Tag: news in bengali

news in bengali

  • Nayab Saini: হরিয়ানা বিজেপির পরিষদীয় নেতা নির্বাচিত সাইনি, বৃহস্পতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ

    Nayab Saini: হরিয়ানা বিজেপির পরিষদীয় নেতা নির্বাচিত সাইনি, বৃহস্পতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজেপি নেতা নয়াব সিং সাইনি (Nayab Saini)। তার আগে তাঁকে হরিয়ানা বিজেপির পরিষদীয় পার্টির নেতা নির্বাচন করল বিজেপি (Haryana CM)। এদিন চণ্ডীগড়ে বৈঠকে বসেন বিজেপি নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    শাহি-সঙ্গে রাজভবনে (Nayab Saini)

    এদিন ভাবী মুখ্যমন্ত্রী সাইনিকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি নেতারা চণ্ডীগড়ে রাজভবনে পৌঁছান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অমিত শাহও। সেখানে রাজ্যপালের কাছে সরকার গড়ার দাবি জানান তাঁরা। প্রসঙ্গত, হরিয়ানায় এই নিয়ে পর পর তিনবার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক অনিল ভিজ বলেন, “বিজেপি পরিষদীয় পার্টির নেতা হিসেবে সমস্ত বিধায়ক নয়াব সিং সাইনিকে (Nayab Saini) নেতা নির্বাচন করেছেন। আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। পার্টি আমায় যে দায়িত্ব দিয়েছিল, আমি সেগুলো পালন করেছি। আগামিকালের প্রোগ্রাম হবে ঐতিহাসিক।”

    সমর্থন করছেন নির্দলরাও

    সাইনি (Nayab Saini) সরকারকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিন নির্দল প্রার্থী সাবিত্রী জিন্দাল, রাজেশ জুন এবং দেবেন্দর কাডিয়াঁ। হিসার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন সাবিত্রী। তিনি বলেন, “কোনও শর্ত ছাড়াই আমি হরিয়ানা সরকারকে সমর্থন করছি। আমরা হিসার এবং হরিয়ানার উন্নয়ন চাই। মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি যে উন্নয়ন করবেন, সে বিষয়ে আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।” বাহাদুরগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন রাজেশ জুন। সাইনি সরকারকে সমর্থন করছেন তিনিও। বলেন, “আমি বিজেপিকে সমর্থন করেছি। কারণ বিজেপির নীতি আমার ভালো লাগে। আমার এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেও আমি বিজেপিকে সমর্থন করেছি।”

    আরও পড়ুন: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ”, ফের একবার জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    সাইনি (Nayab Saini) বলেন, “হরিয়ানাবাসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিশ্বাস রেখেছেন। সেই কারণেই এ রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গড়ছে বিজেপি। ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদি যে উন্নত ভারত গড়ার স্বপ্ন দেখছেন, তা আমরা পূরণ করব।” তিনি বলেন, “আমি অমিত শাহকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আমরা প্রত্যেককে এগিয়ে নিয়ে যাব। হরিয়ানা এবং ভারতের উন্নয়নে একযোগে কাজ করব। হরিয়ানাবাসীকে যেসব প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছি (Haryana CM), সেগুলো পূরণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajiv Kumar: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ”, ফের একবার জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    Rajiv Kumar: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ”, ফের একবার জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ।” ফের একবার সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। সম্প্রতি হরিয়ানা (Haryana Elections) বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারে কংগ্রেস। তার পরেই ইভিএমকে দুষতে থাকে রাহুল গান্ধীর দল। সেই প্রসঙ্গেই রাজীব কুমার জানিয়ে দিলেন, ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ। তিনি বলেন, “জনগণ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তাঁদের মত দান করেন। তাই যাঁরা ইভিএম নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাঁদের উদ্দেশে বলি, ইভিএম একশো শতাংশ নিরাপদ এবং ফুলপ্রুফ।”

    হরিয়ানা বিধানসভা (Rajiv Kumar)

    হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। তার মধ্যে ৪৮টিতেই জিতেছে বিজেপি। মাত্র ৩৭টি আসনে জয়ী হয়েছেন ‘হাত’ প্রার্থীরা। যদিও বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিত ছিল, হরিয়ানায় পরাস্ত হবে বিজেপি। ফল ঘোষণার পর দেখা যায়, ম্যাজিক ফিগারেরও বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি। এর পরেই ইভিএমকে দুষতে থাকে রাহুল গান্ধীর দল। তাদের অভিযোগ, ইভিএমে কারচুপি করে নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি।

    নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ কংগ্রেস

    এই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে দেখা করে কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দল (Rajiv Kumar)। এই দলে ছিলেন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা, অশোক গেহলট, এআইসিসি নেতা কেসি বেণুগোপাল, জয়রাম রমেশ, অজয় মাকেন, পবন খেরা এবং হরিয়ানা কংগ্রেসের চেয়ারম্যান উদয় ভান প্রমুখ। কংগ্রেসের এই প্রতিনিধি দলটি বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে নির্দিষ্ট আপত্তি-সহ আধিকারিকদের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, গণনার দিন যেখানে ইভিএমগুলিতে ফুলচার্জ থাকার কথা, সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই ইভিএমের ব্যাটারির ক্ষমতা ছিল ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। এ ছাড়াও আরও একাধিক অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন, বিজেপির রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    সেই সব অভিযোগেরই উত্তর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কংগ্রেসের অভিযোগ নস্যাৎ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছেন, পুরোপুরি চার্জ দিয়ে ইভিএমগুলোয় ব্যাটারি পরানো হয়। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই এটা করা হয়। মক পোল, অ্যাকচুয়াল ভোটিং এবং কাউন্টিংয়ের সময় স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে ব্যাটারির চার্জ। তবে তাতে যে নির্বাচনের ফলে কোনও এফেক্ট পড়ে না, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন (Haryana Elections) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Rajiv Kumar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: প্রাথমিক টেটে অযোগ্যদের তালিকা আমলাকে পাঠান স্বয়ং পার্থই, দাবি সিবিআইয়ের

    Partha Chatterjee: প্রাথমিক টেটে অযোগ্যদের তালিকা আমলাকে পাঠান স্বয়ং পার্থই, দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা (TET) আমলাকে পাঠান স্বয়ং তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ঠিক এমনটাই দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বিকাশ ভবনে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হওয়া গুরুত্বপূর্ণ নথি দেখার পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারী অফিসারদের হাতে। এই তথ্যের উপর নির্ভর করে তাঁকে মঙ্গলবার প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারী অফিসাররা।

    তালিকাভুক্তদের অনেকেই অযোগ্য (Partha Chatterjee)

    গত জুন মাসে বিকাশ ভবনে টানা অভিযান চালায় সিবিআই। সেখানে ২০১৪ সালের অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) সঙ্গে টেট (TET) দুর্নীতির প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে। বিকাশ ভবনের গুদামঘর থেকে উদ্ধার হয় বস্তাভর্তি নথিপত্র। তার মধ্যে ছিল, প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার টেট প্রার্থীদের তালিকা। মোট ৭৫৩ জনের একটি তালিকা পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে ওই বছর ৩১০ জনের চাকরি হয়েছিল। সিবিআইয়ের দাবি, ওই তালিকাভুক্তদের অনেকেই অযোগ্য। বাজেয়াপ্ত নথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, পার্থ অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের তালিকা পাঠিয়েছিলেন এক সরকারি আমলাকে। ওই তালিকা থেকে কয়েক জনের চাকরি হয়। এই নথির মধ্যে প্রভাবশালী কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।

    ২০২২ সালে গুদামটি সিল করেছিল সিবিআই

    শিক্ষা দফতরের বিভিন্ন কাগজপত্র রাখার জন্য ব্যবহৃত ওই গুদামটি ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিল করেছিল সিবিআই। এই গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বহু নথি উদ্ধার করেছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার টেট সংক্রান্ত জরুরি তথ্য ছাড়াও সেই নথিতে ছিল পরীক্ষার্থী এবং চাকরি প্রাপ্তদের নামের তালিকাও।

    আরও পড়ুনঃ ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিলের ডাক শুভেন্দুর

    নাকতলার বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন পার্থ

    ২০২২ সালের ২২ জুলাই তারিখে দক্ষিণ কলকাতার নাকতলার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশির পর বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয় তৎকালীন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। এরপর এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তৎকালীন এই মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতাকেও গ্রেফতার করেছিল। যদিও আলাদা করে সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নেয়নি পার্থকে। বর্তমানে, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে, পার্থর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় জামিনের আবেদন শুনানি শেষ হয়েছে। রায়দান আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে হাইকোর্টে।         

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 166: “মন ধোপা ঘরের কাপড়, যে-রঙে ছোপাবে সেই রঙ হয়ে যায়”

