Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ramakrishna 620: “দেখ, ঈশ্বর সব করছেন, তিনি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র, এ-বিশ্বাস যদি কারু হয়, সে তো জীবন্মুক্ত—তোমার কর্ম তুমি কর, লোকে বলে করি আমি”

    Ramakrishna 620: “দেখ, ঈশ্বর সব করছেন, তিনি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র, এ-বিশ্বাস যদি কারু হয়, সে তো জীবন্মুক্ত—তোমার কর্ম তুমি কর, লোকে বলে করি আমি”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    FREE WILL OR GOD’S WILL
    ‘যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    Liberty or Necessity?—Influence of Motives

    ডাক্তার — কিন্তু আগুন ‘হীট’ও (উত্তাপ) দেয়, আর ‘লাইট’ও (আলো) দেয়। আলোতে দেখা যায় বটে; কিন্তু উত্তাপে গা পুড়ে যায়। ডিউটি (কর্তব্য কর্ম) করতে গেলে কেবল আনন্দ (Ramakrishna) হয় তা নয়, কষ্টও আছে!

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — পেটে খেলে পিঠে সয়। কষ্টতেও আনন্দ।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — ডিউটি শুষ্ক।

    ডাক্তার — কেন?

    গিরিশ — তবে সরস। (সকলের হাস্য)

    মাস্টার — বশ, এইবার লোভে গুলি খাওয়া এসে পড়ল।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — সরস, নচেৎ ডিউটি কেন করেন?

    ডাক্তার — এইরূপ মনের ইনক্লিনেসন (মনের ওইদিকে গতি)।

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — ‘পোড়া স্বভাবে টানে!’ (হাস্য) যদি একদিকে ঝোঁকই (ইনক্লিনেসন) হল Free Will কোথায়?

    ডাক্তার (Ramakrishna)— আমি Free (স্বাধীন) একেবারে বলছি না। গরু খুঁটিতে বাঁধা আছে, দড়ি যতদূর যায়, তার ভিতর ফ্রি। দড়ি টান পড়লে আবার —

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও Free Will

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এই উপমা যদু মল্লিকও বলেছিল। (ছোট নরেন্দ্রের প্রতি) একি ইংরাজীতে আছে?

    (ডাক্তারের প্রতি) — “দেখ, ঈশ্বর সব করছেন, তিনি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র। এ-বিশ্বাস যদি কারু হয়, সে তো জীবন্মুক্ত—‘তোমার কর্ম তুমি কর, লোকে বলে করি আমি।’ কিরকম জানো? বেদান্তের একটি উপমা আছে (Kathamrita)—একটা হাঁড়িতে ভাত চড়িয়েছ, আলু, বেগুন, চাল লাফাতে থাকে, যেন অভিমান করছে ‘আমি নড়ছি’, আমি লাফাচ্চি।’ ছোট ছেলেরা ভাবে, আলু। পঠল, বেগুন ওরা বুঝি জীয়ন্ত, তাই লাফাচ্চে। যাদের জ্ঞান হয়েছে তারা কিন্তু বুঝিয়ে দেয় যে, এই সব আলু, বেগুন পটল এরা জীয়ন্ত নয়, নিজে লাফাচ্চে না। হাঁড়ির নিচে আগুন জ্বলছে, তাই ওরা লাফাচ্ছে। যদি কাঠ টেনে লওয়া যায়, তাহলে আর নড়ে না। জীবের ‘আমি কর্তা’ এই অভিমান অজ্ঞান থেকে হয়। ঈশ্বরের শক্তিতে সব শক্তিমান। জ্বলন্ত কাঠ টেনে নিলে সব চুপ। — পুতুলনাচের পুতুল বাজিকরের হাতে বেশ নাচে, হাত থেকে পড়ে গেলে আর নড়ে না চড়ে না!

    “যতক্ষণ না ঈশ্বরদর্শন হয়, যতক্ষণ সেই পরশমণি ছেঁয়া না হয়, ততক্ষণ আমি কর্তা এই ভুল থাকবে; আমি সৎ কাজ করেছি, অসৎ কাজ করেছি, এই সব ভেদ বোধ থাকবেই থাকবে। এ-ভেদবোধ তাঁরই মায়া — তাঁর মায়ার সংসার চালাবার জন্য বন্দোবস্ত। বিদ্যামায়া আশ্রয় করলে, সৎপথ ধরলে তাঁকে লাভ করা যায়। যে লাভ করে, যে ঈশ্বরকে দর্শন করে, সেই মায়া পার হয়ে যেতে পারে। তিনিই একমাত্র কর্তা, আমি অকর্তা, এ-বিশ্বাস যার, সেই জীবন্মুক্ত, এ-কথা কেশব সেনকে বলেছিলাম।”

    গিরিশ — Free Will কেমন করে আপনি জানলেন?

    ডাক্তার — Reason (বিচার)-এর দ্বারা নয় — I feel it!

    গিরিশ — Then I and others feel it to be the reverse. (আমরা সকলে ঠিক উলটো বোধ করি যে, আমরা পরতন্ত্র)। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তার — ডিউটির ভিতর দুটো এলিমেন্ট — (১) ডিউটি বলে কর্তব্য কর্ম করতে যাই, (২) পরে আহ্লাদ হয়। কিন্তু initial stage-এ (গোড়াতে) আনন্দ হবে বলে যাই না। ছেলেবেলায় দেখতুম পুরুত সন্দেশে পিঁপড়ে হলে বড় ভাবিত হত। পুরুতের প্রথমেই সন্দেশ-চিন্তা করে আনন্দ হয় না। (হাস্য) প্রথমে বড় ভাবনা।

    মাস্টার (স্বগত) — পরে আনন্দ (Kathamrita), কি সঙ্গে সঙ্গে আনন্দ হয়, বলা কঠিন। আনন্দের জোরে কার্য হলে, Free Will কোথায়?

