Tag: news in bengali

news in bengali

  • Kali Puja 2024: মা তাঁর ভয়ঙ্কর রূপ দেখিয়েছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপাকে! জানুন তারাপীঠের মাহাত্ম্যকথা

    Kali Puja 2024: মা তাঁর ভয়ঙ্কর রূপ দেখিয়েছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপাকে! জানুন তারাপীঠের মাহাত্ম্যকথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তিপীঠ, সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith)। কালীপুজোয় (Kali Puja 2024) জমজমাট থাকে বীরভূমের তারাপীঠ। অনেকে ভাবেন এটি সতীপীঠ কিন্তু তারাপীঠ সতীপীঠ নয়। কথিত আছে, একবার দেবীর মাতৃরূপ দর্শন চান বশিষ্ঠ মুনি৷ দেবীও নিরাশ করেননি৷ এখানেই তাঁকে মাতৃরূপে দর্শন দেন দেবী। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন তারামায়ের ভক্ত বামাক্ষ্যাপা। ফলে এটি সিদ্ধপীঠ হিসেবেও পরিচিত। তাই অমাবস্যায় রীতি মেনে পুজো হয় এখানেও।

    কালীপুজোয় কেমন হয় তারামায়ের ভোগ (Kali Puja 2024)?

    সকালে স্নানের পর (Tarapith) দেবীর শিলাব্রহ্মময়ী মূর্তিকে রাজবেশে সাজিয়ে তোলা হয়। পরানো হয় চুনরি। এরপর পঞ্চ উপাচারে মঙ্গলারতি এবং নিত্যপুজো সম্পন্ন হয়। কালীপুজোর (Kali Puja 2024) দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। এখানে মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয়৷ আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তারা। কালীপুজোর দিন ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সন্তানকে না খাইয়ে ভোগ গ্রহণ করেন না তারা মা

    দীপান্বিতা (Kali Puja 2024) অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি। এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। তারামায়ের যেভাবে ভোগ পুজো হয়, সেই একই ভাবে পুজো করা হয় শ্মশান কালীকে। শ্মশানেই রয়েছে মায়ের আসল শিলা পাদুকা। তার পাশে বামদেবের সমাধি। তারাপীঠের নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে খাইয়ে তবেই তারা মা ভোগ গ্রহণ করেন। তাই বামদেবের ভোগ আগে দেওয়া হয়। ভোগের তালিকায় রয়েছে প্রেত ভোগও। ডাকিনী-যোগিনীদের উদ্দেশে দেওয়া এই ভোগ শ্মশানেই দেওয়া হয়। রাতে এক বারই এই ভোগের আয়োজন থাকে। বামদেবের খুব প্রিয় কুকুর ছিল শিবা। তার জন্যও থাকে বিশেষ ভোগের আয়োজন।

    তারা মা ভয়ঙ্কর রূপ দেখান সাধক বামাক্ষ্যাপাকে

    বামাক্ষ্যাপা শৈশবেই গৃহত্যাগ করে কৈলাশপতি বাবা নামে এক সন্ন্যাসীর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কৈলাশপতি বাবা তারাপীঠে থাকতেন। বামাক্ষ্যাপা তারাপীঠের (Kali Puja 2024) দ্বারকা নদের তীরে যোগ ও তন্ত্রসাধনা করেন। নিকটবর্তী মল্লরাজাদের মন্দিরময় গ্রাম মালুটি যা ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত, সেখানে যোগ সাধনা করতে যান। একই ভাবে দ্বারকার তীরে মৌলাক্ষী দেবীর মন্দিরে সাধনাকালে প্রায় ১৮ মাস অবস্থান করেন। এরপর নিজে ধর্মীয় গুরু হয়ে ওঠেন। ভক্তরাও বিশ্বাস করেন তিনি অলৌকিক শক্তির অধিকারী। তবে বাঁধাধরা নিয়ম কানুন মানতেন না তিনি। দেবতার নৈবেদ্য থেকে প্রসাদ খেয়ে নিতেন পুজোর আগেই। কথিত আছে নাটোরের মহারানিকে স্বপ্নে দেবী তারা মা আদেশ দিয়েছিলেন। তাতে বলা হয়, বামাকে যেন আগে প্রসাদ খাওয়ানো হয়। এরপর থেকে বামাক্ষ্যাপাকে পুজোর আগেই মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। আরও কথিত হয়, দেবী তারা মা তাঁর ভয়ঙ্কর রূপ দেখান সাধক বামাক্ষ্যাপাকে এবং সেই সময় তাঁকে কোলে তুলে নেন মা। এই তারাপীঠ শ্মশান এবং দুমকা জেলার মালুটি গ্রামে সাধাক বামাক্ষ্যাপার স্মৃতিমন্দির স্থাপন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Board: গ্রামের ১২০০ একর জমিই নাকি ওয়াকফ সম্পত্তি! কর্নাটক সরকারের নোটিশ ঘিরে বিতর্ক