    Ramakrishna 166: “মন ধোপা ঘরের কাপড়, যে-রঙে ছোপাবে সেই রঙ হয়ে যায়”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২৯শে মার্চ

    কর্মেন্দ্রিয়াণি সংযম্য য আস্তে মনসা স্মরন্‌ ৷
    ইন্দ্রিয়ার্থান বিমূঢ়াত্মা মিথ্যাচারঃ স উচ্যতে ॥
                                                 (গীতা, ৩।৬)

    গেরুয়াবসন ও সন্ন্যাসী—অভিনয়েও মিথ্যা ভাল নয়

    পরমহংসদেবের (Ramakrishna) সমাধী ক্রমে ভঙ্গ হইতে লাগিল। ভাবস্থ হইয়াই কথা কহিতেছেন (Kathamrita)। আপনা-আপনি বলিতেছেন—

    শ্রীরামকৃষ্ণ (গেরুয়াদৃষ্টে)—আবার গেরুয়া কেন? একটা কি পরলেই হল? (হাস্য) একজন বলেছিল, চন্ডী ছেড়ে হলুম ঢাকী—আগে চণ্ডির গান গাইত, এখন ঢাক বাজায়! (সকলের হাস্য)

    বৈরাগ্য তিন-চার প্রকার। সংসারের জ্বালায় জ্বলে গেরুয়াবসন পরেছে—সে বৈরাগ্য বেশিদিন থাকে না। হয়তো কর্ম নাই, গেরুয়া পরে কাশী চলে গেল। তিনমাস পরে ঘরে পত্র এল, আমার একটি কর্ম হইয়াছে, কিছুদিন পরে বাড়ি যাইব, তোমরা ভাবিত হইও না। আবার সব আছে, কোন অভাব নাই, কিন্তু কিছুভাল লাগে না। ভগবানের জন্য একলা একলা কাঁদে। সে বৈরাগ্য যথার্থ বৈরাগ্য।

    মিথ্যা কিছুই ভাল নয়। মিথ্যা ভেক ভাল নয়। ভেকের মতো যদি মনটা না হয়, ক্রমে সর্বনাশ হয়। মিথ্যা বলতে বা করতে ক্রমে ভয় ভেঙে যায়। তার চেয়ে সাদা কাপড় ভাল। মনে আসক্তি, মাঝে মাঝে পতন হচ্ছে, আর বাহিরে গেরুয়া! বড় ভয়ঙ্কর!”

    কেশবের বাড়ি গমন ও নববৃন্দাবন-দর্শন 

    এমনকি, যারা সৎ, অভিনয়েও তাদের মিথ্যা কথা বা কাজ ভাল নয়। কেশব সেনের ওখানে নববৃন্দাবন নাটক দেখতে গিছলাম। কি একটা আনলে ক্রস (cross); আবার জল ছড়াতে লাগল, বলে শান্তিজল। একজন দেখি মাতাল সেজে মাতলামি করছে!”

    ব্রাহ্মভক্ত—কু—বাবু।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ভক্তের পক্ষে ওরূপ সাজাও ভাল নয়। ও-সব বিষয়ে মন অনেকক্ষণ ফেলে রাখায় দোষ হয়। মন ধোপা ঘরের কাপড়, যে-রঙে ছোপাবে সেই রঙ হয়ে যায়। মিথ্যাতে অনেকক্ষণ ফেলে রাখলে মিথ্যার রঙ ধরে যাবে।

    আর-একদিন নিমাই-সন্ন্যাস, কেশবের বাড়িতে দেখতে গিছিলাম। যাত্রাটি কেশবের কতকগুলো খোশামুদে শিষ্য জুটে খারাপ করেছিল। একজন কেশবকে বললে, কলির চৈতন্য হচ্ছেন আপনি! কেশব আমার দিকে চেয়ে হাসতে হাসতে বললে, ‘তাহলে ইনি কি হলেন?’ আমি বললুম (Kathamrita), ‘আমি তোমাদের দাসের দাস। রেণুর রেণু।’ কেশবের লোকমান্য হবার ইচ্ছা ছিল।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পঞ্চবার আঠার ষোল, যুগে যুগে এলাম ভাল…শেষে কচে বারো পড়ে মাগো, পঞ্জা-ছক্কায় বন্দী হলাম”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Polls: দুয়ারে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন, বিজেপির রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    Jharkhand Polls: দুয়ারে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন, বিজেপির রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে ঘোষণা হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের (Jharkhand Polls) নির্ঘণ্ট। তার পরেই প্রার্থী বাছাই করতে কোমর কষে নেমে পড়েছে বিজেপি (PM Modi)। মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের সদর দফতরে বৈঠকে বসেন বিজেপি নেতারা। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও।

