Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে চরম উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) এক কট্টরপন্থী ইসলামি নেতা (Islamist Leader)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ভিডিওতে ওই নেতাকে ভারতকে লক্ষ্য করে সরাসরি হুমকি দিতে দেখা গেছে। হুমকি দিয়ে বলেন, “পাকিস্তান এবং ভারতীয় মুসলিমদের সহায়তায় মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই ভারত দখল করা সম্ভব।”

    কী বলা হয়েছে ভিডিওতে (Bangladesh)?

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে নিজেকে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ নামক একটি উগ্রপন্থী সংগঠনের (Islamist Leader) নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ইনশাআল্লাহ, ভারতে হামলা হবেই। আমরা পাকিস্তানকে ডাক দেব। ভারত দখল করতে আমাদের তিন ঘণ্টাও সময় লাগবে না। ভারতের ২৬টি রাজ্যকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং ভারতের মুসলিমরাই এর জন্য যথেষ্ট।”

    হিন্দু ও ভারতীয় নেতাদের লক্ষ্য করে হুমকি

    হুমকির সুর আরও চড়িয়ে ওই কট্টর মোল্লা নেতা (Islamist Leader) বলেন, “যদি ৪০ কোটি মুসলিম একবার রেগে যায়, তবে ভারতের হিন্দুরা আর টিকে থাকতে পারবে না।” ভারতের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতার নাম উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, তাঁদের মুসলিমদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁর নিশানায় ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনি, পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর

    এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের মতো সীমান্ত রাজ্যগুলিতে যেখানে অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর (Islamist Leader) বিষয়, সেখানে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে (Bangladesh) উগ্রপন্থী ভাবধারার প্রসার এবং ভারত-বিরোধী প্রচার প্রতিবেশী দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে এই ভাইরাল ভিডিও বা ওই নেতার মন্তব্যের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশ এই ধরনের চরমপন্থী বক্তৃতার বিরুদ্ধে কঠোর কূটনৈতিক ব্যবস্থা এবং অনলাইন প্রচারের ওপর কড়া নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

  • Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের (Chandranath Rath Murder Case) তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে নিল সিবিআই। রাজ্য পুলিশের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সিবিআই তদন্তের (CBI Investigation) দায়িত্ব গ্রহণ করছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই মামলার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক পঙ্কজ কুমার সিং।

    সিবিআই সিট গঠন

    সিবিআই সূত্রে খবর, দিল্লি, পটনা, রাঁচি, ধানবাদ ও লখনউ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট সাতজন অভিজ্ঞ অফিসারকে নিয়ে গঠিত হয়েছে এই বিশেষ টিম। কলকাতা জ়োনের যুগ্ম নির্দেশকের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে দলটি। তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও আধিকারিক যুক্ত করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই মধ্যমগ্রাম থানার পাশাপাশি সিআইডি-র হাতে থাকা সমস্ত নথি দ্রুত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত

    উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকা একটি চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায়, ফলে তাঁর গাড়ি থেমে যায়। ঠিক সেই সময় দুই দিক থেকে বাইকে চেপে আসে হামলাকারীরা এবং চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম ময়ঙ্করাজ মিশ্র, ভিকি মৌর্য ও রাজ সিং। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের মধ্যে অন্তত একজন পেশাদার শুটার। ময়ঙ্ক ও ভিকিকে বিহারের বক্সার জেলা থেকে এবং রাজকে উত্তরপ্রদেশের বালিয়া থেকে ধরা হয়েছে। আদালত ধৃতদের ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

    ৮ থেকে ৯ জন জড়িত!

