Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Kolkata Airport: রাজ্যে পালাবদল হতেই সরতে চলেছে কলকাতা বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা মসজিদ?  প্রশাসনিক উদ্যোগ শুরু

    Kolkata Airport: রাজ্যে পালাবদল হতেই সরতে চলেছে কলকাতা বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা মসজিদ? প্রশাসনিক উদ্যোগ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের জোরদার হল কলকাতা বিমানবন্দরের সেকেন্ডারি রানওয়ের পাশে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরনো গৌরিপুর জামে মসজিদ বা ‘বাঁকড়া মসজিদ’ সরানোর উদ্যোগ। প্রায় তিন দশক ধরে বিতর্কে থাকা এই মসজিদকে ঘিরে এবার প্রশাসনিক তৎপরতা নতুন মাত্রা পেল। মঙ্গলবার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা মসজিদ পরিদর্শন করেন। পরদিন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতরে বৈঠকে বসেন প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং মসজিদ কমিটির প্রতিনিধিরা।

    বিমানবন্দর সূত্রে খবর, বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা, উড়ান পরিচালনা এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের স্বার্থেই মসজিদ স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথা বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। তবে মসজিদ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি শুধুমাত্র স্থানীয় কমিটির সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়। তারা এই বিষয়ে দারুল উলুম দেওবন্দ, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড এবং জমিয়তে উলেমা-ই-হিন্দের মতো সংগঠনের মতামতের উপর নির্ভর করতে চায়। কলকাতা বিমানবন্দরের অধিকর্তা বিক্রম সিং বলেন, “বিমানবন্দরের ভিতরে এই মসজিদের উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যা তৈরি করছে। উড়ান পরিচালনায় একাধিক সীমাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বুধবারও এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।”

    রানওয়ের একেবারে কাছে মসজিদ

    ১৩৬ বছরের পুরনো এই মসজিদটি এখন বিমানবন্দরের অপারেশনাল এলাকার গভীরে অবস্থিত। সেকেন্ডারি রানওয়ে থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১৬৫ মিটার। অথচ আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী, রানওয়ের কাছাকাছি স্থায়ী নির্মাণের ন্যূনতম দূরত্ব হওয়া উচিত ২৪০ মিটার। মসজিদটি বিমানবন্দরের বাউন্ডারি ওয়ালেরও প্রায় ১৫০ মিটার ভিতরে অবস্থিত।

    বিমানবন্দর আধিকারিকদের দাবি, মসজিদের কারণে সেকেন্ডারি রানওয়ের টাচডাউন পয়েন্ট ৮৮ মিটার দক্ষিণে সরিয়ে দিতে হয়েছে। এর ফলে রানওয়ের কার্যকর দৈর্ঘ্য কমে গিয়ে বর্তমানে তা মূলত এয়ারবাস এ৩২০ বা বোয়িং ৭৩৭-এর মতো ন্যারো-বডি বিমান পরিচালনার উপযোগী থাকলেও বোয়িং ৭৮৭ বা এয়ারবাস এ৩৩০-এর মতো ওয়াইড-বডি বিমান ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। এক আধিকারিকের কথায়, “জরুরি অবতরণের ক্ষেত্রেও এটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।”

    শীতকালে বাড়ছে সমস্যা

    বিমানবন্দর সূত্রে আরও জানা গেছে, কলকাতার ৩,৬৩৩ মিটার দীর্ঘ প্রধান রানওয়েতে অত্যাধুনিক ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (ILS) রয়েছে, যার ফলে ঘন কুয়াশাতেও বিমান ওঠানামা সম্ভব হয়। কিন্তু সেকেন্ডারি রানওয়েতে সেই ব্যবস্থা বসানো যাচ্ছে না মূলত মসজিদের অবস্থানের কারণে। ফলে শীতকালে যখন মূল রানওয়ে ব্যবহারযোগ্য থাকে না, তখন বিমান পরিচালনায় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।

    আগে কেন হয়নি সমাধান?

    এই মসজিদ সরানোর চেষ্টা নতুন নয়। অতীতে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও রাজ্যের তৎকালীন সরকারগুলি— জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)— বিষয়টি এগোতে দেয়নি বলে বিমানবন্দর সূত্রের দাবি। এখন কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপি সরকার থাকায় প্রশাসনের একাংশ আশাবাদী যে এবার সমাধানের রাস্তা খুলতে পারে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সম্প্রতি বিমানবন্দরের অপারেশনাল এলাকার ভিতরে মসজিদের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

    কী বলছে মসজিদ কমিটি?

