Tag: news in bengali

news in bengali

  • Akashvani: জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবকই সম্প্রচার শুরু করল আকাশবাণী

    Akashvani: জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবকই সম্প্রচার শুরু করল আকাশবাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার থেকে ‘বন্দে মাতরম’-এর (Vande Mataram) পূর্ণ ছয় স্তবক সম্প্রচার শুরু করে দিল আকাশবাণী (Akashvani)। বুধবারই সরকার এ ব্যাপারে জানিয়েছিল। এত দিন দুই স্তবক গাওয়া হত। বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতে নিয়ে আসা হল এহেন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

    ভারতের বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত ঐতিহ্য (Akashvani)

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, মূল সংস্করণের পাশাপাশি ভারতের বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত ঐতিহ্য তুলে ধরতে ছয় স্তবকের সম্পূর্ণ রচনাটি বিভিন্ন আঞ্চলিক শৈলীতেও রেকর্ড করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, আকাশবাণী কেন্দ্রগুলি তাদের সকালের সম্প্রচার শুরু করত একটি সিগনেচার সুরের মাধ্যমে।  এরপর প্রায় ৬৫ সেকেন্ডের দুই স্তবকের বন্দে মাতরম পরিবেশন করা হত। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় গানটির ছয় স্তবক সম্বলিত পূর্ণ সংস্করণ ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে আকাশবাণীর সব কেন্দ্র থেকে সম্প্রচার শুরু হবে। নয়া সংস্করণটির সময়কাল ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড।”

    বন্দে মাতরম-এর বিভিন্ন সংস্করণ

    প্রথম যে সংস্করণটি সম্প্রচারিত হবে, সেটি বিশিষ্ট হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী পন্ডিত চন্দ্রশেখর ভেজ পরিবেশন করেছেন। এটি রাগ দেশে গাওয়া হয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, বন্দে মাতরমের বিভিন্ন সংস্করণ আঞ্চলিক বাদ্যযন্ত্র ও সঙ্গীতশৈলী ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে। এগুলি বিভিন্ন রাজ্যের আকাশবাণী কেন্দ্র থেকে সম্প্রচার করা হবে, যাতে দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও ভালোভাবে প্রতিফলিত হয় (Vande Mataram)। গত ১১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকার একটি নতুন ও বিস্তৃত নির্দেশিকা জারি করেছিল। তাতে বন্দে মাতরম পরিবেশনের সরকারি প্রোটোকল নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানে কখন এবং কীভাবে এটি পরিবেশন করতে হবে, এবং বিশেষ করে জাতীয় সঙ্গীতের ক্ষেত্রে দর্শকদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে (Akashvani)।

    গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের জারি করা এই নয়া নির্দেশিকাগুলির উদ্দেশ্য হল, দেশের সর্বত্র সরকারি এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিক ভূমিকা সুসংহত করা এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাবেশে এর গুরুত্ব আরও বাড়ানো। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ছয় স্তবক সম্বলিত পূর্ণাঙ্গ সরকারি সংস্করণটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। এটি বড় কোনও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে পরিবেশন কিংবা বাজানো হবে। এই অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন, রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের সরকারি অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক আগমন ও প্রস্থান, এবং তাঁদের নির্ধারিত ভাষণের আগে ও পরে এই গান পরিবেশন (Akashvani)। একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কোনও অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত উভয়ই থাকে, তবে জাতীয় সঙ্গীতের আগে অবশ্যই পরিবেশন করতে হবে বন্দে মাতরম (Vande Mataram)।

     

  • Middle East Crisis: নিশ্চিন্তে পার হতে পারবে ভারত, ৫ ‘বন্ধু’ দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দিল ইরান

    Middle East Crisis: নিশ্চিন্তে পার হতে পারবে ভারত, ৫ ‘বন্ধু’ দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ পাঁচটি ‘বন্ধু’ দেশের জাহাজ চলাচলে তারা কোনও অবরোধ আরোপ করবে না। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যেই একথা জানিয়ে দিল ইরান। ভারত ছাড়া রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান এবং ইরাকের জাহাজগুলিকেও এই সংঘাতপূর্ণ অথচ গুরুত্বপূর্ণ জলপথ (হরমুজ প্রণালী) দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    ইরানের বিদেশমন্ত্রীর ঘোষণা (Middle East Crisis)

