Tag: rg kar

rg kar

  • Sandip Ghosh: ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করল আইএমএ

    Sandip Ghosh: ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করল আইএমএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) সাসপেন্ড করল চিকিৎসকদের সর্বভারতীয় সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (Indian Medical Association)। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাতেই এমন পদক্ষেপ করেছে আইএমএ। বুধবার আইএমএ-র তরফ থেকে সন্দীপের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আইএমএ জানিয়েছে, আরজি করে নির্যাতিতার পরিবার এবং অন্যান্য চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পরেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। আইএমএ-র মতে, ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’!

    নির্দেশিকায় কী জানাল আইএমএ?

    সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) কাছে যে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে আরজি করের ঘটনার পর স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে আইএমএ। আইএমএ-র সর্বভারতীয় সভাপতি আর ভি অশোকান একটি কমিটি গঠন করেছিলেন। সেই কমিটির সদস্যরা আরজি করের নির্যাতিতার বাড়িতে যান এবং সেখানে তাঁরা পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেন। সেই সময় নির্যাতিতার পরিবার আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বলে খবর। এর পাশাপাশি আইএমএ মনে করেছে, আরজি কর কাণ্ডে সন্দীপের (Sandip Ghosh) ভূমিকা মোটেও আশানুরূপ নয়। সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনের মতে, যেভাবে সন্দীপ গোটা বিষয়টি সামলানোর চেষ্টা করেছেন, তাতে যথেষ্ট সহানুভূতির অভাব ছিল। সন্দীপকে সাসপেন্ড করার আগে কেন্দ্রীয় আইএমএ পশ্চিমবঙ্গ শাখার পদাধিকারীদের সঙ্গেও কথা বলে। প্রসঙ্গত, সন্দীপ ঘোষ নিজে আইএম-এর কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ওই নির্দেশিকায় আইএমএ আরও জানিয়েছে, সন্দীপের বিরুদ্ধে সংগঠনেরই অনেক চিকিৎসক ক্ষুদ্ধ। সন্দীপ এই পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন বলেও অভিযোগ এনেছে আইএমএ। অনেকেই সন্দীপের শাস্তির দাবিও জানিয়েছে, এমনটাই জানা গিয়েছে আইএমএ-এর তরফে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সন্দীপকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএমএ।

    প্রথম থেকেই ক্ষোভ সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে

    প্রসঙ্গত, আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলনে নামেন। প্রথম থেকেই তাঁদের ক্ষোভ দেখা গিয়েছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। প্রথম দিন থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আন্দোলনের চাপে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) নিজে ইস্তফা দেন। সকালে ইস্তফা দেওয়ার পরে বিকেলে তাঁকে প্রাইজ পোস্টিং দেয় রাজ্য সরকার। তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ করা হয়। আরজি কর কাণ্ড কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছালে সন্দীপ ঘোষকে প্রধান বিচারপতি লম্বা ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং ন্যাশনাল মেডিক্যালের দায়িত্ব থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মামলার তদন্তভার সিবিআই গ্রহণ করলে সন্দীপ ঘোষকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে থাকে। গত রবিবার তাঁর বাড়িতেও হানা দেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এরই মাঝে আইএমএ (Indian Medical Association) সাসপেন্ড করল সন্দীপ ঘোষকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হোক।” মঙ্গলবার এমনই দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে এদিন নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। সেই অভিযান উপলক্ষে ব্যাপক জমায়েত হয় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। আন্দোলনকারীদের রুখতে কোথাও রাস্তায় রাখা হয়েছে কন্টেনার, কোথাও আবার রাখা হয়েছে গাছের গুঁড়ি। আবার কোথাও ব্যারিকেডের গায়ে লাগানো হয়েছে গ্রিজের পুরু আস্তরণ। এতেও ক্ষান্ত হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। নির্বিচারে চালিয়েছে লাঠি, ব্যবহার করেছে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস। পুলিশের লাঠির ঘায়ে জখম হয়েছেন বহু আন্দোলনকারী।

    রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি (Suvendu Adhikari)

    কর্মসূচি শেষে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। সেখানেই দাবি তোলেন পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের। পুলিশের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “পুলিশকে আমি আবারও বলব, আপনারা ধরপাকড় বন্ধ করুন। আপনারা সামলাতে পারবেন না। সাঁতরাগাছির জনতাকে ভিডিও কল করে অনুরোধ করেছি, সাধারণ পুলিশ কর্মী ও ছাত্র সমাজ-সহ নিরীহ জনগণ আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশের জল কামানের জল শেষ, গ্যাস শেষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকেও অসহায় অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে ‘পুলিশি সন্ত্রাস’, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি

    “মমতার পদত্যাগ চাই”

    শুভেন্দু বলেন, “ওঁরা (পুলিশ) বাধ্য হতেন গুলি চালাতে। নীচের তলার পুলিশের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। তাঁদেরও স্ত্রী-মা-বোন আছে। আমরা চাই না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজীব কুমারদের ভুল পলিসির জন্য তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হোন।” তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা সাধারণ মানুষের একটা সফল কার্যক্রম। তবে পুলিশের উসকানি ছিল। তারা প্রচুর মানুষকে মারধর করেছে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি অনুরোধ করব, আপনারা ধরপাকড়, মারধর বন্ধ করুন। জাগ্রত জনতার সঙ্গে পারবেন না। ফেল করবেন।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমরা মমতার পদত্যাগ চাই। এই আন্দোলন একদিনের (RG Kar Incident) নয়। কর্মসূচি আরও হবেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগে বাধ্য করব। পশ্চিমবাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হোক আমরা চাইব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট’ কি সব হাসপাতালেই সক্রিয়? কাদের দাপটে চলছে এই সিন্ডিকেট?

    RG Kar: ‘স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট’ কি সব হাসপাতালেই সক্রিয়? কাদের দাপটে চলছে এই সিন্ডিকেট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ ছড়িয়েছে সর্বত্রই! অন্তত এমনই অভিযোগ তুলছে রাজ্যের চিকিৎসক মহল। দুর্নীতির শিকড় (Health Syndicate) নাকি গভীরে পৌঁছে গিয়েছে! আরজি কর (RG Kar) হাসপাতাল ব্যতিক্রম নয়, রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই চলছে এমন দুর্নীতি। এমন অভিযোগ তুলেই সরব হয়েছে রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের একাংশ। আর তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক কলেজ কাউন্সিল অভিযুক্ত চিকিৎসক ও পদাধিকারীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে! এমনটাই জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।

    স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট কী?

    রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজেই এক অসাধু চক্র সক্রিয় রয়েছে। কলেজের হস্টেলে ঘর পাওয়া থেকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার অনুমতি, এমনকী পাশ করানোর ক্ষেত্রেও দুর্নীতির এই চক্র সক্রিয় থাকে। তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জমা না করলে পড়ুয়াদের পাশ করানো হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হয়। পাশপাশি অভিযোগ, ইন্টার্ন কিংবা হাউজ স্টাফদের হুমকি দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা না দিলে ওই পড়ুয়ার এমবিবিএস সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া হবে। এমনকী এমবিবিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেরও ‘দাম’ নির্ধারিত রয়েছে। মেডিক্যাল পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, নির্দিষ্ট দাম দিতে পারলে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়া যায়। এমনকী পরীক্ষার সময়ে অবাধে বই দেখে লেখার সুযোগও পাওয়া যায়।

    কাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ?

    সরকারি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, রাজ্যের কয়েকজন প্রভাবশালী চিকিৎসক এই স্বাস্থ্য সিন্ডিকেটের মাথায় রয়েছেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস হাসপাতাল, এমনকী খোদ স্বাস্থ্য ভবনেও রাজ্যের শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কিছু চিকিৎসকের ছবি দিয়ে পোস্টার আটকেছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, ওই চিকিৎসক নেতাদের অঙ্গুলি হেলনেই রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্য দুর্নীতি চলছে। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য এবং বারাসত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল এবং রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা সুদীপ্ত রায়, শাসক ঘনিষ্ঠ এই তিন চিকিৎসক রাজ্যের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে নানান অসাধু চক্র চালাচ্ছেন।

    কেন উঠছে অভিযোগ?

    আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর পরেই রাজ্যের চিকিৎসক মহল সরব হয়। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার পাশপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্য দুর্নীতি নিয়েও নানান অভিযোগ উঠছে। নির্যাতিতার মৃত্যুর (RG Kar) পিছনে এই দুর্নীতির সঙ্গে আপস না করার কারণও থাকতে পারে বলে মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষের দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। 
    আর তার সঙ্গেই জোরালো হচ্ছে রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালেও দুর্নীতির আঁতুরঘরের অভিযোগ। সম্প্রতি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট নিয়ে সরব হন পড়ুয়া ও চিকিৎসকদের একাংশ। এরপরেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ওই হাসপাতালের আরও তিনজন চিকিৎসক-শিক্ষকের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের হেনস্থা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওঠে। এরপরেই দ্রুত কলেজ কাউন্সিলের তরফে ওই তিন জন চিকিৎসক-শিক্ষককে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত কলেজের কোনও কাজ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজেও পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে নানান অভিযোগ উঠছে। অসৎ উপায়ে পরীক্ষা নেওয়া এবং পাশ করানোর অভিযোগও উঠেছে। যদিও ওই কলেজ কর্তৃপক্ষ এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। আর এই সব ঘটনার জেরেই জোরালো হচ্ছে রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্য সিন্ডিকেটের অভিযোগ।

    কী বলছেন অভিযুক্তরা?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট নিয়ে মূলত তিনজন চিকিৎসকের নাম বারবার সামনে আসছে। এই নিয়ে অবশ্য স্বাস্থ্য ভবন মুখ খুলতে চায়নি। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের (Health Syndicate) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এই বিষয়ে কিছুই বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন। আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। সুহৃতা পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনের উত্তর দেননি। সুদীপ্ত রায় অবশ্য জানান, তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: নিহত তরুণীর দেহের কাছে ৩ সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ! ভাইরাল ভিডিও তুলল একাধিক প্রশ্ন

    RG Kar Incident: নিহত তরুণীর দেহের কাছে ৩ সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ! ভাইরাল ভিডিও তুলল একাধিক প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) মধ্যে একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাইরাল ভিডিওটি আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের সেমিনার রুমের বলে দাবি করা হয়েছে। যেখান থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে ওই জমায়েতের ভিডিও যখন তোলা হয়েছে, তখন সেমিনার রুমের মধ্যে তরুণী চিকিৎসকের দেহ ছিল। আর বাইরে তাঁর বাবা-মা অপেক্ষা করছিলেন। যদিও ওই ভাইরাল ভিডিওর প্রেক্ষিতে সিবিআই বা কলকাতা পুলিশের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। (ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। )

    ভিডিওয় কী দেখা গিয়েছে

    যে ভিডিও (RG Kar Incident) সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, সেমিনার রুমের বাইরে শান্তনু দে-কে। তিনি আইনজীবী। স্বাস্থ্য ভবনের একাংশের মতে, এই শান্তনু দে হলেন সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) ছায়াসঙ্গী। কিন্তু সেখানে আইনজীবী কী করতে গিয়েছিলেন? প্লেস অফ অকারেন্সে বা ঘটনাস্থলে দেখা মিলেছে সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ ফরেন্সিক চিকিৎসক দেবাশিস সোমের। তাঁকে সোমবার নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। তিনি আরজি করের কর্মীই নন। কিন্তু ঘটনার পর মুহূর্তেই সেমিনার রুমে দেখা গিয়েছে তাঁকে। দাবি স্বাস্থ্য ভবনের একাংশ। দেখা গিয়েছে সন্দীপ ঘোষের আরও এক কাছের লোক ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কেও। 

    ভাইরাল ভিডিও তুলছে প্রশ্ন

    ফরেন্সিক মেডিসিনের ডেমনস্ট্রেটর, সন্দীপ ঘোষের ছায়াসঙ্গী আর সন্দীপ ঘনিষ্ঠ (Sandip Ghosh) আইনজীবী কেন সেই সময় ঘটনাস্থলে? প্রশ্ন উঠছে, এই যে ‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’ তাঁরা সেখানে কীভাবে পৌঁছলেন? তাঁদেরকে কে ডেকে পাঠিয়েছিলেন? প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সেখানে পরিকল্পনা চলছিল, কীভাবে সেখানে তথ্য প্রমাণ লোপাট করা যায়? চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, দেহ তড়িঘড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার থেকে শুরু করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছিল সেদিন। শাসকদলের প্রভাবশালী চিকিৎসক নেতা হিসাবে পরিচিত অনেককেই সেদিন আরজি করে (RG Kar Incident) দেখা গিয়েছিল। এমনকী, এও অভিযোগ, যেখানে বডি পাওয়া গিয়েছিল, সেই সেমিনার রুমে মিটিং করেন এই তিন মূর্তি। ওই চিকিৎসক নেতারা কেউই আরজি করে কর্তব্যরত নন। স্বাস্থ্য দফতরের উচ্চ পদাধিকারীও নন, বলে দাবি আরজি করের জুনিয়ার ডাক্তারদের।

