Tag: news in bengali

news in bengali

  • High-Protein Diet Risks: অতিরিক্ত প্রোটিন বিপদ বাড়াচ্ছে শহুরে ভারতীয়দের! কোন পথে আটকানো সম্ভব?

    High-Protein Diet Risks: অতিরিক্ত প্রোটিন বিপদ বাড়াচ্ছে শহুরে ভারতীয়দের! কোন পথে আটকানো সম্ভব?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের প্রাতঃরাশে খান কয়েক ডিম। দুপুরে আবার পাতে থাকছে মাছ কিংবা মাংস! সন্ধ্যা হতেই চটজলদি খাবার না পেলে মন ভরে না। কখনও এগ চিকেন রোল, আবার কখনও চিকেন মোমো! বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার সঙ্গী চিকেন পিৎজা কিংবা বার্গার! বিয়ের নেমন্তন্ন কিংবা জন্মদিন উদযাপন, মাছ-মাংস না থাকলে তো ভুরিভোজ অসম্পূর্ণ! আর এতেই বাড়াচ্ছে বিপদ! শহুরে ভারতীয়দের নিয়মিত খাবারের তালিকায় অধিকাংশ সময়েই প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন খাবার থাকছে। আর তার জেরেই নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    অতিরিক্ত প্রোটিন কী? শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে কি অতিরিক্ত প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে প্রোটিনের চাহিদা কতখানি, সেটা নির্ভর করে বয়স ও শরীরের ওজনের উপরে। অর্থাৎ, সাধারণত শরীরে প্রতি কেজিতে এক গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের ৮০ কেজি ওজন হলে, দিনে তাঁর ৮০ গ্রাম প্রোটিন যথেষ্ট। আবার প্রাপ্ত বয়স্ক মহিলার ওজন যদি ৫০ কেজি হয়, তাহলে দিনে তাঁর ৫০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া জরুরি। তবে নিয়মিত খেলাধূলা করলে বা অতিরিক্ত জিম করলে, শরীরে প্রোটিনের বাড়তি চাহিদা হয়। অর্থাৎ, কেজি প্রতি ২ গ্রাম প্রোটিন জরুরি হয়। একজন খেলোয়াড়ের ৮০ কেজি ওজন হলে, তার ১৫০-১৬০ গ্রাম প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি।

    ফাস্ট ফুডে রয়েছে অতিরিক্ত প্রোটিন ও ফ্যাট

    তবে সাধারণ মানুষের প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন নিয়মিত খাচ্ছেন। অর্থাৎ, শরীরে ৮০ গ্রাম প্রোটিন দরকার হলেও দেখা যাচ্ছে, নিয়মিত তাঁরা ১৫০-২০০ গ্রাম প্রোটিন জাতীয় খাবার খাচ্ছেন। যা খুবই বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শহুরে ভারতীয়দের চটজলদি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাসের জেরেই নিয়মিত অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া হচ্ছে। পিৎজা, বার্গার, রোল কিংবা হটডগের মতো খাবারে প্রোটিন থাকে, মাংস, ডিম কিংবা পনির, সোয়াবিন জাতীয় খাবার দিয়েই এগুলো তৈরি হয়। তরুণ প্রজন্মের বহু শহুরে ভারতীয় এই ধরনের খাবার নিয়মিত খান। তার ফলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন ও ফ্যাট শরীরে যায়। যা সুস্থ থাকার পথে সমস্যা তৈরি করে।

    অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে শরীরে কী ক্ষতি হতে পারে?

    কিডনি সমস্যা হতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত প্রোটিন শরীরে অতিরিক্ত বর্জ্য তৈরি করে। ফলে কিডনির কার্যকারিতা বাড়ে। নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণে প্রোটিন খেলে কিডনির কাজ বাড়ে। ফলে কিডনির সমস্যা হতে পারে।

    ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রোটিন উপাদান শরীরে মিশতে জলের প্রয়োজন হয়। তাই নিয়মিত অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে, অতিরিক্ত পরিমাণ জল খাওয়া জরুরি। তবে অনেকেই সেই অনুপাতে জল পান করেন না। ফলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা যায়। তাই অতিরিক্ত গরমে বাড়তি প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি।

    হজমের সমস্যা হতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রোটিন হজম করতে সময় লাগে। তাই নিয়মিত অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। লিভারের ওপরেও বাড়তি চাপ পড়ে।

    ওজন‌ বাড়তে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে অধিকাংশ সময়েই প্রোটিন জাতীয় খাবার অতিরিক্ত তেল ও মশলা ব্যবহার করে রান্না করা হয়। তাই শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমে। অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে, পর্যাপ্ত শারীরিক কসরত করা জরুরি। কিন্তু সেটা না হলে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়তে থাকবে। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, খাবারে প্রোটিন রাখার পাশপাশি কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, ফাইবার রাখাও জরুরি। অর্থাৎ, পনির, মাছ কিংবা মাংসের সঙ্গে সম পরিমাণে সব্জি, ফল খেতে হবে। তবেই হজম ঠিকমতো হবে। অতিরিক্ত ওজন বাড়বে না।

  • Daily Horoscope 21 March 2026: আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 March 2026: আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) উচ্চপদ লাভ করতে পারেন।

    ২) কিছু কাজ সম্পন্ন না-হওয়ায় মেজাজ খিটখিটে হবে, সতর্ক থাকুন।

    ৩) মায়ের তরফে ধন লাভ হতে পারে।

    বৃষ

    ১) পরিবারে সুখ-শান্তির পরিবেশ থাকবে।

    ২) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    ৩) বয়স্ক ব্যক্তির কাছ থেকে ধন লাভ।