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে বন্ধ নয়। যেসব দেশের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তাদের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।” তিনি বলেন, “অনেক জাহাজ মালিক বা সংশ্লিষ্ট দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিরাপদে প্রণালী পার হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি, অথবা অন্য বিশেষ কারণে যাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ পথ নিশ্চিত করেছে।” তিনি এও বলেন, “আপনারা খবরে দেখেছেন চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক এবং ভারতের কোনও সমস্যা হয়নি। কয়েক রাত আগে ভারতের দু’টি জাহাজও এই পথ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি আমার মনে হয় বাংলাদেশও, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও চলবে, এমনকি যুদ্ধের পরেও।”

    এই অঞ্চল এখন যুদ্ধক্ষেত্র

    তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জড়িত উপসাগরীয় দেশগুলির জাহাজকে এই যুদ্ধবিধ্বস্ত জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। আরাঘচি বলেন, “আমরা যুদ্ধাবস্থায় আছি। এই অঞ্চল এখন যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কোনও কারণই নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।” আরাঘচি বলেন, “প্রায় পাঁচ দশক পরে হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরান যে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট।” তিনি জানান, যখন ইরান আংশিক অবরোধের কথা ঘোষণা করেছিল, তখন অনেকেই সেটিকে বিশ্বাস করেনি এবং এটিকে কেবল ব্লাফ বলে মনে করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ইরান তাদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব প্রমাণ করে দিয়েছে। আরাঘচি বলেন, “তারা (আমেরিকা এবং ইজরায়েল) ভেবেছিল ইরানের এত সাহস নেই। কিন্তু আমরা শক্ত হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছি। তারা আমাদের ঠেকাতে সব ধরনের চেষ্টা করেছে, যদিও ব্যর্থ হয়েছে। তারা অন্য দেশগুলির কাছেও সাহায্য চেয়েছে, এমনকি যাদের তারা নিজেরাই শত্রু বলে মনে করে। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি। কারণ এটি বাস্তবসম্মত নয়।”

    হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করার ঘোষণার জের

    আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের কয়েকদিন পর ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর এক শীর্ষ আধিকারিক হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহণ পথ। এখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। তাই এই অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করে এবং বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে বহু দেশের ওপর। সমুদ্রপথের এই বিঘ্ন ভারতের এলপিজি (LPG) সরবরাহেও ঘাটতি সৃষ্টি করেছে। কারণ দেশটি তার মোট এলপিজির প্রায় ৯০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে আমদানি করে। এর ফলে ছোট রাস্তার বিক্রেতা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট মালিক পর্যন্ত বিরাট জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে কয়েক দিনের মধ্যেই, যখন ‘নন্দাদেবী’ ও ‘শিবালিক’-সহ এলপিজি বহনকারী কয়েকটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই জাহাজগুলি ভারতে এসেও গিয়েছে।

     

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, কোন অপরাধে দোষী আসিয়া আন্দ্রাবি?

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, কোন অপরাধে দোষী আসিয়া আন্দ্রাবি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত থেকে জম্মু-কাশ্মীরকে আলাদা করতে চেয়েছিল আসিয়া আন্দ্রাবি। (Asiya Andrabi) সঙ্গে ছিল তার দুই সহকারী সোফি ফাহমিদা এবং নাহিদা নাসরিন। ২০১৮ সালে গ্রেফতার হয়েছিল এরা তিনজন। দীর্ঘ ৭ বছর মামলা চলার পর কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেত্রী আসিয়া আন্দ্রাবিকে (Asiya Andrabi) সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপের মামলায় আজীবন কারাদণ্ড দিল দিল্লির বিশেষ আদালত। একই মামলায় তার সহযোগী সোফি ফাহমিদা (Sofi Fehmeeda) এবং নাহিদা নাসরিনকে (Nahida Nasreen) ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার আদালত এই সাজা ঘোষণা করে। এর আগে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি, তিনজনকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা নিষিদ্ধ সংগঠন দুখতারান-এ-মিল্লাত-এর সঙ্গে যুক্ত থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপে অংশ নিয়েছিল। এই সংগঠনটি জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারত থেকে পৃথক করার পক্ষে কাজ করত।