    মসজিদ কমিটির সদস্য আবুল কালাম জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র বাঁকড়ার স্থানীয় মানুষজন এখানে নামাজ পড়তে আসেন। বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। আমরা সবসময় প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করেছি। তল্লাশি, পরিচয়পত্র দেখানো— সব নিয়ম মেনেই চলি। কিন্তু মসজিদ সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়।” বর্তমানে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ১০ থেকে ২৫ জন পর্যন্ত ভক্ত আসেন। শুক্রবার জুমার নামাজে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৮০ হয়। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাহিনী সিআইএসএফ যশোর রোডের গেট থেকে তাঁদের তল্লাশি করে বাসে করে মসজিদে নিয়ে যায় এবং পরে ফেরত পাঠায়।

    ধর্মীয় আবেগ বনাম বিমান নিরাপত্তা

    এই বিতর্কে একদিকে যেমন রয়েছে বহু পুরনো ধর্মীয় স্থাপনার আবেগ, অন্যদিকে তেমনই রয়েছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের প্রশ্ন। প্রশাসন এখন আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খুঁজতে চাইছে। তবে মুসলিম সংগঠনগুলির অবস্থান এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর থাকবে।

  • CM Suvendu Adhikari: “নিয়োগ দুর্নীতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়েছে”, তৃণমূল সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: “নিয়োগ দুর্নীতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়েছে”, তৃণমূল সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নিয়োগ দুর্নীতির কারণে পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়ে গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এ রাজ্যের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়েছে। তাই আগামী দিনে এই ভাবমূর্তি থেকে রাজ্যকে বের করে আনতে হবে।” শনিবার শিয়ালদায় রোজগার মেলার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পরে তা এক এক করে পূরণ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে পদ্ম-সরকার। এবার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিয়েও যে রাজ্যের বিজেপি-সরকার বড় ধরনের চিন্তাভাবনা শুরু (Rojgar Mela) করেছে, শনিবারের রোজগার মেলার মঞ্চে তাও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূল সরকারের সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) 

    দুর্নীতি নিয়ে পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে অনেক বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি, হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ, ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।” এরপরেই নিয়োগে স্বচ্ছতার ওপর জোর দিতে সংস্কারের কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেল, আধাসামরিক বাহিনী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগে কেন্দ্রীয় সরকার যে উদ্যোগী হয়েছে, কেন্দ্রের দেখানো সেই পথেই পশ্চিমবঙ্গে হাঁটবে ডবল ইঞ্জিন সরকার। রাজ্যে যে লিখিত পরীক্ষা হয়, সেই পরীক্ষার ওএমআরের কার্বন কপি প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে দেওয়া উচিত বলেই মনে করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

    কমছে ভাইবা পরীক্ষার নম্বর!

    তিনি বলেন, ‘‘আমাদের উদ্দেশ্য থাকবে ওএমআরের কার্বন কপি পরীক্ষার্থীদের দেওয়া।’’ শুভেন্দু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে অনেক আশা ছিল। সেটা গত কয়েক বছরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের অনেক বদনাম হয়ে গিয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে পরীক্ষা ও নিয়োগ হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে (CM Suvendu Adhikari)।” ভাইবা পরীক্ষায় নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, “ওরাল পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে বলেই মনে করা হয়। তাই সেক্ষেত্রে নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না (Rojgar Mela)।’ তাঁর অভিযোগ, এতদিন কেন্দ্রের পরীক্ষাও রাজ্যে করতে দেওয়া হত না। প্রধানমন্ত্রীর আদর্শ সামনে রেখেই কেন্দ্রীয় সরকারের আদলেই রাজ্য সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে বলেও জানান রাজ্যের পালাবদলের সরকার (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu Adhikari: পশ্চিম বর্ধমানে শিল্পের বিরাট রোড ম্যাপ, রাজ্যে বিকল্প শিল্পাঞ্চল নির্মাণে নতুন কর্মসংস্থানের সাফ ইঙ্গিত

    Suvendu Adhikari: পশ্চিম বর্ধমানে শিল্পের বিরাট রোড ম্যাপ, রাজ্যে বিকল্প শিল্পাঞ্চল নির্মাণে নতুন কর্মসংস্থানের সাফ ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমানে শিল্পের (West Bardhaman Industrial Growth) বিরাট রোড ম্যাপ করতে চলেছে বিজেপি সরকার। রাজ্যে বিকল্প শিল্পাঞ্চল নির্মাণে নতুন কর্মসংস্থানের সাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুর্গাপুরে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। রাজ্যের বর্তমান সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিরা অনুপস্থিত থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই দলগত অনুপস্থিতিকে ‘গণতান্ত্রিক সৌজন্যের অবমাননা’ এবং ‘উন্নয়নমূলক কাজে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা’ বলে জোরালো আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চলের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    দেউচা পাচামির মতো ফ্রড কথাবার্তা বলি না (Suvendu Adhikari)

