Tag: news in bengali

news in bengali

  • Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের দিন। ভোটের (Assembly Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পর এখনও বাংলায় প্রচারে আসেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Bengal)। তিনি বাংলায় কবে প্রথম প্রচার শুরু করবেন, তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তবে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ কর্মসূচি কোথায় হতে চলেছে, তার আঁচ পাওয়া গেল। হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে তাঁর নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ভোটে রাজ্যে সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একুশের নির্বাচনে যে দ্বৈরথ পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে দেখা গিয়েছিল, সেটাই এবার হচ্ছে ভবানীপুরে। গতবার নন্দীগ্রামে এই দ্বৈরথে মমতাকে টেক্কা দিয়েছিলেন শুভেন্দু।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচি

    রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর,পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026)  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কী কী কর্মসূচি থাকবে, তার রূপরেখা চূড়ান্ত করার আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সে আলোচনার শুরুতেই নির্ধারিত হয়েছে শেষ কর্মসূচিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় বা শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে শেষ রোড শো কোথায় করবেন, স্থির করে ফেলেছে বিজেপি। এ যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্তিম রোড শো-টি ভবানীপুর ছুঁয়ে যাবে। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। সে দফায় কলকাতায় ভোট হচ্ছে না। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল। তাই ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যেই এই অঞ্চলে ভোটের প্রচার তুঙ্গে উঠবে। ওই সময়েই প্রধানমন্ত্রী মোদি কলকাতায় রোড শো করবেন। সেটিই হবে পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনে তাঁর শেষ রোড শো। কোন পথ দিয়ে বা কলকাতার কোন কোন অ়ঞ্চল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো এগোবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সে কর্মসূচি যে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে অবশ্যই ছুঁয়ে যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।

    ভবানীপুরে শেষ রোড-শো!

    বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার মোদি শেষ করতে পারেন ভবানীপুরে। এই নিয়ে জোর আলোচনা চলছে পদ্মশিবিরে। কলকাতার দুই প্রান্তে দুটি রোড শো করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (Modi in Bengal)। তবে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন, এসপিজি-র ছাড়পত্র— এমন অনেকগুলি বিষয়ের উপরে যাত্রাপথ চূড়ান্ত হওয়া নির্ভর করছে। সূত্রের খবর, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায় মোদি রোড শো, মিছিল করবেন। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। মোদির ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচির আভাস পাওয়া গেলেও প্রথম কর্মসূচি সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছেন, আগামী ২৬ মার্চ বঙ্গে ভোট প্রচার শুরু করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও প্রধামন্ত্রীর দফতর থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। শোনা যাচ্ছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসবেন মোদি। শিলিগুড়িতে করতে পারেন রোড শো।

     

     

     

     

     

  • Tooth Decay in Indian Kids: দাঁতের সমস্যায় কাবু অধিকাংশ ভারতীয় শিশু! খাদ্যাভ্যাস নাকি সচেতনতার অভাব?

    Tooth Decay in Indian Kids: দাঁতের সমস্যায় কাবু অধিকাংশ ভারতীয় শিশু! খাদ্যাভ্যাস নাকি সচেতনতার অভাব?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দাঁতের সমস্যায় কাবু অধিকাংশ ভারতীয় শিশু। দাঁতের ক্ষয়, মাড়ি ফুলে যাওয়া কিংবা মুখের ভিতরে সংক্রমণে ভোগান্তি বাড়ছে ভারতীয় শিশুদের। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সচেতনতার অভাবের জেরেই এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ভারতীয় শিশুদের ওরাল হাইজিন সব সময় ঠিকমতো মেনে চলা হচ্ছে না। তাই দাঁত ও মুখের ভিতরের নানান রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

    কেন ভারতীয় শিশুদের দাঁতের সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় শিশুদের দাঁতের সমস্যা বাড়ার অন্যতম কারণ, খাদ্যাভ্যাস। অধিকাংশ ভারতীয় শিশুর প্রতিদিনের খাবারে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়। বিশেষত ছয় বছরের কম বয়সি শিশুদের অনেকেই নিয়মিত মিষ্টি এবং ক্যান্ডি, চকলেট জাতীয় খাবার খায়। তাই তাদের দাঁতের সমস্যা দেখা যায়। মিষ্টি দাঁতের ক্ষয় বাড়িয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় হয়। দাঁত মজবুত হয় না। খাবারের পাশপাশি মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার জেরেও দাঁতের সমস্যা দেখা যায়। নিয়মিত দুবার ব্রাশ করা উচিত। অধিকাংশ শিশুই নিয়মিত দুবার ব্রাশ করে না।‌ প্রত্যেকবার খাবার খাওয়ার পরে মুখ ও দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার করা জরুরি। অনেক সময়েই সেটা হয় না। তাই মুখের ভিতরে নানান সংক্রমণ দেখা যায়। ফলে, দাঁতের সমস্যাও তৈরি হয়। অতিরিক্ত চটজলদি খাবার খাওয়ার অভ্যাস দাঁতের সমস্যা তৈরি করছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রক্রিয়াজাত চটজলদি খাবারে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়। তাছাড়া শরীরে ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য ভিটামিনের অভাব তৈরি করে। শরীরে খনিজ ও ভিটামিনের ঘাটতি হলে দাঁতের সমস্যা দেখা যায়।

