Tag: news in bengali

news in bengali

  • RLD: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    RLD: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাঙনের মুখোমুখি হতে পারে ‘ইন্ডি’ জোট। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিতে পারেন রাষ্ট্রীয় লোক দলের (RLD) নেতা জয়ন্ত চৌধুরী। সূত্রের খবর, জয়ন্ত ইতিমধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে ফেলেছেন। বিজেপির তরফে তাঁকে উত্তরপ্রদেশে চারটি আসন দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই আসনগুলি হল কৈরানা, বাগপত, মথুরা এবং আমরোহা।

    উত্তরপ্রদেশেও ভাঙন ইন্ডি জোটে

    গেরুয়া হঠাতে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল চলে আসে এক ছাতার তলায়। জোটের নাম হয় ‘ইন্ডি’। সেই জোটেই শোনা যাচ্ছে ভাঙনের ‘ঝপাং ঝপাং’ শব্দ। জয়ন্তর রাষ্ট্রীয় লোক দল যেমন বিজেপি-জোটে নাম লেখানোর তোড়জোড় শুরু করেছে, তেমনি উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে না জানিয়েই একতরফাভাবে ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টি। ইন্ডি জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মহাগটবন্ধন ছেড়ে ভিড়ে গিয়েছেন বিজেপি শিবিরে। জোটে থেকেও বেসুরো গাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।

    গেরুয়া শিবিরে নৌকা

    জয়ন্তর দল (RLD) যে গেরুয়া শিবিরে নৌকা ভেড়াতে চলেছে, তার প্রমাণও মিলেছে। ইতিমধ্যেই ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছেন জয়ন্ত। পার্লামেন্টের বাজেট অধিবেশনেও অংশ নেননি তিনি। তাঁর দাদু চৌধুরী চরণ সিংহের একটি মূর্তির আবরণ উন্মোচন উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশের ছাপ্রাউলিতে ‘ইন্ডি’ জোটের সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। তা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা হয়ে গেলেই মূর্তির আবরণ উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, ভোটের ঘোষণা কবে?

    কেন এনডিএ শিবিরে আসতে চাইছে আরএলডি?

    প্রশ্ন হল, কেন এনডিএ শিবিরে ভিড়তে চাইছে জয়ন্ত চৌধুরীর দল (RLD)? সূত্রের খবর, বিজেপির সঙ্গে থাকলে ‘জাত’ হবে উঁচু। জাঠ ভোটও তো আসবেই দলের ঝুলিতে, এমনকী জাঠ নন এমন মানুষের ভোটও পড়বে জয়ন্তর দলের প্রার্থীর পাশে। সেক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থীদের জয় হবে নিছক ‘কেক-ওয়াক’। বর্তমানে, উত্তরপ্রদেশের জাঠ ভোট ভাগাভাগি হচ্ছে আরএলডি ও বিজেপির মধ্যে। রাষ্ট্রীয় লোক দল বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালে জাঠ ভোটের সিংহভাগই চলে আসবে এনডিএ-র পক্ষে। তাতে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি তো বটেই, পায়ের নীচের মাটি শক্ত হবে রাষ্ট্রীয় লোক দলেরও (RLD)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

       

     

  • Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে মায়ানমার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে, জানালেন শাহ

    Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে মায়ানমার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে, জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি চলছে পড়শি দেশ মায়ানমারে। হিংসাদীর্ণ দেশটির বহু মানুষ প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিচ্ছে ভারতে। যুদ্ধ ফেলে শরণার্থীর ভিড়ে মিশে গিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছিল মায়ানমারের বেশ কিছু সেনাও। পরে অবশ্য (Amit Shah) তাঁদের ফেরত পাঠানো হয় স্বদেশে।

