Tag: Rajya Sabha

Rajya Sabha

  • Mallikarjun Kharge: “আব কি বার ৪০০ পার…”! খাড়্গের মুখে বিজেপির স্লোগান শুনে কী করলেন মোদি?

    Mallikarjun Kharge: “আব কি বার ৪০০ পার…”! খাড়্গের মুখে বিজেপির স্লোগান শুনে কী করলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আব কি বার ৪০০ পার হো রহা।” বিজেপির এই স্লোগানই শোনা গেল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) গলায়। যা শুনে হাসির রোল ওঠে রাজ্যসভায়। বিজেপিকে আক্রমণ করতে গিয়ে খাড়্গের এহেন বেফাঁস মন্তব্যের জেরে বিব্রত কংগ্রেসের পাশাপাশি ইন্ডি জোটের সাংসদরাও।

    বিজেপির স্লোগান!

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের চেয়েও বেশি কেন্দ্রে জিতে এবার দিল্লির তখতে ফিরতে চাইছে বিজেপি। মাস দুয়েক আগে দিল্লিতে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “এবার চারশোর বেশি আসন নিয়ে কেন্দ্রে ফিরতে হবে।” এর পরেই বিজেপির তরফে স্লোগান বাঁধা হয়, “আব কি বার ৪০০ পার”। বিজেপিকে খোঁচা দিতে গিয়ে পদ্ম শিবিরের সেই স্লোগানকে হাতিয়ার করতে গিয়ে দলকেই অস্বস্তিতে ফেললেন খাড়্গে।

    বেফাঁস খাড়্গে

    রাজ্যসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “আপনাদের এত প্রতিনিধি, আগে ৩০০-৩৩৪ ছিল, এখন তো ৪০০ পার হয়ে যাবে।” তিনি বলেন, “তাদের (বিজেপিকে) প্রথম স্থান নিতে দিন। যাঁরা এখানে উপস্থিত রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কৃপা রয়েছে।” খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) এহেন মন্তব্যে হাসির রোল ওঠে সংসদে। হেসে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। হাসতে থাকেন ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরা। হেসে ফেলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ও।

    আরও পড়ুুন: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    পীযূষ গয়াল বলেন, “আজ, খাড়্গেজি অবশেষে সত্যি কথাটা বললেন। ধনখড়ও বলেন, আমার মনে হয়, বিরোধী নেতার আগে কখনও এত প্রশংসা করা হয়নি। এটা একটা রেকর্ড। আপনার (মল্লিকার্জুন খাড়্গে) বক্তব্যের প্রশংসা করছে সবাই।” অপ্রস্তুত অবস্থা কাটাতে খাড়্গে বলেন, “আমি জানি কেন প্রশংসা করা হচ্ছে। ওরা (বিজেপি) নিজের ঢাক নিজেই বাজাচ্ছে, বলছে যে বিজেপি ৪০০ থেকে ৫০০ আসনে জয়ী হবে। বিজেপি ১০০ আসনও পার করবে না। ইন্ডি-জোট যথেষ্ট শক্তিশালী।”

    খাড়্গের বেফাঁস মন্তব্যকে হাতিয়ার করার সুযোগ হাতছাড়া করেনি বিজেপি। বক্তব্যটি (Mallikarjun Kharge) পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদি ভাবছেন— আমার নতুন নিন্দুকের প্রয়োজন, পুরানোরা আমার ফ্যান হয়ে গিয়েছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 141 MPs Suspended: সংসদের চেম্বার, লবি-গ্যালারিতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ সাসপেন্ডেড সাংসদদের, জারি নির্দেশিকা

    141 MPs Suspended: সংসদের চেম্বার, লবি-গ্যালারিতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ সাসপেন্ডেড সাংসদদের, জারি নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংসদীয় আচরণের জন্য লোকসভা ও রাজ্যসভা— সংসদের (Parliament of India) দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট ১৪১ জন সাংসদকে সাসেপেন্ড (141 MPs Suspended) করা হয়েছে। এবার সাসপেন্ডেড সাংসদদের ওপর বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো। 

