Tag: news in bengali

news in bengali

  • Hindu Family Killed: বাংলাদেশে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক-সহ হিন্দু পরিবারের চার সদস্যকে খুন

    Hindu Family Killed: বাংলাদেশে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক-সহ হিন্দু পরিবারের চার সদস্যকে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) রংপুরে একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের পচাগলা দেহ উদ্ধার করেছে (Hindu Family Killed) পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত এক স্কুলশিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও বছর বারোর ছেলে। শনিবার রাতে রংপুর শহরের কামালকাছনা মাচুয়াপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে তাঁদের দেহ উদ্ধার হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, বাড়িটির মূল ফটক বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। বাড়ির ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকে চারজনের দেহ উদ্ধার করে।

    নিহতরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী প্রতিলতা চক্রবর্তী বালা, মেয়ে কান্তি চক্রবর্তী এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী।

    বাড়ির বিভিন্ন স্থান থেকে দেহ উদ্ধার (Hindu Family Killed)

    রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তা নাজমুল কাদের জানান, বাড়ির ভেতরে ও আশপাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চারজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    গণপতির দেহ পাওয়া যায় বাড়ির ছাদে। প্রতিলতা ও তাঁর মেয়ের দেহ মেলে তিনতলায় ওঠার সিঁড়িতে। আর ছেলের দেহ উদ্ধার হয় একটি খাটের নীচ থেকে।

    পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কিছু সময় ধরে বাড়িটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। পরিবারের কাউকে বাড়ির বাইরে দেখা না যাওয়া এবং ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে বাড়িতে ঢোকে, উদ্ধার করে দেহ।

    বৃহস্পতিবার রাতে শেষ কথা হয় পরিবারের সঙ্গে

    প্রতিলতার বোন পূজা চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট রাতে তিনি তাঁর দিদির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবারের মতো ফোনে কথা বলেছিলেন।

    তিনি জানান, শনিবার পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে রাত ৯টার দিকে স্বামীর সঙ্গে গণপতির বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান, বাড়ির মূল ফটক বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। তখনই সন্দেহ হওয়ায় পূজা বাংলাদেশের জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। তাঁকে কোতোয়ালি থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরে পুলিশ আসে (Hindu Family Killed)।

    অবসর নেওয়ার পরেও চিকিৎসা পরিষেবা দিতেন গণপতি

    গণপতি গত বছরের ডিসেম্বরে রংপুর জেলা স্কুল থেকে অবসর নেন। এর পর তিনি রংপুর সমবায় বাজারে একটি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে চিকিৎসা পরিষেবা দিতেন।

    তাঁর মেয়ে কান্তি কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। ছেলে প্রিয়ম রংপুর জেলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া ছিল।

    তদন্তে পুলিশ ও সিআইডি

    পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর কারণ জানতে বাড়ি থেকে বিভিন্ন নথিপত্র সংগ্রহ করছে পুলিশ ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ। রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তা নাজমুল কাদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর সময় মূল ফটকটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। অপরাধ তদন্ত বিভাগের কর্তারা ঘটনাস্থল থেকে নথি সংগ্রহ করছেন। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আপাতত একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পরিকল্পিত হত্যা, ডাকাতি কিংবা পারিবারিক কোনও ঘটনা।

    রংপুর অপরাধ তদন্ত বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সুমিত চৌধুরী জানান, তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে ডাকাতির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তবে বিস্তারিত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

    দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পরেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    হিন্দু পরিবারকে ঘিরে হামলার উদ্বেগের মধ্যেই ঘটনা

    ২০২৪ সালের অগাস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরকার পরিবর্তনের পর দেশটির হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর হামলা ও হিংসার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত। সেই প্রেক্ষাপটে রংপুরের এই ঘটনা নতুন করে নজর কেড়েছে।

    তবে এই ঘটনায় পরিবারের হিন্দু পরিচয়ের সঙ্গে মৃত্যুর কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করতে (Bangladesh) পারেননি। একইভাবে চারজনের মৃত্যুর পেছনে সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কারণও এখনও স্পষ্ট নয় (Hindu Family Killed)।

     

  • PM Modi: চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্য স্মরণে জাতীয় মহাকাশ দিবস, দেশবাসীকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    PM Modi: চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্য স্মরণে জাতীয় মহাকাশ দিবস, দেশবাসীকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় মহাকাশ দিবস উপলক্ষে রবিবার দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভারতের মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান সাফল্যের কথা তুলে ধরে দেশের বিজ্ঞানী ও তরুণ প্রজন্মকে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছনোর আহ্বান জানান (National Space Day) তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী এক বার্তায় বলেন, “জাতীয় মহাকাশ দিবসের শুভেচ্ছা। আরও বড় স্বপ্ন দেখার, আরও বেশি উদ্ভাবনের এবং নতুন নতুন সীমান্ত অতিক্রম করার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলুন।”

    মহাকাশ দিবসের শুভেচ্ছা (PM Modi)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও দেশবাসীকে জাতীয় মহাকাশ দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রত্যেক দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনেই ভারতের চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফলভাবে অবতরণ করেছিল। সময়ের বুকে নিজেদের প্রতিভার অমোচনীয় ছাপ রেখে দেওয়া ইসরোর বিজ্ঞানীদেরও আজ আমরা অভিনন্দন জানাই।” ২০২৩ সালের ২৩ অগাস্ট চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণের ঐতিহাসিক সাফল্যকে স্মরণ করেই জাতীয় মহাকাশ দিবস পালিত হয়। এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি সফলভাবে অবতরণকারী বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে।

    চন্দ্রযান-৩ অভিযানের অবতরণযান বিক্রম নিয়ন্ত্রিতভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে নরম অবতরণ করে। এরপর তার ভিতরে থাকা প্রজ্ঞান নামের চলমান যানটি চাঁদের মাটিতে নেমে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। এই সাফল্যের ফলে চাঁদে সফল অবতরণকারী নির্বাচিত দেশগুলির তালিকায় ভারত আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে।

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্য ভারতের আগের চন্দ্রাভিযানগুলির ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। একই সঙ্গে এই সাফল্য দেশের মহাকাশ কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও মর্যাদা এনে দেয় (PM Modi)।

    জাতীয় মহাকাশ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হল মহাকাশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিষয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ানো। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান গবেষণা, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে (National Space Day) এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করাও এই দিবস পালনের অন্যতম লক্ষ্য।

    প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রবিবারের বার্তায় তরুণ ভারতীয়দের বিজ্ঞান গবেষণা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করতে তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর বার্তাই উঠে এসেছে তাঁদের বক্তব্যে (PM Modi)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগ, দেখে নিন সাপ্তাহিক ঘটনাপঞ্জি

