Tag: PM Modi

PM Modi

  • West Bengal Elections 2026: সমাজ মাধ্যমেও নজর কমিশনের, প্রার্থীদের দিতে হবে সমস্ত অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য

    West Bengal Elections 2026: সমাজ মাধ্যমেও নজর কমিশনের, প্রার্থীদের দিতে হবে সমস্ত অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী স্বচ্ছতায় এবার কমিশনের নয়া পদক্ষেপ। প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল এখন কমিশনের নজরদারিতে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর কড়াকড়ি বাড়ালো ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। এখন থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশ করার সময় তাঁদের ব্যবহৃত সমস্ত অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রদান (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026) জানিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের ফেসবুক, টুইটার (এক্স), ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রার্থীর যদি কোনও স্বীকৃত বা অফিশিয়াল পেজ থাকে, তবে তার লিঙ্ক বা হ্যান্ডেল মনোনয়নপত্রের নির্দিষ্ট কলামে উল্লেখ করতে হবে।

    বিজ্ঞাপনের খরচ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের জন্য করা সমস্ত আর্থিক খরচের হিসাব প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের (Election Expenditure) অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বুস্ট করা পোস্ট বা ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের খরচ এড়িয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ থাকছে না। নির্বাচনে পদপ্রার্থীদের এবার থেকে এই সব তথ্যের কথাও ঘোষণা করতে হবে। কমিশন (West Bengal Elections 2026) জানিয়েছে, বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আগে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়া সমাজমাধ্যম বা ইন্টারনেটের কোথাও বিজ্ঞাপন দিলে তা নিয়মভঙ্গ হিসাবে ধরা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Election Commission India) করা হবে।

    আচরণবিধি ও নজরদারি

    ডিজিটাল মাধ্যমে কোনও উসকানিমূলক মন্তব্য, ভুয়ো খবর বা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ নজরদারি সেল গঠন করেছে কমিশন। প্রার্থীদের প্রোফাইল থেকে শেয়ার করা তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হবে। নির্বাচন কমিশন সামাজিক মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চালাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত এমসিএমসি-র সিদ্ধান্তে কারও আপত্তি থাকলে ওই কমিটিতে পাল্টা আবেদন করা যাবে। তবে অনুমোদন ছাড়া কোনও ইন্টারনেট মাধ্যম বা ওয়েবসাইটে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন (West Bengal Elections 2026) দেওয়া যাবে না।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    বর্তমান সময়ে প্রচারের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, মূলধারার প্রচারের খরচের হিসাব থাকলেও ডিজিটাল প্রচারের তথ্য আড়ালে থেকে যায়। এই নতুন নিয়মের ফলে একাধিক সুবিধা মিলবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    যথা-

    • ১. প্রার্থীর প্রচার কৌশলে আরও স্বচ্ছতা আসবে।
    • ২. ডিজিটাল মাধ্যমে অপপ্রচার বা ‘পেইড নিউজ’ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
    • ৩. প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র কমিশনের হাতে থাকবে।

    কমিশনের (Election Commission India) এই পদক্ষেপ আধুনিক নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিজিটাল দুনিয়ায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

  • Indian diplomacy: রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রী মোদির, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা প্রশমনে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা

    Indian diplomacy: রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রী মোদির, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা প্রশমনে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার (West Asia) উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াল ভারত। পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার দিনভর কূটনৈতিক (Indian diplomacy) আলোচনায় অংশ নেয় দিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে ফোনালাপ করেন, পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও উপসাগরীয় দেশ ও ইজরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার মূল বিষয় ছিল উত্তেজনা প্রশমিত করা, অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সেখানে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    ইমানুয়েল মাক্রোঁর সঙ্গে ফোনালাপ

    ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর সঙ্গে ফোনালাপে মোদি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত উত্তেজনা হ্রাস করে আলোচনার পথে ফেরার ওপর জোর দেন। তিনি জানান, এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে। দুই নেতাই একমত হয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সংলাপ (Diplomatic Engagement) চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি, তবেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব। যুদ্ধপরিস্থিতিতে ইরান, ইজরায়েল, কুয়েত, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশের নেতৃত্বের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    দ্রুত শান্তি ফেরানোর আহ্বান

    জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং অঞ্চলে ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত শান্তি ফেরানোর আহ্বান জানান। বুধবার কুয়েতের (Kuwait) যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহ (Sheikh Sabah Al-Khaled Al-Hamad Al-Mubarak Al-Sabah)-এর সঙ্গেও ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি (Security Situation) এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা (Regional Stability) বজায় রাখার প্রশ্ন।

    গভীরভাবে উদ্বেগজনক

    এছাড়া মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গেও কথোপকথনে মোদি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিকে “গভীরভাবে উদ্বেগজনক” বলে উল্লেখ করেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এক্সে (X, formerly Twitter) পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী নিজে জানান, “পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে আমি অনেকের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।” আলোচনায় উঠে আসে হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) নিরাপত্তার বিষয়টিও। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডর (Energy Corridor) হিসেবে পরিচিত এই পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল (Oil Supply) নিয়ে যাতায়াত করে একাধিক জাহাজ। মোদি স্পষ্ট বলেন, “এই প্রণালী দিয়ে অবাধ ও নিরাপদ নৌ চলাচল (Safe Navigation) নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” কারণ, এখানে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের (Energy Crisis) আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

    সংলাপ ও কূটনীতিই শ্রেয়

    ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গেও ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী মোদি সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে ওমানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনায় ভারতের নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে ওমানের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধ বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহণের পক্ষেও মত দেন। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের (Indian Community) নিরাপত্তা ও কল্যাণে (Safety and Wellbeing) সেখানকার নেতৃত্বের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি।

    বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর-এর সঙ্গে আলোচনা

    আরব দুনিয়ার সংঘাত (Middle East tension) গড়িয়েছে ২১তম দিনে। এখনও পরিস্থিতি উত্তপ্ত। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (India FM Jaishankar) ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিদেওন সা’আর-র ( Israeli Foreign Minister Gideon Sa’ar) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীতে (Hormuz Pronali) এর প্রভাব নিয়ে দু’পক্ষ মতবিনিময় করেছেন বলে খবর সূত্রের। জয়শঙ্কর ইতিমধ্যেই ইরান, ইজরায়েল এবং গালফ অঞ্চলের দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। ইজরায়েলি বিদেশমন্ত্রী সাআর জানিয়েছেন, হরমুজ সঙ্কটে ইরানের নৌ অবরোধ পুরো বিশ্বের উপর প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, “এটি কোনও আমেরিকান বা ইজরায়েলি সমস্যা নয়, এটি বিশ্ব শৃঙ্খলা ও অর্থনীতির জন্য গুরুতর সমস্যা। এখনই সমাধান না হলে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।” অন্যদিকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী রীম আল হাশিমির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি ইউএই-তে বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেন।

    কূটনৈতিক তৎপরতা ভারতের

    সব মিলিয়ে, অশান্ত পশ্চিম এশিয়া নিয়ে এই কূটনৈতিক তৎপরতা (Indian diplomacy)ভারতের সক্রিয় ভূমিকারই প্রতিফলন—যেখানে একদিকে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের আবহে (War Situation) কূটনৈতিক স্তরে সক্রিয় থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে চাইছে ভারত। পশ্চিম এশিয়ায় দ্রুত শান্তি, সার্বিক নিরাপত্তা ও স্থিথিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য বদ্ধপরিকর দিল্লি।

  • West Bengal Elections 2026: মমতার ‘অপছন্দের’ আইপিএস জয়রামনকে উত্তরবঙ্গে বিশেষ দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন!

