Tag: news in bengali

news in bengali

  • BRICS Summit Success: ব্রিকসের সাফল্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস! ৫ রাজ্যে আসন্ন ভোটে বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে হাতিয়ার বিজেপির

    BRICS Summit Success: ব্রিকসের সাফল্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস! ৫ রাজ্যে আসন্ন ভোটে বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে হাতিয়ার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকসের সাফল্য দেশবাসীর কাছে বিজেপির গ্রহণযোগ্যতা ফের প্রমাণ করেছে। সফলভাবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন (BRICS Summit Success) আয়োজনের পর কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির আত্মবিশ্বাস এখন পাহাড়ের চূড়ায়। এমনই অভিমত রাজনৈতিক মহলের। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে জি-২০-র পর ফের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনকে মোদি সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। দলের আশা, এই সাফল্য নিট বিতর্ক ও ছাত্র আন্দোলনের ধাক্কা কাটিয়ে ফের বিজেপির জমি শক্ত করবে।

    ব্রিকসের বাজিমাত

    সফলভাবে ব্রিকস সম্মেলন (BRICS Summit Success) আয়োজন ভারতের আন্তর্জাতিক প্রভাব ফের সামনে এনে দিয়েছে বলে মনে করছে বিজেপি। সদস্য দেশগুলির মধ্যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশকে ভারতীয় কূটনীতি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ঘোষণাপত্রে পাহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দাও ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক কালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়েছিল। পাশাপাশি, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কংগ্রেসের লাগাতার আক্রমণের জেরে সংসদের বাদল অধিবেশন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। ওই অধিবেশনে সরকার কোনও বড় সাংবিধানিক সংশোধনী বিল পাশ করাতে পারেনি। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট পেশও পিছিয়ে দিতে হয়। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকসের সাফল্যে বিজেপি বাজিমাত করেছে বলেই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।

    ভারতের দাবির পক্ষে রাশিয়া ও চিন

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের দাবির পক্ষে রাশিয়া ও চিনের সমর্থন পাওয়াকেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে বিজেপি। সম্মেলনের ফাঁকে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও ইরানের মধ্যে আলোচনা, ইরানের প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা এবং টানা তৃতীয় বছর চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাকে কংগ্রেসও স্বাগত জানিয়েছে, যদিও দলের তরফে কিছু আপত্তি ও শর্তের কথা জানানো হয়েছে।

    ব্রিকস সম্মেলনের কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    আয়োজক দেশের নেতা হিসেবে তিন দিন ধরে ব্রিকস সম্মেলনের কেন্দ্রে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে তাঁর উষ্ণ সম্পর্ক এবং ব্যস্ত কর্মসূচি বিশেষ নজর কেড়েছে। তিন দিনে ১৫ জন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। পাশাপাশি একাধিক অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও অংশ নেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর ছিল আন্তর্জাতিক মহলের। বিজেপির মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে ভারত যে এই ধরনের বৃহৎ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষমতা রাখে, তাও প্রমাণিত হয়েছে। এর ফলে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য ভারতের দাবিও আরও জোরালো হতে পারে বলে মনে করছে দলটি।

    আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কর্মসূচি

    আন্তর্জাতিক কূটনীতিকে ঘিরে দেশীয় রাজনৈতিক আবহ বদলে দেওয়া অবশ্য মোদি সরকারের জন্য নতুন ঘটনা নয়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সফল জি-২০ সম্মেলনের সময়ও সরকারের বিদেশনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক দক্ষতা নিয়ে ব্যাপক প্রচার হয়েছিল। এর আগে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের নিয়ে রোডশো আয়োজনের ঘটনাও দেখা গিয়েছে। বিজেপির কাছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কর্মসূচিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর এই কৌশল যথেষ্ট কার্যকর বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন ব্রিকসের সাফল্যকে কীভাবে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটাই বিজেপি ও সরকারের সামনে বড় প্রশ্ন।

    ব্রিকস নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা

    দলীয় সূত্রের খবর, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিন থেকে শুরু হতে চলা এক মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এ ব্রিকস সম্মেলনের সাফল্যকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে। ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী মোদির জনজীবনে ২৫ বছর পূর্তির বিষয়টিও এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হবে। তাঁর বিদেশনীতি ও কূটনৈতিক সাফল্যের তালিকায় ব্রিকস সম্মেলনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করতে শুরু করেছে বিজেপি। সম্মেলনের আগে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম ব্রিকস আয়োজন করে ভারতের কী লাভ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করে বিরোধীদের আক্রমণ করতে চাইছে বিজেপি।

    ব্রিকস থেকে ভারতের প্রাপ্তি

    ব্রিকস থেকে ভারতের প্রাপ্তি এবং সম্মেলনের সাফল্য দেশজুড়ে প্রচারের পরিকল্পনা রয়েছে দলের। একই সঙ্গে ব্রিকসের নৈশভোজে সম্পূর্ণ নিরামিষ মেনু নিয়ে রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতাদের সমালোচনাকেও কটাক্ষ করছে বিজেপি। দলের নেতাদের বক্তব্য, এত বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সমালোচনা করার মতো বিষয় না পেয়ে শুধুমাত্র নৈশভোজের মেনু নিয়ে আপত্তি তোলাই বিরোধীদের অবস্থানকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। এর মধ্যেই সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ডিলিমিটেশন বিল নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংসদ এখনও স্থগিত বা প্রোয়োগ করা হয়নি। ফলে প্রয়োজনে সাংবিধানিক সংশোধনী বিল পাশ করাতে বিশেষ অধিবেশন ডাকার সম্ভাবনা খোলা রয়েছে।