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগ, দেখে নিন সাপ্তাহিক ঘটনাপঞ্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ভারতের বাইরে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে হামলা (Hindus Under Attack), ধর্মীয় বিদ্বেষ, মন্দির অপবিত্র করা, জমি দখল, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, হিংসা ও বৈষম্যের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত (Roundup Week)। ১৬ থেকে ২২ অগাস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত এক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর হিংসা ও বৈষম্যের প্রবণতা ক্রমেই গুরুতর হয়ে উঠছে। প্রতিবেদনে এই পরিস্থিতিকে মানবাধিকার সংকট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    মন্দিরের জমিতে গির্জা নির্মাণ! (Hindus Under Attack)

    কর্নাটকের রায়চূরের বিচালি ক্যাম্প এলাকায় অঞ্জনেয় মন্দিরের জন্য নির্ধারিত একটি জমিতে গির্জা নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ১২ অগাস্ট একটি গির্জার কাছে অঞ্জনেয়ের মূর্তি স্থাপনের পর সংঘর্ষের ঘটনায় বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে।

    স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দাদের অভিযোগ, মন্দিরের জন্য নির্ধারিত জমি কীভাবে অন্য ধর্মীয় স্থাপনার কাজে ব্যবহার করা হল, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। তাঁরা জমির মূল নথি ও বরাদ্দ সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। সংঘর্ষে পাথর ছোড়াছুড়ির ঘটনায় দু’জন জখম হন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিচালি ও বিচালি ক্যাম্প এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    উত্তরপ্রদেশে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের বলরামপুর জেলার গ্যাসড়ি থানার ঠাকুরপুর গ্রামে পেশায় শ্রমিক রাম সানেহিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে জনৈক আকবর আলি ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

    পুলিশের দাবি, চোর সন্দেহে রামকে ধরে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মূল অভিযুক্ত আকবর ও এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োয় এক ব্যক্তিকে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় রাম সানেহিকে লাঠি দিয়ে মারতে দেখা যায়।

    সাংলিতে দম্পতির ওপর হামলা, মহিলার মৃত্যু

    মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলার এমআইডিসি কুপওয়াড় এলাকায় প্রতিবেশীদের মধ্যে বিবাদকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। চাণক্য চকের কাছে বিঘ্নহর্তা শান্তি কলোনিতে হামলার ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় বছর আটত্রিশের মনীষা মোহন কেশরকরের। তাঁর স্বামী মোহন নাগাপ্পা কেশরকর গুরুতর জখম হন। হামলায় অভিযুক্ত জনৈক ফরিদ আবদুল শেখ।

    মুরুগনকে ঘিরে ইতিহাস ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্ক

    তামিল সমাজে মুরুগন-উপাসনার ইতিহাস নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি বিতর্কও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মুরুগন-উপাসনার প্রাচীন ধারায় বৈদিক আচার ও স্থানীয় গ্রামীণ ধর্মাচরণ পাশাপাশি চলেছে এবং ঐতিহাসিকভাবে এই দুই ধারার মধ্যে বিরোধ ছিল না।

    তবে তামিল সমাজে প্রায় পাঁচ দশক ধরে এমন একটি মত প্রচলিত রয়েছে যে মুরুগন মূলত দ্রাবিড় লোকদেবতা বা কোনও ঐতিহাসিক পূর্বপুরুষের স্মৃতি থেকে উদ্ভূত এবং পরে তাঁকে সংস্কৃতভিত্তিক কার্তিকেয়ের সঙ্গে একীভূত করা হয়। প্রতিবেদনে এই মতের প্রমাণযোগ্য ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়েছে, মুরুগনকে খ্রিস্টধর্মে রূপান্তরের উপযোগী একটি চরিত্র হিসেবে তুলে ধরার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার সঙ্গে এই ব্যাখ্যার সম্পর্ক রয়েছে (Hindus Under Attack)।

    বন্দে মাতরম নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থান

    কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি বিকে হরিপ্রসাদ জানিয়েছেন, সরকারি কোনও আইনি বিধান চালু হলেও দলীয় কর্মসূচিতে কংগ্রেস ঐতিহ্য অনুযায়ী বন্দে মাতরমের প্রথম দুই স্তবকই গাইবে।

    প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ১৮৯৬ সাল থেকে কংগ্রেসের কর্মসূচিতে বন্দে মাতরমের দুই স্তবক গাওয়ার রীতি চলে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে। তিনি বলেছেন, “ওরা আমাদের জেলে পাঠাক বা ফাঁসি দিক, আমরা বন্দে মাতরমের ওই দুই অনুচ্ছেদই গাইব।”

    প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, পরবর্তী স্তবকগুলিতে হিন্দু দেবীদের উদ্দেশে প্রার্থনা থাকায় কংগ্রেসের একটি অংশ তা নিয়ে আপত্তি জানায়।

    বন্দে মাতরম নিয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য

    অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরও বন্দে মাতরমের প্রথম দুই স্তবক রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, পরবর্তী অংশে হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ থাকায় একেশ্বরবাদে বিশ্বাসীদের কাছে তা গ্রহণ করা কঠিন হতে পারে।

    এই মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এড়ানোর জন্য কেন হিন্দু ধর্মীয় প্রতীক ও অভিব্যক্তিকে বারবার পরিবর্তন করার দাবি ওঠে।

    চট্টগ্রাম সম্মেলন নিয়ে গুরুতর অভিযোগ

    লখনউভিত্তিক অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের এক মুখপাত্র চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা ও আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত ইসলামপন্থীদের উপস্থিতির কথাও বলা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, সেখানে ইসলামিকরণ, ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং বাংলাদেশি হিন্দুদের উৎখাতের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। যদিও এই গুরুতর দাবিগুলির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    কর্নাটকে মন্দির চত্বরে প্রস্রাব করার অভিযোগ

    কর্নাটকের হাভেরি জেলার শিগগাঁও শহরে অঞ্জনেয় মন্দির চত্বরে প্রস্রাব করে এক ব্যক্তি (Roundup Week)। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই ঘটনায় পুলিশ শনাক্ত করে মহম্মদ জাফর নামে একজনকে।

    ঘটনাটি ২০ অগাস্ট রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ঘটে বলে পুলিশের বক্তব্য। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে তাঁকে গ্রেফতার করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয় (Hindus Under Attack)।

    বিদ্যারত্ন স্লোগান নিয়ে কলেজে বিতর্ক

    কর্নাটকের বিদার জেলার শাহীন পিইউ কলেজে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের পর “ভারত মাতা কি জয়” এবং “বন্দে মাতরম” স্লোগান দেওয়ায় ছাত্রদের থামিয়ে সতর্ক করার অভিযোগ উঠেছে কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমের বিরুদ্ধে।

    ছাত্র সাগর গৌলির বাবা হিরোবা গৌলির অভিযোগের ভিত্তিতে চিটগুপ্পা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর, জমি দখল, ধর্মীয় অভিযোগকে কেন্দ্র করে হামলা, নারী নির্যাতন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকতের একটি গবেষণার উল্লেখ করে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। তবে এই পূর্বাভাসের পদ্ধতি ও বর্তমান তথ্যের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন (Roundup Week)।