  • Yashwant Verma: দিল্লির বাড়িতে মিলেছিল টাকার পাহাড়, অবশেষে ইস্তফা বিচারপতি ভর্মার

    Yashwant Verma: দিল্লির বাড়িতে মিলেছিল টাকার পাহাড়, অবশেষে ইস্তফা বিচারপতি ভর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদীয় ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার আগেই পদত্যাগ করলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত ভার্মা (Justice Yashwant Varma)। বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল সরাসরি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র (Justice Yashwant Varma Resignation) পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। দিল্লিতে বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে অবশেষে ইস্তফা দিলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি যশবন্ত ভর্মা। জানা গিয়েছে, তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল, তবে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেওয়ায় সেই প্রক্রিয়ার আর প্রয়োজন রইল না।

    কেন বিতর্ক?

    ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ দিল্লির লুটিয়েন্স এলাকায় বিচারপতি ভর্মার সরকারি বাসভবনে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল কর্মীরা সার্ভেন্ট কোয়ার্টারের পাশে একটি স্টোররুম থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেন। টাকার বেশিরভাগই আগুনে পুড়ে যাওয়ায় সঠিক অঙ্ক জানা যায়নি, তবে টাকার স্তূপ প্রায় দেড় ফুট উঁচু ছিল বলে জানা যায়। ঘটনার সময় বিচারপতি ভর্মা ও তাঁর স্ত্রী ভোপালে ছিলেন। তিনি দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া টাকা তাঁর নয় এবং তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাঁকে দায়ী করা যায় না।

    তদন্ত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না-র কাছে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে উদ্ধার হওয়া টাকার ছবি ও ভিডিওও সংযুক্ত ছিল। এরপর তাঁকে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে সরিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বদলি করা হয়। পাশাপাশি তাঁকে কোনও বিচারিক কাজও দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। যদিও বিচারপতি ভর্মা সেই কমিটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। হাজারো বিতর্কের মাঝে অবশেষে তিনি নিজে থেকেই বিচারপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন।

    কী লেখা আছে পদত্যাগের চিঠিতে?

    রাষ্ট্রপতিকে লেখা সংক্ষিপ্ত অথচ গম্ভীর চিঠিতে বিচারপতি ভার্মা তাঁর এই সিদ্ধান্তের কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি। তিনি লিখেছেন, “কেন আমি এই পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য হলাম, সেই কারণগুলো জানিয়ে আপনার দফতরকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না। তবে অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে আমি এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হোক।”

     

     

     

     

     

  • BJP Sankalp Patra: অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, ৪৫ দিনে সপ্তম বেতন কমিশন! বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র”-এ আর কী কী?

    BJP Sankalp Patra: অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, ৪৫ দিনে সপ্তম বেতন কমিশন! বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র”-এ আর কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন থেকে শুরু করে কৃষকদের সহায়তা বৃদ্ধি, সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন থেকে রাজ্যে নতুন উপনগরী তৈরির বার্তা উঠে এল বিজেপির সংকল্প পত্রে। বাদ যায়নি সিঙ্গুরের পড়ে থাকা জমি থেকে তাজপুরের সমুদ্র বন্দর প্রসঙ্গ। গুরুত্ব পেয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের কথাও। শুধু উন্নয়নের বার্তাই নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে হওয়া দুর্নীতির বিচার ও অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়ারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বিজেপির সংকল্প পত্রে। শুক্রবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির এই নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’

    বাংলার জন্য সংকল্প পত্রে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া মনোভাব ফের একবার স্পষ্ট করল বিজেপি ৷ সংকল্প পত্রে বলা হয়েছ, ‘‘অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’। আমরা ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট নীতির মাধ্যমে বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে বার করব। দেশকে সুরক্ষিত করব।’’ বিজেপির দাবি, ‘‘বাংলায় সকল নাগরিকের জন্য এক আইন নিশ্চিত করা হবে। অনুপ্রবেশকারীদের জন্য সীমানা সুরক্ষিত করার পাশাপাশি গরু পাচার একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হবে।’’

    সংকল্প পত্রে কী কী বলা হল

    ডিএ সুনিশ্চিত: সকল সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের ডিএ সুনিশ্চিত করা হবে। ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে।

    বেকারত্ব ঘুচবে: নতুন রোজগারের পথ খুলবে বিজেপি। তাতে বেকারত্ব ঘুচবে। বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে অর্থসাহায্য করা হবে।

    রাজনৈতিক হিংসার তদন্ত: সকল রাজনৈতিক হিংসার তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে কমিটি গড়ে দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা করা হবে।

    বিশেষ স্কোয়াড: মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষ স্কোয়াড গঠন করা হবে। আলু চাষিদের জন্যেও বিশেষ ব্যবস্থা করার আশ্বাস রয়েছে বিজেপির ইস্তাহারে।

    নতুন প্রতিষ্ঠান: উত্তরবঙ্গে এমস, আইআইটি, আইআইএম এবং ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে আলাদা আলাদা জেলায়। রাজ্যে বন্দেমাতরম মিউজিয়াম গঠন করার কথাও জানালেন অমিত শাহ।

    মাফিয়ারাজের মোকাবিলা: যে সব জমির কাজ আটকে আছে, ৪৫ দিনের মধ্যেই ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তা ছেড়ে দেবে। মাফিয়ারাজের মোকাবিলার রোড ম্যাপ সরকারে এলে প্রথম ছ’দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

    মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি: সুনির্দিষ্ট ও দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ায় যোগ্যদের মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া, যাঁরা দুর্নীতির জন্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের পাঁচ বছর পর্যন্ত বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য যুবদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

    মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ : রাজ্যের সব চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে। সব মণ্ডলে মহিলা থানা থাকবে। প্রতি পুলিশ জেলায় মহিলা ডেস্ক থাকবে। দিনরাত সেখানে কাজ হবে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে কখনও এমন কথা বলতে হবে না যে, মহিলারা কেন রাতে বাইরে বেরিয়েছেন। মহিলাদের জন্য ১০০ শতাংশ বিনা শুল্ক পরিবহণ নিশ্চিত করবে বিজেপি সরকার। সন্দেশখালির মতো ঘটনা আটকাতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণে তদন্ত হবে।

    প্রধান রফতানি ক্ষেত্র : তাজপুর, কুলপিতে বিশেষ ডিপ সি পোর্ট তৈরির পরিকল্পনা। চা এবং পাট শিল্পেও জোর দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গকে ব্লু ইকনমির প্রধান রফতানি ক্ষেত্র বানানো হবে।

    চারটি নতুন উপনগরী: রাজ‍্যে চারটি নতুন উপনগরী তৈরি করা হবে। জায়গা বেছে করা হবে। আগামীর সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করাই লক্ষ্য। হলদিয়া বন্দরের বিকাশের জন্য আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাকে একসঙ্গে রেখে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে। দার্জিলিংকে হেরিটেজ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পর্যটন শিল্পে জোর দেওয়া হবে। কলকাতাকে সারা বিশ্বের সামনে ‘লিভিং সিটি’ হিসাবে প্রকাশ করা হবে।

    ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠন: উত্তরবঙ্গে একটি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করা হবে। কৃষকদের ধানের মূল্য নির্দিষ্ট করা হবে। আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর যোজনাও যোগ করা হবে। প্রত্যেক গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গে নতুন ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি হবে যেখানে সব সুবিধা থাকবে।

    প্রধানমন্ত্রী কিসান প্রকল্প: প্রধানমন্ত্রী কিসান প্রকল্পের টাকা বাড়ানো হবে। কেন্দ্রের ৬০০০ টাকার সঙ্গে রাজ্য সরকারের ৩০০০ টাকা যোগ করে মোট ৯০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। চৈতন্য মহাপ্রভু আধ্যাত্মিক সার্কিটের উন্নয়ন হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করা হবে। থিয়েটারের জন‍্য আধুনিক ইনস্টিটিউট তৈরি করা হবে। থিয়েটারের বার্ষিক অনুদান বাড়িয়ে এক লক্ষ করা হবে।

  • Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে পরমাণু শক্তি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বড়সড় সাফল্য অর্জন করল ভারত। তামিলনাড়ুর কালপাক্কমে (KNPP) ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (PFBR) প্রথম বারের মতো ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। যার অর্থ রিঅ্যাক্টরে স্বনির্ভর পারমাণবিক চেন বিক্রিয়া সফলভাবে শুরু হয়েছে।

    এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ…

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বনির্ভরতার পথে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এই অর্জনের ফলে ভারত এমন একটি সক্ষমতা অর্জন করল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং জাপানের মতো উন্নত দেশগুলো দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারেনি। বর্তমানে বাণিজ্যিক স্তরে শুধুমাত্র রাশিয়াই এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহার করছে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) জানিয়েছে, “সম্পূর্ণরূপে চালু হলে ভারত রাশিয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হবে, যারা বাণিজ্যিকভাবে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর পরিচালনা করবে।”

    কী এই ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর?

    সাধারণ পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর যেখানে ইউরেনিয়াম জ্বালানি ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে, সেখানে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (Fast Breeder Reactor) ব্যবহার করা জ্বালানির থেকেও বেশি পরিমাণে নতুন জ্বালানি উৎপাদন করতে সক্ষম। এই ‘ফিসাইল’ জ্বালানি ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগে। এই রিঅ্যাক্টরে মিশ্র অক্সাইড (MOX) জ্বালানি ব্যবহার করা হয় এবং তরল সোডিয়াম কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে। এখন এটি নিম্ন-ক্ষমতার বিভিন্ন পরীক্ষা পর্যায় অতিক্রম করবে, এরপর পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে।

    ভারতের জন্য কেন তা তাৎপর্যপূর্ণ?

    ভারতের জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশে ইউরেনিয়ামের মজুত সীমিত হলেও থোরিয়ামের ভাণ্ডার বিপুল। ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর উপকূলে এই থোরিয়াম মজুত রয়েছে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টরটি সীমিত ইউরেনিয়াম ও বিপুল থোরিয়ামের বাস্তবতাকে একত্রে কাজে লাগায়। প্রথম পর্যায়ে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে শুরু হলেও, পরবর্তী পর্যায়ে থোরিয়াম-ভিত্তিক জ্বালানিতে এটি চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে ইউরেনিয়াম আমদানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমবে। এই রিঅ্যাক্টর শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই করবে না, বরং যতটা জ্বালানি ব্যবহার করবে তার থেকেও বেশি জ্বালানি তৈরি করতে পারবে। ফলে ভবিষ্যতে থোরিয়াম ব্যবহার করে শতাব্দীর পর শতাব্দী বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথ খুলে যাবে। এটি যেমন বৈজ্ঞানিক সাফল্য, তেমনই একটি কৌশলগত জয়।

    তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচিতে বড় অগ্রগতি

    এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত তার তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করল। এই কর্মসূচির ধারণা প্রথম দেন ভারতের পরমাণু কর্মসূচির জনক ডক্টর হোমি জেহাঙ্গির ভাবা।

    • ● প্রথম পর্যায়: প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও প্লুটোনিয়াম তৈরি
    • ● দ্বিতীয় পর্যায়: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে সেই প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করে আরও জ্বালানি উৎপাদন
    • ● তৃতীয় পর্যায়: থোরিয়াম ব্যবহার করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন

    কেন ব্যর্থ হয় আমেরিকা ও ফ্রান্স?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬০-এর দশকে ‘ফার্মি-১’ রিঅ্যাক্টর তৈরি করলেও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও দুর্ঘটনার কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়। পরে ‘ক্লিঞ্চ রিভার’ প্রকল্পও ব্যয়বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা সমস্যার জন্য বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ‘সুপারফেনিক্স’ রিঅ্যাক্টরও সোডিয়াম লিক, আগুন ও রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে দীর্ঘদিন টেকেনি এবং ১৯৯৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। জাপানের ‘মনজু’ রিঅ্যাক্টরও একাধিক দুর্ঘটনার জেরে শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা

    বর্তমানে ভারত প্রায় ৮ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে তা বাড়িয়ে ১০০ গিগাওয়াটে পৌঁছানো। ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর এই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ এটি আমদানিকৃত ইউরেনিয়াম ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাবে। এটি স্থিতিশীল ও পরিষ্কার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা থেকেও ভারতকে সুরক্ষা দেবে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টর প্রায় ৩০ লক্ষ পরিবারের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালপাক্কমের ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি স্বনির্ভরতা এবং কৌশলগত স্বাধীনতার ভিত্তি মজবুত করবে। দশকের পর দশক গবেষণা, বিনিয়োগ এবং ধৈর্যের ফল এই সাফল্য এসেছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্য নিঃসন্দেহে ভারতের জন্য গর্বের মুহূর্ত।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সাফল্যকে ভারতের অসামরিক পরমাণু কর্মসূচির “একটি নির্ধারক পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার প্রতিফলন এবং থোরিয়াম ব্যবহারের পথে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) ভারত, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতীয় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। তারা বলেছে, “এই রিঅ্যাক্টর কম জ্বালানি ব্যবহার করে এবং একটি ক্লোজড ফুয়েল সাইকেলের পথে দিশা দেখাবে।”

  • BJP Manifesto: ‘‘ভয়রহিত আর ভরসাযুক্ত বাংলা গড়া’’-র ডাক, বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র” প্রকাশ অমিত শাহের

    BJP Manifesto: ‘‘ভয়রহিত আর ভরসাযুক্ত বাংলা গড়া’’-র ডাক, বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র” প্রকাশ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় আসন্ন বিধানসভা ভোট উপলক্ষে বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র” (BJP Manifesto) প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নিউটাউনের একটি হোটেল থেকে বিজেপির ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করলেন শাহ (Amit Shah)। ইস্তাহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভয় নয় ভরসা’। শাহ বলেন, এই সংকল্প পত্র বাংলার সমাজের “প্রতিটি অংশের” প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ও জনবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে চায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনকে “অন্ধকারের যুগ” আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, রাজ্যের মানুষ এখন ভীত ও পরিবর্তন চাইছে।

    কারা কারা প্রকাশ করলেন সংকল্প পত্র

    ভোটের মুখে ফের রাজ্য সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর আগে তিনি পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের ‘অপশাসন’-এর চার্জশিট প্রকাশ করতে এসেছিলেন। পরে এসেছিলেন ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার রোড শো-তেও। এবার প্রকাশ করলেন নির্বাচনী সংকল্প পত্র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দুই বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর, বিজেপি নেতা তাপস রায়, বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রমুখ। ইস্তাহার তৈরির জন্য বিজেপি যে কমিটি গড়েছিল, তার সভাপতিত্ব করেন তাপস রায়।

    প্রত্যাশা পূরণ হয়নি

    সভামঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এদিন অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, গত ১৫ বছর বাংলার মানুষের জন্য ‘কালরাত্রি’ হিসেবে কেটেছে। দীর্ঘ দিনের বাম শাসনের পর পরিবর্তনের আশায় মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সুযোগ দিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, “গত ১৫ বছর বাংলার মানুষের জন্য কালরাত্রি হয়ে রয়েছে। দীর্ঘ কমিউনিস্ট অপশাসনের পর মানুষ পরিবর্তনের আশায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সুযোগ দিয়েছিল, কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং রাজ্যে অপশাসন, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক হিংসা বেড়েছে। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ এখন নতুন পরিবর্তন চাইছে এবং বিজেপি গত ১০ বছরে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে।”

    ভরসাযুক্ত বাংলা গড়ার ডাক

    অনুষ্ঠানে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন—‘‘ভয়রহিত বাংলা গড়া আর ভরসাযুক্ত বাংলা গড়া— আমাদের সঙ্কল্পপত্রের মূল ভাব এটাই। গত প্রায় পাঁচ দশক বাংলাকে শুধু নীচে নামানো হয়েছে। আমরা বাংলায় আবার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ আনব। দুর্নীতিমুক্ত রাজ্য বানাব। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অনুপ্রবেশ মুক্তি, শিল্পোন্নয়ন, কৃষকের উন্নয়নে জোর দেবে নতুন সরকার।’’ তাঁর কথায়, ‘‘এই ইস্তাহার পশ্চিমবঙ্গের ভীত মহিলা, যুবদের আস্থা জোগাবে। নরেন্দ্র মোদির বিকশিত ভারতের ‘রোড ম্যাপ’ রাজ্যের জনগণের সামনে রাখবে।’’

    নববর্ষের দিনে প্রচার যাত্রা শুরু

    ‘‘বাঙালি নববর্ষের দিন সঙ্কল্পের সঙ্গে আমাদের প্রচারের যাত্রা শুরু হবে। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের দুঃস্বপ্ন ঘুচবে। আগামী পাঁচ বছরে বিজেপি সরকার এ রাজ্যের বিকাশের রাস্তা খুলবে। মমতা দিদি ভয়, ভ্রষ্টাচার প্রতিস্থাপিত করেছেন। এটা আইনের শাসনের ভরসা। রোজগারের ভরসা। সোনার বাংলা তৈরি করব আমরা। আমার বিশ্বাস, বাংলার জনতা আমাদের এখানে পাঁচ বছরের জন্য সরকার তৈরির সুযোগ দেবেন। আমরা সেই ভরসার ভিত্তিতে রাজ্যের পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করব।’’