    বিধানসভা নির্বাচনে ব্রিকস নিয়ে প্রচার

    একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়েও আলোচনা চলছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নতুন টিম গঠনের পর দলের সংসদীয় বোর্ড, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি, জাতীয় কার্যনির্বাহী এবং জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ করার প্রস্তুতি চলছে বলে খবর। সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের সাফল্যকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে বিজেপি। এর পাশাপাশি আগামী বছরের গোড়ায় পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে দল।

  • UPI: ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেনে কোনও চার্জ নয়, স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    UPI: ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেনে কোনও চার্জ নয়, স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ইউপিআইয়ের (UPI) মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ব্যাঙ্ক কোনও ধরনের চার্জ নিতে পারবে না। একইসঙ্গে রুপে-চালিত ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত পেমেন্টের (Free Bank Charges) ক্ষেত্রেও কোনও চার্জ নেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি (UPI)

    সরকারের প্রকাশিত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এই ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা পাঠানো বা গ্রহণকারী কোনও ব্যক্তির উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও চার্জ চাপাতে পারবে না কোনও ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট ব্যবস্থার পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা।

    ইউপিআই লেনদেনে চার্জ সংক্রান্ত নিয়ম আরও স্পষ্ট করতে অর্থমন্ত্রক পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস্ আইনের আওতায় এই পরিবর্তন এনেছে। বিজ্ঞপ্তিতে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেন এবং রুপে-চালিত ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত পেমেন্টকে নির্দিষ্টভাবে “ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা” হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

    এর আগে গত মাসে কেন্দ্র জানিয়েছিল, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের জন্য সাধারণ গ্রাহকদের কোনও চার্জ দিতে হবে না। তবে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট সীমার বেশি কিছু লেনদেনের ক্ষেত্রে বণিকদের কাছ থেকে সীমিত পরিসরে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর নেওয়ার ব্যবস্থা করা হতে পারে।

    ইউপিআই লেনদেন

    অর্থমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্যে হওয়া সমস্ত ইউপিআই লেনদেন আগের মতোই বিনামূল্যে থাকবে। ব্যবসায়ীদের উপরও কোনও সার্বিক এমডিআর চাপানো হবে না।

    সরকার আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কোনও ধরনের চার্জ চালু করা হলেও তা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে বর্তমানে প্রযোজ্য মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম হবে (UPI)।

    ২০০৭ সালের পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইনে সাম্প্রতিক সংশোধনের পর ইউপিআই ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে চার্জ নেওয়া হতে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই কেন্দ্রের এই অবস্থান সামনে (Free Bank Charges) এল। নতুন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই ও রুপে ডেবিট কার্ডের লেনদেনে কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ চার্জ নেওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নাকচ করে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে (UPI)।

     

  • PM Modi for Rajasthan: ‘মিথ্যার প্রতিধ্বনির বিরুদ্ধে সত্যের জয়’, রাজস্থানের পুরভোটে বিজেপির সাফল্যে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi for Rajasthan: ‘মিথ্যার প্রতিধ্বনির বিরুদ্ধে সত্যের জয়’, রাজস্থানের পুরভোটে বিজেপির সাফল্যে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের পুর নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi for Rajasthan)। তাঁর দাবি, এই ফলাফল রাজ্যে বিজেপির ‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকারের সুশাসন ও উন্নয়নমূলক কাজের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন। সোমবার সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ রাজ্যের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজস্থানের মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ বিজেপিকে পুর নির্বাচনে (BJP’s Victory in Rajasthan Polls) বিপুল জয় এনে দেওয়ার জন্য। এটি মিথ্যার প্রতিধ্বনির বিরুদ্ধে সত্যের জয়ের প্রমাণ।” মোদি আরও বলেন, এই নির্বাচনী রায়ের মাধ্যমে রাজস্থানের মানুষ ফের বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তাঁরা সুশাসন ও উন্নয়নের নীতির পাশে রয়েছেন। এই জনসমর্থন রাজ্যকে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে সমৃদ্ধি আনার সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও জানান তিনি। বিজয়ী প্রার্থী এবং দলের কর্মীদেরও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

    অমিত শাহের অভিনন্দন

    রাজস্থানের পুর নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের জন্য রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের সুশাসন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি মানুষের আস্থারই প্রতিফলন এই ফলাফল। শাহের দাবি, কংগ্রেসের ‘অপশাসন ও দুর্নীতি’ থেকে রাজ্যকে মুক্ত করে বিজেপি সরকার উন্নয়নের গতি বাড়িয়েছে। রাজস্থানের মানুষ যে সমর্থন দিয়েছেন, তা ‘বিকশিত রাজস্থান’ গড়ার সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ৪,১৭৯টি ওয়ার্ডে জয় বিজেপির

    রাজস্থানের পুর নির্বাচনে বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। মোট ১০,২৪৫টি ওয়ার্ডের ফলাফলে বিজেপি জয় পেয়েছে ৪,১৭৯টি আসনে। কংগ্রেস পেয়েছে ৩,৬১৩টি আসন, আর নির্দল প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ২,২৭৩টি ওয়ার্ডে। চারটি পুরনিগম—জয়পুর, কোটা, উদয়পুর এবং ভিলওয়াড়ায় বোর্ড গঠনের পথে বিজেপি। অন্যদিকে বিকানের পুরনিগমে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস। তবে আজমের, যোধপুর, ভরতপুর, আলওয়ার ও পালি-সহ বেশ কয়েকটি পুরসভা ও পুরনিগমে কোনও দলই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে বোর্ড গঠনে নির্দল কাউন্সিলরদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    জয়পুরে বিজেপির বোর্ড গঠন প্রায় নিশ্চিত