    Waqf Board: গ্রামের ১২০০ একর জমিই নাকি ওয়াকফ সম্পত্তি! কর্নাটক সরকারের নোটিশ ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের বিজয়পুরা জেলার ১২০০ একর জমি নাকি ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) অন্তর্গত! এ নিয়েই বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর কর্নাটক সরকার নোটিশ পাঠায় স্থানীয় কৃষকদের, যা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এমন নোটিশ পাওয়ার পরেই স্থানীয় কৃষকরা কর্নাটক সরকারের মন্ত্রী এমবি পাতিলের কাছে পিটিশন জমা দেন এবং ওই জমি নিজেদের বলেই দাবি করেন চাষীরা (Farmers Protest)। জানা গিয়েছে, জমিগুলির অবস্থান হল কর্নাটকের, বিজয়পুরা জেলার তিকোটা তালুকের হোনওয়াদা গ্রামে। কৃষকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই জমি তাঁদের অধিকারে রয়েছে। এমন নোটিশ পাওয়ার পর তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তাঁরা আরও দাবি করেছেন যে, ওয়াকফ বোর্ড ওই ১,২০০ একর জমিকে তাদেরই একটি প্রতিষ্ঠান শাহ আমিনুদ্দিন দরগার জমি বলে নোটিশে (Waqf Board) উল্লেখ করেছেন। শুধু তাই নয়, কংগ্রেস সরকারের তহসিলদার নোটিশে জানিয়েছে যে, পুরনো সরকারি নথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, ওই জমিগুলি আসলে ওয়াকফ বোর্ডের।

    কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার ও ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) বৈঠক  

    কর্নাটক রাজ্যের কিছু সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের আবাসন ওয়াকফ ও সংখ্যালঘু দফতরের মন্ত্রী জমির আহমেদ খান, চলতি মাসেই ওয়াকফের জমি নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন, সেই বৈঠকেই নাকি আলোচনা হয়েছে ওয়াকফ বোর্ডের জমি থেকে অবৈধ দখল অপসারণ করা হবে। যার ফলেই এমন বিতর্কিত নোটিশ জারি করেছে কংগ্রেস সরকার।

    ৪১ জন কৃষককে নোটিশ, হুঁশিয়ারি চাষীদের (Farmers Protest)

    নোটিশ পাওয়ার পরে চাষীরা জানিয়েছেন যে, জমিটি শাহ আমিনুদ্দিন দরগার বলে দাবি করা হচ্ছে বটে। কিন্তু এই দরগার কয়েকশো বছর ধরে অস্তিত্ব নেই এবং কৃষক পরিবারগুলি কয়েক পুরুষ ধরে এই জমির মালিকানা ভোগ করছেন। প্রসঙ্গত, ওই গ্রামের ৪১ জন কৃষককে এই নোটিশ পাঠিয়ে জমির মালিকানা সংক্রান্ত যাবতীয় নথি সরকারি অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষকরা বলছেন, ‘‘আমরাই তো জমির আসল মালিক। যদি সরকার এই নোটিশ প্রত্যাহার না করে, তাহলে ব্যাপক কৃষক আন্দোলন গড়ে উঠবে।’’ হোনওয়াদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান শঙ্করাপ্পা টুডিগাল এ বিষয়ে জানিয়েছেন যে, তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে প্রস্তুত।

    কী বলছেন ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারিকরা

    অন্যদিকে, ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারিকদের দাবি, ১৯৭৪ সালে যে গেজেট ঘোষণা করা হয়েছিল, তার ওপর ভিত্তি করেই নোটিশগুলি পাঠানো হয়েছে এবং জমিটি রাজ্য সরকার বর্তমানে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবেই চিহ্নিত করেছে। তবে ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারিকরা স্বীকার করছেন যে, কিছু নোটিশ ভুলবশত কৃষকদের পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিজয়পুরা ওয়াকফ বোর্ডের একজন আধিকারিক তাবাসসুম জানিয়েছেন, যদি কৃষকরা তাঁদের জমির বৈধ রেকর্ড দেখাতে পারেন, তবে ওয়াকফ বোর্ড সেই জমির ক্ষেত্রে কোনও রকমের পদক্ষেপ করবে না।

    কৃষকদের শান্ত থাকার আহ্বান কংগ্রেসের মন্ত্রীর

    কিন্তু বিজয়পুরা জেলার স্থানীয় কৃষকরা একেবারেই নাছোড়বান্দা। তাঁরা সরকারকে ক্রমাগত বিক্ষোভ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েই চলেছেন। একইসঙ্গে তাঁরা জোরালো দাবি করছেন, সমস্যার সমাধান খুব দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে। শুধু তাই নয়, গ্রামের ওই ৪১ জন কৃষক বাদে অন্যান্য চাষিরাও যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছেন। বাকি চাষীরা আশঙ্কিত যে কোনও সময় তাঁরাও নোটিশ পেতে পারেন এবং একই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। হোনওয়াদা গ্রামের কৃষকরা দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন, তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল তৈরি হয়েছে যে কর্নাটকের মন্ত্রী এমবি পাতিল নিজের সমাজ মাধ্যমের পাতায়, বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেছেন। তিনি কৃষকদের আশ্বাস দিয়েছেন, ওয়াকফ বোর্ডের সঙ্গে যা সম্পর্কিত নয় এমন কোনও ব্যক্তিগত জমি বা সম্পত্তিকে সরকার অধিগ্রহণ করবে না। এর পাশাপাশি মন্ত্রী ওই পোস্টে আরও বলেছেন, ‘‘যদি কোনও জমি ভুল ভাবে ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Board)  হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে, তা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’ মন্ত্রী জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তিনি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন এবং কৃষকদের সমস্যার সমাধানের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। কৃষকদেরকে শান্ত থাকতেও আবেদন করেছেন এমবি পাতিল।

    বিজেপির তোপ কংগ্রসকে

    অন্যদিকে, কর্নাটকের বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে এই সরকার কৃষক বিরোধী এবং ওয়াকফ বোর্ডের পদক্ষেপকেই সমর্থন করছে। কন্নড় ভাষায় একটি এক্স হ্যান্ডেলের পোস্ট রাজ্য বিজেপির অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে এবং সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘কংগ্রেস সরকারের অনুপ্রেরণায় ওয়াকফ বোর্ড এখন কৃষকদের জমি দখল করার চেষ্টা করছে। এটা তোষণের রাজনীতি ছাড়া কিছুই নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 175: “মনের গুণে হনুমান সমুদ্র পার হয়ে গেল, আমি রামের দাস, রামনাম করেছি, আমি কি না পারি!”

