Tag: PM Narendra Modi

PM Narendra Modi

  • PM Modi: ভারতে বড় লগ্নি, মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে ইঙ্গিত সিঙ্গাপুরের শিল্পপতিদের

    PM Modi: ভারতে বড় লগ্নি, মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে ইঙ্গিত সিঙ্গাপুরের শিল্পপতিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য নিয়ে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে মৈত্রী আরও জোরদার করা নিয়েও আশাবাদী তিনি। দু’দিনের সফরে গিয়ে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী, সেদেশের শিল্পপতি এবং তাবড় নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন মোদি। মোদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং-এর বৈঠকে ছিলেন মন্ত্রী লি সিয়েন লুং, গোহ চোক টং এবং দেশের শিল্প-বাণিজ্য কর্তারাও। ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

    ভারতে বিপুল বিনিয়োগের আশ্বাস

    সিঙ্গাপুরের একাধিক শিল্পপতি এবং সংস্থার সিইও-দের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রী মোদির।  যেখানে অর্থনৈতিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দীর্ঘ এই বৈঠক শিল্পপতিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতে বেশ কিছু সংস্কার হচ্ছে, যা বিনিয়োগে উৎসাহ দেবে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে আগামীদিনে ভারতে বিপুল বিনিয়োগের আশ্বাস দেন সিঙ্গাপুরের শিল্পপতিরা। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্ল্যাকস্টোন সিঙ্গাপুর, টেমাসেক হোল্ডিংস, সেম্বকর্প ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এসটি টেলিমিডিয়া গ্লোবাল ডেটা সেন্টার এবং সিঙ্গাপুর এয়ারওয়েজের সিইও।

    বৈঠক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি

    বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘ভারত এবং সিঙ্গাপুর দুই দেশই অদূর ভবিষ্যতে আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করে যাবে। সিঙ্গাপুর প্রতিটি উন্নয়নশীল দেশের কাছে অনুপ্রেরণা। আমরা ভারতে অনেক ‘সিঙ্গাপুর’ তৈরি করতে চাই।’’ বৃহস্পতিবার সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে অংশীদারিত্বের পাশাপাশি আলোচনা হয়েছে ডিজিটাল অর্থনীতি নিয়েও। সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপ্রধান এবং শিল্প-বাণিজ্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক চারটি মউ তথা সমঝোতা (এমওইউ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেগুলি হল— ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা, ভারত, সিঙ্গাপুর সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম পার্টনারশিপ, স্বাস্থ্য ও ওষুধের ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং শিক্ষাগত সহযোগিতা এবং দক্ষতা উন্নয়ন।

    প্রসঙ্গত, গত ১০ বছরে দু’দেশের বিনিয়োগ প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। চালু হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থিক লেনদেন ব্যবস্থা। সেমিকন্ডাক্টর সেক্টর দুই দেশকে এক সুতোয় বাঁধতে পারে বলে মনে করেন মোদি।

    লি সিয়েন লুংয়ের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে মোদি

    সিঙ্গাপুরে প্রবীণ মন্ত্রী লি সিয়েন লুংয়ের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত-সিঙ্গাপুর কূটনৈতিক অংশীদারিত্বের উন্নয়নে তাঁর অবদানের প্রশংসাও করেছেন প্রধানমন্ত্রী ৷ লি সিয়েন লুং, মোদির সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছিলেন৷ সেই ভোজে অংশ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমার বন্ধু এবং সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং-এর সঙ্গে দেখা করা সবসময়ই আনন্দের। তিনি সবসময় ভারত-সিঙ্গাপুরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একজন শক্তিশালী অংশ হিসাবে কাজ করেছেন ৷ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর অন্তর্দৃষ্টিও খুব সমৃদ্ধ। আমাদের দেশগুলি কীভাবে সবুজ শক্তি, ফিনটেক, ইত্যাদিতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে সে সম্পর্কে আমরা একটি সুন্দর আলোচনা করেছি ৷”

