Tag: NIA

NIA

  • NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণকাণ্ডে বাংলা থেকে গ্রেফতার দুই সন্দেহভাজন। মুসাভির হুসেন শাহিব ও সহযোগী আবদুল মথিন তাহাকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA News)। এরা দুজনেই বেঙ্গালুরু ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের  মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কলকাতার উপকণ্ঠেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল এই দুই অভিযুক্ত। কাঁথি থেকে এনআইএ-র জালে ধরা পড়ে তারা।

    কীভাবে গ্রেফতার

    গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর (Bengaluru Blast) রামেশ্বরম ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এনআইএ সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর তারা বাংলায় এসে আত্মগোপন করেছিল। বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁরা এই রাজ্যে পরিচয় গোপন করে থাকছিলেন। ২৮ দিন ধরে রাজ্য়ের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেরিয়েছে তারা। তারই মধ্যে ধৃত মুসাভির হুসেন শাহিব মহম্মদ জুনের শাহিব নামে ভুয়ো ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়েছিল। আবদুল মাথিন আহমেদ তাহা বিগনেস ওরফে সুমিত নামে ভুয়ো আধার কার্ডও বানিয়েছিল।  দু-তিন দিন আগে অন্য় নাম ব্য়বহার করে নিউ দিঘার একটি হোটেলে ওঠে দুই সন্দেহভাজন। সূত্রের খবর, তাদের ধরতে রাজ্য় পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এনআইএ (NIA News)। পরিকল্পনা মতো বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হোটেলে হানা দিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। নিখোঁজ দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির নামেই ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। তার পরিণাম পাওয়া গেল শুক্রবার। ধৃতের মধ্য়ে একজন রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড বলে কেন্দ্রীয় গোয়ন্দা সংস্থা সূত্রে দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর ইলেকট্রনিক গেজেট, ল্য়াপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    কীভাবে খোঁজ মেলে

    বিস্ফোরণের (Bengaluru Blast) পরেই ওই ক্যাফের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল, এক যুবক ক্যাফের ভেতরে একটি ব্যাগ রেখে আসে, ঘন্টাখানেক পর তা থেকেই ঘটে বিস্ফোরণের ঘটনা। বিস্ফোরণ কাণ্ডে জড়িত মূল অভিযুক্ত মুজাম্মিল শরিফকে আগেই আটক করা হয়েছিল। খোঁজ চলছিল সন্দেহভাজন বাকি দুজনের। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই দুজনকে আটক করে। শুক্রবার এনআইএ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, কর্ণাটক ও কেরল পুলিশের যৌথ অভিযানে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএর সঙ্গে ছিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি দলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: এনআইএ-র  ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জামিনযোগ্য ধারা পুলিশের, উঠছে প্রশ্ন

    Bhupatinagar: এনআইএ-র ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জামিনযোগ্য ধারা পুলিশের, উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভূপতিনগরে (Bhupatinagar) বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছিলেন এনআইএ আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয়েছিল তাঁদের গাড়ি। হামলার পরই এনআইএ আধিকারিকরা ভূপতিনগর থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ হতে চলল পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশের পক্ষ থেকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    জামিনযোগ্য ধারায় মামলা! (Bhupatinagar)