    অনুপ্রবেশ রুখতে বেড়া

    প্রাণ বাঁচাতে যারা সে দেশ থেকে চলে আসছে ভারতে, তাদের অনেকেই আবার জড়িয়ে পড়ছে এ দেশে বিভিন্ন অসামাজিক কাজকর্মে। এসব রুখতেই এবার ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিমে’র দিন শেষ হতে চলেছে। এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লিখেছেন, “নিশ্ছিদ্র সীমান্ত তৈরি করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। ঠিক হয়েছে, ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়া দেওয়া হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তে চলবে টহলদারি। গোটা সীমান্তের মধ্যে মণিপুরে ইতিমধ্যেই দশ কিলোমিটার এলাকায় তারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। আরও ২০ কিলোমিটার বেড়া দেওয়ার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে।”

    পাইলট প্রজেক্ট

    অত্যাধুনিক নজরদারির দুটি পাইলট প্রজেক্টও শুরু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বর (Amit Shah) মাসেই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-মায়ানমারের সীমান্তের ৩৯০ কিলোমিটার  অংশে বেড়া দেওয়ার। তার মধ্যে বেড়া দেওয়া রয়েছে বড়জোর ১০ কিলোমিটার অংশে।

    মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ— ভারতের এই চার রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে মায়ানমারের। দুই দেশের বোঝাপড়া মোতাবেক সীমান্তে বসবাসকারী উপজাতিরা দুই দেশের সীমান্তের ১৬ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত যেতে পারেন। বর্ডারপাস দেখিয়ে এঁরা দুই দেশে দু’সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারেন। এই দুই ব্যবস্থাই তুলে দেওয়ার আবেদন জানান মণিপুরের রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) জানান, বেড়া দেওয়ার জন্য একটি হাইব্রিড সারভেল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে দুই পাইলট প্রজেক্টের কাজ দ্রুত রূপায়ন করা হবে। এই প্রজেক্টে মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশের এক কিলোমিটার করে অংশে দ্রুত বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু হবে। মণিপুর সীমান্তে প্রায় ২০ কিলোমিটার অংশেও বেড়া দেওয়ার কাজের অনুমোদন মিলেছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Loksabha Elections 2024: রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, ভোটের ঘোষণা কবে?

    Loksabha Elections 2024: রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, ভোটের ঘোষণা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদ্যি বাজতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Elections 2024)! নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যেতে পারে লোকসভার। এই মাসের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, মার্চের ১০ তারিখের মধ্যেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হতে পারে। উনিশের লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১১ এপ্রিল। সেবার ভোট হয়েছিল সাত দফায়। নির্বাচন-পর্ব শেষ হয়েছিল ১৯ মে। ফল প্রকাশ হয়েছিল ২৩ মে।

    নির্বাচনের ঢাকে কাঠি!

    সূত্রের খবর, রাজ্যে এসে নির্বাচন কমিশনার একাধিক বৈঠক করবেন। পুলিশ এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন তিনি। নির্বাচনের (Loksabha Elections 2024) সময় আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, মাঝ-এপ্রিলে নির্বাচন হতে পারে বলে আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম। সেই মতোই প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। গতবারের চেয়ে এবার আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

    আব কি বার ৪০০ পার!

    দিন দুই আগে সংসদে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বলেওছিলেন, বিজেপি একাই পাবে ৩৭০টি আসন। এনডিএ পার করবে ৪০০-র গণ্ডী। অবশ্য এই প্রথম নয়, মাস দুয়েক আগে দিল্লিতে দলের সদর দফতরে আয়োজিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের বলে দিয়েছিলেন, এবার (Loksabha Elections 2024) ৪০০-র বেশি আসন পেতে হবে। তার পরেই প্রচারের সুর বেঁধে ছিল বিজেপি-‘আব কি বার চারশো পার।’

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    কেন্দ্রের শাসক দলের প্রস্তুতি যখন তুঙ্গে, তখন ছন্নছাড়া দশা বিরোধী শিবিরে। অথচ মাস ছয়েক আগেই বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছিল ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডি’। তার পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকট হয়েছে ‘ইন্ডি’র অন্দরের ফাটল। কখনও আসন রফা নিয়ে, কখনও আবার প্রধানমন্ত্রী মুখ কাকে করা হবে, তা নিয়ে অশান্তি লেগেই রয়েছে। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে, বাংলায় ন্যায় যাত্রায় এসে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। উত্তরপ্রদেশে আবার ১৬টি আসনে একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। আর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, যিনি কিনা ‘ইন্ডি’ জোটের অন্যতম মূল উদ্যোক্তা, তিনি তো ফিরে এসেছেন এনডিএ শিবিরে (Loksabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