    রাজ্যে এ দফায় শাহের কর্মসূচি

    সংকল্পপত্র প্রকাশের (BJP Manifesto) পর জেলায় নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিম মেদিনীপুরে যাবেন শাহ। সেখানে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। এদিন ডেবরায় একটি জনসভা এবং খড়্গপুরে একটি রোড শো করার কথা রয়েছে। শনিবার শাহের কর্মসূচি রয়েছে বাঁকুড়ার ছাতনা এবং পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে। যেখানে ভোট প্রচারের বার্তা তুলে ধরবেন অমিত শাহ। পাশাপাশি, সাংগঠনিক বৈঠকও করার কথা তাঁর। অন্যদিকে, শনিবার ফের পশ্চিমবঙ্গে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওইদিন কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডিতে সভা করবেন তিনি।

  • Assembly Election 2026: ৯১ শতাংশ ভোট পুদুচেরিতে! গণতন্ত্রের উৎসবে পিছিয়ে নেই অসম ও কেরলও

    Assembly Election 2026: ৯১ শতাংশ ভোট পুদুচেরিতে! গণতন্ত্রের উৎসবে পিছিয়ে নেই অসম ও কেরলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হল অসম, কেরল ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) ভোটপর্ব। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটের উপর ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ। নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারিতে সমাপ্ত হল ভোটপর্ব। উৎসবের আবহেই ভোট (Assembly Election) হল এই রাজ্যগুলিতে। ধরা পড়ছে তার খণ্ড খণ্ড চিত্র। কোথাও দেখা গেল, বিয়ের সাজেই ভোট দিতে চলে এসেছেন কনে। আবার কোথাও স্টার প্রার্থীকে ঘিরে সেলফি তোলার ভিড়। অসমে ভোট দিলেন প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গের স্ত্রী গরিমা গর্গও। দুই রাজ্য অসম ও কেরল এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ব্যাপক ভোটদানের হার নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার ভোটারদের অংশগ্রহণ আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের “অটুট আস্থা”-র প্রমাণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোথায় কত শতাংশ ভোট

    পুদুচেরিতে সর্বোচ্চ ৯১.২ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা এর আগে ২০১১ সালের ৮৬.২ শতাংশের রেকর্ড ভেঙেছে। অসমে ভোটদান হয়েছে ৮৫.৮ শতাংশ—২০১৬ সালের ৮৪.৭ শতাংশের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে কেরলে ৭৮.২ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা ১৯৮৭ সালের পর সর্বোচ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এই ভোটদানকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, “এটি শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।” নির্বাচন কমিশনের একাধিক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভোটার তালিকা সংশোধন (Special Intensive Revision) এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের ফলে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। মৃত, স্থানান্তরিত বা ডুপ্লিকেট নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটার সংখ্যা কিছুটা কমলেও ভোটদানের হার বেড়েছে।

    অসমে সংখ্যালঘু এলাকায় ভোটের জোয়ার

    অসমে ভোটদানের চিত্র সমান নয়। মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। দরং জেলার দলগাঁও কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৯৪.৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরকম প্রায় ১৫টি কেন্দ্রে ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদান হয়েছে। অন্যদিকে, আপার অসমের হিন্দু প্রধান এলাকায় ভোটের হার ছিল প্রায় ৮২ শতাংশ, যা রাজ্যের গড়ের নিচে। বোধো অঞ্চলে ৮৫ শতাংশ, বরাক উপত্যকায় ৮২.৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কার্বি আংলং ও দিমা হাসাও পাহাড়ি জেলায়—৭৪.২ শতাংশ। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই ভোটদানকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করে ১২৬ আসনের মধ্যে ৯০টির বেশি আসনে জয়ের আশা প্রকাশ করেছেন।

    রেকর্ড পরিমাণ ভোট

    বুধবার রাত থেকেই দফায় দফায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে অসমের বিভিন্ন প্রান্তে। বৃহস্পতিবার সকালেও ছিল আকাশের মুখ ভার। ছিল বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতও। তবে সেসব উপেক্ষা করেই এদিন গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন সেরাজ্যের মানুষ। অসমের আইজি (আইন-শৃঙ্খলা) অখিলেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, বুধবরা রাতে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল তমুলপুর ও শিবসাগর বিধানসভা কেন্দ্র। পাথারকান্দি, মেরাপানি, রাহার বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে অশান্তি হয়েছে। অন্যদিকে শ্রীভূমি, গোলাঘাট ও নগাঁও জেলায় বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ছোটখাটো সংঘর্ষ হয়েছে।

    সরকার গড়বে বিজেপি-ই!

    কামরূপ শহরের গরাল বুনিয়াদি এলপি স্কুলের বুথে সপরিবারে ভোট দেন অসমের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। উল্লেখ্য, অসমে পরপর দু’বার সরকারে বিজেপি। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী গৌরব গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস। বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় অসমে বিজেপিকে এগিয়ে রাখছে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, অসমে পরিবর্তনের চোরাস্রোত বইছে। যেভাবে অহমের মূল নিবাসীরা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে, তাতে রাজ্যে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। যদিও বিজেপি ১০০ আসন জয়ের টার্গেট বেঁধে রেখেছে।

    কেরলে উৎসাহ, তাপদাহ উপেক্ষা করেও লম্বা লাইন

    কেরলেও তাপদাহ উপেক্ষা করে ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। বহু জেলায় ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়েও ভোটকেন্দ্রে লাইন ছিল। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, বিরোধী নেতা ভি ডি সতীশান এবং বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ভোট দেন। চলচ্চিত্র জগতের মম্মুট্টি, মোহনলাল, সুরজ ভেঙ্কারামুডু ও আসিফ আলিও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তিরুবনন্তপুরমে প্রথমবার ভোটদাতাদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়—তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় হালুয়ার বাক্স ও ধন্যবাদ কার্ড, যা ভোটে অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে সাহায্য করেছে।