    প্রথমে মামলার তদন্তে রাজ্য পুলিশ একটি সিট গঠন করেছিল, যেখানে এসটিএফ ও সিআইডি-র আধিকারিকরাও যুক্ত ছিলেন। সেই টিমই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, গোটা ঘটনায় মোট ৮ থেকে ৯ জন জড়িত থাকতে পারে। খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল বলেও সন্দেহ। ওই গাড়ি থেকে বালি টোল প্লাজ়ায় অনলাইনে পেমেন্টের সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের হদিশ মেলে বলে জানা গিয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত, ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং একাধিক সূত্রের ভিত্তিতে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে অভিযান চালানো হয়েছিল। এবার এই বহুচর্চিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে সিবিআই।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার নবনির্বাচিত মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্যের দফতর বণ্টন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিগ্রেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল-সহ মোট ৫ জন। সোমবার তাঁদের দফতর ভাগ করে দেওয়া হয়। পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণীসম্পদ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতর গিয়েছে অশোক কীর্তনিয়ার হাতে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে ক্ষুদিরাম টুডু। রাজ্য সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, বাকি সব দফতর আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর অধীনে থাকবে।

    কার হাতে কোন দফতর

    ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ১৫ বছরের তৃণমূল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে। তৃণমূলের হাত থেকে ক্ষমতা গিয়েছে বিজেপির (West Bengal BJP Govt) কাছে। রাজ্যের দায়িত্বে এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই শুরু হয়েছে দপ্তর বণ্টন প্রক্রিয়া। তৃণমূল সরকারের শেষ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী ছিলেন উদয়ন ঘোষ। বিজেপির সরকারে সেই দায়িত্বে উদয়নের চির প্রতিদ্বন্দ্বি নিশীথ প্রামাণিক। রেশন দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব খোয়াতে হয়েছিল তৃণমূল সরকারের তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরবর্তীতে সেই দায়িত্ব পেয়েছিলেন রথীন ঘোষ। এবার খাদ্য দফতরের ভার পেলেন মতুয়া সমাজের প্রতিনিধি অশোক কীর্তনিয়া। বঙ্গ বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ কোন দফতরের দায়িত্ব পান, সেদিকে নজর ছিল সকলেরই। জানা যাচ্ছে, তিনটি দফতরের ভার তাঁর কাঁধে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর, প্রাণী সম্পদ বিকাশ, কৃষি বিপণন। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব, পুর বিষয়ক দফতরও দেখবেন তিনিই। ক্ষুদিরাম টুডুর দায়িত্বে আদিবাসী উন্নয়ন, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, সংখ্যালঘু উন্নয়ন, মাদ্রাসা বোর্ড এডুকেশন। বাকি সব গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব তথা স্বরাষ্ট্র বা পুলিশ, অর্থ, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্য ও সম্প্রচার ইত্যাদি দফতরের দায়িত্ব আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই রইল।

    ব্যস্ত দিন নবান্নে

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১২টায় নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন শুভেন্দু। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্য। মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই বৈঠকে। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন এবং সুরক্ষার পথে। একই সঙ্গে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলাতেও সেই পথেই এগোবে বলে জানান তিনি। এদিন নবান্নে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। মঙ্গলবারও নতুন সরকারের ব্যস্ত দিন। এদিন বিধানসভায় প্রথমে প্রোটেম স্পিকার নির্বাচন ও সব বিধায়কের শপথ এ সপ্তাহে হয়ে যাওয়ার কথা। তার পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে।

  • Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক ভারতীয়দের সাধারণ স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের অন্যতম যুগান্তকারী প্রকল্প হলো ‘আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ (AB-PMJAY)। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস বা বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেয়ে থাকে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের (BJP Bengal) পর এবং রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক তৎপরতায় এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ অনুমতি দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বিগত মমতা সরকার এই কেন্দ্র সরকারের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে দেয়নি। এখন থেকে রাজ্যের কোনও মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের (Ayushman Bharat) সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কী (Ayushman Bharat)?

    আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) হলো বিশ্বের বৃহত্তম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রায় ৫০ কোটি মানুষকে অর্থাৎ ১০ কোটিরও বেশি পরিবার উন্নত মানের চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা। এই কার্ডের মাধ্যমে নথিভুক্ত সরকারি (BJP Bengal) ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জটিল অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে ক্যানসার বা হৃদরোগের মতো ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করা সম্ভব।

    কারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন? (যোগ্যতা)

    এই প্রকল্পের (Ayushman Bharat) সুবিধা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট মাপকাঠি রয়েছে। মূলত ২০১১ সালের আর্থ-সামাজিক ও জাতিগত জনগণনার (SECC) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তবে সাধারণ অর্থে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

    (গ্রামীণ এলাকার জন্য)