    West Bengal Elections 2026: মমতার ‘অপছন্দের’ আইপিএস জয়রামনকে উত্তরবঙ্গে বিশেষ দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসজেডিএ দুর্নীতি কাণ্ডে কিরণ কুমার গোদালাকে গ্রেফতার করেছিলেন তিনি। সেটা ২০১৩ সাল। ফলস্বরূপ, ‘মমতার রোষে’ ১২ বছর মেলেনি গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিং! এবার, সেই জয়রামনকেই ভোটের আগে ফিরিয়ে এনে উত্তরবঙ্গে বিশেষ দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের অভিযোগ, প্রতিহিংসাপরায়ণ মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার রাজ্যের এই উচ্চপদস্থ আইপিএস। তাঁদের দাবি, মমতা একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে যোগ্য ব্যক্তিকে দীর্ঘদিন কোণায় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। কাজ এবং সম্মান— দুই থেকে জয়রামনকে বঞ্চিত করেছেন। এবার এই আইপিএসকে বিশেষ দায়িত্ব এবং কাজে যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। আসন্ন নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করছে নির্বাচন কমিশন। উত্তরবঙ্গের এডিজি (ADG) পদে নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস কে জয়রামনকে (K Jayaraman)। বিজেপির অভিযোগ, মমতা সরকারের দুর্নীতিকাণ্ডে শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন জয়রামন। আর তাই রোষানলে পড়ে বঞ্চনার শিকার হন। তবে কমিশনের এই নিয়োগের পরই তাঁর পুরনো একটি বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোলে ফেলে দিয়েছে।

    গোদালা কিরণ কুমারকে গ্রেফতার করেছিলেন (West Bengal Elections 2026)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার থাকাকালীন তৎকালীন জেলাশাসক (DM)-কে গ্রেফতার করে দেশজুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন জয়রামন। সেই ঘটনার জেরে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে হয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত জেলাশাসক বিরাট দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দিতেন। আর তাই ২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে জয়রামন এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে আইএএস অফিসার গোদালা কিরণ কুমারকে গ্রেফতার করেন।  উল্লেখ্য, দুর্নীতি যখন সংঘটিত হয়েছিল, তখন গোদালা কিরণ কুমার এসজেডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন। তবে, গ্রেফতারের সময় তিনি মালদার জেলাশাসক (DM) পদে কর্মরত ছিলেন। বিরোধীদের অভিযোগ, প্রশাসক মমতা নিজের অনুগতদের স্বজন পোষণ করেন আর মতের অমিল হলেই খাড়ার কোপ দেন। কে জয়রামন (K Jayaraman) শেষবার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এই উত্তরবঙ্গেই৷ ২০১৩ সালে তিনি ছিলেন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার৷ ওই পদে থাকাকালীনই তাঁকে সরিয়ে দিয়ে কম্পালসারি ওয়েটিং পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার পর দীর্ঘ সাড়ে বছর তাঁকে আইনশৃঙ্খলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সময়ের সঙ্গে পদন্নোতি হয়ে বর্তমানে এডিজি পদমর্যাদার অফিসার হলেও, অন্তরালেই থেকে যান জয়রামন। তাঁকে সেখান থেকে বের করে এনে কমিশন এবার নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে।

    নবান্নের সঙ্গে প্রকার টানাপোড়েন ছিল

    একজন কর্মরত জেলাশাসককে গ্রেফতার করার এই ঘটনাটি প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। তবে তৎকালীন সময়ে উচ্চপদস্থ আধিকারিককে গ্রেফতারের পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া নিয়ে নবান্নের সঙ্গে পুলিশের এক প্রকার টানাপোড়েন তৈরি হয়। এই পদক্ষেপের পর কে জয়রামনকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘকাল চর্চা চলেছিল। বিগত কয়েক বছর ধরে পুনরায় মূল ধারার পুলিশ বিভাগে ফিরে এসেছেন জয়রামন। নির্বাচন কমিশন তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিবেচনা করেই ভোটের মুখে উত্তরবঙ্গের মতো গুরুত্বপূর্ণ জোনের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে তুলে দিয়েছে। নির্বাচনের সময় স্পর্শকাতর উত্তরবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই এখন এই পদস্থ কর্মকর্তার প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে হিংসা মুক্ত নির্বাচন করতে কমিশন এই সক্রিয় অফিসারকে ময়দানে (West Bengal Elections 2026) নামিয়েছে।

    কেন এই নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ?

