Tag: rg kar

rg kar

  • Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়ির কাঁটা রাত সাড়ে আটটা ছুঁতেই শুরু হয়ে গেল জুনিয়র (Doctor’s Protest) ডাক্তারদের অনশন (Hunger Strike)। শুক্রবারই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, দাবি পূরণ না হলে শনিবার রাত্রি সাড়ে ৮টা থেকে অনশনে বসবেন তাঁরা। সেই মতো এদিন রাত সাড়ে আটটায় সাংবাদিক বৈঠক করে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিলেন, অনশনে বসছেন ৬ জন জুনিয়র ডাক্তার।

    কী বললেন অনশনকারীরা (Doctor’s Protest)

    তাঁরা বলেন, “এই মুহূর্ত থেকে আমরণ অনশনে বসতে চলেছি। তবে কাজে ফিরছি। অবশ্য খাবার খাব না।” এদিন প্রথম দফায় যে ছ’জন অনশনে বসেছেন, তাঁরা হলেন অর্ণব মুখোপাধ্যায়, এসএসকেএম, নেফরো বিভাগ, পিডিটি, অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজি, প্রথম বর্ষ, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, প্যাথলজি, পিজিটি, কেপিসি কলেজ, পুলস্ত্য আচার্য, প্রথম বর্ষ, অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগ, এনআরএস, তনয়া পাঁজা, এসআর, ইএনটি, এমসিকে এবং স্নিগ্ধ হাজরা, রেডিও থেরাপি এসআর, এমসিকে। যাঁরা অনশনে শামিল হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কোনও জুনিয়র ডাক্তার নেই বলেই জানান আন্দোলনকারীরা।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা

    তাঁরা বলেন, “দাবি পূরণ না হলে বা মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁরা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী। তবে তাঁদের কিছু হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। আজ যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কেউ নেই।” অনশনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। মঞ্চে কী হচ্ছে, তা সবাই দেখতে পাবেন বলেই এই ব্যবস্থা। আন্দোলনকারীরা বলেন, “আমরা তো বারবার (Doctor’s Protest) রাজ্য সরকারের কাছে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছি। অনশনের প্রশ্নেও স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলব। অনশন মঞ্চে সিসিটিভি বসাবো। সবাই দেখতে পাবেন অনশন মঞ্চ কী হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    তাঁরা বলেন, “আমাদের আশা এরপর যখন আমরা খাবার মুখে তুলব, তখন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষ ভয়ের রাজনীতি নিয়ে সোচ্চার হবেন। জনস্বাস্থ্যের প্রশ্নে রাজ্যের প্রতিটি মানুষ মৌলিক প্রশ্ন করবেন। হাসপাতালে যখন কোনও রোগী বেড পান না, তার জন্য আসলে দায়ী কারা? আমরা আশা (Hunger Strike) রাখব, এই প্রশ্নগুলি মানুষ পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে দেবেন (Doctor’s Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: মেয়ের যন্ত্রণায় মুখ ঢেকেছেন মা! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ কাঁকুড়গাছির মণ্ডপে

    RG Kar: মেয়ের যন্ত্রণায় মুখ ঢেকেছেন মা! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ কাঁকুড়গাছির মণ্ডপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদের ছোঁয়া দেখা গেল দুর্গা প্রতিমা নির্মাণেও। মেয়ের যন্ত্রণা দেখে মুখ ঢাকছেন মা! এই থিমেই দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেছে কাঁকুড়গাছির একটি পুজো। 

    থিমের নাম ‘লজ্জা’