    Ramakrishna 175: “মনের গুণে হনুমান সমুদ্র পার হয়ে গেল, আমি রামের দাস, রামনাম করেছি, আমি কি না পারি!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    ষোড়শ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৮ই এপ্রিল
    দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণ ও ব্রাহ্মগণ—প্রেমতত্ত্ব

    নাম-মাহাত্ম্য—উপায়—মায়ের নাম 

    আন্তরিক ভক্তি ও দেখানো ভক্তি—ঈশ্বর মন দেখেন 

    যেমন ভাব তেমনি লাভ। দুজন বন্ধু পথে যাচ্ছে। এক যায়গায় ভাগবত পাঠ হচ্ছিল। একজন বন্ধু বললে, ‘এস ভাই, একটু ভাগবত শুনি।’ আর-একজন একটু উঁকি মেরে দেখল। তারপর সে সেখান থেকে চলে গিয়ে বেশ্যালয়ে গেল। সেখানে খানিকক্ষণ পরে তার মনে বড় বিরক্তি এল। সে আপনা-আপনি বলতে লাগল, ‘ধিক্‌ আমাকে! বন্ধু আমার হরি কথা শুনছে, আর আমি কোথায় পড়ে আছি!’ এদিকে যে ভাগবত (Ramakrishna) শুনছে, তারও ধিক্কার হয়েছে। সে ভাবছে, ‘আমি কি বোকা! কি ব্যাড় ব্যাড় করে বকছে, আর আমি এখানে বসে আছি! বন্ধু আমার কেমন আমোদ-আহ্লাদ করছে।’ এরা যখন মরে গেল, যে ভাগবত শুনেছিল, তাকে যমদূত নিয়ে গেল; যে বেশ্যালয়ে গিছিল, তাকে বিষ্ণুদূত বৈকুণ্ঠে নিয়ে গেল।

    ভগবান (Kathamrita) মন দেখেন। কে কি কাজে আছে, কে কোথায় পড়ে আছে তা দেখেন না। ভাবগ্রাহী জনার্দন।

    কর্তাভজারা মন্ত্র দিবার সময় বলে এখন ‘মন তোর’। অর্থাৎ এখন সব তোর মনের উপর নির্ভর করছে।

    তারা বলে, যার ঠিক মন, তার ঠিক করণ, তার ঠিক লাভ।

    মনের গুণে হনুমান সমুদ্র পার হয়ে গেল। আমি রামের দাস, আমি রামনাম (Ramakrishna) করেছি, আমি কি না পারি!’ এই বিশ্বাস

    কেন ঈশ্বরদর্শন হয় না? অহংবুদ্ধির জন্য 

    যতক্ষণ অহংকার ততক্ষণ অজ্ঞান। অহংকার থাকতে মুক্তি নাই।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভারতের বহু শহরে ‘রেল জিহাদ’-এর চক্রান্ত করছে পাক জঙ্গি, সতর্কবার্তা এনআইএ-র

    NIA: ভারতের বহু শহরে ‘রেল জিহাদ’-এর চক্রান্ত করছে পাক জঙ্গি, সতর্কবার্তা এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রেল জিহাদ’ (Rail Jihad) চক্রান্ত করছে পাকিস্তানের এক জঙ্গি। তার পর থেকেই পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। সূত্রের খবর, ট্র্যাক পর্যবেক্ষণকারী গ্যাংম্যানদের, নিরাপত্তা কর্মী ও লোকো পাইলটদের এ ব্যাপারে সচেতন করা হয়েছে।

    রেল জিহাদ (NIA)

    পাক গোয়েন্দা সংস্থার মদতপুষ্ট ফরহাতুল্লা ঘোরি নামে এক জঙ্গি সম্প্রতি টেলিগ্রাম সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে। সেই পোস্টে বলা হয়, দিল্লি, মুম্বই-সহ ভারতের নানা জায়গায় রেলে নাশকতা ঘটানোর জন্য এ দেশে (ভারতে) তার সমর্থকদের ডাক দেয়। ফিঁদায়ে যুদ্ধের ডাক দিয়ে রেলের মতো দুর্বল জায়গায় আঘাত করার নির্দেশ দেয়। এই ঘটনারই নাম হয়েছে ‘রেল জিহাদ’।

    পাঠানো হয়েছে সতর্কবার্তা 

    গোয়েন্দাদের বক্তব্য, জুলাই মাসে ওই ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই রেলে নাশকতা ঘটানোর চেষ্টা হঠাৎই বেড়ে গিয়েছে। এর পরেই ট্র্যাক পর্যবেক্ষণকারী গ্যাংম্যান, নিরাপত্তা কর্মী ও লোকো পাইলটদের সচেতন করা হয়েছে। সরকারি এক সূত্রের খবর, যদিও হুমকির আশঙ্কা বড় শহরগুলির জন্য, মহারাষ্ট্র এবং অন্যান্য রাজ্যেও যেখানে নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে, সেখানেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলে ছ’টিরও বেশি সন্দেহজনক দুর্ঘটনার পর রেল প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রত্যাঘাত ইজরায়েলের! নিশানায় ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলি, হামলা সিরিয়াতেও