    মোদির সফরের লক্ষ্য

    মোদির দু’দিনের সফরের সঙ্গে ভারত ও সিঙ্গাপুর তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কূটনৈতিক অংশীদারিত্বে বেশ কিছুটা উন্নীত করেছে বলেই মনে করছে বিদেশ মন্ত্রক। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের লক্ষ্য দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার নরেন্দ্র মোদী ও লরেন্স উয়ং একটি বৈঠক করেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের পার্টনারশিপের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। ডিজিটাইজেশন, স্বাস্থ্য, ওষুধ সহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে সেই বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: কেন্দ্রের অনুমোদিত সব ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট চালু করেনি রাজ্য! মন্ত্রীর চিঠিতে বিপাকে রাজ্য

    Mamata Banerjee: কেন্দ্রের অনুমোদিত সব ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট চালু করেনি রাজ্য! মন্ত্রীর চিঠিতে বিপাকে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ৪৮ হাজার ৬০০ ধর্ষণ ও পকসো মামলা ঝুলে রয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন্দ্রের অনুমোদন থাকলেও ১১টি ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন নিয়ে এখনও পর্যন্ত  উদ্যোগ নেয়নি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সম্প্রতি চিঠি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। আরজি করের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষণ ও মহিলাদের উপর নির্যাতন নিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই চিঠির জবাব দেয় কেন্দ্র। সেই চিঠিতে অন্নপূর্ণা জানালেন, ধর্ষণ ও শিশুদের উপর নির্যাতনের মামলার দ্রুত শুনানির জন্য পশ্চিমবঙ্গকে ১২৩টি ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তার মধ্যে বেশিরভাগের কাজ শুরু হয়নি। কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী আরও বলেন, মহিলা ও শিশুদের সমস্যা দূরীকরণে কেন্দ্র একটি ন্যাশনাল হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তা চালু করেনি।

    কেন্দ্রের চিঠিতে কী বলা হল

    আরজি কর-কাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে গত ২২ অগাস্ট চিঠি লেখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্ষকদের শাস্তি দিতে কঠোর কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের আবেদন জানান। এইসব ঘটনার দ্রুত বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের কথাও বলেন তিনি। তাঁর চিঠির জবাবে কেন্দ্রীয় নারী এবং শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী চিঠি লিখে জানান, ১ জুলাই থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা লাগু হয়েছে। মহিলাদের উপর অত্যাচার বন্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন নিয়ে অন্নপূর্ণা দেবী লিখেছেন, এই ধরনের আদালত গঠনের জন্য ২০১৯ সালের অক্টোবরে কেন্দ্র একটি প্রকল্প শুরু করে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখেছেন, “চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৭৫২টি ফাস্ট ট্র্যাক আদালত কাজ করছে। তার মধ্যে ৪০৯টি পকসো আদালত। প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে এইসব আদালতে ২ লক্ষ ৫৩ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমবঙ্গকে ১২৩টি ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ২০টি শুধু পকসো আদালত। কিন্তু, ২০২৩ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই আদালতগুলির কাজ শুরু হয়নি।”

    আরও পড়ুন: নিহত তরুণীর দেহের কাছে ৩ সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ! ভাইরাল ভিডিও তুলল একাধিক প্রশ্ন

    বঞ্চিত হচ্ছেন রাজ্যের মহিলারা

    কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। এই আবহে কেন্দ্রের চিঠিতে বেশ অস্বস্তিতে রাজ্য। কেন্দ্রের চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, তারা বার বার অনুরোধ করে মনে করালেও রাজ্যে মহিলা (১৮১) এবং শিশু (১০৯৮)-দের সাহায্যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়নি। চালু করা হয়নি ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স সাপোর্ট সিস্টেম’ও। এর ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন রাজ্যের মহিলা এবং শিশুরা। চিঠির শেষে অন্নপূর্ণা আশাপ্রকাশ করেছেন, রাজ্যে মহিলাদের বিরুদ্ধে সব ধরনের নির্যাতনের পথ বন্ধ করে সুরক্ষা দেওয়া হোক। লিঙ্গবৈষম্য দূর করার অনুরোধও করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পোল্যান্ড সফরে মোদি, গুজরাটের রাজার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা অর্পণ, বৈঠক প্রবাসীদের সঙ্গে