    জানা গিয়েছে, ৬ এপ্রিলই এনআইএ-র তরফে লিখিত অভিযোগ হয়েছে ভূপতিনগর (Bhupatinagar) থানায়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৬, ৩৪১, ৩২৩, ৩৩২, ৩৫৩, ৪২৭ এবং ৩৪ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ৩৫৩ নম্বর ধারা ছাড়া বাকি সবই জামিনযোগ্য। এ ক্ষেত্রে আরও কড়া ধারা প্রয়োগ করা যেত বলেই মত আইনজীবী মহলের। কাঁথি মহকুমা আদালতের আইনজীবী দীপককুমার মিশ্র বলেন, ” ভিডিও ফুটেজে যে ভাবে মহিলা সিআরপিএফ জওয়ানদের হাত থেকে লাঠি কাড়ার চেষ্টা ও সশস্ত্র অবস্থায় হুমকি ছবি দেখা যাচ্ছে, তাতে অনেক কঠোর ধারায় মামলা করা যেত। পুলিশ না করলেও পরে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা দায়িত্ব পেলে নিশ্চিত ভাবেই তা করবে। কাঁথির এসডিপিও দিবাকর দাস বলেন, “অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে। প্রাথমিক ভাবে যা জানা গিয়েছে, সেই মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।” বৃহস্পতিবার সকালেও নাড়ুয়াবিলা গ্রামে গিয়েছিল পুলিশ। তবে তাদের দাবি, হামলায় অভিযুক্ত কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। সে ক্ষেত্রে গ্রামবাসীর বয়ানের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনকে নোটিস পাঠানো হতে পারে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বাঁচাতে পুলিশ লঘু ধারায় মামলা করেছে। গ্রামে লোক দেখানো তল্লাশি চলছে।”

    আরও পড়ুন: ব্যাগ খুলতেই থ পুলিশ, টাকায় ঠাসা প্যাকেট, হাওড়া ব্রিজের কাছে একী কাণ্ড?

    বিস্ফোরণে কাণ্ডে ধৃত দুজনের ফের এনআইএ হেফাজত

    বুধবারই আদালতে তোলা হয় বিস্ফোরণ মামলায় ধৃত স্থানীয় দুই তৃণমূল নেতা, বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানাকে। রুদ্ধদ্বার শুনানির পরে এনআইএ-র বিশেষ আদালত দু’জনকেই আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এনআইএ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এনআইএ সূত্রের খবর, গত ৬ এপ্রিল ভূপতিনগরের (Bhupatinagar) নারুয়াবিলা গ্রাম থেকে ধৃত এই দু’জনকে আরও ছ’দিন হেফাজতে চেয়ে এদিন আবেদন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: গৃহবন্দি থাকলে নিরাপত্তার খরচ জোগাতে হবে নাভালাখাকেই, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: গৃহবন্দি থাকলে নিরাপত্তার খরচ জোগাতে হবে নাভালাখাকেই, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভীম কোরেগাঁও মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) তিরস্কৃত হলেন অভিযুক্ত গৌতম নাভালাখা। গৃহবন্দি দশায় তাঁকে যে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল, তার খরচ বহন করতে হবে তাঁকেই। গত শুনানিতে নাভালাখার জামিনের আবেদন খারিজ করতে গিয়ে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) আদালতে জানিয়েছিল ‘শহুরে নকশাল’ নাভালাখা গৃহবন্দি থাকাকালীন তাঁর নিরাপত্তায় খরচ হয়েছে ১.৫৪ কোটি টাকা। সেই খরচই বহন করতে হবে তাঁকে।

    সুপ্রিম নির্দেশ (Supreme Court)

    মঙ্গলবার আদালত মন্তব্য করে, “আপনি যদি গৃহবন্দিদশায় থাকতে চান, তাহলে তার খরচ জোগাতে হবে আপনাকেই। এ ব্যাপারে আপনি আপনার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না।” প্রসঙ্গত, ভীম কোরেগাঁও সংঘর্ষের ঘটনায় (Supreme Court) ২০১৮ সালে ইউএপিএতে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। ভীম কোরেগাঁও মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ ও বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চে। সেখানেই আদালত নাভালাখার আইনজীবীকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যদি নাভালাখা গৃহবন্দি থাকতে চান, তাহলে তাঁর খরচ দিতে হবে তাঁকেই। আদলত এও জানিয়েছে, যেহেতু তাঁকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ, তাই গৃহবন্দি থাকলে তাঁর ওপর নজরদারি করবে এনআইএ। তাই খরচও দিতে হবে নাভালাখাকে।

    কী বললেন নাভালাখার আইনজীবী?

