Tag: Sandeshkhali

Sandeshkhali

  • Sandeshkhali Incident: ‘‘নির্ভয়ে কথা বলুক নির্যাতিতারা’’, সন্দেশখালিতে জাতীয় মহিলা কমিশন

    Sandeshkhali Incident: ‘‘নির্ভয়ে কথা বলুক নির্যাতিতারা’’, সন্দেশখালিতে জাতীয় মহিলা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা চাই ওঁদের পুরো বিচার মিলুক।” সোমবার কথাগুলি বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলতে না দেওয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন রেখা। তিনি বলেন, “সন্দেশখালিতে গিয়েও পুলিশের বাধায় নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেননি জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা। তাই আমাকে সন্দেশখালি যেতে হচ্ছে।”

    ‘অশান্তির খবর আসছে’

    এদিনই দিল্লি থেকে কলকাতায় নেমে সন্দেশখালির উদ্দেশে যাত্রা করেন রেখা। তিনি বলেন, “সন্দেশখালি থেকে অশান্তির খবর আসছে। আমাদের একজন সদস্য অনুসন্ধান করে এসেছেন। পুলিশের কারণে তিনি অনেক নির্যাতিতার কাছে পৌঁছতে পারেননি। এবার আমি যাচ্ছি। আমার কথা হয়ে গিয়েছে। আমি চাই ওঁরা পুরো বিচার পান। যিনিই নির্যাতিতা হোন না কেন, তিনি সামনে এসে আমার সঙ্গে কথা বলুন। কেউ যেন ভয় না পান। কারণ নির্যাতিতাদের কথা শোনার জন্য আমরা তিনজন মহিলা রয়েছি। আমরা ওঁদের পাশে রয়েছি।” জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) গিয়ে নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলতে চান রেখা। পরে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও স্থানীয় থানার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও তিনি কথা বলবেন। সন্দেশখালির পরিস্থিতি সম্পর্কে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকেও অবহিত করবেন বলে জানান রেখা।

    ‘পুলিশ সব কিছু চাপা দিয়ে রাখে’

    জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা বলেন, “অভিযোগ এলেও, পুলিশ সব কিছু চাপা দিয়ে রাখে। প্রশাসন কানে নেয় না। আজ জানতে পারলাম ডিএম বাইরে রয়েছেন। আমি ঘটনাস্থলে গেলে কোনওদিনই ডিএম-এসপিদের দেখা পাই না। প্রত্যেকবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে দেন না তাঁদের প্রশাসনিক স্তরের অফিসারদের। সত্য যাতে বেরিয়ে না আসে, এই এমন ব্যবস্থা। কিন্তু প্রকৃত সত্য সব সময় বাইরে বেরিয়ে আসবেই।”

    আরও পড়ুুন: মিষ্টি-মাংসের দোকানে শিবু-উত্তম বাহিনীর হাজার হাজার টাকা বাকি, শিবিরে শুনলেন আধিকারিকরা

    জানা গিয়েছে, এদিন সন্দেশখালি যাওয়ার সময় রেখার সঙ্গে রয়েছেন গত সপ্তাহে জাতীয় মহিলা কমিশনের যেসব প্রতিনিধি গিয়েছিলেন, তাঁরাও। সন্দেশখালি পৌঁছে রেখা সটান ঢুকে পড়েন এক নির্যাতিতার বাড়িতে। কথা বলেন ওই মহিলা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। তার আগে রেখা বলেন, “সকলের মধ্যে থেকে ভয় দূর করতে হবে। অভিযুক্ত গ্রেফতার হলে বাকিদেরও ভয় কাটবে। আরও অনেক মহিলা সামনে আসবেন (Sandeshkhali Incident)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali Incident: প্রিভিলেজ কমিটির তলব রাজ্যের ৫ কর্তাকে, স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    Sandeshkhali Incident: প্রিভিলেজ কমিটির তলব রাজ্যের ৫ কর্তাকে, স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) রাজ্যের মুখ্যসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা সহ পাঁচ প্রশাসনিক কর্তাকে তলব করেছিল লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি (প্রিভিলেজ কমিটি)। তার বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যসচিব। সোমবার তাতে স্থগিতাদেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।