    • ● গ্রামীণ এলাকায় যাদের শুধুমাত্র একটি কাঁচা ঘর (মাটির দেওয়াল ও চাল) আছে, তারা পাবেন সুবিধা।
    • ● পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনও সক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য না থাকলে আবেদনের যোগ্য।
    • ● পরিবারের প্রধান যদি একজন মহিলা হন, সেখানে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য না থাকে।
    • ● তফশিলি জাতি (SC) বা তফশিলি উপজাতি (ST) ভুক্ত পরিবার পাবেন সুবিধা।
    • ● ভূমিহীন পরিবার, যাদের আয়ের প্রধান উৎস কায়িক শ্রম তারা পাবেন।
    • ● পরিবারে যদি কোনও বিশেষভাবে সক্ষম (দিব্যাঙ্গন) সদস্য থাকেন ও দেখাশোনা করার মতো কোনও সুস্থ সদস্য না থাকে।

    শহুরে এলাকার জন্য কী যোগ্যতা লাগবে?

    • ● রাস্তার হকার, মুচি বা ফেরিওয়ালা।
    • ● পরিচারিকা (Domestic workers)।
    • ● আবর্জনা সংগ্রহকারী (Ragpickers)।
    • ● নির্মাণ শ্রমিক, প্লাম্বার, রাজমিস্ত্রি, রং মিস্ত্রি।
    • ● রিকশাচালক বা পরিবহণ শ্রমিক।
    • ● দোকানের কর্মচারী, ঝাড়ুদার বা মালি।

    নতুন সংযোজন (৭০ উর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক)

    • ● ২০২৪-২৫ সালের আপডেট অনুযায়ী, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সি দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিক এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, তারা আলাদাভাবে ৫ লক্ষ টাকার কভারেজ পাবেন।

    কারা এই সুবিধা পাবেন না

    • ● যাদের নিজস্ব পাকা বাড়ি আছে।
    • ● যাদের বাড়িতে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার বা ফোর-হুইলার (গাড়ি)
    • ● যাদের বাড়িতে কৃষি যন্ত্রপাতি (যেমন ট্রাক্টর) আছে।
    • ● সরকারি চাকরিজীবী বা মাসে ১০,০০০ টাকার বেশি আয় করেন এমন পরিবার।
    • ● যাদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ৫০,০০০ টাকার উপরে।
    • ● যারা আয়কর (Income Tax) জমা দেন।

    পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের প্রাসঙ্গিকতা

    দীর্ঘদিন যাবৎ পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) এবং রাজ্য সরকারের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্ক ছিল। তবে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক (BJP Bengal) রদবদলের পর, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি দ্রুত বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাজ্যবাসী যাতে সর্বভারতীয় স্তরের এই চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখন কেবল রাজ্যের গণ্ডিতে নয়, বরং ভিনরাজ্যের বড় বড় হাসপাতালেও ৫ লক্ষ টাকার বিমার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    অনলাইনে আবেদন ও কার্ড সংগ্রহের পদ্ধতি

    প্রযুক্তিগত উন্নতির ফলে এখন ঘরে বসেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড বা ‘গোল্ডেন কার্ড’ (Golden Card)-এর জন্য আবেদন করা সম্ভব:

    ১> পোর্টাল ভিজিট: প্রথমে আয়ুষ্মান ভারতের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (beneficiary.nha.gov.in) অথবা ‘Ayushman App’ ডাউনলোড করতে হবে।

    ২> লগ-ইন: আবেদনকারীকে তাঁর মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি-র (OTP) মাধ্যমে লগ-ইন করতে হবে।

    ৩>যোগ্যতা যাচাই: নিজের রাজ্য (West Bengal), জেলা এবং রেশন কার্ড নম্বর বা আধার নম্বর দিয়ে সার্চ করলে দেখা যাবে আপনার নাম তালিকায় আছে কি না।

    ৪> ই-কেওয়াইসি (e-KYC): যদি তালিকায় নাম থাকে, তবে আধার কার্ডের সাহায্যে বায়োমেট্রিক বা ওটিপি দিয়ে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে হবে।