    নাভালাখার আইনজীবী জানান, খরচের বিষয়ে কোনও সমস্যা হবে না। তবে ঠিক কত খরচ হচ্ছে, তার সঠিক হিসেব রাখা প্রয়োজন। খরচের বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানায় আদালত। প্রসঙ্গত, অসুস্থতার কারণে ভীম কোরেগাঁও মামলায় ধৃত মানবাধিকার কর্মী গৌতম নাভালাখাকে জেল থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে গৃহবন্দি রাখার অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টই। ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর ওই নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। নাভালাখার মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে সেদিন জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    আরও পড়ুুন: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar Case: রক্ষাকবচ এনআইএ আধিকারিকদের, ভূপতিনগরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

    Bhupatinagar Case: রক্ষাকবচ এনআইএ আধিকারিকদের, ভূপতিনগরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগর কাণ্ডে (Bhupatinagar Case) এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এনআইএ আধিকারিকদের রক্ষাকবচ দিল আদালত। কোনও এনআইএ অফিসারকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কোনও এনআইএ অফিসারকে এই মামলায় যদি জেরা করতে হয়, তাহলে তা করতে হবে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে। থানায় তলব করা যাবে না। ভিডিয়ো জেরার জন্যেও ৭২ ঘণ্টা আগে পুলিশকে নোটিশ পাঠাতে হবে।

    আদালতের প্রশ্ন

    গত ৬ এপ্রিল সন্দেশখালির পুনরাবৃত্তি দেখা গিয়েছিল ভূপতিনগরে (Bhupatinagar Case)। যেখানে তল্লাশিতে গিয়ে এনআইএ আধিকারিকদের নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে অফিসারদের বিরুদ্ধেই কেন অভিযোগ? তাও আবার গুরুতর ধারায়? হাইকোর্টে এমন প্রশ্নের মুখেই পড়তে হল পুলিশকে। বুধবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর পর্যবেক্ষণ, স্থানীয় থানার পুলিশকে জানিয়ে গত শনিবার এনআইএ  আধিকারিকরা বৈধ তল্লাশিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ভোরবেলায় পুলিশ ফোর্স জোগাড় করতে পারেনি। সেটা পুলিশের ব্যর্থতা। এনআইএ-র তরফের আইনজীবী এদিন আদালতে দাবি করেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী ওই এলাকায় কাজ করতে যায় এনআইএ। এই সময় এনআইএ-র তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছে তৃণমূলের একটি পরিবার। ওই পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এফআইআরও রুজু করেছে। পুলিশ এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ৩২৫ ধারা যুক্ত করেছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    ৩২৫ ধারা কেন

    কেন এনআইএ অফিসারদের বিরুদ্ধে ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত পুলিশকে বলেন, “কোনও প্রমাণ ছাড়া অফিসারের বিরুদ্ধে গুরুতর আহত করার ধারা কেন যুক্ত করলেন? কেস ডায়েরিতে আঁচড় বা গুরুতর আঘাতের কোনও উল্লেখ নেই। তাও কীভাবে ৩২৫ ধারা? কে তদন্ত করছিলেন? প্রাথমিক তদন্তের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন?” মেডিক্যাল রিপোর্ট না দেখে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত না  করেই পুলিশ এই ধারা  যোগ করেছে। তাই পুলিশের এই এফআইআর বিধি সম্মত নয়। মামলার পরবর্তী শুনানি  ২৯ এপ্রিল। ওই দিন পুলিশকে কেস ডায়েরি সহ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “ভূপতিনগরের অভিযুক্তদের সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    Amit Shah: “ভূপতিনগরের অভিযুক্তদের সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইএ-র ওপর হামলা নিয়ে রাজ্য সফরে এসে মমতাকে কড়া আক্রমণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ভূপতিনগরে বোমা বিস্ফোরণ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন। বুধবার বালুরঘাটে বিজয় সংকল্প সভায় হাজির হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ বারের ভোটে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর এই প্রথম বার বাংলায় সভা করতে এলেন শাহ। সভায় ভিড়ের প্রশংসা করেন তিনি। সুকান্তকে বলেছেন, “আপনার ভোটের ফল তো এখানেই হয়ে গেল!”

