Tag: Mohun Bagan

Mohun Bagan

  • Mohun Bagan: এএফসি কাপে দুরন্ত শুরু মোহনবাগানের! ওড়িশাকে ৪-০ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন

    Mohun Bagan: এএফসি কাপে দুরন্ত শুরু মোহনবাগানের! ওড়িশাকে ৪-০ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুরন্ত জয় দিয়ে এএফসি কাপ (AFC Cup 2023) অভিযান শুরু করল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। মঙ্গলবার কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসিকে ৪-০ ব্যবধানে হারাল জুয়ান ফেরেন্দোর দল। সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না সের্জিয়ো লোবেরার ফুটবলারেরা। মোহনবাগানের হয়ে জোড়া গোল করেন দিমিত্রি পেত্রাতোস (Dimitri Petratos)।

    শুরু থেকেই আধিপত্য মোহনবাগানের

    ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের কেউ গোলমুখ খুলতে পারেনি। সবুজ মেরুন একটিমাত্র শট তেকাঠির মধ্যে রাখতে সক্ষম হয়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটের মাথায় মোড় ঘুরে যায়। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই হুগো বুমোসকে ফাউল করায় ওড়িশার ডিফেন্ডার মুর্তাদা ফল দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। সাহাল আব্দুল সামাদকে বাজে ফাউল করে ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথাতেই তিনি প্রথম হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। 

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) এগিয়ে দেন সাহাল। দলের দ্বিতীয় গোলেও অবদান রয়েছে সাহালের। তাঁর শক্তিশালী শট ধরতে পারেননি অমরিন্দর। তাঁর হাত থেকে ছিটকে আসা বলে পা ঠেকিয়ে গোল করতে ভুল করেননি ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা পেত্রাতোস। মোহনবাগানের হয়ে তৃতীয় গোলটি ৭৯ মিনিটে করেন পরিবর্ত হিসাবে নামা লিস্টন কোলাসো। ৮১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন পেত্রাতোস।

    আরও পড়ুন: বধূ নির্যাতনের মামলায় মিলল জামিন, বিশ্বকাপের আগে স্বস্তি পেলেন মহম্মদ শামি

    প্রত্যাশা জাগিয়েও হার

    এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) গ্রুপ এ-র প্রথম ম্যাচে মঙ্গলবার চিনের বিরুদ্ধে নেমেছিল ভারত। কার্যত বিনা প্রস্তুতিতেই নামতে হয় ব্লু টাইগার্সদের। সুনীল ছেত্রী এবং সন্দেশ ঝিঙ্গান শুরু থেকেই খেলেন।  প্রথমার্ধের পারফরম্যান্স ভরসা দেওয়ার মতোই ছিল। পিছিয়ে পড়ে ভারত। তাতেও হার মানেনি। ২৪ মিনিটে আয়ুষ ছেত্রী ভুল পাসে বল পায় প্রতিপক্ষ। গোলকিপার গুরমিত তাঁকে আটকাতে মরিয়া চেষ্টা করেন। পেনাল্টি পায় চিন। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে অনবদ্য সেভ করেন গুরমিত। প্রথমার্ধের অ্যাডেড টাইমে রাহুল কেপির বিশ্বমানের গোল। ডান দিক থেকে প্রচণ্ড গতিতে উঠছিলেন। এমন জায়গা থেকে প্রথম পোস্টে বল রাখা! পোস্টের ইনসাইড লেগে জালে জড়ায় বল।দ্বিতীয়ার্ধে সব হিসেব ওলট-পালট হয়ে যায়। ১-১ স্কোর লাইন থেকে ১-৫ ব্যবধানে হার মানে ভারত। ২১ তারিখ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ সুনীলদের।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: লক্ষ্মীপুজোর দিন আইএসএলে কলকাতা ডার্বি! ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা

