Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ তারিখ মালদহ ও ১৮ তারিখ হুগলির সিঙ্গুরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। কোটি কোটি টাকার রেল প্রকল্পের সূচনা করবেন মোদি। যা ভারত তথা বাংলার রেল মানচিত্রে নিয়ে আসবে বড় বদল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বাংলায় আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, কেবল মালদায় ৩,২৫০ কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস হবে। হাওড়া ও গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের শুভ সূচনা করা হবে।

    বঙ্গ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আগামীকালের অনুষ্ঠানে বালুরঘাট–হিলি নতুন রেললাইন, নিউ জলপাইগুড়িতে অত্যাধুনিক মালবাহী ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, শিলিগুড়ির লোকো শেডের উন্নয়ন এবং জলপাইগুড়িতে বন্দে ভারত ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে।” পাশাপাশি, ৪টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও শুভ সূচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মালদা স্টেশনে দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিরও উদ্বোধন করবেন। এর পর পৌনে ২টো নাগাদ সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে মোদির সভা রয়েছে। সেখানে ৩,২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। ধূপগুড়ি-ফালাকাটা (৩১ডি) জাতীয় সড়কের কিছু অংশের সংস্কার ও চার লেনের শিলান্যাস করবেন মোদি। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাতায়াত আরও সহজ করে তুলবে এই সংস্কার এবং নতুন চার লেনের রাস্তা।

    সিঙ্গুরে রবিবার

    রবিবার ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal) সরকারি সভা রয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। সেখান থেকে ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বালাগড়ে বর্ধিত বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রোড ওভার ব্রিজও। বিজেপি নেতৃত্বের কথায় ১৭ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন। তাঁর এই সফর এই উন্নয়নের যাত্রায় আরও একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি ধারাবাহিক অবদান রেখে চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বার্তা

    শুধু প্রকল্প উদ্বোধনই আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতেও অংশ নেবেন বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে তিতিবিরক্ত। তাঁরা চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার। নিজের পোস্টে এই বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। তিনি লেখেন, ‘আগামীকাল বিজেপির সমাবেশে আমি মালদা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। প্রতিদিনই তৃণমূলের অপশাসনের কোনও না কোনও নতুন উদাহরণ সামনে আসছে। তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তিতিবিরক্ত এবং এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করতে তাঁরা প্রস্তুত। মানুষ চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার।’

  • PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক ছেড়ে নয়া কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) ছিল এখানেই। সেখান থেকেই পাততাড়ি গুটিয়ে সরে যাচ্ছে পিএমও। জানা গিয়েছে, ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি)-র পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দফতর, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট নিয়ে নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে কাজ শুরু করতে পারেন।

     সেবা তীর্থ (PM Modi)

    রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে দারা শিকো রোডে (পূর্বতন ডালহৌসি রোড) কেন্দ্রীয় সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বা সেবা তীর্থ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে যাবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। সবশেষে, মকর সংক্রান্তির পর প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন দফতরে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।  সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে পিএমও, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং এনএসসিএস—তিনটি আলাদা ভবন রয়েছে। আগে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গন থেকে কাজ করত, আর এনএসসিএসের দফতর ছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটের সর্দার প্যাটেল ভবনে (PM Modi)।

    নতুন সরকারি বাসভবন

    এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-১-এর কাছেই নির্মাণ কাজ চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সরকারি বাসভবনের, যা এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-২ নামে পরিচিত (PMO)। সূত্রের দাবি, নতুন পিএমও ভবনের অধিকাংশ অফিস আধুনিক ওয়ার্কস্পেসের আদলে তৈরি, ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত কার্তব্য ভবনগুলিতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলি তুলনামূলকভাবে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত দফতর জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর এই প্রকল্পের বরাত দেওয়া হয় (PM Modi)। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১,১৮৯ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১০.৪৪ শতাংশ কম। নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২৪ মাস।

    সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বা চূড়ান্ত ব্যয় সম্পর্কে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কিংবা সিপিডব্লুডি আর বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেনি। এ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের কোনও জবাবও মেলেনি (PMO)। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ১৯২০-৩০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নর্থ ও সাউথ ব্লক ছিল কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মূল ভবন। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের আওতায় এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষ রাইসিনা হিলের এই লাল বেলেপাথরের ভবনগুলি ঘুরে দেখতে পারেন। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লকের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রক সরে যাওয়ার পর, সাউথ ব্লকের সংস্কারের জন্যও টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ভবন খালি হলেই কাজ শুরু হবে (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ঘোষিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নয়া সংসদ ভবন, উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ এবং ১০টি নতুন কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবনের মধ্যে প্রথম তিনটি কর্তব্য ভবন নির্মিত হয়েছে (PMO)।

  • PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত (India) দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট আঞ্চলিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসাও করলেন তিনি। রাজকোটে আয়োজিত এই সম্মেলনকে তিনি ২১ শতকে ভারতের আত্মবিশ্বাসী অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে ভারত (PM Modi)

    সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষি উৎপাদন নতুন রেকর্ড গড়ছে। দুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।” ২০২৬ সালে গুজরাটে এটি তাঁর প্রথম সফর বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বছরের শুরুতেই তিনি সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্মেলনে অংশ নেন তিনি (PM Modi)।