    কোন ধরনের সমস্যা বেশি হচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ দাঁতের ভিতরে গর্ত হয়ে যাওয়া, কালো দাগ পড়ে যাওয়া আসলে দাঁতের ক্ষয় হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। অধিকাংশ ভারতীয় শিশুর দাঁতের ক্ষয় রোগ হয়। ফলে দাঁতে যন্ত্রণা হয়। ভোগান্তি বাড়ে। তাছাড়া মুখের ভিতরে সংক্রমণের জেরে মারি ফুলে যাওয়া, লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা যায়। আবার দুধের দাঁত ঠিকমতো পড়া এবং ওঠা নিয়েও সমস্যা দেখা যাচ্ছে।

    কোন বয়সে দাঁতের সমস্যা বেশি হচ্ছে?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সে দাঁতের সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিন বছরের কম বয়সি শিশুদের অনেকের দাঁত ওঠা নিয়ে জটিলতা দেখা যায়। তবে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সিদের দাঁতের ক্ষয় এবং মারির সংক্রমণের সমস্যা বাড়ছে। এই বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। আবার মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি ও অনেক সময় তারা মেনে চলে না।‌ ঠিকমতো ব্রাশ করা কিংবা মুখ ধোয়া ঠিকমতো হয় না।‌ ফলে সংক্রমণ আটকানো কঠিন হয়।

    কীভাবে সন্তানের দাঁত ও মাড়ির যত্ন নিতে হবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, প্রথম থেকেই দাঁতের মজবুত গঠনে নজর দেওয়া জরুরি। শিশু খাবারে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম থাকছে কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি। নিয়মিত দুধ, ডিম, পনির, লেবু, বেরি জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় রাখা জরুরি। এই ধরনের খাবার থেকে শিশু সহজেই শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম সংগ্রহ করতে পারে। এতে দাঁত মজবুত হয়। দাঁতের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমাতে চিনি খাওয়ার পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। শিশুদের নিয়মিত চকলেট বা ক্যান্ডি দেওয়া উচিত নয়। তাহলে দাঁতের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি বাড়বে। তাছাড়া, শিশুরা যাতে চটজলদি প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে না পড়ে, সেদিকে নজরদারি জরুরি। মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে দাঁত ও মাড়ির সমস্যা কমবে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 23 March 2026: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 March 2026: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) প্রতিকূল দিন।

    বৃষ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কর্কট

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) সপরিবার ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    সিংহ

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে খুব বেশি।

    তুলা

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না কারও সঙ্গে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথাবার্তা বলুন।

    ধনু

    ১) আপনার ব্যবহারের কারণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় কর্মচারীদের নিয়ে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হওয়ায় উপকার পাবেন।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের কাছে সুনাম অর্জন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 606: “আপনি হতভাগা ডাক্তারদের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন”

    Ramakrishna 606: “আপনি হতভাগা ডাক্তারদের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণের সহিত বিজয়কৃষ্ণ, নরেন্দ্র, মাস্টার, ডাক্তার সরকার, মহিমাচরণ
    প্রভৃতি ভক্তের কথোপকথন ও আনন্দ

    মাস্টার (ডাক্তারের প্রতি) — মহিমা চক্রবর্তী আপনার এখানে আগে আসতেন। আপনি বাড়িতে ডাক্তারী সায়েন্স-এর লেক্‌চার দিতেন, তিনি শুনতে আসতেন।

    ডাক্তার — বটে? লোকটার কি তমো! দেখলে (Kathamrita)— আমি নমস্কার করলুম as God’s Lower Third? আর ঈশ্বরের ভিতর তো (সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ) সব গুণই আছে। ও কথাটা mark করেছিলে, ‘আপনি ডাক্তারের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন?’

    মাস্টার—মহিমা চক্তবর্তীর বিশ্বাস যে, পরমহংসদেব মনে করলে নিজে ব্যারাম আরাম করতে পারেন।

    ডাক্তার — ওঃ। তা কি হয়? আপনি ব্যারাম ভাল করা! আমরা ডাক্তার, আমরা তো জানি ও ক্যান্সার-এর ভিতর কি আছে! — আমরাই আরাম করতে পারি না। উনি তো কিছু জানেন না, উনি কিরকম করে আরাম করবেন! (বন্ধুদের প্রতি) — দেখুন, রোগ দুঃসাধ্য বটে, কিন্তু এরা সকলে তেমনি devotee-র মতো সেবা করছে!

