Tag: Manipur Violence

Manipur Violence

  • Manipur: সমর্থকদের দাবির কাছে হার মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর, পদত্যাগ করা হল না বীরেনের

    Manipur: সমর্থকদের দাবির কাছে হার মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর, পদত্যাগ করা হল না বীরেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমর্থকদের দাবির কাছে হার মানতে হল মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির এন বীরেন সিংহকে। আপাতত মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিচ্ছেন না তিনি। যদিও প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার বেলা আড়াইটে নাগাদ ২০ জন দলীয় বিধায়ককে নিয়ে রাজভবনের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ততক্ষণে ইম্ফলে তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে বীরেনকে।

    ছেঁড়া হল ইস্তফাপত্র

    একপ্রকার বাধ্য হয়েই নিজের বাসভবনে ফিরে যান তিনি। এর পর বেরিয়ে আসেন রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফাপত্রটি নিয়ে পড়তে শুরু করেন তিনি। সেই সময়ই কিছু মহিলা সমর্থক মন্ত্রীর হাত থেকে ইস্তফাপত্রটি ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। সংবাদ মাধ্যমকে ওই মহিলারা বলেন, “আমরা মুখ্যমন্ত্রীর (Manipur) পদত্যাগের ঘোরতর বিরোধী। তিনি পদত্যাগ করলে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির বিশেষ হেরফের হবে না।” মুখ্যমন্ত্রীর ছেঁড়া সেই ইস্তফাপত্রের ছবি ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও ছবির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন বীরেনই

    মণিপুর সরকারের অন্যতম মুখপাত্র সাপাম রঞ্জন সিংহ জানান, সমর্থকদের চাপের মুখে কিছু মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানান। পরে ওই মন্ত্রীরা মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে বেরিয়ে জানান, মুখ্যমন্ত্রী আপাতত কাজ চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছেন। রবিবারই আলোচনার জন্য বীরেনকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিলেন (Manipur) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরে ট্যুইট-বার্তায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছিলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন, রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে আমরা যেন আমাদের কাজকে আরও শক্তিশালী করি।”

    আরও পড়ুুন: আতিকের দখল করা জমিতে বহুতল, গরিবদের হাতে ফ্ল্যাটের চাবি দিলেন যোগী

    প্রসঙ্গত, মাস দেড়েকেরও বেশি সময় ধরে আক্ষরিক অর্থেই জ্বলছে মণিপুর। লাগাতার হিংসার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দেড়শোর কাছাকাছি। ঘরছাড়া হয়েছেন হাজার পঞ্চাশেক মানুষ। পরিস্থিতির মোকাবিলায় গত শনিবার সর্বদল বৈঠক ডেকেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার পরেও বিক্ষিপ্ত (Manipur) অশান্তি চলছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। ঘটনার সূত্রপাত ৩ মে। মণিপুরের মেইতেই সম্প্রদায় তফশিলি জনজাতির মর্যাদা দাবি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। সম্প্রতি মেইতেইদের তফশিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়া যায় কিনা, সেই বিষয়টি রাজ্য সরকারকে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছিল মণিপুর হাইকোর্ট। আদালতের এই নির্দেশের বিরোধিতায় পথে নামে রাজ্যের জনজাতি বিভিন্ন সংগঠন। বিক্ষোভ মিছিল বের করে অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপর। তার পর থেকে রাজ্যে বিরাম নেই হিংসার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ফের উত্তপ্ত মণিপুর! এক পুলিশ কনস্টেবল সহ তিনজনের মৃত্যু

    Manipur Violence: ফের উত্তপ্ত মণিপুর! এক পুলিশ কনস্টেবল সহ তিনজনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। শুক্রবার সকাল অবধিও অশান্তির খবর মেলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতার উপর কাঁদানে গ্যাস (Tear Gas) প্রয়োগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবারের অশান্তিতে এক পুলিশ কন্সটেবল সহ তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আজ কাংপোকপি ও ইম্ফলে অশান্তি-উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা

    বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনার ট্যুইটার হ্যান্ডল ‘স্পিয়ার কোর’-এর তরফে জানানো হয়, মণিপুরের হারাওথেল গ্রামে টহল দেওয়ার সময়ে হঠাৎই ভোরের দিকে সেনা আধিকারিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ‘পারিপার্শ্বিক ক্ষয়ক্ষতি’ এড়াতে পাল্টা গুলি চালায় তারাও। সেনার তরফে এ-ও জানানো হয়, বিপুল সংখ্যক উন্মত্ত জনতা ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিল। প্রায় রাত আটটা অবধি গুলি চলে। পরে সন্ধ্যার দিকে উন্মত্ত জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনে সেনা।

    অন্যদিকে, রাতে ইম্ফলের খাওয়াইকানবন্দ বাজারে বিক্ষোভকারীরা জমায়েত করে এবং কফিন নিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখায়। জানা গিয়েছে, গতকাল এক নৌসেনা কর্তার মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে ইম্ফলে জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি অবধিও মিছিল করার হুমকি দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ও র‌্যাফ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। ক্ষিপ্ত জনতার কাছ থেকে দেহ উদ্ধার করে জওহরলাল নেহেরু ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বিজেপির একটি কার্যালয়েও হামলা চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    মণিপুরে রাহুল

    এদিকে গতকালই দুদিনের সফরে মণিপুরে (Manipur) গিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। শান্তির (Peace) বার্তা নিয়ে তাঁর এই মণিপুর যাত্রা। রাহুলের সফর মণিপুরে শান্তি ফেরানোর পথে সহায়তা করবে না বলে মন্তব্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার। তিনি বলেন, ‘‘কোনও রাজনৈতিক নেতারই হিংসা থেকে ফয়দা তোলার চেষ্টা করা উচিত নয়। সাধারণত প্রচারে থাকার জন্যই এমন সফর হয়।’’

    আরও পড়ুন: ২০ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর মৃত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী-র

    রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মুখ্যমন্ত্রীর!

    আজ, শুক্রবারই রাজ্যপাল অনসূয়া উইকির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। মণিপুরের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের খবর, জাতি দাঙ্গা থামাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে অবশেষে সরতে হতে পারে বীরেনকে। তবে একটি মহলের বক্তব্য, পদত্যাগ নয়, মুখ্যমন্ত্রী আসলে রাজ্যপালের নেতৃত্বে গঠিত শান্তি কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে রাজভবন যাবেন। সেখানে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে কথা বলবেন রাজ্যপালের সঙ্গে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সর্বদল বৈঠক, বন্দি ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা

    Manipur: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সর্বদল বৈঠক, বন্দি ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মণিপুর (Manipur)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয়েছে সেনা, অসম রাইফেলসের বাহিনী। শনিবার সর্বদল বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মণিপুরে শান্তি ফেরাতে এক সপ্তাহের মধ্যে সব দলের প্রতিনিধিদের পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীরা। বিরোধীদের প্রস্তাব ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইতিমধ্যেই মণিপুর সফরে গিয়েছিলেন শাহ। বৈঠকও করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।

    ধীরে ধীরে ফিরছে শান্তি 

    এদিন বৈঠকের শুরুতেই কেন্দ্রের তরফে একটি ভিডিও দেখানো হয়। তা থেকে স্পষ্ট মণিপুরের এই হিংসা ঐতিহাসিক সংঘাতের ফল। যা রাতারাতি মেটানো সম্ভব নয়। তবে ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে বলেও দাবি করা হয়। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের ইস্তফা দাবি করে কংগ্রেস, আরজেডি এবং সমাজবাদী পার্টি। রাজ্যে মহিলা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে ডিএমকে। কংগ্রেসের (Manipur) প্রস্তাব, মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস ফিরবে এমন কাজ করতে হবে। বিজেপির তরফে মণিপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সম্বিত পাত্র জানান, মোদির নির্দেশেই মণিপুরে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কেন্দ্রের তরফে সব রকম চেষ্টা চলছে।