    বিজেপির বৈঠকে কারা (Jharkhand Polls)

    এদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষও। ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইনচার্জ শিবরাজ সিং চৌহান এবং কো-ইনচার্জ হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী এবং সঞ্জয় শেঠ। দলের ঝাড়খণ্ড ইউনিটের প্রধান বাবুলাল মারান্ডি এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডাও উপস্থিত ছিলেন। এদিনের বৈঠক (Jharkhand Polls) সম্পর্কে অবগত বিজেপির এক নেতা বলেন, “ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রের ফল নিয়ে মোদি খুবই আশাবাদী। ক্লিন ইমেজের প্রার্থী বাছাই করতে বলেছেন কমিটিকে। যাঁদের নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তাঁদের প্রার্থী করতেও নিষেধ করেছেন।”

    সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

    ঝাড়খণ্ড বিজেপির কোর কমিটি আগেই একটি সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছিল। অক্টোবরের ৭ তারিখে নাড্ডার সঙ্গে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পরেই ওই তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। বিজেপির ওই নেতা বলেন, “সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই তালিকায় বিহার ও ঝাড়খণ্ডের জোট সঙ্গীদের জন্য আসন বরাদ্দ করা ছিল। এনডিএ-র সহযোগী দলগুলি যেমন জেডিইউ এবং এলজেপি (আরভি)-কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    জানা গিয়েছে, বিজেপি এ রাজ্যে জেডিইউ এবং অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন পার্টির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ানের নেতৃত্বাধীন এলজেপি (আরভি)-র সঙ্গে প্রাক নির্বাচনী জোট গড়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রতিটি আসনে তিনজন করে প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।ঝাড়খণ্ডে নির্বাচন হবে দু’দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৩ নভেম্বর। এদিন নির্বাচন হবে ৪৩টি আসনে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে নভেম্বরের ২০ তারিখে। এদিন হবে ৩৮টি আসনে (PM Modi) ভোট (Jharkhand Polls)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 165: “ঈশ্বরপ্রেমে অহরহঃ মাতোয়ারা শ্রীরামকৃষ্ণের প্রেমের চক্ষু—বাৎসল্যভাবের উদয় হইল”

    Ramakrishna 165: “ঈশ্বরপ্রেমে অহরহঃ মাতোয়ারা শ্রীরামকৃষ্ণের প্রেমের চক্ষু—বাৎসল্যভাবের উদয় হইল”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২৯শে মার্চ

    দক্ষিণেশ্বর-কালীবাড়িতে শ্রীযুক্ত অমৃত, শ্রীযুক্ত ত্রৈলোক্য প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তের সঙ্গে কথোপকথন

    সমাধিমন্দিরে 

    ফাল্গুনের কৃষ্ণা পঞ্চমী তিথি, বৃসস্পতিবার, ১৬ই চৈত্র; ইংরেজী ২৯শে মার্চ, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ। মধ্যাহ্ন ভোজনের পর ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কিঞ্চিৎ বিশ্রাম করিতেছেন। দক্ষিণেশ্বর-কালীবাড়ির সেই পূর্বপরিচিত ঘর। সম্মুখে পশ্চিমদিকে গঙ্গা। চৈত্র মাসের গঙ্গা। বেলা দুইটার সময় জোয়ার আসিতে আরম্ভ হইয়াছে। ভক্তেরা কেহ কেহ আসিয়াছেন। তন্মধ্যে ব্রাহ্মভক্ত শ্রীযুক্ত অমৃত ও মধুরকন্ঠ (Kathamrita) শ্রীযুক্ত ত্রৈলোক্য, যিনি কেশবের ব্রাহ্মসমাজে ভগবল্লীলাগুণগান করিয়া আবালবৃদ্ধের কতবার মন হরণ করিয়াছেন।

    রাখালের অসুখ। এই কথা শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তদের বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এই দেখ, রাখালের অসুখ। সোডা খেলে কি ভাল হয় গা? কি হবে বাপু! রাখাল তুই জগন্নাথের (Kathamrita) প্রসাদ খা।

