Tag: news in bengali

news in bengali

  • Netaji Jayanti 2026: আজও গায়ে কাঁটা দেয় ‘জয় হিন্দ’ ধ্বনি, ১২৯ তম জন্মদিনে নেতাজির নানান কথা

    Netaji Jayanti 2026: আজও গায়ে কাঁটা দেয় ‘জয় হিন্দ’ ধ্বনি, ১২৯ তম জন্মদিনে নেতাজির নানান কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৩ জানুয়ারি। মহান দেশপ্রেমিক, বাঙলার বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯ তম জন্মদিন। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নেতাজি জয়ন্তী। ভারতীয় যুব সমাজের কাছে আদর্শ তিনি। “কদম কদম বাড়ায়ে যা…” আজও শত কোটি ভারতবাসীর অনুপ্রেরণা। সুভাষচন্দ্র বসু থেকে নেতাজি উপাধি নিয়ে আপামর দেশবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠার নেপথ্যে রয়েছে নানা কাহিনী। তাঁর কথা স্মরণ করেই আজ সারা দেশে পালিত হচ্ছে পরাক্রম দিবস।

    শিশু সুভাষ ও শিক্ষাজীবন

    ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিটে ওড়িশার কটকে জন্ম হয়েছিল ভারতের বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর। বাবা জানকীনাথ বসু ও মা প্রভাবতী দেবী। জানকীনাথ বসু একজন প্রসিদ্ধ আইনজীবী ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই সুভাষ পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন। অন্যান্য ভাই-বোনেদের মতো সুভাষকে প্রথমে কটকের প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপীয়ান স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল। স্কুলেই ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন পালন করে সাহেবদের বিষনজরে পড়েন তিনি। এরপর বারো বছর বয়সে তিনি কটকের র‌্যাভেনশা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। তারপর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়াশোনা করেন। কলেজ জীবন থেকে দেশের জন্য লড়াই করার ইচ্ছা জাগে সুভাষের মনে।

    দেশের জন্য চাকরি ত্যাগ

    ১৯২০ সালে নেতাজি ইংল্যান্ডে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পাশ করেনস। কিন্তু ভারতীয় স্বতন্ত্রতা সংঘর্ষে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। সিভিল সার্ভিস ছেড়ে দেওয়ার পরে দেশকে ইংরেজদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নেতাজিকে অত্যন্ত বিচলিত, মর্মাহত করে।

    স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ

    অসহযোগ আন্দোলনের সময়, জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন সুভাষচন্দ্র বসু। ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের হরিপুরা অধিবেশনে কংগ্রেসের বাম গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ সমর্থনে তিনি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের ত্রিপুরী অধিবেশনে গান্ধীজি মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সিতারামাইয়াকে ২০৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সভাপতির নির্বাচিত হন তিনি।

    কংগ্রেস ত্যাগ

    তরুণ সুভাষের রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। তাঁর হাত ধরেই সুভাষ প্রথম প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এমনকী দেশবন্ধুর স্ত্রী বাসন্তী দেবীও সুভাষকে খুবই স্নেহ করতেন এবং সুভাষ তাঁকে ‘মা’ বলে ডাকতেন। দেশবন্ধুর মতোই স্বরাজ অর্থাৎ পূর্ণ স্বাধীনতার সমর্থক ছিলেন নেতাজি। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন চরমপন্থীর নায়ক। তাই তাঁর চরমপন্থী চিন্তাধারার সঙ্গে কংগ্রেসের নরমপন্থীদের মতবিরোধ হয়। এমনকী কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে নরমপন্থীরা বিক্ষুব্ধ হলে সুভাষ অসন্তুষ্ট হয়ে কংগ্রেস ত্যাগ করেন। এরপরই নেতাজির হাত ধরে তৈরি হয় “ফরওয়ার্ড ব্লক’। নতুন দলের হয়ে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য দেশবাসীকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন সুভাষচন্দ্র বসু।

    দেশ ত্যাগ- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই

    কিন্তু স্বাধীন ভারত গড়ার প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেছিলেন তিনি। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই ব্রিটিশ পুলিশের সতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে ১৯৪১ সালে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে ছদ্মবেশ ধারণ করে আফগানিস্তানের কাবুল হয়ে জার্মানিতে যান এবং জার্মানির বার্লিনে একনায়কতন্ত্রের প্রতীক হিটলারের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য প্রার্থনা করেন। যদিও এখানে তাঁর উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় ডুবো জাহাজে করে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আসেন জাপানে। জাপান সরকারের সাহায্যে এবং রাসবিহারী বসুর সহায়তায় সুভাষচন্দ্র বসু গঠন করেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। ভারতকে ইংরেজের হাত থেকে মুক্ত করতে নেতাজি ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর ‘আজাদ হিন্দ সরকার’-এর প্রতিষ্ঠা করার সময়ই ‘আজাদ হিন্দ সেনা’ গঠন করেন। এরপর সুভাষচন্দ্র বসু নিজের সেনা নিয়ে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই বর্মা (বর্তমান মায়ানমার) পৌঁছান। এখানে নেতাজি তাঁর বিখ্যাত স্লোগান ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’ বলেছিলেন।

    নেতাজির অন্তর্ধান

    ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তাইপেইতে একটি বিমান দুর্ঘটনার পরই নেতাজির আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর থেকেই নেতাজির নিখোঁজ নিয়ে একাধিক রহস্য ঘনীভূত হতে থাকে। মৃত্যু, অন্তর্ধান নাকি অন্য কিছু? আজও নেতাজির মৃত্যু কিংবা অন্তর্ধান নিয়ে নানান বিতর্ক রয়েছে। আসলে কোনও বিশেষ আদর্শের জন্য একজন মৃত্যুবরণ করতে পারেন। কিন্তু সেই আদর্শের মৃত্যু হয় না। সেই আদর্শ একজনের মৃত্যুর পর হাজার জনের মধ্যে ছড়িয়ে যায়।’

  • Saraswati Puja 2026: কেন বসন্ত পঞ্চমীতে হয় সরস্বতী পুজো? বাগদেবীর পৌরাণিক গল্পগুলি জানুন