    বন্দিদের ছেড়ে দেওয়ার দাবি

    এদিকে, রাজ্যে শান্তি ফেরাতে যখন কেন্দ্রের উদ্যোগে চলছে সর্বদলীয় বৈঠক, তখনই সেনাবাহিনীকে ঘিরে ধরে ১২ জন বন্দিকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল কয়েকজন মহিলা। সেনা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, মণিপুরের কাঙ্গলেই ইয়াওল কান্না লুপ দুষ্কৃতী গোষ্ঠীর ১২ জনকে আটক করা হয়েছিল। এদিন আচমকাই সেনার ওপর চড়াও হয় ১৫০০ জন দুষ্কৃতীর একটি দল। দুষ্কৃতীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় বাহিনীর ওপর। ১২ জন বন্দিকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। ফের অশান্তি এড়াতে মানবিক ভূমিকা পালন করে সেনা। ছেড়ে দেওয়া হয় ১২ জন বন্দিকে।

    আরও পড়ুুন: ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেহি তোড়েঙ্গে’! মিশরে মোদিকে অভ্যর্থনায় হিন্দি গান

    সেনার (Manipur) তরফে জানানো হয়েছে, যেহেতু বিপুল সংখ্যক জনতা চড়াও হয়েছিল, এবং তাদের কাছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র ছিল, তাই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই ১২ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে এলাকা ছাড়ার আগে দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে যাবতীয় অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে সেনাবাহিনী। শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য মণিপুরবাসীর কাছে জানানো হয় অনুরোধও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: নতুন করে ছড়াল হিংসা! মণিপুর নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Manipur Violence: নতুন করে ছড়াল হিংসা! মণিপুর নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত মনিপুর (Manipur violence)। উত্তর বোলজাংয়ে তল্লাশির সময় অসম রাইফেলস জওয়ানদের ওপর গুলি বৃষ্টি শুরু হয়। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী। তিন জওয়ান জখম হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। শুধু পশ্চিম ইম্ফল নয় মনিপুরের অন্য অংশেও নতুন করে হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছে না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। চলছে রাত দিন টহলদারি, মানুষের আস্থা ফেরানোর কাজও। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২৪ শে জুন মনিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেন। পূর্ব ভারতের এই রাজ্যে শান্তি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে অমিত শাহর এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    মণিপুর নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, মণিপুরে শান্তি (Manipur violence) ফেরাতে আগামী ২৪ জুন সর্বদলীয় বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেদিন সাউথ ব্লকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অফিসেই ৩টে নাগাদ বৈঠকটি হবে। মণিপুরে কীভাবে শান্তি ফেরানো যায়, তা নিয়েই আলোচনা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিরোধীরা কেন্দ্রকে মণিপুর নিয়ে চিঠি লিখেছেন। এদিকে মণিপুরেরও ৯ জন বিধায়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করেছেন। এই আবহে অবশেষে বৈঠক ডাকছেন শাহ।

    নতুন করে হিংসা মণিপুরে

    জনজাতি গোষ্ঠীর অশান্তির আগুনে পড়ুছে মণিপুর (Manipur)। গোষ্ঠীহিংসার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জনের। ঘরছাড়া ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ।  সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিস্থিতি তারপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও নতুন করে হিংসার ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না। তার বড় উদাহরণ বলজাংয়ে অসম রাইফেলসের জওয়ানদের ওপর গুলি বর্ষণ। চিরুনি তল্লাশি চালানোর সময় ঘটনাটি ঘটে। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত তা এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি। তবে অনেকের মনে হচ্ছে মনিপুরের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করতেই এই পদক্ষেপ। 

    আরও পড়ুন: সবুজ হিরে-চন্দনকাঠের বাক্স, মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে উপহার দিলেন মোদি

    বুধবার উত্তর-পূর্বের এই অশান্ত রাজ্যে (Manipur violence) পাঁচটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মনিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার কাউক্তয় একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চালক গাড়ি বন্ধ করে বেরিয়ে আসার পরেই ঘটনাটি ঘটে। এতে তিন পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে। গত ৩ মে থেকে জাতিদাঙ্গায় জ্বলছে মণিপুর। হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না কুকি এবং মেইতেই জনগোষ্ঠীর সংঘর্ষ। সম্প্রতি মণিপুর সরকারের এক রিপোর্ট বলা হয়েছে, রাজ্যে মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ ঘটছে। প্রায় ২ হাজার অনুপ্রবেশকারী রয়েছে রাজ্যে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ইম্ফলে জ্বলল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি, হিংসার পথেই মণিপুর

