Tag: Mohun Bagan

Mohun Bagan

  • Mohun Bagan: আইএসএল জয়ের দিনেই পুরনো নামের মৌতাতে মোহনবাগান!

    Mohun Bagan: আইএসএল জয়ের দিনেই পুরনো নামের মৌতাতে মোহনবাগান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার সমাপ্তি। আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হল এটিকে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসি-কে হারিয়ে এই ট্রফি জিতে নিল তারা। মোহনবাগানের (Mohun Bagan) ঘরে ট্রফির হাত ধরে জয় বাংলার ফুটবল প্রেমেরও। আবার আইএসএল জয়ের দিনেই পুরনো নামে ফিরছে মোহনবাগান।

    ম্যাচের সংক্ষেপ….

    শনিবার সন্ধেয় গোয়ার ফাতোরদা স্টেডিয়ামে খেলা শুরুর পর থেকে বেঙ্গালুরুর পায়ে বল থাকছিল বেশি। কিন্তু পাল্টা আক্রমণে উঠছিল মোহনবাগানও (Mohun Bagan)। ১৪ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে বলে হাত ছুঁইয়ে রয় কৃষ্ণা মোহনবাগানের জন্য একটি পেনাল্টি এনে দেন। পেনাল্টি নিতে এসে অব্যর্থ এবং বুলেটের মত শটে গোল করেন দিমিত্রি পেট্রাটোস। কিন্তু এরপর পাল্টা আক্রমণ হানতে থাকে বেঙ্গালুরু। গোল শোধের জন্য মরিয়া আক্রমণে আসা রয় কৃষ্ণাকে প্রথমার্ধের খেলার শেষ মুহুর্তে বক্সের মধ্যেই ফাউল করেন মোহনবাগানের (Mohun Bagan) শুভাশিস। ফলে পেনাল্টি পায় বেঙ্গালুরু। সুনীল ছেত্রীর শৈল্পিক শটে জালে জড়ায় বল। প্রথমার্ধ ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে রয় কৃষ্ণা ৭৮ মিনিটের মাথায় গোল করে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন। বেঙ্গালুরু এগিয়ে যায় ১ গোলে। খেলা তখন মিনিট ১৫ বাকি। ওই সময়টুকু মোহনবাগানকে ঠেকিয়ে রাখা ছিল কাজ। কিন্তু কিয়ান নাসিরি পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসাবে মাঠে নামার পরে তাঁকে বক্সের মধ্যেই পিছন থেকে ফাউল করেন পাবলো পেরেজ। মূল পর্বের খেলা ২-২-তে শেষ হওয়ার পর এক্সট্রা টাইমে গড়ায় খেলা। বেঙ্গালুরুর রয় কৃষ্ণা একটা সুবর্ণ সুযোগ এই সময় নষ্ট করেন। তবে এছাড়া উল্লেখযোগ্য তেমন কিছুই হয়নি। খেলা এরপর গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারের রুদ্ধশ্বাস মুহুর্তে প্রথমে বেঙ্গালুরুর হয়ে গোল করেন অ্যালান কোস্টা। মোহনবাগানের হয়ে সমতা ফেরান পেট্রাটোস। ফের বেঙ্গালুরুর রয় কৃষ্ণা গোল করেন। সমতা ফেরান লিস্টন কোলাসো। তৃতীয় শটে বেঙ্গালুরুর রামিরেজের শট আটকে দেন এটিকে-র গোলকিপার বিশাল কায়েথ। এখানেই কার্যত ম্যাচের মোড় ঘোরে।

    বাদ যাচ্ছে এটিকে, এখন শুধুই মোহনবাগান (Mohun Bagan)

    এটিকে মোহনবাগান (Mohun Bagan) থেকে শুধুই মোহনবাগান নামে ফিরল সবুজ মেরুন দূর্গ। সম্ভাবনা অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। সিলমোহর দিয়েছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।  সম্প্রতি এটিকে (ATK) আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠকও হয়েছিল মোহন কর্তাদের। সেই সভায় আলোচনা হয় ক্লাবের নাম বদল নিয়ে। অবশেষে ফের সাবেকি নামে ফিরল মোহনবাগান। মোহনবাগান নিয়ে সমর্থকদের পাগলপারা আবেগ। কিন্তু এটিকে মোহনবাগান নামে তেমন আন্দোলিত হন না সমর্থকরা। তাঁরা এই নিয়ে বারবার বিরোধিতাও করেছেন। এমনকি সিইএসসি অফিসের সামনেও ধর্নাও দিতে দেখা গেছে সমর্থকদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বি জিততে দেশী ফুটবলাররাই ভরসা মোহনবাগানের! সম্মান বাঁচানোর লড়াই ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বি জিততে দেশী ফুটবলাররাই ভরসা মোহনবাগানের! সম্মান বাঁচানোর লড়াই ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে আজ ডার্বি। মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল এফসি ও এটিকে মোহনবাগান। প্লেয়ার থেকে শুরু করে সমর্থকদের মধ্যে ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তেজনা চরমে থাকে। টিকিট নিয়ে বিবাদ, সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ, তবু শনিবার যুবভারতীতে ডার্বি ঘিরে সাজ সাজ রব। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান মুখোমুখি সাক্ষাতে পাঁচবারই জয় পেয়েছে সবুজ-মেরুন। সব মিলিয়ে টানা সাতবার কলকাতা ডার্বিতে জয় মোহনবাগানের। তবু এধরনের ম্যাচে কাউকেই এগিয়ে রাখা যায় না।

