Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • State Budget: বাজেটের আগে দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, বাড়ছে ‘চমক’ জল্পনা!

    State Budget: বাজেটের আগে দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, বাড়ছে ‘চমক’ জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এই প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিজেপি সরকার। ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ পেশ (State Budget) করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের সরকার। এই নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়ে রণে ভঙ্গ দিয়েছেন ‘মেলা-খেলা’র মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বিপুল পরিমাণ জনমত নিয়ে নবান্নের কুর্সিতে বসে ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার (Swapan Dasgupta)।

    পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে শুভেন্দু সরকার (State Budget)

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে এই সরকারই। বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে ১৮ জুন, বৃহস্পতিবার থেকে। ২২ জুন বিধানসভায় বাজেট পেশ করবেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তার আগে বুধবার সকালে আচমকাই দিল্লি উড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর এই ঝটিকা দিল্লি সফরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

    গুরুত্বপূর্ণ দুই বৈঠক

    সূত্রের খবর, দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। প্রথমে তিনি নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, কেন্দ্রীয় অনুদান এবং আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গেও বৈঠক করেন স্বপন। রাজ্যের আর্থিক পুনর্গঠন, কেন্দ্রীয় করের বকেয়া অংশ, উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অতিরিক্ত আর্থিক সাহায্য এবং নয়া সরকারের জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, নয়া সরকারের প্রথম বাজেটে একাধিক বড় চমক থাকবে। সেই মন্তব্যের পর বাজেট ঘোষণার মাত্র কয়েকদিন আগে অর্থমন্ত্রীর দিল্লি উড়ে যাওয়া উসকে দিয়েছে জল্পনার আগুন।

    রাজ্যের হাঁড়ির হাল

    চৌত্রিশ বছরের বাম রাজত্ব এবং তার পরের টানা পনেরো বছর তৃণমূল শাসনে রাজ্যের হাঁড়ির হাল হয়েছে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের। তৃণমূল জমানায় পাহাড়-প্রমাণ দুর্নীতি এবং রাজ্যের প্রাক্তন প্রশাসনিক প্রধান মমতার খয়রাতির রাজনীতির জেরে আক্ষরিক অর্থেই মাজা ভেঙে গিয়েছে বঙ্গের অর্থনীতির। একের পর এক নির্বাচনে ভোট ‘কিনতে’ও বিস্তর খরচ হয়েছে বলেও অভিযোগ। আরও অভিযোগ, হরির লুটের বাতাসার মতো করে ‘করে-কম্মে’ খেয়েছেন রাজ্যের তৎকালীন শাসক দলের ছোট-বড়-মাঝারি নেতারা। বস্তুত, তৃণমূলের আমলে রাজ্যের আহামরি কোনও উন্নতি হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ওপর রাজ্যবাসী ছিলেন অসন্তুষ্ট। সেই অসন্তোষের আগুনে ধামা চাপা দিতেই প্রথম দিকে মেলা-খেলায় মেতে যায় সরকার।

    তৃণমূল সরকারের সস্তার রাজনীতি!

    রাজ্যে বড় কোনও শিল্প না হওয়ায়, হাজার হাজার মানুষ ‘জন’ খাটতে পাড়ি দিয়েছিলেন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। শাসক দলের মেলা-খেলার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিরোধীরা সোচ্চার হতেই, বন্ধ হয়ে যায় সেই ‘কালচার’। শুরু হয় খয়রাতির রাজনীতি। নানা রকম ‘শ্রী’-যুক্ত প্রকল্প চালু করে রাজ্যবাসীর দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয় কর্মসংস্থানের হা-পিত্যেশ দশার দিক থেকে। তাতেও বিশেষ চিড়ে না ভেজায়, শুরু হয় তোষণের রাজনীতি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেওয়া হতে থাকে হাত উপুড় করে। পায়ের নীচের মাটি আরও আলগা হয়ে যাচ্ছে (State Budget) টের পেয়ে মমতার সরকার চালু করে ক্লাবগুলিকে পুজো উপলক্ষে অনুদান দেওয়ার নয়া প্রথা। তার পরেও অবশ্য শেষ রক্ষে হয়নি। পদ্ম-ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে মমতার সাধের দল তৃণমূল। ওই ঝড়েই উড়ে গিয়ে দলনেত্রী স্বয়ং পড়েছেন কালীঘাটে, আদি গঙ্গার পাড়ে।

    জনমুখী বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি!