    কাঁকুড়গাছি শ্রী শ্রী সরস্বতী ও কালীমাতা মন্দির পরিষদের এবারের পুজোয় এমনই অভিনব প্রতিবাদ ধরা পড়েছে। কাঁকুড়গাছির এই পুজোয় মাতৃমূর্তিও তৈরি করা হয়েছে একেবারে বিবর্ণ প্রকৃতির। হাতে কোনও অস্ত্র রাখা হয়নি। পায়ের কাছে অসুর হত অবস্থায় রয়েছে। লজ্জায় (RG Kar) মাথা নুইয়ে রয়েছে মায়ের প্রিয় বাহন সিংহ। মাতৃমূর্তির পাদদেশে রয়েছে নির্যাতিতার শরীরের প্রতিকৃতি। থিমের নাম রাখা হয়েছে ‘লজ্জা’। থিমের অঙ্গ হিসেবে মণ্ডপে রাখা হয়েছে একটি অ্যাপ্রন ও স্টেথোস্কোপ। আরজি করের ঘটনার প্রতিচ্ছবি মণ্ডপেও ফুটে উঠেছে এভাবেই। অন্যদিকে, মমতা সরকারকে কটাক্ষ করে মণ্ডপের গায়ে একটি ভাঁড়ার তৈরি করা হয়েছে। তার গায়ে পাঁচশো ও হাজার টাকার নোটের ছবি দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হিসেবে উদ্যোক্তা বিশ্বজিৎ সরকার জানাচ্ছেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রতীক এটি। মানুষকে এভাবেই জনমোহিনী প্রকল্পের সুবিধা দিয়ে ভোলানোর চেষ্টা করছে সরকার। এর তলায় চাপা পড়ে যাচ্ছে যাবতীয় অপরাধ।

    বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এই পুজো 

    জানা গিয়েছে, এই পুজো ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। তিনি ২০২১ সালে খুন হন শাসকদলের দুষ্কৃতীদের হাতে, এমনটাই অভিযোগ। তারপর থেকে নিহত অভিজিৎ-এর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার এই পুজোর দায়িত্ব নেন। বিশ্বজিৎ সরকার সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, ‘‘কামদুনি, হাঁসখালি, আরজিকর (RG Kar), ভোটপরবর্তী হিংসা — সব কিছুকে মাথায় রেখেই এই বিশেষ থিম। রাজ্যে মহিলারা কীভাবে সন্ত্রাসের শিকার হয়, সেই বাস্তবই মনে করিয়ে দিতে চায় এই থিম। মেয়েদের কষ্টে, যন্ত্রণায় মা কষ্ট পাচ্ছেন। লজ্জায়, কষ্টে ও দুঃখে মুখ ঢাকছেন নিজের। সেটি বোঝাতেই প্রতিমার আদল গড়া হয়েছে এমনভাবে। মহিলাদের ওপর সমস্ত অত্যাচারের প্রতীকরূপেই এই থিম (Durga Puja 2024) বেছে নেওয়া হয়েছে।’’

    বিগত বছরগুলিতে কাঁকুড়গাছি দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2024) থিম-

    ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদকে পুজোর থিম করা হয়েছিল।

    ২০২২ সালে ‘মায়েদের কান্না রক্তাক্ত বাংলা’ নামের থিম হয় ৷

    ২০২৩ সালে ভারতমাতা মোদির হাতে দেশের ম্যাপ তুলে দিচ্ছেন, এই থিম দেখা গিয়েছিল।

    ২০২৪ সালে আরজি করের নৃশংসতার প্রতিবাদ জানিয়ে থিম করলেন উদ্যোক্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: পুলিশের হুমকিতে বেপাত্তা ডেকোরেটর! বৃষ্টি মাথায় ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    Junior Doctor: পুলিশের হুমকিতে বেপাত্তা ডেকোরেটর! বৃষ্টি মাথায় ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে হাতে স্টেথো ধরেন অথবা অস্ত্রোপচার করেন, সেই হাতেই শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে মঞ্চ বাঁধলেন চিকিৎসকরা। বৃষ্টি মাথায় দিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) নিজেরাই বাঁধলেন নিজেদের ধর্না মঞ্চ। এমনিতেই কর্মবিরতি তুলে নিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফিরেছেন কাজে। তবে, আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতার ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের মঞ্চ ছেড়ে নড়তে নারাজ তা বুঝিয়ে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    ডেকোরটরদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ (Junior Doctor)