    PM Modi: পোল্যান্ড সফরে মোদি, গুজরাটের রাজার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা অর্পণ, বৈঠক প্রবাসীদের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪৫ বছরে প্রথমবার পোল্যান্ড সফরে গিয়েছেন কোনও  ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বুধবার পোল্যান্ডের (Poland) রাজধানী ওয়ারশে পৌঁছে সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘ভারত এবং পোল্যান্ডের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সাত দশকের পুরানো। সেই সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমার এই সফরের উদ্দেশ্য।’’ দু’দিনের পোল্যান্ড সফরের প্রথম দিনে অর্থাৎ বুধবারে নওয়ানগরের মহারাজা দিগ্বিজয় সিংহজি রঞ্জিত সিংহজি জাডেজার (জামসাহেব নামে যিনি পরিচিত) স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতেই পোল্যান্ডের ওপর আক্রমণ চালায় জার্মানি। হিটলারের জার্মানি সে সময় দখল নিয়েছিল পোল্যান্ডের। ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ চলাকালীন ভারতের মুম্বইয়ে প্রায় ৭০০ জন পোলিশ শরণার্থীর আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করেছিলেন জামসাহেব। তাঁর এই কৃতিত্বের জন্য পোল্যান্ডে নির্মিত হয়েছে রাজার স্মৃতিসৌধ। সেখানেই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মোদি। পোল্যান্ডের সঙ্গে গণতন্ত্র থেকে শুরু করে বহুত্ববাদ সংক্রান্ত ভাবনায় ভারতবর্ষের বহু মিল রয়েছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি৷

    ভারত স্থায়ী শান্তির পক্ষে

    পোল্যান্ডে (Poland) প্রবাসী ভারতীয়দের (PM Modi) সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘ভারত স্থায়ী শান্তির পক্ষে। আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট- এটা যুদ্ধের সময় নয়। এই সময় হল এক সঙ্গে এগিয়ে এসে মানবতাকে চ্যালেঞ্জ করে এমন প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করার। তাই ভারত কূটনীতি ও আলোচনাতেই বিশ্বাস করে।’’ প্রসঙ্গত, ২৩ অগাস্ট ইউক্রেন সফরে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় আড়াই বছর ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে, সেই আবহে পোল্যান্ডে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির এমন বিবৃতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    আজ বিশ্ব ভারতকে বিশ্ব বন্ধু হিসেবে সম্মান করে

    দেশের পরিবর্তিত বিদেশনীতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। অনাবাসী ভারতীয়দের সম্মেলনে  তিনি বলেন, ‘‘বহু দশক ধরে ভারতের নীতি ছিল সমস্ত দেশের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। আজ ভারতের নীতি হল সমস্ত দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। আজকের ভারত সকলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে চায়। আজকের ভারত সকলের সঙ্গে পা মিলিয়ে চলে এবং সকলের লাভের কথা ভাবে। তাই আজ বিশ্ব ভারতকে বিশ্ব বন্ধু হিসাবে সম্মান করে।’’

    ট্রেনে করে ইউক্রেন যাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথম ইউক্রেনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক করবেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। প্রায় ২০ ঘণ্টা ট্রেন সফর করে কিভে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। ওই ট্রেনের পোশাকি নাম হল ‘রেল ফোর্স ওয়ান’। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইউক্রেনের আকাশ এখন বিপজ্জনক। সে কারণেই এই ট্রেনযাত্রা বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন, তাঁর কাছে অনেক শেখার আছে’’, মোদিতে মুগ্ধ কামাথ

    PM Modi: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন, তাঁর কাছে অনেক শেখার আছে’’, মোদিতে মুগ্ধ কামাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। ৭৩ বছর বয়সেও প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন জিরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথ (Nikhil Kamath)। সম্প্রতি, নিখিল কামাথের ইউটিউব চ্যানেল ‘পিপল বাই ডব্লিউটিএফ’-এ সম্প্রচারের জন্য রণবীরের কাপুরের একটি  সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কামাথ। এই কথোপকথনে রণবীর কাপুর ও নিখিল রাজনীতি নিয়েও আলোচনা করেছেন। সেখানেই দুজনের কথোপকথনে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রাণশক্তির কথা। 