    এমতাবস্থায় রাজ্য শাসনের গুরু দায়িত্ব বঙ্গবাসী তুলে দেন বিজেপির হাতে। প্রত্যাশিতভাবেই বিরাট বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রাজ্যের আর্থিক (Swapan Dasgupta) অবস্থা। বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা সামলেও, জনমুখী বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পদ্ম সরকার। তাই বাজেটের আগে কেন্দ্রের শীর্ষ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এদিকে, বুধবার ফলতার এক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২২ তারিখ বাজেট আছে। সেখানেও বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে। আরও কিছু নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করা হবে।” যদিও এখনই খোলসা করে কিছু জানাতে চাননি (State Budget) তিনি।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বাজেট অধিবেশন চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। পরে ৬ জুলাই সকাল ১১টায় ফের বিধানসভা বসবে। সেটা বাদল অধিবেশন। তাই জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড আরও গতি পাবে বলেই আশা। তাই ২২ জুন, বাজেট ঘোষণার দিন বিজেপির ‘রাম-বাক্স’ থেকে বেরনো (Swapan Dasgupta) সান্টাক্লজ দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া রাজ্যবাসীর জন্য কোন কোন উপহার আনেন, এখন তাই দেখার (State Budget)!

     

  • Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরে (Jan Kalyan Shibir) সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তাই শিবিরের মেয়াদ আরও একদিন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার ফলতা থেকে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিনই শিবিরের শেষ দিন ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবারও রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির চালু থাকবে।

    মেয়াদ বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের (Jan Kalyan Shibir)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা এক জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, সরকারের লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পদ্ধতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তিনি জানান, ১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক জায়গায় সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত শিবির করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ লাইন পড়ছে এবং প্রচুর মানুষ পরিষেবা নিতে শিবিরে ভিড় করছেন। সেই কারণেই শিবিরের মেয়াদ একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শিবিরে ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জনকল্যাণ শিবিরে মোট ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার তথা সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসে দেশের যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি (Suvendu Adhikari) জানান, গ্রামীণ এলাকার স্বল্প আয়ের পরিবারগুলি এই প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১০০ ইউনিটে ৩০ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটে ৬০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটে ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন। এজন্য জনকল্যাণ শিবিরে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছে অ-লক্ষ্মীরাও!

    অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে প্রায় সাড়ে চার হাজার পুরুষ এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ বেআইনিভাবে ওই প্রকল্পের টাকা তুলেছেন। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গত ৩ জুন অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ২৮ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ মহিলা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে পোর্টালে আপলোডও করা হয়েছে (Jan Kalyan Shibir)। আগামী ২২ জুন প্রথম রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করবে পদ্ম সরকার। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “যুবসমাজ, সরকারি কর্মী, শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থী এবং কৃষকদের জন্য একাধিক নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

    ফলতার জন্য বিশেষ ঘোষণা

    এদিকে, ফলতায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ফলতাকে আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে এসইজেডে শিল্পতালুক গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলতা গ্রামীণ হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। মহিলা কলেজ, দমকল কেন্দ্র তৈরির অনুমোদন, ফলতা থানাকে আরও শক্তিশালী করা এবং মহিলাদের জন্য (Suvendu Adhikari) পৃথক হেল্পডেস্ক চালুর পাশাপাশি অতিরিক্ত মহিলা পুলিশকর্মী নিয়োগের কথাও ঘোষণা করেন (Jan Kalyan Shibir) পদ্ম সরকারের প্রধান শুভেন্দু অধিকারী।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবারই প্রথম পাহাড় সফরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে এটাই ছিল তাঁর প্রথম দার্জিলিং সফর। কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে আয়োজিত ‘জনকল্যাণ শিবিরে’ যোগ দিয়ে পাহাড়বাসীর জন্য একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা (Suvendu Adhikari)

    এদিন পাহাড়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সর্বদলীয় এই অভ্যর্থনায় আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়বাসী এবার প্রকৃত অর্থেই ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল পাবেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রের যে সব প্রকল্প আটকে ছিল, সেগুলি এবার দ্রুত বাস্তবায়িত হবে (Tourism Politics)। রাজনৈতিকভাবে দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও কালিম্পং— তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র এবং দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে তাঁর সরকার যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    উন্নয়নের রোডম্যাপ

