Tag: news in bengali

news in bengali

  • LK Advani Bharat Ratna: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    LK Advani Bharat Ratna: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন পাচ্ছেন প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী (LK Advani)। শনিবার ঘোষণাটি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে আডবাণীর দুটি ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে যোঘণা করছি যে শ্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীজিকে ভারতরত্ন প্রদান করা হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে কথাও বলেছি আমি। ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হওয়ার জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমাদের সময়ের অন্যতম শ্রদ্ধেয় রাষ্ট্রনায়ক। ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি যে অবদান রেখেছেন, তা অভাবনীয়। তৃণমূল স্তরে কাজ করার মাধ্যমে তাঁর জীবন শুরু করেছিলেন। সেই তিনিই উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের দেশের সেবা করেছেন। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হিসেবে উনি (LK Advani) নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    তিনি লিখেছেন, “ওঁকে ভারতরত্ন প্রদান করতে পারা আমার কাছে অত্যন্ত আবেগের একটি মুহূর্ত। আমি যে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং তাঁর কাছ থেকে শেখার অশেষ সুযোগ পেয়েছি, তার জন্য আমি সর্বদাই এটিকে আমার সাফল্য বলে মনে করব।” ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন। সেই সম্মানেই ভূষিত হতে চলেছেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আডবাণী (LK Advani Bharat Ratna)। তিনি ছিলেন দেশের সপ্তম উপ-প্রধানমন্ত্রী। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

    এলকে আডবাণী

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সদস্যও ছিলেন আডবাণী। দেশের সর্বাধিক সময় ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই সৎ রাজনীতিবিদ। রাম জন্মভূমি আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন আডবাণী। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, “আডবাণীজি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সাধারণ জনগণকে যে পরিষেবা দিয়েছেন স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রেখে, তা রাজনীতিতে মানদণ্ড তৈরি করেছে। দেশের অখণ্ডতা ও সংস্কৃতির পুনরুত্থানে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ওঁর সঙ্গে আলাপচারিতা করতে পারা ও ওঁর থেকে পাওয়া শিক্ষাকে আমি বরাবরই নিজের সৌভাগ্য (LK Advani Bharat Ratna) বলে মনে করেছি।”

    আরও পড়ুুন: ‘লোকসভার ফল বেরলেই রাজ্যে বিজেপি সরকার’, বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব কোথায়? ক্যাগের রিপোর্ট দেখিয়ে প্রশ্ন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব কোথায়? ক্যাগের রিপোর্ট দেখিয়ে প্রশ্ন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল? ক্যাগের রিপোর্ট তুলে ধরে মোক্ষম প্রশ্নটি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের বকেয়া টাকার দাবিতে বুধবার থেকে রেড রোডে ধর্নায় বসছেন মুখমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সময়ই কার্যত বোমা ফাটালেন সুকান্ত।

    দুর্নীতির নয়া পন্থা

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে। তিনি বলেন, “দুর্নীতির এটি একটি নয়া পন্থা। সাধারণ মানুষের টাকা কোথায় গিয়েছে, তা কেউ জানে না।” বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয় রাজ্য সরকারকে। তা থেকেই বোঝা যায়, প্রকল্পের জন্য যে টাকা বরাদ্দ হয়েছে, তা খরচ হয়েছে কোন খাতে, খরচই বা হয়েছে কত। কিন্তু ক্যাগের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা করা হয়নি। সুকান্তর (Sukanta Majumdar) দাবি, কন্টিজেন্সি ফান্ড থেকেও প্রায় তিন হাজার চারশো কোটি টাকা তোলা হয়েছে। তার মধ্যে এক হাজার ১৬৯ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে। তবে কোনও খরচেরই বিল জমা দেওয়া হয়নি।

    সব চেয়ে বেশি দুর্নীতি

    সুকান্তর অভিযোগ, শিক্ষা থেকে গ্রামোন্নয়ন সব দফতরে দুর্নীতি হয়েছে। গ্রামীণ বিকাশ, নগর উন্নয়ন ও শিক্ষা দফতরে সব চেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে বলেও দাবি তাঁর। সুকান্তর (Sukanta Majumdar) পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া। তিনি বলেন, “বাংলায় যা হয়েছে, তা মাদার অব অল স্ক্যাম।” কংগ্রেসের মনমোহন সিং সরকারের আমলে যে টু জি স্ক্যামের অভিযোগ উঠেছিল, তার সঙ্গেও বাংলার তুলনা করেছেন গৌরব।

    আরও পড়ুুন: বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হল জেএমএম সুপ্রিমো হেমন্তকে

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Hemant Soren: বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হল জেএমএম সুপ্রিমো হেমন্তকে

