Tag: Rajya Sabha

Rajya Sabha

  • India Defence Export: প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি! রাজ্যসভায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    India Defence Export: প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি! রাজ্যসভায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে বিজেপি সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে নানান প্রসঙ্গ তুলছেন বিরোধীরা। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) দেড় ঘন্টার ভাষণের মধ্যেও স্লোগানের ঝড় তোলে বিরোধী পক্ষ। পুরো ঘটনায় বেজায় চটেছেন নমোও। বিপক্ষকে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গরীব মানুষের রুটি-রুজির জন্য কাজ করেছি আমরা।’ বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় সরকারের মেয়াদের নয় বছরে যে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রতিরক্ষায় স্বনির্ভর

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিভিন্ন সেক্টরে ‘আত্মনির্ভরতা’র উপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের রফতানি এখন ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।” প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে সরকার এই সেক্টরে খুব ভাল কাজ করেছে। সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তার সরকারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সবুজ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়ছে। 

    কর্মসংস্থানের সুযোগ

    প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “গত নয় বছরে, অর্থনীতির প্রসারের সাথে, নতুন খাতে নতুন সুযোগ এসেছে। দেশ যেভাবে সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে সবুজ চাকরির সম্ভাবনা বাড়ছে। ডিজিটাল ইন্ডিয়া পরিষেবা ক্ষেত্রে এক নতুন উচ্চতায়। ৯০,০০০ নিবন্ধিত স্টার্টআপগুলিও কর্মসংস্থানের জন্য নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত যোজনা থেকে ৬০ লক্ষেরও বেশি নতুন কর্মচারী উপকৃত হয়েছেন। আমরা এই যোজনার মাধ্যমে বিভিন্ন সেক্টর খুলেছি।”

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি টাকা ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী ভাষণ শুরু করতেই বিরোধীদের স্লোগান শুরু হয়। হট্টগোলের মধ্যেই নিজের বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সংসদে কিছু মানুষের ব্যবহার দেশের মানুষের কাছে হতাশাজনক। যতই আমাকে কাদা ছোঁড়া হবে পদ্ম ততই প্রস্ফুটিত হবে’। এরপরই কংগ্রেসকে নিশানা করে নমো বলেন, ‘আমাদের বিরোধীরা বলেছেন বুনিয়াদ তাঁরা তৈরি করেছেন। কংগ্রেস বলছে ৬০ বছর ধরে তাঁরা দেশের বুনিয়াদ তৈরি করেছে। কিন্তু ২০১৪-এ এসে আমরা দেখলাম শুধু বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sushil Modi: ‘২০০০ টাকার নোট কালো টাকার সমান’, বাতিল করার পরামর্শ সুশীল মোদির

    Sushil Modi: ‘২০০০ টাকার নোট কালো টাকার সমান’, বাতিল করার পরামর্শ সুশীল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০০ টাকার নোট সন্ত্রাসবাদ এবং মাদকপাচারের মতো ঘৃণ্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যসভায় এমনটাই বললেন বিজেপি সাংসদ সুশীল মোদি (Sushil Modi)। তিন বছর আগেই ২০০০ হাজার টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। বিজেপি সাংসদের দাবি , ২০০০ হাজার টাকার নোট জমিয়ে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদে মদত ও মাদকপাচারের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই টাকা কালো টাকার সমান।

    আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীর পড়ুয়া-নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি, অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর   

    কেন এমন মন্তব্য করলেন সাংসদ?