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    গুজরাটের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের সুষম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি আদর্শ মডেল। যখনই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের আয়োজন দেখি, আমি শুধু একটি সম্মেলন দেখি না, আমি দেখি আধুনিক ভারতের ২১ শতকের যাত্রা। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন দিয়ে, আর আজ তা অটল আত্মবিশ্বাসে পৌঁছেছে। গত দুদশকে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০টি সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং প্রতিটি সংস্করণের সঙ্গে এই সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে (India)।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রশংসাও করেন। বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মতো মঞ্চ ভারতের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের জন্য নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে (PM Modi)।”

    ভারত বিশ্বে এক নম্বরে

    ভারতের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশও ভারত। গত ১১ বছরে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ডেটা ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদের ইউপিআই আজ বিশ্বের এক নম্বর রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (India)। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে আমরা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। বেসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বাজার। মেট্রো নেটওয়ার্কের দিক থেকে আমরা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি (PM Modi)।”

  • PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ১৮ বছর আগে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে চলে গিয়েছিলেন টাটারা। টাটার ফেলে যাওয়া সেই জমিতে শিল্প হয়নি (PM Modi)। আবাদও ভালো হয় না। এহেন অবহেলিত সিঙ্গুরেই (Singur) ১৮ জানুয়ারি জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। অঙ্গ এবং কলিঙ্গ জয়ের পর এবার পদ্মশিবিরের শ্যেন দৃষ্টি বঙ্গে। বাংলায় পদ্ম-সরকার গড়তে ১৭ জানুয়ারি মালদার ইংরেজবাজারে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরের দিনই তিনি সভা করবেন সেই সিঙ্গুরেই, যে সিঙ্গুর একটা সময় হয়ে উঠেছিল চায়ে পে চর্চা। ঘটনাচক্রে প্রধানমন্ত্রী যেদিন পা রাখবেন সিঙ্গুরের মাটিতে, সেই দিনটিও ১৮ জানুয়ারি, ঠিক যত বছর আগে সিঙ্গুর থেকে চিরকালের জন্য চলে গিয়েছিলেন টাটারা। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিনই সিঙ্গুর থেকে হুগলি-পুরুলিয়া লোকালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি এই অনুষ্ঠানের পরেই জনসভা হবে আক্ষরিক অর্থেই ‘সর্বহারা’ সিঙ্গুরে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর সরকার (PM Modi)

    বাম জমানার অবসানের পর রাজ্যে টানা দেড় দশক ধরে ক্ষমতায় রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। তার পরেও ঘোচেনি রাজ্যের হা-শিল্প দশা। উল্টে একের পর এক চালু কারখানায় পড়েছে ইয়া বড় বড় সব তালা। সম্প্রতি তালা ঝুলেছে বেলঘরিয়ার প্রবর্তক জুটমিলেও। রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার জুটমিল শ্রমিক-কর্মী। মিল খুলতে আন্দোলনেও নেমেছেন তাঁরা (PM Modi)। তাতে অবশ্য কোনও কাজ হয়নি। মিলের গেটে ঝুলছে তালা, পাশেই সাঁটানো রয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নোটিশ (Singur)।

    তৃণমূল নেত্রীর আশ্বাস

    করোনা অতিমারি পর্বে যখন তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই সময় তিনি বলেছিলেন, তাঁর এবারের প্রথম লক্ষ্য হল শিল্প। সেই শিল্প আনতেই তিনি ছুটে গিয়েছিলেন স্পেনে। ফি বছর নিয়ম করে আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনেরও। সেই সম্মেলনে মোটা অঙ্কের লগ্নি করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেও রাজ্যে একটা সেফটিপিনের কারখানাও হয়নি বলে অভিযোগ। প্রতিটি সম্মেলনের সঙ্গে সঙ্গেই উঠে এসেছে, সেই অমোঘ প্রশ্নটি, সরকারি কোষাগারের গুচ্ছের টাকা খরচ করে যে বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা (PM Modi) হয়, সেই সব সম্মেলনে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তার কী হল? সিঙ্গুরের জমিতেই বা কোন শিল্প হল? শস্য-শ্যামলাই বা হল না কেন সিঙ্গুরের টাটা অধিগৃহীত জমি(পরে অবশ্য জমি ফেরত দেওয়া হয়েছে মালিকদের)? এহেন পরিস্থিতিতেই সিঙ্গুরে (Singur) সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সিঙ্গুরকে হাতিয়ার!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের শাসক দল যখন বিজেপির বিরুদ্ধে এসআইআর-ধর্ম কিংবা বিভেদের রাজনীতির কটাক্ষ-বাণ হানবে, ঠিক তখনই সিঙ্গুরকে হাতিয়ার করতে পারে বিজেপি। তবে ওই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী বলেন, সেদিকেই তাকিয়ে সিঙ্গুরের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনীতির কারবারিরাও। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথমে ঠিক ছিল ১৮ তারিখে কলকাতা লাগোয়া (PM Modi) হাওড়ায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই ঠিক হয় হাওড়ার বদলে সিঙ্গুরে হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা (Singur)। এই মর্মে বঙ্গ বিজেপির তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে। তাঁকে জানানো হয়েছে, হাওড়ার পরিবর্তে সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী সভা করলে তাতে আদতে লাভবান হবে বিজেপিই। সেই কারণেই ঠাঁই বদল হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার।

    হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশা

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বঙ্গ বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করছে রাজ্যে হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশাকে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও রাজ্যের চাকরি এবং নয়া কর্মসংস্থান তৈরির খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন বিজেপি সাংসদরা। সম্প্রতি রাজ্যের শিল্পায়নের খতিয়ান তুলে ধরে শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে হতে চলেছে বিজেপির তুরুপের তাস। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন (Singur), “বিজিবিএস আয়োজনেই এখনও পর্যন্ত (PM Modi) রাজ্যে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। উপহার, ভাষণ, খাওয়া-দাওয়ায়ই এই টাকা খরচ। সেই তুলনায় এ রাজ্যে লগ্নির পরিমাণ জিরো। বিজিবিএস আজ একটা ফ্লপ শো।”

    রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামকে হাতিয়ার করে বামেদের হটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল, সেভাবেই সিঙ্গুরে জনসভা করে বিজেপি বুনে দিতে পারে টাটাকে ফেরানোর স্বপ্নের বীজ। যে স্বপ্ন এখনও দেখেন সিঙ্গুরের বাসিন্দারা। যাঁরা এক সময় তৃণমূল নেতাদের মগজধোলাইয়ের জেরে শিল্পের বিপক্ষে গিয়ে বিরুদ্ধাচরণ করেছিলেন টাটার কারখানার, তাঁরাই এখন চাইছেন সিঙ্গুরের মাটিতে ফিরুক টাটারা। শিল্পই হোক সিঙ্গুরে (PM Modi)।

  • Trump-Modi: ‘‘মোদির মতো জনপ্রিয় নন ট্রাম্প’’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ইয়ান ব্রেমারের

    Trump-Modi: ‘‘মোদির মতো জনপ্রিয় নন ট্রাম্প’’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ইয়ান ব্রেমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও শুল্ক চাপানোর হুমকি। কখনও আবার পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে ভারতবিরোধী মন্তব্য। প্রায় প্রতি দিনই ‘বিতর্কিত’ বিবৃতি দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Trump-Modi) হু-হু করে কমছে জনপ্রিয়তা। অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনই অভিমত, ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়ান ব্রেমার।

    কেন ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ভাঁটা

    ইয়ান ব্রেমার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন— যেমন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতারের সামরিক অভিযান— কিন্তু এর দীর্ঘমেয়াদী সুফল তিনি নাও পেতে পারেন। তিনি বলছেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলি স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক লাভ এনে দিতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে তা বদলে যেতে পারে। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ট্রাম্পের তুলনা করে বলেছেন, মোদি দীর্ঘসময় ধরে জনপ্রিয়তার কারণে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যা তাঁর সিদ্ধান্তগুলিকে স্থিতিশীল করে তুলেছে। কিন্তু দেশের ভিতরেই ট্রাম্পের বিরোধিতা অনেক বেশি। ট্রাম্পের বয় ৮০ বছর। প্রেসিডেন্ট পদে তাঁর মেয়াদ ২০২৯ পর্যন্ত সীমিত—এবং পরবর্তী কোনও প্রেসিডেন্ট তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন করে দিতে পারে। ব্রেমার বলেন, চিনের শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের মোদির মতো স্থায়ী নেতৃত্ব নেই মার্কিন নেতৃত্বে, যেখানে প্রতি চার বছর পরপর শাসক পরিবর্তন হয় এবং সেই কারণে অনেক নীতি ও পদক্ষেপ কার্যবসিত হয় না।

    ভেনেজুয়েলার তেল, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ

    ভেনেজুয়েলাতে তেলের বড় মজুদ থাকলেও সেটি কাজে লাগাতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন, বলে মনে করেন ব্রেমার। বর্তমানে দেশটি দৈনিক প্রায় ৮ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে, যা আগের ৩০ লাখ ব্যারেলের তুলনায় অনেক কম। তেলের মতো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগগুলোতে বিশ্বাস থাকতে হয়— তাই মাত্র কয়েক বছর মেয়াদি একজন প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা তা রূপান্তর করতে সর্বদা যথেষ্ট নয়। ব্রেমার বলেন, “তাই এমন ভাবনা ঠিক নয় যে আমেরিকান কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার সব তেল দখল করে নেবে।”

    মোদির জনপ্রিয়তা বেশি

    ব্রেমার মনে করেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের কথা বলে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি করেছেন ট্রাম্প। দ্বিতীয়ত, তাঁর শুল্কনীতির জেরে ক্ষতি হচ্ছে দেশের তাবড় বড় শিল্পপতিদের। তা ছাড়া বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতার বিদেশনীতি নিয়েও সেখানকার আমজনতার মধ্যে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। তাঁদের একাংশের দাবি, ‘বন্ধু’দের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করছেন ট্রাম্প। আর ‘সুপার পাওয়ার’ থাকার গর্বে আন্তর্জাতিক স্তরে ধীরে ধীরে একা হচ্ছে আমেরিকা। দেশেও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কম ও মেয়াদ সীমাবদ্ধ। ফলে তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত পরবর্তী প্রেসিডেন্টের সময় বাতিল বা বদলে যেতে পারে। মোদি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে দেশে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেছেন। ভারতে তাঁর স্থিতিশীলতা ধরে রেখেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে নেই।

  • JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেএনইউয়ের চিফ সিকিউরিটি অফিসার বসন্ত কুঞ্জ (নর্থ) থানার স্টেশন হাউস অফিসারকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ, জেএনইউ ক্যাম্পাসের সবরমতী হস্টেলের বাইরে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিটি সংগঠিত করে জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন পড়ুয়া।

    আইনানুগ ব্যবস্থা (JNU)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে সংঘটিত হিংসার ষষ্ঠ বার্ষিকী পালন করার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল “এ নাইট অফ রেজিস্ট্যান্স উইথ গেরিলা ধাবা”। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মসূচির আড়ালে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর এবং উসকানিমূলক কিছু স্লোগানও দেওয়া হয়, যা ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (JNU)।

    উসকানিমূলক স্লোগান

    ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে সূত্রের খবর (PM Modi)। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ওই অনুষ্ঠানটি একটি নির্দিষ্ট বার্ষিকী পালনের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। এতে ৩০ থেকে ৩৫ জন ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। যাঁদের নাম চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, অদিতি মিশ্র, গোপিকা বাবু, সুনীল যাদব, দানিশ আলি, সাদ আজমি, মেহবুব ইলাহি, কনিষ্ক, পাকিজা খান, শুভম-সহ আরও কয়েকজন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরেই অনুষ্ঠানের প্রকৃতি ও সুর বদলে যায়। সেই সময় কিছু ছাত্রছাত্রী অত্যন্ত আপত্তিকর, উসকানিমূলক এবং জ্বালা ধরানো ধরনের স্লোগান দিতে শুরু করেন (JNU)।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মত

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই ঘটনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সরাসরি অবমাননা। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই (PM Modi) ধরনের স্লোগান, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, জেএনইউয়ের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করে এবং ক্যাম্পাসের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। ওই চিঠিতেই দাবি করা হয়েছে, স্লোগানগুলি ছিল শুনতে পাওয়া যায় এমন, ইচ্ছাকৃত এবং বারবার উচ্চারিত। অর্থাৎ, এটি কোনও তাৎক্ষণিক বা আবেগতাড়িত প্রতিক্রিয়া নয়, বরং সচেতন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণ। এই ধরনের ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা। চিঠিতে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় এই ঘটনার বিষয়ে এফআইআর দায়ের করার অনুরোধ জানানো হয়েছে (JNU)।

    উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ

    চিঠি থেকেই জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করার পর, ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্রদের একাংশের তরফে একাধিক উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। স্লোগানগুলি দিল্লির হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্র মামলার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, জেএনইউয়ে এই স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঘটনা গণতান্ত্রিক ভিন্নমতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি জেএনইউয়ের (PM Modi) আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার ওপর কড়া নজর রেখেছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (JNU)।

    জেএনইউ প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি ব্রাঞ্চ পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তদন্তে সহযোগিতা করবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, জেএনইউ সবসময় গণতান্ত্রিক আলোচনার পক্ষে থাকলেও, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা আচরণবিধি লঙ্ঘন (PM Modi) কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না (JNU)।

  • PM Modi: “সোমনাথ মন্দির ভারতাত্মার জীবন্ত প্রতীক”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সোমনাথ মন্দির ভারতাত্মার জীবন্ত প্রতীক”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সোমনাথ (Somnath Temple) কেবল একটি ঐতিহাসিক কাঠামো নয়, এটি ভারতের আত্মার জীবন্ত প্রতীকও।” সরকারি ব্লগে গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের অসাধারণ ইতিহাস ও যাত্রার কথা নতুন করে তুলে ধরতে গিয়ে এমনই লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর লেখায় তিনি উল্লেখ করেন, এই পবিত্র তীর্থস্থান বারবার ধ্বংসের মুখে পড়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার উঠে দাঁড়িয়েছে এবং আজও প্রথম আক্রমণের এক হাজার বছরেরও বেশি সময় পর দেশের আধ্যাত্মিক চেতনাকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

    “ভারতাত্মার চিরন্তন ঘোষণা” (PM Modi)

    সোমনাথকে “ভারতাত্মার চিরন্তন ঘোষণা” হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ স্তোত্রে উল্লিখিত বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে প্রথম। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে সোমনাথ মন্দির ট্রাস্টের চেয়ারম্যানও। তিনি লেখেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই মন্দির লাখ লাখ মানুষের অটল বিশ্বাসের কেন্দ্র হয়ে রয়েছে এবং আজও ভারতের সভ্যতাগত পরিচয় ও সাংস্কৃতিক চরিত্র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি জানান, সোমনাথ মন্দিরের পবিত্রতা ভারতীয় সভ্যতার প্রাচীন ঐতিহ্যে গভীরভাবে প্রোথিত। তিনি বলেন, দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ স্তোত্রের শুরুতেই রয়েছে, “সৌরাষ্ট্রে সোমনাথং চ…” যা ভারতের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে সোমনাথের অগ্রগণ্য অবস্থানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (PM Modi)।