    Hemant Soren: বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হল জেএমএম সুপ্রিমো হেমন্তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের পদত্যাগী মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে (Hemant Soren) একদিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজত দিল স্পেশাল পিএমএলএ আদালত। বুধবারই টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন হেমন্ত। পরে তোলা হয় আদালতে। সেখানেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    দশ দিনের রিমান্ডে চেয়েছিল ইডি

    যদিও হেমন্তকে দশ দিনের রিমান্ডে চেয়েছিল ইডি। ঝাড়খণ্ডের পদত্যাগী মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে সওয়াল করেছিলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজীব রঞ্জন। আদালত থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতাকে (হেমন্ত) বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। পুরো বিষয়টিই উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সরকারকে কালিমালিপ্ত করতে এটা একটা ষড়যন্ত্র। পদত্যাগী মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এখনও কোনও প্রমাণ মেলেনি। যখন তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করা হচ্ছিল, তখনই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এটা অবৈধ।”

    বিরসা মুণ্ডা সেন্ট্রাল জেল

    প্রসঙ্গত, টানা (Hemant Soren) সাত ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার রাতে গ্রেফতার করা হয় হেমন্তকে। তার আগে দলীয় বিধায়ক ও নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন হেমন্ত। গ্রেফতারির আঁচ পেয়েই ইস্তফা দেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। হেমন্তকে পাঠানো হয়েছে বিরসা মুণ্ডা সেন্ট্রাল জেলে। আদালত থেকে যখন তাঁকে জেলে নিয়ে যাওয়া হয় তখন হেমন্ত সোরেন জিন্দাবাদ স্লোগান দিতে থাকেন তাঁর অনুগামীরা। হেমন্ত ছিলেন মহাগটবন্ধন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি গ্রেফতার হতেই হেমন্তের দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়কদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হল হায়দরাবাদে। এদিন রাতেই তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে হায়দ্রাবাদে। ঘোড়া কেনাবেচা রুখতেই এই ব্যবস্থা বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুুন: “ভবিষ্যৎ ভারতের বাজেট”, প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে ঝাড়খণ্ডে গঠিত হয়েছিল মহাগটবন্ধন। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ছাড়াও ওই জোটে রয়েছে কংগ্রেস, আরজেডি এবং এনসিপি। ঝাড়খণ্ড বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৮১। শাসক জোটের পক্ষে রয়েছেন ৪৯ জন। এর মধ্যে হেমন্তের দলের বিধায়কের সংখ্যা ২৯। বাকি কুড়িজনের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, এনসিপি, বাম এবং আরজেডির বিধায়ক।  বিজেপি-বিরোধী শিবিরের দাবি, বিরোধীদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতেই এসব করা হচ্ছে। যদিও বিজেপির দাবি, যা হয়েছে, তা আইন মেনেই (Hemant Soren)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: “ভবিষ্যৎ ভারতের বাজেট”, প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর

    Budget 2024: “ভবিষ্যৎ ভারতের বাজেট”, প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক বাজেট (Budget 2024) পেশ করায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও তাঁর টিমকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই বাজেটকে “ভবিষ্যৎ ভারতের বাজেট” বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রাক-নির্বাচন পর্বের এই বাজেটকে অভিনবও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

    উদ্ভাবনের বাজেট

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বাজেটে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য। এক লক্ষ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। স্টার্ট-আপগুলির জন্য কর ছাড়ের ঘোষণাও করা হয়েছে।” এই বাজেট আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে আরও এক কদম বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। নির্মলার বাজেটের (Budget 2024) ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেলে বাজেট সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের স্বপ্ন অর্জনের একটি রোডম্যাপ।”

    বিকশিত ভারত

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের ভিত্তি পোক্ত করার গ্যারেন্টি দিচ্ছে এই বাজেট। আমি নির্মলাজি ও তাঁর টিমকে শুভেচ্ছা জানাই। তরুণ ভারতের আকাঙ্খার প্রতিফলন এই বাজেট। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্ষমতায়ন এবং নয়া আয়ের দিশার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এই বাজেটে। এক কোটি পরিবারকে নিখরচায় বিদ্যুৎ পেতে সাহায্য করবে রুফটপ সোলার স্কিম।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বাজেট তরুণদের জন্য অসংখ্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। একবিংশ শতাব্দীর ভারতের উপযোগী আধুনিক পরিকাঠামোও তৈরি করবে এই বাজেট। ২০ মিলিয়ন মহিলাকে লাখপতি দিদি করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছি আমরা। এটা এখন বাড়িয়ে ৩০ মিলিয়ন করা হয়েছে। গ্রাম ও শহরের গরিব মানুষকে আমরা ৪০ মিলিয়ন বাড়ি তৈরি করে দিয়েছি। আরও ২০ মিলিয়ন বাড়ি তৈরির লক্ষ্যমাত্রাও ধার্য করেছি।”