    কয়েকদিন আগে যখন স্বাস্থ্য ভবনের সামনে চিকিৎসকদের (Junior Doctor) অবস্থান চলছিল, তখন অভিযোগ ওঠে, ডেকোরেটরদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। না বলে-কয়েই ত্রিপল, ফ্যান খুলে নিয়ে গিয়েছিলেন কেউ কেউ। আর শুক্রবার রাতে ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধতেই ডেকোরেটরদের বাধা দেওয়া হল বলে অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। হুমকিও দেওয়া হয়। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মধ্যরাতে বাঁধা হল সেই মঞ্চ। ধর্নাস্থলে মঞ্চ বাঁধতে গিয়ে পুলিশি ‘বাধা’র সম্মুখীন হতে হল জুনিয়র ডাক্তারদের। তাঁদের অভিযোগ, ধর্নাস্থলে মঞ্চ বাঁধতে দিচ্ছে না পুলিশ। ভীত এবং সন্ত্রস্ত ডেকোরেটরের কর্মীরা কাজ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে পুলিশ মৌখিক অনুমতি দিলেও এখন মঞ্চ বাঁধতে দিচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: জয়নগরে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন

    দাবি না মানলে আমরণ অনশন!

    রাত বাড়ার পর নিজেরাই মঞ্চ বাঁধার কাজে হাত লাগান চিকিৎসকেরা। কেউ ত্রিপল ধরে রইলেন, কেউ বাঁশের উপর উঠে দড়ি বাঁধলেন। রাতেই তৈরি হল মঞ্চ। ধর্নামঞ্চে একটি বড় ঘড়ি নিয়ে আসেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। সেই ঘড়িকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা (Junior Doctor)। শনিবার সকালে দেখা গেল, নিজেদের তৈরি সেই মঞ্চেই বসে আছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। ন্যায়বিচারের দাবিতে যে তাঁরা কতটা অনড়, সেই মনোভাবই কার্যত এদিন বুঝিয়ে দিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই ঘটনার মোটিভকে সামনে আনতে হবে। শনিবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না। প্রয়োজনে আমরণ অনশন শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ঘটনার দিন বার বার কাকে ফোন? সিবিআই-এর হাতে সন্দীপ ঘোষের কল লিস্ট

    RG Kar Incident: ঘটনার দিন বার বার কাকে ফোন? সিবিআই-এর হাতে সন্দীপ ঘোষের কল লিস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের দিন একাধিকজনকে বার বার ফোন করেছিলেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তদন্তে এমনই দাবি করেছে সিবিআই। বার বার ফোনে বার্তালাপ করেন টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলও, দাবি সিবিআই-এর। সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) কল লিস্ট হাতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই রিপোর্ট থেকেই এই বিষয়টি জানা গিয়েছে বলে খবর। 

    কল ডিটেইলস থেকে কী জানার চেষ্টা?

    শুরু থেকেই এই ঘটনায় বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে আরজি কর (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ তথা তদানীন্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা। প্রশ্ন উঠেছে কলকাতা পুলিশের তদন্ত নিয়েও। পরবর্তীতে গ্রেফতারও হয়েছেন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। প্রথমে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেও পরে সন্দীপ ঘোষকেও খুন-ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার করা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, ঘটনার দিন খুন ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ৯ তারিখ সকাল থেকেই একাধিক ফোন করেছিলেন সন্দীপ ও অভিজিৎ। কাদের কাদের ফোন করা হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতেই এবার এগোবে তদন্তের গতিপ্রকৃতি। এছাড়া ঘটনার দিন হাসপাতালে বেশ কিছু বহিরাগতের প্রবেশ ঘটেছিল বলেও জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে কাউকে সন্দীপ বা অভিজিৎ ফোন করেছিলেন কিনা, তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে

    সন্দীপ-আশিস যোগ

    তদন্তে বিভ্রান্তি তৈরি এবং দুর্নীতির অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে আশিস পাণ্ডেকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। ধৃতকে আদালতে তোলা হলে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। বিচারক তা মঞ্জুর করেছেন। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, আরজি করের থ্রেট কালচার ও দুর্নীতির মূলে যারা ছিল, আশিস তাদেরই অন্যতম। কাকে রাখা হবে, কাকে বদলি করা হবে, সেই দায়িত্বও নাকি সন্দীপের হয়ে দেখতেন প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতা। বৃহস্পতিবার আশিসকে গ্রেফতারের সময় তাঁর ফোনও বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থনে প্রতীকী কর্মবিরতি সিনিয়রদের