    রাজ্যসভায় বিজেপি সাংসদ (Sushil Modi) বলেন, “২০১৬ সালে বাতিল হওয়া ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটের বিকল্প হিসেবে ২ হাজার টাকার নোট নিয়ে এসেছিল আরবিআই। কিন্তু বেশ কিছু কারণে গত তিন বছর ধরে এই নোটের মুদ্রণ বন্ধ রয়েছে। ফলে ২ হাজার টাকার নোটের কালোবাজারি বাড়ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমজনতার কষ্টের উপার্জনের টাকা যাতে পুরোপুরি রূপান্তরিত করা যেতে পারে, সে জন্য তাঁদের আরও সময় দেওয়া দরকার। অন্য দেশের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বহু আধুনিক দেশেই ছোট অঙ্কের নোট চালু রয়েছে। আমেরিকায় যেমন সর্বোচ্চ অঙ্কের নোট ১০০ ডলার, চিনের সর্বোচ্চ অঙ্কের নোট ১০০ ইউয়ান, কানাডায় ১০০ ক্যাড, ইউরোর ক্ষেত্রে ২০০ ইউরো। মাদক পাচার, আর্থিক নয়ছয়, সন্ত্রাসবাদে মদত এবং করফাঁকির মতো বেআইনি কার্যকলাপ আটকাতে ইইউ ২০১৮ সালে ৫০০ ইউরোর নোট বাতিল করে। ২০১০ সালে রাস্তায় হেঁটে ১০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলারের নোট বাতিল করে সিঙ্গাপুর।”

    সুশীল মোদির (Sushil Modi) বক্তব্য, যেহেতু ভারত এখন ডিজিটাল লেনদেনের হাব হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তাই এখানে ২০০০ টাকার নোটের প্রয়োজন কম। ২০১৬ সালে কালো টাকা, দুর্নীতি এবং জালনোট রোধে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে গোটা দেশে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিরোধী শিবির থেকে অর্থনীতিবিদ, নানা মহলের বিপুল সমালোচনার মুখে পড়ে সেই পদক্ষেপ। কিন্তু স্বয়ং দলীয় সাংসদের বক্তব্যে ২ হাজার টাকার নোট নিয়ে সংশয় তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই অস্বস্তিতে বিজেপি।   

    কোনও আগাম সূচনা ছাড়াই ২০১৬-র ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মধ্যরাত থেকে ৫০০ ও ১০০০ টাকার পুরনো নোট বন্ধ হচ্ছে। এরপর ৫০০ ও ১০০০ টাকা দিয়ে কোনও লেনদেন করা যাবে না, ঘোষণা করেন তিনি। সঙ্গে জানান, বদলে বাজারে শীঘ্রই আসতে চলেছে ৫০০ ও ২০০০ টাকার নতুন নোট। তাঁর যুক্তি ছিল, কালো টাকা, দুর্নীতি এবং জালনোট রোধে এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু যাঁদের কাছে পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট রয়েছে, তাঁরা কী করবেন? উপায়ও বাতলে দিয়েছিলেন মোদি। জানিয়েছিলেন, ওই বছরের ১০ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরনো নোট ব্যাঙ্কে জমা করা যাবে। কেন্দ্রের এই আচমকা সিদ্ধান্তের বিপুল সমালোচনা শুরু করে বিরোধী শিবির। পথে নামার হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার রিজার্ভ ব্যাঙ্কেও যান তিনি। ছ’বছর পরও সমালোচনার কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে ৭ ডিসেম্বর, বুধবার। চলবে এ মাসেরই ২৯ তারিখ পর্যন্ত। শুক্রবার তৃতীয় দিনে রাজ্যসভায় পেশ হয় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল ২০২০। এটি একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল। (NJC Bill) বিলটি পেশ করেন বিজেপির রাজস্থানের সাংসদ। এদিন রাজ্যসভায় একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল পেশ করেন সাংসদ সিপিএমের (CPM) বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যও (Bikash Ranjan Bhattacharya)।

    বিলের বক্তব্য…

    সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টগুলির বিচারপতিদের নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করতেই আনা হয়েছে বিলটি (NJC Bill)। বিলটিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন গঠনের। এই কমিশনই রেকমেন্ড করবেন কে হবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, কারা হবেন বিচারপতি, হাইকোর্টের বিচারপতিই বা কারা হবেন। এদিন ধ্বনিভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর পেশ করা হয় ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (national judicial commission bill) ২০২২। প্রস্তাবিত আইনটির উদ্দেশ্য হল, একটি জুডিশিয়াল স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করা। বিচারকদের দায়িত্ব দেওয়া। একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সমীচিন মেকানিজম তৈরি করা যাতে করে সুপ্রিম কোর্ট কিংবা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে যদি অসদাচরণ অথবা অদক্ষতার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তদন্তের কাঠামো তৈরি করা। কোনও বিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদের আলোচনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরার বিষয়টিও প্রস্তাব করা হয়েছে ওই বিলে।

