Tag: Madhyom

Madhyom

  • Child Marriage: দেশে কমলেও বাল্য বিবাহ বাড়ছে বাংলায়, ল্যানসেটের রিপোর্টে বাড়ছে উদ্বেগ

    Child Marriage: দেশে কমলেও বাল্য বিবাহ বাড়ছে বাংলায়, ল্যানসেটের রিপোর্টে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এখনও চলছে নাবালিকার বিয়ে (Child Marriage)। তবে সংখ্যাটা আগের চেয়ে ঢের কমেছে। বর্তমানে ভারতে প্রতি পাঁচজন বিবাহিতা নারীর মধ্যে একজন নাবালিকা। প্রতি ছ’ জন পাত্রের একজন নাবালক। গোটা দেশের এই ছবিই উল্টে গিয়েছে বাংলায় এসে। ল্যানসেট পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এ রাজ্যে পাঁচ লক্ষেরও বেশি নাবালিকা গিয়েছে ছাদনাতলায়, বসেছে বিয়ের পিঁড়িতে। রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশে যেখানে বাল্য বিবাহের হার গড়ে ২৩.৩ শতাংশ, সেখানে বাংলায় ৪২ শতাংশ নাবালিকার বিয়ে হয়ে যায় ১৮-য় পা দেওয়ার আগেই। 

    ল্যানসেট পত্রিকা

    তামাম বিশ্বে ল্যানসেট পত্রিকার জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রধান কারণ তার তথ্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন। এই পত্রিকায়ই তুলে ধরা হয়েছে বাংলায় নাবালিকা বিয়ের করুণ ছবি। ২০১৯-২০-র জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষার রিপোর্টেও মিলেছিল বাংলায় বাল্যবিবাহের চোখে জল আনা ছবি। ল্যানসেটের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৯৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ভারতে নাবালিকা বিয়ের হার ৪৯.৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ২২.৩ শতাংশ। বাল্য বিবাহ (Child Marriage) রুখতে নানা পদক্ষেপ করছে সরকার। চালু হয়েছে একাধিক প্রকল্পও।

    বাল্য বিবাহ রুখতে নানা প্রকল্প

    ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত মেয়েদের বিয়ে দেওয়া না হলে কন্যাশ্রী কিংবা রূপশ্রী প্রকল্পে টাকা মেলে। টিন-এজ মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য রয়েছে নানা প্রকার বৃত্তি। সুযোগ-সুবিধাও রয়েছে একাধিক। তার পরেও বেড়ি পরানো যায়নি বাল্যবিবাহের পায়ে।

    ল্যানসেটের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে বাল্যবিবাহের ঘটনা তিরিশ বছর আগে ছিল ৩৩ লক্ষের ঘরে। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৬-১৭ লাখে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা এবং ছত্তিশগড়ের পরিস্থিতিও বাংলার চেয়ে ভালো বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত বাংলার চেয়ে ঢের ভালো নীতীশ কুমারের বিহারের পরিস্থিতি।

    রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪১.৪ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয়ে যায় প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগেই। একুশ বছর হওয়ার আগে বিয়ের পিঁড়িতে বসে ২০.১ শতাংশ ছেলে। ২০১৬ সালের বাংলায় বাল্য বিবাহের হার ছিল ৪০.৮ শতাংশ। তার পরে তা পেরিয়েছে একচল্লিশের কোঠা। গোটা দেশে যেখানে বাল্য বিবাহের হার গড়ে ২৩.৩ শতাংশ, সেখানে বাংলায় ৪২ শতাংশ নাবালিকার বিয়ে হয়ে যায় ১৮য় পা দেওয়ার আগেই। বাংলার নীচে রয়েছে বিহার। সেখানে এই হার ৩৮.৭। রাজস্থানে ২১.৩ শতাংশ। ঝাড়খণ্ড ও অসমে এই হার যথাক্রমে ৩১.৫ ও ৩১.৯। জনজাতি অধ্যুষিত ত্রিপুরায় বাল্যবিবাহের হার ৪০.২ শতাংশ। রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, বাংলা, পাঞ্জাব, ত্রিপুরা এবং মণিপুরে ক্রমেই বাড়ছে বাল্যবিবাহ।

