Tag: NIA

NIA

  • NIA: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    NIA: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পটাশপুর থানার ভগবানপুরে শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তথা বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শোয়ের সামনে বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলই এই বোমাবাজি করেছিল বলে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল। এবার সেই ঘটনায় অবশেষে এনআইএ তদন্তের দাবি তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন সৌমেন্দু অধিকারী। পটাশপুরে বোমাবাজিতে পুলিশি অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন সৌমেন্দু। তাঁর আর্জি তদন্ত এনআইএকে (NIA) হস্তান্তর করা হোক। এই আবেদন জানিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (NIA)

    গত ১১ মে পটাশপুরের ভগবানপুরে বিজেপির মিছিলের আগে বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভগবানপুর দুই ব্লকের আড়গোয়াল থেকে ইটাবেড়িয়া যাওয়ার সময় সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শোর অদূরে রাস্তায় বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। আচমকা বোমের আওয়াজে মিছিলে থাকা কর্মী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলেই অভিযোগ পদ্ম শিবিরের। এলাকা যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। পরে ক্ষোভে তৃণমূল ও পুলিশকে এরজন্য দায়ী করে রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে পথ অবরোধ করে। জানা যাচ্ছে, ভগবানপুর বিধানসভা এলাকা ও পটাশপুর থানা এলাকায় বোমাবাজির ঘটনাটি ঘটেছে। বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শো যাওয়ার আগেই বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ প্রার্থীর। সৌমেন্দুর গাড়ি বেশ কিছুটা দূরে একটু ফাঁকা দেখেই বোমা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পরিকল্পিতভাবেই তৃণমূল এই কাজ করেছে। মিছিলের ওপর  বোমা ছোড়া হলে বড় বিপদ হতে পারত। অবিলম্বের অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে। এই ঘটনার পর এবার এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবি জানানো হল।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধ, আসানসোলে শাসক দলের দাপাদাপি

    এনআইএ এই ঘটনার তদন্ত করুক

    সৌমেন্দু অধিকারী বলেন,আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাইছি। আর তৃণমূল পায়ে পা লাগিয়ে এভাবে ঝামেলা করতে চাইছে। আমাদের মিছিলের আগে বোমা ছোড়া হল কেন? আসলে তৃণমূল ভয় পেয়েই এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে আমার মনে হয়। ভোটের মুখে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছে। সৌমেন্দুর আইনজীবীর বক্তব্য, শাসকদলের তরফে বোমা ছোড়া হয় মিছিলের দিকে। মামলাকারীর বক্তব্য, এই ঘটনায় অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছে পুলিশ। এনআইএ (NIA) এই ঘটনার তদন্ত করুক বলে আর্জি মামলাকারীর। ১৭ মে শুনানির সম্ভাবনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে ফের চাপ বাড়ল শাসকদলের উপর। মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে হামলার ঘটনায় এবার তদন্ত করবে এনআইএ। এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) । মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের মন্তব্য, “যত সময় গড়াবে ততই তথ্য প্রমাণ বিকৃতি করার সম্ভাবনা বাড়বে। পুলিশি রিপোর্ট অনুযায়ী বোমা ছোড়ার অভিযোগ রয়েছে।”

    রামনবমীর মিছিলে হামলার তদন্তে এনআইএ (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত গত বছরের মত এবছরও রামনবমীর দিন রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটে কোথাও বাড়ি ছাদ থেকে আবার কোথাও মসজিদ থেকে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটে আহত হন বহু রাম ভক্ত। মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এনআইএকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) ।  শুক্রবার মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় শুক্রবার আদালতে রিপোর্ট জমা দেয় এনআইএ। এর পরই আদালত জানায় মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে বোমাবাজি ও হামলার ঘটনায় তদন্ত করবে ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কী হয়েছিল রামনবমীর মিছিলে

    চলতি বছর রামনবমীর দিন মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা এলাকার শক্তিপুরে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমে একদল দুষ্কৃতী রামনবমীর মিছিলের উপর একতরফা হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল আশপাশের বাড়ি থেকে মুখ ঢেকে বোমা ও পাথর ছুঁড়ছে একদল দুষ্কৃতি। শক্তিপুরের পাশাপাশি মানিক্যহার এলাকাতেও মিছিলের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতিরা। বাড়ির ছাদ থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে সেখানেও হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সিবিআই এবং এনআইএ তদন্তের তদন্তের দাবি জানিয়ে Calcutta Highcourt) দুটি জনস্বার্থ মামলা হয়।