    আরও পড়ুন: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    সিপিএম সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের (Bikash Ranjan Bhattacharya) ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (NJC Bill) ২০২২ এর বিরোধিতা করেন আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা। তাঁর যুক্তি, ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশনের যে ধারণা, সেই বিষয়টি তিনবার বিবেচনা করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতিদের স্বাধীনতায় গুরুত্ব দিয়ে তিনবারই সেটি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চাড্ডা বলেন, আমরা এমন একটা কাজ করার চেষ্টা করছি, যা সাংবিধানিকভাবে অসম্ভব। আম আদমি পার্টির সাংসদ বলেন, আমার মতে বর্তমানে বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যে কলেজিয়াম প্রথা রয়েছে, তা ভালভাবেই চলছে। এই প্রথায় কিছু ইমপ্রুভমেন্ট করার সুযোগও থাকতে পারে। যা বিচারব্যবস্থার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে করা যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশ রাজ্যসভায়, বিরোধীদের আপত্তি খারিজ ধ্বনিভোটে

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশ রাজ্যসভায়, বিরোধীদের আপত্তি খারিজ ধ্বনিভোটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) বিল ২০২০ পেশ করা নিয়ে হইচই রাজ্যসভায় (Rajya Sabha)। বুধবার শুরু হয়েছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এই অধিবেশনের তৃতীয় দিনে রাজ্যসভায় বিলটি পেশ করেন রাজস্থানের সাংসদ বিজেপির (BJP) কিরোডি লাল মিনা। তার পরেই রাজ্যসভায় শুরু হয়ে যায় বিশৃঙ্খলা।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি…

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) হল দেশের সব নাগরিকের জন্য এক আইন। দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে। উত্তরাধিকার, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং সন্তান দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রেও দেশের সব নাগরিককেই একই আইন মেনে চলতে হবে। ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে এর উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে উদ্যোগ নিতে হবে রাষ্ট্রকে। বিলটি পেশের পরেই হইচই শুরু করে দেন বিরোধীরা। বিলের বিরোধিতায় তিনটি প্রস্তাবও উত্থাপন করা হয়। সেই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে তা দেশের অখণ্ডতাকে বিঘ্নিত করবে এবং দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকেও আঘাত করবে।

    জানা গিয়েছে, প্রাইভেট মেম্বার বিল হিসেবে বিলটি পেশ করতেই হইচই জুড়ে দেয় কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম, সিপিআইয়ের মতো দলের সাংসদরা। তাঁদের দাবি, বিলটি ভারতের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক কাঠামোকে ধ্বংস করবে। বিলটি ভারতের সংস্কৃতির পরিপন্থী বলেও দাবি তাঁদের। এই সময় বলতে ওঠেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল। তিনি বলেন, অধিবেশনের এটা নিয়ে আলোচনা হোক। এই অবস্থায় সরকারের সমালোচনা ও বিলের বিরোধিতার কোনও অর্থ হয় না। এর পরেই চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় ধ্বনিভোট করান। তাতে দেখা যায়, বিলের পক্ষে সায় দিয়েছেন ৬৩ জন। বিপক্ষে পড়েছে ২৩টি ভোট।

    আরও পড়ুন: ‘সবাই একটাই বিয়ে করবে’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে কমিটি গড়ে বললেন চৌহান

    রাজ্যসভার সাংসদ সিপিএমের জন বিট্টাস বলেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) অপ্রয়োজনীয় এবং তা কাম্য নয়। ডিএমকের সাংসদ তিরুচি সিভার দাবি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির ধারণাটি ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধী। আর বিজেপি সাংসদ হরনাথ সিংহ যাদব দেশজুড়ে অভিন্ন দেওয়া বিধি চালু করা নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে জিরো আওয়ার নোটিশ দেন। প্রসঙ্গত, অতীতে বিলটি পেশ করার জন্য তালিকাভুক্ত করা হলেও, রাজ্যসভায় পেশ করা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jagdeep Dhankhar: প্রধানমন্ত্রীর মুখে বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপালের প্রশস্তি, কী বললেন জানেন?

