Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lashkar-e-Taiba: পাকিস্তানে এ বার মৃত হাফিজ ঘনিষ্ঠ ২৬/১১ সন্ত্রাসের চক্রী ভুট্টভি

    Lashkar-e-Taiba: পাকিস্তানে এ বার মৃত হাফিজ ঘনিষ্ঠ ২৬/১১ সন্ত্রাসের চক্রী ভুট্টভি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে ২৬/১১ হামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রী এবং লস্কর-ই-তৈবার নেতা হাফিজ আবদুল সালাম ভুট্টভির মৃত্যুর খবর মিলেছে পাকিস্তানে। রাষ্ট্রপুঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদের তরফে বৃহস্পতিবার এ নিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছে। লস্করের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সঈদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল ওই নেতা। সালাম ভুট্টভির মৃত্যু লস্করের (Lashkar-e-Taiba) কাছে বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে। এক এক করে ২৬/১১-র মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড তথা লস্কর গোষ্ঠীর প্রধান হাফিজ সইদের দলের লোকজনের মৃত্যু হচ্ছে। এবার সেই তালিকায় নাম উঠেছে হাফিজের ডান হাত এবং লস্কর গোষ্ঠীর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ আবদুল সালাম ভুট্টভির। ২০১৯ সাল থেকেই অবশ্য পাক কারাগারে বন্দি ছিল ভুট্টভি (Lashkar-e-Taiba)। লস্কর প্রধান হাফিজ সঈদ বর্তমানে পাক কারাগারে রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পাক জেলে বন্দি মুম্বই হামলার চক্রী হাফিজ সঈদ, জানাল রাষ্ট্রসংঘ

    ১ বছরে পাকিস্তানে ১২ জন ভারত বিরোধী জঙ্গি খুন

    গত এক বছরে মোট ১২ জন ‘ভারত-বিরোধী চক্রী’ খুন হয়েছে পাকিস্তানে। কয়েকজনের মৃত্যু বেশ রহস্যজনক। কখনও বিষক্রিয়াতে কখনও বা অজ্ঞাত পরিচয়তেদর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে। lভুট্টভির মৃত্যু এখন নয়, গত বছরের মে মাসে হয়েছে। যদিও, সেই রিপোর্ট এখন প্রকাশিত হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভুট্টভির মৃত্যুর কারণ হৃদ্‌যন্ত্র বিকল হওয়া। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, “২০২৩ সালের ২৯ মে পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকেতে মৃত্যু হয়েছে ভুট্টভির। তিনি সে সময় পাকিস্তান সরকারের হেফাজতে ছিলেন।” পাক পঞ্জাবের মুরিদকেতেই রয়েছে লস্করের (Lashkar-e-Taiba) সদর দফতর। সাম্প্রতিককালে, হাফিজের ছেলে ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মৃত্যু হয়েছে পাকিস্তানে।

    আরও পড়ুন: মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজকে চেয়ে পাকিস্তানকে চিঠি ভারতের

    ভারত বিরোধীদের ওপর আঘাত চলছেই

    প্রসঙ্গত, ২৬/১১ মুম্বই হামলার এক অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী (Lashkar-e-Taiba) সাজিদ মির পাকিস্তানের ডেরা গাজি খানের সেন্ট্রাল জেলে মারা যায় সম্প্রতি। তখন তদন্তে জানা যায়, তাকে কেউ বা কারা খাবারে বিষ দিয়েছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে করাচিতে নিজের বাড়ির সামনেই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা গুলি চালিয়ে খুন করে ২০১৫ সালে জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুরে বিএসএফের কনভয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার মূল চক্রী, লস্কর নেতা আদনান আহমেদকে। অন্যদিকে চলতি মাসের প্রথমেই জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহার পাকিস্তানে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তবে এ এই ঘটনার কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির দায়ে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারকে তলব ইডি-র 

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির দায়ে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারকে তলব ইডি-র 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারের সদস্যদের তলব করেছিল ইডি। শুক্রবার তাঁর মা, মেয়ে ও ভাইয়ের স্ত্রী ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন।  সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় এজেন্সির (Central Agency) অনুমান, সপরিবারে রেশন দুর্নীতিতে জড়িত বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য (Shankar Adhya)। 