    জয়পুর পুরনিগমে বিজেপি পেয়েছে ৭৮টি আসন, কংগ্রেসের দখলে এসেছে ৫৩টি, আর নির্দলরা জিতেছেন ১৫টি ওয়ার্ডে। ফলে জয়পুরে বিজেপির বোর্ড গঠন কার্যত নিশ্চিত। অন্যদিকে যোধপুর পুরনিগমে বিজেপি ও কংগ্রেস—দুই দলই ৪৪টি করে আসন পেয়েছে। ফলে সেখানে নির্দল কাউন্সিলরদের সমর্থনই বোর্ড গঠনে নির্ণায়ক হতে পারে। রাজ্যের ৪৭টি পুর পরিষদের মধ্যে বিজেপি ১২টিতে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েছে ৮টি পুর পরিষদে। বাকি ২১টি পুর পরিষদে কোনও দলই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এছাড়া রাজ্যের ২৫২টি পুরসভার মধ্যে বিজেপি ৬৬টিতে, কংগ্রেস ৩৮টিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। প্রায় ১২১টি পুরসভায় বোর্ড গঠনে নির্দল কাউন্সিলরদের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

  • Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে চায় বাংলাদেশ। অতীতের রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে পিছনে ফেলে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন, বহুপাক্ষিক মঞ্চের পরিবর্তে সরাসরি (BRICS Summit) দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করতে চায় বাংলাদেশ।

    এই বক্তব্য এমন একটা সময়ে এল, যখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী নয়, বর্তমান নির্বাচিত সরকার শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, এসব চুক্তির কোনগুলি বহাল থাকবে, কোনগুলি সংশোধন করা হবে এবং কোনগুলি বাতিল করা হতে পারে, তা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    ভারতের সঙ্গে ‘নতুন সম্পর্ক’ চায় ঢাকা (Bangladesh)

    হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আরও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেও বাংলাদেশের উচিত নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করা।

    তিনি বলেন, “আমরা একটি নতুন সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই। এই সম্পর্ক বহুপাক্ষিক মঞ্চের মাধ্যমে নয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অতিরিক্ত নির্ভরতার সমালোচনাও করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারতকে নিয়ে এই অতিরিক্ত মোহ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ভারত অন্য সব দেশের মতোই একটি দেশ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে তার ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা উচিত।”

    ভারতকেন্দ্রিক অতিরিক্ত মনোযোগ বোঝাতে তিনি বলেন, “ভারতে প্রাতরাশ, ভারতে মধ্যাহ্নভোজ, ভারতে নৈশভোজ—তা হলে নিজের দেশের খাবার খাবেন কখন?”

    হুমায়ুন কবির আরও জানান, শেখ হাসিনার সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক “অস্বস্তিকর” হয়ে উঠেছিল। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে পারস্পরিক স্বার্থ ও সরাসরি আলোচনার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে এগোতে চায় (Bangladesh)।

    ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে ঘিরে টানাপোড়েন

    সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের এই বার্তার ঠিক আগে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে ভারতীয় পক্ষের আমন্ত্রণ ছিল বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগের চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি থেকেই দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য পৃথক আমন্ত্রণও ছিল (BRICS Summit)।

    দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলন রবিবার শেষ হয়েছে। সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ না করা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে অসন্তোষ তৈরি হয়।

    ভারতের সঙ্গে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার।

    তিনি বলেন, “আমরা ১০১টি সমঝোতা স্মারক-সহ চুক্তিগুলি পর্যালোচনা করছি। খুব শিগগিরই এর ফলাফল জানতে পারবেন (Bangladesh)।”

    চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবস্থার প্রসঙ্গও ওঠে। নূরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময়ে এমন কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে একই সময়ে বাংলাদেশি ও বিদেশি জাহাজ বন্দরে এলে বিদেশি জাহাজ সুবিধা পেত। জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাগুলি পরিবর্তন বা বাতিল করার কথাও জানান তিনি।

    তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই অগ্রাধিকার পাবে।

    হাসিনা প্রসঙ্গ এখনও সম্পর্কে বড় বাধা

    ২০২৪ সালের অগাস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন রয়েছে। হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়ে রয়েছে (Bangladesh)।

    এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ঢাকা অতীতের রাজনৈতিক মতপার্থক্যের পরিবর্তে সরাসরি যোগাযোগ এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে যেতে চাইছে।

    ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক

    এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে তাঁর এই সফর। তিনি ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে থাকবেন বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির।

    সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তারেকের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হতে পারে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সময় এই ধরনের বৈঠক অনেক ক্ষেত্রেই শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত হয় (BRICS Summit)।

    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখা। পার্শ্ববৈঠকগুলির বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানা যাবে (Bangladesh)।

    সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এবং ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার ঘোষণার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবার সম্পর্ক পুনর্গঠনের স্পষ্ট বার্তা এল। তবে সেই নতুন সম্পর্কের ভিত্তি হবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ এবং (BRICS Summit) দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা (Bangladesh)।

     

  • Bengal BJP: রাজ্য বিজেপিতে সাংগঠনিক রদবদল, মিডিয়া-আইটি-সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগে নতুন দায়িত্ব

    Bengal BJP: রাজ্য বিজেপিতে সাংগঠনিক রদবদল, মিডিয়া-আইটি-সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগে নতুন দায়িত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচন ও পুরভোটের আগে রাজ্য বিজেপিতে (Bengal BJP) সাংগঠনিক রদবদল। দলের মিডিয়া বিভাগ, আইটি সেল এবং সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগে (Social Media Team) কনভেনার, কো-কনভেনার ও মুখপাত্র স্তরে একাধিক পরিবর্তন করা হয়েছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের অনুমোদনে এই রদবদল চূড়ান্ত হয়েছে।

    কে, কোন দায়িত্বে (Bengal BJP)