    স্থগিতাদেশ জারি সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন বিষয়টিতে আইনজীবী কপিল সিব্বাল দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চের। একই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিও। তার পরেই স্থগিতাদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) যাওয়ার পথে হামলা হয় বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ওপর। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ঘটনাটি জানিয়ে লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটিকে চিঠি দেন সুকান্ত। চিঠি দেন লোকসভার স্পিকারকেও। তাঁর অভিযোগ, সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় অন্যায়ভাবে তাঁকে হেনস্থা করেছে পুলিশ।  

    স্বাধিকার রক্ষা কমিটির তলব 

    তার পরেই লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি মুখ্য সচিব ছাড়াও তলব করে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী, বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমান এবং বসিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষকে। ১৯ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁদের কমিটির সামনে হাজির হতে বলা হয়। তার আগেই সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যসচিব।

    রাজ্য প্রশাসনের তরফে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে জানানো হয়েছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তাই এখনই তাঁদের পক্ষে দিল্লি যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। দিন পিছনোর আর্জিও জানানো হয় রাজ্যের তরফে। এর পাশাপাশি সংসদীয় কমিটির নোটিশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জও করে নবান্ন।

    আরও পড়ুুন: মিষ্টি-মাংসের দোকানে শিবু-উত্তম বাহিনীর হাজার হাজার টাকা বাকি, শিবিরে শুনলেন আধিকারিকরা

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে মিটিংয়ের নামে মহিলাদের তৃণমূলের পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত বলে অভিযোগ। প্রথমে কিছুক্ষণ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হলেও, পরে বাছাই করা কয়েকজন মহিলাকে পার্টি অফিসে কিংবা এলাকার একটি বাগান বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হত। এই প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলারা। সেই নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়াতেই সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) যাচ্ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শিবু

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শিবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident)  গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শিবু হাজরা। তৃণমূলের আর এক নেতা পলাতক শেখ শাহজাহানের সাগরেদ ছিল শিবু। শনিবার ন্যাজাট থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সন্দেশখালিকাণ্ডে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার ধারা যোগ করেছে পুলিশ। তাতে নাম রয়েছে শিবু ও বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারের। মামলা রুজু হয়েছে খুনের চেষ্টার ধারায়ও। আগেই গ্রেফতার হয়েছিল উত্তম। এদিন ধরা পড়ল শিবুও।

    শাহজাহান কোথায়?

    তবে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত শাহজাহানের টিকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ। বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমান বলেন, “ন্যাজাট থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে শিবপ্রসাদকে (ডাক নাম শিবু। এই নামেই সবাই চেনেন শিবপ্রসাদকে)। রবিবার তাঁকে হাজির করানো হবে আদালতে।” শনিবারই আদালতে সন্দেশখালির এক বধূর গোপন জবানবন্দির ভিত্তিতে শিবু ও উত্তমের বিরুদ্ধে (Sandeshkhali Incident) গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয় পুলিশ। এর পরেই বসিরহাটের পুলিশ জানিয়ে দেয়, কাউকে ছাড়া হবে না। এর পরে পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে একই কথা বলেন রাজ্য পুলিশের ডিআইজি রাজীব কুমার। এরই কিছুক্ষণ পরে গ্রেফতার করা হয় শিবুকে।

    শিবুর গুণপনা

    তৃণমূল নেতা শিবুর গুণপনার শেষ নেই। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ এই নেতা স্থানীয়দের জমি দখল করে ভেড়ি বানিয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে লিজের টাকা দিত না। তৃণমূল নেতা হওয়ায়, তাকে কেউ ঘাঁটাতেও সাহস পেতেন না। স্থানীয়দের অভিযোগ, তৃণমূলের বৈঠকের অছিলায় গ্রামের সুন্দরী মহিলাদের কখনও তৃণমূল পার্টি অফিসে, কখনওবা নিজের খামারবাড়িতে নিয়ে যেত শিবু। কেউ যেতে না চাইলে বাড়িতে সাদা থান পাঠিয়ে দিত। শিবুর ডাকে মহিলারা উপস্থিত হলে কিছুক্ষণ পার্টির কর্মসূচি নিয়ে কথা হত। পরে বাছাই করা (অভিযোগ, যাঁকে যেদিন মনে ধরত শিবুর) কয়েকজনকে থেকে যেতে বলত শিবু ও তার অনুগামীরা। তারপর তাঁদের ওপর হত নির্যাতন।

    আরও পড়ুুন: ফের ভাঙছে কংগ্রেস! বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সপুত্র কমল নাথ?