    ৫> কার্ড ডাউনলোড: ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার কিছু সময় বা কয়েক দিনের মধ্যে ডিজিটাল ‘আয়ুষ্মান কার্ড’ ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়া নিকটবর্তী ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ (CSC) বা তালিকাভুক্ত হাসপাতালে গিয়েও আধিকারিকদের সহায়তায় এই কার্ড তৈরি করা যায়।

    এই বিমার মাধ্যমে আপনি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অনায়াসে চিকিৎসা করাতে পারবেন। আর সেটা বিনামূল্যেই সম্ভব হবে।

    কত টাকা পাওয়া যাবে?
    পরিবার পিছু প্রতি বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে বিমা মিলবে। সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এই টাকা মিলবে।

    সারা ভারতে হাসপাতালে ভর্তির সুবিধা
    এই বিমার অধীনে রয়েছে প্রচুর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল। সেই তালিকাভুক্ত হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে।

    হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে ও পরে খরচের কভারেজ
    যতদূর খবর, শুধু হাসপাতালে ভর্তির সময়ের খরচই নয়, বরং চিকিৎসা প্যাকেজ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে এবং ছাড়া পাওয়ার পরের খরচও মিলতে পারে।

    গোটা পরিবার পাবেন?
    পরিবারের সমস্ত সদস্যেরা পেতে পারেন এই বিমার সুবিধা। এই প্রকল্পের সুবিধা সব বয়সিরা পাবেন। পরিবারের সদস্য সংখ্যা যতই থাকুক না কেন, এই কভারেজ মিলবে। আগে থেকে থাকা রোগগুলিতেও অপেক্ষা করতে হবে না। এমনিতেই মিলবে কভারেজ।

    বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সুবিধা
    এই স্কিমে হাজার হাজার সার্জারি ও চিকিৎসা হবে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    দেশজুড়ে পোর্টেবিলিটি সুবিধা
    এই স্কিমে অধীনস্ত ব্যক্তিরা নিজের রাজ্যের বাইরে ভারতের যে কোনও লিস্টেড হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারেন। বিনামূল্যেই মিলবে পরিষেবা।

    কোনও প্রিমিয়াম দিতে হবে?
    এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ খরচ সরকার বহন করে। উপভোক্তাদের কোনও প্রিমিয়াম দিতে হয় না।

    কীভাবে মিলবে সুবিধা? 
    এই কার্ড নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। তাতেই মিলবে ক্যাশলেশের সুবিধা।

    ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে ভীষণ কার্যকরী

    স্বাস্থ্যই সম্পদ, আর সেই সম্পদ রক্ষায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) একটি মজবুত ঢাল হিসেবে কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নাগরিকরা এখন রাজ্যের বিজেপি শাসিত সরকার (BJP Bengal) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সমন্বয়ে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। বিশেষ করে যে সকল পরিবার ক্যানসার, কিডনি বা হার্টের রোগের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে অক্ষম, তাঁদের কাছে এই ৫ লক্ষ টাকার বিমা এক নতুন জীবনদানের সমান। সঠিক নথিপত্র দিয়ে দ্রুত আবেদন করে এই সরকারি সুরক্ষাকবচ গ্রহণ করা বর্তমান সময়ে প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কর্তব্য।

  • Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সোমবার নবান্নে নবগঠিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক পদক্ষেপের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট বললেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন ও সুরক্ষার যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের ধারাকে অনুসরণ করেই এগিয়ে যাবে।” একই ভাবে ডিএ  ও সপ্তম পে কমিশন নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    মহার্ঘ ভাতা (DA) ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন–

    • আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
    • ওই বিশেষ বৈঠকেই ডিএ (DA) এবং সপ্তম বেতন কমিশন সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
    • পূর্ববর্তী সরকারের বাজেট পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতির সমালোচনা করে তিনি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেন।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন দেখা গেল।

    দুর্নীতি দমন ও নারী সুরক্ষা

    প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন, সুরক্ষা এবং ডবল ইঞ্জিন সরকারের যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের পথ অনুসরণ করেই এগোবে।রাজ্য সরকারের কর্মীরা কবে পাবেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পরের সোমবার আবার বৈঠকে বসবে মন্ত্রিসভা। ওই দিনই ডিএ, সপ্তম পে কমিশন-সহ একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” শুভেন্দু আরও বলেন, “রাজ্যে কোনোভাবেই নারী নির্যাতন ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে আর জি কর-সহ বিভিন্ন নারী নির্যাতনের ঘটনা এবং বিগত আমলের নিয়োগ বা অন্যান্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে এই বিষয়গুলি নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