    এই কথা বলিতে বলিতে ঠাকুর অদ্ভুতভাবে ভাবিত হইলেন। বুঝি দেখিতে লাগিলেন, সাক্ষাৎ নারায়ণ সম্মুখে রাখালরূপে বালকের দেহধারণ করে এসেছেন! একদিকে কামিনী-কাঞ্চনত্যাগী শুদ্ধাত্মা বালকভক্ত রাখাল, অপরদিকে ঈশ্বরপ্রেমে অহরহঃ মাতোয়ারা শ্রীরামকৃষ্ণের সেই প্রেমের চক্ষু—সহজেই বাৎসল্যভাবের উদয় হইল। তিনি সেই বালক রাখালকে বাৎসল্যভাবে দেখিতে লাগিলেন ও ‘গোবিন্দ’ ‘গোবিন্দ’ এই নাম প্রেমভরে উচ্চারণ করিতে লাগিলেন। শ্রীকৃষ্ণকে দেখিয়া যশোদার যে-ভাবের উদয় হইত এ বুঝি সেই ভাব! ভক্তেরা এই অদ্ভুত ব্যাপার দর্শন করিতেছেন, এমন সময়ে সব স্থির! ‘গোবিন্দ’ নাম করিতে করিতে ভক্তাবতার ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) সমাধি হইয়াছে। শরীর চিত্রার্পিতের ন্যায় স্থির! ইনিদ্রয়গণ কাজে জবাব দিয়া যেন চলিয়া গিয়াছে! নাসিকাগ্রে দৃষ্টি স্থির। নিঃশ্বাস বহিছে, কি না বহিছে। শরীরমাত্র ইহলোকে পড়িয়া আছে! আত্মাপক্ষী বুঝি চিদাকাশে বিচরণ করিতেছে। এতক্ষণ যিনি সাক্ষাৎ মায়ের ন্যায় সন্তানের জন্য ব্যস্ত হইয়াছিলেন, তিনি এখন কোথায়? এই অদ্ভুত ভাবান্তরের নাম কি সমাধি (Kathamrita)?

    এই সময়ে গেরুয়া কাপড়-পরা অপরিচিত একটি বাঙালী আসিয়া উপস্থিত হইলেন ও আসন গ্রহণ করিলেন।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পঞ্চবার আঠার ষোল, যুগে যুগে এলাম ভাল…শেষে কচে বারো পড়ে মাগো, পঞ্জা-ছক্কায় বন্দী হলাম”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Singur: ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিলের ডাক শুভেন্দুর

    Singur: ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিলের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে (Singur) রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিল করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাম আমলে সিঙ্গুরে টাটা ন্যানো কারখানা গড়তে চেয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন বিরোধী দলেরনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি অধিগ্রহণ এবং অনিচ্ছুক চাষিদের পক্ষ নিয়ে আন্দোলন করে কারখানা নির্মাণ করতে দেননি। বিরোধী শিবিরের দাবি, এর ফলে রাজ্য একটি ভারী শিল্প-কারখানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সেই মাশুল আজও রাজ্যবাসীকে দিতে হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার রতন টাটা প্রয়াত হয়েছেন গত ১০ অক্টোবর। এবার তাঁর ছবি নিয়ে রাজ্যে শিল্প-কারখানা তথা কর্মসংস্থান কতটা দরকার, সেই বার্তা দিতেই মিছিল করবেন এই বিজেপি নেতা।

    অন্ধকারেই সিঙ্গুর (Singur)!

    তখন বাম রাজত্ব মধ্যগগনে। হুগলির সিঙ্গুরে (Singur) ন্যানো কারখানা তৈরি করে বড় শিল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান রতন টাটা। কিন্তু এই কারখানার বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে প্রবল বিরোধিতা এবং জমি অধিগ্রহণকে ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হলে ওই কারখানা স্থানান্তর হয় গুজরাটে। যদিও ঠিক পরের বছর ভোটের আগেই গুজরাটে সফল ভাবে ন্যানো উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালের পর তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসলে সিঙ্গুরের জমির কোনও গতি লক্ষ্য করা যায়নি। এমনকী, মমতা ওই জমিতে সর্ষে বীজ বপণ করলেও জমি আজও চাষের যোগ্য হয়ে ওঠেনি। উল্টে গত বছর দেশের শীর্ষ আদালত, টাটা গোষ্ঠীকে বিরাট অঙ্কের সুদ সমেত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকারকে। আদালতে টাটারা, মমতার বিরুদ্ধে বিরাট সাফল্য পেয়েছে। এই টাকা এখন দিতে হবে মমতার সরকারকে। এই অবস্থায় সিঙ্গুরবাসীর মনে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। না হল চাষ, না হল কারখানা, সিঙ্গুর সেই অন্ধকারে। বিজেপির দাবি অন্ধকারে আলো জ্বালানো হবে।

    আরও পড়ুনঃ কোজাগরীতে বৃষ্টি কলকাতায়, লক্ষ্মী পুজোয় কেমন থাকবে বঙ্গের আবহাওয়া?

