Tag: news in bengali

news in bengali

  • BCB: বিসিসিআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতির উদ্যোগ! বিসিবি-র দায়িত্বে তামিম ইকবাল, অপসারিত বুলবুল

    BCB: বিসিসিআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতির উদ্যোগ! বিসিবি-র দায়িত্বে তামিম ইকবাল, অপসারিত বুলবুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনে বড় পরিবর্তন। প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal)-কে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করল সরকার। একই সঙ্গে অপসারিত হলেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম (Aminul Islam Bulbul)। ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিসিবি-র পরিচালন পর্ষদও। বাংলাদেশের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (NSC) একটি ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি গঠন করেছে, যার নেতৃত্বে থাকবেন তামিম। এই কমিটির মূল দায়িত্ব আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বিসিবি-র নির্বাচন সম্পন্ন করা।

    কেন এই বড় সিদ্ধান্ত?

    এনএসসির ডিরেক্টর আমিনুল এহসান বলেছেন, ‘‘তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটির মেয়াদ তিন মাস। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে বিসিবির নির্বাচন হবে। আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার কথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থাকে (আইসিসি) জানানো হয়েছে।’’ সূত্রের খবর, টি-২০ বিশ্বকাপ ঘিরে বিতর্কই এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ। সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল (Asif Nazrul) ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের ম্যাচ খেলতে অনুমতি দেননি। তাঁর দাবি ছিল, আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমান (Mustafizur Rahman)-কে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরানো হোক। এই পরিস্থিতিতে বুলবুলের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ে বোর্ডের ভেতরে। ইতিমধ্যেই বিসিবি-র ছয়জন পরিচালক পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, তামিম ইকবালের হাতে বিসিবি-র দায়িত্ব তুলে দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। যার অন্যতম লক্ষ্য ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

    বিসিসিআইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত

    এই পরিবর্তন এমন এক সময়ে হল, যখন বিসিবি ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যোগাযোগ করেছে। নতুন সভাপতি হিসেবে তামিমের নিয়োগ সেই প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট মহল। তামিমের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন প্রাক্তন অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন (Minhajul Abedin)এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহর আলি খান (Athar Ali Khan)-সহ একাধিক পরিচিত মুখ। এই সিদ্ধান্তের কথা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)-কে জানানো হয়েছে। যদিও আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়, তবুও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন করার আশ্বাস থাকায় কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

     

     

     

  • West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    West Bengal Assembly Election: বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিজেপির বাজি রাকেশ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর কেন্দ্রে তৃণমূলের বাজি সেই ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বিরুদ্ধে জবরদস্ত প্রার্থী দিল বিজেপি। সদ্য জামিনে মুক্ত রাকেশ সিংকে (Rakesh Singh) ওই কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছে পদ্মশিবির (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে কেবল এই কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা বাকি ছিল বিজেপির। রাকেশের নাম ঘোষণা করে প্রার্থিতালিকা সম্পূর্ণ করল পদ্মশিবির।

    রাকেশ সিংকে গ্রেফতার (West Bengal Assembly Election)

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কলকাতার ট্যাংরা এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে বিজেপি নেতা রাকেশকে। কংগ্রেসের অফিস বিধান ভবনে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বিহারে রাহুল গান্ধীর মিছিলে ‘আপত্তিকর মন্তব্যের’ প্রতিবাদে কংগ্রেসের অফিসে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পর পরেই গা-ঢাকা দেন দক্ষিণ কলকাতার এই বিজেপি নেতা। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশ-সহ চারজনকে। রাকেশের বিরুদ্ধে এন্টালি থানায় অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় রুজু হয়েছিল মামলা।

    জামিনে মুক্তি পেতেই মিলল টিকিট

    সোমবার রাকেশের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। ওই দিনই গাড়িতে বসা অবস্থায় একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন এই বিজেপি নেতা। ক্যাপশনে লেখেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে’। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘‘১৬৩ দিনের সংগ্রামের পর আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৬টি মিথ্যা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে (West Bengal Assembly Election)।’’ প্রসঙ্গত, বুধবারই ষষ্ঠ দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। তাতেই ছিল রাকেশের নাম। রাকেশকে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কোমর বেঁধে পুরো দমে প্রচারে নেমে পড়েছেন রাকেশ। এদিন সকাল থেকেই কলকাতা বন্দরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শুরু করে দেন জনসংযোগও (Rakesh Singh)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ফিরহাদ হাকিমের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিকের বিরুদ্ধে রাকেশের মতো পরিচিত ও লড়াকু নেতাকে দাঁড় করিয়ে বিজেপি এক মস্ত চাল দিল। বন্দর এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের গড় হিসেবে পরিচিত। সেখানেই রাকেশকে প্রার্থী করে পদ্ম শিবির বুঝিয়ে দিল ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী’ (West Bengal Assembly Election)!