    কেন তলব ইডি-র

    শঙ্কর আঢ্য তাঁর মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইয়ের নামে বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা খুলেছিলেন , বলে দাবি ইডি-র। রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যেই ৯৫ বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থার হদিশ মিলেছে। ৬টি বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা শঙ্কর ও তাঁর পরিবারের নামে, বাকি সংস্থা ছিল ‘ভুয়ো নামে’, আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় এই তথ্য জানিয়েছে ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে দাবি, যে সব মুদ্রা বিনিময় বা ফোরেক্স সংস্থার মাধ্যমে দুবাই ও বাংলাদেশে টাকা পাচার করা হয়েছে, তার মধ্যে একাধিক সংস্থা রয়েছে শঙ্কর আঢ্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, শঙ্কর আঢ্যর নিজের নামে যেমন রয়েছে এস আর আঢ্য ফিনান্স প্রাইভেট লিমিটেড, তেমনই তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্যর নামে রয়েছে অর্পণ ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড।

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কোন কোন সংস্থা পরিবারের নামে

    এদিন শঙ্কর আঢ্যকে মেডিক্যালের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বেরোনোর সময় শঙ্কর তাঁর পরিবারের সদস্যদের তলব প্রসঙ্গে বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে যাকে খুশি ডাকতেই পারে এজেন্সি।’ তদন্তকারীদের অনুমান, কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হবে, সেই ষড়যন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল শংকর আঢ্যর। যাতে পরিবারের সদস্যদেরও যুক্ত করেছিলেন তিনি। শঙ্কর আঢ্যর পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্যও এস আর আঢ্য ফিনান্স প্রাইভেট লিমিটেডের অংশীদার। শঙ্কর আঢ্যর ছেলে শুভ আঢ্য ও শ্যালক অমিত ঘোষের নামে রয়েছে শঙ্কর ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। মেয়ে ঋতুপর্ণা আঢ্যর নামে রয়েছে অর্পণ ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। ভাই মলয় আঢ্য ও মা শিবানী আঢ্যর নামে রয়েছে আঢ্য ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। ইডি সূত্রে দাবি, এভাবেই নিজের মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইয়ের নামে বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা খুলে বিদেশে টাকা পাচারের কারবার ফেঁদে বসেছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সহ সভাপতি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranji Trophy 2024: চালকের আসনে বাংলা! শামির ভাইয়ের দাপটে ৬০ রানে অল আউট উত্তরপ্রদেশ

    Ranji Trophy 2024: চালকের আসনে বাংলা! শামির ভাইয়ের দাপটে ৬০ রানে অল আউট উত্তরপ্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দাদা ভারতের অত্যন্ত সফল পেসার। বিশ্বকাপে প্রথম চারটে ম্যাচে টিমে সুযোগ পাননি। পরের ম্য়াচে নেমে ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছিলেন। সেই মহম্মদ শামির ভাই মহম্মদ কাইফ (Mohammed Kaif) রীতিমতো চমকে দেওয়া পারফর্ম করছেন রঞ্জি ট্রফিতে (Ranji Trophy)। দাদার মতো দুরন্ত বোলিংয়েই উত্তর প্রদেশকে ৬০ রানে শেষ করে দিলেন কাইফ। কানপুরের সবুজ পিচে শুক্রবার দাপট দেখাল বাংলার পেসাররা। 