    আরও পড়ুন: ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    ওঁরা গেলেন কীভাবে? প্রশ্ন বিজেপির

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) ওই ভাইরাল ভিডিওর প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি প্রশ্ন তোলেন, ‘দেবাশিস সোম – ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক। প্রসূন চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু দে সহ একাধিক লোকজন সেমিনার রুমে কি করছিলেন? ফরেন্সিক তথ্য লোপাটের চেষ্টা? ঘটনাস্থলে অর্থাৎ ক্রাইম সিনে কারও যাওয়ার কথা নয়। কিন্তু ওঁরা গেলেন কীভাবে? পুলিশ আটকাল না কেন?’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য’’, আরজি কর-কাণ্ডের আবহে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘‘নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য’’, আরজি কর-কাণ্ডের আবহে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের আবহে মহিলাদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধে (Crimes Against Women) কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবারই প্রধানমন্ত্রী হাজির ছিলেন মহারাষ্ট্রের জলগাঁওয়ে ‘লাখপতি দিদি’ সম্মেলনে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘নারীদের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি বিষয়। আমি আবার সব রাজ্য সরকারকে বলব নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। যারাই দোষী তাদের যেন ছাড় না দেওয়া হয়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যে মহিলাদের অত্যাচার করে এবং যে তাকে বাঁচায়, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। হাসপাতাল হোক বা থানা, যেখানেই গাফিলতি, সেখানেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।’’

    বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি এবং প্রতারণার জন্য ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় আইন রয়েছে

    এদিন ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘নাবালকদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের ঘটনায় নতুন আইনে মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন সাজার জায়গা রয়েছে। এর আগে বিয়ের নাম করে মেয়েদের সঙ্গে প্রতারণা করা হলেও এই অপরাধের জন্য আলাদা করে কোনও আইন ছিল না। এখন বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি এবং প্রতারণার জন্য ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় আইন রয়েছে।’’

    বিয়ের পরে মহিলাদের ওপর হওয়া অপরাধ নিয়ে কী বললেন মোদি (PM Modi)?

    বিয়ের পরে মহিলাদের ওপর হওয়া অপরাধের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এই ধরনের অপরাধগুলি মোকাবিলা করতে বিএনএস-এ অনেক সংশোধনী এনেছে।’’ মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, ‘‘সমাজ এবং প্রতিটি সরকারের কর্তব্যই হল মহিলাদের নিরাপত্তা এবং মর্যাদাকে রক্ষা করা। আমরা কঠোর আইন এনেছি। মহিলাদের বিরুদ্ধে যারা অপরাধ (Crimes Against Women) করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’’

    ই-এফআইআর চালু করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও জানিয়েছেন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালু হওয়াতে বিচার ব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে। এখন সহজেই অভিযোগ দায়ের করা যায় বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘আগে প্রায় অভিযোগ আসত যে এফআইআর দায়ের হয়নি কিন্তু আমরা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এনেছি এবং আগের ব্যবস্থার অনেকটাই সংশোধন করেছি। এখন কোনও মহিলা যদি থানায় নাও যেতে চান তবে তিনি ই-এফআইআর দায়ের করতে পারেন। কোনও ব্যক্তি ই-এফআইআর বদলাতে পারেন না।’’

    তাঁর সরকারের লক্ষ্য মহিলা সশক্তিকরণ

    বিগত ১০ বছর ধরে তাঁর সরকার মহিলাদের উন্নতি ও সশক্তিকরণে নানা কাজ করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ‘‘স্বাধীনতার পর থেকে আগের যে সমস্ত সরকার মহিলাদের জন্য যা কাজ করেছে গত ১০ বছরে তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ হয়েছে।’’ এ বিষয়ের রীতিমত তথ্য-পরিসংখ্যান তুলে ধরেন মোদি এবং তিনি বলেন, ‘‘২০১৪ সাল পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে তাতে মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ২৫ হাজার কোটি টাকারও কম ঋণ দেওয়া হয়েছিল কিন্তু বিগত ১০ বছরে সরকার ঋণ দিয়েছে ৯ লাখ কোটি টাকা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Polygraph Test: শ্রদ্ধা খুনের মামলায় তিনবার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছিল অভিযুক্ত আফতাব পুনওয়ালার