    বিগত ১২ বছর ধরে তিনি মূলত অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত দায়িত্ব সামলেছেন। ফলে ভোটের মতো সংবেদনশীল সময়ে উত্তরবঙ্গের এডিজি (ADG) হিসেবে তাঁর এই নিয়োগ প্রশাসনিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। নির্বাচনে হিংসা এবং অশান্তি প্রতিরোধ এখন বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে। লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছিল। ফলে আগামী বিধানসভা নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করা এবং ভোটারদের ভোট নিশ্চিত করাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। কমিশনের আস্থা দীর্ঘ বিরতি সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন যে তাঁর ওপর এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা জয়রামনের (K Jayaraman) অভিজ্ঞতা ও দৃঢ়তার ওপর আস্থারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। একজন আইপিএস অফিসার হিসেবে কে জয়রামন তাঁর সোজাসাপ্টা ও কড়া মেজাজের জন্য পরিচিত। এক সময় রাজ্য সরকারের রোষানলে পড়লেও, কমিশনের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে আসন্ন ভোটের লড়াইয়ে অভিজ্ঞ ও কঠোর কর্মকর্তাদের উপরেই আস্থা রাখতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026)।

  • West Bengal Elections 2026: বঙ্গজয়ের লক্ষ্যে বিজেপি, প্রচারে ঝড় তুলতে রামনবমীর পরেই রাজ্যে আসছেন মোদি-শাহ

    West Bengal Elections 2026: বঙ্গজয়ের লক্ষ্যে বিজেপি, প্রচারে ঝড় তুলতে রামনবমীর পরেই রাজ্যে আসছেন মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে (West Bengal Elections 2026) ব্যাপক প্রচারে নামছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে কোমর বেঁধে ময়দানে নামছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, রাম নবমীর পর রাজ্যজুড়ে রোড শো এবং জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে রাজ্যের ভোট প্রচারে শুধু মোদি নন সেই সঙ্গে সভা করবেন অমিত শাহ, নিতিন নবীন, জেপি নাড্ডা এবং যোগী আদিত্যনাথের মতো জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতারা।

    প্রধানমন্ত্রীর মেগা ক্যাম্পেইন (West Bengal Elections 2026)

    ভোটগ্রহণের আগে রাজ্যে মোট ১৪টি জনসভা ও রোড-শো করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (West Bengal Elections 2026)। উত্তর থেকে দক্ষিণ—রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছানোই তাঁর এই ঝটিকা সফরের লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় নির্বাচন হবে। ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

    অমিত শাহের রণকৌশল

    পিছিয়ে নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসভায় শান দিতে তিনিও রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি পালন করবেন। বুথ স্তরের কর্মীদের চাঙ্গা করতে তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রবীণ বিজেপি নেতা মোট ৮টি জনসভা করবেন। সেই সঙ্গে ৭টি জনসভা করবেন সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ভোটের প্রচারে অংশ গ্রহণ করবেন জেপি নাড্ডা। তিনি মোট ৬টি জনসভা করবেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রোড শো করবেন ৪টি। সেই সঙ্গে রাজ্যজুড়ে প্রচার চালাবেন বিশিষ্ট অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মোট ১০টি জনসভা এবং রোড শো করবেন।  মোদি-শাহ ছাড়াও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দিয়েছে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে।