    আরও পড়ুুন: মমতার রাজত্বে এ কী হাল! গঙ্গাসাগর মেলায় যাওয়ার পথে সাধুদের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ল্যানসেটের রিপোর্টে অতিমারি-উত্তর কাণ্ডের ছবি নেই। এই সময় বাল্য বিবাহ আরও বেড়েছে। তবে ২০০৬ সাল থেকে পরের দশ বছর, এই সময় সীমায় বাল্যবিবাহের হার কমেছিল। ২০১৬ সালের পর ফের তা বেড়েছে। এবং ভারতের অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় তা বেশ বেড়েছে বাংলায় (Child Marriage)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Purulia Incident: পুরুলিয়ায় সাধুদের গণপিটুনির ঘটনায় মমতা সরকারকে তুলোধনা বঙ্গ বিজেপির

    Purulia Incident: পুরুলিয়ায় সাধুদের গণপিটুনির ঘটনায় মমতা সরকারকে তুলোধনা বঙ্গ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগর যাওয়ার পথে পুরুলিয়াতে গণপিটুনির (Purulia Incident) শিকার তিন সন্ন্যাসী। তিনজনেই মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান করতে উত্তরপ্রদেশ থেকে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এই ঘটনায় বিজেপি নিশানা করেছে তৃণমূল সরকারকে। বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য এ প্রসঙ্গে টেনে এনেছেন মহারাষ্ট্রের পালঘর প্রসঙ্গও। বিজেপি নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও (Purulia Incident)। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে মহারাষ্ট্রের পালঘরে শিশুচুরির গুজবে ৩ সন্ন্যাসী-সহ ৩ জনকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। সেই একই কায়দায়  এবার আক্রমণ হল পশ্চিমবঙ্গেও।

    সুকান্ত মজুমদারের ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে সুকান্ত লেখেন, ‘‘মমতার জমানায় শেখ শাহজাহানের মতো নেতারা রাজ্য সরকারের নিরাপত্তায় গা ঢাকা দিয়েছে অথচ সাধুদের ওপর হামলা হল পালঘর স্টাইলে।’’

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অমিত লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ায় মারাত্মক ঘটনা ঘটেছে। মকর সংক্রান্তির জন্য় গঙ্গাসাগর যাচ্ছিলেন সাধুরা। পালঘরের মতোই তাঁরা গণপিটুনির শিকার (Purulia Incident) হয়েছেন। তৃণমূলের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা তাঁদের বিবস্ত্র করে মারধর করেছে।’’

    ঘটনার বিবরণ

    উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা ওই সাধুরা পুরুলিয়ার (Purulia Incident) কাশীপুরের গৌরাঙ্গডি গ্রামে পৌঁছে তিন নাবালিকাকে রাস্তা জিজ্ঞাসা করেন। এতেই তাঁদের অপহরণকারী সন্দেহে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর শুরু করেন গ্রামবাসীদের একাংশ। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। পরে স্থানীয় মানুষজন ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কে স্থাপন করতে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) অস্বীকার করলে তা এক রকমের মানসিক নিষ্ঠুরতা। শুধুমাত্র এই কারণ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে বিবাহবিচ্ছেদ চাইতেই পারেন স্বামী। সম্প্রতি একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court)। যদি কোনও স্ত্রী বিয়ের পূর্ণতা দিতে অস্বীকার করে বা স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করেন তাহলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান। সেক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করতে পারেন। তা হল বৈধ কারণ। 

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই মত

    সম্প্রতি একটি মামলার বয়ান অনুযায়ী, এক দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ২০০৬ সালের ১২ জুলাই। কিন্তু, বিয়ের পরেও স্ত্রী (Husband-Wife Relation) তা মেনে নেননি এবং তিনি স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের জন্য যৌন সম্পর্ক করতেও অস্বীকার করেছিলেন। এরইমধ্যে কাজের সূত্রে বাইরে চলে যান স্বামী। এরপর ওই ব্যক্তি বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল ফ্যামিলি কোর্ট। আদালতের বক্তব্য ছিল এভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করা যায় না। পরে ফ্যামিলি কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। 