    কেরলে শান্তিপূর্ণ ভোট

    দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই মিটল কেরলের ভোটগ্রহণ পর্বও। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এলডিএফ ও ইউডিএফ-উভয় শিবিরই। ভোটদানের পর মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেন, ‘কেরল উন্নত রাজ্য হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই ভোটেও যাত্রা অব্যাহত থাকবে।’ অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেন, ‘ভোটদানের হার বেশি। এর থেকেই প্রমাণ হয় মানুষ সরকার বদল চায়।’ পাশাপাশি কেরলে বিজেপি কোনো ফ্যাক্টর নয় বলেও জানান তিনি। ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমবারের ভোটারদের জন্য এর্নাকুলামে ভোটকেন্দ্র গুলিতে ছিল বিশেষ ব্যবস্থা। ভোটদানে উৎসাহ দিতে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় হালুয়ার প্যাকেট। অন্যদিকে বিয়ের মণ্ডপ থেকে এদিন সরাসরি ভোটকেন্দ্রে চলে আসেন সদ্য বিবাহিত দম্পতি দিব্যশ্রী ও অশ্বনাথ লম্বোদরণ। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বিপুল ভোটদান প্রমাণ করে যে মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখছেন এবং সচেতনভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

  • Election Commission: সুপ্রতিমকে তামিলনাড়ু যেতেই হবে! ভোটের আগে আরও ১৪৯ পুলিশ আধিকারিককে সরাল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: সুপ্রতিমকে তামিলনাড়ু যেতেই হবে! ভোটের আগে আরও ১৪৯ পুলিশ আধিকারিককে সরাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (WB Assembly Polls 2026) আগে রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ৮১ জন পুলিশ ইনস্পেক্টরকে ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। সরানো হল ৬৮ জন সাব-ইনস্পেক্টরকেও। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, এই আধিকারিকেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কোনও কাজের সঙ্গেই আর যুক্ত থাকতে পারবেন না। কলকাতার সদ্য প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে না। তাঁকে ভোটের দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে তামিলনাড়ুতেই যেতে হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    তামিলনাড়ুতেই যেতে হবে সুপ্রতিম সরকারকে

    শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তামিলনাড়ুর পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন কলকাতার সদ্য প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। কিন্তু কমিশন তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, তাঁকে তামিলনাড়ুতেই ভোটের দায়িত্ব পালন করতে যেতে হবে। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত কয়েকটি জনসভা থেকে সুপ্রতিম সরকারের এই বদলি ও দায়িত্ব প্রদান নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন।

    শুক্রবারই দায়িত্ব নিতে হবে

    কমিশনের (Election Commission) বৃহস্পতিবার জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অপসারিত ৮১ জন ইনস্পেক্টরকে আজ, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে তাঁদের নতুন পদে দায়িত্ব নিতে হবে। কমিশনের নির্দেশে এঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারেরা। কমিশন জানিয়েছে, এই পুলিশ অফিসারেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভোটের (WB Assembly Polls 2026) কাজে হস্তক্ষেপ করবেন না, এই মর্মে পুলিশ সুপারদের মুচলেকা দিতে হবে। সাব-ইনস্পেক্টরদের বদলি সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কমিশন। তাতে বলা হয়েছে, গত ২৯ মার্চ ১৫০ জন ইনস্পেক্টর এবং সাব-ইন্সপেক্টরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ৪৯ জন এসআই বিভিন্ন থানায় কাজ করছেন। সেই ৪৯ জন যে জেলায় কর্মরত, সেখান থেকে তাঁদের অন্য জেলায় সরিয়ে দিতে হবে। তাঁরা ভোটের কাজে কোনও ভাবেই যুক্ত থাকতে পারবেন না। এ ছাড়া আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে ১৯ জন সাব-ইনস্পেক্টরকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কোন জেলায় কতজনকে সানো হল

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে সমস্ত ইনস্পেক্টরকে ভোটের (WB Assembly Polls 2026) কাজ থেকে সরানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কোচবিহারের দু’জন, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার চার জন, ইসলামপুর পুলিশ জেলার চার জন, আলিপুরদুয়ারের এক জন, দক্ষিণ দিনাজপুরের তিন জন, শিলিগুড়ির দু’জন, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার তিন জন, বারুইপুর পুলিশ জেলার দু’জন, বারাসত পুলিশ জেলার তিন জন, বসিরহাট পুলিশ জেলার এক জন, বনগাঁ পুলিশ জেলার এক জন, ব্যারাকপুরের চার জন, বিধাননগরের ছ’জন, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার চার জন, রানাঘাট পুলিশ জেলার চার জন, আসানসোল দুর্গাপুরের এক জন, পশ্চিম মেদিনীপুরের তিন জন, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁচ জন, পুরুলিয়ার দু’জন, বীরভূমের দু’জন, জলপাইগুড়ির এক জন, মালদহের তিন জন, বাঁকুড়ার এক জন ইনস্পেক্টর রয়েছেন।

  • Superfood Poha: নিয়মিত পাতে থাকুক চিড়ে! কীভাবে খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    Superfood Poha: নিয়মিত পাতে থাকুক চিড়ে! কীভাবে খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের স্বাস্থ্যকর জলখাবারের মেনুতে হোক কিংবা সন্ধ্যার মুখোরোচক খাবারের তালিকায়, সবজায়গাতেই তার অবাধ যাতায়াত। বাঙালির চির পরিচিত চিড়ে! শুকনো খাবার হিসাবে কয়েক হাজার বছর ধরেই তার কদর। বহুদূরে যাতায়াতের সময় এক কালে চিড়ে সঙ্গে রাখাই ছিলো দস্তুর। এখন অবশ্য পদের রকমফের বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাঙালির অতি পরিচিত চিড়ে কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারি। এমনকি একাধিক রোগ মোকাবিলাতেও বাড়তি সাহায্য করে এই চিড়ে!