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষোড়শ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ সেবকসঙ্গে

    মাস্টার ডাক্তারকে আসিতে বলিয়া প্রত্যাগমন করিলেন। খাওয়া-দাওয়ার পর বেলা-তিনটার সময় শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিয়া সমস্ত নিবেদন করিলেন। বলিলেন, ডাক্তার আজ বড় অপ্রতিভ করেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কি হয়েছে?

    মাস্টার — ‘আপনি হতভাগা ডাক্তারদের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন’ — এ-কথা শুনে গিছলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কে বলেছিল?

    মাস্টার — মহিমা চক্রবর্তী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— তারপর?

    মাস্টার — তা মহিমা চক্রবর্তীকে বলে ‘তমোগুণী ঈশ্বর’ (God’s Lower Third) এখন ডাক্তার বলছেন, ঈশ্বরের সব গুণ (সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ) আছে! (পরমহংসদেবের হাস্য) আবার আমায় বললেন, রাত তিনটের সময় ঘুম ভেঙে গেছে আর পরমহংসের ভাবনা। বেলা আটটার সময় বলেন, ‘এখনও পরমহংস চলছে।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিতে হাসিতে) — ও ইংরাজী পড়েছে, ওকে বলবার জো নাই আমাকে চিন্তা কর; তা আপনিই করছে।

    মাস্টার — আবার বলেন, As man I have the greatest regard for him, এর মানে এই, আমি তাঁকে অবতার বলে মানি না। কিন্তু মানুষ বলে যতদূর সম্ভব ভক্তি আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আর কিছু কথা হল?

    মাস্টার — আমি জিজ্ঞাসা(Kathamrita) করলাম, ‘আজ ব্যারামের কি বন্দোবস্ত হবে?’ ডাক্তার বললেন, ‘বন্দোবস্ত আর আমার মাথা আর মুণ্ডু; আবার আজ যেতে হবে, আর কি বন্দোবস্ত!’ (শ্রীরামকৃষ্ণের হাস্য) আরও বললেন, ‘তোমরা জান না যে আমার কত টাকা রোজ লোকসান হচ্ছে — দুই-তিন জায়গায় রোজ যেতে সময় হয় না।’

  • PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি। এদিন তিনি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকে (Pawan Kumar Chamling) ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ৮,৯৩১ দিন দায়িত্ব পালন করে মোদি ভেঙে দিয়েছেন চামলিংয়ের ৮,৯৩০ দিনের রেকর্ড। এই মাইলফলক ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। মোদি এর আগেও গুজরাটের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    মোদির রেকর্ড (PM Modi)

    তিনি স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪- পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নিজের দলকে জয়ী করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে, সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫তম বর্ষে পদার্পণের সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখা আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম—যখন গুজরাট ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুপার সাইক্লোন, ধারাবাহিক খরা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।”

    রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প

    মোদি জানান, এই চ্যালেঞ্জগুলিই তাঁকে নতুন উদ্যম ও আশায় রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প দিয়েছে। একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময় গরিব মানুষের জন্য কাজ করতে এবং কখনও ঘুষ না নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা তাঁর জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে রয়েছে (PM Modi)। তিনি তাঁর আমলে গুজরাটের রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে খরাপ্রবণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল একটি রাজ্য থেকে “সুশাসনের শক্তিকেন্দ্রে” পরিণত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে।

    বিকশিত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি

    ২০১৩ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়, যাকে তিনি “বিশ্বাস ও শাসনের সংকটে”র সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে নিরঙ্কুশ সমর্থন করার কৃতিত্ব তিনি দেন দেশবাসীকে। তিনি জানান, গত ১১ বছরে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছেছে (Pawan Kumar Chamling)। ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগ নারী শক্তি, যুব  শক্তি এবং কৃষকদের উপকার করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সেবা করা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয় এবং সংবিধানের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত “বিকশিত ভারত” গড়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি (PM Modi)।

     

  • Kerala Polls: কেরলে ফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নাম ঘোষণা ১১ জনের

    Kerala Polls: কেরলে ফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নাম ঘোষণা ১১ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল বিধানসভা নির্বাচনের (Kerala Polls) প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrashekhar) বলেন, “এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতার প্রতিফলন, যা প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির তুলনায় ভিন্ন”।

    কী বললেন চন্দ্রশেখর (Kerala Polls)

    রবিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চন্দ্রশেখর বলেন, “আপনি স্পষ্টভাবেই দেখতে পাবেন, আমাদের আসন বণ্টন কীভাবে হয়েছে এবং সবকিছু কতটা খোলামেলা ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে, দলের ভেতরে তো বটেই, এনডিএর শরিকদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতীয় কংগ্রেস এবং সিপিআই (মার্ক্সবাদী)-এ যে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে, তা একেবারেই ভিন্ন ছবি।” তিনি জানান, এই পদ্ধতি রাজ্যে শাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে জোটের উদ্দেশ্যকে তুলে ধরে। চন্দ্রশেখর বলেন, “এটি কেরলের মানুষকে বোঝাবে আমাদের উদ্দেশ্য কী, আমরা কীভাবে একসঙ্গে রাজ্যে পরিবর্তন আনতে চাই, এবং এটি এনডিএর প্রতিটি কর্মীর লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা ও সংকল্প।”

    কোন কেন্দ্রে কে দাঁড়াচ্ছেন?

    প্রসঙ্গত, শনিবার (Kerala Polls) বিজেপি আরও ১১ জন প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করে। তার পরেই এমন মন্তব্য করা হয়, যা ১৪০ আসন বিশিষ্ট কেরল বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়। নয়া ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, ভি রথীশ (পিরুমেদে), রাভীন্দ্রনাথ বাকাথানাম (পুথুপল্লি), আজিমন (মাভেলিক্কারা), পাণ্ডালাম প্রতাপান (আদুর), কে আর রাজেশ (চাভারা), আর এস অর্জুন রাজ (চাডায়ামঙ্গলাম), বি এস অনুপ (চিরায়িনকীঝু), করামানা জয়ন (তিরুবনন্তপুরম), বিবেক গোপন (আরুভিক্কারা), টিএন সুরেশ (কোভালাম) এবং এস রাজশেখরন নায়ার (নেয়্যাত্তিনকারা)।

    এর আগে ৮৬টি আসনের জন্য দু’দফায় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল পদ্মশিবিরের তরফে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন, ভি মুরলীধরন, কে সুরেন্দ্রন এবং নব্যা হারিদাস-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন। মুরলীধরন কাজাকুট্টম কেন্দ্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, আর চন্দ্রশেখর নেমম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন (Rajeev Chandrashekhar)। কেরল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল এক দফায়। ভোটগণনা হবে ৪ মে। বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২৩ মে (Kerala Polls)।

     

  • USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত নিয়ে আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের (USCIRF Report) সর্বশেষ রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করলেন ২৭৫ জন বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের একটি অংশ।  তাঁরা একে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত” বলে অভিহিত করেন। যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের সেই সুপারিশের বিরোধিতা করেন, যেখানে ভারতকে “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” (country of particular concern) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরএসএস (RSS) এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান (Former Judges Officers) করে দিয়েছে। তারা একে “প্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করেছে।

    বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা (USCIRF Report)

    এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আদর্শ কুমার গোয়েল ও বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত, হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল বিচারপতি বিষ্ণু সদাশিব কোকজে, প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ওপি রাওয়াত এবং সুনীল অরোরা, প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিবাল-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ১৩০-এরও বেশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তা। তাঁরা ইউএসসিআইআরএফ কমিশনারদের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রতিবেদনে ব্যবহৃত পদ্ধতি – উভয়েরই সমালোচনা করেন। তাঁদের মতে, ধর্মীয় স্বাধীনতার মূল্যায়ন দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যাগত প্রবণতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত, নির্বাচিত বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার বর্ণনার ওপর নয়।

    জনগণনার তথ্য

    স্বাক্ষরকারীরা জনগণনার তথ্য তুলে ধরে জানান, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৯৫১ সালে ৯.৮ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে ১৪.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে খ্রিস্টান ও শিখ জনসংখ্যা যথাক্রমে ২.৩ শতাংশ ও ১.৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, অবিভক্ত (USCIRF Report) পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ২০-২২ শতাংশ থেকে বর্তমানে পাকিস্তানে প্রায় ১.৫-২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৭-৮ শতাংশে নেমে এসেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ভারতে সামগ্রিক পরিবেশ এমন নয় যা সংখ্যালঘুদের ধারাবাহিক জনসংখ্যা হ্রাস করে, যা সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়ন বা ব্যবস্থাগত বর্জনের লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়।

    ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বানের বিরোধিতা

    স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বান, যার মধ্যে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং যাতায়াতের বিধিনিষেধও অন্তর্ভুক্ত, তারও তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁরা এসব সুপারিশকে “অত্যন্ত প্রণোদিত” এবং “বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব ও বিকৃত সিদ্ধান্তের (USCIRF Report) প্রতিফলন” আখ্যা দেন। তাঁরা এও বলেন, ইউএসসিআইআরএফ বারবার ভারতীয় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে। যদিও তাঁরা স্বীকার করেন, আরএসএসের মতো সংগঠন সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, তবে এই সমালোচনা অবশ্যই “যাচাইযোগ্য প্রমাণ ও প্রাসঙ্গিক বোঝাপড়ার” ভিত্তিতে হওয়া উচিত, সরলীকরণের ওপর নয়।