    ৩ বিদেশিকে পাচ্ছে না মোহনবাগান 

    খাতায়-কলমে যদি বিচার করা যায়, তা হলে শনিবারের ম্যাচে সে ভাবে কাউকে এগিয়ে রাখা যাবে না। মোহনবাগান তিন বিদেশিকে পাচ্ছে না। ব্রেন্ডন হ্যামিল কার্ড সমস্যায় খেলতে পারবেন না। হুগো বুমোস এবং কার্ল ম্যাকহিউয়ের চোট রয়েছে। তিন বিদেশিই চলতি মরসুমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। জনি কাউকো চোটের জেরে মরসুম থেকেই ছিটকে গিয়েছেন। ফলে শনিবার মূলত দেশী ফুটবলারদের হাতেই থাকবে মোহনবাগানকে জেতানোর ভার। লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংহরা চলতি মরসুমে ছাপ ফেলতে পারেননি। আগের মরসুমের সাফল্য এ বার দেখাতে পারেননি। কিন্তু ডার্বির মতো একটা ম্যাচে সাফল্য পেলে সমর্থকরা অতীতের পারফরম্যান্স ভুলে যেতে সময় নেবেন না। এই দুই ফুটবলারের কাছে অনেক আশা রয়েছে সমর্থকদের। আক্রমণ ভাগে দিমিত্রি পেত্রাতোস এবং রক্ষণে স্লাভকো দামিয়ানোভিচকেও বাড়তি ভূমিকা নিতে হবে।

    জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

    ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারানোর কিছু নেই। শেষ ম্যাচে মুম্বইকে হারিয়েছে তারা, যারা এ বার অপ্রতিরোধ্য ছিল। দু’বার হারিয়েছে বেঙ্গালুরুকে। জেতার মতো খেলেছে অনেক ম্যাচেই। কিন্তু শেষ দিকে মনোযোগ হারানোর কারণে ম্যাচ হারতে হয়েছে। তবে মুম্বইকে হারানো যে তাদের বাড়তি সুবিধা দেবে, এমনটা মনে করছেন না কোচ স্টিভন কনস্ট্যান্টাইন। বলেছেন, “ডার্বি বিশেষ ম্যাচ। এখানে কে এগিয়ে বা কে পিছিয়ে, তা দিয়ে কিছু বোঝা যায় না।”

    আরও পড়ুন: আর ক্লান্তি নয়, কয়েক মিনিটের ওয়ার্কআউটেই সুস্থ থাকবে শরীর, মন থাকবে ফুরফুরে

    কড়া নিরাপত্তা

    এবার ডার্বির আয়োজক ইস্টবেঙ্গল। ফলে তাদের কাছে এবারের ডার্বিটা চ্যালেঞ্জের। কারণ ময়দানে চলছে বয়কটের আবহ। সমর্থকদের একাংশ ডার্বি বয়কটের দাবি করেছেন। যদিও ডার্বি নিয়ে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের। ডার্বি নিয়ন্ত্রণ করতে মোট ১৭ জন DC পদমর্যাদার অফিসার, ২৬ জন AC পদমর্যাদার অফিসার, ৪৮ জন ইন্সপেক্টর, ৩২০ জন অফিসার ও বাকি পুলিশকর্মীরা। বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার মিলিয়ে মোট ২ হাজার জন পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবে। তিনটে মোবাইল ভ্যান, তিনটে HRFS। এছাড়া প্রতিটা গেটে থাকবে অ্যাম্বুলেন্স এবং একটা বিশেষ নজরদারির ভ্যান। এছাড়াও একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তার জন্য।

    টিকিট নিয়ে অসন্তোষ

    টিকিট নিয়ে ইনভেস্টরের প্রতি অসন্তুষ্ট ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ফিরতি ডার্বি আয়োজনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গলের, সেক্ষেত্রে ইনভেস্টর সংস্থাই সমস্ত দায়িত্ব নিচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তাদের ভিভিআইপি এবং ভিআইপি টিকিট পাঠালেও তা যথেষ্ট কম সংখ্যক। ডার্বি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ভিভিআইপি বা ভিআইপি টিকিট নাকি মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে সমান বন্টন হয়নি। এই বিষয়ে মোহনবাগান ক্লাবের তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়, সমস্ত ভিভিআইপি এবং ভিআইপি টিকিট ফেরত দিচ্ছে তারা। আইএফএ-কে মোট ৫০০ টি টিকিট দিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর সংস্থা। আইএফএ -র তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “৩০০ টিরও বেশি ক্লাব ও জেলা রয়েছে। এত অল্প সংখ্যক টিকিট গভর্নিং বডির সদস্য ও ক্লাবগুলোকে পর্যাপ্ত টিকিট দেওয়া সম্ভব নয়। টিকিট ম্যাচ আয়োজকদের ফিরিয়ে দিচ্ছে আইএফএ।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • ISL 2023-24: ডার্বি জিতে আইএসএল টেবিলের শীর্ষে মোহনবাগান, চাপ বাড়ল ইস্টবেঙ্গলের