    ভারতীয় সমাজের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু

    গুজরাটের পশ্চিম উপকূলে প্রভাস পাটনে অবস্থিত সোমনাথ যুগ যুগ ধরে শুধু একটি ধর্মীয় তীর্থস্থানই নয়, বরং ভারতীয় সমাজের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে (Somnath Temple)। প্রধানমন্ত্রী প্রাচীন শ্লোকটির উল্লেখ করেন, “সোমলিঙ্গং নরো দৃষ্ট্বা সর্বপাপৈঃ প্রমুচ্যতে। লভতে ফলং মনোবাঞ্ছিতং মৃতঃ স্বর্গং সমাশ্রয়েত্॥” এই শ্লোকের মর্মার্থ অনুযায়ী, কেবল সোমনাথ শিবলিঙ্গ দর্শন করলেই পাপমোচন ঘটে, কামনা পূর্ণ হয় এবং আত্মিক মুক্তিলাভ সম্ভব বলে বিশ্বাস করা হয়।প্রধানমন্ত্রী তাঁর ব্লগে উল্লেখ করেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সমাজের সব স্তরের মানুষের মিলনস্থল হিসেবে সোমনাথের গুরুত্ব অপরিসীম।

    মানুষের মন ও আত্মার গভীরে আলোড়ন

    মোদি স্মরণ করেন, প্রখ্যাত জৈন পণ্ডিত কালীকাল সর্বজ্ঞ হেমচন্দ্রাচার্য এক সময় সোমনাথ মন্দির দর্শনে এসে প্রণাম নিবেদন করেন এবং গভীর ভাবনার প্রতিফলন হিসেবে একটি শ্লোক রচনা করেন, “ভববীজাঙ্কুরজননা রাগাদ্যাঃ ক্ষয়মুপগতা যস্য।” প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যায়, এই শ্লোক সেই ঐশ্বরিক শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে, যেখানে পার্থিব আসক্তির বীজ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং মানবজীবনের দুঃখ লীন হয়ে যায়। তাঁর মতে, আজও সোমনাথ মানুষের মন ও আত্মার গভীরে আলোড়ন তোলে, চিন্তা, বিশ্বাস এবং অন্তর্নিহিত রূপান্তরের প্রেরণা জাগায় (PM Modi)। গভীর বেদনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ অধ্যায়, যখন মাহমুদ গজনি সোমনাথ মন্দির আক্রমণ করে (Somnath Temple)। তার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিশ্বাস ও সভ্যতার এক শক্তিশালী প্রতীককে মুছে ফেলা। ইতিহাসের বর্ণনায় পাওয়া যায়, সেই আক্রমণে স্থানীয় মানুষের সীমাহীন কষ্ট ও মন্দিরের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের কথা – যা পড়লে আজও বুক কেঁপে ওঠে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই আক্রমণ কেবল একটি কাঠামোর ওপর নয়, বরং ছিল একটি সম্পূর্ণ সভ্যতার আত্মা ও পরিচয় ধ্বংস করার চেষ্টা।

    সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাস ধ্বংসের নয়

    বারবার আক্রমণ ও শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অস্থিরতার মধ্যেও সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাস ধ্বংসের নয়, বরং পুনরুত্থানের, এ কথাও জোর দিয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২৬ সালে ভারত সোমনাথ মন্দিরে প্রথম আক্রমণের এক হাজার বছর পূর্তি উদযাপন করবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি আবার তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ১৯৫১ সালের মে মাসে স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের উপস্থিতিতে মন্দিরের আধুনিক পুনর্নির্মাণের উদ্বোধনের ৭৫ বছরও তখন পূর্ণ হবে (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী জানান, স্বাধীনতার পর সোমনাথ মন্দির পুনর্গঠনের পবিত্র দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। এর মধ্য দিয়েই সোমনাথ স্বাধীন ভারতের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের অন্যতম প্রথম প্রতীক হয়ে ওঠে (Somnath Temple)।

    ভারতের জাতিসত্তার অবিরাম জীবনপ্রবাহের প্রতীক

    প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, কীভাবে সোমনাথ ধীরে ধীরে ভারতের সভ্যতাগত প্রতিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিবার মন্দির ধ্বংস করা হলেও, প্রতিবারই ভারতীয় সমাজ নতুন করে উঠে দাঁড়িয়ে তা পুনর্নির্মাণ করেছে। তিনি আহিল্যাবাই হোলকারের মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, যাঁরা সোমনাথ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ১৮৯৭ সালে চেন্নাইয়ে স্বামী বিবেকানন্দের দেওয়া সেই ঐতিহাসিক বক্তৃতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে স্বামীজি বলেছিলেন, “এই প্রাচীন মন্দিরগুলির অনেকগুলিই শত শত আক্রমণ ও শত শত পুনর্জন্মের চিহ্ন বহন করে, বারবার ধ্বংস হয়েছে, আবার ধ্বংসস্তূপ থেকেই বারবার উঠে দাঁড়িয়েছে।” প্রধানমন্ত্রীর মতে, সোমনাথ আসলে ভারতের জাতিসত্তার অবিরাম জীবনপ্রবাহের প্রতীক। এটি এমন এক সভ্যতা, যা কখনও বিলুপ্ত হতে রাজি নয় (PM Modi)।