    Saraswati Puja 2026: কেন বসন্ত পঞ্চমীতে হয় সরস্বতী পুজো? বাগদেবীর পৌরাণিক গল্পগুলি জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ওম জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে… ’’

    আজ বসন্ত পঞ্চমী। ধুমধাম করে ঘরে-ঘরে, স্কুল-কলেজে, পাড়ায়-পাড়ায় পালিত হচ্ছে সরস্বতী পুজো। সকাল থেকেই চলছে বাগদেবীর আরাধনা। পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার পালা। তবে, সরস্বতী পুজোর (Saraswati Puja 2026) গুরুত্ব বর্তমানে দেবী আরাধনার মধ্যেই আটকে নেই। পুজো পুজো ভাব প্রায় ১ মাস আগেই শুরু হয়ে যায়, বালক বা বালিকারা এইসময় মনে করে সরস্বতী পুজোর (Saraswati Puja) দিনই কুল খাওয়া শুরু করতে হয়। এর আগে কুল খেলে পরীক্ষার ফল খারাপ হতে পারে। যেমনটা আমরা সবাই ছেলেবেলায় বা মেয়েবেলায় ভাবতাম। বয়ঃসন্ধিকালে এই পুজোর দিন মনে প্রেমভাব জাগ্রত হয় না এমন কিশোর-কিশোরী খুঁজে পাওয়া যায় না। স্কুল কলেজে আলপনা, চিত্রপ্রদর্শনী, পুষ্পাঞ্জলি, পাত পেড়ে খিচুড়ি প্রসাদ গ্রহণে জমজমাট হয়ে ওঠে সরস্বতী পুজো।

    সরস্বতী পুজোর (Saraswati Puja) সঙ্গে সম্পর্কিত পৌরাণিক কাহিনীগুলি…

    গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বা বিক্রমাদিত‍্যের “নবরত্ন” সভার কথা নিশ্চয় সবাই শুনেছি। এখানে অন‍্যতম শ্রেষ্ঠরত্ন ছিলেন মহাকবি কালিদাস। ঋক বৈদিক যুগ থেকেই সরস্বতী পুজোর (Saraswati Puja) প্রচলন শুরু হলেও, দেবী সরস্বতীর পৌরাণিক আখ্যান মূলত কালিদাসের সঙ্গেই সম্পর্কযুক্ত। কিন্তু কীভাবে? আসুন জেনে নিই।

    কালীদাস ও সরস্বতী

    প্রথম জীবনে খুবই বোকা ছিলেন কালিদাস। বিভিন্ন কাহিনী অনুযায়ী তিনি থাকতেন উজ্জ্বয়িনীতে শিপ্রা নদীর তীরে। কথিত আছে উজ্জ্বয়িনীর রাজকন্যার কাছে তর্কে পরাস্ত হয়ে তাঁকে জব্দ করতে চাইছিলেন পরাজিত পণ্ডিতদের দল। পণ্ডিতরা ভাবলেন রাজকন্যার সঙ্গে একজন বোকার বিয়ে যেভাবেই হোক দিতে হবে। এতেই জব্দ করা যাবে রাজকন্যাকে।

    পথে যেতে যেতে এক জায়গায় পণ্ডিতরা দেখলেন, একজন লোক একটি গাছের ডালের ডগায় বসে তার গোঁড়ার দিকটা কুড়ুল দিয়ে কাটছে। কিন্তু কাটার পর ডালটা যে তাকে নিয়েই মাটিতে পড়বে, সেটা বোঝার মতো জ্ঞান তার নেই। ইনিই কালিদাস। এরপর কোনওভাবে রাজকন্যার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হল লোকটির। চরম প্রতিশোধ নিলেন পণ্ডিতরা। বিছানায় মশারির দরজা খুঁজে না পেয়ে কালিদাস ঝাঁপ দিলেন রাজকন্যার গায়েই। এবার রাজকন্যা বুঝে গেলেন, দেশের পণ্ডিতরা তাঁর সঙ্গে এক নির্ভেজাল বোকার বিয়ে দিয়েছে!

    কালিদাস স্ত্রীর কাছ থেকে বিদায় নিলেন। মনের জ্বালায় শুরু হল কালিদাসের অনিশ্চিত পথ চলা। চলতে চলতে একটি সরোবরের ধারে এসে বিশ্রাম। ঠিক করলেন, এখানকার জলে ডুবেই প্রাণ বিসর্জন দেবেন। কিন্তু তার আগেই অবাক হয়ে কালিদাস দেখলেন, সরোবরের ঘাটের পাথরের ওপর গর্ত। মেয়েরা জল নিতে এসে ওই পাথরের ওপরেই কলসি রাখে আর তাতেই ক্ষয়ে গেছে কঠিন পাথর। দেখে কালিদাস ভাবলেন, শক্ত পাথর যদি ক্ষয় হতে পারে, তবে তার বুদ্ধি হবে না কেন! ওখানেই শুরু হলো কালিদাসের সরস্বতী তপস্যা। তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে দেবী সরস্বতী (Saraswati Puja) কালিদাসকে দেখা দিয়ে শ্রেষ্ঠ কবি হবার বর দিলেন। বর পেয়েই সরস্বতীর (Saraswati Puja) বরপুত্র মুখে মুখেই রচনা করে ফেললেন সরস্বতী বন্দনা।

    বীরভূমের নানুরে “সরস্বতী তলা”

    অনেকেই বলেন, তাঁর সাধনস্থল বীরভূম জেলার নানুরের “সরস্বতী তলা।” কেউ বলেন, তাঁর সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের ব‍র্ণনার সঙ্গে হুবহু মিলে যায় মেদিনীপুরের কাঁথি এলাকার সমুদ্র উপকূল। তাই তিনি মেদিনীপুরের কাঁথির লোক। আরেকটি মতবাদ প্রচলিত আছে, বীরভূম জেলার নানুরের কাছে বেলুটি গ্রামে মহাকবি কালিদাসের আবির্ভাব ও সরস্বতী সাধনায় সিদ্ধিলাভ ঘটে। এখানে আজও রয়েছে কালিদাসের স্মৃতিবিজড়িত “সরস্বতী তলা।”