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    তথ্য প্রমাণ লোপাটের চিন্তা আদালতের (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত এতদিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হিংসার ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। তবে এনআইয়ের তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদার। এখন সেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থায়ী তদন্তভার পেল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্ট Calcutta Highcourt) রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। যত দিন যাবে ততদিন মামলার তথ্য প্রমাণ লোপাট করার বিষয়ে চিন্তা প্রকাশ করে আদালত। এমনকি বহরমপুরে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্যে, “যেখানে মানুষ আট ঘণ্টা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের উৎসব পালন করতে পারে না, সেখানে ভোটের কোন প্রয়োজন নেই।” একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতি জেলাশাসককে নির্দেশ দেন, “ওই জেলায় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে কোন মন্তব্য বা প্রচার করতে পারবেন না রাজনীতিকরা। এই বিষয়ে সম্পূর্ণ নজরদারি রাখতে হবে তাঁকে। এ নিয়ে প্রচার করার নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট।” মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। সেদিন প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে এনআইএ-কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Locket Chatterjee: পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন লকেট

    Locket Chatterjee: পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণে (Pandua Bomb Blast) বালকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবি জানিয়ে পথে নামলেন হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ শুধু বলে যাচ্ছে, তদন্ত হচ্ছে। কিন্তু তিন-চার ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পুলিশের বম্ব স্কোয়াড এসে পৌঁছল না ঘটনাস্থলে। লকেটের (Locket Chatterjee) পাশাপাশি এদিন ঘটনার প্রতিবাদে জিটি রোড অবরোধ করলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। উল্লেখ্য চলতি মাসের ২০ তারিখ পঞ্চম দফায় হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। আর তার আগে এই ঘটনায় তোলপাড় হচ্ছে এলাকা। ভোটের আবহে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে পান্ডুয়ায়। সেই সভাস্থল থেকে কিছুটা দুরেই ঘটল ভয়াবহ ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পান্ডুয়ার তিন্না এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে হঠাৎই প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তড়িঘড়ি পুকুর পাড়ে ছুটে এলে তারা দেখতে পান তিনটি বাচ্চা গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মৃত কিশোরের নাম রাজ বিশ্বাস। আহত দুই জন রুপম বল্লভ ও সৌরভ চৌধুরী। প্রত্যেকেরই বয়স ১১ থেকে ১৩ এর মধ্যে। এই ঘটনার পরেই এলাকায় যান লকেট (Locket Chatterjee)। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এর পরেই বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবিতে তিন্না মোড়ের কাছে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী। 

    লকেটের বক্তব্য (Locket Chatterjee) 

    লকেটে বক্তব্য, ‘‘আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে পান্ডুয়ায়। তাই আমাকে উঠে যেতে বলছে। কিন্তু আমি কী করে উঠব? ওই শিশুর মা আমাকে জিজ্ঞেস করছিলেন, এর পর কী হবে? আমাকে বলছিলেন, ধীরে ধীরে আপনারাও চলে যাবেন তো। পুলিশকে কোনও বিশ্বাস নেই। আমি ঢুকতে গেলাম, বলল ওদিকে যাবেন না। আরও বোম থাকতে পারে, তাহলে বোম স্কোয়াড কোথায়? দু ঘণ্টা আগে থেকে বলছে যে বোম স্কোয়াড এসে গিয়েছে, কিন্তু বোম স্কোয়াড আসেনি। আদৌ বোম স্কোয়াড আসবে? এনআইএ তদন্ত করতে হবে। আশপাশে এ ভাবে বোমা ছড়িয়ে রয়েছে? ভাবতেই পারছি না।’’

    আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য 

    লকেটের পাশাপাশি এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘গত ১৪ মাসে বোমা বিস্ফোরণে (Pandua Bomb Blast) এই নিয়ে ৯ জন কিশোর বা শিশু মারা গিয়েছে। কেউ বল ভেবে খেলতে গিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মারা গিয়েছে। শৌচাগারে গিয়ে মারা গিয়েছে। জঙ্গলে পা পড়ে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেখানে মারা গিয়েছে। আমরা কোন রাজ্য বসবাস করছি? বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ। কারণ যে রাজনৈতিক দলটিকে দুভার্গ্যবশত তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় নিয়ে আসা হয়েছে, তাঁদের রাজনীতির ভিতটাই বোমা, হিংসা,সন্ত্রাস, দখলদারি। আজকে তাঁদের কারণে গোটা পশ্চিমবঙ্গে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। বগটুইয়ের ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন সমস্ত অফিসারদের ছুটি বাতিল করে দিয়ে, ১৫ দিন সময় দিলাম, সমস্ত অস্ত্র উদ্ধার করো। আর তারপরে কতগুলি বিস্ফোরণ পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে?!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Investigation: দাড়িভিট-ময়না হত্যাকাণ্ডে অবশেষে এফআইআর দায়ের করল এনআইএ, বিপাকে রাজ্য