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থনে প্রতীকী কর্মবিরতি সিনিয়রদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে, জুনিয়রদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে এবার কর্মবিরতি পালন করলেন সিনিয়র ডাক্তাররাও। তবে সবটাই হল প্রতীকী।  শুক্রবার এক ঘণ্টার কর্মবিরতিতে গেলেন সিনিয়র চিকিৎসকরা। আরজি করে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বিচার চেয়ে এবং হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি পালন করছেন। তাঁদের আন্দোলনকে সমর্থন করেই শুক্রবার এক ঘণ্টার কর্মবিরতিতে যোগ দিলেন এনআরএসের সিনিয়র ডাক্তাররা।

    এক ঘণ্টার কর্মবিরতি

    জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন নিয়ে বৃহস্পতিবার এনআরএসের চিকিৎসক এবং চিকিৎসক পড়ুয়াদের কাউন্সিলের একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকেই পড়ুয়াদের তরফে শুক্রবার এক ঘণ্টার জন্য প্রতীকী কর্মবিরতি পালনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কলেজ কাউন্সিল প্রস্তাবে সায় দেয়। এনআরএস হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন। তাঁদের সঙ্গে শুক্রবার যোগ দিলেন সিনিয়ররাও। শুক্রবার সকালে এক ঘণ্টার জন্য ওই হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তার এবং মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপকরা কর্মবিরতি পালন করেন। সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে সিনিয়রদের কর্মবিরতি।

    আরও পড়ুন: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে

    বিকল্প পদ্ধতির চিন্তা

    জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের পাশে থাকলেও সিনিয়ররা কিন্তু পূর্ণ কর্মবিরতি চাইছেন না। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বিকল্প পদ্ধতির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে সিনিয়র ডাক্তারদের তরফে।  সিনিয়রদের একাংশের মতে, আন্দোলন যেমন চলছে তেমন চলুক। তবে পূর্ণ কর্মবিরতি তুলে নেওয়া হোক। আংশিক কর্মবিরতি চলতে থাকুক। কাজে ফিরুন জুনিয়র ডাক্তাররা। তবে শেষ পর্যন্ত জুনিয়র ডাক্তাররা কী সিদ্ধান্ত নেনে সেটাও দেখার। তাঁরা দফায় দফায় জিবি মিটিং করছেন। আজ, শুক্রবারই হয়তো এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তাঁরা। এনআরএসের এক জুনিয়র ডাক্তার পুলস্ত্য আচার্য জানিয়েছেন, পূর্ণ কর্মবিরতির পথে না হেঁটে তার বিকল্প কী হতে পারে, সে বিষয়ে ভেবে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করে আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার সন্দীপ ঘনিষ্ঠ টিএমসিপি নেতা আশিস পান্ডে

    RG Kar: আরজি করে আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার সন্দীপ ঘনিষ্ঠ টিএমসিপি নেতা আশিস পান্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতার করল সিবিআই। ধৃত ব্যক্তি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রভাবশালী নেতা-চিকিৎসক আশিস পান্ডে। তিনি সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। এর আগে সিবিআই (CBI) দফতরে একদিন হাজিরাও দিতে হয়েছিল তাঁকে। রাজ্য সরকারি হাসপাতালগুলিতে থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা, সেখানেও ওই আশিসের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁকে সিবিআই (CBI) দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেসময় জুনিয়র ডাক্তাররা আশিসকে তাড়াও করে।

    মাথায় হাত ছিল শ্রীরামপুরের বিধায়কের (RG Kar)

    শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের (RG Kar) ছত্রছায়াতে থেকেই আরজি করের প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিল আশিস। হাসপাতালগুলিতে সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শাসক দলের অন্দরের খবর, আশিসের মাথার উপর হাত ছিল অনেকজনেরই। অনেকে আবার এও বলেন, সন্দীপ তো আশিসের ঘনিষ্ঠ ছিলই, এর পাশাপাশি শ্রীরামপুরের বিধায়ক তথা রোগী কল্যাণ সমিতির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের হাতও ছিল আশিসের মাথায়।