    Jagdeep Dhankhar: প্রধানমন্ত্রীর মুখে বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপালের প্রশস্তি, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন বাংলার রাজ্যপাল। মাস চারেক আগে তিনি শপথ নিয়েছিলেন দেশের চতুর্দশতম উপরাষ্ট্রপতি (Vice President)  হিসেবে। উপরাষ্ট্রপতিই পদাধিকার বলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। আজ, বুধবার সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে নয়া ভূমিকায় তাঁকে দেখল দেশ। এদিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবারের জন্য পরিচালনা করলেন অধিবেশন। আর এদিনই রাজ্যসভার নয়া চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন…

    উপরাষ্ট্রপতি পদে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন ধনখড়। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনি রাজ্যপালের দায়িত্ব পালন করেছেন। সকলকে নিয়ে কাজ করতে পারেন। আমার বিশ্বাস, আমাদের সকলকে নিয়ে উনি এগিয়ে যাবেন। ওঁর মার্গ দর্শনে আমরা সমৃদ্ধ হব।

    উপরাষ্ট্রপতির (Jagdeep Dhankhar) উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি একটি সাধারণ পরিবার থেকে এসেছেন। আপনি এখন যে মাইলফলকে পৌঁছেছেন, তা দেশের অনেক মানুষের জন্য একটি বিশাল অনুপ্রেরণা। একজন কৃষকের ছেলে এবং সৈনিক স্কুলের ছাত্র। আপনার মধ্যে কৃষক এবং জওয়ান উভয়ই রয়েছে। প্রধামনন্ত্রী বলেন, আমাদের শ্রদ্ধেয় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুজি আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। আমাদের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও সমাজের প্রান্তিক অংশ থেকে এসেছেন। এখন, আমাদের উপরাষ্ট্রপতি একজন কিষানপুত্র। তিনি বলেন, যেভাবে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী পরম্পরার সঙ্গে দেশের গৌরব বাড়াতে অনেক বড় ভূমিকা নিয়েছেন, সেভাবেই কিষানপুত্র উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে আমাদের দেশের গৌরব বাড়াবেন, সাংসদদের অনুপ্রাণিত করবে। তাঁকে অনেক শুভেচ্ছা। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভুয়ো অভিযোগ করতে নথি জাল, এই জন্যই গ্রেফতার তৃণমূলের সাকেত

    বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল (Jagdeep Dhankhar) যে আইনজ্ঞ, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংসদের উচ্চকক্ষে আদালতের অনুভব করবেন না ধনখড়। তিনি বলেন, রাজ্যসভায় আপনি (উপরাষ্ট্রপতি) এমন অনেকের সঙ্গে মুখোমুখি হবেন, যাঁর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে আগে আপনার দেখা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, উপরাষ্ট্রপতি হওয়ার ঠিক আগের দু বছর বাংলার রাজ্যপালের দায়িত্ব পালন করেছেন ধনখড়। তখন তিনি বারংবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন। এর পর উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হন তিনি। এনডিএ প্রার্থী ছিলেন তিনি। ৬ অগাস্ট উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোট প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে হারিয়ে জয়ী হন ধনখড়। তিনি পান ৫২৮টি ভোট। আর মার্গারেট আলভা পান ১৮২টি ভোট। ভোটদানে বিরত ছিলেন লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের মোট ৩৪ জন সাংসদ। অগাস্টের ১১ তারিখে উপরাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Parliament Monsoon Session: কেন আগেই মুলতুবি হয়ে গেল সংসদের অধিবেশন? জানুন আসল কারণ