    মিথুন

    ১) নিজের সন্তানের কাজ দেখে আনন্দিত হবেন।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসায়ে অংশীদার এবং সহকর্মীদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    কর্কট

    ১) সন্তান সুখ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) আত্মীয়দের কাছ থেকে বস্ত্র উপহার পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্যে মনের হতাশা সমাপ্ত হবে।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।

    ২) পেট খারাপ হতে পারে, বদহজমের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) আপনাদের সমস্ত কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) আয় বৃদ্ধি হওয়ায় আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    তুলা

    ১) কঠিন পরিস্থিতির শিকার হবেন।

    ২) আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ হতে পারে, এর ফলে মন অশান্ত হবে।

    ৩) পরিবারে সমস্ত কিছু ভালো থাকবে, আপনাদের মনোবল বাড়বে।

    বৃশ্চিক

    ১) আপনজনদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) বড় কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

    ৩) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্যে আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে, তখনই সাফল্য লাভ সম্ভব।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) সম্পত্তির কারণে বিবাদ হতে পারে।

    মকর

    ১) অর্থ ও যশ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজ বাড়বে।

    ৩) শত্রু ধ্বংস হবে।

    কুম্ভ

    ১) সতর্ক থাকলে কাজ সম্পন্ন হবে।

    ২) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতভেদ উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    মীন

    ১) বাড়িতে কোনও বন্ধু বা আত্মীয়ের আগমন হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির মাধ্যমে আয়ের নতুন উৎস আসবে।

    ৩) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 604: “হিন্দুদের দর্শন না পড়লে দর্শন পড়াই হয় না, সাংখ্যের চতুর্বিংশতি তত্ত্ব ইওরোপ জানে না—বুঝতেও পারে না”

    Ramakrishna 604: “হিন্দুদের দর্শন না পড়লে দর্শন পড়াই হয় না, সাংখ্যের চতুর্বিংশতি তত্ত্ব ইওরোপ জানে না—বুঝতেও পারে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৪শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    ডাক্তার সরকার ও সর্বধর্ম পরীক্ষা (Comparative Religion)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর ‘যে কুছ্‌ হ্যায় তুঁহি হ্যায়।’

    ডাক্তার — আহা!

    গান সমাপ্ত হইল। ডাক্তার মুগ্ধপ্রায় হইয়াছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ডাক্তার অতি ভক্তিভাবে হাতজোড় করিয়া ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘তবে আজ যাই্‌, — আবার কাল আসব।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ—একটু থাক না! গিরিশ ঘোষকে খপর দিয়েছে। (মহিমাকে দেখাইয়া) ইনি বিদ্বান হরিনামে নাচেন, অহংকার নাই। কোন্নগরে চলে গিছলেন (Kathamrita)— আমরা গিছলাম বলে; আবার স্বাধীন, ধনবান, কারু চাকরি করতে হয় না! (নরেন্দ্রকে দেখাইয়া) এ কেমন?

    ডাক্তার — খুব ভাল!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আর ইনি —

    ডাক্তার — আহা!

    মহিমাচরণ — হিন্দুদের দর্শন না পড়লে দর্শন পড়াই হয় না। সাংখ্যের চতুর্বিংশতি তত্ত্ব ইওরোপ জানে না — বুঝতেও পারে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — কি তিন পথ তুমি বলো?

    মহিমা—সৎপথ—জ্ঞানের পথ। চিৎপথ, যোগের। কর্মযোগ। তাই চার আশ্রমের ক্রিয়া, কি কি কর্তব্য, এর ভিতর আসছে। আনন্দপথ—ভক্তিপ্রেমের পথ।—আপনাতে তিন পথেরই ব্যাপার — আপনি তিন পথেরই খপর বাতলে দেন! (ঠাকুর হাসিতেছেন)

    “আমি আর কি বলব? জনক বক্তা, শুকদেব শ্রোতা!”

    ডাক্তার বিদায় গ্রহণ করিলেন।

    সন্ধ্যার পর সমাধিস্থ—নিত্যগোপাল ও নরেন্দ্র—‘জপাৎ সিদ্ধি’

    সন্ধ্যার পর চাঁদ উঠিয়াছে। আজ কোজাগর পূর্ণিমার পরদিন, শনিবার, ৯ই কার্তিক। ঠাকুর সমাধিস্থ! দাঁড়াইয়া আছেন। নিত্যগোপালও তাঁহার কাছে ভক্তিভাবে দাঁড়াইয়া আছেন।

    ঠাকুর উপবিষ্ট হইয়াছেন — নিত্যগোপাল পদসেবা করিতেছেন। দেবেন্দ্র কালীপদ প্রভৃতি অনেকগুলি ভক্ত কাছে বসিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (দেবেন্দ্র প্রভৃতির প্রতি) — এমনি মনে উঠছে, নিত্যগোপালের এ-অবস্থাগুলো এখন যাবে,—ওর সব মন কুড়িয়ে আমাতেই আসবে — যিনি এর ভিতর আছেন, তাঁতে।

    “নরেন্দ্রকে দেখছো না?—সব মনটা ওর আমারই উপর আসছে!”

    ভক্তেরা অনেকে বিদায় লইতেছেন। ঠাকুর দাঁড়াইয়া আছেন। একজন ভক্তকে জপের কথা বলিতেছেন (Ramakrishna)— “জপ করা কি না নির্জনে নিঃশব্দে তাঁর নাম করা। একমনে নাম করতে করতে — জপ করতে করতে — তাঁর রূপদর্শন হয় — তাঁর সাক্ষাৎকার হয়। শিকলে বাঁধা কড়িকাঠ গঙ্গার গর্ভে ডুবান আছে — শিকলের আর-একদিক তীরে বাঁধা আছে। শিকলের এক-একটি পাপ (Link) ধরে ধরে গিয়ে ক্রমে ডুব মেরে শিকল ধরে যেতে ওই কড়ি-কাঠ স্পর্শ করা যায়! ঠিক সেইরূপ জপ করতে করতে মগ্ন হয়ে গেলে ক্রমে ভগবানের সাক্ষাৎকার হয়।”

    কালীপদ (সহাস্যে, ভক্তদের প্রতি) — আমাদের এ খুব ঠাকুর! — জপ-ধ্যান, তপস্যা করতে হয় না!