    Kolkata Derby: লক্ষ্মীপুজোর দিন আইএসএলে কলকাতা ডার্বি! ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে (ISL 2023-24) কলকাতা ডার্বি (Kolkata Derby) ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ দেওয়া হয়েছে ২৮ অক্টোবর। সে দিন লক্ষ্মীপুজো। সে দিনই আবার ইডেন গার্ডেন্সে নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের মধ্যে বিশ্বকাপের ম্যাচ রয়েছে। সে দিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলা আয়োজন করা যাবে কি না তা নিশ্চিত নয় রাজ্য ক্রীড়া দফতর। এর ফলে ম্যাচ পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    মাঠ পাওয়া যাবে না

    মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby)  ইস্টবেঙ্গল হারিয়ে দেয় মোহনবাগানকে। ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে বদলা নেয় মোহনবাগান। এবার আইএসএলের বড় ম্যাচের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা। আইএসএলের মোহন-ইস্ট লড়াইয়ের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ অক্টোবর। স্বাভাবিকভাবেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ম্যাচটি। তবে ওই দিন মাঠই পাওয়া যাবে না। রাজ্যের ক্রীড়া দফতরের সচিব মুকেশ সিংহ জানিয়েছেন, ২৮ অক্টোবর ডার্বি আয়োজন নিয়ে দুই প্রধান চিঠি দিয়েছিল ক্রীড়া দফতরে। জবাবে তিনি মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলকে জানিয়ে দিয়েছেন, দুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত সব দফতরে ছুটি থাকে। তাই ওই সময় যুবভারতী দেওয়া সম্ভব নয়। 

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    সমস্যা আরও দুটি ম্যাচ নিয়ে

    ওই দিন ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাংলাদেশ বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচ। ইডেনের ম্যাচের সঙ্গে আইএসএলের (ISL 2023-24) ম্যাচ আয়োজনের কোনও সম্পর্ক না থাকলেও উৎসবের মাঝে ছুটির মেজাজে থাকবে সারা বাংলা। এই সময়ে আরও কয়েকটি ম্যাচ ঘিরে সমস্যা তৈরি হয়েছে। ২১ অক্টোবর সল্টলেকে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা এফসি গোয়ার। সেই দিন আবার দুর্গাপুজোর সপ্তমী। ২৪ অক্টোবর, দশমীর দিন আবার এএফসি কাপে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে খেলা রয়েছে মোহনবাগানের। দু’টি খেলা যুবভারতীতে হওয়ার কথা। পুজোর সময় এই দু’টি ম্যাচ ঘিরেও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডার্বি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেও চুপচাপ মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) কোচ জুয়ান ফেরান্দো। শুধুই ঠোঁটের কোণে  হালকা হাসির রেখা।  বাকি সময় শান্ত। এটাই কি সেরা ডার্বি জয়? ফেরান্দোর উত্তর, “এটা বলা যাবে না। কারণ গোটা প্রতিযোগিতাতেই অনেক কঠিন দলের বিরুদ্ধে খেলেছি আমরা। মুম্বই সিটি, এফসি গোয়া, আজ ইস্টবেঙ্গল— কারও বিরুদ্ধেই জেতা সহজ হয়নি। নিজেদের বার বার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে আগেও বলেছি এটা প্রাক মরসুম প্রস্তুতি। খেলোয়াড়েরা চাপের মুখে নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। এখনও উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে।”