    ৭ ফেব্রুয়ারির শিবুদের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলারা। ভাঙচুর করা হয় তৃণমূলের তৎকালীন অঞ্চল সভাপতি উত্তমের বাড়ি। শিবুর বাগানবাড়ি ও মুরগির খামারও ভাঙচুর করা হয়। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় মুরগির খামারে (Sandeshkhali Incident)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ধর্ষণের প্রমাণ কোথায়? নির্যাতিতাকে প্রশ্ন পুলিশের! বিস্ফোরক সন্দেশখালির মহিলা

    Sandeshkhali: ধর্ষণের প্রমাণ কোথায়? নির্যাতিতাকে প্রশ্ন পুলিশের! বিস্ফোরক সন্দেশখালির মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) প্রথম থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মহিলারা। গুন্ডা বাহিনী সঙ্গে নিয়ে রাতে মহিলাদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এবার ফের পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ উঠল। সন্দেশখালির এক মহিলার দাবি, থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করতে গেলে পুলিশের একাংশ নাকি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছেন, যৌন নির্যাতন হয়ে থাকলে, তার মেডিক্য়াল রিপোর্ট কোথায়? পুলিশ নির্যাতিতাকে বলে, আপনাদের সঙ্গে যে এরকম হয়েছে, প্রমাণ হিসেবে তার মেডিক্যাল রিপোর্ট দিন। এই চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। সংবাদমাধ্যমের সামনে ওই মহিলার আরও অভিযোগ, ‘‘কোনও দোষী কি দোষ করে আমাদের হাতে মেডিক্য়াল রিপোর্ট গুঁজে দিয়ে গিয়েছে, যে আপনারা গুছিয়ে রাখুন পরবর্তীকালে যখন কোনও কিছু হবে দেখাবেন।’’

    সন্দেশখালির মহিলাদের বক্তব্যে সিলমোহর জাতীয় মহিলা কমিশনের

    এই আবহে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের বক্তব্যকে সিলমোহর দিয়ে সামনে এসেছে জাতীয় মহিলা কমিশনের বিবৃতিও। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি যাবেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। সম্প্রতি, রাজ্যের কমিশনের প্রতিনিধিরা মহিলাদের ধর্ষণের কোনও অভিযোগ পাননি বলে সমাজ মাধ্যমের পাতায় দাবি করে রাজ্য় পুলিশ। তারই পাল্টা বিবৃতি দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশন জানিয়েছে, নির্যাতিতারা শারীরিক এবং যৌন নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন, যা সংগঠিত করেছেন পুলিশ এবং তৃণমূলের সদস্য়রা। জানা গিয়েছে, ২০ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে বৈঠকও করবেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা।

    নারী নির্যাতনের বধ্যভূমি সন্দেশখালি?

    প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলিতে স্থানীয় মহিলারা যে বিবৃতি দিয়েছেন তা আজ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে সভ্যতাকে! সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রধানের দাবি, “বাচ্চাকাচ্চা থেকে শুরু করে বউ-ঝি রাতে ভয়ে বাড়ির বাইরে বেরোতে পারে না। রাত দুটোর সময়ে বলছে, ওমুক জায়গায় যেতে হবে। মিটিং মিছিল করতে হবে। না গেলেই সাদা শাড়ি হাতে ধরিয়ে দেবে। স্বামী ছেলে মেয়ে সন্তান সবাইকে নিয়ে আতঙ্কে রাত কাটাতে হচ্ছে। তাদের ওপর অত্যাচারের হত।” মহিলা প্রধান আরও বলেন, “দিনের পর দিন এই অত্যাচার চলেছে। আমরা শিক্ষিত বাড়ির বউরা সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে বেরোই না।”  সংবাদ মাধ্যম এরপর প্রশ্ন করে, তবে রাত দুটোয় কিসের মিটিং? কেন অতো রাতেই ডাকা হত? এই কথা শুনে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক মহিলার উত্তর, “বোঝো না তোমরা। কীসের মিটিং। কেন বাড়ির বউদের কেন নিয়ে যায় রাত দুটোর সময়ে! আমরা সেসব নোংরা কথা কথা মুখে নিতে পারছি না। ভাল ভাল মেয়েদের বেছে বেছে পেয়ে…।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “আমার শিশুকে ছুড়ে ফেলেছিল পুলিশই!” বিস্ফোরক সন্দেশখালির সেই মহিলা

