Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Barasat Road Show of Narendra Modi: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বারাসত পর্যন্ত ১১ কিমি রোড শো করবেন মোদি

    Barasat Road Show of Narendra Modi: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বারাসত পর্যন্ত ১১ কিমি রোড শো করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আগামী ৬ মার্চ বুধবার বারাসতে (Barasat) মহিলা সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি। ৫ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধেবেলায় কলকাতায় আসবেন। এরপর তিনি রাজভবনে রাত্রিবাস করবেন। রাজ্যে সন্দেশখালির নারী নির্যাতনের কথা বিশেষ ভাবে আলোচনায় প্রধান্য পাবে বলে মনে করা হচ্ছে এই সভায়। আবার একই সঙ্গে ৬ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ফলে সবটা মিলিয়ে ভোটের আগে এই সভার গুরুত্ব ব্যাপক হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মোদির সভা (Barasat Meeting)

    ইতি পূর্বে সরকারি প্রকল্পের একাধিক শিলন্যাস এবং উদ্বোধন করতে গত ১ এবং ২ মার্চ রাজ্যের এসেছিলেন মোদি (Narendra Modi)। সেই সঙ্গে কৃষ্ণনগর এবং আরামবাগে বিশাল জনসভা করেন। সভায় রাজ্যের তৃণমূল শাসনের দুর্নীতির একাধিক বিষয়কে তুলে ধরে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি। একই ভাবে রাজ্যের নারী নির্যাতন এবং সন্দেশখালি প্রসঙ্গে মমতার সরকারকে তোপ দেগেছেন। এবার ৬ তারিখ বারাসতের কাছারি ময়দানে সভা করবেন। উত্তর ২৪ পরগনার নারী নির্যাতনের বিষয়কে হাতিয়ার করে আরও আক্রমণ তীব্র করতে দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল শাসনের অগণতান্ত্রিক আচরণ প্রধান্য পাবে তাঁর বক্তব্যে। বিমান বন্দর থেকে বারাসত (Barasat) পর্যন্ত মোট ১১ কিমি এলাকা রোড শো করবেন মোদি। জেলার প্রত্যেক মণ্ডল মণ্ডলে এই সভার লাইভ সম্প্রসারণ হবে। সারা দেশের মোট ৬ হাজার জায়গা থেকে লক্ষাধিক মহিলারা ভার্চুয়ালি অংশ গ্রহণ করবেন। জানা গিয়েছে হাওড়া ময়দান-এসপ্লানেড মেট্রো ইস্ট ওয়েস্ট উদ্বোধন করবেন মোদি।

    বিজপির বক্তব্য

    সোমবার রাতে বারাসতের (Barasat) সভাস্থল পরিদর্শন করতে আসনে বিজপির সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি বৈজয়ন্ত জয় পান্ডা এবং কেন্দ্রীয় মহিলা মোর্চার নেত্রীরা। বৈজয়ন্ত জয় পান্ডা মোদির সভা সম্পর্কে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নেতৃত্বে বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, লাখপতি দিদি সহ একাধিক নারী উন্নয়নের কাজ হয়েছে। এই কাজ আগে কখনও হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রীর সভায় এই জেলার সকল মা-বোনদের আহ্বান জানাচ্ছি। এই সভায় রাজ্যের মহিলা সংগঠক, কর্মী ও সমর্থকরা যোগদান করবেন।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনকে (Loksabha Elections 2024) সামনে রেখে ফের বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বারাসতের সভার পর আগামী শনিবার উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে ৯ মার্চ শিলিগুড়িতে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরামবাগ, কৃষ্ণনগরের মতো শিলিগুড়িতেও কিছু সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন তিনি। এছাড়াও ওই দিন সেখানে একটি জনসভা করার কথা তাঁর। উল্লেখ্য, বারাসতে সভার আগে মঙ্গলের রাতেই কলকাতায় পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi in Bengal)। তিনি রাজভবনে রাত কাটাবেন।

    শিলিগুড়িতে মোদি!

    রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফর আপাতত ৬ মার্চ শেষ হচ্ছে না। আগামী মঙ্গলবার কলকাতায় চলে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজভবনে রাত্রীবাস করার কথা তাঁর। তারপর আগামী ৯ মার্চ উত্তরবঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। শিলিগুড়িতে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি চব্বিশের লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক জনসভাও করবেন নরেন্দ্র মোদি। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে বা তৃতীয় সপ্তাহের শুরুতেই লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বলা যায়, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই বাংলায় অন্তত হাফ ডজন সভা করে ফেলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শনিবার শিলিগুড়ির সভা হলে নয় দিনে চারটি সভা করে ফেলবেন তিনি। 

    বারাসতে মোদি

    আগামিকাল, মঙ্গলবার রাতেই ফের কলকাতা আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তিনি থাকবেন রাজভবনে। রাত্রিবাসের পর বুধবার, ৬ মার্চ সকালে কলকাতায় সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে বারাসতের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সূত্রের খবর, ওড়িশায় কর্মসূচি সেরে বিমানে করে দমদম আসবেন মোদি ৷ সেখান থেকেই রাজভবনে যাবেন তিনি। এসপিজির কড়া নিরাপত্তায় গাড়ি চেপে রাত আটটা নাগাদ তাঁর ঢোকার কথা। বারাসতের সভায় সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’ মহিলাদের সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলতে পারেন মোদি। এদিনই প্রধানমন্ত্রী নদীর তলা দিয়ে দেশের প্রথম মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূল কংগ্রেস মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান, এখানকার দুষ্কৃতীরাই শেষ কথা বলে। কখন তারা আত্মসমর্পণ করবে আর কখন গ্রেফতার হবে। তৃণমূল মানেই অত্যাচার এবং দুষ্কৃতীর দ্বিতীয় নাম। তৃণমূল মানেই বিশ্বাসঘাতক। তৃণমূল সরকার সব স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করে তুলেছে। স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করায় মাস্টারি করেছে তৃণমূল।” তোপ দেগে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূল সরকারের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগকে হাতিয়ার করে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূল বার বার ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে অভিযোগ করলে পালটা মোদি জাবাব দিলেন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কী বললেন মোদি? (Krishna Nagar)

    কৃষ্ণনগর কলেজের মাঠে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) আজ বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের মানে বদলে গিয়েছে। টিএমসি-র নতুন মানে হল তু, ম্যায় অউর করাপশন হি করাপশান। বাড়ি বাড়ি গিয়ে যুবকরা একটি তথ্য দিন – মনরেগাতে ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি হয়েছে। যে জন্ম গ্রহণ করেননি তাঁরও ভুয়ো জবকার্ড তৈরি হয়েছে। যে টাকা গরিব শ্রমিকের প্রাপ্য ন্যায্য টাকা, তা তৃণমূলের তোলাবাজরা তুলে নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৬ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৫ বছর পর্যন্ত এই রেশন দেওয়া হবে। কিন্তু এই প্রকল্পে তৃণমূল জোর করে নিজেদের স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছে। ওঁরা গরিবের রেশন লুট করেছে।”

    মোদির গ্যারান্টি নিয়ে কী বললেন?

    কৃষ্ণনগর সভা থেকে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূলকে সমালোচনা করে আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি গ্যারান্টি দিয়েছিল কল্যাণীতে এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সেখানে আজ এইমস হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। তাও এ রাজ্যের তৃণমূল সরকারের পছন্দ হয়নি। বিজেপি সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্পে পাঁচ লাখ করে চিকিৎসায় টাকা দেওয়ার সুবিধা করেছে। কিন্তু টিএমসি সরকার তা কার্যকর করতে দিচ্ছে না এই রাজ্যে। স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে শুরু করে মেডিক্যাল কলেজ আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই রাজ্যের পাট চাষী এবং জুট মিলগুলির জন্য আরও অনেক টাকা বরাদ্দ করা হবে।”

    ১১ কোটি টাকা বিনিয়গের ঘোষণা

    এদিন জনসভায় যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally) কৃষ্ণনগর সরকারি সভায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত ৪ লেনের জাতীয় সড়ক উদ্বোধন করেন তিনি। বাজারসাউ-আজিমগঞ্জ ডবললাইন রেলপথের উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে পুরুলিয়ার তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের সূচনা করেন আজ। এই প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Rally in Krishnagar: আজ কৃষ্ণনগরে মোদির সভা, সিএএ নিয়ে কি বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