    কী বললেন কুয়াদ্রাত

    অন্যদিকে, ট্রফি জিততে না পারলেও ক্রমশ হারতে থাকা একটা দলকে সাফল্যের পথ দেখাতে পেরে খুশি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত। ফাইনালে ওঠার জন্য দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব দিলেন তিনি। কুয়াদ্রাতের কথায়, “আমার মনে হয় শেষ বার ইস্টবেঙ্গল কোনও ট্রফি জিতেছে ২০১৯ সালে। তার আগে জাতীয় পর্যায়ের কোনও প্রতিযোগিতায় জিতেছে ২০১২ সালে। তা হলে এত দিন পরে যে একটা প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে পেরেছি আমরা এটাই গর্বের ব্যাপার নয় কি?”এর পরেই পড়শি ক্লাবের উদাহরণ টেনে এনেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। বলেছেন, “যে কোনও প্রোজেক্ট সফল ভাবে দাঁড় করাতে সময় লাগবে। আমরা গত তিন বছর আইএসএল খেলছি। মোহনবাগানও তিন বছর আগে আইএসএলে এসেছে। প্রথম বার ওরা রানার্স হয়েছিল। বেশির ভাগ প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনাল বা ফাইনালে গিয়েই দৌড় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এত দিন পর ট্রফি জিতেছে। আইএসএলের পর ডুরান্ড কাপ। ওদের কাছে আর্থিক শক্তিও বেশি ছিল। তাতেও ওদের সময় লেগেছে। তাই এই পদক জিতে আমি গর্বিত। অনেকের কঠোর পরিশ্রম জড়িয়ে আছে এই ফলের পিছনে। এখনও অনেক কাজ করতে হবে আমাদের।”

    গোটা দলকে কৃতিত্ব দিলেন ফেরান্দো

    ডুরান্ড কাপে (Durand Cup 2023) ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত (Carles Cuadrat) হয়ে উঠেছিলেন স্বপ্নের সওদাগর। কিন্তু ফাইনাল ল্যাপটা আর পার করাতে পারলেন না তিনি। জ্বলন্ত লাল-হলুদ মশাল নিভিয়ে দিল সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। জুয়ান ফেরান্দোর (Juan Ferando) আইএসএল চ্যাম্পিয়ন টিম জিতল ১৭ নম্বর ডুরান্ড কাপ। গঙ্গাপাড়ের শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের লকাররুমে ঐতিহ্যবাহী ট্রফিটি এনে দিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস (Dimitri Petratos)। তাঁর একমাত্র গোলই মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়ন করে দিল। দশ জনে হয়ে যাওয়ার পরে কোনও দল ডার্বির মতো এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিতেছে, এমন উদাহরণ খুব বেশি নেই। কয়েক জন ফুটবলারকে বদলেই বাজিমাত করে গেলেন ফেরান্দো। কী বলেছিলেন ফুটবলারদের? স্প্যানিশ কোচের উত্তর, “দলকে একটা কথা সব সময়েই বলি, কঠিন সময়েই নিজেদের সেরাটা বের করে আনতে হবে। রোজ বলার কারণে এ রকম মুহূর্তে কী করতে হবে সেটা ওরা বুঝে গিয়েছে। তাই আমার কাজ ছিল স্রেফ কৌশলের ব্যাপারটা ঠিক রাখা। বাকিটা ফুটবলারেরাই জানত যে কাকে কী করতে হবে। ও রকম পরিস্থিতিতে থেকেও ম্যাচ বের করার জন্য গোটা কৃতিত্ব দলের।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    লাল কার্ডটাই টার্নিং পয়েন্ট

    ডার্বির একমাত্র গোল যাঁর পা থেকে এসেছে, সেই দিমিত্রি পেত্রাতোস ম্যাচের পর আবেগপ্রবণ হয়ে বললেন, “আসলে তখন এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম যে কী করছি নিজেই জানতাম না। মনে হয়েছিল নিজের দলের সমর্থকদের সঙ্গে এই সেলিব্রেশন করা দরকার। তাই ওই দিকে ছুটে গিয়েছি।” ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের মতে, অনিরুদ্ধ থাপার লাল কার্ডটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। বলেছেন, “ওদের কাছে প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। একজন ফুটবলার কমে যাওয়ায় ওদের হারানোর কিছু ছিল না। তাই আক্রমণ করা ছাড়া ওদের কাছে উপায় ছিল না। সেটাই করেছে। আমাদের সেই সময় নিজেদের আরও নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার ছিল। সেটা আমরা পারিনি। তবে এর থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষা নিতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। ১-০ গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে কাপ জিতে নিল মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোল শূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলটি করেন দিমিত্রি প্রেত্রাতোস। খেলার ৭১ মিনিটের মাথায় গোলটি করেন মোহনবাগানের ফরওয়ার্ড। খেলা শুরুর চার মিনিটের মাথায় প্রথম কর্নার পায় মোহনবাগান। যদিও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন বাগানি সেনারা। ১৫ মিনিটের মাথায় ফের কর্নারের সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় সবুজ মেরুন। খেলার ৩০ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। যদিও তা আটকে দেয় সবুজ মেরুনের রক্ষণ।