    Polygraph Test: শ্রদ্ধা খুনের মামলায় তিনবার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছিল অভিযুক্ত আফতাব পুনওয়ালার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় বাংলা সহ গোটা দেশ এখন উত্তাল। ছাত্র সমাজ, ডাক্তারি পড়ুয়া, গবেষক, অধ্যাপক, মহিলা সমাজ, আইনজীবী সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ খুনের ন্যায়বিচার চেয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন। ইতিমধ্যে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ধৃত এবং অভিযুক্তদের সত্য-মিথ্যা বক্তব্যকে পরীক্ষা করতেই করা হচ্ছে পলিগ্রাফ টেস্ট (Polygraph Test)। সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে ডাক্তার সন্দীপ ঘোষ, সকলেই রয়েছেন এই তালিকায় (Case)।

    এই পরীক্ষার প্রথম আবিষ্কর্তা ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ অফিসার তথা মনোবিদ জন লারসান। ১৯২১ সালে প্রথম পরীক্ষা শুরু হয়। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় রক্তচাপের পরিবর্তন মাপার জন্য একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। কর্মীদের তথ্যফাঁস আটকাতে ১৯৮৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগেন পলিগ্রাফ টেস্টের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    কোন কোন কেসে এই টেস্ট হয়েছিল (Polygraph Test)

    ভারতে বেশ কিছু নামকরা শিহরণ জাগানো কেসে পলিগ্রাফ টেস্ট (Polygraph Test) করা হয়েছিল। শ্রদ্ধা খুনের মামলায় (Case) তিনবার পলিগ্রাফ টেস্ট হয় অভিযুক্ত আফতাব পুনওয়ালার। আরুষি তলোয়ার মামলায় করা হয়েছিল এই টেস্ট। হাতরস মামলা, নিঠারি হত্যা মামলা, সুনন্দা পুষ্কর হত্যাকাণ্ড, মালেগাঁও বিস্ফোরণ কেসে পলিগ্রাফ টেস্ট হয়েছিল। সাধারণ তদন্তকারী অফিসাররা যদি তদন্তে খুশি না হন, তাহলে এই টেস্ট করে থাকেন।

    আরও পড়ুন: ছাত্র সমাজের ‘নবান্ন অভিযান’ নিয়ে দিশাহারা পুলিশ, ফের দমনের চেষ্টায় নোটিশ

    কীভাবে করা হয় এই টেস্ট

    এই পলিগ্রাফ টেস্ট (Polygraph Test) হল লাই ডিটেকটর। এই পদ্ধতিতে কাউকে মেশিনের সামনে রেখে প্রশ্ন করলে অভিযুক্তের শরীর, মাথা বিভিন্ন ভাবে সাড়া দেয়। শরীরের মধ্যে স্বাভাবিক এবং অস্বাভাবিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়। নড়াচড়া দেখে খুব সহজেই বোঝা যায় ব্যক্তি মিথ্যা না সত্যি বলছে। রক্ত চাপ দেখে সত্য আর মিথ্যা বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করা যায়। আবার অপরাধী মনোবিদ ডাক্তার হিরণ্ময় সাহা বলেন, “মূলত তিন রকম স্তরে এই পরীক্ষা করা হয়। প্রি টেস্ট, পোস্ট টেস্ট এবং ফাইনাল টেস্ট।” রাজ্যে তাপসী মালিক হত্যা মামলায় সিপিএম নেতা সুহৃদ দত্তের এই টেস্ট করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্ত যদি মানসিক ভাবে অনেক শক্তিশালী হয়, তাহলে সবটা ধরাও পড়ে না। আরজি কর হত্যাকাণ্ডে (Case) সাফল্য কেমন আসে, তাই এখন দেখার।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করের ঘটনাকে ছোট করে দেখানোর অভিযোগ, সিব্বলের বিরুদ্ধে খেপে লাল আইনজীবীরা

    RG Kar: আরজি করের ঘটনাকে ছোট করে দেখানোর অভিযোগ, সিব্বলের বিরুদ্ধে খেপে লাল আইনজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানি চলছে দেশের শীর্ষ আদালতে। এই মামলায় রাজ্য সরকারের তরফে সওয়াল করছেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। গুরুত্বপূর্ণ এই মামলাতে এবার আইনজীবীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল সিব্বলকে (Kapil Sibal)। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিব্বল এবার অনাস্থার মুখোমুখিও হতে পারেন, এমনটাই মনে করছেন কেউ কেউ। তাঁকে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। কারণ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের লেটার হেড ব্যবহার করে তিনি নিজের ব্যক্তিগত মন্তব্য লিখেছেন বলে অভিযোগ। আরজি কর কাণ্ডকে (RG Kar) ছোট ঘটনা হিসেবে দেখানোর অভিযোগও উঠেছে সিব্বলের বিরুদ্ধে।