    ঠাকুরের (Ramakrishna) গলায় অসুখ করিতেছে। দেবেন্দ্র বলিতেছেন — “এ-কথায় আর ভুলি না।” দেবেন্দ্রের এই মনের ভাব যে ঠাকুর কেবল ভক্তদের ভুলাইবার জন্য অসুখ দেখাইতেছেন।

    ভক্তেরা (Kathamrita) বিদায় গ্রহণ করিলেন। রাত্রে কয়েকটি ছোকরা ভক্ত পালা করিয়া থাকিবেন। আজ মাস্টারও রাত্রে থাকিবেন।

  • IPL 2026: মাঠে নামতে তৈরি পাথিরানা! আইপিএল শুরুর আগে স্বস্তি নাইটদের শিবিরে, হর্ষিতের বিকল্প খুঁজছে কেকেআর

    IPL 2026: মাঠে নামতে তৈরি পাথিরানা! আইপিএল শুরুর আগে স্বস্তি নাইটদের শিবিরে, হর্ষিতের বিকল্প খুঁজছে কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএল (IPL 2026)। তার আগে স্বস্তি শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) শিবিরে। বোলিং আক্রমণ নিয়ে চিন্তা অনেকটাই কমল অভিষেক নায়ারদের। শ্রীলঙ্কার জোরে বোলার মাথিশা পাথিরানা চোট সারিয়ে মাঠে নামার জন্য তৈরি। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট তাঁকে ফিট ঘোষণা করেছে। তবে দেশের তারকা ক্রিকেটার হর্ষিত রানাকে চোটের জন্য পুরো আইপিএল থেকেই বাদ যেতে হচ্ছ। টি-২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। অস্ত্রোপচার করা হয়েছে হর্ষিত রানার হাঁটুতে। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে অন্তত প্রথম চার ম্যাচ খেলতে পারবেন না তিনি। এমনকী, গোটা আইপিএল থেকেই তাঁর ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সুস্থ পাথিরানা, কবে যোগ দেবেন!

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় চোট পেয়েছিলেন পাথিরানা। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান তিনি। তার পর থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর আইপিএল খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছিল আশঙ্কা। তবে সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সচিব বান্দুলা দিশানায়েকে সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘পাথিরানার রিহ্যাব সম্পূর্ণ। ও এখন সম্পূর্ণ ফিট। আইপিএল খেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ওঁকে। বাকিটা ওঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি সিদ্ধান্ত নেবে। ম্যাচ খেলার মতো জায়গায় রয়েছে মনে করলে, ওঁকে খেলাতেই পারে। আমরা শুধু বলতে পারি, এই মুহূর্তে পাথিরানা ফিট এবং আইপিএল খেলতে কোনও সমস্যা নেই।’’ পাথিরানা কবে কেকেআর শিবিরে যোগ দেবেন, তা জানা যায়নি। আইপিএলে কেকেআরের প্রথম ম্যাচ ২৯ মার্চ মুম্বইয়ে। তার আগে ২৫ মার্চ অজিঙ্ক রাহানেরা মুম্বই চলে যাবেন। মনে করা হচ্ছে, পাথিরানা সেখানেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। আইপিএলের গত নিলামে ২৩ বছরের পাথিরানাকে ১৮ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিলেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ।

    হর্ষিতের জায়গায় কে?

    আইপিএল মরশুম শুরুর আগে নাইটদের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা হল হর্ষিত রানার না থাকা। যা খবর, তাতে গোটা মরশুমেই হর্ষিতকে পাওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে পরিবর্ত হিসাবে কয়েকজনের নাম ভেসে আসছে। যদিও কেকেআর এখনই কোনও পরিবর্ত চাইবে না। কিছুদিন অপেক্ষা করা হবে। নিতান্তই যদি হর্ষিতের না খেলাটা নিশ্চিত হয়ে যায় তাহলে পরিবর্তের কথা ভাবা হবে। তবে সরকারিভাবে নাম ঘোষণা না করলেও কয়েক জন পেসারকে পরিবর্ত হিসাবে ভেবে রাখছে নাইটরা। সিমারজিৎ সিং, নভদীপ সাইনির মতো জনা কয়েক পরিচিত পেসারকে ইতিমধ্যেই ট্রায়ালে ডাকা হয়েছে। যা শোনা গেল, আরও কিছুদিন পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে আরও কয়েকজনকে দেখে নেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার ইডেন গার্ডেন্সে আচমকা হাজির দুই ফাস্টবোলার। নভদীপ সাইনি ও আকাশ মাধওয়াল। ইডেন গার্ডেন্সের এল ব্লকের সামনে যে দুই নেটে বুধবার থেকে প্র্যাক্টিস সেশন চালাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স, সেখানে দুজনই বল করলেন। সঙ্গে বোলিং করলেন সিমারজিৎ সিংও। গত আইপিএলে যিনি চেন্নাই সুপার কিংসে খেলেছেন। তিন বোলারকেই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জরিপ করে নিচ্ছিলেন অভিষেক নায়ার, শেন ওয়াটসন, ডোয়েন ব্রাভোরা।

  • Indian diplomacy: রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রী মোদির, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা প্রশমনে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা

    Indian diplomacy: রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রী মোদির, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা প্রশমনে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার (West Asia) উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াল ভারত। পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার দিনভর কূটনৈতিক (Indian diplomacy) আলোচনায় অংশ নেয় দিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে ফোনালাপ করেন, পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও উপসাগরীয় দেশ ও ইজরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার মূল বিষয় ছিল উত্তেজনা প্রশমিত করা, অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সেখানে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    ইমানুয়েল মাক্রোঁর সঙ্গে ফোনালাপ

    ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর সঙ্গে ফোনালাপে মোদি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত উত্তেজনা হ্রাস করে আলোচনার পথে ফেরার ওপর জোর দেন। তিনি জানান, এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে। দুই নেতাই একমত হয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সংলাপ (Diplomatic Engagement) চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি, তবেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব। যুদ্ধপরিস্থিতিতে ইরান, ইজরায়েল, কুয়েত, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশের নেতৃত্বের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    দ্রুত শান্তি ফেরানোর আহ্বান

    জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং অঞ্চলে ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত শান্তি ফেরানোর আহ্বান জানান। বুধবার কুয়েতের (Kuwait) যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহ (Sheikh Sabah Al-Khaled Al-Hamad Al-Mubarak Al-Sabah)-এর সঙ্গেও ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি (Security Situation) এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা (Regional Stability) বজায় রাখার প্রশ্ন।

    গভীরভাবে উদ্বেগজনক

    এছাড়া মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গেও কথোপকথনে মোদি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিকে “গভীরভাবে উদ্বেগজনক” বলে উল্লেখ করেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এক্সে (X, formerly Twitter) পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী নিজে জানান, “পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে আমি অনেকের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।” আলোচনায় উঠে আসে হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) নিরাপত্তার বিষয়টিও। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডর (Energy Corridor) হিসেবে পরিচিত এই পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল (Oil Supply) নিয়ে যাতায়াত করে একাধিক জাহাজ। মোদি স্পষ্ট বলেন, “এই প্রণালী দিয়ে অবাধ ও নিরাপদ নৌ চলাচল (Safe Navigation) নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” কারণ, এখানে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের (Energy Crisis) আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

    সংলাপ ও কূটনীতিই শ্রেয়

    ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গেও ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী মোদি সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে ওমানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনায় ভারতের নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে ওমানের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধ বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহণের পক্ষেও মত দেন। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের (Indian Community) নিরাপত্তা ও কল্যাণে (Safety and Wellbeing) সেখানকার নেতৃত্বের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি।

    বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর-এর সঙ্গে আলোচনা

    আরব দুনিয়ার সংঘাত (Middle East tension) গড়িয়েছে ২১তম দিনে। এখনও পরিস্থিতি উত্তপ্ত। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (India FM Jaishankar) ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিদেওন সা’আর-র ( Israeli Foreign Minister Gideon Sa’ar) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীতে (Hormuz Pronali) এর প্রভাব নিয়ে দু’পক্ষ মতবিনিময় করেছেন বলে খবর সূত্রের। জয়শঙ্কর ইতিমধ্যেই ইরান, ইজরায়েল এবং গালফ অঞ্চলের দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। ইজরায়েলি বিদেশমন্ত্রী সাআর জানিয়েছেন, হরমুজ সঙ্কটে ইরানের নৌ অবরোধ পুরো বিশ্বের উপর প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, “এটি কোনও আমেরিকান বা ইজরায়েলি সমস্যা নয়, এটি বিশ্ব শৃঙ্খলা ও অর্থনীতির জন্য গুরুতর সমস্যা। এখনই সমাধান না হলে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।” অন্যদিকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী রীম আল হাশিমির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি ইউএই-তে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেন।

    কূটনৈতিক তৎপরতা ভারতের

    সব মিলিয়ে, অশান্ত পশ্চিম এশিয়া নিয়ে এই কূটনৈতিক তৎপরতা (Indian diplomacy)ভারতের সক্রিয় ভূমিকারই প্রতিফলন—যেখানে একদিকে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের আবহে (War Situation) কূটনৈতিক স্তরে সক্রিয় থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে চাইছে ভারত। পশ্চিম এশিয়ায় দ্রুত শান্তি, সার্বিক নিরাপত্তা ও স্থিথিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য বদ্ধপরিকর দিল্লি।

  • India-Russia Relations: রাশিয়ার গোপন তথ্যে বাজিমাত! ভারতবিরোধীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া বিদেশিদের ধরতে সফল এনআইএ

    India-Russia Relations: রাশিয়ার গোপন তথ্যে বাজিমাত! ভারতবিরোধীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া বিদেশিদের ধরতে সফল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (India-Russia Relations) গোপন তথ্যের উপর ভিত্তি করেই মায়ানমারে ভারতবিরোধী জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে এনআইএ ছয় ইউক্রেনীয় এবং একজন মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে। এনআইএ (NIA Arrest Foreigners) গত তিন মাস ধরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে আসছিল। অবশেষে রাশিয়ার শেয়ার করা তথ্যের ভিত্তিতে ১৩ মার্চ দিল্লি, লখনউ এবং কলকাতা বিমানবন্দর থেকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনা ফের ভারত-রাশিয়া দৃঢ় সম্পর্কের প্রমাণ দিল।

    রাশিয়ার দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যেই বাজিমাত

    এনআইএ সূত্রে খবর, রাশিয়ার গোয়েন্দারা এই বিদেশিদের নিয়ে গোপন তথ্য পাঠিয়েছিল ভারতকে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এই বিদেশিদের ধরে এনআইএ। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সাল থেকেই ভারত হয়ে মায়ানমারে যাওয়া আসা করছে মার্কিন ভাড়াটে ম্যাথু ভ্যানডাইক। এনআইএ-র প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে প্রায় তিন মাস ধরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অভিযান চালিয়েছে এনআইএ-র দল। পরে ভারতের তিনটি শহর থেকে ধরা হয়েছিল ভ্যানডাইক, ম্যাক্সিম হোনচারুক, পেট্রো হুবরা, সুকমানোভস্কি ইভান, স্টেফানকিভ মারিয়ান, স্লিভিয়াক তারাস এবং কামিনস্কি ভিক্টরকে। মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইককে গ্রেফতার করা হয়েছিল কলকাতা থেকে।

    ইউক্রেনের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ অভিযুক্তদের!