    Parliament Monsoon Session: কেন আগেই মুলতুবি হয়ে গেল সংসদের অধিবেশন? জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন (Monsoon Session) শেষ হওয়ার কথা ছিল ১২ অগাস্ট। যদিও সোমবার বিকেলেই তা মুলতুবি হয়ে যায়। যার অর্থ নির্ধারিত সময়ের চারদিন আগেই মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের বাদল অধিবেশন। যা নিয়ে শাসক ও বিরোধী পক্ষে শুরু হয়েছে ট্যুইট যুদ্ধ। এনিয়ে সাতবার নির্ধারিত সময়ের আগেই মুলতুবি হয়ে গেল সংসদের উভয় কক্ষ লোকসভা (Lok Sabha) ও রাজ্যসভার (Rajya Sabha) অধিবেশন। আসুন, জেনে নেওয়া যাক ঠিক কী কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই মুলতুবি করে দেওয়া হল বাদল অধিবেশন।

    সরকারি সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহে দুদিন সরকারি ছুটি। একটি মহরমের জন্য, অন্যটি রাখিবন্ধনের। এই দুই অনুষ্ঠান পালন করতে সিংহভাগ সাংসদ নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে উৎসবে অংশ নিতে চাইছিলেন। তাই বাদল অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ের চারদিন আগেই। চলতি বাদল অধিবেশেন শুরু হয়েছিল ১৮ জুলাই। চলার কথা ছিল ১২ অগাস্ট পর্যন্ত। চারদিন আগেই সংসদ মুলতুবি হয়ে যাওয়ায় সরকার ও বিরোধী পক্ষে শুরু হয়েছে ট্যুইট যুদ্ধ। 

    আরও পড়ুন :তৃণমূল ‘উদ্ধত’, ডেরেককে তোপ প্রহ্লাদ জোশীর

    অন্য একটি সূত্রে খবর, চলতি অধিবেশনে যেসব পরিষদীয় বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল, তার সিংহভাগই হয়ে গিয়েছিল। তাই উৎসবে যোগ দেওয়ার যে অনুরোধ করেছিলেন সাংসদরা, সেই অনুরোধ রাখতেই নির্ধারিত সময়ের আগেই মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে সংসদ।

    জানা গিয়েছে, চলতি অধিবেশনে মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে সংসদে বিশৃঙ্খলা এবং তার জেরে ২৩ সাংসদকে সাসপেন্ড করা ও অধীর চৌধুরীর রাষ্ট্রপতিকে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ সম্বোধন দুয়ের জেরে বারবার মুলতুবি হয়েছে সংসদের অধিবেশন। সব মিলিয়ে রাজ্যসভার অধিবেশন বন্ধ ছিল ৩৫ ঘণ্টা এবং লোকসভার অধিবেশন স্থগিত ছিল ৪৪ ঘণ্টা ২৯ মিনিট। সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীকে ইডির জেরা নিয়েও হইচই হয়েছে সংসদে। যার জেরে মুলতুবি হয়েছে সংসদ। রাজ্যসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু জানান, হট্টগোলের জেরে ক্ষতি হয়েছে ৪৭ ঘণ্টারও বেশি। জানা গিয়েছে, বাদল অধিবেশনে সংসদের উভয় কক্ষে পাঁচটি বিল পাশ হয়েছে। লোকসভায় পাশ হয়েছে সাতটি বিল। আর রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে চারটি বিল।

    আরও পড়ুন :সংসদ চত্বরে প্ল্যাকার্ড বহন ও বিক্ষোভ! বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড চার কংগ্রেস সাংসদ

  • 7 TMC MPs Suspended: তৃণমূলের সাত সহ রাজ্যসভার ১৯ সাংসদ সাসপেন্ড

    7 TMC MPs Suspended: তৃণমূলের সাত সহ রাজ্যসভার ১৯ সাংসদ সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সভা চলাকালীন হইহট্টগোলের অভিযোগে মঙ্গলবার রাজ্যসভার মোট ১৯ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হল। এঁদের মধ্যে সাত জন তৃণমূলের। সুস্মিতা দেব, মৌসম বেনজির নুর, দোলা সেন এবং শান্তনু সেন, শান্ত ছেত্রী, নাদিমূল হক, অবীররঞ্জন বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করেছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। এছাড়া ডিএমকের হামিদ আবদুল্লা, আর গিরিরাজন, এনআর এলাঙ্গো, এম শানমুগান এবং কানিমোঝি, সিপিএমের এএ রহিম এবং ভি শিবাদাসান, টিআরএসের বি লিঙ্গাইয়া যাদব, রবীহান্দ্রা ভাদ্দিরাজু এবং দামোদর রাও দিভাকোন্দা, সিপিআইয়ের সন্তোষ কুমারকেও সাসপেন্ড করা হয়৷ শাস্তিপ্রাপ্ত সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তাঁরা। তাঁদের চিৎকার-চেঁচামেচিতে বারবার পণ্ড হয় অধিবেশন৷ স্বাভাবিক কাজকর্ম চালাতে অসুবিধা হয়৷ আগামী শুক্রবার পর্যন্ত সাসপেন্ড হওয়া সাংসদরা আর রাজ্যসভার বিতর্কে অংশ নিতে পারবেন না। 