    ভারত প্রবেশ ও ধর্মান্তর নিয়ে প্রচারের অভিযোগ

    বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ধর্মীয় বক্তা মো আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতে প্রবেশ, শিলিগুড়ি-দার্জিলিং অঞ্চলে বৃহৎ পরিসরে হিন্দুদের ধর্মান্তর এবং অসম ও ত্রিপুরার মুসলিম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সংগঠিত যোগাযোগের নেটওয়ার্ক তৈরির ইচ্ছা প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার একটি প্ল্যাটফর্মে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ১ লাখ ৮৪ হাজারেরও বেশি। তবে তাঁর বক্তব্যের পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করা হয়নি।

    সীমান্ত থেকে ভারতীয় কৃষককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

    পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ভারতীয় চা-চাষিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    নিহত বা নিখোঁজ নন, ওই কৃষক দীপঙ্কর গোপরকে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ আটক করে রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর মুক্তির সঙ্গে তামিজ উদ্দিন নামে এক বাংলাদেশি নাগরিকের মুক্তির দাবিকে যুক্ত করা হয়েছে। তামিজ উদ্দিন সীমান্তের বেড়া কেটে ভারতে প্রবেশের পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হয় এবং আন্তঃসীমান্ত চোরাচালান চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে সন্দেহ।

    বিষয়টি নিয়ে তিন দফা ফ্ল্যাগ মিটিং হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

    হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে,হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষের পেছনে ধর্মীয় শিক্ষা, রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং সামাজিক বৈষম্যের মতো একাধিক কারণ কাজ করতে পারে। কিছু ইসলামপ্রধান দেশে হিন্দুবিদ্বেষ প্রকাশ্য হলেও, ধর্মনিরপেক্ষ বলে পরিচিত রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও অপেক্ষাকৃত সূক্ষ্ম ধরনের বৈষম্য দেখা যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার নীতিকে এর একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তিতে এই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও, প্রতিবেদনের মতে, অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে একই ধরনের মানদণ্ড প্রয়োগ করা হয় কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকা উচিত।

    বস্তুত, প্রতিবেদনে হিন্দুদের ওপর হিংসা ও বৈষম্যের অভিযোগগুলিকে নথিবদ্ধ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত (Roundup Week), তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • IVF: অসমে ইতিহাস, বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে দেশি ‘লখিমী’র বকনা বাছুরের জন্ম

    IVF: অসমে ইতিহাস, বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে দেশি ‘লখিমী’র বকনা বাছুরের জন্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম হল দেশি ‘লখিমী’ জাতের গরুর। এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক সাফল্য এবং রাজ্যের (IVF) পশুপালন সংরক্ষণ, দুগ্ধ উৎপাদন ও জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, এই সাফল্যের মধ্যে ‘সভ্যতা, সংস্কৃতি ও সৃজনে’র এক অনন্য সমন্বয় ঘটেছে। অসমের স্থানীয় জাত ‘লখিমী’র বিশ্বের প্রথম আইভিএফ বকনা বাছুরের জন্ম হয়েছে (Assam Lakhimi Breed) অসম পশুচিকিৎসা ও মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (IVF)

    তিনি বলেন, “আজ অসম এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে—সভ্যতা, সংস্কৃতি ও সৃজনের এক সুন্দর সমন্বয় ঘটেছে। অসমের স্থানীয় জাত লখিমীর বিশ্বের প্রথম আইভিএফ বকনা বাছুরের জন্ম হয়েছে অসম পশুচিকিৎসা ও মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এই সাফল্য দেশি গবাদি পশুর জাত সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। পাশাপাশি রোগ নিয়ন্ত্রণের উন্নতি এবং দুধ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকদের আয়ও বাড়ানো সম্ভব হবে।

    এই ঐতিহাসিক সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানী ও পেশাদারদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “এই সাফল্যের নেপথ্যে থাকা সমস্ত পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানী ও পেশাদারদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন। তাঁদের কাজ অসমের দুগ্ধশিল্পে নতুন যুগের সূচনা করার সম্ভাবনা রাখে। বাছুরটি আকারে ছোট হলেও, আমাদের রাজ্যে জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে সে একটি বিশাল মাইলফলক বহন করছে।”

    এদিকে পশুপালন ও দুগ্ধশিল্পের পাশাপাশি জ্বালানি ক্ষেত্রেও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে অসম। রাজ্যে ২০২৬ সালের অসম হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান, উৎপাদন এবং উর্ধ্বপ্রবাহ বাস্তুতন্ত্র উন্নয়ন নীতি কার্যকর করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এই নীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্য পূরণের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    জ্বালানি ক্ষেত্রেও অসমের অবদান

    পুরী বলেন, “ভারতের পেট্রোলিয়াম শিল্পের জন্মভূমি অসম এখন আত্মনির্ভরতার পথে ভারতের জ্বালানি যাত্রার পরবর্তী অধ্যায়কে শক্তি জোগাতে প্রস্তুত।”

    এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য হিমন্তকে ধন্যবাদ জানিয়ে পুরী বলেন, নতুন নীতি অসমে বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান ও উৎপাদন আরও দ্রুততর করবে (IVF)।

    নতুন নীতিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং আধুনিক অনুসন্ধান প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকে এই নীতি ১০ বছর কার্যকর থাকবে। তবে তার আগে নীতিটি সংশোধন, পরিবর্তিত নীতি দ্বারা প্রতিস্থাপন বা প্রত্যাহার করা হলে তা প্রযোজ্য হবে না।

    পুরীর বক্তব্যের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উদ্ভাবনের মাধ্যমে অসম তার হাইড্রোকার্বন-ভিত্তিক ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, “হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানে অসমের প্রথম উদ্যোগ নেওয়ার সুবিধা আমাদের অনেকটা এগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু আমরা সেই সুবিধার উপর নির্ভর করে বসে থাকতে চাই না। ধারাবাহিক উদ্ভাবনই আমাদের এগিয়ে রাখবে (Assam Lakhimi Breed)।”

    মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বিকশিত ভারতে’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে অবদান অব্যাহত রাখবে (IVF) অসম।

     

  • Cargo Ship Sinks: ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পণ্যবাহী জাহাজ, নিখোঁজ ২২

    Cargo Ship Sinks: ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পণ্যবাহী জাহাজ, নিখোঁজ ২২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশা (Odisha) উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল সিঙ্গাপুরগামী পানামার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ (Cargo Ship Sinks) ‘এমভি ওশান উইনার’। জাহাজটিতে মোট ২৪ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, নিখোঁজ ২২ জন। তাঁদের সন্ধানে চলছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী ও নৌসেনার তল্লাশি অভিযান। জানা গিয়েছে, শুক্রবার ওড়িশা উপকূল থেকে লৌহ আকরিক বোঝাই করে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল জাহাজটি। শনিবার আচমকাই জাহাজটির সঙ্গে স্থলভাগের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে জানা যায়, পারাদ্বীপ উপকূল থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে জাহাজটি ডুবে গিয়েছে।