    NIA Investigation: দাড়িভিট-ময়না হত্যাকাণ্ডে অবশেষে এফআইআর দায়ের করল এনআইএ, বিপাকে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাড়িভিট ও ময়নাহত্যাকাণ্ড ঘটনার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ (NIA Investigation)। রাজ্য পুলিশ এবং সিআইডি তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় নথি দিক, ঠিক এমনটাই দাবি করে আদালতে আবেদন করেছে এনআইএ। দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে এই দুই জায়গার ঘটনার তদন্ত একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই পদক্ষেপের ঘটনায় রাজ্য পুলিশ এবং রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার উপর অনেকটাই চাপ বাড়ল বলে মনে করেছে ওয়াকিবহল মহল। বিজেপি অবশ্য প্রথম থেকেই রাজ্যের তদন্তে খুশি নয় বলে জানিয়েছিল।

    ২০১৮ সালে দাড়িভিট হত্যাকাণ্ড হয় (NIA Investigation)

    উত্তর দিনাজপুরে দাড়িভিটে এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ঘটনায় রাজ্য পুলিশ এবং সিআইডি প্রথমে তদন্ত শুরু করেছিল। ঘটনায় মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে ২০ সেপ্টেম্বর উর্দু শিক্ষক নিয়োগকে ঘিরে দুই জন ছাত্র পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। আবার ২০২৩ সালে ময়নায় বিজেপির বুথ সভাপতিকে অপহরণ করে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে (NIA Investigation)। ঘটনার আগের তদন্তের সকল নথি পেতে তদন্তকারী সংস্থা এই এফআইআর করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ফের প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন অমিত শাহ

    বিজেপির দাবি

    এই দুই জায়গার ঘটনার বিষয়ে তৃণমূলের দিকে নিশানা করে বার বার সরব হয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যে লোকসভার ভোটের মধ্যেই এনআইএ-র ভূমিকা নতুন করে শোরগোল ফেলেছে রাজ্য রাজনীতিতে। দুটি ঘটনায় দেশের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ একান্ত ভাবে জড়িত বলে মনে করে তদন্তকারী সংস্থা। আর তাই এই বিষয়কে নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করতে চায় তাঁরা। গতবছর ১০ মে কলকাতা হাইকোর্ট দাড়িভিট হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ভার দেওয়া হয়েছিল এনআইএ-কে। কিন্তু এক বছর হতে চলল পুলিশ কোনও রকম তদন্তে সহযোগিতা করেনি বলে অভিযোগ তুলেছে এনআইএ (NIA Investigation)। কিন্তু রাজ্য সরকার প্রথম থেকেই বিরোধিতা করে আসছিল এনআইএ তদন্তের। ফলে আগামী দিনে তদন্ত কোন পথে এগিয়ে যায় তাই এখন দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাম নবমীর মিছিলে বোমাবাজি হয়েছে, স্বীকার রাজ্যের, রিপোর্ট জমা হাইকোর্টে

    Calcutta High Court: রাম নবমীর মিছিলে বোমাবাজি হয়েছে, স্বীকার রাজ্যের, রিপোর্ট জমা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালের মতো চলতি বছরের রাম নবমীতেও (Calcutta High Court) রাজ্যের একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটে। সব থেকে বড় ঘটনা ঘটে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর, বেলডাঙা প্রভৃতি জায়গায়। হাইকোর্টে দায়ের হয় মামলা। রাম নবমী সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল শুক্রবারই। রাম নবমীর অশান্তি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ইতিমধ্যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্য। রাজ্য সরকার ও পুলিশ সুপার আলাদাভাবে দুটি রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দিয়েছে। এদিন হাইকোর্টে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্য পুলিশ সেখানে বোমাবাজি ঘটনা কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।

    বোমাবাজির অভিযোগ 

    প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের শান্তিপুর এলাকায় যখন মিছিল যাচ্ছিল, তখনই বাড়ির ছাদ থেকে ঢিল ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি মিছিলে বোমাবাজিও করা (Calcutta High Court) হয়। এই ঘটনার বেশ কয়েকজন আহত হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। গোটা এলাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে র‌্যাফ নামাতে হয়।

    পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১০ মে

    প্রসঙ্গত কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের কাছে বহরমপুরের অশান্তি নিয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল। শুক্রবারই সেই রিপোর্ট আদালতে জমা পড়েছে। জানা গেছে রাজ্যের রিপোর্ট দেখার পরে এনআইএকে এই বিষয়ে আলাদাভাবে একটি রিপোর্ট (Calcutta High Court) জমা দিতে বলা হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১০ মে।

    উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    এর আগেও এ নিয়ে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court) উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল এবং তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘যেখানে মানুষ আট ঘণ্টা শান্তিপূর্ণ ভাবে নিজেদের উৎসব পালন করতে পারেন না, সেখানে এই মুহূর্তে ভোটের প্রয়োজন নেই। কে এই ঘটনায় প্ররোচনা দিল, তা জানা দরকার।’’

    কী জানিয়েছেন মামলাকারী আইনজীবী

    মামলাকারী আইনজীবী কৃষ্ণেন্দু সরকার জানান, সিআইডি-র তরফে ঘটনার রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় আদালতে। সেই রিপোর্ট দেখার পরই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন প্রধান বিচারপতি। কেন্দ্রীয় সংস্থার পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত করবে সিআইডি। ১০ তারিখ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Blast: ২ নয়, ৩ জঙ্গি আসে বাংলায়! ধৃতদের মুখোমুখি জেরার প্রস্তুতি এনআইএ-র

    Bengaluru Blast: ২ নয়, ৩ জঙ্গি আসে বাংলায়! ধৃতদের মুখোমুখি জেরার প্রস্তুতি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণের (Bengaluru Blast) ঘটনায় জড়িত দু’জন নয়, বরং তিনজন জঙ্গিই শহরে এসেছিল।  এই তিন জঙ্গি এখন এনআইএ-র হাতে বন্দি।  এনআইএ’র দাবি, তৃতীয়জনের নাম মুজাম্মিল শরিফ। বিস্ফোরণের ঘটনায় তাকেই চেন্নাই থেকে প্রথম গ্রেফতার করেছিল এনআইএ ৷ এবার তাই নিউ দিঘা থেকে গ্রেফতার আবদুল মাতিন আহমেদ ত্বহা এবং মুসাভির হুসেন সাজিবের সঙ্গে মুজাম্মিল শরিফকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চান এনআইএ’র আধিকারিকরা।

    কেন কলকাতায় ৩ জঙ্গি

    এনআইএ সূত্রে খবর,  ত্বহা এবং সাজিব দু’জনেই জঙ্গি সংগঠন আইএসের ‘আল হিন্দ’ মডিউলের সদস্য। সন্দেহ করা হচ্ছে, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ পালানোর ছক ছিল ত্বহা এবং সাজিবের। তাই এ রাজ্যে এসেছিল তারা। এখানে কে তাদের পালাতে সাহায্য করত সে বিষয়েও খোঁজ শুরু হয়েছে । ‘আল হিন্দ’ মডিউলের এখানে কোনও গোপন গোষ্ঠীর কাজ করছে কি না, তাও খুঁজে দেখছেন গোয়েন্দারা। ।গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, গত ১০ মার্চ রাজ্যে এসেছিল ত্বহা এবং শাজিব। এরপর ১২ তারিখ ধর্মতলার দু’টি হোটেলে পরপর দু’দিন আশ্রয় নেয় তারা। তবে এর মাঝে তারা কোথায় ছিল সেটা এখনও জানা যায়নি। কলকাতা থেকে পুরুলিয়া এবং দার্জিলিং গিয়েছিল। এরপর ২১ মার্চ ফের কলকাতায় ফিরে এসে খিদিরপুর এবং একবালপুরের হোটেলে উঠেছিল। ২৪ মার্চ, এক দিনের জন্য তারা বেপাত্তা ছিল। এরপর ২৮ মার্চ হাওড়া থেকে বাস ধরে দিঘায় গিয়েছিল বলে জেনেছেন গোয়েন্দারা। বাংলায় নানা জায়গায় গা ঢাকা দেওয়ার জন্য তাদের অর্থের প্রয়োজন ছিল। সেই অর্থের যোগান দিতে তৃতীয় ব্যক্তি মুজাম্মিল শরিফ কলকাতায় এসেছিল বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। টাকা দিয়েই সে বাংলা ছেড়ে চলে যায়। এরপর তাকে ধরে এনআইএ। মুজাম্মিলকে ধরতেই তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ সাজিবদের বিষয়ে জানতে পারে। 

