Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

  • Modi Pezeshkian Discussion: ‘জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিতই ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার’ ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির

    Modi Pezeshkian Discussion: ‘জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিতই ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার’ ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তির বার্তা নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাসুদ পেজেশকিয়ানের (Masoud Pezeshkian) সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মধ্যপ্রাচ্য যখন কার্যত বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে, ঠিক সেই সময়েই গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিলেন মোদি (Modi Pezeshkian Discussion)। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা, সেইসঙ্গে পণ্য ও জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করাই এখন ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার। ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ওই অঞ্চলে বাড়তে থাকা সংঘাত, সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদি। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সোশ্যাল হ্য়ান্ডেলে সেই আলোচনার কথা তুলে ধরলেন।

    আন্তর্জাতিক মহলকে উদ্যোগী হওয়ার বার্তা

    সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবিক দিকটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে উদ্যোগী হতে হবে। মোদি বলেন, “ওই অঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেছি।” পশ্চিম এশিয়ায় যেভাবে যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, যেভাবে একের পর এক হামলায় সাধারণ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, “ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় যেভাবে উত্তেজনার আবহে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে, প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।”

    ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক স্বার্থে জোর

    আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্ট করে জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পাশাপাশি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ এবং পণ্য পরিবহণ যাতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে, সেই বিষয়টিও তিনি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন। মোদি নিজেই তাঁর পোস্টে জানান, যুদ্ধের আবহে ভারতের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত কয়েক লক্ষ ভারতীয়র সুরক্ষাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

    ভারত শান্তি এবং সুস্থিতির পক্ষে

    ভারত সরকার এই সংকট সমাধানে কূটনৈতিক সংলাপ ও আলোচনার পথেই জোর দিচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব পক্ষকে সংযম ও আলোচনার পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারত যে কোনওভাবেই যুদ্ধ চায় না, বরং আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজার পক্ষপাতী, তা আবারও বিশ্বমঞ্চে মনে করিয়ে দিয়েছেন মোদি। তিনি তাঁর পোস্টে লেখেন, “শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের কথা আবারও ওনাকে বলেছি। আলোচনা ও কূটনীতির পথে হাঁটার আহ্বান জানিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী মোদির এই বার্তা আবার প্রমাণ করেছে ভারত শান্তি এবং সুস্থিতির পক্ষে।

    মোদিকে বার্তা পেজেশকিয়ানের

    মোদিকে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না। তবে তারা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং ইরানের স্কুল ছাত্রীদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর। এদিকে এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে ব্রিকস গোষ্ঠীর ভূমিকার তাৎপর্য তুলে ধরেন পেজেশকিয়ান। এর আগে ১১ মার্চ রুশ এবং পাক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরে পেজেশকিয়ান জানিয়েছিলেন, তিন শর্তে ইরান যুদ্ধ বন্ধে রাজি হবে- আন্তর্জাতিক স্তরে ইরানের ন্যায্য অধিকার মেনে নিতে হবে। সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবং ভবিষ্যতে যাতে আর কোনও হামলা না ঘটে সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ

    বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) ইতিমধ্যেই ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির (Abbas Araghchi) সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। এই আলোচনায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    ইরানে থাকা ভারতীয়দের সহায়তা

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে ইরানে প্রায় ৯ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছাত্র ও তীর্থযাত্রীরা আছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সংকটের সময় অনেক ভারতীয়কে ইতিমধ্যেই দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরানো হয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপদ এলাকায় স্থানান্তর করার কাজও চলছে। সামগ্রিকভাবে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস যারা দেশ ছাড়তে চান তাদের জন্য বিশেষ সহায়তা দিচ্ছে। প্রয়োজনে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের স্থলপথ ব্যবহার করে সেখান থেকে বাণিজ্যিক বিমানে ভারতে ফেরার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দূতাবাস ভিসা প্রক্রিয়া, সীমান্ত পারাপার এবং যাত্রাপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছে।

    ‘হরমুজ প্রণালী’

    এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে এই সংকটের আবহে বৃহস্পতিবার সংবাদসংস্থা রয়টার্স প্রথমে ভারতীয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করে, ভারত এবং ইরান, দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্য়ে কথা হওয়ার পর, ভারতের জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসার অনুমতি দিয়েছে ইরান। কিন্তু পরে সংবাদসংস্থা রয়টার্স-ই ইরানের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানায় যে, ভারতের সঙ্গে ইরানের এরকম কোনও চুক্তি হয়নি। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের বিদেশমন্ত্রী ও ইরানের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে সম্প্রতি ৩ বার কথোপকথন হয়েছে। শেষ কথা হয়েছে জাহাজ পরিবহণের নিরাপত্তা এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে। এর বেশি আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।” তবে বুধবারই হরমুজ পার করে আসা একটি জাহাজ মুম্বইতে পৌঁছেছে। এর আগে অবশ্য গোটা বিশ্বের উদ্বেগ বাড়িয়ে ইরানের সদ্য় মনোনীত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই হুঙ্কারের সুরে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনওভাবেই ‘হরমুজ প্রণালী’ (Strait of Hormuz) খোলা হবে না। এটাকে আমেরিকা ও ইজরায়েলকে চাপে রাখার কৌশল হিসাবে ব্যবহার করা হবে। তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, “শহিদদের মৃত্যুর বদলা আমরা নেবই। কারণ, তাঁরা আমাদের সর্বোচ্চ নেতার জন্য জীবন দিয়েছেন।”

    মোদির বার্তা, ভারত-ইরান যোগ কূটনৈতিক উদ্যোগ

    আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের (US-Iran Conflict) অবিরাম যুদ্ধ চলছে। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। একের পর এক প্রাণহানি হচ্ছে। এদিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ যেতে না দিয়ে ইজরায়েল-আমেরিকার পাশাপাশি কার্যত গোটা বিশ্বের মাথাব্য়াথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরান। কারণ এই রুট দিয়েই তেলবহনকারী জাহাজগুলি যাতায়াত করে। একমাত্র রাশিয়া ও চিনকে ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে জাহাজ চলাচল করার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতমাসে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তাঁদের কথা হল। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকা-ইজরায়েল তো বটেই এবং ইরানের সঙ্গেও ভারতের সুসম্পর্ক রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে শান্তি ও কূটনীতির বার্তা দিলেন, তা বিশ্বমঞ্চে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থানের দৃঢ়তাই আরও স্পষ্ট করছে।

  • India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে নতুন সূর্যোদয়। এতদিন ধরে ক্ষমতার রাশ ধরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলিকে কার্যত ধুয়ে মুছে দিয়েছে নেপালের (India Nepal Relation) নয়া রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। প্রায় দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছেন নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ (Balen Shah To PM Modi)। নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ৩৫ বছরের বলেন্দ্র। তাঁর জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার বলেন্দ্রকে ফোন করে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার নেপালের রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টির নেতা, বলেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী মোদিকে তার শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের জন্য শাহ ভারত ক্রিকেট দলকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    ভারতকে অভিনন্দন বালেন শাহ-র

    প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন জানিয়ে লেখা পোস্টের জবাবে শাহ লিখেছেন, “শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। আমি আমার আস্থা প্রকাশ করছি যে আমরা আগামী দিনে নেপাল ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, ঘনিষ্ঠ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী, গভীর এবং আরও ফলাফলমুখী করার জন্য একসঙ্গে কাজ করব।” টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের জন্য ভারতকে অভিনন্দন জানিয়ে শাহ বলেন, টানা দুইবার সফলভাবে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের জন্য ভারত সরকার এবং ভারতীয় জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন। এর আগে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বালেনের পাশাপাশি আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানের সঙ্গেও কথা বলেন। সেই ফোনালাপের কথা এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। লেখেন, “আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানে এবং অন্যতম নেতা বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে কথা হয়েছে। জয়ের জন্য দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছি। নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আমরা দুই দেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং কল্যাণের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি নিশ্চিত আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা আগামী বছরগুলিতে ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।”

    নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ

    উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনের জেরে ওলি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনা শেষে সে দেশের নির্বাচন কমিশন ৫ মার্চ পার্লামেন্ট নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে। সেইমতো বৃহস্পতিবার নেপালে ১৬৫টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। লড়াইয়ে ছিল ৬৫টি রাজনৈতিক দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলে এবারের নির্বাচনে কোনও দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সন্দেহ ছিল। কেউ ভাবতে পারেননি প্রাক্তন র‍্যাপার বালেন শাহের নেতৃত্বে নবগঠিত রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) সংসদীয় নির্বাচনে প্রথম সারির প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হবে। কিন্তু সেটাই হতে চলেছে। কারণ, নেপালের জেন জি-র বড় অংশের পছন্দ ছিলেন বালেন শাহ। কমিশনের রিপোর্ট বলছে, ১৬৫ আসনের মধ্যে ১২৫ আসনে জয় পেয়েছে আরএসপি। ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল ৮টি আসন জয়ের পথে। নেপালি কংগ্রেসও দুই অঙ্ক পার করতে পারেনি।

  • BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের একটি দাবিকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে উল্লেখ করে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা সেটির সত্যতা যাচাই করে পাল্টা জবাব দেয়।

    তৃণমূলের দাবি (BJP Fact Checks)

    রাষ্ট্রপতির সফরের সময় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তৃণমূল একটি ভিডিও-সহ পোস্টে দাবি করে, “প্রধানমন্ত্রী বারবার রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান করার বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু এই ছবিটি ভালো করে দেখুন। দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, আর প্রধানমন্ত্রী আরামে চেয়ারে বসে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মানের সব দাবি তখনই ফাঁপা মনে হয়, যখন এমন দৃশ্য তাঁর পদকে অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।” ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটা আপনার জন্য। আপনি কি রাষ্ট্রপতিকে—যিনি একজন নারী এবং একজন আদিবাসী নেতা—সম্মান করেন? তাহলে রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে আছেন কেন? আমি আপনাদের সবাইকে দেখালাম, আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি, কিন্তু তারা করে না। এই ছবিই প্রমাণ করে কে সম্মান করে, আর কে করে না।”

    বিজেপির জবাব

    এর জবাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “টিএমসির ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি আবার সক্রিয়। টিএমসির তৈরি করা ক্ষোভের আসল সত্য হল, ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানের সময় সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, পুরস্কার প্রদান চলাকালীন উপস্থিত অন্যরা বসে থাকেন। এখানে শিষ্টাচার ভঙ্গের কোনও ঘটনা ঘটেনি।” তারা আরও বলে, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতরত্ন এলকে আডবাণীকে ঘিরে একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তকে তুচ্ছ রাজনৈতিক লাভের জন্য বিকৃত করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভুয়ো তথ্য ছড়াবেন না।” এ কথা বলার সময় বিজেপি প্রায় দু’বছরের পুরানো একটি ভিডিও-ও শেয়ার করে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ মার্চ ২০২৪-এ, যখন রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী মোদি এলকে আডবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির উষ্মা

    শনিবার রাষ্ট্রপতি দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলে শুরু হয় বিতর্ক। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না? তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত উপস্থিত থেকে স্বাগত জানানো, এবং অন্য মন্ত্রীরাও থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল বদল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। তবে তারিখ নির্ধারিত থাকায় আমি এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। তিনি কেন অসন্তুষ্ট, তা আমি জানি না।” অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এও বলেন, “আমি জানি না কেন রাজ্য প্রশাসন সেখানে সভা করার অনুমতি দেয়নি। আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। হয়তো রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না!”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যাঁরা গণতন্ত্র ও আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই হতাশ। নিজে আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশ করা বেদনা ও ক্ষোভ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে।” ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাষ্ট্রপতির সফরে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অনুষ্ঠানস্থলের দুর্বল প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতির দফতরকে।

     

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

  • India Canada Sign: ২৬০ কোটি ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি সই ভারত-কানাডার

    India Canada Sign: ২৬০ কোটি ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি সই ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal) স্বাক্ষর করল ভারত ও কানাডা (India Canada Sign)। সোমবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় ওই চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী, ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউরেনিয়াম খনন কাজে যুক্ত কানাডাভিত্তিক সংস্থা ক্যামকো (Cameco) ২০২৭ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রায় ২২ মিলিয়ন পাউন্ড ইউরেনিয়াম ভারতে সরবরাহ করবে।

    যৌথ বিবৃতি (India Canada Sign)

    বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহের জন্য আমরা একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছি। আমরা ক্ষুদ্র মডুলার রি-অ্যাক্টর এবং উন্নত রি-অ্যাক্টর ক্ষেত্রেও একসঙ্গে কাজ করব।” দুই নেতা এ বছর একটি নতুন বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) স্বাক্ষরের লক্ষ্যে আলোচনা চূড়ান্ত করতেও রাজি হন। এর পর নয়াদিল্লিতে প্রধান আলোচকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং সিইপিএর শর্তাবলী চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হবে। ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উষ্ণতার স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে প্রতিরক্ষা, কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং জ্বালানি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে (Uranium Supply Deal)।