    স্বাক্ষরকারীরা ভারতকে একটি “মজবুত গণতন্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, এখানে সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারব্যবস্থা ও সংসদীয় কাঠামো রয়েছে। তাঁরা মার্কিন সরকারকে ইউএসসিআইআরএফের রিপোর্টের ভিত্তি (Former Judges Officers) এবং এর যাথার্থ পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এই অঞ্চলে ধর্মীয় স্বাধীনতার যে কোনও অর্থবহ মূল্যায়নের জন্য আরও নিরপেক্ষ, দীর্ঘমেয়াদি এবং ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা জরুরি (USCIRF Report)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ তো বটেই, বিদেশেও হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) ঘটছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া গণহত্যার মতো মনে হচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যা আদতে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের ফল (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমিদখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত ছবিটা। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এহেন তথ্য প্রকাশ।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে একটি ডিগ্রি কলেজের গেটে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, এরা এক হিন্দু ছাত্রীকে উত্যক্ত, বিয়ের জন্য চাপ এবং ধর্মান্তরের চেষ্টা করছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে অনুসরণ ও ভয় দেখাচ্ছিল এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিকাহ করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ছাত্রীটির কাকা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের আটক করেন। পরে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। নয়ডার ফেজ-৩ এলাকায় এক হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, এক মুসলিম যুবক নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে, যৌন নির্যাতন চালায়। গত কয়েক (Roundup Week) মাস ধরে টাকাও আদায় করে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ(Hindus Under Attack)।

    অ্যাসিড হামলা

    চিত্রদুর্গে উগাদি উৎসবের সময় ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। সুহাইল বাশা নামে এক ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে অ্যাসিড হামলা চালায় তার স্ত্রী এবং হিন্দু শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর। মালাপ্পানাহাট্টি গ্রামের এই হামলায় এক শিশু-সহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার চুনাখালি শ্যামবাজার এলাকায় কালীর প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মহারাষ্ট্রের পুনেতে বিতর্কিত জমিতে রমজানের ইফতার করার অভিযোগে মুসলিমদের একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উদুপি জেলায় ২০–২২ মার্চ চলছে ‘সমাধান মহোৎসব’। এই উৎসব নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তামিলনাড়ুর খ্রিস্টান প্রচারক মোহন সি লাজারাসের নেতৃত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটির বিরোধিতা করছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন (Roundup Week)।

    হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    বাংলাদেশের ছবিটাও একই রয়েছে। সে দেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ধারাবাহিকভাবে চলছে। অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে এই আক্রমণ হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে (Hindus Under Attack)। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখানো ও দেশছাড়া করার উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৬ বছর বয়সী শান্ত কুমার সাহা ডাকাতদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় তাকে ধরে রাস্তার ওপর ফেলে দেওয়া হয়। দ্রুত চলে আসা একটি গাড়ির নীচে চাপা পড়ে মারা যায় সে।

    আমেরিকার ছবি

    পিরোজপুরের নেসারাবাদে গোপাল চন্দ্র দাসের মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক (Roundup Week)।খুলনার পাইকগাছায় এক পুলিশ আধিকারিকের মা ভারতী মণ্ডলকে গলা কেটে খুন করা হয়। বাড়ির পাশের মাছের ভেড়ি থেকে দেহ উদ্ধার হয় তাঁর (Hindus Under Attack)। আমেরিকায় ‘ওভারসিজ ফ্রেন্ডস অব বিজেপি ইউকে’ সংস্থা হ্যারোয় হোলি উদযাপন ব্যাহত হওয়ার পর বিভিন্ন হিন্দু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছে।

    বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে কাজ করছে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব। এই মনোভাব কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে রয়ে গিয়েছে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব। এই ধরনের সূক্ষ্ম বৈষম্য আইন ও সামাজিক আচরণের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। তাই সহজে চোখে পড়ে না। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে বাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা যায়। এটি পরিবেশগত (Roundup Week) কারণ হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, অন্যান্য উৎসবের ক্ষেত্রে একই ধরনের বিধিনিষেধ না থাকায় প্রকাশ্যে চলে আসে দ্বিচারিতা ((Hindus Under Attack))।

     

  • West Bengal Assembly Election: রাজকোষ শূন্য, অথচ তৃণমূলের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতির বন্যা

