Tag: news in bengali

news in bengali

  • Early Puberty: বদলে যাচ্ছে বয়ঃসন্ধিকালের সময়! কখন থেকে বাড়তি নজরদারি জরুরি?

    Early Puberty: বদলে যাচ্ছে বয়ঃসন্ধিকালের সময়! কখন থেকে বাড়তি নজরদারি জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বদলে যাচ্ছে সময়! জীবন যাপনের অভ্যাস। আর বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনেকটাই বদলে গিয়েছে আমাদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। তাই এগিয়ে এসেছে বয়ঃসন্ধিকাল। কয়েক দশক আগেও বয়ঃসন্ধিকাল বলতে ১৪-১৫ বছরের সময় বোঝানো হতো। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বয়ঃসন্ধিকালের সমস্ত লক্ষণ এখন এগিয়ে আসছে। এখন ১১-১২ বছর বয়স থেকেই ছেলেমেয়েরা শারীরিক ও মানসিক ভাবে বয়ঃসন্ধিকালে পোঁছে যাচ্ছে। তাই অভিভাবদের ও আলাদা ভাবে প্রস্তুতি প্রয়োজন। সন্তানের সুস্থ দীর্ঘ জীবনের জন্য এই সন্ধিক্ষণের সময়ে সবরকম বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি।

    বয়ঃসন্ধিকালের সময় এগিয়ে যাওয়া কাকে বলে?

    ভারতের পাশপাশি বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে সময়ের আগেই বয়ঃসন্ধিকালের লক্ষণ প্রকট হয়েছে। অর্থাৎ, গত কয়েক দশক আগেও যে সময়ে শিশু কৈশোরে পা দিতো, সম্প্রতি কয়েক বছরে দেখা যাচ্ছে, সেই নির্দিষ্ট বয়সের আগেই সে শারীরিক ও মানসিক ভাবে কৈশোর জীবনে প্রবেশ করেছে। সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেশের ১৭ শতাংশ মেয়েদের ১২ বছরের আগে ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। ২০ শতাংশ ছেলে ও মেয়ের মধ্যে ৮-১০ বছরের মধ্যেই গোপনীয়তা বোধ, জোরালো মতামত এবং প্রাপ্তবয়স্কদের বিষয়ে আগ্রহ বাড়ে। এই লক্ষণগুলো মানসিকভাবে বয়ঃসন্ধিক্ষণে থাকার ইঙ্গিত দেয়।
    এই সমীক্ষার তথ্য জানান দিচ্ছে বয়ঃসন্ধিকালের সময় এগিয়ে এসেছে। অর্থাৎ ১৪-১৫ বছর বয়সের পরিবর্তন এখন ১০-১২ বছর বয়সেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    কেন এগিয়ে আসছে বয়ঃসন্ধিকাল?

    এই পরিবর্তনের মূলত তিনটি কারণ জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকাল এগিয়ে আসার মূলত কারণ খাদ্যাভ্যাস। ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে শিশুদের অতিরিক্ত পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। প্রয়োজনের বেশি প্রাণীজ প্রোটিন তারা নিয়মিত খায়। এর ফলে শরীরে স্থুলতা দেখা দেয়। এই জন্য দ্রুত শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন শুরু হয়‌। তাছাড়া অধিকাংশ শিশু প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত। এই খাবারগুলোতে ব্যবহৃত রাসায়নিক শরীরের হরমোন পরিবর্তন ঘটায়। তাই বয়ঃসন্ধিকাল এগিয়ে আসছে।

    শরীরের পাশাপাশি বয়ঃসন্ধিকালে মনের পরিবর্তন হয়। এই মানসিক পরিবর্তন দ্রুত হওয়ার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম। ইন্টারনেট ও মোবাইল শিশুর জানার পৃথিবী পরিবর্তন করেছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এখন অনেক কিছুই শিশুর কাছে সহজলভ্য। বড়দের অনেক বিষয় তারা সহজেই জানতে পারছে‌। এর ফলে তাদের মানসিক পরিবর্তন দ্রুত হচ্ছে। সময়ের আগেই গোপনীয়তা বোধ তৈরি হচ্ছে।