    একটিও নতুন কারখানা গড়তে পারেননি মমতা

    এবার এই সিঙ্গুরে (Singur) প্রয়াত টাটা গোষ্ঠীর প্রধান রতন টাটার ছবি নিয়ে মিছিল করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিজেপির দাবি, মমতা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। রতন টাটা চেয়েছিলেন বাংলার মানুষের কর্মসংস্থান হোক। তাই রতন টাটাকে স্মরণ করে শিল্প-কারখানার কথাকেই আরও জোর দিয়ে সমাজের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই মৌন মিছিলের উদ্দেশ্য। বিজেপি আরও দাবি করেছে, গত তেরো বছরের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে একটিও নতুন কারখানা গড়তে পারেননি। সর্বত্র তৃণমূলের নেতারা তোলাবাজি করছে। রাজ্যের শিল্প গড়ার অনুকুল পরিবেশ নেই। তাই রাজ্যের মানুষকে অন্য রাজ্যে পরিযায়ী হয়ে কাজ করতে হয়। বিজেপির মতে, এই বেকারত্ব এবং দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তি পেতে রাজ্যে পরিবর্তন দরকার। তৃণমূল থেকে মুক্তি পেলে তবেই রাজ্যের উন্নতি সম্ভব। এমনটাই বলছে গেরুয়া শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস (NC Congress Clash)। সফল হয়েছে মিশনও। জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) সরকার গড়তে চলেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। তবে এই সরকারের অংশ হতে চায় না কংগ্রেস। জোটের অন্দরে ঘোঁট পেকে যাওয়ায় যারপরনাই খুশি ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোটের বিরোধীরা।

    ছড়ি ঘোরাবে ন্যাশনাল কনফারেন্স (Jammu And Kashmir)

    ১০ বছর পর বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। সেই নির্বাচনে ৯০টি আসনের মধ্যে ৪২টিতে জয়ী হয়েছে ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়েছে ৬টি আসন। এই জোটই সরকার গড়বে বলে প্রথমে ঠিক ছিল। সূত্রের খবর, পরে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব নিয়ে অশান্তির জেরে নবগঠিত সরকারে কংগ্রেস যোগ দিচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সরকারে যোগ না দিলেও, বাইরে থেকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে কংগ্রেস। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সরকারের অংশ হবে না তারা।

    অশান্তির সূত্রপাত

    সূত্রের খবর, অশান্তির সূত্রপাত মন্ত্রিত্ব নিয়েই (Jammu And Kashmir)। কংগ্রেস মাত্র ৬টি আসনে জিতেছে। তাই তাদের একটির বেশি পূর্ণ মন্ত্রীর পদ দিতে রাজি নন ওমর। যদিও কংগ্রেস ৩টি দফতর চেয়েছে। কিছুটা নরম হয়ে ওমরের দল কংগ্রেসকে ডেপুটি স্পিকারের পদ ছাড়তেও রাজি হয়েছে। তিনজনকে মন্ত্রী না করায় গোঁসা হয়েছে কংগ্রেসের। যেহেতু সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে ওমরের দল, তাই মন্ত্রিসভায় ছড়ি ঘোরাবে তারা। সে ক্ষেত্রে সরকারে কোণঠাসা হয়ে যেতে হবে হাত শিবিরকে। এতেই রাজি নয় রাহুল গান্ধীর দল (Jammu And Kashmir)।

    আরও পড়ুন: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ওমরের দলের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ইন্ডি জোটের নেতাদের। তবে যেহেতু সরকারে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস, তাই এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও যাচ্ছেন না কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে জোট বাঁচাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। শপথ নেওয়ার আগে ওমর বলেন, “কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আলাদা আনন্দ অনুভব করছি। এখানকার মানুষের সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রের (NC Congress Clash) সঙ্গে সব রকম সহযোগিতা করা হবে (Jammu And Kashmir)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bomb Threats in Airlines: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    Bomb Threats in Airlines: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক! ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে বোমাতঙ্ক (Bomb Threats in Airlines) ছড়াল ১০টি বিমানে। যার জেরে বুধবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Civil Aviation Ministry)। তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যুরো অফ সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি। কে বা কারা বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়াল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই বসছে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।

    বোমা হামলার হুমকি (Bomb Threats in Airlines)