    এদিন, পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরির কথা ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কালিম্পঙে একটি মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা হবে। জোর দেওয়া হবে পাহাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণেও। তিনি এও জানান, রাজ্যের সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এবার ‘আয়ুষ্মান ভারত’ স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আসবেন। ‘জিআরএমজি’ প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে পাহাড়ে। যুব সমাজের খেলাধুলোর উন্নয়নের জন্য ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের অধীনে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণাও করেন শুভেন্দু। বিদ্যুৎ বিলের সরকারি ভর্তুকি আগের মতোই বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি (Suvendu Adhikari)।

    আগের সরকারকে নিশানা

    তৃণমূল পরিচালিত পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের আমলে শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধই ছিল না, জিটিএতেও ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে।” তাঁর দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হবে, এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যে প্রচুর পুলিশকর্মী নিয়োগ করা হবে। কার্শিয়ঙের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে পদ্ম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকার পাহাড়কে গুরুত্ব দিত না। পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে শুধু পর্যটক হিসেবে আসতেন, উন্নয়নের জন্য কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করেননি।” তিনি বলেন, “আমি পর্যটক হয়ে আসিনি, কাজ করতে এসেছি। পাহাড়ের মানুষের কাছে সরকারের সমস্ত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

    শহিদ সেনানীদের অবদান স্মরণ

    এদিনের সভা থেকে দেশ রক্ষায় পাহাড়ের বীর জওয়ান ও শহিদ সেনানীদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “দেশের সঙ্কটের সময় পাহাড়ের মানুষ সবসময় দেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল মনে রাখবে।” প্রসঙ্গত, কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে প্রশাসনের ১৯টি দফতরের বিভিন্ন জনমুখী পরিষেবা নিয়ে বর্তমানে ‘জনকল্যাণ শিবির’ চলছে (Tourism Politics)। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শিবির পরিদর্শন করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। খতিয়ে দেখেন বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার কাজকর্ম (Suvendu Adhikari)।

  • Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের (Prasun Mukherjee) সৌজন্যমূলক বৈঠক ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমহলে শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। সোমবার এই বৈঠক হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সম্ভাব্য শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের দিক থেকে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি (Prasun Mukherjee)

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রধান শুভেন্দু শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে বহুজাতিক সংস্থা ‘ইউনিভার্সাল সাকসেস এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডে’র  চেয়ারম্যান প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ ঘোষণার খবর সামনে না এলেও, এই বৈঠককে ঘিরে ভবিষ্যতে বড় শিল্প প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে জানান, প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত আনন্দদায়ক ছিল। তিনি নবান্নে এসেছিলেন সৌজন্যমূলক বৈঠক করতে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা, ভবিষ্যতে দু’পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে, যা পশ্চিমবঙ্গের প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত উন্নয়নের নয়া দিগন্ত উন্মোচন করবে।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    তিনি এও জানান, এই ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর থেকেই শিল্প ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত মহলে প্রসূন-শুভেন্দুর এই বৈঠক নিয়ে চড়ছে আগ্রহের পারদ। এদিকে, রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলেছে। সম্প্রতি গুজরাটের দুগ্ধ সমবায় সংস্থা আমূল হাওড়ার সাঁকরাইলে বড় লগ্নির কথা ঘোষণা করেছে। সেখানে দেশের অন্যতম বৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। সংস্থাটি উত্তরবঙ্গেও ব্যবসা সম্প্রসারণের রূপরেখা তৈরি করছে (Prasun Mukherjee)।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    এহেন পরিস্থিতিতে সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি প্রসূনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠককে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য শিল্প সহযোগিতার সূচনা হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এই (Suvendu Adhikari) বৈঠকের ফলশ্রুতিতে অদূর ভবিষ্যতে রাজ্যে নয়া বিনিয়োগ, শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের কতটা সুযোগ সৃষ্টি হয়, এখন সেটাই দেখার (Prasun Mukherjee)।

     