     

  • Jammu Kashmir: বানচাল নাশকতার ছক! আন্তঃরাজ্য সন্ত্রাসের পর্দা ফাঁস, কাশ্মীরে গ্রেফতার দুই পাক মদতপুষ্ট-সহ ৫ জঙ্গি

    Jammu Kashmir: বানচাল নাশকতার ছক! আন্তঃরাজ্য সন্ত্রাসের পর্দা ফাঁস, কাশ্মীরে গ্রেফতার দুই পাক মদতপুষ্ট-সহ ৫ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক ধ্বংসের অভিযানে বড় সাফল্য পেল জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ (Jammu and Kashmir Police)। মঙ্গলবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করল জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ। তাদের মধ্যে আছে দু’জন পাকিস্তানি জঙ্গিও। ধৃতদের মধ্যে আছে আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেইরা। গত ১৬ বছর ধরে তার খোঁজ করছিল পুলিশ। জম্মু-কাশ্মীরের বাইরে থেকেই সেখানে হামলার ছক করত সে। তাকে পাঞ্জাব রাজ্যের এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য তিনজন শ্রীনগরের। পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণের পর এই চক্রটির হদিস মেলে। তদন্তে উঠে এসেছে, লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে যুক্ত এই মডিউলটি একাধিক রাজ্যে বিস্তৃত ছিল এবং সুসংগঠিত ভাবে কাজ করছিল।

    পহেলগাঁও হামলার মতোই পরিকল্পনা!

    গত বছর এই এপ্রিল মাসেই পহেলগাঁওয়ে নিরীহ হিন্দু পর্যটকদের উপর গুলি চালিয়েছিল জঙ্গিরা। চলতি বছরেও পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তি হিসেবে উপত্যকায় বড় ধরনের হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল জঙ্গিরা। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে ফের সাফল্য পেল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে লস্কর-ই-তৈবার পাঁচ সদস্যকে। ধৃতরা সেখানে বড় ধরনের হামলার ছক কষেছিল। তার আগেই আন্তঃরাজ্য সন্ত্রাসের ( terror module) পর্দা ফাঁস করল পুলিশ। মঙ্গলবার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাকিস্তানি-সহ লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba)-র পাঁচ সদস্যকে। যাদের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ পাক অপারেটিভ আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেইরা।

    আবু হুরেইরা কে?

    পুলিশ সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীর এলাকার বাইরে ঘাঁটি গেড়েছিল আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেইরা। সেখান থেকেই এত দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসমূলক কাজ পরিচালনা করত সে। আড়ালে থেকেই সেখানে বিভিন্ন সন্ত্রাসমুলক কাজের নির্দেশ দিত পাকিস্তানি এই লস্কর-ই-তৈবা সদস্য। আবদুল্লার সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছে আরও এক পাকিস্তানি জঙ্গি ( Pakistani terrorist) উসমান ওরফে খুবাইব-কে। পুলিশের দাবি, জম্মু কাশ্মীরে পুলিশ এবং সেনার উপর হামলার বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে এই দু’জন জড়িত। পাঞ্জাবের মালেরকোটলা এলাকা থেকে ধরা হয়েছে দু’জনকে। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের খবর, খুবাইব প্রায় ১৬ বছর আগে ভারতে অনুপ্রবেশে করেছিল। তখন থেকেই সে গোয়ান্দাদের নজরে ছিল। বারবার সে তদন্তকারীদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছে। সূত্রের খবর, পহেলগাঁও বর্ষপূর্তির আগে ভারতকে ফের রক্তাক্ত করার ছক করছিল এই জঙ্গিদলটি। গ্রেফতার হওয়া বাকি তিনজন শ্রীনগরের বাসিন্দা—মহম্মদ নাকিব ভাট, আদিল রশিদ ভাট এবং গুলাম মহম্মদ মীর ওরফে ‘মামা’। অভিযোগ, তারা জঙ্গিদের আশ্রয়, খাবার এবং অন্যান্য সহায়তা দিত।

    আবু হুরেইরার ভূমিকা

    পুলিশ সূত্রে খবর, আবু হুরেইরা ২০১১ সাল থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় ছিল এবং ধীরে ধীরে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। তদন্তে উঠে এসেছে, আবু হুরেইরা লস্করের অর্থায়ন ও অপারেশনাল কার্যকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। সে মূলত বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করত এবং শ্রীনগর অঞ্চলে ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের (OGWs) সঙ্গে সমন্বয় রাখত। পুলিশের দাবি, সে প্রায় ৪০ জন বিদেশি জঙ্গিকে পরিচালনা করেছে, যাদের অধিকাংশই পরে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে। এছাড়া পরিবহন, অস্ত্র সরবরাহ ও অর্থ জোগাড়ের ক্ষেত্রেও সে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করত। জানা গিয়েছে, শ্রীনগরের হারওয়ান এলাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের আগে সে কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলেও অভিযোগ। তদন্ত এখনও চলছে এবং এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    লস্কর-ই-তৈবা-র এক গভীর নেটওয়ার্কের সন্ধান