    Manipur Violence: ইম্ফলে জ্বলল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি, হিংসার পথেই মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা থামার নাম নেই মণিপুরে (Manipur Violence)। শুক্রবার ভোরে ফের নতুন করে আগুন জ্বলে উঠল মণিপুরে। সূত্রের খবর, এদিন ভোরে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় ইম্ফলে অবস্থিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিং-এর বাড়িতে। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে, ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। তিনি এখন দিল্লিতে।

    ভস্মীভূত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি

    জানা গিয়েছে, বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিংয়ের বাড়িতে শুক্রবার ভোর রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় ১০০০ জন মিলে মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালায় বলে জানা গিয়েছে। এই হামলার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজের বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিরাপদ স্থানেই আছেন। প্রসঙ্গত, এর আগে মে মাসেও মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়ছিল। তবে এবারে তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে পুরো ভস্মীভূত করে দেওয়া হল। বুধবার রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী নেমচা কিপগেনের বাংলোতেও।

    আরও পড়ুন: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে সৌরাষ্ট্রে আছড়ে পড়ল বিপর্যয়! ১লক্ষ মানুষকে স্থানান্তর

    হিংসা রুখতে ইম্ফলে (Manipur Violence) জারি করা হয়েছে কার্ফু। তবে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই এদিন ইম্ফলের কোংবায় প্রায় ১২০০ লোক মন্ত্রীর বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। ঘটনার সময় মন্ত্রীর বাসভবনে নয়জন সিকিওরিটি এসকর্ট কর্মী, পাঁচজন সিকিওরিটি গার্ড এবং আটজন অতিরিক্ত গার্ড উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্বে থাকা এক নিরাপত্তা কর্মী জানিয়েছেন, হামলার সময় জনতা চারদিক থেকে বাড়িটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। তিনি বলেছেন, “অপ্রতিরোধ্য জনতাকে আমরা আটকাতে পারিনি। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। বিল্ডিংয়ের পিছনের বাই লেন, সামনের প্রবেশদ্বার – চারদিক থেকে ওরা পেট্রোল বোমা ছুড়েছে। তাই আমরা জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।” 

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    যতই মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং মণিপুরে (Manipur Violence) দ্রুত শান্তি ফেরানোর আশ্বাস দিন না কেন, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে হিংসা পর্ব মিটতেই চাইছে না। বৃহস্পতিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে রাজ্যে শান্তি ফেরাতে সরকার একাধিক স্তরে আলোচনা করছে। হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, বিগত ৩ মে থেকে জাতিগত হিংসার সাক্ষী মণিপুর। মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি অবস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার 

    Manipur Violence: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর (Manipur Violence) মন্ত্রিসভার একমাত্র মহিলা সদস্য কাংপোকপি কেন্দ্রের বিধায়ক নেমচা কিগপেনের বাড়ি জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবারের এই ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন মন্ত্রী। সে সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। বুধবার কাংপোকপি জেলাতে জাতিগত হিংসায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অন্তত ১০। মন্ত্রীর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই সংলগ্ন অঞ্চলে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ এবং সেনা।

    পরপর জ্বলছে ৮ টি গ্রাম 

    মঙ্গলবার থেকে মণিপুরে (Manipur) নতুন করে শুরু হয়েছে অশান্তি (Violence)। মঙ্গলবার মধ্য রাতে ইম্ফলের পূর্বে খামেনলোক গ্রামে সাধারণ মানুষের উপরে গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক মহিলা সহ ৯ জনের মৃত্যু হয়। খামেনলোক থেকে গোভাজাং এলাকার মাঝে ১৭ কিলোমিটার অঞ্চলে মোট ৮টি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িই পুড়িয়ে (Arson) দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। শান্তি রুখতে নিরাপত্তা বাহিনীকে পাঠানো হলেও মাঝপথেই আটকে দেওয়া হয় তাদের। গ্রামের বয়স্ক মহিলাদের নেতৃত্বে ৬০০ জনের একটি দল রাস্তা আটকে দেয়। ফলে নিরাপত্তা বাহিনী ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ওই উত্তপ্ত অঞ্চলে প্রবেশ করতে পারেনি। চেষ্টা করেও সেনা বাহিনীর ২০০ জওয়ান ও অসম রাইফেলসের ২৫০ জওয়ান ঘটনাস্থলগুলিতে পৌঁছতে পারেননি। 