    পরিবারের ধরন বদলে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশু এখন আর যৌথ পরিবারে থাকে না। বাবা-মা এবং সন্তান। অধিকাংশ পরিবারে এখন তিন সদস্য। পরিবারের ছোট্ট সদস‌্য বাবা-মায়ের আলোচনা, কথা শুনেই বড় হচ্ছে। অনেক সময়েই বাবা-মায়ের আলোচনার বিষয় অনেক পরিণত হয়। সেগুলো সন্তানের মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। সময়ের আগেই তারা এমন অনেক বিষয় জানতে পারে, যেগুলো পরিণত বয়সে জানা উচিত। পরিবারে একাধিক সদস্য থাকলে ছোটোদের নিজের আলাদা মেলামেশার সুযোগ বাড়ে। কিন্তু ছোটো পরিবারে সেটা সম্ভব নয়। এর ফলেও তাদের মধ্যে দ্রুত মানসিক পরিবর্তন হচ্ছে।

    কীভাবে সন্তানের যত্ন নেবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আর্লি টিনএজ বা সময়ের আগেই দ্রুত বয়ঃসন্ধিকালে দাঁড়ানো, এখন বিশ্বজনীন সমস্যা। তাই এই সঙ্কট মোকাবিলার জন্য অভিভাবকদের আগাম প্রস্তুতি প্রয়োজন। শিশুর ৮-১০ বছর বয়স থেকেই তাকে শরীর ও মনের পরিবর্তন সম্পর্কে জানানো জরুরি। বিশেষত মেয়েদের সেই পাঠ বাড়তি যত্নের সঙ্গে শেখানো জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ বড়‌ কোনো শারীরিক পরিবর্তন ঘটলে, সন্তান ঘাবড়ে যেতে পারে। তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করা প্রয়োজন। জীবনের যে পরিবর্তনগুলো খুবই স্বাভাবিক সে সম্পর্কে জানানো জরুরি। ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা প্রয়োজন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছেলেমেয়েরা বহু প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়েই জানতে পারে। কিন্তু সেই জানার মধ্যে অনেক ভ্রান্ত ধারণা মিশে থাকে। অভিভাবকদের কথা বলে সেগুলো স্পষ্ট করা জরুরি। তবেই মানসিক গঠন ঠিক মতো হবে। তাছাড়া তাদের মতামত শোনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে তারা আত্মবিশ্বাস পাবে। অকারণ গোপনীয়তা তৈরি হবে না। তবে সন্তান কী ধরনের কন্টেন্ট দেখছে, সেগুলো তার জন্য উপযুক্ত কিনা সেদিকে নজরদারি প্রয়োজন। কৈশোরে এমন অনেক বিষয়েই আগ্রহ জন্মায়, যা সময়োপযোগী নয়। কথা বলেই সে সম্পর্কে সজাগ করতে হবে।

    মানসিক চাপ কমানো এক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তার পাশপাশি কৈশোরে পা দেওয়ার সময় শরীরের একাধিক পরিবর্তন হয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত খনিজ পদার্থ খাওয়া জরুরি। খনিজ পদার্থ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তাই ১০ বছরের পরে ছেলেমেয়েদের নিয়মিত বাদাম, কিসমিস, কাঠবাদাম, পেস্তা, আখরোট জাতীয় খাবার দেওয়া উচিত। যাতে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। তাহলে শরীর ও মন সুস্থ থাকবে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 27 February 2026: চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 27 February 2026: চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) পেটের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসার জন্য বাড়তি অর্থ দরকার হতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) মহিলা বন্ধুদের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) আয় ভালো থাকলেও দারিদ্র সহজে দূর হবে না।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুবিবেচক ব্যক্তি হিসাবে উন্নতির যোগ।

    ৩) মোটামুটি কাটবে দিনটি।

     

     

    কন্যা

    ১) মিথ্যা বদনাম রটতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পরিশ্রম বৃদ্ধি পেলেও লাভ ভালো হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) পিতামাতার সঙ্গে মতের অমিল হতে পারে।

    ২) চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) নিজের বাকপটুতায় সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।

    ২) জনহিতকর কাজে সুনাম পাবেন।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) সন্তানের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শত্রুদের থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) একটু বিপদের সম্ভাবনা আছে।

    ২) মানসিক অস্থিরতার জন্য কোনও ভালো কাজ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সারা দিন ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

  • Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    “বালকের মতো বিশ্বাস না হলে ঈশ্বরকে (Ramakrishna) পাওয়া যায় না। মা বলেছেন, ‘ও তোর দাদা’ বালকের অমনি বিশ্বাস যে, ও আমার ষোল আনা দাদা। মা বলেছেন, ‘জুজু আছে।’ ষোল আনা বিশ্বাস যে, ও-ঘরে জুজু আছে। এইরূপ বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়। সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না (Kathamrita)।”