    দুরন্ত বোলিং বাংলার

    কানপুরের গ্রিন পার্কে উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে নেমেছে বাংলা। অন্ধ্র প্রদেশের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়েই থামতে হয়েছে মনোজ তিওয়ারির টিমকে। তাই উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে ৭ পয়েন্টের লক্ষ্য রয়েছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার টিমের। সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর প্রথম ধাপ পূরণ করে ফেলল বাংলা। উত্তরপ্রদেশকে মাত্র ৬০ রানে অল আউট করে দিলেন বাংলার ছেলেরা। গ্রিন পার্কের গ্রিন টপ উইকেটে মহম্মদ কাইফ, সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল আর ঈশান পোড়েলরা দুরন্ত পারফর্ম করলেন। এদিন কুয়াশার কারণে ম্যাচ দেরিতে শুরু হয়।  টসে জিতে বোলিং নিয়েছিলেন মনোজ।  হতাশ করেননি তাঁর সতীর্থরা। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা সূরজ সিন্ধু জয়সওয়াল এবং ঈশান পোড়েল নতুন বলে পর পর উইকেট তুলে নেন। সেই সঙ্গে যোগ দেন মহম্মদ কাইফ। তাঁরা তিন জনে মিলে ২০.৫ ওভার করে ৬০ রানে অলআউট করে দেন উত্তরপ্রদেশকে। বাংলার বোলারদের মধ্যে দুরন্ত পারফরম্যান্স শামির ভাইয়ের। ওপেনার সমর্থ সিংকে (১৩) ফিরিয়ে প্রথম উইকেট নিয়েছিলেন কাইফ। তারপর আর রোখা যায়নি তাঁকে। মাত্রা ৫.৫ ওভার বল করেছেন। ১৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। 

    আরও পড়ুন: দেশের মাটিতেই হবে সপ্তদশ আইপিএল! লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই চলবে খেলা?

    ভুবনেশ্বরের ভেলকি

    উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে সবুজ উইকেটে বাংলার পেসারদের দাপটের পর এবার শুরু ভুবি-ম্যাজিক। উত্তরপ্রদেশ দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। সবুজ পিচে বাংলার ব্যাটাররা তাঁর সুইং সামলাতে পারলেন না। দিনের শেষে মাত্র ৯৫ রানেই পাঁচ উইকেট হারিয়েছে বাংলা। পাঁচটি উইকেটই নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার।  লাল বলের ক্রিকেটে ফিরে নিজের জাত চেনাচ্ছেন ৩৩ বছরের পেসার। উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে ৩৫ রানে লিড নিল বাংলা। নীতীশদের তোলা ৬০ রান টপকাতে বাংলা নেয় ২১ ওভার। বাংলার ব্যাটারদের মধ্যে ওপেনার শ্রেয়াংশ ঘোষ শুরু থেকেই ক্রিজে ধরে খেলার চেষ্টা করেন। তবে উল্টো দিক থেকে একের পর এক উইকেট হারায় বাংলা। দিনের শেষে ক্রিজে রয়েছেন ওপেনার শ্রেয়াংস (অপরাজিত ৩৭)। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন করণ লাল (অপরাজিত ৮)।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nishith Pramanik: রক্ষাকবচ নিশীথের, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Nishith Pramanik: রক্ষাকবচ নিশীথের, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nishith Pramanik)। কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।  সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ ২২ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চে শুনানি পর্যন্ত নিশীথের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য পুলিশ।

    স্বস্তিতে নিশীথ

    কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ নিশীথের (Nishith Pramanik) রক্ষাকবচ খারিজ করে দিয়েছিল। এর পরেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। শুক্রবার মামলার শুনানিতে নিশীথের আইনজীবী আবেদন করেন, সার্কিট বেঞ্চে আগামী ২২ জানুয়ারি শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তত দিন পর্যন্ত তাঁর মক্কেলকে রক্ষাকবচ দেওয়া হোক। এর বিরোধিতা করেন রাজ্যের আইনজীবী। তিনি জানান, মৌখিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে যে, মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। কিন্তু এর জন্য রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, হাইকোর্টে মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত নিশীথের (Nishith Pramanik) বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। সেই সঙ্গে বেঞ্চ জানায়, তারা এখনই মামলার ভিতরের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে ইচ্ছুক নয়। তবে হাইকোর্টের কাছে শীর্ষ আদালতের আবেদন, সব দিক ভাল করে খতিয়ে দেখে উচ্চ আদালত যেন আগামী শুনানিতে এই মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেন। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে দিনহাটায় এক ব্যক্তিকে গুলি করার ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল নিশীথের। নিশীথের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছিল পুলিশ। যুক্ত হয়েছিল ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭, ২২৬ ধারা। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বিদেশি নাগরিক ভারতবর্ষে বসবাস করার দাবি করতে পারেন না। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যখন জোর চর্চা চলছে দেশজুড়ে, ঠিক সেই সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ শুক্রবার শোনাল দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী জীবন এবং স্বাধীনতার অধিকার পাওয়া যায়। তবে বিদেশিদের ক্ষেত্রে এই মৌলিক অধিকারের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী ভারতে আসা বিদেশি নাগরিকদেরও জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার প্রদান করা হয়েছে।