    সম্প্রতি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তাদের কাছে খবর ছিল, উপত্যকায় লুকিয়ে রয়েছে একটি জঙ্গি দল। তাদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে যোগ রয়েছে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী সংগঠন লস্করের। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান (Rajasthan) এবং হরিয়ানা (Haryana)-সহ ১৯টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। ওই তল্লাশিতেই উদ্ধার হয়েছে বিভিন্ন আপত্তিকর সামগ্রী। এই তদন্তে লস্কর-ই-তৈবা-র একটি গভীর শিকড়যুক্ত নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তাদের রসদ ও আর্থিক সাহায্য করা করত তার খোঁজও পাওয়া গিয়েছে এই তল্লাশি অভিযানে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সাহায্যে এক বিদেশি জঙ্গি ভুয়ো নথি ও পরিচয় ব্যবহার করে বিদেশে যাতায়াত করেছিল। এছাড়াও, ধৃত জঙ্গিরা প্রায় ১৫–১৬ বছর আগে ভারতে অনুপ্রবেশ করে কাশ্মীর উপত্যকার বিভিন্ন জেলায় সক্রিয় ছিল। এই নিয়ে আরও তদন্ত চলছে। ওই জঙ্গিদের আর কী ছক ছিল এবং অন্য সদস্যরা কোথায় গা-ঢাকা দিয়ে আছে তার খোঁজ চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

     

  • West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    West Bengal Assembly Election: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জট কাটাতে তিন প্রাক্তন বিচারপতির কমিটি গড়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এই কমিটি গঠনের কথা সোমবারই জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো গড়া হল কমিটি। সোমবারই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল (West Bengal Assembly Election), ১৯টি আপিল ট্রাইবুনালেরই প্রয়োজন একই রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। সেই প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্যই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে, কমিটিতে থাকবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রণবকুমার দেব। ট্রাইবুনালের ১৯ জন বিচারপতি কোন পদ্ধতি মেনে কাজ করবেন, সেটাই নির্ধারণ করবে এই কমিটি।

    এসআইআরের তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআরের তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ ভোটারের নাম ছিল বিবেচনাধীনের তালিকায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই সব ভোটারের তথ্য যাচাই নিষ্পত্তির কাজ করেছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। সোমবার রাতেই সেই কাজ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন। বিবেচনাধীন তালিকা থেকে ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের (West Bengal Assembly Election)।

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ

    এই বাদ পড়া ভোটাররা ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ১৯ জন বিচারপতি আপিল ট্রাইবুনালে ‘বিচার’ করবেন। কোন পদ্ধতিতে বাদ পড়া ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করবেন ওই  বিচারপতিরা, তা ঠিক করার জন্যই গড়া হল কমিটি। প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ট্রাইবুনাল চালু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত দিনে তা চালু না হলেও, পরে হয়। ইতিমধ্যেই কয়েকজনের আবেদনেরও নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। উল্লেখ্য যে, যাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরা কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। বিশেষ আবেদনের ভিত্তিতেই (Calcutta High Court) তাঁদের সমস্যার নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল। যদিও সাধারণ মানুষের কোনও সুরাহা হয়নি। তাই বাদ পড়া ভোটাররা এবারের নির্বাচনে আদৌ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে রয়ে গিয়েছে সংশয় (West Bengal Assembly Election)।

    প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফায় ভোট গ্রহণ হবে ওই মাসেরই ২৯ তারিখে। তার মধ্যে যাতে সমস্যার নিষ্পত্তি হয়ে যায়, তারই চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন।

     

  • India Pakistan Relation: “বাংলার দিকে নজর দিলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে” বাংলায় এসে পাক মন্ত্রীকে জবাব রাজনাথের

    India Pakistan Relation: “বাংলার দিকে নজর দিলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে” বাংলায় এসে পাক মন্ত্রীকে জবাব রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার দিকে নজর দিলে পাকিস্তানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে। পাকিস্তানের তরফে কলকাতায় হামলার হুমকির জবাবে কড়া বার্তা দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ (Khawaja Asif) মন্তব্য করেছিলেন, ভবিষ্যতে কোনও সংঘাত হলে ইসলামাবাদ কলকাতায় হামলা চালাতে পারে। সেই মন্তব্যেরই জবাবে ব্যারাকপুরে এক জনসভা থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এমন উসকানিমূলক মন্তব্য করা উচিত হয়নি। ৫৫ বছর আগে তারা এর ফল ভুগেছে, যখন পাকিস্তান দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছিল। এবার যদি বাংলার দিকে নজর দেয়, তবে কত ভাগে ভাঙবে, তা একমাত্র ঈশ্বরই জানেন।”

    ইসলামাবাদকে জবাব

    ৫৫ বছর আগে কী হয়েছিল মনে আছে তো? ভোটপ্রচারে ব্যারাকপুরে এসে পাকিস্তানকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের কথা স্মরণ করান ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বললেন, ‘৫৫ বছর আগের কথা মনে রাখা উচিত পাকিস্তানের। কী করে দু’টুকরো হয়েছিল! আবার কিছু করার চেষ্টা করলে পরিণতি কী হবে, সেটা ওরাই বুঝতে পারবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এখানে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন, যখন ভারতের সামরিক পদক্ষেপের পর পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে ওঠে। এদিন তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভারত সর্বদা প্রস্তুত। পাকিস্তান যদি কোনও রকম ‘মিসঅ্যাডভেঞ্চার’ করে, তবে ভারত নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না।