    ISL 2023-24: ডার্বি জিতে আইএসএল টেবিলের শীর্ষে মোহনবাগান, চাপ বাড়ল ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়ে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আর ম্যাচ হেরে আইএসএল-এ একেবারে খাদের কিনারায় চলে গেল ইস্টবেঙ্গল। সুপার সিক্সে ওঠার লড়াইটা আরও কঠিন হয়ে গেল লাল-হলুদের কাছে। সবুজ-মেরুনের হয়ে গোল করলেন জেসন কামিংস, লিস্টন কোলাসো ও দিমিত্রি পেত্রাতোস।

    লিগ টেবিলের শীর্ষে

    ১৭টি ম্যাচের শেষে মোহনবাগানের ঝুলিতে আছে ৩৬ পয়েন্ট। গোলপার্থক্যে (১৫) মুম্বই সিটি এফসির থেকে এগিয়ে আছে তারা। জিতেছে ১১টি ম্যাচে। তিনটি ম্যাচে ড্র করেছে। হেরেছে তিনটি ম্যাচে। ইতিমধ্যেই প্লে-অফে উঠে গিয়েছে সবুজ-মেরুন। অন্যদিকে, আপাতত আইএসএলের পয়েন্ট তালিকার ১০ নম্বরে আছে লাল-হলুদ বাহিনী। ১৯টি ম্যাচের শেষে ঝুলিতে আছে ১৮ পয়েন্ট। চারটি ম্যাচে জিতেছে। ড্র করেছে ছ’টি ম্যাচে। ন’টি ম্যাচে হেরে গিয়েছে। গোলপার্থক্য -২।

    ম্যাচ আপডেট

    এ দিন ম্যাচের শুরুতে আগে আক্রমণ করেছিল ইস্টবেঙ্গলই। ছ’মিনিটের মাথায় বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন নাওরেম মহেশ। কিন্তু তাঁর ক্রস ক্লিয়ার হয়ে যায়। সামলে নিয়ে পর পর দু’বার আক্রমণ করে মোহনবাগান। খেলার কিছুটা বিপরীতেই ১২ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের হয়ে খেলার ২৮মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করেন জেসন কামিংস। এর ১০ মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোল। এবার বল জালে জড়ান লিস্টন। ফের দশ মিনিটের ব্যবধানে মোহনবাগানের তৃতীয় গোল আসে। বক্সে লিস্টন ঢোকার মুখে তাঁকে ফেলে দেন নন্দকুমার। পেনাল্টি পায় মোহনবাগান।  পেনাল্টিতে গোল করায় সুখ্যাতি রয়েছে পেত্রাতোসের। সপাটে শটে প্রভসুখনকে পরাস্ত করেন অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান একটু হালকা মেজাজেই খেলে। তাই পাঁচ গোল খেতে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। ৫৩ মিনিটের মাথায় বাঁ দিক থেকে ওঠা ক্লেটনের পাস বুকে রিসিভ করে চলতি বলেই বাঁ পায়ে শট করেন ক্রেসপো। মোহনবাগান গোলকিপার বিশালের কিছু করার ছিল না। গোল পায় লাল-হলুদ। ক্ষণিকের জন্য হলেও ইস্টবেঙ্গল গ্যালারি আশায় বুক বাঁধে। যদিও প্রথমার্ধের ৩ গোল দ্বিতীয়ার্ধে শোধ করা সম্ভব হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। 

    ম্যাচের নায়ক

    ধীরে ধীরে সবুজ-মেরুনের ডার্বির নায়ক হয়ে উঠছেন পেত্রাতোস। গোল এবং অ্যাসিস্ট ছাড়াও গোটা ম্যাচে বিভিন্ন ভাবে ব্যস্ত রাখলেন ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণকে। এদিন ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিয়ে পেত্রাতোস বলেন, ‘‘প্রথমার্ধে ৩ গোলের পর আমরা জয় নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা কৌশল নিয়েছিলাম আর অলআউট খেলব না। কারণ তাতে অনেক ফাঁকা জমি তৈরি হয়। আমরা ইতিহাস নয়, চেয়েছিলাম তিন পয়েন্ট তুলে আনতে। আমি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং সবসময় চাই দল আরও একবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হোক। সেই লক্ষ্য নিয়ে শুধু আমি নই, দলের বাকিরাও মাঠে নামে।’’ ডার্বিতে এই অস্ট্রেলিয়ান ফরোয়ার্ডের মোট গোল হয়ে গেল ৮টি। এর আগে ডার্বিতে গোল সংখ্যা বেশি ছিল রয় কৃষ্ণের, তিনি সাম্প্রতিক অতীতে ১২টি গোল করেছিলেন।  

    আরও পড়ুন: ১১২ বছর পর ইতিহাস ভারতের! ধর্মশালা টেস্টে ইংল্যান্ডকে ইনিংসে হারাল রোহিতরা

    এই ম্যাচে পেত্রাতেস ছাড়াও তিন কাঠির নীচে খুব ভাল খেলেছেন বিশাল কাইথ। মোহনবাগানের জয়ের নেপথ্যে তাঁর বড় ভূমিকা রয়েছে। ১৩ মিনিটের মাথায় ক্লেটন সিলভার পেনাল্টি বাঁচান বিশাল। তা না হলে এগিয়ে যেত ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ গজ দূর থেকে ক্লেটনের হেড বাঁচান তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এই মরসুমের সেরা সেভ। তা ছাড়া ম্যাচে বেশ কয়েকটি ভাল বল বাঁচান মোহনবাগান গোলরক্ষক। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • East Bengal vs Mohun Bagan: খেতাবের দৌড়ে এগিয়ে থাকাই লক্ষ্য মোহনবাগানের, চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল

    East Bengal vs Mohun Bagan: খেতাবের দৌড়ে এগিয়ে থাকাই লক্ষ্য মোহনবাগানের, চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে থেকে রবিবার মাঠে নামবে মোহনবাগান। তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নয়। স্বাভাবিক খেলাই খেলতে চায় সবুজ-মেরুন। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল আইএলএল-এ কয়েক কদম পিছনে রয়েছে। দুটো দলের লক্ষ্য আলাদা। মোহনবাগান চায় তিন পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে পৌঁছতে। আর ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য প্রথম ছয়ে শেষ করা। কলকাতা ডার্বিতে পিছিয়ে থেকে নামছে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের আগের দিন সে কথা মেনেও নিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতও।

    কী বলছেন কুয়াদ্রাত

    রবিবারের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ‘আন্ডারডগ’ কি না এই প্রশ্নের উত্তরে মোহনবাগানের প্রশংসা করে কুয়াদ্রাত বলেন, “আমার মনে হয় ঠিক। বিশেষত দুটো দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখলে সেটাই মনে হবে। সত্যি কথাটা স্বীকার করে নেওয়া উচিত। তবে আমি দলের খেলোয়াড়দের বিশ্বাস করি। জানি ওরা প্রতিটা ম্যাচেই নিজেদের সেরাটা দিচ্ছে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে আমাদের। এই মরসুমে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে যা যা পরিকল্পনা করেছি সবই কাজে লেগেছে। ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারলেও আমরা অনেক ভাল খেলেছি। এখনও পর্যন্ত এই মরসুমে বড় ম্যাচে আমরা এগিয়ে। তবু রবিবারের ম্যাচে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।” ইস্টবেঙ্গলের কোচ আত্মবিশ্বাসী যে তাঁর দল প্রথম ছয়ে শেষ করবে। বলেছেন, “মানছি শেষ কয়েকটা ম্যাচের ফলাফল ভাল যায়নি। কিন্তু শেষ কয়েকটা জায়গা নিয়ে প্রবল লড়াই হচ্ছে। এটা ফুটবলের জন্য ভাল। আমার খেলোয়াড়েরা অনুপ্রাণিত। এখনও পর্যন্ত ডার্বিতে ভাল খেলেছি। ওরা লিগ-শিল্ডের জন্য লড়াই করছে। আমরা প্রথম ছয়ের জন্য। তাই একটা তফাত তো থাকবেই। অঙ্কের হিসাবে এখনও প্রথম ছয়ে শেষ করার সম্ভাবনা রয়েছে আমাদের।”

    কী বলছেন হাবাস

    মোহনবাগানের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস স্পষ্ট জানিয়েছেন, ডার্বি নিয়ে আলাদা করে কোনও আবেগ তাঁর নেই। তাঁর লক্ষ্য তিন পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষস্থানে ওঠা। অধিনায়ক শুভাশিস বসুর মুখেও একই কথা। চলতি মরসুমে চারটি ডার্বির দু’টিতে জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। একটিতে মোহনবাগান। একটি ড্র। আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বি ২-২ ড্র হওয়ার পর দ্বিতীয় ডার্বিতে জিততে মরিয়া মোহনবাগান। আবেগের চেয়েও এই ম্যাচে জিতলে তারা লিগ-শিল্ড জেতার ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে। এটাই উদ্দেশ্য বিদেশি কোচের। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ওয়েবসাইটে মোহনবাগানের অধিনায়ক শুভাশিস বলেছেন, “এখন প্রতিটা পয়েন্টই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। লিগ-শিল্ডের দৌড়ে আমরা রয়েছি। তাই ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই ঝাঁপাব, যাতে শীর্ষে উঠতে পারি। ডার্বি কলকাতার সমর্থকদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের দায়িত্ব। গত বার পারিনি। আশা করি এ বার পারব।”

    অঙ্ক বলছে, রবিবার ডার্বিতে ড্র করলেই প্লে-অফে জায়গা পাকা করে নিতে পারে সবুজ-মেরুন শিবির। এই মুহূর্তে লিগ টেবলে চারটি দলের সর্বোচ্চ ৩৩ পয়েন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মোহনবাগানের পয়েন্টও এখন ৩৩। তারা যদি ডার্বিতে এক পয়েন্ট নিয়ে ৩৪-এ পা দেয়, তা হলে আর তাদের পরের দলগুলির পক্ষে মোহনবাগানের নাগাল পাওয়া সম্ভব হবে না। ফলে মোহনবাগানের প্লে-অফে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হয়ে যাবে। অন্যদিকে শেষ ছয়ে থাকতে গেলে ইস্টবেঙ্গলকে এই ম্যাচ জিততেই হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby:  মোহনবাগানের চাপে, আদালতের হস্তক্ষেপে ডার্বির টিকিটের দাম কমল

    Kolkata Derby:  মোহনবাগানের চাপে, আদালতের হস্তক্ষেপে ডার্বির টিকিটের দাম কমল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডার্বির টিকিটের দাম নিয়ে জটিলতা কাটল। গত বৃহস্পতিবারই ডার্বির (Kolkata Derby) টিকিটের মূল্য বৈষম্য নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ। এমনকী মোহন সচিব দেবাশিস দত্ত ম্যাচ বয়কটের দাবি জানিয়েছিলেন। শুক্রবার মোহনবাগানের চাপে রবিবার আইএসএল ডার্বি (ISL 2023-24) ম্যাচের টিকিটের দাম কমাল ইস্টবেঙ্গল।