    আধুনিক ভারতের সঙ্গে তুলনা

    আধুনিক ভারতের সঙ্গে তুলনা টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের ভারতও সেই একই অদম্য মানসিকতা নিয়ে বিশ্বমঞ্চে পুনরুত্থান ঘটাচ্ছে (Somnath Temple)। যোগ, আয়ুর্বেদ থেকে শুরু করে প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাধ্যমে ভারত আজ বিশ্বকে উদ্ভাবন, সংস্কৃতি, সুস্থ জীবনযাপন ও সমস্যার সমাধান দিতে এগিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, সোমনাথের টিকে থাকা শুধু বিশ্বাসের শিক্ষা দেয় না, আত্মবিশ্বাসেরও শিক্ষা দেয়। শত শত বছরের আক্রমণের পরেও যদি একটি সভ্যতা বারবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তবে আধুনিক ভারতও তার ঐতিহাসিক গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে পারে (PM Modi)। প্রভাস পাটনের তটে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের মাঝেও, প্রধানমন্ত্রী লেখেন, সোমনাথ আজও দীপ্তিময়, অটুট এবং চিরন্তন হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে (Somnath Temple)।

  • PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাগত ২০২৬! নতুন বছরে পা রাখল বিশ্ব। পৃথিবীর নানা প্রান্তে যখন নতুন বর্ষবরণের আনন্দ, সেই সময়ে দেশের মানুষকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Wishing New Year) ও রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু। দেশকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার বার্তা দিলেন। দেশবাসীর উন্নতিতে প্রার্থনা করলেন। আহ্বান জানালেন সমৃদ্ধ ভারত গঠনের।

    প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির বার্তা

    নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ভারতে এবং ভারতের বাইরে বসবাসকারী সকল ভারতীয়কে (Indian) শুভেচ্ছা জানান। তিনি জানান, “নতুন বছর শক্তির পুণর্নবীকরণ এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। একই সঙ্গে এটি আত্ম দর্শনের এবং নতুন সংকল্পেরও সুযোগ এনে দেয়। এই অবসরে জাতির উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং প্রকৃতির রক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আমরা আরও শক্তিশালী করি।” নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর জন্য প্রার্থনা করেন, যেন আগামী বছর প্রত্যেকের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে সকল প্রচেষ্টায় সফলতা ও সকল কার্যপূরণ হয়। তিনি বলেন, “আমাদের সমাজের শান্তি এবং সুখ প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা করি। আশা রাখি ২০২৬ আমাদের জীবনে শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক এবং আমাদের মধ্যে নতুন শক্তি সঞ্চারিত করুক যাতে আমরা আরও শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে পারি। “

    বিশ্বজুড়ে বর্ষবরণ

    নববর্ষের আগের রাত শুরু হতেই বিশ্বজুড়ে মানুষ আতশবাজি, পারিবারিক জমায়েত এবং নতুন বছরের সংকল্পের মাধ্যমে আগামী বছরকে স্বাগত জানানো শুরু করেছিলেন সকলে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে সবাই উদযাপনে মেতে উঠেছিলেন। এই বিশ্বব্যাপী উদযাপনের সূচনা করে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি, যা ক্রিসমাস আইল্যান্ড নামেও পরিচিত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানানো হয়েছে। মধ্যরাত যত এগিয়ে আসছে, ততই উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠছে ভারতের নানা শহরও। বড় শহর থেকে শুরু করে ছোট শহর—সর্বত্রই পার্টি, আলোর সাজ, আতশবাজি এবং পারিবারিক ও বন্ধুমহলের জমায়েতে উচ্ছ্বাসের আবহ। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্লাব ও খোলা প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অনেকেই আবার বাড়িতেই প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা করছেন। মন্দিরে প্রার্থনা, বাড়িতে বিশেষ রান্না এবং শুভেচ্ছা বার্তা আদানপ্রদানের মধ্য দিয়ে অনেক পরিবার নতুন বছরের সূচনা করতে চান।

  • Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সরকারি বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংঘাত বন্ধ করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিই কূটনৈতিক আলাপ আলোচানার ওপর জোর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই উত্তেজনা ফের আরেকবার প্রকাশ্যে চলে আসায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন (Narendra Modi)

    রাশিয়া সরকারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) সতর্ক করে বলেন, কোনও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করতে পারে। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-হ্যান্ডলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমি রাশিয়ান (Vladimir Putin) ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার খবরে ভীষণ ভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি সব পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান যা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে পারে। তাই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন করবো।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এলো যখন এর আগের দিন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ অভিযোগ করেন যে ইউক্রেন মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মধ্যবর্তী নভগোরোদ অঞ্চলে পুতিনের সরকারি বাসভবনে দূরপাল্লার ৯১টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। লাভরভ দাবি করেন, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে, তিনি এই বলেও সতর্ক করেন যে এই হামলার কারণে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার ভূমিকা বদলে যাবে।”

    ভলোদিমির জেলেনস্কির অস্বীকার

    অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানানো বলে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কিয়েভে আক্রমণকে ন্যায় বিচার করুক। আসলে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন শান্তি আলোচনাকে দুর্বল করার জন্য এই মিথ্যা কাহিনী তৈরি করা হচ্ছে।”

    তবে ভারত শুরু থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন (Vladimir Putin) সংঘাতে সংলাপ এবং কূটনীতিকেই শান্তির একমাত্র স্থায়ী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) এই বিবৃতি সেই অবস্থানকেই পুনর্বার তুলে ধরে, যেখানে তিনি সকল পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে বা চলমান কূটনৈতিক চ্যানেলগুলিকে দুর্বল করতে পারে।