    কী বলেছিল পাকিস্তান

    গত বৃহস্পতিবার ভোটমুখী কেরালায় দলের প্রচারে গিয়ে পাকিস্তানকে হুমকি দিয়েছিলেন রাজনাথ। বলেছিলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান এখনও শেষ হয়নি। পাকিস্তান আবার কিছু করলে তাদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করা হবে। রাজনাথের এই মন্তব্যের পরেই পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ দাবি করেন, ভারত ফের সাজানো হামলার ছক কষছে। তাতে ভারতীয়দের পাশাপাশি ভারতের জেলে বন্দি পাকিস্তানিদেরও ব্যবহার করা হতে পারে। এই প্রসঙ্গেই খোয়াজা কলকাতাকে টেনেছেন। সেই সূত্রে তাঁর দাবি, ‘এর পর কলকাতা পর্যন্ত হামলা চালাবে পাকিস্তান!’ এ বার তার জবাব দিলেন রাজনাথ। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক মন্তব্য ও পাল্টা হুঁশিয়ারিতে ভারত-পাক সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

  • Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই শেষ হল ২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনের (Assam Assembly Election) প্রচার। এদিনই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

    কাঠগড়ায় খাড়্গে (Assam Assembly Election)

    হিন্দুদের প্রতি চরম হতাশা ও বিদ্বেষের প্রকাশ হিসেবে, শ্রীভূমি জেলার দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের এক নির্বাচনী জনসভায় খাড়্গে দলের মুসলিম সমর্থকদের উসকানি দেন বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের সভাপতি বলেন, “প্রয়োজনে মাঝপথে নমাজ আদায় ছেড়ে দিয়েও আরএসএস এবং বিজেপি কর্মীদের আক্রমণ করতে হবে।” এই দুই সংগঠনকে তিনি তুলনা করেন বিষধর সাপের সঙ্গে। খাড়্গে বলেন, “কোরআনে বলা আছে, যদি বিষধর সাপ দেখ, তাহলে তাকে মেরে ফেলতে হবে, এমনকি যদি নমাজ আদায় মাঝপথে ছাড়তেও হয়। আরএসএস-বিজেপি সেই বিষধর সাপের মতো। যদি তাদের না মারো, তবে তোমরা নিরাপদে থাকবে না।”

    একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের

    কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্যে রাজ্যজুড়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছে। আরএসএসের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে দিশপুর এবং শিলচর থানায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, দক্ষিণ অসমের এক নির্বাচনী সভায় দেওয়া এই বক্তব্য অবমাননাকর, উসকানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িকভাবে সংবেদনশীল (Mallikarjun Kharge)। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যে আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে বিষধর সাপের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং তাদের নির্মূল করার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে (Assam Assembly Election)। আরএসএস জানিয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে শত্রুতা, ভয়ভীতি ও হিংসা উসকে দিতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে ধর্মীয় ভাবাবেগকে হাতিয়ার করাও খাড়্গের বক্তব্যে স্পষ্ট।

    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই বক্তব্য ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮৩ নম্বর ধারার অধীনে দুর্নীতিপূর্ণ নির্বাচনী আচরণের মধ্যে পড়ে। এটি জনসাধারণকে ভয় দেখানো এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর শামিল (Assam Assembly Election)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে “বিষাক্ত” বলে চিহ্নিত করা এবং তাদের নির্মূল করার আহ্বানকে সংগঠনের সদস্য ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে শারীরিক আঘাতের প্ররোচনা হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, এই মন্তব্য হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং অসমে জনশান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে পারে। এমন বক্তব্য সময়মতো মোকাবিলা করা না হলে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে।

    আরএসএসের বক্তব্য

    আরএসএসের তরফে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক আলোচনাকে সংবিধান ও আইনের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং নির্বাচনী প্রচারে এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়, যা সামাজিক ঐক্য ও শান্তিকে বিপন্ন করে (Assam Assembly Election)। এদিকে, খাড়্গের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি থানায় এফআইআর দায়ের করেছে বিজেপিও। অসম বিজেপির দাবি, ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য কংগ্রেস এমন পর্যায়ে নেমে গিয়েছে যে তারা সনাতন সভ্যতার পবিত্র প্রতীকগুলিকেও আক্রমণ করছে। কংগ্রেস নেতার এই উসকানিমূলক মন্তব্যকে হিন্দু বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতি সরাসরি অপমান হিসেবে তীব্র নিন্দে করেছে অসম প্রদেশ বিজেপি।

    প্রকাশ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্য

    পদ্মশিবিরের মতে, আরএসএস-বিজেপিকে নিষিদ্ধ করার দাবি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার পরিচয় এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্যও প্রকাশ করে। বিজেপির অভিযোগ, সনাতন সভ্যতায় প্রকৃতি ও জীবজগতকে পবিত্র হিসেবে মানা হয়, কিন্তু ভোটের মেরুকরণের উদ্দেশ্যে কংগ্রেস (Mallikarjun Kharge) এমনভাবে উপস্থাপন করেছে, যাতে ভগবান শিবের পবিত্র অলঙ্কারকেও ক্ষতিকর হিসেবে দেখানো হয়েছে—যা লাখ লাখ ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে (Assam Assembly Election)। এই ধরনের বক্তব্য শুধু নিন্দনীয় নয়, সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে বিপজ্জনকও। অসম বিজেপি এই উসকানিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি শহরের বাসিষ্ঠ থানায় এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগ জানানো হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও। নির্বাচনী প্রচারে উত্তেজনামূলক ও সমাজবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় খাড়্গের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