    সম্প্রতি মাইসুরু-দ্বারভাঙা বাগমতী এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। তার পরেই এনআইএ (NIA) এর আধিকারিকরা চেন্নাইয়ের কাছাকাছি দুর্ঘটনাস্থলে যান। গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলিও সাম্প্রতিক দুর্ঘটনাস্থলগুলি তদন্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফাররুখবাদ এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাও। এ ক্ষেত্রে রেললাইনের ওপর একটি গাছের গুঁড়ি ফেলে রাখা হয়েছিল। অগাস্টে রাজস্থানের পালি জেলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যাওয়ার পথে রেললাইনের ওপর রাখা হয়েছিল সিমেন্টের ব্লক। এক আধিকারিক বলেন, “ট্রেনে এসকর্ট দল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির জন্য কোচের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বজায় রাখা হয়েছে।” নিরাপত্তা সংস্থা সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীরা ট্র্যাকে কংক্রিটের পাথর, লোহার রড এবং গ্যাস সিলিন্ডার রেখে বাধা সৃষ্টি করছে, যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তিনি বলেন, “জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি বনভূমি বা পরিত্যক্ত জমির মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া ট্র্যাকগুলিকে লক্ষ্যবস্তুতে (Rail Jihad) পরিণত করছে (NIA)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sushant Singh Rajput: ৪ বছর পর স্বস্তি রিয়ার, সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু মামলায় ছাড়পত্র দিল সুপ্রিম কোর্ট

    Sushant Singh Rajput: ৪ বছর পর স্বস্তি রিয়ার, সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু মামলায় ছাড়পত্র দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪ বছর পর স্বস্তি পেলেন রিয়া চক্রবর্তী। অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput) মৃত্যু মামলায় রিয়া এবং তাঁর পরিবারের আরও ২ সদস্যকে সম্পূর্ণ ছাড়পত্র দিল সুপ্রিম কোর্ট। উল্লেখ্য ২০২০ সালের ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তরুণ অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা বলিউড জগতে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। তবে এই মৃত্যুর মামলায় নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রী রিয়া এবং তাঁর বাবা ও ভাইয়ের।

    নির্দোষ ঘোষণা আদালতের (Sushant Singh Rajput)

    সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যু ছিল রহস্যজনক ও আকস্মিক। এই মৃত্যুতে অভিযুক্তের তালিকায় ছিলেন রিয়া, বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী এবং ভাই শৌভিক চক্রবর্তী। সুশান্তের মৃত্যুর পরে রিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন মৃত অভিনেতার বাবা। এই অভিযোগের মামলা প্রথম দায়ের হয় পাটনাতে। এরপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের ভার নেয়। তারপর সিবিআইয়ের পক্ষ থেকেও রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। এবার আদালতের নির্দেশে সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন রিয়া। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গভাই এবং কেভি বিশ্বনাথন বিশেষ ছাড়পত্র দিয়েছেন। বিচারপতিদ্বয় তাঁদের পরিবারের দুই সদস্যকে নির্দোষ ঘোষণা করেছেন। 

    আরও পড়ুনঃ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত-চিন সেনা প্রত্যাহারের ছবি ধরা পড়ল উপগ্রহ চিত্রে

    ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল

    ঘটনা ঘটেছিল ২০২০ সালের মুম্বইতে। বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে রহস্যজনক ভাবে উদ্ধার হয় সুশান্তের (Sushant Singh Rajput) দেহ। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এই মৃত্যুর ঘটনায় প্রথম আঙুল ওঠে বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। যদিও মৃত্যুর মাত্র কিছু দিন আগেও উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছিল। রিয়ার বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ উঠেছিল। এরপর একমাস কারাবাসে ছিলেন তিনি। তবে মৃত্যু নিয়ে মুম্বই পুলিশ বলেন, “মানসিক অবসাদ থেকে সুশান্ত আত্মহত্যা করেছিলেন।” তবে পরিবারের দাবি এটা আত্মহত্যা নয়, গভীর ষড়যন্ত্র করে খুন করা হয়েছে। দিদি শ্বেতা সিংহ কীর্তি বলেন, “ভাইয়ের মৃত্যু রহস্যে মোড়া।” একইভাবে বলিউডে স্বজন পোষণ বা নেপোটিজেমের বিরুদ্ধে ব্যাপক আলোড়ন হয়। বড় বড় চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং অভিনেতাদের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। একই ভাবে তরুণ অভিনেতা সুশান্তের ভক্তরাও ন্যায় বিচারের দাবিতে প্রচুর পরিমাণে বিক্ষোভ-আন্দোলন করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gurpatwant Pannun: শাহের সম্পর্কে খবর দিলে মিলবে মোটা ইনাম, ঘোষণা খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের

    Gurpatwant Pannun: শাহের সম্পর্কে খবর দিলে মিলবে মোটা ইনাম, ঘোষণা খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খবর দিতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) গতিবিধির। তাতেই মিলবে দশ লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার। অমিত শাহের বিদেশ সফরের আগেই ‘শিখস ফর জাস্টিস’কে ওই তথ্য দিতে পারলে পুরস্কার দেবেন খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরপতবন্ত সিং পান্নুন (Gurpatwant Pannun)।