    এদিন শিল্পাঞ্চল নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “দুর্গাপুরের মানুষকে আমি আশ্বস্ত করতে চাই দুর্গাপুজো বা কালীপুজোর পরে যে কোনও সময় নির্বাচন করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল বা রাজ্য সরকার সাহায্য করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। পঞ্চায়েত, পুরসভা বন্ধ থাকার জন্য সাধারণ মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। পঞ্চায়েত অফিস অধিকার করে রাখার অধিকার কোনও ব্যক্তি বা কোনও দলের নেই। তাই আমরা বলে দিয়েছি পঞ্চায়েতের সচিব গোটা বিষয়টা দেখবে। কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে মিলে কীভাবে এখানে শিল্পে জোয়ার আনতে পারি, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে পারি, এটাও আছে। তবে, আমরা হাততালি কুড়ানোর জন্য দেউচা পাচামির মতো ফ্রড কথাবার্তা বলি না, বলবও না।”

    প্রশাসনিক বৈঠক বয়কট ও মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ (Suvendu Adhikari)

    শিল্পাঞ্চলের (West Bardhaman Industrial Growth) সামগ্রিক পরিকাঠামো, আইনশৃঙ্খলার পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে দুর্গাপুরের এই উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছিল। প্রোটোকল বা প্রশাসনিক নিয়ম মেনেই এলাকার সমস্ত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার পর দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কেরা সজ্ঞানে এই বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন।

    এই প্রসঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত কড়া ভাষায় তাঁর ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, “প্রশাসনিক বৈঠক কোনও রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর কর্মসূচি নয়। এটি সম্পূর্ণভাবে জনগণের স্বার্থে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করার মঞ্চ। সেখানে রাজনৈতিক সংকীর্ণতা বজায় রেখে বৈঠক বয়কট করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন এলাকার মানুষের অভাব-অভিযোগ সরকারের দরবারে তুলে ধরার জন্য; কিন্তু দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে প্রশাসনিক স্তরে সহযোগিতা করার মানসিকতা বর্তমান বিরোধী শিবিরের নেই।”

    জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “কোনও পক্ষের অসহযোগিতার কারণে রাজ্যের উন্নয়ন থমকে থাকবে না। জনপ্রতিনিধিরা না এলেও জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আইন অমান্যকারী বা সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধেও প্রশাসন যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে, সেই বার্তাও এই বৈঠক থেকে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, দুর্গাপুরের এই প্রশাসনিক বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজ্য ও জেলা স্তরের রাজনৈতিক পারদ এক ধাক্কায় অনেকটাই চড়ে গেল।”

    তৃণমূলের পাল্টা যুক্তি ও অভিযোগ

    অন্য দিকে, বৈঠক বয়কটের বিষয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ও বিধায়কদের তরফ থেকেও পাল্টা যুক্তি ও রাজনৈতিক অভিপ্রায় প্রকাশ করা হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের যথোপযুক্ত সম্মান দেওয়া হচ্ছে না এবং প্রশাসনিক বৈঠকগুলিকে আসলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই ধরণের প্রশাসনিক বৈঠকের নামে আসলে বিরোধী দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কোণঠাসা করার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার একটি অলিখিত রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। সেই কারণেই সদ্বিচ্ছার অভাব দেখে এবং প্রোটোকল লঙ্ঘনের প্রতিবাদেই তাঁরা এই বৈঠক থেকে দূরত্ব বজায় রাখার যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, এলাকার মানুষের পাশে তাঁরা সর্বদা আছেন, তবে সরকারি অনুষ্ঠানের মোড়কে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিকে তাঁরা মান্যতা দেবেন না।

    শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুর্গাপুরের মতো (West Bardhaman Industrial Growth) একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক অঞ্চলে এই ধরনের রাজনৈতিক রেষারেষি এবং প্রশাসনিক অসহযোগিতা শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ক্ষতি করবে। এই বৈঠকে এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, কলকারখানার আধুনিকীকরণ, শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা এবং নতুন কর্মসংস্থানের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের একাংশের অনুপস্থিতির কারণে স্থানভিত্তিক অনেক সমস্যা সরাসরি নীতিনির্ধারকদের সামনে উত্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

  • Modi-Suvendu Meeting: পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Modi-Suvendu Meeting: পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Modi-Suvendu Meeting)। মুখ্যমন্ত্রীর হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। শুক্রবার দিনভর দিল্লিতে একাধিক কর্মসূচি ছিল তাঁর। বিকেলের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু। প্রধানমন্ত্রীর হাতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি তুলে দেন তিনি। তাতে ‘বন্দে মাতরম’ লেখা রয়েছে। এ ছাড়াও মোদির হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং আগামী দিনে রাজ্যের অগ্রগতির রূপরেখা নির্ধারণে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সূত্রের খবর, বাংলায় মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক সমন্বয়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

    ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এ পশ্চিমবঙ্গ

    মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পরে শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সেবা করার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই আমার প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। তাঁর উষ্ণ শুভেচ্ছা এবং সর্বোপরি, আমাদের রাজ্যের অগ্রগতির প্রতি তাঁর অবিচল অঙ্গীকারের জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনার সময়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার বিকাশ) এই রূপকল্পের উপর পুনরায় জোর দেন এবং পুনর্ব্যক্ত করেন যে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বছরের পর বছর ধরে চলা স্থবিরতা থেকে পশ্চিমবঙ্গকে উদ্ধার করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্প পুনরুজ্জীবন এবং যুব ক্ষমতায়নের দ্রুত পথে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্য, নির্দেশনা এবং কেন্দ্রীয় সমর্থনের আশ্বাস দেওয়ায় আমি তাঁর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ। কেন্দ্রের আশীর্বাদ এবং জনগণের আস্থায়, আমরা পশ্চিমবঙ্গের জন্য দ্বৈত-ইঞ্জিন প্রবৃদ্ধি, স্বচ্ছ শাসন এবং সামগ্রিক উন্নয়নের এক নতুন যুগের সূচনা করতে প্রস্তুত’।

    রাজনাথের প্রশংসা

    মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রথম বার নয়াদিল্লি গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। দিল্লিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সারলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার ১০টা নাগাদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। দেখা করেন উপরাষ্ট্রপতি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের সঙ্গেও। দেখা করেন সুনীল বনশালের সঙ্গেও। শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে রাজনাথ সিং লেখেন, “বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা হল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর একজন ব্যক্তি তিনি। শুভেন্দু বাংলাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবেন বলেই আমি আত্মবিশ্বাসী।” শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

    রীতি মেনে মোদি-শুভেন্দু সাক্ষাত

    গত ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। তার পরে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন মোদি। তিনি দেশে ফেরার পরেই তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, বিজেপির রীতি অনুযায়ী, দলের কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলে তিনি দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। নিজের রাজ্যের দাবিদাওয়া তাঁর কাছে তুলে ধরেন। মনে করা হচ্ছে, সেই রীতি মেনেই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত সরকারকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বাংলায় ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের উন্নয়নের গতিপথ কোন দিশায় এগোবে, সে বিষয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বিশেষ পরামর্শ দেন মোদি।

    বাংলার উন্নতিতে ডবল ইঞ্জিন সরকার

    রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে শুভেন্দুর সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে। নির্বাচনী প্রচারে এসে মোদির দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। মনে করা হচ্ছে, নতুন সরকার কী কী কাজ করেছে এখনও পর্যন্ত তাঁর হিসেবও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্তমানে ঋণের ভারে জর্জরিত পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজ্যের আয়ের বড় অংশই ঋণের সুদ ও কিস্তি শোধে ব্যয় হচ্ছে। এই আবহে রাজ্যের দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা মেটানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রের পরবর্তী ভাবনা এবং সে ক্ষেত্রে রাজ্যের আশু কর্তব্য কী হতে পারে, তা-ও এই আলোচনায় উঠে এসেছে, বলে খবর। এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প স্থাপন-সহ অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে বড়সড় বিনিয়োগ টানতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আগামী দিনে কীভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করা হবে, তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে সদর্থক আলোচনা হয়।

  • Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। রাজধানীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বাসভবনে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দু’জনের মধ্যে বৈঠক হয়। শুক্রবার সকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন শুভেন্দু। এরপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তাঁর। দুপুরে উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    রাজ্যে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা…

    বাংলায় পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন কবে হবে এবং কোন নেতার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফরকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বাংলার মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা ঘোষণা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।

    সিএএ প্রসঙ্গে কথা…

    শাহ-শুভেন্দু বৈঠকে মন্ত্রিসভা গঠন ছাড়াও সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ এবং সিএএ বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। মন্ত্রিসভায় কাদের জায়গা দেওয়া হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত কথা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক স্তর থেকে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শুধু প্রাক্তন বিধায়ক নন, পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তরে জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

    আলোচনা কাঁটাতার ও সীমান্ত নিয়েও…

    এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণের জন্য জমি সংক্রান্ত অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ কার্যকর করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী হবে, সেই বিষয়টিও বৈঠকে উঠে এসেছে। পাশাপাশি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন অমিত শাহ।

    বিকেলের মোদি-শুভেন্দু বৈঠকে নজর

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রূপরেখা এবং আগামী দিনের প্রশাসনিক পরিকল্পনা নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। নতুন সরকার গত দুই সপ্তাহে কী কী পদক্ষেপ করেছে, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের দাবি তোলা হতে পারে বলেও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় এবং পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প ও অন্যান্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