    ইস্টবেঙ্গল ব্যাকের চোট

    এদিকে, ম্যাচের (Durand Cup) প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল ব্যাক এলসে চোট পান। তাঁর বদলে নামানো হয় পার্দোকে। তবে তাতে অবশ্য কাজ হয়নি। প্রথমার্ধ গোলশূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলের সুযোগ পায় লাল হলুদ। ৪৭ মিনিটের মাথায় আনোয়ার আলির ব্যাক পাস আর একটু হলেই পেয়ে যাচ্ছিলেন সিভেরিয়ো। তবে বিশাল কাইথ বল বের করে দেওয়ায় গোল আর হয়নি। এদিনের ম্যাচে দু’ বার হলুদ কার্ড দেখানো হয়। একবার দেখানো হয় ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতকে।

    অনিরুদ্ধকে লালকার্ড

    দ্বিতীয়বার দেখানো হয় অনিরুদ্ধ থাপাকে। তাঁকে লালকার্ডও দেখানো হয়। এর পরেই মাঠে লড়াইয়ের দায়িত্ব চলে আসে বাগানের ১০ জনের ঘাড়ে। এর পরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সবুজ মেরুন। তার সুফলও ফলে অচিরেই। ৭১ মিনিটের মাথায় গোল করে মোহনবাগান। ১-০ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। যদিও বাগানি সেনারা গোল করার পরে পরেই সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেন নন্দকুমার। মহেশের ক্রসে বক্সের ভিতরে ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করেন তিনি। যদিও বল সরাসরি লাগে বিশালের হাতে।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, উনিশ বছর পর আজ, রবিবার ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। এদিন বাড়তি জয় গেল সবুজ-মেরুন ঝুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোট ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। পাঁচবার জিতেছে বাগান। দুবার ম্যাচ ছিল অমীমাংসীত, যুগ্ম বিজয়ী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Durand Cup: রবিবার কলকাতা ডার্বি, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল

    Durand Cup: রবিবার কলকাতা ডার্বি, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ফের মুখোমুখি হতে চলেছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। সৌজন্যে কলকাতা ডার্বি (Durand Cup)। ১৯ বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সবুজ-মেরুন ও লাল-হলুদ। বৃহস্পতিবার গোয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ওঠে মোহনবাগান। এদিন শুরুতে এক গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে নেয় বাগান। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল ১-১। মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন জেসন কামিন্স ও আর্মান্দো সাদিকু। আর গোয়ার হয়ে গোলটি করেন নোহা। এদিকে, আগের সেমিফাইনালে নর্থইস্টকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল। সেই কারণেই রবিবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

    আক্রমনাত্মক গোয়া

    এদিন শুরুর দিকে এফসি গোয়াকে আক্রমনাত্মক খেলতে (Durand Cup) দিলেও, ম্যাচ ধরে খেলার দিকে নজর দেয় বাগান। তাই জাঁকিয়ে বসার চেষ্টা করে গোয়া। ১০ মিনিটে একাধিকবার বাগানের সুপার জায়ান্টসের বক্সে ঢুকে যায় গোয়া। মাঝমাঠের দখলও নিয়ে নেয় তারা। ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় আক্রমণ শুরু করে মোহনবাগান। যদিও গোয়ার বক্সে ঢুকে পড়লেও, গোল করতে পারেনি। ১৬ মিনিটের মাথায় ফের আক্রমণ। অবশ্য গোল পায়নি বাগানি সেনারা। ২৩ মিনিটের মাথায় গোল করেন গোয়ার নোহা। ১ গোলে এগিয়ে যায় গোয়া।