    আরও পড়ুন: বৈশাখ পড়তেই বাড়ছে গরম, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বেসরকারি পরিবহণে নজর

    দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট কাটতে প্রয়োজন পড়ে পরিচয়ত্রের ৷ কিন্তু দূরপাল্লার বাসের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র না থাকলেও মেলে টিকিট ৷ সেই কারণেই ট্রেনের বদলে বাসযাত্রাকেই নিরাপদ মনে করেছিল দুই জঙ্গি ৷ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাসেই ঘোরাঘুরি করেছে বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে (Bengaluru Blast) বিস্ফোরণের ঘটনায় দুই অভিযুক্ত ৷ এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে ধর্মতলার একটি নামী বেসরকারি পরিবহণ সংস্থা এখন এনআইএ-র তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে ৷ এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ হোক বা অন্য কোনও জায়গা, তারা দূরপাল্লার বাসেই যাতায়াত করেছে ৷ ট্রেন তারা একেবারেই ব্যবহার করেনি৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: মাও-সম্পৃক্ত ১৭টি মামলা এনআইএর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রের

    Chhattisgarh: মাও-সম্পৃক্ত ১৭টি মামলা এনআইএর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১৭টি মামলা এনআইএর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিল কেন্দ্র। ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) পুলিশকে কেন্দ্রের তরফে ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলাগুলিতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নিরাপত্তা রক্ষী খুনের মামলাও রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসেই মাওবাদীদের নিয়ে রায়পুরে সংশ্লিষ্ট সব মহলকে নিয়ে রিভিউ মিটিং করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের অভিযোগ ওঠায় গত বছর এনআইএ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছিল। ওই ১৭টি মামলার দায়িত্ব পেলেও এনআইএ কড়া পদক্ষেপ করবে বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    মাও-দমনে কড়া পদক্ষেপ (Chhattisgarh)

    গত কয়েক বছর ধরেই মাওবাদীদের দমন (Chhattisgarh) করতে কড়া পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে মাও অধ্যুষিত বিভিন্ন রাজ্যে অভিযানও চালিয়েছে সেন্ট্রাল আর্মড ফোর্স। সূত্রের খবর, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র এবং ওড়িশায় গত কয়েক বছর ধরে অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী। অভিযান চালানো হয়েছে ঝাড়খণ্ড ও অন্ধ্রপ্রদেশের প্রত্যন্ত এলাকায়ও। কিন্তু কেন্দ্র চাইছে তদন্তের জাল আরও বিস্তার হোক। সেই কারণেই ছত্তিশগড়ে রাজ্য সরকার বদলে যেতেই ১৭টি মামলা এনআইএর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস দুর্নীতির আখড়া, ওদের অবস্থা বিগবসের মতো”, তোপ রাজনাথের

    মামলার প্রকৃতি

    যে ১৭টি মামলা এনআইএর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্র দিয়েছে, সেগুলি বস্তারের বীজাপুর, সুকমা ও নারায়ণপুর এবং সীমানা লাগোয়া দুই জেলা মোহালা মানপুর ও গড়িয়াবাঁধের ঘটনার প্রেক্ষিতে। প্রতিটি মামলাই রেজিস্ট্রার্ড হয়েছিল ২০২৩-২০২৪ সালের মধ্যে। এই ১৭টি মামলার মধ্যে আটটি মামলা রয়েছে খুনের। তার মধ্যে আবার দুই বিজেপি কর্মী খুনের মামলাও রয়েছে। এই দুই বিজেপি কর্মী হলেন বিরজু তারাম ও রতন দুবে। পাঁচজন নিরীহ মানুষ খুনে দায়ের হয়েছিল তিনটি মামলা। মাওবাদীরা এঁদের খুন করেছিল। পুলিশের চর সন্দেহে খুন করা হয় তাঁদের। এঁদের মধ্যে ছিলেন বছর সাতাশের প্রাক্তন মাওবাদী কিষান কুরসাম ওরফে ছোটু। আত্মসমর্পণ করার পর গত ডিসেম্বরেই খুন করা হয় তাঁকে। নিরাপত্তা রক্ষী খুনে দায়ের হয়েছে তিনটি মামলা (Chhattisgarh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর”, বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh: “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর”, বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর। আজ পর্যন্ত যত জঙ্গি সব এখানেই ধরা পড়েছে।” জঙ্গি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তোপ দাগলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “জঙ্গিরা দু’মাস ধরে ঘুরছিল। তখন কী করছিলেন। এটা কি মামার বাড়ি পেয়েছে। জঙ্গিরা ঘুরে বেড়াবে আর আপনি তাদের খাওয়াবেন, পুষবেন, সুরক্ষা দেবেন।”