  • Ethiopia: ইথিওপিয়া সফর সেরে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, বড় লাভ হল ভারতের

    Ethiopia: ইথিওপিয়া সফর সেরে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, বড় লাভ হল ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথমবার ইথিওপিয়া (Ethiopia) সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (India)। আর তাতেই মাত করে ফেলেছেন বাজি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই ইথিওপিয়া সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুণগত উত্তরণ ঘটিয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করা হয়েছে এবং বাণিজ্য, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও জনকেন্দ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতাকে এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে। উভয় সরকারের ঘোষিত ফলগুলি স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে, কীভাবে নয়াদিল্লি ও আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়ার রাজধানী) কয়েক দশকের রাজনৈতিক সদিচ্ছাকে বাস্তবে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক সাফল্যে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছে।

    ভারত ও ইথিওপিয়ার সম্পর্ক (Ethiopia)

    ভারত ও ইথিওপিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বরাবরই ঘনিষ্ঠ ছিল। এই সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিকভাবে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করা সেই ঐতিহ্যকে সমসাময়িক বাস্তবতায় দৃঢ় ভিত্তি দিচ্ছে। এর মাধ্যমে শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ, লোহিত সাগর–হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এবং আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত আফ্রিকান ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক সেতু গড়ে ওঠার সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলছে। ইথিওপিয়ার জন্যও এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অর্থনৈতিক চাপ ও জটিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের এই সময়ে বহির্বিশ্বের সঙ্গে অংশীদারিত্বকে বৈচিত্র্যময় করার একটি কার্যকর পথ হিসেবেও এই উদ্যোগ কাজ করছে (India)।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের গুরুত্বপূর্ণ দিক 

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নিরাপত্তা সহযোগিতা, বিশেষ করে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে। রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সহযোগিতার জন্য একটি ইমপ্লিমেন্টিং অ্যারেঞ্জমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা শান্তিরক্ষায় অন্যতম বৃহৎ সেনা-অবদানকারী দেশ হিসেবে ভারতের অভিজ্ঞতা এবং আফ্রিকা-কেন্দ্রিক মিশনে সেনাদল মোতায়েনের ক্ষেত্রে ইথিওপিয়ার সুনামের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যৌথ প্রশিক্ষণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে উভয় দেশই পারস্পরিক কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারবে এবং রাষ্ট্রসংঘের সেই সব ফোরামে রাজনৈতিক প্রভাব অর্জন করবে, যেখানে শান্তিরক্ষা সংস্কার ও ম্যান্ডেট নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে।

    সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াই

    সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াই এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তাও কৌশলগত আলোচনার অংশ ছিল। এর কারণ হল লোহিত সাগরের (Ethiopia) গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথগুলির কাছে ইথিওপিয়ার অবস্থান এবং পশ্চিম ভারত মহাসাগরে ভারতের ক্রমবর্ধমান নৌ উপস্থিতি। আনুষ্ঠানিকভাবে একে কোনও সামরিক জোট বলা না হলেও, এই অংশীদারিত্ব আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে উগ্রপন্থার বিস্তার এবং বিরাট শক্তিগুলির প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে সূক্ষ্মভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

    অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই সফরের লক্ষ্য

    অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই সফরের লক্ষ্য হল প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনামূলকভাবে সীমিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পথে থাকা কিছু বাধা দূর করা। যদিও ভারত ইথিওপিয়ার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। শুল্ক বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক প্রশাসনিক সহায়তা সংক্রান্ত চুক্তির উদ্দেশ্য হল নথিপত্রের জটিলতা কমানো, তথ্য আদান-প্রদান উন্নত করা এবং চোরাচালান বা ভুল ইনভয়েসিংয়ের মতো সমস্যার মোকাবিলা করা, যা উভয় দেশের রাজস্বের ক্ষতি করতে পারে (Ethiopia)।

    ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য মউ স্বাক্ষরিত

    সমান গুরুত্বপূর্ণ হল ইথিওপিয়ার বিদেশমন্ত্রকে একটি ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য মউ স্বাক্ষরিত হওয়া। এটি সরাসরি ভারতের ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার রফতানির উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত, যার মধ্যে পরিচয়, লেনদেন (India) ও শাসনব্যবস্থার জন্য নিরাপদ ও স্বল্পব্যয়ী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত। অনেক আফ্রিকান দেশই এগুলিকে পুরানো ব্যবস্থা এড়িয়ে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথ হিসেবে দেখছে। টেলিকম ও আর্থিক খাতের মতো ক্ষেত্রগুলি উদারীকরণে এগিয়ে থাকা ইথিওপিয়ার জন্য, নিরাপদ ডেটা কাঠামো গড়ে তুলতে ভারতের সহায়তা প্রযুক্তিগত সুবিধার পাশাপাশি রাজনৈতিক নিশ্চয়তাও জোগায়।

    জি২০ কমন ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে ইথিওপিয়ার ঋণ পুনর্গঠন