    মঙ্গলবার সাতটি ভারতীয় বিমানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়। হুমকি পেয়ে কানাডায় জরুরি অবতরণ করে আমেরিকাগামী একটি বিমান। দিল্লি থেকে শিকাগোগামী একটি বিমানকেও হুমকির কারণে জরুরি অবতরণ করানো হয় কানাডায়। এদিনই দুপুরে জয়পুর থেকে বেঙ্গালুরুগামী একটি বিমানেও বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়। বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করানো হয় নবনির্মিত অযোধ্যা বিমানবন্দরে। সৌদি আরবের দামাম থেকে লখনউ আসছিল ইন্ডিগোর একটি বিমান। বোমাতঙ্কের জেরে জয়পুরে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। জরুরি অবতরণ করানো হয় দ্বারভাঙা-মুম্বইগামী এবং শিলিগুড়ি-বেঙ্গালুরুগামী দুটি বিমানকেও।

    জরুরি অবতরণ (Civil Aviation Ministry) 

    মঙ্গলের আগে সোমবারও বোমা হামলার হুমকি (Bomb Threats in Airlines) পেয়েছিলেন তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানের কর্তারা। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিমানগুলিকে জরুরি অবতরণ করিয়ে খানাতল্লাশি করানো হয়। তবে কোনও ক্ষেত্রেই কিছুই মেলেনি। অতীতেও বেশ কয়েকবার বিমানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকি দেওয়া হয়েছে হাসপাতাল এবং ট্রেনেও। তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই সেই সব হুমকিই ভুয়ো বলে চিহ্নিত হয়েছে। সোম-মঙ্গলের হুমকিকে হালকাভাবে নিতে রাজি নয় বিমান নিরাপত্তা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: মানববন্ধনে মন্ত্রীর গাড়ি, সুজিতের গাড়িতে চড়থাপ্পড় উত্তেজিত জনতার

    এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমেই বোমাতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক তদন্তকারী অফিসার। তিনি বলেন, “আমরা বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করেছি। সেগুলি বন্ধ করা হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকেই বোমা হামলার হুমকি (Bomb Threats in Airlines) দেওয়া হয়েছিল।” তিনি জানান, লন্ডন-সহ কয়েকটি দেশ থেকে এই বার্তা পাঠানো হয়েছে। প্রবীণ এক নিরাপত্তা আধিকারিক বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা আপোশ করতে পারি না। আমরা হুমকি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স (Civil Aviation Ministry) ও নিরাপত্তা আধিকারিকদের ইনফর্ম করি, পরবর্তী পদক্ষেপ করতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kojagari Lakshmi Puja 2024: কোজাগরীর আগে অগ্নিমূল্য সবজি ও ফলের বাজার, মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস

    Kojagari Lakshmi Puja 2024: কোজাগরীর আগে অগ্নিমূল্য সবজি ও ফলের বাজার, মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাত থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পূর্ণিমা তিথি শুরু (Kojagari Lakshmi Puja 2024)। কিন্তু, তার আগে থেকেই সবজি, ফুল থেকে ফলের বাজার (Vegetable-Fruit Prices)— সবেতেই অগ্নিমূল্য। মায়ের ভোগ জোগাড় করতে কার্যত হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত বাঙালি। সবথেকে বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টম্যাটো এবং বেগুন। অনেকের বাড়িতে লক্ষ্মীপুজোতে মাছকে ভোগ হিসেবে নিবেদন করে থাকে। এবার মাছের বাজারেও যেন মধ্যবিত্ত বাঙালির হাতে ছেঁকা লাগছে। পুজোর বাজারে নাজেহাল আমজনতা।

    নমো নমো করে সারতে হবে পুজো! (Kojagari Lakshmi Puja 2024)

    বাজারে পুজোর সরঞ্জাম থেকে ভোগের নৈবেদ্য উপাচার, সবেতেই যেন আগুন লেগেছে। পুজোর আগে বর্ষার পর থেকেই কাঁচা বাজারে যেন অস্বভাবিক ভাবে দাম বৃদ্ধি হয়েছে। এই চড়া দাম পুজোর মধ্যে যেন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও রাজ্য সরকার টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে। ওই বিভাগও রীতিমতো মূল্যবৃদ্ধিকে (Vegetable-Fruit Prices) মেন নিয়েছে। তবে শীতকালীন সবজি বাজারে এলে দাম কমার ইঙ্গিত দিয়েছে টাস্ক ফোর্স। আপাতত লক্ষ্মীপুজোর (Kojagari Lakshmi Puja 2024) বাজার নাগালের বাইরে। তাই অনেকে বলছেন নমো নমো করে মায়ের পুজো সারবেন।

    অগ্নিমূল্য ফলের বাজার!