    সুর বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    গত কয়েকদিনের ব্যবধানে মোদি (PM Modi)-শাহের এই ঘনঘন সফর স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, বাংলার নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে গত ১৪ মার্চ ব্রিগেডের সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী যে সুর বেঁধে দিয়েছেন, তাকেই পাথেয় করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে ঝড় তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। রাজ্যের হাই-ভোল্টেজ এই প্রচারে গত ১৫ বছরের তৃণমূলের দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, তোষণের রাজনীতিকেই হাতিয়ার করে ময়দানে জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। তৃণমূলের কাটমানি বনাম বিজেপির আমজনতার অধিকার রক্ষার লড়াই এখন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।

  • PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) চালু করেন ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল, দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের জনগণের কাছে পৌঁছনো। এমন একটি সময়ে তিনি এটি চালু করেছিলেন, যখন রেডিওর আকর্ষণ অস্তগামী। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানটি অল ইন্ডিয়া রেডিওকে নতুন করে অক্সিজেন জোগায়। অনুষ্ঠানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মানুষ আগ্রহভরে অপেক্ষা করতে থাকেন, প্রধানমন্ত্রী কী বলেন তা শুনতে।

    কী জানাল প্রসার ভারতী (PM Modi)

    এই কর্মসূচির আরও একটি লক্ষ্য ছিল, সেটি হল ধীরে ধীরে এটি সম্প্রচারকারী সংস্থার আয়ের পথও প্রশস্ত করা। আরটিআই (RTI) আবেদনের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই অনুষ্ঠান কত আয় করেছে, তা প্রকাশ পেয়েছে। সমাজকর্মী বিবেক পাণ্ডের দাখিল করা আরটিআইয়ের  জবাবে প্রসার ভারতী জানায়, এই সময়ে কর্মসূচিটি মোট ৫.৩৩ কোটি টাকা রোজগার করেছে। বছরভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয় ছিল ১৬.৬০ লাখ টাকা। পরের অর্থবর্ষে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয় ১.৬৩ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান আয় করেছে ২.৩৬ কোটি টাকা।

    ‘মন কি বাত’-এর পেছনে কত ব্যয়

    এই পরিসংখ্যানগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে, যা কর্মসূচিটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আরটিআই আবেদনের আর একটি অংশে বিবেক জানতে চেয়েছিলেন, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে প্রিন্ট, টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেট-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘মন কি বাত’ প্রচারে সরকার কত টাকা ব্যয় করেছে (Mann Ki Baat)।এর উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো জানায়, “জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন কি বাত’-এর বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যয়ের পরিমাণ শূন্য।” অর্থাৎ, এই কর্মসূচির প্রচারে কোনও মাধ্যমেই কোনও অর্থই খরচ করা হয়নি (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এই তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে, সেটি হল মন কি বাত শুধু লাখ লাখ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী একটি সরকারি কর্মসূচিই নয়, এটি বিজ্ঞাপনের কোনও খরচ ছাড়াই লাভজনকও। এই কর্মসূচি কেবল যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আর্থিক প্রভাবসম্পন্ন সম্প্রচার কর্মসূচির স্বীকৃতি পেয়েছে (PM Modi)।

     

  • Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালে নোটবন্দি নিয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই বক্তৃতা ব্যবহার করা হয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে (Dhurandhar: The Revenge)। ছবিতে এই আইকনিক মুহূর্তটি টেলিভিশনের পর্দায় দেখানো হয়েছে, যেখানে নোট বাতিল হওয়ার দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে (PM Modi)। সেটি দর্শকদের স্মৃতিকে উসকে দেয়। ইতিমধ্যেই মোদি-ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন এবং এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ছবিতে ব্যবহার করার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করছেন।

    ইউজারের টুইট-বার্তা (Dhurandhar 2)