    রাজনৈতিক দিক থেকে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ফলগুলির একটি হল জি২০ কমন ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে ইথিওপিয়ার ঋণ পুনর্গঠন সংক্রান্ত মউ স্বাক্ষরিত হওয়া। ইথিওপিয়া দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চ বৈদেশিক ঋণের চাপ ও বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির সঙ্গে লড়াই করছে। এই বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়ায় ভারতের সমর্থন আদ্দিস আবাবার জন্য বড় ঋণদাতাদের সঙ্গে পুনর্গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় একদিকে যেমন নমনীয়তা যোগ করছে, তেমনই আলোচনার বিশ্বাসযোগ্যতাও বাড়াচ্ছে। নয়াদিল্লির দৃষ্টিতে এটি সার্বভৌম ঋণ সংকটে গ্লোবাল সাউথ-বান্ধব একটি দৃষ্টিভঙ্গির উদাহরণ, যা অন্য কিছু বড় শক্তির তথাকথিত অস্বচ্ছ বা নিরাপত্তা-সংযুক্ত ঋণদানের ধারণার স্পষ্ট বিরোধী (Ethiopia)।

    মহাত্মা গান্ধী হাসপাতালের ক্ষমতা বাড়াতে ভারতের প্রতিশ্রুতি

    এই সফরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল ‘জনকেন্দ্রিক’ ফলের ওপর জোর। এই শব্দবন্ধটি প্রধানমন্ত্রী নিজেই তাঁর বক্তব্যে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। আদ্দিস আবাবার মহাত্মা গান্ধী হাসপাতালের ক্ষমতা বাড়াতে ভারতের (India) প্রতিশ্রুতি, বিশেষ করে মাতৃ ও নবজাতক পরিচর্যার ক্ষেত্রে, ইথিওপিয়ার জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকারের সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের একটি দৃশ্যমান ও উচ্চ-প্রভাবযুক্ত প্রকল্প হিসেবেও সামনে আসে। বিশেষায়িত ইউনিট নির্মাণ, চিকিৎসাকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং অত্যাবশ্যক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ – এসব উদ্যোগ শহর ও শহরতলি এলাকার মহিলা ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে (Ethiopia)।

    ইথিওপীয় শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা দ্বিগুণ

    মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে আইসিসিআর কর্মসূচির আওতায় ইথিওপীয় শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা দ্বিগুণ করা এবং আইটিইসি কাঠামোর অধীনে এআই বিষয়ক স্বল্পমেয়াদি বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা – এই দুই উদ্যোগ ইথিওপিয়ার অভিজাত মহলের ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের দীর্ঘ ঐতিহ্যকে আরও বিস্তৃত করছে। বিশেষত এআই-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কোর্সগুলি আদ্দিস আবাবার প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি একই সঙ্গে প্রশাসনিক কাঠামোকে উদীয়মান প্রযুক্তি বোঝার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করবে। এসব উদ্যোগ এমন এক প্রজন্মের ইথিওপীয় পেশাজীবী গড়ে তুলছে, যাঁদের ভারত-অভিজ্ঞতা বাস্তব ও প্রত্যক্ষ – যা কোনও একক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমেও অর্জন করা সম্ভব নয়, এবং যা ভারতের সফট পাওয়ারকে দীর্ঘমেয়াদে আরও গভীর ও শক্তিশালী করে তোলে।

    গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরীক্ষাক্ষেত্র

    একটু পিছনের দিকে তাকালে দেখা যায়, এই সফরের ফলগুলি এটা স্পষ্ট করে যে, ভারত আফ্রিকার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাকে সমমর্যাদার অংশীদারিত্ব হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে, যার মূল লক্ষ্য সক্ষমতা গঠন, স্থিতিশীলতা এবং স্বনির্ভরতা, কোনও শোষণমূলক চুক্তি নয়। আফ্রিকার একটি জনবহুল রাষ্ট্র হিসেবে (India), আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দফতরের আতিথ্যকারী এবং লোহিত সাগর, নীল নদের অববাহিকা ও বিস্তৃত হর্ন অব আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থানকারী ইথিওপিয়া এই মডেলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরীক্ষাক্ষেত্র (Ethiopia)। ঋণমকুব, ডিজিটাল পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য সহযোগিতা, শিক্ষা এবং নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ – এই সব কিছুকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত প্যাকেজে উপস্থাপন করার মাধ্যমে মোদি–আবিই রোডম্যাপ দক্ষিণ–দক্ষিণ সহযোগিতার একটি বিকল্প বয়ান হাজির করছে, এমন একটা সময়ে যখন হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চল এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাপনা উভয়ই চাপের মুখে রয়েছে। যদি এই উদ্যোগগুলির বাস্তব প্রতিফলন ফিল্ড লেভেলে দেখা যায়, যেমন দ্রুততর শুল্ক ছাড়পত্র, কার্যকর একটি ডেটা সেন্টার, আরও ভালোভাবে সজ্জিত সরকারি হাসপাতাল, এবং ভারতীয় সহায়তায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আরও বেশি ইথিওপীয় ছাত্র ও শান্তিরক্ষী, তাহলে ভারত–ইথিওপিয়ার কৌশলগত অংশীদারিত্ব নয়াদিল্লির জন্য মহাদেশের অন্যত্রও অনুসরণযোগ্য একটি মডেলে পরিণত হতে পারে (Ethiopia) ।

LinkedIn
Share