    ভূপতিনগর নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শাহের

    এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “ভূপতিনগরে যারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন, তাদের জেলের ভিতরে থাকা উচিত নয়। আদালতের নির্দেশ পেয়ে এনআইএ এই ঘটনার তদন্তভার পেয়েছে। আধিকারিকরা তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। মমতা দিদি এই হামলাকারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ভূপতিনগরের দুষ্কৃতীদের আড়াল করছেন। লজ্জা হওয়া উচিত। ভূপতিনগরের ঘটনায় জড়িতদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে।” এরপর তিনি বলেন, “একসময় বাংলায় রবীন্দ্র সংগীত বাজত। মানুষ গান শুনতেন। এখন বোমার আওয়াজ শুনতে পান। বাংলায় কোনও কারখানা আসেনি। সবকিছুতেই কাটমানি। দেশের অন্য রাজ্য যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে।”

    আরও পড়ুন: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহ-র

    সন্দেশখালি ইস্যুতে মমতাকে তোপ শাহ-র

    সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে এক হাত নেন শাহ। সন্দেশখালির মতো লজ্জাজনক ঘটনা নিয়েও আপনি রাজনীতি করছেন! মমতাকে প্রশ্ন শাহের। এদিন ভূপতিনগরের পর সন্দেশখালি ইস্যুতে ফের মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “সন্দেশখালিতে তৃণমূলের গুন্ডারা মা, বোনেদের সঙ্গে কী আচরণ করেছে তা দেশের মানুষ দেখেছেন। মমতা দিদি তাদের বিরুদ্ধে কিছু করেনি। আদালতের নির্দেশে দুর্নীতির তদন্তে ইডি যখন গেল, তখন তাদের ওপর হামলা হল। পরে, অভিযুক্তরা পালিয়ে বেড়াল। মমতার সরকার তাদের বাঁচাল। আদালত হস্তক্ষেপ করার পর অভিযুক্তরা ধরা পড়ল।” এরপর তিনি বলেন, “কেন সন্দেশখালির দোষীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন মমতা দিদি? তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার অর্থ গুন্ডাদের সমর্থন করা। সন্দেশখালির মতো ঘটনা আবারও ঘটবে। আর বিজেপিকে সমর্থন করার অর্থ সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।” এরপর কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এত রাগে বোতাম টিপবেন বালুরঘাটে, যেন কলকাতায় মমতা দিদির গায়ে কারেন্ট লাগে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: এনআইএ-র ওপর হামলা কাণ্ডে ফের তদন্তকারী আধিকারিক বদল, কে দায়িত্ব পেলেন?

    Bhupatinagar: এনআইএ-র ওপর হামলা কাণ্ডে ফের তদন্তকারী আধিকারিক বদল, কে দায়িত্ব পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের (Bhupatinagar) ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি এখন তোলপাড়। রাজ্য সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এনআইএ-র ওপর হামলা নিয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা করেছেন। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হামলাকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এই আবহের মধ্যে হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠক এই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন। এক সপ্তাহ যেতে না যেতে এই ঘটনায় দুবার তদন্তকারী অফিসার বদল করা হল।

    নতুন তদন্তকারী আধিকারিক কে হলেন? (Bhupatinagar)

    এনআইএ-র ওপর হামলার ঘটনায় ভূপতিনগর (Bhupatinagar) থানার ওসি গোপাল পাঠককে সরিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকের  দায়িত্বে আনা হয়েছিল ভূপতিনগরের সার্কেল ইনস্পেক্টর শ্যামল চক্রবর্তীকে। এবার দুদিন যেতে না যেতেই এবার তাঁকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁর জায়গায় নতুন তদন্তকারী অফিসার করা হল ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার সত্যমকুমার ঘোষকে। তিনি এবার থেকে এই ঘটনার তদন্তভার পরিচালনা করবেন। তদন্তকারী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েই মঙ্গলবার দুপুরে অর্জুনপুর গ্রামে যান তিনি। কথা বলেন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীর সঙ্গে। ধৃত মনোব্রত জানার বাড়িতে ঢুকে কথা তিনি বলেন তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও। যদিও তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিক।