    নিখোঁজ বহু নাবিক (Cargo Ship Sinks)

    জাহাজে থাকা ২৪ জন নাবিকের মধ্যে ২০ জন চিনা নাগরিক। এ ছাড়া ছিলেন বাংলাদেশের এক জন এবং মায়ানমারের তিন জন। দুর্ঘটনার পর তাঁদের উদ্ধারে দ্রুত তৎপর হয় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং নৌসেনা। সূত্রের খবর, শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিট নাগাদ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর উদ্ধারকারী দল খবর পায় যে, ওড়িশা থেকে সিঙ্গাপুরগামী একটি জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। নির্দিষ্ট এলাকায় তখন একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ছিল। সেটিকে ঘটনাস্থলের দিকে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।রাত ৮টা নাগাদ একটি লাইফবোট থেকে দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাঁদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও মেলেনি। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের পরিচয়ও এখনও প্রকাশ করা হয়নি (Cargo Ship Sinks)।

    নাবিকদের সন্ধানে তল্লাশি

    এর পর নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধানে এলাকায় তিনটি উদ্ধারকারী জাহাজ পাঠানো হয়। পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ‘বিজিত’ নামে একটি জাহাজ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ ছাড়া ‘বরদ’ এবং ‘আনমোল’ নামে আরও দু’টি জাহাজও পাঠায় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। রাতভর তল্লাশি চালানো হলেও, বাকি নাবিকদের সন্ধান মেলেনি। কী কারণে জাহাজটি ডুবে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার সময় বঙ্গোপসাগরের ওই এলাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতি কেমন ছিল, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাহাজটি কীভাবে বিপদে পড়ল এবং ডুবে যাওয়ার আগে (Odisha) কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে (Cargo Ship Sinks)।

     

  • Indian Americans: ক্যালিফোর্নিয়ায় ৮ নভেম্বর ‘দীপাবলি দিবস’, উৎসবে যোগ দেওয়ার আহ্বান বাসিন্দাদের

    Indian Americans: ক্যালিফোর্নিয়ায় ৮ নভেম্বর ‘দীপাবলি দিবস’, উৎসবে যোগ দেওয়ার আহ্বান বাসিন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট অ্যাসেম্বলি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের ৮ নভেম্বরকে ‘দীপাবলি দিবস’ (Deepawali) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্যের বাসিন্দাদের আলোর উৎসব দীপাবলি উদ্‌যাপনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ভারতীয়-আমেরিকান (Indian Americans) সম্প্রদায়ের কাছে দীপাবলির গভীর সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে তুলে ধরার পাশাপাশি ঐক্য, উদারতা, ইতিবাচকতা, জ্ঞান ও আত্মবিশ্লেষণের মতো সর্বজনীন মূল্যবোধের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার এই স্বীকৃতি ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সভ্যতাগত সমৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘সফট পাওয়ারে’রও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    দীপাবলির সর্বজনীন বার্তাকে স্বীকৃতি (Indian Americans)

    ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট অ্যাসেম্বলি ২০ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার, এই প্রস্তাবটি গ্রহণ করে। অ্যাসেম্বলি সদস্য দর্শনা প্যাটেল এবং অ্যাশ কালরা প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। দীপাবলিকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়-আমেরিকান এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বৃহত্তর ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি অ্যাসেম্বলি তার “গভীরতম শ্রদ্ধা” প্রকাশ করেছে।

    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, “অ্যাসেম্বলি চলতি বছরের দীপাবলি উৎসবকে রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দাদের এই আনন্দময় উদ্‌যাপনের দিনে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছে।”

    আমেরিকাজুড়ে দীপাবলির সাংস্কৃতিক গুরুত্ব ক্রমশ বাড়তে থাকার সময়েই ক্যালিফোর্নিয়ার এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ ও জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক রীতি ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে দীপাবলি উদ্‌যাপন করেন।

    প্রস্তাবে দীপাবলিকে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উৎসব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই উৎসব পরিবার, বন্ধু ও বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একত্রিত করে। উদারতা, ঐক্য, আনন্দ, কৃতজ্ঞতা এবং আত্মবিশ্লেষণকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই উৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায় নিজেদের ঐতিহ্য অনুযায়ী পালন করে। সাধারণত ঘরবাড়ি মোমবাতি, তেলের প্রদীপ, মাটির প্রদীপ দিয়ে আলোকিত করা হয়। অনেক জায়গায় আতশবাজিও পোড়ানো হয় দীপাবলি উদ্‌যাপনের অন্যতম অংশ হিসেবে।

    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এই ঐতিহ্যগুলির মধ্যে নিহিত রয়েছে অশুভের বিরুদ্ধে শুভর জয়ের বৃহত্তর বার্তা। একই সঙ্গে সংগ্রাম অতিক্রম করা, নেতিবাচকতা থেকে মুক্তি, ইতিবাচকতা ও বিনয়কে গ্রহণ করা এবং ব্যক্তিগত প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের প্রতি সদয় থাকার মতো মূল্যবোধের সঙ্গেও দীপাবলির সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, “যাঁরা দীপাবলি উদ্‌যাপন করেন, তাঁদের কাছে এই উৎসব জ্ঞান, বিকাশ ও সুখের প্রতি অঙ্গীকারের সময়। এটি আত্মবিশ্লেষণেরও সময়, যা প্রজ্ঞা, দয়া এবং পরিবর্তনের গুরুত্বকে তুলে ধরে।”

    ভারতীয়-আমেরিকানদের অবদানেও জোর

    ক্যালিফোর্নিয়ার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে ভারতীয়-আমেরিকান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও অ্যাসেম্বলি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে। ২০২৬ সালের দীপাবলিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে জাতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক পার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দাদের উৎসবে অংশ নেওয়ার এবং দীপাবলির সঙ্গে যুক্ত মূল্যবোধগুলি বোঝার আহ্বান জানানো হয়েছে (Indian Americans)।

    প্রস্তাবে দীপাবলিকে সুস্বাস্থ্য, সম্পদ, জ্ঞান, শান্তি ও সমৃদ্ধি উদ্‌যাপনের একটি সুযোগ হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবার, বন্ধু ও বৃহত্তর সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ফলে ২০২৬ সালের ৮ নভেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দীপাবলি দিবস’ হিসেবে পালিত হবে। রাজ্যের বাসিন্দাদের উৎসবে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি আলো, আশা ও ইতিবাচকতার বার্তাকে উপলব্ধি করার আহ্বান জানিয়েছে স্টেট অ্যাসেম্বলি।