    Modi Rally in Krishnagar: আজ কৃষ্ণনগরে মোদির সভা, সিএএ নিয়ে কি বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Rally in Krishnagar)। আজ, ২ মার্চ বাংলায় মোদির সফরের দ্বিতীয় দিন। সামনে লোকসভা নির্বাচন। শনিবার সেই লক্ষ্যেই কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। তাঁর আগে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহর জুড়ে ট্র্যাফিক কন্ট্রোলও করা হয়েছে। শুক্রবার আরামবাগে জনসভা করেছেন মোদি। সেই মঞ্চ থেকে বাংলার শাসক দলকে নিশানা করেছেন তিনি। আজ কৃষ্ণনগরের জনসভায় সিএএ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কোনও বার্তা দেন কি না তার দিকেই নজর রয়েছে রাজনীতিকদের।

    আজ মোদির কর্মসূচি

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যে সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজভবন থেকে সড়ক পথে বেরবে মোদির কনভয়। ৯টা ৪০ মিনিটে আরসিটিসি হেলিপ্যাড থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনোর কথা মোদির। সাড়ে দশটা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সরকারি অনুষ্ঠান থেকে একাধিক সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সকাল ১১টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠান স্থল থেকে সড়ক পথে বেরিয়ে যাওয়ার কথা তাঁর। ১১টা ১০ মিনিটে এসে পৌঁছনোর কথা জনসভার স্থলে। সূচি অনুযায়ী সওয়া ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কৃষ্ণনগরে দলীয় সভা করার কথা মোদির। ১২টা ১০ মিনিটে কৃষ্ণনগর থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। ১২টা ৫৫ মিনিটে পানাগড় থেকে মোদির বিমান উড়ে যাবে বিহারে।   

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটের প্রভাব রয়েছে বেশ ভালো। মতুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবি সিএএ। আজ কৃষ্ণনগর থেকে সিএএ নিয়ে কোনও বার্তা প্রধানমন্ত্রী দেন কি না, সেদিকে নজর রয়েছে বঙ্গবাসীর। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের হিন্দু সহ ৬টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতেই আনা হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। ২০১৯ সালে এই আইনটি সংসদের অনুমোদন পেয়ে তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর দাবি করেছিলেন, শীঘ্রই সিএএ কার্যকর হবে। কেন্দ্রীয় স্বরষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গলাতেও শোনা গিয়েছিল একই সুর। উল্লেখ্য, সিএএ কার্যকর হলে, তার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাতেই। বাংলাদেশ লাগোয়া নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় এর প্রভাব আরও বেশি করে পড়তে পারে। বিগত ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব ইস্যুতেই মতুয়া ভোটের সিংহভাগ বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছিল। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী কি বার্তা দেন তারই অপেক্ষায় মতুয়া সম্প্রদায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Mamata Meeting: মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রোটোকল সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রীর

    Modi Mamata Meeting: মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রোটোকল সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে বাংলায় এসে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Mamata Meeting)। শুক্রবার তিনি শহরেই থাকবেন। তাঁর সঙ্গে এদিন রাজভবনে সাক্ষাত করতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক ময়দানে সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুতে থাকা প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে মমতার সাক্ষাত নিয়ে খোঁচা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    রাজভবনে মোদি-মমতার বৈঠকের আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, মোদিজি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে একেবারে রেশন দুর্নীতি নিয়ে বলেছেন, ‘আমি একজনকেও ছাড়বো না। একজনের মধ্যে যারা যারা পড়ছেন, সবাই জানে।.. বলেছেন, আমি সব টাকা উদ্ধার করে দেব। আর টাকা উদ্ধার করলে, যাদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার হবে, তাঁদেরকে তো জেলে যেতেই হয়। চোর মমতা, তিনি রাজভবনে পা ধরতে যাচ্ছেন। কোনও লাভ হবে না। চোর মমতাকে বলবো, কোনও লাভ হবে না, এর নাম নরেন্দ্র মোদি। না খাব, না খেতে দেব (দুর্নীতি ইস্যুতে)।’

    মোদি-মমতা আলোচনা

    শুক্রবার আরামবাগে সভা করে বিকেলে কলকাতায় রাজভবনে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এর পরেই রাজভবনে মোদির সঙ্গে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। উল্লেখ্য, কোনও রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী এলে মুখ্যমন্ত্রীর তাঁকে স্বাগত জানাতে যাওয়া কিংবা দেখা করা প্রোটোকলের মধ্যেই পড়ে। রাজনৈতিক সংঘাত থাকলেও এই সৌজন্য বজায় রাখেন সকলেই। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে মমতা জানান, এখনও ভোট ঘোষণা হয়নি। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি এলে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েই থাকে। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া। মমতা বলেন, ‘‘রাজভবনে এসেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলাম। রাজ্যের কথাও বললাম। আর গল্প করলাম। রাজনীতির কথা কম, গল্পই বেশি হল।’’ 