  • RG kar Case: ৩ সদস্যের সিট গঠিত, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু, আরজি কর মামলায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    RG kar Case: ৩ সদস্যের সিট গঠিত, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু, আরজি কর মামলায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG kar Case) হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মামলায় এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্যাতিতার পরিবারের তোলা অভিযোগ ও দাবিগুলি খতিয়ে দেখতে সিবিআই-কে (CBI) পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই লক্ষ্যে সিবিআই-এর একজন জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট (SIT) গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শুরুর নির্দেশ

    আদালত জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের তদন্ত শুরু করবে সিট। ঘটনার দিন রাতের ডিনার থেকে শুরু করে মৃতদেহ দাহ এবং প্রমান লোপাট সহ সব বিষয়ের তদন্ত হবে। বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, অপরাধের বীভৎসতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২৪ জুন, বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিনই নবগঠিত বিশেষ দলটিকে আদালতে তাদের তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিশদ রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

    পুনরায় পরিদর্শনে যাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা (RG kar Case)

    আদালতের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—

    • ঘটনাস্থল পুনঃপরিদর্শন: সিবিআই-এর (CBI) বিশেষ তদন্তকারী দলকে পুনরায় আরজি কর হাসপাতালের দুর্ঘটনাস্থলে যেতে হবে।
    • পরিবারের সঙ্গে সংযোগ: নির্যাতিতার (RG kar Case) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও আশঙ্কার জায়গাগুলি বিশদভাবে শুনতে হবে।
    • তথ্য পুনর্মূল্যায়ন: মামলার যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ, নথিপত্র এবং পূর্ববর্তী কেস ডায়েরি নতুন করে খতিয়ে দেখতে হবে।

    তদন্তের গতিপ্রকৃতি ও আদালতের পর্যবেক্ষণ

    উল্লেখ্য, এই মামলার শুনানিতে (RG kar Case) ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই-এর কাছে কেস ডায়েরি, অডিও-ভিডিও প্রমাণ এবং আলোকচিত্রসহ সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথি তলব করেছিল। গত মঙ্গলবার প্রাথমিক শুনানির পর আদালত নির্দেশ দেয় যে, বৃহস্পতিবারের শুনানিতে তদন্তকারী আধিকারিককে (IO) সমস্ত নথিসহ সশরীরে হাজিরা দিতে হবে।

    মঙ্গলবার শুনানির সময় ঘটনাস্থলের নিরাপত্তা নিয়ে সিবিআই-কে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। আদালত প্রশ্ন তোলে—তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে বহিরাগতরা অকুস্থলে প্রবেশ করছে? এর পরেই সেমিনার রুমসহ আরজি কর হাসপাতালের সংবেদনশীল অংশগুলি অবিলম্বে সিল করার জন্য দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

    মামলার প্রেক্ষাপট

    প্রায় দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট তারিখে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG kar Case) কর্তব্যরত এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে ইতিমধ্যে আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। তবে মূল তদন্তের কিছু ফাঁকফোকর ও অন্যান্য রহস্য উদঘাটনের দাবি তুলে পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হয় নির্যাতিতার পরিবার।

    আইনি জটিলতার কারণে ইতিপূর্বে হাইকোর্টের তিনটি পৃথক বেঞ্চ এই মামলার শুনানি থেকে একে একে সরে দাঁড়ায়। গত ১২ মে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত শুনানির ওপর জোর দিয়ে এটি ছেড়ে দেন। এরপর প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ সিদ্ধান্ত নেয় যে, নির্যাতিতার পরিবারের সমস্ত আবেদনের শুনানি একটি নতুন ডিভিশন বেঞ্চে হবে। সেই নির্দেশানুসারেই বর্তমানে মামলাটি বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন (CBI) রয়েছে।

  • Belur Math: বেলুড় মঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নিলেন আশীর্বাদ

    Belur Math: বেলুড় মঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নিলেন আশীর্বাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষপদে বসার পর এই প্রথম শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের পুণ্যতীর্থ বেলুড় মঠে (Belur Math) উপস্থিত হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনি বেলুড় মঠে পৌঁছান। সেখানে মঠ ও মিশনের শীর্ষস্থানীয় সন্ন্যাসী ও মহারাজদের সঙ্গে এক অত্যন্ত আন্তরিক বৈঠকে মিলিত হন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর বেলুড় মঠের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আধ্যাত্মিক কেন্দ্রে তাঁর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ভাবগম্ভীর পরিবেশে পুজো ও শ্রদ্ধা নিবেদন (Belur Math)