    ঝড় তোলে মোহনবাগান

    তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে মোহানবাগান। তার আগে অবশ্য ৪২ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় বাগান। বক্সে ঢোকার চেষ্টা করেন সাহাল আবদুল সামাদ। তাঁকে ফাউল করেন গোয়ার ডিফেন্ডার। সাদা চোখে মনে হচ্ছিল ফাউল (Durand Cup) হয়েছে বক্সের বাইরে। গোয়ার ফুটবলাররাও সেই দাবি জানান লাইন্সম্যান ও রেফারির কাছে। কিন্তু রেফারি পেনাল্টি দেন। স্পট থেকে গোল করেন কামিংস। ১-১ গোলে বিরতিতে যায় দু দল।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল সমাবেশে বেফাঁস মন্তব্য, চটে লাল রাজবংশী, মতুয়ারা, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুরও

    দ্বিতীয়ার্ধে হুগো বোমাসকে তুলে নামানো হয় সাদিকুকে। নেমেই বাজিমাত করেন তিনি। ৬২ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে জয়সূচক গোলটি করেন তিনি। খেলা শেষের দিকে বক্স থেকে বক্সে খেলা হচ্ছিল। গোল শোধ করে সমতা আনার মরিয়া চেষ্টা করছিল গোয়া। ডিফেন্স করছিল বাগানি সেনারা। শেষতক আর গোল করতে পারেনি গোয়া। ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল আগেই ডুরান্ড কাপের সেমি ফাইনালে জায়গা পাকা করেছিল। রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে বড় গাঁট মুম্বই সিটিকে হারিয়ে শেষ চারের টিকিট পাকা করেছে মোহনবাগান। এক্ষেত্রে  ১৯ বছর পর ফের ডুরান্ড ফাইনালে মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গলের (Kolkata Derby) লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০৪ সালে ওই ম্যাচ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল।

    সেমিফাইনালে কার প্রতিপক্ষ কে

    মঙ্গলবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হচ্ছে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। বিশেষজ্ঞদের মতে পাল্লা ভারী কার্লোস কুয়াদ্রতের দলের। আর মুম্বই সিটিকে হারিয়ে টগবগ করছে কামিংসরা। বৃহস্পতিবার সবুজ মেরুন ব্রিগেড শেষ চারে খেলবে গোয়া এফসির বিরুদ্ধে। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ফাইনালে খেলা উচিত মোহনবাগানের। সেক্ষেত্রে রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আরও এক মহারণ দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবল প্রেমীরা। উল্লেখ্য, মরশুমের প্রথম ডার্বিতে আন্ডারডগ হয়েও মোহনবাগানকে হারিয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বিশাল বাজেটের টিম নিয়ে জিততে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল মোহন কোচ হুয়ান ফেরান্দোকে। তবে ফাইনালে যদি ফের ইস্ট বেঙ্গলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় মোহনবাগান, তাহলে অবশ্যই বদলা নেওয়ার চেষ্টা করবে ফেরান্দোর ছেলেরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সবকিছু করতে পারি…’’! বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতে আরও কঠোর প্রতিজ্ঞা নীরজের

    কাপ জয়ের হাতছানি

    ইস্ট বেঙ্গল শেষ বার ডুরান্ড জিতেছিল ২০০৪ সালে। সেটাই ছিল শেষ বার। তারপর আর লাল হলুদ ব্রিগেড ফাইনালেই উঠতে পারেনি। মোহনবাগানের অবস্থা আরও খারাপ। ১৯৯৯-২০০০ সালে তারা মাহিন্দ্রা ইউনাইটেডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।  ২০১৯ সলে ফাইনালে উঠলেও খালি হতে ফিরতে হয়েছিল সবুজ মেরুন বাহিনীকে। এবার সেই আপসোস মেটানোর সুযোগ রয়েছে সবুজ-মেরুনের কাছে।।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan Super Giant: এএফসি কাপের সূচি ঘোষিত! যুবভারতীতে কবে খেলবে মোহনবাগান?