    নিখিল কামাথের চোখে প্রধানমন্ত্রী (Nikhil Kamath)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেমন এই প্রশ্নের উত্তরে নিখিল (Nikhil Kamath) জানান, একবার আমেরিকায় তাঁর সঙ্গে মোদির সাক্ষাত হয়েছিল। তিনি বলেন, “এক বছর আগে আমি তিন-চার জনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে ছিলাম। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সময়সূচী ছিল। সকাল ৮টার দিকে তিনি একটি অধিবেশন করতেন। ১১টার দিকে একটুও ক্লান্ত না হয়েই বক্তৃতা দিতেন। তারপর তিনি ১ থেকে ২ টোয় ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসতেন, বিকেল ৪ টায় অন্য কিছু, ৭ টায় অন্য কিছু, এমনকি রাত ১১টা বেজে গেলেও ক্লান্ত হতেন না। সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হল যে আমি দুদিন পর যখন ক্লান্ত, অসুস্থ বোধ করছি, তিনি তখন যাচ্ছিলেন মিশরে আবার একই জিনিস করার জন্য।” জনপ্রিয় ইউটিউবার, সুপরিচিত উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারী নিখিল কামাথের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। এই বয়সে দাঁড়িয়ে তাঁর এনার্জির ধারে কাছে যাওয়া যায় না। তাঁকে এত কাছ থেকে দেখতে পারা একটি সৌভাগ্যের বিষয়।

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    প্রধানমন্ত্রী মোদির ব্যবহারে মুগ্ধ রণবীর (PM Modi)

    নিখিল কামাথের (Nikhil Kamath) সঙ্গে সাক্ষাতকারে প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন অভিনেতা রণবীর কাপুরও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কথা বলার দক্ষতা, তাঁর ব্যবহার, তাঁর আঙ্গিক, রণবীরকে আকর্ষণ করে। অভিনেতার কথায়, ৪ থেকে ৫ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একটি বৈঠকে দেখা হয়েছিল, যেখানে অভিনেতা এবং পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কথার মধ্যে এমনই এক বিষয় রয়েছে যা সবার উপর ছাপ ফেলে। রণবীর সেই মিটিংয়ে মোদির প্রবেশের মুহূর্তটিরও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেই মুহূর্তের মধ্যে যে একটা চৌম্বকীয় আকর্ষণ ছিল। রণবীর আরও জানান মোদি মিটিংয়ে উপস্থিত সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন। তিনি রণবীরের বাবার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal: ‘উত্তরবঙ্গকে জুড়ে দেওয়া হোক উত্তর-পূর্বের সঙ্গে’, মোদিকে আবেদন সুকান্তর

    North Bengal: ‘উত্তরবঙ্গকে জুড়ে দেওয়া হোক উত্তর-পূর্বের সঙ্গে’, মোদিকে আবেদন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য ভাগ না করে উত্তরবঙ্গকে (North Bengal) উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব রাখলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Mazumder)। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাঁর আবেদন  উত্তরবঙ্গের আট জেলাকে উত্তর-পূর্বের সঙ্গে যুক্ত করা হোক। এই নিয়ে রাজ্য সরকারের কোনও আপত্তি থাকবে না বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। বালুরঘাটের সাংসদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ করলে উত্তরবঙ্গ আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে।

    সুকান্তর আর্জি

    বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে সুকান্ত (Sukanta Mazumder) উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জমা দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে দেখিয়েছেন, কোন কোন ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের মিল আছে। সুকান্ত জানান, উত্তরের ৮ জেলা পশ্চিমবঙ্গের অংশ হিসেবে থাকলেও উত্তর-পূর্বের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া সম্ভব কি না, তা জানতে চেয়েছেন। তিনি মনে করেন, উত্তরবঙ্গকে উত্তর-পূর্বের অংশ হিসেবে ধরা হলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধাগুলি পেতে সুবিধা হবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলেও মনে করেন তিনি।  সুকান্ত বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন এত দিন ঠিক ভাবে হয়নি বলেই বারংবার বিভিন্ন দাবি ওঠে। এখন প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। সে জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দও রয়েছে। ফলে উত্তরবঙ্গকে নতুন মর্যাদা দিলে উন্নয়নে গতি আসবে।’’ সুকান্তের এটাও দাবি যে, ‘‘এর ফলে রাজ্য সরকারের কোনও আপত্তি থাকবে না বলেই মনে করি। কারণ, আদতে রাজ্যেরই উন্নতি হবে।’’

    আরও পড়ুন: নন-স্টিক কুকওয়্যারে রান্না করেন! আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ছে ‘টেফলন ফ্লু’, কী এটা?