       

     

  • Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। অধিবেশন চলার কথা ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার পর্যন্ত। সেটা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি, শনিবার পর্যন্ত। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানান, বাজেট অধিবেশন বাড়ানো হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    শ্বেতপত্র প্রকাশ

    ইউপিএ সরকারের আমলের আর্থিক অনিয়ম শীর্ষক একটি শ্বেতপত্র সংসদে পেশ করতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই কারণেই মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে বাজেট অধিবেশনের। শ্বেতপত্রটির মাধ্যমে ইউপিএ আমলের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, সেই সময়ের ভারতের অর্থনৈতিক দুর্দশা ও অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলি বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হয়েছিল ৩১ জানুয়ারি। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হয় অন্তর্বর্তী বাজেট। যেহেতু লোকসভা নির্বাচন রয়েছে এ বছর, তাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, পেশ করা হয়েছে ভোট অন অ্যাকাউন্ট বা অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। ওই দিন পেশ হয়েছে রেল বাজেটও।

    কংগ্রেসকে নিশানা

    সংসদে রাষ্ট্রপতির বৃক্তৃতার ওপর জবাবী ভাষণ দিতে গিয়ে সোমবার কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জমানায় কাজের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “কংগ্রেস ভাবতেই পারবে না কী গতিতে কাজ হয়েছে। এই সরকার ১০ বছরে যে কাজ করেছে, কংগ্রেসের তা করতে লাগবে ১০০ বছর।” ইউপিএ জমানার সঙ্গে এনডিএ জমানার তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “ভারত যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে আমাদের তৃতীয় মেয়াদে ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি। এটা মোদির গ্যারান্টি।”

    আরও পড়ুুন: মমতা সরকারের ২ লক্ষ ২৯ হাজার কোটির দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি বিজেপির

    মঙ্গলবার রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে সংবিধান (তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪ ও সংবিধান (তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪। এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপক প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয় সংসদে (Budget Session)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “বাঙালির মান-সম্মান জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “বাঙালির মান-সম্মান জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাঙালির মান-সম্মান-ইজ্জত সব কিছু জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী।” সোমবার এই ভাষায়ই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। লোকসভা অধিবেশনে যোগ দিতে এদিন দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন বালুরঘাটের সাংসদ। তার আগে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রীকে।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত বলেন, “যে ধরনের শব্দ মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে বেরিয়েছে, এ ধরনের শব্দ মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে বেরনো উচিত নয়, অন্তত পক্ষে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে তো নয়ই।” এর পরেই তিনি বলেন, “বাঙালির মান-সম্মান-ইজ্জত সব কিছু জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী।” নাম না করে এদিন তৃণমূলের মুখপাত্রকেও আক্রমণ শানিয়েছেন সুকান্ত। তৃণমূলের এই মুখপাত্র বলেছিলেন, “ভোটে জেতার পর চড়াম চড়াম ঢাক বাজবে।” সে প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “আগে যে বাঘ চড়াম চড়াম বলত, সে এখন ছাগ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তিহাড় জেলে। এখন এই নতুন অনুব্রত, কলকাতার অনুব্রত কবে ছাগ হবে সেটাই দেখার।”

    ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে বিজেপি সমর্থক এক পরিবারের সদস্যদের তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “সব জায়গায়ই এটা হচ্ছে, বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এখনও সন্ত্রাসের বাতাবরণ রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা হচ্ছে সন্ত্রাসের এপিসেন্টার। এই লোকসভায়ই সব চেয়ে বেশি সন্ত্রাস হয়।”

    প্রসঙ্গত, শনিবার কেন্দ্রকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “রোজ মোদিজি বলছে, পাকা বাড়ি করে দিচ্ছি। *** তুমি প্রাসাদ অট্টালিকায় থাকবে, আর এই গরিব লোকের মাথার ছাদটা কেড়ে নিয়েছো, তাঁকে দিচ্ছ না।”