    সিআরপিএফ স্কুল বন্ধের আহ্বান (Gurpatwant Pannun)

    ২৬ নভেম্বর থেকে সিআরপিএফ স্কুলগুলি বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন খালিস্তানপন্থী ওই জঙ্গি। ঠিক একদিন আগেই উত্তর দিল্লির রোহিণী অঞ্চলের একটি সিআরপিএফ স্কুলের বাইরে বিস্ফোরণ ঘটে। তার পরেই পান্নুনের এই বিবৃতিতে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে ‘খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স’ নামের একটি সংগঠন।

    পান্নুনের বক্তব্য

    ভারত-বিরোধী কাজে লিপ্ত পান্নুন। নানা সময় ভারতকে বিভিন্নভাবে হুমকিও দিয়েছে খালিস্তানপন্থী এই জঙ্গি। সেই পান্নুনই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের সিআরপিএফ স্কুল বয়কট করার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, এই বাহিনী নৃশংসতায় লিপ্ত। তাঁর অভিযোগ, অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে হামলা, ১৯৮৪ সালের গণহত্যায় মৃত্যুদণ্ড পরিচালনা ও পঞ্জাবে শিখদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল সিআরপিএফ।

    আরও পড়ুন: প্রত্যাঘাত ইজরায়েলের! নিশানায় ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলি, হামলা সিরিয়াতেও

    ভারতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ‘শিখস ফর জাস্টিস’কে। দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন পান্নুনও (Gurpatwant Pannun)। বর্তমানে বিদেশে বসেই একের পর এক হুমকি দিয়ে চলেছেন নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনের প্রধান। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেহেতু সিআরপিএফের প্রধান, তাই অমিত শাহের বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত যে কোনও তথ্যের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।” শাহের বিরুদ্ধে কানাডায় খুন হওয়া হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যার জন্য ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করার এবং নিউইয়র্কে একটি মার্ডার ফর হায়ার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগও তুলেছেন তিনি। পান্নুন বলেন (Gurpatwant Pannun), “সিআরপিএফের প্রাক্তন কর্তা, পঞ্জাবের প্রাক্তন শীর্ষ পুলিশ কর্তা কেপিএস গিল এবং প্রাক্তন রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইংয়ের কর্তা বিকাশ যাদব বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী। পঞ্জাব এবং বিদেশে শিখদের হত্যায়ও যুক্ত ছিলেন তাঁরা।

    প্রসঙ্গত, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কার্যালয়ের সঙ্গেও তিনি কথা বলেছেন বলে সম্প্রতি দাবি করেছেন পান্নুন। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি (Gurpatwant Pannun) বলেন, “কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গে (Amit Shah) যোগাযোগ রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kali Puja 2024: মা কালী কোথাও পূজিতা হন শ্মশানবাসিনী রূপে, কোথাও চামুণ্ডারূপে! জানুন সেই ৭টি রূপ

    Kali Puja 2024: মা কালী কোথাও পূজিতা হন শ্মশানবাসিনী রূপে, কোথাও চামুণ্ডারূপে! জানুন সেই ৭টি রূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো-লক্ষ্মীপুজোর পর বাঙালি এবার মেতে উঠবে কালী আরাধনায় (Kali Puja 2024)। সারা বছর ধরেই কালীপুজো বাংলা জুড়ে দেখা যায়। তবে দুর্গাপুজোর পরে অনুষ্ঠিত হওয়া কালীপুজো সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তার পরেই কালীপুজো (Kali Puja)। আচার-উপাচার মেনে দেবী কোথাও পূজিতা হবেন শ্মশানবাসিনী রূপে, কোথাও আবার চামুণ্ডারূপে। কোথাও দেবী শ্যামবর্ণা, কোথাও তাঁর গায়ের রং নীল। আজকে আমাদের প্রতিবেদনে রইল দেবীর ৭ রূপের বর্ণনা।

    দেবী কালীর (Kali Puja 2024) ৭ রূপের বর্ণনা

    শ্মশান কালী-ডাকাতদের কালী (Kali Puja 2024) পুজোর গল্প তো আমরা সকলেই জানি। রঘু ডাকাত থেকে কালু ডাকাত-সকলেই নাকি কালীপুজো করে ডাকাতি করতে যেতেন। দেবীর গায়ের রং হয় একেবারে কালো কুচকুচে। ভয়ঙ্কর হয় চোখ। তবে গৃহস্থের বাড়িতে কালীর এই রূপের পুজো হয় না একেবারেই। দেবীকে অনেকে ডাকাত কালীও বলে থাকেন। মূলত শ্মশানেই দেবীর এই রূপের পুজো করা হয়।

    সিদ্ধকালী-শাস্ত্রবিদরা জানাচ্ছেন, দেবীর (Kali Puja) এই রূপ ভুবনেশ্বরী নামেও পরিচিত। তবে গৃহস্থ বাড়িতে কালীর এই রূপের পুজোর চল একেবারেই নেই। সাধারণত সাধকেরা দেবী কালীর এই রূপের পুজো করে থাকেন। সিদ্ধকালীর দু’টি হাত থাকে, গোটা শরীর গয়নার অলঙ্কারে সাজানো থাকে। দেবীর ডান পা থাকে শিবের বুকে এবং বাঁ পা থাকে তাঁর দু’পায়ের মাঝখানে।