    ডাক্তার (ভক্তদের প্রতি)—গরুর কিন্তু যা তা খেয়ে দুধ হওয়া ভাল নয়। আমার একটা গরুকে ওইরকম যা তা খেতে দিত। শেষে আমার ভারী ব্যারাম। তখন ভাবলুম, এর কারণ কি? অনেক অনুসন্ধান করে টের পেলুম, গরু খুদ ও আরও কি কি খেয়েছিল। তখন মহা মুশকিল! লখনউ যেতে হল। শেষে বার হাজার টাকা খরচ! (সকলের হো-হো করিয়া হাস্য)

    “কিসে কি হয় বলা যায় না। পাকপাড়ার বাবুদের বাড়িতে সাত মাসের মেয়ের অসুখ করেছিল —ঘুঙরী কাশি (Whooping Cough) — আমি দেখতে গিছিলাম। কিছুতেই অসুখের কারণ ঠিক করতে পারি নাই। শেষে জানতে পারলুম, গাধা ভিজেছিল, যে গাধার দুধ সে মেয়েটি খেত।” (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কি বল গো! তেঁতুলতলায় আমার গাড়ি গিছিল, তাই আমার অম্বল হয়েছে! (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (হাসিতে হাসিতে)—জাহাজের ক্যাপ্তেনের বড় মাথা ধরেছিল। তা ডাক্তারেরা পরামর্শ করে জাহজের গায়ে বেলেস্তারা (blister) লাগিয়ে দিল। (সকলের হাস্য)

    সাধুসঙ্গ ও ভোগবিলাস ত্যাগ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—সাধুসঙ্গ সর্বদাই দরকার (Kathamrita)। রোগ লেগেই আছে। সাধুরা যা বলেন, সেইরূপ করতে হয়। শুধু শুনলে কি হবে? ঔষধ খেতে হবে, আবার আহারের কটকেনা করতে হবে। পথ্যের দরকার।

    ডাক্তার — পথ্যতেই সারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বৈদ্য তিনপ্রকার — উত্তম বৈদ্য, মধ্যম বৈদ্য, অধম বৈদ্য। যে বৈদ্য এসে নাড়ী টিপে ‘ঔষধ খেও হে’ এই কথা বলে চলে যায়, সে অধম বৈদ্য — রোগী খেলে কিনা, এ-খবর সে লয় না। আর যে বৈদ্য রোগীকে ঔষধ খেতে অনেক করে বুঝায়, মিষ্ট কথাতে বলে। ‘ওহে ঔষধ না খেলে কেমন করে ভাল হবে? লক্ষ্মীটি খাও, আমি নিজে ঔষধ মেড়ে দিচ্ছি খাও’, সে মধ্যম বৈদ্য। আর যে বৈদ্য রোগী কোন মতে খেলে না দেখে, বুকে হাঁটু দিয়ে জোর করে ঔষধ খাইয়ে দেয়, সে উত্তম বৈদ্য (Kathamrita)।

    ডাক্তার — আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

  • Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার গোলপার্ক-কাঁকুলিয়ার পর হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা। ফের শাসক-আশ্রিত দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল রাজ্যের দুই সিস্টার-সিটি। আর এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— সমাজ-বিরোধী, খুনে অভিযুক্তের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল নেতাদের? ভোট যত এগিয়ে আসছে, কেন বাড়ছে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য?

    প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ

    হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা এলাকায় বুধবার ভোরে চায়ের দোকানের সামনে খুব কাছ থেকে গুলি করে এক প্রোমোটার শফিক খানকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রকাশ্য রাস্তায় এই গুলিচালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে যে দু’জনকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে, তাঁরা হলেন হারুন খান ও রোহিত। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হারুন খানের সঙ্গে হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর একাধিক ভিডিও সামনে এনেছে বিজেপি। এমনকী, তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে হারুনের বাইকে চেপে প্রচারেও দেখা গিয়েছে। ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, হারুন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।

    চলছে ‘মহাজঙ্গল রাজ’, রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এক ভিডিও পোস্ট করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর নবান্নও হাওড়াতেই অবস্থিত। তার পরেও এ ধরনের দুঃসাহসিক অপরাধ ঘটছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার একাধিক জায়গা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। পাশাপাশি গতকালই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আদালতে বোমা হামলার হুমকিতে আতঙ্ক ছড়ায়। এই পরিস্থিতিকে ‘মহাজঙ্গল রাজ’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির দাবি, সাধারণ মানুষ ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    ভয়ে, আতঙ্কে সিঁটিয়ে স্থানীয়রা