    মন্ত্রিসভার প্রথম দিনের সিদ্ধান্ত

    এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাঁচ পূর্ণমন্ত্রী— দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, ক্ষুদিরাম টুডু, অশোক কীর্তনিয়া ও নিশীথ প্রামাণিক। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “সরকার গঠনের পর পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় এখনই সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে যেসব নথিপত্র প্রস্তুত ছিল, তার ভিত্তিতে কয়েকটি জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    কর্মচারী মহলে আশার আলো

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। এই পরিস্থিতিতে নবগঠিত সরকারের এই আশ্বাস কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা আসে, তবে তা হবে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বড় পদক্ষেপ।

    মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) পরিশেষে আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষা করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

  • Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুন থেকেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা। সোমবার নবান্নে বিজেপি-শাসিত সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পরেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ (Annapurna Bhandar) চালুর দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল রাজ্য সরকার। এদিন থেকেই সরকারি বাসে চড়লে (WB Govt) মহিলাদের আর ভাড়া দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারে’র প্রতিশ্রুতি পূরণ (Annapurna Bhandar)

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা বার বার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভান্ডারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নয়া সরকারের প্রথম কর্মদিবসেই একে একে সেই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করা শুরু করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। প্রশাসন সূত্রে খবর, লক্ষ্মীর ভান্ডার যাঁরা পেতেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের আওতায় মাসে মাসে তিন হাজার টাকা পাবেন। আপাতত নতুন করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য আবেদন করার প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সময়ে যদি কোনও নথি কিংবা তথ্যের প্রয়োজন হয়, তা জানিয়ে দেওয়া হবে সরকারের তরফে।

    শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কে, কোন দফতর পেলেন

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গেই ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়েছিলেন বাকি পাঁচ মন্ত্রীও। এদিন তাঁদের দফতর বণ্টন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দিলীপ ঘোষকে (Annapurna Bhandar)। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব (WB Govt)। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুকে। বাকি সব দফতর আপাতত থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। বিজেপি-শাসিত বাংলার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন ও সুরক্ষার পথে। তিনি এও জানান, বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলায়ও সরকার সেই পথেই এগোবে (Annapurna Bhandar)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: ‘নির্ভয়ে কাজ করুন’, বৈঠকে সচিবদের নির্দেশ নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    CM Suvendu Adhikari: ‘নির্ভয়ে কাজ করুন’, বৈঠকে সচিবদের নির্দেশ নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন শনিবার, ব্রিগেড ময়দানে। সোমবার গেলেন নবান্নে। সেখানে গিয়ে রাজ্যের সচিবদের নির্ভয়ে কাজ করতে বললেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দেন, এবার থেকে তাঁকে খুশি করতে কোনও হোর্ডিং বা ফলকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ লিখতে হবে না (Govt Officers)।

    ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ (CM Suvendu Adhikari)

    তৃণমূল জমানায় রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থেকে কর্মসূচির হোর্ডিং, সর্বত্র ফলকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ শব্দটি লেখা থাকত। নবান্নে কাজে যোগ দিয়ে প্রথম দিনই সচিবদের এই বিষয়ে সতর্ক করে দেন শুভেন্দু। জানিয়ে দেন, পূর্বতন সরকার বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছিল। তাঁর সরকার সে রকম কিছু করবে না। এর পরেই সচিবদের নির্ভয়ে কাজ করার কথা জানান তিনি। বলেন, “সরকার তথ্য, নিয়মের ওপরে চলে। সরকারি সিদ্ধান্ত হয় সংবিধানের কতগুলি বিষয়ের ওপরে। এই সরকার ‘আমিত্বে’ বিশ্বাস করে না, ‘আমরা’-নীতিতে চলবে। সংবিধানকে গুরুত্ব দিয়েই আমরা কাজ করব। আমরা আশা করব, এই সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচকরাও কোনও সমালোচনা করতে পারবেন না। এমন কোনও সুযোগ এই সরকার দেবে না, ভরসা রাখুন।”

    সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে হবে

    সচিবদের (CM Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে হবে। অর্থের যাতে অপচয় না হয়, তা দেখতে হবে। যেখানে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে খরচ করতে হবে, বন্ধ করতে হবে অপ্রয়োজনীয় খরচ। রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের যে সব প্রকল্প এতদিন কার্যকর করা হয়নি, সেগুলি চালু করার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নবান্নে আসার আগে শুভেন্দু গিয়েছিলেন সল্টলেকের বিজেপি দফতরে। সেখানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। বৈঠকের পরে শমীকও বলেছিলেন, “সরকার সরকারের মতো চলবে। দল দলের মতো (Govt Officers)। এটি কোনও বিজেপি সরকার নয়। এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার (CM Suvendu Adhikari)।”

     

  • Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে বঙ্গবাসীকে বিরাট সুখবর দিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাফ জানিয়ে দিলেন, রাজ্যে যে সব সামাজিক প্রকল্প চালু রয়েছে, তা বন্ধ হচ্ছে না। এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পরে একথা জানান (Existing Scheme) নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল সরকারের চালু করা প্রকল্পগুলির সুবিধা রাজ্যবাসী পাবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা ছড়াচ্ছিল রাজ্যে পালাবদলের পরেই।

    কী বললেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    বঙ্গবাসীর সেই সংশয় দূর করে শুভেন্দু জানিয়ে দিলেন, রাজ্যবাসী আগে যে সব সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেতেন, এখনও তা পাবেন। অবশ্য কারা পাবেন, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত বা ভারতীয় নন, এমন কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। আগে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্পই থাকবে। প্রচারের সময়েও আমরা বলেছি। সেটা ৩০ বছর আগের হতে পারে বা ১০ বছর আগের হতে পারে— কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘পোর্টালগুলি আপডেট করব। মোদি সরকারের চালু করা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে সুবিধা পাবেন সকলে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘সবটাই স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে। অ-ভারতীয় বা মৃত কেউ এই সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।’’

    প্রকল্প বন্ধের ভয় দেখিয়েছিল তৃণমূল!

    সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নবান্নের কুর্সি অটুট রাখতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল বার বার দাবি করেছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘যুবসাথী’র মতো সব প্রকল্প বন্ধ করে দেবে (Suvendu Adhikari)। যদিও বিজেপিও প্রচার পর্বেই জানিয়ে দিয়েছিল, সেরকম হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্পে প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা দেওয়া হবে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মহিলারা অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সময়ে ২১ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য এবং ৬টি পুষ্টিকর সরঞ্জাম পাবেন। অবিবাহিত ছাত্রীদের স্নাতক স্তরে ভর্তির আগে এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তবে যাঁরা ভারতীয় নন, তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় অনুপ্রবেশকারীরা।

    শুভেন্দু জানান (Existing Scheme), প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, প্রধানমন্ত্রী কৃষক বিমা যোজনা, পিএম শ্রী, বিশ্বকর্মা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, উজ্জ্বলা যোজনা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সমস্ত আবেদন কেন্দ্রীয়মন্ত্রকে দ্রুত পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ডিএমদের (Suvendu Adhikari)।

     

  • CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা (Census) প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, অবিলম্বে কেন্দ্রের নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতিও শুরু হবে।

    মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    এই ঘোষণা করতে গিয়েই আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৬ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া-র দফতর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল, যেখানে রাজ্যে আসন্ন জনগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু সেই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল সরকার সংবিধান এবং রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর না হয়। আজ মন্ত্রিসভা অবিলম্বে ওই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছে।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই জনগণনা?

    ভারতে সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ২০২১ সালের জনগণনা কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে সেই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

    জনগণনা শুধুমাত্র জনসংখ্যা গণনার বিষয় নয়, এর উপর নির্ভর করে—

    • ● কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা
    • ● খাদ্য নিরাপত্তা ও রেশন বণ্টন
    • ● স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অবকাঠামো পরিকল্পনা
    • ● নগরায়ণ ও আবাসন নীতি
    • ● ভবিষ্যতের নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation)
    • ● মহিলাদের সংরক্ষণ ইস্যুতে রাজনৈতিক তাৎপর্য
    • ● বিরোধী রাজ্যগুলি এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে!