    আরও পড়ুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    কমিশনে রিপোর্ট পাঠিয়েছে পুলিশ

    প্রসঙ্গত, তলব করার পরও হাজিরা দেননি বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তরা। সেই ঘটনার তদন্তে গ্রামে গিয়ে আক্রান্ত হন এনআইএ আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। সেই ঘটনায় এনআইএ-র পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভূপতিনগরের (Bhupatinagar) ঘটনায় ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে ভূপতিনগরে এনআইএ-র টিমের ওপর ‘হামলা’ হয়েছিল। তবে, হামলার ঘটনায় বার বার তদন্তকারী আধিকারিক পরিবর্তন করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: ভূপতিনগর থানার ওসি-র বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপি-র, দাবি উঠল সরানোর

    Bhupatinagar: ভূপতিনগর থানার ওসি-র বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপি-র, দাবি উঠল সরানোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএ-র ওপর হামলার পর ফের উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে (Bhupatinagar)। এবার অভিযোগ উঠেছে ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠকের বিরুদ্ধে। বিজেপি বিধায়কের কার্যালয়ে ঢুকে এক নেতাকে গ্রেফতারের চেষ্টার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনা নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও-র কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতা শিশির বাজোরিয়া।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bhupatinagar)

    ২০২২ সালে তৃণমূল নেতার বাড়িতে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। আর তাতে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে এনআইএ আধিকারিকদের হামলা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে চর্চায় রয়েছে ভূপতিনগর। তার মধ্যেই সোমবার রাতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় ভূপতি নগরে। জানা যাচ্ছে, সোমবার রাত ৮টা নাগাদ ভূপতিনগর থানা ওসি গোপাল পাঠক তাঁর বাহিনী নিয়ে অর্জুননগরে বিজেপি বিধায়কের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান চালায়। সেই সময়ে বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি কার্যালয়েই ছিলেন। পুলিশের দাবি, এক অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চলছিল। পুলিশের তাড়া খেয়ে সেই অভিযুক্ত বিধায়কের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। এরপর বিধায়ক পুলিশের কাছে সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চান। তখনই শুরু হয় বিতণ্ডা। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    ওসিকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি

    বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, চায়ের দোকান থেকে বিজেপির সহ-সভাপতি বিভাস প্রধানকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে বিজেপি। ঘটনাকে ঘিরে সোমবার রাতে বিধায়কের কার্যালয় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষমেশ ওসি অবশ্য খালি হাতেই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসেন। এবার সেই ওসি-র বিরুদ্ধেই অভিযোগ দায়ের হল। প্রসঙ্গত, ভূপতিনগর (Bhupatinagar) থানায় এনআইএ যে অভিযোগ করেছিল, সেই মামলারও প্রথম তদন্তকারী অফিসার ছিলেন গোপাল পাঠক। এখন অবশ্য এই মামলায় তাঁকে সরিয়ে শ্যামল চক্রবর্তীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যেই থানার ওসি নির্দিষ্ট কোনও কারণ ছাড়া বিজেপি অফিসে তল্লাশিতে গিয়েছিলেন। বিজেপির পক্ষ থেকে  কমিশনের কাছে গোপাল পাঠককে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA:  ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    NIA: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরে ভূপতিনগরে অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এনআইএ-র আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়ি। হামলার ঘটনার জের থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু, এখনও পুলিশ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর যারা হামলা করেছিলেন, সেই হামলাকারীদের কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে, এনআইএ (NIA) আধিকারিক কতটা জখম হয়েছে তা নিয়ে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রিপোর্ট চাইল পুলিশ।

    পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (NIA)