    জঙ্গলে আশ্রয়

    যে আটটি গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার খবর মিলেছে, সেগুলি হল গোভাজাং, সংজান, জর্ডেনফাই, থাম্বল, আইগিজিয়াং, ফিনোম, খুইপুং ও চৌলোফাই। প্রাণ বাঁচাতে এই গ্রামের বাসিন্দারা আপাতত পাহাড়ের জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। প্রায় শতাধিক বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সব মিলিয়ে।

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    গত ৩ মে থেকেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে (Manipur Violence) কুকি এবং মেইতেই জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ এবং সংঘর্ষ চলছে। শান্তি ফেরাতে রাজ্য এবং কেন্দ্রের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হলেও এখনও সমাধানসূত্র মেলেনি। মণিপুরের উপত্যকা অঞ্চলে বাস করা মেইতেই জনগোষ্ঠী জনজাতি তকমার দাবি জানানোর পরেই তার বিরুদ্ধে সরব হয় কুকিরা। জনজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত কুকিদের অভিযোগ, রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেইদের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা মেইতেইদের দাবি, কুকিদের জন্য তাদের অধিকার খর্ব হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, চলল গুলি, মৃত অন্তত ৯

    Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, চলল গুলি, মৃত অন্তত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমের পর মঙ্গলবার। ফের অশান্ত মণিপুর (Manipur)। চলল গুলি। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৯ জনের। মঙ্গলবার রাতে কাংপোকপি জেলার খামেনলোক গ্রামের ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছেন ৪ থেকে ৫ জন। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি বাড়িতে। তবে কারা গুলি চালাল, মৃতেরাই বা কারা, তা এখনও জানা যায়নি। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে সেনা ও পুলিশ। সোমবারও হামলা হয়েছিল খামেনলোক গ্রামে। সেদিন গুলিতে অন্তত ১০ জন জখম হয়েছিলেন। এদিন গুলি চলে চূড়াচাঁদপুর জেলার লোকলাকফাই গ্রামেও। সেখানে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের।

    শান্তিরক্ষক কমিটি বয়কট

    হিংসাদীর্ণ মণিপুরে (Manipur) অশান্তির আগুন নেভাতে গড়া হয়েছিল শান্তিরক্ষক কমিটি। কমিটির মাথায় রয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্যে নতুন করে হিংসা শুরু হওয়ায় কমিটি থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছেন মেইতেই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা। কমিটি বয়কট করার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কুকি উপজাতির তরফেও। নতুন করে অশান্তি শুরু হওয়ার পরে ইম্ফল পূর্ব ও ইম্ফল পশ্চিম জেলায় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে কারফিউয়ের সময়সীমা। ওই দুই জেলায় কারফিউ শিথিল থাকবে সকাল ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত।

    আরও হিংসা

    অশান্তি হয়েছে গোবাজং এবং টামেংলং জেলায়ও। হিংসার জেরে ওই দুই জেলায়ও জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে অবনতি না হয়, তাই উপদ্রুত এলাকায় টহল দিচ্ছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় তেঙ্গনৌপাল (Manipur) এবং ইম্ফল পূর্ব জেলায় তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬৩টি কার্তুজ উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, সব মিলিয়ে ১ হাজার ৪০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৩ হাজার ৬০১টি কার্তুজ এবং ২৩০টি বিভিন্ন ধরনের বোমা উদ্ধার হয়েছে এ পর্যন্ত।