  • Suvendu Adhikari Government: রাজ্যজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জনকল্যাণ শিবির ২০২৬’-এর যাত্রা শুরু, নন্দীগ্রামে উদ্বোধন করলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari Government: রাজ্যজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জনকল্যাণ শিবির ২০২৬’-এর যাত্রা শুরু, নন্দীগ্রামে উদ্বোধন করলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় প্রশাসনিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari Government) নেতৃত্বাধীন সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘জনকল্যাণ শিবির’ (Janakalyan Shibir)। নাগরিক পরিধি আরও সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে এই অভিনব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে রাজ্যবাসী এখন থেকে একটি নির্দিষ্ট শিবিরের আওতাতেই সরকারের বিভিন্ন দফতরের মোট ৫৪টি জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা ও সেবার জন্য সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।

    উদ্যোগের নেপথ্য লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (Suvendu Adhikari Government)

    প্রশাসনিক (Suvendu Adhikari Government) সূত্রে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষকে যাতে সরকারি প্রকল্পের সুফল পেতে বা যেকোনও শংসাপত্রের আবেদনের জন্য ব্লক কার্যালয় কিংবা জেলা সদরের বিভিন্ন দফতরে দফায় দফায় দৌড়াদৌড়ি করতে না হয়, সেই ঝক্কি কমাতেই এই সমন্বিত শিবিরের নীল নকশা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তরে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে এই শিবিরগুলো পরিচালিত হবে। যোগ্য ও সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের কাছে দ্রুত, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলকভাবে সরকারি পরিষেবা (Janakalyan Shibir) পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল অভিমুখ।

    যেসব প্রধান পরিষেবা মিলবে এই শিবিরে

    এই বিশেষ সরকারি উদ্যোগে (Suvendu Adhikari Government) রাজ্য সরকারের সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং কৃষি সংক্রান্ত ৫৪টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য আবেদনপত্র গ্রহণ ও যাচাইকরণ করা হবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হলো:

    • সামাজিক ভাতা ও নিরাপত্তা: বার্ধক্যভাতা, বিধবাভাতা এবং বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন নাগরিকদের জন্য সুরক্ষামূলক আর্থিক সহায়তা।
    • কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি: কৃষকদের জন্য ক্রেডিট কার্ড, ফসল বিমা এবং বিভিন্ন সরকারি কৃষি অনুদান সংক্রান্ত পরিষেবা।
    • শিক্ষা ও যুব প্রগতি: ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাবৃত্তি (স্কলারশিপ), স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর লোন সংক্রান্ত আবেদনের সুবিধা।
    • নাগরিক শংসাপত্র ও সংশোধন: জাতিগত শংসাপত্র (Caste Certificate) প্রদান এবং আধার বা ডিজিটাল রেশন কার্ড সংক্রান্ত ত্রুটি সংশোধনের (Janakalyan Shibir) তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা।

    প্রশাসনিক তৎপরতা ও তদারকি

    ‘জনকল্যাণ শিবির’ কর্মসূচিকে সম্পূর্ণ সফল ও জনবান্ধব করে তুলতে প্রতিটি জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ প্রশাসনকে (Suvendu Adhikari Government) বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে প্রতিটি শিবিরে প্রতিটি দফতরের জন্য পৃথক কাউন্টার এবং অনুসন্ধান কেন্দ্রের (Help Desk) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে, আবেদনপত্র জমা পড়ার পর তা যেন লাল ফিতের ফাঁসে আটকে না থাকে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপভোক্তারা পরিষেবা পান (Janakalyan Shibir), তা নিশ্চিত করতে রাজ্য স্তর থেকে একটি বিশেষ নজরদারি দল (Monitoring Cell) কাজ করছে। সোমবার প্রথম দিনেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই শিবিরগুলোকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    জনকল্যাণ শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ও রূপরেখা

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষকে যাতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধার জন্য ব্লক দফতর বা জেলা সদরের একাধিক কার্যালয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই এই সমন্বিত শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটি জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তরে সুনির্দিষ্ট সূচি মেনে এই শিবিরগুলো পরিচালিত হবে। যোগ্য ও সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের চিহ্নিত করে দ্রুত সরকারি পরিষেবা (Janakalyan Shibir) প্রদান নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

    আবেদনযোগ্য প্রধান প্রকল্পসমূহ

    এই বিশেষ শিবিরে রাজ্য সরকারের সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত ৫৪টি প্রকল্পের জন্য আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। শিবির থেকে মোট ৫৪টি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ। কোন কোন ক্ষেত্রে আবেদন করতে পারবেন দেখে নিন—