    এমনিতেই এই হামলার ঘটনা নিয়ে লোকসভার মুখে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জলপাইগুড়ির সভায় এসে এই হামলার জন্য তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। এই ঘটনার সঙ্গে সন্দেশখালির ঘটনার তুলনা করে দোষীদের কড়া শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আর পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার পর হামলাকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এনআইএ কেন গ্রামে তদন্ত করতে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তদের ভোটের মুখে কেন গ্রেফতার করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা যখন এনআইএ-র (NIA) গতিবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, হামলাকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন। সেখানে পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা অসম্ভব বলে গেরুয়া শিবিরের কর্তারা মনে করছেন। তাই, স্বাস্থ্য রিপোর্ট চেয়ে আদৌ হামলা হয়েছে কি না তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। এমনটাই মনে করছে বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    সন্দেশখালির পর তিন মাসের মধ্যে প্রায় একই ঘটনা ঘটার অভিযোগ উঠেছে ভূপতিনগরে। এনআইএ (NIA) তাদের বিবৃতিতে দাবি করে, শনিবার অভিযানে গিয়ে তাদের এক আধিকারিক অল্প আহত হয়েছেন। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ,অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য যাতে থানায় যেতে তাঁরা না পারেন, তাই ওই হামলা হয়। এ নিয়ে এনআইএ একটি এফআইআর দায়ের করে ভূপতিনগর থানায়। শনিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে ওই থানায় ফোন আসে। পুলিশ জানায়, তারা তদন্ত শুরু করেছে। এ নিয়ে এনআইএর তরফে কী প্রতিক্রিয়া এসেছে, তা জানা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “তদন্তের নিয়ম অনুসরণ করেই এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। আপাতত এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।”

    বিস্ফোরণের তদন্তে গ্রামে এনআইএ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ভূপতিনগরের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে। তিন জনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে ২০২৩ সালে ওই ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানাকে একাধিক বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, বার বারই হাজিরা তাঁরা এড়িয়ে যান। তার পরই শনিবার অভিযান চালায় এনআইএ (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংবাদ শিরোনামে ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ড (Bhupatinagar)। সম্প্রতি এই এলাকায় বিস্ফোরণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা। আর এরই মধ্যেই ঘটনায় তদন্তকারী অফিসারকে (investigating officer ) বদল করা হল। ভূপতিনগরের সার্কেল ইন্সপেক্টর শ্যামল চক্রবর্তীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই মামলার তদন্তভার। প্রথমে এই মামলায় থানার এক সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তাঁকে বদল করে এবার ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিকের হাতে দায়িত্ব দেওয়া হল। কিন্তু কেন এই বদল? এনআইএ -র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল? এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    প্রসঙ্গত, দেড় বছরের পুরনো এই বিস্ফোরণের মামলায় (Bhupatinagar blast incident) এনআইএ (NIA) অভিযান চালায় এবং দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলে তা নিয়ে তুলকালাম বাধে রাজ্য রাজনীতিতে। রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে সেই প্রভাব পড়ে দিল্লিতে। ইতিমধ্যে দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, নির্বাচন কমিশনেও জমা পড়েছে অভিযোগ। গত শনিবার বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানা নামে দু’জন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ (NIA)। তবে এই অভিযুক্তদের গাড়িতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গাড়ি ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা। এরপর তারা অভিযুক্তদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। এর পরেই এনআইএ-র ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে এক এনআইএ আধিকারিক আহত হন। কিন্তু ঘটনার দুদিন পরেও হামলার ঘটনায় পুলিশ কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তাই প্রশাসন চাপে পড়ে এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান সংক্রান্ত দুটি মামলায় তদন্তকারী অফিসার (investigating officer) বদল করেছে। নতুন তদন্তকারী অফিসার শ্যামল চক্রবর্তী এই হামলা সংক্রান্ত মামলা দুটির তদন্ত করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    এনআইএকে চিঠি পুলিশের

