Tag: news in bengali

news in bengali

  • PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামাম বিশ্বে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দ্বিতীয়বারের জন্য ইজরায়েলে যাচ্ছেন তিনি। তার আগে ইজরায়েলের সংবাদপত্র ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট  ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে একটি বিশেষ প্রথম পৃষ্ঠা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক-ইন-চিফ জিভিকা ক্লাইন ২৪ ফেব্রুয়ারি এক্স হ্যান্ডেলে এই বিষয়টি জানান।

    পত্রিকার সম্পাদকের আবেদন (PM Modi)

    তিনি লিখেছেন, “আগামীকালের পত্রিকা আমরা জেরুজালেমে মুদ্রণের জন্য পাঠিয়েছি, প্রধানমন্ত্রী @নরেন্দ্রমোদির ঐতিহাসিক ইজরায়েল সফর উপলক্ষে—২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম সফর। এই উপলক্ষে এটি আমাদের বিশেষ @জেরুজালেম পোস্ট কভার। আপনাদের কী মনে হয়?” প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পাঠকদের আহ্বানও জানান তিনি। বুধবার ভারতীয় সময় বিকেল প্রায় ৪টায় প্রধানমন্ত্রী মোদি পৌঁছবেন ইজরায়েলে। ২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম ইজরায়েল সফর। সফরকালে তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি ইজরায়েলের সংসদ ‘কনেসেট’-এ ভাষণও দেবেন, যা হবে সেখানে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “দুই নেতা ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও মতামত বিনিময় হবে।” ইজরায়েল-ইরান সংঘাত শুরু পর গাজার পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সফরের আগে উভয় দেশই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সন্ত্রাস মোকাবিলায় গোয়েন্দা ও তথ্য আদান-প্রদান জোরদার-সহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দুই দেশ।

    মঙ্গলবার উভয় দেশ জোর দিয়ে বলেছে, সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় “টেকসই ও সর্বাঙ্গীণ পদ্ধতিতে” সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন। ভারত-ইজরায়েল যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবিরোধী ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘ, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা মজবুত করার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করেছে দুই পক্ষ।” তেল আভিভাবের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে প্রকাশিত বিদায়ী বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ককে একটি দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।

     

  • PM Modi: ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা! ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নয়া ‘ষড়ভুজ জোটের’ প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, সঙ্গে আর কারা?

    PM Modi: ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা! ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নয়া ‘ষড়ভুজ জোটের’ প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, সঙ্গে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার আগেই জেরুজালেম থেকে এক নতুন ভূ-রাজনৈতিক জোটের প্রস্তাব সামনে এসেছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) যাকে তিনি “হেক্সাগন অফ অ্যালায়েন্স” (ষড়ভুজ জোট) বলেছেন, তার রূপরেখা প্রকাশ্যে এনেছেন। নেতানিয়াহুর প্রস্তাবিত জোটের লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে (পশ্চিম এশিয়া) তাঁর ভাষায় “র‍্যাডিক্যাল অ্যাক্সিস” বা চরমপন্থী অক্ষশক্তির মোকাবিলা করা। তিনি ইজরায়েল, গ্রিস ও সাইপ্রাসের পাশাপাশি ভারতকে এই জোটের অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইজরায়েলি বিদেশ দফতরের ২২ ফেব্রুয়ারির বিবৃতি অনুযায়ী, আরও কিছু আরব, আফ্রিকান ও এশীয় দেশ এই কাঠামোর অংশ হতে পারে।

    ইজরায়েল-ইরান উত্তেজনা (PM Modi)

    এই ঘোষণা এমন একটা সময়ে এল যখন ইজরায়েল-ইরান উত্তেজনা বাড়ছে এবং পাকিস্তান ও সৌদি আরব ন্যাটোর ধাঁচে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে একত্রিত হয়েছে। এখানে তুরস্কও যোগ দিতে আগ্রহী। নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে মোদি ২৫–২৬ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এটি মোদির দ্বিতীয় ইজরায়েল সফর। মঙ্গলবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সফরকালে দুই নেতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করবেন। ২২ ফেব্রুয়ারির মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু এই ধারণার রূপরেখা তুলে ধরেন বলে ইজরায়েল সরকারের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কী বললেন নেতানিয়াহু