    Mohun Bagan Super Giant: এএফসি কাপের সূচি ঘোষিত! যুবভারতীতে কবে খেলবে মোহনবাগান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মধ্যেই এএফসি কাপে (afc cup) মোহনবাগানের (Mohun Bagan) খেলা  পড়ল। ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন যুবভারতীতে হোম ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান। বাংলাদেশের ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে খেলবেন সবুজ মেরুন। গ্রুপ ডি-তে মোহনবাগানের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ওড়িশা এফসি, মাজিয়া স্পোর্টস এবং বসুন্ধরা কিংস।

    পাখির চোখ এএফসি কাপ

    এএফসি কাপে (AFC Cup 2023-24) দক্ষিণ এশিয়া জোনের মূলপর্বে চলে গিয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি পর্বের ম্যাচে ব্যাক-টু-ব্যাক জিতেছে জুয়ান ফেরান্দোর শিষ্যরা। প্রথম ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে (Mohun Bagan Super Giant vs Machhindra FC) ৩-১ হারিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয় ম্যাচে মেরিনার্স ৩-১ গোলে বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেড ঢাকাকে (Mohun Bagan vs Abahani Dhaka) হারিয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুরন্ত থ্রোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ, সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতাও

    মোহনবাগানের কাছে পাখির চোখ এএফসি কাপ। সেই জন্যেই ৭০ কোটি টাকা দিয়ে দল গড়া হয়েছে। কোচ জুয়ান ফেরান্দো বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন সে কথা। তার জন্যে ডার্বিতে হারের পরেও মন খারাপ হয়নি তাঁর। তবে গ্রুপ পর্ব নয়, মোহনবাগানের আসল লড়াই শুরু হবে নকআউট থেকে। সেই পর্বে এশিয়ার শক্তিধর ক্লাবগুলির বিরুদ্ধে খেলতে হবে তাদের।

    অভিযান শুরু ১৯ সেপ্টেম্বর

    মোহনবাগানের এএফসি-র গ্রুপ পর্বের অভিযান শুরু ১৯ সেপ্টেম্বর। খেলা আইএসএল ক্লাব ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। প্রথম ম্যাচই অ্যাওয়ে ম্যাচ। দ্বিতীয় ম্যাচ ২ অক্টোবর মলদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টসের বিরুদ্ধে। বাগান সমর্থকরা এই ম্যাচ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বসে দেখতে পারবেন। তৃতীয় ম্যাচও হোম ম্যাচ। সল্টলেক স্টেডিয়ামে ফেরান্দোর শিষ্যরা খেলবেন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে। চতুর্থ ম্যাচ আবার অ্যাওয়ে। খেলা ৭ নভেম্বর, এবার মোহনবাগান বাংলাদেশ যাবে। খেলবে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে। ২৭ নভেম্বর ফের খেলা কলকাতায়। প্রতিপক্ষ ওড়িশা। গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের শেষ ম্যাচ মাজিয়ার বিরুদ্ধে ১১ ডিসেম্বর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে হারাল মোহনবাগান 

    Mohun Bagan: এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে হারাল মোহনবাগান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএল অনেক হয়েছে, এবার লক্ষ্য এশিয়া কাপ। এই মন্ত্রেই মরশুম শুরু করেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। দল গড়তে ঢালা হয়েছে কোটি কোটি টাকা। কার্পণ্য করেননি মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। কারণ তিনিও চান এশিয়া সেরার স্বাদ পেতে।  সেই লক্ষ্যে এক ধাপ এগোল মোহনবাগন সুপার জায়ান্ট। বুধবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসি কে ৩-১ গোলে চূর্ণ করল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। দুটি গোল করলেন আনোয়ার আলি। বিশ্বকাপে খেলা জেমস কামিংসের পা থেকেও বল ঢুকলো বিপক্ষের জালে। মোহনবাগানের পরের খেলা ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে ২২ অগাস্ট। এই ম্যাচ জিততে পারলে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বে খেলার সুযোগ পাবেন কমিংসরা।