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক আহত হয়েছিলেন, তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্ট (medical report) চেয়ে পাঠিয়েছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। হামলার ফলে এনআইএ এবং গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকেরা একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। আবার আক্রান্ত এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেই শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছে রাজ্য পুলিশ (state police)। যদিও এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এনআইএ-এর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নোটিশ (notice) আকারে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar Case: প্ররোচনা ছাড়াই সেদিন হামলা হয়েছিল ভূপতিনগরে, বিবৃতি দিয়ে জানাল এনআইএ

    Bhupatinagar Case: প্ররোচনা ছাড়াই সেদিন হামলা হয়েছিল ভূপতিনগরে, বিবৃতি দিয়ে জানাল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওরকম প্ররোচনা ছাড়াই সেদিন হামলা হয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ওপর। রবিবার প্রেস (Bhupatinagar Case) রিলিজে একথা জানাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের এক সকালে আচমকাই বিস্ফোরণ ঘটে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে।

    এনআইএর ওপর হামলা (Bhupatinagar Case)

    বিস্ফোরণের অভিঘাতে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চারজনের। এঁরা হলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্না, তাঁর ভাই দেবকুমার ও জনৈক বিশ্বজিৎ গায়েনের। আরও একজনের পরিচয় মেলেনি। ওই ঘটনায় নাম জড়ায় স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতার। এঁদের মধ্যে দুজনের খোঁজে শনিবার তল্লাশিতে যান এনআইএর আধিকারিকরা। অভিযোগ, এর পরেই সন্দেশখালির কায়দায় তাঁদের ওপর (Bhupatinagar Case) হামলা চালায় স্থানীয়দের একাংশ। যারা এলাকায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। হামলায় জখম হন এনআইএর তদন্তকারীরা। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁদের গাড়ির কাচ।

    গ্রেফতার ২ তৃণমূল নেতা

    পরে এলাকার পাঁচ জায়গায় হানা দিয়ে গ্রেফতার করা হয় বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা নামে তৃণমূলের দুই অভিযুক্তকে। এনআইএর দাবি, বিস্ফোরণকাণ্ডের মূল চক্রী এঁরাই। এনআইএর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, বোমা তৈরির ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলাই ও মনোব্রত। এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতেই ঘটানো হয়েছিল বিস্ফোরণ। তাঁদের ধরতে গিয়েই বিনা প্ররোচনায় হামলা চালানো হয় এনআইএর আধিকারিকদের ওপর। বাধা দেওয়া হয় কর্তব্য করতে। রাজ্যের আর পাঁচটা ঘটনার মতো ভূপতিনগরকাণ্ডেও বিজেপির হাত দেখতে পান তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে বসেই তিনি দাবি করেন, বিজেপির হয়ে কাজ করছে এনআইএ। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের ধরতে সাত সকালে গিয়েছিল এনআইএ।

    আরও পড়ুুন: “আইন এবং সংবিধানকে নষ্ট করার দল হচ্ছে তৃণমূল”, তোপ মোদির

    অথচ মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করলেন, “কেন তাঁরা (এনআইএর আধিকারিকরা) মধ্যরাতে অভিযানে গিয়েছিল? তাঁদের কাছে কী পুলিশের অনুমতি ছিল? স্থানীয়রা ভেবেছেন বহিরাগত কেউ মধ্যরাতে এসেছে। তাই ওই রকম প্রতিক্রিয়া করেছেন। ঠিক নির্বাচনের আগে আগেই কেন তারা লোকজনকে গ্রেফতার করছে? বিজেপি কী মনে করে, তারা তৃণমূলের প্রত্যেক বুথ এজেন্টকে গ্রেফতার করবে? এনআইএর কী আধিকার আছে? তারা এসবই করছে বিজেপির মদতে। বিজেপির এই নোংরা রাজনীতির কথা আমরা গোটা বিশ্বকে জানাতে চাই।”মুখ্যমন্ত্রীর এহেন প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতেই এনআইএ জানিয়ে দিল, কোনওরকম প্ররোচনা ছাড়াই হামলা হয়েছে তাদের আধিকারিকদের ওপর (Bhupatinagar Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share