    আরও পড়ুুন: “শুধু অ্যাকশন-রিঅ্যাকশনে নজর রাখতে হবে”, শাহি বৈঠক শেষে বললেন শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন কুরুচিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার বর্ণ পরিচয় হাতে কলকাতায় মিছিল করে বিজেপির যুব মোর্চা। সেই ছবিতে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে দেওয়া হয় মধু। বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, “মোদিজি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি আমাদের দেশের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাঁর উদ্দেশে যেভাবে কু-শব্দ প্রয়োগ করলেন, তা দুর্ভাগ্যজনক। পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে, বাংলাভাষী হিসেবে আমরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাছে (Sukanta Majumdar) ক্ষমাপ্রার্থী।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “বিজেপি ৩৭০ আসন পাবেই, এনডিএ পেরোবে ৪০০”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বিজেপি ৩৭০ আসন পাবেই, এনডিএ পেরোবে ৪০০”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধী হিসেবে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস।” সোমবার বাজেট অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে গিয়ে একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “দশকের পর দশক উল্টোদিকে বসার সংকল্প নিয়ে ফেলেছেন বিরোধীরা। জনতা তো ভগবানের প্রতীক। আপনারা যেভাবে পরিশ্রম করছেন, আমার মনে হয় ভগবানরূপী জনতা আপনাদের দু হাত ভরে আশীর্বাদ করবেন এবং সঠিক জায়গায় বসার ব্যবস্থা করে দেবেন।”

    নিশানা অধীরকে

    লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকেও এদিন একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “অধীর রঞ্জন চৌধুরী আপনার কনট্র্যাক্ট ওদের দিয়ে দিয়েছেন নাকি? কী হয়েছে আপনাদের দাদা? কতদিন আর সমাজকে বিভক্ত করবেন? বন্ধ করুন এই বিভাজন। আপনারা দেশকে অত্যন্ত হতাশ করেছেন। আপনাদের ভাবনা নিয়ে করুণা হয় আমার। নেতা তো বদলে ফেলেছেন আপনারা। কিন্তু টেপ রেকর্ডার এক রয়ে গিয়েছে। সেই পুরানো রাগ বেজে চলেছে টেপ রেকর্ডারে।”

    ‘দোকানে তালা পড়ার সময় হয়ে এসেছে’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “নির্বাচনের বছর। পরিশ্রম করে কিছু নতুন নিয়ে আসুন। এটাও কি আমি শিখিয়ে দেব?” তিনি বলেন, “অধীরবাবুর অবস্থা আমি বুঝতে পারি। পরিবারতন্ত্রের সেবা তো করে যেতেই হবে তাঁকে। খাড়্গেজি এই কক্ষ থেকে ওই কক্ষে চলে গেলেন। গুলাম নবিজি তো পার্টি থেকেই শিফট করে গেলেন। পরিবারতন্ত্রের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছেন তাঁরা। একই প্রোডাক্ট বারবার লঞ্চ করার জন্য দোকান খুলেছেন। এই দোকানে তালা পড়ার সময় হয়ে এসেছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘কাজ নেই বলে পুরসভায় যাই না’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুকুলপুত্র

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের মধ্যে অনেকেই ভোটে লড়ার ইচ্ছে ও সাহস হারিয়ে ফেলেছেন। অনেকে আবার আসন বদলানোর চেষ্টা করছেন। আবার কেউ কেউ লোকসভার বদলে রাজ্যসভায় যেতে চাইছেন। নিজেদের মতো করে খড়কুটো ধরে থাকার রাস্তা খুঁজছেন।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমাদের সরকারের তৃতীয় মেয়াদ খুব দূরে নয়। খুব বেশি হলে ১০০-১২৫ দিন বাকি রয়েছে। দেশের যা মেজাজ দেখছি, তাতে বিজেপি ৩৭০ আসন পাবেই। আর এনডিএ পেরোবে ৪০০ আসন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: ভোট প্রচারে শিশুদের ব্যবহার নয়, কঠোর নির্দেশিকা জারি কমিশনের