    কেন এই আবেদন

    রাজনৈতিক মহলের অনুমান, সুকান্ত শিক্ষা মন্ত্রকের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন মন্ত্রকেরও প্রতিমন্ত্রী। এই মন্ত্রকের পূর্ণমন্ত্রী জ্য়োতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তবে মোদির কাছে প্রস্তাব নিয়ে একা সুকান্তই গিয়েছিলেন। এ থেকেই মনে করা হচ্ছে নিজের দফতরের এলাকা বাড়ানোর লক্ষ্যেই সুকান্তের (Sukanta Mazumder) এই উদ্যোগ। তাঁর লোকসভা এলাকা বালুরঘাটও উত্তরবঙ্গে (North Bengal)। সেই দিক থেকে তাঁর মন্ত্রকের অধীনে উত্তরবঙ্গকে আনতে পারলে নিজের এলাকার উন্নয়নেও কাজ করতে পারবেন সুকান্ত। বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সুকান্তের একান্ত বৈঠকে বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘ভারতবাসীর হিতে সময় নষ্ট না করে আপনি সিদ্ধান্ত নেন’’, মোদির প্রশংসায় পুতিন

    PM Modi: ‘‘ভারতবাসীর হিতে সময় নষ্ট না করে আপনি সিদ্ধান্ত নেন’’, মোদির প্রশংসায় পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উন্নতিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)৷ সেকারণেই দেশের জনগণ তাঁকে ফের নেতা হিসেবে মনোনীত করেছেন৷ এমনই অভিমত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের। ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য সোমবার মস্কো পৌঁছেছেন মোদি৷ বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরভ। এদিন নিজের সরকারি বাসভবন নভো-ওগারিওভোতে মোদিকে একান্ত নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান পুতিন (Vladimir Putin)৷ সেখানেই দুই নেতার মধ্যে দীর্ঘক্ষণ একান্তে আলোচনা হয়।

    মোদি-পুতিন আলাপ (Modi-Putin Meeting)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সম্মানে সোমবার নৈশভোজের আয়োজন করেনরাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। সেখানে ভারতে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে৷ সেই প্রসঙ্গে পুতিন জানান, দেশের স্বার্থে নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি৷ দেশের মানুষ সেই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন৷ পুতিন বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার জন্য আপনাকে অভিনন্দন৷ তবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই ৷ আপনার দীর্ঘ কয়েক বছরের কাজের ফলস্বরূপ দেশের জনগণ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আপনি একজন অত্যন্ত কর্মঠ ব্যক্তি৷ আপনার নিজস্ব কিছু ধারণা এবং মতামত রয়েছে৷ ভারত তথা ভারতবাসীর হিতে আপনি সময় নষ্ট না করে যেকোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ৷’’

    মোদির বার্তা

    রাশিয়া পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) লেখেন, ‘‘আগামিকাল দু’দেশের আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছি ৷ আমার বিশ্বাস এই আলোচনার মাধ্যমে ভারত ও রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’’ এদিনের একান্ত সাক্ষাৎকারকে ‘‘দুই ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত বন্ধুর বৈঠক’’ বলে উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রক৷ প্রসঙ্গত, গত এক দশকে এটি ছিল মোদি এবং পুতিনের ১৭তম বৈঠক। যদিও ২০১৫ সালের পর এই প্রথম আবার মস্কোয় গেলেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মোদীর দু’দিনের এই রাশিয়া সফরে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা-সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা। মঙ্গলে ভারত-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

    শঙ্কিত চিন ও পশ্চিম বিশ্ব

    ভারত-রাশিয়া বন্ধুত্ব নিয়ে শঙ্কিত চিন। এশিয়ার মাটিতে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সুসম্পর্ক ভালো চোখে দেখে না বেজিং। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মোদির-রাশিয়া (PM Modi) সফর মেনে নিতে পারছে না পশ্চিম দুনিয়াও। রাশিয়ার মাটিতে পা রাখার পরে এক্স হ্যান্ডলে মোদি লেখেন, ‘‘আমরা দু’দেশের মধ্যে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারি আরও গভীর করার জন্য উন্মুখ। বিশেষত, ভবিষ্যতের সহযোগিতার ক্ষেত্রে।’’ এদিন রাশিয়াই প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mann Ki Baat: ‘মন কি বাত’-এর ১১১তম পর্ব, মায়ের নামে গাছ লাগাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Mann Ki Baat: ‘মন কি বাত’-এর ১১১তম পর্ব, মায়ের নামে গাছ লাগাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে এনডিএ শিবিরের বিপুল জয়ের পর ফের শুরু ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠান। ভোটপর্বে এই অনুষ্ঠান সাময়িক স্থগিত ছিল। তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর এটি ছিল ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের ১১১তম পর্ব। এদিন ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মাকে স্মরণ করলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “মায়ের নামে একটি গাছ লাগাতে হবে। আমি আমার মায়ের নামে একটি গাছও লাগিয়েছি। আমাদের সকলের জীবনে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ। মাতৃভূমিরও যত্ন নিন।”

    পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পর্ক মায়ের সঙ্গে (Mann Ki Baat)

    তাঁর আরও সংযোজন, “পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পর্ক মায়ের সঙ্গে। আমাদের সকলের জীবনে মায়ের মর্যাদা সব থেকে বেশি। একজন মা প্রতিটি দুঃখ সহ্য করেও তার সন্তানকে লালন-পালন করেন। প্রতিটি মা তাঁর সন্তানের প্রতি স্নেহ-মমতা পোষণ করেন। আমাদের জন্মদাত্রী মায়ের এই ভালোবাসা আমাদের সবার ঋণের মতো যা কেউ শোধ করতে পারবে না।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ধনী-গরিব, কর্মজীবী ​​নারী বা গৃহবধূ সবাই মায়ের জন্য গাছ লাগাচ্ছেন। এই ক্যাম্পেনটি প্রত্যেককে তাঁদের মায়ের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা প্রকাশ করার সমান সুযোগ দিয়েছে।”

    আমি বলেছিলাম যে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরে আমি অবশ্যই আসব

    ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি বলেছিলাম যে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরে আমি অবশ্যই আসব এবং আজ আমি আপনাদের সবার মাঝে আছি।” এদিন ‘মন কি বাত’-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি এক বিশেষ ধরনের ছাতার কথা বলেন। তিনি বলেন, “কেরলের সংস্কৃতিতে ছাতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ছাতা সেখানকার অনেক ঐতিহ্য ও আচার-অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু আমি যে ছাতাগুলির কথা বলছি তা হল ‘কার্থুম্বি ছাতা’ এবং সেগুলি কেরলের আট্টপাডিতে তৈরি করা হয়।”

    ৩০ জুন ‘হুল দিবস’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আজ ৩০ জুন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। আমাদের আদিবাসী ভাই-বোনেরা এই দিনটিকে ‘হুল দিবস’ হিসেবে পালন করে। এই দিনটি  সিধু-কানহুর অদম্য সাহসের সঙ্গে জড়িত, যাঁরা বিদেশি শাসকদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। সিধু-কানহু হাজার হাজার সাঁওতালি মানুষকে একসঙ্গে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগণায় আমাদের আদিবাসী ভাই-বোনেরা বিদেশি শাসকদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলেছিলেন।”

    ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আজ আমি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাই যে তাঁরা আমাদের সংবিধান এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি তাদের অটল বিশ্বাস রেখেছেন। ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচন। এত বড় নির্বাচন পৃথিবীর কোনও দেশে হয়নি। এই নির্বাচনে ৬৫ কোটি মানুষ ভোট দিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রবিতে শপথ! ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির

    Narendra Modi: রবিতে শপথ! ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার দেশে সরকার গড়ার পথে এনডিএ (NDA)। শুক্রবার সেন্ট্রাল হলে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট এনডিএ-র সংসদীয় দলের বৈঠক। এই বৈঠকে নরেন্দ্র মোদিকেই (Narendra Modi) প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়েছে। এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃতীয় বার সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) কাছে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে মোদি জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে আগামী ৯ জুন সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণের কথা বলেছেন।

    আডবাণী-জোশীর সঙ্গে সাক্ষাত

    এদিন এনডিএ বৈঠক সেরে রাষ্ট্রপতি ভবন যাওয়ার আগে বিজেপির দুই প্রবীণ নেতার সঙ্গে দেখা করেন মোদি (Narendra Modi)। প্রথমেই তিনি যান দলের মার্গদর্শন মণ্ডলীর সদস্য লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে দেখা করতে। অনেকেই মনে করেন মোদির রাজনৈতিক গুরুই হলেন আডবাণী। এরপর তিনি যান রাম মন্দির আন্দোলনের প্রথম সারির নেতা  মুরলীমনোহর জোশীর বাড়িতে। শেষে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বাড়িতে যান মোদি।