    West Bengal Assembly Election: রাজকোষ শূন্য, অথচ তৃণমূলের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতির বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের গদি ধরে রাখতে বাংলায় খয়রাতির রাজনীতি আমদানি করেছেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তার জেরে (West Bengal Assembly Election) রাজকোষ শূন্য। তা সত্ত্বেও ফের নবান্নের দখল নিতে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ওড়ালেন তৃণমূল সুপ্রিমো। নির্বাচনের আগে তিনি ১০টি প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়েছেন ইস্তাহারে। বিরোধীদের মতে, এই প্রতিশ্রুতি নিছকই ভাঁওতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    বেহাল দশাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা (West Bengal Assembly Election)

    ভোটারদের বিভ্রান্ত করাতেই এই ‘বেওসা’। এই প্রতিশ্রুতিগুলি আসলে তৃণমূলের পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি থেকে জনগণের নজর ঘোরানোর মরিয়া চেষ্টা। এটি বাংলার ভবিষ্যতের কোনও রোডম্যাপ নয়, বরং গত এক দশকে বাংলার বেহাল দশাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা মাত্র। তৃণমূলের ইস্তাহারে যা বলা হয়েছে, তা আক্ষরিক অর্থেই ‘ঢপের চপ’। রাজ্যের ঘাড়ে রয়েছে বিপুল পরিমাণ দেনার বোঝা। বর্তমানে জিএসডিপি (GSDP) ৩৮.৪ শতাংশের এক ভয়াবহ স্তরে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের মধ্যে এটি ৮.১৫ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়াবে বলেই ধারণা অর্থনীতিবিদদের একাংশের। তাঁদের মতে, বাংলার খরচ করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৩৮ টাকা চলে যায় ঋণ বাবদ নেওয়া টাকার সুদ দিতে। বর্তমানে বাংলায় জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুর ঘাড়ে ৮১ হাজার ১৬৫ টাকারও বেশি ঋণের বোঝা।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মূল্যহীন!

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বাড়ানো হয়েছে ৫০০ টাকা করে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল “প্রতি পরিবারকে ন্যূনতম মাসিক আয়ের” প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যদিও সামান্য কিছু সরকারি অনুদানকে পরিবারের মাসিক আয় নাম দিয়ে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের হাতে কাজ নেই, তার ওপর জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। চালের মতো অতি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর সিন্ডিকেটের তোলাবাজি কিংবা “তৃণমূল ট্যাক্সে”র কারণে বাজারে জিনিসের দাম বর্তমানে ৭.০৯ শতাংশ হারে বাড়ছে। অঙ্কের হিসেবে জিনিসপত্রের এই মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ওই বাড়তি ৫০০ টাকাকে কার্যত মূল্যহীন করে দিচ্ছে, বাংলার মুদ্রাস্ফীতিকে রাখছে জাতীয় গড়ের চেয়ে ঢের বেশি ওপরে।   রাজ্যের মানুষের গড় বার্ষিক আয় ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে কমে দাঁড়িয়েছে ১.৭১ লাখ টাকা। ২০১১ সালে দেশের গড় আয় ছিল ৯২ শতাংশ। সেটাই এখন কমে হয়েছে ৮৬.৮ শতাংশ। ওড়িশা এবং ছত্তিশগড়ের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিও এখন আয়ের দৌড়ে বাংলাকে  পেছনে ফেলে দিয়েছে। রাজ্যের ভেতরেও আয়ের পার্থক্য চোখ টাটাবে। উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে মাথাপিছু আয় মাত্র ৮০,১৫২ টাকা, যা রাজ্যের গড়ের অর্ধেকও (৪৬.৮%) নয়। এটি প্রমাণ করে যে, তৃণমূল জমানায় উত্তরবঙ্গ কতটা অবহেলিত হয়েছে (West Bengal Assembly Election)।

    দুয়ারে চিকিৎসা”র আশ্বাসও অন্তঃসার শূন্য

    ইস্তাহারে দেওয়া হয়েছে “দুয়ারে চিকিৎসা”র আশ্বাসও। ২০২১-এ তৃণমূলের “সুস্থ বাংলা”র প্রতিশ্রুতি আজ প্রশাসনিক ব্যর্থতায় কার্যত ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। এমতাবস্থায় ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য শিবিরের প্রতিশ্রুতি (Mamata Banerjee) দেওয়া বাতুলতার শামিল মাত্র। ২০২৪-এর সমীক্ষায় বাংলার ‘মহিলাদের ঝুঁকি সূচক’ ৮.২/১০—যা পূর্ব ভারতে সর্বোচ্চ। নারীর শারীরিক ও চিকিৎসা নিরাপত্তা আজ কেবলই ‘গালগল্প’। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে  ৩৪৯ জন সার্জেন, ৩২০ জন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ২৯৭ জন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পদ শূন্য। ফলে গরিব রোগীদের চিকিৎসার জন্য খসাতে হচ্ছে মোট আয়ের ৬২ শতাংশ। নিজের চালু করা ‘স্বাস্থ্যসাথী’র ঢাক পেটাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে বঞ্চিত করেছেন কেন্দ্রের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প থেকে। হিসেব বলছে, রাজ্যের প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষকে ৫ লাখ টাকার ওই বিমার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছেন তিনি।