    কেন বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি করতে পারেন না?

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি সুরেশ কুমার কাইত এবং বিচারপতি মনোজ জৈন আরও বলেন যে বিদেশি নাগরিকরা ভারতবর্ষে বসবাসের দাবি রাখতে পারেন না। কারণ এটা সংবিধানের ১৯ (১) (ই) ধারার পরিপন্থী। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ১৯ নম্বর ধারায় বিভিন্ন স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাক স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণভাবে জমায়েত করার স্বাধীনতা ইত্যাদি। ১৯ (১) (ই) ধারাতে বলা রয়েছে, যে কোন ভারতীয় নাগরিক ভারতবর্ষের যে কোনও রাজ্যে বসবাস করতে পারেন। তবে এই অধিকার কখনই বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়নি।

    মামলার খুঁটিনাটি

    মামলা হয়েছিল বাংলাদেশি নাগরিক আজল চাকমাকে নিয়ে। এই বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করার পরে তাঁর হয়ে রিট পিটিশন দাখিল করেন তাঁর মামা। প্রসঙ্গত, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার যখন রাষ্ট্র লঙ্ঘন করেছে বলে মনে করা হয় তখনই রিট পিটিশন দাখিল করা যায়। তবে এই রিট পিটিশন দিল্লির আদালত খারিজ করে দেয় এদিন। হাইকোর্ট (Delhi High Court) জানায়, ভারত সরকার ওই বাংলাদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করে বেআইনি কিছু করেনি। ওই বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগ ওঠে। ২০২২ সালের অক্টোবর মাস নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর হয়ে সে বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে তার জালিয়াতি ধরা পড়ে। দেখা যায় ভারতের বেআইনি পাসপোর্টও রয়েছে তার কাছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের নতুন আইনে নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলে দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাখা হয়নি।  কেন্দ্রের এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই আইনে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়ে মামলা হয়েছিল। তবে শুক্রবার ওই আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত’র বেঞ্চ শুক্রবার প্রাথমিক শুনানি শেষে বলে আইনটির উপর স্থগিতাদেশ জারি জরুরি বলে আদালত মনে করে না। তবে মামলাকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য জানতে আগ্রহী। সেই মতো শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে ২০ এপ্রিল।  

    কী এই আইন

    কেন্দ্রের নতুন আইনে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করতে যে তিন সদস্যের প্যানেল আছে, তার সদস্য হবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই কমিটি যে নাম কিংবা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। 

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    স্থগিতাদেশ নয়

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর কেন্দ্রের আনা এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারির আর্জি জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর তরফে উপস্থিত আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, “এই আইন ক্ষমতার বিভাজনের ভাবনার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধ”। তবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চের তরফে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের (Election Commission) এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করে। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, এই আইনে স্থগিতাদেশ জাকি করা যাবে না। পিটিশনের একটি কপি কেন্দ্রের কাউন্সিলকে পাঠানো হচ্ছে। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, “আমরা সংশোধিত আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে পারি না। কেন্দ্রকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নোটিসের জবাব দিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Airstrike Against Houthis: ইয়েমেনের ‘হুথি’ জঙ্গি গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে বিমান হানা আমেরিকা ও ব্রিটেনের