    • ● আয়ুষ্মান ভারত
    • ● অন্নপূর্ণা যোজনা
    • ● ন্যাশনাল সোশ্যাল অ্যাসিস্টান্স প্রোগ্রাম
    • ● সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা
    • ● বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও
    • ● পিএম কিসান সম্মান নিধি
    • ● কিসান ক্রেডিট কার্ড
    • ● মাটির স্বাস্থ্য কার্ড
    • ● কৃষি পরিকাঠামো তহবিল
    • ● ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড
    • ● আধার এনরোলমেন্ট ও সিডিং
    • ● সিএএ আবেদন
    • ● জমির রেকর্ড মিউটেশন
    • ● জমির রেকর্ডে ছোট সংশোধন
    • ● পাট্টার আবেদন
    • ● পিএম সূর্যঘর যোজনা
    • ● পিএম স্বনীধি যোজনা
    • ● প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা
    • ● পিএম উজ্জ্বলা যোজনা,
    • ● পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা-সহ একাধিক প্রকল্প

    প্রশাসনের তৎপরতা ও প্রস্তুতি

    জনকল্যাণ শিবিরগুলোকে নির্বিঘ্ন ও সফল করতে জেলা প্রশাসনগুলোর পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি শিবিরে প্রতিটি দপ্তরের জন্য আলাদা কাউন্টার বা হেল্পডেস্কের ব্যবস্থা থাকছে, যাতে প্রবীণ নাগরিক ও গ্রামীণ মানুষ সহজে তাঁদের প্রয়োজনীয় আবেদন জমা দিতে পারেন। প্রতিটি আবেদনের অগ্রগতি যাতে কড়া নজরদারিতে থাকে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপভোক্তারা পরিষেবা (Janakalyan Shibir) পান, তার জন্য একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলও গঠন করা হয়েছে। আজ প্রথম দিন থেকেই রাজ্যজুড়ে এই শিবিরগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছ।।

  • Suvendu Adhikari: ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোট শেষে নয়া বোর্ড কলকাতা পুরসভায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোট শেষে নয়া বোর্ড কলকাতা পুরসভায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিলেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার পুরসভা স্বচ্ছতা কর্মসূচির অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা করেন, আগামী ছ’মাসের মধ্যেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচন হয়ে যাবে এবং ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নবনির্বাচিত পুরবোর্ড গঠন করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এহেন ঘোষণায় এটা স্পষ্ট হয়ে গেল, ডিসেম্বরের শুরুতেই হয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুরসভা নির্বাচন।

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায় জল্পনার অবসান (Suvendu Adhikari) 

    রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই কলকাতা পুরসভায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছিল। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে তৃণমূল ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়ার পরেই তাদের দখলে থাকা কলকাতা পুরসভায়ও ভাঙন ধরে। মেয়র পদে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর পদত্যাগের পরেই পুরবোর্ড বাতিল করে দেয় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডেকে দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রশাসক হিসেবে। নির্বাচিত বোর্ড না থাকায় প্রশাসকের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে পুরসভার যাবতীয় কাজকর্ম। যদিও পুরসভার নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে শুরু হয়ে যায় জল্পনা। সোমবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোট করে নয়া বোর্ড গড়া হবে।

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ডামাডোল

    কলকাতা পুরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে। করোনা অতিমারীর কারণে নির্বাচন হয়নি। ভোট হয় ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে। পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৭টিতে জিতে বোর্ড গড়ে তৃণমূল। ওই নির্বাচনে বিরোধীরা ব্যাপক কারচুপি, ছাপ্পা ভোট ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছিলেন। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে গোহারা হেরে গিয়ে ক্ষমতা হারায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার। রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী। তার পরেই শুরু হয়ে যায় পদত্যাগের হিড়িক, যার আঁচ লাগে কলকাতা পুরবোর্ডেও। ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগের পর পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর নতুন মেয়রের নাম জানতে চেয়ে নোটিশ জারি করলেও, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও নাম জানানো হয়নি তৃণমূলের তরফে। এরপরেই রাজ্য সরকার কলকাতা পুরসভার বোর্ড ভেঙে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দেয় স্মিতার হাতে।