    ডার্বি হারের ক্ষতে প্রলেপ 

    এই জয় ডার্বি হারের ক্ষতে অনেকটাই প্রলেপ দিয়েছে। কারণ ইস্টবেঙ্গলের কাছে পরাজয় ছিল অপ্রত্যাশিত। শক্তির নিরিখে মোহনবাগান ছিল অনেক এগিয়ে। সবুজ মেরুন জার্সি পরে প্রথম সেদিন মাঠে নেমে ছিলেন কামিংস। কিন্তু তাঁর খেলা মন ভরাতে পারেনি। দল হারায় তাঁকে পড়তে হয়েছিল সমালোচনায়। কিন্তু মাচিন্দ্রা এফসির বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বকাপার বুঝিয়ে দিলেন, তিনি লম্বা রেশের ঘোড়া।

    আরও পড়ুন: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে মোহনবাগান। গোল করার সুযোগও এসেছিল। কিন্তু মিস করেন আশিক কুরিয়ান। দুই প্রান্তকে কাজে লাগিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন মোহনবাগানের ফুটবলাররা। বিক্ষিপ্ত কিছু আক্রমণ তৈরি করে মাচিন্দ্রা। কিন্তু সবুজ মেরুন ডিফেন্স ভেদ করার শক্তি ছিল না তাতে। ৩৯ মিনিটে লিড নেয় মোহনবাগান (Mohun Bagan)। হুগো বোমাসের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন আনোয়ার (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান করে আরও দুটি গোল করে। ৬৫ মিনিটে কমিংসের পা থেকে আসে দ্বিতীয় গোল (২-০)। তার পর একটু গা ছাড়া ভাব দেখায় ফেরান্দোর ছেলেরা। সেই সুযোগে মচিন্দ্রা (২-১) করে। তবে ৮৫ মিনিটে দিমিত্রি ফ্রি কিক থেকে হেডে নিজের ও দলের তৃতীয় তথা জয়সূচক গোল করেন আনোয়ার (৩-১)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুটা দেখে মনে হয়নি সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। কিন্তু বড় ম্যাচে মোহনবাগানকে হারানোর পর বদলে যায় সব কিছু। কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেদের মনোবল তুঙ্গে। যার প্রমাণ মিলল আরও একবার। বুধবার গ্রুপ “এ” ম্যাচে রাউন্ড গ্লাস পাঞ্জাব এফসিকে ১-০ গোলে হারালো লাল হলুদ ব্রিগেড। একমাত্র গোলটি করেন জেভিয়ার সিভেরিও।

    ঝুলে মোহনবাগানের ভাগ্য

    ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) শেষ আটে জায়গা পাকা করলেও, ঝুলে রইলো মোহনবাগানের ভাগ্য। কারণ, ডুরান্ড কাপের নিয়ম অনুযায়ী ছটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। আর গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির মধ্যে সেরা দুটি দল শেষ আটে খেলার সুযোগ পাবে। তাই সবুজ মেরুন ব্রিগেডকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দল গুলির দিকে।