    মিডিয়া বিভাগে কনভেনার করা হয়েছে অনুপম ঘোষকে। কো-কনভেনার হয়েছেন পার্থসারথী চৌধুরী ও চন্দ্রশেখর ভুটিয়া। আইটি বিভাগে কনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জয় মল্লিক। কো-কনভেনার করা হয়েছে রত্নেশ সিং, রাম্যাজ্যোতি সরকার, শুভজিৎ কর্মকার এবং সব্যসাচী রায়কে। সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগে কনভেনার হয়েছেন উপমন্যু ভট্টাচার্য। কো-কনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রীতম ভট্টাচার্য ও ক্যামেলিয়া সান্যাল। দলের চিফ স্পোকসপার্সন হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবজিৎ সরকারকে। স্পোকসপার্সন হিসেবে রয়েছেন রীতেশ তিওয়ারি, সায়ন্তন বোস, কেয়া ঘোষ, প্রণয় রায়, ডা. তন্ময় মুখার্জি, সপ্তর্ষী চৌধুরী, ওফেলিয়া সিনহা, অঙ্কণ দত্ত, মেঘা সেন রায়, ডা. নিখিল প্রসূন সিং এবং শমীক দাশগুপ্ত।

    উল্লেখ্য, আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচন ও পুরভোটকে সামনে রেখে বাংলায় বিজেপি ২৭০ সদস্যের রাজ্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করেছে। সাংগঠনিক পুনর্গঠনের পাশাপাশি রাজ্য কমিটিতে একাধিক নতুন মুখকেও জায়গা দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক জেলা থেকে বেশ কয়েকজন নেতাকে রাজ্য কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে (Bengal BJP)।

    উপনির্বাচন, নির্বাচন

    আগামী মাসের প্রথম দিকেই রয়েছে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপনির্বাচন। পুজোর পরেই হওয়ার কথা কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভার নির্বাচনও। তার আগে রীতিমত টিম গুছিয়ে নিয়ে ভোটের ময়দানে নামতে চলেছে পদ্ম শিবির। সেই কারণেই ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে সংগঠনে। সিংহভাগ ক্ষেত্রেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অপেক্ষাকৃত তরুণ তুর্কিদের।

    ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটিয়ে চলতি বছরই রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে (Social Media Team) বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যে প্রথম সরকার গড়েছে বিজেপি। তার পরেই হতে চলেছে দুই বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন এবং একাধিক পুরসভার নির্বাচন (Bengal BJP)।

     

  • Rajnath Singh: পুরভোটের আগে বঙ্গ বিজেপিতে তৎপরতা, ১৫-১৬ সেপ্টেম্বর বাংলায় নিতিন নবীন-রাজনাথ

    Rajnath Singh: পুরভোটের আগে বঙ্গ বিজেপিতে তৎপরতা, ১৫-১৬ সেপ্টেম্বর বাংলায় নিতিন নবীন-রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো মিটলেই কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পুরসভায় বেজে যাবে ভোটের বাদ্যি। সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই ঘর গোছাতে শুরু করে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি (Rajnath Singh)। দফায় দফায় সাংগঠনিক বৈঠক, নতুন কমিটি গঠন এবং শীর্ষ নেতৃত্বের সফর—সব মিলিয়ে পুরভোটের প্রস্তুতিতে জোরকদমে ময়দানে নামতে চাইছে গেরুয়া শিবির। এই আবহেই (Municipality Elections) আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দু’দিনের সফরে বাংলায় আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। পরের দিন, ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় আসার কথা প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের। একই সময়ে কলকাতায় দুই শীর্ষ নেতার উপস্থিতিকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    আসছেন রাজনাথও (Rajnath Singh)

    বিজেপি সূত্রে খবর, ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় এসে একটি সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দেবেন রাজনাথ। তবে তাঁর সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হতে চলেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক। এদিকে, ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলায় এসে নিতিন নবীনও রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করবেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সাংগঠনিক) বিএল সন্তোষ।

    সদ্য গঠিত রাজ্য কার্যকরী কমিটি এবং কোর কমিটি নিয়েও এই সফরে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে খবর। রাজ্য সভাপতি নির্বাচনের প্রায় ১৪ মাস পর পূর্ণাঙ্গ রাজ্য কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করেছে বঙ্গ বিজেপি। সেখানে পুরনো ও নতুন নেতৃত্বের একাধিক মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তৈরি হয়েছে নতুন কোর কমিটিও।

    সূত্রের দাবি, রাজনাথ এবং নিতিন নবীন—দুই শীর্ষ নেতা রাজ্য কোর কমিটি ও নতুন রাজ্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করবেন। পুরসভা নির্বাচনে শাসকদলের মোকাবিলায় বিজেপির কৌশল কী হবে, কোন কোন ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচারে নামা হবে, সংগঠনকে কীভাবে আরও সক্রিয় করা হবে—এসব বিষয়েই আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা।

    ‘সেবা’ কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা

    পুরভোটের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত মাসব্যাপী ‘সেবা’ কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে এই কর্মসূচি কীভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হবে, তার সাংগঠনিক রূপরেখাও শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে বলে বিজেপি সূত্রে খবর (Rajnath Singh)।

    বিশেষ করে পুজোর পর কলকাতা ও হাওড়া-সহ একাধিক পুরসভায় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে এই বৈঠকগুলিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পদ্ম শিবিরের বঙ্গ শাখা। রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। এবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে সেই প্রস্তুতিকে আরও গতি দেওয়াই লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

    নিতিন নবীনের ক্ষেত্রে এই সফরের গুরুত্ব আরও বেশি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম বাংলা সফর। কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পরপরই তাঁর এই সফর এবং তার আগে বঙ্গ বিজেপির পূর্ণাঙ্গ রাজ্য কার্যকরী কমিটি ঘোষণা—দুই ঘটনাকে একই সূত্রে দেখছে দলের একাংশ। ফলে পুরভোটের আগে রাজ্য বিজেপির সংগঠন ও রণকৌশল নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