    মঠে (Belur Math) প্রবেশ করার পর মুখ্যমন্ত্রীকে (Suvendu Adhikari) স্বাগত জানান মিশনের প্রবীণ সন্ন্যাসীরা। এরপর তিনি মূল মন্দিরে গিয়ে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, শ্রীশ্রীমা সারদা দেবী এবং স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিশ্বশান্তি ও রাজ্যের আপামর জনসাধারণের কল্যাণ কামনায় তিনি সেখানে কিছুক্ষণ ধ্যানে মগ্ন থাকেন বলেও মঠ সূত্রে জানা গিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আজ বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে শ্রীশ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, জগজ্জননী মা সারদা ও বীর সন্ন্যাসী স্বামীজির চরণে প্রণাম নিবেদন করলাম। বেলুড় মঠ-এর সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী সুবীরানন্দজি মহারাজ, ও সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রনন্দজি মহারাজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ওনাদের আশীর্বাদ লাভ করার সৌভাগ্য প্রাপ্ত হল। তাঁদের আশীর্বাদ ও সান্নিধ্য লাভ করে আমি ধন্য।’’

    মহারাজদের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক ও আশীর্বাদ গ্রহণ

    পুজো অর্চনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের (Belur Math) বর্তমান অধ্যক্ষ (প্রেসিডেন্ট) এবং অন্যান্য প্রবীণ মহারাজদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মহারাজরা উত্তরীয় পরিয়ে এবং মঠের পবিত্র প্রসাদ ও স্মারক গ্রন্থ তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। বৈঠকে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন, সামাজিক কর্মকাণ্ডে রামকৃষ্ণ মিশনের অবদান এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মহারাজদের কাছ থেকে আশিস প্রার্থনা করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    ‘শান্তি ও প্রেরণার ক্ষেত্র’

    সফর শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “বেলুড় মঠ (Belur Math) সর্বদা আত্মিক শান্তি এবং মানবসেবার এক মহান প্রেরণাভূমি। এখানে এসে মহারাজদের সান্নিধ্য ও আশীর্বাদ লাভ করে আমি ধন্য। স্বামীজির আদর্শকে পাথেয় করেই আমরা রাজ্যের মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে চাই।’’ মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে এদিন বেলুড় মঠ চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছিল। সাধারণ দর্শনার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রেখেছিল হাওড়া সিটি পুলিশ।

  • Howrah Corporation Election: চলতি বছরেই হাওড়া পুরভোট? জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Howrah Corporation Election: চলতি বছরেই হাওড়া পুরভোট? জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষিত হাওড়া পুরসভার নির্বাচন (Howrah Corporation Election) নিয়ে এবার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, প্রশাসনিক সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে চলতি বছরের মধ্যেই হাওড়া পুরনিগমের (Suvendu Adhikari) নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

    হাওড়া ময়দান এলাকার শরৎসদনে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। দীর্ঘদিন ধরে হাওড়া পুরসভার নির্বাচন বকেয়া থাকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রীর এই আশ্বাসের পর তাতে নতুন গতি আসবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ও প্রশাসনিক জটিলতা (Howrah Corporation Election)

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে আইনি জটিলতা এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ (De-limitation) সংক্রান্ত বিতর্কের জেরে হাওড়া পুরসভার নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। বালি পুরসভাকে হাওড়া পুরনিগম থেকে আলাদা করা সংক্রান্ত বিল এবং তৎকালীন রাজ্য প্রশাসনের কিছু অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন রাজভবন ও নবান্নের মধ্যে ফাইল চালাচালি হয়েছিল, যার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া স্তব্ধ হয়ে পড়ে। বর্তমানে পুরপ্রশাসক দিয়ে এই পুরনিগমের দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে, যার কারণে নাগরিকদের পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। পুর নির্বাচনে (Howrah Corporation Election) আসবে গতি।

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস ও রাজনৈতিক বার্তা

    এই অচলাবস্থা নিরসনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কড়া বার্তা দিয়ে জানান, তাঁর সরকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে পুনরুদ্ধার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, “প্রশাসনিক স্তরে যে সমস্ত জটিলতা ও ফাইল আটকে থাকার সমস্যা ছিল, তা দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে। আমি হাওড়াবাসীকে (Howrah Corporation Election) আশ্বস্ত করতে চাই যে, আর দীর্ঘ অপেক্ষা নয়। এই বছরের মধ্যেই আপনারা আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে নতুন পুরবোর্ড গঠন করতে পারবেন।” আপাতত তিনমাসের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যতদিন না ভোট হচ্ছে, ততদিন পর্যন্তও একটা পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। যতগুলি জলাশয় বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করা হবে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাওড়া পুরসভার নির্বাচন শুধু পুরপরিষেবার নিরিখে নয়, রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে মুখ খোলায় নির্বাচন কমিশনও যে দ্রুত প্রস্তুতি শুরু করবে, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট। আগামী দিনগুলিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কী ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ কবে ঘোষণা হয়, এখন সেটাই দেখার।

  • Vande Mataram: রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক, জারি নবান্নের নয়া নির্দেশিকা