    আরও পড়ুন: রেপো রেট এক রাখল আরবিআই, মোদির উপর আস্থা রেখে ফের সর্বকালীন উচ্চতায় সেনসেক্স

    রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদি

    সেখান থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানান নরেন্দ্র মোদি। এনডিএ-র মোট ২১ জন নেতার সমর্থনপত্র নিয়ে রাষ্ট্রপতি কাছে গিয়ে সরকার গড়ার দাবি জানান মোদি (Narendra Modi)। তার সেই প্রস্তাব মেনে নিয়ে সরকার গঠণের আমন্ত্রণপত্র নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি, চিরাচরিত প্রথা মেনে হবু প্রধানমন্ত্রীকে দই খাওয়ান রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর রাষ্ট্রপতি ভবনের লনেই ফের ভাষণ দেন তিনি। সেই ভাষণেই তিনি জানান, রবিবার তাঁকে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি ভবনের ভাষণে নির্বাচন জুড়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য দেশের সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সুস্থতা কামনা করেন মোদি। এর পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোন পথে চলবে তার দিশাও দেখান।

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, “বিকাশের পথে দেশকে চালিত করে দেশবাসীর আশা আকাঙ্খা পূরণ করাই নতুন সরকারের (NDA) লক্ষ্য হবে।” তাঁর কথায়, “আমি যখন গণতন্ত্রের সমৃদ্ধির কথা ভাবি, আমি বিশ্বাস করি মধ্যবিত্তের জীবনে সরকারের হস্তক্ষেপ যত কম হবে, ততই ভালো। আজকের প্রযুক্তির যুগে আমরা এটা করতে পারি। আমরা উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে থাকব। এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, গত দু’দফায় উন্নয়নের যে গতি বজায় ছিল, তৃতীয় দফার পাঁচ বছরেও তা থাকবে।”  এর পরে তিনি বলেন, ‘‘মাননীয় রাষ্ট্রপতি আমাকে ডেকেছিলেন। সরকার গড়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি তাঁকে জানিয়েছি, ৯ তারিখ (রবিবার) বিকেলে শপথগ্রহণ হলে ভাল হয়। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের তালিকা আমি রাষ্ট্রপতিকে পাঠিয়ে দেব।’’

    পরে, রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়, এনডিএ সাংসদদের অনুরোধ মেনে আগামী রবিবার ৯ জুন সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Highest Margin 2024: ব্যবধানের রেকর্ডে অভিষেককেও ছাপিয়ে গেলেন ইন্দোরের বিজেপি প্রার্থী

    Highest Margin 2024: ব্যবধানের রেকর্ডে অভিষেককেও ছাপিয়ে গেলেন ইন্দোরের বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের মার্জিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও (Highest Margin 2024) পিছনে ফেলে দিয়েছেন ইনি। সাত লাখের ঘরে রয়েছে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার্জিন। তাঁর থেকেও ৩ লক্ষের বেশি মার্জিনে জিতেছেন বিজেপির এক প্রার্থী। তাঁর জয়ের ব্যবধান ১০ লক্ষ। তিনি বিজেপির প্রার্থী শংকর লালওয়ানি (Shankar Lalwani) । তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১২ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৫১। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নোটা বোতামকে হারিয়েছেন ১০ লক্ষ ৮ হাজার ৭৭ ভোটে।

    সবচেয়ে বেশি ভোটে জয়ী হলেন ইন্দোরের বিজেপি প্রার্থী  

    এবার বিজেপির ইন্দোর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন শংকর লালওয়ানি। মঙ্গলবার যখন তিনি সার্টিফিকেট হাতে পেলেন তখন দেখা যায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে নোটা বোতাম। এই কেন্দ্রে রাজনৈতিক দল হিসেবে বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী সঞ্জয় যা ভোট পেয়েছে তাতে তিনি তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। এই কেন্দ্রে ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়েছেন নোটা। সঞ্জয়ের প্রাপ্ত ভোট ৫০ হাজারের ঘরে। বিজেপি সূত্রে খবর তাঁদের দলের নিরিখে তিনি সর্বোচ্চ মার্জিনে (Highest Margin 2024) জয়ী হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন গান্ধিনগরের প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।  