    আদালতে গিয়ে কাটল জট

    ডার্বির টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পর থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। বুকমাইশো অ্যাপে দেখা গিয়েছিল ডার্বিতে (Kolkata Derby) ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান (Mohun Bagan Vs East Bengal) সমর্থকদের গ্যালারির দামে ফারাক অনেকটাই। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য নূন্যতম টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছিল ১০০ টাকা। কিন্তু মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য নূন্যতম টিকিটের দাম ধার্য করা হয়েছিল ২৫০ টাকা। অর্থাৎ দ্বিগুণ বেশি দামে মোহনবাগান সমর্থককে টিকিট কিনতে হত। সব বিভাগেই দামের বৈষম্য ছিল। এরপরই মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত জানিয়ে দেন, তারা ইস্টবেঙ্গলের থেকে ডার্বির কোনও টিকিট কিনবে না। ডার্বি বয়কটের ডাকও দেন তিনি। এরপরই জানা যায়, পাঁচ বাগান সমর্থক নগর দেওয়ানী আদালতে ইস্টবেঙ্গেলর বিরুদ্ধে মামলা করেন। বাগান সমর্থকদের হয়ে মামলা লড়েন আইনজীবী সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়। সেখানে বিচারপতি শান্তনু ঝা জানিয়ে দেন দুই দলের সমর্থকের জন্যই একই দামে টিকিট বিক্রি করতে হবে। অর্থাৎ দামের বৈষম্য করা যাবে না।

    আরও পড়ুন: রোহিত-শুভমনের শতরান, সরফরাজ-পাড়িক্কলের ঝোড়ো ইনিংস, ২৫৫ রানের লিড ভারতের

    ভরা গ্যালারির অপেক্ষায় কলকাতা

    মোহনবাগানের চাপে পড়েই লাল হলুদ কর্তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসেন। ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম নামী কর্তা দেবব্রত সরকার বিবৃতি দেন, এটা সত্যিই ভুল হয়েছে। ডার্বিতে (Kolkata Derby) এমন টিকিটের বৈষম্য ঠিক নয়। আদতে ইমামি ইস্টবেঙ্গলের আধিকারিকরাই টিকিটের দাম ঠিক করেছিলেন। তাতে লাল হলুদ গ্যালারির দ্বিগুণ দাম করা হয়েছিল মোহনবাগান (Mohun Bagan Vs East Bengal) গ্যালারির ক্ষেত্রে। এখন একই দামের টিকিট কেটেই মাঠে যেতে পারবেন সবুজ মেরুন সমর্থকরা। শুরু থেকেই রবিবার কলকাতা ডার্বি ঘিরে সমস্যা চলছিল। সেদিনই শাসক দল তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ রয়েছে। ফলে নিরাপত্তা জনিত কারণে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট ম্যাচ আয়োজনের ছাড়পত্র দিচ্ছিল না। তবে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা বারংবার বৈঠক করেন পুলিশের সঙ্গে। তারপরই সময় পরিবর্তন করে এই ম্যাচ আয়োজনের ছাড়পত্র দেয় পুলিশ। সেই জটিলতা কাটতে শুরু হয় টিকিট নিয়ে সমস্যা। এখন অবশ্য আর খুব একটা সমস্যা রইল না। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ভরা গ্যালারিতে ডার্বি দেখার অপেক্ষায় কলকাতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: টিকিটের দামে ফারাক, রবিবার কলকাতা ডার্বি বয়কটের ডাক মোহনবাগানের

    Kolkata Derby: টিকিটের দামে ফারাক, রবিবার কলকাতা ডার্বি বয়কটের ডাক মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby) মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ টিকিটের দাম বেশি রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় ইস্টবেঙ্গলকে কাঠগড়ায় তুলল মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বির এবার আয়োজক ইস্টবেঙ্গল। ফলে লাল হলুদ সমর্থকদের জন্য টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ১০০ টাকা থেকে। অর্থাৎ ন্যূনতম টিকিট ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা কাটতে পারবেন ১০০ টাকা থেকে। অন্যদিকে মোহনবাগান সমর্থকদের টিকিট শুরু ২৫০ টাকা থেকে। এতেই ক্ষুব্ধ সবুজ মেরুন পক্ষ। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মোহনবাগান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস দত্ত ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। 

    মোহনবাগানের বিবৃতি

    বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতিতে নিজেদের কথা জানিয়েছে মোহনবাগান। সেখানে লেখা, “ফুটবলকে কালিমালিপ্ত করেছে ইস্টবেঙ্গল। পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও এমন ঘটনা ঘটেনি যে কোনও ম্যাচে আয়োজক দলের সমর্থকদের প্রায় দ্বিগুণ টাকা দিয়ে অ্যাওয়ে দলের সমর্থকদের টিকিট কিনতে হচ্ছে। কলকাতা ডার্বির (Kolkata Derby) ইতিহাসে এটা লজ্জাজনক ঘটনা।” তারা আরও লিখেছে, “ইস্টবেঙ্গলের এই কাজ মোহনবাগানের সমর্থকদের মনোভাবে আঘাত দিয়েছে। সমর্থকেরাই আমাদের দলের ভিত। এই পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অক্রীড়াসুলভ মানসিকতাকে আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মোহনবাগান ক্লাব এই ডার্বির টিকিট কিনবেও না, বিক্রিও করবে না। আমরা এই ডার্বি দেখতে যাওয়া বয়কট করলাম।” 