    নেতানিয়াহু বলেন, “আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা মধ্যপ্রাচ্যের চারপাশে বা ভেতরে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলব—মূলত এটি হবে একটি হেক্সাগন জোট (PM Modi)।” তিনি বলেন, “এর মধ্যে থাকবে ভারত, আরব দেশসমূহ, আফ্রিকান দেশসমূহ, ভূমধ্যসাগরীয় দেশ (গ্রিস ও সাইপ্রাস) এবং এশিয়ার কিছু দেশ, যাদের নাম এখন উল্লেখ করছি না। আমি এটি সংগঠিতভাবে উপস্থাপন করব (Benjamin Netanyahu)।” নেতানিয়াহু বলেন, “উদ্দেশ্য হল এমন দেশগুলির একটি অক্ষ তৈরি করা, যারা চরমপন্থী অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ এবং লক্ষ্য নিয়ে একমত। তা সে চরমপন্থী শিয়া অক্ষই হোক, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, অথবা উদীয়মান চরমপন্থী সুন্নি অক্ষ। এই দেশগুলির দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা এবং আমাদের সহযোগিতা বড় ফল দিতে পারে, পাশাপাশি আমাদের স্থিতিস্থাপকতা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারে।”

    ‘হেক্সাগন’ জোটের আহ্বান

    এই কাঠামোর লক্ষ্য নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গভীর করা (PM Modi)। প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহুর ‘হেক্সাগন’ জোটের আহ্বান তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি পশ্চিম ও দক্ষিণ এশিয়ায় চলমান এক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে। ভারত-ইউএই-ইজরায়েল-গ্রিস সমঝোতার আগের আলোচনা থেকে ভিন্নভাবে, এটি প্রকাশ্য কৌশলগত নীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নেতানিয়াহু সরাসরি প্রতিপক্ষদের নাম উল্লেখ করেছেন এবং উদ্দেশ্যও স্পষ্ট করেছেন (Benjamin Netanyahu)। ইজরায়েলের এই প্রস্তাব এমন একটা সময়ে এসেছে যখন সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ স্বাক্ষরিত সৌদি-পাকিস্তান কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অঞ্চলজুড়ে নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি এক ধরনের “ইসলামিক ন্যাটো” (PM Modi)। নেতানিয়াহু এই নয়া জোটকে একটি পাল্টা ভারসাম্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, “চরমপন্থী শিয়া অক্ষ, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, এবং উদীয়মান চরমপন্থী সুন্নি অক্ষ—উভয়ের বিরুদ্ধেই।”

    “র‍্যাডিক্যাল শিয়া অক্ষ”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, “র‍্যাডিক্যাল শিয়া অক্ষ” বলতে মূলত ইরান ও তার সহযোগী গোষ্ঠী যেমন হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের বোঝানো হয়েছে (Benjamin Netanyahu)। “উদীয়মান র‍্যাডিক্যাল সুন্নি অক্ষ” বলতে পশ্চিম এশিয়ায় আইএসআইএসের অবশিষ্টাংশ ও অন্যান্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক-সহ চরমপন্থী হুমকিকে বোঝানো হয়েছে। এই জোটের গুরুত্ব হল, এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভারত, ইউএই এবং ইজরায়েল বহু বছর ধরে সহযোগিতা করছে আব্রাহাম চুক্তি ও আই২ইউ২ (I2U2) গোষ্ঠীর মাধ্যমে। যদিও আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা চুক্তি ছিল না। প্রসঙ্গত, “হেক্সাগন” শব্দ ব্যবহার করে নেতানিয়াহু একটি কাঠামোবদ্ধ স্থাপত্যের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যেখানে গ্রিস, সাইপ্রাস, এশিয়া এবং আফ্রিকার আরও কিছু দেশ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে ভারতকে (Benjamin Netanyahu) কল্পনা করা হয়েছে প্রধান অংশীদার হিসেবে (PM Modi)।

     

  • Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আবারও জঙ্গি হামলা চালানো হবে! যে ঘটনা মনে করাবে ২৬/১১-এর ভয়ঙ্কর স্মৃতি। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র (Lashkar-e-Taiba) ডেপুটি চিফ সইফুল্লাহ কাসুরির একটি বিতর্কিত ভিডিও বার্তা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভিডিওতে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ২৬/১১-র ধাঁচে (Lashkar-e-Taiba Attack) সামুদ্রিক পথে বড়সড় জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে। ২০০৮ সালের সেই হামলায় জঙ্গিরা আরব সাগর পেরিয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে একাধিক স্থানে নৃশংস আক্রমণ চালিয়েছিল। ফলে এবারও সমুদ্রপথ ব্যবহার করে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

    ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”

    ভিডিও বার্তায় কাসুরি দাবি করেছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তান “আকাশে আধিপত্য” দেখিয়েছে এবং ২০২৬ সালে তারা “সমুদ্রে আধিপত্য” প্রতিষ্ঠা করবে। তার কথায়, স্থল, জল ও আকাশ— কোনও ক্ষেত্রেই ভারতের জন্য নিরাপদ স্থান থাকবে না। কাসুরি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেয় এবং সাম্প্রতিক ভারতীয় সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওে সংঘটিত জঙ্গি হামলার নেপথ্য কারিগর হিসেবেও কাসুরির নাম উঠে এসেছে। ওই ঘটনার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়, যেখানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। ভিডিওতে কাসুরি মুরিদকে ও বহাওয়ালপুরে ভারতের জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাসুরি। এই দুই স্থানকে দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবার কার্যকলাপের কেন্দ্র বলে মনে করা হয়। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”-এর অভিযোগ তোলে এবং কাশ্মীরে চাপ বাড়ালে অন্যত্র অশান্তি ছড়ানোর হুমকিও দেয় লস্করের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এমনকী,  ভারতীয় ধর্মীয় স্থানগুলিও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন— যা নিয়ে নিরাপত্তা মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    পশ্চিম উপকূলে কড়া নজরদারি

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, ওবেরয় ট্রাইডেন্টের মতো আটটি জায়গায় হামলা চালায় আজমল কসাব ও তার দলবল। ২০২ সালের ২১ নভেম্বর কসাবের ফাঁসি হয়। এই হামলার অন্যতম চক্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি আমেরিকায় ৩৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে। এই হামলায় নিহত হন ১৬৪ জন মানুষ। আহত হন তিনশো’রও বেশি। জানা গিয়েছিল, করাচি থেকে সমুদ্র পার করে মুম্বই এসে হামলা চালায় ১০ পাক জঙ্গি। হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba Attack) যোগ ছিল। ভারত বরাবরই অভিযোগ করে এসেছে যে পাকিস্তানের কিছু গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেয়। যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। কাসুরির বক্তব্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। সম্ভাব্য সামুদ্রিক হুমকির প্রেক্ষিতে ভারতের পশ্চিম উপকূলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা অতীতের অনুপ্রবেশ রুটগুলিতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। যদিও গোয়েন্দাদের মতে, এই হুমকির কিছু অংশ প্রচারমূলকও হতে পারে, তবু কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

  • Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে মঙ্গলবার একযোগে বোমাতঙ্কের (Bomb Scare in Courts) ইমেল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় বিচারপ্রক্রিয়া। আতঙ্কে আদালত চত্বর থেকে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের সরাতে গিয়ে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্য ছড়ায় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টে। আদালত সূত্রে খবর, প্রধান বিচারকের ইমেলে বোমা রাখার দাবি করা হয়। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড নিয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। পুরো ভবন খালি করে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

    এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক

    শুধু কলকাতা নয়। আসানসোল, বহরমপুর, চুঁচুড়া, দুর্গাপুরে জেলা আদালতেও বোমাতঙ্ক ছড়ায়। সূত্রের খবর মেল ও ফোনে বোমা থাকার হুঁশিয়ারি এসেছে৷ কোনও একটা জায়গাতে নয়, একাধিক জেলা আদালতে প্রায় একই প্যাটার্নে বোম থাকার হুশিয়ারি দিয়েছে কেউ বা কারা! কিন্তু কেন? কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে হঠাৎ টার্গেট করা হচ্ছে? কেনই বা রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে বোম থাকার খবর কেউ বা কারা ছড়িয়ে দিচ্ছে? সম্প্রতি এসআইআর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে হবে এসআইআর প্রক্রিয়া। এসআইআর-এ সমস্ত রকমের অসঙ্গতি দেখার জন্য জুডিসিয়াল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত৷ জেলা স্তরের জাজদের জুডিসিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগের কথা বলে আদালত। আবার এই জুডিসিয়াল অফিসারদের পরামর্শ দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। এসআইআর-এর কাজে গতি এনে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ‍্যে তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণ তালিকা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে বাকিটা পরে অতিরিক্ত তালিকা হিসেবে প্রকাশ করা যাবে বলেও জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই সোমবার কাজে নেমে পড়েছেন অনেক জাজ। তারপরই জেলায় জেলায় আদালতে এই বোমাতঙ্ক কি নেহাত কাকতালীয় নাকি কোনও ষড়যন্ত্র? উঠছে সেই প্রশ্নও।

    বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    এদিকে, বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জানিয়েছন। নবান্নে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কলকাতা, কৃষ্ণনগর, বহরমপুর-সহ একাধিক আদালতে বোমা রাখার হুমকি ইমেল এসেছে। সাধারণ মানুষ ও বিচারকরা সমস্যায় পড়েছেন ঠিকই, তবে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডে জানান, প্রশাসন সব পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার বলেন, ব্যাঙ্কশাল ও সিটি সিভিল কোর্টে হুমকি ইমেল এসেছিল। দু’টিই ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে কে বা কারা আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    Loneliness in Children: সন্তানের সামাজিক আচরণে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব! কী প্রভাব পড়ছে শিশুমনে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একরত্তি ছানা! বাবা-মায়ের সঙ্গ পায়নি। অন্যদের সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারে না। সময় মতো খাবার পেলেও, সে ভালো নেই। পুষ্টিকর খাবার শরীরের চাহিদা মেটালেও, মনের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। সুস্থ রাখতে তাকে দেওয়া হল একখানা পুতুল! আর তাতেই বাজিমাত! সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে উঠল সেই পুতুল! ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে একরত্তি! মিশতে শেখে। মানিয়ে নিতেও শেখে! জাপানের চিড়িয়াখানার সেই একরত্তি ম্যাকাকের (এক প্রজাতির বাঁদর) একাকিত্ব আর সেরে ওঠার ঘটনায় উত্তাল বিশ্ব। তবে তার এই একাকিত্বের সমস্যা কেবল পশুজগতের সমস্যা নয়। মানব শিশুর জীবনেও একাকিত্বের সমস্যা (Loneliness in Children) প্রবল ভাবে বাড়ছে‌।‌ সামাজিক আচরণে (Social Isolation) যার প্রভাব গভীর ভাবে পড়ছে! এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণ (Child Mental Health) সংযত ও স্বাভাবিক রাখার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে এই একাকিত্ব!

    শিশুর আচরণে কেন সমস্যা হয়ে উঠছে একাকিত্ব?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর আচরণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ পরিবার ছোটো। বাবা-মা দুজনেই কাজে ব্যস্ত থাকেন। দিনের অধিকাংশ সময় তাদের অফিসেই কাটে। পরিবারের একরত্তির সঙ্গে নির্ভেজাল সময় কাটানোর সুযোগ খুব কম। অধিকাংশ শহুরে পরিবারে শিশু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ কাছে পায় না। যার ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব শিশুকে আত্মবিশ্বাসহীন করে তোলে। পরিবারের যথেষ্ট সময় না পেলে শিশু হীনমন্যতায় ভোগে। এর ফলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়‌। তাই সে সমাজের অন্যান্যদের সঙ্গেও মিশতে পারে না।