    কী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলো

    সোমবার ও মঙ্গলবার মিলিয়ে লোকসভা থেকে ৯৫ জন ও রাজ্যসভা থেকে ৪৬ জন বিরোধী সাংসদ সাসপেন্ড হয়েছেন। সাসপেন্ড (141 MPs Suspended) হওয়া সাংসদরা সংসদ ভবন (Parliament of India) চত্বরে মঙ্গলবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এর পরই লোকসভার সচিবালয়ের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে সাসপেন্ড হওয়া সাংসদদের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সচিবালয়ের প্রকাশ করা সার্কুলারে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে ১৪১ সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তারা শুধু লোকসভা ও রাজ্যসভার কক্ষেই নন, সংসদের চেম্বার, লবি ও গ্যালারিতেও ঢুকতে পারবেন না।

    আচরণ-বিধিভঙ্গ সাংসদদের

    সংসদে বিরোধীদের হই-হট্টগোল প্রসঙ্গে মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৩ ডিসেম্বর যে ঘটনা ঘটেছে, সব জায়গায় যে ঘটনার দ্ব্যর্থহীনভাবে বিরোধিতা করা হচ্ছে, এটা সমবেতভাবে বিরোধীদের একটা ‘পলিটিকাল স্পিন’। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী মঙ্গলবার বলেন, নতুন সংসদ ভবনে (Parliament of India) কেউ প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু, বিরোধীরা তা ভঙ্গ করেছেন। যে কারণে, সংসদকে পদক্ষেপ করতে হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ যথাযথ পদক্ষেপ। সাংসদরা লোকসভার স্পিকার, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ও সংসদকে অপমান করেছে। সেই কারণেই তাদের সাসপেন্ড (141 MPs Suspended) করা হয়েছে।

    গত ১৩ ডিসেম্বর, সংসদে হামলার ২৩ বছর পূর্তির দিনই সংসদে স্মোক বম্ব নিয়ে হামলা চালায় দুই যুবক। ওই হামলা নিয়ে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে বিবৃতির দাবিও করা হয়। তাদের দাবি না মেটায়, সংসদে ধুন্ধুমার বাঁধাতে শুরু করেন বিরোধীরা। যার জেরে, দফায় দফায় মোট ১৪১ জনকে সাসপেন্ড করা হয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha: অভব্য-অসংসদীয় আচরণের বিরুদ্ধ কড়া মোদি সরকার, ২ দিনে সাসপেন্ড ১১৬ সাংসদ

    Lok Sabha: অভব্য-অসংসদীয় আচরণের বিরুদ্ধ কড়া মোদি সরকার, ২ দিনে সাসপেন্ড ১১৬ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারও লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল ৪৯ জন সাংসদকে (Lok Sabha)। গত ২ দিনে লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে মোট সাসপেন্ড সংখ্যা দাঁড়াল ১১৬। ইস্যুহীন বিরোধীরা সংসদের কাজ ভেস্তে দিতে যে ধরনের অভব্য আচরণ শুরু করেছে তা যে কোনওভাবে বরদাস্ত করা হবে না, ১০০-এর ওপর সাংসদকে সাসপেন্ড করে সেই বার্তাই পৌঁছে দিল মোদি সরকার। সম্প্রতি ৩ রাজ্যে বিজেপির কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে বিরোধীরা। তাই হতাশার জায়গা থেকেই বিরোধীরা এধরনের আচরণ করছে, এমন কথাই উঠে এল সংসদ বিষয়ক (Lok Sabha) মন্ত্রীর ভাষণে।

    প্রহ্লাদ জোশির বিবৃতি

    এদিন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি বলেন, ‘‘এটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে প্ল্যাকার্ড হাতে সংসদে বিক্ষোভ দেখানো যাবেনা, তা সত্ত্বেও বিরোধীরা সেই কাজ করল।’’

    সংসদের ঐতিহ্য ও গরিমা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তাই এমন সিদ্ধান্ত

    বিরোধী সাংসদের সাসপেন্ডের প্রস্তাব এদিন পেশ করেন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল। ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে সেই প্রস্তাব পাশ (Lok Sabha) হয়। ফারুক আবদুল্লা, মণীশ তেওয়ারি, ডিম্পল যাদব, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কার্তী চিদম্বরম সমেত ৪৯ জনকে এদিন সাসপেন্ড করা হয়। সংসদের ঐতিহ্য, গরিমা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে কারণেই বাধ্য হয়ে মোদি সরকারকে এই পদক্ষেপ (Lok Sabha) গ্রহণ করতে হল বলে মনে করছে কোনও কোনও মহল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CEC ECS Bill: রাজ্যসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল

