Tag: news in bengali

news in bengali

  • T20 World Cup 2026: ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়! ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ইডেনে মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    T20 World Cup 2026: ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়! ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ইডেনে মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে কলকাতা। এসআইআর লিস্ট নিয়ে আমজনতার আগ্রহ অন্তত শনিবার চোখে পড়েনি। ময়দান চত্বরে একটাই আলোচনা, কীভাবে মিলবে রবিবার ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (India vs West Indies )ম্যাচের টিকিট। রবিবার ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’। এই ম্যাচে যে জিতবে, সে পা রাখবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সেমিফাইনালে। ম্যাচের ফলাফল কী হবে, সেটা তো সময়ই বলবে। কিন্তু তা বলে দর্শকদের জন্য বিনোদনের কমতি থাকছে না। এই হাইভোল্টেজ, ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। কিন্তু এই উন্মাদনার সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে টিকিট কালোবাজারি চক্রও। ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়।

    ক্রীড়া-বিনোদনের জন্য মুখিয়ে ইডেন

    জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে বড়় জয়ের পরেও নিরাপদ নয় ভারতের সেমিফাইনালে ওঠা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অবশ্যই জিততে হবে ভারতকে। সেই ম্যাচ যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে ছিটকে যাবে ভারত। তবে জিতে গেলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত ভারতের। লেজার শো থেকে দেশাত্মবোধক গান, রবিবার সবই থাকছে ক্রিকেটের নন্দনকাননে। মাঠে সূর্যকুমার-অভিষেকদের ব্যাট থেকে রানের ফুলঝুরি দেখার জন্য মুখিয়ে ক্রিকেটভক্তরা। কিন্তু ইডেন কোনওভাবেই খালি হাতে ফেরাবে না দর্শকদের। থাকছে লেজার শো। এছাড়া দেশাত্মবোধক গানও থাকছে। যার মধ্যে একটা বাংলা ভাষায়। বাজবে ‘ধুরন্ধর’-এর গান। এখানেই শেষ নয়। দর্শকদের উন্মাদনার জন্য স্লোগান উঠবে ‘বন্দে’। দর্শকরা উত্তর দেবেন ‘মাতরম’।

    টিকিটের দেদার কালোবাজারি

    ইডেনের ম্যাচে টিকিটের দেদার কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার লোয়ার টিয়ারের টিকিট বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার টাকায়। শনিবার টাকার অঙ্কটা ৫০ হাজারে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাছাড়াও আপার টিয়ারের টিকিট বিক্রির খবর পাওয়া গিয়েছে ২০-২৫ হাজার টাকায়।

    দু’টি বিশেষ মেট্রো

    ম্যাচ শেষের পর দর্শকদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ব্লু লাইনে দু’টি বিশেষ মেট্রো চালানো হবে। এই পরিষেবাগুলি চলবে এসপ্ল্যানেড–দক্ষিণেশ্বর এবং এসপ্ল্যানেড–শহিদ ক্ষুদিরাম রুটে। দু’টি মেট্রোই রাত ১১টা ১৫ মিনিটে এসপ্ল্যানেড থেকে ছাড়বে এবং পথে সমস্ত স্টেশনে থামবে। বিশেষ এই পরিষেবার ক্ষেত্রে টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে শুধুমাত্র এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে। ফলে ম্যাচ শেষে দর্শকরা সেখান থেকেই টিকিট কেটে সহজে মেট্রো ধরতে পারবেন।

    বোলিং ইউনিট নিয়ে চিন্তা

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে ভারতের সবচেয়ে চিন্তার কারণ বরুণ চক্রবর্তী এবং শিবম দুবের অফ ফর্ম। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, এই বিশ্বকাপে বোলিং ইউনিট নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় দল। খোদ সূর্যকুমার নিজেও সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। আসলে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মাত্র দুই ওভার বল করেছেন শিবম দুবে। দিয়েছেন ৪৭ রান। ওদিকে বরুণ চক্রবর্তী এবং অক্ষর প্যাটেল দুই জনেই ১টি করে উইকেট নিয়েছেন। দিয়েছেন ৩৫ রান। মাথায় রাখতে হবে, অক্ষর প্রথম দিকে দারুণ বল করছিলেন। তবে শেষে গিয়ে তিনিও ভাল রান দেন। আর সূর্যও এই বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত। প্রথমে ব্যাট করে তাই স্কোরবোর্ডে বড় রান তোলাই লক্ষ্য ভারতের।

     

     

     

     

  • SIR Final List: মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরে ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ! ওই কেন্দ্রে দাঁড়াবেন কি মমতা, কী বলছে বিজেপি?