    আরও পড়ুন: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    বকেয়া নিয়ে আলোচনা

    কেন্দ্রের কাছে ‘বকেয়া’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কোনও কথা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জানতে চাওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মমতা বলেন, ‘‘হ্যাঁ, সে সব নিয়ে আমার যা বলার, বলে দিয়েছি।’’ এর পরেই মমতা বলেন, ‘‘আমাদের যা বলার, আমরা রাজনীতির মঞ্চে বলব। এটা আমার সৌজন্য সাক্ষাৎ।’’ শুক্রবার রাজভবনেই রাত্রিবাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল ২রা মার্চ নদিয়ার পূণ্যভূমিতে পা রাখতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তার জেরেই নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা নদিয়া (Nadia) এবং কৃষ্ণনগর শহর। কৃষ্ণনগর গভমেন্ট কলেজ ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মোদির এই জনসভা। সেই সঙ্গে করবেন বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা। লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী আগমন যথেষ্টই রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য এই লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অপরাধে তাঁর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মামলায় তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য (Nadia)

    প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই তাঁর সভাস্থলে চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি। বিজেপি কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই সভাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন। আজ সকাল থেকেও প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় বিজেপি কর্মকর্তারা। চলছে শেষ পর্বের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। নদিয়া (Nadia) জেলা বিজেপির মিডিয়া কনভেনার সন্দ্বীপ মজুমদার বলেন, “শুধু জনসভাই নয়, জনসভা হওয়ার আগে গভমেন্ট কলেজ ময়দানের পাশেই আরও একটি সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। যেখান থেকে মোদি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তবে এই সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্যে নদিয়া জেলা তথা কৃষ্ণনগরের মানুষও বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তবে প্রধানমন্ত্রীর নদিয়া (Nadia) জেলায় আগমনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। নদীয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাশীষ রায় বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন একটি জায়গা তাঁর সভাস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন, যেখানকার সংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। যিনি একের পর এক প্রশ্নবানে সংসদে বিজেপিকে ধরাশায়ী করেছে। তাঁকে কালিমালিপ্ত করে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজেপি বুঝতে পেরেছে কৃষ্ণনগরের মাটিতে বিজেপির জয় কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। তাই পায়ের তলার মাটি সরে যাওয়ার কারণেই আজ এই সভাস্থল কৃষ্ণনগরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলার মানুষ বিজেপিকে আর বিশ্বাস করে না। বাংলার মানুষ লোকসভা ভোটে বুঝিয়ে দেবে তৃণমূল কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে  জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    Ram Mandir: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অযোধ্যায় নির্মিত হয়েছে রাম মন্দির (Ram Mandir)। গত ২২ জানুয়ারি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু বালক রামের  প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর কেটে গিয়েছে একটা মাস। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ রামভক্ত বালক রামকে দর্শন করতে মন্দিরে যাচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়েছে মন্দির চত্বর। আগত ভক্তরা মন্দিরে রামলালার শ্রীচরণে দান করছেন প্রচুর উপহার। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এক মাসের মধ্যেই এখনও পর্যন্ত মোট ১০ কেজি সোনা এবং ২৫ কেজি রুপো দানবাক্সে জমা পড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা হাতে গুণে শেষ করা যাচ্ছে না তাই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শরণাপন্ন হয়েছে মন্দির ট্রাস্ট।

    কী জানিয়েছে ট্রাস্ট

    মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রকাশ গুপ্তা বলেছেন, “মন্দির (Ram Mandir) চত্বরে চারটি স্বয়ংক্রিয় টাকা গোনার যন্ত্র বাসিয়েছে এসবিআই। ১০ কেজি সোনা ও ২৫ কেজি রুপোর অলঙ্কার, চেক, ড্রাফ্ট এবং নগদ দান হিসাবে পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্টের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনলাইনে টাকা পাঠিয়েছেন অনেক ভক্ত। সবটা এখনও গোনা হয়নি। ভক্তদের ভক্তির কথা বিবেচনা করে, মন্দিরে সোনা-রুপোর তৈরি এই জিনিসগুলি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে, এগুলি বিক্রি করে নগদে পরিণত করা হবে। এসবিআই এবং ট্রাস্টের মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    ৬২ লাখ দর্শনার্থী মন্দির দর্শন করেছে

