানিয়ে দেন, বর্তমানে দলাই লামাই বিশ্বজুড়ে শান্তির সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

    সপ্তম লিং রিনপোচের প্রশংসা

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লিং রিনপোচে দেশ ও বিশ্বজুড়ে একতা, সম্প্রীতি এবং সদিচ্ছা প্রচারের জন্য আরএসএস-এর (RSS) কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষা, অহিংসা এবং বিশ্ব শান্তির জন্য প্রত্যেকের কাজ করা প্রয়োজন। ভারত বিশ্বকে সঠিক পথ দেখিয়ে এই লক্ষ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

    অংশগ্রহণকারী

    এই সম্মেলনে কিন্নর, লাহুল, স্পিতি এবং কাংড়া জেলা-সহ বিভিন্ন অঞ্চলের শত শত বৌদ্ধ সাধু সন্ত এবং  অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রান্তের সংঘচালক বীর সিং রাংরা, ক্ষেত্র কার্যবাহ রোশন যাদব, ক্ষেত্র প্রচারক যতীন এবং কিসমত কুমার প্রমুখ।

LinkedIn
Share