    CEC ECS Bill: রাজ্যসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিল (CEC ECS Bill)। মঙ্গলবার বিলটি পেশ হয়েছিল রাজ্যসভায়। সেখানেই পাশ হয় বিলটি। মার্চ মাসেই নির্বাচন কমিশন গঠনে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশে বলা হয়েছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সহ অন্য কমিশনার নিয়োগের দায়িত্বে থাকা কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতার সঙ্গে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিও।

    ধ্বনিভোটে পাশ বিল

    ওই কমিটি থেকে প্রধান বিচারপতির নাম বাদ দিতে অগাস্টেই বিল এনেছিল সরকার। সেই বিলেই কিছু সংশোধন করে এদিনই তা পেশ করা হয় সংসদে। ১৯৯১ সালের আইন অনুযায়ী এতদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের (CEC ECS Bill) নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও ধারা ছিল না। সেই আইন বদল করতেই পেশ করা হয় নয়া বিল। এদিন যা ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল সংসদের উচ্চকক্ষে।

    সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ পদে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। মামলার নিষ্পত্তি ঘটাতে গঠিত হয়েছিল বিচারপতি অজয় রাস্তোগী, কেএম জোসেফ, অনিরুদ্ধ বোস, সিটি রবিকুমার এবং হৃষিকেশ রায় – এই পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। সংবিধানের ৩২৪ নম্বর ধারার অধীনে এই বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা অনিবার্য প্রয়োজনীয়তা বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। বেঞ্চ জানায়, “গণতন্ত্র জনগণের ক্ষমতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত… গণতন্ত্র সাধারণ মানুষের হাতে শান্তিপূর্ণ বিপ্লবকে সহজতর করে তুলবে। তবে সেজন্য নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হতে হবে। কোনও দুর্বল নির্বাচন কমিশন তাদের আসল দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। ক্ষমতা দখলই অনেক সময় রাজনৈতিক দলগুলির মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু গণতন্ত্রে সরকারের কার্যক্রম ন্যায়পরায়ণ হওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুুন: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাত সকালেই আয়কর হানা

    এদিন সরকারের তরফে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তিনি বলেন, “আগের আইনে কিছু দুর্বলতা ছিল। তাই তা বদলে নয়া আইনের প্রয়োজন ছিল। যে কেউই ভারতের নির্বাচন কমিশনার (CEC ECS Bill) হতে পারেন। কিন্তু সেই পদে বসার জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Derek O’Brien: ধনখড়ের সঙ্গে তুমুল বিতণ্ডা, বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক

    Derek O’Brien: ধনখড়ের সঙ্গে তুমুল বিতণ্ডা, বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমের পর ফের মঙ্গলবার। এবারও অসংসদীয় আচরণের অভিযোগের আঙুল উঠল রাজ্যসভার সাংসদ তৃণমূলের (TMC) ডেরেক ও’ব্রায়েনের (Derek O’Brien) দিকে। তার জেরে সংসদের বাদল অধিবশনের বাকি দিনগুলির জন্য সাসপেন্ড করা হল এই তৃণমূল নেতাকে।

    ডেরেক ধনখড় তর্কাতর্কি

    সোমবার দিল্লি অর্ডিন্যান্স নিয়ে বিতর্ক চলছিল রাজ্যসভায়। বিলের বিরোধিতায় বক্তব্য রাখছিলেন তৃণমূলের ডেরেক (Derek O’Brien)। বিল নিয়ে বলতে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অন্যান্য অভিযোগও তোলেন তিনি। উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় তাঁকে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে অনুরোধ করেন। অন্য সদস্যদের বলতে সুযোগ দেওয়ার জন্য যে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করা প্রয়োজন, তাও মনে করিয়ে দেন ধনখড়। সেসব কথায় কান না দিয়ে বক্তব্য চালিয়ে যেতে থাকেন তৃণমূল নেতা। এনিয়েই এদিন ব্যাপক তর্কাতর্কি হয় ডেরেকের সঙ্গে ধনখড়ের।