    আরও পড়ুুন: ‘লাখপতি দিদি’ যোজনা চালু করছে মোদি সরকার, কারা পাবেন সুযোগ?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এছাড়াও আজকের বাজেট কৃষক কল্যাণেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বাজেট বিকশিত ভারতের চারটে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ তরুণ, দরিদ্র, মহিলা এবং কৃষককে শক্তিশালী করবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে যে উন্নত ভারত হবে, তার ভিত্তি শক্তিশালীর করার গ্যারেন্টিও দিচ্ছে এই বাজেট (Budget 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lakhpati Didi: ‘লাখপতি দিদি’ যোজনা চালু করছে মোদি সরকার, কারা পাবেন সুযোগ?

    Lakhpati Didi: ‘লাখপতি দিদি’ যোজনা চালু করছে মোদি সরকার, কারা পাবেন সুযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের ক্ষমতায়ন হয়েছে। এবার তাঁদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে চাইছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই লক্ষ্যে ‘লাখপতি দিদি’ (Lakhpati Didi) যোজনা শুরু করতে চাইছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁদের লক্ষ্য দেশের মহিলাদের আর্থিক উন্নতি করে লাখপতি দিদি তৈরি করা।

    লাখপতি দিদি

    প্রাথমিকভাবে দেশের দু’ কোটি মহিলাকে লাখপতি দিদি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং দিয়ে দু’ কোটি মহিলার ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলারা এই প্রকল্পের দ্বারা সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। অনলাইন ফর্ম পূরণ করে এই স্কিমের সুবিধা পেতে পারেন মহিলারা। এই প্রকল্পের অধীনে স্বনির্ভর (Lakhpati Didi) গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের এলইডি বাল্ব, প্লাম্বিং, ড্রোন মেরামতের মতো প্রযুক্তিগত কাজ শিখিয়ে স্বনির্ভর করা হবে।

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় মধ্যরাতে পুজো হিন্দু পক্ষের

    স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সাফল্য

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে চাওয়ার কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই মহিলাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, ক্ষমতায়ন ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করা হবে। বীমা ও ঋণের সুবিধাও দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, “মহিলাদের ক্ষমতায়নের মধ্যে দিয়ে গ্রামীণ আর্থ-সামজিক প্রেক্ষাপট বদলাচ্ছে। গ্রামীণ মহিলাদের জীবনযাত্রায় বদল এসেছে। এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সাফল্যে ১ কোটি মহিলা লাখপতি দিদি হয়েছেন। মহিলাদের এই সাফল্যকে স্বীকৃতি দিতেই এবার লাখপতি দিদির সংখ্যা ২ কোটি থেকে ৩ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।”

    সীতারামন বলেন, “আগামী পাঁচ বছরেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। ২০৪৭ এর মধ্যে বিকশিত ভারত গঠনই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় সরকারের। আর সেই লক্ষ্যপূরণেই মোদি সরকারের ফোকাস থাকবে গরিব, মহিলা, যুব ও কৃষকদের ওপর।” লাখপতি দিদি প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই হতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা। মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হওয়াও বাধ্যতামূলক। আবেদন করার সময় দিতে (Lakhpati Didi) হবে আধারকার্ড, আয় ও বসবাসের শংসাপত্র, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মোবাইল নম্বর এবং পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren: ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে হেমন্ত সোরেন

    Hemant Soren: ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে হেমন্ত সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ঝাড়খণ্ডের পদত্যাগী মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। বৃহস্পতিবার সেই গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন হেমন্ত। হেমন্তের হয়ে লড়ছেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি জানান, শীর্ষ আদালত হেমন্তের আবেদন গ্রহণ করেছে। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হবে আবেদনের। তবে রাঁচি হাইকোর্টকে এড়িয়ে হেমন্ত কেন সটান সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানালেন, সে প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

    ভুয়ো নথির মাধ্যমে জমি কেনাবেচা

    হেমন্তের (Hemant Soren) বিরুদ্ধে সেনার জমি ভুয়ো নথির মাধ্যমে কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, এই দুর্নীতি মামলার অধিকাংশ টাকা লেনদেনের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সব বেআইনি আর্থিক লেনদেনের হদিশও মিলেছে। ইডির হাতে এ সংক্রান্ত সব তথ্যপ্রমাণ এসেছে। বেআইনিভাবে কেনা জমিগুলির ওপর হেমন্তের পরিবারের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগ রয়েছে। সে সংক্রান্ত নথিও ইডির হাতে এসেছে।