     সব জঙ্গি বাংলাতেই ধরা পড়ছে! (Dilip Ghosh)

    বিজেপি প্রার্থী (Dilip Ghosh) বলেন, যত জঙ্গি সব বাংলাতেই ধরা পড়ছে। কারণটা হল কোনও ভয় নেই। এছাড়া এখান থেকে আধার কার্ড, রেশন কার্ড করে তারা বাংলাদেশ থেকে আসছে। এখানে এসে ট্রেনিং নিয়ে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে গিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ ঘটাচ্ছে। একসময় বাংলাদেশ সরকারও বলেছে যে পশ্চিমবঙ্গতে ট্রেনিং নিয়ে হুজি জঙ্গি সংগঠন ওখানে গিয়ে ঝামেলা করেছে। এখান থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে ওখানে টাকা পয়সা পাঠানো হয়েছে। বারবার এই চোর সরকারের জন্য বাঙালিকে বদনাম হতে হচ্ছে। যে রাষ্ট্রবাদী বাঙালি, বিপ্লবী বাঙালি সে এখন রাষ্ট্রবিরোধী জঙ্গি বাঙালি, চোর বাঙালি হয়ে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুরে জঙ্গি ধরা পড়েছে। শাহজাহানের মতো লোক ধরা পড়ছে। গোটা রাজ্যে গুণ্ডা, জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে। ওরা মারপিট করে, ভয় দেখিয়ে ভোট করাবে। গত বিধানসভা নির্বাচন, লোকসভা নির্বাচনে কোনও রাজ্যে বোম ফেটেছে, মানুষ খুন হয়েছে। কোথাও কিছু হয়নি, যা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। তাই মানুষ ভোট এলে কেন্দ্রীয় বাহিনী চায়। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাজ ভোট দেওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করা। তাই সেন্ট্রাল ফোর্স পাঠিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ডিজি-মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব কমিশনের

    এনআইএ তদন্ত নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    ভূপতিনগর বিস্ফোরণ সহ একাধিক ঘটনায় এনআইএ তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অনেককে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এনআইএ তদন্ত প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “সব সামনে আসবে। সবে অ্যাসিড ঢালা হয়েছে ইঁদুর, পোকা মাকড় সব বেরচ্ছে। ভোটের পর সব বেরিয়ে আসবে বলে।” একইসঙ্গে মোদিজিকে আবার একবার ভোট দিয়ে জয়ী করার তিনি আবেদন জানান। তিনি বলেন, “মোদিজি যেমন বড় কথা বলেন, তেমনই বড় কাজও করেন। কাশ্মীরে ব্রিজ, রামমন্দির হচ্ছে। তিনি দেশকে ভ্যাকসিন দিচ্ছেন। চন্দ্রযান যাচ্ছে। কৃষকদের টাকা দিচ্ছেন। এইমস হচ্ছে। তাই নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিয়ে বড় মার্জিনে জয়ী করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Cafe Blast: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ!  কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    Bengaluru Cafe Blast: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ! কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Bengaluru Cafe Blast) জড়িত ২ আইএস জঙ্গি ২৮ দিন ধরে আস্তানা গেড়েছিল এ রাজ্যেই। এমনটাই জানা গিয়েছে এনআইএ সূত্রে। লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য থেকে জঙ্গিদের খোঁজ মেলায় তৃণমূল সরকারকে  তুলোধনা করেছে বিজেপি। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর কথা মতো জঙ্গিরা নাকি দুই দিন, বাংলার অতিথি য়ে এসেছিলেন। প্রশ্ন একটাই অতিথি-ই বটে! বাংলা এখন জঙ্গিদের ঘোরার জায়গা। তাদের মুক্তাঞ্চল। এই প্রথম নয়। এর আগেও, একাধিকবার বাংলা থেকে ধরা পড়েছে বহু জঙ্গি। তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলা যেন জঙ্গিদের সেফ-আস্তানা হয়ে উঠেছে বাংলা।