    Lok Sabha Elections 2024: ভোট প্রচারে শিশুদের ব্যবহার নয়, কঠোর নির্দেশিকা জারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে শিশুদের ব্যবহার করা এ দেশে নতুন নয়। তবে এবার থেকে আর তা করা যাবে না। সোমবার নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Elections 2024) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনের কাজে কোনওভাবেই ব্যবহার করা যাবে না শিশুদের। এই মর্মে কঠোর নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে কমিশনের তরফে।

    জিরো টলারেন্স নীতি

    এ বিষয়ে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করছে। কমিশনের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোনও কাজে শিশুদের ব্যবহার করা যাবে না। প্রচারে শিশুরা পা মেলাতে পারবে না। পোস্টার বিলি, স্লোগান দেওয়া, মিছিলে হাঁটানো থেকে বিরত রাখতে হবে শিশুদের। নির্বাচন সংক্রান্ত বৈঠকেও শিশুদের নিয়ে যাওয়া যাবে না। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই (Lok Sabha Elections 2024) এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে।

    শিশুশ্রম প্রতিরোধ আইন

    প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রচারের সময় শিশুশ্রম প্রতিরোধ আইন, ১৯৮৬ মেনে চলতে হবে। ওই আইনে যা যা বলা আছে, তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচনী প্রচারে শিশুদের কোলে নিয়ে বা কোনও গাড়িতে শিশুদের নিয়ে যাওয়া যাবে না। প্রচারে ব্যবহৃত কোনও কবিতা, গান কিংবা বক্তৃতায় শিশুদের উল্লেখ রাখা যাবে না। তবে কোনও রাজনৈতিক সভায় বাবা-মায়ের সঙ্গে যদি কোনও শিশু আসে, সেক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রচারের অঙ্গ হিসেবে সেই শিশুকে গণ্য করা হবে না। এবং তাতে কোনও বাধাও থাকবে না।

    কমিশনের নির্দেশ মানা না হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের নির্দেশিকায়। এ প্রসঙ্গে, ২০১৪ সালে বম্বে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার রায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশিকায়। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা (Lok Sabha Elections 2024) হয়েছে, যদি এই নির্দেশ পালন করা না হয়, তাহলে অভিযুক্ত রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে ভারতের নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুুন: বাংলা, বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও অশান্তি ইন্ডি জোটে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Champai Soren: আস্থাভোটের গেরো উতরে গেল ঝাড়খণ্ডের চম্পাই সরকার, ভোট দিলেন হেমন্তও

    Champai Soren: আস্থাভোটের গেরো উতরে গেল ঝাড়খণ্ডের চম্পাই সরকার, ভোট দিলেন হেমন্তও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আস্থাভোটে জিতলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। আজ, সোমবার ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় আস্থাভোট হয়। চম্পাইয়ের পক্ষে ভোট দেন ৪৭ জন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও। দিন কয়েক আগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। আস্থাভোটে অংশ নেন হেমন্ত।

    কত ভোটে জয়

    ৪৭:২৯ ভোটে জয়ী হয় ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। আস্থাভোটে অংশ নেওয়ার জন্য চম্পাইকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তবে ঘোড়া কেনাবেচা রুখতে তিন দিনের মধ্যে আস্থাভোটে অংশ নেন চম্পাই। ঝাড়খণ্ড (Champai Soren) বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৮১। ম্যাজিক ফিগার ৪১। স্পিকার বলেন, “আস্থাভোটের পক্ষে অংশ নেন ৪৭। বিপক্ষে পড়ে ২৯টি ভোট। এভাবেই আস্থাভোট পাশ হয়েছে বিধানসভায়।”

    গ্রেফতার হেমন্ত

    জানুয়ারির ৩১ তারিখে ইডির হাতে গ্রেফতার হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত। জমি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বিশেষ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে এদিন আস্থাভোটে অংশ নিতে আসেন তিনি। ভারতের ইতিহাসে দিনটিকে কালো অধ্যায় বলে অভিহিত করেন হেমন্ত। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “৮.৫ একর জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে আমায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের যদি সাহস থাকে, তাহলে তারা আমার নামে জমির নথি দেখাক। যদি এটা প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।”

    আরও পড়ুুন: বাংলা, বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও অশান্তি ইন্ডি জোটে!