    কোন কোন ধারায় দোষী

    আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিল এবং নিষিদ্ধ সংগঠন দুখতারান-এ-মিল্লাত (Dukhtaran-e-Millat)-এর মাধ্যমে কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী মতাদর্শ ছড়াত। তদন্তে উঠে এসেছে, তারা বিভিন্ন বক্তব্য, ভিডিয়ো ও প্রচারের মাধ্যমে ভারতের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে প্রচার চালাত এবং সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে পরোক্ষে সমর্থন করত। ২০১৮ সালে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) আসিয়া-সহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ, উস্কানিমূলক ভাষণ এবং কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করার ষড়যন্ত্রে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পরে গত ১৪ জানুয়ারি আদালত ইউএপিএ (UAPA)-র একাধিক ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করে। দেশের মধ্যে অশান্তি তৈরি, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মতো অভিযোগের কারণে এনআইএ আন্দ্রাবির যাবজ্জীবনের আবেদন জানিয়েছিল, তা মেনেই এ দিন সাজা ঘোষণা করে আদালত। আন্দ্রাবি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাবি ছিল, অভিযুক্তরা শুধুমাত্র মতাদর্শগত স্তরে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সক্রিয়ভাবে এমন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার জন্য হুমকি তৈরি করেছিল। আদালতও সেই যুক্তিকে গুরুত্ব দিয়েই এই কঠোর সাজা ঘোষণা করেছে।

    দুখতারান-এ-মিল্লাত ও আসিয়া আন্দ্রাবি

    দুখতারান-এ-মিল্লাত ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি কাশ্মীরভিত্তিক মহিলা সংগঠন, যার নেতৃত্বে ছিল আসিয়া আন্দ্রাবি (Asiya Andrabi)। ৬২ বছর বয়সি আসিয়া আন্দ্রাবি ‘দুখতারান-এ-মিল্লাত’ (DeM)-এর প্রতিষ্ঠাতা। সংগঠনটি প্রথমে একটি সামাজিক সংস্কারমূলক গোষ্ঠী হিসেবে শুরু হয়। ১৯৯১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে পর্দা প্রথা বাধ্যতামূলক করার প্রচারাভিযানের মাধ্যমে সংগঠনটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এটিকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে নিষিদ্ধ তকমা দেয়। পরে ২০১৮ সালে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA) আন্দ্রাবিকে গ্রেফতার করে।

    জামাত-এ-ইসলামির সঙ্গে যোগ

    ১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণ করা আন্দ্রাবি শ্রীনগরে হোম সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করে এবং সেখান থেকেই স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে। পরবর্তীতে দার্জিলিংয়ে স্নাতকোত্তর করার পরিকল্পনা থাকলেও পরিবারের অনুমতি না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। এর পরে সে ইসলামিক সাহিত্যচর্চার দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা তার মতাদর্শে বড় প্রভাব ফেলে। পরে জামাত-এ-ইসলামির মহিলা শাখায় যোগ দেয় আসিয়া। ১৯৯০ সালে আশিক হুসেন ফাকতুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় আন্দ্রাবি। আশিক বর্তমানে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছে। দুই সন্তানের মা আন্দ্রাবিকে প্রথম ১৯৯৩ সালে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে একাধিকবার পাবলিক সেফটি অ্যাক্ট (PSA)-এর আওতায় তাকে আটক করা হয়েছে।

    জাতীয় ঐক্য রক্ষায় কেন্দ্রের কঠোর অবস্থান

    কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের ভূমিকা বহুচর্চিত ও আলোচিত। পাকিস্তান, বিশেষ করে তার গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই যে এই জঙ্গি সংগঠনগুলি মারফত কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, তা-ও সর্বজনবিদিত। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের বিরামহীন সংঘর্ষে হাজার-হাজার প্রাণ যাচ্ছে উভয় পক্ষেই। এই আবহে কেন্দ্রের মোদি সরকার ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেয়। কেন্দ্রীয় সরকার ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রূপান্তরিত করে। এই সিদ্ধান্তের পরে কাশ্মীরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। বিশেষ করে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর কেন্দ্র সরকার যে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার ওপর জোর দিয়েছে, এই রায় সেই প্রক্রিয়ারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, আন্দ্রাবি-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে এই সাজা কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের নীতি ও অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলল। এই মামলাটি কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আদালতের এই রায় দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারের কঠোর অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে।

  • Assembly Election 2026: ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে ৩২ লক্ষের নিষ্পত্তি! প্রায় ৪০ শতাংশের নাম বাতিল, জানাল কমিশন

    Assembly Election 2026: ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে ৩২ লক্ষের নিষ্পত্তি! প্রায় ৪০ শতাংশের নাম বাতিল, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের (Assembly Election 2026) আগে রাজ্যে বাদ যাওয়া নামের পরিসংখ্যান সামনে আনল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় ‘অ্যাডজুডিকেশন’ (বিবেচনাধীন) তালিকায় থাকা প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩২ লক্ষের তথ্য নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে। তার মধ্যে ৪০ শতাংশ বাদ পড়েছে। অর্থাৎ নতুন করে ১৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বুধবার এমনই তথ্য দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commisson Of India)।

    এখনও পর্যন্ত বাদ ৭৬ লক্ষ নাম!