    কত টাকা করে টিকিট

    যে ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে টিকিট কাটা যাচ্ছে, সেই বুকমাইশো অনুযায়ী, ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য টিকিটের দাম ধার্য হয়েছে ১০০ (বি১ ব্লক, বি৩ ব্লক), ১৫০ (এ১), ২০০ (সি১, সি৩), ২৫০ (বি২), ৩০০ (এ২) এবং ৪০০ (সি২) টাকা। ভিভিআইপি টিকিটের দাম ইস্টবেঙ্গলের জন্য ১০০০ টাকা। মোহনবাগান সমর্থকদের রবিবারের ডার্বি দেখতে হবে ২৫০ (ডি৩), ৩০০ (এ১, ডি১), ৩৫০ (সি১, সি৩), ৪০০ (ডি২) এবং ৫০০ (এ২)। মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য ভিআইপি টিকিটের দাম ১৫০০ টাকা। ভিভিআইপি টিকিটের দাম ৩০০০ টাকা। এই নিয়ে তোলপাড় ময়দান। রবিবারের ডার্বির আয়োজক ইমামি ইস্টবেঙ্গল। টিকিটের দাম ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী সংস্থা ইমামি অবশ্য দাবি করেছে আগের ডার্বিতে টিকিটের দাম দুই দলের সমর্থকদের জন্য দু’রকম ছিল। উল্লেখ্য, সেই ডার্বির আয়োজক ছিল মোহনবাগান। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে মোহনবাগান জানায়, এটি একটি লজ্জাজনক ঘটনা। কলকাতা ডার্বির (Kolkata Derby) ইতিহাসে প্রথম এই ধরনের ঘটনা ঘটল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: রাজনীতি ছাপিয়ে খেলার আবেগ! তৃণমূলের ব্রিগেডের দিনই ডার্বি যুবভারতীতে চূড়ান্ত হল সময়

    ISL 2023-24: রাজনীতি ছাপিয়ে খেলার আবেগ! তৃণমূলের ব্রিগেডের দিনই ডার্বি যুবভারতীতে চূড়ান্ত হল সময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসকদল তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের ঘোষণার পরই জটিলতা তৈরি হয়েছিল কলকাতা ডার্বি (Kolkata Derby) ঘিরে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL 2023-24) ফিরতি লেগে মোহনবাগানের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের হোম ম্যাচ রবিবার যুবভারতীতে। একই দিনে ডার্বি এবং ব্রিগেডে তৃণমূলের সভা থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই ডার্বির সময় পরিবর্তন হতে পারে বলে শোনা গিয়েছিল। অন্য রাজ্যে ম্যাচ সরে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও উঠেছিল। মঙ্গলবার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ডার্বির আয়োজক ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বৈঠক হয় বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যুবভারতীতেই ১০ মার্চ রাত ৮.৩০ মিনিট থেকে ম্যাচ শুরু হবে।

    কেন দেরিতে খেলা শুরু

    ১০ মার্চ ব্রিগেডে সভা রয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের। সে কারণে যুবভারতীতে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে আইএসএল (ISL 2023-24) ডার্বি (Kolkata Derby) আয়োজক ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচের দিন বদলের অনুরোধ করেছিলেন বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিকেরা। ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ আধিকারিকদের একাধিক বৈঠকেও জট খোলেনি। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট অনুরোধ করেছিল ৯ এবং ১০ মার্চ ডার্বি না করতে। কিন্তু রাজনীতিকে ছাপিয়ে যায় খেলার আবেগ। ফুটবল প্রেমী বাংলা গর্জে ওঠে। কলকাতা থেকে ডার্বি সরবে তা মানতে পারেনি সমর্থকরা। খেলার দিন বদলে আপত্তি তোলে সম্প্রচারকারী চ্যানেল। শেষ পর্যন্ত  দীর্ঘ বৈঠকের পরে দু’পক্ষের দাবি মেনে মাঝামাঝি একটি সময় ধার্য করা হয়েছে। সেই কারণে, রাত ৮.৩০ মিনিটে হবে কলকাতা ডার্বি।

    সমস্যায় সমর্থকরা

    বহু আগেই ডার্বির (Kolkata Derby) দিন ঠিক হয়েছিল ১০ মার্চ। একই দিনে শাসকদলের ব্রিগেড সমাবেশ থাকায় পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে জট তৈরি হয়। ফুটবল বনাম রাজনীতিতে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা হয়। এটি ইস্টবেঙ্গলের হোম ম্যাচ। ক্লাব কর্তারাও যেন অনেকটা স্বস্তি পেলেন। তবে পুরোপুরি স্বস্তি অবশ্য বলা যায় না। রাতের ম্যাচ শুরু হয় ৭.৩০ থেকে। এক ঘণ্টা দেরিতে খেলা শুরু হওয়া মানে সমর্থকদের খেলা দেখে ঘরে ফিরতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। রবিবার, তার উপর ব্রিগেড আবার রাতে দেরিতে খেলা। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ যুবভারতী থেকে শহর বা শহরতলিতে ফেরা সমস্যার মানছেন সমর্থক থেকে ক্লাব কর্তারা।

     

    আরও পড়ুন: ধর্মশালায় হিমাঙ্কের নীচে তাপমাত্রা! ভেস্তে যেতে পারে ভারত-ইংল্যান্ডের পঞ্চম টেস্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: তৃণমূলের ব্রিগেডের দিন যুবভারতীতে ডার্বি! সময় নিয়ে জট, ম্যাচ কি সরবে অন্য রাজ্যে?