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    কী বলল আদালত

    মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতি শীল নাগু এবং বিনয় সরফের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানির সময় জানান, ‘‘আমরা নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তে একমত নই। তারা বলেছিল, কোনও বৈবাহিক সম্পর্কে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) শারীরিক ভাবে ঘনিষ্ঠ হতে না চাইলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতা নয়। এই কারণে বিবাহবিচ্ছেদ চাওয়া যায় না।’’ হাইকোর্ট তার নির্দেশে বলে, ‘‘আবেদনকারী (স্বামী) বিবাহের সব রকম আনুষ্ঠানিকতা মেনে চলেছেন। বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু স্ত্রী তাঁর সঙ্গে একমত হননি। আবেদনকারী যে কারণ বলেছেন, তা অবশ্যই মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান।’’ হাইকোর্টের মতে, বৈবাহিক সম্পর্কে কোনটা মানসিক নিষ্ঠুরতা এবং কোনটা নয়, তা নির্ধারণের জন্য কোনও ‘স্ট্রেট জ্যাকেট ফর্মুলা’ নেই। এর জন্য নির্দিষ্ট তথ্য এবং পারিপার্শ্বিকতার উপর নির্ভর করতে হয়। এরপরই ওই মামলায় বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anurag Thakur: “দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে কেন চাইছে বাংলার সরকার?”, প্রশ্ন অনুরাগের

    Anurag Thakur: “দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে কেন চাইছে বাংলার সরকার?”, প্রশ্ন অনুরাগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার ভয়াবহ পরিস্থিতি। সারা দেশে যা হয় না, তা হয় বাংলায়। বাংলায় তোষণের রাজনীতি চলছে। দুর্নীতিগ্রস্তদের আশ্রয় দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বামীজির জন্মদিনে বাংলার তরুণদের যুব উৎসবে অংশ নিতে বাধা দিচ্ছে।” বঙ্গ সফরে এসে রাজ্য সরকারকে এই ভাষায়ই নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মানুষের ভালোর জন্য যে টাকা আসে, তা আত্মসাত করা হয়। এখানকার নেতা ও সরকার কাটমানির নামে বিখ্যাত। গরিব মানুষের উপকারের জন্য যে টাকা কেন্দ্র থেকে আসে, সেখান থেকেও কমিশন খাওয়ার চেষ্টা করা হয়। দুর্নীতি চরম সীমায়। যদি দুর্নীতি আটকানোর চেষ্টা করা হয়, তাহলে ইডি টিমের ওপর পাথর ছোড়া হয়, মারধর করা হয়। দুর্নীতিগ্রস্তদের শেল্টার দেওয়ার কাজ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।”

    ‘দলের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই মমতার’?

    তিনি (Anurag Thakur) বলেন, “এখানকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কি নিজের দলের মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়কদের ওপরে নিয়ন্ত্রণ নেই? যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করার কথা বলা হয়, তাহলে সেই আধিকারিকদের সঙ্গে ওঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) গুণ্ডা, আধিকারিকরা মারপিট করেন, এটা দেশে কোথাও হয় না, পশ্চিমবঙ্গে হয়। আইন-শৃঙ্খলা ভয়ঙ্কর অবস্থায় এখানে রয়েছে, যার উদাহরণ বারবার দেখা যায়।” তিনি বলেন, “দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে কেন চাইছে বাংলার সরকার? মুখ্যমন্ত্রী কি নিজেই লুটের অনুমোদন দিয়ে রেখেছেন?”

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    রেশন বণ্টন কেলেকাঙ্কারিকাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেখানে ঘণ্টাখানেক ধরে ডেকেও সাড়া মেলেনি ওই তৃণমূল নেতার। যদিও ইডির দাবি, শাহজাহানের মোবাইলের টাওয়ার জানান দিচ্ছিল, ওই সময় ওই তৃণমূল ছিলেন বাড়িতেই। পরে প্রচুর তৃণমূল কর্মী এসে হেনস্থা করে ইডি আধিকারিকদরে। তাদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির তিন আধিকারিক। জখম হন সিআরপিএফের দুই জওয়ানও। ওই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনার পরে পরেই গা ঢাকা দেয় শাহজাহান। পুরুলিয়ায় সাধুদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে অনুরাগ (Anurag Thakur) বলেন, “তুষ্টিকরণের রাজনীতিই এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তাঁর প্রশ্ন, তুষ্টিকরণের রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গকে কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ram Mandir Inauguration: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    Ram Mandir Inauguration: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন, মরিশাসের (Mauritius Government) হিন্দুদের জন্য বিশেষ ঘোষণা করল সেখানকার সরকার। সদ্য মরিসাস সরকার জানিয়েছে, সে দেশের সমস্ত হিন্দু নাগরিকরা আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার (Ram Mandir Inauguration) প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে ২ ঘণ্টার জন্য বিশেষ ছুটি পাবেন। কেবলমাত্র ভার্চুয়ালি অযোধ্যার উৎসবের সাক্ষী থাকাই নয়, স্থানীয় রাম মন্দিরে হওয়া অনুষ্ঠানেও অংশ নিতে পারবেন মরিশাসের হিন্দুরা।