    একাধিক অভিযোগ

    শাসক দলের এই ছাত্রনেতা গ্রেফতার (RG Kar) হতেই তাঁর নানা অপকীর্তি সামনে আসতে শুরু করেছে। হাসপাতালে হস্টেলগুলিতে দাদাগিরি চালানো, প্রাক্তন ছাত্রদের ইউনিয়ন রুমে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া, এর পাশাপাশি ফেস্টের নামে অবৈধভাবে টাকাও তুলত আশিস। বেআইনিভাবে কোয়ার্টারগুলিতে হাউস স্টাফও বসাতেন তিনি। এছাড়া ওষুধ, মেডিক্যাল বর্জ্য, চিকিৎসার সরঞ্জাম নিয়ে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাতেও আশিস যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ।

    ক্ষোভ শান্তনুরও 

    রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেনও আশিসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। প্রসঙ্গত, আরজি করের প্রতিবাদ জানানোয়, শান্তনুকে আগেই পদ থেকে ছেঁটেছে তৃণমূল। চিকিৎসক শান্তনুর মেয়েও আরজি করের (RG Kar) ছাত্রী। শান্তনু বলেন, ‘‘এই আশিস আমার মেয়েকে মধ্যরাতে ফোন করে মানসিক নির্যাতন করেছিল। সেই অডিও রেকর্ডও আমার কাছে রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে আমার মেয়েকে প্রকাশ্যে হুমকিও দিয়েছিল এই পাণ্ডা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: টালিগঞ্জে ‘রাত দখল’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের হামলা, জল গড়াল হাইকোর্টে

    Calcutta High Court: টালিগঞ্জে ‘রাত দখল’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের হামলা, জল গড়াল হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর ইস্যুতে টলিগঞ্জে ‘রাত দখল’ কর্মসূচিতে হামলার ঘটনার জল গড়াল এবার হাইকোর্টেও (Calcutta High Court)। মূলত, ‘রাত দখল’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল। তৃণমূল কাউন্সিলরের মদতে ওই কর্মসূচিতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। মহিলাদের মারধর করারও অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী শামিম আহমেদ। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। শুক্রবার মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Calcutta High Court)

    আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার প্রতিবাদে ১ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে রাত দখলের ডাক দিয়ে প্রতিবাদ মিছিল (Calcutta High Court) হয়। টালিগঞ্জের করুণাময়ী এলাকাতেও একটি মিছিল হয়। অভিযোগ সেখানে অতর্কিত হামলা করেন ১১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর রত্না শূর এবং তাঁর লোকজন। আগাম অনুমতি নিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালীন হামলার সময় পুলিশ ঘটনার সময় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। এক আন্দোলনকারী বলেন, “প্রণব রায়, গোড়া রায় নামে গুন্ডারা এসে ট্রাফিক কন্ট্রোল করা শুরু করে। সেখান থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। রত্না শূর নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এই হামলা সংগঠিত করিয়েছেন। বাচ্চাদের মহিলা, বয়স্কদেরও মেরেছে।”আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। সেই কারণে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে ফের নিম্নচাপ! ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরেও বৃষ্টির সম্ভাবনা!

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল কাউন্সিলর অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ (Calcutta High Court) অস্বীকার করেন। রত্না শূর বলেছিলেন, “কালো গেঞ্জি পরা একটা মেয়ে তাঁকে ‘চটি চাটা চটি চাটা’ বলে আঙুল তুলে ধমকাচ্ছিল।” তিনি এও বলেন, “আমার নেতৃত্বে হামলা হচ্ছে। আমার নেতৃত্বে হলে তো আমার ১০০ লোক জড়ো করার ক্ষমতা রয়েছে। এই সব তো আমি জানিই না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santosh Mitra Square: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন

    Santosh Mitra Square: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হয়েছে। এখনও আন্দোলন জারি রেখেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সাধারণ মানুষও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। এই আবহের মধ্যে এবছরের পুজোয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার কথা ঘোষণা করল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) পুজো কমিটি। ইতিমধ্যেই পুজো কমিটির কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তবে, পুজোতে আর কী কাটছাঁট করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

    প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন (Santosh Mitra Square)