    জানা গিয়েছে, রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের পর থেকেই মন্দিরে বিরাট ভিড় উপচে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষ বালক রামকে দর্শন করেছেন। আগত দর্শনার্থীরা মন্দিরের জন্য মুক্ত হস্তে দান করছেন। ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকা দনাবাক্সে জমা পড়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর সোনা এবং রুপো। মন্দিরে মোট ছয়টি দানপাত্র রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চারটি আরও দানপাত্র। এখনও পর্যন্ত মোট জমা পড়েছে ৫০ কোটি টাকা। প্রত্যেক দিন গড়ে দেড় কোটি টাকা জমা পড়ছে। এরমধ্যে রয়েছে নগদ এবং চেক। প্রতিদিন ব্যাঙ্কের দশজন এবং মন্দিরের চার জন কর্মী টাকা পয়সা গোনার কাজ করছেন।

    বৃন্দাবন-পুরী-তিরুপতি-কামাখ্যার তুলনায় অনেক ভিড়

    রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ জানিয়েছে, দেশের আর কোনও মন্দিরে এক মাসে এত বিপুল সংখ্যায় ভক্ত সমাগম হয়নি। রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে দেশের সকল মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভক্তদের অবিরাম প্রবাহ চলছে। বারাণসী, মথুরা, বৃন্দাবন, পুরী, তিরুপতি, কামাখ্যার তুলনায় অযোধ্যার ভিড় অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। আবার মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, মন্দির ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মাঝে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিশ্রামের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাম জন্মভূমি দর্শনের জন্য আস্থা ট্রেন চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে  জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    Ram Temple: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অযোধ্যায় নির্মিত হয়েছে রাম মন্দির(Ram Temple)। গত ২২ জানুয়ারি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু বালক রামের  প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর কেটে গিয়েছে একটা মাস। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ রামভক্ত বালক রামকে দর্শন করতে মন্দিরে যাচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়েছে মন্দির চত্বর। আগত ভক্তরা মন্দিরে রামলালার শ্রীচরণে দান করছেন প্রচুর উপহার। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এক মাসের মধ্যেই এখনও পর্যন্ত মোট ১০ কেজি সোনা এবং ২৫ কেজি রুপো দানবাক্সে জমা পড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা হাতে গুণে শেষ করা যাচ্ছে না তাই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শরণাপন্ন হয়েছে মন্দির ট্রাস্ট।

    কী জানিয়েছে ট্রাস্ট (Ram Temple)

    মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রকাশ গুপ্তা বলেছেন, “মন্দির (Ram Temple) চত্বরে চারটি স্বয়ংক্রিয় টাকা গোনার যন্ত্র বাসিয়েছে এসবিআই। ১০ কেজি সোনা ও ২৫ কেজি রুপোর অলঙ্কার, চেক, ড্রাফ্ট এবং নগদ দান হিসাবে পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্টের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনলাইনে টাকা পাঠিয়েছেন অনেক ভক্ত। সবটা এখনও গোনা হয়নি। ভক্তদের ভক্তির কথা বিবেচনা করে, মন্দিরে সোনা-রুপোর তৈরি এই জিনিসগুলি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে, এগুলি বিক্রি করে নগদে পরিণত করা হবে। এসবিআই এবং ট্রাস্টের মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    ৬২ লাখ দর্শনার্থী মন্দির দর্শন করেছে

    জানা গিয়েছে, রামমন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের পর থেকেই মন্দিরে বিরাট ভিড় উপচে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষ বালক রামকে দর্শন করেছেন। আগত দর্শনার্থীরা মন্দিরের জন্য মুক্ত হস্তে দান করছেন। ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকা দনাবাক্সে জমা পড়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর সোনা এবং রুপো। মন্দিরে মোট ছয়টি দানপাত্র রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চারটি আরও দানপাত্র। এখনও পর্যন্ত মোট জমা পড়েছে ৫০ কোটি টাকা। প্রত্যেক দিন গড়ে দেড় কোটি টাকা জমা পড়ছে। এরমধ্যে রয়েছে নগদ এবং চেক। প্রতিদিন ব্যাঙ্কের দশজন এবং মন্দিরের চার জন কর্মী টাকা পয়সা গোনার কাজ করছেন।