    গতকাল সোমবার পুরো অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয় লোকসভার চার কংগ্রেস সাংসদকে৷ তাঁরা হলেন এম টেগোর, রামইয়া হরিদাস, জ্যোতিমণি এবং টিএন প্রতাপন৷ আগামী ১২ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বাদল অধিবেশন৷ ওই চার কংগ্রেস সাংসদের আচরণে ক্ষুব্ধ হন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা৷ অধিবেশন চলাকালীন তাঁরা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখান৷ ওম বিড়লা তাঁদের সতর্ক করলেও সেকথা কানে তোলেননি তাঁরা৷ তখন তাঁদের সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ৷

    আরও পড়ুন: সংসদ চত্বরে প্ল্যাকার্ড বহন ও বিক্ষোভ! বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড চার কংগ্রেস সাংসদ

    এদিন ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রস্ফীতি, কেন্দ্রের জনবিরোধী নীতি ও আইনের প্রতিবাদে রাজ্যসভায় লাগাতার স্লোগান দিচ্ছিলেন তৃণমূল সহ বিরোধী একাধিক দলের সাংসদ। ওয়ালে নেমেও বিক্ষোভও দেখান তাঁরা। যার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিরোধী সাংসদদের এই আচরণকে ‘নিয়ম বিরুদ্ধ’ বলে জানিয়েছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান। চলতি অধিবেশনের আগেই লোকসভা ও রাজ্যসভার সচিবালয়ে নির্দেশিকা জারি করে বেশ কয়েকটি শব্দ সভায় প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ, ধর্না প্রদর্শনও বন্ধ করা হয়েছে। যার প্রতিবাদে মুখর বিরোধী দলগুলি। নিষেধাজ্ঞা জারির পরও মঙ্গলবার তৃণমূল সাংসদরা সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ, ধর্না দেখিয়েছেন, তাই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।

    বাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই উভয় কক্ষেই হট্টগোল চলছে। ফলে বার বার বাধা পেয়েছে অধিবেশন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল জানান, সরকার চায় আলোচনা করতে। বিরোধীদের প্রশ্নের জবাব দিতে। সরকারের কার্যাবলী তুলে ধরতে। কিন্তু বিরোধীরা হই হট্টগোল করে ক্রমাগত সভার কাজে বাধা দিলে শুধু শুধু সময় নষ্ট হবে। বিরোধীরা কোনও কথা বলতেই চায় না বলে জানান তিনি।

  • CBI:  ১০০ কোটি টাকায় রাজ্যসভার আসন? চক্রের পর্দা ফাঁস সিবিআইয়ের 

    CBI:  ১০০ কোটি টাকায় রাজ্যসভার আসন? চক্রের পর্দা ফাঁস সিবিআইয়ের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা টাকায় বিকিয়েছে সর্বভারতীয় ডাক্তারি পরীক্ষা নীটে(NEET)-র আসন। অন্তত এমনই অভিযোগ উঠেছে। এবার একই অভিযোগ উঠল রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসন এবং রাজ্যপালের (Governorship) পদের ক্ষেত্রেও। ১০০ কোটি টাকার বিনিময়ে রাজ্যসভার টিকিট মিলবে। দীর্ঘদিন ধরেই এমন মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে কারবার চালাচ্ছিল একটি চক্র। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI) সূত্রেই জানা গিয়েছে এমন তথ্য। চক্রের কয়েকজন পান্ডাকেও গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, অভিযোগ পাওয়ার পর গত সপ্তাহে একটি ফোনে দুই ব্যক্তির কথোপকথনকে ঘিরে সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের কয়েকজনের। সেই সময় অর্থের বিনিময়ে রাজ্যসভার আসন নিশ্চিত করার কথা বলতে শোনা যায় ফোনের দু প্রান্তে থাকা মানুষদের। ফাঁদ পাতে সিবিআই। ছদ্মবেশে চক্রের কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করেন সিবিআইয়ের এক আধিকারিক। টাকা হাত বদলের সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।  ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে চারজনকে। সিবিআইয়ের তরফে এদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর-ও।