    ভারতীয়-আমেরিকান সম্প্রদায়ের কাছে এই স্বীকৃতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এর মাধ্যমে তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে (Deepawali) গভীরভাবে যুক্ত একটি উৎসবকে সরকারি স্তরে মর্যাদা দেওয়া হলো। ক্যালিফোর্নিয়ার পাশাপাশি পেনসিলভানিয়া, নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং টেক্সাসও বিভিন্ন সময়ে দীপাবলিকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং সরকারি পর্যায়ে উৎসব উদ্‌যাপনের উদ্যোগও নিয়েছে (Indian Americans)।

     

  • Amit Shah: পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক, গঠিত হল স্থায়ী কমিটি

    Amit Shah: পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক, গঠিত হল স্থায়ী কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং পাহাড়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শনিবার দার্জিলিংয়ের সুকনায় অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং ও রোশন গিরি এবং দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত। পাহাড়ের (Sukna Talks) রাজনৈতিক সমস্যা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির ক্ষেত্রে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বিজেপি সরকারের পদক্ষেপ (Amit Shah)

    রাজ্যে পালাবদলের পর পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে এই প্রথম ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হল। বৈঠকে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে একটি রোডম্যাপ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হল, পাহাড়ের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে একটি স্থায়ী কমিটি গঠন। ওই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রাক্তন ডিজি তথা প্রাক্তন আইপিএস পঙ্কজকুমার সিং। এ দিনের আলোচনায় তিনি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করেন। তবে কমিটিতে কতজন সদস্য থাকবেন এবং তার গঠনতন্ত্র কী হবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

    দীর্ঘদিন ধরে গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে দার্জিলিং পাহাড়। এই আন্দোলনকে ঘিরে পাহাড়ের রয়েছে রক্তক্ষরণের দীর্ঘ ইতিহাস। তৃণমূল জমানায় জিটিএ (গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) পরিচালনার ক্ষেত্রেও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছিল। আর্থিক দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম এবং পর্যটন ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা নিয়ে সরব হয়েছিলেন পাহাড়ের মানুষ।

    শনিবারের বৈঠকে অতীতের সেই ব্যর্থতার বিষয়গুলি যেমন আলোচনায় উঠে এসেছে, তেমনই বর্তমান সরকারের ‘ডাবল ইঞ্জিন’ নীতির মাধ্যমে পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যের কথাও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার পাশাপাশি শিক্ষা, পর্যটন, পরিবহণ এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

    শাহি আশ্বাস

    বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) আশ্বাস দিয়েছেন, পাহাড়ের যে কোনও সমস্যার সমাধান সাংবিধানিক পথেই করা হবে। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে পর্যটন এবং পরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ের সমস্যার সাংবিধানিক সমাধানের পথেই সম্মতি জানিয়েছেন বিমল গুরুং এবং রোশন গিরিও।

    পাহাড়ের উন্নয়নের কাজ কতটা এগোল, তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে বলেও বৈঠকে জানানো হয়েছে। শাহ স্বয়ং নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন (Sukna Talks)। ফলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপড়েনের অবসান ঘটিয়ে পাহাড়ে স্থায়ী সমাধানের পথে এই বৈঠক কতটা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে, এখন সেটাই দেখার (Amit Shah)।

     

  • Mohan Bhagwat: ভাগবতের কানাডা সফরের অনুমতি চেয়ে কার্নিকে চিঠি শতাধিক হিন্দু সংগঠনের

    Mohan Bhagwat: ভাগবতের কানাডা সফরের অনুমতি চেয়ে কার্নিকে চিঠি শতাধিক হিন্দু সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) সফরের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে চিঠি দিল শতাধিক কানাডীয় (Canada Visit) হিন্দু সংগঠন ও নাগরিক অধিকার গোষ্ঠী। ভাগবতকে কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য ঘোষণা করার যে দাবি উঠেছে, তা প্রত্যাখ্যান করে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত যেন রাজনৈতিক প্রভাবের ভিত্তিতে নয়, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে নেওয়া হয়—চিঠিতে এমনই আবেদন জানানো হয়েছে।

    কানাডা সরকারকে চিঠি (Mohan Bhagwat)

    কার্নির পাশাপাশি জননিরাপত্তা মন্ত্রী গ্যারি আনন্দসাঙ্গারী, অভিবাসন মন্ত্রী লেনা মেটলেজ দিয়াব এবং বিদেশমন্ত্রী অনিতা আনন্দের কাছেও চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে। আরএসএস প্রধানকে কানাডায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি এবং সংগঠনটিকেও নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে কিছু খালিস্তানপন্থী নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সাংসদ, যাঁদের মধ্যে জেনি কোয়ান ও হিদার ম্যাকফারসন রয়েছেন। কিছু ইসলামপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনও একই দাবি তুলেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, কানাডার বৃহৎ হিন্দু জনগোষ্ঠীর কাছে ভাগবতের প্রস্তাবিত সফর “যথেষ্ট আগ্রহের বিষয়”। শতাধিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, “আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারী ১০১টিরও বেশি কানাডীয় সংগঠন ও নাগরিক অধিকার গোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবতের কানাডা সফরের প্রস্তাবের প্রতি আমাদের সমর্থন জানাতে লিখছি। এই সফর কানাডার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে হিন্দু ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত ১০ লাখেরও বেশি কানাডীয় নাগরিক রয়েছেন।”

    আরএসএস ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন

    চিঠিতে আরএসএসকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, জনপরিসরে মতপ্রকাশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সামাজিক প্রকল্প এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সংগঠনটি পরিচিত। সেখানে আরও বলা হয়েছে, “তাই আমরা নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সাংসদ জেনি কোয়ান ও হিদার ম্যাকফারসন এবং কয়েকটি সংগঠনের সাম্প্রতিক সেই আহ্বান নিয়ে উদ্বিগ্ন, যেখানে কানাডা সরকারকে ভাগবতকে দেশে প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং তাঁকে প্রবেশের অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।”

    ভাগবতের (Mohan Bhagwat) কানাডা সফর ঠেকানোর এই প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করেছে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলি। তাদের বক্তব্য, ভাগবতের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি তোলা হয়েছে, সেগুলির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকা প্রয়োজন। দুই সাংসদের তরফে ভাগবতের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের ইতিহাস, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসাকে সমর্থন, পরিকল্পিতভাবে ভয় দেখানো এবং সন্ত্রাসবাদী বা অপরাধমূলক সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের মতো অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে।

    চিঠিতে যা লেখা হয়েছে

    এই বিষয়ে চিঠিতে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, “গুরুতর অভিযোগের জন্য বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন।”

    আরও বলা হয়েছে, “এগুলি অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ। স্পষ্ট, বিশ্বাসযোগ্য এবং স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া এগুলিকে রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে ব্যবহার করা বা সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা উচিত নয় (Canada Visit)।”