    জঙ্গিদের সেফ হেভেন

    বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণকাণ্ডের (Bengaluru Cafe Blast)  মূল ২ অভিযুক্ত আস্তানা গেড়েছিল কলকাতাতেই। ২ জনকে দিঘা থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মূল চক্রীদের বাংলা থেকে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা আরও ভয়ঙ্কর তার কারণ সন্দেহভাজন জঙ্গিরা বাংলায় ২৮ দিন ধরে ছিল! এই শহরের বুকে একের পর একে হোটেলে আত্মগোপন করে ছিল! নাম ভাঁড়িয়ে কলকাতায় একের পর এক হোটেলে আস্তানা বদলেছে তারা। পুলিশ-গোয়েন্দাদের চোখে ধুলো দিয়ে জঙ্গিরা সোজা পাড়ি দিয়েছে বাঙালিদের অন্যতম পছন্দের উইক এন্ড ডেস্টিনেশন দিঘা। ভোটের আগে এই জঙ্গিরা ধরা পড়ায় ফের প্রশ্ন উঠেছে, বাংলা কি সন্ত্রাসবাসীদের ‘সেফ হেভেন’? জঙ্গিদের ‘স্লিপার সেল’গুলির আস্তানা? কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    কবে, কোথায় কারা ধরা পড়েছে 

    কখনও লস্কর-ই-তৈবা তো কখনও আইএস। বাংলায় কেন সক্রিয় জঙ্গি কার্যকলাপ? এরাজ্যকে কি নিরাপদ মনে করছে তারা? অতীতেও, বাংলা থেকে ধরা পড়েছে একাধিক জঙ্গি। ২০০৭ সালে বেঙ্গালুরু তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় নাশকাত হামলার সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি সংগঠন ‘আল বদর’-এর সদস্য ধৃত ফৈয়াজ স্বীকার করে, সে দীর্ঘদিন কলকাতায় ছিল। লালবাজারের কাছেই বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের একটি ঠিকানায় পাসপোর্টও বানিয়েছিল সে। পুণের জার্মান বেকারি বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন (আইএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য ইয়াসিন ভটকল শুধু লুকিয়েই থাকেনি, কলকাতা থেকে বিস্ফোরকও নিয়ে গিয়েছিল। লস্কর-ই-তৈবার বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ আবদুল করিম টুন্ডাকে এ রাজ্য থেকেই ২০১৩-তে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডে জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ’ (জেএমবি)-র সদস্য কওসর ওরফে বোমা মিজান, হাবিবুর এবং জেএমবির চিফ সালাউদ্দিন সালে এ রাজ্যে দীর্ঘদিন থেকে সংগঠন তৈরির পাশাপাশি বিস্ফোরক তৈরিও করছিল। ২০২১ সালে কলকাতার হরিদেবপুর থেকে তিন জেএমবি নেতা ধরা পড়ে। আল কায়দার উপমহাদেশীয় শীর্ষ নেতা আবু তালহা বহু দিন কোচবিহারে লুকিয়ে ছিল। সেখানে ভোটার কার্ড-সহ অন্য পরিচয়পত্রও বানিয়ে নিয়েছিল সে। ২০১৭-য় বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্তদেরও এ রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে আশ্রয় নেওয়া মুফাক্কির নামে এক বাংলাদেশি জঙ্গিকে ২০২৩-এ গ্রেফতার করে এনআইএ। ২০২১ সালে নিউটাউনে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের সঙ্গে এনকাউন্টারে মারা যায় পাঞ্জাবের দুই গ্যাংস্টার জয়পাল ভুল্লার এবং যশপ্রীত জসসি।

    শুভেন্দুর দাবি

    পশ্চিমবঙ্গ আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এই নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আন্তর্জাতিক অপরাধীর মুক্তাঞ্চল, এটা আগেও প্রমাণিত। পঞ্জাব পুলিশ চপারে করে এখানে এসে পাঞ্জাবের দুষ্কৃতীদের এনকাউন্টার করেছে। মুজিবর রহমান খুনের দু’জন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত খুনির একজন হাওড়ায় হোমিওপ্যাথ ডাক্তার হিসেবে ছিল। পরে পার্ক সার্কাস থেকে মাজেদকেও ধরা হয়। পার্ক সার্কাস মানে শহরের প্রাণকেন্দ্র। মমতা নিজে দেশবিরোধী কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দিল্লিতে জাহাঙ্গীরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যে ঘটনা ঘটেছিল, তার মূল অভিযুক্ত ফিরোজ৷ যে আমাকে হলদিয়ায় পাথর ছোড়ায় অভিযুক্ত, তার বাড়ি তমলুকের একটি গ্রামে। লাল্টু শেখ, আবদুল মান্নান ফেক আই কার্ড তৈরি করত। তারা গত বছর সোনারপুর থেকে গ্রেফতার হয়।”