    আরও পড়ুুন: আরাবুল পুত্রের গাড়িতে বোমা উদ্ধার! ‘বাপ কা বেটা’ বলে খোঁচা সুকান্তর

    ঘটনার সূত্রপাত মণিপুর (Manipur) হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে মেইতেইদের তফশিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়ায়। এরই বিরোধিতায় নামে রাজ্যের বিভিন্ন জনজাতি সংগঠন। পরিস্থিতি হয়ে ওঠে অগ্নিগর্ভ। সূত্রের খবর, রাজ্যে এ পর্যন্ত হিংসার বলি হয়েছেন ১০০ জন। গুরুতর জখম হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি। হিংসার জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। অশান্তি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ছন্দে ফিরছে মণিপুর, ড্রপবক্সে পড়ছে ছিনতাই হওয়া অস্ত্রও

    Manipur: ছন্দে ফিরছে মণিপুর, ড্রপবক্সে পড়ছে ছিনতাই হওয়া অস্ত্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধীরে হলেও, শান্তি ফিরছে মণিপুরে (Manipur)। শান্তি ফেরাতে এ মাসেও মোতায়েন রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী। গড়া হয়েছে বিশেষ শান্তিরক্ষক কমিটি। এই জোড়া পদক্ষেপের জেরে শান্তি ফিরতে শুরু করেছে উত্তর পূর্বের এই রাজ্যে। যেহেতু রাজ্যের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, তাই শিথিল করা হয়েছে কারফিউ। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকছে ১৫ জুন বেলা ৩টে পর্যন্ত।

    কারফিউ শিথিল

    সরকারের মুখপাত্র সপম রঞ্জন বলেন, কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান যেখানে জরুরি পরিষেবা দেওয়া হয়, সেখানে আমরা ইন্টারনেট পরিষেবা দিচ্ছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে কতদিন। জানা গিয়েছে, ইম্ফল পূর্ব এবং ইম্ফল পশ্চিম সহ আরও কয়েকটি জেলায় কারফিউ শিথিল করা হয়েছে। ইম্ফলে ভোর ৫টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল করা হয়েছে। এর আগে ছিল সন্ধে ৬টা পর্যন্ত। 

    অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ৪ জুনের পর এখনও পর্যন্ত অশান্তির কোনও ঘটনা ঘটেনি রাজধানীতে (Manipur)। সরকারের ওই মুখপাত্র বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেনি। এ থেকে প্রমাণ হয় রাজ্যে ক্রমেই ফিরছে শান্তি। ছন্দে ফিরছে গোটা রাজ্য।

    এদিকে, ফের অস্ত্র সমর্পণ করতে শুরু করেছেন তরুণরা। ছিনতাই হওয়া অস্ত্র সমর্পণের একটি পোস্টার টাঙানো হয়েছিল এক বিজেপি বিধায়কের বাড়ির সামনে। ইংরেজি এবং মেইতেই ভাষায় অস্ত্র সমর্পণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল, যাঁরা অস্ত্র ফেরাবেন, তাঁদের নামধাম জানানোর প্রয়োজন নেই। রাখা হয়েছিল একটি ড্রপবক্সও। দেখা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ড্রপবক্সে জমা পড়েছে এক (Manipur) জোড়া অটোমেটিক রাইফেল সহ মোট ১৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র। স্থানীয় বিধায়ক সুশীন্দ্র বলেন, ড্রপবক্সের চাবি পুলিশের কাছে রয়েছে। তারা যখন খুশি এসে অস্ত্র নিয়ে যেতে পারে। এর পাশাপাশি চলছে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানও। আধাসেনা ও রাজ্য পুলিশের যৌথ অভিযানে কেবল শুক্রবারই ৩৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: “টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করা হচ্ছে,” সরব তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    অন্যদিকে, শনিবার ইম্ফলে (Manipur) গিয়ে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির এন বীরেন সিংহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পদ্ম-শাসিত রাজ্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মণিপুরের হিংসা নিয়েই আলোচনা হয়েছে দুই মুখ্যমন্ত্রীর। প্রসঙ্গত, মাসাধিককাল ধরে অশান্তির আগুনে জ্বলছিল মণিপুর। হিন্দু মেইতেই ও কুকি উপজাতির (যাদের সিংহভাগই খ্রিস্টান) মধ্যে চলছিল সংঘর্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ভাটপাড়ার রঞ্জিতের মৃত্যু হয়েছে ‘স্নাইপার’-এর হামলায়? আশঙ্কা বিএসএফ-এর