    মায়ানমারে ভারতবিরোধী জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার কজন আবার ইউক্রেনের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করেছেন আইরিশ সাংবাদিক চেয় বাওয়েস। তিনি দাবি করেন, ধৃত মারিয়ান স্টেফানকিভ ইউক্রেনের ইন্টেলিজেন্স সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও নাৎসি সংগঠন ‘রাইট সেক্টরের’ সঙ্গেও মারিয়ান যুক্ত ছিল বলে দাবি করেন বাওয়েস। এদিকে ইউক্রেনের প্রাক্তন সাংসদ ভাদিম রবিনোভিচ আবার দাবি করেছেন, এই মারিয়ান ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর স্বেচ্ছাসেবী ইউনিট আরাটা ভলান্টিয়ারের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও ‘কোলো চস্তি’ নামে একটি এনজিও-র প্রতিষ্ঠাতা এই মারিয়ান। ভারতে ধৃত ইউক্রেনিয়ানদের অধিকাংশই এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করেন প্রাক্তন সাংসদ রবিনোভিচ। ইউক্রেনের প্রাক্তন সাংসদ দাবি করেন, মারিয়ান এবং তার সংগঠন একটা সময় ইউক্রেনে পাইপলাইন উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।

    ভুল করে সীমান্ত পার করা যায়?

    অপরদিকে দিল্লিতে অবস্থিত ইউক্রেনিয়ান দূতাবাস দাবি করেছে, ধৃতদের যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। এই নিয়ে ইউক্রেনের যুক্তি, জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যে এই ৬ জন যুক্ত ছিল, তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাদের আরও দাবি, ভারতে অনেক সংরক্ষিত এলাকা আছে যেখানে বিনা অনুমতিতে যাওয়া নিষেধ, তবে সেই সব জায়গা চিহ্নিত করা নেই। এই আবহে ‘ভুল’ করে এই ইউক্রেনিয়ানরা সংরক্ষিত জায়গায় চলে গিয়ে থাকতে পারেন। তবে এখানে প্রশ্ন উঠছে, ভুল করে সংরক্ষিত জায়গায় চলে গেলেও, আন্তর্জাতিক সীমান্তও পার করা যায় ভুলবশত? রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মামলায় ধৃতদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ-র ১৮ নং ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এছাড়া বেআইনি অনুপ্রবেশ, বেআইনি অস্ত্র রাখা এবং ড্রোন প্রশিক্ষণ দেওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

    ভ্যানের মতো ভাড়াটে সৈন্য ভয়ঙ্কর!

    ধৃতদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইকক। ভ্যানের নামে খোলা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টটিতে তার পরিচয় ‘মিডিয়া ব্যক্তিত্ব’। ইউক্রেনে বাস করে বলে লেখা রয়েছে। সোশ্য়াল মিডিয়া পোস্টে বিভিন্ন দেশে সরকার বদলের গোপন অভিযানে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছে সে। ভেনেজুয়েলার উল্লেখও রয়েছে। ভ্যান লেখে, ‘ভেনিজুয়েলা, বর্মা (মায়ানমার), ইরান এবং অন্য স্বৈরাচারী শাসকদের বলব, আমরা আসছি। রাশিয়া, তোমাদের উৎখাত করতেও আসছি আমরা’। কয়েক মাস আগে করা একটি পোস্টে ভ্য়ান জানায়, যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছে সে। ইলন মাস্কের ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা স্টারলিঙ্ক ব্য়বহারের উল্লেখও ছিল। ইরাকে যুদ্ধেও অংশ নেয় সে। লিবিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় সেখানেই ছিল সে। মোটরসাইকেলে চেপে উত্তর আফ্রিকা এবং পশ্চিম এশিয়া চষে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে ভ্যানের। লিবিয়ায় বিদ্রোহী যোদ্ধাদের দলে যোগ দেয় সে। সেখানে ছ’মাস জেলও খেটেছে। ২০১১ সালে যুদ্ধ শেষ হলে, জেল পালিয়ে আমেরিকায় ফিরে যেতে সফল হয়। এর পর সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধে শুরু হলে, তথ্য়চিত্র বানানোর অজুহাতে সেখানেও পৌঁছে যায় ভ্য়ান। আইএসআইএস-এর হাতে সেখানে দুই সাংবাদিক বন্ধু জেমস ফোলি এবং স্টিভেন সটলঅফকে হারায় ভ্যান। তাতেই পরিকল্পনা বদলে ফেলে সে। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করে। সনস অফ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সংগঠনও তৈরি করে ভ্য়ান, যারা ভিন্ন ভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে পরামর্শ দিত। ভ্যানডাইক দাবি করে, তার সংস্থার সঙ্গে আমেরিকার সরকারের কোনও যোগ নেই। তবে উল্লেখ্য বিষয়, সব ক্ষেত্রেই মার্কিন সরকার যেদিকে ঝুঁকে থাকে, ম্যাথু ভ্যানডাইকও সেই পক্ষের হয়েই ‘কাজ’ করে।

    ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি হামলার ছক

     এনআইএ অভিযোগ করেছে, ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি হামলার ছক কষছিল এই বিদেশিরা। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, রাশিয়ার দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের উপর ভিত্তি করে ধৃত ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিক একটি বড় দলের অংশ, যাদের মোট সংখ্যা প্রায় ১৪। এখন বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে—তারা এখনও মিয়ানমারে আছে নাকি অন্য কোথাও পালিয়ে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা ইউরোপ থেকে বড় পরিমাণ ড্রোন মায়ানমারে পাচার করতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করেছে এবং সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এদিকে, ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, এই তদন্তে তাদের দেশ সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং তারা চান প্রক্রিয়াটি যেন “নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ” হয়। তবে মার্কিন দূতাবাস এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

  • US Mercenary in India: কলকাতায় মার্কিন ‘জঙ্গি প্রশিক্ষক’ ধরা পড়তেই চর্চায় শেখ হাসিনার ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ সতর্কবার্তা

    US Mercenary in India: কলকাতায় মার্কিন ‘জঙ্গি প্রশিক্ষক’ ধরা পড়তেই চর্চায় শেখ হাসিনার ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ সতর্কবার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগে এক মার্কিন ভাড়াটে সেনাসহ (US Mercenary in India) ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে গ্রেফতারের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পুরনো এক সতর্কবার্তা। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস আগে তিনি দাবি করেছিলেন, এক “শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি” তথা এক বিদেশি শক্তি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে একটি “খ্রিস্টান রাষ্ট্র” গঠনের পরিকল্পনা করছে। যার কেন্দ্র হতে পারে বঙ্গোপসাগর। তখন এই মন্তব্যকে অনেকেই রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ—বিশেষ করে বিদেশি যোদ্ধাদের উপস্থিতি—কিছু বিশ্লেষকের মতে সেই বক্তব্যকে নতুন করে প্রাসঙ্গিক করে তুলছে।

    বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস

    পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। সেই আবহে ভারতে বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস হয়েছে। আমেরিকার বাসিন্দা, এক ভাড়াটে যোদ্ধাকে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। গ্রেফতার করা হয়েছে ইউক্রেনের ছয় নাগরিককেও। মিজোরাম হয়ে মায়ানমারে ঢোকার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। মায়ানমারে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে তারা যুদ্ধের কলা-কৌশল শেখাতে, অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছিল বলে জানা যাচ্ছে। বিগত কয়েক মাস ধরে নজরদারি চালিয়ে ওই সাতজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে বলে খবর। ধৃতদের মধ্যে আমেরিকার নাগরিক ম্যাথু অ্যারন ভ্যান ডাইক (Matthew VanDyke), ইউক্রেনের নারিক হারবা পেত্রো, স্লাইভিয়াক টারাস, ইভান সুকমানোভস্কি, স্টেফানকিভ মারিয়ান, হানচারুক মাকসিম এবং কামিনস্কি ভিক্টর বলে শনাক্ত করা গিয়েছে। ধৃতদের ডিজিটাল গতিবিধি পরখ করে দেখছে এনআইএ ধৃতদের নেটওয়র্কে অন্য সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার চেষ্টাও চলছে।

    ভ্য়ানের গ্রেফতারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

    তদন্তে নেমে বেশ কিছু অডিও রেকর্ডিং হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেখানে বিভিন্ন দেশে বিদ্রোহী সংগঠনগুলিকে সমর্থন জোগানোর কথা স্বীকার করতে শোনা গিয়েছে আমেরিকার নাগরিক ভাড়াটে সেনা ভ্যানকে। তার দাবি, বিদেশি যোদ্ধাদের বিদ্রোহে লিপ্ত করা তার উদ্দেশ্য় নয়। বরং স্থানীয় মানুষজনকে বিদ্রোহের আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করাই লক্ষ্য তার। ভেনেজুয়েলা, মায়ানমার এবং ইরানে বিদ্রোহের আগুন জ্বালাতে ভাড়াটে সৈনিকদের আহ্বানও জানায় সে। ভ্য়ানের গ্রেফতারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উত্তর-পূর্ব ভারতে সশস্ত্র উগ্রপন্থী সংগঠনগুলির যে বাড়বাড়ন্ত, তাতে তার সংযোগ পাওয়া গিয়েছে। উগ্রপন্থীদেরও সে ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে ভ্য়ানের গ্রেফতারি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। ভ্যান চরবৃত্তিতে লিপ্ত ছিল কি না, তথ্য পাচার করছিল কি না, ভারতবিরোধী, নিষিদ্ধ গোষ্ঠীগুলিকে মদত জোগাচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হাসিনার সতর্কবার্তার যোগসূত্র

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এই গ্রেফতারির সঙ্গে শেখ হাসিনার সেই সতর্কবার্তার সম্ভাব্য যোগ থাকতে পারে। তিনি দাবি করেছিলেন, তাকে ক্ষমতায় ফেরাতে সাহায্যের বিনিময়ে বাংলাদেশে একটি বিদেশি ঘাঁটি তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। হাসিনা তখন বলেছিলেন, বাংলাদেশ ভেঙে একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি আরও অভিযোগ করেছিলেন, একটি শক্তিশালী দেশ বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি বানাতে চায়। তিনি তা হতে দিচ্ছেন না বলেই তাঁর সরকারের সামনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাঁকে ভোটের আগে এই ঘাঁটি বানানোর অনুমতি দেওয়ার বদলে, সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে, অভিযোগ করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। তবে, কোনও বিশেষ দেশের নাম করেননি হাসিনা।

    খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র

    হাসিনা দাবি করেন, ইন্দোনেশিয়ার ভেঙে যেমন পূর্ব তিমুর তৈরি করা হয়েছিল, সেই রকমই বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটা অংশ নিয়ে একটা খ্রিস্টান দেশ তৈরির চক্রান্ত চলছে। হাসিনা বলেন, “ভারত মহাসগাগরের এই শান্তিপূর্ণ জায়গাটার উপর তাদের নজর। এখানে বেস বানিয়ে তারা কোথায় হামলা করতে চায়? আমার যুদ্ধ ঘরে-বাইরে, সব জায়গায়। পূর্ব তিমুরের মত বাংলাদেশের একটি অংশ নিয়ে, তারপর চট্টগ্রাম, মায়ানমার মিলে এখানে একটা খ্রিষ্টান দেশ বানাবে। বঙ্গোপসাগরে একটা ঘাঁটি করবে।” প্রাচীনকাল থেকেই বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসছে। শেখ হাসিনা কোনও দেশের নাম না করলেও, তাঁর ইঙ্গিত যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে, সেটা স্পষ্ট ছিল। ভ্যান-এর গ্রেফতারি তাঁর সেই কথাকে ফের আলোচনায় নিয়ে এল।

    ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ: ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর মায়ানমারে চলমান সংঘর্ষে বহু আন্তর্জাতিক স্বার্থ জড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দেশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে পক্ষ নিচ্ছে—এমন অভিযোগ নতুন নয়।

    ভারতের উত্তর-পূর্ব: উত্তর-পূর্ব ভারত আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক কৌশলগত করিডর। মিজোরাম এবং সংলগ্ন অঞ্চল ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে ভারতের সংযোগস্থল, পাশাপাশি চীনের প্রভাব বলয়ের কাছাকাছি। বিদেশি যোদ্ধাদের উপস্থিতি, মায়ানমারের অস্থিরতা ভারতের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত ক্রমশ একটি সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে।

    ‘প্রক্সি ওয়ার’ তত্ত্ব: বিশেষজ্ঞ মহলের র মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি একটি বৃহত্তর ‘প্রক্সি ওয়ার’-এর ইঙ্গিত হতে পারে, যেখানে বড় শক্তিগুলি সরাসরি সংঘর্ষে না গিয়ে স্থানীয় গোষ্ঠীগুলিকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে।

    মিজোরাম হয়ে মায়ানমার—নতুন করিডর?

    মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা আগেই জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধফেরত যোদ্ধারা মিজোরাম হয়ে মায়ানমারের চিন প্রদেশে যাচ্ছে এবং বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ২০০০ বিদেশি আইজলে এলেও তাদের বেশিরভাগকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি—যা সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক শক্তিগুলি মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ঘিরে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। যদিও “খ্রিস্টান রাষ্ট্র” তৈরির অভিযোগ নিয়ে এখনো কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি, তবুও ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে কৌতূহল ও উদ্বেগ দুটোই বাড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেছে মার্কিন ভাড়াটে যোদ্ধা ম্যাথিউ ভ্যানডাইক-এর গ্রেফতারি।

     

     

     

     

     

  • PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) চালু করেন ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল, দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের জনগণের কাছে পৌঁছনো। এমন একটি সময়ে তিনি এটি চালু করেছিলেন, যখন রেডিওর আকর্ষণ অস্তগামী। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানটি অল ইন্ডিয়া রেডিওকে নতুন করে অক্সিজেন জোগায়। অনুষ্ঠানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মানুষ আগ্রহভরে অপেক্ষা করতে থাকেন, প্রধানমন্ত্রী কী বলেন তা শুনতে।

    কী জানাল প্রসার ভারতী (PM Modi)

    এই কর্মসূচির আরও একটি লক্ষ্য ছিল, সেটি হল ধীরে ধীরে এটি সম্প্রচারকারী সংস্থার আয়ের পথও প্রশস্ত করা। আরটিআই (RTI) আবেদনের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই অনুষ্ঠান কত আয় করেছে, তা প্রকাশ পেয়েছে। সমাজকর্মী বিবেক পাণ্ডের দাখিল করা আরটিআইয়ের  জবাবে প্রসার ভারতী জানায়, এই সময়ে কর্মসূচিটি মোট ৫.৩৩ কোটি টাকা রোজগার করেছে। বছরভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয় ছিল ১৬.৬০ লাখ টাকা। পরের অর্থবর্ষে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয় ১.৬৩ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান আয় করেছে ২.৩৬ কোটি টাকা।

    ‘মন কি বাত’-এর পেছনে কত ব্যয়

    এই পরিসংখ্যানগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে, যা কর্মসূচিটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আরটিআই আবেদনের আর একটি অংশে বিবেক জানতে চেয়েছিলেন, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে প্রিন্ট, টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেট-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘মন কি বাত’ প্রচারে সরকার কত টাকা ব্যয় করেছে (Mann Ki Baat)।এর উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো জানায়, “জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন কি বাত’-এর বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যয়ের পরিমাণ শূন্য।” অর্থাৎ, এই কর্মসূচির প্রচারে কোনও মাধ্যমেই কোনও অর্থই খরচ করা হয়নি (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এই তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে, সেটি হল মন কি বাত শুধু লাখ লাখ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী একটি সরকারি কর্মসূচিই নয়, এটি বিজ্ঞাপনের কোনও খরচ ছাড়াই লাভজনকও। এই কর্মসূচি কেবল যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আর্থিক প্রভাবসম্পন্ন সম্প্রচার কর্মসূচির স্বীকৃতি পেয়েছে (PM Modi)।

     

  • Adult Vaccination: টিকাকরণের হার মাত্র ২ শতাংশ! প্রাপ্ত বয়স্কদের ভ্যাকসিনে কেন বাড়তি গুরুত্ব প্রয়োজন?

    Adult Vaccination: টিকাকরণের হার মাত্র ২ শতাংশ! প্রাপ্ত বয়স্কদের ভ্যাকসিনে কেন বাড়তি গুরুত্ব প্রয়োজন?