    আরও পৌরাণিক কাহিনিি

    অপর একটি পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, বসন্ত পঞ্চমীর দিনেই জ্ঞান ও বিদ্যার দেবী সরস্বতী আবির্ভূত হয়েছিলেন। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্রষ্টা ছিলেন ব্রহ্মা। যখন তিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন, তখনই তিনি অনুভব করেছিলেন কোনও কিছু অনুপস্থিত রয়েছে। ধরাধামে শব্দ সঞ্চারের জন্য তিনি তাঁর কমণ্ডলু থেকে পৃথিবীতে জল ছিটিয়ে দেন। আর ঠিক সেই সময়তেই পৃথিবী কাঁপিয়ে আবির্ভূতা হয়েছিলেন দেবী সরস্বতী (Saraswati Puja 2026)। দেবীর হাতে ছিল বীণা, জপমালা ও বই। তখনই দেবীর জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় সারাবিশ্ব জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়। তাই বসন্ত পঞ্চমীর দিন সরস্বতীর বিশেষ পুজো করা হয়। বসন্ত পঞ্চমী জীবনের নতুন শুরুর প্রতীক বলে মনে করা হয়। বসন্ত ঋতুতে ফসল পাকতে শুরু করে। হালকা শীতের মনোরম আবহাওয়ায় প্রকৃতি রঙে ভরে ওঠে, চারিদিক রঙিন ফুলে ঢেকে যায়। গাছে গাছে নতুন পাতা, রঙিন ফুল ও ফল ধারণ করে। এই দিনটিকে নতুন জিনিস শুরু করার জন্য শুভ বলে মনে করা হয়।

  • Daily Horoscope 23 January 2026: ব্যবসায় সুখবর প্রাপ্তিতে আনন্দ লাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 January 2026: ব্যবসায় সুখবর প্রাপ্তিতে আনন্দ লাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদ অনেক দূর গড়াতে পারে।

    ২) প্রবাসী কারও আসার খবরে আনন্দ লাভ।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    বৃষ

    ১) মেরুদণ্ডের রোগের জন্য কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে হঠাৎ করে প্রচুর অতিথির আগমনে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) ধর্ম বিষয়ক আলোচনা থেকে মানসিক পরিবর্তন হতে পারে।

    ২) অযথা ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তা।

    ৩) বেশিরকাজ কাজেই সাফল্য মিলবে।

    কর্কট

    ১) নতুন সম্পর্ক গড়ার আগে ভালো করে চিন্তা করুন।

    ২) সারা দিন বহু দিক থেকে আয়ের সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) কর্মস্থানে একটু সাবধানে কাজ করুন, আঘাত লাগতে পারে।

    ২) আধ্যাত্মিক কাজে কিছু দান করতে হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কন্যা

    ১) অপরের কথায় চললে অশান্তি বাধতে পারে।

    ২) পুরনো কোনও আশা পূরণের চেষ্টা।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের কথায় চললে আপনার খুব ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় কর্মচারীদের নিয়ে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হওয়ায় উপকার পাবেন।

    ৩) ধর্মস্থানে ভ্রমণ।

    ধনু

    ১) চাকরিজীবীদের জন্য খুব খরচের সময়।

    ২) কাউকে বেশি আপন ভাবলে কষ্ট পেতে হবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) সকালের দিকে অতিরিক্ত রাগের কারণে কারও সঙ্গে হাতাহাতি ও রক্তপাতের সম্ভাবনা।

    ২) ব্যবসায় সুখবর প্রাপ্তিতে আনন্দ লাভ।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুখবর আসার পথে বাধা পড়তে পারে।

    ২) শত্রুর চক্রান্তে একটু বিভ্রান্ত হবেন।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মীন

    ১) বাড়িতে কোনও দামি জিনিস নষ্ট হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) অসৎ সঙ্গ ত্যাগ না করলে সম্মানহানির যোগ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 562: “ভগবন্‌, আশ্চর্য হচ্ছি যে, পূর্ণব্রহ্ম ভগবানের সেবা করছি! এমন কি তপস্যা করিছি যে এই সেবার অধিকারী হয়েছি!”

    Ramakrishna 562: “ভগবন্‌, আশ্চর্য হচ্ছি যে, পূর্ণব্রহ্ম ভগবানের সেবা করছি! এমন কি তপস্যা করিছি যে এই সেবার অধিকারী হয়েছি!”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দশম পরিচ্ছেদ

       ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

                                                                   জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আমার লাগবে!

    গিরিশ-ভাল হয়ে যা! (ফুঁ)। ভাল যদি না হয়ে থাকে তো—যদি আমার ও-পায়ে কিছু ভক্তি থাকে, তবে অবশ্য ভাল হবে! বল, ভাল হয়ে গেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিরক্ত হইয়া)—যা বাপু, আমি ও-সব বলতে পারি না। রোগ ভাল হবার কথা মাকে বলতে পারি না। আচ্ছা ঈশ্বরের ইচ্ছায় হবে।

    গিরিশ—আমায় ভুলোনো! তোমার ইচ্ছায়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ছি, ও-কথা বলতে নাই। ভক্তবৎ ন চ কৃষ্ণবৎ। তুমি যা ভাবো, তুমি ভাবতে পারো। আপনার গুরু তো ভগবান—তাবলে ও-সব কথা বলায় অপরাধ হয়—ও-কথা বলতে (Kathamrita) নাই।

    গিরিশ—বল, ভাল হয়ে যাবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আচ্ছা, যা হয়েছে তা যাবে।

    গিরিশ নিজের ভাবে মাঝে মাঝে ঠাকুরকে সম্বোধন করিয়া বলিতেছেন,

    “হ্যাঁগা, এবার রূপ নিয়ে আস নাই কেন গা?”

    কিয়ৎক্ষণ পরে আবার বলিতেছেন, ‘এবার বুঝি বাঙ্গালা উদ্ধার!’

    কোন কোন ভক্ত ভাবিতেছেন, বাঙ্গালা উদ্ধার, সমস্ত জগৎ উদ্ধার!

    গিরিশ আবার বলিতেছেন, “ইনি এখানে রয়েছেন কেন, কেউ বুঝেছো? জীবের দুঃখে কাতর হয়ে সেছেন; তাঁদের উদ্ধার করবার জন্যে!”