    পরিবারই পৃথিবী, একাকিত্ব শিশুমনে তৈরি করে মানসিক অবসাদ

    একাকিত্ব একধরনের মানসিক অবসাদ তৈরি করে। শিশুর কাছে প্রাথমিক পর্বে, তার পরিবার তার পৃথিবী। পরিবারের কাছে পর্যাপ্ত যত্ন ও সময় না পেলে, তার মধ্যে অবসাদ তৈরি হবে। যার ফলে সে কোনও কাজ সময় মতো করতে চাইবে না। তার মধ্যে অনীহা তৈরি হবে। স্কুল যাওয়া ও পড়াশোনার প্রতিও অনাগ্রহ বাড়বে। এমনকি বন্ধু তৈরি করার ইচ্ছেও থাকবে না। যা একাকিত্বের সমস্যাকে আরও জটিল করবে। শিশুর একাকিত্ব একদিকে তার সামাজিক যোগাযোগ তৈরির ক্ষমতা নষ্ট করে (Social Isolation)। আবার শিশুকে জেদি করে তোলে। এমন মানসিক পরিস্থিতি তৈরি হয়, যাতে সে কোনোভাবেই অন্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছে হারিয়ে ফেলে। এর ফলে নিজের মতো থাকে। যেকোনও কাজ বললেই একধরনের অনীহা তৈরি হয়‌। জেদ তৈরি হয়।

    সন্তানের একাকিত্ব কাটিয়ে আচরণ ‘স্বাভাবিক’ রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের একাকিত্ব কাটাতে এবং সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক রাখতে দিনের অন্তত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ করতেই হবে। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের সঙ্গে প্রতি দিন অন্তত ২০ মিনিট গল্প করতে হবে। সন্তানের বয়স অনুযায়ী সেই গল্প হবে। পাঁচ থেকে সাত বছরের শিশুর সঙ্গে বসে গল্পের বই পড়া, সারা দিন তার কেমন কাটলো সেই সম্পর্কে গল্প করা জরুরি। আবার বয়ঃসন্ধিকালে থাকা সন্তানের সঙ্গেও তার কেমন সময় কাটছে সে নিয়ে গল্প করা, বা তার পছন্দের গান শোনা, তার পছন্দের যে কোনও বিষয় নিয়ে গল্প করা জরুরি। এতে সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। একাকিত্ব গ্রাস করে না। তার মনের অবস্থা (Child Mental Health) সম্পর্কেও অভিভাবক বুঝতে পারে।

    অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে পড়ছে বাড়তি চাপ

    আধুনিক ব্যস্ত জীবনে সন্তানকে অনেকটা সময় দেওয়া কঠিন। কিন্তু তার বিকল্প কখনই স্ক্রিন টাইম নয়। এমনটাই মত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, ছোটো থেকেই অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। খিটখিটে মেজাজ হচ্ছে। তাই স্ক্রিন টাইম নয়। বরং খেলাধুলা সঙ্গে যাতে সন্তান যুক্ত হয় সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের বয়স পাঁচ বছর হলেই যেকোনও ধরনের খেলার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি। এতে শারীরিক বিকাশের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়। একাকিত্ব (Loneliness in Children) গ্রাস করে না। মেলামেশার অভ্যাস তৈরি হয়। বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। জেদ, একঘেয়েমি দূর হয়।

    সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি

    শিশুর গ্রুপ অ্যাক্টিভিটি জরুরি বলেই মত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, একসঙ্গে অনেকে মিলে নাচ, গান বা নাটক করা। কিংবা যে কোনও ধরনের খেলাধুলা করলে শিশুর সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক ও সংযত হয়। নানান জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ, সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য (Child Mental Health) ভালো রাখতে বাবা-মায়ের সজাগ থাকা জরুরি। শিশুর সুস্থ মানসিক গঠনের জন্য তাকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তার কথা শুনতে হবে। তাহলেই অনেক সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 February 2026: ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 590: “অহংকার চূর্ণ হলে কাকভূষণ্ডী জানতে পারলে যে, রামচন্দ্র দেখতে আমাদের মতো মানুষ বটে”

    Ramakrishna 590: “অহংকার চূর্ণ হলে কাকভূষণ্ডী জানতে পারলে যে, রামচন্দ্র দেখতে আমাদের মতো মানুষ বটে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (ঈশানের প্রতি) — তুমি কিছু বল না; এ (ডাক্তার) অবতার মানছে না।

    ঈশান — আজ্ঞা, কি আর বিচার করব। বিচার আর ভাল লাগে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিরক্ত হইয়া) — কেন? সঙ্গত কথা বলবে না?