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বদলে যাচ্ছে পরিবেশ। আর সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলে যাচ্ছে রোগের চরিত্র! দাপট বাড়াচ্ছে একাধিক সংক্রামক রোগ। তাই দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনের জন্য টিকাকরণ (Adult Immunization) জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষত ৫০ বছরের পরে নানান সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বায়ুদূষণ, জল দূষণের জেরে ফুসফুস, কিডনি ও রক্তের একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই সুস্থ দীর্ঘ জীবনের জন্য ভ্যাকসিন (Adult Vaccination) জরুরি। কিন্তু এ দেশের সাম্প্রতিক রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কদের ভ্যাকসিনের পরিসংখ্যান তলানিতে। আর সেটাই বাড়াচ্ছে উদ্বেগ। এমনটাই মনে করছেন চিকিৎসক মহল।

    ভারতে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকার হার কেমন?

    এক সর্বভারতীয় সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে প্রাপ্তবয়স্কদের টিকাকরণের (Adult Immunization) হার বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় অনেকটাই কম। তাই বাড়ছে উদ্বেগ। ওই রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, এদেশের মাত্র ২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কের টিকাকরণ (Adult Vaccination) হয়েছে। অর্থাৎ, রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো টিকা শুধুই শিশুস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত নয়। বরং প্রাপ্তবয়স্কদের একাধিক রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে টিকাকরণ জরুরি। এই সচেতনতা তলানিতে। আর সেই জন্য প্রতি ১০০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয়দের মধ্যে ৯৮ জন জনের কোনও প্রাপ্তবয়স্ককালে টিকা নেওয়া হয়নি। ওই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ ভারতীয় জানেন না, প্রাপ্তবয়স্কদের সুস্থ থাকার জন্য প্রাপ্তবয়স্ককালে টিকাকরণ জরুরি। শহরের তুলনায় গ্রামে টিকা করণের হার আরও কম। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে প্রাপ্তবয়স্কদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন দান হয়েছে মাত্র ১.৫ শতাংশ। নিউমোনিয়ার ০.৬ শতাংশ এবং হেপাটাইটিস বি রোগের টিকা নিয়েছেন ১.৯ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয়।

    কেন প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয়দের টিকাকরণের হার কম?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণের হার কম। বিশ্বের একাধিক উন্নত দেশেও টিকাকরণ শুধুমাত্র শিশু স্বাস্থ্যের সঙ্গেই জড়িত থাকার ধারণা রয়েছে। ভারতেও প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণ কম হওয়ার অন্যতম কারণ এই সচেতনতার অভাব। শিশু অবস্থায় টিকা করণ হলেও একাধিক রোগের সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে ৪০ বছরের পরে আবার টিকা করণ জরুরি হয়। শিশুদের টিকা করণ এবং বয়স্কদের টিকা করণের ক্ষেত্রে কিছু কিছু রোগে পার্থক্য থাকে। বিশেষজ্ঞদের কাছে সে সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয় এই প্রসঙ্গে কথা বলেন না। ফলে তাঁদের মধ্যে সচেতনতাও তৈরি হয় না। অনেকক্ষেত্রে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা করণের ক্ষেত্রে খরচ একটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের টিকাকরণে যেভাবে সরকার এবং প্রশাসন তৎপর, যেভাবে প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে, প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণে সেই উদ্যোগের ঘাটতির রয়েছে। তাই টিকাকরণের হার তলানিতে ঠেকেছে।

    সুস্থ থাকতে কোন টিকায় বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    ভারতে নিউমোনিয়ার দাপট বাড়ছে! ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে প্রতি বছর ২.৫ থেকে ৩ লাখ প্রাস্ত বয়স্ক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বায়ুদূষণ বাড়ছে। তাই ফুসফুসের রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাছাড়া, ধূমপান ও তামাক সেবনের অভ্যাস ভারতীয়দের ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই পাল্লা দিয়ে নিউমোনিয়ার দাপট বাড়ছে। নিউমোনিয়া রুখতে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা করণ জরুরি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, টিকা নেওয়া থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে। মৃত্যুর সংখ্যাও কমবে। তাছাড়া চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্য রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকাকালীন, বয়স্কদের একাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন। টিকা নেওয়া থাকলে শারীরিক জটিলতাও কমবে। তাই সুস্থ জীবন যাপনের জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের নিউমোনিয়ার টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি বছর ভারতে ৩ লাখের বেশি মানুষ ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত হন। শুধুমাত্র বর্ষাকালেই আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যায়। বয়স্কদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভোগান্তি বাড়ায়। তাই সুস্থ থাকতে প্রাপ্ত বয়স্কদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    বয়স্কদের হুপিং কাফ, হেপাটাইটিস রোধে টিকা কার্যকর

    এছাড়াও হুপিং কাশি রুখতেও ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এ দেশে বায়ুদূষণ বাড়ছে। দিন দিন বাতাসের গুণমান কমছে। তাই ফুসফুসের সংক্রমণের পাশপাশি শ্বাসনালীর সংক্রামণের ঝুঁকিও বাড়ছে। হুপিং কাশিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই এই রোগ রুখতে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ প্রতি বছর হেপাটাইটিস বি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে এই রোগের দাপট উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ভারতীয়দের লিভারের রোগ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিশেষত এই হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ বাড়তি দুশ্চিন্তা তৈরি করছে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ রুখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো টিকাকরণ। প্রাপ্ত বয়স্কদের হেপাটাইটিস বি-র দাপট কমাতে টিকাকরণ জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 20 March 2026: স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 20 March 2026: স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভবিষ্যত পরিকল্পনা করুন।

    সিংহ

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) বন্ধুদের থেকে সাহায্য পাবেন।

    ধনু

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ব্যবসায় বিপুল লাভ।

    কুম্ভ

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share