    একতরফা এই বিবৃতি প্রকাশ করেছেন সিব্বল (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, গত ২১ অগাস্ট আরজি করের ঘটনা নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন সিব্বল। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সেই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্ট যে পদক্ষেপ করেছে, তা ঐতিহাসিক। তাঁর আরও মত হল, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে যা হয়েছে, তা অস্থির পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। সব শেষে তিনি লিখেছেন, ‘সিবিআই ঘটনার তদন্ত করছে। আশা করি ন্যায়বিচার পাবেন নির্যাতিতা। শাস্তি হবে অভিযুক্তের।’ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীদের অভিযোগ, আরজি করের ঘটনা নিয়ে কোনও সদস্যের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই একতরফা এই বিবৃতি প্রকাশ করেছেন সিব্বল। বার অ্যাসোসিয়েশনের লেটার হেড ব্যবহার করে কেন তিনি নিজের বক্তব্য প্রকাশ করলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    ক্ষমা চাইতে হবে কপিল সিব্বলকে, দাবি আইনজীবীদের

    আইনজীবীদের দাবি, সিব্বলের (Kapil Sibal) ওই বিবৃতিতে আরজি করের (RG Kar) ধর্ষণকাণ্ডকে দেশের অন্যান্য প্রান্তের নারী নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে একই সরলরেখায় রাখা হয়েছে। আইনজীবীদের একাংশের আরও বক্তব্য, আরজি কর কাণ্ড শুধুমাত্র চিকিৎসকদের উদ্বেগের বিষয় নয়, দেশের প্রতিটি বাবা-মা, এমনকী বার অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যেরও উদ্বেগের কারণ। কিন্তু সিব্বলের এই বিবৃতি সেই ঘটনাকে ছোট করেছে বলেই মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। একাধিক প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে সিব্বলের অবস্থান নিয়ে। এই মামলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী হিসেবে লড়ছেন সিব্বল, অন্যদিকে বিবৃতি দিয়ে অভিযুক্তের শাস্তির দাবিও জানাচ্ছেন তিনি। এতে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি তথা বিশিষ্ট আইনজীবী ড. আদিশ সি আগরওয়াল ইতিমধ্যে এক লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিব্বলকে তাঁর বিবৃতি প্রত্যাহার করতে হবে ও বারের সব সদস্যের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে সিব্বলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ছাত্র সমাজের ‘নবান্ন অভিযান’ নিয়ে দিশাহারা পুলিশ, ফের দমনের চেষ্টায় নোটিশ

    RG Kar: ছাত্র সমাজের ‘নবান্ন অভিযান’ নিয়ে দিশাহারা পুলিশ, ফের দমনের চেষ্টায় নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে কলকাতা সহ গোটা দেশ। এই অবস্থায় নির্যাতিতার জন্য ন্যায় বিচার চেয়ে ২৭ অগাস্ট মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’। তবে কোনও ছাত্র সংগঠনের পক্ষে ডাকা হয়নি এই অভিযান (Nabanna Abhijan)। তাঁদের দাবি, মূলত সাধারণ সমাজের প্রতিনিধি তাঁরা। কলেজ স্কোয়্যার এবং সাঁতরাগাছিতে দুপুর ১ টায় জমায়েত হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এই অভিযানে কত লোক হবে, রুট কী হবে, সেই বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। ফলে হাওড়া পুলিশ আন্দোলনের স্বরূপ সম্পর্কে বিড়ম্বনায় রয়েছে। যেহেতু কোনও সংগঠনের পক্ষে মিছিল ডাকা হয়নি, তাই হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে শনিবার একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করা তিন আয়োজককেই এই নোটিশ পাঠিয়েছে তারা। পুলিশের এই পদক্ষেপকে ছাত্র সমাজের একাংশ দমন নীতির সুকৌশল বলে উল্লেখ করেছে।