    ঈশান (ডাক্তারের প্রতি)—অহংকারের দরুন আমাদের বিশ্বাস কম (Kathamrita)। কাকভূষণ্ডী রামচন্দ্রকে প্রথমে অবতার বলে মানে নাই। শেষে যখন চন্দ্রলোক, দেবলোক, কৈলাস ভ্রমণ করে দেখলে যে রামের হাত থেকে কোনরূপেই নিস্তার নাই, তখন নিজে ধরা দিল, রামের শরণাগত হল। রাম তখন তাকে ধরে মুখের ভিতর নিয়ে গিলে ফেললেন (Kathamrita)। ভূষণ্ডী তখন দেখে যে, সে তার গাছে বসে রয়েছে। অহংকার চূর্ণ হলে কাকভূষণ্ডী জানতে পারলে যে, রামচন্দ্র দেখতে আমাদের মতো মানুষ বটে, কিন্তু তাঁরই উদরে ব্রহ্মাণ্ড। তাঁরই উদরের ভিতর আকাশ, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, সমুদ্র, পর্বত, জীব, জন্তু, গাছ ইত্যাদি।

    জীবের ক্ষুদ্র বুদ্ধি — Limited Powers of the conditioned

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — ওইটুকু বুঝা শক্ত, তিনিই স্বরাট তিনিই বিরাট। যাঁরই নিত্য তাঁরই লীলা। তিনি মানুষ হতে পারেন না, এ-কথা জোর করে আমরা ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে কি বলতে পারি? আমাদের ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে এ-সব কথা কি ধারণা হতে পারে? একসের ঘটিতে কি চারসের দুধ ধরে?

    “তাই সাধু মহাত্মা যাঁরা ঈশ্বরলাভ করেছেন, তাঁদের কথা বিশ্বাস করতে হয়। সাধুরা ঈশ্বরচিন্তা লয়ে থাকেন, যেমন উকিলরা মোকদ্দমা লয়ে (Kathamrita) থাকে। তোমার কাকভূষণ্ডীর কথা কি বিশ্বাস হয়?”

    ডাক্তার—যেটুকু ভাল, বিশ্বাস করলুম। ধরা দিলেই চুকে যায়, কোন গোল থাকে না। রামকে অবতার কেমন করে বলি ? প্রথমে দেখ বালীবধ। লুকিয়ে চোরের মত বাণ মেরে তাকে মেরে ফেলা হল। এ তো মানুষের কাজ, ঈশ্বরের নয়।

    গিরিশ ঘোষ—মহাশয়, এ-কাজ ঈশ্বরই পারেন।

    ডাক্তার—তারপর দেখ সীতাবর্জন।

    গিরিশ—মহাশয়, এ-কাজও ঈশ্বরই পারেন, মানুষ পারে না।

  • Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যাতে আম-আদমির নাগালের বাইরে না চলে যায়, সেজন্য মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার (Pakistan)। অভিযোগ, তার পরেও রমজান মাসে দোকানিরা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন (Price Hikes)। বাজারের এই পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। ফলে অকার্যকর তদারকির চাপ ভোক্তাদের ওপরই পড়ছে। ফল ও সবজি বিক্রেতা ভ্রাম্যমাণ ঠেলাগাড়ি ব্যবসায়ীরা সরকারি মূল্যতালিকা না দেখিয়েই ব্যবসা করছেন। কলা প্রতি ডজন ২০০-৩০০ পাকিস্তানি রুপিতে (PKR) বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ২৩৭ রুপি। অবশ্য নিম্নমানের কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ রুপি প্রতি ডজন।