    “বাংলার যুবসাথী”র আসল পরিচয়

    ইস্তাহারে ঘোষণা করা হয়েছে “বাংলার যুবসাথী”র কথাও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো গ্যারান্টি দিয়েছিলেন ২৫ লাখ বেকারের চাকরির। পূরণ হয়নি সেই প্রতিশ্রুতিও। তার বদলে বেকারদের হাতে গুঁজে দেওয়া হচ্ছে মাসিক খয়রাতির ১৫০০ টাকা। যার অর্থ হল, একজন শিক্ষিত বেকারকে ফি দিন মাত্র ৫০ টাকা করে দেওয়া। “যুবসাথী” প্রকল্প আসলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তৃণমূলের চরম ব্যর্থতারই কবুলনামা। ২০১৫ থেকে ’২৩ সালের মধ্যে এ রাজ্যে বন্ধ হয়েছে ১৮,৪৫০টি ক্ষুদ্র শিল্প। কাজ হারিয়েছেন ৩০.০৪ লাখ মানুষ। সিন্ডিকেটের জুলুমে ৬,৬৮৮টি কোম্পানি রাজ্য ছেড়েছে। বড় কোনও আইটি (IT) বিনিয়োগ নেই। তাই ২৩ লাখ নথিভুক্ত চাকরিপ্রার্থী আজ দিশেহারা। ৫ লাখ সরকারি পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। ৪০,০০০ কোটি টাকার বকেয়া ডিএ (DA) মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট অবধি। আরজি করের ভাঙা লিফটে রোগীর মৃত্যু এবং মেদিনীপুরে রাজনৈতিক প্রভাবে কেনা মেয়াদ-উত্তীর্ণ স্যালাইনে কয়েকজন অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু এ রাজ্যে ঘুন ধরা স্বাস্থ্য ব্যবস্থারই প্রমাণ (West Bengal Assembly Election)।

    “বাংলার শিক্ষায়তন”

    ইস্তাহারের ৪ নম্বরে রয়েছে “বাংলার শিক্ষায়তন” (Mamata Banerjee)। একুশের “শিক্ষিত বাংলা”র স্লোগান দেওয়া সরকার যখন শিক্ষক পদকে নিলামে তোলে, তখন পরিকাঠামো নিয়ে কথা বলা তার সাজে না। এসএসসি (SSC) কেলেঙ্কারিতে বিক্রি হয়েছে ২৬,০০০ চাকরি। ৩,৮০০টি স্কুলে কোনও পড়ুয়া নেই, সেখানে বেতন দেওয়া হচ্ছে ১৮,০০০ ভুতুড়ে শিক্ষককে। বিদেশি ছাত্রদের কাছে বাংলা এখন আর গন্তব্য নয়। ২০২৬-এর ইকনোমিক সার্ভে অনুযায়ী, রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কার ও গুণমানের অভাব স্পষ্ট। স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগের হার মাত্র ১৬ শতাংশ, যেখানে জাতীয় গড় ৬৩.৫ শতাংশ। ২০২৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮,২০৭টি স্কুল বন্ধ হওয়ায় বেসরকারি স্কুলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে রাজ্যের ৯ লাখ পড়ুয়াকে।

    সিন্ডিকেট আর ফড়েদের কবল

    একুশের “সুখী কৃষক” প্রতিশ্রুতিও আজ সিন্ডিকেট আর ফড়েদের কবলে। ১০,০০০ কোটি টাকার পিডিএস (PDS) কেলেঙ্কারির জেরে কালোবাজারে পাচার হয়েছে ২০-৪০ শতাংশ শস্য। ইলিশের উৎপাদন ১৬,৫০০ টন থেকে কমে হয়েছে ৬,৮০০ টন। আলুর উৎপাদন খরচ বিঘা প্রতি ২৫,০০০ টাকা হলেও, চাষিরা পাচ্ছেন মাত্র ৫৪০ টাকা। রাজনৈতিক অহংকারের জেরে ‘পিএম-কিষান’ প্রকল্প থেকে  বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে রাজ্যের ৪২ লাখ চাষিকে। ৪০ শতাংশ ভাগচাষি ও ভূমিহীন কৃষক কিষান ক্রেডিট কার্ড পাননি। তাই মহাজনদের ৬০ শতাংশ সুদের ঋণে ডুবছেন তাঁরা (West Bengal Assembly Election)। শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসারও তলানিতে। এমএসএমই (MSME) রফতানিতে বাংলার অবদান মাত্রই ৪ শতাংশ (Mamata Banerjee)। বিনিয়োগকারীরা যেখানে রাজ্য ছাড়ছেন, সেখানে ‘ইস্টার্ন গেটওয়ে’র দাবি আদতেই  একটি প্রহসন। ইজ অফ ডুইং বিজনেসে বাংলা ১৪তম। জমি বিবাদের জেরে দেউচা-পাঁচামির মতো বড় প্রকল্প রয়েছে থমকে। সরাসরি বিদেশি লগ্নির পরিমাণ কমেছে ৩০ শতাংশ। ভারতের নয়া বিনিয়োগের মাত্রই ৩ শতাংশ আসে বাংলায়।