  • US Iran War: আমেরিকা-ইরান ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি! ‘ঐতিহাসিক জয়’ বলল তেহরান, হরমুজ প্রণালী খুলতে হল সম্মত

    US Iran War: আমেরিকা-ইরান ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি! ‘ঐতিহাসিক জয়’ বলল তেহরান, হরমুজ প্রণালী খুলতে হল সম্মত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের (US Iran War) সাময়িক বিরতি। খুলছে হরমুজ প্রণালী। আপাতত দু’সপ্তাহের জন্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি আমেরিকা! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বুধবার ভোরে (ভারতীয় সময়) ট্রুথ স্যোশালের পোস্টে যুদ্ধবিরতির কথা জানান। তাঁর কথায়, ‘‘ইরানে এখনই সেনা পাঠাচ্ছি না। বোমা ফেলব না।’’ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ঘোষণার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছে তেহরানও। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী সইদ আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘‘ইরানের উপর যদি হামলা বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী তাদের প্রতিরক্ষামূলক অভিযান বন্ধ করে দেবে।’’ দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। ইরানকে ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইন দিয়ে সোমবারই ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘‘আজ রাতের মধ্যেই গোটা সভ্যতা শেষ হবে।’’ মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক অগ্রগতি

    মধ্যপ্রাচ্যে টানা প্রায় ৪০ দিনের সংঘাতের মাঝে বড় কূটনৈতিক অগ্রগতি—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump) জানান, ইরান যদি হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ, নিরাপদ ও অবিলম্বে খুলে দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের জন্য বোমা হামলা স্থগিত রাখবে। তেহরানও শর্তসাপেক্ষে এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে এবং সীমিতভাবে প্রণালী খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। ইরানের তরফে জানানো হয়েছে, যদি তাদের ওপর হামলা বন্ধ হয়, তবে তারাও সামরিক প্রতিরোধ থামাবে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের পাশাপাশি নিজেদের ১০ ও ১৫ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে তেহরান। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, মার্কিন সামরিক চাপের ফলেই ইরান এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে ইরান এটিকে নিজেদের কূটনৈতিক জয় বলে দাবি করেছে।

    ইরানের হাত ট্রিগারেই

    দু’সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি মানেই যুদ্ধে ইতি নয়! আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে এমনই বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনেই। তবে এ-ও জানিয়েছেন, তিনি তাঁর সমস্ত সেনাবাহিনীকে আপাতত গোলাবর্ষণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের এক সরকারি বিবৃতিতে মোজতবার বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘‘এই যুদ্ধবিরতির অর্থ যুদ্ধের শেষ নয়। আমেরিকা বা ইজরায়েল— শত্রুপক্ষ যদি কোনও রকম পদক্ষেপ করে, তবে আমাদের হাত ট্রিগারেই থাকবে।’’ বুঝিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকা এবং ইজরায়েল যদি কোনও রকম ‘ভুল’ করে, তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে তার জবাব দিতে প্রস্তুত ইরানও।

    ইরানের ‘ঐতিহাসিক জয়’!

    ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপদ পরিষদ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এক দীর্ঘ বিবৃতি জারি করে। সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘যুদ্ধের প্রায় সকল উদ্দেশ্যই অর্জিত। শত্রুপক্ষ এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধবিরতির জন্য অনুনয়-বিনয় করছে।’’ তেহরান এই পরিস্থিতিকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে দেখছে। তারা বুঝিয়েছে, আমেরিকার সামনে কখনওই মাথা নত করেনি ইরান। সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা বার বার সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা বলেছে। তবে তেহরান জানিয়েছে, তারা এই সব বিষয়কে পাত্তা দিতে রাজি ছিল না। আলোচনার মাধ্যমে বিস্তারিত বিষয়গুলি চূড়ান্ত হলে তবেই ইরান যুদ্ধের অবসান মেনে নেবে।’’ তারা জোর দিয়েছে, আলোচনায় তাদের ১০ দফা পরিকল্পনার কথা কঠোর ভাবে উপস্থাপিত করা হবে। আগামী ১০ এপ্রিল থেকে ইসলামাবাদে এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা আছে।

    ইরানের ১০ দফা পরিকল্পনা

    ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের তরফে জানানো হয়েছে, ১০ দফা প্রস্তাব হল হরমুজ প্রণালিতে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, মিত্র শক্তির নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি ও আন্তর্জাতিক আইনি নিশ্চয়তা। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুটি বড় বিষয়—হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার (Highly Enriched Uranium Stockpile) বন্ধ করা। সূত্র বলছে, যুদ্ধবিরতির সময়সীমার মধ্যে ইরান কিছু সীমিত পদক্ষেপ করতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই দুটো ইস্যুই তেহরানের সবচেয়ে বড় দরকষাকষির হাতিয়ার, তাই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ছাড়া পুরোপুরি ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

    মার্কিন বাহিনীর জয়!