    কাঁকুলিয়ায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ছবিতে দেখা গেছে তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে। সেই ঘটনার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি পুলিশ। আর বুধবার ভোরে হাওড়ার পিলখানায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল প্রোমোটারকে। ৪৮ ঘণ্টা পার করতে চললেও, মূল অভিযুক্ত হারুন ও রোহিত অধরা। কাঁকুলিয়া থেকে হাওড়া, ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর সব ঘটনার নেপথ্যে বারবার উঠে আসছে শাসক-যোগ। যদিও, হারুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।

    হামলা সংবাদমাধ্যমের ওপরও

    যে বিধানসভা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে, সেই হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লর সঙ্গেও অভিযুক্ত হারুন খানের ভাইরাল ছবি সামনে এসেছে। লক্ষ্মীরতন শুক্ল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না। এদিকে, প্রোমোটার খুনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হন সাংবাদিকরা। রক্তাক্ত হন এবিপি আনন্দের প্রতিনিধি ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধরে নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছে তাঁর। এবিপি আনন্দের চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষকেও হেনস্থা করে কয়েক জন দুষ্কৃতী।

    হাওড়ার মূল অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা!

    প্রশ্ন উঠছে, খুনে অভিযুক্ত থেকে শুরু করে দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীদের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল বিধায়কদের? বিজেপির অভিযোগ, হারুন খান হাওড়া পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব নেতা। বিজেপি-র রাজ্য নেতা উমেশ রাইয়ের দাবি, ‘হারুন খান উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। বাইকে চেপে তাঁকে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবি ভাইরাল। অন্য অভিযুক্ত রোহিত আর্মস ডিলার। জেলখাটা আসামি। যাঁকে খুন করা হয়েছে সেই সফিক একটা ক্রিমিনাল গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত।’ বিধায়কের মদতে এলাকায় সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘‘তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে’’

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অভ্যন্তরেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বর্ষীয়ান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বাহুবলীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, না করলে কপালে দুঃখ আছে, আমি বাহুবলীদের উপর ভরসা করি না। এটাকে যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। কড়া ব্যাবস্থা নিতে হবে। বাহুবলীরা যে দিকে যায়, মানুষ তার বিপরীত দিকে যায়। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নাগরিক সমাজ পাশ থেকে সরে যাবে।” তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এহেন মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এটা ওনার বিলম্বিত বোধদয়, তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে। উনি জানেন উনি আর ভোটে লড়তে পারবেন না ওনার দল থেকে আর কিছু পাওয়ার নেই তাই এইসব মন্তব্য করছেন।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে হিংসা!

    দোষীদের গ্রেফতার না করলে ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে দু’জন জিন্সের প্যান্টের ব্যবসা করত। টাকা নিয়ে বিবাদ ছিল। অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি সেই পরিকল্পনা বদলে ভোটের আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবেই কি সাধারণ মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে?

  • PM Modi: ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন হলোকাস্ট মেমোরিয়ালেও

    PM Modi: ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন হলোকাস্ট মেমোরিয়ালেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে ইজরায়েলে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন (Holocaust Memorial)। দুই নেতার বৈঠকে ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা, কৌশলগত সহযোগিতা গভীর করা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)

    জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি আনন্দিত যে বিভিন্ন জায়গায় আগেও আপনার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছি। আজ আপনাকে এখানে দেখতে পেয়ে আমি সম্মানিত। ভারতের মানুষ আপনাকে স্বাগত জানাতে আগ্রহী। তাই আমি বিশেষভাবে আপনাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। শুধু দিল্লি নয়, ভারতের অন্যান্য স্থানেও সময় বের করে যান, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আপনাকে স্বাগত জানানোর সুযোগ পান।” বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

    ইজরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    বৈঠকের আগে প্রেসিডেন্ট হারজগ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। তিনি লেখেন,
    “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইজরায়েলের জনগণ আপনাকে উন্মুক্ত হৃদয়ে স্বাগত জানাচ্ছে। আজ জেরুজালেমে আপনাকে আতিথ্য দেওয়ার অপেক্ষায় আছি!” ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ইজরায়েলে রাজনৈতিক ও জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে (Holocaust Memorial)। দুই নেতা প্রেসিডেন্ট ভবনে একটি চারা গাছ রোপণ করেন, যা তাঁদের কূটনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণ ও ব্যক্তিগত দিককে প্রতিফলিত করে (PM Modi)।