    কী বললেন মোদি

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।” তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার কোটি ডলার। ওই বিবৃতি অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি উৎসে সহযোগিতা জোরদার এবং সরবরাহ শৃঙ্খল বৈচিত্র্যময় করার জন্য দুটি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে (India Canada Sign)। যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, কানাডার পেনশন তহবিলগুলি ভারতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ভারতের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার প্রতি তাদের আস্থার প্রতিফলন।

    কার্নির ভারত সফর

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পর এই প্রথম কোনও কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করলেন। এর আগে জাস্টিন ট্রুডো সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। ২০২৪ সালে কানাডা খালিস্তানি চরমপন্থীদের আশ্রয় দিচ্ছে, এই অভিযোগে ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করলে দুই দেশই একে অন্যের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে (India Canada Sign)। কার্নির সরকার এই পরিস্থিতি বদলাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সোমবার কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, “গত দু’দশকের যে কোনও বছরের তুলনায় এ বছর কানাডা ও ভারত সরকারের (Uranium Supply Deal) মধ্যে বেশি এনগেজমেন্ট হয়েছে।”

     

  • India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও কানাডা (India And Canada) অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India And Canada)

    নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদি ও কার্নির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হয়।  সেখানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে কার্নি লেখেন, “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক-সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

    ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরাম

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কার্নি এদিন বিকেলে ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে কার্নির এই সফর (Mark Carney)। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক উদ্বেগ ও সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান, জনগণ-স্তরের দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন (India And Canada)। এদিন দিনের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, মোদি-কার্নি বৈঠকের আগে। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছি (Mark Carney)।”

    ভারত সফরে সস্ত্রীক কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কার্নি, তাঁর স্ত্রী ডায়ানা ফক্স কার্নিকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রথম সরকারি সফরে শুক্রবার মুম্বই পৌঁছেছিলেন। সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে আসেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছি। কানাডা ও ভারত দুই আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ, যারা একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের জনগণের জন্য আরও নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা জ্বালানি, প্রতিভা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি (India And Canada)।”

    মুম্বইয়ে কার্নি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডিয়ান পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন (Mark Carney)। শুক্রবার মুম্বই পৌঁছানোর পর কার্নি ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি বলে অভিহিত করেছিলেন। কানাডীয় কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি (India And Canada)। নভেম্বর ২০২৫-এ জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে সর্বশেষ মোদি-কার্নি সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে মোদি জানিয়েছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভারত (Mark Carney)।

     

  • Modi on Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে শান্তির আহ্বান! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠক, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা মোদির

    Modi on Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে শান্তির আহ্বান! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠক, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে সদা সতর্ক ভারত (Modi on Iran Israel War)। রবিবার রাতেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিয়োরিটি)-র বৈঠক আয়োজন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসার বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, বলে খবর। অন্যদিকে, পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রবিবার রাতে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন ৷ অসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার উপর তিনি বিশেষ জোর দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত এই হানাহানি বন্ধ করার কথাও বলেন ৷ প্রধানমন্ত্রী মোদি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৷ এই অঞ্চলে উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

    ভারতীয়দের নিরাপদে উদ্ধার নিয়ে আলোচনা

    ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলায় উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য রবিবার রাতেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিএস) একটি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ মন্ত্রিসভা কমিটি সমস্ত বিভাগকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়ার কথা বলেছে ৷ দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে সংলাপ ও কূটনীতিতে ফিরে আসার উপরও জোর দিয়েছে ভারত ৷ দু’দিনের সফরে গুজরাট, রাজস্থান, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু সফর সেরে রবিবার রাতে দিল্লি ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। রাত সাড়ে ৯টায় দিল্লিতে ফিরেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে যোগ দেন মোদি। সূত্রের দাবি, রবিবার রাতের বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন দিল্লি