    ঐতিহাসিক-পবিত্র দিন

    মরিশাসের (Mauritius Government) প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ কুমার জগন্নাথ শুক্রবার এই মর্মে একটি ক্যাবিনেট বৈঠক করেন। এরপরই সরকারের তরফে একটি অফিসিয়াল বিবৃতি জারি করা হয়। উল্লেখ করা হয়, আগামী ২২ জানুয়ারি হিন্দু নাগরিকদের জন্য দুপুর ২টো থেকে দু’ঘণ্টার জন্য বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হচ্ছে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘২২ জানুয়ারি ২০২৪ এ দুপুর দুটো থেকে দুই ঘণ্টার জন্য হিন্দু পাবলিক অফিসারদের প্রার্থনার জন্য বিশেষ ছুটি দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। ভারতে অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধন.. যা শ্রী রামচন্দ্রের ঘরে ফেরাকে চিহ্নিত করে, তার প্রেক্ষিতে যাতে ওই কর্মীরা সেবা কাজ করতে পারেন, সেই জন্যই এই ছাড়।’ ২২ জানুয়ারি দিনটিকে ঐতিহাসিক এবং পবিত্র বলে উল্লেখ করেছেন মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘ভারতের অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অর্থাৎ ভগবান রামের ঘরওয়াপসি।’ মরিশাস সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে, হিন্দু মন্দির এম্পাওয়ারমেন্ট কাউন্সিল। কাউন্সিলের তরফে তেজাল শাহ বলেছন, ‘এটা আমাদের ভাগ্য ও আশীর্বাদ যে, আমরা আমাদের স্বপ্নের মন্দিরের বাস্তবায়িত হওয়াটা দেখতে পাচ্ছি, কয়েক শতকের অপেক্ষার পর। ’

    আরও পড়ুন: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    প্রস্তুত অযোধ্যা

    রামলালার (Ram Mandir Inauguration) প্রাণ প্রতিষ্ঠা সমারোহের জন্য প্রস্তুত ভারত। সে ক্ষেত্রে ২২ জানুয়ারি, সোমবার কি দেশজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হবে? এই নিয়ে জল্পনা চলছেই। সোশ্যাল মিডিয়াতে একাধিক রামভক্ত কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কাছে ২২ জানুয়ারি দিনটি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করার আর্জি রেখেছেন। উত্তর প্রদেশেই সরকারি ছুটি ঘোষণা করার সবচেয়ে বেশি আর্জি রয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে যোগী সরকারকে ট্যাগ করে ছুটির দাবি জানিয়েছেন একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন, সনাতনী সংস্কৃতির মানুষজনও। ছুটি ঘোষণার আর্জি রাখা হয়েছে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান সরকারের কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে”, বললেন আডবাণী

    Ram Temple: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে”, বললেন আডবাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।” অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের প্রাক্কালে কথাগুলি বললেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণী। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। ওই দিনই গর্ভগৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে রামলালার মূর্তির। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আডবাণীকে।

    কী বললেন আডবাণী

    অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। এমতাবস্থায় লেখা হচ্ছে ভজন-গান-কবিতা। প্রকাশিত হচ্ছে নানা আর্টিকেলও। হিন্দি ভাষায় প্রকাশিত রাষ্ট্রধর্ম নামে একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হবে আডবাণীর একটি আর্টিকেল। নাম, রাম মন্দির (Ram Temple) নির্মাণ- একটি আধ্যাত্মিক স্বপ্নপূরণ। আডবাণীর এই বিবৃতিই প্রকাশিত হবে অন্য একটি ম্যাগাজিনে। সেটি প্রকাশিত হবে জানুয়ারির ১৬ তারিখে। এই ইস্যুটি বিলি করা হবে আমন্ত্রিতদের মধ্যে। এই আর্টিকেলে আডবাণী নিজেকে ‘সারথী’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনিই বিতর্কিত রথযাত্রায় বেরিয়েছিলেন।

