Tag: news in bengali

news in bengali

  • BJP: লক্ষ্য ৩৫ আসন, বাংলায় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গড়লেন শাহ-নাড্ডা

    BJP: লক্ষ্য ৩৫ আসন, বাংলায় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গড়লেন শাহ-নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি (BJP)। সেই কারণে ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠন করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। মঙ্গলবার নিউটাউনের একটি হোটেলে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন পদ্ম শিবিরের এই দুই কর্তা। সেখানেই তৈরি হয় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’। প্রসঙ্গত, সোমবার রাতেই কলকাতায় পা রেখেছেন শাহ ও নাড্ডা।

    ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম

    ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিমে’ রয়েছেন ১৫ জন। এঁদের মধ্যে ১০ জন বঙ্গ বিজেপির নেতা। বাকি পাঁচজন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি। লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল তৈরির পাশাপাশি কোন কোন আসনে জোর দেওয়া হবে, মূলত তা-ই ঠিক করবে এই কমিটি। জানা গিয়েছে, বাংলার যে ১০ জনের ঠাঁই হয়েছে ওই কমিটিতে, তাঁরা হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, রাহুল সিনহা, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, দীপক বর্মণ, অমিতাভ চক্রবর্তী এবং জ্যোর্তিময় সিং মাহাতো। আর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রয়েছেন সুনীল বনসল, অমিত মালব্য, আশা লাকড়া, মঙ্গল পাণ্ডে এবং সতীশ ধন্ড।

    কমিটিতে জায়গা হয়নি যাঁদের

    কমিটিতে (BJP) জায়গা হয়নি চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার এবং জন বার্লার। ঠাঁই পাননি গেরুয়া শিবিরের তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী, মনোজ টিগ্গা এবং অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়েরও। মাঝেমধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলছিলেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। ওই কমিটিতে ঠাঁই হয়নি তাঁরও। এদিনের বৈঠকেও ডাকা হয়নি তাঁকে। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, গত এপ্রিল মাসে বঙ্গ সফরে এসে শাহ লোকসভায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। সেই লক্ষ্য পূরণে বাংলার নেতারা কতটা প্রস্তুত, মূলত তা দেখতেই সোমবার ফের বাংলায় এসেছেন বিজেপির দুই হেভিওয়েট নেতা।

    আরও পড়ুুন: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!

    এ রাজ্যে আক্ষরিক অর্থেই শূন্য থেকে শুরু করেছিল বিজেপি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এ রাজ্যের ১৮টি আসনে জেতে। তার পর থেকে বাংলায় ক্রমেই শক্ত হয়েছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি। তাই বেড়েছে প্রত্যাশাও। সেই কারণেই এবার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩৫। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, দেশজুড়ে ৪০০-র বেশি আসনে পদ্ম (BJP) ফোটাতে চায় তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Passengers: মুম্বইয়ে অবতরণ ফ্রান্সে আটক সেই বিমানের, ফিরলেন ২৭৬ জন ভারতীয়

    Indian Passengers: মুম্বইয়ে অবতরণ ফ্রান্সে আটক সেই বিমানের, ফিরলেন ২৭৬ জন ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানব পাচারের অভিযোগে যাত্রিবাহী একটি বিমানকে ফ্রান্সের বিমানবন্দরে আটকে রেখেছিল সে দেশের প্রশাসন। বিমানটি যাচ্ছিল নিকারাগুয়ার উদ্দেশে। যাত্রীদের মধ্যে ভারতীয় (Indian Passengers) ছিলেন ৩০৩ জন। রবিবার ফ্রান্সের আদালত জানিয়ে দেয়, ফান্স ছাড়তে পারবেন ভারতীয় যাত্রীরা। ফ্রান্স ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হয় আটক করা চাটার্ড বিমানটিকেও। প্রশাসনিক অনুমতি মেলায় সোমবার দুপুরে ফ্রান্সের শালোন-ভ্যাত্রি বিমানবন্দর থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি। মঙ্গলবার ভোর চারটে নাগাদ সেটি ছোঁয় মুম্বই বিমানবন্দরের মাটি। যদিও ফ্রান্সে রয়ে গিয়েছেন দুই শিশু সহ মোট ২৭ জন যাত্রী।