    বৃন্দাবন-পুরী-তিরুপতি-কামাখ্যার তুলনায় অনেক ভিড়

    রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ জানিয়েছে, দেশের আর কোনও মন্দিরে এক মাসে এত বিপুল সংখ্যায় ভক্ত সমাগম হয়নি। রাম মন্দির নিয়ে দেশের সকল মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভক্তদের অবিরাম প্রবাহ চলছে। বারাণসী, মথুরা, বৃন্দাবন, পুরী, তিরুপতি, কামাখ্যার তুলনায় অযোধ্যার ভিড় অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। আবার মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, মন্দির ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মাঝে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিশ্রামের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাম জন্মভূমি দর্শনের জন্য আস্থা ট্রেন চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা দেশজুড়ে ৫৫৪টি রেল স্টেশন এবং ১৫৮৫টি রোড ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাশের পুনর্বিকাশ-এর জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘অমৃত ভারত’ (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পের অধীনেই স্টেশনগুলি তৈরি হবে। পুনর্বিকাশ কর্মসূচির মধ্যে এই রাজ্যে মোট ৪৫টি স্টেশন রয়েছে। তার মধ্যে হুগলির (Hooghly) ব্যান্ডেল জংশনের জন্য সবচেয়ে বেশি মোট ৩০৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার ব্যান্ডেলে যান রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

    পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন (Amrit Bharat Rail Station)

    অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে গোটা দেশে ১২৭৫টি স্টেশন আধুনিকীকরণরের পরিকল্পনা নিয়েছে রেলমন্ত্রক। সোমবার ৫৫০টি অমৃত ভারত স্টেশন নির্মাণ ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন হবে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে। তার মধ্যে হাওড়া মেইন শাখার ব্যান্ডেল-সহ ৮টি স্টেশন এই প্রকল্পের আওতায়। এদিন ব্যান্ডেল শরৎচন্দ্র রেলওয়ে ইনস্টিটিউট-এ রেলের তরফে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ডিজিটাল মাধ্যমে দেখানো হয়। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশন অমৃত ভারত প্রকল্পে উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৭০৪ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর শিলান্যাস অনুষ্ঠান শুরুর আগে ব্যান্ডেল স্টেশনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    বাংলায় আর কোন কোন স্টেশন তালিকায় (Hooghly) 

    বাংলার যে গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনগুলি অমৃত ভারতের (Amrit Bharat Rail Station) আওতায় আসবে তা হল, চন্দননগর, ডানকুনি, নৈহাটি, গেদে, বনগাঁ, বালুরঘাট, সহ একাধিক স্টেশন। সবকটি স্টেশনকে আধুনিকতার মোড়কে মুড়ে ফেলা হবে। হুগলির (Hooghly) চন্দননগর স্টেশনের আধুনিকীকরণের খরচ হবে ১৮ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ডানকুনি স্টেশন নতুন করে সাজাতে খরচ হবে ১৫ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। আবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় নদিয়ার গেদে স্টেশনকে সাজিয়ে তোলা হবে। এই স্টেশনের জন্য খরচ হবে ১৮ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। একই ভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ স্টেশনের জন্য সাজিয়ে তুলতে খরচ করা হবে মোট ২৮ কোটি টাকা। আবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট স্টেশন সাজাতে খরচ হবে ২৪ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা। স্টেশনে থাকবে চলমান সিড়ি থেকে শুরু করে ফুড কোর্ট, স্টেশন চত্বরে ঢোকা বেরনোর জন্য আলাদা যাতায়াতের পথ-সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হবে। এর পাশাপাশি উন্নতমানের পার্কিং-এর ব্যবস্থাও থাকবে।

    কী বললেন রাজ্যপাল

    অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার সকালেই কলকাতা থেকে ‘স্পেশাল ট্রেন’-এ ব্যান্ডেলে (Hooghly) যান রাজ্যপাল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলের জিএম মিলিন্দ কে দেওস্কর। অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে সেজে উঠবে ব্যান্ডেল স্টেশন। রাজ্যপাল আগে কলকাতা থেকে দার্জিলিংয়ের রাজভবনে অতিথিদের নিয়ে যাতায়াতের জন্য ‘শান্তি এবং সম্প্রীতি’ ট্রেন চালু করার আবেদন করেছিলেন। ব্যান্ডেলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘প্রতি বছর দার্জিলিংয়ে চা উৎসব হয়। সেই উপলক্ষে সেখানে শিশু, যুবক, মহিলা খেলোয়াড় থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ কলকাতার রাজভবন থেকে দার্জিলিং রাজভবনের অতিথি হন। তাঁদের জন্য প্রতি বছর একটি বিশেষ ট্রেন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি রেল কর্তৃপক্ষকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim First Station: গ্যাংটক হয়ে ট্রেনেই চিন সীমান্তের নাথু লা! শিলান্যাস সিকিমের প্রথম রেলস্টেশনের