    Manipur Violence: ভাটপাড়ার রঞ্জিতের মৃত্যু হয়েছে ‘স্নাইপার’-এর হামলায়? আশঙ্কা বিএসএফ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের হিংসায় (Manipur Violence) গত মঙ্গলবার শহিদ হন বিএসএফ জওয়ান রঞ্জিত যাদব। ভাটপাড়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রঞ্জিত পেশার তাগিদে মণিপুরে শান্তি রক্ষায় গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার হিংসায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। কাকচিং জেলার সুগনুতে মোতায়েন ছিলেন রঞ্জিত। সেখানে বিএসএফ ও অসম রাইফেলসের যোথ বাহিনী একটি চিরুনি-তল্লাশি অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সেরু প্র্যাকটিকাল হাইস্কুলের কাছে সন্দেহভাজন কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয় বাহিনীর। সেখানেই জঙ্গিদের ছোড়া একটি গুলি আচমকা এসে লাগে রঞ্জিতের ঘাড়ে। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। 

    হামলায় ব্যবহার হয়েছে ‘স্নাইপার’?

    রঞ্জিত একা নন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফরের ঠিক আগে মোরে জেলায় গত ২৮ মে গুলিতে আরেক জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল (Manipur Violence) । বিএসএফ জানিয়েছে, এই দুই মৃত্যুর ধরন ও ভঙ্গি অনেকটাই এক। যা দেখে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর সন্দেহ, উভয় ক্ষেত্রেই দূর থেকে গুলি চালানো হয়েছে। বিএসএফ-এর অনুমান, দুই জওয়ানকে গুলি করে হত্যা করায় সম্ভবত কোনও ‘স্নাইপার’-কে ব্যবহার করা হয়েছে। 

    গুলি লাগে রঞ্জিতের ঘাড়ে

    যে অভিযানে (Manipur Violence) গিয়ে রঞ্জিতের মৃত্যু হয়েছিল, সেই একই অভিযানে গিয়ে গুলিতে জখম হন অসম রাইফেলসের ২ জওয়ানও। তাঁরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি বিল্ডিংয়ের ছাদে ডিউটি করছিলেন রঞ্জিত। তাঁর শরীরে বুলেটপ্রুফ ভেস্ট ছিল। মাথায় ছিল হেলমেট। কিন্তু, গুলি এসে লাগে তাঁর ঘাড়ে। বিএসএফ সূত্রে খবর, গুলি করা হয় সম্ভবত কাছের পাহাড় থেকে। এটা কোনও অপ্রশিক্ষিত হাতের কাজ হতে পারে না বলে নিশ্চিত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

    উঁকি মারছে একাধিক প্রশ্ন

    আর এই বিষয়টি রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। বিএসএফ সূত্রের খবর, অতীতে কুকি জঙ্গিদের (Manipur Violence) স্নাইপার ব্যবহারের কোনও ইতিহাস নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্নাইপার-রাইফেলের ধরন আর পাঁচটা সাধারণ রাইফেলের মতো নয়। এর গোত্র আলাদা। একে চালানোর জন্য বিশেষ দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন উঠছে, কী করে জঙ্গিরা স্নাইপার-অস্ত্র জোগাড় করল? কে তাদের এধরনের অস্ত্র সরবরাহ করল? এবং কোথা থেকেই বা তারা এই অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নিল?

    আরও পড়ুন: মণিপুরে অশান্তির নেপথ্যে বিদেশিদের হাত! কেন্দ্রীয় তদন্ত চাইছে আদিবাসী সংগঠন

    নেপথ্যে বিদেশি হাত?