    রাজনাথের সফরের তাৎপর্য

    অন্যদিকে, রাজনাথের কলকাতা সফরও আলাদা তাৎপর্য বহন করছে। সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে (Municipality Elections) তাঁর বৈঠক হলে সেখানে পুরভোটের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে সাংগঠনিক পরিস্থিতি—একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সব মিলিয়ে ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর বিজেপির এই দুই হেভিওয়েট নেতার সফরকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে (Rajnath Singh)।

     

  • Bangladesh Bengali Hindus:  চিন্ময় প্রভুর ঘটনায় নীরবতা কেন, প্রশ্ন উঠল বাঙালি সংহতি-ধর্মনিরপেক্ষতার মানদণ্ড নিয়েও

    Bangladesh Bengali Hindus:  চিন্ময় প্রভুর ঘটনায় নীরবতা কেন, প্রশ্ন উঠল বাঙালি সংহতি-ধর্মনিরপেক্ষতার মানদণ্ড নিয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালি পরিচয় কি সত্যিই ধর্মের ঊর্ধ্বে, নাকি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সেই সংহতিও হয়ে ওঠে বেছে নেওয়া? বাংলাদেশে (Bangladesh Bengali Hindus) হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস, যিনি চিন্ময় প্রভু নামেই পরিচিত, তাঁর গ্রেফতারি ও তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে এমনই একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে, যাঁরা নিয়মিত বাঙালি পরিচয়, মানবতাবাদ, সংখ্যালঘু অধিকার ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সরব হন, তাঁদের একাংশের নীরবতা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

    চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারি (Bangladesh Bengali Hindus)

    চিন্ময় প্রভু বাংলাদেশের এক হিন্দু সন্ন্যাসী। তাঁর গ্রেফতারিকে ঘিরে বহু মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে (Bengali Prem)। রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত অবস্থান যা-ই হোক না কেন, প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদা, আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার এবং হিংসা থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার থাকা উচিত—এটাই হওয়া উচিত মূল প্রশ্ন। চিন্ময় প্রভুকে ঘিরে তৈরি হওয়া মানবিক পরিস্থিতি সেই প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

    বছর একাত্তরের সন্ধ্যা রানি ধর চট্টগ্রামে তাঁর ছেলের আশ্রমে মারা যান। জেলে থাকা ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি তাঁর। একজন মায়ের কারাবন্দি সন্তানকে না দেখে মৃত্যুবরণ করার ঘটনায় অন্তত মানবিক সহানুভূতি প্রকাশ পাওয়া উচিত ছিল বলেই অভিমত ওয়াকিবহাল মহলের।

    কিন্তু ওই ঘটনায় যথেষ্ট প্রতিবাদ হয়নি বলেই খবর। যাঁরা নিয়মিত মানবতাবাদ, সংখ্যালঘু অধিকার এবং বাঙালির বিবেক নিয়ে ‘বক্তৃমে’ করেন, তাঁদের সুরও কেন চড়ল না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।

    দুর্গাপুজোর সময় খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিতর্ক কিংবা বাঙালি সংস্কৃতির পরিচয় নিয়ে আলোচনা হলে সমাজের বিভিন্ন অংশে প্রবল আবেগ দেখা যায়। কিন্তু হিন্দু ধর্মীয় স্থান বা দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটলে সেই প্রতিক্রিয়া অনেক সময় তুলনামূলকভাবে সতর্ক বা শর্তসাপেক্ষ হয়ে পড়ে বলেই অভিযোগ।

    ধর্মনিরপেক্ষতার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন

    এখানেই ধর্মনিরপেক্ষতার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নটি সামনে আসে। ধর্মনিরপেক্ষতা যদি সত্যিই সর্বজনীন হয়, তাহলে আক্রান্ত ব্যক্তির ধর্ম দেখে তাঁর পক্ষে দাঁড়ানোর মাত্রা বদলানো উচিত নয়। কোনও মুসলিম আক্রান্ত হলে যেমন প্রতিবাদ করা উচিত, কোনও খ্রিস্টান নিপীড়িত হলেও তেমনই প্রতিবাদ করা উচিত। একইভাবে কোনও বৌদ্ধ বা হিন্দু আক্রান্ত হলেও সমান দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলা জরুরি। তা না হলে সর্বজনীন মানবতাবাদের বদলে বেছে নেওয়া সহানুভূতির চর্চা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠবেই।

    সন্ত্রাসবাদ নিয়ে রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার নিয়েও একই ধরনের দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। ‘গেরুয়া সন্ত্রাসবাদ’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে হিন্দু বা জাতীয়তাবাদী পরিচয়ের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদকে যুক্ত করার প্রবণতার সমালোচনা করা হয়েছে। বস্তুত, সন্ত্রাসবাদের বিচার হওয়া উচিত প্রমাণ, অপরাধী এবং তার মতাদর্শের ভিত্তিতে; কোনও সম্পূর্ণ সম্প্রদায়ের পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়।

    একইভাবে, ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ উঠলে যেমন বলা হয় যে সন্ত্রাসবাদের কোনও ধর্ম নেই এবং কোনও জঙ্গির অপরাধের জন্য সাধারণ মুসলিমদের দায়ী করা যায় না, একই নীতি হিন্দুদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত। কোনও ব্যক্তি হিন্দুধর্মের নামে অপরাধ করলেই তার দায় গোটা হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর চাপানো যেমন যুক্তিসঙ্গত নয়, তেমনই কোনও সন্ত্রাসবাদীর দাবি করা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে গোটা মুসলিম সমাজকে দায়ী করাও (Bengali Prem) অনুচিত।