    আরও পড়ুন: ২৫ অগাস্ট থেকেই বিশ্বকাপের টিকিট! জেনে নিন কীভাবে পাবেন

    ম্যাচ-এর রিপোর্ট-কার্ড

    পাঞ্জাবের দলটির বিরুদ্ধে জয় পেলেও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কিন্তু সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারেনি। প্রথম ১৫ মিনিটে গোল করার একাধিক সুযোগ পেয়েছিল পাঞ্জাবের দলটি। পর পর আক্রমণ আছড়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সে। কিন্তু অধিনায়ক হরমোনজ্যোত খাবরা ও গোলকিপারের প্রচেষ্টায় সেই আক্রমণ সফল হয়নি। তবে প্রাথমিক ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়ায় ইস্ট বেঙ্গল। ২২ মিনিটে পাঞ্জাব এফসি-র বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু পাঞ্জাবের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল বাইরে গেলে কর্নার হয়। সেই কর্নার থেকে হেডে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন জেভিয়ার সিভেরিও। গোটা ম্যাচে আর গোল হয়নি। তবে দুই দল অনেক সুযোগ পেয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ডার্বি জিতল ইস্ট বেঙ্গল। ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল লাল হলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের নায়ক নন্দকুমার শেখর। সাড়ে চার বছর পর নন্দকুমারের গোলে ডার্বি জয় লাল হলুদ শিবিরের। এর আগে টানা আটটি ডার্বি জিতেছিল মোহনবাগান। ম্যাচের শুরু থেকেই তাগিদ স্পষ্ট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। মোহনবাগান অনেকবার পেনাল্টি বক্সের কাছে পৌঁছলেও বক্সের ভিতরে ঢুকতে পারছিল না প্রতিবার। উগো বুমো কয়েকটা শট নেন বক্সের বাইরে থেকেই। ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স বেশ জমাট দেখায় প্রথম থেকেই। উল্টো দিকে, ইস্টবেঙ্গল প্রথমার্ধেই কয়েকবার পৌঁছে গিয়েছিল গোলের কাছে। কখনও ডিফেন্ডাররা বের করে দেন। কখনও কিপার বাঁচান। তবে সাকুল্যে গোলের লক্ষ্যে শট ছিল মাত্র দুটি। মোহনবাগান ১১টা শট নিলেও তার বেশিরভাগই ছিল গোলের বাইরে। 

    ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়

    আবেগের বড় ম্যাচে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অনেকটাই এগিয়ে ছিল সবুজ মেরুন। অন্য দিকে, আন্ডারডগ তকমাই যেন অ্যাডভান্টেজ ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচে কাউকেই এগিয়ে পিছিয়ে রাখা যায় না। এ বারও পরিস্থিতি অন্যথা হল না। সিলেবাসের বাইরে থেকে ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়। শনিবার কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়লাভ করেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ২৭ বছর বয়সি চেন্নাইয়ের ফুটবলার নন্দকুমার শনিবারই প্রথম ডার্বি ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে তিনি ইস্টবেঙ্গল দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দিলেন। জয়সূচক গোলও সেটাই। ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি জয়ের নায়ক বললেন, “বলে বোঝাতে পারব না। এখানে আসার পর থেকেই সমর্থকদের উৎসাহ চোখে পড়ছে। আর আজকের মত পরিবেশে খেলা তো যে কোনো ফুটবলারের স্বপ্ন।”

    কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচের দিকে নজর দিচ্ছেন বেশি করে। জানালেন, সমর্থকদের জন্য খুব খুশি। গত দু বছর খুব একটা সাফল্য পায়নি ক্লাব তা সত্ত্বেও এই সমর্থন উৎসাহ দিয়েছে খেলোয়াড়দের। কুয়াদ্রাত আরও বলেন, মোহনবাগানের সামনে বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে, সে কারণে হয়তো অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে চেয়েছিল ওরা। আমি শুধু ফুটবলারদের বলেছিলাম কাউন্টার অ্যাটাক আর সেটপিস গুলো কাজে লাগাতে।

    আরও পড়ুন: গোল খেয়ে ধরাশায়ী জাপান! এশীয় হকির ফাইনালে ভারত

    অন্যদিকে , ডার্বিতে হার মেনে নিতে পারছেন না মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন। আটটা ম্যাচ পর তারা জয় পেল। এটা অত্যন্ত ভালো ওদের জন্য। ম্যাচের পর ম্যাচ একটা দল হারতে পারে না। একদিন না একদিন তো জিততেই হত। ওরা ভালো খেলেছে। আজ অনেক ভালো খেলেছে। আমরা যে খেলা খেলেছি তাতে জেতার যোগ্যতা ছিল না। ওরা অনেক ভালো ফুটবল খেলেছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share