    চিড়ে খেলে শরীরে কী উপকার হয়?

    এনার্জি‌ জোগাতে সাহায্য করে!

    চিড়ে থেকে শরীর সহজেই এনার্জি জোগান করতে পারে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিড়ে কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার। শরীরের এনার্জি জোগায় কার্বোহাইড্রেট। তাই চিড়ে খেলে ক্লান্তিবোধ কমে। শরীর সহজেই এনার্জি পায়।

    হজম শক্তি ঠিক রাখে!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিড়ে হজম শক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। চিড়ে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। তাই নিয়মিত চিড়ে খেলে হজম শক্তি বাড়ে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমে‌।

    দূর্বলতা কমাতে সাহায্য করে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিড়ে সহজ পাচ্য খাবার। আবার চিড়ে বাড়তি এনার্জির জোগান দেয়। তাই শিশু হোক বা বয়স্ক, সকলের জন্য চিড়ে উপকারি। বিশেষত অসুস্থ অবস্থায় চিড়ে খুব উপকারি খাবার। কারণ এই খাবার সহজে হজম হয়। আবার এই খাবার খেলে শরীরের দূর্বলতা কমে।

    চিড়ে খেলে কোন রোগের ঝুঁকি কমে?

    • বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত চিড়ে খেলে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমে। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিড়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে স্থূলতা এখন অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, কমবেশি সকলেই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন। বাড়তি ওজন সুস্থ জীবন যাপনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। খাওয়া নিয়ে তাই সচেতনতা জরুরি। তাই চিড়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিড়েতে কার্বোহাইড্রেট থাকলেও ফ্যাট নেই। তাই শরীরে মেদ জমে না। কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগান দিতে সক্ষম হয়। চিড়ে খেলে সহজেই পেট ভরে থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে চিড়ে খাওয়া উপকারি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।
    • চিড়ে কম ফ্যাটযুক্ত এবং হালকা খাবার। তাই চিড়ে হৃদরোগ রুখতেও বিশেষ সাহায্য করে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত মশলা জাতীয় ভাজা খাবারে উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়ার ঝুঁকি থাকে। যা হৃদরোগের ঝুঁকিও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু চিড়ে সেটা নয়। চিড়ে খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
    • চিড়ে রক্তাল্পতার সমস্যা সমাধানেও বিশেষ সাহায্য করে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিড়ে খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে। কারণ চিড়ে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার। অধিকাংশ ভারতীয় মেয়েরা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভোগেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, ১২ বছরের পর থেকেই অধিকাংশ মেয়েদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকে। যার ফলে নানান রোগের ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত চিড়ে খেলে এই ধরনের সমস্যা মোকাবিলা সহজ হয়।

    কীভাবে চিড়ে খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফল‌ এবং দইয়ের সঙ্গে চিড়ে খেলে শরীরে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। কলা, আপেল, আঙুর কিংবা আমের মতো ফলের সঙ্গে টক দই এবং চিড়ে খেলে শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন এবং কার্বোহাইড্রেটের ঠিকমতো জোগান পাওয়া যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এটি সুষম খাবার। তাই হজমের পক্ষেও ভালো। তবে শিশুদের জন্য বাদাম বা পেস্তার সঙ্গে দুধ চিড়ে দিলে খুব উপকার পাওয়া যাবে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের শরীরে এই খাবার থেকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট এবং খনিজ পদার্থের জোগান সহজেই পাওয়া যাবে।

    মুখোরোচক খাবার হিসাবেও চিড়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মটরশুঁটি, গাজর, ক্যাপসিকাম, বিনসের মতো নানান সব্জি সামান্য মাখনে ভেজে সেদ্ধ চিড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এমনকি শিশুদেরও এই খাবার দেওয়া যেতে পারে। এই খাবার সুস্বাদু। আবার পুষ্টিগুণ ভরপুর। নানান সব্জি থাকায় শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সহজেই পাবে। এই খাবারে সামান্য পরিমাণ মাখন দেওয়া থাকে। তাই এই খাবার থেকে প্রয়োজনীয় ফ্যাট সংগ্রহ সহজ। আবার চিড়ে কার্বোহাইড্রেটের জোগান দেবে। তাই এই খাবার শরীরের জন্য উপকারি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ramakrishna 619: “কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়”

    Ramakrishna 619: “কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    FREE WILL OR GOD’S WILL
    ‘
    যন্ত্রারূঢ়ানি মায়য়া’

    Liberty or Necessity?—Influence of Motives

    ডাক্তার — যদি ঈশ্বরের ইচ্ছা, তবে তুমি বকো কেন? লোকদের জ্ঞান দেবার জন্য কথা কও কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বলাচ্ছেন, তাই বলি (Kathamrita)। ‘আমি যন্ত্র — তুমি যন্ত্রী।’

    ডাক্তার — যন্ত্র তো বলছো; হয় তাই বল, নয় চুপ করে থাকো। সবই ঈশ্বর।

    গিরিশ — মসাই, যা মনে করুন। কিন্তু তিনি করান তাই করি। A single step against the Almighty will (তাঁর ইচ্ছার প্রতিকূলে এক পা) কেউ যেতে পারে?

    ডাক্তার — Free Will তিনিই দিয়েছেন তো। আমি মনে করলে ঈশ্বর চিন্তা করতে পারি, আবার না করলে না করতে পারি।

    গিরিশ — আপনার ঈশ্বরচিন্তা বা অন্য কোন সৎকাজ ভাল লাগে বলে করেন। আপনি করেন না, সেই ভাল লাগাটা করায়।

    ডাক্তার — কেন, আমি কর্তব্য কর্ম বলে করি —

    গিরিশ — সেও কর্তব্য কর্ম করতে ভাল লাগে বলে!