    হিন্দুর নিরাপত্তার প্রশ্ন

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিসেবে বসবাসকারী কোনও হিন্দুর নিরাপত্তার প্রশ্নকে ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সমাজের প্রেক্ষাপটে বিচার করাও ঠিক নয়। সংখ্যালঘু পরিচয় সর্বদা সংশ্লিষ্ট সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। সেই কারণে বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা এবং অধিকারও একটি স্বতন্ত্র মানবাধিকার প্রশ্ন (Bangladesh Bengali Hindus)।

    এই প্রসঙ্গেই তথাকথিত ‘জাগ্রত উদারপন্থা’র দ্বিচারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংখ্যালঘুর অধিকার, বিভিন্ন পরিচয়ের আন্তঃসম্পর্ক এবং সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে যাঁরা সরব, তাঁদের একাংশের প্রতিবাদ কেন কখনও কখনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত বয়ানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে—সেই প্রশ্নও উঠেছে। লেখাটির বক্তব্য, অন্যায়ের শিকার ব্যক্তি কোন পরিচয়ের মানুষ তার ওপর যদি প্রতিবাদের মাত্রা নির্ভর করে, তাহলে তা ন্যায়বিচার নয়, বরং মতাদর্শের প্রকাশ।

    বাংলাদেশকে বাঙালিদের কাছে কোনও সাংস্কৃতিকভাবে বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড হিসেবেও দেখা যায় না। বাংলার সভ্যতা ও ইতিহাসের সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর যোগ রয়েছে। ঢাকেশ্বরী মন্দির সেই ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। মাস্টারদা সূর্য সেন, অনন্ত সিংহের মতো বিপ্লবীরাও দুই বাংলার অভিন্ন ঐতিহাসিক স্মৃতির অংশ। কিন্তু ঐতিহ্যকে শুধু বক্তৃতা ও স্মরণানুষ্ঠানে উদ্‌যাপন করলেই তার সুরক্ষা হয় না। সেই ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারীরা কীভাবে জীবনযাপন করছেন, তাঁদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত—তার মধ্যেও ঐতিহ্যের প্রকৃত মূল্য প্রতিফলিত হয়।

    হিন্দুদের জন্য কোনও বিশেষ সুবিধা দাবি করা হচ্ছে না বলেই লেখাটিতে স্পষ্ট করা হয়েছে। দাবি হল সমান অধিকার ও সম মর্যাদার। চিন্ময় প্রভু বাঙালি, তিনি সন্ন্যাসী এবং তিনি হিন্দু—এই পরিচয়গুলির কোনওটিই পরস্পরবিরোধী নয় (Bangladesh Bengali Hindus)।

    তাই বাঙালি বুদ্ধিজীবির প্রকৃত পরীক্ষা কেবল বাঙালি সংস্কৃতিকে উদ্‌যাপন করার মধ্যে নয়। বরং সেই সময়ে একজন বাঙালি হিন্দুর পাশে দাঁড়াতে পারার মধ্যেই তার প্রকৃত পরীক্ষা, যখন সেই অবস্থান প্রচলিত বা পছন্দের রাজনৈতিক বয়ানের সঙ্গে সংঘাতে যেতে পারে।

    ‘বাঙালি-প্রেম’

    মতামতভিত্তিক একটি লেখায় বলা হয়েছে, “আমাদের সহমর্মিতার যদি শর্ত থাকে, তবে তা সহমর্মিতা নয়। আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতার যদি পছন্দের মানুষ থাকে, তবে তা ধর্মনিরপেক্ষতা নয়। আর কোনও বাঙালি হিন্দু হলেই যদি বাংলার প্রতি আমাদের ভালোবাসা হারিয়ে যায়, তাহলে ‘বাঙালি-প্রেম’ বলতে (Bengali Prem) আমরা আসলে কী বুঝি, সেই প্রশ্ন নিজেদেরই করা উচিত।”

    মনে রাখতে হবে, অন্যায় চোখের সামনে ঘটলেও নীরব থাকাটা নিরপেক্ষতা নয়, বরং সেই নীরবতাও একটি (Bangladesh Bengali Hindus) অবস্থান।

     

  • UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের আগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-শাসিত ২১টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) চালু করা হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের গত ১২ বছরের বিভিন্ন সাফল্য এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে (UCC) বিজেপির ২৫ বছরের যাত্রার কথাও তুলে ধরেন।

    মুম্বইয়ে ৩০ দিনের ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র সূচনা করতে এসেছিলেন শাহ। ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার সরকারের লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এই অভিযানের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)

    শাহ বলেন, ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। ২০২৯ সালের আগে এনডিএ-শাসিত সব রাজ্যই এই আইন কার্যকর করবে বলে তিনি আশাবাদী। উত্তরাখণ্ড ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন পাস করে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়। গত বছর গুজরাটেও এই আইন পাস হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে অসম উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল পাস করে। সর্বশেষ এই তালিকায় যোগ দিয়েছে মধ্যপ্রদেশও। জুলাই মাসে বিশেষ বৈঠকে রাজ্য মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতভাবে এই বিধি অনুমোদন করে।

    তবে গুজরাট, অসম ও মধ্যপ্রদেশের অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এখনও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ ও ছত্তিশগড়ে এই বিধির খসড়া তৈরির জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শাহ বলেন, “তিন তালাক প্রথা বিলোপ করা হয়েছে, ফলে মুসলিম মহিলারা সমান অধিকার পেয়েছেন। একাধিক রাজ্যে আমরা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে বিজেপি-এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের আগেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হবে।” উল্লেখ্য, পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা।

    দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা নিয়েও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার মাধ্যমে দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে দাবি করেন (UCC) তিনি। তাঁর বক্তব্য, এক বছরে বেশ কয়েকটি রাজ্যে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

    তিন বছরের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারা বাতিলের সময় একটি গুলিও চালাতে হয়নি বা এক ফোঁটা রক্তও ঝরেনি। তাঁর দাবি, কাশ্মীর এখন সম্পূর্ণভাবে ভারতের সঙ্গে একীভূত।

    উত্তর-পূর্ব ভারত ও নকশাল সমস্যা নিয়েও সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন শাহ। তাঁর দাবি, পাঁচ দশকের নকশালবাদের অবসান ঘটানো হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ১৪টিরও বেশি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শাহ বলেন, “৯ হাজারেরও বেশি মানুষ আত্মসমর্পণ করেছেন এবং আজ আমরা উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের পথে নিয়ে গিয়েছি।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের নীতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমান হামলা এবং ‘অপারেশন সিঁদুরে’র মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্সে’র নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    মণিপুরে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ১৯৫১ সালের ভিত্তিবর্ষ ব্যবহার করা হবে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ জানান, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শরিক দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে।

    তিনি বলেন, “আমরা আমাদের শরিকদের সঙ্গে এবং মণিপুরের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গেও এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করছি। যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, আমরা আপনাদের তা জানাব।”

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত

    মুম্বইয়ের মতো শহরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ বলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার জন্য সরকার যে পদ্ধতি বা উপায় ব্যবহার করছে, তা প্রকাশ্যে জানানো হবে না। রসিকতার সুরে তিনি বলেন, “আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইছেন, কী কী উপায়ে তাঁদের শনাক্ত করা হবে তা প্রকাশ করে দিতে। তা হলে আমরা তাঁদের ধরব কী করে? তাঁরাও তো বিষয়টি জেনে যাবেন।”

    দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কারের বিষয়ে সরকারের অবস্থানও ফের স্পষ্ট করেন শাহ। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমাদের সংকল্পের কথা বলছি—এই দেশের প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে একে একে চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”

    মাদকবিরোধী অভিযান

    মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি ‘নেশামুক্ত ভারত অভিযান’ শুরু করেছেন এবং এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি রাজ্যে যাবেন। আগের দিনই এক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। কর্মসূচিটি দেশের তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পুরো দিন ধরে একটি বৈঠকও হবে বলে জানান শাহ (Amit Shah)। তাঁর কথায়, “এই অভিযান অবশ্যই তৃণমূল স্তরে পৌঁছবে এবং (UCC) ভারত মাদকের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে।”

     

  • Madrasas Closure: অনুমোদন-পরিকাঠামোহীন ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ রাজ্যের, শোকজ আরও প্রায় ১০০-টিকে

    Madrasas Closure: অনুমোদন-পরিকাঠামোহীন ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ রাজ্যের, শোকজ আরও প্রায় ১০০-টিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অনুমোদনহীন ও ন্যূনতম পরিকাঠামোহীন মাদ্রাসাগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। রাজ্যজুড়ে সমীক্ষা ও পরিদর্শনের পর ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিশ (Madrasas Closure) দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়ম মেনে পরিচালিত না হওয়া আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না মিললে ওই প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন (West Bengal) দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।

    দফতর সূত্রে খবর, বন্ধের নোটিশ পাওয়া ২৫২টি মাদ্রাসার অধিকাংশের ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই। অন্যদিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের অবস্থান জানাতে হবে। তাদের জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে প্রশাসন।

    মন্ত্রীর বক্তব্য, মাদ্রাসার পড়ুয়ারাও যাতে অন্যান্য স্কুলের পড়ুয়াদের মতো আধুনিক ও মূলধারার শিক্ষার সুযোগ পায়, সেটাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। শিক্ষার পরিবেশ ও পরিকাঠামো উন্নত করার পাশাপাশি নিয়ম মেনে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

    সমীক্ষায় উঠে এল অনুমোদনের বিস্তর ফারাক (Madrasas Closure)

    রাজ্য প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২,১৩২টি মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে চলছে। অন্যদিকে প্রায় ২,৩৯৬টি মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি বা পর্ষদের নথিভুক্তি কিংবা সংযুক্তিকরণ ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের সমীক্ষায় উঠে এসেছে। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল খারিজি মাদ্রাসাগুলির উপর।

    জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের নথিভুক্তি, পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা ও পরিচয়, শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা, পরিকাঠামো এবং অর্থের উৎস—সমীক্ষায় খতিয়ে দেখা হয় সবই।

    জেলা প্রশাসনের রিপোর্ট পাওয়ার পর তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে রাজ্যস্তর থেকেও বিশেষ পরিদর্শন ও তদন্তকারী দল পাঠানো হয়। মাদ্রাসাগুলির তরফে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা হয় (Madrasas Closure)।

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সমীক্ষায় একাধিক সমস্যা সামনে এসেছে। কোথাও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নেই, কোথাও পড়ুয়া ও শিক্ষকের সংখ্যা অত্যন্ত কম। আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে রাজ্য নির্ধারিত পাঠ্যক্রম থেকে বড় ধরনের বিচ্যুতি এবং প্রশাসনিক নিয়ম না মানার অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। এই সমস্ত কারণেই একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    মালদায় সবচেয়ে বেশি বন্ধের নোটিশ

    জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে মালদায়। সেখানে ৪৪-৪৫টি মাদ্রাসা এই তালিকায় রয়েছে। এরপর উত্তর দিনাজপুরে প্রায় ৩৭টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রায় ৩২টি এবং মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় প্রায় ২৫টি করে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