    Kolkata Derby: তৃণমূলের ব্রিগেডের দিন যুবভারতীতে ডার্বি! সময় নিয়ে জট, ম্যাচ কি সরবে অন্য রাজ্যে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সেকেন্ড লেগে কলকাতা ডার্বি (Kolkata Derby) নিয়ে জট অব্যাহত। ১০ মার্চ হওয়ার কথা আইএসএলের ফিরতি ডার্বি। সেদিনই রয়েছে শাসকদলের ব্রিগেড সমাবেশ। সে কারণে যুবভারতীতে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে আয়োজক ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal vs Mohun Bagan) মোহনবাগান ম্যাচের দিন বদলের অনুরোধ করেছিলেন বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিকরা। তাই ডার্বির দিনক্ষণ বদল কিংবা অন্য রাজ্যে হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

    ম্যাচ রাত ৯টায়!

    পুলিশের তরফে বলা হয়েছিল, সেদিন তৃণমূলের ব্রিগেড থাকায় ম্যাচে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর আলোচনা করে পরিস্থিতি কিছুটা বদল হয়। ঠিক হয়, ব্রিগেডের দিনই রাতে হবে ডার্বি (Kolkata Derby)। সন্ধ্যে সাড়ে সাতটার বদলে রাত ৯টায় শুরু হবে বড় ম্যাচ। পুলিশের অনুমতিও মিলে যায়। দরকার ছিল শুধু এফএসডিএলের সবুজ সংকেত। কিন্তু এর পরেও নতুন সমস্যা তৈরি হয়েছে। পুলিশ রাত ৯ টায় ম্যাচ শুরু করতে রাজি হলেও সেই সময় টিভি স্লট নেই জানিয়ে দেওয়া হয় সম্প্রচারকারীদের তরফে। ফলে রাত ৯টায় ম্যাচ করতে রাজি হচ্ছে না আইএসএলের আয়োজক এফএসডিএল। খুব বেশি হলে রাত ৮টা পর্যন্ত ম্যাচ পিছতে পারে তারা। তা না হলে ম্যাচ জামশেদপুর নিয়ে যেতে চায় তারা। 

    আরও পড়ুন: ধর্মশালায় হিমাঙ্কের নীচে তাপমাত্রা! ভেস্তে যেতে পারে ভারত-ইংল্যান্ডের পঞ্চম টেস্ট

    আপত্তি সম্প্রচারকারী চ্যানেলের

    জানা যাচ্ছে, পুলিশ সরকারি ভাবে তাদের সিদ্ধান্ত জানালে তার পরই ডার্বি (East Bengal vs Mohun Bagan) ম্যাচের সময় ঘোষণা করবে এফএসডিএল। আজ, মঙ্গলবার বিধাননগর কমিশনারেটের সঙ্গে আরও এক দফা বৈঠক হওয়ার কথা ইস্টবেঙ্গল কর্তৃপক্ষের। পুলিশ যদি রাত ৮টায় ম্যাচ করতে রাজি হয়, তা হলে যুবভারতীতে ১০ মার্চই হবে ডার্বি। না হলে জামশেদপুরে ম্যাচ সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ৯টায় ম্যাচ শুরু হলে সমর্থকদের কাছেও তা ব্যাপক সমস্যার। বাড়ি ফেরা নিয়ে একটা চাপের পরিস্থিতি তৈরি হবে।  রাত ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ম্যাচ শুরুর করার পক্ষেও জোরালো দাবি শোনা যাচ্ছে। ।কিন্তু রাত ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ম্যাচ শুরু হলেও ডার্বি শেষ হতে-হতে রাত ১০টা ৩০ মিনিট বেজে যাবে। সেক্ষেত্রে যাঁরা বহুদূর থেকে মাঠে আসবেন,তাঁদের কী হবে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: জামশেদপুরকে তিন গোলে হারিয়ে লিগের দু’নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান

    ISL 2023-24: জামশেদপুরকে তিন গোলে হারিয়ে লিগের দু’নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে জামশেদপুর এফসিকে একপ্রকার খড়কুটোর মত উড়িয়ে দিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)। সবুজ মেরুনের বিদেশি ত্রিফলার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে গেল খালেদ জামালের দল। দিমিত্রি পেত্রাতোস, জেসন কামিন্স ও আর্মান্দো সাদিকুর করা গোলে ৩-০ গোলে ম্যাচ জিতল মোহনবাগান। এই জয়ের ফলে আইএসএল (ISL 2023-24) পয়েন্ট টেবিলে ২ নম্বরে উঠে এল তারা। অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাসের লক্ষ্য এবার শীর্ষস্থান। সামনে শুধুই ওড়িশা। লড়াই যদিও কঠিন। এর জন্য সব ম্যাচই জিততে হবে তাদের।