    বুধবার, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর (Kojagari Lakshmi Puja 2024) আগে সবজি এবং ফলের বাজারে ভিড় থাকলেও ততটা বেচাকেনা নেই বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। তাঁদের বক্তব্য, আগে ক্রেতারা এক থেকে দেড়-দু’কেজি জিনিস কিনলেও, এখন বর্তমানে মাত্র আধা বা এক কেজি ক্রয় করছেন। লোকসান হচ্ছে বিক্রেতাদের। কলকাতার বাজারে নারকেল বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৪০ টাকায়। একটি ডাবের মূল্য প্রায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা। ফলে ডাবের পরিবর্তে বিকল্প ফলের কথা ভাবছেন অনেকেই। বাজারে ফলের দামের তালিকা দেখলেই আয়োজনের আড়ম্বরকে সংযত করে আনতে হচ্ছে।

    বুধবার ফলের বাজারে (Vegetable-Fruit Prices) মূল্য রয়েছে, কেজি প্রতি আপেলের দাম ২০০ টাকা, এক কেজি ন্যাসপাতির দাম ৩০০ টাকা, এক কেজি শসার দাম ৮০ টাকা, এক কেজি পেয়ারার দাম ৮০ টাকা। এক কেজি পানিফল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এক কেজি বেদানার দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। এক কেজি খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। এক কেজি আঙুরের দাম ২০০ টাকা, এক কেজি পাকা পেঁপের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক কেজি আতা ফলের দাম কলকাতার বাজারে ৩০০ টাকা, এক কেজি তরমুজের দাম প্রায় ৮০ টাকা। আবার লক্ষ্মীপুজোর (Kojagari Lakshmi Puja 2024) আগের দিন এক জোড়া মুসাম্বি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকায়, এক জোড়া কমলালেবু বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকায়।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘হীরক রানির রাজত্ব…’’, কার্নিভালে কর্মরত চিকিৎসককে আটক নিয়ে সরব সুকান্ত

    চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি

    একই ভাবে লক্ষ্মীপুজোতে (Kojagari Lakshmi Puja 2024) সবজির বাজারে যেন অগ্নিমূল্য। যেমন-কেজি প্রতি পটলের দাম ৫০ টাকা, এক কেজি উচ্ছের দাম ৮০ টাকা, এক কেজি সিমের দাম ৫০০ টাকা। এক কেজি বিট বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, এক কেজি গাজর ১০০ টাকায়, এক কেজি কাঁচা লঙ্কা ১২০ টাকা, এক কেজি মটরশুঁটি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি বেগুনের দাম ১৫০ টাকা (Vegetable-Fruit Prices)। এক কেজি টম্যাটোর দাম বাজারে ১০০ টাকা। এক কেজি কুমড়োর দাম ৪০ টাকা, এক কেজি বরবটির দাম ১০০ টাকা, এক কেজি বাঁধাকপির দাম এখন ৭০ টাকা। একটি ফুলকপির দাম ৩০ টাকার আশপাশে। এক কেজি জ্যোতি আলুর দাম ৩৪ টাকা, এক কেজি চন্দ্রমুখী আলুর দাম ৩৮ টাকা। একশো গ্রাম আদার দাম ৩০ টাকা। অনেকে লক্ষ্মীকে ভোগে ইলিশ মাছ দেন। বাজারে সেই এক কেজি ইলিশের দাম ১,৬০০ থেকে ১,৭০০ টাকা।

    লক্ষ্মীর পঞ্চ (Kojagari Lakshmi Puja 2024) ব্যাঞ্জনের ভোগে জোগাড় করতে হাতে টান পড়েছে বাঙালির। রাজ্য সরকারের টাস্ক ফোর্সের প্রধান রবীন্দ্রনাথ কোলে বলেন, “বাজারে কিছু সবজির দাম বেশি। একই ভাবে পাইকারি ভাবেও সবজির দাম বেশি (Vegetable-Fruit Prices)। তবে গ্রীষ্মকালীন সবজি বলে দাম বেশি। শীতের সবজি উঠলে দাম অনেকটাই কমে যাবে।” কিন্তু অগ্নিমূল্যের বাজারে উৎসব মুখর পুজোর দিনগুলি কীভাবে কাটে তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share