    মণিপুরবাসীদের একাংশের দাবি, রাজ্যের বহমান হিংসাত্মক ঘটনায় ‘বিদেশি হাত’ রয়েছে। তাঁদের মতে, কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে মায়ানমারের জঙ্গিদের একটা যোগসূত্র রয়েছে। বহু জঙ্গি মায়ানমার থেকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে আসছে। তার ওপর, এই হিংসার আবহে, বহু বিদেশি জঙ্গি ভারতে অনুপ্রবেশ করে এখানে স্থানীয় জঙ্গিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদত দিচ্ছে। লক্ষ্য, শান্তি বিঘ্নিত করে অস্থিরতার পরিবেশ সৃষ্টি করা।

    বিএসএফ-এর সঙ্গে দ্বিমত সেনার

    যদিও, বিএসএফ-এর এই স্নাইপার তত্ত্বে সিলমোহর দিতে নারাজ সেনা। এক সেনা অফিসার জানিয়েছেন, যে হামলাগুলি হয়েছে, সেগুলি মূলত ৩০০ থেকে ৪০০ গজের মধ্যে। ফলত, এক্ষেত্রে এসএলআর বা অ্যাসল্ট রাইফেল দিয়েই এধরনের হামলা করা সম্ভব। স্নাইপার সাধারণত ব্যবহার হয় দূরের লক্ষ্যে আঘাত হানতে, যা মূলত ১০০০ গজ দূরত্বের আশপাশে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: অশান্ত মণিপুর, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার জেরে অস্ত্র সমর্পণে না রাজ্যবাসীর

    Manipur Violence: অশান্ত মণিপুর, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার জেরে অস্ত্র সমর্পণে না রাজ্যবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরকে (Manipur Violence) শান্ত করতে রাজ্যবাসীকে অবৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সেই ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্র সমর্পণ করতে শুরুও করেছিলেন মণিপুরবাসী। পরে ফের বন্ধ হয়ে যায় অস্ত্র সমর্পণের প্রক্রিয়া। কারণ গত কয়েকদিনে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে কুকি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। হামলায় এক বিএসএফ জওয়ান সহ কয়েকজন ব্যক্তির মৃত্যুও হয়েছে। জখমও হয়েছেন অনেকে। বহু বাড়িতে নতুন করে অগ্নিসংযোগও করা হয়েছে। তার পরেই অস্ত্র সমর্পণ করতে বেঁকে বসেন মণিপুরবাসীর একাংশ। তাঁরা যে আপাতত অস্ত্র সমর্পণ করবেন না, তাও জানিয়ে দিয়েছেন শাহকে।

    অশান্ত মণিপুর (Manipur Violence)

    এদিকে, ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে মণিপুরের সাম্প্রদায়িক হিংসা। রবিবার সন্ধ্যায় ইম্ফলের ইরোইসেম্বা এলাকায় বছর সাতেকের এক শিশু, তার মা এবং তাঁদের প্রতিবেশী এক মহিলাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে। অসম রাইফেলস বাহিনীর এক ক্যাম্পে বুলেটের স্প্লিন্টার লেগেছিল বছর সাতেকের টংসিং হ্যাংসিংয়ের মাথায়। টংসিংয়ের মা মীনা হ্যাংসিংয়ের হাতেও লেগেছিল গুলির টুকরো। অ্যাম্বুলেন্সে করে টংসিং ও তাঁর মাকে (Manipur Violence) নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল হাসপাতালে। অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন তাঁদের এক প্রতিবেশীও। পথে একদল উন্মত্ত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় অ্যাম্বুলেন্সটিতে। ঘটনাস্থলেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ওই শিশু সহ তিনজনের। পুলিশের তিনটি গাড়িও ধ্বংস করে দেয় জনতা। হিংসার কবলে পড়ে জখম হন পুলিশের দুই কমান্ডো। অন্য একটি গাড়িতে করে কোনওরকমে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন এসপি।

    কুকিদের বিক্ষোভ

    এদিন সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান কুকি জনগোষ্ঠীর লোকজন। দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থেকে চারজনকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন শাহ। বাকিদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় যন্তরমন্তরে।

    আরও পড়ুুন: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    এদিকে, মঙ্গলবারও ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মণিপুর। সেই হিংসার (Manipur Violence) বলি হন বাংলার ছেলে রঞ্জিত যাদব। তিনি বিএসএফে কর্মরত ছিলেন। এদিন হিংসার জেরে গুলিবিদ্ধ হন রঞ্জিত। তার পরেই ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। ভাটপাড়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুগিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share