    চিঠিতে কানাডীয় কর্তৃপক্ষকে অভিযোগগুলির সমর্থনে থাকা প্রমাণ খুঁজে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা যথাযথ আইনি ও সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে হবে।

    ভাগবতের উপস্থিতি কানাডার জননিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে কিংবা সামাজিক অশান্তির কারণ হতে পারে—এমন আশঙ্কাও খারিজ করেছে সংগঠনগুলি। তাদের প্রশ্ন, কানাডায় ভাগবত বা আরএসএসের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার নির্দিষ্ট কোনও নজির রয়েছে কি না। তাঁর কানাডা সফর জননিরাপত্তাকে বিপন্ন করবে—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, “কানাডার অভিবাসন ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত আইন, বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে হওয়া উচিত,  অনুমান বা রাজনৈতিক বক্তব্যের ভিত্তিতে নয়।”

    হিন্দু সংগঠনগুলির বক্তব্য

    সংগঠনগুলির বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনাও বৈধ। তবে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও বিদেশি নেতাকে কানাডায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে তা (Mohan Bhagwat) বহুত্ববাদ ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলতে পারে।

    চিঠিতে আরও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, যথেষ্ট প্রমাণ ছাড়াই ভাগবতকে কানাডায় প্রবেশ করতে না দিলে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর তার বৃহত্তর প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে কানাডীয় হিন্দু ও তাঁদের সংগঠনগুলির সঙ্গে অন্য সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে—এমন ধারণা তৈরি হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    সংগঠনগুলির বক্তব্য, “কানাডার বহুসাংস্কৃতিক ব্যবস্থা এই নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যে বিভিন্ন ধর্ম ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মানুষ জনজীবনে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অন্য সব ধর্মীয় বা অ-ধর্মীয় পটভূমির কানাডীয়দের মতো হিন্দুরাও মর্যাদা, নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সংগঠনের অধিকার এবং আইনের চোখে সমতার অধিকারী।”

    “হিন্দুফোবিয়া”য় উদ্বেগ

    ভাগবতের বিরুদ্ধে চলা প্রচারাভিযানকে কিছু কানাডীয় হিন্দু “হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত” বা “হিন্দুফোবিয়া” হিসেবে দেখছেন বলেও চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, কয়েকটি সংগঠন বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মতামত দিয়ে কানাডার সব নাগরিক কিংবা সমস্ত কানাডীয় হিন্দুর অবস্থানকে প্রতিনিধিত্ব করা উচিত নয়।

    চিঠিতে ভাগবতের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “ভাগবতের বক্তব্যের মূল গুরুত্ব সব সময় সামাজিক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক পরিচয়, সমাজসেবা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগের উপর ছিল। তাই আমরা রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সংগঠনগুলিকে তাঁদের প্রকাশ্য বক্তব্যে দায়িত্বশীল হওয়ার এবং এমন ভাষা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানাই, যা কানাডার বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায়গুলির মধ্যে বিভাজন আরও গভীর করতে পারে (Mohan Bhagwat)।”

    চিঠির শেষাংশে সংগঠনগুলি বলেছে, “কানাডার প্রয়োজন আরও আলোচনা, বিভাজন নয়; আরও প্রমাণ, অভিযোগ নয়; আরও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক চাপ নয়; এবং তার বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি আরও সম্মান। কোনও একটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক নেতাকে স্বাগত জানানোর বৈধ অধিকারকে স্তব্ধ করার প্রচেষ্টা নয়। আমরা সম্মানের সঙ্গে কানাডা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, মোহন ভাগবতের প্রস্তাবিত সফর বিবেচনার সময় সমতা, বহুত্ববাদ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সংগঠনের অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার নীতিগুলি বজায় রাখা হোক।”

    চিঠিতে যারা স্বাক্ষর করেছে

    এই যৌথ উদ্যোগে কানাডা ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, কানাডিয়ান আর্য সমাজ, ব্র্যাম্পটন হিন্দু সোসাইটি, হিন্দু সোসাইটি অব কানাডা, হিন্দু মিশন অব কানাডা, হিন্দু সভা টেম্পল, হিন্দু স্বয়ংসেবক সংঘ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ কানাডা-সহ একাধিক মন্দির, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠন অংশ নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে (Canada Visit)।

    চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ভাগবতের প্রস্তাবিত সফরকে কেন্দ্র করে ভারতবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠী—ইসলামপন্থী, বামপন্থী ও খালিস্তানপন্থী সংগঠনগুলির সমন্বয়ে একটি প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে। অনলাইন আবেদন, লিখিত আবেদন এবং প্রতিবাদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্য—এই তিন দেশের সরকারের উপর চাপ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    তবে ভাগবতের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং বিভিন্ন সংগঠনের পাল্টা দাবিগুলি চিঠিতে উল্লিখিত বক্তব্যের ভিত্তিতেই এসেছে, এগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বাধীন যাচাই ও প্রমাণের মূল্যায়ন প্রয়োজন (Mohan Bhagwat)।

     

  • ISRO Transformation: বড় রদবদল ইসরোর কাজে, রকেট-স্যাটেলাইট তৈরির দায়িত্ব যাচ্ছে বেসরকারি সংস্থার হাতে!

    ISRO Transformation: বড় রদবদল ইসরোর কাজে, রকেট-স্যাটেলাইট তৈরির দায়িত্ব যাচ্ছে বেসরকারি সংস্থার হাতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ কর্মসূচিতে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের পথে এগোচ্ছে কেন্দ্র। ভবিষ্যতে রকেট ও নিয়মিত ব্যবহারের উপগ্রহ তৈরির মতো রুটিন উৎপাদনমূলক কাজ থেকে ধীরে ধীরে সরে এসে গবেষণা, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক অভিযান এবং বিশেষ পরিকাঠামো তৈরিতে আরও বেশি মন দিতে চলেছে ইসরো (ISRO)। সেই সঙ্গে রকেট ও উপগ্রহের উৎপাদন এবং বাণিজ্যিক পরিচালনার বড় অংশ তুলে দেওয়া হবে বেসরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট শিল্পক্ষেত্রের হাতে। একটি সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইন-স্পেস-এর চেয়ারম্যান ড. পবন গোয়েঙ্কা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই রূপান্তর ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে এবং আগামী দিনে ভারতের মহাকাশ শিল্পে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

    রকেট তৈরির দায়িত্ব আর নেবে না ইসরো

    পবন গোয়েঙ্কার কথায়, ভবিষ্যতে ইসরো নিজে আর কোনও লঞ্চ ভেহিকল তৈরি করবে না। তাঁর বক্তব্য, রকেট নির্মাণের কাজ বেসরকারি সংস্থা অথবা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার হাতে চলে যাবে। এর ফলে কয়েক দশক ধরে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচিতে যে মডেল কার্যকর ছিল, তাতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। এতদিন গবেষণা থেকে শুরু করে রকেটের নকশা, উৎপাদন এবং উৎক্ষেপণ—প্রায় প্রতিটি স্তরেই ইসরোর কেন্দ্রীয় ভূমিকা ছিল। নতুন ব্যবস্থায় ইসরো মূলত প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

    এসএসএলভি দিয়ে শুরু হয়েছে পরিবর্তন

    এই প্রক্রিয়ার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উঠে এসেছে স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্যল বা এসএসএলভি (SSLV)। ইতিমধ্যেই এসএসএলভি-র প্রযুক্তি ও উৎপাদনের অধিকার নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এটি ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির। ভবিষ্যতে আরও বড় রকেটের ক্ষেত্রেও একই ধরনের মডেল কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    এবার পিএসএলভি ও এলভিএম ৩-র পালা?