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই সিদ্ধান্তকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে নয়, রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে নতুন সরকার। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হওয়া নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম অনুযায়ী লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে হলে নতুন জনগণনা এবং পরবর্তী ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া জরুরি। এই কারণেই জনগণনা বিলম্বিত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছিল। বিজেপির অভিযোগ, বিরোধী শাসিত কিছু রাজ্য পরোক্ষে এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছে।

    কী কী প্রস্তুতি শুরু হবে?

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর জেলাশাসক, ব্লক প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় শুরু করবে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে যে কাজগুলি শুরু হতে পারে—

    • ● প্রশাসনিক সীমানা ও ওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য আপডেট
    • ● বাড়ি তালিকাকরণ (House Listing)
    • ● তথ্য সংগ্রহের জন্য ফিল্ড স্টাফ ও এনুমেরেটর প্রস্তুতি
    • ● ডিজিটাল ডেটা সংগ্রহের অবকাঠামো গড়ে তোলা
    • ● জেলা ও পুরসভা স্তরে সমন্বয় বৈঠক

    রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানিয়েছে, ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর থেকেই বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।

    নতুন সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিজেপি সরকারের এটি অন্যতম প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। সরকার ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় বাড়ানোর মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল জনগণনা। নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা কেন্দ্রের নীতি ও প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে দ্রুত সামঞ্জস্য স্থাপন করছে।

    এখনও স্পষ্ট নয় সময়সূচি

    যদিও জনগণনা শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।

    এখনও জানা যায়নি—

    • ● বাড়ি তালিকাকরণ কবে শুরু হবে
    • ● মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কবে হবে
    • ● জনগণনা প্রক্রিয়া শেষ করতে কত সময় লাগবে

    তবে সরকারি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয়ের পর বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির দিন শেষ। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিরাট ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দিলেন, বাড়ানো হচ্ছে সরকারি চাকরির (Government Job Age Limit) জন্য আবেদনের বয়সসীমা। গত এক দশকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা এবং পূর্বতন সরকারের আমলে হওয়া নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যাঁদের চাকরির বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫ বছর বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার, নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের আরও ৫ মন্ত্রী। দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু ও নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিকদের মন্ত্রিসভায় গৃহীত ৬ সিদ্ধান্তের কথা জানান শুভেন্দু।

    কেন বয়স সীমায় ছাড় দেওয়া হল

    প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০১৫ সালের পর বাংলায় কোনও নিয়োগ হয়নি। সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়ানো হল।” ২০১৫ সালের পর থেকে রাজ্যে বড় মাপের কোনও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এর ওপর পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতির জেরে হাজার হাজার যোগ্য প্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। দিনের পর দিন আইনি লড়াই এবং রাজপথে আন্দোলনের ফলে অনেক প্রার্থীরই সরকারি চাকরিতে বসার নির্ধারিত বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল। এই ‘বয়স ফুরিয়ে যাওয়া’ প্রার্থীদের কথা চিন্তা করেই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা ক্ষমতায় আসার আগেই বলে রেখেছিল বিজেপি।

    আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে সরকার

    বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, “চাকরি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এই বাংলায় যুবক যুবতীদের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। এতে ওদের কোনও দোষ নেই। বিজেপি সরকার হলে যুবক যুবতীদের আবেদনের বয়সের ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে।” সেই কথামতোই কাজ করা হল। সরকারের এই পদক্ষেপে খুশির হাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের মদ্যে। আন্দোলনকারীদের মতে, নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যে সময় নষ্ট হয়েছে, এই ৫ বছরের ছাড় তা কিছুটা হলেও পূরণ করতে পারবে। এনিয়ে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের মুখ চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “১০-১২ বছর ধরে যাঁরা চাকরির পরীক্ষাতেই বসতে পারেননি, তার মধ্যে তো দুর্নীতি ছিল, সঙ্গে সরকারের এতো টালবাহানা। তাঁদের কাছে নিঃসন্দেহে এটা বড় খবর।” এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে এই সরকার। সংবিধান, নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েই চলবে সরকার।”

LinkedIn
Share