    ‘হল অব রিমেমব্র্যান্স’

    ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি জেরুজালেমে অবস্থিত ইজরায়েলের সরকারি হলোকাস্ট স্মৃতিসৌধ ‘ইয়াদ ভাশেমে’ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও। দুই নেতা ‘হল অব রিমেমব্র্যান্সে’ নীরবতা পালন করেন, যখন ‘কাদ্দিশ’ প্রার্থনা পাঠ করা হচ্ছিল। হলোকাস্টের শিকারদের স্মরণে এটি ছিল সম্মান, স্মৃতি ও শান্তির বার্তা (Holocaust Memorial)। প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানায়, “হলোকাস্টের শিকারদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং শান্তি ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইয়াদ ভাশেম, বিশ্ব হলোকাস্ট স্মরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় সফর (PM Modi)। তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ‘বুক অফ নেমস্ হল’ পরিদর্শন করেন, যেখানে হলোকস্টে নিহত লাখ লাখ মানুষের স্মৃতি সংরক্ষিত রয়েছে। এই স্মৃতিসৌধ অতীতের নিষ্ঠুরতার একটি গম্ভীর স্মারক এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একটি উন্নত বিশ্ব গড়ার অঙ্গীকারের প্রতীক (Holocaust Memorial)।”

    ইয়াদ ভাশেম কী?

    ইয়াদ ভাশেম জেরুজালেমে অবস্থিত ইজরায়েলের সরকারি হলোকাস্ট স্মৃতিসৌধ। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি ও তাদের সহযোগীদের হাতে নিহত ৬০ লক্ষ ইহুদির স্মৃতি সংরক্ষণে নিবেদিত। এখানে রয়েছে হলোকাস্ট ইতিহাস জাদুঘর, হল অব নেমস্ এবং শিশু স্মৃতিসৌধ। এছাড়া ‘রাইটিয়াস অ্যামং দ্য নেশনস্’—অর্থাৎ যেসব অ-ইহুদি নিজেদের জীবন বিপন্ন করে (Holocaust Memorial) ইহুদিদের রক্ষা করেছিলেন—তাঁদেরও সম্মান জানানো হয় (PM Modi)।

  • India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের (Pakistan) অভিযোগের কড়া জবাব দিল ভারত (India)। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ করেন ভারতের প্রতিনিধি। ২৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ‘রাইট টু রিপ্লাই’ বা জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ কর বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রতিনিধি অনুপমা সিং। সেখানে পাকিস্তান এবং ইসলামিক সহযোগী সংস্থা (OIC)-এর তোলা অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, “এই জোট একটি সদস্য রাষ্ট্রকে ইকো চেম্বার হিসেবে ব্যবহৃত হতে দিয়েছে।”

    অনুপমার বক্তব্য (India)

    পাকিস্তান এবং ওআইসি তাদের বক্তৃতায় ঠিক কী বলেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার প্রথম সচিব অনুপমা সিং বলেন, “পাকিস্তানের মন্তব্য ঈর্ষা থেকে প্রণোদিত।” তিনি জানান, ভারত এই ধরনের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চায় না, তবে তা খণ্ডন ও অসত্য প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করবে। ভারত জম্মু-কাশ্মীরের অগ্রগতি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে, যার মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুও রয়েছে। এর পাশাপাশি অঞ্চলটির উন্নয়ন বাজেটের সঙ্গে পাকিস্তান সম্প্রতি আইএমএফের কাছে যে বেইলআউট প্যাকেজ চেয়েছে, তার তুলনা করা হয়। অনুপমা বলেন, “পাকিস্তান যদি এই বাস্তবতা স্বীকার না করে, তবে তারা লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে।” তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেট পাকিস্তানের চাওয়া আইএমএফ বেইলআউট প্যাকেজের দ্বিগুণেরও বেশি। এসব মন্তব্য ছিল পাকিস্তানের বয়ান মোকাবিলা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরার জন্য নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ (India)।