    দিলীপের অভিমত

    বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ বলেন, “জঙ্গিরা এখানে গা-ঢাকা মোটেই দেয়নি, ওরা জানে এখানে কেউ গায়ে হাত দেবে না। শেখ শাহজাহান তো দু’মাস ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। পুলিশ কি জানত না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানতেন শাহজাহান কোথায় আছে। কেন ধরেননি? ওরাই এই ধরনের লোককে আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করছে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর। আজ পর্যন্ত যত জঙ্গি সব এখানেই ধরা পড়েছে। কারণটা হল কোন ভয় নেই। এছাড়া এখান থেকে আধার কার্ড, রেশন কার্ড করে তারা বাংলাদেশ থেকে আসছে। এখানে এসে ট্রেনিং নিয়ে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে গিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ ঘটাচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    দিলীপের সংযোজন, “হুজি থেকে শুরু করে করে আল-কায়দা, আইএস জঙ্গিরা, ভিনরাজ্যের গ্যাংস্টাররা এখানে ধরা পড়েছে। মাসের পর মাস ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর যখন উপর থেকে ডান্ডা দিয়েছে তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু’ঘণ্টার মধ্যে জঙ্গিদের ধরে ফেললেন। অথচ তারা দু’মাস ধরে ঘুরছিল। তখন কী করছিলেন। এটা কি মামার বাড়ি পেয়েছে। জঙ্গিরা ঘুরে বেড়াবে আর আপনি তাদের খাওয়াবেন, পুষবেন, সুরক্ষা দেবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে ভোটের আগে মাও দমনে বিরাট সাফল্য, গ্রেফতার এক, আত্মসমর্পণ ১৫

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে ভোটের আগে মাও দমনে বিরাট সাফল্য, গ্রেফতার এক, আত্মসমর্পণ ১৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ঝাড়খন্ডে লোকসভা ভোট। এবার তার আগে বৃহস্পতিবার ১৫ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করল। জানা গিয়েছে, এই ধৃত মাওবাদীরা সকলে মাওবাদী নেতা মিসির বেসরার সঙ্গে সম্পর্কিত। আবার এদিন আরও একটি সরকারি বিবৃতি জারি করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, ঝাড়খন্ড (Jharkhand) ও আসামে অভিযান চালিয়ে নকশাল গোষ্ঠীর পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PLFI) এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভোটের আগে এটা নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরাট সাফল্য।

    এনআইএ সূত্রে খবর

    এনআইএ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “বুধবার ঝাড়খন্ড ও আসামের দুটি স্থানে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় এনআইএ তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল। তার মধ্যে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) খুন্তি জেলা থেকে বিনোদ মুন্ডা ওরফে সুখওয়া নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এনআইএ (NIA) তল্লাশির সময় পিএলএফআই (PLFI) সম্পর্কিত নথি সহ দুটি ওয়াকি টকি, পাঁচটি মোবাইল, সিম কার্ড এবং ১১ হাজার নগদ টাকা সহ অনেকগুলি অপরাধে ব্যবহার করা যায় এমন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। এর আগে ৩ লাখ টাকা, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ দুই অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছিল এই জেলা থেকেই।”

    তোলাবাজির মাধ্যমে টাকা আদায় চলত

    এখনও পর্যন্ত এনআইএ (NIA) যতদূর তল্লাশি করেছে তার ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, পিএলএফআই (PLFI) সদস্য এবং ক্যাডাররা ঝাড়খণ্ড (Jharkhand), বিহার, ছত্তিশগড় এবং ওড়িশার বিভিন্ন কয়লা ব্যবসায়ী, পরিবহনকারী, রেল ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলাবাজির মাধ্যমে নিজেদের তহবিল ভর্তির কাজে জড়িত ছিল। নিরাপত্তা রক্ষীরা অনেক দিন ধরেই সতর্ক ছিল।

    আরও পড়ুনঃ ইউক্রেনের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও

    মাওবাদী দমননীতি অব্যাহত

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) পশ্চিম সিংভূম জেলায় কয়েক দশক ধরে পিএলএফআই (PLFI) সদস্যরা নাশকতামূলক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। মাও আশ্রিত কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল ছিল এই জেলা। সেখানে বর্তমানেও সিপিআই মাওবাদীদের কিছু অবশিষ্ট গোপন আস্তানা রয়ে গেছে, যেখান থেকে দেশবিরোধী কাজ করা হয়। ফলে পিএলএফআই (PLFI) মামলা সম্পর্কিত বাকি তদন্ত এখনও অব্যাহত রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share