    আকাশ ছোঁওয়া দাম (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, তরমুজ বাজারে অপ্রতুল। যা মিলছে, তাও অত্যন্ত নিম্নমানের। তা সত্ত্বেও ক্রেতাদের প্রতি কেজি ৩০০ রুপি দিতে হচ্ছে, যেখানে সরকারি মূল্য ২৬২ রুপি প্রতি কেজি (Pakistan)। উচ্চমূল্যের কারণে অনেক খুচরো বিক্রেতা পাইকারি বাজার থেকে তরমুজ কিনতে যাচ্ছেন না। রমজানে জনপ্রিয় আর একটি ফল পেয়ারা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০ রুপিতে, যদিও সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম ১৫০-১৫২ রুপি (Price Hikes)। আপেল ও ডালিমের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৪০ ও ২৩৯ রুপি প্রতি কেজি। অথচ এগুলিই বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ এবং ২৫০-৩০০ রুপি দামে (Pakistan)। বাজারে তরমুজ (ওয়াটারমেলন) প্রতি কেজি ১৫০-১৮০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা সরকারি ১১৫ রুপির চেয়ে ঢের বেশি।

    কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপি

    উচ্চমানের বড় আকারের কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ১৩৬ রুপি। সবেদার সরকারি মূল্য প্রতি কেজি ১৫০ রুপি হলেও, খুচরো বিক্রেতারা নিচ্ছেন ২৫০-৩০০ রুপি প্রতি কেজি (Price Hikes)। পেঁয়াজ এবং আলুর দামও আকাশ ছোঁওয়া। এই দুই পণ্যের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৫ ও ২৩ রুপি প্রতি কেজি, যদিও বাজারে বিকোচ্ছে যথাক্রমে ৫০-৬০ এবং ৪০-৫০ রুপিতে। প্রশাসন জীবিত ব্রয়লার মুরগি ও মুরগির মাংসের খুচরো মূল্য যথাক্রমে ৩৩২ ও ৫০০ রুপি নির্ধারণ করেছে। যদিও এগুলি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ এবং ৫৫০-৬০০ রুপি দরে (Pakistan)।

     

  • Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ এবং অসহায় তরুণীদের চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালের দুই বোন (Bhopal)। অভিযুক্ত আমরিন ও আফরিনকে পুলিশ তাদের সহযোগী চন্দন যাদব-সহ গ্রেফতার করে। ২১ ও ৩২ বছর বয়সী দুই মহিলাকে (Sex Racket Scandal) রবিবার রাতে গ্রেফতার করে বাগ সেওনিয়া থানায় হাজির করা হয়। আরও তিন অভিযুক্ত বিলাল, চানু ও ইয়াসির এখনও পলাতক।

    চাকরির টোপ দিয়ে ধরা হত শিকার (Bhopal)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আব্বাস নগরের একটি সাধারণ বস্তি এলাকায় বসবাসকারী এই দুই বোন সম্প্রতি ভোপালের সাগর রয়্যাল ভিলাসে একটি বিলাসবহুল ভিলায় উঠে যান। তদন্তকারীদের ধারণা, তরুণীদের শোষণ করে উপার্জিত অবৈধ অর্থেই এই স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে।কর্তৃপক্ষের মতে, অভিযুক্তরা আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করত। তাঁদের গৃহকর্মীর চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হত। মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন, বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া এবং তথাকথিত হাই-প্রোফাইল জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হত। যদিও চাকরির প্রতিশ্রুতি দ্রুতই দুঃস্বপ্নে পরিণত হত বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন অভিযোগকারীরা

    দুই অভিযোগকারীরই দাবি, তাঁদের ধীরে ধীরে পার্টি, পাব ও লাউঞ্জে নিয়ে যাওয়া হত। সেখানে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে মেলামেশার জন্য চাপ দেওয়া হত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের জোর করে মদ ও এমডি ড্রাগ সেবনে বাধ্য করা হত। একাধিক ক্ষেত্রে তাঁদের মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ (Sex Racket Scandal)। ছত্তিশগড়ের মুঙ্গেলি জেলার এক অভিযোগকারীর (যিনি পেশায় বিউটিশিয়ান)দাবি, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁকে আহমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে আমরিনের আত্মীয় ইয়াসির তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। এছাড়া বিলাল এবং চানুও বিভিন্ন সময়ে তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছে বলেও জানান তিনি। অন্য এক অভিযোগকারী (যিনি আমরিনের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন) পুলিশকে জানান, আমরিন তাঁকে একা রেখে যাওয়ার পর নারায়ণ নগরে চন্দন যাদবের বোনের বাড়িতে চন্দন তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁর দাবি, মুখ খুললে তাঁকে প্রাণনাশ ও মানহানির হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Bhopal)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ

    এই মামলার সব চেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলির একটি হল জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ। এফআইআর অনুযায়ী, চন্দন যাদব এক ভুক্তভোগীকে (Sex Racket Scandal) বলেন, “আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। তুমিও মুসলিম হয়ে যাও। তোমার ভালো পরিবারে বিয়ে দেব।” ভুক্তভোগী জানান, চাপের মুখে তিনি ধর্মান্তরিত হন এবং পরে তাঁকে বোরখা পরতে ও নমাজ আদায় করতে বাধ্য করা হয়। পুলিশ জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ধর্ষণ সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক ধারায় তদন্ত করছে। সোমবার গ্রেফতারের সময় পুলিশ আমরিন, আফরিন ও চন্দনের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে। আধিকারিকরা জানান, আমরিনের ফোনে একাধিক সন্দেহজনক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ পাওয়া গিয়েছে, যেখানে বহু তরুণীর ছবি ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই চক্রটি রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বৃহত্তর নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, তাঁদের গুজরাট ও মুম্বইয়ে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে (Bhopal) অচেনা ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হত (Sex Racket Scandal)।

    চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি

    ভুক্তভোগীরা পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁরা চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি দেওয়া হত। আপত্তিকর অবস্থায় তাঁদের ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গৌতম সোলাঙ্কি জানান, বাগ সেওনিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি বলেন, “মহিলা অভিযোগকারী ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলা রুজু হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগী অভিযুক্ত মহিলার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে (Bhopal)।” পুলিশ এখন অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন, ভ্রমণ রেকর্ড এবং ডিজিটাল যোগাযোগ খতিয়ে দেখছে। জানতে চাইছে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনও অপরাধচক্র নাকি বৃহত্তর আন্তঃরাজ্য নেটওয়ার্কের অংশ (Sex Racket Scandal)।

     

  • Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Kerala) রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ (Keralam) করার প্রস্তাব অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ‘কেরালা (নাম পরিবর্তন) বিল, ২০২৬’-টি কেরল বিধানসভায় পাঠাবেন তাঁদের মতামত জানার জন্য।

    নাম বদল (Kerala)

    বিধানসভার মতামত পাওয়ার পর ভারত  সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং রাজ্যের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তনের জন্য সংসদে বিলটি উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ চাইবে। কেরল (Kerala) বিধানসভা ২৪ জুন, ২০২৪ তারিখে একটি প্রস্তাব পাস করে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়: “আমাদের রাজ্যের নাম মালয়ালম ভাষায় ‘কেরালম’। ১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যগুলির গঠন করা হয়। কেরল পিরাভি দিবসও ১ নভেম্বর পালিত হয়। জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই মালয়ালমভাষী জনগণের জন্য একীভূত কেরল গঠনের জোরালো দাবি ছিল। কিন্তু সংবিধানের প্রথম তফসিলে আমাদের রাজ্যের নাম ‘কেরালা’ হিসেবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এই বিধানসভা সর্বসম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী ‘কেরালা’ (Kerala) নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছে।”

    নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি

    পরবর্তী কালে কেরল সরকার বিধানসভার প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংবিধানের প্রথম তফসিল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানায় (Keralam)। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সংসদ যে কোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই অনুচ্ছেদের প্রস্তাবনা অনুসারে, কোনও রাজ্যের নাম, এলাকা বা সীমানা প্রভাবিত করে এমন কোনও বিল প্রথমে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায় পাঠাতে হয়, যাতে তারা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের মতামত জানাতে পারে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয় এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুমোদনক্রমে আইন ও বিচার মন্ত্রকের আইন বিষয়ক দফতর এবং আইন প্রণয়ন বিভাগে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উভয় দফতরই ‘কেরালা’ (Kerala) থেকে ‘কেরালম’ (Keralam) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।

     

LinkedIn
Share