    Airstrike Against Houthis: ইয়েমেনের ‘হুথি’ জঙ্গি গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে বিমান হানা আমেরিকা ও ব্রিটেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোহিত সাগরে একের পর এক মার্কিন পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালাচ্ছিল ইয়েমেনের বিদ্রোহী জঙ্গি গোষ্ঠী ‘হুথি’ (Airstrike Against Houthis)। গত ১৯ নভেম্বর থেকেই এই হামলা চলছিল বলে জানা গিয়েছে। এ বিষয়ে ওই জঙ্গি গোষ্ঠীকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। শুক্রবার ভোরে পাল্টা প্রত্যাঘাত চালাল মার্কিন ও ব্রিটিশ বায়ুসেনা। ‘হুথি’ জঙ্গি গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল মার্কিন ও ব্রিটিশ বোমারু বিমান (Airstrike Against Houthis)। ইরানের হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী প্যালেস্তাইনের হামাস গোষ্ঠীর প্রতিও সহানুভূতিশীল এবং প্রকাশ্যেই তারা এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে সমর্থন জানিয়েছে।

    পরামর্শ চেয়ে জয়শঙ্করকে ফোন মার্কিন বিদেশ সচিবের

    মার্কিন জাহাজগুলির উপরে বেড়ে চলা এই হামলার বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ফোন করেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ফোনে জয়শঙ্করের পরামর্শ চান মার্কিন বিদেশ সচিব। সূত্রের খবর, মার্কিন বিদেশ সচিব জানতে চান, ‘‘পণ্যবাহী জাহাজে আক্রমণ শানিয়েছে হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী। কী করণীয়!’’ সূত্র মারফত খবর মিলেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এবং মার্কিন বিদেশ সচিবের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয় এ বিষয়ে। আসলে হুথি জঙ্গিগোষ্ঠীর (Airstrike Against Houthis) এই আক্রমণে প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। শুক্রবার ভোর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের যৌথবাহিনী হানা দেয়। ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং বন্দর শহর আল হুদাইদাহ থেকেও শোনা গিয়েছে বিস্ফোরণের শব্দ।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিবৃতি

    এয়ার স্ট্রাইকের পরে বিবৃতি সামনে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। তাঁর বিবৃতি অনুযায়ী, ‘‘মার্কিন সেনা ব্রিটেনের সঙ্গে যৌথভাবে ইয়েমেনে বিদ্রোহী হুথি গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে বোমারু বিমান নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে আমাদের সমর্থন জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, বাহরিন, কানাডা এবং নেদারল্যান্ডস। লোহিত সাগরে দিনের পর দিন বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছিল এই হুথি গোষ্ঠী। তার প্রতিশোধ হিসেবেই এই এয়ার স্ট্রাইক। একে মার্কিন সেনা, জলপথে যাতায়াতকারী সাধারণ নাগরিক এবং আমাদের বাণিজ্য সঙ্গীদের বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছিল। ২৭টি হামলায় ৫০টি দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০টি দেশের নৌ-সদস্যের উপর হামলা চালানো হয়েছে, তাদের অনেককে আটক করা হয়েছে। লোহিত সাগর যেন আতঙ্কের জলপথে পরিণত হয়েছিল। আমেরিকাকে টার্গেট করে গত ৯ জানুয়ারি হুথিরা (Airstrike Against Houthis) সবচেয়ে বড় অ্যাটাক করেছিল। আজকের হামলা এটা স্পষ্ট করল আমরা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথে কোনওরকম বেচার কাজ বরদাস্ত করব না। সেনাকে নির্দেশ দেওয়া আছে, আন্তর্জাতিক জলপথকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    Weather Update: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৌষের একেবারে শেষে শীতের কামড়। একদিনে ৩ ডিগ্রি পারদপতন কলকাতায়। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কনকনে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। সকালে কুয়াশায় ঢাকা ছিল ময়দান চত্বর। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা কমেছে। কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুম ভেঙেছে রাজধানী দিল্লিরও। তার উপরে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৩ ডিগ্রিতে।

    সংক্রান্তির আগে পারদ পতন

    আগামী সোমবার, পৌষ সংক্রান্তি। গঙ্গাসাগরের পুণ্যস্নানের সময় কনকনে হাওয়া কাঁপন ধরাচ্ছে। কলকাতায় এক ধাক্কায় তিন ডিগ্রি কমে গিয়েছে তাপমাত্রা। সোয়েটার, চাদর, মাফলারে মুড়েছে শহর। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকালে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। কলকাতায় শুক্রবার আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। 