    মহাকালী-দেবীর এই রূপ প্রচলিত কালী মূর্তির থেকে অনেকটাই আলাদা। এই রূপে দশটি মাথা, দশটি হাত এবং দশটি পা থাকে। মহাকালীর প্রতিমার সঙ্গে শিবকে দেখা যায় না। দশভূজা দেবীর প্রতিটি হাতেই থাকে অস্ত্র। দেবীর পায়ের তলায় অসুরের কাটা মুণ্ড দেখা যায়। মহাকালীর পুজো গৃহস্থ বাড়িতে করা হয় না।

    শ্রী কালী-দেবী দুর্গা বা পার্বতীর অন্য একটি রূপ হল শ্রী কালী। অনেকে বলেন, দেবী দারুক নামে অসুরকে বধ করেছিলেন বলেই এমন নামকরণ। পুরাণ অনুয়ায়ী জানা যায়, কালীর এই রূপ মহাদেবের কণ্ঠে প্রবেশ করে ও শিবের কণ্ঠের বিষে কৃষ্ণবর্ণা হয়ে যান। 

    চামুণ্ডা কালী-দেবী চামুণ্ডাকে আদিশক্তি রূপে আরাধনা করা হয়। ভগবতী দুর্গা রূপেও তিনি আরাধিত হন। চণ্ড ও মুণ্ড নামে দুই অসুরকে হত্যা করে তিনি ‘চামুণ্ডা’ নামে পরিচিত হন।

    ভদ্রকালী-কালীর এই রূপ সাধারণত বারোয়ারি বিভিন্ন মন্দিরে পুজো করা হয়। ভদ্রকালী নামে ভদ্র শব্দটি ব্যবহার হয়েছে কল্যাণ অর্থে এবং কালী শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে জীবনের শেষ সময় বোঝাতে।

    দক্ষিণা কালী-এই রূপেই সবচেয়ে বেশি পূজিতা হন দেবী কালিকা (Kali Puja 2024)। এই রূপে দেবীর সঙ্গে থাকেন মহাদেব স্বয়ং। দেবীর গায়ের রং একেবারে কালচে নীল। গলায় ঝোলানো থাকে মুণ্ডমালা। দেবীর চার হাত। দুই হাতে থাকে খড়্গ আর মুণ্ড। অন্য দুই হাতে দেখা যায় অভয় মুদ্রা ও বরদা মুদ্রায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ৮ দফা দাবিতে হিন্দুদের বিরাট গণসমাবেশ চট্টগ্রামে, ঢাকার অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা

    Bangladesh: ৮ দফা দাবিতে হিন্দুদের বিরাট গণসমাবেশ চট্টগ্রামে, ঢাকার অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ৮ দফা দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরাট গণসমাবেশ। এই সমাবেশ থেকে ঢাকার অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন  বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র এবং পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী। তিনি কট্টর মৌলবাদী ইসালামি জেহাদিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সনাতনীদের এদেশ থেকে উৎখাতের চেষ্টা হলে পরিণতি ভয়াবহ হবে। সনাতনীদের (Hindu Mass Gathering) উপর অত্যাচার যত হবে আমরা তত বেশি ঐক্যবদ্ধ হব। দাবি আদায়ে বিভাগ ও জেলায় সমাবেশ শেষে আমরা ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ করব।”

    ট্রাইব্যুনাল গঠন করে হিন্দু নির্যাতনের বিচার (Bangladesh)

    শুক্রবার, বাংলাদেশে (Bangladesh) মহম্মদ ইউনূস পরিচালিত অন্তর্বর্তী সরকারের সীমাহীন হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম শহরের লালদিঘি মাঠে গণসমাবেশ করেন নির্যাতিত হিন্দুরা। গত ৫ অগাস্ট গণভবনে ছাত্র আন্দোলনের নামে ওই দেশে রাজনৈতিক তীব্র অস্থিরতা শুরু হয়। ছাত্র আন্দোলনের নামে জামাত এবং বিএনপি সমর্থকরা দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। এরপর দেশের বেশিরভাগ থানা, আওয়ামী লীগ সমর্থক সহ হিন্দুদের উপর চরম আঘাত নেমে আসে। আইনের শাসন ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকারে সেনার শাসন থাকলেও জেলা থেকে শহর সর্বত্র হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, দোকান, চাষের জমি সহ সম্পত্তি লুট, মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দু নারীদের জোর তুলে নিয়ে ধর্ষণের মতো ঘটনা বহু জায়গায় ঘটেছে। এবছর হিন্দুদের বড় উৎসব দুর্গাপুজোর নানা ভাবে হামলা করেছে দুষ্কৃতীরা। চলেছে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড। এই অবস্থায় ভারতের কোচবিহার সীমান্তে প্রচুর শরণার্থী আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। তবুও ইউনূস প্রশাসন নির্বিকার। সকল অত্যচারের বিরুদ্ধে এদিন বিরাট প্রতিবাদ সভা হয় লালদিঘিতে। সমস্ত হিন্দুরা মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এদিনের আট দাফ দাবির মধ্যে ছিল, ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সংখ্যালঘু হিন্দু (Hindu Mass Gathering)  নির্যাতনের বিচার, সংখ্যালঘু কমিশন সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন এবং দুর্গাপুজায় ৫ দিন ছুটি ঘোষণা।