    গাড়োয়ান ডাকিতেছিল। গিরিশ গাত্রোত্থান করিয়া তাহার কাছে যাইতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ মাস্টারকে বলিতেছেন, “দেখো, কোথায় যায়—মারবে না তো।” মাস্টারও সঙ্গে সঙ্গে গমন করিলেন।

    গিরিশ আবার ফিরিয়াছেন ও ঠাকুরকে স্তব করিতেছেন “ভগবন্‌, পবিত্রতা আমায় দাও। যাতে কখনও একটুও পাপ-চিন্তা না হয়।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ তুমি পবিত্র তো আছ।—তোমার যে বিশ্বাস-ভক্তি! তুমি তো আনন্দে আছ।

    গিরিশ—আজ্ঞা, না। মন খারাপ—অশান্তি—তাই খুব মদ খেলুম।

    কিয়ৎক্ষণ পরে গিরিশ আবার বলিতেছেন (Kathamrita), “ভগবন্‌, আশ্চর্য হচ্ছি যে, পূর্ণব্রহ্ম ভগবানের সেবা করছি! এমন কি তপস্যা করিছি যে এই সেবার অধিকারী হয়েছি!”

    ঠাকুর মধ্যাহ্নের সেবা করিলেন। অসুখ হওয়াতে অতি সামান্য একটু আহার করিলেন।

    ঠাকুরের সর্বদাই ভাবাবস্থা — জোর করিয়া শরীরের দিকে মন আনিতেছেন। কিন্তু শরীর রক্ষা করিতে বালকের ন্যায় অক্ষম। বালকের ন্যায় ভক্তদের বলিতেছেন, “এখন একটু খেলুম — একটু শোব! তোমরা একটু বাহিরে গিয়ে বসো।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) একটু বিশ্রাম করিয়াছেন। ভক্তেরা আবার ঘরে বসিয়াছেন।

  • Fake Birth Certificates: দু’মাসের মধ্যেই লক্ষাধিক জাল জন্মশংসাপত্র তৈরি হয়েছে!

    Fake Birth Certificates: দু’মাসের মধ্যেই লক্ষাধিক জাল জন্মশংসাপত্র তৈরি হয়েছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ কিরিট সোমাইয়া (CRS) মঙ্গলবার সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (সিআরএস) পোর্টালে এক বিশাল জালিয়াতি ফাঁসের অভিযোগ (Fake Birth Certificates) করেন। তাঁর দাবি, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর এই দু’মাসের মধ্যেই এক লাখেরও বেশি জাল জন্মশংসাপত্র তৈরি করা হয়েছে।

    সোমাইয়ার বক্তব্য (Fake Birth Certificates)

    সাংবাদিক সম্মেলনে সোমাইয়া বলেন, “এই কেলেঙ্কারি শুধুমাত্র প্রাত্যহিক প্রশাসনিক দুর্নীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক গুরুতর হুমকি।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের সিআরএস পোর্টাল হ্যাক করে সরকারি নথিপত্রে কারসাজি করে এই জালিয়াতি করা হয়েছে। চমকে দেওয়ার মতো তথ্য বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, মহারাষ্ট্রের জলগাঁও, পারোলা ও ইয়াভাতমাল জেলা এবং উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলি ও আলিগড় জেলায় গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে। যেসব গ্রামে জনসংখ্যা ১,০০০ থেকে ১,৫০০-এর মধ্যে, সেখানে ১০,০০০ থেকে ২৭,০০০টি পর্যন্ত জন্মনিবন্ধনের নথি মিলেছে। আবার এর প্রায় ৯৯ শতাংশ নথিভুক্ত ব্যক্তির বয়স ২০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, যা ব্যাপক সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।

    গ্রেফতার ৮

    সোমাইয়ার দাবি, তদন্তে এখনও পর্যন্ত একটি আন্তঃরাজ্য চক্রের সন্ধান মিলেছে এবং এই ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত অবদেশ কুমার দুবে কম্পিউটার ব্যবস্থার মাধ্যমে নথি জাল করে এই কারসাজি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। সোমাইয়া জানান, তিনি ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র পুলিশের কর্তা সদানন্দ দাতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হবেন (CRS)। তাঁর অভিযোগ, ভুয়ো জন্মশংসাপত্র ব্যবহার করে অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা নিজেদের বৈধ নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ টেনে সোমাইয়া বলেন, “হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিক কোনও আইনি অনুমতি ছাড়াই মুম্বইয়ের রাস্তায় ফেরিওয়ালার কাজ করছেন।” তিনি জানান, মুম্বই পুলিশ কমিশনার ও পুর কমিশনারের সহযোগিতায় চালানো কড়া অভিযানের ফলে (Fake Birth Certificates) মুলুন্ড রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা-সহ একাধিক অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হয়েছে।

    মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ

    সাংবাদিক বৈঠকে সোমাইয়া শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানান। তাঁর দাবি, যেসব কেন্দ্রে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেখানে ভোটাররা এমআইএমকে সমর্থন করেন, আর যেসব এলাকায় মুসলিম ভোটার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ, সেখানে সমর্থন যায় উদ্ধব ঠাকরের দলের দিকে। সোমাইয়ার অভিযোগ, যেসব রাজনৈতিক নেতা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে দেখেন, তাঁরাই আইন প্রয়োগে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি এও বলেন, “যাঁরা মুম্বইকে সবুজায়নের নামে অন্য উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা করছেন, তাঁদের ২০২৬ সালে (CRS) মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসের নেতৃত্বে বিজেপি উপযুক্ত জবাব দেবে (Fake Birth Certificates)।”

  • Saraswati Puja 2026: শুক্রবার সরস্বতী পুজো, দেখে নিন পঞ্চমী তিথি এবং অঞ্জলির সময়সূচি

    Saraswati Puja 2026: শুক্রবার সরস্বতী পুজো, দেখে নিন পঞ্চমী তিথি এবং অঞ্জলির সময়সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যা, জ্ঞান এবং সঙ্গীতের দেবী হিসেবে আরাধিত হন মা সরস্বতী (Saraswati Puja 2026)। দেবী শ্বেতপদ্মে অধিষ্ঠান করেন, তাঁর এক হাতে থাকে পুস্তক, অন্য হাতে দেখা যায় বীণা। হাতে বীণা থাকার কারণে দেবী সরস্বতীকে বীণাপাণিও বলা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দেবী সরস্বতী হলেন বৈদিক দেবী। বৈদিক যুগে অবশ্য চারহাতের দেবীর উল্লেখ পাওয়া যায়। সেই চার হাতে পুস্তক, জপমালা, জলের পাত্র এবং বীণা ধারণ করে থাকে দেবী। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুস্তক হল বিদ্যা, জপমালা হল জ্ঞান, জলের পাত্র হল সৃষ্টি এবং বীণা হল সঙ্গীতের প্রতীক। এক কথায় বলতে গেলে, দেবী সরস্বতীকে অপার্থিব সম্পদের দেবী মানা হয়। বসন্ত পঞ্চমীর পবিত্র তিথিতে অভ্র, আবির, আমের মুকুল, যবের শীষ এবং দোয়াত-কলম সহযোগে দেবী সরস্বতীর পুজো করা হয়।

    কবে সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja 2026)?