    ভগবান রামের আশীর্বাদ

    গুজরাটের সোমনাথে ফিরে এসেছিলেন ১৯৯০ সালে। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি আশা করছিলেন রাম মন্দির সমস্ত ভারতীয়কে উদ্বুদ্ধ করবে। সবাই ভগবান রামের আশীর্বাদ পাবেন। তিনি বলেন, “আমরা বুঝিনি যে ভগবান রামের ওপর বিশ্বাস যা নিয়ে আমরা রথযাত্রা করেছিলাম, ক্রমে তা দেশে একটা আন্দোলনে পরিণত হবে।” ওই নিবন্ধে আদবানি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কারণ দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত মন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে তাঁর জন্যই।

    প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ভগবান রামের একনিষ্ঠ ভক্ত বলে উল্লেখ করেছেন। যিনি তাঁর (রামের) মন্দির পুনর্নির্মাণ করেছেন। রথযাত্রায় আডবাণীর সঙ্গী ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও। ওই নিবন্ধে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা রথযাত্রাকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সব চেয়ে ‘ডিসাইসিভ ও ট্রান্সফর্মেটিভ’ ঘটনা বলেও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনা (রথযাত্রা) আমাকে ভারত ও স্বয়ং আমাকে পুনরাবিষ্কার করার সুযোগ দিয়েছিল।” 

    আরও পড়ুুন: চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘আধ্যাত্মিক রাজধানী’ বারাণসী

    বিশ্বহিন্দু পরিষদের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৮০ ও ১৯৯০ এর প্রথম দিকে রাম জন্মভূমি আন্দোলন নিয়ে যিনি সামনের সারিতে ছিলেন, ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনিও। বিশ্বহিন্দু পরিষদের প্রেসিডেন্ট অলোক কুমার বলেন, “আডবাণীজি বলেছেন, তিনি আসবেন। প্রয়োজনে আমরা তাঁর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করব।” প্রসঙ্গত, বছর ছিয়ানব্বইয়ের আডবাণী বিজেপির (Ram Temple) অন্যতম ফাউন্ডার মেম্বার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর কাছেও পৌঁছে গিয়েছে নিমন্ত্রণ পত্র। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে শুক্রবারই সে কথা জানানো হয়। এদিন ছিল স্বামী  বিবেকানন্দের জন্মদিন। তাঁর ১৬১ তম জন্মবার্ষিকীতে, তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। শনিবার, দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

    রাষ্ট্রপতিকে নিমন্ত্রণ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যজমান হিসেবে পুজো করলেও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu) রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে (Ram temple consecration ceremony) নিমন্ত্রণ পাননি বলে দাবি করছিল অনেকে। বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনাও চলছিল। শুক্রবার সেই জল্পনা উড়িয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে জানানো হল দেশের রাষ্ট্রপতিকেও ওই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

    স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

    ভারতকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বামীজির অবদান অনস্বীকার্য। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে এই কথা বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু লিখেছেন, “আমি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একজন মহান আধ্যাত্মিক নেতা এবং সংস্কারক, স্বামীজি ভারতীয়দের তাঁদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতে সারা দেশে ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি তরুণদের দেশ গঠনে কাজ করতে এবং মানবতার সেবায় উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি মহান ভারতীয় আধ্যাত্মিক বাণী পশ্চিমে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষা ও ধারণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথ দেখাতে পারে।”  শনিবার দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির পুণ্য স্নানের জন্য শুভেচ্ছাও জানান রাষ্ট্রপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মরসুমের শীতলতম দিন শনিবার, তাপমাত্রা কমতেই থাকবে জানাল হাওয়া অফিস

    Weather Update: মরসুমের শীতলতম দিন শনিবার, তাপমাত্রা কমতেই থাকবে জানাল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাঁকিয়ে শীত পড়েছে রাজ্যজুড়ে (Weather Update)। শীতের মরসুম হতাশ করেনি বাংলাকে। খেজুর গুড়, সোয়েটার, পিকনিক, পিঠে-পুলির মরসুমে হঠাৎ করেই এক ধাক্কাতে পারদ নেমে গিয়েছে ৫ ডিগ্রি। শনিবার ১৩ জানুয়ারি এই মরশুমে শীতলতম দিন বলে জানা গিয়েছে। কলকাতাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১২.৮।

    এর আগে এমন শীত পড়েছিল গত ১৭ ডিসেম্বর, যখন তিলোত্তমার পারদ পতন হয়েছিল ১৩.৭ ডিগ্রিতে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে (Weather Update), মকর সংক্রান্তির আগে তাপমাত্রা আরও কমবে। আগামী সপ্তাহের বুধবার পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতেই থাকবে, তারপর থেকে ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসের কথা শুনিয়েছে হাওয়া অফিস।