    ফ্রান্সে অবতরণ বিমানটির

    ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। জ্বালানি ভরতে ফ্রান্সের শালোন-ভ্যাত্রি বিমানবন্দরে নামে ওই চাটার্ড বিমানটি। যাত্রীদের মধ্যে ছিল ১১টি শিশু, যাদের অভিভাবক বিমানটিতে ছিলেন না। ফরাসি প্রশাসনের সন্দেহ হয়, শিশুগুলিকে পাচারের উদ্দেশ্যেই নিকারাগুয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এর পরেই আটক করা হয় বিমানটিকে (Indian Passengers)। থাকা-খাওয়ার যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয় সে দেশের প্রশাসনের তরফে। বিষয়টি ততক্ষণাৎ জানানো হয় ভারতীয় দূতাবাসে। ঘটনাস্থলে যান দূতাবাসের আধিকারিকরা। প্রথমে জেরা করা হয় বিমান ক্রু-দের। বিমানটির যাত্রীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রসঙ্গত, ফ্রান্সে মানব পাচারে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ২০ বছরের জেল হয়।

    বিমানটি রোমানিয়ার

    জানা গিয়েছে, বিমানটিতে থাকা ভারতীয় যাত্রীরা সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে কাজ করতেন। নিকারাগুয়া হয়ে আমেরিকা বা কানাডায় যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। যে বিমানটিকে নিয়ে এত কাণ্ড, সেটি রোমানিয়ার একটি সংস্থার। বিমানকাণ্ডের মামলা গড়ায় ফরাসি আদালতে। রবিবার আদালত নির্দেশ দেয়, বিমানটির ভারতীয় যাত্রীরা ফ্রান্স ছাড়তে পারবেন। বিমানটিও যেতে পারে ফ্রান্স ছেড়ে। আদালতের রায় মেলার পর দুই নাবালক সহ ২৫ জন যাত্রী ফ্রান্সে থেকে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই ২৭৬ জন যাত্রী নিয়ে ভারতের মাটি ছোঁয় রোমানিয়ার ওই বিমানটি (Indian Passengers)।

    আরও পড়ুুন: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!

    উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নিকারাগুয়া ক্রমেই একটি জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠছে। ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার পেট্রোল সূত্রে খবর, চলতি আর্থিক বর্ষে এ পর্যন্ত অবৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছে ৯৬ হাজার ৯১৭ জন ভারতীয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচার্যের অনুমতি ছাড়াই হয়েছে সমাবর্তন। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তী উপাচার্যকেও। এই উপাচার্যকেই বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে রবিবার সমাবর্তন উৎসব করিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অনুষ্ঠান মঞ্চে ঠায় বসেছিলেন সদ্য পদ খোয়ানো অন্তর্বর্তী উপাচার্য। তবে সমাবর্তনে তাঁর স্বাক্ষরিত শংসাপত্রই বিলি করা হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। অনুমতি ছাড়াই সমাবর্তন করায় এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    পড়ুয়াদের উদ্বেগ

    জানা গিয়েছে, সমাবর্তনের শংসাপত্রে উপাচার্য হিসেবে বুদ্ধদেব সাউয়ের স্বাক্ষর থাকায় রাজ্যপালকে মেইল করে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন কয়েকজন পড়ুয়া। এই সার্টিফিকেট নিয়ে পরে কোনও সমস্যা হতে পারে কিনা, সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটিও তৈরি করেছে রাজভবন। সমাবর্তন করতে উচ্চ শিক্ষা দফতরের সবুজ সঙ্কেত, শংসাপত্র প্রাপকদের হাতে সহ-উপাচার্যের ডিগ্রি তুলে দেওয়া এবং সেই শংসাপত্রে সদ্য অপসারিত উপাচার্য বুদ্ধদেবের স্বাক্ষর থাকা – এসব নিয়ে আইনি পরামর্শ নিয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বেশ কয়েকজন শিক্ষাবিদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। মতামত নিয়েছেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যদের। এ সব ক্ষেত্রের মতই হল, এভাবে সমাবর্তন করা যায় না। পুরোটাই বেআইনি।