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছিল এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। তার আগে খসড়া তালিকাতেই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট (SIR Supplementary List)। সেই তালিকায় কতজনের নাম আছে, কতজনের নাম নতুন করে বাদ পড়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয় জল্পনা। বুধবার সন্ধ্যায় কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে ১০ লক্ষ নাম রয়েছে। আরও জানা গিয়েছে যে, ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। তার মধ্যে ৪০ শতাংশ বাদ পড়েছে। অর্থাৎ ১৩ লক্ষ নাম নতুন করে বাদ পড়েছে। হিসেব বলছে সব মিলিয়ে ৭৬ লক্ষ নাম বাদ পড়ল এখনও পর্যন্ত।

    রাজ্যে কত জনের নাম বাদ যেতে পারে

    এসআইআর শুরু হওয়ার আগে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম। সেই তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় বাদ পড়ে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে বাদের হিসেব দাঁড়িয়েছিল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জন। প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ নাম। এই হিসেবে যদি চলা হয়, তাহলে আগামী তালিকাতেও বাদ পড়তে পারে প্রায় ৪০ শতাংশ নাম। আর এমন হলে এখনও প্রায় ১২ লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারে বলেই খবর সূত্রের। ফলে, সব মিলিয়ে বাদ পড়তে পারে ৮৭ থেকে ৮৮ লক্ষ ভোটারের নাম। এখনও প্রায় ২৮ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি বাকি। আর যদি এমন ঘটে তাহলে রাজের মোট ভোটারের ১১ শতাংশের বেশি নাম বাদ পড়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, এসআইআর শুরু হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। ফলে, এসআইআর শেষ হলে ভোটারের সংখ্যা হতে পারে ৬ কোটি ৮০ লক্ষ।

    বিজেপি’র দাবি মিলছে

    বুধবার পটাশপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি জনসভায় বাদ পড়া ভোটারের নিজস্ব হিসেব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘‘৩২ লক্ষ ভোটারের সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ লক্ষ বৈধ ভোটার, ১৪ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। সব মিলিয়ে অবধি ৭৯ লক্ষের নাম বাদ পড়ল। এখনো ২৮ লক্ষের নাম বিবেচনায় রয়েছে।’’ বিরোধী দলনেতার দাবি, রাজ্য বহু কেন্দ্রে অনেক ভুয়ো এবং মৃত ভোটার ছিল। এ ছাড়াও একটা বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি মুসলিম ভোটারের নাম ছিল বলে দাবি শুভেন্দুর। তাঁর কথায়, ‘‘ওঁরা ভারতের নাগরিক নন। তাঁদের নাম বাদ যাওয়াই উচিত।’’ প্রসঙ্গত, বিজেপিই এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার মুখে রাজ্যে এক কোটি নাম বাদ যাওয়ার কথা বলেছিল। এখন হিসেব করলে দেখা যায়, নাম বাদের সংখ্যাটা সেই দিকেই যাচ্ছে।

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    পশ্চিমবঙ্গে কেন এসআইআর নিয়ে এত সমস্যা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্টও। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ আদালতের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘বাংলা ছাড়া অন্য কোনো সমস্যা হয়নি৷ কোনো বিবাদও হয়নি৷ অন্য রাজ্যেও তো বহু মানুষের নাম বাদ গিয়েছে!’’ রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, অন্য রাজ্যে ‘লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি’ নিয়ে এত গোলমাল হয়নি। এটার জন্যই পশ্চিমবঙ্গে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোর্টের নির্দেশেই জুডিশিয়াল অফিসাররা নথি যাচাই করছেন। সেই অনুযায়ী প্রকাশিত হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পুরো বিষয়টি তদারকি করছেন। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে তাকে চিঠি পাঠিয়ে বলা হয়েছে, কমিশন প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি নামের তালিকা প্রকাশ করতে চায়।

    দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কবে

    আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হবে বলে সূত্রের খবর। তবে সেই তালিকা বেরনোর কথা নিশ্চিত করেনি কমিশন। প্রতিদিন তালিকা বের করা হবে কি না, তাও ভেবে দেখছে কমিশন। আগামী তালিকাতেও বাদ পড়তে পারে অনেক নাম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তখন বিবেচনাধীন ভোটার ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই তালিকা ৭০৫ জন বিচারক নিষ্পত্তি করছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক নিষ্পত্তি হওয়া তালিকা ধাপে ধাপে বার করার কথা জানিয়েছে কমিশন। সেই অনুযায়ী সোমবার রাতে প্রথম অতিরিক্ত তালিকা বার হয়।