    ফের শুরু হট্টগোল

    মঙ্গলবার অধিবেশন শুরু হওয়ার পরেই রাজ্যসভায় শুরু হয় হট্টগোল। সাংসদ কংগ্রেসের রাজীব শুক্লা বলেন, “ভারতকে ডিজিটাল করার চেষ্টা চলছে, আর গতকাল (সোমবার) সংসদে ভোটাভুটি করা হয়নি।” ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা বিকল হওয়ায় সমস্যা হয়। তার জেরে এদিন রাজীব বলেন, “চেয়ারম্যান যেন দোষীদের তিরস্কার করে দেন।” তখনই ধনখড় বলেন, “যদি কোনও ভুল হয়, আমি তা শুধরে নিই। আগের দিনই ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien) দুটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি সঠিক ছিলেন। তাই আমি নিজে সেই বদল করেছিলাম।“

    এরপর মণিপুর নিয়ে হট্টগোল জুড়ে দেন বিরোধীরা। ধনখড় তাঁদের বলেন ইতিমধ্যেই এনিয়ে রাজ্যসভায় বক্তব্য পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তখনই ‘পয়েন্ট অফ অর্ডার’ ডেকে ওঠেন ডেরেক (Derek O’Brien)। এবং নিজের বক্তব্য পেশ করতে শুরু করেন। তৃণমূল সাংসদ বলেন, “আমরা মণিপুর ইস্যুতে আলোচনা চাই। তবে সরকার পক্ষ যেভাবে এই আলোচনা চাইছে, আমরা তা চাই না।” ধনখড় তাঁকে বসিয়ে দিয়ে ‘পয়েন্ট অফ অর্ডারে’র নিয়মাবলীর ক্রমতালিকা জিজ্ঞেস করেন। ডেরেক বলেন, “৯২ পাতার ২৬৭ নম্বর নিয়ম।”

    আরও পড়ুুন: মোদির মুখে ‘কুইট ইন্ডিয়া’! জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসের মঞ্চে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    এর পরে ফের শুরু হয় তীব্র হট্টগোল। চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়েন ধনখড়। তখনই রাজ্যসভার নেতা পীযূষ গোয়াল ডেরেকের সাসপেনশনের প্রস্তাব দেন। তার পরেই সাসপেন্ড করা হয় ডেরেককে (Derek O’Brien)। অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণা করে বেরিয়ে যান চেয়ারম্যান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Delhi Ordinance Bill 2023: লোকসভার চৌকাঠ পেরিয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল, পেশ করবেন শাহ?  

    Delhi Ordinance Bill 2023: লোকসভার চৌকাঠ পেরিয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল, পেশ করবেন শাহ?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার হার্ডল পেরিয়েছে। এবার পার হতে হবে রাজ্যসভার চৌকাঠ। তারপর রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল ২০২৩ (Delhi Ordinance Bill 2023) যাবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেই বিলটি পরিণত হবে আইনে। সূত্রের খবর, ৭ অগাস্ট, সোমবার রাজ্যসভায় বিলটি পেশ করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    লোকসভায় হট্টগোল

    দিন দুয়েক আগেই লোকসভায় ধ্বনি ভোট পাশ হয়েছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল ২০২৩ (Delhi Ordinance Bill 2023)। বিলের বিরোধিতা করেন আম আদমি পার্টি সহ বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সাংসদরা। লোকসভা থেকে ওয়াক আউটও করেন তাঁরা। চেয়ারের দিকে কাগজ ছুড়ে মারার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয় আপ সাংসদ সুশীল কুমার রিঙ্কুকে। বিলটি নিয়ে আলোচনার সময় অমিত শাহ নিশানা করেন বিরোধীদের। তিনি বলেন, “২০১৫ সালে একটি দল ক্ষমতায় এসেছিল, যাদের উদ্দেশ্য ছিল লড়াই করা, সেবা করা নয়।” তিনি বলেন, “ট্রান্সফার পোস্টিং করানোর অধিকার না পাওয়াটা সমস্যা নয়, বরং বাংলো নির্মাণের সময়ের দুর্নীতি লুকোতে ভিজিলেন্স ডিপার্টমেন্টের ওপর নিয়ন্ত্রণ বড় সমস্যা।”