    SIR Final List: মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরে ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ! ওই কেন্দ্রে দাঁড়াবেন কি মমতা, কী বলছে বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-র চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর বিধানসভায় মোট ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। ২০২১ সালের উপনির্বাচনে ওই কেন্দ্র থেকে ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপি-র প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। বেশ কিছুদিন ধরে বিজেপি হুঙ্কার দিচ্ছে, এই কেন্দ্রে তারা জিতবে। এই আবহে কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সংখ্যাটা সামনে এল।

    মোট কত ভোটার বাদ পড়ল ভবানীপুরে

    এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর সময় কমিশন জানিয়েছিল, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোটা ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬ হাজার ২৯৫। গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, ৪৪ হাজার ৭৮৬ জনের নাম বাদ পড়েছে। এবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আরও ২ হাজার ৩২৪ জনের নাম বাদ পড়ল। সবমিলিয়ে ভবানীপুর কেন্দ্রে বাদ পড়েছে ৪৭ হাজার ৯৪ জনের নাম। শুধু ৪৭ হাজার নাম বাদ নয়, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে আরও ১৪ হাজার ১৫৪ জনের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। নথি যাচাইয়ের পর বাদ পড়লে ভবানীপুরে নাম বাদের সংখ্যা আরও বাড়বে। ভবানীপুর কেন্দ্রে বর্তমানে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৫৯,২০১ জন।

    ভবানীপুরে দাঁড়াবেন মমতা!

    এই নাম বাদের কোনও প্রভাব কি বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) পড়বে? উঠছে প্রশ্ন। এদিন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “২ জায়গার ভোটার কিংবা যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে। আবার এই তালিকা প্রকাশের পরও নাম তোলার সুযোগ রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৪৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। তবে যাই হোক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ভবানীপুরে দাঁড়াতে সাহস পাবেন বলে মনে হয় না।” ছাব্বিশের নির্বাচনের প্রাক্কালে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা একাধিকবার ভবানীপুরে এসে দাবি করেছেন, এবার বিজেপি এই আসনে জিতবে। শুক্রবার শুভেন্দু বলেছিলেন, “উনি জানেন কাদের ভোটে জিতেছিলেন। ওটা বিজেপির জায়গা। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আপনি দাঁড়ান। পালাবেন না। বাকিটা বুঝে নেব।”

    রাজ্যে কত ভোটারের নাম বাদ পড়ল

    কমিশন সূত্রে খবর, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই ৫৮ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এরপর নতুন করে আরও ৭ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ (Deleted) বা মুছে ফেলা হয়েছে এমন মন্তব্য লেখা হয়েছে। অর্থাৎ, সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ৬৫ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর বাইরে, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, এখনও প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকলেও তার পাশে ‘বিচারাধীন’ লেখা রয়েছে। এই নামগুলি চূড়ান্ত কি না, তা নিয়ে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা সমস্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ মার্চ থেকে ভারতে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলির ব্যবহার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) নির্দেশ দিয়েছে যে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল, স্ন্যাপচ্যাট, শেয়ারচ্যাট, জিওচ্যাট, আরাট্টাই এবং জোশ-সহ বিভিন্ন অ্যাপকে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। গত ২৮ নভেম্বর টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশ জারি করে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে ৯০ দিনের মধ্যে নিয়ম মানার সময়সীমা দেওয়া হয়, যার শেষ দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি। পাশাপাশি ১২০ দিনের মধ্যে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ফলে ১ মার্চ থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে।

    কীভাবে কাজ করবে ‘সিম-বাইন্ডিং’

    টেলিকম সাইবার সিকিউরিটি (TCS) রুলস, ২০২৪ সংশোধনী অনুযায়ী জারি হওয়া এই নির্দেশে বলা হয়েছে, কোনও মেসেজিং অ্যাপ তখনই কাজ করবে যখন ব্যবহারকারীর যে সিম (SIM binding) দিয়ে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করা হয়েছে, সেই সিমটি মোবাইল ফোনে সক্রিয় ও উপস্থিত থাকবে। যদি সিম কার্ড খুলে ফেলা হয়, বদলানো হয় বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ ওই ডিভাইসে কাজ করা বন্ধ করবে। সঠিক সিম পুনরায় প্রবেশ করিয়ে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা পর্যন্ত পরিষেবা চালু হবে না। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েব বা টেলিগ্রাম ওয়েবের মতো ওয়েব ও ডেস্কটপ সংস্করণগুলিকেও প্রতি ছয় ঘণ্টা অন্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ-আউট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুনরায় লগ-ইন করতে হলে সক্রিয় সিম-যুক্ত মোবাইল থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে অথেনটিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ কেন আনা হচ্ছে

    সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রতারণা কমানো। অনেক ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় বা ভুয়ো নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণা করা হয়। ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM binding) চালু হলে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সক্রিয় নম্বরের সরাসরি সংযোগ থাকবে। এতে অপরাধ শনাক্ত করা সহজ হবে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই নিয়ম নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে প্রযুক্তি শিল্প এবং ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞরা। যাঁরা নিয়মিত ভ্রমণ করেন, সিম বদলান বা একাধিক ডিভাইসে একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাঁদের অসুবিধা হতে পারে। ছোট ব্যবসা এবং অফিস ব্যবহারকারীদেরও বারবার যাচাই করতে হতে পারে, যা দৈনন্দিন কাজে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • BJP: ১ মার্চ থেকেই বঙ্গে শুরু পরিবর্তন যাত্রা, তৃণমূলকে মাত দিতে পুরানো অস্ত্রেই শান বিজেপির!