    প্রশাসনের ব্যাখ্যা, খারিজি মাদ্রাসা বলতে এমন স্বাধীন ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যেগুলি সাধারণত সরকারি অর্থসাহায্য, আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা সরকারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠান অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের অনুদান বা ট্রাস্টের অর্থের উপর নির্ভরশীল।

    ভারতবিরোধী শিক্ষা’র অভিযোগও নজরে

    নবান্নের এক আধিকারিকের দাবি, কয়েকটি খারিজি মাদ্রাসায় ‘ভারতবিরোধী’ শিক্ষা দেওয়া এবং পড়ুয়াদের ‘মগজধোলাই’ করার অভিযোগ প্রশাসনের নজরে এসেছে। সেই কারণেও মাদ্রাসাগুলির কার্যকলাপ যাচাইয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল বলে দাবি ওই আধিকারিকের। তবে প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ যাচাই করে এবং আইন মেনে তবেই কোনও পদক্ষেপ করা হবে।

    এদিকে, মাদ্রাসা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, এর আগে মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের বিরুদ্ধে উগ্রপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগ সামনে এসেছিল। তিনি বলেন, “মাদ্রাসা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। এর আগে অনেক উগ্রপন্থী ধরা পড়েছে, যারা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিল। মাদ্রাসায় থেকে তারা ভারতবিরোধী কার্যকলাপ চালাত।”

    তাঁর আরও দাবি, “যারা সরকারের অনুমতি নিয়ে মাদ্রাসা চালাচ্ছেন, সেই মাদ্রাসা চলবেই। কিন্তু যেখানে-সেখানে মাদ্রাসা খুলে উৎপাত করার অনুমতি সরকার দেবে না।” তবে মাদ্রাসা নিয়ে ওঠা যে কোনও অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্ত এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে (Madrasas Closure)।

    অনুমোদিত মাদ্রাসা চালু থাকবে

    সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, “ফিল্ড লেভেলে যাচাই করা হয়েছে। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার সমস্ত মাদ্রাসার নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। যে সমস্ত মাদ্রাসার অনুমোদন রয়েছে, সেগুলি চালু থাকবে।”  প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মাদ্রাসাগুলির (West Bengal) নথি যাচাই এবং পরিদর্শনের এই প্রক্রিয়া আগামী দিনেও চলবে। অনুমোদনহীন বা নিয়ম না মেনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রমাণের ভিত্তিতে এবং আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Madrasas Closure)।

     

  • Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীতে ইচ্ছাকৃতভাবে নিকাশি নালার পথ বন্ধ করে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার (Varanasi) সাফাই অভিযানের সময় শহরের একাধিক এলাকার মূল নিকাশি নালার ভিতর থেকে বালিভর্তি বস্তা, পাথর, কাঠের গুঁড়ো, প্লাইউড এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুরসভার আধিকারিকদের অনুমান, পরিকল্পিতভাবেই নালাগুলি (Waterlogging Investigation) আটকে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

    শিবালা, সরায়নন্দন এবং নাগওয়া-সহ প্রায় ছ’টি ওয়ার্ডে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় এই ধরনের প্রতিবন্ধকতা নজরে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরের নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করা এবং জল জমিয়ে দেওয়ার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন বারাণসী পুরসভা কর্তৃপক্ষ। পুলিশও ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    উদ্ধার ১২ বস্তা বালি (Varanasi)

    শুক্রবার রাতে, ১১ সেপ্টেম্বর, শিবালা ওয়ার্ডের ৭৫ নম্বর এলাকায় আগরওয়াল রেডিও এবং রত্নাকর পার্কের কাছে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় প্রায় ১২ বস্তা বালি উদ্ধার করেন পুরসভার কর্মীরা। বস্তাগুলি মূল নিকাশি নালার ভিতরে রাখা ছিল।

    বারাণসীর মেয়র অশোক তিওয়ারি বলেন, নালার ভিতরে যেভাবে বস্তাগুলি রাখা হয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবেই নালাটি বন্ধ করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় ষড়যন্ত্রের অংশ। মূল নিকাশি নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নোংরা জল সংযোগকারী গলিগুলিতে উপচে পড়ে। এর ফলে জনজীবন ব্যাহত হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যায়।”

    পুরসভার অভিযোগ অনুযায়ী, নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত করার পাশাপাশি জলকল দফতর এবং শহর প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে।

    ষড়যন্ত্রের দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ

    বারাণসী পুরসভার জলকল দফতরের পক্ষ থেকে ভেলুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই ধারাটি জলমগ্নতা ঘটিয়ে (Varanasi) ক্ষতিসাধনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    ভেলুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দুর্গা সিং বলেন, “এই ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় জলমগ্নতা ঘটিয়ে ক্ষতিসাধনের অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

    দোষীদের চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরা। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, অন্য কয়েকটি ওয়ার্ডের নিকাশি নালার ভিতর থেকেও বালি, পাথর, প্লাইউড, কাঠের গুঁড়ো এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে।

    কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পুর কমিশনারের

    বারাণসীর পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল এই ঘটনার পিছনে সমাজবিরোধীদের হাত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নিকাশি নালাগুলি কীভাবে এবং কারা বন্ধ করল, তা চিহ্নিত করতে পুরসভার পক্ষ থেকে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    নিকাশি নালা পরিষ্কার করা এবং নিচু এলাকাগুলিতে জমে থাকা জল সরানোর কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মেয়র অশোক তিওয়ারি ও পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল। পুরসভা এবং জলকল দফতরের কর্মীরা নিকাশি ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পুর কমিশনার বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, কাউকে নিকাশি নালা কিংবা সরকারি সম্পত্তিতে ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ বা ক্ষতিসাধন করতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুরনিসভাকে জানাতে হবে (Waterlogging Investigation)। এই ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও (Varanasi) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

     

LinkedIn
Share