    রাজ্যপালই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য

    রাজ্যপালই পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। তাই রাজভবনের দাবি, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের বিষয়ে আইনত কিছু বলতে পারে না রাজ্য সরকার। সমাবর্তনে সহ-উপাচার্যেরও কোনও ভূমিকা থাকতে পারে না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই, সেখানে তাঁর কাজের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিতে পারেন কেবলই আচার্য। উপাচার্য থাকলে অবশ্য অন্য কথা। সেক্ষেত্রে তিনি দায়িত্ব দিতে পারেন তাঁর অধীনস্থ কাউকে। সেক্ষেত্রে আবার আইন অনুযায়ী নিযুক্ত কিংবা আচার্য মনোনীত অন্তর্বর্তী উপাচার্য তা করতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি এমনতর ছিল না। কারণ রবিবার সমবর্তনের ঠিক আগের দিন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে। তাই তিনি তখন উপাচার্য নন, কেবলই শিক্ষক। সেক্ষেত্রে পড়ুয়াদের হাতে শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন সহ- উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। যা আইনানুগ নয় বলেই মনে করছে রাজভবন। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bharatiya Nyaya Sanhita Bill: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    Bharatiya Nyaya Sanhita Bill: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনে পরিণত হয়ে গেল ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) সহ তিনটি বিল। শীতকালীন অধিবেশনেই সংসদে পাশ হয়ে গিয়েছিল বিল তিনটি। পরে পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। সেই বিলেই স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। স্বাভাবিকভাবেই বিলটি পরিণত হল আইনে।

    বিল পেশ শাহের

    ১১ অগাস্ট সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই তিনটি বিল হল— ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ যা প্রতিস্থাপিত করল ‘ইন্ডিয়ান পিনাল কোড’-কে। ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’, যা দিয়ে প্রতিস্থাপিত ‘ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্ট’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য আইন’ যা প্রতিস্থাপিত করল ‘ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট’-কে। লোকসভায় বিল (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) তিনটি পাঠানোর পাশাপাশি সংসদীয় সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটির কাছেও পাঠানো হয়েছিল। আইন বদলের বিষয়ে অবগত করতে চিঠি দেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীদেরও।

    অবসান ‘তারিখ পে তারিখযুগের

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পেশ হয় রাজ্যসভায়। সেই সময়ই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এবার অবসান হতে চলেছে ‘তারিখ পে তারিখ’ যুগের। বিচার মিলবে তিন বছরের মধ্যেই। এই বিল তিনটি পেশ করে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। লোকসভার পর রাজ্যসভায়ও বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। সূত্রের খবর, সোমবার বিলটিগুলিতে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি। তাই বিল তিনটি পরিণত হয়েছে আইনে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দণ্ড সংহিতার এই নয়া আইন সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে আরও কড়া হতে চলেছে। গণপিটুনি, জাতীয় সুরক্ষা লঙ্ঘন সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি হতে চলেছে কঠিনতর।