    আরও পড়ুন : পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআই কী করছে, জানেন কি?

    ১০ জুন দেশের ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে রাজ্যসভার নির্বাচন হয়। তার আগে থেকেই ওই চক্র সক্রিয় ছিল বলে সিবিআই সূত্রে খবর। অভিযোগের ভিত্তিতে ফোনে নজরদারি চালান গোয়েন্দারা। গ্রেফতার করা হয় চারজনকে। সিবিআই জানিয়েছে, এরা হল মহারাষ্ট্রের করমলকর প্রেমকুমার, কর্নাটকের রবীন্দ্র বিঠঠল নায়েক, দিল্লির মহেন্দ্র পাল অরোরা ও আসামের অভিষেক বরা। এফআইআরে নাম রয়েছে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত মহম্মদ আজিজ খান নামে এক ব্যক্তিরও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, অভিষেক ও প্রেমকুমারের কাজ ছিল পদস্থ সরকারি কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা। বাকিরা চাইত টাকা। এ ব্যাপারে যাতে কোনও রাজনৈতিক নেতা বা আমলার সঙ্গে যোগাযোগ না করা হয়, সে ব্যাপারেও হুঁশিয়ারি দিত অভিযুক্তরা।

    আরও পড়ুন : কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    প্রসঙ্গত, শিবসেনার বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া আশ্বাস দিয়ে মহারাষ্ট্রের এক বিজেপি বিধায়কের কাছে চাওয়া হয়েছিল ১০০ কোটি টাকা। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রিয়াজ শেখ নামে একজনকে। এবার মোটা টাকার বিনিময়ে রাজ্যসভার টিকিট পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সিবিআইয়ের জালে চার। এই চক্রের জল কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।  

     

  • PT Usha: সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন ট্র্যাক কুইন, ঊষাকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    PT Usha: সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন ট্র্যাক কুইন, ঊষাকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাথলেটিক ট্র্যাক থেকে সংসদ ভবনে। বিজেপির রাজ্যসভায় সদস্য (Rajya Sabha MP) হিসেবে শপথ নিলেন পিটি ঊষা (PT Usha)। সংসদ ভবনে তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। প্রধানমন্ত্রী এক ট্যুইট বার্তায় ঊষাকে তাঁর নতুন ভূমিকায় স্বাগতও জানান। বুধবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হিন্দিতে শপথ নেন কেরলের মেয়ে ঊষা। প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই বিজেপির সরকারের তরফে তাঁকে সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনীত করা হয়। পিটি ঊষা ছাড়াও এই তালিকায় ছিলেন সঙ্গীত কম্পোসার ইলায়ারাজা, সমাজসেবী বীরেন্দ্র হেগগড়ে এবং চলচ্চিত্র পরিচালক কে.ভি. বিজয়েন্দ্র প্রসাদ। 

    [tw]


    [/tw]