    শুভেন্দুর অনুষ্ঠানে হাজির কাজরী-ফিরহাদ

    এদিকে, এদিন পুরসভার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় (Kajari Banerjee)। ছিলেন তৃণমূলেরই জুঁই বিশ্বাস, দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক কাউন্সিলর। উপস্থিত ছিলেন সদ্য-প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমও। জুঁই বলেন, “আমি ২০১০ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত কর্পোরেশনের কাউন্সিলর। আজ পর্যন্ত কোনও মুখ্যমন্ত্রী কর্পোরেশনে আসেননি। এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী এসে কাউন্সিলরদের উদ্দেশে বার্তা দেবেন। এটা নিঃসন্দেহে একটা বড় পদক্ষেপ। আশাকরি, সব কাউন্সিলরই সহযোগিতা করবেন।” কাজরী বলেন, “অন্য দল বলে উনি (মুখ্যমন্ত্রী) কোনও বিভেদ করেননি। বিরোধীদের সমান গুরুত্ব দিয়ে ডেকেছেন।”

     

  • JP Nadda: জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা মামলা, ফলতার প্রাক্তন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীরকে নিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ পুলিশের

    JP Nadda: জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা মামলা, ফলতার প্রাক্তন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীরকে নিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে ডায়মন্ড হারবার সফরের সময় বিজেপির তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার (JP Nadda) কনভয়ে হামলার ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করেছে পুলিশ। এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত তথা ফলতার তৎকালীন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাহাঙ্গীর খানকে (Jahangir Khan) সঙ্গে নিয়ে সম্প্রতি ঘটনাস্থলে অপরাধের পুনর্নির্মাণ (Crime Scene Reconstruction) করেছে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল। রাস্তা দিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার সময় পরনে হাফ প্যান্ট ছিল। দুই হাতে কান ধরে ছিলেন এবং রাস্তায় উপস্থিত জনতার কাছে ক্ষমা চাইছিলেন।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তপ্রক্রিয়া (JP Nadda)

    ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে জাহাঙ্গীর খানকে (Jahangir Khan) ফলতার নির্দিষ্ট ঘটনাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ২০২০ সালের সেই দিনটিতে (JP Nadda) ঠিক কী ঘটেছিল, কনভয় লক্ষ্য করে কীভাবে এবং কোথা থেকে আক্রমণ চালানো হয়েছিল— তার একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণচিত্র তৈরি করেন তদন্তকারীরা। পুলিশি জেরা ও পুনর্নির্মাণের সময় একসময়ের এই দাপুটে নেতাকে অত্যন্ত অনুতপ্ত ও বিপর্যস্ত দেখায়। সেই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতেই তিনি নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

    মামলা পুনরুজ্জীবন ও সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট

    দীর্ঘদিন এই মামলার (JP Nadda) তদন্ত থমকে থাকার পর, সম্প্রতি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটি নতুন করে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সূত্রের খবর, ইতিপূর্বে রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনও কারণে তদন্তের গতিপ্রকৃতি ব্যাহত হয়েছিল, যার ফলে মূল অভিযুক্তরা আইনি সুবিধা পেয়ে আসছিলেন। তবে বর্তমান প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নজরদারির পর এই মামলার জট খুলতে শুরু করেছে।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে জাহাঙ্গীর খানের (Jahangir Khan) রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে সরে যাওয়া এবং পরবর্তীকালে নেপাল সীমান্ত থেকে তাঁর গ্রেফতারের পর, পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে থাকা এই পুরোনো ও স্পর্শকাতর মামলাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না এবং ঘটনার পেছনে থাকা সমস্ত কুশীলবদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • Rahul Arunoday Banerjee: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়র রহস্যমৃত্যু, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Rahul Arunoday Banerjee: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়র রহস্যমৃত্যু, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunoday Banerjee) আকস্মিক ও মর্মান্তিক প্রয়াণের পর আড়াই মাস কেটে গেলেও এখনও মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠছে, যার উত্তর মেলেনি।। অভিনেতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে এবার রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হলো। আজ এক বিশেষ প্রশাসনিক ঘোষণায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মৃত্যুরহস্যের তদন্তভার রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ও পরিবারের আর্জি (Rahul Arunoday Banerjee)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অভিনেতার (Rahul Arunoday Banerjee) আকস্মিক চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এর পেছনে কোনও গভীর রহস্য বা প্ররোচনা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। নিরপেক্ষ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য, অভিনেতার পরিবার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের পক্ষ থেকেও এই মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সেই আর্জিকে গুরুত্ব দিয়েই রাজ্য সরকার সিআইডি-কে দ্রুত তদন্তভার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