    আরও পড়ুুন: ‘সম্প্রীতি ও সহানুভূতির চেতনা উদযাপনের দিনই বড়দিন’, বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    দেশের গা থেকে পরাধীনতার গ্লানি মুছে ফেলতে চেষ্টার কম কসুর করছে না মোদি সরকার। বিভিন্ন জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও বলতে শোনা গিয়েছে এ কথা। ‘ভারতীয় দণ্ড সংহিতা’ (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) বিল তিনটি পাশ হওয়ায় পূরণ হল তাঁর সেই স্বপ্ন। প্রসঙ্গত, ১৮৬০ সালে ‘ইন্ডিয়ান পিনাল কোড’ চালু করেছিল ব্রিটিশ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Shah-Nadda in Kolkata: লক্ষ্য ২০২৪! লোকসভা ভোটের রণকৌশল স্থির করতে কলকাতায় শাহ-নাড্ডা

    Shah-Nadda in Kolkata: লক্ষ্য ২০২৪! লোকসভা ভোটের রণকৌশল স্থির করতে কলকাতায় শাহ-নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ ২০২৪ নির্বাচন। সেই লক্ষ্যপূরণে বছর শেষের আগেই বঙ্গ-সফরে এলেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা। বড়দিনের রাতেই কলকাতায় পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি। আজ দিনভর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে দুজনেরই। তবে, প্রধান অবশ্যই বঙ্গ বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক। যেখানে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল কী হবে তা রাজ্য নেতৃত্বকে বুঝিয়ে দেবেন তাঁরা।

    বড়দিনের রাতেই শহরে শাহ-নাড্ডা

    গোটা তিলোত্তমা যখন বড়দিনের আনন্দে মশগুল, তখনই বড় লড়াইয়ের প্রস্তুতি সারতে কলকাতায় এলেন শাহ-নাড্ডা। সোমবার প্রায় রাত পৌনে একটা নাগাদ (ইংরেজি ক্যালেন্ডারের পাতায় মঙ্গলবার) বিশেষ বিমানে করে দমদম বিমানবন্দরে একসঙ্গে এসে পৌঁছন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল-সহ রাজ্য বিজেপি নেতৃবৃন্দ। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নিউটাউনের হোটেলে পৌঁছন শাহ-নাড্ডা। সেখানেই রাত্রিবাস করেন দুজনে।

    দিনভর কর্মসূচি শাহ-নাড্ডার…

    আজ, মঙ্গলবার একাধিক কর্মসূচি রয়েছে শাহ-নাড্ডার। বিজেপি সূত্রে খবর, সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁরা প্রথমে যাবেন জোড়াসাঁকোর গুরুদ্বারে। সেখান থেকে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ কালীঘাট মন্দিরে যাবেন এবং পুজো দেবেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, তাঁদের সঙ্গে কালীঘাট মন্দিরে যেতে পারেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারীর মতো রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। 

    মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর তাঁরা নিউটাউনের হোটেলে ফিরে যাবেন এবং সেখানেই দুপুর ১টা নাগাদ রাজ্য নেতৃত্বের কোর কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তারপর ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে দলের সোশ্যাল মিডিয়ার ভলান্টিয়ারদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেবেন শাহ ও নাড্ডা। এরপর ফের নিউটাউনের হোটেলে ফিরে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। তা শেষে সন্ধ্যে ৬টার বিমানে তাঁরা ফিরে যাবেন দিল্লিতে।

    চব্বিশে টার্গেট ৩৫

    ২০১৯ লোকসভা ভোটে, রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টিতে জিতেছিল বিজেপি। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্য থেকে ৩৫টি আসন জেতার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে বিজেপি। সোমবার সে কথা জানিয়েও দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “লোকসভা ভোটে বাংলার ৪২টি আসনের মধ্যে ৩৫টি আসন জয় করার লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন অমিত শাহজি। আমরা এই লক্ষ্যমাত্রা মাথায় রেখে এগোচ্ছি।” দলীয় কর্মীদের এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের রণকৌশল স্থির করতেই শাহ ও নাড্ডার এবারের কলকাতা সফর বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে পদক্ষেপ

    টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ৪টে করে আসন পিছু একজন স্পেশাল অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র ধরে ধরে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা তৈরি করা হয়েছে। বিজেপি সূত্রে দাবি, কোন কোন কেন্দ্রগুলোতে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা আছে, কোথায় ভাল লড়াই দেওয়ার জন্য তারা প্রস্তুত কোথায় সেই সম্ভাবনা কম, তার ভিত্তিতেই কেন্দ্র ধরে ধরে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে, যা এদিন কোর কমিটির বৈঠকে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। মঙ্গলবার নৌবাহিনীতে ‘কমিশন’ বা অন্তর্ভুক্ত হলো দেশীয় স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘আইএনএস ইম্ফল’। প্রতিক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রণতরীকে যুক্ত করা হলো। উপস্থিত ছিলেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ বিশিষ্টজনেরা।

    কতটা শক্তিশালী ‘ডি-৬৮’?

    ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) হলো প্রজেক্ট-১৫বি অন্তর্গত নির্মিত চারটি স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজের মধ্যে তৃতীয়। এই প্রকল্পের প্রথম যুদ্ধজাহাজটি ছিল ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’, নৌসেনায় কল-সাইন ‘ডি-৬৬’। ফলে, বাকি তিনটিও বিশাখাপত্তনম শ্রেণির রণতরী। নৌসেনায় ইম্ফলের কল-সাইন হচ্ছে ‘ডি-৬৮’। দ্বিতীয় জাহাজটি ছিল ‘আইএনএস মরমুগাও’, কল-সাইন ‘ডি-৬৭’। শেষ তথা চতুর্থ জাহাজটির নাম রাখা হবে ‘আইএনএস সুরাট’, কল-সাইন ‘ডি-৬৯’। গত বছরের মে মাসে তাকে প্রথমবার জলে ভাসানো হয়েছে।

    ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর ওজন প্রায় ৭৪০০ টন। ১৬৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই যুদ্ধজাহাজ সর্বাধুনিক মারণাস্ত্র ও সেন্সরে সজ্জিত। এটিই হতে চলেছে এখনও পর্যন্ত নৌসেনার সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে আধুনিক ডেস্ট্রয়ার। এতে একদিকে যেমন রয়েছে ব্রহ্মোসের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বাধুনিক সংস্করণ, তেমনই রয়েছে মাঝারি পাল্লার অত্যাধুনিক ‘বারাক-৮’ ভূমি থেকে আকাশ মিসাইল থেকে শুরু করে জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পিডোর বিপুল বৈচিত্র্যপূর্ণ সম্ভার। এতে রয়েছে একটি ৭৬ মিমি সুপার র‌্যাপিড মাউন্টেড মেইন নেভাল গান এবং চারটি একে-৬৩০ ৩০ মিমি গান— যা কম দূরত্বে আকাশপথে হামলা করা শত্রুর যে কোনও বিমান, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। এই জাহাজের সর্বোচ্চ গতি হবে ৩০ নট বা ঘণ্টায় ৫৬ কিমি। 

    স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ বৈশিষ্ট্য

    এমনিতে, ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির জাহাজের মারণক্ষমতা মারাত্মক। তবে নৌসেনার (Indian Navy) তরফে জানানো হয়েছে, ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) সাবমেরিন-ধ্বংসে বিশেষভাবে পারদর্শী। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘আরবিইউ-৬০০০’ সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার, ৫৩৩ মিমি টর্পিডো লঞ্চার এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টারের দৌলতে এটি ভয়ঙ্কর ঘাতক হিসেবে পরিণত। এছাড়া, যে কোনও ধরনের পরমাণু, জৈব ও রাসায়নিক হামলা থেকে বাঁচার ক্ষমতা রয়েছে এই জাহাজের। ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ (শত্রু রেডারে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা) বৈশিষ্ট্য একে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। 