    BJP: ১ মার্চ থেকেই বঙ্গে শুরু পরিবর্তন যাত্রা, তৃণমূলকে মাত দিতে পুরানো অস্ত্রেই শান বিজেপির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়লা মার্চেই এ রাজ্যে শুরু হয়ে যাচ্ছে বিজেপির (BJP) পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra)। চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এভাবেই হাইভোল্টেজ জনসংযোগ অভিযান শুরু করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের ৯টি আলাদা আলাদা জায়গা থেকে এই যাত্রা পরিচালিত হবে। যাত্রা ছুঁয়ে যাবে ২৩০টির বেশি বিধানসভা কেন্দ্রকে। এহেন আবহে ৬৪টি বড় জনসভারও পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। ছোট জনসভা হবে ২৮০টির বেশি। পরিবর্তন যাত্রা হবে ৫০০০ কিলোমিটারজুড়ে। বিজেপি সূত্রে খবর, এই যাত্রার মাধ্যমে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হবে ১ কোটিরও বেশি মানুষের সঙ্গে।

    রাজসূয় যজ্ঞের আয়োজন (BJP)

    এই রাজসূয় যজ্ঞের আয়োজনই বলে দিচ্ছে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কোনও সাধারণ রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং এটি সরাসরি মাঠে নেমে মসনদ দখলের এক হাই-ভোল্টেজ অভিযান। এর লক্ষ্য জনসংযোগ, কর্মীদের চাঙা করা এবং রাজ্যজুড়ে অপরাজেয় সাংগঠনিক একটি শক্তি গড়ে তোলা। যাত্রার শেষে মেগা জনসভা হবে ব্রিগেডে। সেখানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের সিংহভাগের মতে, পরিবর্তন অনিবার্য করবে পরিবর্তন যাত্রা। এই যাত্রার মাস্টারস্ট্রোক একদিকে যেমন শাসকদলকে চাপে ফেলবে, অন্যদিকে তেমনি বিরোধী ভোটকে একছাতার তলায় আনবে। পরিবর্তন যাত্রার এই ১০ দিনে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সংবাদমাধ্যমের নজর বিজেপির দিকে থাকবে, যা গেরুয়া শিবিরকে বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবে টিভির পর্দার মাধ্যমে (BJP)।

    পরিবর্তন যাত্রা

    পশ্চিমবঙ্গে এই পরিবর্তন যাত্রা আরও একটি বিশেষ কাজ করবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। বর্তমানে বাংলার রাজনীতির মেরুকরণ হয়ে গিয়েছে। একদিকে রয়েছে তৃণমূল এবং অন্যদিকে বিজেপি। এই পরিবর্তন যাত্রার মাধ্যমে তৃণমূল-বিরোধী ভোট এককাট্টা হবে এবং তা পদ্ম ঝুলিতে পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ মানুষের মনে এই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে তৃণমূলকে পরাস্ত করতে পারে একমাত্র বিজেপি-ই। অন্যদিকে কংগ্রেস বা সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানে ভোট কেটে তৃণমূলের সুবিধা করা। তাই বিরোধী ভোট এই পরিবর্তন যাত্রার মাধ্যমে আসবে বলেই মনে করছেন অনেকে (Parivartan Yatra)।

    পটপরিবর্তনে বিজেপির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন যাত্রা

    আসুন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বিজেপির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন যাত্রাগুলি সম্পর্কে ফের একবার জেনে নিই। রাম জন্মভূমি আন্দোলন নয়ের দশকের শুরুতে বিজেপির রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনে। একাধিক পরিবর্তন যাত্রায় বিজেপির সংগঠন মজবুত হয়। একটা প্রান্তিক সংসদীয় দল থেকে বিজেপি জাতীয় শক্তিতে পরিণত হয়। এই আন্দোলন উত্তর ও পশ্চিম ভারতে দলের সংগঠন ও সমর্থক বাড়াতে সাহায্য করে। অযোধ্যা মামলা দীর্ঘদিন আদালতে চললেও, শেষ পর্যন্ত ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সেখানে রাম মন্দির নির্মাণের পথ খুলে যায়। বিজেপির মতে, এটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রচেষ্টার ফল (BJP)।

    ‘গুজরাট গৌরব যাত্রা’