    মাঘ মাসের শুক্ল পঞ্চমী তিথিতে হয় দেবী সরস্বতীর (Saraswati Puja 2026) আরাধনায় মেতে ওঠেন সকলে। ঠিক এই কারণেই সরস্বতী পুজোর পাশাপাশি এই দিনটি বসন্ত পঞ্চমী হিসেবেও পালিত হয় দেশজুড়ে। শুধু বাংলাই নয়, ওড়িশা, উত্তর ভারত, নেপাল, ভুটানেও এই পুজো ধুমধাম করে পালিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এই দিনেই আবির্ভূতা হয়েছিলেন জ্ঞান, বিদ্যা ও শিল্পকলার দেবী সরস্বতী।

    উদয় তিথি অনুযায়ী, চলতি বছর সরস্বতী পুজো পড়েছে ২৩ জানুয়ারি। অর্থাৎ আগামিকাল, শুক্রবার সরস্বতী পুজো। আর মাত্র কিছু ঘণ্টার অপেক্ষা। বাংলা তারিখ অনুযায়ী দিনটি ৯ মাঘ। দেখে নিন পঞ্জিকা অনুসারে কখন পড়েছে বসন্ত পঞ্চমী তিথি।

    বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে–

    পঞ্চমী তিথি আরম্ভ–

    ইংরেজি– ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার।
    বাংলা– ৮ মাঘ, বৃহস্পতিবার।
    সময়– রাত ২টো ৩০ মিনিট।

    পঞ্চমী তিথি শেষ–

    ইংরেজি– ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার।
    বাংলা– ৯ মাঘ, শুক্রবার।
    সময়– রাত ১টা ৪৭ মিনিট।

    গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে –

    পঞ্চমী তিথি আরম্ভ–

    ইংরেজি– ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার।
    বাংলা– ৮ মাঘ, বৃহস্পতিবার।
    সময়– রাত ১টা ৩৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ড।

    পঞ্চমী তিথি শেষ–

    ইংরেজি– ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার ।
    বাংলা– ৯ মাঘ, শুক্রবার।
    সময়– রাত ১২টা ২৭ মিনিট ২৮ সেকেন্ড।

    পুজোয় কী কী লাগে?

    ভোরে স্নান সেরে উপোস করে বাগদেবীর অঞ্জলি দেওয়াই হল রীতি। এই পুজোয় সাধারণত তিনবার পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হয়। বিদ্যা, বুদ্ধি এবং জ্ঞানের আশীর্বাদ চান পড়ুয়ারা। সরস্বতী পুজোয় খুব বেশি জাঁকজমক না থাকলেও কিছু কিছু জিনিস দরকার হয়। যেমন- বই, খাতা, দোয়াত, কলম, আমের মুকুল, গাঁদা ফুল অথবা পলাশ ফুল, আবির এবং বাদ্যযন্ত্র। বাসন্তী রঙের ফুলই এই পুজোর বিশেষ আকর্ষণ।

    সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র

    ওম জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
    বীণা-পুস্তক রঞ্জিত হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমোস্তুতে।।
    নমঃ ভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ।
    বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যা-স্থানেভ্য এব চ।।
    এস স-চন্দন পুষ্পবিল্ব পত্রাঞ্জলি সরস্বতৈ নমঃ।।

    বসন্ত পঞ্চমীর মাহাত্ম্য

    মা সরস্বতীর (Saraswati Puja) পাশাপাশি গণেশ, লক্ষ্মী, নবগ্রহ, বই, খাতা, পেন এবং বাদ্যযন্ত্রের পুজোও করা হয় এই বিশেষ দিনে। অনেক বাড়িতেই শিশুদের প্রথম হাতেখড়ির অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয় এই দিন। তাদের আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রথম বিদ্যাচর্চা শুরু হয় এই দিন থেকেই। মনে করা হয় বসন্ত পঞ্চমী থেকেই শীত ঋতুর অবসান ও বসন্তের আগমন বার্তা ঘোষিত হয়। দেবীকে হলুদ ফুল অর্পণ করা হয়। সুখ ও সমৃদ্ধির জন্য মা সরস্বতীকে হলুদ রঙের ফুল নিবেদন করা ভালো বলে মনে করা হয়। এছাড়া বসন্তের আগমনের বার্তা বয়ে আনে হলুদ রং। দেবীভাগবত পুরাণ থেকে জানা যায়, পরম কুস্মন্দের প্ৰথম অংশে দেবী সরস্বতীর জন্ম। বিষ্ণুর জিহ্বাগ্র থেকে তাঁর উৎপত্তি । সরস্বতী বাক, বুদ্ধি, বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।

  • Jammu and Kashmir: কাশ্মীরের ডোডায় খাদে পড়ল সেনার গাড়ি, নিহত ১০ জওয়ান

    Jammu and Kashmir: কাশ্মীরের ডোডায় খাদে পড়ল সেনার গাড়ি, নিহত ১০ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু একাধিক সেনা জওয়ানের। কাশ্মীরের ডোডা জেলায় খাদে পড়ে গিয়েছে সেনার একটি গাড়ি। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। একাধিক জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর। ডোডা জেলায় খান্নি টপে ভাদেরওয়া-চাম্বা রোডের উপর এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    কীভাবে ঘটে এই দুর্ঘটনা

    দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার,১৭ জন সৈন্য বহনকারী একটি সামরিক যান উঁচু পোস্টের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় ডোডার ভাদেরওয়াহ-চাম্বা আন্তঃরাজ্য সড়কের খানি টপের কাছে বুলেটপ্রুফ গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় দশজন সৈন্য নিহত হন, অন্যরা গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে, সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলকে সহায়তা করতে সেখানে পৌঁছান। উদ্ধার অভিযানের সময় ১০ জন সৈন্যের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত সৈন্যদের উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। তিনজনকে হেলিকপ্টার করে উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ডোডা মেডিক্যাল কলেজ থেকেও ডাক্তার ও প্যারামেডিক্যাল কর্মীদের একটি দলকে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য পাঠানো হয়েছে।

    দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে

    সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং আহত সৈন্যদের সর্বোত্তম চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রাণ হারানো সৈন্যদের পরিবারকে অবহিত করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিন‍্‍হা সেনা জওয়ানদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। এক বিবৃতিতে উপরাজ্যপাল সিনহা লেখেছেন, “ডোডা জেলায় সেনার গাড়ি দুর্ঘটনায় আমরা ১০ জন জওয়ানকে হারিয়েছি ৷ এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। আমরা সাহসী সেনাদের অসামান্য বীরত্ব ও তাঁদের আত্মত্যাগ সর্বদা স্মরণ করব। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।” ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা৷ এক্স হ্যান্ডেলে নিহত সেনা পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।কয়েকদিন আগেই গুলমার্গ সেক্টরে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন ২ জন সেনা পোর্টার। সেই গাড়িটিও খাদে পড়ে গিয়েছিল।

  • Canadian University: কমেছে ভারতীয় পড়ুয়া-সংখ্যা, বিপাকে পড়ে ভারতে আসছেন কানাডার শিক্ষাকর্তারা

    Canadian University: কমেছে ভারতীয় পড়ুয়া-সংখ্যা, বিপাকে পড়ে ভারতে আসছেন কানাডার শিক্ষাকর্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বুদ্ধিতার (!) খেসারত দিতে ঢোঁক গিলতে হল কানাডাকে। কঠোর ভিসা নীতি এবং দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ২০২৩ সালের তুলনায় কানাডার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (Canadian University) ভারতীয় (India) শিক্ষার্থীদের ভর্তি কমে গিয়েছে প্রায় ৬৭ শতাংশ। এই প্রবণতা উল্টে দিতে এবং অ্যাকাডেমিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কানাডার ২১ বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী মাসেই আসতে চলেছে ভারত সফরে।

    ইউনিভার্সিটিজ কানাডা আয়োজিত সফর (Canadian University)

    ইউনিভার্সিটিজ কানাডা আয়োজিত এই সফরটি অনুষ্ঠিত হবে ২ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। প্রতিনিধিদলটি গোয়া, নয়াদিল্লি এবং গুজরাট ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স টেক-সিটি সফর করবে। এই সফরের লক্ষ্য হল গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা জোরদার করা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় বৃদ্ধি করা এবং শিল্পখাতের সঙ্গে নতুন ও উদ্ভাবনী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, যার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাকে নতুন করে কানাডা–ভারত সম্পর্কের একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই উদ্যোগটি এসেছে অক্টোবর ২০২৫-এ ঘোষিত কানাডা–ভারত রোডম্যাপের পরপরই। ওই রোডম্যাপে শিক্ষা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতায় সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে একটি যৌথ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে।

    ভারতে কানাডার হাইকমিশনার

    ভারতে কানাডার হাইকমিশনার ক্রিস্টোফার কুটার এই সফরকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি “বড় পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রে যৌথ উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। এদিকে, কানাডায় ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ পটনায়েক বলেন, “এই প্রতিনিধিদল দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, বিশেষত গবেষণা ও প্রতিভা উন্নয়নে কানাডার ১.৭ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার ফেডারেল বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে (India)।” এই উদ্যোগটি এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন কানাডার শিক্ষা খাত ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার ধাক্কায় বিপর্যস্ত। একসময় কানাডার মোট আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর প্রায় ৪০ শতাংশই ছিলেন ভারতীয়। কিন্তু ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাসে নতুন স্টাডি পারমিট অনুমোদন নেমে এসেছে মাত্র ৫২,৭৬৫-এ, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম এবং ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ প্রায় ২ লাখ ৭৮ হাজার সংখ্যার তুলনায় আনুমানিক ৬৭ শতাংশ কম (Canadian University)।

    ভারত–কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি

    সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালে কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর আগমন প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গিয়েছে। কয়েক মাসে ভারতীয় আবেদনের হার কমেছে ৮০ শতাংশ, আর প্রত্যাখ্যানের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ শতাংশে, যা ২০২৩ সালের ৩২ শতাংশের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এই পতনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে নতুন স্টাডি পারমিটের ওপর কানাডার ৩,১৬,২৭৬টি সীমা, জালিয়াতি শনাক্তে কড়াকড়ি, আর্থিক সামর্থ্যের কঠোর প্রমাণের শর্ত এবং পড়াশোনা-পরবর্তী কাজের সুযোগে বিধিনিষেধ। এছাড়াও, ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কর্তৃক খালিস্তানি সন্ত্রাসী হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগকে ঘিরে ভারত–কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং তার জেরে ভারতীয় পরিবারগুলির মধ্যে কানাডায় পড়াশোনার আগ্রহ কমেছে।

    ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে

    এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে আন্তর্জাতিক টিউশন ফি-নির্ভর কানাডার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, গত তিন বছরে তাদের ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে আনুমানিক ১০.৫ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার আয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অন্টারিওর মতো প্রদেশে, যেখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতীয়দের অংশ ৬০ শতাংশেরও বেশি, সেখানে ছোট কলেজগুলি ক্ষতি সামাল দিতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে বৃত্তি ও অনলাইন প্রোগ্রাম চালু করেছে (India)।

    এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিনিধিদলটি মজবুত ট্রান্সন্যাশনাল শিক্ষা মডেল— যেমন, ভারতেই থেকে কানাডিয়ান ডিগ্রি অর্জনের “স্টাডি ইন ইন্ডিয়া” সুযোগের ওপর জোর দেবে, যাতে শিক্ষার মান বজায় রেখেই চলাচলের বাধা এড়ানো যায়। ইউনিভার্সিটিজ কানাডার সভাপতি জয় জনসন এক বিবৃতিতে বলেন, “এই মিশনের উদ্দেশ্য চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করা। ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা এমন সমাধান তৈরি করতে পারি, যা উভয় দেশের জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির জন্য লাভজনক (Canadian University)।” এদিকে, ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ক্রমশ ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি কিংবা দেশের অভ্যন্তরীণ বিকল্পের দিকে ঝুঁকছেন। ২০২৫ সালে ভারত থেকে বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সামগ্রিকভাবে ৫.৭ শতাংশ কমেছে (India)।

     

  • Kolkata Air Pollution: কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট! শিশু এবং বয়স্কদের বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ

    Kolkata Air Pollution: কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট! শিশু এবং বয়স্কদের বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধূলিকণা বা পার্টিকুলেট ম্যাটার নয়, বরং শহরের বাতাসের গুণমাণ নষ্ট করার নেপথ্যে খলনায়ক বিষাক্ত গ্যাস। নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO₂) এবং গ্রাউন্ড-লেভেল ওজোন (O₃)-এর মতো ক্ষতিকারক গ্যাসগুলি কলকাতার বাতাসকে (Kolkata Air Pollution) বিষিয়ে তুলছে। শহরের বায়ুদূষণের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ জায়গায় পৌঁছেছে। বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেছেন, দিল্লি এবং কলকাতার কারণে দূষণ বাড়ছে। দু’টি শহরের কাছে কোনও সমুদ্র নেই। ফলে যে দূষণ তৈরি হচ্ছে, তা বসে যাচ্ছে। দক্ষিণা বাতাস না থাকায় সেই দূষণ শহর থেকে বেরিয়ে যেতে পারছে না। ফলে বায়ু দূষণের মাত্রা এই জায়গায় পৌঁছেছে।

    কলকাতার দূষণ মানতে বাধ্য হল পুরসভা

    পরিবেশবিদদের মতে, কলকাতার দূষণ কখনোই মানতে চাননি পুরসভার কর্তারা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যত মেয়র বাধ্য হলেন কলকাতা পুরসভায় পরিবেশ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকতে। গত কয়েকদিন ধরে শহরের বায়ুদূষণের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বায়ু দূষণের সূচক অনুযায়ী, বাতাসের দূষণের মাত্রা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বুধবার রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড, কলকাতা পুরসভা, কলকাতা পুলিশ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সম্প্রতি ‘রেস্পাইরার লিভিং সায়েন্সেস’-এর (Respirer Living Sciences) একটি সমীক্ষায় এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে । তাদের ‘অ্যাটলাস একিউ’ (Atlas AQ) প্ল্যাটফর্মের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, ২০২৫ সালে মোট ৮২ দিন এমন ছিল, যখন বাতাসের গুণমান সূচক বা একিউআই (AQI) নিয়ন্ত্রিত হয়েছে মূলত বিষাক্ত গ্যাসের দ্বারা। অর্থাৎ, পার্টিকুলেট ম্য়াটার বা ধূলিকণার থেকেও এই দিনগুলিতে বাতাসে গ্যাসের প্রকোপ ছিল বেশি। এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, কলকাতার দূষণ এখন আর একমুখী নয়, বরং তা ‘মাল্টি-পলিউট্যান্ট’ বা বহু উপাদান-নির্ভর হয়ে উঠছে। সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই ৮২ দিন ধূলিকণা প্রধান দূষক ছিল না, তার মধ্যে ৬৮ দিনই বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের আধিপত্য ছিল। ১২ দিন দাপট দেখিয়েছে গ্রাউন্ড-লেভেল ওজোন এবং ২ দিন কার্বন মনোক্সাইড। তবে বছরের বাকি দিনগুলিতে অবশ্য ধূলিকণাই ছিল প্রধান। ১৬৬ দিন পিএম ১০ (PM10) এবং ১১৭ দিন পিএম ২.৫ (PM2.5) ছিল দূষণের মূল কারণ ৷ কিন্তু গ্যাসের এই ক্রমবর্ধমান দাপট নতুন করে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে পরিবেশবিদদের কপালে।

    স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন শহরবাসী

    রেস্পাইরার লিভিং সায়েন্সেস-এর সিইও রৌনক সুতারিয়া বলেন, “আমরা প্রায়শই বাতাসের গুণমান বা একিউআই বলতে শুধুই ধূলিকণা-জনিত দূষণকে বুঝি । কিন্তু তথ্য বলছে পরিস্থিতি আরও জটিল। শহরবাসীরা এমন সব স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছেন, যা শুধুমাত্র ধূলিকণার হিসেব দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়।” তিনি সতর্ক করে জানান, শহরগুলি যদি দূষণকে শুধুমাত্র ধূলিকণার সমস্যা হিসেবে দেখে, তবে জনস্বাস্থ্যের উপর যে বড় বিপদ ঘনিয়ে আসছে, তার একটা বড় অংশ অদেখা থেকে যাবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড বাড়লে শ্বাসনালীতে প্রদাহ, হাঁপানির টান বাড়া এবং বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। অন্যদিকে, গ্রাউন্ড-লেভেল ওজোন ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

    কেন এই অবস্থা

    বসু বিজ্ঞান মন্দিরের অধ্যাপক অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এবছর তাপমাত্রা কম থাকায় মানুষ উষ্ণতার জন্য প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য, প্লাস্টিক এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পুড়িয়েছেন। এর ফলে কার্বন মনোক্সাইড এবং ক্যানসার সৃষ্টিকারী পলিনিউক্লিয়ার অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন বাতাসে মিশছে, যা গুরুতর শ্বাসকষ্টের কারণ।” তিনি আরও জানান, এই দূষকগুলি একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘পারোক্সিয়াসিটাইল নাইট্রেট’ (PAN) তৈরি করে, যা এবছর শীতের সকালে দেখা দেওয়া ধোঁয়াশার অন্যতম কারণ ৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র ধূলিকণা কমানোর চেষ্টা করলেই হবে না, বিষাক্ত গ্যাস নিয়ন্ত্রণেও অবিলম্বে বহুমুখী কৌশল বা ‘মাল্টি-পলিউট্যান্ট স্ট্র্যাটেজি’ নেওয়া প্রয়োজন ৷ পাশাপাশি বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ করতে কড়া নজরদারির পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