    Sandeshkhali: “আমার শিশুকে ছুড়ে ফেলেছিল পুলিশই!” বিস্ফোরক সন্দেশখালির সেই মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে যে বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর কোল থেকে তাঁর শিশুকে ছুড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, তাঁর বাড়িতে গেলেন রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিরা। শনিবারই ওই বাড়িতে (Sandeshkhali) মেডিক্যাল টিম পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে।

    কী বললেন চেয়ারপার্সন?

    কমিশনের চেয়ারপার্সন তুলিকা দাস বলেন, “ওঁরা খুব ভয়ে ভয়ে রয়েছেন। বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন না। আমরা শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। ওঁরা যেহেতু বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না, তাই খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি দেখতে বলেছি। ওঁদের বাড়িতে নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আমরা আমাদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর দিয়ে এসেছি ওঁদের। প্রতিদিন সকালে ফোন করে খবর নেব বলে জানিয়েছি।”

    পুলিশে ভরসা নেই!

    তুলিকার কথায় (Sandeshkhali) যে শিশুটির পরিবার বিশেষ ভরসা পাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট তার মায়ের কথায়ই। তিনি বলেন, “আমি ওদের বিশ্বাস করতে পারছি না। যারা আমার বাচ্চাকে ফেলে দিয়েছে, তারা কী তদন্ত করবে?” তিনি বলেন, “আমরা ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারছি না। কমিশনের লোকজন চলে গেলে কী হবে? সব কথাই কমিশনের লোকজনকে জানিয়েছি।” ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত এদিন তাদের ছবি কমিশনের সদস্যদের দেখান ওই মহিলা।

    আরও পড়ুুন: “মমতা দু-তিনজন ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করেন না”, তোপ দিলীপের

    কী বলেছেন ওই মহিলা?

    সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে ওই বিজেপি কর্মীর দিদি বলেন, “ওরা আমার ভাইকে খুন করবে বলে রাত তিনটের সময় তুলে নিয়ে যেতে এসেছিল পুলিশ-প্রশাসন সঙ্গে নিয়ে। ওদের দলে ২৫-৩০ জন ছিল। আমার ভাই বিজেপি করে বলে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশের কাছে কী অভিযোগ জানাব? পুলিশ তো নিজেই ছিল এখানে। সন্দেশখালি ও হিঙ্গলগঞ্জ থানার বড়বাবুরা ছিলেন। শিশুটিকে পুলিশ নিজেই ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। তৃণমূলের লোকজন আমাদের তুলে নিয়ে যাবে বলে হুমকি দিচ্ছে।” শিশুটির (Sandeshkhali) মা বলেন, “মুখে কালো কাপড় বেঁধে পুলিশ এসেছিল। স্বামীর নাম ধরে ডাকছিল। দরজা না খোলায় গালাগালি করেছিল। সন্দেশখালি থানার একজন আধিকারিক ছিল। ওরা আমার কোল থেকে বাচ্চাটাকে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল। আমার চুলের মুঠি ধরে টেনেছিল। এক পুরুষ পুলিশ কর্মী তো আবার আমার নাইটি ধরেও টেনেছিল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সুকান্ত, আজই যেতে পারেন দিল্লি

    Sukanta Majumdar: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সুকান্ত, আজই যেতে পারেন দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। চলতি সপ্তাহের বুধবার, সরস্বতী পুজোর দিনই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। শনিবার সকালে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল থেকে সুকান্তবাবু বের হতেই পুষ্পবৃষ্টি শুরু করেন অনুরাগীরা। এদিন ছুটি পাওয়ার পর হুইল চেয়ারে করে বের হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বের হতেই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা স্লোগান তোলেন। রাজ্য সভাপতি ধরে গাড়িতে তোলা হয়। দেখা যায় সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট নিয়েই এদিন গাড়িতে ওঠেন সুকান্ত।

    বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধে সুকান্তর। সেসময় পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ চলাকালীনই অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শনিবার থেকেই দিল্লিতে বসছে বিজেপির দু’দিনের রাষ্ট্রীয় অধিবেশন। আজ শনিবার এবং আগামীকাল রবিবার হবে বিশেষ অধিবেশন। মূলত, দিল্লিতে দলের রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে যোগ দেওয়ার প্রবল ইচ্ছের কারণেই চিকিৎসকদের কাছে ছুটির আবেদন জানিয়েছিলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)।  বিজেপি সূত্রে খবর, শনিবারেই বিমান ধরে দিল্লি রওনা যেতে পারেন তিনি।

    বুধবার প্রথমে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে

    বুধবার প্রথমে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। পরে সন্ধ্যায় সুকান্তবাবুকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। বিজেপির রাজ্য নেতারা তাঁকে হাসপাতালে গিয়ে দেখে আসেন। রাজ্যপালও হাজির হন সেখানে সুকান্তকে (Sukanta Majumdar) দেখতে। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও হাজির হন হাসপাতালে। প্রসঙ্গত, প্রথমদিন তাঁকে নিউরো আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ডে-কেয়ার বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে (Sukanta Majumdar)।

    বিজেপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন

    সারা দেশের প্রতিটি রাজ্য থেকে দলের সাংসদ বিধায়ক-সহ জেলা ও রাজ্যস্তরের পদাধিকারীরা যোগ দিচ্ছেন দিল্লিতে। বাংলা থেকেও বিধায়ক সাংসদ-সহ বিভিন্ন দলীয় নেতৃত্ব ও কয়েকশো পদাধিকারী যোগ দিতে ইতিমধ্যে রওনা হয়েছেন দিল্লি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও শনিবারই পৌঁছে যাবেন দিল্লিতে, এমনটাই খবর বিজেপি সূত্রে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমেত গেরুয়া শিবিরের প্রথম সারির মুখরাও উপস্থিত থাকবেন দলের এই বিশেষ অধিবেশনে। রবিবার বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী সুর বেঁধে দেবেন লোকসভা ভোটের প্রচারের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: কেন্দ্রের তলব উপেক্ষা করতে পারেন না রাজীব কুমাররা, মত বিশেষজ্ঞদের

    Sandeshkhali Incident: কেন্দ্রের তলব উপেক্ষা করতে পারেন না রাজীব কুমাররা, মত বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident) জেরে রাজ্য প্রশাসনের ৫ শীর্ষকর্তাকে তলব করেছে লোকসভার স্বাধিকার কমিটি। তলব করা হয়েছে— রাজ্যের মুখ্যসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী, বসিরহাটের পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষকে। সেই ডাকে তাঁরা সাড়া দেবেন কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। বিশেষজ্ঞদের সিংহভাগের মতে, লোকসভার স্বাধিকার কমিটির এই ডাক উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। রাজ্যের যেসব শীর্ষ কর্তাদের তলব করা হয়েছে, তাঁরা আইএএস কিংবা আইপিএস হওয়ায় কিছুটা হলেও টিকি বাঁধা থাকে কেন্দ্রের কাছে।

    স্বাধিকার কমিটি

    তাই লোকসভার স্বাধিকার কমিটির ডাক অমান্য করলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্র। প্রবীণ আধিকারিকদের মতে (Sandeshkhali Incident), লোকসভার স্বাধিকার কমিটির ক্ষমতা অসীম। তারা শাস্তির সুপারিশও করতে পারে। এই সুপারিশের গুরুত্বও অপরিসীম। প্রবীণ আধিকারিকদের মতে, সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। ঘটনার দায় যে প্রশাসনিক কর্তারা এড়াতে পারেন না, দিল্লির ডাকেই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