  • West Bengal Assembly Election: সত্যি হল জল্পনাই, পানিহাটিতে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা

    West Bengal Assembly Election: সত্যি হল জল্পনাই, পানিহাটিতে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই। শেষমেশ সেই জল্পনাই সত্যি হল বুধ-সন্ধ্যায়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে বিজেপির (BJP) প্রার্থী হলেন ‘অভয়া’র মা। আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক ‘অভয়া’কে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল ২০২৪ সালে। তারপর এতগুলো বছর কেটে গেলেও, সুবিচার মেলেনি। সেই কারণেই এবার বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন অভয়ার মা।

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা (West Bengal Assembly Election)

    ফেরা যাক খবরে। এদিন তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। এই তালিকায় নাম রয়েছে ১৯ জনের। তাঁর মধ্যে অভয়ার মা-ও একজন। এই কেন্দ্রে বামফ্রন্টের প্রার্থী হয়েছেন সিপিএমের কলতান দাসগুপ্ত। অভয়াকাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন কলতানও। সেই কলতানের সঙ্গেই দ্বৈরথে নামছেন বিজেপির তরফে অভয়ার মা। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে অভয়ার মা নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি বিজেপি প্রার্থী হতে চেয়েছেন। তৃতীয় দফায় বিজেপি যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে তাঁর নামও রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি পানিহাটির মানুষের জন্য জয়। পানিহাটির মানুষের জন্যই জয়ও হবে। এখানকার মানুষ প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছেন (West Bengal Assembly Election)। এখানে স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, মানুষের মৌলিক অধিকার – সরকার এসবই কেড়ে নিয়েছে। মহিলা হলেও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, মেয়েরা রাতে বাইরে বেরবে কেন? এসব (BJP) নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই। মহিলারা কেন রাতে বাইরে বেরবেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই। মহিলাদের সুরক্ষা দিতে চাই।”

    পানিহাটিতে বিজেপি প্রার্থী অভয়ার মা

    পানিহাটিতে অভয়ার মা এবং কলতান ছাড়াও, লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ। তিনি তৃণমূল নেতা নির্মল ঘোষের ছেলে। অভয়ার মা জানান, তিনি মনে করেন বিজেপিই তাঁর মেয়ের বিচার দিতে পারবে। তাই বিজেপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অভয়ার মা ছাড়াও এদিন আরও ১৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। এঁরা হলেন, দীপাঞ্জন চক্রবর্তী (উত্তরপাড়া), অম্লান ভাদুড়ি (ইংরেজবাজার), রবীন্দ্রনাথ বসু (কোচবিহার দক্ষিণ), দীনেশ সরকার (রায়গঞ্জ), চিত্রজিৎ রায় (ইসলামপুর), হরিপদ বর্মণ (হেমতাবাদ), স্বপন দাস (শান্তিপুর), বিপ্লব মণ্ডল (হাওড়া), অরূপ কুমার দাস (সিঙ্গুর), দীপাঞ্জন কুমার গুহ (চন্দননগর), সুবীর নাগ (চুঁচুড়া), মধুমিতা ঘোষ (হরিপাল), হরেকৃষ্ণ বেরা (তমলুক), শঙ্কর গুছাইত (মেদিনীপুর), প্রাণকৃষ্ণ তপাদার (পূর্বস্থলী দক্ষিণ), কৃষ্ণ ঘোষ (কাটোয়া), কৃষ্ণকান্ত সাহা (সাঁইথিয়া) এবং অনিল সিং (নলহাটি) (West Bengal Assembly Election)।

  • Annapurna Puja 2026: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, বাংলার ঘরে ঘরে অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    Annapurna Puja 2026: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, বাংলার ঘরে ঘরে অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী (Chaitra Navratri Ashtami) তিথিতে পূজিতা হন দেবী অন্নপূর্ণা (Annapurna Puja 2026)। তবে এর পাশাপাশি গ্রাম বাংলাতে নবান্ন উৎসবের সময়ও অন্নপূর্ণা পুজোর রীতি দেখা যায়। সেটা অগ্রহায়ণ মাসে সম্পন্ন হয়। মনে করা হয় বাংলায় অন্নপূর্ণা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারিত হয়েছে কাশী থেকেই। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে গেলে পুজো দিতে হয় মা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2026)। হিন্দুদের বিশ্বাস, বাবা বিশ্বনাথ কাশীধামের নির্মাণকর্তা এবং মা অন্নপূর্ণা সমগ্র কাশী ধামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। চলতি বছরে অন্নপূর্ণা পুজো আজ, বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, বাসন্তী পুজোর চলার অষ্টমীতেই পূজিতা হন মা অন্নপূর্ণা। চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমীতে (Chaitra Navratri Ashtami) অন্নপূর্ণা পুজো। পরের দিন অনুষ্ঠিত হয় রামনবমী।