    গত সোমবার রাজধানী দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন পিটি ঊষা ৷ মঙ্গলবার দেখা করেন বিজেপি-র জাতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডার (Jagat Prakash Nadda) সঙ্গে ৷ নাড্ডাও তাঁকে অভিনন্দন জানান। নাড্ডা বলেন, তাঁর মতো প্রতিভার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি খুশি।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, ভারতের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদদের মধ্যে অন্যতম পিটি উষা ৷ কেরলের কোঝিকোড় জেলার এক গ্রামে তাঁর জন্ম ৷ লক্ষ লক্ষ ভারতীয় মেয়ের কাছে পিটি ঊষা আদতে একটি আদর্শ ও অনুপ্রেরণার নাম ৷ অনুরাগী মহলে ‘পায়োলি এক্সপ্রেস’ (Payyoli Express) এবং ‘কুইন অফ ইন্ডিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড’ (Queen of Indian Track and Field) নামেও তিনি জনপ্রিয় ৷ ১৯৮৪ সালের অলিম্পিক্সে ভারতের জন্য পদক জিততে না পারলেও গোটা বিশ্বের নজর কাড়েন ঊষা ৷ সেবার ৪০০ মিটারের দৌড় প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থানে লড়াই শেষ করেন তিনি ৷ 

    আরও পড়ুন: মেয়েকে নিয়ে ইডি দফতরে সোনিয়া, কংগ্রেসের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি, প্রশ্নবাণে জর্জরিত নেত্রী

    উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন সদস্য তথা রাজনীতিক হরভজন সিং, লালুপ্রসাদ যাদবের মেয়ে মিসা ভারতী এবং বিসিসিআই-এর সহসভাপতি রাজীব শুক্লা-সহ প্রায় ২৫ জন রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন৷

  • Rajya Sabha Protest: ৫০ ঘণ্টার ধর্নায় সাসপেন্ডেড সাংসদরা, বিরোধী বৈঠকে গরহাজির আপ, তৃণমূল  

    Rajya Sabha Protest: ৫০ ঘণ্টার ধর্নায় সাসপেন্ডেড সাংসদরা, বিরোধী বৈঠকে গরহাজির আপ, তৃণমূল  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংসদীয় আচরণের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল সাংসদদের। তার পরেই টানা পঞ্চাশ ঘণ্টার ধর্নায় বসলেন বিজেপি (BJP) বিরোধী দলের সাংসদরা। অধিবেশনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজ্যসভা (Rajya Sabha) থেকে সাসপেন্ড হওয়া ২০ জন বিরোধী দলের সাংসদও ছিলেন ধর্নায়। যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তৃণমূলের (TMC) সাত জন, ডিএমকের ৬ জন, টিআরএসের তিন জন, সিপিএমের দুজন এবং সিপিআই ও আপের একজন করে সাংসদ রয়েছেন। রাজ্যসভার পাশাপাশি লোকসভা থেকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে কংগ্রেসের চার সাংসদকে। এই ঘটনার প্রতিবাদেই ধর্নায় বসেছেন বিরোধীরা। আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং বলেন, শুক্রবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ধর্নায় বসবেন সাংসদরা। মহিলা এবং প্রবীণ সাংসদরা শিফট ওয়াইজ যোগ দেবেন ধর্নায়।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন, আচরণ সংশোধন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমা চাইলে তবেই সাপসেনশন তুলে নেওয়া হবে। এদিকে, সাসপেন্ড হওয়া বিরোধী দলের সাংসদদের সাসপেনশন তুলে নেওয়ার দাবিতে এদিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়্গে।সাংসদদের সাসপেনশনের প্রতিবাদে রণকৌশল স্থির করতে এদিন বৈঠকেও বসেন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা। তৃণমূল এবং আম আদমি পার্টির কেউ অবশ্য যোগ দেননি ওই বৈঠকে।

    আরও পড়ুন : মমতা আদিবাসী বিরোধী? পোস্টার সাঁটিয়ে প্রমাণ বঙ্গ বিজেপি-র

    খাড়্গের অভিযোগ, সরকার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কোনও আলোচনা করতে রাজি নয়। বিরোধীদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে জোশী বলেন, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করতে সরকার রাজি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন। ফের অফিস আসা শুরু করেছেন। বিরোধীরা চাইলেই আমরা আলোচনা শুরু করতে রাজি। প্রসঙ্গত, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে ১৮ জুলাই। চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। এর আগে রাজ্যসভায় এক সঙ্গে এতজন সাংসদকে সাসেপন্ড করা হয়নি। সাসপেন্ড হওয়া সাংসদরা ধর্নায় বসেছেন গান্ধী মূর্তির পাদদেশে।

     

LinkedIn
Share