    সর্বাধুনিক রেডার সিস্টেম মোতায়েন

    বন্দর ও সমুদ্রে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ট্রায়ালের পর গত ২০ অক্টোবর, ভারতীয় নৌসেনার হাতে পাকাপাকিভাবে তুলে দেওয়া হয়েছিল এই অত্যাধুনিক রণতরীকে (INS Imphal)। গতমাসেই এই জাহাজ থেকে দূরপাল্লার ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কমিশন না হওয়া কোনও জাহাজ থেকে সেই প্রথম কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হয়েছিল। এই জাহাজে অন্যতম শক্তি হলো এর রেডার সিস্টেম। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে আধুনিক ও সবচেয়ে শক্তিশালী রেডার বসানো হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজে। 

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহরের নামে প্রথম রণতরী

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম দেশের উত্তর-পূর্বাংশের কোনও শহরের নামে যুদ্ধজাহাজের নামকরণ (INS Imphal) করা হলো। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাহাজের নাম-ফলকের উন্মোচন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর থেকেই প্রমাণিত যে, জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্র এবং দেশের সমৃদ্ধির জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কতটা গুরুত্ব দিয়েছে মোদি সরকার। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এই নামকরণে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। কমিশনিং হওয়ার পর, নৌসেনার (Indian Navy) পশ্চিম কমান্ডের অন্তর্গত মোতায়েন থাকবে ‘আইএনএস ইম্ফল’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বললেন চম্পত

    Ram Temple: স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বললেন চম্পত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ছিল। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে জয় ও ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের এক লাখ সেনাকে বন্দি করার ঘটনার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ রাম মন্দির উদ্বোধন।” কথাগুলি বললেন রাম (Ram Temple) জন্মভূমি ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই।

    চম্পতের দাবি

    তিনি বলেন, “রাম মন্দির গোটা দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়ায় এখানকার মানুষ সন্তুষ্ট। এখানকার আশপাশের মানুষজন, সাধু, শিক্ষক থেকে শুরু করে অনেকেই এই রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন।” চম্পত বলেন, “১৯৮৩ সালের পর থেকে অবশ্য গোটা দেশের মানুষই জড়িয়ে পড়েছিলেন এর সঙ্গে। তার আগে বিষয়টি শুধুমাত্র অযোধ্যায়ই সীমাবদ্ধ ছিল। আর এখন গোটা দেশের শ্রদ্ধার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি (Ram Temple)।”

    অগাস্টের গুরুত্ব

    উল্লেখ্য, এই অগাস্ট যেমন স্বাধীনতার মাস, তেমনই ২০২০ সালের অগাস্ট মাসেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯ সালের অগাস্টেরই পাঁচ তারিখে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করে মোদি সরকার। তিন তালাক রদে আইনও চালু হয়েছিল অগাস্টেই। 

    আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেবদর্শন শুরু হবে তারও একদিন পর থেকে। এই রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট্রের সম্পাদক চম্পত। বহু বছর ধরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে ১৫ অগাস্টের চেয়ে কোনও অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয় ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি।

    আরও পড়ুুন: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে এ মাসেই অযোধ্যা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় নয়া বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন করবেন অযোধ্যা রেলস্টেশনেরও। বিমানবন্দর থেকে রেলস্টেশনের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এই পথেই এদিন রোড-শো করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধন উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বহু অতিথি আসবেন অযোধ্যায়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও। তবে এদিন বিজেপির সহ প্রতিষ্ঠাতা লালকৃষ্ণ আদবানি ও প্রবীণ বিজেপি নেতা মুরলি মনোহর যোশীকে না আসার অনুরোধ জানিয়েছে রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • BJP: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    BJP: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ ডিসেম্বর, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ৯৯তম জন্মদিনটিকে ‘সুশাসন দিবস’ হিসেবে পালন করছে বিজেপি (BJP)। দিনটির স্মরণে দেশজুড়ে গুচ্ছ কর্মসূচির আয়োজন করেছে পদ্মশিবির।

    শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

    সোমবার সাত সকালে সদৈব অটলে গিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিস্তম্ভে মাল্যদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজপেয়ীকে স্মরণ করে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন শ্রদ্ধেয় অটল বিহারী বাজপেয়ীকে আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভারতীয় রাজনীতির চূড়া, লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মী ও আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।”

    শ্রদ্ধা জানালেন নাড্ডাও

    শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জাতির উন্নতি ও জনসেবায় নিবেদিত তাঁর সমগ্র জীবন সর্বদা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।” শ্রদ্ধা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীকে তাঁর জন্মদিনে আমি স্মরণ ও স্যালুট করি। অটলজি নিঃস্বার্থভাবে দেশ ও সমাজের সেবা করেছেন।”

    প্রসঙ্গত, ১৯২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন অটল। মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে জন্ম তাঁর। ১৯৫৭ সালে প্রথমবার বলরামপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হন (BJP)। ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৩ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৯৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রথম পূর্ণ সময়ের জন্য প্রধামন্ত্রী হন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি সুন্দর কবিতাও লিখতেন।

    পরিচিত ছিলেন বাগ্মী হিসেবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘে হিন্দিতে বক্তৃতাও দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালের ১৬ অগাস্ট প্রয়াত হন অটল। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিবছর তাঁর জন্মদিনটিকে বিজেপি পালন করে সুশাসন দিবস হিসেবে। দেশজুড়ে নানা কর্মসূচিও পালন করে বিজেপি (BJP)।

     

    আরও পড়ুুন: আজ শহরে অমিত শাহ! যাবেন কালীঘাট মন্দিরে, দু’দিনে কী কী কর্মসূচি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: দীর্ঘ পথে রোড-শো, বছর শেষের আগেই অযোধ্যায় মেগা কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: দীর্ঘ পথে রোড-শো, বছর শেষের আগেই অযোধ্যায় মেগা কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তবে তার আগেই একবার অযোধ্যা সফরে যাচ্ছেন তিনি। ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় রোড-শো করবেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেবেন জনসভায়ও। এদিন তাঁর হাতেই উদ্বোধন হবে অযোধ্যা বিমানবন্দরেরও। এর পরেই রোড-শো ও জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি

    অযোধ্যার কমিশনার গৌরব দয়াল বলেন, “সব বন্দোবস্ত হয়ে গিয়েছে। গোটা বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী আসছেন ৩০ ডিসেম্বর। প্রথম দফার কাজ শেষে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত অযোধ্যা বিমানবন্দর ও রেলস্টেশন।” তিনি জানান, এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) প্রথমে অযোধ্যা বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন। পরে অযোধ্যা রেলস্টেশন থেকে সবুজ পতাকা দেখিয়ে সূচনা করবেন ট্রেনযাত্রার। রোড-শো করে তিনি যাবেন বিমানবন্দর থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত। এই রাস্তাটির দৈর্ঘ ১৫ কিলোমিটার। পরে একটি জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    রামলালার দর্শন কবে থেকে?

    কমিশনার জানান, রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০-৫৫ হাজার মানুষ আসবেন মন্দির দর্শনে। এই দর্শনার্থীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, সেজন্য শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত প্রশাসন। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন উদ্বোধনের আগে মন্দির দর্শন হবে না। ২১ এবং ২২ জানুয়ারি ভক্তরা রামলালাকে দর্শন করতে পারবেন না। দেবদর্শন শুরু হবে ২৩ তারিখ থেকে। মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে যাঁরা অযোধ্যায় আসবেন, তাঁদের থাকার বন্দোবস্ত করতে হোটেলের ঘর নেওয়া হয়েছে। অনেক অতিথি চাটার্ড প্লেনে করে আসতে পারেন। তাই প্রয়াগরাজ, গোরক্ষপুর ও বারাণসীতে সেই বিমানগুলি রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। ঠিক কতগুলি চাটার্ড বিমান আসবে, তা জানা গেলে এভিয়েশন বিভাগের সঙ্গে কথা বলে তা জানাব।”