    পরবর্তী ধাপে ভারতের দুই গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ ভেহিকল—পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্যল বা পিএসএলভি (PSLV) এবং লঞ্চ ভেহিক্যল মার্ক-৩ বা সংক্ষেপে এলভিএম-৩ (LVM3) —বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোতে পারে। এলভিএম-৩ বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী কার্যকরী রকেট। ভারী উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পাশাপাশি ভারতের ভবিষ্যৎ মানব মহাকাশ অভিযানেও এই পরিবারের রকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে এসএসএলভি-এর মতো এবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন গোয়েঙ্কা। অর্থাৎ, এই পর্বে বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলিই মূলত উৎপাদনের দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পাবে।

    গবেষণায় আরও বেশি মন দেবে ইসরো

    এই পরিবর্তনের ফলে ইসরোর চরিত্রও ধীরে ধীরে বদলাবে। শুধু রকেট ও উপগ্রহ তৈরির দায়িত্ব পালনকারী সংস্থা হিসেবে নয়, বরং একটি গবেষণা ও উন্নয়ন বা গবেষণা-কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসরোকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন প্রযুক্তি তৈরি, বৈজ্ঞানিক মহাকাশ অভিযান, বিশেষায়িত উপগ্রহ এবং এমন উন্নত পরিকাঠামো নির্মাণে ইসরো গুরুত্ব দেবে, যেগুলি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে একা তৈরি করা কঠিন। কোনও প্রযুক্তি পরীক্ষিত ও পরিণত হয়ে গেলে তা বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেসরকারি শিল্প বাণিজ্যিক পরিষেবা চালাতে পারবে। গোয়েঙ্কা জানান, ইতিমধ্যেই ইসরো ১২০টি প্রযুক্তি বেসরকারি ক্ষেত্রের হাতে হস্তান্তর করেছে।

    নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রও বেসরকারি হাতে যেতে পারে

    শুধু রকেট উৎপাদন নয়, ভারতের একটি নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বও বেসরকারি শিল্পের হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। গোয়েঙ্কার বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যে এই উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের অপারেটর চূড়ান্ত হতে পারে। এর ফলে ভারতের মহাকাশ পরিকাঠামোতেও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের পরিমাণ বাড়বে।

    ২০৩৩ সালের মধ্যে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের মহাকাশ অর্থনীতি

    ভারতের এই নীতির পিছনে রয়েছে আরও বড় অর্থনৈতিক লক্ষ্য। বর্তমানে ভারতের মহাকাশ অর্থনীতির আকার প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার। সরকারের লক্ষ্য, ২০৩৩ সালের মধ্যে সেটিকে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া। এই লক্ষ্য পূরণে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন গোয়েঙ্কা। প্রথমত, মহাকাশ পরিষেবায় সরকারের চাহিদা বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রচলিত মহাকাশ শিল্পের বাইরের ক্ষেত্রগুলিতে মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় মহাকাশ পরিষেবা ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারকে একজন ‘অ্যাঙ্কর কাস্টমার’ বা প্রধান ক্রেতা হিসেবে কাজ করতে হবে বলেও মত দিয়েছেন তিনি।

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও বাড়ছে বেসরকারি মহাকাশ সংস্থার ভূমিকা

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বেসরকারি সংস্থাগুলির কাছ থেকে ৩১টি উপগ্রহের অর্ডার দিয়েছে। একই বৃহত্তর কর্মসূচির আওতায় আরও ২১টি উপগ্রহ তৈরি করার কথা ইসরোর। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে নিরাপত্তা, নজরদারি, যোগাযোগ এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা প্রয়োজনেও বেসরকারি মহাকাশ সংস্থার তৈরি উপগ্রহের ব্যবহার বাড়তে পারে।

    বদলাচ্ছে মহাকাশ ব্যবসার মডেল

    ভারত শুধু বেসরকারি সংস্থাকে রকেট বা উপগ্রহ তৈরির সুযোগ দিতে চাইছে না, বরং মহাকাশ সম্পদের মালিকানা এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন মডেলের দিকে এগোচ্ছে। এই মডেলে বেসরকারি সংস্থাগুলি নিজেরাই উপগ্রহের মালিক হবে। সেই উপগ্রহ থেকে সংগৃহীত তথ্য, ডেটা ও পরিষেবা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে তারা আয় করতে পারবে। ফলে আগামী দিনে ভারতের মহাকাশ অর্থনীতিতে শুধু উৎক্ষেপণ পরিষেবা নয়, স্যাটেলাইট ডেটা, স্পেস-ভিত্তিক পরিষেবা, যোগাযোগ, নজরদারি এবং বিভিন্ন শিল্পে মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    ভারতের মহাকাশ কর্মসূচিতে নতুন যুগের সূচনা?

    স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির বিকাশে ইসরোর ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়। সীমিত সম্পদ ও পরিকাঠামোর মধ্যে নিজস্ব প্রযুক্তি তৈরি করে ভারত আজ বিশ্বে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এবার সেই মডেলেই বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। রুটিন উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কাজের বড় অংশ শিল্পক্ষেত্রের হাতে তুলে দিয়ে ইসরো যদি গবেষণা ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির দিকে আরও বেশি মন দিতে পারে, তাহলে চাঁদ, মঙ্গল, মানব মহাকাশ অভিযান, গভীর মহাকাশ গবেষণা এবং নতুন প্রজন্মের উৎক্ষেপণ প্রযুক্তিতে ভারতের সক্ষমতা আরও বাড়তে পারে। অর্থাৎ, রকেট তৈরি থেকে প্রযুক্তি তৈরি—ইসরোর ভূমিকার এই পরিবর্তনই ভারতের পরবর্তী মহাকাশ অভিযানের অন্যতম বড় ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

  • 26/11 Trial: ২৬/১১ হামলায় হাফিজ সইদ-সহ ৬ পাকিস্তানি নাগরিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের সাহায্য চাইছে মুম্বই পুলিশ