    পুলিশের আশঙ্কার সাত প্রশ্ন

    আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে যে তিনজন নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন, তাঁদেরকে পুলিশ নোটিশ পাঠিয়ে মোট সাতটি প্রশ্ন করেছে। পুলিশ কার্যত বড় জমায়েত (Nabanna Abhijan) হতে পারে বলে অনুমান করছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক বৈঠক থেকে তারা জানতে পেরেছে যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু মানুষ মঙ্গলবার এই প্রতিবাদ অভিযানে যোগদান করবে। কোন এলাকায় কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে? কত মানুষ জমায়েত হবে? কোথা থেকে কোন পথ অনুসরণ করে মিছিল করে নবান্নে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে? কেমন করে এবং কত সময় ধরে এই অভিযান নেওয়া হবে? ঠিক কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে, এই বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগে থেকে যাতে পার্কিং-এর ব্যবস্থা করা যায় সেই জন্য কত গাড়ি আসবে, এই সব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, রাজ্যের প্রধান সচিবালয় নবান্ন এলাকায় সব সময় ভারতীয় নাগরিক সংহিতার ১৬৩ (ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪) ধারা বলবৎ থাকে। যারা এদিনের কর্মসূচিতে যোগদান করবে তারা যেন আইন মেনে চলে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখে।

    আয়োজকের বক্তব্য

    এদিকে পুলিশের এই নোটিশ সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের পক্ষে আয়োজক শুভঙ্কর বলেন, “আমাকে পুলিশ অনেকবার ফোন করেছে। পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠী স্বয়ং কথা বলেছেন। বিষয় সম্পর্কে আমরা জানিয়ে দেব। তবে কত সংখ্যা হবে, এই মুহূর্তে বলা সম্ভবপর নয়। তবে ন্যায় বিচারের (RG Kar) জন্য প্রচুর মানুষ যোগদান (Nabanna Abhijan) করবেন। পুলিশ অযথা বাধা প্রদান না করে, আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করলে ভালো হবে।”

    আরও পড়ুন: সন্দীপের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই

    নিরাপত্তায় ২১০০ পুলিশ

    আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে ছাত্র অভিযানের (Nabanna Abhijan) কথা মাথায় রেখে পুলিশ যে আশঙ্কিত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যে নবান্নের নির্দেশে জানা গিয়েছে, পুলিশ সুপার, ডিসিপি বা কমান্ডান্ট পদমর্যাদার ১৩ জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এডিসিপি পদের ১৫ জন, ডেপুটি পুলিশ সুপার বা এসিপি পদের ২২ এবং ২৬ জন ইনস্পেক্টর আন্দোলন ঠেকাতে নামানো হবে। পুলিশ কর্মীদের শিলিগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, নদিয়া, দুই মেদিনীপুর, হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, সুন্দরবন এলাকা থেকে আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে র‌্যাফ, ইএফআর, স্ট্রাকো বাহিনীর জওয়ান-সহ প্রায় ২১০০ পুলিশকর্মী নিযুক্ত থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সন্দীপের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই

    RG Kar Incident: সন্দীপের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) আরও গাড্ডায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের এই প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই (cbi)।

    দায়ের এফআইআর (RG Kar Incident)

    শনিবার সন্দীপের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় নথি সিবিআইকে হস্তান্তর করেছে সিট। সেই নথি পেয়েই মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আরজি করের ঘটনায় সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করছে তাঁকে। এর পাশাপাশি হাইকোর্টের নির্দেশে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগেরও তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই দায়ের হল মামলা। সন্দীপের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে আগেই সিট গঠন করেছিল রাজ্য। তবে সিটের হাত থেকে সেই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে দেয় হাইকোর্ট। তার পরেই এদিন নিজাম প্যালেসে গিয়ে যাবতীয় নথি সিবিআইকে হস্তান্তর করেন সিটের আধিকারিকরা। যাবতীয় নথি হাতে পাওয়ার পর সন্দীপের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর।

    একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ

    আরজি করকাণ্ডে সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে (RG Kar Incident)। এর মধ্যে রয়েছে মর্গ থেকে দেহ পাচার, টেন্ডার দুর্নীতি, হাসপাতালের বায়ো মেডিক্যাল ওয়েস্ট পাচার-সহ নানা অভিযোগ। অ্যান্টি কোরাপশন ইউনিটেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল (RG Kar Incident) কলেজ হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে উদ্ধার হয় বছর একত্রিশের এক মহিলা ট্রেনি চিকিৎসকের দেহ। অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধর্ষণ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজ্য তো বটেই গোটা দেশ তোলপাড় হয়।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় এল বিশেষ সিবিআই দল, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু

    ১৬ অগাস্ট রাজ্য সরকারের তরফে গঠন করা হয় সিট। দোষীর শাস্তির দাবিতে পথে নামে জনতা। ঘোলাজলে মাছ ধরতে পথে নেমে পড়েন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই ‘আই ওয়াশে’র বেলুন যায় চুপসে। কারণ প্রশ্ন ওঠে, মুখ্যমন্ত্রী কার কাছে দাবি জানাচ্ছেন? সিটের তদন্তে আস্থা নেই বলে দাবি করেন বিরোধীরা। ইডিকে তদন্তভার দেওয়ার দাবি জানানো হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এর (Sandip Ghosh) পরেই সিবিআইকে আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তভার দেওয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট (RG Kar Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: কলকাতায় এল বিশেষ সিবিআই দল, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু

    RG Kar Incident: কলকাতায় এল বিশেষ সিবিআই দল, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) ওই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)-সহ ৭ জনের পলিগ্রাফ টেস্ট করার অনুমতি দিয়েছিল শিয়ালদার অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সেই মতো আজ, শনিবার কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে পলিগ্রাফ টেস্ট প্রক্রিয়া শুরু হল সন্দীপ ও বাকিদের। এজন্য দিল্লি থেকে সিবিআইয়ের একটি দল এসেছে কলকাতায়।

    পলিগ্রাফ টেস্ট (RG Kar Incident)

    এদিনই প্রত্যেকের পলিগ্রাফ টেস্ট করানো হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। এদিন রাতে আরজি করে ট্রেনি চিকিৎসক খুনে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের পলিগ্রাফও টেস্ট করতে পারেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। এদিন সকালেই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান সন্দীপ। তার আগেই তিনি টেস্টে সম্মতি দিয়েছিলেন। তাঁর সম্মতি মেলার পরেই আয়োজন করা হয় পলিগ্রাফ টেস্টের। সিবিআইয়ের আধিকারিকদের পাশাপাশি এদিন সিজিওতে এসেছেন (RG Kar Incident) কলকাতা পুলিশের চার আধিকারিকও।

    সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট জরুরি

    সন্দীপ ছাড়াও আরজি করের চার ডাক্তারি পড়ুয়া এবং মূল অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের ঘনিষ্ঠেরও পলিগ্রাফ টেস্ট করানো হবে। জানা গিয়েছে, এক সঙ্গে সকলের টেস্ট করানো হবে না। পরীক্ষা করানো হবে এক এক করে ছ’জনের। ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার রয়েছে জেল হেফাজতে। সিবিআই সূত্রে খবর, তারও পলিগ্রাফ টেস্ট করানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তবে তার টেস্ট জেলের ভেতরে হবে নাকি বাইরে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সঞ্জয়কে ভোর চারটে নাগাদ সেমিনার হলে ঢুকতে দেখা গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজে। তাকে বের হতে দেখা গিয়েছে ৪টে ৪০ মিনিট নাগাদ। এই সময়ই ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। তাই সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করা জরুরি।   

    আরও পড়ুন: “ইউক্রেন-রাশিয়ায় শান্তির সূর্যোদয় দেখতে চাই”, জেলেনস্কিকে বললেন মোদি

    অভিযুক্ত মিথ্যে বলছে কিনা, তা যাচাই করার পরীক্ষাই হল পলিগ্রাফ টেস্ট। জিজ্ঞাসাবাদের সময় বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে এই পরীক্ষা হয়। পরীক্ষার আগে সম্মতি নিতে হয় তাঁর, যাঁর পলিগ্রাফ টেস্ট করানো হবে। পলিগ্রাফ টেস্টের সময় চার থেকে ছ’টি সেন্সর ব্যবহার করা হয়। এই পরীক্ষার সময় একটি মেশিন ব্যবহার করা হয়। সেখানে এই সেন্সর থেকে একাধিক তরঙ্গ সংকেত গ্রাফ নকশা করা কাগজের একটি স্ট্রিপে রেকর্ড করা (Sandip Ghosh) হয়। সেই গ্রাফ খুঁটিয়ে দেখেই বোঝা যায়, যাঁর টেস্ট নেওয়া হচ্ছে, তিনি সত্যি বলছেন, নাকি মিথ্যে (RG Kar Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share