    তদন্তের অভিমুখ

    প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও, এখন থেকে সিআইডি-র বিশেষ দল এই মামলার সমস্ত নথিপত্র, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট (Rahul Arunoday Banerjee) এবং পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখবে। বিনোদন জগতের অত্যন্ত পরিচিত এবং প্রতিভাবান এই অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও মানসিক চাপ, প্ররোচনা নাকি অন্য কোনও কারণ জড়িত ছিল—তা সুনির্দিষ্টভাবে জানার অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর পরিবার এবং অগণিত অনুরাগী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, সত্য অনুসন্ধানে কোনও খামতি রাখা হবে না।

  • Suvendu Adhikari: বন্দে ভারতে চেপে দিঘা! মুম্বইয়ের ধাঁচে মেরিন ড্রাইভ, স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জোর, সৈকতনগরী ঘিরে গুচ্ছ পরিকল্পনা রাজ্যের

    Suvendu Adhikari: বন্দে ভারতে চেপে দিঘা! মুম্বইয়ের ধাঁচে মেরিন ড্রাইভ, স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জোর, সৈকতনগরী ঘিরে গুচ্ছ পরিকল্পনা রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রেলযাত্রী ও পর্যটকদের জন্য এক অত্যন্ত ইতিবাচক খবর। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অদূর ভবিষ্যতে পর্যটন কেন্দ্র দিঘা রুটে চালু হতে পারে সেমি-হাইস্পিড ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’ (Vande Bharat Express)। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানান, “নির্দিষ্ট একটি রেল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলেই দিঘায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের পথ সুগম হবে।”

    পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে দিঘাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দিঘায় মুম্বই-চেন্নাইয়ের আদলে প্রশস্ত মেরিন ড্রাইভ ও পর্যটন ক্ষেত্রে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিঘায় আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠক শেষে তিনি জানান, পর্যটন কেন্দ্রটির পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং পর্যটকদের সুবিধার্থে রাজ্য সরকার বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে।

    প্রশস্ত হচ্ছে দিঘার মেরিন ড্রাইভ (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুম্বই বা চেন্নাইয়ের মতো বড় শহরগুলোর উপকূলবর্তী সড়কের আদলে দিঘার মেরিন ড্রাইভকেও চওড়া ও আধুনিক করা হবে।” পূর্ববর্তী প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “মেরিন ড্রাইভের নামে অতীতে অত্যন্ত সংকীর্ণ একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। পর্যটকদের সুবিধার্থে সেই রাস্তাকে ন্যূনতম দুই লেনে (২-লেন) উন্নীত করা হবে।”

    মুক্ত হচ্ছে পর্যটন কর, ১ জুলাই থেকে স্বস্তি

    দিঘায় আসা পর্যটকদের জন্য আরেকটি বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ১ জুলাই থেকে দিঘায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের আর মাথাপিছু ১০ টাকা করে ‘চাঁদা’ বা কর দিতে হবে না। শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমলে পর্যটকপিছু এই টাকা নেওয়া হতো, যা বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে পর্যটকদের ভ্রমণ আরও সাশ্রয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নন্দকুমার-দিঘা জোড়া রেললাইন ও জমি অধিগ্রহণ

    জেলা শাসকের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দকুমার থেকে দিঘা পর্যন্ত রেললাইনকে দ্বিমুখী (Vande Bharat Express) করার জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। ইতিপূর্বেও রেলওয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে জেলা শাসকের এই বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।”

    পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেশের প্রায় সমস্ত প্রধান উপকূলবর্তী শহরই রেল যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। কিন্তু পূর্বতন প্রশাসনের নেতিবাচক মনোভাব ও জমি প্রদানে অনীহার কারণে দিঘা এই আধুনিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে পিছিয়ে পড়েছিল। তবে বর্তমান সরকার এই জট কাটাতে তৎপর। নন্দীগ্রাম রেল প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ৭৪ একর জমি রেলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাকি মাত্র ৬ একর জমির প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    রানাঘাট রুট নিয়েও আশার আলো

    দিঘার পাশাপাশি নদিয়া জেলার রানাঘাট স্টেশন হয়েও বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলাচলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রানাঘাটের উত্তর-পশ্চিমের বিধায়কের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রানাঘাট-কল্যাণী এবং রানাঘাট-কৃষ্ণনগর শাখার তৃতীয় লাইনের কাজ সম্পন্ন হলেই এই রুট দিয়েও ছুটতে পারে প্রিমিয়াম সেমি-হাইস্পিড ট্রেন। স্বাভাবিকভাবেই, এই রেল প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের যেমন বিকাশ ঘটবে, তেমনই সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত আরও দ্রুত ও আরামদায়ক হবে।