    ইরানের দেওয়া প্রস্তাব সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের থেকে একটি ১০ দফা প্রস্তাব পেয়েছেন, যা একটি অত্যন্ত কার্যকর সূচনা। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আশাবাদী, ‘‘ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত চুক্তির পথে আমরা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছি।’’ আসন্ন দু’সপ্তাহের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা সম্ভব। ইরানের মতো আমেরিকাও ‘জয়’ দেখছে। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, এটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন বাহিনীর জয়।

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব, বাজারে প্রভাব

    হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট। এই পথ খুলে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর তেলের দামে বড় পতন হয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রায় ১৩% কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলারে নেমেছে, এবং মার্কিন ক্রুডও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজার ও মার্কিন ফিউচার মার্কেটে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

    এখনও অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য!

    কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের পরিকাঠামোতে হামলা হলে তার পাল্টা জবাব থাকবেই। আর তার প্রভাব পড়তে পারে গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলে। এতে বড় আঞ্চলিক সংকট (Regional Crisis) তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। আর ইতিমধ্যেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই (Esmaeil Baghaei) স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানে হামলা হলে সমান জবাব (Retaliation) দেওয়া হবে। বলেন, ‘প্রয়োজনে আমেরিকা-সংযুক্ত লক্ষ্যবস্তুকেও (US-linked Targets) নিশানা করা হতে পারে।’ ইরান জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত চুক্তিতে না পৌঁছানো পর্যন্ত সংঘাত চলবে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই সৌদি আরব, বাহারাইন এবং কুয়েতে শোনা গিয়েছে মিসাইল অ্যালার্ট অ্যালার্ম। সতর্ক রয়েছে ইজরায়েলও। যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, পরিস্থিতি শান্ত হলেও ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে উপসাগরীয় এলাকায়।

  • Mental Stress: প্রতি ৭ জনে ১ জন মানসিক চাপের শিকার! কেন ভারতে বাড়ছে মানসিক চাপ?

    Mental Stress: প্রতি ৭ জনে ১ জন মানসিক চাপের শিকার! কেন ভারতে বাড়ছে মানসিক চাপ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীর আর মনের সীমানাতেই আটকে নেই সমস্যা। জীবন যাপন এমনকি অর্থনীতির উপরেও প্রভাব ফেলবে এই সঙ্কট। এমনটাই আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে মানসিক চাপে আক্রান্তের সংখ্যা। ভারত সহ বিশ্বের একাধিক উন্নত দেশে এই সমস্যা একটা গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যার রূপ নিয়েছে। তাই এপ্রিল মাস জুড়ে চলছে মানসিক চাপ নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধুই সচেতনতা যথেষ্ট নয়। বরং, প্রয়োজন জীবন যাপনে পরিবর্তন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ বছরের স্লোগান, ‘বি দ্যা চেঞ্জ’। নিজের জীবনে কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আবার এক সঙ্গে আশপাশের মানুষের জীবনেও যাতে মানসিক চাপ তৈরি না হয়, সেদিকেও নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি‌। তাঁদের আশঙ্কা পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে, বিশ্ব জুড়ে স্বাস্থ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

    ভারতে কতখানি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বাড়ছে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। যার অন্যতম কারণ মানসিক চাপ বা স্ট্রেস। তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ৭ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন মানসিক চাপের শিকার। অবসাদ, উদ্বেগ সহ একাধিক মানসিক সমস্যার নেপথ্যে থাকছে মানসিক চাপ। সাম্প্রতিক এক সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতীয়দের ৫০ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মূল কারণ হল মানসিক চাপ। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার সাহায্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘টেলি মানস’ সুবিধা রয়েছে। অর্থাৎ, সাধারণ মানুষ একটা নির্দিষ্ট ফোন কলের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের কাছে নিজের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা জানাতে পারবেন। প্রয়োজনীয় সমাধানের পথ খুঁজে পাবেন। গত এক বছরে ৩৪ লাখের বেশি মানুষ টেলি মানস-এ নিজের মানসিক চাপে শিকারের কথা জানিয়েছেন। যাদের অধিকাংশের সমস্যা যথেষ্ট জটিল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ৩৫ বছরের নীচে ৬০ শতাংশ ভারতীয় মানসিক চাপে ভুগছেন।

    কেন শরীর ও মনের পাশপাশি আর্থিক সঙ্কট তৈরি করতে পারে মানসিক চাপ?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, মানসিক চাপের মতো স্বাস্থ্য সমস্যা শরীর ও মনের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার পাশপাশি আর্থিক বিপর্যয়ের কারণ হতে চলেছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে কর্মক্ষমতা ও কর্ম দক্ষতা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে মানসিক চাপ। আগের থেকে কম দক্ষ ও নিপুণতা কমে যাওয়ায় কাজের মান কমছে। অনেক সময়েই মানসিক চাপের কারণে কাজের গুণমান খারাপ হচ্ছে। এর ফলে কাজ হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে। আবার মানসিক চাপ উদ্বেগ, অবসাদ এমনকি আত্মহত্যার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানব সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। তাই এগুলোর প্রভাব সরাসরি অর্থনীতির উপরে পড়ছে। এছাড়া মানসিক চাপ একাধিক স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করছে। শারীরিক অক্ষমতার অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে। আর্থিক উন্নতিতে এর প্রভাব পড়ছে। তাই মানসিক চাপ কেবল স্বাস্থ্য সঙ্কট নয়। এর প্রভাব আরও গভীর।

    কেন মানসিক চাপ বাড়ছে?