    ইরান এবং ওমানের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ জলভাগ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। বিশ্বের মোট রফতানিযোগ্য এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ ধরেই রফতানি করা হয়। আর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। তা ছাড়া, ভারত অভ্যন্তরীণ জ্বালানি-চাহিদা পূরণে ৮০ শতাংশ তেল অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করে থাকে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে তেল কেনে ভারত। এই পরিস্থিতিতে পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প উপায় নিয়েও রবিবার রাতের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বিবৃতি

    সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য সিসিএস বৈঠক হয়েছে ৷ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অঞ্চলে বৃহৎ ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিটি ৷” বৈঠকে এই অঞ্চলে যাতায়াতকারী সাধারণ ভারতীয় পর্যটক, শিক্ষার্থীদের অসুবিধা, সেইসঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের উপর কী কী প্রভাব পড়বে তা নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সিসিএস সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে এই ঘটনাবলীর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত শত্রুতা বন্ধ করে সংলাপ ও কূটনীতিতে ফিরে আসার গুরুত্বের উপরও জোর দিয়েছে কমিটি ৷” সিসিএস সভায় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব পিকে মিশ্র এবং শক্তিকান্ত দাস, প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিভি সোমনাথন এবং বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি উপস্থিত ছিলেন।

    দুবাই হামলার তীব্র নিন্দা

    এছাড়াও ইরানের দুবাই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi on West Asia Crisis)৷ রবিবার রাতে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন৷ জানান যে, এই কঠিন সময়ে সংহতির সঙ্গে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পাশে থাকবে। নরেন্দ্র মোদি দুবাইয়ে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষা প্রদানের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ৷ তিনি বলেছেন যে, নয়াদিল্লি উত্তেজনা হ্রাস, আঞ্চলিক শান্তি, সুরক্ষা এবং স্থিতিশীলতা সমর্থন করে। এক্স পোস্টে মোদি লেখেন, “সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট, আমার ভাই শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই হামলায় প্রাণহানির জন্য সমবেদনা জানাই। এই কঠিন সময়ে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে থাকবে৷ সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। আমরা উত্তেজনা কমানো, আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা সমর্থন করি।”

    বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা

    ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। পালটা হামলা চালাচ্ছে তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার রাতেই মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা পরিষদের (ক্যাবিনেট কমিটি অফ সিকিয়োরিটি) জরুরি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে ইরান-ইজরায়েল-সহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানো, যুদ্ধে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এরপরই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদি। সোশাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে ভারত যথেষ্ট উদ্বেগ তাও তাঁকে জানানো হয়েছে ৷ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার হিসেবে দেখার কথা বলা হয়েছে ৷”

    ভারতীয় নাগরিকদের আশ্বাস বিদেশমন্ত্রকের

    সূত্রের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় বসবাসরত এবং বর্তমানে বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে। সামরিক উত্তেজনার জেরে পশ্চিম এশিয়ার আকাশপথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুবাই, দোহা-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শতাধিক ভারতীয় যাত্রী আটকে পড়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে বহু মানুষ ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বর্তমানে ইরানে প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় নাগরিক বাস, পড়াশোনা ও কাজ করেন এবং ইজরায়েলে রয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার ভারতীয়। উপসাগরীয় ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে মোট প্রায় ৯০ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করেন। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলি সেখানকার ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং জরুরি সহায়তার জন্য হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়া-সহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ভারত সফলভাবে তার নাগরিকদের উদ্ধার করেছে বলেও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও কানাডা কীভাবে (Tata Group) অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    কার্নির বক্তব্য (Canada PM)

    এক্স হ্যান্ডেলে কার্নি লিখেছেন, “কানাডা ও ভারত—উভয়ই দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, যাদের জ্বালানি, প্রযুক্তি ও এআই খাতে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন এবং আমি মুম্বইয়ে সাক্ষাৎ করেছি—আমাদের দুই দেশ কীভাবে এই ক্ষেত্রগুলিতে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে উভয় দেশের মানুষের জন্য অধিকতর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফরে রয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম সরকারি ভারত সফর। কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে পৌঁছন। পরবর্তী দু’দিনে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডীয় পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন (Canada PM)।

    ভারত-কানাডা সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী কার্নির ১ মার্চ নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে কানানাস্কিসে এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে তাঁদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হবে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুই নেতা চলমান সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলি—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন, এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—পর্যালোচনা করবেন (Canada PM)। এছাড়াও তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে (Tata Group), দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

     

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

LinkedIn
Share