    এদিন কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব

    অন্নপূর্ণা পুজোর দিনে কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব। আমিষ ভোজন, মাদক পান, ধূমপান প্রভৃতি থেকে দূরে থাকেন এই দিন ভক্তরা। কাউকে কোনওরকম কটু কথাও বলেন না ভক্তরা। যাতে তাদের ব্যবহারে কেউ অন্য কেউ কষ্ট পায়। এদিন ভক্তরা ব্রত পালন করেন এবং মিথ্যা কথা বলেন না। সাদা পোশাকে পুজোয় (Annapurna Puja 2026) দিতে দেখা যায় ভক্তদের। হিন্দুদের বিশ্বাস অন্নকূট উৎসবে কোনও ভিক্ষুককে পিতলের পাত্রে আতপ চাল দান করলে অত্যন্ত শুভ ফল পাওয়া যায়।

    ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন

    দেবী অন্নপূর্ণার (Annapurna Puja 2026) যে কোনও বিগ্রহ দেখলেই বোঝা যায়, তাঁর হাত থেকে অন্ন গ্রহণ করছেন দেবাদিদেব মহাদেব। বাংলাতে ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে মা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যও বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ন শব্দের অর্থ হল ধান আর পূর্ণা শব্দের অর্থ পূর্ণ। প্রচলিত অনেক কাহিনী রয়েছে মা অন্নপূর্ণাকে নিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কাশীর পৌরাণিক আখ্যান।

    পৌরাণিক কাহিনী জানুন…

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, শিব পার্বতী বিবাহের পরে দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু শিবের সঙ্গে মা পার্বতীর মতবিরোধ শুরু হয় মাতা পার্বতী কৈলাস ত্যাগ করেন। মাতা পার্বতীর এই সিদ্ধান্তের পরেই দেখা যায় মহামারি এবং নানা সংকট ভক্তরা তখন আকুল হয়ে পড়েন। তাঁরা দেবাদিদেব মহাদেবকে ডাকতে থাকেন। সেই সময়ই ভিক্ষার ঝুলিকে কাঁধে তুলে নেন মহাদেব। কিন্তু দেবীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা জোটে না। মহাদেব তখন জানতে পারেন কাশীতে এক নারী সকলকে অন্ন দান করছেন। তখন ভোলেনাথ সেখানে উপস্থিত হন। চিনতে পারেন তিনি মাতা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2026)। মহাদেব মায়ের কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করেন এবং সেই ভিক্ষা গ্রহণ করেই মহামারি এবং খাদ্যাভাব থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন বলে মনে করা হয়। চৈত্র মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সেখানে মানে কাশী ধামে মায়ের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মানা হয়। তাই তখন থেকেই সেখানে মায়ের পুজো প্রচলন। অন্য আরেকটি পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। সেই পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা পাননি দেবাদিদেব মহাদেব। তবে তা বুঝতে পারেন শিব। কৈলাসে ফিরে পায়েস পিঠে খেয়ে তৃপ্ত হন দেবাদিদেব। তখন থেকেই নাকি অন্নপূর্ণা পুজোর প্রচলন।

    আরও একটি আখ্যান অনুযায়ী, এমন একটি সময় এসেছিল, যখন পৃথিবীতে খাদ্য এবং জল ফুরিয়ে যায়। চারিদিকে অভাব দেখা যায়, হইচই পড়ে যায়। সেসময় মানুষ ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের পূজা করত। তাঁর ভক্তদের ডাক শুনে শ্রী হরি বিষ্ণু ভগবান শিবকে তাঁর যোগ নিদ্রা থেকে জাগিয়ে পুরো ঘটনা বললেন। তখন ভগবান শিব মা পার্বতীর কাছ থেকে সন্ন্যাসী রূপে এসে ভিক্ষা চেয়েছিলেন। মা পার্বতী তখন দেবী অন্নপূর্ণা রূপে ভগবান শিবকে ভিক্ষা দিয়ে জীবকুলকে রক্ষা করেছিলেন।

    বাংলায় এই পুজোর প্রচলন

    অনেক গবেষকের মতে, বাংলাতে অন্নপূর্ণা পুজো (Annapurna Puja 2026) প্রচলন করেছিলেন মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বসূরী ভবানন্দ মজুমদার। দেবী অন্নদার কৃপা পেয়ে সম্রাট জাহাঙ্গীরের থেকে তিনি রাজা উপাধি লাভ করেন। তবে এনিয়ে অনেক গবেষকের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

    জানেন, মায়ের প্রিয় ভোগ কী?