    এদেশ ছেড়ে কোথাও যাব না

    শুক্রবারের সমাবেশে নিপীড়িত হিন্দু (Hindu Mass Gathering) সমাজের (Bangladesh) দাবি ছিল, ‘‘আমার মাটি আমার মা এদেশ, কোথাও ছেড়ে যাব না।’’ এই স্লোগান দিয়ে হাজার হাজার নারী-পুরুষ, ছাত্র-ছাত্রী সহ প্রচুর মানুষ দলে দলে সমাবেশে যোগদান করেন। বেলা আড়াইটার পর থেকে চট্টগ্রাম শহর এবং বিভিন্ন জেলা, উপজেলা থেকে জনসমাগম আসতে শুরু করে। বেলা ৩টেয় লালাদিঘি মাঠ ভর্তি হয়ে আশেপাশের এলাকা ভরে যায়। বিকশিবিট থেকে শুরু করে কেসি দে রোড, জেল রোড, লাল দিঘির চারপাশ হয়ে কতোয়ালি মোড় পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সকলের হাতেই পতাকা ফেস্টুন ছিল।

    দ্বিতীয়–তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক নই

    এদিন বক্তা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বলেন, “কেউ যদি আমাদের (Bangladesh) উৎখাত করে শান্তিতে থাকার চেষ্টা করেন, তাহলে এভূমি আফগানিস্তান হবে, সিরিয়া হবে। সাম্প্রদায়িক আচরণ করে কোনও শক্তি গণতান্ত্রিক সুবিধা পাবেন না। ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও দেশে কোনও স্থিরতা আসছে না। সহনশীলতা লুপ্ত হচ্ছে। সম্মানবোধ হারিয়ে যাচ্ছে, শিক্ষককে পদত্যাগ করানো হচ্ছে। শুধু সংখ্যালঘু পরিচয়ে ৯৩ জনকে পুলিশের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দুদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। আমরা এই অপকর্মের বিরদ্ধে নীরব থাকতে পারব না। বাংলাদেশে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তাতে আমাদের আপত্তি নেই। দ্বিতীয়–তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক নই আমরা, তাই আমাদের স্বার্থকে আঘাত করে সংবিধান সংশোধনকে মানব না। পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি একজন হিন্দু (Hindu Mass Gathering) হয়েছেন। আর এ দেশে একজনকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা হয়েছে। জেএম সেন হলে মামলায় আসামিদের জামিন হয়ে গেল। আমাদের ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত হানলে জামিন পায়। আর হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতির কথা বললে গ্রেফতার করে জেলে ঢোকানো হচ্ছে। এই কাজ অত্যন্ত অন্যায়। প্রশাসন-সরকার অত্যন্ত অমানবিক আচরণ করছে।”

    আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন

    আবার পটিয়া পাঁচরিয়া তপোবন আশ্রমের অধ্যক্ষ রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ বলেন, “এই মাটির (Bangladesh) স্বাধিকারের জন্য বিপ্লবী সূর্য সেনরা জীবন দিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব। এই আন্দোলন আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন।” একই ভাবে এদিন শংকর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ তপনানন্দ গিরি মহারাজ, ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ গৌর দাস ব্রহ্মচারী, বাঁশখালী ঋষিধামের মহন্ত সচিদানন্দ পুরী মহারাজ, কৈবল্যধামের মহারাজ কালিপদ ভট্টাচার্য, স্বামী গোপীনাথ মহারাজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ক্রমবর্ধমান হিন্দু অত্যাচারের বিরুদ্ধে একাটাই আওয়াজ, এই দেশ কাউর বাপ-দাদার নয়, আমরা দেশ ছেড়ে যাবো না।

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপির বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশে (Bangladesh) এই প্রতিবাদ সভা সম্পর্কে বলেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের (Hindu Mass Gathering) উপর আধিপত্য বিস্তার ও নিপীড়নের মধ্যেই, হিন্দুরা আজ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের ঐতিহাসিক লাল দিঘিতে সমবেত হয়েছে। আমি সীমান্তের ওপারের আমার সনাতনী বোন ও ভাইদের আশ্বস্ত করতে চাই, এই সংকটের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি। প্রকৃতপক্ষে, সারা বিশ্বের সমগ্র সনাতন সম্প্রদায় আপনার সাথে আছে। ধৈর্য ধরে থাকুন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন এবং শক্ত থাকুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel Iran Conflict: প্রত্যাঘাত ইজরায়েলের! নিশানায় ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলি, হামলা সিরিয়াতেও

    Israel Iran Conflict: প্রত্যাঘাত ইজরায়েলের! নিশানায় ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলি, হামলা সিরিয়াতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ইরানে প্রত্যাঘাত হানল ইজরায়েল (Israel Iran Conflict)। শনিবার সকাল থেকে ইরানের রাজধানী তেহরানে আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েলি (Israel) সেনা। ইরানে হামলার কথা স্বীকারও করেছে তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী)। তারা জানিয়েছে, তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ইরানের সামরিক ঘাঁটি।

    ইজরায়েলের প্রত্যাঘাত (Israel Iran Conflict)