    এলাকার কয়েক হাজার মা-বোনেদের হাতের জ্বলন্ত প্রদীপ শিখায় মাকে আবাহন করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যে ৭টা থেকে ৯টা এই প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠান হবে। মায়ের কাছে প্রার্থনা করা হবে, যাতে পশ্চিমবঙ্গে অভয়া-নির্ভয়াদের পুনরাবৃত্তি না হয়। উল্লেখ্য, বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলে খ্যাত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের (Santosh Mitra Square) আয়োজন নিয়ে প্রতি বছরই আগাম কৌতূহল থাকে। গত বছর এখানেই করা হয়েছিল রামমন্দির। পুজো উদ্বোধনে এসেছিলেন খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এবারেও জাঁকজমকের প্রস্তুতি ভালোই ছিল। জানা গিয়েছিল, আমেরিকার লাস ভেগাস শহরের বিখ্যাত স্ফিয়ারের অনুকরণে আলোর গোলক থিমে সাজবে মণ্ডপ। কিন্তু, এবছর পুজোর আগে বদলে যায় শহরের পরিস্থিতি।

    আরও পড়ুন: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    ঢাকের বাদ্যির সঙ্গেই বেজে ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ দাবি

    আরজি কর কাণ্ডে নৃশংস ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে রব ওঠে বিচার চেয়ে। বিতর্ক তৈরি হয় ‘উৎসব’ নিয়েও। এমনিতেই রাজ্যের একাধিক ক্লাব পুজোয় সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিয়ে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কলকাতার পুজোয় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) বাড়তি আকর্যণ। প্রশ্ন ওঠে, এই আরজি করের ঘটনার মাঝে এবার পুজোয় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার কি তাহলে উৎসবে মাতবে? ৩০ সেপ্টেম্বর পুজোর উদ্বোধনের দিন দেখা যায়, মায়ের আগমনে প্রতিবাদের ছবি। চিকিৎসক ধর্ষণ- খুনের বিচার চেয়ে সন্ধ্যা দখল করেন এলাকার মহিলারা। ঢাকের বাদ্যির সঙ্গেই বেজে ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ দাবি। তবে পুজোর আগেই পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে, তাই প্রথমেই বাদ পড়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। পুজোর ক’টা দিন কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় বিরোধী শিবিরের এই পুজোয়, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    RG Kar: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) আন্দোলনের উত্তাপ এখনও রয়েছে রাজপথে। ন্যায়বিচারের দাবিতে দিকে দিকে রাস্তায় নামছেন মানুষজন। নিরাপত্তা-সহ একাধিক দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহে আরজি কর মেডিক্যালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের এক মহিলা পিজিটিকে (Lady Doctor) প্রাণনাশ ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, গতকাল রাতেই বাইক দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। অভিযোগ, চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা ওই মহিলা পিজিটি-র ওপর চড়াও হন। এনিয়ে টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে।

    ঠিক কী ঘটনা? (RG Kar)

    সূত্রের মারফত জানা গিয়েছে, এদিন ভোর তিনটে নাগাদ এক যুবককে আহত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল আরজি করে। এরপর দ্রুততার সঙ্গেই ওই মহিলা চিকিৎসক তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। জানা গিয়েছে, ওই যুবক বাইক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। চিকিৎসার সময় ওই যুবকের হাতে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু তখনই তাঁর হাত দিয়ে রক্ত বেরিয়ে যায়। এর জেরে অন্য যে যুবকরা তাঁকে নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে যান। এরপর তাঁরাই মহিলা চিকিৎসককে (Lady Doctor) অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। এমনকি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে তারা হাসপাতাল (RG Kar) থেকে চলে যান। জানা গিয়েছে, পরে ওই আহতকে অন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই গোটা ঘটনায় চিকিৎসকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় সত্যরঞ্জন মহাপাত্র নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    হাসপাতালগুলিতে হুমকি ও মারধরের পরিবেশ বিন্দুমাত্র বদলায়নি