    ২০২২ সালে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ‘গুজরাট গৌরব যাত্রা’ শুরু করেছিল। এটা ছিল বড় ধরনের প্রাক-নির্বাচনী প্রচার। মাত্র ১০ দিনে ১৮২টি কেন্দ্র ও প্রায় ৫,৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছিল সেই যাত্রা। এর ফলে বিজেপির আসন সংখ্যা ৯৯ থেকে বেড়ে ১৫৬ হয়। ভোটের হার ৪৯ শতাংশ থেকে বেড়ে হয় ৫২.৫ শতাংশ। গুজরাটের ইতিহাসে সেই প্রথম কোনও দল ৫০ শতাংশের গণ্ডি অতিক্রম করে (Parivartan Yatra)।

    ‘বিকাশ যাত্রা’

    ২০২৩ সালের মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ‘বিকাশ যাত্রা’ এবং সেপ্টেম্বরে ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’ করেছিল। সব মিলিয়ে এই দুই যাত্রা অতিক্রম করেছিল ১০,৬৪৩ কিমি পথ। যাত্রা পৌঁছেছিল ২৩০টির মধ্যে ২১০টি আসনে। এর ফলে নির্বাচনে বিজেপির আসন ১০৯ থেকে বেড়ে ১৬৩ হয়। ভোটের হার ৪১ শতাংশ থেকে বেড়ে হয় ৪৮.৬ শতাংশ। মহিলাদের ভোট বাড়ে ৭–৮ শতাংশ। আদিবাসী আসন ১৬ থেকে ২৪ হয়। মালওয়া-নিমার অঞ্চলে আসন ২৭ থেকে বেড়ে হয় ৪৭টি (BJP)।

    ‘পরিবর্তন যাত্রা’

    ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ছত্তিশগড়ে পরাজয়ের পর বিজেপি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করে। দলের দাবি, এটি ছিল সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং তৃণমূলস্তরের কর্মীদের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ। ১৬ দিনে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা হয়। নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা ১৫ থেকে বেড়ে ৫৪ হয় এবং ভোটের হার ৩৩ শতাংশ থেকে ৪৬.৩ শতাংশে গিয়ে পৌঁছয়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতা দখল করে বিজেপি।

    ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’

    ২০১৮ সালের পরাজয়ের পর বিজেপি রাজস্থানে ২০২৩ সালের নির্বাচনের আগে ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’ আয়োজন করেছিল। চার দফায় ২০ দিনে প্রায় ৯০০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা হয়েছিল সেবার (Parivartan Yatra)। নির্বাচনে বিজেপির আসন ৭৩ থেকে বেড়ে হয়েছিল ১১৫টি। ভোটের হার ৩৯.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয় ৪১.৬ শতাংশ। ক্ষমতায় আসে বিজেপি (BJP)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির এই ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং বাংলা দখলের চূড়ান্ত রণকৌশল। রাম জন্মভূমি আন্দোলন থেকে শুরু করে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ বা ছত্তিশগড়ের ঐতিহাসিক বিভিন্ন নজির প্রমাণ করে যে, যখনই বিজেপি এই ধরনের বৃহৎ আকারের যাত্রা করেছে, তখনই তা সফল হয়েছে। অতীতের রেকর্ড বলছে, বিজেপির এই যাত্রাই (Parivartan Yatra) বদলে দিয়েছে বিভিন্ন রাজ্যের ভাগ্য। বঙ্গে বিজেপির ভাগ্যের চাকা ঘোরে কিনা, এখন সেটাই দেখার (BJP)।

     

  • Iran Israel War: যুদ্ধ শুরু ইরান-ইজরায়েলের, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি বিদেশ মন্ত্রকের

    Iran Israel War: যুদ্ধ শুরু ইরান-ইজরায়েলের, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি বিদেশ মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধের আশঙ্কায় ভারতীয়দের আগেই ইরান (Iran Israel War) ছাড়তে বলেছিল বিদেশ মন্ত্রক। এই পরিস্থিতিতে শনিবার অতর্কিতে ইরানে হামলা চালাল ইজরায়েল। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের বাড়ির কাছেই হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর। ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করেছে ইরান। তাই ইজরায়েলে বসবাসকারী সকল ভারতীয় নাগরিককে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং সর্বদা সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে। পাশাপাশি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে।

    প্রত্যাঘাত হানতে পারে ইরান

    যুদ্ধের আশঙ্কা করাই হচ্ছিল। সত্যি সত্যি ইরানে বড়সড় হামলা হল। তবে আমেরিকা নয়, হামলা চালাল ইজরায়েল। শনিবার সকালে ইরানের উপরে বড় হামলা চালায় ইজরায়েল। তেহরানে পরপর বিস্ফোরণ হয়েছে। হামলার পরই রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইরান। তেহরান জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় ছোটাছুটি করছেন। লম্বা অ্যাম্বুল্যান্সের মিছিল দেখা যাচ্ছে। পাল্টা জবাব দেবে ইরান, তা ধরেই নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইজরায়েলে সাইরেন বাজছে। ইরান নিজেদের এয়ারস্পেস খালি করেছে। হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েল সমস্ত স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। যে কোনও মুহূর্তেই প্রত্যাঘাত হানতে পারে ইরান।

    কী কী নির্দেশ বিদেশ মন্ত্রকের?