    তৃণমূল ক্যাডারদের পকেট ভরার মাধ্যম

    সকলের জন্য আবাসনের কথাও বলা হয়েছে তৃণমূলেরইস্তাহারে। এই আবাসন প্রকল্পই এখন তৃণমূল ক্যাডারদের পকেট ভরার মাধ্যম। সুন্দরবন-সহ বিভিন্ন জেলায় গ্রামীণ আবাসন থেকে ৯,৪০০ কোটি টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। পিএম আবাস যোজনায় ১৭ লাখ ভুয়ো নাম ঢুকিয়ে নেতাদের অট্টালিকা বানাতে ১.২ লাখ টাকা করে পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২৪-এর স্কিমে ২৮ লাখ যোগ্য পরিবার ঘর পায়নি। দরিদ্ররা আজও ঘুমোন প্লাস্টিকের নীচে (West Bengal Assembly Election)। বার্ধক্যভাতা এবং নিরাপত্তার আশ্বাসও ফাঁপা। বস্তুত, দেউলিয়া রাজকোষ নিয়ে বর্ধিত ভাতার প্রতিশ্রুতি আসলে রাজ্যের চরম আর্থিক সঙ্কট লুকোনোর চেষ্টা। দলিত ও আদিবাসীদের ওপর অত্যাচারের ক্ষেত্রে সাজা দেওয়ার হার জাতীয় গড়ের তুলনায় অতি নগণ্য (Mamata Banerjee)। ইমাম-মোয়াজ্জেনদের ভাতা দিলেও, হিন্দু পুরোহিতদের এক দশক ধরে এ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতির ফলে বাজার থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এই অনুদান দেওয়া কার্যত অসম্ভব।

    পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহের প্রতিশ্রুতিও পরিহাস!

    পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহের প্রতিশ্রুতিও নিছকই পরিহাস। গ্রামীণ বাংলার মানুষের কাছে এই প্রতিশ্রুতি আজও অধরা মাধুরী। জল জীবন মিশনে ২৪,৬৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও, রাজ্য সরকারের অপদার্থতার দরুন খরচ হয়েছে মাত্রই ১৩,০২৭ কোটি টাকা। ফলে ১১,৬১৭ কোটি টাকার এক বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ১৭০ কোটি টাকার জল প্রকল্পের কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলি প্রকৃত পরিকাঠামো তৈরি না করে ১২ থেকে ১৬ কোটি টাকা সরাসরি পাঠিয়ে দিয়েছে তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (West Bengal Assembly Election)। প্রশাসনিক সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। ২০২১ সালে তৃণমূল ঢালাও “সুশাসনের” প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এই সরকারের আমলে ভৌগোলিক পুনর্গঠন আসলে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ নয়, বরং এটি তোলাবাজি সিন্ডিকেটকে ছড়িয়ে দেওয়া এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে জনবিন্যাস পরিবর্তনের এক সুপরিকল্পিত কৌশল। আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে জনবিন্যাসের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি সরকারের নরম মনোভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে (Mamata Banerjee)। ২০২৩ সালের পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতিতে ১৫টি পুরসভায় ১,৫০০টি অবৈধ নিয়োগ হয়েছে। ওই চাকরি বিক্রি হয়েছে ৩ থেকে ১০ লক্ষ টাকায়। এটি প্রমাণ করে যে, নতুন নতুন পুরসভা বা প্রশাসনিক এলাকা তৈরি করা আসলে দুর্নীতির নতুন রাস্তা তৈরি করা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    বিরোধীদের মতে, তৃণমূলের এই ‘১০ প্রতিজ্ঞা’ আসলে কোনও উন্নয়নের নীল নকশা নয়, বরং ব্যর্থতা ঢাকার এক রঙিন প্রলেপ মাত্র (West Bengal Assembly Election)।

     

  • Daily Horoscope 22 March 2026: প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 22 March 2026: প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) কর্মচারীদের জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) ভালো কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভাল হবে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আশাহত।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন চঞ্চল থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share