    দিঘার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে আগের সরকারকে তোপ

    একই ভাবে দিঘার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামী দিনে কার্যকর হতে দেখতে পারবেন। ডিপার্টমেন্টগুলি খতিয়ে দেখে বোঝা গিয়েছে, অন্তত অত দুই বছর আগের সরকার এখানে কোনও কাজ করেনি।”

    হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ন্যূনতম কোনও পরিষেবা নেই। একটাও আইসিইউ বেড নেই, একটাই অ্যাম্বুলেন্স। ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেই। ১৭ জন স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে নিউরোসার্জন, কার্ডিয়াক বা অর্থোপেডিক নেই। বহু মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন, গোটা সমুদ্রতটে মাত্র ৬৩ জন নুলিয়া রয়েছেন। তাঁদের সংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেছি। তাঁদের অর্থবৃদ্ধি করার কথা বলেছি।”

    আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ও কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সফর

    এদিকে, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আগামী ২১ জুন কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানাতে এবং তাঁর সম্মানে কলকাতা পুরসভা (কেএমসি) একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পরিকল্পনা করেছে। ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ নামক এই কর্মসূচিটি ১৫ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত চলবে। আজ, সোমবার দুপুর ৩টেয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার কলকাতা পুরসভায় (ছোট লালবাড়ি) যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি এই বিশেষ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন।

    পুরসভার প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও যোগ দিবসের আহ্বান

    উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকলেও, তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার পর বর্তমানে পুরসভার সমস্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্রশাসক তথা পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই সফরের সময় পুর প্রশাসকের সঙ্গে তাঁর কোনও বিশেষ বৈঠক হয় কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

    আগামী ২১ জুন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে পৌনে ৮টা পর্যন্ত কলকাতায় মূল যোগ দিবসের অনুষ্ঠানটি সাড়ম্বরে উদযাপিত হবে। এই যোগ-যজ্ঞে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে শামিল হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে।

  • Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও প্রবল হল তৃণমূল কংগ্রেসে (Rebel TMC MPs) বড়সড় ভাঙনের জল্পনা। দলের ২৮ লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৯ জনের সমর্থন পাওয়ার দাবি করে বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছে, তারা সোমবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইবে। তারা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদনও জানাবে।

    বিদ্রোহীদের বক্তব্য (Rebel TMC MPs)

    বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তাঁদের গোষ্ঠী কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভায় নেতা এবং শতাব্দী রায়কে উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাবে। তাঁর বক্তব্য, রবিবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিদ্রোহী সাংসদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বসুনিয়ার দাবি, এখনও পর্যন্ত ১৯ জন সাংসদ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন এবং আরও কেউ যোগ দিতে চাইলে, দরজা খোলা রয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য, এনডিএর অংশ হয়ে সংসদে শাসক জোটের পাশে বসা এবং উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রের পাশে থাকা নিশ্চিত করা।

    অভিষেকের জন্যই দল গাড্ডায়!

    তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। বসুনিয়ার কথায়, “আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। পরে দল কর্পোরেট সংস্থার মতো পরিচালিত হতে শুরু করে এবং নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।” এই কারণেই বহু নেতা ও সাংসদ ক্ষুব্ধ বলেও দাবি (Rebel TMC MPs) তাঁর। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। ফলে নিজেদের লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সহযোগিতা পাওয়া জরুরি বলেই তাঁরা এনডিএর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বসুনিয়া এও (Om Birla) জানান, প্রথমে স্পিকারের কাছে আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের কাছেও ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানানো হবে (Rebel TMC MPs)।

    বিদ্রোহ চারিদিকে!

    এদিকে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বেড়েছে। প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগেই তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। তৃণমূলের আর এক বর্ষীয়ান নেতা অনুব্রত মণ্ডলও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাককেও দায়ী করেছেন (Om Birla) তিনি। উল্লেখ্য, বিদ্রোহী শিবিরের তরফে এসব দাবি করা হলেও (Rebel TMC MPs), শনিবার দুপুর পর্যন্তও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

     

LinkedIn
Share