    ইজরায়েলে বসবাসকারী সকল ভারতীয় নাগরিককে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং সর্বদা সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় নাগরিকদের ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ এবং হোম ফ্রন্ট কমান্ডের জারি করা নিরাপত্তা নির্দেশিকা এবং নির্দেশাবলী কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। তাদের আবাসস্থল বা কর্মক্ষেত্রের নিকটে থাকা সুরক্ষিত স্থানগুলি কোথায় তা জেনে নিতে হবে। এছাডাও, ভারতীয় নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইজরায়েলের অভ্যন্তরে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের স্থানীয় সংবাদ, সরকারি ঘোষণা এবং জরুরি সতর্কতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিকরা তেল আবিবের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে হেল্পলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।

    হেল্পলাইন নম্বর হল

    টেলিফোন: +৯৭২-৫৪-৭৫২০৭১১
    ই-মেইল: cons1.telaviv@mea.gov.in

    পরমাণু অস্ত্রের আশঙ্কা

    কূটনীতিকদের অনুমান, আমেরিকার নির্দেশেই ইজরায়েল হামলা করেছে তেহরানে। ইরানকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। পারস্য় উপসাগরে মার্কিন রণতরী অপেক্ষা করছে। এই পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালী দিয়েই বিশ্বের চাহিদার ৬০ শতাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। ইরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে গোটা বিশ্বের। সেই কারণে আগে হরমুজ প্রণালীর পথ খোলা রাখতে চাইছে আমেরিকা। এবারের আক্রমণের পাল্টা জবাবে ইরান পরমাণু অস্ত্র পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রভাব হতে পারে ভয়াবহ।

  • Iran: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ! ইরানে একযোগে হামলা আমেরিকা-ইজরায়েলের, পাল্টা তেহরানের

    Iran: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ! ইরানে একযোগে হামলা আমেরিকা-ইজরায়েলের, পাল্টা তেহরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয়ে গেল পূর্ণমাত্রার সংঘাত। শনিবার সকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল (US Israel) একযোগে হামলা চালাল ইরানে (Iran)। ইরানজুড়ে একযোগে ৩০টিরও বেশি টার্গেটে আঘাত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্টের বাসভবন, সর্বোচ্চ নেতার দফতর এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয়। জবাবে তেল আভিভের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তেহরান।

    আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই কোথায় (Iran)

    ইরান জানিয়েছে, তেহরানের পূর্ব ও উত্তরাংশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ্ আলি খামেনেই বসবাস করেন। যদিও সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, খামেনেইকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তেহরান ‘চূর্ণবিচূর্ণ জবাবে’র প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। হামলার সপক্ষে যুক্তি দিয়ে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “ইরান দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছিল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের জন্য হুমকি হতে পারে। ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, “অস্ত্র নামিয়ে রাখো, নইলে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হবে।” এই নতুন হামলা ঘটল কয়েক মাস পর, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক কাঠামোয় আঘাত হেনেছিল এবং গত বছরের জুনে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দেশজুড়ে ডজনখানেক টার্গেটে হামলা চালিয়েছিল।

    ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’

    ইজরায়েল জানায়, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ নামে একটি ‘প্রি-এম্পটিভ’ হামলা শুরু করেছে। এই অভিযানের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল কয়েক মাস ধরে। হামলার তারিখও নির্ধারিত হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ আগে। ইরানে প্রায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সর্বোচ্চ নেতার দফতর, ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এবং পারচিন—যা ইরানের অন্যতম সংবেদনশীল সামরিক ঘাঁটি। প্রাথমিক চিত্রে তিন ধরনের টার্গেটের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রথমত, পশ্চিম ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি—বিশেষ করে কেরমানশাহ, কারাজ এবং খোররামাবাদ অঞ্চলে। এই এলাকাগুলি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। দ্বিতীয়ত, তেহরানের সরকারি ভবনগুলি। তৃতীয়ত, সন্দেহভাজন পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান—যেমন কোম ও বুশেহর (US Israel)।

    কী বলল আমেরিকা

    ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা আকাশ ও সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে। আমেরিকা জানিয়েছে, হামলা কেবল ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুকেই কেন্দ্র করে হচ্ছে। হামলার খবর স্বীকার করে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করব এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেব। ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারবে না (Iran)।” এদিকে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান ইজরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং জানায়, তাদের জবাব হবে “চূর্ণকারী”। তেহরান ছাড়াও ইসফাহান, কোম, কারাজ ও কেরমানশাহ শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে খবর (US Israel)। হামলার পর ইজরায়েল ও ইরান উভয়ই অসামরিক উড়ানের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ইরান থেকে সম্ভাব্য ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