    Vande Mataram: রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক, জারি নবান্নের নয়া নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এবার থেকে রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসাতেও ক্লাস শুরুর পূর্ববর্তী প্রার্থনা সভায় ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গানটি গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিকাশ ভবনের পক্ষ থেকে জারি করা একটি সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

    নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ সমস্ত মাদ্রাসা, এসএসকে (শিশু শিক্ষা কেন্দ্র) এবং এমএসকে (মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র)-তে প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় নিয়মিতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের অধিকর্তা কর্তৃক জারিকৃত এই আদেশের অনুলিপি ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত জেলা শাসক (DM), জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (DI), পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপযুক্ত উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরেই এই নির্দেশ জারি করা হল।

    স্কুলের পর এবার মাদ্রাসায় জাতীয়তাবোধের প্রসারে জোর (Vande Mataram)

    এর আগে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার-পোষিত সাধারণ স্কুলগুলিতে ক্লাস শুরুর পূর্বে এই ‘জাতীয় সংগীত’ গাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই একই নিয়ম মাদ্রাসাগুলির (Madrasahs) ক্ষেত্রেও সমভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। স্কুল শিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ‘বন্দে মাতরম’(Vande Mataram)-ও গাইতে হবে। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এই নির্দেশ অত্যন্ত কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এই প্রসঙ্গে গত বৃহস্পতিবার বিধানসভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন যে, আগামী সোমবার (১৮ মে) থেকে রাজ্যের সমস্ত বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে ‘বন্দে মাতরম’ চালু করা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের মনে জাতীয়তাবোধ ও গভীর দেশপ্রেম জাগ্রত করার লক্ষ্যেই রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি নবান্নে গিয়ে এই সমগ্র প্রক্রিয়ার গতিপ্রকৃতি নিজে তদারকি করব। আগামী সোমবার থেকেই সমস্ত বিদ্যালয়ে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া শুরু করতে হবে।”

    ১ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে নিয়ম

    উল্লেখ্য, গত ১৩ মে স্কুল শিক্ষা দফতরের ‘ডিরেক্টর অফ এডুকেশন’-এর পক্ষ থেকে সমস্ত স্কুলপ্রধানদের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, সকালের প্রার্থনা সভায় ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গাওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিয়মিতভাবে এই গানের মাধ্যমে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে। তবে বর্তমানে রাজ্যে তীব্র গরমের কারণে স্কুলগুলিতে গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলায় এই সোমবার থেকে নির্দেশটি সম্পূর্ণ কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। আগামী ১ জুন স্কুল খুললেই এই নিয়ম কঠোরভাবে বলবৎ হবে।

    আর তুষ্টিকরণ নয়, বলল বিজেপি

    মাদ্রাসায় প্রার্থনার সময় বন্দে মাতরম গাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে বঙ্গ বিজেপির তরফে। একইসঙ্গে সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে অফিসিয়াল সমাজমাধ্যমে বিজেপি লিখছে, “এই সিদ্ধান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক ও অভিন্ন নিয়ম প্রতিষ্ঠার বার্তা দিচ্ছে। আর তুষ্টিকরণ নয় বরং সবার জন্য সমান নীতি প্রযোজ্য।”

    কী বলল মাদ্রাসা স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন

    ওয়েস্ট বেঙ্গল মাদ্রাসা স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সভাপতি ফিরোজউদ্দিন সাকি বললেন, ‘‘যে দেশে বাস করি, সেখানকার কানুন মেনে চলাই আমাদের কাছে ধর্মীয় নির্দেশ। সরকারের নির্দেশে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। যারা প্রগতিশীল মুসলিম, শিক্ষিত মুসলিম তাদের কোনও সমস্যা নেই। আমাদের সংগঠনের আওতায় ১১০০ মাদ্রাসা রয়েছে। গরমের ছুটির পর ১ জুন মাদ্রাসাগুলি খুলবে। প্রথমদিন থেকেই শুরু হবে বন্দে মাতরম সঙ্গীত। সারে জাঁহা সে আচ্ছা গাওয়া হত, এবার পাশাপাশি বন্দে মাতরম গানও গাওয়া হবে।’’

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রীতির পরিবর্তন

    এতদিন রাজ্যের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে মূলত জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ গাওয়ার রীতিই প্রচলিত ছিল। ইতিপূর্বে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে, ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটিকে ‘রাজ্য সঙ্গীত’ (State Song)-এর মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানের শুরুতে বা শেষে এই গানটি পরিবেশন করা হত।

    তবে রাজ্যে সাম্প্রতিক সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক রীতিতে বড়সড় বদল এসেছে। বর্তমান সরকারের নতুন নীতি ও নির্দেশিকা মেনে এখন থেকে সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানের সূচনাতেই ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গাওয়া হচ্ছে, যা এবার বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রার্থনা সভাতেও বাধ্যতামূলক করা হল।

    বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর

    ১৮৭৫ সালে ৭ নভেম্বর বঙ্গ দর্শনের প্রকাশিত হয়েছিল বন্দে মাতরম গান। এই গানের স্রষ্টা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। গানটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মূলমন্ত্র। বঙ্গে এই গানের সূচনা হলেও ধীরে ধীরে সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ব্রিটিশ সরকার গানকে নিষিদ্ধ করলেও দমিয়ে রাখতে পারেনি বাংলার বিপ্লবীদের। ২০২৬ সালে এই গান সার্ধশতবর্ষ। তাই গানের মাহাত্ম্যকে সর্বত্র প্রচার করতে সরকারের পদক্ষেপ।

  • Falta Repoll: ছাপ্পা-রিগিং বিতর্কের পর পুনর্নির্বাচনের ফলতায় চলছে ভোটগ্রহণ, সকাল থেকেই বুথে বুথে লাইন ভোটারদের

    Falta Repoll: ছাপ্পা-রিগিং বিতর্কের পর পুনর্নির্বাচনের ফলতায় চলছে ভোটগ্রহণ, সকাল থেকেই বুথে বুথে লাইন ভোটারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে আজ, বৃহস্পতিবার ২১ মে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। এই কেন্দ্রের মোট ২৮৫টি বুথে পুনরায় ভোট নেওয়া হচ্ছে। মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার। আগামী ২৪ মে ভোটগণনা হবে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, ২৯ এপ্রিলের ভোটে একাধিক অনিয়ম ও ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার অভিযোগের জেরে গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ভোটে অনিয়মের অভিযোগ

    গত ২৯ এপ্রিল ছিল রাজ্যের শেষ দফার বিধানসভা নির্বাচন। সেই দিন ফলতা কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথ থেকে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, একাধিক ইভিএমে আতর, কালি ও টেপ লাগানো হয়েছিল। কোথাও বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ জমা পড়ে। ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোট দিতে বাধা দেওয়া এবং ভুয়ো ভোটারের মাধ্যমে অন্যের হয়ে ভোট দেওয়ার মতো অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও বেশ কিছু বুথে সিসিটিভি বা ভিডিও রেকর্ডিং পাওয়া যায়নি বলে জানা যায়। কোথাও দীর্ঘ সময় নজরদারি ব্যবস্থা বন্ধ ছিল বলেও অভিযোগ ওঠে। কিছু বুথে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মীদের অযাচিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত

    ফলতা থেকে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসার পর পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, পরিস্থিতি বিচার করে নির্বাচন কমিশনের উচিত পুনরায় ভোট করানো। পরে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভোটের দিন সকালে কয়েকটি বুথে ক্যামেরা বন্ধ ছিল এবং পরে “টেপ রিমুভড” বলে তথ্য দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যেই বিপুল ভোট পড়ে যায় বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশন জানায়, ফলতায় “স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক ভোটপ্রক্রিয়া” বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই কেন্দ্রের সবকটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    পুনর্নির্বাচন ঘিরে ফলতায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে খবর, আগের ভোটের তুলনায় নিরাপত্তা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। এবার প্রতিটি বুথে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (CAPF) জওয়ান মোতায়েন থাকবেন। গত ২৯ এপ্রিল বুথপিছু মাত্র ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। মোট ২৮৫টি বুথের জন্য প্রায় ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩০টি কুইক রেসপন্স টিম (QRT) প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    ওয়েবকাস্টিং ও ড্রোন নজরদারি

    প্রতিটি বুথের ভেতরে দুটি এবং বাইরে একটি করে ওয়েব ক্যামেরা বসানো হয়েছে। গোটা ভোটপ্রক্রিয়ার লাইভ ওয়েবকাস্টিং করা হচ্ছে, যা জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়া তদারকির জন্য তিন জন বিশেষ নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    ভোটের আগে সরে দাঁড়ালেন জাহাঙ্গির

    পুনর্নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগেই ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, তিনি আর এই নির্বাচনে লড়ছেন না। নিজেকে “ফলতার ভূমিপুত্র” উল্লেখ করে জাহাঙ্গির বলেন, তিনি চান ফলতায় শান্তি ও উন্নয়ন বজায় থাকুক। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উন্নয়ন প্যাকেজের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    রাজনৈতিক সমীকরণে বদল

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একসময় ফলতার রাজনীতিতে জাহাঙ্গির খানের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। কিন্তু এবারের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। এলাকায় তৃণমূল বিরোধী সুর জোরালো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রোড শোও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, প্রচারের পুরো পর্বে জাহাঙ্গির খানের সমর্থনে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিও রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই তাঁর ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো নতুন করে জল্পনা তৈরি করে।

LinkedIn
Share