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও মানসিক চাপের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত প্রতিযোগী পরিবেশ, এর অন্যতম কারণ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে স্কুল স্তর থেকেই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। আধুনিক অর্থনীতিতে কর্মজীবনেও তীব্র প্রতিযোগিতা রয়েছে। কাজের নিশ্চয়তা কমছে। আর্থিক উন্নতির জন্য এক চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়েই যেতে হচ্ছে। এগুলো মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে। তাছাড়া শহুরে জীবনে বদলে যাচ্ছে পরিবারের সমীকরণ। নিজের উদ্বেগ, রাগ, দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মতো সঙ্গী পাওয়া যাচ্ছে না। অধিকাংশ শহুরে ভারতীয় একাকিত্বে ভুগছেন। যা মানসিক চাপ তৈরি করছে। এছাড়াও অতিরিক্ত ডিজিটাল আসক্তি ভারতে মানসিক চাপ তৈরির অন্যতম কারণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সময় কাটানোর জেরে অপর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে। আবার ভার্চুয়াল জগত জীবন যাপনের ধারায় বাড়তি চাপ তৈরি করছে। এগুলো মানসিক চাপের অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে।

    মানসিক চাপ শরীরের জন্য কতখানি বাড়তি বিপজ্জনক?

    মানসিক চাপ উদ্বেগ, অবসাদ, খিটখিটে মেজাজের মতো একাধিক সঙ্কট তৈরির পাশাপাশি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণ হয়ে উঠতে পারে। কম বয়সে স্ট্রোকের নেপথ্যেও থাকে মানসিক চাপ। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। অতিরিক্ত মানসিক চাপ মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানসিক চাপ শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলে। তাই একাধিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সেই প্রভাব দেখা যায়। বন্ধ্যত্বের অন্যতম কারণ মানসিক চাপ। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে মানসিক চাপ কমাবেন?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানসিক চাপ পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয়। বরং কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে তাকে কমানো এবং নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপে যাতে বড় বিপদ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা যেতে পারে। তাঁদের পরামর্শ, মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শরীর চর্চা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস, ধ্যান করলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। এর ফলে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তবে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরি পর্যাপ্ত ঘুম। তাঁরা জানাচ্ছেন, কম ঘুম মানেই মানসিক চাপ বাড়বে। নিয়মিত যাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম হয় সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। নিয়মিত দিনের কিছুটা সময় নিজের পছন্দের কাজের জন্য বরাদ্দ জরুরি। অর্থাৎ গান গাওয়া, ছবি আঁকা কিংবা গল্পের বই পড়ার মতো কাজে কিছুটা সময় দিলে মানসিক চাপ কমবে। তবে নিজের কথা ভাগ করে নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব কমাতে না পারলে মানসিক চাপ বাড়বে। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০২৬ সালের মার্চে ৯ বছর পূরণ হয়েছে তাঁর। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন শাসনকাল। যোগীর মতো একজন নয়া শাসককে নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসন-গল্পে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার জন্য পরিচিত একটি রাজ্য থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকারী এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে ওঠার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে পুলিশিং, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি একসূত্রে গাঁথা হয়েছে। যোগী যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন উত্তরপ্রদেশ সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত ছিল। মাফিয়া চক্রগুলি প্রায় নির্বিঘ্নে অপরাধ করত, জাতিগত হিংসাও ছিল রোজকার ঘটনা।

    হাতিয়ার যখন বুলডোজার (Uttar Pradesh) 

    নয়া সরকার এসব রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে। তার জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের সম্পত্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, গ্যাংস্টার আইনের প্রয়োগ বাড়ে এবং পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় বহু কুখ্যাত অপরাধী। সমালোচকরা একে “বুলডোজার ন্যায়বিচার” আখ্যা দেন এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিজেপি সমর্থকদের মতে, খুনের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, অপহরণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে এবং দস্যুবৃত্তি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নও হয়েছে। প্রতিটি জেলায় সাইবার পুলিশ স্টেশন, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, ‘মিশন শক্তি’, অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড এবং সিসিটিভি-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ এখন আর বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না।

    রাজ্যের জিএসডিপি

    ২০১৭ সালে রাজ্যের জিএসডিপি ছিল প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকা। এখানে পৌঁছতে স্বাধীনতার পর লেগেছিল ৭০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ কোটি টাকা। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের লক্ষ্য ৪০ লাখ কোটি টাকার গন্ডি ছোঁওয়া। ভারতের অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশ ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় প্রায় ৪৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.২ লাখ টাকারও বেশি। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট হয়েছে ৯.১২ লাখ কোটি টাকা। এটি রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঋণের হার কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে।

    এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক

    উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের ৫৫ শতাংশের ‘মালিক’। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড-সহ একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তরপ্রদেশের এই অংশ ছাড়াবে ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালের আগে রামের দেশে ছিল মাত্র ২টি বিমানবন্দর। এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মধ্যে আবার ৪টি আন্তর্জাতিক। মেট্রো পরিষেবা ৭টি শহরে চালু হয়েছে, চলছে দিল্লি-মিরাট র‍্যাপিড রেলও। গ্রামীণ সড়ক ও বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে ১০০ শতাংশ। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছেছে কোটি কোটি পরিবারে।

    ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’