    গত কয়েক মাস ধরে চলা ইরানের লাগাতার হামলার জবাব দিতে শুরু করল ইজরায়েল। ইরানের পাশাপাশি সিরিয়াতেও হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। ইজরায়েলি সেনার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইরান থেকে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে মাসের পর মাস ধরে অনবরত যে আক্রমণ আসছে, তার জবাবে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী এখন ইরানের কিছু সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্দিষ্ট হামলা চালাচ্ছে।” এদিনই ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স জানিয়েছে, এদিন ভোর রাত থেকে তেহরান ও সংলগ্ন এলাকায় আকাশপথে অন্তত দুটি হামলা হয়েছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দফতরের তরফে জারি করা এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “আমাদের দেশকে নিরাপদে রাখতেই এই পদক্ষেপ।”

    বিস্ফোরণের আওয়াজে ঘুম ভাঙল তেহরানের

    এদিন ভারতীয় সময় ভোর ৪টে নাগাদ তেহরান ও কারাজ শহরে পর পর বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা যায়। পরে জানা যায়, ১ অক্টোবর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব দিয়েছে তেল আভিভ। ইজরায়েলি সেনার (Israel Iran Conflict) মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাঘারি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে ফের কোনও ভুল করলে এভাবেই তার জবাব দেওয়া হবে।”

    ১ অক্টোবর ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। তেল আভিভ লক্ষ্য করে অন্তত ১৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। ওই সময় লেবাননে গ্রাউন্ড অপারেশন শুরু করেছিল ইজরায়েলি সেনা। তারই জবাবে ইজরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করে ইরান। এদিন ভোরে তারই জবাব দিল নেতানিয়াহুর দেশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘অফিসের মাথায় জাতীয় পতাকা খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগান’’, এসডিপিওকে তোপ সুকান্তর

    ইজরায়েল-ইরানের এই যুদ্ধে যুযুধান দু’পক্ষের কাছেই অস্ত্র সংবরণের আবেদন জানিয়েছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস। এদিকে, আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট তথা প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজারায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বলে খবর। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে (Israel) হামলা চালায় প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। তার পর থেকে ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে যুদ্ধের পরিসর (Israel Iran Conflict)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Spurious Drugs: প্যান-ডি সহ চারটি ওষুধ জাল! আরও ৪৯টির গুণমান খারাপ, ঘোষণা কেন্দ্রীয় সংস্থার

    Spurious Drugs: প্যান-ডি সহ চারটি ওষুধ জাল! আরও ৪৯টির গুণমান খারাপ, ঘোষণা কেন্দ্রীয় সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধকে জাল (Spurious Drugs) বলে ঘোষণা করল সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO)। শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফ থেকে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই ওষুধগুলির মধ্যে রয়েছে, বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টাসিড প্যান-ডি, ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট শেলক্যাল-৫০০, ডেকাডুরাবোলিন-২৫ ইনজেকশন ও ইউরিম্যাক্স ডি। বাজারে যে সমস্ত ওষুধ রয়েছে সেগুলির গুণগত মান যাচাই করার জন্য প্রতি মাসে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেন CDSCO-র আধিকারিকরা। গত মাসেই গুণমান পরীক্ষায় ফেল করে ওষুধগুলি। এরপরে শুক্রবারই জাল বলে ঘোষণা করা হয় ওষুধগুলিকে।

    ৪৯টি ওষুধের গুণগত মান ঠিক নেই

    সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে আরও ৪৯টি ওষুধের গুণগত মান ঠিক নেই বলে জানিয়েছে সিডিএসসিও। এই তালিকায় রয়েছে – ভিটামিন সি, ডি৩ ট্যাবলেট, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি সফটজেল, প্যারাসিটামল, ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্লিমেপিরিড এবং রক্তচাপের ওষুধ টেলমিসার্টান। এর আগের প্রকাশিত রিপোর্টে ৫৩টি ওষুধের গুণগত মান ঠিক নেই বলে জানিয়েছিল এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। এরমধ্যেই ছিল অ্যান্টাসিড প্যান-৪০, অ্যান্টিবায়োটিক ক্ল্যাভাম- ৬২৫। এই দুই ওষুধই অ্যালকেম তৈরি করে। একইসঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক সিপ্রোডাক ৫০০ ও মনোসেফও ছিল। এই ওষুধগুলি তৈরি করে ক্যাডিলা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং অ্যারিস্টো ফার্মাসিউটিক্যালস। অন্যদিকে অ্যালকেমের দাবি, তাদের কোম্পানি গুণগতমান ঠিক রেখেই ওষুধ উৎপাদন করে। তারা আরও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি আলোচনায় বসবে তারা।

    বহুল ব্যবহৃত প্যান-ডি জাল (Spurious Drugs) প্রমাণিত হওয়ায় অনেক প্রশ্ন উঠছে

    প্রসঙ্গত, গ্যাসের সমস্যায় যে সমস্ত মানুষ ভোগেন তাঁরা অনেকেই বিভিন্ন সময় ভরসাযোগ্য ওষুধ হিসেবে প্যান-ডি (Spurious Drugs) খান চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে। কমবেশি সকলেই এতদিন ব্যবহার করেছেন এই ওষুধ। বহুল ব্যবহৃত এই ওষুধ জাল প্রমাণিত হওয়ায়, অনেক প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে। তবে কি এতদিন জাল ওষুধেই রোগ নিরাময়ের জন্য ভরসা করা হত? এমন প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। একই প্রশ্ন, অ্যান্টিবায়োটিক ক্ল্যাভাম-৬২৫ নিয়েও। প্রস্তুতকারী এক সংস্থার তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, যে সমস্ত ব্যাচের ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে সেগুলি তাঁদের তৈরি নয় এবং সেগুলি জাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share