    দক্ষিণবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত

    পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা (Weather Update) ঘোরাফেরা করছে ৮ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রির ঘরে। গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গে পারদ রয়েছে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে। শনিবার সকালেও ঘন কুয়াশায় মোড়া বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান। তবে আগামিকাল থেকে ঘন কুয়াশার দাপট কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির নির্মাণের বিপুল অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কীভাবে? জানাল ট্রাস্ট

    উত্তরবঙ্গের শীতের দাপট চলছে

    উত্তরবঙ্গের দার্জিলিংয়ে সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে এই বৃষ্টি হবে। আগামী কয়েক দিন দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলাতে ঘন কুয়াশার দাপট দেখা যাবে।

    কলকাতার শীত

    শহর কলকাতাতে বুধবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে এবং বৃহস্পতি ও শুক্রবারে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবারই দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) শহর কলকাতায় ছিল ২২.২ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs England: ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই টেস্টের দল ঘোষণা, ভারতীয় স্কোয়াডে নতুন কিপার

    India vs England: ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই টেস্টের দল ঘোষণা, ভারতীয় স্কোয়াডে নতুন কিপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণা করল বিসিসিআই। প্রথম দুই টেস্টের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বিসিসিআই।  স্কোয়াডে নেই বাংলার পেসার মহম্মদ শামি। চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও ছিলেন না তিনি। সদ্য অর্জুন পুরস্কার পাওয়া শামিকে প্রথম দু-ম্যাচেও পাওয়া যাবে না। স্কোয়াডে সুযোগ দেওয়া হল নতুন কিপার ব্যাটার ধ্রুব জুড়েলকে।

    ‘শাস্তি’ বাদ ঈশান

    ভারতীয় দলে নতুন উইকেটকিপার হিসেবে নেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশের ধ্রুব জুড়েলকে। ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেই উঠে এসেছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিশনকে। রিজার্ভ উইকেটকিপার হওয়ায় দলের সঙ্গে থাকতে চাননি। দেশে ফিরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার বদলে তিনি প্রথমে দুবাইয়ে পার্টি করেন। তার পরে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র সেটে চলে যান। এতে নির্বাচকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। তরুণ ক্রিকেটারকে ‘সহবত’ শেখাতে তাঁকে আগেই দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দলে ফিরেছেন শ্রেয়স আয়ার। 

    টেস্ট স্কোয়াডে কুলদীপ

    ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারত চার স্পিনার রেখেছে স্কোয়াডে। দীর্ঘ সময় পর টেস্ট স্কোয়াডে চায়নাম্যান কুলদীপ যাদব। ইংল্যান্ডের বাঁ হাতি ব্যাটারদের কথা ভেবেই তাঁকে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সঙ্গে অশ্বিন, জাডেজা এবং অক্ষর। প্রথম তিন পেসার হিসাবে রাখা হয়েছে বুমরা, সিরাজ এবং মুকেশকে। সঙ্গে ব্যাক-আপ হিসেবে নেওয়া হয়েছে আবেশকে।তবে ধ্রুবের সুযোগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য। উত্তরপ্রদেশের ক্রিকেটারের গত বছরই প্রথম শ্রেণিতে অভিষেক হয়েছে। এর মধ্যেই ১৫টি ম্যাচে করেছেন ৭৯০ রান। তার মধ্যে ২৪৯ রানের একটি ইনিংস রয়েছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে জাতীয় দলের দরজা খুলে গেল তাঁর জন্য।

    আরও পড়ুন: দেশের মাটিতেই হবে সপ্তদশ আইপিএল! লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই চলবে খেলা?

    কবে কবে টেস্ট

    ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৫ জানুয়ারি হায়দ্রাবাদে প্রথম টেস্ট। এর পরের চারটি টেস্ট যথাক্রমে ২-৬ ফেব্রুয়ারি (বিশাখাপত্তনম), ১৫-১৯ ফেব্রুয়ারি (রাজকোট), ২৩-২৭ ফেব্রুয়ারি (রাঁচী) এবং ৭-১১ মার্চ (ধর্মশালা)।