    বিরোধীদের নিশানা শাহের

    তিনি (Delhi Ordinance Bill 2023) বলেন, “কেজরিওয়ালের আমলে দিল্লির আমলা নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যা দেখা গিয়েছে। এদিকে, দিল্লির আইন প্রণয়নের অধিকার রয়েছে কেন্দ্রের। সেই জায়গা থেকেই এই বিল পাশ হয়েছে।” শাহ বলেন, “বিরোধীদের বলতে চাই, শুধু মাত্র জোটে রয়েছেন বলে এই কোটি টাকা ব্যয়ের বাংলো সংস্কারকে সমর্থন করবেন না। কারণ আপনাদের জোট থাকলেও নরেন্দ্র মোদি জিতবেন।” শাহ বলেন, “এই কারণেই নেহরু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, বিআর আম্বেদকর সহ একাধিক নেতা চেয়েছিলেন, দিল্লি যেন পৃথক রাজ্যের মর্যাদা না পায়।” বিরোধীদের ব্যাপক হট্টগোলের মধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে বিলটি পাশ হয়ে গিয়েছে লোকসভায়। এবার বিলটি পেশ হবে রাজ্যসভায়।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের ধর্নাকে ‘চোরেদের ধর্না’ বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    জানা গিয়েছে, সোমবার বিল পেশ হওয়ার পর হবে আলোচনা। তারপর এদিন সন্ধ্যায়ই ভোটাভুটি (Delhi Ordinance Bill 2023) হতে পারে। এদিন বিরোধীদের হয়ে মুখ খুলতে পারেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি। সুপ্রিম কোর্টেও বিলটি নিয়ে আপের হয়ে সওয়াল করেছেন তিনিই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha: “নাটক করা আপনাদের অভ্যাস”, তৃণমূলের ডেরেককে বললেন ধনখড়

    Rajya Sabha: “নাটক করা আপনাদের অভ্যাস”, তৃণমূলের ডেরেককে বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে শুক্রবারও মুলতুবি হয়ে গেল রাজ্যসভার (Rajya Sabha) অধিবেশন। শোরগোলের জেরে মুলতুবি হয়ে গিয়েছে লোকসভাও। এই দাবিতে এনিয়ে টানা ষষ্ঠ দিন মুলতুবি হয়ে গেল সংসদের বাদল অধিবেশন। এই হট্টগোলের আবহেই লোকসভায় খনি ও খনিজ সম্পদ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল পাশ করিয়ে নিল সরকার।

    ধ্বনি ভোটে পাশ বিল

    খনি বিল পাশ হয় ধ্বনি ভোটে। ২০১৫ সাল থেকে এই বিলের একাধিক ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন বিরোধীরা। খনি বিলের পাশাপাশি এদিন লোকসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হয়েছে আরও দুটি বিল। একটি হল জাতীয় নার্সিং কমিশন বিল, অন্যটি জাতীয় ডেন্টাল কমিশন বিল। এদিন মুলতুবি হওয়ার আগে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার (Rajya Sabha) চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় ও সাংসদ তৃণমূলের ডেরেক ও’ ব্রায়েন। ডেরেকের উদ্দেশে ধনখড়কে বলতে শোনা যায়, “নাটক করা আপনাদের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে।” তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, “আমাকে এত বোঝানোর কোনও প্রয়োজন নেই।”

    হট্টগোলের সূত্রপাত 

    প্রসঙ্গত, মণিপুরে দুই তরুণীকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। তার পরেই মণিপুরের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল। বাদল অধিবেশনের শুরুতেই ২৬৭ ধারায় মণিপুরের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার দাবিতে নোটিশ দিয়েছিল (Rajya Sabha) কংগ্রেস সহ বিভিন্ন বিরোধী দল। তবে তাতে রাজি হয়নি মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ২৬৭ ধারার পরিবর্তে আলোচনা চান ১৭৬ ধারায়।