    দূষণের কারণ ও জনস্বাস্থ্যের সতর্কতা

    শহরের (Kolkata Air Pollution) ডানলপ, উল্টোডাঙা, মৌলালি, রবীন্দ্র সরোবর এবং হাওড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকাগুলিকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আবহাওয়ার কারণে শহরের দূষণ বাড়ছে, তেমনটা নয়। যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণ কাজের ধুলো এবং স্থানীয় কলকারখানার ধোঁয়া কলকাতার দূষণের মূল কারণ। যার জেরে তাপমাত্রা বাড়লেও দূষিত বাতাস মাটি থেকে উপরে উঠতে পারছে না। এর ফলে সাধারণ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের এই সময়ে বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    দূষণ কমাতে নির্দেশ

    কলকাতা পুলিশকে (Kolkata Air Pollution) মেয়র নির্দেশ দিয়েছেন, দূষণ যাচাই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট যে গাড়িগুলিতে নেই, সেগুলি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। গাড়িগুলিকে ভালভাবে পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায়, এখানে যেভাবে ধোঁয়া বেরোচ্ছে, তাতে দূষণ তৈরি হচ্ছে। দ্রুত গাড়িগুলিকে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করাতে হবে। যানজট মুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে কলকাতা পৌরসভার আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাস্তায় বালি যাতে না পড়ে থাকে। পাশাপাশি, রাস্তায় যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকছে। যেখান থেকে ধুলো উড়ে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে বলে মত পরিবেশবিদদের। একইসঙ্গে নির্মীয়মান আবাসন বা নির্মাণের কাজ চললে সেগুলোকে বাইরে দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। কাপড় দিয়ে বা নির্দিষ্ট আচ্ছাদন দিয়ে ঢেকে না রাখলে, কাজ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মেয়রের তরফে। অপরদিকে, রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শহর জুড়ে একাধিক জায়গায় মেট্রোর কাজ চলছে। বেশ কিছু জায়গায় খোঁড়ার কাজ হয়েছে। লাইন বসানো হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে হচ্ছে না। ঠিকমতো ঢেকে না রাখার জেরে, সেই জায়গাগুলি থেকে ধুলো উড়ে পরিবেশ দূষণ তৈরি হচ্ছে। একইসঙ্গে শহরে স্প্রিংকলার এবং ফগ ওয়াটার মেশিন ব্যবহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহর জুড়ে জল স্প্রে করে দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে মেয়র জানিয়েছেন। প্রয়োজনে শহরে আনাচে-কানাচে জলের ট্যাঙ্ক রাখা হবে। সেখান থেকে জল সরবরাহ করে স্প্রে করা হবে।

  • Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এআই (AI) নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) এক প্যানেল আলোচনায় কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি আইএমএফের মূল্যায়নকে চ্যালেঞ্জ জানান। আইএমএফের মূল্যায়নে ভারতকে দ্বিতীয় স্তরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থনীতির দেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

    বৈষ্ণবের দাবি (Ashwini Vaishnaw)

    আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বৈষ্ণব বলেন, “এআই নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” আইএমএফের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিংয়ের উল্লেখ করেন। স্ট্যানফোর্ডের মতে, এআইয়ের বিস্তার ও প্রস্তুতির দিক থেকে বিশ্বে ভারতের অবস্থান তৃতীয় এবং এআই প্রতিভার ক্ষেত্রে ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। জর্জিয়েভার করা শ্রেণিবিন্যাসের সরাসরি সমালোচনা করে বৈষ্ণব বলেন, “ভারতকে দ্বিতীয় স্তরে রাখার মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভুল এবং দেশটি স্পষ্টভাবেই প্রথম সারির গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।” মন্ত্রী ভারতের এআই কৌশলের বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেন, যা এআই স্থাপত্যের পাঁচটি স্তর – অ্যাপ্লিকেশন, মডেল, চিপ, পরিকাঠামো এবং জ্বালানিজুড়ে বিস্তৃত (AI)।

    একাধিক এআই মডেল

    তিনি জানান, ভারতের কাছে ইতিমধ্যেই একাধিক এআই মডেল রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে এআইয়ের ব্যাপক বিস্তার নিশ্চিত করার ওপর সরকারের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী বলেন, “ভারতের এআই কৌশল শুধুমাত্র বৃহৎ আকারের মডেল তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সর্বস্তরে এআই গ্রহণ ও প্রয়োগই এর মূল লক্ষ্য।” তাঁর পূর্বাভাস, কর্পোরেট ও শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা বুঝে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর সমাধান প্রয়োগের মাধ্যমে ভারত বিশ্বে এআই-নির্ভর পরিষেবার সর্ববৃহৎ সরবরাহকারীতে পরিণত হবে (Ashwini Vaishnaw)। মন্ত্রী বলেন, “অত্যন্ত বড় মডেল তৈরির বদলে কম খরচের সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বিনিয়োগের প্রকৃত রিটার্ন আসে।” তাঁর মতে, ২০ বিলিয়ন থেকে ৫০ বিলিয়ন প্যারামিটারের মডেল দিয়েই ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব (AI)।

    বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতির দেশ

    এআই ও অর্থনীতি বিষয়ক ওই প্যানেল আলোচনায় সৌদি আরবের বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ এবং মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথও অংশ নিয়েছিলেন। পুরো অধিবেশন পর্বে বৈষ্ণব দাবি করেন, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে ভারতের অবস্থানের পেছনে রয়েছে দেশের উচ্চমানের বৈশ্বিক প্রতিভা ভাণ্ডার। তিনি এও জানান, এআই প্রযুক্তির সম্পূর্ণ স্তরে সমন্বিত কৌশল গ্রহণের মাধ্যমেই বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত বিবর্তনে ভারতের প্রথম সারির অবস্থান সুরক্ষিত হয়েছে (Ashwini Vaishnaw)।

LinkedIn
Share