    26/11 Trial: ২৬/১১ হামলায় হাফিজ সইদ-সহ ৬ পাকিস্তানি নাগরিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের সাহায্য চাইছে মুম্বই পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৮ সালের ২৬/১১ মুম্বই হামলার (26/11 Trial) মামলায় পাকিস্তানে থাকা ছয় পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতের জারি করা ‘প্রোক্লেমেশন অর্ডার’ কার্যকর করতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইল মুম্বই পুলিশ। এই ছয় অভিযুক্তের মধ্যে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদ (Hafiz Saeed) এবং জাকি-উর-রহমান লখভি। মুম্বই পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানানো হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৬ ধারায় এই আবেদন করা হয়েছে। বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকাম শুক্রবার একটি অন্তর্বর্তীকালীন রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আর্জি

    শুক্রবার ২৬/১১ মামলার বিশেষ আদালতে সরকারি আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম জানান, গত জুলাইয়ে জারি হওয়া প্রোক্লেমেশন অর্ডার নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। নিকম আদালতকে জানান, পাকিস্তানে থাকা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে প্রোক্লেমেশন অর্ডার কার্যকর করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট মন্ত্রক সেই আবেদন গ্রহণ করেছে এবং পরবর্তী অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে সময় চেয়েছে। আদালতের নির্দেশে যাঁদের বিরুদ্ধে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তাঁরা হলেন—হাফিজ সইদ, জাকি-উর-রহমান লখভি, সাজিদ মীর, আবু আলকামা, আসিম ওরফে আবু কাহাফা এবং মেজর আবদুর রহমান পাশা। প্রত্যেকেই পাকিস্তানি নাগরিক। মুম্বই হামলায় তাঁদের কথিত ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে হামলার একমাত্র জীবিত জঙ্গি আজমল কাসাব এবং পরে রাজসাক্ষী হওয়া ডেভিড কোলম্যান হেডলির বয়ানে।

    অনুপস্থিতিতেই হতে পারে বিচার

    ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS), ২০২৩-এর ৩৫৬ ধারায়, কোনও অভিযুক্ত বিচার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপন করলে এবং তাঁকে দ্রুত গ্রেফতার করার সম্ভাবনা না থাকলে আদালত তাঁর অনুপস্থিতিতেই পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি বিচার চালাতে পারে। সেই আইনি ব্যবস্থার আওতাতেই এবার ২৬/১১ মামলার বাকি অভিযুক্তদের বিচার এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের নভেম্বরে ১০ জন পাকিস্তানি জঙ্গি মুম্বইয়ে একের পর এক হামলা চালিয়ে শহরকে ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। তাজ হোটেল, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ছয়জন ছিলেন মার্কিন নাগরিক। একমাত্র জীবিত ধৃত জঙ্গি আজমল কাসাবকে গণহত্যা এবং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর করে ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর পুণের ইয়েরওয়াড়া কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁর ফাঁসি হয়।

    প্রোক্লেমেশন অর্ডার কার্যকর হওয়ার অপেক্ষা

    ২৬/১১ হামলার সঙ্গে যুক্ত মূল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপকে মামলার বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে প্রোক্লেমেশন অর্ডার কার্যকর হলে পাকিস্তানে থাকা অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতেই বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ আরও সুগম হতে পারে। বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকামের প্রতিনিধিত্বে পুলিশ শুক্রবার পলাতক অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য চলতি বছরের জুলাই মাসে জারি করা ঘোষণাপত্রের ওপর একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দাখিল করেছে। সন্ত্রাস মামলার শুনানি চলা বিশেষ আদালতে নিকাম বলেন, “পাকিস্তানে বসবাসকারী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ঘোষণাপত্র জারির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে (এমএইচএ) চিঠি দিয়েছি। ৩ আগস্ট এমএইচএ আমাদের অনুরোধটি স্বীকার করে নিয়েছিল এবং এর অবস্থা জানানোর জন্য সময় চেয়েছিল।” হাফিজের বিরুদ্ধে ট্রায়াল ইন অ্যাবসেনশিয়া শুরু হলে যদি হাফিজ সইদ এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তাকে যখনই ভারতে আনা হবে, তখনই তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

    পাকিস্তানে বাড়ানো হল হাফিজের নিরাপত্তা!

    ভারত যখন লস্কর প্রধান হাফিজের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়ার গতি বাড়াচ্ছে তখনই পাকিস্তানে ‘বন্দি’ হাফিজের নিরাপত্তা আগের থেকেও বাড়িয়ে দিয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। যে বাড়িতে হাফিজ রয়েছে, সেখান নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আইবি গোয়েন্দা অফিসারদের মতে, এর আগে, বহুবার হাফিজকে খুন করার চেষ্টা দেখা গিয়েছে অতীতে। হাফিজ ঘনিষ্ঠ অনেকেই খুন হয়েছে, যার জেরেই তড়িঘড়ি আইএসআই হাফিজের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে, হাফিজকে ঘিরে টার্গেট গত কয়েক মাসে বেড়ে গিয়েছে। যার জেরে হাফিজকে লস্করের ট্রেনিং ক্যাম্পেও যেতে দেওয়া হচ্ছে না পাকিস্তানের নিরাপত্তার খাতিরে। শুধু তাই নয়, লস্করের যে জায়গায় উগ্রপন্থায় যুবকদের মগজধোলাই হয়, সেই ক্যাম্পেও হাফিজ যাচ্ছে না বলে খবর। আর এই সবই তার নিরাপত্তা বাড়িয়ে তোলার জেরে হয়েছে। এর আগে, এই সমস্ত জায়গায় হাফিজের আনাগোনা ছিল।

    কোথায় রয়েছেন হাফিজ?

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তান দাবি করছে, লাহোরের কোট লখপত জেলে নাকি ‘বন্দি’ রয়েছে হাফিজ সইদ। তবে ভারতীয় গোয়েন্দাদের মতে, জেলে নয়, লাহোরের মোহাল্লা জোহার এলাকার এক সেফ হাউজ-এ হাফিজকে রেখে দিয়েছে পাকিস্তান। যে সেফ হাউজকে কার্যত দুর্গের মতো করে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে শেহবাজ শরিফ, আসিম মুনিরের দেশ। আরও একটি রিপোর্ট দাবি করছে, লাহোরের মিঞা মীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি বাড়িতে হাফিজকে নিয়ে রাখা হচ্ছে। সেখানে তার নিরাপত্তা বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একদিকে, অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে যাওয়া তাদের জঙ্গি শিবিরকে ফের গড়ে তোলার চেষ্টায় রয়েছে লস্কর ই তৈবা, তারই মাঝে হাফিজ সইদকে কোনও জঙ্গি ট্রেনিং সেন্টারে দেখা যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সে শুধু ভিডিয়ো কল-এ কথা বলে ক্যাডারদের সঙ্গে। তাও শুধু বড় মাপের বৈঠকেই এমন কল হয়, সেখানে কড়া নিরাপত্তা থাকে।

LinkedIn
Share