    আরও পড়ুুন: আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বিজেপির তিন সহ ৪ জয়ী প্রার্থীকে অপহরণ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    এদিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ধনখড়ও জানিয়েছিলেন মণিপুর নিয়ে আলোচনা হতে কোনও আপত্তি নেই। তবে কোন ধারায় আলোচনা হবে, তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি। এ থেকেই শুরু বিতণ্ডার। এদিনও  নাগাড়ে ডেস্ক চাপড়াতে দেখা যায় তৃণমূলের ডেরেককে। তখনই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বলেন, ডেস্ক চাপড়ানো বন্ধ করুন। চেয়ারকে সম্মান করুন। তার পরেও ডেরেককে দমানো যায়নি। এমতাবস্থায় এদিনের মতো মুলতুবি করে দেওয়া হয় রাজ্যসভার (Rajya Sabha) অধিবেশন। শনি ও রবিবার বন্ধ থাকায় সংসদের অধিবেশন ফের হবে ৩১ জুলাই, সোমবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: ২৬৭ না ১৭৬! মণিপুর নিয়ে আলোচনা হবে কোন ধারায়? 

    Manipur Violence: ২৬৭ না ১৭৬! মণিপুর নিয়ে আলোচনা হবে কোন ধারায়? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদল অধিবেশনের (Monsoon Session of Parliament) দ্বিতীয় দিনও মণিপুর প্রসঙ্গ নিয়ে লাগাতার বিক্ষোভ দেখালেন বিরোধী সাংসদরা। ২৬৭ না কি ১৭৬? কোন ধারায় মণিপুর হিংসা (Manipur Violence) নিয়ে আলোচনা হবে, তা নিয়ে তরজা শুরু হয় বিরোধী এবং সরকারপক্ষের। আর সেই হট্টগোলের জেরে আবার মুলতুবি হয়ে গেল অধিবেশন।

    কোন ধারায় আলোচনা

    ২৬৭ ধারায় লোকসভা এবং রাজ্যসভায় সব কর্মসূচি বন্ধ রেখে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ‘ঘটনা’-সহ মণিপুরের (Manipur Violence) সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার দাবিতে নোটিস দিয়েছিল কংগ্রেস-সহ কয়েকটি বিরোধী দল। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি সরকার। কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ২৬৭ ধারার পরিবর্তে ১৭৬ ধারায় আলোচনা চেয়েছেন। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ১৭৬ ধারায় কেবলমাত্র তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ‘স্বল্পকালীন আলোচনা’ হয় সংসদে। এতে সংসদের সাধারণ কার্যকলাপ বন্ধ রাখারও প্রয়োজন হয় না। লোকসভার স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ২৬৭ ধারায় আলোচনার দাবিতে সায় না দেওয়ায় বিরোধী সাংসদেরা প্রতিবাদ শুরু করেন। 

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মতামত

    এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, “মণিপুরের পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। মণিপুরের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে মণিপুরের ঘটনা গোটা দেশকে লজ্জিত করেছে। আমি সর্বদলীয় বৈঠকেও বলেছিলাম, এখনও বলছি আমরা চাই মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে আলোচনা হোক। কিন্তু বিরোধীরা মণিপুর নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। বেশ কিছু বিরোধী দল ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদে অশান্তি করছেন যাতে আলোচনা না হতে পারে। আমি অভিযোগ জানিয়েই বলছি, মণিপুরের পরিস্থিতিকে যতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত, বিরোধীরা তা করছে না।”

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারে জনপ্রিয়তার নিরিখে বাইডেন-সুনককে পিছনে ফেললেন মোদি

    বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “দেশের মানুষ আশা নিয়ে সংসদের অধিবেশন (Monsoon Session of Parliament) দেখতে বসেন, অথচ বিরোধীরা অধিবেশন চালাতে দেন না, আলোচনায় অংশ নেন না। তখন এঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।” বিরোধীদের সরকারের প্রকৃত চেহারা প্রকাশ্যে চলে আসবে বলেই তাঁরা আলোচনা থেকে পালাতে চান বলেও কটাক্ষ করেছেন অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, “আমরা সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল, আলোচনায় অংশ নিতে চাই। আর বিরোধীরা দায়িত্ব থেকে পালাতে চায় এবং আলোচনা থেকেও পালাতে চায়।” এভাবে দিনের পর দিন সংসদ অচল থাকলে দেশের ক্ষতি বলে মনে করে সরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ananta Maharaj: মনোনয়ন প্রত্যাহার রথীন্দ্রর, রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির অনন্ত, শংসাপত্র সোমে