    ইরানে শহর ছাড়ার ধুম

    আধিকারিকরা জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক দিনব্যাপী অভিযান চালাতে পারে। এদিকে তেহরানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানীতে পেট্রোল পাম্পগুলিতে লম্বা লাইন পড়েছে। কারণ বহু মানুষ শহর ছাড়ার চেষ্টা করছেন (US Israel)। সর্বশেষ হামলার ঢেউ আগের টার্গেটভিত্তিক হামলার তুলনায় আরও বড় হতে পারে। এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “ইরানের অভ্যন্তরে তার সামরিক অভিযানের ফলে মার্কিন নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটতে পারে (Iran)।” মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ঝুঁকির মধ্যেই ভারত ইজরায়েলে থাকা নাগরিকদের “সর্বোচ্চ সতর্কতা” অবলম্বন এবং নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই হামলা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে হামলার হুমকি দিচ্ছিলেন (US Israel)। পাশাপাশি তেহরানে খামেনেই সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমন অভিযানে হাজার হাজার প্রতিবাদকারী নিহত হয়েছেন (Iran)।

    একাধিক মার্কিন বেসে পাল্টা হামলা ইরানের

    আমেরিকার হামলার পাল্টা হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। কাতার, কুয়েত ও জর্ডানের একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। লক্ষ্যবস্তু ঘাঁটিগুলি হল— কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেস, কুয়েতের আল সালেম এয়ার বেস এবং জর্ডানের মুওয়াফাক আল-সালতি ঘাঁটি। এছাড়া, ইরান বাহরাইনে একটি মার্কিন নৌঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)-র আল-ধাফরা এয়ারবেসেও হামলা চালিয়েছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর তেহরানের বিরুদ্ধে অভিযানের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইরানের এই হামলার পর বাহরাইনের রাজধানী মানামা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করছে।

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

  • SIR in Bengal: প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা! আপনার নাম আছে কি না জানবেন কীভাবে?

    SIR in Bengal: প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা! আপনার নাম আছে কি না জানবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে ভোটার তালিকার (SIR in Bengal) বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষে আজ শনিবারই প্রকাশিত হতে চলেছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR Final List)। কমিশন সূত্রে খবর চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকতে পারে প্রায় ৭ কোটি ৮ লাখের। চূড়ান্ত তালিকাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বেড়েছে মানুষের মধ্যে। নাম তালিকায় থাকবে কি না, নাম না থাকলেই বা কী করবেন? রাজ্যবাসীর মনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন দুই পদ্ধতিতেই দেখতে পাবেন ভোটার তালিকা। অনলাইনে দুই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন। দু’টি ওয়েবসাইট হল voters.eci.gov.in ও electoralsearch.eci.gov.in। এপিক নম্বর ও ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করে আপনার নাম দেখতে পারবেন।

    চূড়ান্ত তালিকায় কীভাবে দেখবেন নাম

    এসআইআর-এর পর প্রকাশিত তালিকায় নাম রয়েছে কি না দেখতে এপিক নম্বর দিয়ে electoralsearch.eci.gov.in-এ গিয়ে সার্চ করতে হবে। এপিক নম্বর না থাকলে ফোন নম্বর দিয়েও সার্চ করতে পারেন। মা-বাবার নাম দিয়েও সার্চ করতে পারবেন। এছাড়া voters.eci.gov.in-এ গিয়ে ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করতে হবে। নিজের পোলিং বুথে নাম খুঁজতে পারেন। চূড়ান্ত তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা অফলাইনেও জানতে পারবেন। তার জন্য কমিশন নির্ধারিত সরকারি অফিস, বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ভবনে যেতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের মোবাইল অ্যাপ ইসিআইনেট (ECINET)-এ লগ ইন করে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের নাম ও এপিক নম্বর দিলেই স্ক্রিনে ভেসে উঠবে ভোটার সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য।

    চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকলে কী করবেন

    এসআইআর তালিকায় নাম না থাকলে ১৫দিনের মধ্যে ডিইও-র কাছে আবেদন করতে পারবেন। সমাধান না হলে সিইও-র কাছে যেতে হবে। সেখানেও যদি আবেদন গৃহীত না হয়, তাহলে ফর্ম ৬ ডাইনলোড করে নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম তুলতে পারবেন। মনোনয়ন জমার শেষ দিনের ১০ দিন আগে ফর্ম ৬ জমা দিতে হবে। রাজ্যজুড়ে ধাপে ধাপে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বাঁকুড়ায় (Bankura) প্রকাশিত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা (SIR Final List)। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, বাঁকুড়া থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। বাঁকুড়া পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে, বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ে টাঙানো হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। বাঁকুড়ার পাশাপাশি, উত্তর কলকাতাতে (North Kolkata) ১৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলায় জেলায় প্রকাশ করা হচ্ছে ভোটার তালিকা।