    বাজেয়াপ্ত বহুমূল্যের বাড়ি

    হেমন্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে আগে ছ’  বার চিঠি দিয়েছিল ইডি। প্রতিবারই নানা অছিলায় হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। সপ্তমবার তলব করার পরে হাজিরা দেন হেমন্ত। টানা জেরার পর এদিন রাতেই করা হয় গ্রেফতার। ২৯ জানুয়ারি হেমন্তের দিল্লির বাসভবনেও গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। তাঁকে না পেয়ে বহুমূল্য বাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। ইডি সূত্রে খবর, তদন্তকারীদের টানা জেরায় যেসব উত্তর দেন হেমন্ত, তাতে নানা অসঙ্গতি মিলেছে। এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত প্রেম প্রকাশ, অমিত আগরওয়াল এবং তৎকালীন ডিসি ছবি রঞ্জনের সঙ্গে তাঁর যোগসাজশ পেয়েছে ইডি। বেআইনি খননের ক্ষেত্রেও তদন্ত চলাকালীন হেমন্তের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় মধ্যরাতে পুজো হিন্দু পক্ষের

    এদিনই যে তিনি গ্রেফতার হচ্ছেন, তা আগেই আঁচ করে ফেলেছিলেন ঝাড়খণ্ডের পদত্যাগী মুখ্যমন্ত্রী (Hemant Soren)। অনুগামীদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “ইডি আমাকে আজ গ্রেফতার করতে এসেছে। সারাদিন আমায় জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ওরা আমায় পরিকল্পনামাফিক গ্রেফতার করবে। এমন একটি মামলায় আমায় গ্রেফতার করা হচ্ছে, যার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। ইডি আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পায়নি। ওরা আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় মধ্যরাতে পুজো হিন্দু পক্ষের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় মধ্যরাতে পুজো হিন্দু পক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ বছর বাদে পুজো পেলেন ব্যাসজি। বুধবার মধ্যরাতে কড়া নিরাপত্তায় পুজো হল বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ‘ব্যাস কা তেহখানা’য়। এদিন দুপুরেই পুজোর অনুমতি দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। তার পরেই পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে মধ্য রাতে হয় পুজো।

    পুজো শুরু 

    পুজো করেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের সদস্য গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়। হয় মঙ্গল আরতিও। পুজোর সময় উপস্থিত ছিলেন মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্তারা। বারাণসীর জেলাশাসক কৌশল রাজ শর্মাও উপস্থিত ছিলেন। পুজোর আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় পুজোস্থল। সরানো হয় ব্যারিকেড। তার পরেই নিয়ম মেনে হয় পুজো। পুজোর আগে রাত ১২টা নাগাদ বৈঠকে বসেন বারাণসীর জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনার। চলে ঘণ্টা দুয়েক ধরে। কাশী বিশ্বনাথ ধামের একটা হলে হয় এই বৈঠক। তার পরেই হয় মঙ্গল আরতি, পুজোপাঠ।

    ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় প্রবেশ

    রাত ১টা নাগাদ মসজিদের নীচে ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় প্রবেশ (Gyanvapi Mosque) করেন হিন্দু পক্ষের মামলাকারীরা। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার, কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পুজারি সহ মোট পাঁচজন। ওম প্রকাশ মিশ্র নামক এক পুরোহিতকে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গর্ভগৃহে পুজোর। পুজোর পর তেহখানা থেকে বেরিয়ে হিন্দু পক্ষের মামলাকারী সোহন লাল আর্য ও লক্ষ্মী দেবী বলেন, “আমরা তেহখানায় অবস্থিত ব্যাসজির দর্শন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি। আশা করছি, শীঘ্রই সাধারণ হিন্দু ভক্তদেরও পুজোর অনুমতি দেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘১০ বছরেই নয়া উচ্চতায় দেশের অর্থনীতি’’, বাজেট বক্তৃতায় বললেন নির্মলা

    প্রসঙ্গত, বুধবারই জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অন্দরে সিল করা বেসমেন্ট চত্বরে হিন্দুদের পুজো করার অনুমতি দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। তার পরেই হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন বলেছিলেন, “আগামী সাত দিনের মধ্যে জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্টে পুজো শুরু হবে। সব হিন্দুরাই সেখানে পুজোর অনুমতি পাবেন।” হিন্দুরা যাতে নির্বিঘ্নে এই চত্বরে পুজো করতে পারেন, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত করার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। শ্রী কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টকে জ্ঞানবাপী মসজিদের ওই অংশে পুজোর জন্য একজন পূজারির নামও সুপারিশ করতে বলা হয়েছিল। ব্যারিকেড সরানো থেকে পুজোর স্থান পরিষ্কার সহ যাবতীয় ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছিল প্রশাসনকে। সেসব করেই এদিন হয়েছে পুজো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share