    আরও পড়ুুন: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে ‘প্রদীপ প্রজ্জ্বলন’ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করতে দেশের প্রতিটি বাড়িতে যাবেন বিজেপি  নেতা-কর্মীরা। অন্তত ১০ কোটি পরিবার যাতে এই কর্মসূচি পালন করেন, সেই জন্যই তাঁরা ঘুরবেন দোরে দোরে। নতুন (PM Modi) বছরের প্রথম দিন সোমবার থেকেই পথে নেমে পড়বেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

  • Ind-W vs Aus-W Test: ইতিহাস হরমনপ্রীতদের, টেস্টে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ভারতীয় মেয়েরা

    Ind-W vs Aus-W Test: ইতিহাস হরমনপ্রীতদের, টেস্টে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ভারতীয় মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়া-বধ। বাইশ গজে ইতিহাস রচনা করলেন হরমনপ্রীত কৌর, রিচা ঘোষরা। মহিলাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে (Ind-W vs Aus-W Test) হারাল ভারত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারত মহিলা বনাম অস্ট্রেলিয়া মহিলাদের একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। এই ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতে নেয় ভারত। এর ফলে টেস্ট সিরিজও জেতে হরমনপ্রীতরা। 

    ৪৬ বছরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে জয়

    ১৯৭৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলছে ভারতের মহিলা দল। ৪৬ বছর পর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে জয়ের স্বাদ পেল প্রমিলা-বাহিনী (Ind-W vs Aus-W Test)। মেয়েদের ক্রিকেটে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে। দু’দলের মধ্যে এর আগে পর্যন্ত পাঁচটি সিরিজ হয়েছিল। তিন বার জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। দু’বার সিরিজ ড্র হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই প্রথম কোনও ম্যাচ ও সিরিজ জিতল ভারতের মেয়েরা।

    টস জিতে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। যদিও পূজা ভাস্ত্রাকর, স্নেহ রাণা, দীপ্তি শর্মাদের দাপটে মাত্র ২১৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় অ্যালিসা হিলির দল। জবাবে প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৪০৬ রান। স্মৃতি মান্ধানা (৭৪), রিচা ঘোষ (৫২), জেমিমা রদ্রিগিস (৭৩), দীপ্তি শর্মারা (৭৮) ভারতকে বড় রানে পৌঁছে দেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অজিরা তোলে ২৬১ রান। অস্ট্রেলিয়ার শেষ পাঁচ উইকেট পড়ে যায় মাত্র ২৮ রানে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে স্নেহ রানা ৪টি এবং রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ও হরমনপ্রীত কৌর ২টি করে উইকেট নেন। ১টি উইকেট যায় পূজার ঝুলিতে (Ind-W vs Aus-W Test)। 

    ১৯ ওভারেই লক্ষ্য পূরণ

    প্রথম ইনিংসে ১৮৭ রানের লিড থাকার সুবাদে ভারতের সামনে মাত্র ৭৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু, ওপেনার শেফালি ভার্মা মাত্র ৪ রান করেই প্রথম ওভারে কিম গ্যারেথের শিকার হন৷ ১৩ রানের মাথায় আউট হয়ে ফেরেন টেস্ট অভিষেক করা রিচা ঘোষ। তবে, এর পর আর বেগ পেতে হয়নি হরমনপ্রীতদের। বাকি কাজ করেন স্মৃতি মান্ধানা ও জেমাইমা রড্রিগেজ। ১৮.৪ ওভারেই ২ উইকেট খুইয়ে ম্যাচে জিতে যায় ভারত। ভারতের জয় দেখতে ছুটির দিন সকাল সকালই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভিড় করেছিলেন সমর্থকরা। বেশ কয়েক হাজার দর্শক চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছিলেন রিচাদের। জয়ের পর উল্লাসে ফেটে পড়েন সকলে (Ind-W vs Aus-W Test)। 

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share