    পিএমএলএতে গ্রেফতার হন হেমন্ত। ২ ফেব্রুয়ারি পাঁচ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। ইডির হাতে গ্রেফতার হতে পারেন এই আশঙ্কায় মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন হেমন্ত। তাঁর জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন দলেরই চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। দলের বিধায়কদের যাতে অন্য দল ভাঙিয়ে নিতে না পারে, তাই কংগ্রেস শাসিত হায়দরাবাদে উড়িয়ে নিয়ে চলে যাওয়া হয় কংগ্রেস এবং জেএমএমের বিধায়কদের।

    চম্পাইয়ের আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল হেমন্তর স্ত্রী কল্পনাকে। তা নিয়ে অসন্তোষ দানা বাঁধে দলের অন্দরে। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন হেমন্তর প্রয়াত দাদার স্ত্রীও। শেষমেশ ওই পদে বসানো হয় চম্পাইকে (Champai Soren)। উতরে যান আস্থাভোটের গেরোও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • INDI Alliance: বাংলা, বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও অশান্তি ইন্ডি জোটে!

    INDI Alliance: বাংলা, বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও অশান্তি ইন্ডি জোটে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়ছে বিজেপি। অথচ ছন্নছাড়া দশা ইন্ডি জোটের (INDI Alliance)। বাংলা এবং বিহারের পর এবার আসন রফা নিয়ে জোর ধাক্কা উত্তরপ্রদেশে। প্রত্যাশিতভাবেই জোটের আয়ু কতদিন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    বিজেপি বিরোধী জোট

    কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে জোট বেঁধেছিল বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। তার পর থেকে জোটের অন্দরে কেবলই বয়ে চলেছে অশান্তির চোরাস্রোত। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে, জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী বাংলায় ন্যায় যাত্রায় এসে জোটের আর এক শরিক তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। বিহারের ছবিটা আবার (INDI Alliance) অন্য রকম। সেখানে ইন্ডি জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা মহাগটবন্ধনের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার আবার ফিরেছেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে।

    সমস্যা উত্তরপ্রদেশেও

    এহেন আবহে আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে উত্তরপ্রদেশেও। জানা গিয়েছে, যে আসনগুলিতে কংগ্রেস প্রার্থী দিতে চেয়েছে, সেগুলি হাত-শিবিরকে ছাড়তে নারাজ ইন্ডি জোটের শরিক সমাজবাদী পার্টি। কংগ্রেসের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করেই অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে ১৬টি আসনে। এই আসনগুলির মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থী দিতে চেয়েছিল কংগ্রেস। এই আসনগুলি হল, সম্ভাল, ধাউরাহা, ফৈজাবাদ, লখিমপুর খেরি এবং লখনউ।

    আরও পড়ুুন: “কামাখ্যা করিডর হবে উত্তর-পূর্ব ভারতে পর্যটনের প্রবেশদ্বার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বরাবাঁকি আসনটিও চেয়েছিল কংগ্রেস। সমাজবাদী পার্টির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই আসনগুলিতে সমাজবাদী পার্টির যেসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তার চেয়ে যোগ্য প্রার্থী কংগ্রেস দিতে পারলে আসনগুলি তারা ছেড়ে দেবে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে। তবে সমাজবাদী পার্টির তরফে কংগ্রেসকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওই আসনগুলি তারা কোনওমতেই কংগ্রেসকে ছাড়বে না। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস। তারা আসন রফার বিষয়টি ছেড়ে দিতে চাইছে দলের হাইকমান্ডের হাতে।

    ১৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর প্রদেশে আসবেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’য় বেরিয়েছেন তিনি। সেই সূত্রেই তিনি আসবেন যোগী রাজ্যে। রাহুলের কর্মসূচিতে যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে ইন্ডি জোটের (INDI Alliance) দলগুলিকে। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল ২১টি আসনে। এই আসনগুলিতেও দরাদরি করবেন অখিলেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: নির্বাচনের ৪ দিন আগে পাকিস্তানের থানায় জঙ্গি হামলা, হত ১০ পুলিশকর্মী