    ডাক্তার — মনে কর একটি ছেলে পুড়ে যাচ্ছে; তাকে বাঁচাতে যাওয়া কর্তব্য বোধে —

    গিরিশ — ছেলেটিকে বাঁচাতে আনন্দ হয়, তাই আগুনের ভিতর যান; আনন্দ আপনাকে নিয়ে যায়। চাটের লোভে গুলি খাওয়া! (সকলের হাস্য)

    “জ্ঞানং জ্ঞেয়ং পরিজ্ঞাতা ত্রিবিধা কর্মচোদনা”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কর্ম করতে গেলে আগে একটি বিশ্বাস চাই, সেই সঙ্গে জিনিসটি মনে করে আনন্দ হয়, তবে সে ব্যক্তি কাজে প্রবৃত্ত হয়। মাটির নিচে একঘড়া মোহর আছে—এই জ্ঞান, এই বিশ্বাস, প্রথমে চাই। ঘড়া মনে করে সেই সঙ্গে আনন্দ হয়—তারপর খোঁড়ে। খুঁড়তে খুঁড়তে ঠং শব্দ হলে আনন্দ বাড়ে। তারপর ঘরার কানা দেখা যায়। তখন আনন্দ আরও বাড়ে। এইরকম ক্রমে ক্রমে আনন্দ বাড়তে থাকে। আমি নিজে ঠাকুরবাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখেছি,—সাধু গাঁজা তয়ের করছে আর সাজতে সাজতে (Kathamrita) আনন্দ।

    ডাক্তার — কিন্তু আগুন ‘হীট’ও (উত্তাপ) দেয়, আর ‘লাইট’ও (আলো) দেয়। আলোতে দেখা যায় বটে; কিন্তু উত্তাপে গা পুড়ে যায়। ডিউটি (কর্তব্য কর্ম) করতে গেলে কেবল আনন্দ হয় তা নয়, কষ্টও আছে!

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — পেটে খেলে পিঠে সয়। কষ্টতেও আনন্দ।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — ডিউটি শুষ্ক।

    ডাক্তার — কেন?

    গিরিশ — তবে সরস। (সকলের হাস্য)

    মাস্টার — বশ, এইবার লোভে গুলি খাওয়া এসে পড়ল।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — সরস, নচেৎ ডিউটি কেন করেন?

    ডাক্তার — এইরূপ মনের ইনক্লিনেসন (মনের ওইদিকে গতি)।

    মাস্টার (গিরিশের প্রতি) — ‘পোড়া স্বভাবে টানে!’ (হাস্য) যদি একদিকে ঝোঁকই (ইনক্লিনেসন) হল Free Will কোথায়?

  • Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচালক অরিন্দম শীলের (Arindam Sil) বাংলা সিনেমা ‘কর্পূর’ (Korpur) নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯ মার্চ। এই ছবির দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং বিদায়ী মন্ত্রী তৃণমূলেরই ব্রাত্য বসু। ঘটনাচক্রে দুজনেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে হাজির ভোট-বাজারে। সেই কারণেই এই ছবির প্রদর্শন বন্ধের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা।

    বিতর্কের কেন্দ্রে ‘কর্পূর’ (Arindam Sil)

    বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে ১৪ মার্চ। তারপরেই রাজ্যজুড়ে এই সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে। অভিযোগ, বড় পর্দা ও প্রচারের হোর্ডিংকে হাতিয়ার করে নিজেদের কেন্দ্রেও কার্যত পরোক্ষভাবে ভোটের প্রচার সারছেন এই দুই তৃণমূল নেতা। বিরোধীদের দাবি, সিনেমার প্রচারের মাধ্যমে আদর্শ আচরণবিধি (MCC) লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মামলাকারীদের পক্ষে আবেদনে ২০১৯ সালের একটি ছবির নজির টেনে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই সময় লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ বায়োপিকটির মুক্তি ঠিক একইভাবে পিছিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে ‘কর্পূর’-এর ক্ষেত্রে কমিশন কেন নীরব? এই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। তাঁদের দাবি, কমিশনে অভিযোগ জানানোর পরেও লাভ হয়নি।

    মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্য

    জানা গিয়েছে, নয়ের দশকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ামক মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা হয়নি আজও। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি এই ছবি অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর দেবে। রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী এই ছবির পোস্টার মুক্তি পেয়েছিল আগেই। এবার প্রকাশ্যে এল ছবির প্রথম ঝলক। সিপিএম নেতা অনিল বিশ্বাসের চরিত্রে এই ছবিতে দেখা যাবে কুণাল ঘোষকে। এই ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় অভিনেতা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে কুণালের। ‘কর্পূরে’ মনীষা মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ব্রাত্য বসু, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহেব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এক বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে খোদ অরিন্দম শীলকেও (Arindam Sil)।

    বাস্তব ঘটনার প্রেরণায় নির্মিত এই রাজনৈতিক থ্রিলার, বহু অজানা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেবে দর্শককে। ‘কর্পূরে’র প্রথম ঝলক থেকে যা জানা গেল, তা মোটামুটি অনেকটা (Korpur) এই রকম। ১৯৯৭ সাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মৌসুমী সেন আচমকাই উধাও হয়ে যান। বহু আলোচিত ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতিকাণ্ডের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। খবরে প্রকাশিত হয়, তিনি নাকি লন্ডনে পালিয়ে গিয়েছেন। যদিও তদন্তে যুক্ত এক পুলিশ আধিকারিক, যাঁর কণ্ঠ পরে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়, সন্দেহ করেছিলেন এর নেপথ্যে রয়েছে আরও গভীর এক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের (Arindam Sil)।

     

LinkedIn
Share