    মা অন্নপূর্ণাকে মা দুর্গার আরেক রূপ মানা হয়। বাংলার অন্নদামঙ্গল কাব্যে প্রথম মেলে এই দেবীর উল্লেখ। শক্তির অপর রূপ মানা হয় মা অন্নপূর্ণাকে তিনি সকলের অন্ন যোগান। মা অন্নপূর্ণার প্রিয় ভোগ হল- মুগের ডাল, ভাত, শাক, ভাজা, মোচার ঘন্ট, আর ছানার ডালনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এইভাবে সাজিয়ে মাকে ভোগ নিবেদন করলে তিনি (Annapurna Puja 2026) খুশি হন এবং বছরভর সুখ ও শান্তি সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে ভক্তের জীবন।

  • Daily Horoscope 26 March 2026: সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 March 2026: সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) ধর্মালোচনায় মন দিতে পারলে শান্তি পাবেন।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

     

     

    মিথুন

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যার সম্ভাবনা।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     

     

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    বিজয়াদি ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    ঝিঁঝিট—খয়রা কীর্তন 

                     চিদানন্দ সিন্ধুনীরে প্রেমানন্দের লহরী।
    মহাভাব রসলীলা কি মাধুরী মরি মরি
    বিবিধ বিলাস রসপ্রসঙ্গ,                 কত অভিনব ভাবতরঙ্গ,
    ডুবিছে উঠিছে করিছে রঙ্গ,              নবীন নবীন রূপ ধরি,
    (হরি হরি বলে)
    মহাযোগে সমুদয় একাকার হইল,
    দেশ-কাল ব্যবধান ভেদাভেদ ঘুচিল,
    (আশা পুরিল রে, আমার সকল সাধ মিটে গেল!)
    এখন আনন্দে মাতিয়া দুবাহু তুলিয়া, বলরে মন হরি হরি (Kathamrita)।

    ঝাঁপতাল 

    টুটল ভরম ভীতি            ধরম করম নীতি
    দূর ভেল জাতি কুল মান;
    কাঁহা হাম, কাঁহা হরি,     প্রাণমন চুরি করি,
    বঁধূয়া করিলা পয়ান;
    (আমি কেনই বা এলাম গো, প্রেমসিন্ধুতটে),
    ভাবেতে হল ভোর,         অবহিঁ হৃদয় মোর
    নাহি যাত আপনা পসান,
    প্রেমদার কহে হাসি,       শুন সাধু জগবাসী,
    এয়সাহি নূতন বিধান।
    (কিছু ভয় নাই! ভয় নাই!)

    অনেকক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রকৃতিস্থ হইলেন (Ramakrishna)।

    ব্রহ্মজ্ঞান ও ‘আশ্চর্য গণিত’—অবতারের প্রয়োজন 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি— কি একটা হয় আবেশে; এখন লজ্জা হচ্ছে। যেন ভূতে পায়, আমি আর আমি থাকি না।

    “এ-অবস্থার পর গণনা হয় না। গণতে গেলে ১-৭-৮ এইরকম গণনা হয়।”

    নরেন্দ্র — সব এক কিনা!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — না, এক দুয়ের পার!

    মহিমাচরণ — আজ্ঞা হাঁ, দ্বৈতাদ্বৈতবিবর্জিতম্‌।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হিসাব পচে যায়! পাণ্ডিত্যের দ্বারা তাঁকে পাওয়া যায় না। তিনি শাস্ত্র, — বেদ, পুরাণ, তন্ত্রের — পার। হাতে একখানা বই যদি দেখি, জ্ঞানী হলেও তাঁকে রাজর্ষি বলে কই। ব্রহ্মর্ষির কোন চিহ্ন থাকে না। শাস্ত্রের কি ব্যবহার জানো? একজন চিঠি লিখেছিল, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড় পাঠাইবে (Kathamrita)। যে চিঠি পেলে সে চিঠি পড়ে, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড়, এই কথা মনে রেখে চিঠিখানা ফেলে দিলে! আর চিঠির কি দরকার?