    Ananta Maharaj: মনোনয়ন প্রত্যাহার রথীন্দ্রর, রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির অনন্ত, শংসাপত্র সোমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনে ডামি প্রার্থী দিয়েছিল বিজেপি (BJP)। ১৭ জুলাই ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। তার দুদিন আগেই মনোনয়নপত্র (Ananta Maharaj) প্রত্যাহার করে নিলেন ডামি প্রার্থী উত্তরবঙ্গের ভূমিপুত্র রথীন্দ্র বসু। তিনি বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতিও। শনিবার বিধানসভায় এসে সহ-সচিবের কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন তিনি। যেহেতু রাজ্যসভায় বাংলার ৬টি আসনেই কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই, তাই আর নির্বাচন হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সোমবার ওই ৬ প্রার্থীকেই জয়ের শংসাপত্র দেওয়া হবে। ওই দিনই জয়ের শংসাপত্র দেওয়া হবে উপনির্বাচনে মনোনীত এক প্রার্থীকেও। রথীন্দ্র মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় বাংলা থেকে এই প্রথমবার বিজেপির কোনও সদস্য যাচ্ছেন রাজ্যসভায়।

    মনোনয়ন প্রত্যাহার রথীন্দ্রর

    কৌশলগত কারণেই যে অনন্ত মহারাজের (Ananta Maharaj) পাশাপাশি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন রথীন্দ্রও, তা আগেই জানিয়েছিল বিজেপি। এদিন রথীন্দ্র মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার পর নাটাবাড়ির বিধায়ক বিজেপির মিহির গোস্বামী বলেন, দল একটা অতিরিক্ত প্রার্থী দিয়ে রেখেছিল। এই ধরনের প্রার্থী সাধারণত নির্বাচনে দেওয়া হয়ে থাকে। প্রার্থী নিয়ে শেষ পর্যন্ত কোনও সমস্যা হলে, যাতে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা যায়, তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল।

    গর্বিত বিজেপি

    মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন আমাদের ডামি প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আর নির্বাচনের সুযোগ রইল না। তিনি বলেন, অনন্ত মহারাজ কোচবিহারের বাসিন্দা। তিনি উত্তরবঙ্গে বহু সমাজিক সংস্কারের কাজ করেছেন। তাই তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে বিজেপি রাজ্যসভার মনোনয়ন দেওয়ায় আমরা গর্বিত। প্রার্থী হিসেবে উত্তরবঙ্গের ভূমিপুত্র অনন্তর (Ananta Maharaj) নাম ঘোষণার পরে পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, আমরা বাংলা ভাগের পক্ষে নই। কিন্তু উত্তরবঙ্গের মানুষের সঙ্গে টানা বঞ্চনা করে চলেছে সরকার। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি গোটা রাজ্যের মানুষের স্বার্থেই সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়ে অনন্ত মহারাজ কাজ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

    আরও পড়ুুন: ভারতের পতাকা ভেসে উঠল বুর্জ খলিফায়, লেখা হল, ‘স্বাগতম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি’

    প্রসঙ্গত, গোয়া, গুজরাট এবং বাংলা সহ রাজ্যসভার মোট ১০টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই ৬টি আসন। প্রতিটি আসনেই একজন করে প্রার্থী থাকায় হচ্ছে না ভোটাভুটি। সোমবার যাঁদের জয়ী বলে ঘোষণা করা হবে, তাঁরা হলেন, তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক-ও-ব্রায়েন, উপ-দলনেতা সুখেন্দুশেখর রায়, শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী দোলা সেন, অধ্যাপক সামিরুল ইসলাম এবং তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি প্রকাশ বরাইক। বিজেপির তরফে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন অনন্ত মহারাজ। একটি আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। ওই আসনে জয়ী হতে চলেছেন দিল্লির বাসিন্দা তৃণমূলের সাকেত গোখলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share