    Pakistan: নির্বাচনের ৪ দিন আগে পাকিস্তানের থানায় জঙ্গি হামলা, হত ১০ পুলিশকর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সন্ত্রাসবাদীদের হামলার শিকার হলেন পাকিস্তানের (Pakistan) ১০ পুলিশ অফিসার। গুরুতর জখম হয়েছেন ৬ জন। সোমবার উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের একটি থানায় ঢুকে অতর্কিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। মৃত্যু হয় ওই পুলিশ আধিকারিকদের। পাকিস্তান পুলিশ জানিয়েছে, এদিন স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ থানায় হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। প্রথমে কনস্টেবলদের লক্ষ্য করে গুলি করা হয় স্নাইপার রাইফেল দিয়ে। তার পরেই হামলা চালানো হয় থানার ভেতরে। হামলার দায় স্বীকার করে এদিন দুপুর পর্যন্ত বিবৃতি দেয়নি কোনও জঙ্গি সংগঠন। ঘটনার নেপথ্যে তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) হাত রয়েছে বলে অনুমান পাকিস্তান পুলিশের একাংশের।

    কী বলছে পুলিশ?

    দ্রাবানের ডেপুটি পুলিশ সুপার মালিক আনীশ আল হাসান বলেন, “থানার ভেতরে ঢুকে পড়ে জঙ্গিরা হ্যান্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। অতর্কিত হানায় ব্যাপক ক্ষতি হয়।” খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পুলিশ প্রধান হয়াত গন্দাপুর বলেন, “দেরা ইসমাইল খান জেলার চুওয়াধোয়াঁ থানায় হামলা হয়। তিরিশজনেরও বেশি জঙ্গি এক সঙ্গে তিন দিক থেকে হামলা চালায়। আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গুলি বিনিময় হয় দু’পক্ষে।” থানায় হামলার নিন্দা করেছেন খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী আরশাদ হোসেন শাহ। মৃত পুলিশকর্মীদের (Pakistan) শ্রদ্ধাজ্ঞাপনও করেছেন তিনি। সমবেদনা জানিয়েছেন নিহতদের পরিবারবর্গকে। আহতদের দ্রুত আরোগ্যও কামনা করেছেন আরশাদ।

    টিটিপির শক্তি বৃদ্ধি

    গত কয়েক বছর ধরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় শক্তি বৃদ্ধি করেছে টিটিপি। গত দু’বছর ধরে পাকিস্তানে একাধিক হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সিংহভাগ হামলার নেপথ্যে রয়েছে আফগানিস্তান মদতপুষ্ট এই জঙ্গি সংগঠন। গত ডিসেম্বরেও সামরিক বাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। আত্মঘাতী সেই হামলায় মৃত্যু হয়েছিল পাক সেনাবাহিনীর অন্তত ২৩ সদস্যের। সেই ক্ষত ভালো করে শুকোবার আগেই ফের ঘটল সন্ত্রাসী হামলা। যার বলি হলেন ১০ পুলিশ কর্মী।

    আরও পড়ুুন: “কামাখ্যা করিডর হবে উত্তর-পূর্ব ভারতে পর্যটনের প্রবেশদ্বার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার সাধারণ নির্বাচন পাকিস্তানে। তার আগে থানায় ঢুকে জঙ্গি হামলার ঘটনায় ত্রস্ত সাধারণ মানুষ। দিন চারেক আগে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে খুন হন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলের নেতা রেহান জাইব খান। খাইবার পাখতুনখোয়ার সিদ্দিকাবাদ ফটক বাজার (Pakistan) এলাকায় খুন হন তিনি। অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীদের গুলিতে জখম হয়েছেন পিটিআইয়ের আরও তিন সমর্থক। সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে পাকিস্তানের এই অঞ্চলটির আকাশে কেবলই গোলা-বারুদের গন্ধ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share