    আখ চাষিদের বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এমএসপি ক্রয় ডিজিটাল করা হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং কোটি কোটি কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) প্রকল্পে ভাদোহির কার্পেট, মোরাদাবাদের পিতলশিল্প, বারাণসীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে ৩ লাখ কোটি টাকা সরাসরি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন, গ্যাস সংযোগ ও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ৯ লাখ কর্মপ্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। ১৫ লাখ যুবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ২৫ লাখ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পেয়েছে। মেয়েদের জন্য স্কুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। স্টার্টআপ সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    “বিমারু থেকে বুমিং”

    অযোধ্যার রাম মন্দির প্রকল্প বিশাল নগরোন্নয়ন ঘটিয়েছে। বারাণসী করিডোর ও মথুরা উন্নয়ন প্রকল্প ধর্মীয় পর্যটন বাড়িয়েছে। পর্যটন খাতে আয় প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ১০ লাখের কাছাকাছি। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এখনও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে। এই বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের নির্বাচনই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। সেই সময়ই জানা যাবে এই উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে। একসময় পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ এখন বড় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। জিএসডিপি তিনগুণ হয়েছে, উন্নত হয়েছে পরিকাঠামো, বেড়েছে কর্মসংস্থান। “বিমারু থেকে বুমিং”—এটি শুধু এখন আর স্লোগান নয়, গত নবছরে উত্তরপ্রদেশের বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিফলন।

     

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০২৬ সালের মার্চে ৯ বছর পূরণ হয়েছে তাঁর। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন শাসনকাল। যোগীর মতো একজন নয়া শাসককে নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসন-গল্পে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার জন্য পরিচিত একটি রাজ্য থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকারী এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে ওঠার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে পুলিশিং, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি একসূত্রে গাঁথা হয়েছে।

    সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত (Uttar Pradesh)

    যোগী যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন উত্তরপ্রদেশ সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত ছিল। মাফিয়া চক্রগুলি প্রায় নির্বিঘ্নে অপরাধ করত, জাতিগত হিংসাও ছিল রোজকার ঘটনা। নয়া সরকার এসব রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে। তার জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের সম্পত্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, গ্যাংস্টার আইনের প্রয়োগ বাড়ে এবং পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় বহু কুখ্যাত অপরাধী। সমালোচকরা একে “বুলডোজার ন্যায়বিচার” আখ্যা দেন এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিজেপি সমর্থকদের মতে, খুনের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, অপহরণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে এবং দস্যুবৃত্তি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে।

    উন্নয়নের জোয়ার

    আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নও হয়েছে। প্রতিটি জেলায় সাইবার পুলিশ স্টেশন, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, ‘মিশন শক্তি’, অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড এবং সিসিটিভি-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ এখন আর বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না। ২০১৭ সালে রাজ্যের জিএসডিপি ছিল প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকা। এখানে পৌঁছতে স্বাধীনতার পর লেগেছিল ৭০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ কোটি টাকা। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের লক্ষ্য ৪০ লাখ কোটি টাকার গন্ডি ছোঁওয়া। ভারতের অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশ ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় প্রায় ৪৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.২ লাখ টাকারও বেশি।

    ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি

    ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট হয়েছে ৯.১২ লাখ কোটি টাকা। এটি রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঋণের হার কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের ৫৫ শতাংশের ‘মালিক’। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড-সহ একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তরপ্রদেশের এই অংশ ছাড়াবে ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালের আগে রামের দেশে ছিল মাত্র ২টি বিমানবন্দর। এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মধ্যে আবার ৪টি আন্তর্জাতিক। মেট্রো পরিষেবা ৭টি শহরে চালু হয়েছে, চলছে দিল্লি-মিরাট র‍্যাপিড রেলও। গ্রামীণ সড়ক ও বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে ১০০ শতাংশ। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছেছে কোটি কোটি পরিবারে।

    সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র

    আখ চাষিদের বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এমএসপি ক্রয় ডিজিটাল করা হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং কোটি কোটি কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) প্রকল্পে ভাদোহির কার্পেট, মোরাদাবাদের পিতলশিল্প, বারাণসীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে ৩ লাখ কোটি টাকা সরাসরি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন, গ্যাস সংযোগ ও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ৯ লাখ কর্মপ্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। ১৫ লাখ যুবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ২৫ লাখ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পেয়েছে। মেয়েদের জন্য স্কুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। স্টার্টআপ সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    বিমারু থেকে বুমিং

    অযোধ্যার রাম মন্দির প্রকল্প বিশাল নগরোন্নয়ন ঘটিয়েছে। বারাণসী করিডোর ও মথুরা উন্নয়ন প্রকল্প ধর্মীয় পর্যটন বাড়িয়েছে। পর্যটন খাতে আয় প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ১০ লাখের কাছাকাছি। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এখনও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে। এই বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের নির্বাচনই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। সেই সময়ই জানা যাবে এই উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে। একসময় পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ এখন বড় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। জিএসডিপি তিনগুণ হয়েছে, উন্নত হয়েছে পরিকাঠামো, বেড়েছে কর্মসংস্থান। “বিমারু থেকে বুমিং”—এটি শুধু এখন আর স্লোগান নয়, গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিফলন।

     

LinkedIn
Share