    সিনেমা হলে মোদিকে অভিনন্দন জানাতে দেখা যাওয়ায় এক ইউজার টুইট করেন, ধুরন্ধরে রণবীর সিংয়ের চেয়ে মোদিকে দেখে উচ্ছ্বসিত জনতা। আর এক উচ্ছ্বসিত ভক্তের মন্তব্য, “মোদিজি মেড এ ক্যামিও ইন ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ (Dhurandhar: The Revenge)। ইউ আর নট রেডি ফর দিস। এর পরেই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ । এছাড়াও, ছবির প্রথমার্ধে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখানো হয়েছে, যেখানে তাঁর বিজয়-উদযাপনের ভাষণের একটি অংশ ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছে। সেই দৃশ্যটি রাজনৈতিক পরিবর্তন ও আশাবাদের পরিবেশ তুলে ধরে, যা সেই সময়কে চিহ্নিত করেছিল। তাঁর বক্তব্য ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যায়, যা ছবির বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সংযোগকে আরও জোরালো করে তোলে। এই অন্তর্ভুক্তি কাহিনিকে আরও বাস্তবসম্মত করেছে এবং দর্শকদের বৃহত্তর জাতীয় প্রেক্ষাপটের কথা মনে করিয়ে দেয়, যার মধ্যে গল্পটি এগিয়ে চলে।

    পরিচালকের বক্তব্য

    আদিত্য ধর ছবিটির পরিচালক, ধুরন্ধর ২ (Dhurandhar 2) মুক্তির আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের স্পয়লার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি লেখেন, “আমরা ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জে আমাদের হৃদয় ঢেলে দিয়েছি, যাতে আপনি প্রতিটি মোড় ও প্রতিটি আবেগ ঠিক যেভাবে অনুভব করার কথা, সেভাবেই উপভোগ করতে পারেন।” আদিত্য জানান, এই সিনেমাটি হলে, অন্ধকারে, বন্ধু, পরিবার এবং এমনকি অপরিচিতদের সঙ্গে বসে দেখা উচিত। তিনি আরও বলেন, “এভাবেই সিনেমা উপভোগ করা উচিত, কোনও ফোনের ঝাপসা ছবিতে নয়।” এদিকে, বিভিন্ন জায়গায় ধুরন্ধর ২-এর নন-হিন্দি সংস্করণ মুক্তিতে দেরি হওয়ায়, আদিত্য ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। তিনি জানান, যাঁদের শো বাতিল হয়েছে, তাঁরা রিফান্ড নিতে (PM Modi) পারবেন অথবা সাবটাইটেল-সহ হিন্দি সংস্করণটি দেখতে পারবেন (Dhurandhar 2)।

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী রইল পশ্চিমবঙ্গ। এদিনই দুপুরে ব্রিগেডে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক জনসভা। তার আগে তৃণমূল দেখিয়ে দিল ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নীচে নামতে পারে (BJP TMC Clash)!

    গিরিশ পার্কে রক্তারক্তিকাণ্ড (PM Modi)

    দুয়ারে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে এদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক চত্বর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের ওপর দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা তল্লাট। দেদার ইটবৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি। ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    মেরে মাথা ফাটানো হল বিজেপি কর্মীর

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর কলকাতা থেকে বিজেপি কর্মীদের একটি মিছিল ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই সময় গিরিশ পার্ক মোড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়েছে তৃণমূল। পদ্ম শিবিরের এক কর্মীর কথায়, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে বাড়ির ছাদ ও রাস্তা থেকে ইট ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” রাস্তায় রক্তাক্ত এক বিজেপি কর্মীকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায়। মাথা ফেটে গিয়েছে উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষেরও।

    থমথমে পরিস্থিতি

    গোটা রাস্তা ইট ও পাথরের টুকরোয় ভরে যায়। পুলিশের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেও, প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে অবশ্য পরিস্থিতি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে। ফের যাতে অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তাই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF)। বর্তমানে গিরিশ পার্ক চত্বরের পরিস্থিতি থমথমে (PM Modi)। শুধু গিরিশ পার্কই নয়, এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিজেপির বিভিন্ন গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা করা হয় কর্মীদের ওপর। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায়ও বিজেপির ভাড়া করা একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয় (BJP TMC Clash)।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে এই ধরনের ঘটনা কার্যত বিরল। এর আগে ব্রিগেডে একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসমাবেশ হলেও, কখনও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের এই মরিয়া প্রচেষ্টায় স্পষ্ট, ক্ষমতা হারাতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মরণ কামড় দিতে চাইছে তারা (PM Modi)।