    বিজয় — সন্দেশ পাঠানো হয়েছে, বোঝা গেছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— মানুষদেহ ধারণ করে ঈশ্বর অবতীর্ণ হন। তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না। কিরকম জানো? গরুর যেখানটা ছোঁবে, গরুকে ছোঁয়াই হয় বটে। শিঙটা ছুঁলেও গাইটাকে ছোঁয়া হল, কিন্তু গাইটার বাঁট থেকেই দুধ হয়। (সকলের হাস্য)

    মহিমা — দুধ যদি দরকার হয়, গাইটার শিঙে মুখ দিলে কি হবে? বাঁটে মুখ দিতে হবে। (সকলের হাস্য)

    বিজয় — কিন্তু বাছুর প্রথম প্রথম এদিক-ওদিক ঢুঁ মারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিতে হাসিতে) — আবার কেউ হয়তো বাছুরকে ওইরকম করতে দেখে বাঁটটা ধরিয়ে দেয়। (সকলের হাস্য)

  • US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তিনি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই ভারত (India) থেকে তিনি তড়িঘড়ি চলে যেতে বাধ্য হন। অন্তত, এমনই দাবি করেছেন মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক শন ফয়েখ্ট (US Evangelist Sean Feucht)। তাঁর অভিযোগ, ভারতে তাঁর কার্যকলাপ নজরদারির আওতায় ছিল এবং ধর্মীয় রূপান্তর সংক্রান্ত ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে। ফয়েখ্ট সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় “জায়ন সেন্টার” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে অংশ নিতে। অনুষ্ঠানটির ছবি ও পোস্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই কেন্দ্রটি একটি সামাজিক ও ধর্মীয় মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। এখানে বড় আকারে প্রার্থনা ও ধর্মপ্রচারমূলক কার্যকলাপ চলছিল বলে খবর।

    পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার (US Evangelist Sean Feucht)

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়েখ্ট পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। যদিও তিনি প্রচার, ধর্মীয় বক্তব্য দান এবং ধর্মান্তর কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। ভারতীয় ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, পর্যটক ভিসায় বিদেশি নাগরিকদের ধর্মান্তর, উপদেশ প্রদান বা মিশনারি কার্যকলাপ চালানোর অনুমতি নেই। কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করেননি যে, তিনি কোন ধরনের ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। আইনজ্ঞরা জানান, মিশনারি ভিসায়ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকে এবং সংগঠিত ধর্মান্তর অভিযান বা প্রচার কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হয় না।

    মার্কিন ধর্মপ্রচারকের দাবি

    বিতর্ক বাড়তে থাকায় ফয়েখ্ট দ্রুত ভারত ছেড়ে চলে যান। তবে যাওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিপীড়নের শিকার হিসেবে তুলে ধরেন। কয়েকদিন পরেও তিনি সেই একই দাবি জানান। স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি দাবি করেন, ভারতে খ্রিস্টানরা নিরাপদ নন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে খ্রিস্টানদের (US Evangelist Sean Feucht) ওপর ‘নিপীড়ন’ চলছে। এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইন কঠিন শাস্তির কারণ হতে পারে, যার মধ্যে দীর্ঘ কারাদণ্ডও রয়েছে। তিনি আরও জানান, আমেরিকার সরকার ভারতকে নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নয়। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন আইনপ্রণেতারা তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। অবশ্য এই ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই। অনলাইনে শেয়ার করা কিছু স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, তিনি ভারতে অবস্থানরত ‘পাস্টরদের’ মতামত তুলে ধরে দাবি করেন, খ্রিস্টানরা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রকাশ্যে শেয়ার করা ব্যক্তিগত বার্তায় তিনি পরিস্থিতিকে “ব্যাপক নিপীড়ন” বলে বর্ণনা করেছেন এবং জনগণের সমর্থন চেয়েছেন।

    ভারতীয় আইন

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর নিষিদ্ধ করে না, তবে জোরপূর্বক, প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে ধর্মান্তরবিরোধী আইন রয়েছে, যেখানে “গণধর্মান্তর” বা দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ফয়েখ্ট “নিপীড়ন” হিসেবে ঘটনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছেন এবং আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে চাইছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের বর্ণনা প্রশাসনিক নিয়ম প্রয়োগকে মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে, যার (India) ফলে নজরদারি ছাড়াই মিশনারি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (US Evangelist Sean Feucht)।

     

LinkedIn
Share