    জেনেভা অধিবেশন

    জেনেভায় অধিবেশনে (Pakistan) অনুপমা বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর ছিল, আছে এবং সর্বদা ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবেই থাকবে। পাকিস্তানের যতই ইচ্ছাকৃত বক্তব্য বা দুঃসাহসী প্রোপাগান্ডা থাকুক না কেন, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি সম্পূর্ণ বৈধ ও চূড়ান্ত। তাই  এই অপরিবর্তনীয় সত্য বদলানো যাবে না।” ভারতীয় কূটনীতিক অনুপমা আরও বলেন, “একমাত্র অমীমাংসিত বিষয় হল পাকিস্তানের দখলে থাকা ভারতের ভূখণ্ডের অবৈধ দখল।” তিনি ইসলামাবাদকে জোরপূর্বক দখলে রাখা অঞ্চলগুলি খালি করে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আবারও বলেন, “পাকিস্তান যেন লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে (India)।”

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ ও বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সেখানকার মানুষ পাকিস্তান-প্রচারিত সন্ত্রাস ও হিংসার মতাদর্শ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” রাষ্ট্রসংঘে তিনি এও বলেন, “যদি গত বছর উদ্বোধন হওয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুকে ভুয়ো বলা হয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চয়ই লা-লা ল্যান্ডে (কল্পনার জগতে) বাস করছে।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আইএমএফ বেইলআউট আবেদনের দ্বিগুণেরও বেশি (India)। অবশ্য এটি পাকিস্তানের কাছে অবিশ্বাস্য বলেই মনে হতে পারে (Pakistan)।”

     

  • Benjamin Netanyahu: ‘মোদি-জ্যাকেট’ পরে নৈশভোজে হাজির নেতানিয়াহু, “চমৎকার” বললেন মোদি

    Benjamin Netanyahu: ‘মোদি-জ্যাকেট’ পরে নৈশভোজে হাজির নেতানিয়াহু, “চমৎকার” বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক পরে নৈশভোজের আসরে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চমকে দিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। বুধবার জেরুজালেমে আয়োজন করা হয়েছিল ওই নৈশভোজের (Traditional Indian Attire)। সেখানেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পাথর-রঙের একটি নেহরু জ্যাকেট বেছে নেন, যা জনপ্রিয়ভাবে ‘মোদি জ্যাকেট’ নামেও পরিচিত। এতে ছিল ব্যান্ড কলার ও নিখুঁত কাটছাঁটের ফিটিং। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন সাদা, লম্বা হাতাওয়ালা সাধারণ রংয়ের কুর্তা-ধাঁচের একটি শার্ট। গাঢ় নীল রঙের ফরমাল ট্রাউজার এবং পালিশ করা কালো চামড়ার জুতোয় তাঁকে আদ্যোপান্ত ভারতীয় বলেই মনে হচ্ছিল।

    ভারতীয় পোশাকে নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)

    এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে নেতানিয়াহু মোদির প্রতিক্রিয়ার ঝলক শেয়ার করেন। তিনি লেখেন, “আমাদের যৌথ নৈশভোজের আগে আমি আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক পরে চমকে দিয়েছি।” কূটনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত একটি দিনের মধ্যেই এই পোশাক-নির্বাচনের বার্তা আসে। এর আগে মোদি নেসেটের বিশেষ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ভাষণ দেন, যা তাঁকে ইজরায়েলি সংসদে ভাষণদানকারী প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করে। নেতানিয়াহুর পোস্টের জবাবে প্রধানমন্ত্রী মোদি সেটি ফের শেয়ার করে লেখেন, “চমৎকার! ভারতীয় পোশাকের প্রতি আপনার অনুরাগ আমাদের দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি আপনার শ্রদ্ধারই প্রতিফলন।”

    একাধিক মউ সই হওয়ার কথা

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদি ও নেতানিয়াহু আজ, বৃহস্পতিবার যৌথভাবে ইয়াদ ভাশেম পরিদর্শন করবেন এবং পরে কিং ডেভিড হোটেলে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন (Benjamin Netanyahu)। আলোচনায় ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বের সামগ্রিক পর্যালোচনা হবে বলেই আশা করা হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব পাবে প্রতিরক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করা। পাশাপাশি, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও দুই নেতা মতামত বিনিময় করবেন (Traditional Indian Attire)। এই সফরকালে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রজুড়ে একাধিক মউ সই হওয়ার কথা, যা দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যৌথভাবে সংবাদমাধ্যমের সামনে বিবৃতি দেবেন এবং আলোচনার নির্যাস তুলে ধরবেন। বর্তমানে ভারত ইজরায়েলের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত করার পথে এগোচ্ছে, যার লক্ষ্য আয়রন ডোম প্রযুক্তি অধিগ্রহণ। প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা কেবল সরাসরি ক্রয় নয়, বরং এটি ভারতের নিজস্ব ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ (প্রজেক্ট কুশা নামেও পরিচিত)-এর একটি মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Benjamin Netanyahu)।