    লোকসভা নির্বাচন

    দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গেলেই প্রশাসন চলে যাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। তাই সেক্ষেত্রে বিপদে পড়তে পারেন দিল্লিতে তলব পাওয়া প্রশাসনিক কর্তারা। অতীতে নির্বাচনে এ রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনিক শীর্ষ কর্তাদের একাংশকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নজিরও রয়েছে। গত পাঁচ জানুয়ারি থেকে ফি সপ্তাহের আইনশৃঙ্খলা রিপোর্ট প্রতিটি জেলাকে পাঠাতে হচ্ছে দিল্লির নির্বাচন কমিশনে। সেই রিপোর্টের মাধ্যমে কমিশন আঁচ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কতটা সক্রিয় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।

    আরও পড়ুুন: মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা লোকসভা ভোট! রাজ্যে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

    মাঝ-এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। ৪ মার্চ এ রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। পরের দিন বেঞ্চের সদস্যরা বৈঠক করবেন জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে। তার আগে হবে সর্বদল বৈঠক। ৬ মার্চ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা। এমতাবস্থায় প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের যেভাবে তলব করেছে দিল্লি, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন প্রশাসনের (Sandeshkhali Incident) অনেকেই।

    তৃণমূলের পলাতক নেতা শেখ শাহজাহানের দলবলের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, সুন্দরী মহিলাদের রাতে ডেকে পাঠানো হত পার্টি অফিসে। তার পর চলত নির্যাতন। অভিযোগ পেয়ে সন্দেশখালিতে যেতে গিয়ে বাধা পান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যদেরও বাধা দেওয়া হয় সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) যেতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। ঠির এই আবহে মার্চের প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রধানমন্ত্রী মোদি ৬ মার্চ বাংলায় এসে বারাসতে সভা করবেন। তাঁর ভাষণে উঠে আসবে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলা নিগ্রহের ঘটনাগুলিও। রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী সন্দেশখালি ইস্যুতে কড়া বার্তা সামনে আনুন, এমনটাই চাইছে বঙ্গ বিজেপি। 

    শাহের সফরে সাংগঠনিক বৈঠক 

    মোদির সফরের আগে রাজ্যে আসার কথা রয়েছে অমিত শাহের। চলতি মাসের ২৯ তারিখ রাজ্যে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সব ঠিক থাকলে ওই দিন মায়াপুরে ইসকনের মন্দিরে যেতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, রানাঘাট-সহ আশপাশের কয়েকটি লোকসভার নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকেও বসার কথা শাহের। তবে অমিত শাহ কোনও জনসভা করতে পারবেন না। কারণ সেসময়ও রাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক চলবে। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে মায়াপুরের ইসকনে এসেছিলেন তিনি। সব ঠিক থাকলে শাহের সফরের ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় রাজ্যে পা পড়তে পারে নরেন্দ্র মোদির। 

    সন্দেশখালি ইস্যুতে চড়ছে পারদ

    প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) নিয়ে ক্রমশই চড়ছে রাজনীতির পারদ। বিজেপির অভিযোগ, রাতের বেলা মেয়েদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে অত্যাচার করতো ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ ও তাঁর দলবদল। গ্রামবাসীদের একাংশ তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। শাহজাহান বাহিনীর হাতে নিগৃহীত মহিলাদের কথা শুক্রবারই পৌঁছেছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। তফশিলি কমিশন সন্দেশখালি ঘুরে জমা করছে রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে— রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার মতো পরিস্থিতি রয়েছে।

    রাজ্যে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    অন্যদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশে শুক্রবারই সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিজেপির ৬ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। সন্দেশখালিতে পৌঁছে পরিস্থিতি অনুসন্ধান করার কথা ছিল। কিন্তু রামপুরের কাছেই নস্কর পাড়ায় আটকে দেওয়া হয় তাদের। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। পরে, রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বিস্তারিত তথ্য পেশ করেন দলের সদস্যরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় পদক্ষেপ জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় পদক্ষেপ জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় পদক্ষেপ করল জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন। যে শিশুটিকে কেন্দ্র (Sandeshkhali) করে এই অভিযোগ, তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা করার নির্দেশও কমিশন দিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে। ওই শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    কমিশনের নির্দেশ

    পরিবারটিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে কমিশন। যারা একাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে, প্রশাসন কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে। জেলাশাসকের কাছে রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ করেছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন।

    শিশুটির পরিবারে হামলা

    প্রসঙ্গত, ১০ ফেব্রুয়ারি (Sandeshkhali) একদল দুষ্কৃতী পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে ওই শিশুটির পরিবারে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়িঘরে। হেনস্থা করা হয় শিশুটির মাকে। মায়ের কোল থেকে শিশুটিকে ছিনিয়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ। শিশুটির মা বলেন, “আমার কোলেই ছিল বাচ্চা। আমার হাতের কাছে ধরে টানাটানি করছিল ওরা। বাচ্চাটা কোলে ছিল। তাকে ফেলে দিয়েছে। আমার বাচ্চার বয়স সাত মাস।” কমিশনের মতে, এতে শিশুটির অধিকার খর্ব হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপের পাশাপাশি শুক্রবারই জাতীয় এসসি কমিশন রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট পেশ করে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি করেছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    এদিনই সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। এই দলে অগ্নিমিত্রা পাল এবং সুনীতা দুগ্গল ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক প্রমুখ। রামপুর এলাকায় তাঁদের পথ আগলায় পুলিশ। এনিয়ে দু পক্ষে বচসা শুরু হয়। বিজেপির তরফে পাঁচজনকে যেতে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। অভিযোগ, তাতে কর্ণপাত করেনি পুলিশ। এর পরেই ওই এলাকায় রাস্তার ওপর বসে পড়েন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। তাঁদের তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। বেশ কিছুক্ষণ পরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সটান চলে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে (Sandeshkhali)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

  • Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি বাধায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) না গিয়েই কলকাতায় ফিরতে হল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যদের। এর পরেই তাঁরা সটান চলে যান রাজভবনে। বিজেপির এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, হরিয়ানার সিরসার সাংসদ সুনীতা দুগ্গলও। শুক্রবার সুনীতা বলেন, “আমরা শুনতে পাচ্ছি যে আমাদের সঙ্গে যে মহিলারা কথা বলেছেন, তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এরকম প্রতিটি ঘটনার রিপোর্ট আমরা দেব মহামহিমকে।” তিনি বলেন, “আমরা শুনতে পেলাম, যে মহিলারা ভিডিও কলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁদের এখন মারধর করছে পুলিশ।” এ ব্যাপারে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে পুলিশ।

    ১৪৪ ধারা

    আদালতের নির্দেশে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়েছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে। কয়েকটি পকেটে অবশ্য এখনও জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এদিন সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। এই দলে অগ্নিমিত্রা এবং সুনীতা ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক প্রমুখ। রামপুর এলাকায় তাঁদের পথ আগলায় পুলিশ। জানিয়ে দেয়, জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এনিয়ে দু’পক্ষে বচসা শুরু হয়। বিজেপির তরফে পাঁচজনকে যেতে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। অভিযোগ, তাতে কর্ণপাত করেনি পুলিশ।

    প্রতিবাদ বিজেপির 

    এর পরেই ওই এলাকায় রাস্তার ওপর বসে পড়েন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। তাঁদের তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। বেশ কিছুক্ষণ পরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সটান চলে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে। রাজভবনে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিজেপির ওই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের তরফে। অগ্নিমিত্রা বলেন, “সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করি। রামপুরে আটকে দেয়। রাজ্যপালকে বলি। উনিও দুঃখিত। আমরা উচ্চ আদালতে বিষয়টি জানাব। সন্দেশখালি গিয়ে ছাড়ব। যাঁদের ওপর অত্যাচার করেছে, তাঁদের সঙ্গে দেখা করবই। পুলিশ এখন রক্ষক নেই। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুুন: কেন দলে দলে কংগ্রেস ত্যাগ করছেন নেতারা? আসল কারণ খোলসা করলেন মোদি

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। তার পরেই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। এবার শাহজাহানের দলবলের বিরুদ্ধে মহিলাদের রাতে ডেকে নির্যাতন করা হত বলে অভিযোগ। তার জেরেই তপ্ত হয়ে রয়েছে সন্দেশখালি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share