     

  • President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সময় নেই”। ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলের (TMC) এক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে দিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Murmu) দফতর। এর আগে তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি লিখে দলের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। প্রতিনিধি দলটি পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বাস্তবায়িত বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরতে চেয়েছিল। তারই প্রেক্ষিতে সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে তৃণমূলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রথমবার অনুরোধের পর দলটি নাকি পরের সপ্তাহে আর একটি সময় চেয়ে আবেদন করেছিল। সেই প্রস্তাবটিও নাকচ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তৃতীয়বার আবেদন করেছে তৃণমূল।

    রাষ্ট্রপতির অসন্তোষ প্রকাশ (President Murmu)

    এই ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত আদিবাসী কল্যাণ সম্মেলনে মতবিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, প্রশাসন যে জায়গাটি অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন করেছে, তা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসস্থানের থেকে অনেক দূরে। তাই সবাই আসতে পারেননি। তিনি বলেন, “আমি খুব দুঃখিত যে এখানে অনেক মানুষ সম্মেলনে পৌঁছতে পারেননি।  কারণ অনুষ্ঠানটি এত দূরে আয়োজন করা হয়েছিল।” রাষ্ট্রপতির (President Murmu) ইঙ্গিত, “প্রশাসন হয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি জায়গা নির্বাচন করেছে, যাতে মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত হয়।”

    ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি এও জানান, তাঁকে স্বাগত জানাতে রাজ্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সদস্যদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি যখন কোনও জায়গায় যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও সেখানে থাকা উচিত।” নিজেকে ‘বাংলার মেয়ে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি কি ইচ্ছাকৃত ছিল?” বাংলা সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘অসম্মান’ নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরব হন। এক্স হ্যান্ডেলে  প্রধানমন্ত্রী একটি পোস্টে শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগকে ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মন্তব্য দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে। তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) পদকে যথাযথ সম্মান না দেখানোর অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির এহেন (TMC) মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই জাতীয় মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁর পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন মন্তব্য না করেন। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরলেও, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিষয়গুলি উপেক্ষা করেছেন। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় আদিবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। এই বিতর্কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় বিজেপি।  বিধানসভার বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন। নবম  আন্তর্জাতিক সাঁওতালি সম্মেলনের ভেন্যু বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে  লিখেছেন, “সংবিধানিক মর্যাদা ও আদিবাসী সম্মানের প্রতি দৃষ্টান্তহীন আক্রমণ। স্পষ্টতই তৃণমূল সরকারের  শাসনের পতনের চিহ্ন।” বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি কী বলছেন সেটা আমরা সবাই দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন দুটোকে পাশাপাশি রাখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কে দায়ী। বুঝতে পারবেন কে সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে বলেছে, আর কে সংবিধানের বাইরে গিয়ে বলেছে। ভারতবর্ষের মতো রাষ্ট্র বলে হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে যাচ্ছেন। অন্য দেশ হলে এতক্ষণে জেলের ভিতরে থাকতেন।” মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলকে নিশানা করলেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি কত নম্রভাবে বলেছেন, মমতা আমার বোনের মতো। আর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন।” রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানানো হল না বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বলেন, “দ্রৌপদী মুর্মু যখন রাষ্ট্রপতি হন, তখন সবাই কত খুশি হয়েছিলেন। এ রাজ্যের আদিবাসীরাও আনন্দিত হন। আজ সবকিছু ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হল।”

LinkedIn
Share