    দুরন্ত ছন্দে মোহনবাগান

    শুক্রবার যুবভারতীতে ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দে ছিল মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant)। এ দিন সাত মিনিটের মধ্যেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মোহনবাগানের অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার দিমিত্রি পেত্রাতোস। দ্বিতীয়ার্ধে, ৬৮ মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়িয়ে নেন তাঁর স্বদেশীয় বিশ্বকাপার জেসন কামিন্স। দু’জনেরই মোট গোলের সংখ্যা দাঁড়াল সাত (ISL 2023-24)। ৮০ মিনিটের মাথায় তৃতীয় গোল করে দলের দশম জয় সুনিশ্চিত করেন পরিবর্ত হিসেবে নামা আলবানীয় স্ট্রাইকার আর্মান্দো সাদিকু। এ দিন প্রথমার্ধে দুই দল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করলেও দ্বিতীয়ার্ধে কলকাতার দ্বিতীয় গোল করার পরই খেলা থেকে কার্যত হারিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। প্রথমার্ধে দু’টি শট লক্ষ্যে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধে একটিও শট গোলে রাখতে পারেনি তারা। কামিন্সের গোলের পর থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রায় পুরোপুরিই নিয়ে নেয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। নতুন বছরে লিগে (ISL 2023-24) এই প্রথম হারল ইস্পাতনগরীর দল। অন্য দিকে, ২০২৪-এ এই নিয়ে টানা ছয়টি আইএসএল ম্যাচে অপরাজিত রইল সবুজ-মেরুন বাহিনী, যার মধ্যে চারটিতে জয়।

    লিগ টেবিলে কে কোথায়

    সাপ-লুডোর খেলা চলছে লিগ (ISL 2023-24) টেবিলে। চলতি লিগের দশম জয়ের ফলে ১৬ ম্যাচে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে মুম্বই সিটি এফসি-কে টপকে টেবলের দু’নম্বরে চলে এল মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant)। একটি ম্যাচ বেশি খেলে তাদের চেয়ে দু’পয়েন্ট এগিয়ে থাকায় এক নম্বরে রয়েছে ওড়িশা এফসি। তবে মোহনবাগানের সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে ৩২ পয়েন্ট পেয়ে মুম্বইয়ের দল রয়েছে তিন নম্বরে। শনিবার পঞ্জাব এফসি-কে হারাতে পারলে মুম্বই সিটি এফসি ফের মোহনবাগানকে পিছনে ফেলে পৌঁছে যাবে দু’নম্বরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: রক্ষণাত্মক ফুটবল, ম্যাচ গোল শূন্য! ওড়িশা থাকল একেই, মোহনবাগান তিনে

    Mohun Bagan: রক্ষণাত্মক ফুটবল, ম্যাচ গোল শূন্য! ওড়িশা থাকল একেই, মোহনবাগান তিনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই স্প্যানিশ কোচের বুদ্ধির লড়াই। দুই প্রথম সারির দলের লড়াই। ৯০ মিনিট ধরে রক্ষণাত্মক ম্যাচ শেষে খেলা ড্র। কোনও রকমে ১ পয়েন্ট নিয়ে ঘরে ফিরল মোহনবাগান। আইএসএল লিগ টেবিলে এক নম্বরেই থাকল ওড়িশা। তিন নম্বরে মোহনবাগান। জয়ের হ্যাটট্রিকে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে ছিল সবুজ মেরুন শিবির। কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই টানটান উত্তেজনার ম্যাচ। যদিও কেউ কাউকে ছাপিয়ে যেতে পারল না। শেষ অবধি গোলশূন্য ড্র। তবে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচ বলাই যায়। 

    গোল নষ্টের খেসারত

    দু’দলের প্রথম লক্ষ্যই ছিল গোল না খাওয়া।  গোল করতে পারল না কোনও দল। তবে ম্যাচে বেশি সুযোগ পেয়েছিল বাগান। আর্মান্দো সাদিকু সেই সব সুযোগ নষ্ট না করলে হয়তো এক নম্বরে থেকে শহরে ফিরতে পারত আন্তোনিয়ো লোপেজ হাবাসের দল।প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। হ্যাটট্রিক করে ফেলতে পারতেন আর্মান্দো সাদিকু। কিন্তু পারলেন না তিনি।  গোল মিসের খেসারত দিতে হল হাবাসের দলকে। শেষমেশ সাদিকুকে তুলে কোচ নামান কামিন্সকে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি, বরং ওই বিদেশিও গোল মিস করেছেন। জেসন কামিন্সের হেড ভাল বাঁচান অমরিন্দর। নইলে নায়ক হতে পারতেন অস্ট্রেলীয় ফুটবলার।

    গোল নষ্টের খেসারত

    প্রথমার্ধে তা-ও একটু আক্রমণ প্রতি-আক্রমণের খেলা হলেও দ্বিতীয়ার্ধে পুরোটাই বন্ধ হয়ে যায়। দু’দলই মাঝমাঠে খেলতে থাকে। সে রকম ভাবে কোনও দলই আক্রমণ করতে পারছিল না। মিস্‌ পাস হচ্ছিল। ফলে খেলার ছন্দ নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।  টানা ১২ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে সাজি লোবেরোর দল। এই ম্যাচেও তারা আটকে দিল মোহনবাগানকে। তালিকায় ওড়িশা এফসি শীর্ষেই থাকল, মোহনবাগান দুই পয়েন্ট খুইয়ে তিনে চলে গেল দ্বিতীয় স্থানের বদলে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share