    সাত লাখি ব্যবধানে জয়ী হয়েছে আরও দুজন (Highest Margin 2024)

    প্রসঙ্গত এই কেন্দ্র থেকেই কংগ্রেস প্রার্থী অক্ষয় কান্তি বাম নিজের নমিনেশন প্রত্যাহার করে নেন। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আগে এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতেন সুমিত্রা মহাজন। যিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লোকসভার স্পিকার ছিলেন।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রে ফিরছে এনডিএ সরকার, ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদিই

    তিনি আটবার এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। শংকর লালওয়ানির পরেই (Highest Margin 2024) সাতলাখি মার্জিন রয়েছে বিজেপির আরেকজন প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। তিনিও প্রায় সাড়ে ৭ লাখ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। সাতলাখি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhshek Banerjee)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandra Babu Naidu: অন্ধ্রপ্রদেশে ক্ষমতায় ফিরছে তেলুগু দেশম, চন্দ্রবাবুকে অভিনন্দন মোদি-শাহের

    Chandra Babu Naidu: অন্ধ্রপ্রদেশে ক্ষমতায় ফিরছে তেলুগু দেশম, চন্দ্রবাবুকে অভিনন্দন মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ বছরে ফের চমকে দিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandra Babu Naidu) । ফিরে এলেন অন্ধ্রপ্রদেশে। রাজনীতি যে চমকের খেলা তা প্রমাণ করে দিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। এখন অবধি যা ট্রেন্ড তাতে ১৭৫ আসনের মধ্যে ১৫৫ টি আসনে টিডিপি, বিজেপি এবং জনসেনা পার্টির জোট এগিয়ে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ফের মুখ্যমন্ত্রী আসনে বসতে চলেছেন তেলুগু দেশম পার্টির (TDP) প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডু। এমনকি জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন তিনি। 

    জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন চন্দ্রবাবু (Chandra Babu Naidu)

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের (YSRCP) প্রধান জগন্মোহন রেড্ডি (Jagan Reddy) বিকেলে রাজভবনে যেতে পারেন এবং সম্ভবত এদিনই পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন তিনি। তবে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের যে কজন প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম জগন। তিনি এবার পুলিভেন্ডালা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই টিডিপি প্রধানের সঙ্গে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। সকলেই নিজেদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। গণনা শেষের আগেই বিজয়ওয়াড়ায় টিডিপি প্রধান কার্যালয়ের বাইরে দেখা গিয়েছে উৎসবের মেজাজ।

    কেন হারলেন জগন রেড্ডি

    এদিন সকাল থেকেই ভোট বাক্স খুলতেই একের পর এক কেন্দ্র থেকে টিডিপি (TDP) প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার খবর আসতে শুরু করে। বেলা যতই গড়িয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন। ওয়াইএসআর কংগ্রেস সূত্রের খবর যে সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের উপরে তাঁরা ভরসা করেছিলেন তা ভোট বাক্সে পরিণত করা সম্ভব হয়নি।

    আরও পড়ুন: পদ্মময় জগন্নাথের রাজ্য, ভেঙে চুরমার নবীনের স্বপ্ন?

    মনে করা হচ্ছে টিডিপি প্রধানের গ্রেফতারি, উন্নয়নের ধীরগতি, রাজ্যে বিনিয়োগ না আসা এবং প্রার্থী বাছাইয়ের গণ্ডগোলের ভরাডুবি হয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের। তাঁর দল যে সমস্যায় পড়তে পারে তা আঁচ করতে পেরেছিলেন জগন রেড্ডি। একাধিক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী বদল করেছিলেন বটে, তবে মানুষের ক্ষোভ তিনি সামলাতে পারেননি। বেকারত্বের মত ইস্যুতে নজর না দিয়ে স্রেফ সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উপরে জোর দিতে গিয়ে ভরাডুবি হয়েছে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে টিডিপি (TDP), বিজেপি (BJP) ও জনসেনা (Janasena Party) পার্টি জোট করায় সরকার বিরোধী ভোট পড়েছে এক জায়গায়। যার সুফল পেয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandra Babu Naidu) ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share