    পশ্চিমাঞ্চলেও কাঁপন

    অন্যদিকে ৮-৯ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে পশ্চিমাঞ্চলের পারদ। শনিবার তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছে ৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনের তাপমাত্রা ৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডায় রীতিমতো জবুথবু জেলা। একদিকে কনকনে ঠান্ডা, অন্যদিকে উত্তুরে বাতাসের জোড়া ফলায় আজ সকাল থেকে রাস্তাঘাটে মানুষ অনেকটাই কম। বিনা বাধায় উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করতে শুরু করেছে বঙ্গে। আপাতত পাঁচ দিন তাপমাত্রা কম থাকবে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি থেকে শিক্ষা! মাথায় হেলমেট, হাতে ঢাল নিয়ে দমকলমন্ত্রীর বাড়িতে ইডি

    দিল্লিতে ঠান্ডা

    মরশুমের শীতলতম দিন দেখল রাজধানী। চলতি শীতের মরশুমে এই প্রথম তাপমাত্রা নামল ৩ ডিগ্রিতে। তার সঙ্গে ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা এতোটাই কম যে ২৩টি দিল্লিগামী ট্রেন ৬-৭ ঘণ্টা দেরিতে চলছে। গোটা উত্তরভারত জুড়েই শৈত্য প্রবাহ চলছে। দৃশ্যমানতা কম থাকায় বিমান পরিষেবাও ব্যহত হয়েছে দিল্লিতে। সকালের প্রতিটি বিমান ৪ ঘণ্টা দেরিতে চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED in Sujit Bose House: সন্দেশখালি থেকে শিক্ষা! মাথায় হেলমেট, হাতে ঢাল নিয়ে দমকলমন্ত্রীর বাড়িতে ইডি

    ED in Sujit Bose House: সন্দেশখালি থেকে শিক্ষা! মাথায় হেলমেট, হাতে ঢাল নিয়ে দমকলমন্ত্রীর বাড়িতে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি এবং বনগাঁর ঘটনার থেকে ‘শিক্ষা’ নিয়ে অভিযানের সময় সাবধানী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED in Sujit Bose House)। পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে শুক্রবার সকালে তিন জায়গায় নতুন করে অভিযানে নেমেছে ইডি। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বরাহনগরের তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় এবং উত্তর দমদম পুরসভার কাউন্সিলর সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে পৌঁছয় ইডির আধিকারিকরা। এদিন আত্মরক্ষার জন্য বাহিনীর হাতে ছিল ঢাল এবং মাথায় হেলমেট। বাহিনীর বেশির ভাগ সদস্যের হাতে লাঠিও চোখে পড়েছে।

    কেন এই পদক্ষেপ

    সন্দেশখালি থেকে বনগাঁ দুর্নীতির (ED Raid) তদন্তে তল্লাশিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। হামলার শিকার হয়েছিল তাদের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীও (Central Force)। তাই এবার বাড়তি সতর্ক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।  এর আগে কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিভিন্ন অভিযানে যত সংখ্যক সিআরপিএফ দেখা যেত, এদিন সব জায়গাতেই তার চেয়ে বেশি সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, অভিযানে যাওয়া বহু জওয়ানকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতেও দেখা গিয়েছে। 

    বডি প্রোটেক্টর শিল্ড

    শুক্রবার পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অভিযান চলে শহরের নানা প্রান্তে। এই সময় দেখা যায়, মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়ির সামনে পাহারায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মাথায় রয়েছে হেলমেট। গায়ে বডি প্রোটেক্টর শিল্ড। উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনেও একই দৃশ্য চোখে পড়ে। সেখানে আবার সিআরপিএফ-এর সঙ্গে ছিল কাঁদানে গ্যাসও। বউবাজারে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়ের (Tapash Roy) বাড়ির সামনে ঢাল আর লাঠি নিয়ে পাহারা দিতে দেখা যায় জওয়ানদের। 