    নিরাপত্তার দাবিতে বারবার চিকিৎসকরা সরব হলেও হাসপাতালগুলিতে হুমকি ও মারধরের পরিবেশ যে বিন্দুমাত্র বদলায়নি তা বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসছে। গত শুক্রবারই রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়ায়। এক রোগীর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় আহত ৩ জুনিয়র ডাক্তার, নার্স-সহ ৩ স্বাস্থ্যকর্মী ও এক পুলিশকর্মী। বছর ছত্রিশের রঞ্জনা সাউ নামে এক মহিলাকে শুক্রবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে কামারহাটি সাগর দত্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, হাসপাতালে কোনওরকম চিকিৎসা হয়নি রোগীর। এর ফলে মৃত্যু হয় তাঁর। যখন অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে, সেই সময় স্বাস্থ্যকর্মী অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা সফল হয়নি। রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন রোগীর পরিজনরা। হাসপাতালের আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, রোগীর পরিজনরা চিকিৎসকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের ধাক্কাধাক্কি করা হয়। তাঁরা এগিয়ে গেলে তাঁরাও আহত হন।

    আরও কিছু ঘটনা

    ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    সাগর দত্ত মেডিক্যালের পর এবার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে  ওয়ার্ডে ঢুকে রোগীর পরিবারের গুন্ডামি করার অভিযোগ ওঠে গত রবিবারই।

    মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল

    সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের পর মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে হুমকির মুখে পড়তে হয় চিকিৎসক এবং নার্সদের।

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের ভিতরেই এক রোগীর আত্মীয়ের হুমকির মুখে পড়তে হয় এক মহিলা পিজিটি-কে (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: নির্যাতিতার প্রতীকী মূর্তি আরজি কর হাসপাতালে, মহালয়ায় অসুর-নিধনের সুর

    RG Kar Incident: নির্যাতিতার প্রতীকী মূর্তি আরজি কর হাসপাতালে, মহালয়ায় অসুর-নিধনের সুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ২ মাস অতিক্রান্ত, তবু বিচারের দাবি চলছেই। চলছে লড়াই। মহালয়ার দিন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Incident) হাসপাতালে নির্যাতিতা তরুণীর প্রতীকী মূর্তির উন্মোচনও সেই লড়াই-এর অংশ। উৎসব এলেও প্রতিবাদের ভাষা অটুট। এদিন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালের প্ল্যাটিনাম জুবিলি হলের সামনে বসানো হল নির্যাতিতার মূর্তি। মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা পর্বের দিনটিকেই মূর্তি স্থাপনের জন্য বেছে নেওয়া হয়। জুনিয়র চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রতীকী মূর্তির সামনেই বিচারের দাবি

    স্বাস্থ্য ভবনের অদূরে অবস্থান-বিক্ষোভের সময়েই জুনিয়র ডাক্তারেরা প্রতীকী মূর্তি উন্মোচনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। জানানো হয়েছিল, মহালয়ার দিনেই মূর্তি উন্মোচন করা হবে আনুষ্ঠানিক ভাবে। সেই মতো বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ মূর্তি উন্মোচিত হয়। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Incident) হাসপাতাল চত্বরে বসানো হয়েছে সেই মূর্তি। প্রতীকী মূর্তির কাছে আন্দোলনের বিভিন্ন মূহূর্তের ছবিও টাঙানো হয়েছে। মূর্তি উন্মোচনের পাশাপাশি পথনাটিকার মধ্যে দিয়ে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা। কেউ কেউ ছবি এঁকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নাটকে-ছবিতে-ভাষ্যে মূর্তির সামনে তৈরি হয়েছে প্রতিবাদের মঞ্চ।

    আরও পড়ুন: ‘দেবীপক্ষ চলে এল, অসুর নিধন হবেই’, আরজি কর-কাণ্ডে বললেন নির্যাতিতার মা

    বিনা পারিশ্রমিকে মূর্তি নির্মাণ

    আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফাইবারের তৈরি মূর্তিটির সঙ্গে ধর্ষিতা এবং নিহত চিকিৎসক পড়ুয়ার চেহারার কোনও মিল নেই। এক নারীর যন্ত্রণার অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আবক্ষ মূর্তিটিতে। ভাস্কর অসিত সাঁই বিনা পারিশ্রমিকে ফাইবার গ্লাসের এই মূর্তিটি তৈরি করে দিয়েছেন। সেই মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে নতুন করে লড়াইয়ের শপথ নিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বার্তা দেওয়া হল, এই নারকীয় ঘটনার কথা যেন কেউ ভুলে না যায়। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত ভার রয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share