    Sikkim First Station: গ্যাংটক হয়ে ট্রেনেই চিন সীমান্তের নাথু লা! শিলান্যাস সিকিমের প্রথম রেলস্টেশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রেল মানচিত্রে সিকিমকে (Sikkim First Station) জুড়ে ফেলতে প্রত্যয়ী ভারতীয় রেল। সোমবার দেশের ৫৫৪টি রেলস্টেশনের কাজের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এই তালিকায় ছিল রংপো স্টেশনের (Rangpo railway station) শিলান্যাস। সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন দেশের বাকি অংশের সঙ্গে রংপো স্টেশনের শিলান্যাস করলেন ভার্চুয়ালি, তখন ভিড়ের মধ্যে ভারত মাতার জয়ধ্বনি দিলেন শেরপারা। সেবক-রংপো রেল প্রকল্প নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে পাহাড়ি রাজ্যটি। 

    ট্রেনে চেপেই চিন সীমান্তে

    নিউ জলপাইগুড়ি থেকে আর বাস বা ভাড়ার গাড়িতে যেতে হবে না পড়শি রাজ্য সিকিমে। দার্জিলিঙের পর বাঙালি যদি কোনও পাহাড়ি শহরে বেশি ভিড় জমায় তা হল গ্যাংটক। এবার বাংলা থেকে ট্রেনে করেই সরাসরি যাওয়া যাবে রংপো হয়ে গ্যাংটক। পরের পর্বে চিন সীমান্তের কাছে নাথু লাতেও পৌঁছে যাবে ট্রেন। সোমবার ভারতের রেল মানচিত্রে ঢুকে গেল সিকিম। এই প্রথম ওই রাজ্য কোনও স্টেশন পেতে চলেছে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে রংপো স্টেশনের শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগেই বাংলার সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত রেল সুড়ঙ্গের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। একই ভাবে সুড়ঙ্গ তৈরি হবে নাথু লা পর্যন্ত। 

    কাজ চলছে দ্রুত গতিতে

    রেল সূত্রে খবর, সিকিমে এই রেল প্রকল্পের ৪৪.৯৮ কিলোমিটারের রেলপ্রকল্পটির ৮৫ শতাংশই টানেলের মধ্যে। আগামী বছর অগাস্টের মধ্যেই কাজ শেষ করে দেওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ইরকনের প্রোজেক্ট ডিরেক্টর মহিন্দার সিং। তাঁর বক্তব্য, ‘১৪টি টানেলের মধ্যে আটটির খননকাজ শেষ। এই টানেলগুলিতে আগামী মাস থেকে রেললাইন বসানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে। বাকি টানেলের কাজ দ্রুত শেষ করা হবে। প্রত্যেকটি সেতুর পিলারের ভিত তৈরি শেষ। সেতু তৈরির ক্ষেত্রেও বেশি সময় লাগবে না।’ সিকিমের রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য বললেন, “কয়েক দশকের দুঃখ ঘোচার আনন্দে আমার চোখে জল চলে এসেছে।” সিকিমের একমাত্র রেল স্টেশন রংপোর শিলান্যাসে তিনি সমস্ত কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। 

    উত্তর-পূর্বে নজর

    দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেই উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে বিশেষ নজর দেয় মোদি সরকার। ২০২২ সালের বাজেটেই সিকিমের রেল প্রকল্পে আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে কেন্দ্র। ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে থাকবে পাঁচটি স্টেশন। রেল জানিয়েছে, রংপো-গ্যাংটক পর্যন্ত সমীক্ষার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। শীঘ্রই শুরু হবে পরের ধাপে নাথু লা পর্যন্ত সমীক্ষা। এই রেলপথ তৈরি হলে চিনকে জবাব দিতে সীমান্তে সেনা পাঠানোও ভারতের পক্ষে সহজ হবে। একই সঙ্গে উন্নত হবে সিকিমের পর্যটনও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share