    আরও পড়ুন: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী সুজিত বসু, বিধায়ক তাপস রায়ের বাড়িতে হানা ইডি-র

    বিশেষ নির্দেশ

    ঠিক এক সপ্তাহ আগে অর্থাৎ, গত শুক্রবার সকালে রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে বনগাঁ এবং সন্দেশখালিতে হানা দিয়েছিল ইডি। কিন্তু তল্লাশি অভিযানে গিয়ে কার্যত মার খেতে হয় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার আধিকারিকদের। আক্রান্ত হন ইডির তিন অফিসার। তাঁদের মধ্যে এক জনের আঘাত ছিল গুরুতর। সেই সময় ইডির অফিসারদের ল্যাপটপ, মোবাইল, ব্যাগ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই একই দিনে বনগাঁতেও বাধার মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। ইডি সূত্রে খবর, সন্দেশখালি এবং বনগাঁ ‘মডেল’-এর যাতে আর পুনরাবৃত্তি না হয়, সেই কারণেই শুক্রবারের তদন্ত অভিযানে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সাবধানী কেন্দ্রীয় বাহিনীও। এই ঘটনার পরই জওয়ানদের নির্দেশ দেওয়া হয়, এই ধরনের অভিযানের সময়, মাথায় পরতে হবে হেলমেট, থাকবে বডি প্রোটেক্টর জ্যাকেট, লাঠি রাখাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    ED Raid: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Municipality Recruitment Scam) মামলায় শুক্রবার সকালে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিধায়ক, কাউন্সিলরদের বাড়িতে হানা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। সব জায়গায় একযোগে চলছে তল্লাশি (ED Raid)। এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল প্রধান বিরোধী দল বিজেপি (BJP)। একদিকে যেমন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা খোঁচা দিয়ে বললেন, ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’। অন্যদিকে, দলেরই আরেক নেতা তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’। 

    আরও পড়ুন: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী সুজিত বসু, বিধায়ক তাপস রায়ের বাড়িতে হানা ইডি-র

    ইডি হানায় তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দু-দিলীপের

    শুভেন্দু এদিন বলেন, ‘‘ইডি আধিকারিকরা তথ্য প্রমাণ পেয়েছে বলেই আজকের এই পুণ্য দিনে পুণ্য কাজ করতে বেরিয়ে পড়েছে।’’ তিনি অভিযোগ করেন, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু সরাসরি পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে (Municipality Recruitment Scam) যুক্ত। শুভেন্দু বলেন, ‘‘সুজিত বসুর দুই ঘনিষ্ঠ আত্মীয়, দুই শ্যালকের দুই স্ত্রী কামারহাটিতে পুরসভায় চাকরি পেয়েছে। ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন। সঙ্গে শীতের জিনিসও রাখবেন।’’ গেরুয়া শিবিরের আরেক নেতা তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষও খোঁচা দেন। তিনি বলেন, ‘‘স্লোগান শুনতাম খেলা হবে, খেলা হবে। কবে হবে? এখন খেলা শুরু হয়েছে। খেলা চলবে। এই যে দুর্নীতি রন্দ্রে রন্ধ্রে ছেয়ে গেছে পশ্চিমবাংলায় যারা করেছে তারা তো ছাড় পাবে না। দুর্নীতি মুক্ত বাংলা করার জন্য যে লড়াই চলছে, তা চলতে থাকবে।’’

    তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের বাড়িতে অভিযান

    পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Municipality Recruitment Scam) মামলায় শুক্রবার সাতসকালে রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রী-বিধায়ক-কাউন্সিলরের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডির (ED Raid) একাধিক দল একদিকে, রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) লেকটাউনের দু’টি বাড়িতে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। অন্যদিকে, বউবাজারে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়ের (Tapas Roy) বাড়িতেও উপস্থিত হয়েছে একটি টিম। সেখানেও চলছে তল্লাশি। পাশাপাশি, বিরাটির খলিসাকোটা পল্লীতে উত্তর দমদম পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সলির সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি। সব জায়গায় একযোগে চলছে অভিযান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share