    ভারতীয় দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আয়ার, কেএল রাহুল (উইকেটকিপার), কেএস ভরত (উইকেটকিপার), ধ্রুব জুড়েল (উইকেটকিপার), রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাডেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ সিরাজ, মুকেশ কুমার, যশপ্রীত বুমরা (সহ-অধিনায়ক) এবং আবেশ খান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Best Place to Work: কাজ করার জন্য সেরা কোম্পানির তালিকায় পিছিয়ে গেল গুগল, মাইক্রোসফট

    Best Place to Work: কাজ করার জন্য সেরা কোম্পানির তালিকায় পিছিয়ে গেল গুগল, মাইক্রোসফট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের জনপ্রিয় তিন কোম্পানি গুগল, মাইক্রোসফট এবং মেটা। এমন কেউ নেই যাঁরা এই কোম্পানিগুলির উপভোক্তা নন। প্রত্যেক মানুষকে প্রতিদিনই এই তিনটে কোম্পানির সাহায্য (Best Place to Work) নিতে হয়।  কিন্তু, সম্প্রতি গ্লাসডোরের সমীক্ষায় সেরা কোম্পানির তালিকায় পিছিয়ে গেল এই তিন কোম্পানি। গুগল, মেটা পিছিয়ে গেলেও তালিকায় ৩৯ তম স্থান পেয়েছে অ্যাপল।

    ১৮ ধাপ পিছিয়ে গেল মাইক্রোসফট

    ‘টপ ১০০ কোম্পানি টু ওয়ার্ক ইন ২০২৪ ’ অর্থাৎ ২০২৪ সালে কাজ করার জন্য সেরা ১০০ কোম্পানির তালিকায় (Best Place to Work) বর্তমানে ১৮ ধাপ পিছিয়ে গিয়েছে গুগল। অষ্টম স্থান থেকে পিছিয়ে বর্তমানে ২৬ নম্বরে নেমে গিয়েছে সার্চ জায়েন্ট। সমীক্ষা বলছে অবস্থা ভালো নয় মাইক্রোসফটেরও। বিল গেটসের সংস্থা ১৩ থেকে নেমে ১৮-তে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে জুকেরবার্গের মেটার মতো বিখ্যাত টেক কোম্পানি টানা দ্বিতীয় বছর এই তালিকায় জায়গা করতে পারেনি। গ্লাসডোরের এই সমীক্ষা বলছে, এই কোম্পানিগুলো কাজ করার জন্য সেরা জায়গা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের সেরা ১০০টি কোম্পানির তালিকাও তুলে ধরেছে গ্লাসডোর।

    পিছিয়ে যাওয়ার কারণ কী

    পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর ২,৬০,০০০ কর্মী ছাঁটাই (Best Place to Work) করেছে বিভিন্ন টেক সংস্থাগুলো। ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি এই সমীক্ষা প্রকাশ হয়েছে। দেখা যাচ্ছে ২০২৪ সালের প্রথম ৯ দিনেই, ইতিমধ্যে ২,০০০ কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গ্লাসডোরের সমীক্ষা অনুযায়ী, কর্মী ছাঁটাই, একটানা কাজ, এবং খারাপ ম্যানেজমেন্টের কারণে পিছিয়ে গিয়েছে গুগল, মেটা, জুমের মতো সংস্থাগুলি। গ্লাসডোরের প্রধান ইকোনমিস্ট ড্যানিয়েল হাও সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, “বড় স্থিতিশীল কোম্পানির কর্মীরাও তাদের কোম্পানির ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উদ্বিগ্ন।” 

    গ্লাসডোরের সমীক্ষা অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিশ্বের সেরা ২০ কোম্পানি

    ১. ব্রেন অ্যান্ড কোম্পানি
    ২. এনভিডিয়া
    ৩. সার্ভিসনাও
    ৪. ম্যাথওয়ার্কস
    ৫. প্রোকোর টেকনলোজিস
    ৬. ইন-অ্যান-আউট বার্গার
    ৭. ভিএমওয়্যার
    ৮. ডেলটেক
    ৯. ২০২০ কোম্পানিস
    ১০. ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্ট
    ১১. ক্রিউ কারওয়াশ
    ১২. কেলার উইলিয়ামস
    ১৩. ডেল্টা এয়ার লাইন
    ১৪. রেমন্ড জেমস ফিনান্সিয়াল
    ১৫. অ্যাডোবে
    ১৬. হিলটি নর্থ আমেরিকা
    ১৭. টোস্ট ইন্ক
    ১৮. মাইক্রোসফট
    ১৯. প্রোটিভিটি
    ২০. অটোডেস্ক

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share