     

  • PM Modi: “ভারত দৃঢ়ভাবে ও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে”, নেসেটে দাঁড়িয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারত দৃঢ়ভাবে ও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে”, নেসেটে দাঁড়িয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও কারণই সাধারণ নাগরিকদের হত্যাকে (Terrorism) মান্যতা দিতে পারে না এবং কোনও কিছুই সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করতে পারে না।” বুধবার ইজরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “ভারত গাজা শান্তি উদ্যোগকে সমর্থন করে এবং মনে করে এটি এই অঞ্চলে ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা বয়ে আনে। শান্তির পথ সব সময় সহজ নয়, কিন্তু ভারত এই অঞ্চলে আলাপ-আলোচনা, শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আপনাদের এবং বিশ্বের সঙ্গে একযোগে রয়েছে।”

    হামাসের বর্বর জঙ্গি হামলা (PM Modi)

    তিনি বলেন, “৭ অক্টোবর হামাসের বর্বর জঙ্গি হামলায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন এবং যেসব পরিবারের পৃথিবী ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে, তাঁদের জন্য ভারতের জনগণের গভীর সমবেদনা আমি সঙ্গে করে এনেছি। আমরা আপনাদের যন্ত্রণা অনুভব করি, আমরা আপনাদের শোক ভাগ করে নিই। এই মুহূর্তে এবং ভবিষ্যতেও ভারত দৃঢ়ভাবে ও পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদের যন্ত্রণা সহ্য করেছে। আমরা ২৬/১১ মুম্বই হামলা এবং সেখানে নিহত নিরপরাধ প্রাণগুলিকে স্মরণ করি, যাঁদের মধ্যে ইজরায়েলি নাগরিকও ছিলেন। আপনাদের মতোই, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্সের, কোনও দ্বিমুখী মানদণ্ড নয়। সন্ত্রাসবাদ সমাজকে অস্থিতিশীল করতে, উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং বিশ্বাস নষ্ট করতে চায়। সন্ত্রাস দমনে টেকসই ও সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রয়োজন, কারণ বিশ্বের যে কোনও জায়গায় সন্ত্রাস সর্বত্র শান্তির পক্ষে হুমকি স্বরূপ। সেই কারণেই ভারত স্থায়ী শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সবরকম প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।”

    ইজরায়েলের মহান বন্ধু

    এর আগে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নেসেটে ভাষণের আগে মোদিকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে ইজরায়েলের মহান বন্ধু, ভারত-ইজরায়েল জোটের শক্তিশালী সমর্থক এবং বিশ্বমঞ্চের এক মহান নেতা বলে অভিহিত করেন। নেতানিয়াহু মোদিকে “প্রিয় বন্ধু” বলে উল্লেখ করে জানান, তিনি এই সফরে গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র, আমার প্রিয় বন্ধু, আজ এখানে আপনার আগমনে আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। ইজরায়েলের এক মহান বন্ধু, ভারত-ইজরায়েল জোটের এক শক্তিশালী সমর্থক এবং বিশ্বমঞ্চের এক মহান নেতাকে স্বাগত। জেরুজালেমে স্বাগতম, আমার প্রিয় বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আপনার বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলকে (PM Modi)।” ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসলে আমি বলতে চাই, মোদি আমার বন্ধুর চেয়েও বেশি (Terrorism), একজন ভাই। যখন আপনি আগেরবার এখানে এসেছিলেন, আমরা দু’জনে ভূমধ্যসাগরের উপকূলে দাঁড়িয়েছিলাম, এবং আমি বলেছিলাম, চলুন জুতো খুলে জলে নামি। ওটা শুধু জলের ওপর হাঁটা ছিল না, আমরা যেন অলৌকিক কাজ করেছি। আমরা আমাদের বাণিজ্য দ্বিগুণ করেছি, সহযোগিতা তিনগুণ করেছি এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া চারগুণ করেছি।”