    নির্বাচন কমিশনের দফতরে বাড়তি নিরাপত্তা

    সকাল থেকেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। কেন্দ্রীয় বাহিনীরও বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে রাজ্য জুড়ে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে আগাম কলকাতা পুলিশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কি না, দেখা যাবে নির্বাচন কমিশনের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট থেকে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলিকে পেন ড্রাইভে তালিকা দেওয়া হবে। এখনই বিএলও-দের কাছে তালিকা পাওয়া যাবে না। তবে বিডিও এবং এসডিও অফিসে তালিকা টাঙানো হবে। চূড়ান্ত তালিকা থাকবে জেলাশাসকের কার্যালয়েও। ইতিমধ্যে তালিকা ছাপানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। তালিকার হার্ড কপি পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার (BLO)-দের কাছে। নিজের বুথে গিয়ে বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করলেই সরাসরি তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না, তা দেখে নেওয়া যাবে। তালিকা প্রকাশের পর দ্রুত নিজের নাম মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

    কত লক্ষের নাম বাদ

    কমিশন সূত্রে খবর, তিনটি ভাগে তালিকা প্রকাশ করা হবে। অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার, অমীমাংসিত ভোটার ও বাতিল হওয়া ভোটার।এর মধ্যে অমীমাংসিত ভোটারদের নিয়েই বাড়ছে সংশয়, তৈরি হয়েছে জটিলতা। রাজ্যে মোট ৬০ লক্ষ ৬ হাজার অমীমাংসিত ভোটার রয়েছে। কমিশনের আশ্বাস আপাতত অমীমাংসিত ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। তারপর দফায় দফায় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করবে কমিশন। কমিশন সূত্রে এখনও পর্যন্ত পাওয়া হিসেব অনুযায়ী, আপাতত চূড়ান্ত তালিকায় অতিরিক্ত ৯ লক্ষের নাম বাদ পড়তে চলেছে। অর্থাৎ খসড়া তালিকায় যে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ পড়েছিল, চূড়ান্ত তালিকায় তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও ৯ লক্ষ। সবমিলিয়ে আপাতত ৬৮ লক্ষ নাম বাতিল। এছাড়া, ৬০ লক্ষ ভোটারের তথ্যে অসংগতি মেলায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সূচি বেরলে গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা হবে, আশঙ্কায় সুকান্ত

    ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হতে চলেছে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন শেষে শনিবারই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এরপরে ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে চলেছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। কিন্তু এবার এই তালিকা প্রকাশ নিয়েই বড় আশঙ্কা প্ৰকাশ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কত নাম বাদ পড়বে জানি না। সেটা নির্বাচন কমিশন বলবে। আমরা চাইব কোনও বৈধ নাগরিকের নাম যেন বাদ না যায়। সূচি বেরলে অনেকে গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা করবে। প্রশাসনকে ও নির্বাচন কমিশনকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় চলছে গত কয়েকমাস। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের হাইপ্রোফাইল বৈঠকে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি তাঁর গ্রেফতারি দাবি জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

     

     

     

     

     

     

  • India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে সময়ের ফের! শুল্ক-যুদ্ধের সময় ভারতকে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই সহযোগী হাওয়ার্ড লুটনিক চুপিসারে এসেছেন ভারত সফরে। অথচ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য সচিব বড় মুখে দাবি করেছিলেন— “শেষ পর্যন্ত ভারত শুল্কের চাপে নতি স্বীকার করবে, দুঃখপ্রকাশ করবে এবং একটি চুক্তি করার চেষ্টা করবে।” সেই ছবিটাই বদলে গেল ২৬ ফেব্রুয়ারি। বৃহস্পতিবার লুটনিকই দিল্লিতে এসে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করেন, ঠিক সেই সময় যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আরোপিত ব্যাপক বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দেয় (India US Trade Deal)।

    লুটনিকের সফর (India US Trade Deal)

    এই গোপন বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত—কোনও পক্ষই প্রকাশ্যে ঘোষণা করেনি। আদালতের রায়ের পর প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি, যা আগামী মাসে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল, তা নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়েল টুইট না করা পর্যন্ত ভারতে লুটনিকের সফরের খবর জানা যায়নি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মার্কিন দূত সার্জিও গোর। গোয়েল টুইট করেন, “মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক ও সার্জিও গোরকে আতিথ্য জানালাম। আমাদের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।” তবে বৈঠকের বিস্তারিত তিনি জানাননি। কিন্তু “বাণিজ্য” ও “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব” শব্দের উল্লেখ থেকেই স্পষ্ট যে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি। তিন নেতাই ছবির জন্য পোজ দেওয়ার সময় হাসিমুখে ছিলেন। গয়ালের হাসি যেন একটু বেশিই চওড়া ছিল। সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে আলোচনা শান্ত পরিবেশেই হয়েছে। গোরও বেশি কিছু জানাননি। তিনি টুইট করেন, “আমাদের দুই দেশের জন্য বহু সহযোগিতার ক্ষেত্র রয়েছে। হাওয়ার্ড লুটনিক ও পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ মধ্যাহ্নভোজ।”

    পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে

    লুটনিকের সফরের সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। খুব বেশিদিন আগে নয়, এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেছিলেন যে— ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি গত বছর বাস্তবায়িত হয়নি, কারণ প্রধানমন্ত্রী মোদি সরাসরি ট্রাম্পকে ফোন করতে অস্বীকার করেছিলেন। এখন পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে, কারণ ট্রাম্পের প্রভাব কমেছে। শুল্ক সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করা বেশ কয়েকটি দেশ নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে। কারণ ট্রাম্প এই পারস্পরিক শুল্ককে চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতও ওয়াশিংটনে নির্ধারিত তার বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর স্থগিত করেছে, যা চুক্তির শর্ত চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ছিল। ভারতের জন্য আদালতের এই আদেশ কার্যত নতুন করে দর-কষাকষির সুযোগ তৈরি করেছে এবং সম্ভবত আরও অনুকূল শর্ত আদায়ের পথ খুলে দিয়েছে (India US Trade Deal)।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করেছে। বুধবার তিনি ভারত-সহ অন্যান্য দেশকে “খেলা” না করার এবং বাণিজ্য প্রতিশ্রুতি থেকে পিছিয়ে না আসার সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্প তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, “যে কোনও দেশ যদি এই সুপ্রিম কোর্টের হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলা করতে চায়—বিশেষ করে যারা বছরের পর বছর, এমনকি দশকের পর দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়েছে—তাহলে তারা সম্প্রতি যে শুল্কে সম্মত হয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি শুল্ক এবং তার চেয়েও খারাপ পরিণতির সম্মুখীন হবে।” বর্তমানে ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩ শতাংশ শুল্ক আরোপিত রয়েছে। প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অধীনে ট্রাম্প ভারতের ওপর আরোপিত শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ  করেছিলেন। গুরুত্বপূর্ণভাবে, রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও তিনি তুলে নিয়েছিলেন (India US Trade Deal)। তবে ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে আসবে না, বরং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। এই প্রেক্ষাপটেই লুটনিকের নীরব সফর। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কি ফের আলোচনা হবে? উত্তর দেবে সময়ই।

     

  • India Canada Relation: “নতুন সুযোগের দরজা খুলবে” মুম্বইয়ে পৌঁছে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা কার্নির

    India Canada Relation: “নতুন সুযোগের দরজা খুলবে” মুম্বইয়ে পৌঁছে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা কার্নির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি শুক্রবার সন্ধ্যায় মুম্বই বিমানবন্দরে নেমেছেন। কানাডার (India Canada Relation) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের তিক্ততা মিটিয়ে নতুন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ার লক্ষ্যে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফরে বাণিজ্য, জ্বালানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উচ্চাভিলাষী দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য। উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে তিনি মুম্বইয়ে পৌঁছন। এখানে তিনি ভারত ও কানাডার শীর্ষ শিল্পপতি, আর্থিক বিশেষজ্ঞ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    কখন কোথায় যাবেন কার্নি

    মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কার্নি (Carney visit India) একটি বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু করবেন, যা আগামী নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় কার্নি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। আমরা মুম্বইয়ে পৌঁছেছি ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবং এমন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে, যা কানাডার শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন দরজা খুলে দেবে।” ১ মার্চ কার্নির নয়াদিল্লিতে যাওয়ার কথা। ২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে জ্বালানি, শিক্ষা, খনিজ নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং দু’দেশের জনগণের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

    মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে কানাডা আরও শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ার দিকে জোর দিচ্ছে। কার্নি বলেন, “এক অনিশ্চিত বিশ্বে কানাডা এমন বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আমরা বাণিজ্য বৈচিত্র্য আনছি এবং ব্যাপক নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছি, যাতে আমাদের শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়।” তিনি আরও বলেন, “দেশে স্থিতি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা বিদেশে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি।” কার্নির এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন সূচনার প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কার্নির এই সফরকে ভারত-কানাডা সম্পর্কের (India Canada Relations) ‘রিসেট’ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তাঁর পূর্বসূরি জাস্টিন ট্রুডোর আমলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে, বিশেষ করে ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের ভূমিকা নিয়ে কানাডার অভিযোগ ঘিরে। ভারত সেই অভিযোগ শুরু থেকেই জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

LinkedIn
Share