    কী বললেন নেসেটের স্পিকার

    নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাতে পারা তাঁর জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, “আজ নেসেটের স্পিকার হিসেবে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে নেসেটে ভাষণ দিতে স্বাগত জানাতে পেরে আমি গর্বিত। ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী মোদি।” এদিন পার্লামেন্টে পৌঁছলে ‘মোদি, মোদি’ ধ্বনিতে স্বাগত জানানো হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি অভিবাদন গ্রহণ করেন (Terrorism)। ভারত-ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “যে দিন ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, সেই দিনই তার জন্ম।” তিনি জানান, এমন এক ভূখণ্ডে ফিরে এসে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত, যার প্রতি তিনি সব সময় আকর্ষণ অনুভব করেছেন (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এর আগে, তেল আভিভ বিমানবন্দরে নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান। মোদির পকেট রুমাল ও সারা নেতানিয়াহুর পোশাকে গেরুয়া রঙের মিল দেখা যায়। লাল গালিচা সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে মোদি ও নেতানিয়াহুর আলিঙ্গন তাঁদের আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রকাশ ঘটায়। দু’দিনের সরকারি সফরে তেল আভিভে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী মোদি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। উষ্ণ অভ্যর্থনায় নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে (Terrorism) বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান এবং বিশেষ গার্ড অব অনার দেন (PM Modi)।

     

  • T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    T20 World Cup 2026: চিপকে বড় জয়ই লক্ষ্য ভারতের, কোন পথে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারে সূর্যরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (2026 ICC Men’s T20 World Cup) বৃহস্পতিবার সুপার এইটে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচ (India vs Zimbabwe) খেলতে নামছে ভারত। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার ৮-এর প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিরাট ব্যবধানে হারের ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথ বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৭৬ রানের এই পরাজয় তাদের নেট রান রেটে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছে। এখন, টিম ইন্ডিয়াকে তাদের দুটি ম্যাচই জিততে হবে, এবং তাও বড় ব্যবধানে।

    সেমিফাইনালের সম্ভাবনা

    দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের সঙ্গে সঙ্গে, টিম ইন্ডিয়ার নেট রান রেটেরও উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে, যার ফলে সেমিফাইনালে (T20 World Cup 2026) পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমে গিয়েছে। তবে, ভারতের জন্য প্রত্যাবর্তন সম্ভব। এর জন্য, তাদের বাকি দুটি ম্যাচে সেমিফাইনালের হিসেব-নিকেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। টিম ইন্ডিয়া যদি বাকি সুপার ৮ ম্যাচগুলিতে বড় জয় অর্জন করে, তাহলে সেমিফাইনালের দৌড়ে থাকার সুযোগ তাদের রয়েছে। ভারত যদি প্রথমে ব্যাট করে এবং ১৯০ রানের বেশি করে, তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে অলআউট করতে হবে এবং ৬০ রানের বেশি রানে জিততে হবে। তবে, ৮০ বা তার বেশি রানের জয়ই সেরা বলে বিবেচিত হবে। ভারত যদি লক্ষ্য তাড়া করে, অর্থাৎ পরে ব্যাট করে তাহলে টিম ইন্ডিয়াকে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানের কম রানে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং ১০ থেকে ১২ ওভারে লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

    দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং

    বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগেই ভারতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু সিং। তবে তিনি এই ম্যাচে খেলবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট হয়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক (Sitanshu Kotak) জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধেতেই ফের দলে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু। তিনি বৃহস্পতিবার চিপকে (Chepauk) থাকবেন। টিম ম্যানেজমেন্ট যদি মনে করে, তাহলে তিনি খেলবেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে ভারতীয় দল ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন রিঙ্কু। তাঁর বাবা খানচাঁদ সিং (Khanchand Singh) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি গ্রেটার নয়ডার (Greater Noida) এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে টিম ম্যানেজমেন্ট রিঙ্কুকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়। বাড়ির পরিস্থিতি সামলে চেন্নাইয়ে ফিরছেন রিঙ্কু।

    চিপকে চাপে ভারত

    সোমবার মুম্বইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারিয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে এমনিতেই চাপে ছিল ভারত। তার উপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই বিশাল জয়ের ফলে ভারতের নেট রান রেটের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে গিয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে হলে বাকি ম্যাচগুলো বড় ব্যবধানে জিততেই হবে। ভারতের পরবর্তী ম্যাচ বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। একই দিনে অন্য ম্যাচে আমেদাবাদে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ম্যাচের ফলাফলের উপর অনেকটাই নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য। তবে অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের গুছিয়ে নিতে চাইবেন গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেক্ষেত্রে সবকিছু ভুলে রানে ফিরতে হবে অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষাণদের। ভারতের ব্যাটিং তেজই চিপকে ফের সূর্যোদয় ঘটাতে পারে টিম ইন্ডিয়ার।

LinkedIn
Share